মেষ/ ARIES: সামাজিক স্বীকৃতি পেতে পারেন আজ। বৃষ/ TAURUS: অনেক দিনের কোনও বাসনা পূরণ হবে। মিথুন/ GEMINI : অযথা ব্যয় হয়ে যেতে পারে। কর্কট/ CANCER : কোনও কারণে গঞ্জনা ভোগ করতে হতে পারে। সিংহ/ LEO: আজ প্রণয়াসক্তি হতে পারে। কন্যা/ VIRGO: কোনও কারণে শোকগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। তুলা/ LIBRA: কোনও কারণে বিরক্তির উদ্রেক হতে পারে। বৃশ্চিক/ Scorpio: শুভ প্রয়াস করতে পারেন আজ। ধনু/ SAGITTARIUS: সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারেন। মকর/ CAPRICORN: আজ সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। কুম্ভ/ AQUARIUS: আজ শত্রুহানি হতে পারে। মীন/ PISCES : পিঠের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।
অসম-মিজোরাম সীমান্তের সংঘর্ষে মৃত্যু অসমের ৬ পুলিশকর্মীর। সোমবার দুপুরে ওই অশান্তির পর টুইট করে এই খবর জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি জানিয়েছেন অসম পুলিশের ৬ জওয়ান নিহত হয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সাংবিধান নির্ধারিত সীমান্ত রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এই ছয় পুলিশকর্মীর। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলঘটনার সূত্রপাত রবিবার রাতে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় আট কৃষকদের ঘর জ্বালিয়ে দেয় কিছু দুষ্কৃতী। তারপরই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় সীমান্তবর্তী ওই এলাকা। মিজোরাম পুলিশের ডিআইজি লালবিয়াকথাঙ্গা খিয়াংলে জানিয়েছেন, ওই আট কৃষকদের ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও সেখানে কেউ ছিলেন না। সেই ঘটনা ঘটে গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১১ টা নাগাদ। এই ঘরগুলি অসমের সীমান্তবর্তী গ্রাম ভাইরেংলের কৃষকদের। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তদন্ত চলছে।আরও পড়ুনঃ চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশের ৫ রাজ্যের করোনা সংক্রমণঅভিযোগ, গত ১১ জুলাই মিজোরামের এক কৃষকের খেত, বাগানও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়েই অশান্তি শুরু হয়। সীমান্তের দিকে লাঠি নিয়ে ছুটে যায় দুই রাজ্যেরই কিছু লোক। এরপরই সীমান্ত পরিদর্শনে যাওয়া অসম সরকারের একটি টিমের গাড়ি লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়া হয়। পরপর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে সে দিন। আর তারপর থেকে জারি আছে অশান্তি। দিন দুয়েক আগেই উত্তর-পূর্বের সব মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ। আর তারপরই আজকের এই ঘটনা।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩এ দিন অশান্তির পর মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা টু্ইটে লিখেছেন, এ সব এখনই বন্ধ হওয়া উচিৎ। অমিত শাহকে বিষয়টিতে নজর দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। অন্য একটি টুইটে তিনি দেখিয়েছেন, অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন এই ঘটনায়। তাঁর দাবি, নিরপরাধ মানুষকে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে দুষ্কৃতীদের হাতে। অন্যদিকে, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও টুইটে অমিত শাহকে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন।
যখন খেলতেন, কখনও শৃঙ্খলাভঙ্গ করেননি। সময়মতো অনুশীলনে আসা, শালীনতা বজায় রাখা, সবকিছুই মেনে চলতেন। তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে তিনি ছিলেন আদর্শ। নিজের সেই মানসিকতা ছাত্রদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে চান লক্ষ্মীরতন শুক্লা। অনূর্ধ্ব ২৩ দলের অনুশীলনের প্রথম দিনই ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে হেড স্যারের মতো কড়া বার্তা দিলেন বাংলার এই কোচ। নায়কোচিত মানসিকতা বাদ দিয়ে মাঠে বেশি ফোকাসের আহ্বান। দায়িত্ব নিয়ে প্রথম দিনেই লক্ষ্মীরতন শুক্লা বুঝিয়ে দিলেন, শৃঙ্খলাই তাঁর কাছে শেষ কথা।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতএ বছরই তাঁকে বাংলার অনূর্ধ্ব২৩ দলের দায়িত্ব দিয়েছে সিএবি। সোমবার ৬০ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে ফিটনেস শিবির শুরু করে দিলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ছিলেন বোলিং কোচ শিবশঙ্কর পাল এবং স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ সাবির আলি। প্রথম দিনের অনুশীলনে ক্রিকেটারদের বুঝিয়ে দিলেন তিনি ঠিক কী চান।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলপ্রথম দিন ক্রিকেটারদের পরামর্শ দেওয়ার প্রসঙ্গে লক্ষ্মী বলেন, ক্রিকেটারদের বলেছি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে। শালীনতা বজায় রাখতে হবে, শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে। লম্বা চুল রাখা যাবে না। যাদের বড় বড় চুল আছে, অবিলম্বে সেলুনে যেতে হবে। সৌরভ, শচীন, ফেডেরারের মতো তারকাদের দেখুন। কখনও লম্বা চুল রেখেছে? প্রত্যেকে দারুণ শৃঙ্খলাপরায়ণ ছিলেন বলেই সর্বোচ্চ পর্যায়ে সাফল্য পেয়েছেন। আর একটা জিনিসের ওপর জোর দিতে বলেছি, বাংলা ভাষা ভালভাবে শিখতে। না হলে দলের মধ্যে একাত্মবোধ বাড়বে না।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলসিএবি তাঁকে সিনিয়র দলের সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্মী সিএবি কর্তাদের জানিয়েছিলেন, জুনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়েই কাজ করতে চান। তাঁর লক্ষ্য বাংলা থেকে জাতীয় দলের জন্য ক্রিকেটার তৈরি করা। লক্ষ্মী বলেন, আমি কোচ নই, পথপ্রদর্শক। ক্রিকেটারদের সাহায্যকারী। ওদের গড়ে উঠতে সাহায্য করতে চাই। আমি চাই বাংলা থেকে এমন ক্রিকেটার তৈরি করতে, যারা দেশের হয়ে খেলতে পারে। কোনও নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে বিশ্বাসী নন লক্ষ্মী। তাঁর কথায়, সৌরভ গাঙ্গুলিকে দেখেছি। কোনও নির্দিষ্ট পদ্ধতি নিয়ে খেলত না। পরিকল্পনা অবশ্যই করতে হবে। তবে পরিকল্পনা করে সেঞ্চুরি আসে না কিংবা ৫ উইকেট পাওয়া যায় না। সবথেকে বড় কথা, নিজেকে ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিতে হবে।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলার সময় চোট পেয়ে ছিটকে গেছেন শুভমান গিল। তখনও শোনা গিয়েছিল দেশ থেকে পরিবর্ত ক্রিকেটার পাঠানো হবে। এই নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাহলে অভিমন্যু ঈশ্বরণকে কেন স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে? প্রশ্ন ওঠায় অবশেষে বাংলার এই ওপেনারকে টেস্ট স্কোয়াডে নেওয়া হল। তাঁকে টেস্ট দলে নেওয়ার কথা সরাকারিভাবে জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পাশাপাশি সূর্যকুমার যাদব ও পৃথ্বী শকেও ইংল্যান্ড পাঠানোর কথা সরকারিভাবে জানিয়েছে বোর্ড।আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল সূর্যকুমার যাদব ও পৃথ্বী শকে ইংল্যান্ডে পাঠানো হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ এক প্রেস বিবৃতিতে বলেছেন, ইংল্যান্ডে সফররত ভারতীয় দলের তিন ক্রিকেটার চোট পেয়েছে। পরিবর্ত হিসেবে সূর্যকুমার ও পৃথ্বীকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচকরা। অভিমন্যু ঈশ্বরণকে মূল স্কোয়াডে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। অভিমন্যুকে টেস্ট দলে অন্তর্ভূক্ত করায় ভারতীয় দলে একসঙ্গে বাংলার ৩ ক্রিকেটার সুযোগ পেলেন। আগে থেকেই দলে রয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা ও মহম্মদ সামি।ওপেনার শুভমান গিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলার সময়ই চোট পেয়ে ছিটকে গেছেন। রিহ্যাবের জন্য তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। ডারহামে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর ও আবেশ খান। ভারতের সঙ্গে কাউন্টি সিলেক্ট একাদশের হয়ে খেলতে নামা অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর সিরাজের বলে চোট পান। ইঞ্জেকশন নিয়েও ব্যথা না কমায় তিনি বোলিং করতে পারছেন না। তাই তিনিও খেলতে পারবেন ইংল্যান্ড সিরিজে। ওই প্রস্তুতি ম্যাচেরই প্রথম দিন হনুমা বিহারীর শট রুখতে গিয়ে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পান আবেশ খান। এক্স-রে করার পর ফ্র্যাকচার নিশ্চিত হতেই তিনিও ছিটকে গিয়েছেন সিরিজ থেকে। আবেশ স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলের সঙ্গে ছিলেন।মাঝে শোনা গিয়েছিল ওয়াশিংটনের পরিবর্ত হিসেবে অফস্পিনার জয়ন্ত যাদবকে ইংল্যান্ডে পাঠানো হবে। বোর্ড জানিয়েছে, এই মুহূর্তে তাঁকে পাঠানোর প্রয়োজন নেই। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ খেলেই সূর্যকুমার ও পৃথ্বী লন্ডন উড়ে যাবেন। এই দুই ক্রিকেটার কলম্বোর জৈব সুরক্ষা বলয় থেকে লন্ডনে জৈব সুরক্ষা বলয়ে স্থানান্তরিত হবেন।
অলিম্পিকে পদকের স্বপ্ন নিয়েই এবার টোকিও পাড়ি। সেই স্বপ্নের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা শরথ কমল। পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়াকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে পুরুষদের সিঙ্গলসের তৃতীয় রাউন্ডে পৌছে গেলেন। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমলের থেকে বেশ কয়েকধাপ পিছিয়ে পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমল রয়েছেন ৩২ নম্বরে। অন্যদিকে, থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া রয়েছেন ৫৬ নম্বরে। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও শরথ কমলকে যথেষ্ট বেগ দিয়েছিলেন পর্তুগালের এই তারকা।প্রথম গেমে শরথ কমলকে দাঁড়াতেই দেননি থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। ১১২ পয়েন্টে গেম জিতে নেন। জড়তা কাটিয়ে দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ফিরে আসেন শরথ কমল। ১১৮ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন শরথ কমল। ১১৫ পয়েন্টে তৃতীয় গেম জিতে নেন। চতুর্থ গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। দুর্দান্ত লড়াই করে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান।ম্যাচে সমতা ফেরায় পরই যেন সম্বিত ফেরে শরথ কমলের। পঞ্চম গেমে আবার জ্বলে ওঠেন। ১১৬ পয়েন্টে জিতে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ষষ্ঠ গেমে অবশ্য লড়াই দারুণ জমে উঠেছিল। একসময় স্কোর ছিল ৯৯। সেখান থেকে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান শরথ কমল। তৃতীয় রাউন্ডে তাঁর সামনে চীনের মা লং।২০০৪ সালে এথেন্স অলিম্পিকে প্রথম খেলার সুযোগ পান শরথ কমল। সাফল্য পাননি। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকেও সেই ব্যর্থতা। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে খেলার ছাড়পত্র পাননি। এশিয়ান কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে ইরানের নোশাদ আলামিনানকে হারিয়ে ২০১৬ রিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু রোমানিয়ার আদ্রিয়ান ক্রিসানের কাছে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল শরথ কমলকে। ভাল প্রস্তুতি নিয়েই যে এবার টোকিও অলিম্পিকে গিয়েছেন শরথ কমল, প্রথম রাউন্ড থেকেই প্রমাম দিয়ে যাচ্ছেন।
টোকিও অলিম্পিকে পুরুষদের সিঙ্গলসের দ্বিতীয় রাউন্ডে থেকেই বিদায় নিলেন সুমিত নাগাল। রাশিয়ার ড্যানিল মেদডেভেদের কাছে ৬২, ৬১ ব্যবধানে হারলেন ভারতের এই টেনিস তারকা। বিশ্বের ২ নম্বর তারকার সামনে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি সুমিত।প্রথম রাউন্ডে উজবেকিস্তানের ডেনিস ইস্টোমিনকে ৬৪, ৬৭ (৬), ৬৪ ব্যবধানে হারিয়েছিলেন সুমিত নাগাল। ২৫ বছর পর অলিম্পিকে পুরুষদের সিঙ্গলসে জিতে নজির গড়েছিলেন। ১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন লিয়েন্ডার পেস। অলিম্পিকে সেটাই ছিল কোনও ভারতীয় টেনিস তারকার শেষ জয়। সুমিত নাগাল প্রথম রাউন্ডে জিতলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে জ্বলে উঠতে পারলেন না।ড্যানিল মেদডেভেদের সঙ্গে সুমিত নাগালের লড়াই ছিল অসম। মেদডেভেদের বর্তমান বিশ্ব র্যাঙ্কিং ২। আর ভারতের সুমিত নাগাল রয়েছেন ১৪৪ নম্বরে। অসমও লড়াইয়ে পেরে ওঠার কথা ছিল না সুমিতের। মেদভেদেভের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি। প্রথম সেট ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন মেদভেদেভ। প্রথম সেটের শুরুতেই সুমিত নাগালের সার্ভিস ভেঙে এগিয়ে যান এই রাশিয়ান টেনিস তারকা। পরে আরও ৩ বার সার্ভিস ভাঙেন।দ্বিতীয় সেটেও ছবিটা বদলায়নি। সেই মেদভেদেভের আধিপত্য। সুমিত নাগালের সার্ভিস ভাঙার পর নিজের সার্ভিস ধরে রেখে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে এগিয়ে যান। ম্যাচের শুরু থেকেই সার্ভিসে সমস্যা হচ্ছিল সুমিতের। বেশ কয়েকবার ডাবল ফল্ট করেন। শেষ পর্যন্ত ৬১ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন মেদভেদেভ। পৌঁছে গেলেন তৃতীয় রাউন্ডে।এদিকে, অলিম্পিক পদকের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন নাওমি ওসাকা। তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেছেন জাপানের এই মহিলা টেনিস তারকা। দ্বিতীয় রাউন্ডে হারিয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের ভিক্টোরিজা গোলুবিচকে। খেলার ফল ৬৩, ৬২। ওসাকার সামনে দাঁড়াতেই পারেননি গোলুবিচ।
মহিলাদের তীরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে হতাশ করেছিলেন দীপিকা কুমারী। মিক্সড ইভেন্টেও ব্যর্থতা। র্যাঙ্কিং রাউন্ডেও অনেক পেছনে শেষ করেছিল ভারতীয় তীরন্দাজরা। পুরুষদের দলগত বিভাগে দুর্দান্ত শুরু করেও শেষরক্ষা হল না ভারতের। কাজাখস্তানকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন অতনু দাসরা। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে রিপাবলিক কোরিয়ার কাছে ০৬ ব্যবধানে হেরে অলিম্পিকে পদক জয়ের আশা শেষ ভারতীয় পুরুষ দলের। এলিমিনেশন রাউন্ডে এদিন কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন অতনু দাস, প্রবীণ যাদব ও তরুণদীপ রাই। অতনু দাসরা প্রথম সেটে স্কোর করেন ৫৫। কাজাখস্তানের স্কোর ৫৪। প্রথম সেট জিতে ২ পয়েন্ট ঘরে তোলে ভারত। দ্বিতীয় সেটেও অতনুদের দাপট অব্যাহত ছিল। ভারত স্কোর করে ৫২, অন্যদিকে কাজাখস্তানের স্কোর ৫০। দ্বিতীয় সেট জিতে আরও ২ পয়েন্ট ঘরে তোলেন ভারতীয় তীরন্দাজরা। তৃতীয় সেটে অবশ্য কাজাখস্তান এগিয়ে যায়। কাজাখস্তান স্কোর করে ৫৭। ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৫৬। তৃতীয় সেট জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে ব্যবধান কমায় কাজাখস্তান। চতুর্থ সেটে অবশ্য প্রতিপক্ষকে কোনও সুযোগই দেননি অতনুরা। ৫৫৫৪ ব্যবধানে জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে যান। ৬২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় ভারত। কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথম সেটে ৫৯৫৪ স্কোরে জিতে ২ পয়েন্ট পেয়ে এগিয়ে যায় কোরিয়া। দ্বিতীয় সেটেও সেই কোরিয়ার আধিপত্য। কোরিয়া স্কোর করে ৫৯, ভারত ৫৭। তৃতীয় সেটে কোরিয়ার স্কোর ৫৬, ভারতের ৫৪। ৬০ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যায় কোরিয়া। টোকিও অলিম্পিকের যে যে ইভেন্ট থেকে ভারতের পদকে আশা রয়েছে, তার মধ্য তীরন্দাজি অন্যতম। অথচ এই বিভাগের শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। র্যাঙ্কিং রাউন্ডে অনেকটাই পিছিয়ে শেষ করেন ভারতীয় তীরন্দাজরা। মিক্সড ইভেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে হেরে বিদায় নেয় বিশ্বের এক নম্বর মহিলা তীরন্দাজ দীপিকা কুমারী ও প্রবীণ যাদব জুটি। ফলে পুরুষদের দলগত ইভেন্ট ভারতীয় আর্চারদের কাছে প্রমাণ করার মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাপ নিয়েই এদিন কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন অতনু রাইরা।
প্রথম রাউন্ডে সুইডেনের লিসা বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন সুতীর্থা মুখার্জি। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের ফু ইউয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিলেন এই বাঙালি টেবিল টেনিস তারকা। ৪০ ব্যবধানে সুতীর্থাকে উড়িয়ে জিতলেন ফু ইউ। বয়স যে কোনও বাধা নয়, প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগালের প্যাডলার। অভিজ্ঞতা দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন ফু ইউ।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপ্রথম রাউন্ডে বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে দেশবাসীর প্রত্যাশা বাড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। আরও একটা অঘটনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে একেবারেই জ্বলে উঠতে পারলেন না। পর্তুগালের ফু ইউয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। বলতে গেলে অভিজ্ঞতার কাছে হারতে হল সুতীর্থাকে। তার ওপর জীবনের প্রথম অলিম্পিক। চাপ তো ছিলই। সেই চাপ থেকেও বেরিয়ে আসতে পারেননি এই বাঙালী টেবিল টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ফু ইউয়ের। প্রথম গেমে মাত্র ৩টি পয়েন্ট সংগ্রহ করতে সমর্থ হন সুতীর্থা। তাও আবার তিনটি পয়েন্টই এসেছিল ফু ইউয়ের ভুলের জন্য। প্রথম গেম ১১৩ ব্যবধানে জিতে নেন ফু ইউ। দ্বিতীয় গেমেও সুতীর্থাকে দাঁড়াতেই দেননি ৪২ বছর বয়সী চীনা বংশোদ্ভুত এই পর্তুগালের টেবিল টেনিস তারকা। ১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুকোচ সৌম্যদীপ রায়ের পরামর্শ নিয়ে তৃতীয় গেমে শুরুর দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সুতীর্থা। কিন্তু তাঁকে কোনও সুযোগ দেননি। ফু ইউ। ১১৫ ব্যবধানে জিতে ৩০ গেমে এগিয়ে যান। চতুর্থ গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন ফু ইউ। ১১৫ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান বর্ষীয়ান এই টেবিল টেনিস তারকা। সুতীর্থা বিদায় নেওয়ায় টেবিল টেনিসে ভারতের আশা শুধু শরথ কমল ও মনিকা বাত্রা। কিন্তু মনিকা যেভাবে বিতর্কে জড়িয়ে ফোকাস হারাচ্ছেন, কতদূর এগোবেন বলা কঠিন।
মেষ/ ARIES: আজকের দিনটি আপনার ব্যয়বাহুল্যের মধ্যে কাটবে।বৃষ/ TAURUS: আজ অর্থাগম হতে পারে। মিথুন/ GEMINI : শত্রুতায় ক্ষতি হতে পারে। কর্কট/ CANCER : আর্থিক চিন্তা বৃদ্ধি পাবে। সিংহ/ LEO: আজ ভ্রমণযোগ রয়েছে। কন্যা/ VIRGO: আজ অপচয়ের যোগ রয়েছে। তুলা/ LIBRA: পরোপকারের কারণে ব্যয় হতে পারে। বৃশ্চিক/ Scorpio: কোনও বাহন ক্রয়ের ইচ্ছা হতে পারে। ধনু/ SAGITTARIUS: বিশ্বাসঘাতকতার মুখে পড়তে পারেন। মকর/ CAPRICORN: আজ পদোন্নতি হতে পারে। কুম্ভ/ AQUARIUS: কর্তব্যে ত্রুটি দেখা দিতে পারে। মীন/ PISCES : স্নায়ুরোগে কষ্ট পেতে পারেন।
বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম হলেন অন্তত দশ জন। জখমদের একজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ ব্লকের পলাশন গ্রামে। খবর পেয়ে এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও র্যাফ বাহিনী ঘটনা পৌঁছায়। গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে যাওয়া পুলিশকে হেনস্থা ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরেই পুলিশ ধরপাকড় অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। চলছে পুলিশের টহলদারি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কাসেদ শেখের সঙ্গে ব্লকের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আবু আওয়াল গোষ্ঠীর বিরোধ দীর্ঘ দিনের। মেমারির বড়পলাশন ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুবি খাতুন ও তাঁর স্বামী আবু আওয়ালের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার এলাকায় বিজয় মিছিল হয়। তারই পাল্টা হিসেবে এদিন দুপুরে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুতের কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদের নেতৃত্বে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। পলাশন গ্রাম ঘুরে মিছিলটি মির্জাপুরের দিকে যাওয়ার সময়েই তৃণমূলের ওই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মারপিট আটকাতে গেলে পুলিশও হেনস্থার শিকার হয়। এমনকি পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ পেয়ারা বিক্রেতা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরাবিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষের অনুগামী বলে পরিচিত গোলাম আকবর চৌধুরির অভিযোগ, তাঁদের বিজয় মিছিল পলাশন গ্রাম ঘুরে মির্জাপুরের দিকে এগোচ্ছিল। ওই সময় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী আবু আওয়াল সহ ১২-১৩ জন লাঠি, বাঁশ নিয়ে পিছন দিক দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিজয় মিছিলে আক্রমণ চালায় । তাতে বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদ সহ ৬-৭ জন জখম হয়েছেন। আবু আওয়ালের লোকজন বিজয় মিছিলে থাকা বেশ কয়েকটি টোটোও ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে ।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাযদিও আবু আওয়ালের অনুগামিদের অভিযোগ, বিজয় মিছিলের নামে পলাশন গ্রামে ঢুকে দলীয় কার্যালয় থেকে বের করে প্রধানের স্বামী আবু আওয়ালকে মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও কয়েকজন জখম হয়েছে। আবু আওয়ালের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান রুবি খাতুনের অভিযোগ,পরিকল্পনা করে বিজয় মিছিল থেকে লাঠি-টাঙি নিয়ে আক্রমণ চালানো হয়েছে।বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ জখম থাকায় তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পওয়া যায়নি।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, এলাকা থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একদিনের সিরিজের পর টি২০ সিরিজেও ভারতের দাপট অব্যাহত। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৩৮ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। দুরন্ত বোলিং করে দলকে জেতালেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২২ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন সূর্যকুমার যাদবআরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরটসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা। মেঘলা আবহাওয়া ও মন্থর উইকেটের কথা মাথায় রেখেই তিনি প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অধিনায়কের সিদ্ধান্তর মর্যাদা দেন দুষ্মন্ত চামিরা। দিনের প্রথম বলেই তুলে নেন টি২০ ক্রিকেটে অভিষেককারী পৃথ্বী শকে (০)। শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান ও সঞ্জু স্যামসন। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান সঞ্জু (২০ বলে ২৭)। ভারতের রান তখন ৫১/২।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেধাওয়ানের সঙ্গে পরে সূর্যকুমারের জুটি বেশ জমে উঠেছিল। মন্থর উইকেটে নিজেদের সেরা শট খেলতে পারছিলেন না ধাওয়ান ও সূর্যকুমার। ৩৬ বলে ৪৬ রান করে করুণারত্নের বলে আউট হন ধাওয়ান। পরের ওভারেই হাসারাঙ্গার বলে ফেরেন সূর্যকুমার। ৩৪ বলে তিনি করেন ৫০। সূর্যকুমারের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ২টি ৬। টি২০ সিরিজেও খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারলেন না হার্দিক পান্ডিয় (১২ বলে ১০)। ১৪ বলে অপরাজিত ২০ রান করে ভারতকে ২০ ওভারে ১৬৪/৫ রানে পৌঁছে দেন ঈশান কিশান।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মিনোড ভানুকাকে (৭ বলে ১০) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে (১০ বলে ৯) ফেরান যুজবেন্দ্র চাহাল। আভিস্কা ফান্দান্দোকে (২৩ বলে ২৬) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। চরিথ আসালঙ্কা ও আশেন বান্দারা দলকে টেনে নিয়ে যান। বান্দারাকে (১৯ বলে ৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হার্দিক পান্ডিয়া। আসালঙ্কাকে (২৬ বলে ৪৪) দীপক চাহার তুলে নিতেই শ্রীলঙ্কার জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ১৮.৩ ওভারে ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।
আন্তজার্তিক ধান গবেষণায় বড় সুযোগ পেয়ে বিদেশে পাড়ি দিতে চলেছেন পূর্ব বর্ধমানের আকাশ দত্ত। ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সুযোগ পেয়েছেন আকাশ। এশিয়া মহাদেশে এই ধান গবেষণার জন্য মধ্যে মাত্র ২ জন সুযোগ পেয়েছেন। আকাশ যার মধ্যে অন্যতম।আরও পড়ুনঃ করোনায় প্রাণ গিয়েছে ২,৯০৩ জন রেলকর্মীরওডিশার শিক্ষা ও অনুসন্ধান কলেজ থেকে এগ্রিকালচার নিয়ে স্নাতক করার সময়ই স্বপ্ন বোনা শুরু। এরপর নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন থেকে স্নাতকোত্তর করার পরই বিভিন্ন জায়গায় গবেষণার জন্য আবেদন জানাতে শুরু করেছিলেন। অবশেষে সুযোগ আসে। ১০০ শতাংশ স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ ইলিওনিস, আর্বানা শ্যাম্পেইনে গবেষণার সুযোগ আসে। জনতার কথা-র সঙ্গে আলাপচারিতায় আকাশ জানান, মূলত উন্নতমানের ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে জেনেটিক্স প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করবেন তিনি। ক্রমশ পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ও খরাপ্রবণ এলাকায় যাতে কম জলে, কম সময়ের মধ্যে ধান গাছের জেনেটিক্স ম্যানিপুলেশন ঘটিয়ে ভালো ফলন করা যায়, তাই তাঁর এই স্বর্ণ ধান গবেষণার বিষয়।মূলত, পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদন হয় এমন ধান নিয়েই গবেষণা করতে চান বর্ধমানের তরুণ। এছাড়াও, পঞ্জাব, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো জায়গাতে এই ধরনের ধানেরই মূলত চাষ হয়ে থাকে বলে জানান আকাশ। ফলে তাঁর এই গবেষণায় শুধু রাজ্য নয়, উপকৃত হতে চলেছে সারা দেশও।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনআন্তজার্তিক ক্ষেত্রে আকাশের এমন সাফল্যে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসীত তাঁর পরিবারের সদস্য, পাড়া প্রতিবেশী ও বন্ধুবান্ধবেরাও। আপাতত বিদেশযাত্রার তোড়জোড় চলছে বর্ধমানের বাড়িতে। গত জুন মাসে গবেষণার সুযোগ পাওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকেই বাড়িতে উৎসবের পরিবেশ।অগস্ট মাসেই সম্ভবত আকাশের স্বপ্নের উড়ান শুরু হতে চলেছে বলেও জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের গর্ব।
জীবনে একটু সাফল্য পেলেই অনেকের মাথা ঘুরে যায়, মাটিতে পা পড়ে না। সমাজে এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। প্রতিবেশীদের মধ্যে মিলবে, এমন লোকজন মিলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-কাছারী সর্বত্র। কত সহজে মানুষের সঙ্গে মেশা যায়, মানবিক ও ব্যতিক্রমী মানসিকতার পরিচয় দিলেন রাজ্যের এক পুলিশ কর্তা। তাঁর নিরহংকারী মানসিকতার জন্য প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নেটনাগরিকরা।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেরবিবার ছুটির দিনে বহরমপুরে ভ্যানে করে পেয়ারা বিক্রি করতে দেখা গেল লালবাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে। রীতিমতো বাদিকে এক কেজির বাটখারা, ডানদিকে পেয়ারা রেখে দাঁড়িপাল্লায় ওজন মাপছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তন্ময় সরকার। কী ভাবছেন? পুলিশ কর্তা সত্যি কি পেয়ারা বিক্রি করেছেন? অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পেয়ারা বিক্রি করার ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই ভাইরাল হয়ে যায়। সকলেই বাহবা দেন ওই পুলিশ কর্তাকে। প্রশংসার বন্যা বয়ে যায় কমেন্ট বক্সে।ওই পোস্ট থেকে জানা গিয়েছে, এদিন লালবাগের পুলিশ আধিকারিক তন্ময় সরকার বহরমপুরে বাজার করতে গিয়েছিলেন। ভ্যানে পেয়ারা বিক্রি করছিলেন এক বিক্রেতা। তিনি ক্যাজুয়াল ড্রেসে থাকা তন্ময় সরকারকে বলেন, দোকানটা একটু দেখুন। আমি টিফিন করে আসছি। সুযোগ পেয়েই পুলিশ কর্তা হাতে দাঁড়িপাল্লা নিয়ে নেন। একের পর এক খদ্দেরকে পেয়ারা বিক্রি করতে থাকেন রীতিমতো দোকানীর মতো। প্রায় ২০ মিনিট এভাবেই পেয়ারার দোকান সামলে নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরনেটনাগরিকরা এই ছবি দেখে স্যালুট জানিয়েছেন পুলিশ কর্তাকে। বাহবা দিয়েছেন প্রত্যেকে। উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তার এই ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত নেটনাগরিকরা। মনুষ্যত্ব ও নিরহংকারী মানসিকতার জন্য ওই পুলিশ কর্তাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সকলে।
টোকিও অলিম্পিকে গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচেই মুখ থুবড়ে পড়ল ভারতীয় হকি দল। অস্ট্রেলিয়ার কাছে বিধ্বস্ত হল ৭১ ব্যবধানে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়া অবস্থায় দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটাতে পেরেছিল সহঅধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং ও গোলকিপার শ্রীজেশের জন্য। এদিন অবশ্য তেমন জ্বলে উঠতে পারেননি এই দুই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। আর বিশ্বের সেরা দল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কাজটাও সহজ ছিল না। তবু নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। প্রথম কোয়ার্টারের শুরুর দিকে সমানতালে পাল্লা দিচ্ছিল ভারত। ৮ মিনিটের মাথায় একটা পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে নিয়েছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি হরমনপ্রীত কাউর। ২ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার পায় অস্ট্রেলিয়া। জেমস ব্যালে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথম কোয়ার্টারে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া।Not a great day at work for the #MenInBlue, but this will pump us to come back a lot stronger! 💙#INDvAUS #HaiTayyar #IndiaKaGame #TokyoTogether #StrongerTogether #Tokyo2020 #HockeyInvites #TeamIndia #Hockey pic.twitter.com/xdnJpUvivu Hockey India (@TheHockeyIndia) July 25, 2021দ্বিতীয় কোয়ার্টারে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়া আধিপত্য বজায় রেখে ২১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায়। গোল করেন জেরেমি টমাস। ২ মিনিট পরেই ৩০ করেন অ্যান্ড্রু অজিলভিয়ে। ২৭ মিনিটে ৪০। প্রথমার্ধেই ৪ গোলের পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার আশা শেষ হয়ে যায় ভারতের। অস্ট্রেলিয়ার মুহুর্মুহু আক্রমণের সামনে ভারতীয় রক্ষণ তখন দিশেহারা। গোলকিপার শ্রীজেশও একের পর এক ভুল করতে থাকেন। অস্ট্রেলিয়া আক্রমণে গেলেই মনে হচ্ছিল গোল খেয়ে যেতে পারে ভারত। কেন তারা বিশ্বের ১ নম্বর দল, বারবার বুঝিয়ে দিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পেনাল্টি কর্ণার পায় ভারত। রূপিন্দার পাল সিং কাজে লাগাতে পারেননি। ৩৫ মিনিটে দলপ্রীত সিং ভারতের হয়ে ব্যবধান কমান। এরপরই আবার পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ ভারত। অথচ চতুর্থ পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ৫১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৬১ করেন ব্ল্যাক গ্রোভার্স। ৭১ করেন টিম ব্র্যান্ড। ১৯৭৬ সালের পর অলিম্পিকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জয় নেই ভারতের। সেই ধারা অব্যাহত রাখলেন মনপ্রীতরা।
পদক জয়ের স্বপ্ন নিয়েই টোকিও গেছেন। অলিম্পিকে যাওয়ার আগে মেরি কম বলেছিলেন, পদক জিতেই বক্সিংকে বিদায় জানাতে চান। স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপে সফল। টোকিও অলিম্পিকের প্রথম ম্যাচেই নিজের জাত চেনালেন এই ভারতীয় মহিলা বক্সার। মহিলাদের ফ্লাইওয়েট ইভেন্টে ডোমিনিকান রিপাবলিকের মিগুয়েলিনা হার্নান্ডেজকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন মেরি কম। নিজের অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে দাপুটে জয় পেলেন ৬ বারের এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মেরি কম। চোটআঘাতের জন্য ২০১৬ রিও অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। টোকিও অলিম্পিকই মেরি কমের কাছে শেষ অলিম্পিক। ৬ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেও অলিম্পিকে সোনা অধরাই থেকে গেছে। মনের মধ্যে অনেকদিন ধরে অলিম্পিকে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন। টোকিওতে সেই স্বপ্নপূরণ করতে চান মেরি কম।#TeamIndia | #Tokyo2020 | #BoxingWomens Fly Weight 48-51kg Round of 32 Results@MangteC के पंच में है दम। Mary kick starts her #Olympics campaign on a strong note, dominating Garcia Hernandez. What a power packed bout by our champ #RukengeNahi #EkIndiaTeamIndia #Cheer4India pic.twitter.com/4kE6vfspd2 Team India (@WeAreTeamIndia) July 25, 2021যে কোনও প্রতিযোগিতায় প্রথম বাউট সবসময় কঠিন। তার ওপর আবার অলিম্পিকের মতো আসর। সুতরাং বাড়তি চাপ থাকাই স্বাভাবিক। সেই চাপ উপেক্ষা করে প্রথম বাউটেই দারুণ জয় তুলে নিলেন মেরি কম। প্রথম দুই রাউন্ডে লড়াই দারুণ জমে উঠেছিল। দুই রাউন্ড শেষে স্কোর ছিল সমান সমান। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষের দিতে মেরি কমকে কিছুটা ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। তবে তৃতীয় রাউন্ডের শুরু থেকেই জ্বলে ওঠেন মেরি কম। নিজের স্কোর আস্তে আস্তে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৪১ ব্যবধানে বাউট জিতে নেন ৬ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এই ভারতীয় মহিলা বক্সার। দ্বিতীয় রাউন্ডে মেরি কম মুখোমুখি হবেন তৃতীয় বাছাই কলম্বিয়ার ইনগ্রিট ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে। রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ভ্যালেন্সিয়া।
টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের ডাবলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিল সানিয়া মির্জাঅঙ্কিতা রায়না জুটি। ইউক্রেনের যমজ বোন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক জুটির কাছে হারতে হল ০৬, ৭৬ (০৭), ৮১০ ব্যবধানে। প্রথম সেটে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়েও শেষরক্ষা হল না। এদিন আবার মহিলাদের সিঙ্গলসে বড় অঘটন ঘটল। মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিলেন বিশ্বের ১ নম্বর তারকা অ্যাশলে বার্টি।দারুণভাবে শুরু করেছিলেন সানিয়া মির্জা ও অঙ্কিতা রায়না। যেভাবে শুরু করেছিলেন, মনে হচ্ছিল দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা শুধু সময়ের অপেক্ষা। ইউক্রেনের যমজ বোন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনকে প্রথম সেটে দাঁড়াতেই দেয়নি এই ভারতীয় জুটি। ৬০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয়। দ্বিতীয় সেটেও দারুণভাবে এগোচ্ছিলেন সানিয়া ও অঙ্কিতা। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। জয় নিশ্চিত ধরেই সাময়িক মনসংযোগ হারিয়ে ফেলে ভারতীয় জুটি। আর সেই সুযোগেই ঘুরে দাঁড়ান নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক। সমতা ফিরিয়ে সেট টাইব্রেকারে নিয়ে যান। টাইব্রেকারে বাজিমাত করে ইউক্রেনের এই জুটি। শেষ পর্যন্ত ৭৬ (৭০) ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন নাদিয়া কিচেনক ও লিয়ুদমিলা কিচেনক।ম্যাচের ভবিষ্যত গড়ায় টাইব্রেকারে তৃতীয় সেটে। টাইব্রেকারে একসময় ৮০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউক্রেনের জুটি। সেখান থেকে দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন সানিয়া ও অঙ্কিতা। টানা ৭ পয়েন্ট জিতে স্কোর ৮৭ করে ফেলেন। কিন্তু ভাগ্য এদিন সহায় ছিল না সানিয়াদের। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে তৃতীয় সেট ৮১০ পয়েন্টে হারতে হয়। ৩৪ বছর বয়সে নিজের চতুর্থ অলিম্পিক খেলতে নেমেছিলেন সানিয়া। গড়েছিলেন অনন্য নজির। কিন্তু স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না টোকিও অলিম্পিক। আর প্রথমবার অলিম্পিক খেলতে নেমে হতাশই হতে হলে অঙ্কিতা রায়নাকে। এদিকে, মহিলাদের সিঙ্গলসের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিলেন বিশ্বের ১ নম্বর তারকা অ্যাশলে বার্টি। তাঁকে ৬৪, ৬৩ স্ট্রেট সেটে সারিয়ে চমক দেখালেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৪৮ নম্বরে থাকা স্পেনের সারা সরিবেস।
টোকিও অলিম্পিকে খেলার ছাড়পত্র পাননি দীপা কর্মকার। দেশের জিমন্যাস্টিক্সের ব্যাটন ছিল প্রণতি নায়েকের হাতে। কিন্তু হতাশ করলেন এই বাঙালি জিমন্যাস্ট। সাবডিভিশন রাউন্ড থেকেই বিদায় প্রণতি নায়েকের।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপরের রাউন্ডের জন্য যোগ্যতা অর্জন পর্বে সাবডিভিশন ১এ ১২ নম্বরে শেষ করেন প্রণতি। তাঁর মোট সংগৃহীত স্কোর ৪২.৫৬৫। প্রতিটি সাবডিভিশন থেকে ৮ জন করে জিমন্যাস্ট দ্বিতীয় রাউন্ডের ছাড়পত্র পাবেন। কিন্তু প্রণতি প্রথম আটের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারেননি। ফ্লোর এক্সারসাইজে ১০.৬৩৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন প্রণতি। এর মধ্যে ডিফিকাল্টিতে ৪.৪ ও একজিকিউশনে ৬.২৩৩। তুলনামূলকভাবে ভল্টে বেশি পয়েন্ট তুলে নেন। ভল্টে তাঁর সংগ্রহ ১৩.৪৬৬। ডিফিকাল্টিতে ৫ ও একজিকিউশনে ৮.৪৬৬। এই ভল্ট বিভাগই প্রিয় প্রণতির। আরও একবার ভল্ট দেওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর সামনে। কিন্তু দ্বিতীয় প্রচেষ্টা নেননি।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টআনইভেন বারে ৯.০৩৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ডিফিকাল্টিতে ৪.১ ও একজিকিউশনে ৪.৯৩৩। এই বিভাগে ২৩ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ২২ নম্বরে শেষ করেন প্রণতি। ব্যালান্স বিমে সংগ্রহ করেন ৯.৪৩৩ পয়েন্ট। ডিফিকাল্টিতে ৪.৫ ও একজিকিউশনে ৪.৯৩৩ সব সব মিলিয়ে তাঁর স্কোর দাঁড়ায় ৪২.৫৬৫। প্রথম সাবডিভিশনে তিনি শেষ করেন ১২ নম্বরে। সবচেয়ে বড় কথা সুযোগ থাকলেও দ্বিতীয়বার ভল্ট নেননি। অথচ ছোট থেকে এই ভল্টেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদক জিতে এসেছেন প্রণতিআরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুযে কোনও জিমন্যাস্টের আসল অস্ত্র হল ভল্ট। এই ভল্ট থেকেই আন্তর্জাতিক পদক আসে। ২০১৪ কমনওয়েলথ গেমস, ২০১৫ এশিয়ান গেমসে এই ভল্ট থেকেই ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন দীপা। ২০১৬ অলিম্পিক টেস্ট ইভেন্টে ও ২০১৮ তুরস্ক বিশ্বকাপে সোনা জিতেছিলেন। প্রণতি নায়েকের প্রথম আন্তর্জাতিক পদক এসেছিল এই ভল্ট থেকেই। ২০১৯ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। সেই ভল্টেই টোকিওতে সর্বোচ্চ পয়েন্ট তুলে নিয়েও শেষরক্ষা হল না।
রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। এবার টোকিও অলিম্পিকে পাখির চোখ করছেন সোনার পদক। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপ দারুণভাবে উতরে গেলেন পিভি সিন্ধু। জে গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই উড়িয়ে দিলেন ইজরায়েলের কেসেনিয়া পোলিকারপোভাকে। অতিমারীর আবহেও গত কয়েক মাসে অলিম্পিকের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখেননি সিন্ধু, গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গেলেন পোলিকারপোভা। ২১৭, ২১১০ ব্যবধানে প্রথম ম্যাচ জিতে নিলেন সিন্ধু।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরএদিন পোলিকারপোভাকে কোনও সুযোগই দেননি বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৭ নম্বরে থাকা পিভি সিন্ধু। ম্যাচের প্রথম পয়েন্ট অবশ্য তুলে নিয়েছিলেন পোলিকারপোভা। প্রথম গেমের শুরুর দিকে সিন্ধুকে কিছুটা জড়তা ছিল সিন্ধুর। যতই হোক অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতা বলে কথা। তাও আবার প্রথম ম্যাচ। দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগও পাননি। জড়তা থাকাই স্বাভাবিক। আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠে নিজের সেরা ছন্দে পৌঁছতেই খড়কুটোর মতো উড়ে গেলেন কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। প্রথম সেটে একসময় ৩১ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিলেন পোলিকারপোভা। সেখান থেকে ৪৪ করেন সিন্ধু। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকাকে। একসময় টানা ১৪ পয়েন্ট তুলে নেন। পোলিকারপোভাকে ৫ পয়েন্টে দাঁন করিয়ে রেখে তিনি পৌঁছে যান ১৯ পয়েন্টে। শেষ পর্যন্ত ২১৭ ব্যবধানে সেট জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেপ্রথম সেট জিতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায় পিভি সিন্ধুর। দ্বিতীয় সেটে কোনও সুযোগই দেননি বিশ্ব র্যাঙ্কিংকে ৫৮ নম্বরে থাকা কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে। প্রতিপক্ষকে ৩ পয়েন্টে দাঁড় করিয়ে ১০ পয়েন্টে পৌঁছে যান সিন্ধু। টানা ৭ পয়েন্ট তুলে নেওয়ার পর পয়েন্ট হারান। তবে সেই সুযোগ নিতে পারেননি ইজরায়েলী পোলিকারপোভা। শেষ পর্যন্ত ২১১০ ব্যবধানে প্রথম ম্যাচ জিতে নেন। মাত্র ২৮ মিনিটেই ম্যাচ শেষ। পোলিকারপোভার বিরুদ্ধে এদিন তেমন কোনও ভুল করেননি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। তার একটা ধাপ সবেমাত্র অতিক্রম করলেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। পরের ম্যাচে হংকংয়ের ছেউং এনগান ইর মুখোমুখি হবেন তিনি। সহজ গ্রুপে পড়লেও প্রতিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চান না পিভি সিন্ধু।
মেষ/ ARIES: মধুর কথাবার্তায় ফললাভ করতে পারেন।বৃষ/ TAURUS: নিজের ভুলে ক্ষতি হতে পারে।মিথুন/ GEMINI : মনে প্রফুল্লতা জাগতে পারে। কর্কট/ CANCER : সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।সিংহ/ LEO: ভোগবিলাস করতে পারেন আজ।কন্যা/ VIRGO: আজ পিতার স্বাস্থ্যহানি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: পুরস্কার প্রাপ্তির যোগ রয়েছে আজ।বৃশ্চিক/ Scorpio: রক্তপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।ধনু/ SAGITTARIUS: পারিবারিক সমস্যা হতে পারে। মকর/ CAPRICORN: কোনও অভীষ্ট সিদ্ধি হতে পারে।কুম্ভ/ AQUARIUS: শিক্ষায় বাধা সৃষ্টি হতে পারে। মীন/ PISCES : সন্তানের কাজে উদ্বেগ সৃষ্টি হতে পারে।
স্বামী পর্নকাণ্ডে অভিযুক্ত। ফলে শিল্পা শেট্টির এখন নাজেহাল অবস্থা। খুব কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে। পুলিশ তাকেও নানাভাবে জেরা করছে। আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?ছয় ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে তাকে। জেরার পর স্বামীকে নির্দোষ বলেই দাবি করলেন অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টি। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, জেরায় শিল্পা পুলিশকে জানিয়েছেন তাঁর স্বামী নির্দোষ। এরোটিক ভিডিয়ো বানিয়ে থাকলেও পর্নকাণ্ডে তিনি জড়িত নন, আর শিল্পার মতে এরোটিক ভিডিয়ো কখনওই পর্ন নয়।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীসংবাদ সংস্থা সূত্রে আরও খবর, জেরায় পুলিশকে জানিয়েছেন, রাজের অ্যাপ হটশটের প্রকৃত গতিবিধি সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল ছিলেন না। পাশপাশি স্বামী নন, পর্নকাণ্ডে আর এক অভিযুক্ত প্রদীপ বক্সীর নাম প্রকাশ্যে এনেছেন শিল্পা। যিনি সম্পর্কে রাজের জামাইবাবু। পুলিশ সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় বারেবারেই এরোটিক ভিডিয়ো এবং পর্ন ভিডিয়োর তফাত বোঝানোর চেষ্টা করেছেন শিল্পা। স্বামীর পাশেই আছেনবার্তা দিয়েছেন তাও।