• ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election Commission

কলকাতা

Election Commission: বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, জানাল কমিশন

বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে, রাজ্য নির্বাচন কমিশন।বিকেল ৫টা পর্যন্ত কলকাতা পুরভোটে ভোটদানের হার ৬৩.৬৩ শতাংশ। চূড়ান্ত হিসাবে যা আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে।কমিশনের সচিব নিলাঞ্জন শাণ্ডিল্য জানিয়েছেন, সারা দিনে মোট ৪৫৩ অভিযোগ এসেছে। এন্টালী এবং আমাস্টিট থানা এলাকায় তিনটে বোমা পড়ার ঘটনা ঘটেছে এতে তিনজন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন অশান্তির ঘটনায় ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটেনি। কমিশনের দাবি, প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে ৫৫ টি ইভিএম খারাপ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেখানে দ্রুতই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে ১৪৪ টি ওয়ার্ডের কোনও বুথে এর জেরে ভোট প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়নি। সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করতে কমিশনের তরফে কোনও গাফিলতি হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। যেখানে যেখানে গন্ডগোলের খবর পাওয়া গেছে পুলিশ সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশের কাজে কমিশন সন্তুষ্ট।এই মুহূর্তে কোনও বুথে পুনঃনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কমিশনের সচিব। পর্যবেক্ষক এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের রিপোর্টের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Sensitive Booth: ১১৩৯ টি বুথ স্পর্শকাতর, একটি বরোতেই ২৫০ টি বুথ স্পর্শকাতর! ঘোষণা করল কমিশন

কলকাতা পুরসভার রবিবারের ভোটে সব রাজনৈতিক দল এবং পুলিশ-প্রশাসনের জন্য একগুচ্ছ বিধি স্থির করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিধি অমান্য করলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন। সেই সঙ্গে শহরের ১১৩৯টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করেই ভোট পরিচালনা করতে চলেছে কমিশন।পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভা এলাকার ১৬টি বরোতেই কমবেশি স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত হয়েছে। ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪৯৫৯টি বুথের ব্যবস্থা হয়েছে। সব চেয়ে বেশি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে সাত নম্বর বরোয় ২৫০টি। স্পর্শকাতর বুথ সব চেয়ে কম ১৩ নম্বর বরোয়, ২২টি।কমিশনের নির্দেশ, রুটমার্চের পাশাপাশি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে হবে পুলিশকে। সিল করে দিতে হবে কলকাতা পুরসভা এলাকার সীমানা। কোনও গাড়ি পুর এলাকায় প্রবেশ করলে তা যাচাই করতে হবে। নজরদারি চালাতে হবে নির্মীয়মাণ বাড়ি, কমিউনিটি হল, বিয়েবাড়ি, লজ, গেস্ট হাউস ও হোটেলের উপরে। চিহ্নিত দুষ্কৃতীদের ভোটের আগেই হেপাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন। ভোটারদের প্রভাবিত করার প্রবণতা ঠেকাতে প্রার্থীদের ক্যাম্পের উপরেও নজর রাখতে হবে পুলিশকে। অনুমতি ছাড়া কোনও রাজনৈতিক দল গাড়ি ব্যবহার করলে সেটি বাজেয়াপ্ত করার কথা বলা হয়েছে।কমিশন তাদের নিয়মবিধিতে জানিয়েছে, যে-সব রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের নিরাপত্তারক্ষী থাকেন, প্রচার শেষের পরে নিজের ভোটাধিকার থাকা কেন্দ্রের বাইরে তাঁরা থাকতে পারবেন না। ভোটের দিন নিজেদের নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন। ভোট দিয়েই সেখান থেকে চলে যেতে হবে। ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তাকর্মীদের প্রবেশাধিকার থাকবে না। ভোটদানের আগে বা অব্যবহিত পরে যত্রতত্র ঘুরে বেড়াতে পারবেন না। প্রার্থীদের ক্ষেত্রে অবশ্য এই বিধি বলবৎ হচ্ছে না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar-Commission: ফের রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ধনখড়

ফের রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করছেন তিনি। রাজভবনে সৌরভ দাসের সঙ্গে পুরসভার ভোটের প্রস্তুতি নিয়েই বৈঠক। সূত্রের খবর, কেন একদিনে হল না সব পুরসভার ভোট? এ বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল। পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েও সওয়াল করেছেন জগদীপ ধনখড়।এদিন কমিশনারকে নিরপেক্ষ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল। টুইট করে রাজ্যপাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে বলেছেন যে, সাংবিধানিক নিয়ম নীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাই তা মেনে চলা উচিত। এর আগেও কমিশনের সঙ্গে পুরভোট নিয়ে বৈঠক করেছেন জগদীপ ধনখড়। কমিশনকে ইতিমধ্যেই কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে, রাজ্য সরকারের শাখা হিসাবে কাজ করলে চলবে না, তাদের কথা মতো চললেও হবে না। এমনই কড়া ভাষায় সর্তক করে দিয়েছিলেন রাজ্যপাল।১৯ ডিসেম্বরে কীভাবে ভোট হতে চলেছে তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নেবেন রাজ্যপাল। কলকাতা পুরসভার প্রায় ৫০০০ বুথে যে ভোট হতে চলেছে তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করেছিল বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পুলিশ রয়েছে বলেই অভিমত। এই সমস্ত বিষয়ও উঠে এসেছে বৈঠকে। অর্থাৎ কলকাতা পুর নির্বাচনে কমিশনের প্রস্তুতি-সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হবে৷উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই পুরভোট সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Tripura Municipal Election: বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় পুরভোট, সব বুথকেই স্পর্শকাতর ঘোষণা কমিশনের

সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের ভোট স্থগিতের আর্জি খারিজের পর আগামিকালই ত্রিপুরায় নেওয়া হচ্ছে পুরভোট। গত কয়েকদিন পুরভোটের প্রচারকে ঘিরে উত্তেজনার জেরে এলাহি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে কমিশন। ত্রিপুরার ২০টি থানা এলাকায় মোট ৬৪৪ টি বুথে কাল ভোটগ্রহণ করা হবে। আগরতলার সবকটি বুথকেই স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কমিশনের মতে রাজধানীর ২৭৪টি ভোটকেন্দ্র স্পর্শকাতর ও ৩৭০টি বুথ কেন্দ্র অতি স্পর্শকাতর। আদালতের নির্দেশে সেনসিবিলিটি ম্যাপিংয়ের পরই ওই ঘোষণা করেছে কমিশন। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অতিস্পর্শকাতর বুথে ৫ জন টিআরএস জওয়ান মোতায়েন করা হবে।স্ট্রং রুম ও সরকারি প্রেসে ২ করে সিআরপিএফ টিম মোতায়েন করা হচ্ছে। একজন গেজেটেড অফিসারের নেতৃত্বে মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ত্রিপুরার রিটার্নিং অফিসারকে দেওয়া হচ্ছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী। সব অবজার্ভারদের নিরাপত্তারক্ষী ও এসকর্ট দেওয়া হচ্ছে। আগরতলা পুরনিগম এলাকায় মোতায়েন করা হচ্ছে সিআরপিএফের অতিরিক্ত ১৫টি টিম।সবমিলিয়ে জমজমাট হতে চলেছে ত্রিপুরার মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভোট।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
কলকাতা

Municipal Election: ১৯ ডিসেম্বরেই পুরভোট কলকাতা ও হাওড়ায়

ভবানীপুরের উপ নির্বাচনের পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন বকেয়া পুরভোটগুলি করার উদ্যেগ নেওয়া হবে। সেই মতো কিছুদিন আগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্য। কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের ভোট করতে চেয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই প্রস্তাবে সায় দিয়েছে কমিশন। রাজ্যের প্রস্তাবিত দিন অর্থাৎ ১৯ ডিসেম্বরেই হবে কলকাতা ও হাওড়ার পুরভোট হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের প্রস্তাবে কোনও আপত্তি জানায়নি কমিশন। আজই তারা চিঠি দেবে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরকে।মেয়াদ শেষ হলেও এখনও পর্যন্ত পুরভোট হয়নি রাজ্যে। রাজ্যের মোট ১১৬ টি পুর নিগম ও পুরসভার ভোট বাকি আছে। কিন্তু, প্রথমে মাত্র দুটি পুরনিগমের ভোট করতে চেয়েছে রাজ্য। রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত ভাল চোখে দেখেনি বিরোধীরা। বিজেপি বা সিপিএমের নেতারা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু শেষমেশ, রাজ্যের সিদ্ধান্তই মেনে নিল কমিশন।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Central Force: উপনির্বাচনের বাংলায় ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগেই বলা হয়েছিল ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তবে এবার তা এক লাফে ৫৩ কোম্পানি বাড়িয়ে ৮০ কোম্পানি করা হল।আরও পড়ুনঃ শিষ্য খুনে যাবজ্জীবন সাজা রাম রহিমকেএই ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ, ও গোসবা কেন্দ্রের জন্য। এই বাহিনী মোতায়েনের মূল লক্ষ্যই হল নির্বাচনের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। তবে কোন কেন্দ্রের জন্য কত বাহিনী থাকবে সেটা স্থানীয় জেলা নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করেই ঠিক হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি এসেছে, সেখানে বলা হয়েছে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আগেই ২৭ কোম্পানি বাহিনীর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার তা আরও ৫৩ কোম্পানি বাড়ানো হল। সিআরপিএফের পাশাপাশি বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপির জওয়ানরাও থাকবেন।খড়দহে তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির জয় সাহা। এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাসও লড়াই করছেন। দিনহাটায় তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। বিজেপির হয়ে লড়বেন অশোক মণ্ডল, বামেদের মুখ ফরওয়ার্ড ব্লকের আব্দুর রউফ। শান্তিপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী, বিজেপির প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাস, সিপিএমের প্রার্থী সৌমেন মাহাতো। গোসাবায় সুব্রত মণ্ডল তৃণমূলের মুখ। বিজেপির প্রতীকে লড়বেন পলাশ রানা, আরএসপির প্রার্থী অনিল চন্দ্র মণ্ডল।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur By Poll: ভোটারদের এগিয়ে আসার আবেদন ফিরহাদ-সুব্রতর, কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

সকাল থেকে ভবানীপুরে ভোটের হার কম। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্রা ২২ শতাংশ। তাই ভোটারদের ভোটদানের আর্জি জানিয়ে টুইট করেছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম। এ নিয়ে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি। নিয়মবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজ্যের দুই মন্ত্রীকে ভবানীপুর কেন্দ্রের বাইরে কোনও থানায় ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নজরবন্দি করার দাবিও জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, ভবানীপুরে ফাঁকা বুথ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। সকাল থেকেই এখানে একাধিক বুথ ফাঁকা। অবশেষে ভোট চেয়ে ময়দানে নামলেন তৃণমূল নেতারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভোটদানের আর্জি ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের। ফিরহাদ হাকিম টুইটারে লেখেন, ভবানীপুরে উন্নয়নের স্বার্থে সবাই ভোট দিতে আসুন। অন্যদিকে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের টুইট, আজ ভবানীপুর-সহ বাংলার তিন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। আমাদের ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী করতে হবে।Urging everyone from Bhabanipur today to step out and vote for Development, vote for Equality.#MamataBanerjeeForBhabanipur FIRHAD HAKIM (@FirhadHakim) September 30, 2021সোমবার সকাল ৯টা অবধি ভবানীপুরে ভোটের যে শতাংশ, তা মাত্র ৭.৫৭ শতাংশ। ভোটদানের এই হার যথেষ্টই খারাপ। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, আবহাওয়ার কারণে হয়তো ভোটাদের ভোটকেন্দ্রমুখী করা মুশকিল হবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার দেখা গেল, রোদ ঝলমলে সকালেও ভোটের লাইনে দাঁড়াতে অনীহা ভোটারদের।#VoteForDidiToday is a very important day as the by-polls are are being held in 3 seats including Bhabanipur. We have to motivate voters to vote in favour of Didi and ensure that Didi wins by a huge margin.#MamataBanerjeeForBhabanipur pic.twitter.com/XzS4nUxTuP MLA Subrata Mukherjee (@MLA_Subrata) September 30, 2021ক্যাথিড্রাল মিশন হাইস্কুলের চারটি বুথ ১৪৮, ১৪৯, ১৫৯ ও ১৫২। বুথের ভিতরে এবং বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু ভোটারদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। বেশ কিছুক্ষণের ব্যবধানে পর পর দু চারজন করে ভোটার ভোট দিতে আসছেন। বেলতলা গার্লস হাইস্কুলের বুথেও সকাল থেকে ভোটারদের দেখা নেই। চেতলাহাট আরবান হেলথ সেন্টারের ৯৯ নম্বর বুথেও একই ছবি। ৭১ নম্বর ওয়ার্ডেও হাতে গোনা কয়েকজন ভোটার লাইনে দাঁড়িয়েছেন। খাস কলকাতায় এমনিতেই ভোটের হার তুলনামূলক কম পড়ে। কিন্তু তা বলে এতটা কম কেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরাল যে, রাজ্যের দুই মন্ত্রীকে টুইট করে ভোটদাতাদের ভোটকেন্দ্রমুখী করতে হচ্ছে, তাও আবার ভোটের দিন!আর সুযোগ বুঝে কমিশনে এই টুইটের প্রেক্ষিতে অভিযোগও জানিয়ে ফেলেছে বিজেপি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Priyanka Tibrewal: ১৪৪ ধারা সত্ত্বেও দোকান খোলা, পুলিশের সঙ্গে বচসা প্রিয়াঙ্কার, রিপোর্ট চাইল কমিশন

ভোটদান শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়লেন ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। তাঁর অভিযোগ, গোটা বিধানসভা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও কেন দোকান খোলা? ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। বিজেপি প্রার্থীর আরও অভিযোগ, ভবানীপুরের অন্তর্গত ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে বুথ জ্যাম করছেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে, ভোটের দিন সকালেই প্রিয়াঙ্কার বিস্ফোরক দাবি, এই কেন্দ্রে অনেক ভোটার ভোট দিতে আসেন না। যার অন্যতম কারণ, শাসকদলের দাদাগিরি।Madan Mitra (TMC MLA) has purposely shut the voting machine here as he wants to capture the booth: Priyanka Tibrewal, BJP candidate for Bhabanipur by-poll at polling booth of ward number 72 pic.twitter.com/lFB5hQytTY ANI (@ANI) September 30, 2021এ দিন ভোট শুরু হতেই বুথ জ্যামের অভিযোগ তোলে বিজেপি। ১২৬ নম্বর বুথে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ করেন প্রিয়াঙ্কা। ফিরহাদ হাকিম অবশ্য বুথ জ্যামের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, লড়াইয়ে না পেরে মিথ্যা অভিযোগ করছে বিজেপি। ভোট শুরুর অনেক আগে থেকেই ভবানীপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে, বিভিন্ন বুথে ঘুরে বেড়ান প্রিয়াঙ্কা। প্রার্থী জানান, ভবানীপুরের মানুষ নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, ভোট দিন, এটুকুই চাইব। আবার ভোটের দিনই ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের নিরাপত্তা বাড়ানো হল। বিজেপি প্রার্থীর কনভয়ে জুড়ল কলকাতা পুলিশের তিনটি গাড়ি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

By Poll-High Court: ভবানীপুর উপনির্বাচন: নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা হাইকোর্টের

ভবানীপুরে উপনির্বাচন মামলায় হাইকোর্টে ধাক্কা কমিশনের। নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা করল আদালত। মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দিষ্ট দিনেই ভোট হবে বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্বাচন কমিশনকে জরিমানা নিয়ে পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।আরও পড়ুনঃ আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচনউল্লেখ্য, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তোলে বিজেপি। মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারীদের অভিযোগ, শুধুমাত্র কেন একটি কেন্দ্রেই নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এই মামলায় কমিশনের কাছে জবাবি হলফনামা চেয়েছিল আদালত। কমিশন হলফনামা জমা দেয়। কিন্তু আদালত জানিয়ে দেয় কমিশনের উত্তরে সন্তুষ্ট নয় তারা। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ভবানীপুরে উপনির্বাচন না হলে সাংবিধানিক স্ংকট তৈরি হতে পারে, এই মর্মে সুপারিশ করে কমিশনকে চিঠি লেখেন মুখ্যসচিব। ভোট বিজ্ঞপ্তিতে কমিশনও সেই কথা উল্লেখ করে। যা নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।মামলাকারীর দাবি, শুধু মাত্র একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রের জন্য এইভাবে সুপারিশ করা যায় কি? গত শুক্রবার এই মামলায় রায়দান স্থগিত করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

Rajya Sabha Poll: মানস ভুঁইয়ার আসনে ভোট ঘোষণা

মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। ৪ অক্টোবর ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে ৪টে পর্যন্ত হবে ভোটগ্রহণ। ওই দিনই বিকেল ৫টায় হবে ভোট গণনা। মে মাসে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন মানস ভুঁইয়া । একুশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী হন তিনি। সবং কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়কও হন। তাঁর ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। ১৫ সেপ্টেম্বর জারি করা হবে নোটিফিকেশন।আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। ২৩ সেপ্টেম্বর হবে স্ক্রুটিনি। মনোনয়ন তোলার শেষ দিন ২৭ সেপ্টেম্বর। ৪ অক্টোবর ভোট। ৬ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে হবে নির্বাচন পর্ব। মানস ভুঁইয়ার আসনে এখনও কাউকে মনোনীত করেনি তৃণমূল।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপ

গোটা দেশে শুধুমাত্র ভবানীপুরে কেন উপনির্বাচন? নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর প্রশ্ন তুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীরা । সাংবিধানিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর এবার এই সাংবিধানিক সংকট তৈরির জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার দুর্গাপুরে এক বেসরকারী হাসপাতালে এক মহিলা বিজেপি কর্মীকে দেখতে এসে তৃণমূলের পাশাপাশি উপনির্বাচন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নিলেন দিলীপ ঘোষ।রাজ্যের উপনির্বাচনগুলিকে নিয়ে আইনের পথে যেতে তারা প্রস্তুত হচ্ছেন বলে ফের একবার জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, একজন মুখ্যমন্ত্রী হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন,উনি আবার যে জিতবেন এর নিশ্চয়তা কোথায়?আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরকরোনা পরিস্থিতিতে অন্য জায়গায় উপনির্বাচন হচ্ছে না। অথচ ব্যতিক্রম ভবানীপুর। কমিশনের এই দ্বি-নীতিই আদালতে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।এই প্রসঙ্গে ইঙ্গিত দিয়ে দিলীপ বলেন, রাজ্যের কমিশন বলছে, পুরভোটের মতো পরিস্থিতি নেই। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিল। অন্য রাজ্য বলছে ভোট করতে পারব না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এর পিছনে কোনও রহস্য নেই তো? বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বেন বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে এরকম পক্ষপাতমূলক আচরণ করতো না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

By-Polls: সেপ্টেম্বরে হচ্ছে না উপনির্বাচন?

সেপ্টেম্বরে কি উপনির্বাচন হচ্ছে রাজ্যে? প্রশ্ন ঘুরছে। তবে আপাতত সেপ্টেম্বরে যে উপনির্বাচন যে হচ্ছে না, তা কার্যত স্পষ্ট রাজনৈতিকবিদদের কাছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক বাতিলের পর উপনির্বাচন না-হওয়ার সম্ভাবনাই জোরাল হচ্ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। ফলে দুএকদিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে বলে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু আচমকা বাতিল হয় বৈঠক। ফলে চলতি মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রইল না বলে মনে করছেন অনেকে। সেক্ষেত্রে অক্টোবরে উপনির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। উল্লেখ্য,দুদিন আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। পরে কমিশনকে চিঠি দিয়ে পুজোর আগেই উপনির্বাচনের অনুরোধ করেন তিনি।কমিশন সূত্রের খবর, পুজোর আগে নির্বাচন করাতে হলে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। কারণ বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার ন্যূনতম ২৪ দিন পর ভোটগ্রহণ হয়। সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি জারি হলে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ভোট হতে পারে। পুজোর আগে বা পরে উপনির্বাচন করানোর জন্য প্রস্তুত নবান্ন । সূত্রের খবর, পুজোর আগেই ভোট মিটিয়ে ফেলতে চাইছে রাজ্য সরকার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
রাজনীতি

By Election: আজ নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

সেপ্টেম্বরেই হোক উপনির্বাচন। এই দাবি নিয়ে আজ দিল্লির নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রে যে উপনির্বাচন সেই নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে মতামত চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই নিয়ে মতামত জানাবে। প্রতিনিধি দলে থাকছেন সৌগত রায়, জহর সরকার, মহুয়া মৈত্র, সাজদা আহমেদ, সুখেন্দু শেখর রায়। সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই কমিশনের কাছে যেতে চলেছে বিজেপি। তার আগে আজই, কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএসএদিকে, উপনির্বাচন চায় না রাজ্য বিজেপি। তাদের বক্তব্য, রাজ্যে উপনির্বাচনের পরিস্থিতিই নেই। আট দফা কারণ তুলে ধরে রাজ্য বিজেপি এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও। বিজেপি যুক্তি খাঁড়া করেছে, বাংলায় এখন নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি নেই। কারণ লোকাল ট্রেন বন্ধ, বাস চলছে কম লোক নিয়ে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আছড়ে পড়তে চলেছে তৃতীয় তরঙ্গ। রাজ্যে যে সরকার রয়েছে, তার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ৭ টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন না হলেও সরকারের কোনও সংকট নেই, সুতরাং উপনির্বাচন এখন অপরিহার্য নয়। এরই মাঝে সব দলের থেকেই উপনির্বাচন নিয়ে মত জানতে চেয়েছে কমিশন। তৃণমূল আসলে যে কোনও পরিস্থিতিতেই দ্রুত উপনির্বাচন করাতে চাইছে। আর বিজেপি চাইছে তা পিছিয়ে দিতে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজনীতি

By Election: কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

দ্রুত উপনির্বাচন করানোর দাবিতে ফের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ আজ, দিল্লিতে তৃমমূলের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই দাবি জানাবে৷ গত মাসেও একই দাবি নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদরা৷ এদিকে, উপনির্বাচনের দাবিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে আজ বেলা আড়াইটের সময় দেখা করতে যাবেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।বিধানসভার উপনির্বাচনের দাবিতে শুক্রবার ফের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, এদিন উপনির্বেচনের দাবিতে CEO-র কাছে যাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। যথা সময়ে নির্বাচনের দাবি জানাবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সি, তাপস রায় -সহ অন্যান্যরা। আরও পড়ুনঃ কলকাতাগামী ট্যাঙ্কার থেকে গ্যাস লিকেজ, ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বর্ধমানে উপনির্বাচনের দাবিতে আগেই কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় দল। তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয় যে, উপনির্বাচনের জন্য সাতদিন প্রচারের সময় দিলেই চলবে। করোনা পরিস্থিতিতেও যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সেই বিষয়টিও দেখা হবে। তৃণমূলের অভিযোগ, সাত বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন না করিয়ে রাজনৈতিক ভাবে তাঁদের অসুবিধার মধ্যে ফেলতে পারে বিজেপি। সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিতেই তৃণমূলের এই তৎপরতা।রাজ্যে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণও বাকি রয়েছে৷ যে পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা, তার মধ্যে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ কারণ নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজিত হওয়ায় শপথ নেওয়ার ছ মাসের মধ্যে যে কোনও একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে৷ নভেম্বর মাসে সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে৷ হাতে সময় থাকলেও দ্রুত উপনির্বাচন করানোর পক্ষে তৃণমূল৷ তাই এই দাবিতে নির্বাচন কমিশনের উপরে চাপ বজায় রাখতে চাইছে তারা৷

আগস্ট ০৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: তড়িঘড়ি উপনির্বাচন নিয়ে দিলীপের খোঁচা

ফের একবার উপনির্বাচন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কটাক্ষ, লোকাল ট্রেন চালাতে পারছেন না, অথচ ভোট করাতে চাইছেন। দিলীপের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখতেই তড়িঘড়ি উপনির্বাচনের পথে হাঁটতে চাইছেন। যদিও তৃণমূলের তরফে একাধিকবার দাবি করা হয়েছে, মূল নির্বাচন পর্ব যে সময় হয়েছিল, তখন সংক্রমণের হার শীর্ষে ছিল। সে তুলনায় এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাই ভোট করাতে কোনও বাধা থাকার কথা নয়। উল্লেখ্য, রাজ্যে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন বাকি রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম ভবানীপুর কেন্দ্র। নন্দীগ্রামে হারের পর ছ মাসের মধ্যে কোনও একটি বিধানসভা থেকে জয়ী হয়ে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন, তাড়াতাড়ি উপনির্বাচন করতে। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ জয়ের হ্যাটট্রিক, দ্বিতীয় স্থানে থেকে অলিম্পিক হকির শেষ আটে ভারতশনিবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, উপনির্বাচন হওয়া উচিত। আমার মনে হয় যথা সময়েই তা হবে। বাংলায় কার্যত লকডাউন চলছে। দু বছর ধরে পুরসভার ভোট আটকে রয়েছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী খালি উপনির্বাচন নিয়ে বলছেন। ওনার যদি মনে হয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে তা হলে বিধিনিষেধ তুলে দিন। আসলে উনি নিজে মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন বলেই উপনির্বাচন নিয়ে এতটা সরব। এর আগে এই একই বিষয়ে কটাক্ষ করতে শোনা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকেও। তিনিও বলেছিলেন, রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি ও টিকাকরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উপনির্বাচনের পরিস্থিতি নেই।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: খবর প্রকাশ হতেই বাড়ির দুয়ারে ভ্যাকসিন

খবর প্রকাশ হতেই একেবারে বাড়ির দুয়ারে বসে কোভিডের ভ্যাকসিন পেলেন নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খর্বকায় প্রতিবন্ধী ভ্রাতৃদ্বয়। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কলানবগ্রামে বাড়ি প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলের। ভোটের সময়ে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা কোভিডের ভ্যাকসিন পেয়ে গেলেও ভ্যাকসিন পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি কমিশনে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার ভ্রাতৃদ্বয় এমনকি ভোট মিটে যাওয়ার পরেও গত বুধবার পর্যন্ত তারা ভ্যাকসিন পাননি । সেই খবর এদিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হতেই প্রশাসনের কর্তারা নড়ে চড়ে বসেন। জনতার কথাতেও তা প্রকাশিত হয়।আরও পড়ুনঃ কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত বিধানসভা ভোটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়রীতিমতো দুয়ারে ভ্যাক্সিন নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়ের বাড়িতে হাজির হয়ে যান মেমারির বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, মেমারি ১ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও মেমারি ১ নম্বর ব্লকের যুগ্ম বিডিও। তাঁদের সঙ্গেই ছিল মেডিকেল টিম। বাড়িতেই সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলকে দেওয়া হয় কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ। ভ্যাকসিন পেয়ে উচ্ছ্বাসিত প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভাতৃদ্বয়। বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খবর পেয়েই ব্লক প্রশাসন উদ্যোগী হয়। তবে তিনি দবি করেন, ব্লক প্রশাসনের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত ছিল।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত বিধানসভা ভোটের 'ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার' খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়

বিধানসভা ভোটের সময়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্র্যাণ্ড অ্যাম্বাসাডার করা হয়েছিল দুই প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়কে। আর ভোট মিটে যেতেই তারা এখন ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন। কোভিড ভ্যাকসিন প্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত ভোটে নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার হওয়া সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডল। ভ্যাকসিন পাওয়ার সৌভাগ্য আদৌ হবে কিনা তাও জানেন না দুই খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি বিধানসভার কলানবগ্রামে। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা আন্না মণ্ডল। মাটির এক কুটুরি বাড়িতেই তাঁরা বসবাস করেন। সরকারী ভাতার সামান্য কয়েকটা টাকা আর দুচারটে ছগল, গরু ও মুরগি প্রতিপালন করে সামন্য যে টুকু রোজগার হয় তা দিয়েই তাঁরা দিন গুজরান করেন। এমনই এক হতদরিদ্র পরিবারের খর্বকায় প্রতিবন্ধী ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব ও মানিককে ২০২১ বিধানসভা ভোটে ২৬৫ মেমারি বিধানসভার ভোট আইকন করা হয়। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিবন্ধী এবং ৮০ উর্ধ্ব ভোটারদের ভোট দানে উৎসাহিত করার ব্যাপারে তাঁরাই হয়েছিলেন প্রধান মুখ ।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?কোভিড অতিমারির মধ্যেই এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়। তার জন্য নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু নতুন নিয়ম জারি করে। প্রতিবন্ধী ও ৮০ উর্ধ্ব বয়সী ভোটাররা যাতে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা করে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও কোভিড পেসেন্টরাও যাতে একই সুবিধা পান সেই ব্যবস্থাও কমিশন ধার্য করে। এই সকল ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশন গোটা রাজ্য জুড়ে প্রচার চালানোর উদ্যোগ নেয়। তারই প্রচার কাজে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মেমারি বিধানসভার আধিকারিকরা আইকন হিসাবে বেছে নেন খর্বকায় দুই প্রতিবন্ধী ভাই সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলকে। ভোটের সময় নিঃস্বার্থ ভাবেই এই দুই প্রতিবন্ধী ভাই ট্রাইসাইকেলে চড়ে গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবে সবাইকে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানোর কাজও চালিয়ে যান। তাঁদের এই কর্মকাণ্ড ভোটার মহলে যথেষ্ট সাড়াও ফেলে। এখন ভোট মিটে গিয়েছে। আর ভোট মিটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন দুই প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীসঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডল বুধবার আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই এখন আর তাদের কথা কেউ মনে রাখে না। মনে রাখেনি সরকারও। সেই কারণে কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের আগেও তাঁরা কোভিড ভ্যাকসিনের টিকা পাননি। ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য অনেকবার পাল্লারোডের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়েছেন। লাইনে দাঁড়িয়েও ছিলেন। কিন্তু ভ্যাকসিন না পেয়ে তাঁদের হতাশ হয়েই বাড়ি ফিরতে হয়েছে। সঞ্জীব ও মানিক আরও জানান, ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য ব্লকের বিডিও অফিসেও মৌখিক ভাবে তাঁরা জানিয়ে ছিলেন। তাতেও সুরাহা হয়নি। আদৌ কোভিড ভ্যাকসিনের টিকা পাবেন কিনা তা নিয়েও অন্ধকারে রয়েছেন বলে প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?এই বিষয়ে মেমারি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও আলি মহম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, তাঁর সঙ্গে ওনারা যোগাযোগ করেননি। তবে বিষয়টি তিনি জেনেছেন।খুব তাড়াতাড়ি ওনাদের ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হবে বলে বিডিও আশ্বাস দিয়েছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

Election Commission: অগস্টের প্রথমেই ৫ কেন্দ্রের ভোটযন্ত্র পরীক্ষার নির্দেশ

ভবানীপুর-সহ রাজ্যে পাঁচটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি আরও জোরাল করার নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। প্রাথমিক ভাবে ওই পাঁচটি কেন্দ্রের ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট পরীক্ষার কাজ অগস্টের প্রথম সপ্তাহে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা থেকে মনে করা হচ্ছে, অগস্টে বা সেপ্টেম্বরে উপনির্বাচন হতে পারে ধরে নিয়েই এগোচ্ছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। যদিও নির্বাচনের মতোই উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআররাজ্যে যে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে, সেগুলি হল ভবানীপুর, খড়দহ, বাসন্তী, শান্তিপুর এবং দিনহাটা। ওই কেন্দ্রগুলির জন্যই প্রস্তুতিতে গতি আনার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। তবে জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জের ক্ষেত্রে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়নি। কমিশন সূত্রে খবর, এই দুটি বিধানসভায় নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি বিধানসভা ভোটের আগেই সারা হয়ে গিয়েছিল। কারণ, ওই দুটি আসনে ভোট স্থগিত ছিল প্রার্থীদের মৃত্যুতে। ফলে সেখানে আর নতুন করে ভোটযন্ত্র পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যে পাঁচটি আসনে ভোট হয়েছিল, সেখানে নতুন করে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট পরীক্ষার প্রয়োজন আছে। রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আমরা সবরকম প্রস্তুতি রাখছি। রাজ্যসভা হোক বা বিধানসভা সব রকম নির্বাচনের জন্য দপ্তর প্রস্তুত।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

Rajya Sabha Election: রাজ্যসভায় দীনেশের আসনে উপনির্বাচন ৯ অগস্ট

রাজ্যসভার উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে ফের নির্বাচন হবে। ৯ অগস্ট ওই আসনে ভোটগ্রহণ বলে কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর, খতম ২ লস্কর জঙ্গিগত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীনই নিজের পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন দীনেশ ত্রিবেদী।সে দিন রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে উঠেই পদত্যাগের ঘোষণা করেন তিনি। অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি বেশি সময় নেব না। দুই মিনিটের মধ্যেই আমার বক্তব্য শেষ করব। আমি অন্তরাত্মার ডাক অনুসরণ করে এগোচ্ছি। আমার মতে কাজ না করার থেকে পদত্যাগ করাই শ্রেয়। এখানে থেকে কোনও কাজ করা যাচ্ছে না, দম বন্ধ হয়ে আসছে। এরপরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন। এদিকে তাঁর সাংসদ পদের মেয়াদ ছিল ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। ফলে এই আসনে দ্রুত নির্বাচন করাতে চাইছে কমিশন। আরও পড়ুনঃ কেন দ্বিতীয় বিয়ে করলেন না পূজা ভাট!শুক্রবার নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ২২ জুলাই প্রথা মেনে ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। ২৯ জুলাই পর্যন্ত মনোনয়ন পেশ করা যাবে। ৩০ জুলাই হবে স্ক্রুটিনি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২ অগস্ট। এরপরই ৯ তারিখ ভোটগ্রহণ হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। সেদিনই বিকেল ৫টা থেকে ভোট গণনা। যদিও রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়ার ফাঁকা আসন নিয়ে, তাঁর জায়গায় নতুন সাংসদ নির্বাচনের কোনও বিজ্ঞপ্তি এখনও অবধি জারি করা হয়নি।

জুলাই ১৬, ২০২১
কলকাতা

Nandigram-High Court: নন্দীগ্রামের ভোট সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের

নন্দীগ্রামে (Nandigram) ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় নথি, ভিডিও সংরক্ষিত রাখতে হবে। বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মামলা গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এ দিন এই মামলায় সমস্ত পার্টিকে নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। এ ছাড়া গণনাকেন্দ্রে যে রিটার্নিং অফিসার ছিলেন তাঁকে ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিসের একটি করে কপি দেওয়া হবে। এ ছাড়া মামলার নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব নথি সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকারের এজলাসে চলছে এই মামলার শুনানি।আরও পড়ুনঃ কাপ্পার কবলে এবার রাজস্থানও নন্দীগ্রামের ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ওই রায় চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন। তাঁর আবেদনপত্র স্ক্রুটিনি করেছেন রেজিস্টার। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশনে কোন ত্রুটি নেই। এরপর নন্দীগ্রাম মামলা গ্রহণ করে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ভোট সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও ভিডিও সংরক্ষণ করার জন্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে নির্দেশ দেয় আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ অগস্ট। মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশন মামলা ওঠে বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে। বিচারপতি চন্দের সঙ্গে বিজেপি যোগের অভিযোগ তুলে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মামলা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কায় অন্য বেঞ্চে সরানোর আর্জি করেন। বিচারপতি কৌশিক চন্দকেও চিঠি দেন। এরপর নন্দীগ্রাম মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি চন্দ। একইসঙ্গে বিচারব্যবস্থাকে কলুষিত করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন তিনি। সোমবার এজলাস বদল হয়। মামলা ওঠে বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে।

জুলাই ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মিরিক যাওয়ার পথে ফের বিপদ! বালাসনের জলে ভেসে গেল অস্থায়ী সেতু

রাতভর টানা বৃষ্টিতে ফের বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। বালাসন নদীর জলস্তর বাড়তেই কয়েক মাসের ব্যবধানে আবার ভেসে গেল দুধিয়ার অস্থায়ী হিউমপাইপের সেতু। এর ফলে সড়কপথে মিরিকের সঙ্গে যোগাযোগ আংশিক ভাবে ব্যাহত হয়েছে। আপাতত বেইলি সেতু দিয়ে ছোট গাড়ি চলাচল করলেও বড় গাড়ি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তার উপর নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পর্যটকেরা।গত জুলাইয়েও টানা বৃষ্টিতে বালাসন নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছিল। সেই সময় মহানন্দার ফুলবাড়ি ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। শেষ পর্যন্ত জলের তোড়ে ভেসে যায় দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু। শিলিগুড়ি থেকে মিরিকের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।এর পর যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় সেতু মেরামতির কাজ। দ্রুত যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে সেনার তরফে তৈরি করা হয় বেইলি সেতুও। কিন্তু দেড় মাস যেতে না যেতেই ফের একই পরিস্থিতি তৈরি হল।বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকে বালাসন নদীর জলস্তর। এক সময় নদীর প্রবল স্রোতে ফের ভেসে যায় দুধিয়ার অস্থায়ী হিউমপাইপের সেতু। ফলে মিরিকের পথে নতুন করে তৈরি হয়েছে যোগাযোগের সমস্যা।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি সরে গিয়ে এখন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে। নিম্নচাপটি কিছুটা দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঝুঁকে রয়েছে। পাশাপাশি হরিয়ানা থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ওই নিম্নচাপ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। সেই অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। এর প্রভাবেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।শুক্রবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলির দু-এক জায়গাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।শনিবারও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও থাকছে। দুধিয়ার সেতু ভেসে যাওয়ার পর নতুন করে সেই আশঙ্কা স্থানীয়দের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গাতেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাস।দুধিয়ার সেতু ফের ভেসে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি মিরিকমুখী পর্যটকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আপাতত ছোট গাড়ি বেইলি সেতু দিয়ে চলাচল করলেও বড় গাড়ি বন্ধ থাকায় যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি এবং নদীর জলস্তর আরও বাড়লে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা! বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে চাঞ্চল্য

বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, যিনি বাগেশ্বর বাবা নামে পরিচিত, তাঁর ছবি পোড়ানোর অভিযোগে দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অতনু দাসকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে টালিগঞ্জের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই বিধানসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি।বিধানসভায় বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভবানীপুরে থানার সামনে কয়েক জনকে ছবি পোড়াতে দেখা গিয়েছে। তাঁদের গ্রেফতার করার জন্য তিনি কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেন বলেও জানান। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল, এ রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা চলতে পারে না। তাঁর সেই মন্তব্যের পরেই রাতে অতনু দাসকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।অতনু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন। তাঁকে গ্রেফতার করে ভবানীপুর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে রাতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ায়।অন্য দিকে, কংগ্রেস নেতা প্রদীপ প্রসাদ এই গ্রেফতারির তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। তাঁর দাবি, বাগেশ্বর বাবা বাংলার মানুষকে পাখণ্ডী বলে অপমান করেছেন। তাঁর বক্তব্য, বাংলার মানুষের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরই এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। কিন্তু প্রতিবাদ করার কারণে কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।প্রদীপ প্রসাদ আরও দাবি করেন, এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের কুশপুতুল পোড়ানো হয়েছে। কিন্তু সেই ঘটনাগুলিতে মামলা বা গ্রেফতারির মতো পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর বক্তব্য, একসময় জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুতুল পোড়ানো হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি।কংগ্রেস নেতার আরও দাবি, এখানে কুশপুতুল নয়, একটি ছবি পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তাই এই ঘটনায় এত দ্রুত গ্রেফতারি কেন হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাঙালির অসম্মানের প্রতিবাদ করতে গিয়ে যদি গ্রেফতার হতে হয়, তাতেও তাঁরা পিছিয়ে যাবেন না।ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদল এবং কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দিকে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতারি, অন্য দিকে কংগ্রেসের পাল্টা অভিযোগসব মিলিয়ে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। তবে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় অতনু দাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
রাজ্য

আজ ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, কাল দ্বিতীয় শনিবার, পরশু রবিবার! পুজোর আগে টানা তিন দিন কী হবে গ্রাহকদের?

সপ্তাহে পাঁচ দিনের কর্মদিবসের দাবিতে শুক্রবার দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট শুরু হয়েছে। তার পরেই দ্বিতীয় শনিবার এবং রবিবারের ছুটি। ফলে পুজোর মুখে টানা তিন দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা বন্ধ থাকায় চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। বহু জায়গায় এটিএম পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। যে কয়েকটি এটিএম চালু রয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে।শুক্রবার সকাল থেকেই একাধিক জেলায় ব্যাঙ্কের সামনে গ্রাহকদের বিক্ষোভ দেখা যায়। আসানসোলেও পাঁচ দিনের কর্মদিবসের দাবিতে বিক্ষোভে শামিল হন স্টেট ব্যাঙ্কের কর্মীরা। সব মিলিয়ে ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।কেন এই ধর্মঘট? ব্যাঙ্ক অফিসারদের সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় জানান, ২০২৪ সালের বেতন সংশোধনের সময় সপ্তাহে পাঁচ দিনের কর্মদিবস চালু করার বিষয়ে লিখিত চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু প্রায় আড়াই বছর কেটে গেলেও সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি।সংগঠনের অভিযোগ, বার বার আইনি জটিলতার কথা বলে সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পরেও কোনও সমাধান না হওয়ায় এবার ধর্মঘটের পথে যেতে বাধ্য হয়েছেন ব্যাঙ্ক অফিসাররা বলে দাবি সংগঠনের।ব্যাঙ্ক অফিসারদের সংগঠনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, শুক্রবারের ধর্মঘটের পরও যদি দাবি পূরণ না হয়, তা হলে আন্দোলন আরও তীব্র করা হবে। আগামী ২৮, ২৯ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিনের ধর্মঘটের কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেই কর্মসূচির পরেও দাবি না মানা হলে ২৬ অক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘটে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।এই ধর্মঘটের প্রভাব শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে একাধিক বেসরকারি ব্যাঙ্কের অফিসারও রয়েছেন। ফলে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাঙ্কের পরিষেবাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে।পুজোর আগে ব্যাঙ্ক পরিষেবা টানা তিন দিন বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। টাকা তোলা, জমা দেওয়া, চেক সংক্রান্ত কাজ এবং অন্যান্য ব্যাঙ্কিং পরিষেবার জন্য যাঁদের ব্যাঙ্কের উপর নির্ভর করতে হয়, তাঁদের অনেককেই শুক্রবার সকাল থেকে সমস্যায় পড়তে হয়েছে।এদিকে এটিএম পরিষেবা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় এটিএম বন্ধ থাকায় চালু থাকা এটিএমগুলির সামনে লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে। ফলে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের সঙ্গে শনি ও রবিবারের ছুটি যুক্ত হয়ে গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।পাঁচ দিনের কর্মদিবসের দাবি নিয়ে ব্যাঙ্ক অফিসারদের এই আন্দোলন আগামী দিনে কোন দিকে যায়, তা এখন দেখার। দাবি পূরণ না হলে সেপ্টেম্বরের তিন দিনের ধর্মঘট এবং অক্টোবর থেকে লাগাতার কর্মসূচির হুঁশিয়ারি কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেও নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

রাজাবাজার থেকে বেলেঘাটা, ৫০ বেআইনি বহুতল! কালো টাকার অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্ত

কলকাতায় বেআইনি বহুতল নির্মাণের আড়ালে কোটি কোটি টাকার কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের তদন্তে এবার সরাসরি সিবিআইকে দায়িত্ব দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে।রাজাবাজার, মানিকতলা, বেলেঘাটা থেকে ক্যানাল স্ট্রিটকলকাতার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৫০টি বেআইনি বহুতল নির্মাণের বিষয় আদালতের নজরে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এই নির্মাণগুলিকে ঘিরেই এ দিন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে একের পর এক গুরুতর প্রশ্ন ওঠে।আদালতের পর্যবেক্ষণ, বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে বিপুল অঙ্কের কালো টাকার লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করেছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।শুধু তাই নয়, কলকাতা পুরসভা এই বেআইনি নির্মাণ সম্পর্কে কিছু জানত কি না, জানলেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও তুলেছে আদালত। পুরসভার কোনও আধিকারিকের প্রত্যক্ষ যোগসাজশ ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে হাই কোর্ট।আদালতে এ দিন সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, মামলাকারী সরাসরি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু আগের রাজ্য সরকারের তরফে তদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে সিবিআই আদালতে জানায়। সেই কারণে তখন কোনও পদক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি বলেও জানানো হয়।তবে বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে বিপুল অঙ্কের কালো টাকার লেনদেন এবং একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেছে হাই কোর্ট। তাই বিষয়টি আর ফেলে রাখা যায় না বলেই আদালতের পর্যবেক্ষণ।এই পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশে সিবিআই সরাসরি তদন্ত করতে পারবে বলে স্পষ্ট করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।এখন কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত বেআইনি বহুতলগুলির নেপথ্যে কারা রয়েছেন, নির্মাণের জন্য কী ভাবে অনুমোদন মিলেছিল, আর্থিক লেনদেনের কোনও অনিয়ম হয়েছিল কি না এবং পুরসভার কোনও আধিকারিকের ভূমিকা ছিল কি না, সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখবে সিবিআই।আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে। ফলে সিবিআইয়ের তদন্তে বেআইনি নির্মাণ ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে কী তথ্য উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
বিদেশ

দিল্লিতে পুতিন, মোদির সঙ্গে আজই বৈঠক! ব্রিকসের মঞ্চে কী বার্তা দেবে ভারত-রাশিয়া-চিন?

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার তিন দিনের ভারত সফরে এলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির পুতিন। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে নাগাদ দিল্লির পালাম বায়ুসেনা ঘাঁটিতে তাঁর বিমান অবতরণ করে। সেখানে রুশ প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং।দিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অষ্টাদশ ব্রিকস সম্মেলন। তার আগে শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন পুতিন। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, জ্বানি, প্রযুক্তি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভারত ও রাশিয়ার সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মোদি ও পুতিনের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল গত সপ্তাহে বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে। সেই বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠেছিল। মোদি রুশ প্রেসিডেন্টকে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ থেকে সরে এসে শান্তির পথে এগোনোর আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের প্রভাব শুধু ইউরোপে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং জ্বালানি বাজারেও তার প্রভাব পড়েছে। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। এমন পরিস্থিতিতে মোদি-পুতিন বৈঠক থেকে কী বার্তা আসে, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।শুধু পুতিন নন, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন। ফলে একই মঞ্চে ভারত, রাশিয়া ও চিনের তিন শীর্ষ নেতার উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। বিশ্ব রাজনীতিতে এই তিন দেশের সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে আমেরিকার বাণিজ্যনীতি, একতরফা শুল্ক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাতের আবহে ভারত, চিন ও রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির ব্রিকস সম্মেলন থেকে আমেরিকার উদ্দেশে কোনও বার্তা যায় কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।পুতিন ও জিনপিং ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-সহ একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে ইরানের প্রেসিডেন্টের ভারত সফরকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।সব মিলিয়ে দিল্লির ব্রিকস সম্মেলন ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। যুদ্ধ, বাণিজ্য, শুল্ক, জ্বালানি এবং বিশ্ব অর্থনীতির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যখন আলোচনার কেন্দ্রে, তখন ব্রিকসের মঞ্চ থেকে কোনও বড় বার্তা আসে কি না, সেটাই এখন দেখার। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, বিশ্বজুড়ে চলা একের পর এক সংকট থেকে বেরিয়ে আসার কোনও নতুন পথ কি দেখাতে পারবে ব্রিকস?

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরের নিয়োগে ‘বড় গরমিল’! সিবিআই তদন্ত চেয়ে উপাচার্যকে চিঠি সঙ্ঘঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠনের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এবার সিআইডি, সিবিআই অথবা কোনও নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাল সঙ্ঘঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ। বৃহস্পতিবার এই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে।সংগঠনের অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের সময় প্রার্থীদের যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা ঠিক ভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার জন্যই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।চিঠিতে ডেপুটি রেজিস্ট্রার-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ফেটের সচিব পদে ভোটের বিধিনিষেধ চলাকালীন কী ভাবে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি।অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নিয়োগের ক্ষেত্রে পক্ষপাত, স্বজনপোষণ, প্রভাব খাটানো এবং আর্থিক অনিয়মের মতো অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই সমস্ত অভিযোগকেই তদন্তের আওতায় আনা হোক। তবে অভিযোগগুলি এখনও প্রমাণিত নয়।সংগঠনের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগে গত ১৫ মে এবং ১২ জুনও একই বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে উপাচার্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ফের সেই দাবি জানানো হল।বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, যেদিন বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ প্রশাসন এবং নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল, ২০২৬ পেশ হয়েছে, সেদিনই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়ে নতুন করে তদন্তের দাবি সামনে এল। সংগঠনের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নিয়োগের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।এরই মধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি নিয়েও বৃহস্পতিবার প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংগঠনের সদস্যদের অতীত এবং বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, তাঁদের সমস্ত ইতিহাস বের করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই যাদবপুরের নিয়োগ নিয়ে তদন্তের দাবিতে উপাচার্যের কাছে চিঠি যাওয়ায় রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।এখন উপাচার্য এই চিঠির পর কী পদক্ষেপ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে কোনও তদন্ত হয় কি না এবং হলে কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
শিক্ষা

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মী বদলির বিল বিধানসভায় পাশ, শিক্ষাক্ষেত্রে স্বায়ত্তশাসন নিয়ে তীব্র বিতর্ক

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করার যুক্তি সরকারের, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন খর্ব হবেআপত্তি শিক্ষকমহলের।কলকাতা: রাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বদলির পথ খুলে গেল। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হল দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬। যদিও সরকারের এই উদ্যোগকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শিক্ষকমহল ও বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের অভিযোগ, এই আইনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন এবং শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।বিশেষ অধিবেশনে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বিলটি পেশ করেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্য মন্ত্রিসভা এই সংশোধনীতে অনুমোদন দিয়েছিল। সংশোধিত আইনে ২০১৭ সালের আইনের ১৪এ ধারায় নতুন বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুযায়ী রাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বদলি করতে পারবে সরকার।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করতেই বদলি, দাবি সরকারেরসরকারের যুক্তি, রাজ্যের নতুন তৈরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ শিক্ষক ও কর্মীদের পাঠানো হলে সেখানকার পরিকাঠামো ও শিক্ষার মান উন্নত হবে। ঝাড়গ্রাম বা কোচবিহারের মতো জায়গায় গড়ে ওঠা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সেন্টার অফ এক্সেলেন্স-এ পরিণত করার ক্ষেত্রেও অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন বিধানসভায় বিলটির পক্ষে সওয়াল করে বলেন, এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন এবং সরকারের প্রতি প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। তাঁর দাবি, এর ফলে পিএইচডি-র তত্ত্বাবধান বা গবেষণা প্রকল্পে কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের পাঠানো হলে তাঁরা পরিকাঠামো তৈরি, ক্লাস পরিচালনা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবেন। তাঁর কথায়, নতুন প্রতিষ্ঠানগুলিতে অভিজ্ঞ মানবসম্পদ পৌঁছনোর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে মানবসম্পদের আদানপ্রদানও হবে।সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়বে, সরব শিক্ষকমহলতবে সরকারের এই যুক্তি মানতে নারাজ শিক্ষকমহলের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সাংবিধানিক বা আইনগত স্বশাসিত সংস্থা রয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকারের সরাসরি বদলির ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজের মাইক্রোবায়োলজির শিক্ষক সাগরময় ঘোষের মতে, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করার জন্য সরাসরি বদলির পথে না গিয়ে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মেন্টরিং করানো যেত।তাঁর বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে সম্পদ ও দক্ষতার ভাগাভাগির মতো মডেল জাতীয় শিক্ষানীতিতেও রয়েছে। কিন্তু জোর করে অধ্যাপকদের বদলি করলে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়ে ওঠা কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একাডেমিক কাঠামো ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।এক অধ্যাপকও প্রশ্ন তুলেছেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল বা সিন্ডিকেট শিক্ষক নিয়োগ করে, সেই শিক্ষকদের পরে রাজ্য সরকার অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার ক্ষমতা পাবে কেন?গবেষণা নিয়েও আশঙ্কাবিলটি ঘিরে গবেষণার ক্ষেত্রেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মানস ঘোষ। তাঁর দাবি, একটি বিভাগে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা থাকলেই আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সম্ভব। হঠাৎ করে শিক্ষক বদলি শুরু হলে গবেষণার ধারাবাহিকতা নষ্ট হতে পারে।তাঁর মতে, বিভিন্ন গবেষণা ও অর্থদাতা সংস্থা কোনও অধ্যাপকের নেতৃত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার পরিকল্পনার ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ করে। ঘন ঘন বা ইচ্ছেমতো বদলি শুরু হলে সেই অর্থসাহায্যও প্রভাবিত হতে পারে।প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অর্ণব হালদারও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিষয়ে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করুক সরকারকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সমস্যার মূল কারণ যদি পরিকাঠামোগত দুর্বলতা হয়, তাহলে তার সমাধান হিসেবে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের বদলি না করে সরকারকে পরিকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে।তাঁর মতে, সাধারণত অভিজ্ঞ অধ্যাপকেরা উন্নত গবেষণার সুযোগ, ল্যাবরেটরি, পরিকাঠামো এবং একাডেমিক পরিবেশের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে শুধু শিক্ষক বদলি করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে।বদলি নিয়ে নতুন বিতর্কএকদিকে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করতে অভিজ্ঞ শিক্ষক-মানবসম্পদ কাজে লাগানোর যুক্তি দিচ্ছে সরকার, অন্যদিকে শিক্ষক সংগঠন ও শিক্ষাবিদদের একাংশের আশঙ্কাএই ক্ষমতা ভবিষ্যতে নির্বাচিতভাবে কোনও শিক্ষককে বদলি বা চাপের মুখে ফেলার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।ফলে বিধানসভায় বিল পাশ হলেও রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন বনাম সরকারের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।Source: Telegraph India

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
কলকাতা

'জনতার দরবারে' অভিযোগের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন উপপুরপ্রধান-সহ ৩

জনতার দরবারে প্রোমোটারের অভিযোগের পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। তোলাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে দমদমের প্রাক্তন উপপুরপ্রধান বরুণ নট্টকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি তাঁর দুই ঘনিষ্ঠকেও পাকড়াও করা হয়েছে।দমদমে তোলাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। পুলিশের জালে দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপপুরপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা বরুণ নট্ট। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে নয়নাশিস দাস ওরফে জনি এবং সুমন্ত ঘোষ ওরফে লাল্টুকে। ধৃত নয়নাশিস দমদম পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর পর্ণা দাসের ছেলে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দমদম থানায় প্রোমোটার সুজয় মজুমদার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তোলাবাজি ও প্রতারণার কথা উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর রাতেই বরুণ নট্ট, নয়নাশিস এবং সুমন্তকে তাঁদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।ধৃতদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, প্রতারণা-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। শুক্রবার তিন জনকেই ব্যারাকপুর আদালতে হাজির করানোর কথা রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ।তদন্তকারীদের মূল নজর এখন কয়েকটি প্রশ্নেঅভিযোগে যে তোলাবাজির কথা বলা হয়েছে, তার সঙ্গে বরুণ নট্ট এবং তাঁর দুই ঘনিষ্ঠের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছেন কি না এবং প্রতারণার মাধ্যমে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকলে সেই টাকা কীভাবে ও কার মাধ্যমে আদানপ্রদান হয়েছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। কারণ, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে হাজির হয়ে তোলাবাজির অভিযোগ তুলেছিলেন প্রোমোটার সুজয় মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানোর মাত্র দুদিনের মধ্যেই প্রাক্তন উপপুরপ্রধান-সহ তিন জনের গ্রেফতারিকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছেন, অভিযুক্তদের ভূমিকা ঠিক কতটা এবং আর্থিক লেনদেনের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি নাসবকিছুই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার আদালতে ধৃতদের পেশ করার পর পুলিশি হেফাজত পাওয়া যায় কি না এবং তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal