• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cricket

খেলার দুনিয়া

Akash Deep : কোহলির সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করবেন বাংলার আকাশদীপ

আইপিএলের দ্বিতীয় দফা শুরুর আগেই একের পর এক ধাক্কা খেয়েই চলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। দল প্লে অফে উঠলে পাবে না শ্রীলঙ্কার দুই ক্রিকেটারকে। সেটা মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেছে। এবার আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব থেকে ছিটকে গেলেন অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর। চোটের জন্য এই স্পিনার অলরাউন্ডার আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলিতে খেলতে পারবেন না। তাঁর পরিবর্তে আইপিএলের দরজা খুলে গেল বাংলার জোরে বোলার আকাশদীপের সামনে। ওয়াশিংটন সুন্দরের পরিবর্ত হিসেবে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলে সুযোগ পেলেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নীরজে উদ্বুদ্ধ দেবেন্দ্র প্যারালিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন রুপোইংল্যান্ড সফরে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ইংল্যান্ড থেকে তঁাকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছিল ইংল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট। রিহ্যাব চলছিল। এই ভারতীয় স্পিনার অলরাউন্ডারের চোট যে বেশ গুরুতর তা বোঝা গেছে সোমবার। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলের পক্ষ থেকে এদিন জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আঙুলের চোটের জন্য সেপ্টেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে শুরু হতে চলা আইপিএল ২০২১র বাকি ম্যাচগুলিতে খেলতে পারবেন না ওয়াশিংটন সুন্দর। আসলে ২০২১ টি২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে ঝুঁকি নিতে চাইছেন না তিনি। পুরো ফিট না হয়ে মাঠে নামলে আবার চোট লেগে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপে খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।ওয়াশিংটনের পরিবর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আকাশদীপকে নিলেও তিনি দলে কতটা সুযোগ পাবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ, বিরাট কোহলির দল আগেই অ্যাডাম জাম্পার পরিবর্তে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও ড্যানিয়েল সামসের পরিবর্তে জোরে বোলার দুষ্মন্ত চামিরাকে নিয়েছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলে আকাশদীপ সঙ্গী হিসেবে পাবেন বাংলারই শাহবাজ আমেদকে।আরও পড়ুনঃ প্যারালিম্পিকে ডিসকাস থ্রোতে রুপো জিতলেন যোগেশ কাথুনিয়াআদপে বিহারের ছেলে হলেও বড় ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ছোট বেলাতেই কলকাতায় চলে আসেন আকাশদীপ। বাংলার বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে দাপিয়ে খেলার পর ২০১৯২০ মরশুমে রনজি দলে ডাক পান। দলকে রনজি ফাইনালে তোলার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। বাংলার হয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৫টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলেছেন। উইকেট নিয়েছেন ৩৫টি। টি২০ ম্যাচ খেলেছেন ১৬টি। উইকেট পেয়েছেন ২১টি। বিরাট কোহলির দলে ড্রেসিংরুম শেয়ার করার সুযোগ পাবেন ভেবেই আপ্লুত আকাশদীপ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : অসহায় আত্মসমর্পন কোহলিদের, সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড

হেলিংলেতে তৃতীয় দিন চেতেশ্বর পুজারা ও বিরাট কোহলির ব্যাটিং দেখে আশায় বুক বেঁধেছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। অলৌকিক কিছুর প্রত্যাশায় ছিলেন। চতুর্থদিন প্রথম সেশনেই সব আশা শেষ। মধ্যাহ্নভোজের আগেই গুটিয়ে গেল ভারত। দুরন্ত রবিনসনের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন বিরাট কোহলিদের। ইনিংস ও ৭৬ রানে তৃতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ল মাত্র ৪১ রানে। বাইশ গজ অনেকটাই ব্যাটিং সহায়ক হয়ে উঠেছিল। চতুর্থ দিন সকালের প্রথম ঘণ্টা নতুন বল সামলে নিতে পারলেই কাজটা সহজহয়ে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের কাছে। হয়তো ম্যাচও বেঁচে যেত। কিন্তু হতাশ করলেন বিরাট কোহলিরা। ভারতের শেষ ৮ উইকেট তুলে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে ইংল্যান্ডের একটা সেশনও লাগল না। আগের দিনের ২ উইকেটে ২১৫ রান হাতে নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। চেতেশ্বর পুজারা ৯১ ও বিরাট কোহল ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন কোনও রান করার আগেই অলি রবিনসনের বল জাজমেন্ট দিয়ে ছাড়তে গিয়ে বিপত্তি। বল লাগে পুজারার প্যাডে। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেননি। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট রিভিউ নেন। টিভি আম্পায়ারের সাহায্য নিয়ে অনফিল্ড আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার পুজারা আউট হলেন নার্ভাস নাইন্টিতে। ২০১৭ সালের মার্চে বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৯২ রানে আউট হয়েছিলেন। এদিন শতরান হাতছাড়া ৯ রানের জন্য।পুজারা ৯১ রানে আউট হওয়ার পর আশা ছিল বিরাট কোহলিকে নিয়ে। ম্যাচের ৮৭তম ওভারের শেষ বলে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে কট বিহাইন্ডের আবেদনে আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন। রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান ভারত অধিনায়ক। তখন তিনি ৪৬ রানে ব্যাট করছিলেন। এরপর ৯০তম ওভারের প্রথম বলে অলি রবিনসনকে চার মেরে সিরিজের প্রথম অর্ধশতরান পূর্ণ করেন কোহলি। ১২০ বলে টেস্ট জীবনের ২৬তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি আসে কোহলির ব্যাট থেকে। একই ওভারের পঞ্চম বলে চার মেরে পৌঁছে যান ৫৫। ওভারের শেষ বলে প্রথম স্লিপে জো রুটের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান কোহলি। কোহলি যখন আউট হন, ভারতের রান ২৩৭। কোহলি ফিরে যাওয়ার পর ধস ভারতের ইনিংসে। ১ ওভার পরেই জেমস অ্যান্ডারসনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন অজিঙ্কা রাহানে (১০)। মিছিলে পা মেলান ঋষভ পন্থ (১), মহম্মদ সামি (৬), ইশান্ত শর্মারা (২)। রবীন্দ্র জাদেজা (৩০) সামান্য লড়াই করেন। ইশান্তকে ফিরিয়ে রবিনসন ইনিংসে ৫ উইকেট দখল করেন। তাঁর দুরন্ত স্পেল ভারতের হার নিশ্চিত করে দেয়। ওভারটন নেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন অ্যান্ডারসন ও মঈন। ২৭৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। ম্যাচের সেরা রবিনসন।

আগস্ট ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

C‌heteshwar Pujara : চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাব

২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ইডেন টেস্টে ভিভিএস লক্ষ্মণ ও রাহুল দ্রাবিড়ের সেই জুটির কথা আজও বীরগাথা হয়ে আছে ক্রিকেট ইতিহাসে। ফলোঅনে বাধ্য হয়েও টেস্ট জিতেছিল ভারত। আরও একটা টেস্টের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। সেটা আবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই। ২০০২ সালে নটিংহ্যাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৫০রও বেশি রানে পিছিয়ে থেকে টেস্ট ম্যাচ বাঁচিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির ভারত। হেডিংলেতে কি তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবে টিম ইন্ডিয়া? ৩৫৪ রানে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে থেকে দুরন্ত লড়াই কোহলিদের। ভারতকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ছন্দে ফেরা চেতেশ্বর পুজারা।আগের দিনের ৮ উইকেটে ৪২৩ রান হাতে নিয়ে খেলতে নেমেছিল ইংল্যান্ড। শুক্রবার অবশ্য ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে বেশি বাড়তে দেননি ভারতীয় বোলাররা। তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হওয়ার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ। প্রথমে ফেরেন ক্রেগ ওভারটন। তিনি ৪২ বলে ৩২ রান করে মহম্মদ সামির বলে এলবিডব্লুউ হন। রবিনসন কোনও রান না করেই যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। ৪৩২ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস।আরও পড়ুনঃ ইতালিয়ান ফুটবলে সি আর সেভেন যুগের পরিসমাপ্তি, যোগ দিচ্ছেন ম্যান ইউতেএরপরই ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের বোলারদের সামলাতে নেমে পড়েন রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুলরা। ভারতের দুই ওপেনার ভালোই শুরু করেছিলেন। কিন্তু ছন্দ কাটে ক্রেগ ওভারটনের দুর্দান্ত একটা আউটসুইংয়ে। তাঁর বল লোকেশ রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে দ্বিতীয় স্লিপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। বাঁদিকে শরীর ছুঁড়ে একহাতে দুরন্ত ক্যাচ নেন জনি বেয়ারস্টো। এরপর শুরু হয় রোহিত ও পুজারার লড়াই। এদিন অন্য পুজারাকে দেখা গেল। আগের তুলনায় অনেক বেশি কম্পোজড। রোহিত শর্মাকেও অন্যরকম মনে হল। ১২৫ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন রোহিত। মধ্যাহ্নভোজের সময় ভারতের রান যেখানে ১ উইকেটে ৩৪ ছিল, চা বিরতিতে গিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১১২।আরও পড়ুনঃ আর নিজের পায়ে হাঁটতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস?চা পানের বিরতির পরপরই ধাক্কা খায় ভারত। অলি রবিনসনের বলে এলবিডব্লুউ হয়ে সাজঘরে রোহিত। ১৫৬ বলে তিনি করেন ৫৯। পুজারার সঙ্গে জুটিতে তিনি তোলেন ৮২ রান। এরপরই ব্যাট হাতে অন্য ভুমিকায় দেখা গেল চেতেশ্বর পুজারাকে। যেন সমালোচকদের জবাব দিতেই মাঠে নেমেছেন। ৯১ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। কোহলির ব্যাটিংয়েও বড় রানের ইঙ্গিত। এখন দেখার ২০০২ সালের নটিংহ্যামের স্মৃতি হেডিংলেতে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারে কিনা কোহলি ব্রিগেড। ৭৪ ওভারে ভারত তোলে ১৯৪/২। সেঞ্চুরি থেকে ১৮ রান তখন দুরে ছিলেন পুজারা (৮২)। তৃতীয় দিনের শেষে ভারত ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২১৫। পুজারা ৯১ ও কোহলি ৪৫ রানে ক্রিজে রয়েছেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এখনও ১৩৯ রানে পিছিয়ে।

আগস্ট ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

C‌hris Cairns : আর নিজের পায়ে হাঁটতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস?‌

নিজের পায়ে আর দাঁড়াতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস? এমনই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিছুদিন আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন একসময়ের বিশ্ব কাঁপানো নিউজিল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার। অস্ত্রোপচার চলার সময়ই স্ট্রোক হয়। তার ফলে প্যারালাইসিসের কবলে পড়ছেন। কেয়ার্নেস দুই পা পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়ে গেছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।নিউজিল্যান্ড ছেড়ে দীর্ঘদিন ধরেই সপরিবার অস্ট্রেলিয়াতে বসবাস করেন ক্রিস কেয়ার্নস। সেখানেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। প্রান বাঁচানোর জন্য সিডনিতে নিয়ে এসে দ্রুত অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তিনি ক্যানবেরা ফিরে এসেছেন। কিন্তু দুই পা পক্ষাগ্রস্থ হয়ে পড়ায় কেয়ার্নসের স্বাস্থ্য নিয়ে উৎকন্ঠা থেকেই গেছে।আরও পড়ুনঃ ইতালিয়ান ফুটবলে সি আর সেভেন যুগের পরিসমাপ্তি, যোগ দিচ্ছেন ম্যান ইউতেকেয়ার্নসের আইনজীবী অ্যারন লয়েড বলেছেন, কেয়ার্নসকে বাঁচাতে জরুরিভিত্তিতে হৃদযন্ত্রে সার্জারি করতে হয়েছিল সিডনিতে। সার্জারি সময় আবার মেরুদণ্ডে স্ট্রোক হয়। এতেই তাঁর দুই পা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে। কেয়ার্নসের শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক হলেও স্থিতিশীল। অস্ট্রেলিয়ারই এক নামী স্পাইনাল হাসপাতালে কেয়ার্নসের রিহ্যাব চলবে বলে জানিয়েছেন লয়েড।আরও পড়ুনঃ চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাবকেয়ার্নসের অসুস্থতাকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলে অ্যাওর্টিক ডিসেকশন। যে কারণে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে রেখে তাঁকে সিডনির সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যে শিরার মাধ্যমে হৃদযন্ত্র থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত শরীরের বিভিন্ন অংশে যায় সেই অ্যাওর্টার ভিতরের স্তর ছিঁড়ে গিয়েছিল। এর ফলে প্রাণ সংশয় তৈরি হয় কেয়ার্নসের। সিডনির হাসপাতালে জরুরীকালীন অস্ত্রোপচারে প্রাণ বাঁচানো গেলেও পুরো সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়নি। গত সপ্তাহেই লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম থেকে বের করে আনা হয় কেয়ার্নসকে। তিনি পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছেন এবং কথাবার্তাও বলতে শুরু করেছেন।আরও পড়ুনঃ আবার সেঞ্চুরি রুটের, হেডিংলেতে চালকের আসনে ইংল্যান্ড১৯৮৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক কেয়ার্নসের। ২০০৬ সাল পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৬২টি টেস্ট, ২১৫টি একদিনের ম্যাচ ও ২টি টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ক্রিস কেয়ার্নসের বাবা ল্যান্স কেয়ার্নসও নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন। ২০০৮ সালে কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লিগে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ উঠেছিল। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণে তাঁকে দীর্ঘ আইনি রাস্তায় হাঁটতেও হয়। ২০১২ সালে তিনি ললিত মোদীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা জেতেন লন্ডনের আদালতে। এরপর লু ভিনসেন্ট ও ব্রেন্ডন ম্যাকালাম ফের কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ তোলেন। মামলার খরচ জোগাড়ে তাঁকে অকল্যান্ড কাউন্সিলে ট্রাক চালানো ও বাস শেল্টার পরিষ্কারের কাজ নিতেও হয়েছিল।

আগস্ট ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IND vs ENG Test : আবার সেঞ্চুরি রুটের, হেডিংলেতে চালকের আসনে ইংল্যান্ড

লর্ডস টেস্টে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেওয়ার পর দেশের বোলারদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। আশায় ছিল, হেডিংলেতেও জ্বলে উঠবেন। কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলেন না যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামিরা। ভারতীয় বোলারদের ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে তৃতীয় টেস্টে চালকের আসনে ইংল্যান্ড। আবার অধিনায়কোচিত সেঞ্চুরি জো রুটের। চলতি সিরিজে সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক সেরে ফেললেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ভারতের প্রথম ইনিংস ৭৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল বিনা উইকেটে ১২০। ররি বার্নস ৫২ ও হাসিব হামিদ ৬০ রানে ক্রিজে ছিলেন। প্রথমদিন যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই দ্বিতীয় দিন শুরু করে ররি বার্নসহাসিব হামিদ জুটি। সকালের পরিবেশের কথা ভেবে প্রথম ৩০ মিনিট ভারতীয় বোলারদের কিছুটা সমীহ করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। পরে সময় যত গড়িয়েছে, দাপট দেখিয়েছেন বার্নস ও হামিদ। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ১৩৫ রান। জুটি ভাঙেন মহম্মদ সামি। তিনি তুলে নেন ররি বার্নসকে। ৬১ রান করে বোল্ড হন বার্নস। দলের ১৫৯ রানের মাথায় ফেরেন অন্য ওপেনার হাসিব হামিদ। ৬৮ রান করে তিনি রবীন্দ্র জাদেজার বলে বোল্ড হন। রুট নামার পর ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ড দারুণ সচল ছিল। এই সময় ভারতীয় বোলাররা দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। জুটি ভাঙতে ৮০ ওভার শেষ হতেই দ্বিতীয় নতুন বল নেন কোহলি। কোনও লাভ হয়নি। কোহলি নতুন বল নিতেই রুটের দাপট যেন বেড়ে গিয়েছিল। মধ্যাহ্নভোডের বিরতির সময় ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ১৮২/২। সেখান থেকে চাবিরতিতে ২৯৮/৩।দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর ডেভিড মালানেন সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক জো রুট। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ওঠে ১৩৯ রান। ২৯৮ রানের মাথায় ইংল্যান্ড তৃতীয় উইকেট হারায়। ৭০ রান করে মহম্মদ সামির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মালান। এরপর জনি বেয়ারস্টোকে সঙ্গে নিয়ে দলের লিড বাড়ানোর ফাঁকে দুরন্ত শতরান উপহার দেন রুট। বেয়ারস্টোকে (২৯) তুলে নেন সামি। রুট এদিন কেরিয়ারের ২৩তম টেস্ট শতরান পূর্ণ করলেন মাত্র ১২৪ বলে। ১২টি চারের সাহায্যে। রুটের বিধ্বংসী ফর্ম, সেই সঙ্গে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানেরই অর্ধশতরানের সুবাদে রানের পাহাড় করছে ইংল্যান্ড। ১৬৫ বলে ১২১ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন রুট। ইংল্যান্ডের রান তখন ৩৮৩। পরের ওভারেই জাদেজার বলে আউট হন মঈন আলি (৮)। ইংল্যান্ডকে ৪০০ রানের গন্ডি পার করে দেন স্যাম কারেন ও ক্রেগ ওভারটন।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kolkata Knight Raiders : সাউদিকে নিয়ে কেন আশায় বুক বাঁধছে কলকাতা নাইট রাইডার্স?‌

স্ত্রী সন্তানসম্ভবা। সেপ্টেম্বরেই সন্তানের জন্ম দেবেন। এই সময়ে স্ত্রীর পাশে থাকতে চান প্যাট কামিন্স। তাই আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলিতে তিনি খেলতে পারবেন না। তাঁর এই সিদ্ধান্তের কথা আগেই কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েছিলেন কামিন্স। কামিন্সের পরিবর্তে নিউজিল্যান্ডের জোরে বোলার টিম সাউদিকে দলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। চেন্নাই সুপার কিংস, রাজস্থান রয়্যালস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পর এবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলতে দেখা যাবে সাউদিকে। ২০১১ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে আইপিএলে অভিষেক ঘটে টিম সাউদির। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দলের হয়ে টানা আইপিএল খেলেছেন। পরপর দুবার আইপিএলে খেলার সুযোগ হয়নি নিউজিল্যান্ডের এই জোরে বোলারের। শেষবার আইপিএল খেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে। এখনও পর্যন্ত আইপিএলে ৪০টি ম্যাচ খেলেছেন সাউদি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ২৮টি উইকেট। সেরা বোলিং ২৪ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট। ইকনমি ৮.৭৩। সবমিলিয়ে সাউদি মোট টি২০ ম্যাচ খেলেছেন ২০১টি। উইকেট নিয়েছেন ২২৪টি। সেরা বোলিং ১৬ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট। ব্যাট হাতে ৮১৪ রান করেছেন, দুটি অর্ধশতরান রয়েছে। সর্বাধিক স্কোর ৭৪। সাউদি দলে আসায় খুশি কলকাতা নাইট রাইডার্স কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। বোলিং বিভাগকে নেতৃত্ব দিতে ম্যাচ উইনার সাউদির অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করছেন তিনি।আইপিএলের বাকি ম্যাচ খেলতে শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহী রওনা হবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তার আগে মুম্বইতে রয়েছেন ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ, ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা। তারই মধ্যে বড় চমক দিল শাহরুখ খানের দল সাউদিকে দলে নিয়ে। তবে প্যাট কামিন্সের না থাকাটা বড় ধাক্কা কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে। চলতি আইপিএলে বোলিংয়ের পাশাপাশি পাশাপাশি ব্যাট হাতেও দলকে ভরসা দিচ্ছিলেন কামিন্স। যদিও সাউদির ব্যাটের হাতও খুব একটা খারাপ নয়। সাউদাম্পটনে ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে সফল হন সাউদি। ৯ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দলের প্রয়োজনের সময় তিনি করেছিলেন ৪৬ বলে ৩০ রান। একটি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে। তাঁর ইনিংসের সুবাদেই ভারতের রান টপকাতে সুবিধা হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammad Siraj : আবার আক্রমণের শিকার?‌ এবার জবাব দিলেন মহম্মদ সিরাজ

অস্ট্রেলিয়া সফরে তাঁর উদ্দেশ্যে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য উড়ে আসায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল ক্রিকেটবিশ্ব। ইংল্যান্ড সফরে আবার আক্রমণের শিকার মহম্মদ সিরাজ। তবে এবার বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যর শিকার হতে হয়নি। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টের প্রথম দিন গ্যালারি থেকে তাঁর উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে মারা হল বল। তবে চুপ করে থাকেননি মহম্মদ সিরাজ। সেই দর্শককে পাল্টা জবাবও দেন। গ্যালারিতে বসে থাকা ওই দর্শকের দিকে তাকিয়ে আঙুল তুলে ইশারায় কিছু দেখান সিরাজ। এই ভিডিও যথেষ্ট ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের সময় তৃতীয় সেশনে বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করছিলেন মহম্মদ সিরাজ। সেইই সময় গ্যালারি থেকে এক দর্শক সিরাজকে উদ্দেশ্য করে বল ছোঁড়েন। ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার প্রথমে লক্ষ্য করেননি। বল ছোঁড়ার ঘটনাটা চোখে পড়েছিল উইকেটকিপার ঋষভ পন্থের। তিনি বিষয়টা অধিনায়ক কোহলিকে জানান। এরপর কোহলি মহম্মদ সিরাজকে নির্দেশ দেন, বল বাইরে ফেলে দেওয়ার জন্য। অধিনায়কের নির্দেশ মতো সিরাজ বল বাইরে ফেলেন। সেই সময় বাউন্ডারি লাইনের কাছে গিয়ে গ্যালারির দিকে ডান হাতের একটা আঙুল তুলে দেখান সিরাজ। এরপর বাঁহাত দিয়ে শূন্য দেখান যিনি বল ছুঁড়েছিলেন, সেই দর্শককে উদ্দেশ্য করে। ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার হয়তো বোঝাতে চেয়েছিলেন, সিরিজে ভারত ১০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে বিষয়টি প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন ভারতীয় দলের উইকেটকিপার ঋষভ পন্থ। বিষয়টিকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক আখ্যাও দিয়েছেন। আন্তজার্তিক ক্রিকেটে বেশ কয়েক বছর কাটিয়ে ফেলা মহম্মদ সিরাজ এই ব্যাপারে বেশ খানিকটা অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছেন। এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে কীভাবে যোগ্য জবাব দিতে হয়, তা তিনি রপ্ত করে ফেলেছেন। লিডসে গ্যালারির দিকে তাঁর ইশারা করাই প্রমাণ। তবে সিরাজের দিকে বল ছোঁড়ার ঘটনায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে ম্যাচ রেফারির কাছে অভিযোগ জানানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IND vs ENG Test: ঔদ্ধত্য ভেঙে চুরমার, লজ্জাজনক আত্মসমর্পন কোহলিদের

লর্ডস টেস্ট জেতার পর একটু বেশিই ঔদ্ধত্য দেখিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ভাবখানা এমন, যেন সিরিজই জিতে ফেলেছেন। কোহলিদের লর্ডসের সেই ঔদ্ধত্য লিডসে ভেঙে চুরমার। হেডিংলেতে লজ্জাজনক আত্মসমর্পন ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের। তৃতীয় টেস্টে মাত্র ৪০.৪ ওভারে ৭৮ রানে গুটিয়ে গেল ভারতের প্রথম ইনিংস। সর্বোচ্চ রান রোহিত শর্মার ১৯। ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মেরুদন্ড ভেঙে দিলেন জেমস অ্যান্ডারসন।আজ টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বিরাট কোহলি। চলতি সিরিজে এই প্রথম টস জেতেন ভারতীয় অধিনায়ক। উইকেটে ঘাস না থাকায় কোহলি যথেষ্ট অবাক হয়েছিলন। আগের দিন প্রেস কনফারেন্সে সেকথা বলেও ছিলেন। ভারতীয় শিবিরের লক্ষ্য ছিল প্রথমে ব্যাট করে বড় রান ইংল্যান্ডের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া। কিন্তু কোহলির প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে গেল।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনিঘাস না থাকলেও এদিন শুরু থেকেই হেডিংলের উইকেট ছিল সিম সহায়ক। ম্যাচের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই লোকেশ রাহুলকে (০) তুলে নেন জেমস অ্যান্ডারসন। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে উইকেটের পেছনে জস বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন রাহুল। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে চেতেশ্বর পুজারাকেও (১) তুলে নেন অ্যান্ডারসন। পুজারাও বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন। ভারতের রান তখন ৪। এরপর কোহলিকেও (৭) তুলে নেন অ্যান্ডারসন। তিনিও উইকেটের পেছনে বাটলারের হাতে ধরা পড়েন। ভারতের তৃতীয় উইকেট পড়ে ২১ রানে। রোহিত শর্মার সঙ্গে জুটি বেঁধে লড়াই করছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। মধ্যাহ্নভোজের আগে রাহানেও (১৮) আউট। অলি রবিনসনের বলে তিনি বাটলারের হাতে ক্যাচ দেন। মধ্যাহ্নভোজের সময় ভারতের রান ছিল ৪ উইকেটে ৫৬।মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরও ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সাজঘরে ফেরার মিছিল অব্যাহত থাকে। প্রথম আউট হন ঋষভ পন্থ (২)। রবিনসনের বলে তিনিও উইকেটকিপার জস বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়ে ৫৮ রানে, ২৯.১ ওভারের মাথায়। ম্যাচের ৩৭তম ওভারে রোহিত শর্মার লড়াই শেষ। ক্রেগ ওভার্টনের বলে তিনি রবিনসনের হাতে ক্যাচ দেন। ১০৫ বল খেলে ১৯ রান করেন রোহিত। তাঁর ১৯ রানই দলের সর্বোচ্চ। এরপর ৬৭ রানেই ভারতের ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম উইকেটের পতন ঘটে। রোহিত ফেরার পরের বলেই শূন্য রানে আউট হন মহম্মদ সামি। এরপর ফিরে যান রবীন্দ্র জাদেজা (৪)। তিনি স্যাম কারেনে বলে এলবিডব্লুউ হন। পরের বলেই যশপ্রীত বুমরাকে তুলে নেন কারেন।আরও পড়ুনঃ আজ নবান্নেই ঠিক হবে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যতবুমরা আউট হওয়ার পর ভারতের সামনে টেস্টের প্রথম ইনিংসে সবথেকে কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার হাতছানি। সেই লজ্জায় অবশ দলকে পড়তে দেননি ইশান্ত শর্মা ও মহম্মদ সিরাজ ১১ রান যোগ করায়। সিরাজ ৩ রান করে ওভারটনের বলে রুটের হাতে ক্যাচ দিতেই গুটিয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। ইশান্ত ৮ রানে অপরাজিত থাকেন। ৮ ওভারে ৬ রানে ৩ উইকেট নেন অ্যান্ডারসন। ওভারটন ১৪ রানে ৩টি, রবিনসন ও কারেন ২টি করে উইকেট নেন।টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে সবথেকে কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার তালিকায় ভারতের এদিনের স্কোর রয়েছে সপ্তম স্থানে। ১ নম্বরে নিউজিল্যান্ডের ৪৫, ২০১৩ সালে কেপটাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। এরপর ২০০৫ সালে কেপটাউনেই জিম্বাবোয়ের ৫৪। তিন ও চারে রয়েছে পাকিস্তানের দুটি কম রানের কীর্তি। ২০০২ সালে শারজায় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৫৯ ও ২০১০ সালে বার্মিংহ্যামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৭২ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। পাঁচ থেকে সাতে ভারতের তিন লজ্জাজনক স্কোর। ১৯৮৭ সালে দিল্লিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৭৫ এবং ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৭৬। এই দুটি টেস্টেই ভারত হেরে গিয়েছিল। এর পরেই লিডসে আজকের ৭৮।

আগস্ট ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG‌ Test : হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রথম থেকেই আধিপত্য দেখিয়ে আসছে ভারত। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও নটিংহাম টেস্টে জয় আসেনি। নটিংহামের হতাশা কাটিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। হেলিংলেতে কি ব্যবধান বাড়াতে পারবেন বিরাট কোহলিরা? আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। তবে যতই চেতেশ্বর পুজারা, রবীন্দ্র জাদেজাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠুক, তৃতীয় টেস্টে প্রথম একাদশে কোনও পরিবর্তন করছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?শুধু কি পুজারা কিংবা রাহানে? অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাটেও রান নেই। ভারতকে হেডিংলেতে দাপট দেখাতে গেলে রানে ফিরতেই হবে ভারতীয় অধিনায়ককে। নিজের ফর্মের চেয়েও দলের স্বার্থের দিকে বেশি তাকিয়ে কোহলি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ফর্ম নিয়ে ভাবছি না। ইংল্যান্ডে একজন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সেট হওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং। প্রথম ২০ রানের জন্য যেভাবে লড়াই করতে হয়, গোটা ম্যাচে সেভাবেই খেলতে হয়। কোনও অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগে না। যে কোনও ব্যাটসম্যানের জন্য ইংল্যান্ডের পরিবেশ সবচেয়ে কঠিন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানতৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড বেশ কয়েকজন সেরা ক্রিকেটারকে পাবে না। বোলিং শক্তি একেবারে বিপর্যস্ত। বিষয়টাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোহলি। তিনি বলেন, ওদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা থাকলেও আমরা ম্যাচ জয়ের পরিইকল্পনা করেই মাঠে নামতাম। বিপক্ষের দুর্বলতার অপেক্ষায় আমরা বসে থাকি না। যে কোনও পরিস্থিতিতে বিশ্বের যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখি। প্রতিপক্ষর শক্তি আমাদের কাছে গুরুত্ব পায় না। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামতে পারেননি ইংল্যান্ডের জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড। টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। অলি স্টোন এবং ক্রিস ওকস চোটে কাবু। ব্যক্তিগত ও মানসিক স্বাস্থ্যের কারণ দর্শীয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অনুপস্থিত বেন স্টোকসও। কনকাশনে থাকায় হে়ডিংলে টেস্টে ক্রেগ ওভারটনকেও খেলাতে পারবে না ইংল্যান্ড। কাঁধে চোটের কারণে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন জোরে বোলার মার্ক উডও।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেলর্ডসের উইনিং কম্বিনেশন না ভাঙার পরিকল্পনা রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার। তবে অশ্বিনকে খেলানোর ক্ষীণ সম্ভাবনার কথাও শুনিয়ে রেখেছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, চোটআঘাত সমস্যা না থাকলে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার প্রশ্ন ওঠে না। লর্ডসে সাফল্যের পর সকলে উত্তেজিত। রোহিতরাহুল দুর্দান্ত শুরুটাই দুটো টেস্টে সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সিরাজকে দেখে ভাল লাগছে। তবে হেডিংলের পিচ দেখে বেশ অবাক কোহলি। যতটা ঘাস থাকবে আশা করেছিলেন, ততটা নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Anderson : বুমরার বাউন্সারে কেমন অসহায় বোধ করেছিলেন অ্যান্ডারসন?‌

লর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় যশপ্রীত বুমরার বিষাক্ত বাউন্সারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল জেমস অ্যান্ডারসনকে। প্রায় ৯০ মাইল গতিতে ধেয়ে আসা বুমরার একটা বাউন্সার তাঁর হেলমেটে আঘাত করে। এই ঘটনা নিয়ে মাঠেই ভারতীয় জোরে বোলারের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় জেমস অ্যান্ডারসনের। বুমরার বাউন্সারে তিনি যে অসহায় বোধ করছিলেন, সে কথা স্বীকার করেছেন ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন অ্যান্ডারসন।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?এক সাক্ষাৎকারে ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার বলেছেন, এত বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি, এইরকম অসহায় অবস্থার মধ্যে জীবনে কখনও পড়িনি। ভাবনি বুমরা এত গতিতে বাউন্সার দেবে। প্রথম যে বাউন্সার আমার দিকে ধেয়ে এসেছিল তার গতি ছিল ঘন্টায় প্রায় ৯০ মাইল। ঠিকমতো চোখেও দেখতে পাইনি। ধাঁধাঁ লেগে গিয়েছিল। ম্যাচের তৃতীয় দিন আউট হয়ে সাজঘরে ফেরা আমাদের ব্যাটসম্যানরা মন্থর উইকেটের কথা বলছিল। অথচ মাঠে গিয়ে অন্য পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল আমাকে। অ্যান্ডারসনের মনে হয়েছিল যে বুমরা তাঁকে আউট করার জন্য নয়, আহত করার জন্য বোলিং করছিলেন। তাঁর কথায়, ওই ওভারে ১০১২টা ডেলিভারি করেছিল বুমরা। একটার পর একটা বাউন্সার দিয়ে যাচ্ছিল। একের পর এক নো ডাকা হলেও সেদিকে বুমরা কোনও ভ্রুক্ষেপ ছিল না। আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানলর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় ব্যাটিং করতে নেমেছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। পিচের অন্যদিকে তখন দাঁড়িয়েছিলেন শতরান করা জো রুট। অ্যান্ডারসনের কথা অনুযায়ী, তিনি ক্রিজে যেতেই ইংল্যান্ড অধিনায়ক এগিয়ে গিয়ে জানিয়েছিলেন যে যশপ্রীত বুমরা অন্যান্য দিনের থেকে কম গতিতে বোলিং করছেন। সেই ধারণার বশবর্তী হয়ে তিনি ভারতীয় ফাস্ট বোলারের প্রথম যে বল ফেস করেছিলেন সেটি প্রায় ঘণ্টায় ৯০ মাইল গতিতে ছুটে আসা বাউন্সার ছিল।ভারতের বিরুদ্ধে নটিংহ্যামের মতো লর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসেও শতরান করেছিলেন জো রুট। তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সৌজন্যে ওই ইনিংসে ভারতের থেকে ২৭ রানের লিড নিয়েছিল ইংল্যান্ড। দলের অধিনায়ক একটা কৌশলগত ভুল না করলে তাঁদের লিড ৫০ ছাড়িয়ে যেতে পারত।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেম্যাচের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় রুটের সঙ্গে ব্যাটিং করছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। ভারতীয় ফাস্ট বোলার যশপ্রীত বুমরার বল তাঁর হেলমেটে লাগলে কনকাশন চেকের আওতায় পড়ে গিয়েছিলেন জিমি। স্নায়ুর চাপে ভুগতে শুরু করেছিলেন ব্রিটিশ ফাস্ট বোলার। তা বুঝে অ্যান্ডারসনকে লক্ষ্য করে বডি লাইন বোলিং করতে শুরু করেছিল ভারত। এমনই আবহে দিনের শেষ ওভারের তিন বল খেলে ফেলেন জো রুট। চতুর্থ বলে সিঙ্গলস নিয়ে কৌশলগত ভুল করে ফেলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। নড়বড়ে অ্যান্ডারসন দিনের শেষে আউট না হয়ে গেলে ইংল্যান্ডের লিড আরও কিছুটা বাড়তে পারত।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌jinka Rahane: সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানে

দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। চারিদিক থেকে শুধুই সমালোচনার ঝড়। অনেকেই প্রথম একাদশ থেকে ছেঁটে ফেলার দাবি তুলেছিলেন। সমালোচকদের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুললেন অজিঙ্কা রাহানে। শুধু আত্মপক্ষ সমর্থনই করেননি, ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক পাশে দাঁড়িয়েছেন সতীর্থ চেতেশ্বর পুজারারও।আরও পড়ুনঃ বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নামার আগে হুঙ্কার রয় কৃষ্ণারবুধবার থেকে হেডিংলেতে ভারতইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট শুরু। তার আগে সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অজিঙ্কা রাহানে বলেন, কে কী বলল, তা গায়ে মাখি না। সমালোচনাগুলিকে আশীর্বাদ হিসেবেই দেখি। সব গুরুত্বপূর্ণ মানুষদেরই সমালোচনা হজম করতে হয়। নিজের পারফরম্যান্সের থেকেও দিনের শেষে দলকে কতটা দিতে পারলাম, সেটাই আমার কাছে বড় ব্যাপার। চেতেশ্বর পুজারা ও আমি দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি। এই পর্যায়ে কীভাবে চাপ ও কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় জানি। অন্যরা কী বলল, তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে দলের সাফল্যে মনোনিবেশ করি।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় ফুটবল জগৎ থেকে খসে পড়ল আরও এক অলিম্পিয়ানলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৬১ রান করে দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। ম্যাচের অতি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এইরকম ইনিংস খেলতে পেরে তিনি খুশি বলে জানিয়েছেন রাহানে। তিনি বলেনস উইকেটে টিকে থাকাটাই আমার ও চেতেশ্বর পুজারার পরিকল্পনা ছিল। মন্থর হলেও সেদিন ২০০ বল খেলে পুজারা যে ইনিংস উপহার দিয়েছে, তা অমূল্য। লর্ডসে ব্যাটিং করার সময় আমরা কে অপরকে তাতিয়েছিলাম। ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে ১৭০১৮০ রান তোলাও যে সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে, আগেই বুঝতে পেরেছিলেন বলে জানান রাহানে।আরও পড়ুনঃ এ কী করল শ্রী সিমেন্ট! চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গল২০১৪ ও ২০১৮ সিরিজে ইংল্যান্ডের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারত। সেই পরাজয়ের কথা মাথায় রাখছেন না রাহানে। লর্ডস টেস্টের জয়কে বড় সাফল্য বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে সেখানে আটকে না গোটা দল সামনের দিকে তাকাচ্ছে বলে রাহানে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, আপাতত হেডিংলে টেস্ট জেতাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা প্রতিটা ম্যাচ ধরে এগিয়ে চলেছি। গোটা দল আত্মবিশ্বাসী। তাই আমরা এইরকম ভাল ক্রিকেট খেলতে পারছি।হেডিংলের পরিবেশ, উইকেট নিয়ে চিন্তা করছি না। পরিবেশ যাই হোক না কেন, ১০০ শতাংশ উজার করে দেব। চোটের জন্য লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে পারেননি শার্দুল ঠাকুর। তবে তৃতীয় টেস্টের আগে তিনি পুরো ফিট বলে জানিয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে। তবে প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌‌fgan Cricket : তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?‌

আফগানিস্তানে তালিবান শাসন কায়েম হতেই মহাসংকটে সে দেশের ক্রিকেট। আফগানদের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলা নিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিল পাকিস্তানও। সামনের মাসে শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার কথা রশিদ খানদের। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ইতিমধ্যেই সিরিজ স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও হামিদ শিনওয়ারি জানিয়েছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার জন্য তাঁরা তৈরি। তাবানরা আফগানিস্তানের দখল নিতেই সব কিছুর মতো দেশের ক্রিকেটীয় ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াআফগানিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক আসগর আফগানের বাড়িতে হাজির হয় তালিবানরা। রাজকীয় আপ্যায়নের ব্যবস্থা ছিল তালিবানদের জন্য। আগের দিনই আফগানিস্তানেরই প্রাক্তন ক্রিকেটার আবদুল্লাহ মাজারিকে সঙ্গে নিয়ে তালিবানরা পৌঁছে গিয়েছিল আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সদর দফতরে। তারপর আসগারের বাড়িতে তালিবানি উপস্থিতি অন্য মাত্রা যোগ করেছে। গত জুনেই আফগানিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড আসগারকে অধিনায়কত্বের পদ থেকে সরিয়ে দেয়। একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্টের অধিনায়ক করা হয় হাশমত শাহিদিকে। টি২০ অধিনায়ক করা হয় রশিদ খানকে। এই পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের ক্রিকেটীয় ভবিষ্যৎ কোন খাতে গড়ায় তা নিয়ে জল্পনা চলছে।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?যদিও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও হামিদ শিনওয়ারি বলেন, আগেও তালিবান শাসনের সময় ক্রিকেটের ওপর কোনও প্রভাব পড়েনি। এবারও পড়বে না। অতীতে ক্রিকেটের ওপর তালিবানরা কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে মনে পড়ছে না। দেশের এইরকম পরিস্থিতিতেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলতে আমাদের কোনও সমস্যা নেই। আমরা খেলব। টি২০ বিশ্বকাপের জন্যও আমরা তৈরি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমাদের খুব ভাল সম্পর্ক। আইসিসির সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছি।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরশিনওয়ারির এই বিবৃতির মাঝেই শ্রীলঙ্কায় আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ আপাতত স্থগিত করে দিল পাকিস্তান। তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরে সে দেশে যে সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই পাক বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তান বোর্ড জানিয়েছে, আগে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড নিশ্চিত করুক, সিরিজ হবে। এই সিরিজের জন্য শনিবার থেকে লাহোরে পাকিস্তান দলের শিবির শুরু হওয়ার কথা ছিল। দল ঘোষণারও কথা ছিল। আপাতত তা স্থগিত রেখেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে হাম্বানটোটায় তিন ম্যাচের সিরিজ শুরুর কথা ছিল। এই সফরের ব্যাপারে তালিবানদের সঙ্গে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আলোচনা করছে।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : মাঝপথে আইপিএল ছেড়ে পালানোর কেমন শাস্তি পেলেন জাম্পারা?‌

এবছর আইপিএল চলাকালীন বিদেশি নিয়ে বারবার ধাক্কা খেলে হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে। স্থগিত ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে আবার ধাক্কা খেলেন বিরাট কোহলিরা। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএল থেকে এবার সরে দাঁড়ালেন কোচ সাইমন কাটিচ। তাঁর জায়গায় কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট মাইক হেসন। এছাড়া তিনজন নতুন বিদেশি ক্রিকেটারও নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরআইপিএলের বাকি ম্যাচগুলিতে বেঙ্গালুরু একঝাঁক ক্রিকেটারকে পাচ্ছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কিছু নতুন মুখকে নিয়ে আসতে বাধ্য হল। অস্ট্রেলিয়ার তিনজন ক্রিকেটার থাকছেন না। দেশের হয়ে খেলবেন বলে পাওয়া যাবে না নিউজিল্যান্ডের দুই ক্রিকেটারকেও। তাই আইপিএলের দরজা খুলে গেল শ্রীলঙ্কার দুজন ও সিঙ্গাপুরের এক ক্রিকেটারের।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?করোনা আতঙ্কে আইপিএলের মাঝপথে দেশে ফিরে জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তাঁর আচরণে সন্তুষ্ট নয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই তাঁকে ছেঁটে ফেলল। জাম্পার পরিবর্ত হিসেবে শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে নিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে ভালো পারফরম্যান্সের সুবাদেই খুলল আইপিএলের দরজা। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তিন ম্যাচে ৫ উইকেট নেন। টি ২০ সিরিজে তিন ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে শেষ দুটি টি ২০ ম্যাচে মূল্যবান রান যোগ করেছিলেন। এবার তিনি আইপিএলের মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাবেন।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াঅস্ট্রেলিয়ার ড্যানিয়েল স্যামসের পরিবর্ত হিসেবে শ্রীলঙ্কার পেসার দুষ্মন্ত চামিরাকে দলে নিয়েছে আরসিবি। চামিরা ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে দুটি এবং টি ২০ সিরিজে চারটি উইকেট পেয়েছিলেন। সতীর্থ হাসারাঙ্গার সঙ্গে চামিরা বিরাটদের দলে ঢোকায় শ্রীলঙ্কার এই দুই ক্রিকেটারের টি ২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও ভালোভাবেই হতে চলেছে। অস্ট্রেলিয়ার কেন রিচার্ডসনকেও পাচ্ছে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন ও স্কট কুগলেইজনও থাকছেন না। নিউজিল্যান্ড দলের হয়ে তাঁদের খেলা রয়েছে আইপিএলের মধ্যেই। তাঁরা দেশের হয়েই খেলবেন। এই পরিস্থিতিতে সুযোগ পেলেন সিঙ্গাপুরের অলরাউন্ডার টিম ডেভিড। টিম ডেভিড পাকিস্তান সুপার লিগ, বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ-সহ বিভিন্ন দেশে টি ২০ লিগে খেলেন। দ্য হান্ড্রেডে সাদার্ন ব্রেভ দলেও রয়েছেন। চলতি মাসে রয়্যাল লন্ডন কাপে সারের হয়ে দুটি শতরানও করেছেন।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

D‌omestic Cricket : সিএবি–র আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফি

সিএবিসহ বেশ কয়েকটি রাজ্য সংস্থা রনজি ট্রফির সূচি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। তাদের সেই আপত্তি মেনে নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচিতে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পিছিয়ে যাচ্ছে রনজি ট্রফি। অক্টোবরের পরিবর্তে রনজি শুরু হবে ২০২২এর জানুয়ারি থেকে। আরও পড়ুনঃ দেশের সাধারন মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহে নেমেছেন আফগান ক্রিকেটার রশিদ খানভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে যে নতুন সূচির ঘোষণা করা হয়েছে, সেই অনুযায়ী সূচি ২০২২এর ৫ জানুয়ারি থেকে রনজি ট্রফি শুরু হবে। চলবে ২০ মার্চ পর্যন্ত। ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হবে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতা। আইপিএল খেলে দেশে ফিরে আসা সব ক্রিকেটার যাতে ঘরোয়া টি২০ টুর্নামেন্ট খেলতে পারেন সে কথা মাথায় রেখেই এই সূচিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে বিজয় হাজারে ট্রফি, চলবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসনপরের বছর জানুয়ারিতে রনজি শুরু হলেও সেপ্টেম্বর থেকেই বোর্ডের বিভিন্ন টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে যাবে। মহিলাদের ক্রিকেট দিয়ে এবছর ঘরোয়া মরশুম শুরু হবে। তবে পুরুষদের ক্রিকেট শুরু হবে অক্টোবরেই। ভারতীয় পুরুষ ও মহিলা দলের ক্রিকেটাররাও যাতে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারেন সে কথা মাথায় রেখেই ক্রীড়াসূচি হয়েছে। সিনিয়র পর্যায়ে মহিলা ক্রিকেটাররা ঘরোয়া মরশুম অভিযান শুরু করবে একদিনের প্রতিযোগিতা দিয়ে। ২০ অক্টোবর এই প্রতিযোগিতা শুরু হবে। চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত। তার আগে পুরুষ ও মহিলাদের অনূর্ধ্ব ১৯ একদিনের ক্রিকেট দিয়েই শুরু হবে ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুম। ভিনু মানকড় ট্রফি শুরু হবে সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখ থেকে। পুরুষ ও মহিলা অনূর্ধ্ব ১৯ দলের চ্যালেঞ্জার ট্রফি শুরু হবে যথাক্রমে ২৬ ও ২৫ অক্টোবর। অনূর্ধ্ব ২৫ একদিনের টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৯ নভেম্বর থেকে, চলবে ডিসেম্বরের ১০ তারিখ অবধি। অনূর্ধ্ব ২৫ ক্রিকেটের টুর্নামেন্ট হয়ে সিকে নাইডু ট্রফি শুরু ৬ জানুয়ারি থেকে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশরঞ্জি ট্রফি, বিজয় হাজারে ট্রফি ও সৈয়দ মুস্তাক আলি টি ২০-র জন্য ৩৮ দলকে ভাগ করা হচ্ছে ৬টি গ্রুপে। পাঁচটি এলিট গ্রুপে থাকবে ৬টি করে দল এবং একটি প্লেট গ্রুপে থাকবে আটটি দল। অনূর্ধ্ব ২৫ বিভাগের ক্রিকেটে ৬ দলের পাঁচটি এলিট ও সাত দলের একটি প্লেট গ্রুপ থাকবে বলে বিসিসিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে। এবার সৈয়দ মুস্তাক আলি টি ২০, তারপর ৫০ ওভারের বিজয় হাজারে ট্রফি ও সবশেষে রঞ্জি ট্রফি আয়োজন করে গোটা ক্রীড়াসূচিতে সামঞ্জস্য আনা হয়েছে। এলিট গ্রুপের শীর্ষে থাকা পাঁচটি দল পৌঁছে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। এলিট গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাঁচটি দল ও প্লেট গ্রুপের জয়ী দলকে নিয়ে তিনটি প্রি কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ হবে। এই তিনটি ম্যাচে জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

R‌ashid Khan : দেশের সাধারন মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহে নেমেছেন আফগান ক্রিকেটার রশিদ খান

দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেট লিগে ম্যাঞ্চেস্টার অরিজিনালসের বিরুদ্ধে সবে খেলে উঠেছেন। স্কাই স্পোর্টসের টিভি ক্যামেরায় ডাগ আউটে লেন্সবন্দী করতেই অন্য ছবি। দলের জয় সত্ত্বেও মুখে হাসি নেই। চোখেমুখে শূন্যতা। গ্রাস করেছে হতাশা। উৎকন্ঠার স্পষ্ট ছবি।দেশে টালমাটাল পরিস্থিতি। পরিবার নিয়ে চিন্তিত রশিদ খান। ইংল্যান্ডে বসে শঙ্কাউৎকন্ঠায় দিন কাটছে এই আফগানিস্তানের ক্রিকেটারের। পরিবার নিয়ে উৎকন্ঠার মাঝেও দেশের মানু্ষকে নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। নেমে পড়েছেন মহৎ উদ্দেশ্যে। আফগানিস্তানের সাধারন মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহে।আরও পড়ুনঃ ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?তালিবানদের ক্ষমতা দখলের প্রয়াস শুরু হতেই শান্তির আবেদন জানিয়েছিলেন এই আফগান ক্রিকেটার। টুইট করে বিশ্ব নেতাদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। অনুরোধ করেছিলেন আফগানিস্তানকে বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে যেন ফেলে না রাখেন। শান্তির আবেদন জানিয়েছিলেন। টুইটারে তিনি লিখেছিলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার শিশু, মহিলা শহীদ হচ্ছে। আতঙ্কে অনেকে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। আফগানদের হত্যা ও আফগানিস্তানকে ধ্বংস করা বন্ধ হোক। আমরা শান্তি চাই। বিশ্ব নেতাদের কাছে অনুরোধ, আমাদের বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে ফেলে রাখবেন না।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের মানুষের পাশে দাঁড়াতে তহবিল সংগ্রহের কাজে নেমে পড়েছেন রশিদ খান। নিজের ইনস্টাগ্রামে সোয়াইপআপ লিঙ্ক দেশের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, আপনাদের প্রত্যেকের অবদান কারও জীবনকে সহজ করে তুলতে পারে। আফগান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন রশিদ খান ফাউন্ডেশনের সাথে এই তহবিল সংগ্রহে সহযোগিতা করছে।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিলদেশের বর্তমান অবস্থা নিয়ে ঘোরের মধ্যে রয়েছেন রশিদ খান। দেশে ফেরার পথ বন্ধ। নিজের পরিবারকেও দেশ থেকে বার করে নিয়ে আসতে পারছেন না। কয়েকদিন আগে বিশ্ব নেতাদের কাছে রশিদ খান আকুতি জানান, যেন আফগানিস্তানের লোকদের আর মারা না হয়। তাঁর আবেদনের কয়েকদিনের মধ্যেই পুরো আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালিবান। তবে রশিদ খানের বক্তব্যকে নাকচ করে দিয়ে তালিবানদের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন জানিয়েছেন, আফগান ক্রিকেটের ধ্বংস নয় বরং উন্নতি করতে চান তারা। তিনি দাবি করেচেন, আফগানিস্তানকে ক্রিকেটে এনেছেন তাঁরাই। এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তালিবান মুখপাত্র বলেন, আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের খেলা নিজস্ব গতিতেই চলবে। অতীতের মতো এখনও আমরা ক্রিকেটের উন্নতি সাধনে কাজ করব। আমরা ক্ষমতায় থাকার সময়ই আফগানিস্তানকে ক্রিকেটের সাথে পরিচয় করিয়েছি। ক্রিকেটাররা আমাদেরই থাকবে। দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে। শাহীন আরও বলেছেন, রশিদ খানকে দিয়ে যারা ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে সবাইকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। আমরা কখনোই অশান্তি চাইনি।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলাআফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করছে। সেই ছবিতে দেখা গেছে, আফগানিস্তানের জাতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার আবদুল্লাহ মাজারিকে সঙ্গে নিয়ে তালিবানরা পৌঁছে গিয়েছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সদর দফতরে। তা দেখে অনেকে মজা করে লিখছেন, এটা আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড, নাকি তালিবান ক্রিকেট বোর্ড? যদিও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও অবশ্য আগাগোড়া দাবি করে এসেছেন, তালিবানরা ক্রিকেট-অনুরাগী, তাই ক্রিকেট চলবে আপন পথেই। উল্লেখ্য, আফগানিস্তানে তালিবান সরকার প্রথমে অন্য খেলাধুলোর সঙ্গে ক্রিকেট খেলার অনুমতি না দিলেও ২০০০ সালে নিজেদের অবস্থান পাল্টায় আফগানিস্তান যাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার স্বীকৃতি লাভ করে সেজন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে সমর্থনের আর্জিও জানানো হয়েছিল। পাকিস্তানে শরণার্থী শিবিরে থাকাকালীন আফগানরা ক্রিকেটে দক্ষ হয়ে ওঠেন। তিন ফরম্যাটেই খেলার স্বীকৃতি রয়েছে আফগানিস্তানের। ১২ বছরের মধ্যেই নিজেদের খেলাকে উন্নত জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রশিদ খানরা বিশ্বের সেরা দশজনেও ঠাঁই পেয়েছেন।

আগস্ট ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি?‌ আবেগে মুগ্ধ পিটারসেন

এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটে সবথেকে জনপ্রিয় টি২০। অনেক ক্রিকেটারই যেমন ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটকে বেশি গুরুত্ব দেন, ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহও তুঙ্গে। তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে টেস্ট ক্রিকেট। কিন্তু লালবলের ক্রিকেটের প্রতি বিরাট কোহলির আবেগ দেখে মুগ্ধ ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন। তাঁর মতে, টেস্টে সাফল্যের জন্য কোহলি সবকিছুই করতে পারেন। পাশাপাশি শচীন তেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়দের সঙ্গেও তুলনা করেছেন পিটারসেন।আরও পড়ুনঃ ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?কোহলির চিন্তাভাবনা ও সাহসের প্রশংসা করে ইংল্যান্ডের এই প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, টেস্ট ক্রিকেটে কোহলির চিন্তাভাবনা ও সাহসের প্রশংসা করতেই হবে। নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। টি২০ ক্রিকেটের যুগেও টেস্ট ক্রিকেট ওর কাছে অন্যরকম আবেগের। অন্য ফর্ম্যাটের ক্রিকেটের মতো সমান গুরুত্ব দেয়। শচীন তেন্ডুলকার, রহুল দ্রাবিড়ের যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কোহলি জানে বিশ্ব ক্রিকেটে ও একজন কিংবদন্তী। নিজের মানসিকতা দলের বাকিদের মধ্যেও ঢুকিয়ে দিতে পেরেছে।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লর্ডস টেস্ট জয়ে কোহলির উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্ক বড় ভুমিকা পালন করেছে বলে মনে করেন পিটারসেন। তিনি বলেন, একসময় ভারত খুব চাপে ছিল। সেখান থেকে সামি, বুমরার ব্যাটিংয়ে ভারত ম্যাচে ফেরে। তবে কোহলির ক্রিকেট মস্তিস্কের প্রশংসাও করতে হবে। শেষদিকে বোলিং পরিবর্তনে দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরই ঘরের মাঠে টেস্ট ম্যাচ জেতা যে উপমহাদেশের দলগুলির পক্ষে সহজসাধ্য নয়, তা জানিয়েই ভারতীয় ক্রিকেট দলের লর্ডস টেস্ট জয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন কেভিন পিটারসেন। তাঁর মতে, ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্ট বৃষ্টিতে পণ্ড না হলে ওই টেস্ট ম্যাচেও জিততে পারত বিরাট কোহলির দল। সেক্ষেত্রে সিরিজে টিম ইন্ডিয়া ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যেত। কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি টেস্ট সিরিজ জিততে চলেছে ভারতই।

আগস্ট ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Dilip Vengsarkar : লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিল

লর্ডস টেস্টে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে চমকে দিয়েছে বিরাট কোহলির ভারত। ২০০৩ সালে এই লর্ডসেই ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জিতেছিল সৌরভ গাঙ্গুলির টিম ইন্ডিয়া। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মহারাজের ঔদ্ধত্য অবাক দৃষ্টিতে দেখেছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। কিন্তু লর্ডসে দেশের টেস্ট জয়ের শুভ সূচনার নায়ক কে জানেন? দিলীপ বেঙ্গসরকার। তাঁর হাত ধরেই লর্ডসে টেস্টে ভারতের প্রথম জয়ে এসেছিল ১৯৮৬ সালে। দিলীপ বেঙ্গসরকার এমন একটা কৃতিত্ব লর্ডসে স্থাপন করেছেন, আজও অমিল হয়ে আছে।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান১৯৮৬ সালে লর্ডস টেস্টে ডেভিড গাওয়ারের ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ২৯৪। জবাবে ভারত তুলেছিল ৩৪১। দিলীপ বেঙ্গসরকার ১২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ভারতের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৩৪। ৫ উইকেট হারিয়ে ৪২ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন বেঙ্গসরকার। লর্ডসে ভারতের প্রথম টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। সেই জয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালে লর্ডস টেস্টের শেষদিনে চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য আমাদের দরকার ছিল ১৩৪। দ্রুত ৫ উইকেট পড়ে গেলেও আমরা ৪২ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিলাম। ওই জয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ ওটাই ছিল লর্ডসে দেশের প্রথম টেস্ট জয়।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলালর্ডস অনেক কীর্তির সাক্ষী। অনেক রেকর্ড এই মাঠে হয়েছে। আবার ভেঙেছে। কিন্তু দিলীপ বেঙ্গসরকার যে রেকর্ড লর্ডসে গড়েছেন, আজও অমলিন হয়ে রয়েছে। লর্ডসে টানা তিনটি সেঞ্চুরি করার অনন্য নজির রয়েছে বেঙ্গসরকারের। ১৯৭৯ সালে তিনি প্রথম লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন। লর্ডসে পরের টেস্ট খেলেন ১৯৮২ সালে। সেই টেস্টেও সেঞ্চুরি করেছিলেন বেঙ্গসরকার। ১৯৮৬র সিরিজেও লর্ডসের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যাটসম্যান লর্ডসে টানা তিনটি সেঞ্চুরি করতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ হিন্দোলের তবলার দোলায় মাতোয়ারা শিকাগোচলতি সিরিজে ভারতীয় বোলিং সংস্কৃতির পরিবর্তন দেখে মুগ্ধ দিলীপ বেঙ্গসরকার। পরপর দুটি টেস্টে ভারতীয় জোরে বোলিংয়ের বিপ্লব হিসেবে দেখে মুগ্ধ দেশের এই প্রাক্তন অধিনায়ক। তিনি বলেছেন, এই প্রথম আমরা চারজন জোরে বোলার নিয়ে টেস্ট খেললাম। আগে আমরা কখনও এই ধরনের বোলিং কম্বিনেশনের কথা চিন্তাভাবনা করিনি। ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে আমি যখন প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলি, তিনজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। এখন মানসিকতার বদল ঘটেছে। চারজন জোরে বোলার খেলানোর পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে। লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের ২০টা উইকেটের মধ্যে ১৯টা তুলে নিয়েছে জোরে বোলাররা।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌ohammad Siraj : বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ

ইংরেজদের সঙ্গে সিরাজের লড়াইয়ের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ভারতবর্ষ শাসন করছিল, বাংলার নবাব সিরাজউদদৌল্লাকে সহজে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারেননি। তিনিই ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। সিরাজউদদৌল্লাকে বাগে আনতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। পলাশীর যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হেরে বশত্যা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন বাংলার নবাব।আরও পড়ুনঃ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসিবাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে বশে নিয়ে এলেও লর্ডসে অবশ্য মহম্মদ সিরাজকে বাগে নিয়ে আসতে পারেনি ইংরেজরা। লর্ডস যুদ্ধে বরং সিরাজেরই দাপট। কেন দাপট থাকবে না? এই যুদ্ধে মীর্জাফরের মতো তো কেউ ছিলেন না মহম্মদ সিরাজের সঙ্গে। বরং পাশে পেয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা, ইশান্ত শর্মার মতো সতীর্থদের। যাঁদের ভুমিকা ছিল মীর মদনের মতোই। ভারতের লর্ডস অভিযানের সাফল্যের পেছনে মহম্মদ সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে মহম্মদ সিরাজের ধাক্কাতেই শুরুতে বেসামাল হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। পরপর দুবলে ডম সিবলে ও হাসিব হামিদকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিল। রুট ও বেয়ারস্টোর ১২১ রানের পার্টনারশিপ ভেঙে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সিরাজই। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ৯৪ রানে ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জ্বলে ওঠেন সিরাজ ৩২ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জস বাটলার ও মঈন আলির জুটি গড়ে উঠছিল। এই জুটি ভাঙতে না পারলে ভারতের জয় কঠিন হয়ে যেত। মঈন ও বাটলার, দুজনকেই তুলে নেন সিরাজ। সুতরাং লর্ডস জয়ে সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না। নবাব সিরাজউদদৌল্লা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হেরে গেলেও বাইশ গজের অন্য যু্দ্ধে এই প্রজন্মের সিরাজের কাছে পরাভূত ইংরেজরা।আরও পড়ুনঃ ময়দানে ফিরে এল পরিচিত ফু...রু...ফু...রু..শব্দ, শুরু কলকাতা লিগলর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিনের শেষ বেলায় মহম্মদ সিরাজ যে ফাস্ট বোলিংটা করেন, তাতে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। কীভাবে এই হায়দরাবাদি জোরে বোলার উঠে এসেছেন, দেখে নেওয়া যাক। অস্ট্রেলিয়া সফরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেও ভারতীয় টেস্ট দলে জায়গা পাকা করতে পারছিলেন না মহম্মদ সিরাজ। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাননি হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার। তবে ইংল্যান্ডে সফরের প্রথম ম্যাচেই টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে সুযোগ পান সিরাজ। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি তিন উইকেট নিয়েছিলেন। তরুণ ক্রিকেটারকে লর্ডসে আরও একটা সুযোগ দেন কোহলি। যা হাতছাড়া করতে চাননি সিরাজ। মোট আট উইকেট নিয়ে ম্যাচে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। যিনি হায়দরাবাদের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৮১টি উইকেট নিয়েছেন। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ৪৫টি উইকেট নেওয়া সিরাজকে চিনতে ভুল করেননি নির্বাচক। তবে বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর চলতি সিরিজে অন্তত সিরাজের জায়গা টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে পাকা বলে ধরে নেওয়া যায়। সিরিজ জুড়ে ফর্মের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী দিনেও যে তিনি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য হতে চলেছেন, তা মেনে নিচ্ছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২০১৭ সালে ভারতীয় দলে প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। যদিও টি২০ এবং ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। দেশের হয়ে সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৭ উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। ভারতীয় দলের জার্সিতে একটি ওয়ান ডে ও তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলে মোট তিনটি উইকেট নিয়েছেন হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌‌‌লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?‌

লর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিন ঋষভ পন্থ আউট হতেই মাথায় হাত দিয়ে লর্ডসের ব্যালকনিতে চেয়ারে বসে পড়েছিলেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ বাঁচবে তো? আশঙ্কায় দুলছিলেন। মহম্মদ সামিযশপ্রীত বুমরার অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফেরে ভারত। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরই বদলে যায় ছবিটা। মাত্র দুটো সেশনেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনকে গুঁড়িয়ে অবিস্মরণীয় জয় তুলে নেই ভারত। লর্ডসের এই জয়কে বিদেশের মাটিতে অন্যতম সেরা জয় বলে অভিহিত করেছেন বিরাট কোহলি। সতীর্থদের এই পারফরমেন্সে তিনি গর্বিত বলেও জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ মুখে বিষ ঢেলে সৎ মাকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ছেলে ও বৌমাম্যাচের পর বিরাট কোহলি বলেন, বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডসের এই জয় অন্যতম সেরা। সতীর্থরা যেরকম একাগ্রতা ও মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল, এককথায় অসাধারণ। দলগত প্রচেষ্টায় এই জয় এসেছে। দলের প্রত্যেকে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। কোথায় খেলছি, সেটা নিয়ে মাথাব্যাথা ছিল না। বিদেশের মাটিতে অনেকগুলো ভাল জয় পেয়েছি। লর্ডসের এই জয় তাদের সঙ্গে এক আসনে রাখব।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদল২০১৪র টেস্ট সিরিজে লর্ডসে জিতলেও, ২০১৮র সিরিজে হারতে হয়েছিল। আগের সিরিজের সেই হারের কথা মাথায় রাখেনি শিবির। সেই কথাই ম্যাচের পর তুলে ধরেছেন কোহলি। তিনি বলেন, ২০১৪তে আমরা লর্ডসে জিতেছিলাম। কিন্তু ২০১৮তে খুবই খারাপভাবে হারতে হয়েছিল। তবুও আমাদের বিশ্বাস ছিল, লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারব। সতীর্থদের এই পারফরমেন্স আমাকে গর্বিত করেছে। বিদেশের মাটিতে এখনও পর্যন্ত যেকটা টেস্ট জিতেছি, লর্ডস তাদের মধ্যে ওপরের দিকেই থাকবে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান পুরসভায় ৫ জনের পুরপ্রশাসক বোর্ড, দায়িত্বে প্রণব, আইনুলদ্বিতীয় ইনিংসে সামিবুমরা জুটি অবিশ্বাস্য ব্যাটিং করলেও জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। প্রথম ইনিংসে বড় রানের মূলে এই জুটি। দুজনকেই প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন কোহলি। তবে সামিবুমরার ইনিংসকে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন। কোহলির কথায়, রাহুল ও রোহিত প্রথম ইনিংসে ভিত তৈরি করে দিয়েছিল। সামি ও বুমরার পার্টনারশিপ তো অবিশ্বাস্য। ঋষভের ওপর আরও প্রত্যাশা ছিল। ওর কাছ থেকে আরও কিছু রানের আশা করেছিলাম। ভেবেছিলাম ২০০ রানের লিড নিলেই লড়াই করতে পারব। ২৭১ রানের লিড হবে ভাবিনি। সামি ও বুমরা অসাধারন ব্যাটিং করেছে। ওরাই ইংল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল। জানতাম ইংল্যান্ড ম্যাচ বাঁচানোর জন্য লড়াই করবে। আশা ছিল ওদের ৬০ ওভারের মধ্যে আউট করতে পারব। সেটাই হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T-20 World Cup: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসি

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান একই গ্রুপে রয়েছে, আগেই জানা গিয়েছিল। সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলবেন বিরাট কোহলিরা। সুপার ১২-র গ্রুপ দুইতে খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। মঙ্গলবারই টি ২০ বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করল আইসিসি।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২৩ অক্টোবর শুরু হবে সুপার ১২-র খেলা। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৩ অক্টোবরই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৪ অক্টোবর বাবর আজমদের বিরুদ্ধে দুবাইতে খেলতে নামবেন বিরাট কোহলিরা। ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে খেলবে ভারত। ভারতের পরের ম্যাচ ৩ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। এই পরিস্থিতিতে তারা টি২০ বিশ্বকাপে খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?৫ নভেম্বর ও ৮ নভেম্বর যোগ্যতা অর্জনকারী দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ বিরাট কোহলিদের। সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১০ ও ১১ নভেম্বর। ফাইনাল হবে ১৪ নভেম্বর। তবে ফাইনালের জন্য একটা দিন রিজার্ভ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। বিরাট কোহলিদের গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ অক্টোবর থেকে মূলপর্বের যোগ্যতা অর্জনের খেলা শুরু হবে। দুপুর ২টোয় ঘরের মাঠে পাপুুয়া নিউ গিনির বিরুদ্ধে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচ খেলবে ওমান। রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ বি-র প্রথম ম্যাচও একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যে ওমানের মাঠে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একদিন পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবু ধাবিতে রাউন্ড ওয়ানের গ্রুপ এ-র মোকাবিলা শুরু হবে। এই গ্রুপে আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, শ্রীলঙ্কা, নামিবিয়ার মতো দলগুলি লড়াই করবে। ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে রাউন্ড ওয়ানের মোকাবিলা। দুই গ্রুপের দুটি করে দল সুপার ১২ রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে।আরও পড়ুনঃ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্টপাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে টি২০ বিশ্বকাপ। ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতা। ২০১৬ সালে শেষবার টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল প্রতিযোগিতার পরবর্তী সংস্করণ। করোনা ভাইরাসের জেরে দুই বছরের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই টুর্নামেন্ট। চলতি বছরের টি২০ বিশ্বকাপ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অতিমারীর জেরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় আইসিসি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ওমানে আয়োজিত হবে টুর্নামেন্ট। উদ্যোক্তার ভূমিকায় থাকবে বিসিসিআই। কবে থেকে শুরু হচ্ছে টুর্নামেন্ট, তা জানা গিয়েছিল আগেই।

আগস্ট ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal