• ১৮ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona

দেশ

Corona Update: স্বস্তি দিয়ে দেশে বেশ কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ

ওঠা নামা করছে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরপর কয়েকদিন সংক্রমণ তিরিশ হাজারের গণ্ডি ছাড়ালেও গতকালের তুলনায় আরও কমল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ২৬,১১৫ জন। বেশ কয়েকদিন পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ এতটা কমল। একদিনে করোনার বলি ২৫২জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারির কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৪,৪৬৯ জন।আরও পড়ুনঃ বাবার জন্মশতবার্ষিকীতে বিশেষ ভাবনা অপর্ণা সেনেরগত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ২৫৬ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা দঁড়িয়েছিল ৩০ হাজার ৭৭৩। দুসপ্তাহ আগেও হু-হু করে বেড়ে গিয়ে প্রায় ৪৫ হাজারের গণ্ডি ছুঁয়েছিল এই সংখ্যাটা। এরপর এক ধাক্কায় তা কমে দাঁড়ায় ৩৩ হাজারে। পরপর কয়েকদিন সংখ্যাটা ৩০ হাজারের নীচেই ছিল। পরে সংখ্যাটা আবার ৩০ হাজার ছাড়ায়। দেশের মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪১৯। গতকাল মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার ১৬৩ জন। এদিকে,গতকালের তুলনায় সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। এই সুস্থ হয়ে ওঠার হার ক্রমশ উর্ধ্বমূখী। আজ সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৩ হাজার ৯৩৮ জন। গতকালে সুস্থ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৪৫ জন। এদিকে, ওঠা-নামা করছে মৃত্যুর গ্রাফ। আজ এক ধাক্কায় মৃত্যু কমে ২৯৫-এ দাঁড়িয়েছে। গত দুদিন আগেও দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছিল। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৩০৯।আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বিগত কয়েকদিন ধরে সাতশোর আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল সংক্রমণের গ্রাফ। আজ সামান্য স্বস্তি দিয়ে তা কমে ৬০০ হল। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩৫জন। সরকারি তথ্য বলছে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৬৫২ জনের। এদিকে, উত্তরপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যে কিন্তু সংক্রমণের রিপোর্ট অনেকটাই কম। গোটা রাজ্যে দৈনিক মোট আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৭ জন। বিগত এক সপ্তাহ ধরে এই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৫০ এর নীচেই রয়েছে। তবে মোট মৃতের সংখ্যা ২২ হাজারের আশে পাশেই ঘোরাঘুরি করছে। অন্যদিকে, রাজধানী দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ জন। তবে কেরলে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের হার।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
বিদেশ

Lockdown: তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্য কোভিড -১৯ ক্লাস্টার হিসাবে চিহ্নিত। সেখানকার স্বাস্থ্যমন্ত্রক ষষ্ঠবারের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে। সেই ঘোষণায় ইতিমধ্যেই সমলোচনার ঝড় উঠেছে। পরবর্তী কয়েক দিন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে ভিক্টোরিয়া সেরকমই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সমলোচকদের অনেকেই বলছেন লকডাউন চাপিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল ডেমোক্রেটিক ভ্যালু পরীক্ষা করা হচ্ছে। যাই হোক, একটি যুক্তিসঙ্গত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে সুস্থ আলোচনা করা যেতেই পারে।ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য, এই রাজ্যকেই দেশের সর্বশেষ করোনাভাইরাস হটস্পটের কেন্দ্রস্থল ভাবা হচ্ছে। সোমবার গোষ্ঠী সংক্রামণ-র (কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের) ১১ টি নতুন ঘটনা ধরা পড়েছে এবং কতৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে আগামিদিনে এখানকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। রাজ্য স্বাস্থ অধিকর্তারা জানিয়েছেন শেষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজন আক্রন্ত হয়েছেন। সোমবার এক সংবাদিক সম্মেলনে কতৃপক্ষ ঘোষণা করেছিল যে গভীর রাতে কাট-অফের পরে আরও ছয়টি কেস রেকর্ড করা হয়েছে, যা মঙ্গলবারের তথ্যে প্রতিফলিত হবে, যা বর্তমান ক্লাস্টারকে ৫১এ নিয়ে যাবে।আরও পড়ুনঃ দাদার বায়োপিক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্টপ্রাথমিকভাবে ঘোষিত সেপ্টেম্বরের পর লকডাউন বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ, এবং আগামী দিন কোভিড-এর প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে ভাল হওয়ার আগে আরও খারাপ হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভারতে প্রথম সনাক্ত হওয়া সর্বশেষ কোভিড -১৯ নতুন ভেরিয়েন্টটি আসল স্ট্রেনের চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগের স্ট্রেনের তুলনায় অন্য ব্যক্তিকে সংক্রমিত করতে মাত্র এক দিন সময় নেয় যা আগে প্রায় পাঁচ বা ছয় দিন লাগত।করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে আটকাতে ভিক্টোরিয়ায় গত বছর বিশ্বের দীর্ঘতম ও কঠোর লকডাউন পালন করা হয়েছিল। সেই দ্বিতীয় ঢেঊ-এ রাজ্যে ৮০০ এরও বেশি নাগরিক মারা গিয়েছিলেন, যা অতিমারী শুরু হওয়ার পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার মোট মৃত্যুর ৯০%। ১০০র ওপর প্রবীণ ভিক্টোরিয়ান সেই সময় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মারা যান। অস্ট্রেলিয়া, সমগ্র বিশ্বের মধ্যে সামগ্রিকভাবে এই অতিমারী রুখতে অত্যন্ত সফল ভাবে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। তাঁরা মধ্যে রয়েছে দ্রুত যোগাযোগের সন্ধান, স্ন্যাপ লকডাউন এবং কঠোর সামাজিক দূরত্বের নিয়ম। যে কারণে সারা রাজ্যে মাত্র ২২,২৭৫ জন আক্রান্ত হন এবং ৯১০ জনের মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরভাইরাসের বিস্তার যাতে আরও বৃদ্ধি না পায় সে কারণে, ভিক্টোরিয়া অঞ্চল জুড়ে সমস্ত কমিউনিটি স্পোর্টিং লিগকে অবিলম্বে তাদের সবরকম কার্যক্রম বাতিল করতে বলা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে ভীষণভাবে চিন্তিত। সেই উদ্দশ্যে তাঁরা উবার ইটস এবং ডোরড্যাশের মতো সংস্থাগুলিকে তাঁদের গ্রাহকদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।এটা সত্যিই একটি অসাধরণ সিদ্ধান্ত, ভিক্টোরিয়ান সরকার সেখানকার আঞ্চলিক মানুষদের স্বার্থে এবং স্থানীয় মানুষের কথা চিন্তা করে সকল জনসাধারণকে একটি গিফট ভাউচার দিচ্ছেন, সেই গিফট ভাউচার ব্যবহার করে তাঁরা যেকোনও আঞ্চলিক দোকান থেকে খাবার কিনতে পারেবেন। এই ব্যবস্থায় একই সঙ্গে সরকার সাধারণ মানুষের পাশেও থাকল এবং আঞ্চলিক ব্যবসাদাররাও টিকে রইলেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নামেলবোর্নের উত্তরে ব্রডমেডোতে একটি বহুসংস্কৃতিক যুব কেন্দ্রের সাথে সংযুক্ত শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র-তে নতুন করে ১৩ টি কোভিড আক্রান্ত হবার ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বৃদ্ধাশ্রমের পর রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রগুলি-ই উদ্বেগের প্রধান বিষয়।ভিক্টরিয়া-র স্বাস্থ্য দপ্তর প্রচন্ড উদ্বিগ্ন নিউপোর্ট এলাকায় কিছু আক্রান্ত মানুষকে নিয়ে। বেশ কিছু আক্রান্ত বা আক্রান্তদের সঙ্গে ছিলেন এমন কিছু মানুষকে স্বাভাবিক মেলামেশা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার নির্দেশ দেওয়া সত্বেও তাঁরা তা মানছেন না। অস্ট্রেলিয়ার উদার গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য বর্তমান যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে তা হল প্রতিবাদ। যা উদার গণতান্ত্রিকতার এক অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য।আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাআমরা অতি সম্প্রতি মেলবোর্নে ভিক্টোরিয়া পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হতে দেখেছি। মেলবোর্নে হঠাৎ করে সাত দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণার পর সাধারন মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পরেন। সেখানে ষষ্ঠ বারের জন্য লকডাউন ঘোষণার পর সিবিডিতে শত শত মানুষ স্বতস্ফুর্ত বিক্ষোভের পর স্থানীয় পুলিশ অবস্থার নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৫ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁরা সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিটে জড়ো হয়ে সোয়ানস্টন স্ট্রিটের দিকে এগোতে থাকেন, সেখানে আগে থেকেই পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে জড়ো হয়েছিলেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছু মানুষ তাঁদের বক্তব্য লিখে প্লাকার্ড নিয়ে এসেছিলেন। লক্ষণীয় ভাবে অধিকাংশের মুখেই মাস্কের কোনও অস্ত্বিত্ত্ব ছিলনা।হেরাল্ড সান সূত্রে জানা যায়, সেখানে আগুন জ্বালানো হয়েছিল এবং উন্মত্ত জনতা আর লকডাউন নয় স্লোগান দিচ্ছিলেন, সেইসময় নিকটবর্তী অ্যাপার্টমেন্টগুলির বাসিন্দারা চিৎকার করে তদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলছিল। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের টুইটার ফিডের ভিডিওতে দেখানো হয়েছে যে সাধারন পদাতিক ও ঘোড়সাওয়ার পুলিস কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে বিক্ষোভকারীদের নিরস্ত করার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিট স্টেশনে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে দুই পুলিশ অফিসারকে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। বিক্ষোভের মাত্রা-ছাড়িয়ে গেলে সেই যন্ত্র দ্বারা বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচ স্প্রে করার জন্য।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহবিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন চিৎকার করে বলেছিলেন, কোভিড ভুয়ো, আরও একজন বলেছিলেন ভিক্টোরিয়ার ষষ্ঠ বারের লকডাউন ঘোষণায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছেন, শত শত মানুষ একটি বেআইনি বিক্ষোভে লিপ্ত এবং তারা ১৫ জন বিক্ষোভকারিকে গ্রেপ্তার করেছেন। নয়জনকে আটক করা হয়েছে, তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁদের জরিমানা করা হবে। দুইজন বিক্ষোভকারিকে নিয়ম ভঙ্গ এবং মিথ্যা নাম বলার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভিক্টোরিয়ার প্রিমিয়ার (রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান) ড্যান অ্যান্ড্রুজ জানিয়েছেন যে, গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লকডাউন চালু করা ছাড়া তার কাছে আর কোন বিকল্প ছিলনা। তিনি আরও জানিয়েছেন, তার কাছে ভিক্টোরিয়াকে বড়দিন পর্যন্ত বন্ধ রাখা ছাড়া আর কোনও নেই।ইহুদি আল্ট্রা-অর্থোডক্স প্রার্থনার সংগঠনগুলি গত বছর থেকেই নানাভাবে লকডাউন লঙ্ঘন করেছেন, এই অতিমারি পরিস্থিতিতে যেটা একেবারেই কাম্য নয়। আশ্চর্যের বিষয় তাঁরাই সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং আইন মেনে চলা সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বলেই গন্য হয়ে থাকেন। মেলবোর্নের ইহুদি সম্প্রদায়ের সিংহভাগ বাড়িতে উৎসব পালন করার সময় ভিক্টোরিয়ার লকডাউন নিয়ম লঙ্ঘন করে একদল উপাসক ভিতরে জড়ো হয়েছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ গ্লেন আইরা রোডের একটি ভবন ঘিরে ফেলে। দুর্ভাগ্যক্রমে, ভিক্টোরিয়া পুলিশকে রোশানা ইহুদি ধর্মীয় উৎসবের জন্য মঙ্গলবার অবৈধ সমাবেশে যোগদানকারী লোকদের ৫৪৫২ ডলার জরিমানা করতে হয়েছিল। এই ঘটনার আগে, ভিক্টোরিয়া পুলিশ কোফিল্ড নর্থে মেলবোর্নের এক বিশিষ্ট ইহুদি পরিবারের অবৈধ বিবাহের পার্টির নিমন্ত্রণকর্তা এবং অতিথিদের কাছে ৩০০০০০ ডলারেরও বেশি জরিমানা আদায় করেছে।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিড্যানিয়েল অ্যান্ড্রুজ আরও বলেছেন যে তিনি রোশ হাশানাহ, দুই দিনের ইহুদি নববর্ষ উৎসবকে সেই সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তিনি মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, তবে আমরা যাই করি আমাদের প্রত্যেককেই এই মুহুর্তে নিরাপদ থাকতে হবে, ভালো থাকার জন্যই আমাদের নিজেদের অনুপ্রাণিত করতে হবে।অর্ণব ঘোষ রায়মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়াআইন স্নাতক (সম্মানিক)সদস্য, অস্ট্রেলিয়ান ল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ALSA)এক্সিকিউটিভ মেম্বার অফ ডিসিপ্লিন এন্ড গ্রিভেন্স কমিটি

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kohli and Shastri : শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত

জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও রবি শাস্ত্রীসহ তিন সাপোর্ট স্টাফ কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কেউ কেউ মনে করছেন হোটেলের লিফটে চলাচলের সময় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে যেখানেই আক্রান্ত হোন না কেন, রবি শাস্ত্রী, বিরাট কোহলিদের ওপর বেজায় চটেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কেন বোর্ডের অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, তার কৈফিয়ত চাওয়া হবে। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা বলেছেন, ওই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের ছবি ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় বোর্ডের মুখ পুড়েছে। ওভালের ওই ঘটনার জন্য কোচ ও অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হবে। লন্ডনের যে হোটলে ভারতীয় দল রয়েছে, সেখানেই গত মঙ্গলবার রবি শাস্ত্রীর নিজের বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথি হাজির ছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, সেই অনুষ্ঠান থেকেই কোনও ভাবে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন ভারতীয় দলের হেড কোচ। শাস্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দলের আরও যাঁরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিয়ও নীতিন প্যাটেলও ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন।হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। শাস্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন কোহলি। অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কেউই ভারতীয় বোর্ডের অনুমতি নেননি। দুজনের কাছেই কৈফিয়ত চাওয়া হবে বলে বোর্ডের একটা সূত্র থেকে জানা গেছে। দলের প্রশাসনিক ম্যানেজার গিরিশ ডোংরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি কোনও বোর্ডেরই অনুমোদিত ছিল না।এদিকে, আজই লন্ডন থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। রবি শাস্ত্রীসহ ৩ সাপোর্ট স্টাফ লন্ডনের হোটেলেই আইসোলেশনে রয়েছেন। ট্রেনে চড়ে ম্যাঞ্চেস্টার সফরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে। শুক্রবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপন

কোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য টিকা-কেন্দ্রগুলিতে এতদিন শুধুই দেখা গেছে ভিড়, হুড়োহুড়ি আর ধাক্কাধাক্কি। তবে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এই সবেরই ইতি ঘটতে চলেছে। এবার থেকে বাড়িতে বসেই কোভিডের টিকার কুপন পেয়ে যাবেন গ্রহীতারা। আশা ও অঙ্গনওয়ারী কর্মীরাই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দিয়ে আসবেন। একটি কেন্দ্রে একদিনে সর্বোচ্চ ২০০ জন পাবেন টিকা। সেই টিকার কুপন বিলির জন্যে মহকুমা ও ব্লকে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। পরিকাঠামোর দিক থেকে উন্নত এমন স্কুলে একদিনে একাধিক শিবির করার বিষয়টি নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে চলছে ভাবনা চিন্তা।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরকোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন টিকা-কেন্দ্রেও হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। তাতে কেউ কেউ আহতও হন। এছাড়াও টিকা পাওয়ার জন্য কোথাও আগের দিন থেকে আবার কোথাও ভোর রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেককে টিকা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। টিকা নিতে আগ্রহীদের এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই দিতে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এক সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দেবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।আরও পড়ুনঃ জল্পনাই সত্যি হল, সিআইডির হাজিরা এড়ালেন শুভেন্দুজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, পৌরসভা এলাকায় মহকুমা শাসক ও ব্লকে বিডিও-র তত্ত্বাবধানে টিকা দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দুএকদিনের মধ্যেই আশা অথবা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা গ্রহীতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুপন দিয়ে আসবেন। এছাড়াও কো-উইন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যাঁরা টিকার জন্যে আবেদন করবেন,তাঁরাও স্বাভাবিক নিয়মে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে টিকা পাবেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক কাজল রায় জানান, ভিড় এড়াতে প্রতিটি টিকা গ্রহণ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ২০০ জনকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একদিন আগে গ্রহীতাদের হাতে টিকার কুপন পৌছে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এতদিন পূর্ব বর্ধমান জেলায় দৈনিক ৩৮টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়েছে । ভিড় এড়াতে শিবিরের সংখ্যা আরও অনেক বাড়ানোর চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২৯ এ পা পায়েলেরজেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের হিসাব অনুযায়ী এক লক্ষের মত টিকা মজুত রয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর দ্বিতীয় ডোজ় গ্রহীতাদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রধিকারে রাখতে চাইছে বলে জানা গিয়েছে ।টিকার স্বাভাবিক যোগান থাকলে প্রতিদিন ন্যূনতম ২০ হাজার জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
বিদেশ

Corona: আমেরিকায় তিন সপ্তাহে করোনা আক্রান্ত পাঁচ লাখের বেশি শিশু

তিন সপ্তাহে আমেরিকায় করোনা-আক্রান্ত ৫ লক্ষেরও বেশি শিশু! যা সত্যিই খুব উদ্বেগজনক। বিশেষজ্ঞেরা বারবারই বলছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার ইঙ্গিত স্পষ্ট। তাঁরা আগেই বলে রেখেছেন, তৃতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিশুরা। সেই পূর্বাভাসও মিলে যাচ্ছে। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস জানিয়েছে, তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী ৫ অগস্ট থেকে ২৬ অগস্ট পর্যন্ত ৫ লক্ষেরও বেশি শিশু সংক্রমিত হয়েছে। শুধু ১৯ অগস্ট থেকে ২৬ অগস্টের সপ্তাহে অন্তত ২ লক্ষ ৩ হাজার ৯৬২ শিশুর কোভিড ধরা পড়েছে। জুন মাসে শিশু-সংক্রমণ ছিল সপ্তাহে সাড়ে ৮ হাজার মতো। দুমাসে সংক্রমণ বেড়েছে ২৫ গুণ।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেই খুলে গেল বর্ধমানের কলেজআমেরিকার শীর্ষস্থানীয় এপিডিমিয়োলজিস্ট অ্যান্টনি ফাউচি বলেন, স্কুলগুলোতে কোভিডের টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করা সব চেয়ে ভাল সিদ্ধান্ত। এটা কোনও কট্টরপন্থা নয়। আগেও এমন হয়েছে। দেশের বহু জায়গায় বহু স্কুলে এমন নিয়ম রয়েছে, বাচ্চাকে স্কুলে পাঠাতে হলে পোলিয়ো, হাম, মাম্পস, রুবেলা, হেপাটাইটিসের টিকা দিতে হবে। অতএব এই নিয়ম নতুন নয়। স্কুলে পাঠাতে হলে বাচ্চাকে এ বার করোনার ভ্যাকসিনও দিতে হবে।আমেরিকায় স্কুল খুলেছে বহু প্রদেশে। অন্য দেশগুলোতেও এক-এক করে স্কুল খুলছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে চিন্তায় বিশেষজ্ঞেরা। তাঁদের বক্তব্য, এক-এক করে বহু স্কুলই মাস্ক পরা আবশ্যিক করে দিয়েছে। মাস্ক অনেকটাই সংক্রমণ আটকে দেয়। কিন্তু সবটা তো নয়! বিশেষজ্ঞদের কথায়, যে সব বাচ্চার টিকাকরণ হয়নি, তাদের শরীরেই বেশি হামলা করছে ভাইরাস। কিন্তু যাদের জন্য টিকায় ছাড়পত্র রয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের সেই অংশের মধ্যেও টিকা নেওয়ায় অনীহা রয়েছে। আমেরিকায় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে টিকা নেওয়ার হার বেশ কম। বিশেষজ্ঞদের কথায়, টিকা নেওয়া নেই মানে কোনও নিরাপত্তা নেই! নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোচুল ঘোষণা করেছেন, যে সব পড়ুয়ার টিকাকরণ হয়, প্রতি সপ্তাহে তাদের কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে। হোচুল বলেন, আমাদের একে অপরকে রক্ষা করতে হবে। টিকা নিতে হবে সকলকে। বদ্ধ জায়গায় মাস্ক পরতে ও অন্যান্য করোনা বিধি মেনে চলতে হবে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

Corona: ফের বাড়ছে সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

দেশে এক লাফে অনেকটা বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯২ জন। এই সংখ্যা গত দুমাসে সর্বোচ্চ। ১ জুলাই আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন।করোনা মুক্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ১৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০৯ জনের।দেশের বর্তমানে মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেরল। গতকাল কেরলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৮০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭৩ জনের। তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৮২৫ জন।এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা নিয়েছেন ৬৬ কোটি ৩০ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৩৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ৮১ লক্ষ ৯ হাজার ২৪৪ জন।আরও পড়ুনঃ একযোগে বিষপান লায়লা-মজনু কাকিমা-ভাইপোর, মৃত এক, অন্যজন সংকটজনক গোটা অতিমারি পর্বে দেশে মোট প্রাণ গেল ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জনের। অগস্টের মাঝামাঝিতে যখন সংক্রমণে কিছুটা হলেও কম ছিল, তখন সক্রিয় রোগী কমে সাড়ে তিন লক্ষের নীচে নেমেছিল। গত কয়েক দিন ধরে তা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে ১১ হাজার ৪০২। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৮৩ জন।কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৩২ হাজার ৮০৩। মহারাষ্ট্রে সাড়ে চার হাজারের আশপাশেই থাকছে দৈনিক সংক্রমণ। তামিলনাড়ুতে দেড় হাজারের আশপাশে। কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে অনেকদিন ধরেই ১২০০-র নীচে থাকছে আক্রান্তের সংখ্যা। ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক সংক্রমণ ৬০০ থেকে ৭০০-র ঘরে ওঠানামা করছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বাকি রাজ্যগুলিতে আগের থেকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও মিজোরামের পরিস্থিতির ভয়ঙ্কর অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাডার ৯৯২ জন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Corona Update: দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ফের বৃদ্ধি পেল করোনা দাপট। একদিনে দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৯৬৫ জন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৬০ জনের। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ১০ হাজার ৮৪৫। এর মধ্যে শুধু কেরলেই একদিনে ১৯ হাজার ৬২২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ওই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৩২ জনের। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ২০ জনের। মঙ্গলবার অনেকটাই কমেছিল করোনার প্রকোপ। করোনা আক্রান্ত হয়েছিল ৩০ হাজার ৯৪১ জন। মৃত্যু হয়েছিল ৩৫০ জনের। করোনা খানিকটা নিয়ন্ত্রণে এলেও সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে দক্ষিণের রাজ্য কেরলে। করোনা বিপদ বাড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রেও। আরও পড়ুনঃ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণের জন্য ব্যাঙ্ক বাড়ির দলিল বন্ধক রাখতে বলায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্রমহারাষ্ট্র এবং কেরল কেবল এই দুটি রাজ্যেই দৈনিক মৃতের সংখ্যা শতাধিক। কেরলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১৯ হাজারের বেশি মহারাষ্ট্রে ৫৪ হাজার ৭৬৩টি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে। প্রায় ৩৫.৬ শতাংশ সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েছে বুধবার।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
দেশ

Janmashthomi: কোভিড বিধি মেনেই দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী

সারা দেশের সঙ্গে সঙ্গে নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে আজ নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চলছে জন্মাষ্টমী উৎসব পালন। মথুরা থেকে মায়াপুর, নন্দালয় থেকে নবদ্বীপ উৎসবে ব্যস্ত সব দেবালয়ই। করোনাকালে এই প্রথম দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে মন্দির চত্বর। যদিও কোভিড বিধি মেনেই উৎসব পালিত হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ প্যারালিম্পিকে ডিসকাস থ্রোতে রুপো জিতলেন যোগেশ কাথুনিয়াজন্মাষ্টমী উপলক্ষে নয়ডার ইসকন মন্দিরে কৃষ্ণ নামে মেতেছেন ভক্তরা। নিয়ম মেনে দূরত্ববিধি বজায় রেখে প্রায় পুরনো মেজাজে জন্মাষ্টমী পালন হচ্ছে মায়াপুরে এমনটাই জানা গিয়েছে। পুষ্পবৃষ্টি দেখার জন্য মূল মন্দিরের বাইরে বসছে জায়েন্ট স্ক্রিন। তবে কাউকেই মূল মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এ বছর বিদেশি ভক্তদের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। করোনা দাপট যেহেতু দেশে অব্যাহত রয়েছে সেই আবহে সংক্রমণ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান হয়েছে। রবিবার রাত থেকেই ইসকনে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। তবে মন্দিরে প্রবেশের পথ রাখা রয়েছে একমুখী। জন্মাষ্টমীর এই উৎসবকে দেশের নানা প্রান্তে শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী, গোকুলাষ্টমী, অষ্টমী রোহিনী এবং শ্রীকৃষ্ণ জয়ন্তী নামেও উদযাপন করা হয়। জন্মাষ্টমীর শুভ তিথিতে ভক্তরা দিনটা বিভিন্নভাবে পালন করেন। বিশেষত বৃন্দাবন ও মথুরাতে এই দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাহুল গান্ধি।

আগস্ট ৩০, ২০২১
দেশ

Corona Update: দুয়ারে তৃতীয় ঢেউ? ফের বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক করল কেন্দ্র

মহারাষ্ট্র নয়, করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে কেরলে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, দেশে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কেরলের।গত এক-দেড় মাসে কোনও জেলার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাই ১০০ পেরোয়নি। কিন্তু আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের একবার কলকাতার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা সেঞ্চুরি পার করল। উত্তর ২৪ পরগনার দৈনিক সংক্রমণও ১০০ ছুঁইছুঁই। এই দুই জেলাকে পাল্লা দেওয়ার ইঙ্গিত দেখাচ্ছে দার্জিলিঙের আক্রান্তের সংখ্যাও। বৃহস্পতিবারের কোভিড বুলেটিনে প্রকাশ পেয়েছে শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭১৭ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এই একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৭২৬ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমে হয়েছে ৯ হাজার ১৬৭। সুস্থতার হার দাঁড়িয়ে ৯৮.২২ শতাংশে। শেষ একদিনে নতুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৪১ হাজার ৪৯৮। পজিটিভিটি রেট কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১.৭৩ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষঅন্যদিকে, রাজেশ ভূষণ আজ বলেন, কেরল এমন একটি রাজ্য যেখানে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ১ লাখ। এছাড়া দেশের অন্যান্য ৪ রাজ্যে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্য়া ১০ হাজার থেকে ১ লাখ। তবে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের ৫১ শতাংশ কেরলের।স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, কেরলে টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে হবে, বাড়াতে হবে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং, যারা হোম আইসোলেশনে রয়েছে তাদের উপরে নজরদারি বাড়াতে হবে কারণ কেরলের ৮০ শতাংশেরও বেশি করোনা রোগী রয়েছেন হোম আইসোলেশনে। দেশের ২৭৯ জেলায় জুনের প্রথম সপ্তাহে ১০০ বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার পর থেকে ধীরে ধীরে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮,০০০ জন। এর অর্ধেক কেরলের হলেও অন্যান্য রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। কেরলের পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের ১৬ শতাংশই মহারাষ্ট্রের।

আগস্ট ২৭, ২০২১
দেশ

Afghan-Corona: তালিবানের থেকে বাঁচলেও করোনা থেকে শেষরক্ষা হল না

তালিবানের হাত থেকে রক্ষা পেলেও করোনার থাবা থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। নানা সতর্কতা সত্ত্বেও রক্ষা মিলল না করোনা-র হাত থেকে। মঙ্গলবার যে ৭৮ জন যাত্রীকে আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৬ জনের করোনা রিপোর্টই পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে।করোনার চোখ রাঙানির মাঝেই উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে আফগানিস্তানে। সেখানে আটকে থাকা ভারতীয় ও বেশ কিছু আফগান বাসিন্দাদেরও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। যাত্রীরা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে, দেওয়া হয়েছে পোলিও টিকাও। মঙ্গলবারই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, আফগানিস্তান ফেরত সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ীই ৭৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। এদের মধ্যেই ১৬ যাত্রীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের সকলেই উপসর্গহীন।আরও পড়ুনঃ বুমরার বাউন্সারে কেমন অসহায় বোধ করেছিলেন অ্যান্ডারসন?সূত্রের খবর, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন গ্রন্থিও রয়েছেন, যারা শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিব কাবুল থেকে দিল্লিতে ফিরিয়ে এনেছিলেন। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী নিজে সেই ধর্মগ্রন্থগুলি সংগ্রহ করতে যান। তাঁর টুইট করা ছবিতে হাতে ধর্মগ্রন্থটিও দেখা যায়। যারা এই বইটি এনেছেন, তারাই করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আইসোলেশনে যেতে হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও। গত সপ্তাহে তালিবানরা কাবুল দখল করে নেওয়ার পর থেকেই আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ৬২৬ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে ২২৮ জনই ভারতীয়। রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ আফগান নাগরিকদেরও ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। মোট ৭৭ জন আফগান শিখকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। হিন্দু ও শিখ ছাড়াও যারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে আসতে চান, তাদের আশ্রয় দেওয়া হবে বলে আগেই জানানো হয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
বিদেশ

ICU: বেড পেতে গেলে "আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে"!

আসমুদ্র হিমাচল যখন অধীর আগ্রহে টিভির পর্দায় তাকিয়ে কে দখল নিলো আফগানিস্থানের? তালিবান না আফগান? সর্বদলীয় বৈঠক হচ্ছে বিদেশনিতী নিয়ে। ঠিক সেই সময়ে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বেসামাল আমেরিকা। ডালাস প্রদেশের কাউন্টি জজ ক্লে জেনকিন্স এক প্রেস বিবৃতীতে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কোভিড -১৯ আক্রান্ত শিশুদের জন্য তাঁদের কাছে একটিও শয্যা অবশিষ্ট নেই।তিনি ব্যখ্যা করে বলেন, এর মানে হল যদি আপনার সন্তান জন্মগত হার্টের ত্রুটি বা অন্য গভীর কোনও রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে এবং তার আইসিইউ (ICU) বেডের প্রয়োজন হয়, অথবা যদি তার কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে আমাদের এখানে আপনার বাচ্চাকে ভর্তি করা অসম্ভব। খুব মর্মান্তিক কিন্ত বাস্তব সত্য এটাই যে, আরেকটি শিশুর মৃত্যুর জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। তিনি আরও জানান যে আপনি এই প্রদেশের যেকোনও জায়গায় আপনার বাচ্চা কে নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু সাধারণ বেড ছাড়া কোনও সুরাহা হবে না।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারক্লে জেনকিন্স জানান, হাসপাতালগুলিকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শয্যার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয় এবং বেশিরভাগ হাসপাতালই তাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেডের সংখ্যার তুলনায় কিছু কম শয্যা ও কর্মচারী নেয়। তারা এমন শয্যা ব্যবহার করতে পারে না যেখানে পর্যাপ্ত সংখ্যায় কর্মী নেই। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে হাসপাতালগুলিতেও পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মীর ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। যে শয্যাগুলির জন্য তারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত, সেইগুলিরও কর্মচারী পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। বিভাগের মুখপাত্র লারা অ্যান্টন একটি ই-মেলে বলেন, রাজ্যের কর্মী সংস্থাগুলি সমগ্র আমেরিকা জুড়ে আপাতকালীন ভাবে স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগে কাজ করছে।সপ্তাহের শুরুর দিকে, টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট ঘোষণা করেন, যে হাসপাতালগুলিতে কোভিড -১৯ রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারনে সহায়তা করার জন্য রাজ্যের হাসপাতালে ২,৫০০ এরও বেশি মেডিকেল কর্মী মোতায়েন করা হবে। সেখানকার সরকারি তথ্য অনুসারে, টেক্সাসে এই মুহুর্তে ১১,২০০ এরও বেশি লোক কোভিড-১৯ (COVID-19) আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন,সারা প্রদেশ জুড়ে মাত্র ৩২৩টি প্রাপ্তবয়স্কদের আইসিইউ শয্যা পড়ে আছে।আরও পড়ুনঃ কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রীডালাস প্রদেশের কাউন্টি জজ ক্লে জেনকিন্স কিছু বিষয়ে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট সাথে মতপার্থক্য উল্লেখ করেছেন। জেনকিন্স অন্যান্য নির্বাচিত কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ওয়ার্কার্স ডিফেন্স অ্যাকশন ফান্ড এবং অন্যান্য গ্রুপের নেতাদের সাথে কথা বলেছিলেন তাঁরা জানিয়েছেন যে অতিমারীটি সঠিক ভাবে পরিচালনা করার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে এই প্রদেশের বাসিন্দাদের বিপদে ফেলছে অ্যাবট। জুলাই মাসে, কোভিড-১৯ (COVID-19) সংক্রান্ত কিছু আদেশে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে যারা সরকারী কাজের সাথে যুক্ত এবং জেলার স্কুল গুলিতে মাস্ক-এর কোন প্রয়োজন নেই।ডালাস সহ টেক্সাস কাউন্টির সদস্যরা এই মাসে গভর্নরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন এবং ভাইরাসের বিস্তার রোধের জন্য মাস্ক পরার আদেশ পুনঃ কার্যকর করতে অনুরোধ করা হয়। এবং তাঁরা অ্যাবটের আদেশের বিরুদ্ধে স্টে-অর্ডারও চেয়েছিলেন। মঙ্গলবার, বিচারক টনিয়া পার্কার এই মর্মে নির্দেশ দেন যে, ডালাস কাউন্টির বাসিন্দারা অ্যাবটের আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং কিছু সময় ধরে হতে থাকবেন এবং তিনি রায়ে উল্লেখ করে দিয়েছেন যে, কাউন্টি বিচারক জেনকিন্সকে সাধারণ জনসাধরনকে সুরক্ষার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সমস্ত রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্তা বাস্তবায়নের অনুমতি দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!উক্ত রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে জেনকিনস এক জরুরী আদেশ জারি করেছেন, কাউন্টির নির্দিষ্ট পাবলিক স্পেসে মাস্ক বাধ্যতামূলক করেছেন, এছাড়াও কাউন্টি অফিস, ভবন এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সহ সরাসরি জনসাধারণকে পণ্য বা পরিষেবা প্রদানকারী সকল ব্যক্তিদেরও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছেন। জরুরী আদেশটিতে আরও বলা হয়েছে টিকা প্রদানকারী স্বাস্থ্য কর্মী, কাউন্টি চাইল্ড কেয়ার সেন্টার, স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী এবং অবিভাবকদের জন্যও মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।রাজ্যে করোনাভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা উত্তোরত্তর বৃদ্ধির ফলে মৃত্যুর সম্ভাবনা বৃদ্ধির আশঙ্কায় টেক্সাসের স্বাস্থ্য আধিকারিকরা ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে পাঁচটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত শববাহী মর্চারী ট্রেলারের জন্য অনুরোধ করেছেন। এজেন্সির মুখপাত্র ডগলাস লাভডে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অনুরোধটি করা হয়েছে। ট্রেলারগুলি সান আন্তোনিওতে রাখা হবে যদি কোন নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে করোনা আক্রান্ত শবদেহ রাখার জন্য অতিরিক্ত যায়গার প্রয়োজন হয়, আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশে এই ট্রেলারগুলির সম্ভাব্য প্রয়োজনের পূর্বাভাস বলে দিচ্ছে যে এই অতিমারির তৃতীয় ঢেউ কি ভয়ঙ্কর রুপ পেতে চলেছে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
দেশ

Corona 3rd wave: অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!

উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ্যে আনল এনআইডিএম। অক্টোবরেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ শিখর ছুঁতে পারে। এই বার প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে গঠিত বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি রিপোর্ট দিয়ে জানাল এ কথা। আরও পড়ুনঃ বিনিসুতোয়-এর জার্নি শেয়ার করলেন অর্পণারিপোর্টে বলা হল, দেশে ইতিমধ্যেই আছড়ে পড়েছে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে দেশে আর ভ্যালু ১-এর উপর উঠে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এক জন সংক্রমিতের থেকে কত জন আক্রান্ত হচ্ছেন, তা বোঝানো হয় এই আর ভ্যালু দিয়ে।কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে যাতে আরও সতর্ক হয়ে আসন্ন ঢেউয়ের মোকাবিলা করা হয়, তার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে জমা দেওয়া ওই রিপোর্ট বলছে, তৃতীয় ঢেউয়ের সময়ে বিপুল সংখ্যক শিশু সংক্রমিত হলে তাদের চিকিৎসার জন্য যত সংখ্যক চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং পরিকাঠামো প্রয়োজন, তা নেই দেশে। এই বিষয়টির দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞদের ওই কমিটি।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার বিরল প্রজাতির ক্যামেলিয়ন, পুলিশের হাতে তুলে দিল দিনমজুর যুবকএই রিপোর্ট সামনে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মধ্যে। কারণ, অক্টোবর থেকেই বাংলায় পুজোর মরশুম হচ্ছে।তার মধ্যেই কোভিডের তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়া এবং তা শিখর ছোঁয়ায় পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

ফের দেশে সংক্রমণের হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এরাজ্যেও সংক্রমণের সংখ্যাটা উপরের দিকেই। এরইমধ্যে দেশের দৈনিক সংক্রমণ বুধবারের তুলনায় একটু বাড়লেও বৃহস্পতিবার তা ৪০ হাজারের নীচেই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৪০১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ২৩ লক্ষ ২২ হাজার ২৫৮।পাঁচ দিন পর দেশের দৈনিক মৃত্যু ফের ৫০০ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৩০ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা প্রাণ কেড়েছে ৪ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৯ জনের। এর মধ্যে মহারাষ্ট্র (১৫৮) এবং কেরলে (১৭৯) দৈনিক মৃত্যু হচ্ছে সবথেকে বেশি।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাএখনও দেশের মধ্যে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে কেরলে। দৈনিক সংক্রমণের অর্ধেকেরও বেশি হচ্ছে দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৪২৭ জন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মহারাষ্ট্রের দৈনিক সংক্রমণ কেরলের চারভাগের এক ভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৩২ জন। এর পর রয়েছে তামিলনাড়ু (১,৭৯৭), অন্ধ্রপ্রদেশ (১,৪৩৩), কর্নাটক (১,৩৬৫), ওডিশা (৯৯৩), পশ্চিমবঙ্গে (৬৪৬) এবং অসম (৬৩৯)। সংক্রমণ কম হওয়ায় দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমছে। দেশে এখন সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। ভারতে করোনা পরীক্ষার মোট সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়েছে। অতিমারির শুরু থেকে এখন অবধি দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ কোটি ৩ লক্ষ ৮৪০।এদিকে, সংক্রমণে রাশ না পড়লে এবং গ্রামাঞ্চলে ৫০ শতাংশ টিকাকরণ না হলে লোকাল ট্রেনে চালানো হবে না বলে বুধবারই নবান্নে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মুখ্যমন্ত্রী। লোকা ট্রেন চালানোর দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন যাত্রীরা। যে ট্রেন চালানো হচ্ছে, তাতে ভিড় বাড়ছে, ফলে সংক্রমণের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
রাজ্য

Laxmir Bhandar: শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকার

সামাজিক দূরত্ব চুলোয় যাক, পেতেই হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। সোমবার থেকে শুরু হয়েছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী-সহ রাজ্য সরকারের অন্যান্য সুযোগ সুবিধের সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে নতুন প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। আর সেই প্রকল্পের জন্য ঝাঁপাচ্ছেন মহিলারা। করোনা বিধি শিকেয় তুলে বহু মানুষ ভিড় করতে শুরু করেছেন বিভিন্ন জেলার শিবিরগুলোতে। আর সেই ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা প্রশাসনের। এত পরিমাণ ভিড়ের ফলে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে সোমবার সকাল থেকেই দেখতে পাওয়া যায় উপচে পড়া ভিড়। অধিকাংশ মানুষের মুখে দেখা মেলেনি মাস্কের। দুয়ারে সরকারে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বর্ধমান টাউনহল। অন্যদিকে, বীরভূমের মুরারইয়ের ১ নম্বর পঞ্চায়েতেও ছবিটাও এক। জানা গিয়েছে, এদিন ফর্ম বিলি শুরু হতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় সেখানে। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হন কমপক্ষে ৭ জন। বহু মানুষের মোবাইল খোয়া দিয়েছে। শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। তড়িঘড়ি আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে রাষ্ট্রসঙ্ঘএকদিকে অত্যাধিক গরম অন্যদিকে মারাত্মক ভিড়ে বেশ কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন৷ কাউন্টারের সামনে রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। ভিড় এড়িয়ে আগেভাগে সরকারি প্রকল্পের ফর্ম সংগ্রহে তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়৷ প্রশাসনের তরফে শান্ত থাকতে অনুরোধ করা হয় প্রত্যেককে৷ কিন্তু লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম হাতে পেতে এতটাই মরিয়া হয়ে ওঠে মানুষ, যে সেদিকে কোনও খেয়ালই ছিল না তাদের। চলে তুমুল ধস্তাধস্তি। এ বিষয়ে মুরারই ১ নম্বরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ জানান, আমরা সবাইকে ভাগে ভাগে আসতে বলেছিলাম, কিন্তু একইদিনে সবাই চলে আসায় বিপত্তি। পঞ্চায়েত প্রধান রজনী পাখিরা বলেন, গ্রামবাসীদের সচেতন করতে মাইকিংও করেছি। মানুষ বোঝেনি। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই পরিস্থিতি। অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। বর্ধমান থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর, সব জায়গার ছবিটাই কার্যত এক। ফর্ম নিতে গিয়ে ভিড়ের চাপে নাজেহাল মানুষ।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজ্য

Covid Guidelines: ৩১ অগস্ট পর্যন্ত নয়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন

নয়া নির্দে্শিকা জারি করল নবান্ন। কিছু ছাড় দিয়ে রাজ্যে কোভিড বিধিনিষেধ চলবে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত। কিন্তু ১৬ অগস্টের পর থেকে যে নতুন দফার বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, তাতে সামান্য ছাড় দেওয়া হয়েছে রেস্তরাঁ, পানশালা খোলা রাখার বিষয়ে। এতদিন রাত্রি ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকত পানশালা ও রেস্তরাঁ। রাজ্যের নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এ বার থেকে এগুলি খোলা থাকবে দিনের শেষ পর্যন্ত, তবে রাত সাড়ে ১০টার পরে নয়। কারণ এরপরেই, রাত ১১টা থেকে কার্যকর হবে নৈশ কার্ফু।আরও পড়ুনঃ ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশএ ছাড়া সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সরকারি অনুষ্ঠান করতে হবে করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে। এ ছাড়াও ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে সিনেমা হলের পাশাপাশি খোলা থাকবে অন্য প্রেক্ষাগৃহগুলিও। ফলে ফের নাটক বা অন্য কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে। তবে সে ক্ষেত্রেও দর্শক সংখ্যা থাকবে মোট আসনের ৫০ শতাংশ। তা ছাড়া স্টেডিয়াম ও সুইমিং পুল খোলা যাবে ১৬ তারিখের পর থেকে। সেখানেও ৫০ শতাংশ দর্শকাসন পূর্ণ করা যাবে। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এখনও লোকাল ট্রেন চালানোর বিষয়ে ছাড়পত্র দেয়নি রাজ্য সরকার। শুক্রবারের নির্দেশিকায়ও লোকাল ট্রেন নিয়ে আলাদা করে কোনও নির্দেশিকা ছিল না। বৃহস্পতিবারই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ৩১ অগস্টের পর লোকাল ট্রেন চালানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে, তার আগে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্ন ওঠে না।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Covid 19: কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

লোকাল ট্রেন বন্ধই থাকছে। আগামী ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত এরাজ্যে চলবে না লোকাল ট্রেন। বৃহস্পতিবার নবান্নে একথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাতের কার্ফুর সময় ৯টা থেকে কমে হয়েছে রাত ১১ টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত। করোনাবিধি চালু থাকবে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত। কেন লোকাল ট্রেন বন্ধ রাখা হচ্ছে তার কারণও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।নানা মহল থেকে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি উঠছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অনেকেরই প্রশ্ন লোকাল ট্রেন কেন চলছে না? আমি জানি মানুষের কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ভ্যাকসিনটা এখনও সর্বত্র দেওয়া যায়নি। করোনার প্রকোপ বেড়ে যেতে পারে। দূরবর্তী ট্রেন চলছে, প্লেন চলছে, বাস, অটো, মেট্রো, গাড়ি সব চলছে। মমতা আরও বলেন, লোকাল ট্রেন বন্ধ রাখতে হচ্ছে কারণ সেপ্টেম্বরে থার্ড ওয়েভ আসার কথা আছে। তাই কন্ট্রোলে রাখতে হচ্ছে। কারণ থার্ড ওয়েভ দেখে নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থার্ড ওয়েভে শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে। শিশুরা আমাদের ভবিষ্যৎ। নিয়ম মেনে চলতে বললে নিয়ম মানা দূরের কথা সবাই দেখলাম গাদাগাদি করে চলে গেল। পরে সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকার ফলে অনেকের জীবীকায় টান পড়েছে। অনেকের যাতায়াতের খরচ বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর উপলব্ধি, মানুষের জীবন সব থেকে আগে। তিনি বলেন, বিশেষ করে দুই ২৪ পরগানা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, নদিয়া, এসব এলাকা থেকেই লোকজন কাজের সূত্রে কলকাতায় বেশি যাতায়াত করে। এসব এলাকায় ৫০ শতাংশ টিকা দেওয়ার পর লোকাল ট্রেন চালু করে দেব। কোনও সমস্যা হবে না।

আগস্ট ১২, ২০২১
দেশ

Begging: দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

করোনা মহামারি কেড়ে নিয়েছে সাধারণ মানুষের অনেক কিছু। মাথায় হাত পড়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে দেশের আর্থিক পরিস্থিতি খুবই খারাপ। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। এমন সব খবর তো গত এক দেড় বছরে অনেক শোনা গিয়েছে। কিন্তু এবার যে খবর সামনে আসছে সেটা শুনে মুষরে পড়তে পারেন অনেকেই। দিল্লি সরকারের একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, দিল্লির রাস্তায় গত কয়েক মাসে ভিখারির সংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট- এর সেই সার্ভের রিপোর্ট বলছে, করোনা মহামারির এই চূড়ান্ত দুঃসময়ে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বেকার হয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। আরও পড়ুনঃ প্যারিসে পৌঁছে অন্যরকম অভ্যর্থনা পেলেন লিওনেল মেসিচলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেখানে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। দিল্লির রাস্তায় এখন ৫২ শতাংশ বেড়েছে বেকারের সংখ্যা। গত পাঁচ বছর ধরে বহু নতুন ভিখারি দেখা গিয়েছে দিল্লির রাস্তায়। সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, মাত্র ৮ শতাংশ ভিখারি ছোটবেলা থেকে ভিক্ষা করতে বাধ্য হয়েছে। আইএইচডি-র রিপোর্ট বলছে, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, অশিক্ষা এবং শারীরিক সমস্যার জন্য ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য হয়েছেন অনেকে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় এমন মানুষদের ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখা গিয়েছে যাঁরা করোনা মহামারির সময় কাজ হারিয়েছেন। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন যাঁরা তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশ মানুষের মাথার উপরে ছাদ নেই। অর্থাৎ শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় মাথা গোঁজার কোন ঠাই নেই তাঁদের। দিল্লির রাস্তায় ভিক্ষাবৃত্তি করা মানুষদের ৪৫ শতাংশ ঝুপড়িতে থাকতে বাধ্য হন। করোনা মহামারির জন্য কাজ হারিয়ে ভিক্ষা করতে বাধ্য হওয়া মানুষদের সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্য। তাঁদের মধ্যে অনেকেই অবশ্য ছোটখাটো কাজ করেন। কিন্তু হাতে যা টাকা আসে তা দিয়ে সংসার চলে না। ফলে বাড়তি উপার্জনের জন্য তারা ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করছেন। কুড়ি শতাংশ ভিখারি এমন রয়েছেন যাঁরা এই পেশায় আসার আগে দিনমজুর, কারখানার শ্রমিক, পরিচারক বা পরিচারিকা হিসেবে কাজ করতেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Covid : করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রী

চারিদিকে একের পর এক দুঃসংবাদ। মৃত্যুর খবর। করোনা যেভাবে গ্রাস করেছে তা সত্যিই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার করোনার শিকার হলেন এক বলিউড অভিনেত্রী।মাত্র ৩৫ বছর বয়সেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন মলয়ালাম অভিনেত্রী সারন্যা শশী। দীর্ঘদিন ১০ বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই চলছিল তার। সপ্তাহ খানেক আগেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফিরে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। নেমে যায় দেহের সোডিয়ামের মাত্রা। এরপরই তাঁকে ভর্তি করা হয় বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই সোমবার দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মোট ১১টি অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, ক্যানসারের কারনে আর্থিক সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাঁকে, তবে সে ক্ষেত্রে পাশে পেয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির একাধিক সহকর্মীকে।আরও পড়ুনঃ অক্ষয় কুমারের স্টান্ট ভয় পান তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্নামলয়ালাম ইন্ডাস্ট্রিতে ছোট পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ ছিলেন সারন্যা। মান্থারকোডি, সীতা সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। বম্বে, থালাপাভুসহ বেশ কিছু আঞ্চলিক ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন ইন্ডস্ট্রির অনেকেই।

আগস্ট ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Multiplex: আজ থেকে খুলল আইনক্স, সিনেপ্রেমীদের জন্য খুশির খবর

সিনে প্রেমীদের জন্য খুশির খবর। আর এই খুশির খবরটা দিল আইনক্স। আজ থেকে ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে খুলছে আইনক্স। আগামী সপ্তাহে খুলবে কলকাতার বাকি সিনেমা হলও, আশাবাদী ইম্পার প্রেসিডেন্ট। দীর্ঘদিন পর ফের হল খোলার ফলে স্বভাবতই উত্সাহী সিনেপ্রেমীরা।গত ৩০শে এপ্রিল করোনা সংক্রমণে লাগাম টানতে কড়া সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সিনেমা হল। গত বছরও অতিমারীর জেরে প্রায় সাত মাস তালাবন্ধ ছিল সিনেমাহল, ধুঁকতে থাকা সিনেমা-শিল্পকে বাঁচাতে হল খোলবার সিদ্ধান্ত খুব জরুরি ছিল মত টলিউডের বড় অংশের।করোনা আবহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবি দেখছিলেন দর্শকরা। কিন্তু হলে গিয়ে বড়পর্দায় সিনেমা দেখার যে আনন্দ সেই আনন্দটা তারা মিস করছিলেন। এবার সেই আনন্দ উপভোগ করা থেকে আর বঞ্চিত হতে হবে না তাঁদের।কলকাতা ও শহরতলিতে আইনক্সের ছটি মাল্টিপ্লেক্স খুলল আইনক্স। প্রথম দফায় সিটি সেন্টার ১, কোয়েস্ট মল লিলুয়া, মেট্রো, মধ্যমগ্রাম, স্বভূমি-তে খুলছে আইনক্স। শুধু ই-টিকিটের মাধ্যমেই টিকিট কেটে হলে ঢোকা যাবে। দ্য সুইসাইড স্কোয়াড, গর্জিলা ভার্সেস কং, মুম্বই সাগার মতো ছবিগুলি প্রদর্শিত হচ্ছে আইনক্সে। আজ দুপুর দেড়টায় প্রথম ছবি দেখানো হয় দ্য সুইসাইড স্কোয়াড। তবে আগামীকাল সকাল থেকেই সিনেমা দেখানো হবে। আগামীকালের প্রথম শো সকাল ১০.৩০ এ দ্য সুইসাইড স্কোয়াড।

আগস্ট ০৫, ২০২১
দেশ

Corona Update: ফের কপালে ভাঁজ ফেলছে করোনা

ফের বাড়ছে সংক্রমণের মাত্রা। পর পর ছদিন ৪০ হাজারের বেশি থাকার পর মঙ্গলবার দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ নেমেছিল ৩০ হাজারের ঘরে। বুধবার তা ফের ৪০ হাজার ছাড়িয়ে গেল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ৬২৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ১৭ লক্ষ ৬৯ হাজার ১৩২।আরও পড়ুনঃ ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহসংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের দৈনিক মৃত্যুও বেড়েছে বুধবার। দুদিন পর তা ফের ৫০০ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৬২ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা ভাইরাস দেশে প্রাণ কাড়ল ৪ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৫৭ জনের। সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ফের বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় তা বেড়েছে প্রায় ৬ হাজার। এখন দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫৩ জন। সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ফের বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় তা বেড়েছে প্রায় ৬ হাজার। এখন দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৩৫৩ জন।একমাত্র অন্ধ্র প্রদেশ ও মহারাষ্ট্রেই আর-ফ্যাক্টর ক্রমশ নিম্নমুখী। পশ্চিমবঙ্গ, নাগাল্যান্ড, হরিয়ানা, গোয়া, দিল্লি ও ঝাড়খণ্ডের আর-ফ্যাক্টর বর্তমানে ১-এ দাঁড়িয়ে রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন, যখনই আর ভ্যালু ১-র বেশি হবে, তার অর্থ হবে যে সংক্রমণ বাড়ছে এবং তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। উল্লেখ্য, আর ফ্যাক্টর ২ -র অর্থ হল একজন সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে দুইজন করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। আবার সেই দুইজনও নতুন করে আরও দুইজনকে সংক্রমিত করতে পারে। এভাবেই গোটা দেশজুড়ে সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। এদিকে, করোনার আঁতুরঘর চিনেও ফের নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। সবমিলিয়ে করোনা আতঙ্ক যেন থামতেই চাইছে না। অন্যদিকে, ভারতে তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কবার্তা জারি হয়ে গিয়েছে। একদল বিশেষজ্ঞর মতে, দ্বিতীয় ঢেউই নাকি এখনও শেষ হয়নি। তারমধ্যেই তৃতীয় ঢেউয়ের আগমনবার্তায় স্বাভাবিকভাবেই সাধারণের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। তারওপর টিকাকরণের গতিও ধীরেই এগোচ্ছে। পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না মেলায় এখনও দেশের ৫০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিনের একটি ডোজ পর্যন্ত পাননি। সবমিলিয় উদ্বেগ বাড়ছেই।

আগস্ট ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সুখবর! বকেয়া ডিএ পেতে চলেছেন আরও হাজার হাজার কর্মী

সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আগেই মিটিয়েছে রাজ্য। এবার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ও অবসর ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে খবর।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে অর্থ দফতরের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠক থেকে জানা যাচ্ছে, নির্বাচনের আগে দ্রুত বকেয়া অর্থ মেটানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কর্মীসংখ্যা এবং বকেয়া ভাতার বিস্তারিত তথ্য দ্রুত জমা দিতে।বিশেষ করে দুই হাজার আট সালের এপ্রিল থেকে দুই হাজার উনিশ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ভাতার হিসাব সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্য হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। শিক্ষা, পুর ও নগর উন্নয়ন, পরিবহন, পঞ্চায়েত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেন। তাঁদের থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।এর আগে মার্চ মাসে রাজ্য সরকার কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বকেয়া ভাতা মেটানোর কাজ শুরু করেছিল। সেই সময় সরকারি কর্মীদের একটি অংশ বকেয়া অর্থ পেলেও, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী এই সুবিধা পাননি।এবার সেই বাকি থাকা কর্মী এবং পেনশনভোগীদেরও বকেয়া ভাতা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। ফলে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অনেকেই তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনে সংঘর্ষ! রোড শোতেই চরম অশান্তি

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনই চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে রোড শো চলাকালীন দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।ঘটনাটি ঘটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির সামনে। সেখানে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে এগিয়ে আসতে হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।এ দিন রোড শো চলাকালীন তৃণমূল সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরাও। দুই পক্ষের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অমিত শাহের কনভয় ওই এলাকায় পৌঁছয়। তখন জুতো ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। উত্তেজনার মধ্যে কনভয় এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহকে কনভয় থেকে নেমে যেতে হয়। পরে তিনি একটি ছোট গাড়িতে উঠে ওই এলাকা পার হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এই ধরনের ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় লড়াই! “মমতাকে হারাতেই হবে”—মঞ্চ কাঁপালেন অমিত শাহ

ভবানীপুর কেন্দ্রে আজ মনোনয়ন জমা দেবেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সমর্থন জানাতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাজরার সভা মঞ্চ থেকে তিনি সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন এবং পরিবর্তনের ডাক দেন।অমিত শাহ বলেন, দুই হাজার চৌদ্দ সালের পর যে সব রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। এবার বাংলাতেও সেই পরিবর্তন দরকার। তিনি ভবানীপুরের ভোটারদের উদ্দেশে আবেদন জানান, শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে। তাঁর কথায়, বাংলাকে নতুন করে গড়ে তুলতে হলে পরিবর্তন জরুরি।তিনি আরও বলেন, রাজ্যে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ বেড়ে গিয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় বিজেপি সরকার গঠন।অমিত শাহ দাবি করেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে চায়। তাঁর মতে, কোনও গুণ্ডা ভোটারদের আটকাতে পারবে না এবং সবাইকে সাহসের সঙ্গে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু পরাজিত করাই নয়, তৃণমূলকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দিতে হবে।শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তিনি বলেন, তিনি আগে অন্য জায়গা থেকে লড়তে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁকে বলা হয় ভবানীপুর থেকেই লড়াই করতে। তাঁর দাবি, এই কেন্দ্রে জয় পেলেই গোটা বাংলায় পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে যাবে।অমিত শাহ আরও বলেন, বাংলার মানুষ এখন নতুন সরকারের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য বিজেপি সরকার প্রয়োজন। তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য কিছুদিন তিনি বাংলাতেই থাকবেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।এ দিনের সভা থেকে ভবানীপুর-সহ একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থন জানান তিনি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং ভবানীপুরে লড়াই যে জমে উঠেছে, তা স্পষ্ট।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

“কালিয়াচকের ঘটনা বিজেপির গেম প্ল্যান!” জনসভা থেকে কড়া আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরদিঘির জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ এবং এর পিছনে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে যা মন্তব্য করেছে তা সঠিক। একই সঙ্গে তিনি মানুষের কাছে আবেদন জানান, কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালাতে হবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে এবং মালদহের ঘটনার বিষয়ে তাঁকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে, রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে এবং বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছে।তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যাতে নির্বাচন বাতিল করে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষকে শান্ত থাকতে হবে এবং কোনও উসকানিতে পা দেওয়া চলবে না। তিনি সকলকে বাংলার শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেওয়া যাবে নাএই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচকের পর ফের উত্তপ্ত মালদহ! জাতীয় সড়ক অবরোধে তীব্র বিক্ষোভ

কালিয়াচকের ঘটনার পর মালদহে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরাতন মালদহ ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েন স্থানীয় মানুষ। জাতীয় সড়কের উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু হয়। কয়েকটি জায়গায় বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে।এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগের দিন কালিয়াচকে একই ইস্যুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে একটি সরকারি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকরাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ঘেরাওয়ের পর গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং নতুন করে মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কার্গিল যোদ্ধার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ! তীব্র চাঞ্চল্য

দেশের জন্য প্রায় তিরিশ বছর কাজ করেছেন, অংশ নিয়েছেন কার্গিল যুদ্ধেও। সেই প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নামই এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আজাদ আলি ওই এলাকার দুইশো নয় নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁর এবং তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিও তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু নতুন পরিপূরক তালিকা প্রকাশের পর তিনি দেখেন, তাঁর এবং পরিবারের আরও এক সদস্যের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তিনি এবং তাঁর পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আজাদ আলি সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। কার্গিল যুদ্ধের পাশাপাশি অপারেশন বিজয় এবং অপারেশন পরাক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন। উনিশশো পঁচানব্বই সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি এবং গত বছরের অক্টোবর মাসে সুবেদার পদ থেকে অবসর নেন।আজাদ আলির বক্তব্য, দেশের সুরক্ষার জন্য তিনি সবসময় প্রস্তুত ছিলেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। অথচ এখন নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার পরও তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মতো যাঁদের কাছে এত নথি নেই, তাঁদের কী হবে।স্থানীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁদের কাছেও দুঃখজনক, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখন তাঁকে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক পক্ষের দাবি, প্রক্রিয়া সঠিকভাবেই চলছে এবং যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করলে সমাধান সম্ভব।এই ঘটনাকে ঘিরে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

পাথরবৃষ্টি, ভাঙা কাচ, আতঙ্কে বিচারকরা! ঘটনায় রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট

মালদহের কালিয়াচকে সাতজন বিচারককে প্রায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁদের ঘিরে রাখা হয় এবং গভীর রাতে উদ্ধার করা হলেও ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ির কাচ ভেঙে সিটের উপর পড়ে বলে জানা গেছে।এই ঘটনার পর বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, তিনি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিতে চান না, কিন্তু পুরো ঘটনাই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, বিকেল থেকেই বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছিল, অথচ রাত পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারি থাকা প্রয়োজন ছিল। তিনি আরও বলেন, কেউ দায় এড়াতে পারে না এবং বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। বিচারকদের দেওয়া নির্দেশ মানেই আদালতের নির্দেশ, সেটি রক্ষা করা জরুরি।আদালতে শুনানির সময় একাধিক আইনজীবী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগে বিচারকদের ভয় দেখানো হত, এখন তাঁদের উপর সরাসরি হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছিল। প্রশাসনকে জানানো হলেও রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর উদ্ধার সম্ভব হয়। কিন্তু তারপরও তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়।আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে বিচারকরা কাজ করছেন সেখানে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাঁদের থাকার জায়গাতেও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বিচারকদের কোনও ধরনের হুমকি থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।আদালত এই ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে জানায়, বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং তাঁদের কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্য ছিল। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে জানানো হয়েছে।শীর্ষ আদালত আরও জানায়, রাজ্য প্রশাসন তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেনি এবং কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেওয়া হতে পারে।এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের কড়া অবস্থানের পর এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

কালিয়াচক কাণ্ডে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত! জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নোটিস

মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের ঘিরে ধরে রাখার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিল দেশের শীর্ষ আদালত। এই ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছেও বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকে তিনজন মহিলা সহ মোট সাতজন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে ঘিরে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতির বেঞ্চে তা নিয়ে আলোচনা হয়। আদালত এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে, যেখানে পুরো ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়। কিন্তু সেই সময় জেলাশাসক বা পুলিশ সুপার কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি।পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিক ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়। এরপর রাত বারোটার পর বিচারকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, বাড়ি ফেরার সময়ও তাঁদের গাড়িতে হামলা করা হয় এবং পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।আদালত এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এমন ঘটনা বিচারকদের মধ্যে ভয় তৈরি করতে পারে। আদালতের মতে, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারই উদাহরণ।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, কমিশনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।আদালত আরও জানায়, আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিতে হবে।এই ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে এবং গোটা বিষয়টি এখন আদালতের কড়া নজরে রয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal