• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CSK

খেলার দুনিয়া

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতের ভবিষ্যৎ কী? দলবদলের জল্পনার মধ্যেই মিলল তাঁর নিজের বার্তা

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে নানা জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে ঘিরে দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, রোহিত কি ফের মুম্বইয়ের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন? পাশাপাশি তাঁর অন্য কোনও আইপিএল দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেই নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটিং কোচ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ অভিষেক নায়ার।তবে এই জল্পনার সূত্রপাত কোনও ক্রিকেট ম্যাচে নয়, রোহিত শর্মার নতুন একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা সেই অনুষ্ঠানের টিজারে রোহিত এবং অভিষেক নায়ারের কথোপকথনের একটি অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে রোহিতের পোশাকের রং নিয়েই মজার ছলে শুরু হয় দলবদলের প্রসঙ্গ।টিজারে দেখা যায়, রোহিতের পরনে হলুদ পোশাক। সেই রং দেখে অভিষেক নায়ার মজা করে চেন্নাইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, রোহিত কি তবে দল বদলানোর কথা ভাবছেন? কারণ হলুদ রং চেন্নাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্ন শুনে রোহিতও মজার ছলে পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, তাঁর পোশাকের রং সরষের মতো হলুদ।এর পরেই কথোপকথনে উঠে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসঙ্গ। অভিষেক নায়ার বলেন, সোনালি এবং হলুদ রঙের সঙ্গে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিরও যোগ রয়েছে। ফলে রোহিত কি এবার কলকাতার দলে যোগ দেবেন, সেই ইঙ্গিতও মজার ছলে দেওয়া হয়।অভিষেকের প্রশ্নের মধ্যেই দর্শকদের একাংশ মুম্বইয়ের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই সময় রোহিত মৃদু হেসে বলেন, চিরকাল। তাঁর এই এক শব্দের উত্তর থেকেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই বক্তব্যকে দলবদলের জল্পনার প্রেক্ষিতে দেখছেন। তবে টিজারের এই কথোপকথন থেকে রোহিতের আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিতের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। তাঁর নেতৃত্বে দলটি আইপিএলে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবেও রোহিতের সাফল্য রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।এ বার ক্রিকেটের মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশনের পর্দাতেও নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিতকে। তাঁর নতুন অনুষ্ঠানের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। টিজারে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে রোহিতের কথোপকথনও সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।রোহিত সত্যিই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়বেন কি না, কিংবা অন্য কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই। তবে নতুন অনুষ্ঠানের টিজারে মুম্বই নিয়ে রোহিতের চিরকাল মন্তব্য দলবদলের জল্পনার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে। এখন দেখার, টেলিভিশনের মঞ্চে রোহিতের এই নতুন ইনিংস দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচেও লজ্জাও চেন্নাইয়ের, দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল রাজস্থান

গুজরাট টাইটান্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ম্যাচের ফলই প্লে অফ খেলা নিশ্চিত করে দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসের । তবে লিগ টেবিলে কোন পজিশনে শেষ করে প্লে অফ খেলবে, সেটা নির্ভর করছিল চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের ওপর। চেন্নাইকে হারালেই ভাল নেট রান রেটের সুবাদে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ ছিল। সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগালেন সঞ্জু স্যামসনরা। চেন্নাইকে ৫ উইকেটে হারিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রাজস্থান রয়্যালস। চলতি আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে সম্মান বাঁচাতে পারল না ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস।প্রথমে ব্যাট করে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে বড় রানের টার্গেট খাড়া করতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। জয়ের জন্য লক্ষ্য রেখেছিল ১৫১। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে জস বাটলারের রানের দিকে তাকিয়ে ছিল রাজস্থান। কিন্তু চলতি আইপিএলে প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে এদিন মাত্র ২ রান করে সিমরনজিৎ সিংয়ের বলে মইন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটেও সেই ধারাবাহিকতার অভাব। সিমরনজিত সিং, মিচেল স্যান্টনারদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না। ২০ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি স্যান্টনারের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে আউট হন। দেবদত্ত পাড়িক্কলও (৩) রান পাননি। তিনি মইন আলির শিকার। রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান যশশ্বী জয়সোয়াল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ৪৪ বলে ৫৯ করে প্রশান্ত সোলাঙ্কির বলে আউট হন জয়সোয়াল। দেশ থেকে ফিরে এসে সদ্য বাবা হওয়া হেটমায়ারও (৬) ব্যর্থ। তিনিও সোলাঙ্কির শিকার। ১৬.২ ওভারে ১১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান রয়্যালস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অশ্বিন ও রিয়ান পরাগ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য রাজস্থানের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে রাজস্থানকে (১৫১/৫) জয় এনে দেন অশ্বিন (২৩ বলে অপরাজিত ৪০) ও রিয়ান পরাগ (১০ বলে অপরাজিত ১০)।এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (২)। দলকে টেনে নিয়ে যান মইন আলি। এদিন দারুণভাবে জ্বলে উঠেন। মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ডেভন কনওয়ে (১৪ বলে ১৬), এন জগদীশন (১), অম্বাতি রায়ুডু (৩) রান পাননি। ২৮ বলে ২৬ রান করেন ধোনি। ৫৭ বলে ৯৩ রান করে চেন্নাইকে ১৫০/৬ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন মইন।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের বছরও চেন্নাইকে নেতৃত্ব দেবেন?‌‌ কী বললেন ধোনি!‌

গত বছর থেকেই জল্পনাটা তুঙ্গে উঠেছিল। এবছরই কি শেষ আইপিএল মহেন্দ্র সিং ধোনির? অনেকেই ভেবেছিলেন, দুবাইতে চেন্নাই সুপার কিংসকে চতুর্থবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করে ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়াবেন মাহি। কিন্তু সে রাস্তায় তিনি হাঁটেননি। পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই মরশুমেও খেলবেন। এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। আবার জল্পনা শুরু হয়েছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলেই হয়তো আইপিএলকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু এখনই ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে যাচ্ছেন না। ভক্তদের স্বস্তি দিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, আগামী মরশুমেও চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে চান।আগামী মরশুমেও কেন খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ধোনি? আসলে নিজেকে এখনও দারুণ ফিট মনে করেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংস ম্যানেজমেন্টও ধোনি ব্র্যান্ডকে ছাড়তে চাইছে না। তার থেকেও বড় কারণ, চেন্নাইয়ের প্রিয় দর্শকদের সামনেই শেষ ম্যাচ খেলে ব্যাটপ্যাড তুলে রাখবেন। সেই সুযোগ থাকলে হয়তো এই বছরই আইপিএল থেকে সরে দাঁড়াতেন ধোনি। আসলে প্রিয় চেন্নাইয়ের দর্শকদের বিদায় জানানোর সুযোগ দিতে চান চেন্নাই সুপার কিংসসের থালা। শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে টসের সময় ধোনির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, পরের বছরও আইপিএলে তিনি খেলবেন কিনা। উত্তরে ধোনি জানান, অবশ্যই খেলব। চেন্নাইয়ে না খেলে আইপিএলকে বিদায় জানানোটা খুবই খারাপ হবে। মুম্বইয়ে দলকে যেমন সাফল্য এনে দিতে পেরেছি, তেমনই ব্যক্তিগতভাবেও সাফল্য পেয়েছি। কিন্তু চেন্নাইয়ের সমর্থকদের সামনে বিদায় না নিলে ব্যাপারটা ভাল হবে না। আশা করছি পরের বছর সব জায়গাতেই আইপিএলের খেলা হবে। শুধু খেলা নয়, পরের বছর চেন্নাইকে নেতৃত্বও দেবেন ধোনি। এবছর আইপিএল শুরুর আগে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। মাঝপথে জাদেজাকে সরিয়ে আবার ধোনিকে নেতৃত্ব ফেরানো হয়। তাতেও খুব একটা হাল ফেরেনি চেন্নাইয়ের। ভবিষ্যতের নেতা তুলে নিয়ে আসার জন্যই আরও একবছর ধোনিকে নেতৃত্বে রেখে দিতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন মইন, তবু বড় রান করতে ব্যর্থ চেন্নাই

চলতি আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস। চেন্নাইয়ের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব না থাকলেও, রাজস্থানের কাছে গুরুত্ব অপরিসীম। লিগ টেবিলে কোন পজিশনে শেষ করে প্লে অফ খেলবে, সেটা নির্ভর করছে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের ওপর। চেন্নাইকে হারালেই ভাল নেট রান রেটের সুবাদে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে সরিয়ে উঠে আসবে দ্বিতীয় স্থানে। ধোনি ব্রিগেডের কাছে ম্যাচটা অবশ্য সম্মান বাঁচানোর লড়াই। দলের সম্মানের লড়াইয়ে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন মইন আলি। ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডারের ব্যাটে ঝড় সত্ত্বেও রাজস্থানের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংস। ২০ ওভারে তুলল ১৫০/৬।এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। শুরুটা ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। মাত্র ২ রান করে তিনি ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন মইন আলি। এবারের আইপিএলে এই অলরাউন্ডারের ওপর অনেকটাই ভরসা করেছিল চেন্নাই। কিন্তু নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। এদিন দারুণভাবে জ্বলে উঠেন। মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ম্যাচে ষষ্ঠ ও ট্রেন্ট বোল্টের তৃতীয় ওভারে একটা ৬ ও পাঁচটা চারের সাহায্যে তোলেন ২৬। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৭৫/১ রানে পৌঁছে যায় চেন্নাই। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা খায় চেন্নাই। ডেভন কনওয়েকে (১৪ বলে ১৬) তুলে নেন অশ্বিন। পরের ওভারেই এন জগদীশনকে (১) ফেরান ওবেদ ম্যাকয়। প্রথম একাদশে ফিরে অম্বাতি রায়ুডুও (৩) রান পাননি। তাঁকে তুলে নেন চাহাল। চাহাল ও ওবেদ ম্যাকয় আসতেই রান তোলার গতি কমে যায় চেন্নাইয়ের। চলতি আইপিএলের শেষ ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না ধোনি। ২৮ বলে ২৬ রান করে তিনি চাহালের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৭ রান দুরে থেমে যান মইন। ৫৭ বলে ৯৩ রান করে তিনি ওবেদ ম্যাকয়ের বলে রিয়ান পরাগের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ২টি করে উইকেট নেন ম্যাকয় ও চাহাল

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ঋদ্ধিমান, চেন্নাইকে আরও লজ্জার মুখে ঠেলে দিল গুজরাট

প্লে অফের আশা আগেই শেষ। সম্মানের লড়াইয়েও জিততে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংস। আগের ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারের পর এবার গুজরাট টাইটান্সে কাছে। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে লিগ টেবিলে প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে ফেলল গুজরাট টাইটান্স। দুরন্ত ব্যাট করে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন ঋদ্ধিমান সাহা।চলতি আইপিএলে প্রথম দল হিসেবে ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আগেই প্লে অফের ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলেছিল গুজরাট টাইটান্স। লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গেলেও বাকি দুটি ম্যাচ যে হালকাভাবে নিতে রাজি নয়, প্রমাণ করে দিল গুজরাট শিবির। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামিরা। সামিদের দাপটেই প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে রবিন উথাপ্পা ও অম্বাতি রায়ুডুকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নামে চেন্নাই। এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের অভাব ফুটে উঠল। আগের ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ভাগ্যের শিকার হওয়া ডেভন কনওয়ে এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৫ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। তিন নম্বরে নেমে মইন আলি করেন ১৭ বলে ২১। তিনি সাই কিশোরের শিকার। চেন্নাইকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় এবং এন জগদীশন। ৪৯ বলে ৫৩ রান করে রশিদ খানের বলে আউট হন ঋতুরাজ। শিবম দুবে (০), ধোনিরা (৭) ব্যর্থ। ৩৩ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থেকে চেন্নাইকে ১৩৩/৫ রানে পৌঁছে দেন জগদীশন। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন সামি। প্রায় প্রতি ম্যাচেই গুজরাটের জয়ের ভিত গড়ে গড়ে দিয়েছেন বোলাররা। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিপক্ষকে কম রানে বেঁধে রেখে দলের ব্যাটারদের কাজ সহজ করে দিয়েছিলেন সামিরা। তাই ঋদ্ধিমান সাহা, শুভমান গিলদের খুব বেশি চাপ নিতে হয়নি। ওপেনিং জুটিতে ঋদ্ধি ও শুভমান তুলে ফেলেন ৫৯। মাথেশা পাথিরানার বলে শুভমান (১৭ বলে ১৮) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋদ্ধি। ম্যাথু ওয়েড ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হন। হার্দিক পান্ডিয়া (৭) এদিনও ব্যর্থ। পাথিরানার দুরন্ত অফ কাটাক বুঝতে পারেননি। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ঋদ্ধি। ৫৭ বলে ৬৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ১৯.১ ওভারে ১৩৭/৩ তোলে গুজরাট। আইপিএলের অভিষেকে দলকে জেতাতে না পারলেও দারুণ বোলিং করে নজর কাড়লেন লসিথ মালিঙ্গার নকল মাথেশা পাথিরানা। ২৪ রানে নেন ২ উইকেট।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্মান রক্ষার ম্যাচে মুম্বইয়ের কাছে লজ্জার হার ধোনিদের

সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত অসম্মানিত ধোনি ব্রিগেড। আইপিএলের প্রায় গুরুত্বহীন ম্যাচে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। অঙ্কের বিচারে প্লে অফের যাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল চেন্নাইয়ের। স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত চেন্নাইকে। কিন্তু জ্বলে উঠতে পারলেন না ধোনিরা। চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিল চেন্নাইকে। ড্যানিয়েল স্যামস, যশপ্রীত বুমরা, রিলে মেরেডিথদের বোলিংয়ের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেন না ডেভন কনওয়ে, ঋতুরাজ গায়কোয়াররা।টস জিতে এদিন চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা চেন্নাই সুপার কিংসের। ড্যানিয়েল স্যামসের বল কনওয়ের প্যাডে লাগে। উইকেটে পড়ে লেগ স্টাম্পের বাইরে যাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও আম্পায়ার চিরা রবিকান্তরেড্ডি কনওয়েকে লেগ বিফোর আউট দেন। ওই সময় স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ডিআরএসের সুবিধা নিতে পারেননি কনওয়ে (০)। ওই ওভারের চতুর্থ বলে মইন আলিকেও (০) তুলে নেন স্যামস। পরের ওভারে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংস। এবার বুমরার শিকার রবিন উথাপ্পা (১)। তাঁকে এলবিডব্লু আউট দেন ক্রিস গাফানি। সেই বিদ্যাউৎ বিভ্রাটের জন্য উথাপ্পাও ডিআরএস নিতে পারেননি।পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ফর্মে থাকা ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৭ রানে ৪ উইকটে হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চেন্নাই। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। অম্বাতি রায়ুডু (১০) ও শিবম দুবেকে (১) তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের মিডল অর্ডারে ধস নামান রিলে মেরেডিথ। ডোয়েন ব্র্যাভো (১২) ও সিমরনজিৎ সিংকে (২) তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। মহেশ থিকসানাকে (০) ফেরান রমনদীপ সিং। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দিতে পারেননি। ১৬ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন ড্যানিয়েল স্যামস। জয়ের জন্য ৯৮ রানের লক্ষ্য মোটেই কঠিন ছিল না মুম্বইয়ের কাছে। কম রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই শুরু করেন চেন্নাই বোলাররা। প্রথম ওভারেই ঈশান কিশনকে (৬) তুলে নেন মুকেশ চৌধুরী। ২ ওভার পরেই রোহিত শর্মাকে (১৮) ফেরান সিমরনজিত সিং। পঞ্চম ওভারে এক বলের ব্যবধানে ড্যানিয়েল স্যামস (১) ও ট্রিস্টান স্টুবাসকে (০) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন মুকেশ চৌধুরী। ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর মুম্বইকে টানেন ঋত্বিক সোকেন ও তিলক ভার্মা। ঋত্বিক (১৮) আউট হওয়ার পর মুম্বইকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তিলক (অপরাজিত ৩৪) ও টিম ডেভিড (অপরাজিত ১৬)। ১৪.৫ ওভারে ১০৩/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বোলারদের উইকেট নয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার চেন্নাইয়ের দুই ব্যাটার

বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হতে হল ডেভন কনওয়ে ও রবিন উথাপ্পাকে। দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংসও। গুরুত্বহীন ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়। ড্যানিয়েল সামস, যশপ্রীত বুমরা, রিলে মেরেডিথদের দাপটে ৯৭ রানের বেশি তুলতে পারল না চেন্নাই। ড্যানিয়েল সামসের বলে ডেভন কনওয়ে এলবিডব্লু। যশপ্রীত বুমরার বলে রবিন উথাপ্পাও। দুজনের আউট নিয়েই সন্দেহ ছিল। টিভি রিপ্লেতেও দেখা যায় দুজনে আউট ছিলেন না। ডিআরএসের সুযোগ থাকলেও নিতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের এই দুই ব্যাটার।দুই দলের সামনেই প্লে অফের সম্ভাবনা আগেই শেষ হয়ে গেছে। বাকি ম্যাচ শুধু সম্মান রক্ষার লড়াই। সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত অসম্মানিতে চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা চেন্নাই সুপার কিংসের। ড্যানিয়েল স্যামসের বল কনওয়ের প্যাডে লাগে। উইকেটে পড়ে লেগ স্টাম্পের বাইরে যাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও আম্পায়ার চিরা রবিকান্তরেড্ডি কনওয়েকে লেগ বিফোর আউট দেন। ওই সময় স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ডিআরএসের সুবিধা নিতে পারেননি কনওয়ে (০)। ওই ওভারের চতুর্থ বলে মইন আলিকেও (০) তুলে নেন স্যামস।পরের ওভারে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংস। এবার বুমরার শিকার রবিন উথাপ্পা (১)। তাঁকে এলবিডব্লু আউট দেন ক্রিস গাফানি। সেই বিদ্যাউৎ বিভ্রাটের জন্য উথাপ্পাও ডিআরএস নিতে পারেননি। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ফর্মে থাকা ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৭ রানে ৪ উইকটে হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চেন্নাই। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। অম্বাতি রায়ুডু (১০) ও শিবম দুবেকে (১) তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের মিডল অর্ডারে ধস নামান রিলে মেরেডিথ। ডোয়েন ব্র্যাভো (১২) ও সিমরনজিৎ সিংকে (২) তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। মহেশ থিকসানাকে (০) ফেরান রমনদীপ সিং। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দিতে পারেননি। ১৬ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ২২ রানে ২ উইকেট কুমার কার্তিকেয়ার। ২৭ রানে ২ উইকেট নেন রিলে মেরেডিথ। ১২ রানে ১ উইকেট যশপ্রীত বুমরার।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্মানরক্ষার লড়াইয়ে রোহিতদের থেকে কেন এগিয়ে ধোনিরা?‌

প্লে অফের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অঙ্কের বিচারে চেন্নাই সুপার কিংসের আশা টিকে থাকলেও প্লে অফের স্বপ্ন দেখেন না অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাই দুই দলেই সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে। রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে আবার নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে নেওয়ার পর দলকে জয়ের রাস্তায় ফিরিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর নেতৃত্বেই শেষ তিন ম্যাচের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেও জয় তুলে নেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। রোহিত শর্মা দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একদিকে যেমন স্বস্তি রয়েছে, তেমনই রয়েছ অস্বস্তিও। স্বস্তির খবর হল আগের ম্যাচে ডেভন কনওয়ের দুরন্ত ব্যাটিং। ফর্মে রয়েছেন আর এক ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ও। আর অস্বস্তির খবর হল চলতি আইপিএল থেকে রবীন্দ্র জাদেজার ছিটকে যাওয়া। চোটের জন্য আগের ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেও খেলতে পারবেন না। বাকি ম্যাচগুলোও তাঁর পক্ষে মাঠে নামা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে সাম্প্রতিক ফর্ম। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯১ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল চেন্নাই। ওই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন ডেভন কনওয়ে ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এই দুই ব্যাটার ধারাবাহিকতা দেখাতে পারলে সমস্যায় পড়বে মুম্বই। দলের ব্যাটারদের মতো চেন্নাইকে ভরসা দিয়েছে বোলাররাও। দুই তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি, সিমরনজিৎ সিং দুর্দান্ত বোলিং করছেন। মইন আলি, মহেশ থিকসানাও স্পিন বিভাগকে দারুণ নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে চেন্নাই। প্রথম দল হিসেবে এবারের আইপিএলের প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তাঁদের কাছে এখন শুধু সম্মানরক্ষার লড়াই। গুরুত্বহীন এই ম্যাচ হলেও রোহিত, ঈশান কিষানদের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব অনেকটাই। একদিকে যেমন রোহিত শর্মার কাছে ফর্মে ফেরা, অন্যদিকে নিলামে চড়া দামে বিক্রি হওয়া ঈশান কিষানের নিজেকে প্রমাণ করার। চলতি মরশুমে ১১ ম্যাচে ৩২১ রান করেছেন ঈশান। তাঁর ও রোহিত শর্মার ওপর বেশি নির্ভর করেই এবছর দল গড়েছিল মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট। অথচ এই দুই ব্যাটারই দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মূলত ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্যই এবছর ডুবতে হয়েছে আইপিএলে সবথেকে বেশি সাফল্য পাওয়া দলকে। বুমরাও শুরুর দিকে তেমন ছন্দে ছিলেন না। আগের ম্যাচে দুরন্ত বোলিং করেছেন। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে নিজেকে প্রমাণ করাটা বুমরার কাছেও চ্যালেঞ্জ।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কনওয়ের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে দিল্লির সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ চেন্নাইয়ের

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট ছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। অন্যদিকে, ১০ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট চেন্নাই সুপার কিংসের। এদিন মাঠে নামার আগে প্লে অফের ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল চেন্নাইয়ের। হারলেই সম্ভাবনা শেষ। এই পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠল চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ২০৮।টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। দিল্লির বোলারদের কোনও রকম সুযোগ না দিয়ে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ১০.৫ ওভারে ১১০। একাদশ ওভারের শেষ বলে ঋতুরাজকে তুলে নিয়ে চেন্নাইকে প্রথম ধাক্কা দেন আনরিখ নর্টিয়ে। ৩৩ বলে ৪১ রান করে তিনি অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।ঋতুরাজ আউট হলেও ডেভন কনওয়েকে টলাতে পারেননি দিল্লির বোলাররা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। শতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন চেন্নাইয়ের এই ওপেনার। দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ১৭তম ওভারে খলিল আহমেদের তৃতীয় বলে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কনওয়ে। ৪৯ বলে ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলের বড় রানের ভিত গড়ে দেন। কনওয়ের ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও ৫টি ছয়। ক্রিডে নেমে ঝড় তোলেন শিবম দুবে। ১৯ বলে ৩২ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে আউট হন।অম্বাতি রায়ুডু এদিনও রান পাননি। ৬ বলে ৫ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে আউট হন। এরপর ক্রিজে নেমে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনিই দলকে ২০০ রানের গন্ডি পার করে দেন। ৮ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ৪ বলে ৯ রান করেন মইন আলি। ৪০ রানে ৩ উইকেট নেন নর্টিয়ে। ২৮ রানে ২ উইকেট নেন খলিল আহমেদ। ১টি উইকেট নেন মিচেল মার্শ।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অতীতকে স্পর্শ করতে পারলেন না ধোনি, প্লে অফ স্বপ্নের অপমৃত্যু চেন্নাইয়ের

অতীতকে স্পর্শ করতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। হয়ে উঠতে পারলেন না ফিনিশার। ১৯ তম ওভারে জস হ্যাজেলউডের প্রথম বল গ্যালারিতে পাঠাতে চেয়েছিলেন। ডিপ মিড উইকেটে রজত পতিদারের হাতে ধরা পড়তেই জয়ের স্বপ্ন শেষ চেন্নাই সুপার কিংসের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে ১৩ রানে হেরে চলতি আইপিএলে প্লে অফের স্বপ্নের সলিল সমাধি চেন্নাইয়ের। জয়ের জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের ১৮ বলে দরকার ছিল ৪৭। বাইশ গজে মহেন্দ্র সিং ধোনি ও মইন আলি। এই রকম পরিস্থিতিতে দলকে বহু ম্যাচে জয় এনে দিয়েছেন ফিনিশার ধোনি। পারলেন না। তাঁর হাত ধরেই আগের ম্যাচে জয়ের সরণিতে ফিরেছিল চেন্নাই। এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। হারলেই প্লে অফের সম্ভাবনা শেষ। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারলেন না ধোনিরা। জয়ের জন্য ১৭৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের মতো না হলেও এদিনও চেন্নাইয়ের শুরুটা খারাপ হয়নি। লড়াইয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (২৩ বলে ২৮) ও ডেভন কনওয়ে। ব্যাট করার সময় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি বুঝে গিয়েছিলেন বাইশ গজে স্পিনাররা সুবিধা পাচ্ছেন। তাই শাহবাজ আমেদের হাতে নতুন বল তুলে দিতে দ্বিধা করেননি ডুপ্লেসি। ছন্দে থাকা ঋতুরাজকে তুলে নেন শাহবাজ। উথাপ্পা (১) ও রায়ুডুকে (১০) ফিরিয়ে চেন্নাইকে চাপে ফেলে দেন ম্যাক্সওয়েল। দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন ডেভন কনওয়ে (৩৭ বলে ৫৬)। তাঁকে তুলে নেনে হাসারাঙ্গা। অনেকেই আশা করেছিলেন নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে চাপমুক্ত হয়ে নিজের খেলা ফিরে পাবেন রবীন্দ্র জাদেজা (৩)। তিনিও ব্যর্থ। বল হাতে সাফল্য পাওয়ার পর ব্যাট হাতে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মইন আলি। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২৭ বলে ৩৪ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। ৩ রান করেন ধোনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬০/৮ তোলে চেন্নাই। টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ধোনি। দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিজ জুটিতে ওঠে ৬২। এরপরই মইন আলির আঘাত। এদিন মিচেল স্যান্টনারের জায়গায় তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। আস্থার মর্যাদা দিলেন মইন। মইনের হাত ধরেই প্রথম ব্রেক থ্রু আসে। প্রথমে তুলে নেন ছন্দে ফেরা ফাফ ডুপ্লেসিকে। ২২ বলে ৩৮ রান করে তিনি আউট হন। পরের ওভারেই গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৩) রান আউট। ৫ বল পরেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন মইন। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। মইনের অফ স্টাম্পের ওপরে পড়া বল কোহলির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে উইকেট ভেঙে দেয়। ৩৩ বলে ৩০ রান করে আউট হন কোহলি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে উঠে আসা মহীপাল লোমরোর ও রজত পতিদার। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন রজত। ২৭ বলে ৪২ রান করেন মহীপাল লোমরোর। মহীপাল ও হাসারাঙ্গাকে (০) পরপর ২ বলে তুলে নেন মহেশ থিকসানা।একই ওভারের শেষ বলে ফেরান শাহবাজকে (১)। দীনেশ কার্তিক ১৭ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন মহেশ থিকসানা। ২৮ রানে ২ উইকেট মইনের।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টি২০ সুলভ ব্যাটিং কেন করতে পারলেন না বিরাট কোহলি?‌

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ভাল শুরু করেও আবার আটকে গেলেন বিরাট কোহলি। টি২০ সুলভ ব্যাটিং পাওয়া গেল না তাঁর কাছ থেকে। তবুও চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তুলল ১৭৩। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বড় রান তুলল মহীপাল লোমরোর, দীনেশ কার্তিকদের সৌজন্যে।প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না চেন্নাই সুপার কিংসের সামনে। ৯ ম্যাচে চেন্নাইয়ের পয়েন্ট ৬। আর একটা হার মানেই প্লে অফের স্বপ্ন শেষ। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হয়েছিল। ধোনিদের কাছে হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। আগের ম্যাচে তাঁর নেতৃত্বেই জয়ের সরণিতে ফিরেছে চেন্নাই। এদিনও ধোনির নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু চেন্নাইয়ের বোলারদের কোনও সুযোগ না দিয়ে ভাল শুরু করেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিজ জুটিতে ওঠে ৬২। এরপরই মইন আলির আঘাত। এদিন মিচেল স্যান্টনারের জায়গায় তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। আস্থার মর্যাদা দিলেন মইন। মইনের হাত ধরেই প্রথম ব্রেক থ্রু আসে। প্রথমে তুলে নেন ছন্দে ফেরা ফাফ ডুপ্লেসিকে। ২২ বলে ৩৮ রান করে তিনি আউট হন। পরের ওভারেই গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৩) রান আউট। ৫ বল পরেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন মইন। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। মইনের অফ স্টাম্পের ওপরে পড়া বল কোহলির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে উইকেট ভেঙে দেয়। ৩৩ বলে ৩০ রান করে আউট হন কোহলি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে উঠে আসা মহীপাল লোমরোর ও রজত পতিদার। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন রজত। ২৭ বলে ৪২ রান করেন মহীপাল লোমরোর। মহীপাল ও হাসারাঙ্গাকে (০) পরপর ২ বলে তুলে নেন মহেশ থিকসানা।একই ওভারের শেষ বলে ফেরান শাহবাজকে (১)। দীনেশ কার্তিক ১৭ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন মহেশ থিকসানা। ২৮ রানে ২ উইকেট মইনের।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাইয়ের

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাই সুপার কিংসের। থালার নেতৃত্বে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় চেন্নাই সুপার কিংসের। দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৩ রানে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল চেন্নাই। ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। এদিন চেন্নাইয়ের জয়ের নায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। এই দুই ওপেনারের দাপটে সানরাইজার্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় চেন্নাই। পরে বল হাতে সাফল্য মুকেশ চৌধুরির। প্রথমে ব্যাট করে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০ ওভারে ২০২/২ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ওপেনিং জুটিতে এই দুই ব্যাটার তোলেন ১৮২। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোনও বোলারই এদিন চেন্নাইয়ের এই দুই ওপেনারের বিরুদ্ধে সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ তম ওভারের পঞ্চম বলে জুটি ভাঙেন টি নটরাজন। তিনি তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে। ৫৭ বলে ৯৯ রান করে আউট হন ঋতুরাজ। আইপিএলের ইতিহাসে তিনিই হলেন পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তাঁর আগে ৯৯ রানে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিষান ও ক্রিস গেইল। ডেভন কনওয়ে ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে ধোনি ৭ বলে ৮ রান করে আউট হন। তিনিও নটরাজনের শিকার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০২ রান তোলে চেন্নাই। ৪২ রানে ২ উইকেট নেন নটরাজন। জয়ের জন্য ২০৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৫.৪ ওভারে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলে ৫৮। সানরাইজার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন মুকেশ চৌধুরি। তুলে নেন ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (২৪ বলে ৩৯)। পরের বলেই ফেরান রাহুল ত্রিপাঠীকে (০)। পরপর ২ উইকেট হারালেও রানের গতি কমেনি সানরাইজার্সের। উইলমিয়ামসন (৩৭ বলে ৪৭), এইডেন মার্করামরা (১০ বলে ১৭) আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রান তুলতে সমর্থ হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নিকোলাস পুরান ৩৩ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মুকেশ চৌধুরি ৪৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৯৯ রানে আউট হয়ে বিরাট কোহলিদের তালিকায় নাম লেখালেন ঋতুরাজ

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড মহেন্দ্র সিং ধোনির হাতে যেতেই ছন্দে ফিরল চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের সাক্ষাৎকারে প্রথমে ব্যাট করে বড় রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে চেন্নাই তুলল ২০২/২। দুরন্ত ব্যাটিং করে চেন্নাইকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না ঋতুরাজ। এদিন ৯৯ রানে আউট হয়ে নাম লেখালেন বিরাট কোহলিদের তালিকায়। ডেভন কনওয়ে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। চলতি আইপিএলের শুরুর দিকে একেবারেই ছন্দে ছিলেন না ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। পরে ছন্দে ফিরেছেন। এদিন মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। আইপিএলের ইতিহাসে ঋতুরাজ পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তিনি নাম লেখালেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিশান, ক্রিস গেইলদের সঙ্গে। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারেও টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন সানরাইজার্স অধিনায়ক। সেই ম্যাচে অবশ্য চেন্নাই বড় রান তুলতে পারেনি। এদিন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০০ রানের গন্ডি পার করে ফেলল। এদিন প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে চেন্নাই সুপার কিংস। ফিট না থাকায় প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যান ডোয়েন ব্র্যাভো। খারাপ ফর্মের জন্য বাদে দেওয়া হয় শিবম দুবেকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ঢোকেন ডেভন কনওয়ে ও সিমরনজিৎ সিং। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মার্কো জানসেন, টি নটরাজন, উমরান মালিকের মতো জোরে বোলাররা এদিন একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। সবথেকে করুণ অবস্থা উমরান মালিকের। ৪ ওভারে তিনি খরচ করেন ৪৮ রান। বারবারা বোলিং পরিবর্তন করেও এদিন চেন্নাইয়ের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পারছিলেন না কেন উইলিয়ামসন। ১৭.৪ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে তোলেন ১৮২। এরপরই নটরাজন ঋতুরাজকে তুলে নেন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৫৭ বলে ৯৯ রান করেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি করে চার ও ছয়। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে ৩ নম্বরে তুলে নিয়ে আসেন ধোনি। যদিও সফল হননি। ৭ বলে ৮ রান করে তিনি নটরাজনের বলে উমরান মালিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভন কনওয়ে। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি ৪ ও ৪ টি ৬।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌চেন্নাইয়ের নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেন জাদেজা, ব্যাটন আবার সেই ধোনির হাতে

অনেকের হাতেই নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু সবাই কি দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন? সবাই কি সফল অধিনায়ক হতে পারেন? নিশ্চিতভাবেই নয়। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আলাদা গুণ থাকা দরকার। সব ক্রিকেটারের মধ্যে সেই গুণ থাকে না। কেউ বোঝেন, কেউ আবার বোঝেন না। দেরিতে হলেও রবীন্দ্র জাদেজা বুঝেছেন, চেন্নাই সুপার কিংসকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা তাঁর নেই। তাই নেতৃত্বের ব্যাটন ফিরিয়ে দিলেন থালা মহেন্দ্র সিং ধোনিকেই। এবছর আইপিএল শুরুর আগেই মহেন্দ্র সিং ধোনি চেন্নাই সুপার কিংসের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ইচ্ছেতেই অধিনায়ক করা হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে। প্রতিযোগিতার মাঝপথে যেতে না যেতেই আবার সেই ধোনিকেই নেতৃত্ব ফিরিয়ে দিলেন জাদেজা। কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন জাড্ডু? চলতি আইপিএলের শুরু থেকেই একেবারে ছন্দে নেই চেন্নাই সুপার কিংস। ৪ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা ৮ ম্যাচে জিতেছেন মাত্র ২টিতে। ৬ ম্যাচে হার। ৪ পয়েন্ট নিয়ে গিল টেবিলে রয়েছে ৯ নম্বরে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ জাদেজা। নেতৃত্বের প্রভাব পড়েছে পারফরমেন্সে। নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না। এই অবস্থায় নিজের খেলার প্রতি মনোসংযোগ বাড়াতেই নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শনিবার চেন্নাই সুপার কিংসের পক্ষ থেকে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনিকে অনুরোধ করেছেন দলকে আবার নেতৃত্ব দেওয়ার। দলের স্বার্থে ধোনি আবার দলকে নেতৃত্ব দিতে রাজি হয়েছেন। এখন দেখার ধোনির নেতৃত্বে চেন্নাই সুপার কিংস আবার স্বমহিমায় ফেরেন কিনা। গতবছর নেতা বদল করে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দীনেশ কার্তিকের নেতৃত্বে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে জিতেছিল ২ ম্যাচে। পরে তাঁকে সরিয়ে ইওয়িন মর্গ্যানকে অধিনায়ক করা হয়। তাঁর নেতৃত্বে টানা ৫ ম্যাচ জিতে প্লে অফে পৌঁছয়। ফাইনালেও উঠেছিল। কিন্তু মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে ফাইনালে হারতে হয়েছিল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেক্কা দিতে পারলেন না রায়ুডু, শিখরের ব্যাটে জয় পাঞ্জাবের

শেষ মুহূর্তে জ্বলে উঠেছিলেন অম্বাতি রায়ুডু। ৩৯ বলে ৭৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেও শেষরক্ষা করতে পারলেন না। ফিনিশারের ভূমিকা নিতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনিও। দলকে জেতাতে ব্যর্থ। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ১১ রানে হারাল পাঞ্জাব কিংস। এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।জয়ের জন্য ১৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ফর্মে থাকা রবিন উথাপ্পা। মাত্র ১ রান করে তিনি সন্দীপ শর্মার বলে ঋষি ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫.৩ ওভারের মাথায় ৩০ রানে ফিরে যান মিচেল স্যান্টনার। ১৫ বলে ৯ রান করে তিনি অর্শদীপ সিংয়ের বলে বোল্ড হন। চেন্নাই আরও সমস্যায় পরে সপ্তম ওভারের শেষ বলে। ঋষি ধাওয়ানের বলে বোল্ড হন শিবম দুবে (৮)। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। জুটিতে ওঠে ৪৯। ঋতুরাজকে (২৭ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কাগিসো রাবাদা। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৭ রান। ঋষি ধাওয়ানের প্রথম বলে ছক্কা মারেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দ্বিতীয় বল ওয়াইড। পরের বল ডট। ওভারের তৃতীয় ধোনির আউট। বড় শট খেলতে গিয়ে ৮ বলে ১২ রান করে সাজঘরে ফিরলেন। তাতেই নিশ্চিত হয়ে গেল ম্যাচের ভাগ্য। পঞ্চম বলে জাদেজার ছক্কা। কিন্তু তাতে চলতি আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ফিরতি সাক্ষাতেও পরাজয় এড়াতে পারল না চেন্নাই সুপার কিংস। জাদেজা ১৬ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ১৭৬/৬ রানে থেমে যায় চেন্নাই।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুড়ো হাড়ে ভেল্কি ধোনির, আবার সেই ফিনিশারের ভুমিকায়

গত আইপিএলে ধোনির ব্যাটিং দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন, শেষ হয়ে গেছেন ধোনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দেখা গেল সেই পুরনো ধোনিকে। বুড়ো হাড়ে ভেল্কি দেখালেন। শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে এনে দিলেন নাটকীয় জয়। মুম্বইকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। শেষ ওভারে জয়ের জন্য চেন্নাইয়ের দরকার ছিল ১৭। উনাদকাতের প্রথম বলেই এলবিডব্লুউ প্রিটোরিয়াস (১৪ বলে ২২)। শেষ ৪ বলে ১৬ দরকার ছিল। তৃতীয় বলে ৬ মারেন ধোনি। পরের বলে বাউন্ডারি। পঞ্চম বলে ২ রান নেন। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ৪। উনাদকাতের ফুলটস বল স্কোয়ার লেগ বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দলকে কাঙ্খিত জয় এনে দেন ধোনি।প্লে অফে যাওয়ার রাস্তা খোলা রাখতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আজ জিততেই হত। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথমে ব্যাটে করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিতের দলের ইনিংসে ধস নামান তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি। অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে মুম্বইয়ের মান বাঁচান তিলক ভার্মা।Thala 💛!Showering your timelines with the inspiration thoughts of that finish! #THA7A #MIvCSK #WhistlePodu #Yellove 🦁 pic.twitter.com/OMRL5fssvo Chennai Super Kings (@ChennaiIPL) April 22, 2022গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই প্রথম একাদশে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন রিলে মেরেডিথ, ঋত্ত্বিক শোকেন ও ড্যানিয়েল সামস। অন্যদিকে, চেন্নাই সুপার কিংসের প্রথম একাদশে এসেছেন ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ও মিচেল স্যান্টনার। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা মুম্বই শিবিরে। মুকেশ চৌধুরির দ্বিতীয় বলে মিড অনে স্যান্টনারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন রোহিত শর্মা (০)। ব্যর্থতার দিক দিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরাট কোহলির সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে চলেছেন রোহিত। ওভারের পঞ্চম বলে আবার ধাক্কা মুম্বইয়ের। ঈশান কিশানের (০) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মুকেশ। প্রথম ওভারেই ৬ রানে ২ উইকেট হারায় মুম্বই।ম্যাচের তৃতীয় ওভারে মুম্বইয়ের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেন মুকেশ। এবারের তাঁর শিকারের তালিকায় ডিওয়ালড ব্রেভিস (৪)। মুকেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন বেবি এবি। এক ওভার পরেই স্লিপে মুকেশের বলে তিলক ভার্মার সহজ ক্যাচ ফেলেন ডোয়েন ব্র্যাভো। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চেন্নাই বোলারদের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব (২১ বলে ৩২)। স্যান্টনারের বল সুইপ করতে গিয়ে লং লেগে মুকেশ চৌধুরির হাতে ক্যাচ দেন।সূর্য ফিরে যাওয়ার পর মুম্বইকে টেনে নিয়ে যান দুই তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মা ও ঋত্বিক শোকেন। ২৫ বলে ২৫ রান করে ব্র্যাভোর বলে আউট হন শোকেন। কায়রন পোলার্ড (১৪) এদিনও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। দলকে একার কাঁধে টেনে নিয়ে যান তিলক ভার্মা। ৪৩ বলে ৫১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৯ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন জয়দেব উনাদকাত। ৩ ওভার বল করে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন মুকেশ চৌধুরি। ৩৬ রানে ২ উইকেট ব্র্যাভোর। মুম্বইয়ের মতো চেন্নাইয়ের শুরুটাও ভাল হয়নি। জয়ের জন্য ১৫৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। ড্যানিয়েল সামস তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (০)। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। এবার আউট মিচেল স্যান্টনার (১১)। তিনিও সামসের শিকার। এরপর চাপ সামলে চেন্নাইকে টেনে নিয়ে যান রবিন উথাপ্পা ও অম্বাতি রায়ুডু। জুটিতে ওঠে ৫০। উথাপ্পাকে (২৫ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন জয়দেব উনাদকাত। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে শিবম দুবেকে (১৩) ফেরান সামস। ১২.৫ ওভারে ৮৮ রানে ৪ উইকেট হারায় চেন্নাই।তবে চেন্নাই বড় ধাক্কা খায় ১৫ ও ১৬ নম্বর ওভারে। পরপর ২ ওভারে ফিরে যান অম্বাতি রায়ুডু ও রবীন্দ্র জাদেজা। সামস ফেরান রায়ুডুকে। ৩৫ বলে ৪০ করে আউট হন রায়ুডু। পরের ওভারেই জাদেজাকে (৩) তুলে নেন রিলে মেরেডিথ। এরপরই চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। তবে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন প্রিটোরিয়াস। তিনি আউট হওয়ার পর দলকে জেতানোর দায়িত্ব কাংধে তুলে নেন ধোনি (১৩ বলে অপরাজিত ২৮)। ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন ড্যানিয়েল সামস।

এপ্রিল ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতদের ব্যর্থতা ঢেকে মুম্বইয়ের মান বাঁচালেন তিলক ভার্মা

প্লে অফে যাওয়ার রাস্তা খোলা রাখতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আজ জিততেই হত। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথমে ব্যাটে করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের বেশি তুলতে পারল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিতের দলের ইনিংসে ধস নামালেন তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি। অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে মুম্বইয়ের মান বাঁচালেন তিলক ভার্মা।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচ এল ক্ল্যাসিকো নামে পরিচিত। কারণ দুই দলই সবথেকে বেশি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ম্যাচটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। কারণ প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে রবীন্দ্র জাদেজার দলকেও জিততে হত। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই প্রথম একাদশে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন রিলে মেরেডিথ, ঋত্ত্বিক শোকেন ও ড্যানিয়েল সামস। অন্যদিকে, চেন্নাই সুপার কিংসের প্রথম একাদশে এসেছেন ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ও মিচেল স্যান্টনার। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা মুম্বই শিবিরে। মুকেশ চৌধুরির দ্বিতীয় বলে মিড অনে স্যান্টনারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন রোহিত শর্মা (০)। ব্যর্থতার দিক দিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরাট কোহলির সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে চলেছেন রোহিত। ওভারের পঞ্চম বলে আবার ধাক্কা মুম্বইয়ের। ঈশান কিশানের (০) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মুকেশ। প্রথম ওভারেই ৬ রানে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। ম্যাচের তৃতীয় ওভারে মুম্বইয়ের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেন মুকেশ। এবারের তাঁর শিকারের তালিকায় ডিওয়ালড ব্রেভিস (৪)। মুকেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন বেবি এবি। এক ওভার পরেই স্লিপে মুকেশের বলে তিলক ভার্মার সহজ ক্যাচ ফেলেন ডোয়েন ব্র্যাভো। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চেন্নাই বোলারদের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব (২১ বলে ৩২)। স্যান্টনারের বল সুইপ করতে গিয়ে লং লেগে মুকেশ চৌধুরির হাতে ক্যাচ দেন। সূর্য ফিরে যাওয়ার পর মুম্বইকে টেনে নিয়ে যান দুই তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মা ও ঋত্বিক শোকেন। ২৫ বলে ২৫ রান করে ব্র্যাভোর বলে আউট হন শোকেন। কায়রন পোলার্ড (১৪) এদিনও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। দলকে একার কাঁধে টেনে নিয়ে যান তিলক ভার্মা। ৪৩ বলে ৫১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৯ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন জয়দেব উনাদকাত। ৩ ওভার বল করে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন মুকেশ চৌধুরি। ৩৬ রানে ২ উইকেট ব্র্যাভোর।

এপ্রিল ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ব্যাটিং, চেন্নাই সুপার কিংসের ‘‌কিলার’‌ হয়ে উঠলেন মিলার

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। হার্দিকের অভাব বুঝতেই দিলেন না রশিদ খান। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ২১ বলে করেন ৪০। তবে তাঁকে চাপিয়ে নায়ক ডেভিড মিলার। তিনিই হয়ে উঠলেন চেন্নাইয়ের কিলার। নাটকীয় ম্যাচে চেন্নাইকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখল গুজরাট। ৫১ বলে ৯৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কিলার মিলারটস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৭০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে গুজরাট। প্রথম ওভারেই মুকেশ চৌধুরির বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। পরের ওভারেই মহেশ থিকসানা তুলে নেন বিজয় শঙ্করকে (০)। চতুর্থ ওভারে অভিনব মনোহরও (১২) তাংর শিকার। ম্যাথু ওয়েডের জায়গায় মাঠে নেমে ঋদ্ধিমান সাহাও (১৮ বলে ১১) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। রাহুল তেওয়াটিয়াও (৬) এদিন ব্যর্থ। ১২.৪ ওভারে ৮৭ রানে ৫ উইকেট হারায় গুজরাট। মনে হচ্ছিল চেন্নাইয়ের জয় সময়ের অপেক্ষা। এরপর রুখে দাঁড়ান ডেভিড মিলার ও রশিদ খান। ৩৭ বলে জুটিতে ওঠে ৭০। ১৮তম ওভারে ক্রিস জর্ডনের বলে ২৫ রান তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পরের ওভারে পরপর দুবলে রশিদ (২১ বলে ৪০) ও আলজেরি জোশেফকে (০) তুলে নেন ডোয়েন ব্রাভো। শেষ ওভারে গুজরাটের দরকার ছিল ১৩। ১ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট। ৫১ বলে ৯৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কিলার মিলার। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার ও ৬টি ৬।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মেন্টর ধোনির আস্থার মর্যাদা কীভাবে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়?‌

আগের পাঁচ ম্যাচে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের স্কোর যথাক্রমে ০, ১, ১, ১৬, ১৭। অন্য কোনও দল হলে নিশ্চিতভাবেই বাদ পড়তেন। কিম্তু চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা হারায়নি। আর সেটা মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্যই। মেন্টরের আস্থার মর্যাদা দিলেন ঋতুরাজ। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৬৯। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে চার ও ছয়। অম্বাতি রায়ুডু ৪৬ রান করেন। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। আফগানিস্তানের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এবং দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে কোনও একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড গড়লেন। তিনিই এবছর গুজরাট টাইটান্সের সহঅধিনায়ক। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ওপর দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ভার পড়েছিল। টস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ খান। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে জ্বলে ওঠা চেন্নাই সুপার কিংসের ওপেনার রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উথাপ্পা–শিবমের ব্যাটে দুঃস্বপ্ন কাটল চেন্নাইয়ের, পেল প্রথম জয়ের স্বাদ

চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পেল চেন্নাই সুপার কিংস। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে হারাল ২৩ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের নায়ক শিবম দুবে ও রবিন উথাপ্পা। এই দুই ব্যাটারের দাপটেই ৪ উইকেটে ২১৬ রানের বড় ইনিংস গড়ে চেন্নাই। সেই শিখরে পৌঁছতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। যদিও ফাফ ডুপ্লেসির দলের লড়াইকে কুর্ণিশ জানাতেই হবে। বড় ইনিংসের সামনে ভেঙে পড়েনি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। না হলে প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যেত। এইরকম ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন চেন্নাইয়ের ব্যাটিং। যদিও চেন্নাইয়ের শুরুটা ভাল হয়নি। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ হন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন রবিন উথাপ্পা এবং শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। জয়ের জন্য ২১৭ রান তাড়া করতে গেলে যে ধরণের শুরু করা উচিত ছিল, করতে পারেনি। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান ডুপ্লেসি (৮)। আগের ম্যাচে রান পাওয়া অনুজ রাওয়াত (১২), বিরাট কোহলিরাও (১) ব্যর্থ। সামান্য ঝড় তোলার চেষ্টা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ বলে ২৬)। রবীন্দ্র জাদেজা এসে ম্যাক্সওয়েলের ঝড় থামিয়ে দেন। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। শাহবাজ আমোদ (২৭ বলে ৪১), সুয়াস প্রভুদেশাই (১৮ বলে ৩৫), দীনেশ কার্তিকরা (১৪ বলে ৩৪) লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯৩ রানে থেমে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ইনিংস। আইপিএলের অভিষেকে চমক দেখালেন শ্রীলঙ্কার অফ স্পিনার মহেশ থিকসানা। ৩৩ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। ৩৯ রানে ৩ উইকেট পান রবীন্দ্র জাদেজা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আমেরিকা-ইউরোপের সমালোচনার মাঝেই রাশিয়া নিয়ে বড় বার্তা জয়শংকরের, মনে করালেন সেই পুরনো ‘বন্ধুত্ব’

রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। রুশ তেল কেনা নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের একাংশের সমালোচনার মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক শুধুমাত্র বর্তমান পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল নয়। এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস এবং কঠিন সময়ে মস্কোর পাশে থাকার অভিজ্ঞতা। জয়শংকরের কথায়, দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখনই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তখনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রবিবার নয়াদিল্লিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের আলোচনায় রাশিয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন জয়শংকর। তিনি বলেন, মানুষ যেমন ভাল ইতিহাস ভুলে যায় না, তেমনই খারাপ ইতিহাসও ভুলে যায় না। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে স্বাধীনতার পর থেকে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের দীর্ঘ সম্পর্কের প্রসঙ্গ। বিদেশমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি দেশ নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করে। তাই ইউরোপ যে ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, ভারত একই ভাবে রাশিয়াকে দেখবে, এমনটা হওয়ার নয়।জয়শংকর বিশেষ করে সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন, যখন আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশ পাকিস্তানের সামরিক শাসনের পাশে ছিল। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ভারতের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা যখন চাপের মুখে পড়েছিল, তখন মস্কো নয়াদিল্লির পাশে ছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহর পাঠানোর ঘটনাকেও তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখা হচ্ছে।বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে বদলেছে ঠিকই, কিন্তু তার ভিত্তি এখনও শক্তিশালী। সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি পরমাণু শক্তি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর কথায়, রাশিয়া সম্পর্কে ভারতের অভিজ্ঞতা দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক এবং সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান নীতিতেও প্রভাব ফেলছে।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল কেনা নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির চাপ ও সমালোচনা অব্যাহত। জয়শংকর এর আগেও স্পষ্ট করেছেন যে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে ভারতের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে জ্বালানির প্রাপ্যতা, দাম এবং ঝুঁকির মতো বিষয়গুলির উপর। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই সরবরাহের উৎস ঠিক করা হয়।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়শংকর। তাঁর বক্তব্য, যুদ্ধের অবসান হওয়া প্রয়োজন এবং আলোচনার মাধ্যমেই তার পথ খুঁজতে হবে। তিনি জানান, ভারত রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে সংঘাতের অবসানে সহায়ক ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণসাগরে জাহাজ চলাচল, খাদ্য ও জ্বালানি রফতানি এবং সংঘাত কমানোর মতো বিষয়েও ভারতের আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সব মিলিয়ে রুশ তেল নিয়ে পশ্চিমী চাপের মধ্যেও জয়শংকরের বক্তব্যে ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের অবস্থানই ফের সামনে এসেছে। ইতিহাস, নিরাপত্তা এবং জ্বালানি প্রয়োজনএই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

এসআরএফটিআই-এর গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা! মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, ছোড়া হল ইট-পাথর

বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল এসআরএফটিআই-এর সামনে। অজয়নগর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গেট পর্যন্ত মিছিল করে সংগঠনটি। অভিযোগ, গেটের সামনে পৌঁছনোর পর কয়েক জন মিছিলকারী ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।এ দিকে, মিছিলকারীরা গেটের বাইরে জড়ো হওয়ার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের হেলমেট পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বাইরে থেকে ভিতরে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগও উঠেছে। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে দাবি বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের।এই ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবারের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়ামে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল। অভিযোগ, সেখানে এসএফআইয়ের কয়েক জন পড়ুয়া গিয়ে উত্তেজনা তৈরি করেন। ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত সমিতির তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়।এর পর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইট-পাথর ছোড়াছুড়ির অভিযোগে পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় কয়েক জন আহত হন বলে দাবি। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ সরকার জানিয়েছিলেন, ভারতমাতা বা স্বামী বিবেকানন্দকে অসম্মান করার অভিযোগে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই এ দিন বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিল হয়।অজয়নগর থেকে মিছিলটি এসআরএফটিআই-এর গেটের সামনে পৌঁছতেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, কয়েক জন বিক্ষোভকারী গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন এবং ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এর মধ্যেই ভিতরে থাকা পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের দিকে জলের বোতল ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে।এই ঘটনায় অধ্যাপক দেবাশিস সেনশর্মা আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতেই তিনি আহত হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।অন্য দিকে, বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দাবি, তাঁদের কয়েক জন সদস্যও আহত হয়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের ছোড়া জলের বোতলের আঘাতেই তাঁদের কয়েক জন জখম হয়েছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য মেলেনি।বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যদের বক্তব্য, ভারতমাতা এবং স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে অসম্মান করার অভিযোগের প্রতিবাদেই তাঁদের এই কর্মসূচি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই মিছিলের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। এসআরএফটিআই-এর তরফে এই দিনের ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে গেটের সামনে ঠিক কী ভাবে ইট-পাথর ও জলের বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের অভিযোগই এখন সামনে রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিদেশ

‘বিমানটাকে ধ্বংস করাই ছিল লক্ষ্য’, জেরায় কী বললেন ফ্লাইদুবাইয়ের সহকারী পাইলট? সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের নাগরিক সহকারী পাইলট হামাম আল-হামামি জেরায় জানিয়েছেন, যাত্রী-সহ বিমানটি ধ্বংস করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। একই জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নাকি বলেছেন, আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না।এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তদন্তকারীদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হামাম নিজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এমন কথা জানিয়েছেন। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি অন্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই ককপিটে ভারতীয় অধিনায়ক স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন সহকারী পাইলট হামাম। বিমানের ককপিটে থাকা জরুরি কুঠার ব্যবহার করে হামলা করা হয়েছিল বলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এরপর বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত নীচের দিকে নামতে শুরু করে।আক্রমণের পরেও স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত যাত্রী এবং বিমানে থাকা অন্যদের সাহায্যে হামামকে কাবু করা সম্ভব হয়। পরে অন্য পাইলটরা বিমানের নিয়ন্ত্রণ সামলে নেন। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, ককপিটে এমন ভয়াবহ হামলার আসল উদ্দেশ্য কী ছিল। প্রথম দিকে ব্যক্তিগত বিরোধের সম্ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, তদন্তে সহকারী পাইলটের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা ধরা পড়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।এখন তদন্তকারীরা হামামের অতীত, তাঁর মতাদর্শ এবং অন্য কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁর বিমান চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলে তদন্ত-সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। তাঁর কথিত উগ্রপন্থী ভাবধারার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।হামামকে সৌদি আরব থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ইজরায়েলের তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তাঁর সঙ্গে কোনও বহিরাগত শক্তির যোগাযোগ ছিল কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের অংশ।বিমানটির আকস্মিক পতনের ভয়াবহতাও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়ান-তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটির সময় বিমানটি মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল। যাত্রী ও বিমানের অন্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরে অতিরিক্ত পাইলটদের সহায়তায় বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়।ফলে ফ্লাইদুবাইয়ের এই ঘটনা এখন শুধু ককপিটে পাইলটের উপর হামলার তদন্তে সীমাবদ্ধ নেই। বিমানটি কেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল, হামামের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তাঁর অতীত সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কতটা তথ্য জানত এবং তাঁর সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি নাএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামামের জেরায় উঠে আসা দাবিগুলির পাশাপাশি অন্যান্য প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও ঢুকতে পারেননি? এ বার উরুগুয়ে ম্যাচে বড় উপহার, ২২ হাজার পাস বিনামূল্যে!

মেসির ম্যাচে টিকিট কেটেও যাঁরা বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে ২২ হাজার বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। গত বছর মেসির কলকাতা সফরের অনুষ্ঠানের জন্য অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের মধ্য থেকেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।তবে প্রশ্ন ছিল, সেই পাস পাওয়া যাবে কোথা থেকে এবং কী ভাবে? এ বার সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসির অনুষ্ঠানের জন্য যাঁরা টিকিট কিনেছিলেন, তাঁরাই ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের বিনামূল্যের পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।পাস সংগ্রহের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৫ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। তবে শুধু আগের টিকিট থাকলেই হবে না। পাস নিতে গেলে সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ সরকারি ছবি-সহ পরিচয়পত্র। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের মতো পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একই সঙ্গে গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠানের জন্য কেনা আসল টিকিটও সঙ্গে রাখতে হবে।অর্থাৎ মেসির অনুষ্ঠানের পুরনো টিকিটটি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র যাচাই করার পরেই বিনামূল্যের পাস দেওয়া হবে। নতুন করে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচের টিকিট কেনার প্রয়োজন হবে না এই নির্দিষ্ট দর্শকদের।গত বছরের ডিসেম্বরে মেসিকে দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিপুল ভিড় হয়েছিল। বহু দর্শক টাকা দিয়ে টিকিট কেনার পরেও প্রত্যাশিত ভাবে অনুষ্ঠান দেখতে পারেননি। ভিড় ও বিশৃঙ্খলা নিয়ে সেই সময় ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বঞ্চিত দর্শকদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। এ বার তাঁদের মধ্য থেকে ২২ হাজার দর্শককে ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এই ঘোষণা সামনে আসে। তার পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বঞ্চিত দর্শকরা কোথা থেকে পাস সংগ্রহ করবেন। ক্রীড়ামন্ত্রীর ঘোষণায় এ বার সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরনো টিকিট এবং বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে পাস সংগ্রহ করতে হবে।ফলে যাঁরা গত ডিসেম্বরে মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে টিকিট কেটেও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁদের জন্য এ বার যুবভারতীতেই ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার সুযোগ তৈরি হল। ৬ অক্টোবর ভারত-উরুগুয়ে ম্যাচে সেই দর্শকদের একাংশ গ্যালারিতে থাকবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সৃজলার কাছে বারবার ক্ষমা, এবার প্রকাশ্যেই কাঁদতে কাঁদতে কী বললেন নন্দিনীর মা?

বিগ বসের দুর্গে সৃজলা গুহর সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও অনুশোচনায় রয়েছেন নন্দিনী দত্ত। ঘটনার পর একাধিক বার সৃজলার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। এবার প্রকাশ্যেই সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নন্দিনীর মা। একটি সাক্ষাৎকারে মেয়ের হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি আবেদন করেন, সৃজলার পরিবার যেন নন্দিনীকে ক্ষমা করে দেয়।নন্দিনীর মা বলেন, পারলে প্লিজ ওকে ক্ষমা করে দিন। দুসপ্তাহ ধরে তো দেখছি, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী ভালো নেই।কী ঘটেছিল বিগ বসের দুর্গে? কয়েক সপ্তাহ আগে ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্কে প্রথমে সঙ্গীতের চেয়ার খেলা হয়। সেই পর্বের পর পরবর্তী খেলায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান সৃজলা, মনামী, জীতু, তনুশ্রী এবং রাজবীর। তাঁদের সামনে ছিল কাঠের ঘোড়ায় বসে থাকার টাস্ক। যিনি শেষ পর্যন্ত ঘোড়ায় বসে থাকতে পারবেন, তিনিই ক্যাপ্টেন হবেন।খেলার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিযোগীরা অন্যদের ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করতে পারতেন। তবে সেই সময় কারও শরীরে আঘাত না করার নিয়ম ছিল। সেই টাস্ক চলাকালীন নন্দিনী সৃজলাকে ঘোড়া থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় সৃজলা পড়ে গিয়ে গুরুতর চোট পান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।চোটের কারণে সৃজলাকে পাঁচ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। চিকিৎসার পর তিনি আবার বিগ বসের দুর্গে ফিরে আসেন। সৃজলা ফিরে আসার পর থেকেই নন্দিনীকে একাধিক বার তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। নিজের ভুল স্বীকার করে ফের বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টাও করতে দেখা যায় তাঁকে।তবে সৃজলার পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কষ্ট বা রাগ থাকা স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকেই। সেই আবহেই কয়েক দিন আগে প্রতিযোগীদের পরিবারের উদ্দেশে চিঠি লেখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে নন্দিনী তাঁর মা-বাবাকে সৃজলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।এবার সেই অনুরোধের কথাই প্রকাশ্যে জানালেন নন্দিনীর মা। মেয়ের হয়ে সৃজলার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে নন্দিনী মানসিক ভাবে ভালো নেই। তাই সৃজলার পরিবার যদি তাঁকে ক্ষমা করে, সেটাই তাঁদের কাছে বড় বিষয় হবে।অন্য দিকে, সাক্ষাৎকারে রাজবীরের প্রসঙ্গও ওঠে। সেই প্রসঙ্গে নন্দিনীর মা স্পষ্ট করে জানান, মেয়ের পছন্দই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিগ বসের দুর্গে সৃজলা-নন্দিনীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই নন্দিনীর পরিবারের তরফে এল নতুন বার্তা।সৃজলার চোটের পর থেকে এই ঘটনা নিয়ে বিগ বসের দর্শকদের মধ্যেও আলোচনা চলছে। এক দিকে নন্দিনীর অনুশোচনা ও ক্ষমা চাওয়া, অন্য দিকে সৃজলার পরিবারের প্রতি তাঁর মায়ের প্রকাশ্য আবেদনসব মিলিয়ে ঘটনাটি ফের নতুন করে চর্চায় এসেছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
কলকাতা

‘পা ভাঙেনি’ শুভেন্দুর দাবির পরেই নতুন বিস্ফোরণ, মমতার পুরনো ছবি দেখিয়ে কী প্রশ্ন শান্তনুর?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, পাঁচ বছর পর সেই পুরনো ঘটনা ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কোনও হাড় ভাঙার প্রমাণ ছিল না। একটি চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি দেখিয়ে তিনি এই দাবি করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথাও জানান।শুভেন্দুর ওই দাবির পরেই এ বার সরব হলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা চিকিৎসক শান্তনু সেন। সমাজমাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার সময়ের চারটি ছবি প্রকাশ করে তিনি একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে কালশিটের দাগ দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্য একটি ছবিতে গোড়ালির কাছে রক্তপাতের মতো দাগ রয়েছে। বাকি ছবিগুলিতে পায়ে প্লাস্টার দেখা যাচ্ছে।এই ছবিগুলি প্রকাশ করে শান্তনু সেন দাবি করেছেন, ১০ মার্চ চোট পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, সেখানে গোড়ালির উপরে কালশিটে ছিল, কিন্তু রক্তপাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, পরে প্রকাশিত ছবিতে রক্তের দাগ দেখা গেল কী ভাবে?শান্তনুর আরও প্রশ্ন, যদি চোট পাওয়ার সময় রক্তপাত না হয়ে থাকে, তা হলে পরবর্তী সময়ে ছবিতে রক্তের মতো দাগ কেন দেখা গেল? একই সঙ্গে পায়ে দীর্ঘদিন প্লাস্টার থাকার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, চিকিৎসক হিসেবে তিনি অভিযোগ করছেন না, কিছু বিষয় নিয়ে পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন।শান্তনু সেনের দাবি, কোনও আঘাতের কারণে রক্তপাত হলে সাধারণত সেই সময়েই তার প্রকাশ ঘটে। পরে সেই রক্তপাতের ছবি সামনে এলে সেটিকে পুরনো আঘাতের সঙ্গে যুক্ত করা কঠিন। পায়ে প্লাস্টার করার প্রয়োজন হলে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের পর তা খুলে ফেলার কথাও বলেন তিনি। তবে এই মন্তব্য তাঁর চিকিৎসক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ, ২০২১ সালের চিকিৎসা-ঘটনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।এত দিন কেন তিনি এই প্রশ্ন তোলেননি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন শান্তনু। তাঁর বক্তব্য, এত দিন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল না বলেই তিনি কিছু বলেননি। এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বলেই তিনি নিজের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন।একই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের নিয়ে পুরনো অভিযোগের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন শান্তনু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক চিকিৎসক এসপি দাসকে ঘিরেও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন এবং তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।তবে শান্তনুর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন শান্তনু সেন দলের কাছ থেকে একাধিক রাজনৈতিক সুযোগ পেয়েছেন। এত বছর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলারও সমালোচনা করেন তিনি।এর মধ্যেই ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-চোটের ঘটনা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী যে চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে ১১ মার্চের পরীক্ষার রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার কথা বলা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। অন্য দিকে, সেই সময়ের চিকিৎসা-পর্বে মমতার পায়ে গুরুতর আঘাতের কথা হাসপাতালের চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। ফলে পুরনো নথি, নতুন দাবি এবং পাল্টা প্রশ্ন ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল হয়েছে।এই আবহে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মমতার চোট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছর পর আবারও রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আসলে সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে কী ধরনের চোট হয়েছিল, প্রকাশ্যে আসা চিকিৎসা-নথি ও ছবির মধ্যে কী সম্পর্ক রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

সিপিএম অফিসের সামনেই হনুমান চালিশা পাঠ! স্বপনের মন্তব্যে তেতে উঠল বাঁকুড়া, ‘ওষুধ’-এর হুঁশিয়ারি

হনুমান চালিশা নিয়ে সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠের আয়োজন করল বজরং দল। শনিবার সন্ধ্যার এই কর্মসূচিকে ঘিরে বাঁকুড়া সদর এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। সংগঠনের তরফে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি সভায় হনুমান চালিশা পাঠ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, হনুমান চালিশা হনুমানেরাই পড়ে। তাঁরা হনুমান নন এবং হনুমানের দলও করেন না। তাঁদের রাজনৈতিক আদর্শ মার্কসবাদ, লেনিনবাদ এবং গান্ধীবাদএমনই বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়।এর পর শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া জেলা সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হাজির হন বজরং দলের কর্মীরা। সেখানে হনুমান চালিশা পাঠ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে।বজরং দলের নেতা বাপ্পা দাস বলেন, স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁরা তাঁদের মতো করে ওষুধ ঠিক করে রেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ওষুধ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি বাপ্পা। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বজরং দলের দাবি, তাঁদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ছিল। কোনও হিংসাত্মক কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়নি বলেও সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করে মন্তব্য করা উচিত নয়। সেই কারণেই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রকাশ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, ওষুধ শব্দটি ব্যবহার করে দেওয়া বার্তাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধীদের একাংশের বক্তব্য, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে এমন ভাষা ব্যবহার করলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি এবং বজরং দলের পক্ষ থেকেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথাই জানানো হয়েছে।ফলে হনুমান চালিশা নিয়ে স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাঁকুড়ায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সিপিএম কার্যালয়ের সামনে হনুমান চালিশা পাঠ এবং তার পরেই ক্ষমা না চাইলে ওষুধ-এর মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬
রাজ্য

বাইরনের বাড়িতে আগুনের নেপথ্যে কী? দুর্ঘটনা, না কি ইচ্ছাকৃত অগ্নিকাণ্ড—তদন্তে পুলিশ

মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে নিজের বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে বাড়ির ভিতর থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইরনকে উদ্ধার করা হয়। এই অগ্নিকাণ্ড কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়দের দাবি, বাড়ির দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে তাঁরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেন। খবর পেয়ে দমকল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের তৎপরতায় বাইরনকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে বাইরনের হাত ও পায়ের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শরীরের কতটা অংশ পুড়েছে, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর আঘাতের মূল জায়গা হাত ও পা বলেই জানা গিয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে বাইরনের বাড়িতে আগুন লাগল? প্রাথমিক ভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ ও দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। একটি প্রতিবেদনে বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা বাড়ির সঙ্গে যুক্ত বিড়ি তৈরির কারখানা থেকে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। ফলে এখনই ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হামলা বা পুড়িয়ে মারার চেষ্টা বলে নিশ্চিত করার মতো তথ্য সামনে আসেনি।তবে ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বাইরন সেই সময় বাড়ির ভিতরে কেন ছিলেন, আগুনের সূত্রপাত ঠিক কোথায় এবং কী ভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের পিছনে দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা স্পষ্ট হবে না।বাইরন বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে পুলিশ। জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তাঁর আঘাত খুব গভীর নয় এবং তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন। অন্য দিকে, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও দমকল। ফলে সাগরদিঘির বিধায়কের বাড়িতে এই আগুন নিছক দুর্ঘটনা, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজছে তদন্তকারীরা।

অক্টোবর ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal