• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CSK

খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে হঠাৎ করে কী হল উথাপ্পা–শিবমের?‌ কেন এত তান্ডব?‌

বলতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়তে হবে। দলের এইরকম সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠলেন রবিন উথাপ্পা ও শিবম দুবে। উথাপ্পাকে ছাপিয়ে গেলেন শিবম। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। এই দুই ব্যাটারের দাপটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে বড় রান চেন্নাই সুপার কিংসের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তুলল ২১৬। রবিন উথাপ্পা করেন ৮৮ , শিবম দুবে ৯৫। টস ভাগ্য মোটেই ভাল যাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধেও এদিন টস হারেন। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠান ফাফ ডুপ্লেসি। ম্যাচের আগে সুনীল গাভাসকার ভবিষ্যতবানী করেছিলেন, এই উইকেটে ১৮০র বেশি রান উঠবে। বাস্তবে তাইই হল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের যা ব্যাটিং শক্তি, তাতে জিততে গেলে চেন্নাইয়ের সামনে বড় রান করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। চলতি আইপিএল দুঃস্বপ্নের মতো কাটছে চেন্নাই সুপার কিংসের এই ওপেনারের। একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতা সত্ত্বেও তাঁর ওপর ভরসা হারায়নি চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টের সেই আস্থার মর্যাদা এদিনও দিতে পারলেন না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন ড্যাডিজ আর্মির অন্যতম সদস্য রবিন উথাপ্পা এবং তরুণ শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কোহলিদের বিরুদ্ধে নামার আগে কেন আত্মবিশ্বাসী চেন্নাই সুপার কিংস?‌

আইপিএলের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সবথেকে বেশি সাফল্য পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অথচ এই দুটি দলই এই মরশুমে এখনও একটা ম্যাচেও জয় পায়নি। টানা ৪ ম্যাচে হার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের। মঙ্গলবার রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মুখোমুখি হচ্ছে রবীন্দ্র জাদেজার দল। প্রথম জয়ের দিকে তাকিয়ে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। যদিও কাজটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য আশাবাদী। চেন্নাই শিবিরকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে তাদের পরিসংখ্যান। আইপিএল এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে চেন্নাই সুপার কিংস এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ২৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে ১৯টি ম্যাচে জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর জিতেছে ৯ টি ম্যাচে। একটা ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। ২০১৯ ও ২০২০ আইপিএলে দুটি দলই একটা করে ম্যাচ জিতেছিল। গতবছর অবশ্য দুটি সাক্ষাৎকারেই জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। পরিসংখ্যান চেন্নাই সুপার কিংসের দিকে থাকলেও মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরই ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে। কারণ চলতি আইপিএলে টানা ৩ ম্যাচ জিতে দারুণ ছন্দে রয়েছে ফাফ ডুপ্লেসির দল। বলতে গেলে মঙ্গলবার একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ খেলতে নামছে চেন্নাই সুপার কিংস। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে হারলেই প্লে অফে ওঠার কাজ কঠিন হয়ে যাবে রবীন্দ্র জাদেজাদের কাছে। এর আগেও যে চেন্নাই টানা ৪ ম্যাচে হারেনি, এমন নয়। ২০১০ আইপিএলেও টানা ৪ ম্যাচ হেরেছিল ধোনি ব্রিগেড। তবে সেবার প্রথম ৪ ম্যাচে হারতে হয়নি। এবছর টানা ৪ ম্যাচ হেরে দলের আত্মবিশ্বাস যে তলানিতে পৌঁছেছে, মেনে নিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। তিনি মনে করছেন, ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং, কোনও বিভাগেই ক্রিকেটাররা পরিকল্পনার সঠিক প্রয়োগ ঘটাতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের সবথেকে বড় সমস্যা অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ। ব্যাটাররাও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারছেন না। বোলিংয়ে দীপক চাহারের অভাব প্রতিটা ম্যাচেই ফুটে উঠেছে। ক্রিস জর্ডন, অ্যাডাম মিলনে, শিবম দুবে, স্যান্টনাররা দলকে ভরসা দিতে পারেননি। ব্যাটিংয়েও ধারাবাহিকতার অভাব। সবথেকে বড় চিন্ত ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ফর্ম। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি। ম্যাক্সওয়েল যোগ দেওয়ায় শক্তি আরও বেড়েছে। বোলাররাও দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ফলে চেন্নাইয়ের কাছে জয় তুলে নেওয়া সম্ভব হবে না।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌টানা ৪ ম্যাচে হার ধোনিদের!‌ দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্সের

আইপিএলে দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় তুলে নিল কেন উইলিয়ামসের দল। ৪ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও এখনও জয়ের মুখ দেখল না চেন্নাই সুপার কিংস। টানা চারটিতেই হার। সত্যিই গতবারের চ্যাম্পিয়নদের কী হাল। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। আগের তিনটি ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটাররা সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। হারের হ্যাটট্রিক করা চেন্নাইকে খাদের কিনারা থেকে তুলে নিয়ে আসার জন্য ব্যাটারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল। কিন্তু ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন উথাপ্পারা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরূদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসের চিন্তা ছিল ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অফ ফর্ম। প্রথম তিনটি ম্যাচেই ব্যর্থ। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। আগের মরসুমেও এই রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শুরুর দিকে রান পাননি। তা সত্ত্বেও আস্থা হারাননি চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে পরের দিকে অবশ্য রানে ফিরেছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এবার ৪ ম্যাচ হয়ে গেল, ঋতুরাজের ব্যাটে বড় রান নেই। এদিন ১৩ বলে ১৬ রান করে টি নজরাজনের বলে বোল্ড হন। তার আগেই রবিন উথাপ্পাকে তুলে নিয়ে চেন্নাইকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এরপর মইন আলি ও অম্বাতি রায়ডু চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে গেলেও সানরাইজার্স বোলারদের ওপর সেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। ২৭ বলে ২৭ রান করে ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অম্বাতি রায়ডু। ৩৫ বলে ৪৮ রান করেন মইন। তিনি মার্করামের শিকার। শিবম দুবে (৩), ধোনিরা (৩) ব্যর্থ। ১৫ বলে ২৩ রান করেন রবীন্দ্র জাদেজা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৫৪/৭ তোলে চেন্নাই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্টেরও চিন্তা ছিল ব্যাটারদের ফর্ম। বিশেষ করে টপ অর্ডার একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে অবশ্য ছবিটা বদলে গেল। দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ১২ ওভারে ওঠে ৮৯। এরপর মুকেশ চৌধুরির বলে আউট হন উইলিয়ামসন। ৪০ বলে তিনি করেন ৩২। উইলিয়ামসন আউট হওয়ার পর সানরাইজার্সকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। দুর্দান্ত ব্যাট করেন অভিষেক। ৫০ বলে ৭৫ রান করে তিনি ডোয়েন ব্রাভোর বলে আউট হন। ১৫ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল ত্রিপাঠী। ১৭.৪ ওভারে ১৫৫/২ রান তুলে এবারের আইপিএলে প্রথম জয় হাসিল করে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নাইটদের কাছে হারের শাস্তি!‌ ধোনিদের দিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করালেন ফ্লেমিং

কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে প্রথম ম্যাচে হেরে দলের ক্রিকেটারদের এ কী কঠোর শাস্তি দিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং! ক্রিকেটারদের দিয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করালেন! রবীন্দ্র জাদেজা, মহেন্দ্র সিং ধোনি, ডোয়েন ব্র্যাভোদের বালিসিমেন্ট দিয়ে ইঁট গাঁথতে বাধ্য করলেন! হ্যাঁ, এমন কান্ডটাই ঘটিয়েছেন স্টিফেন ফ্লেমিং। শুধু তাই নয়, ধোনিরা কেউ ফাঁকি দিচ্ছেন কিনা, সেদিকেও ছিল তাঁর সজাগ দৃষ্টি। ফ্লেমিংয়ের এই শাস্তি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। অনেকে আবার তুলনা করছেন ২০০২ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার ফুটবল দলের সঙ্গে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য উত্তর কোরিয়ার ফুটবলারদের নাকি কয়লা খনিতে কাজ করতে পাঠানো হয়েছিল।আসলে ব্যাপারটা তা নয়। নাইট রাইডার্সের কাছে হারের পর রবীন্দ্র জাদেজাদের কোনও শাস্তির মুখেও পড়তে হয়নি। দলের মধ্যে একাত্মবোধ বাড়ানোর জন্য এই ধরনের পরিকল্পনা করেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। ধোনি, জাদেজাদের হাতে বালি, সিমেন্ট, ইট তুলে দিয়েছিলেন দেওয়াল গাঁথার জন্য। ফ্লেমিংয়ের উদ্দেশ্য ছিল, দলের একাত্মবোধ যাতে দেওয়ালের গাঁথনির মতোই শক্ত হয়, সেটা সকলকে বোঝানো। যাতে গোটা দল একটা পরিবারের মতো হয়ে উঠতে পারে। ফ্লেমিং মনে করছেন, দলের মধ্যে একাত্ববোধ ভালভাবে গড়ে উঠলে মাঠের মধ্যে সেরা পারফরমেন্স বেরিয়ে আসবে। ইটবালিসিমেন্ট দিয়ে দলের মধ্যে এই রকম একাত্মবোধ গড়ে তোলার প্রয়াস সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে ইন্ডিয়া সিমেন্টের বিজ্ঞাপনও সেরে নিতে চাইছে। আবার ধোনিদের একাত্মবোধের দিকটিও তুলে ধরা হচ্ছে। এখন দেখার, টিম ম্যানেজমেন্টের এই প্রয়াস কতটা কাজে লাগে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং বলেছেন, দলের মধ্যে একাত্মবোধ গড়ে তোলা ভীষণ জরুরি। আমরা সেটাই করছি। ভিডিওতে দেখা গেছে, ডোয়েন ব্র্যাভো একটা ইট দেখিয়ে বলছেন, এটা ১ নম্বর।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মধুর প্রতিশোধ নাইট রাইডার্সের, ধোনির ব্যাটে রান সত্ত্বেও হার চেন্নাইয়ের

গতবছর লিগ পর্বে দুটি সাক্ষাৎকারেই চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। চেন্নাইয়ের কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল নাইট রাইডার্সকে। পঞ্চদশ আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই মধুর প্রতিশোধ। উদ্বোধনী ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৬ উইকেটে হারাল নাইট রাইডার্স। নাইট রাইডার্সের হয়ে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচেই দারুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। রান তাড়া করার ব্যাপারে চেন্নাই সুপার কিংসের দারুণ সুনাম আছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রেয়স। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে দারুণভাবে স্বাগত জানিয়ে প্রথম ওভারেই ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (০) তুলে নেন উমেশ যাদব। প্রথম ওভারে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। পাওয়ার প্লেতে সেভাবে রান তুলতে পারেননি চেন্নাইয়ের ব্যাটাররা। পঞ্চম ওভারে ডেভন কনওয়েকে (৩) তুলে নেন উমেশ যাদব। রান তোলার গতি মন্থর থাকায় রবিন উথাপ্পা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেন। বরুণ চক্রবর্তীর বলে তিনি স্টাম্পড হন। ২১ বলে ২৮ রান করেন উথাপ্পা। অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন অম্বাতি রায়ডু (১৫)। শিবম দুবেও (৩) দ্রুত ফেরেন। এরপর দলকে বর্তমান ও প্রাক্তন অধিনায়ক মিলে এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান। এবাবের আইপিএলে প্রথম ম্যাচেই দলকে ভরসা দিয়ে গেলেন ধোনি। ৩৮ বলে তাঁর অপরাজিত ৫০ রানের ইনিংস চেন্নাইকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩১/৫ তোলে চেন্নাই। ২৮ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন জাদেজা। ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন নাইট রাইডার্সের দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪৩। ১৬ বলে ১৬ রান করে ডোয়েন ব্রাভোর বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভেঙ্কটেশ আয়ার। তিন নম্বরে নামা নিতীশ রানা ১৭ বলে করেন ২১। তিনিও ব্রাভোর শিকার। তাঁর ওপর নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা করে যে ভুল করেনি, প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ করে দিলেন অজিঙ্কা রাহানে। তিনিই নাইটদের জয়ের ভিত গড়ে দেন। শেষ পর্যন্ত মিচেল স্যান্টনারের বলে তিনি আউট হন। ৩৪ বলে ৪৪ রান করেন রাহানে। সাম বিলিংস ২২ বলে ২৫ রান করে আউট হন। তাঁকে ফিরিয়ে আইপিএলে লসিথ মালিঙ্গার (১৭০) সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্পর্শ করলেন ডোয়েন ব্রাভো। ২০ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। ১৮.৩ ওভারে ১৩৩/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ১৯ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার চমক ধোনির, হঠাৎ কেন নেতৃত্ব ছাড়লেন চেন্নাই সুপার কিংসের?‌

আইপিএল শুরুর আগেই বড় চমক চেন্নাই সুপার কিংসে। ২৬ মার্চ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তার দুদিন আগেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দিলেন রবীন্দ্র জাদেজার হাতে। তবে নেতৃত্বে না থাকলেও সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে খেলবেন ধোনি। দলের মেন্টরের দায়িত্বও পালন করবেন।২০০৮ সালে আইপিএল শুরু হয়। আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকেও চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ধোনি। ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আইপিএল থেকে দুবছর নির্বাসিত ছিল চেন্নাই। সেই সময় পুনে সুপার জায়ান্টের হয়ে খেলেছিলেন ধোনি। যদিও ওই দুবছর তিনি আইপিএলে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাননি। নির্বাসন উঠে যাওয়ার পর আবার আইপিএলে ফিরে আসে চেন্নাই সুপার কিংস। নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয় ধোনির হাতে। গত বছর তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই।দলকে চ্যাম্পিয়ন করলেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি ধোনি। অনেকেই মনে করেছিলেন, ২০২১ আইপিএলই হয়তো ধোনির শেষ প্রতিযোগিতা। কিন্তু ধোনি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি এখনই আইপিএল থেকে সরে যেতে চান না। এবছর নিলামের আগে চেন্নাই সুপার কিংস চারজন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছিল। ধোনি ছাড়াও সেই তালিকায় ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তখনই বোঝা গিয়েছিল ধোনির পরিবর্তে ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজাকে তুলে ধরতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু আইপিএল শুরুর দুদিন আগে এভাবে নেতৃত্বে বদল ঘটবে, কেউই ভাবেননি। সবসময়ই চমক দিয়ে এসেছেন ধোনি। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে আচমকাই টেস্ট দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। সবাইকে অবাক করে টেস্ট ফরম্যাট থেকেও অবসর নিয়েছিলেন। ২০১৭ সালে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও সরে যান। ২০২০ সালে স্বাধীনতা দিবসের দিন আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট থেকেও সরে যান। তখন অনেকেই ভেবেছিলেন এবার মনে হয় আইপিএল থেকেও সরে যাবেন। কিন্তু আইপিএল খেলা চালিয়ে যান ধোনি।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চেন্নাই সুপার কিংসের নতুন জার্সিতে সেনাবাহিনীকে সম্মান, উদ্বোধন ধোনির

পঞ্চদশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে খেলবে চেন্নাই সুপার কিংস। ২৬ মার্চ শনিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তাদের প্রতিপক্ষ কলকাতা নাইট রাইডার্স। তার আগে নতুন জার্সি উন্মোচন করল চেন্নাই সুপার কিংস। একটি ভিডিওতে নতুন জার্সির উদ্বোধন করেন দলের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।চেন্নাই সুপার কিংসের নতুন জার্সিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সম্মান জানানো হয়েছে। জার্সির কাঁধের দিকে রয়েছে কামোফ্ল্যাগ। চেন্নাই সুপার কিংস ৪ বার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সেই বিষয়টিও জার্সিতে তুলে ধরা হয়েছে। চারটি তারা চিহ্ন রাখা হয়েছে জার্সিতে। ২০১০ সালে প্রথম বার আইপিএল জেতে মহেন্দ্র সিং ধোনিরর নেতৃত্বাধীন চেন্নাই সুপার কিংস। ২০১১ সালে দ্বিতীয়বার খেতাব জেতে। ২০১৮ এবং ২০২১ সালে তৃতীয় এবং চতুর্থ বার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই সুপার কিংস। জার্সির মাঝে রয়েছে স্পনসর টিভিএস ইউরো গ্রিপের লোগো।এছাড়া চেন্নাই সুপার কিংসের ট্রেডমার্ক সিংহের লোগো রয়েছে জার্সির বাঁ দিকে। চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন বলেছেন, আমাদের সেনাবাহিনীকে সম্মান জানাতে কামোফ্ল্যাগ গত বছরই আমরা জার্সির কাঁধের দিকে রেখেছিলাম। আমাদের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত। হলুদের সঙ্গে খুব ভাল লাগছে ওই লোগো। এই বছর জার্সির কলার এবং জার্সির পিছনেও থাকবে এই লোগো।এদিকে, বাদশার গাওয়া থিম সং আর তার মাধ্যমেই লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন দলের জার্সি প্রকাশ হয়েছে মঙ্গলবার। আইপিএলে শক্তিশালী দল নিয়েই অভিযানে নামতে চলেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। লোকেশ রাহুলকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন মেন্টর গৌতম গম্ভীর। মার্ক উড ছিটকে গেলেও চিন্তিত নন লখনউ শিবির। তাঁর পরিবর্তে আন্ড্রু টাইকে দলে নিয়েছে।

মার্চ ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আইপিএল শুরুর আগেই সমস্যায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস

২৬ মার্চ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে আইপিএল অভিযানে নামবে চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে মাত্র ৬ দিন বাকি। তার আগেই সমস্যায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন দল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে দলের নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার মইন আলির খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কবে তিনি ভারতে আসবেন, জোর দিয়ে বলতে পারছেন না চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন।তাহলে কি চোটের কবলে পড়েছেন মইন আলি? না, তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। লাল বলের ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ায় এই মুহূর্তে তিনি ইংল্যান্ডের টেস্ট স্কোয়াডে নেই। ফলে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে আইপিএল খেলার অনুমতি দিচ্ছে না, এমনও নয়। আসলে ভিসা সমস্যার জন্য এখনও ভারতে এসে পৌঁছতে পারেননি মইন।আইপিএল খেলতে ভারতে আসার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি ভিসার আবেদন করেছিলেন ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার। আবেদনের পর ২০ দিন অতিক্রান্ত। তবুও এখনও ভারতে আসার জন্য ভিসা পাননি মইন। কবে পাবেন, তিনি নিজেও যেমন জানেন না, তেমনই বিষয়টা নিয়ে ধোঁয়াশায় চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন। কী কারণে মইন ভিসা পাচ্ছেন না, তা অজানা। তবে মইন নিজে আশাবাদী, খুব দ্রুত ভিসা সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। মইনের ভিসার ব্যাপারে চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন বলেছেন, ভিসা সমস্যা নিয়ে আমরা মইনের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে। প্রয়োজনীয় সব কাগজ পত্র জমা দেওয়া হয়েছে। তাসত্ত্বেও ভিসা এখনও কেন অনুমোদন পায়নি বুঝতে পারছি না। ভিসা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মইন ভারতে এসে দলের সঙ্গে যোগ দেবে। তবে ভারতে পৌঁছলেও সঙ্গে সঙ্গে যে মইন মাঠে নামতে পারবেন, এমন নয়। মুম্বইয়ে পৌঁছনোর পর তাঁকে কোভিড বিধি অনুযায়ী ৩ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তারপর তিনি দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে অনুশীলনে নামতে পারেবন।

মার্চ ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL : ‌ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে আইপিএলে কোন দলের হয়ে খেলবেন ধোনি?‌

এবছর আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন চেন্নাইয়ের দর্শকদের সামনে খেলেই চিরতরে ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে তাঁর সামনে সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে। সামনের বছর আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসেই দেখা যেতে পারে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে।আগামী মরশুমের আইপিএলের আগে মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। কোন দল কোন ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে পারবে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। একজন করে ক্রিকেটার ধরে রাখার নিয়ম হলে সমস্যায় পড়ত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। বোর্ড যে নিয়ম তৈরি করতে চলেছে, তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সূত্র থেকে জানা গেছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো সর্বাধিক চারজন করে ক্রিকেটারকে রাখতে পারবে। নিলামের আগে তিনজন করে ক্রিকেটার বেছে নিতে পারবে আইপিএলের নতুন দুটি দল আমেদাবাদ ও লক্ষ্ণৌ।বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, রাইট টু ম্যাচ কার্ড থাকে তাহলে তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যাবে। আর যদি রাইট টু ম্যাচ কার্ড ফ্র্যাঞ্চাইজিদের হাতে না থাকে তাহলে সর্বাধিক চার ক্রিকেটার ধরে রাখা যাবে। সেটা হতে পারে তিন ভারতীয় ও এক বিদেশি অথবা দুজন করে ভারতীয় ও বিদেশি।যদি ৩ জন ক্রিকেটারকে ধরে রাখা যায় তাহলে ঋতুরাজ গায়কোয়াণ, মহেন্দ্র সিং ধোনি ও শার্দূল ঠাকুরকে ধরে রাখবে চেন্নাই সুপার কিংস। তেমন সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স যে তিনজনকে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে, তাঁরা হলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা ও কায়রন পোলার্ড। হার্দিক পান্ডিয়াকে ধরে রাখার ব্যাপারে ততটা আগ্রহী নয় বলে জানিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে জড়িত এক কর্তা। চারজন ক্রিকেটার রাখা গেলে কিশান কিষাণ ও সূর্যকুমার যাদবের মধ্যে কোনও একজনকে ধরে রাখবে মুম্বই।ঋষভ পন্থকেই নেতৃত্বে রাখতে চায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শ্রেয়স আয়ারকেও ধরে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসে থাকবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, অন্য কোনও দলে যোগ দিয়ে শ্রেয়স নেতৃত্ব দিতে চান। কলকাতা নাইট রাইডার্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, পাঞ্জাব কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস নতুন অধিনায়ক নিতে পারে। এই দলগুলির যে কোনও একটিতে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে শ্রেয়স আয়ারের।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌KR-Russell : ফাইনালে প্রথম একাদশে ফিরবেন আন্দ্রে রাসেল?‌ দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট

দীর্ঘদিন ঘরে ট্রফি আসেনি। চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে কি এবারের আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কলকাতা নাইট রাইডার্স? নাইট রাইডার্স শিবির যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছে, তেমনই ২০১২র আইপিএলের ফাইনালের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। সেবার নাইটদের কাছে হেরে খেতাব জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনিদের। হাইভোল্টেজ ফাইনালের আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর নাইট রাইডার্স শিবির। মর্গ্যান ব্রিগেডের মনোবল বাড়িয়েছে সম্প্রতিক পারফরমেন্স। প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচে ৫টিতে হেরে প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল নাইট শিবির। দ্বিতীয় পর্বে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। এলিমিনেটরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে অবশেষে ফাইনালের ছাড়পত্র। এটাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে নাইট শিবিরের।চেন্নাই সুপার কিংসকেও পিছিয়ে রাখা যাবে না। আইপিএলের শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে ছিল ধোনি ব্রিগেড। বিপক্ষের যাবতীয় চ্যালেঞ্জ হেলায় উড়িয়ে একের পর এক ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছিল। লিগ পর্যায়ে শেষদিকে কয়েকটা ম্যাচে হোঁচট খেতে হলেও প্লে অফের প্রথম কোয়ালিফায়ারে ৪ উইকেটে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দলকে জিতিয়ে ধোনির যেমন আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেছে, চেন্নাই শিবিরেরও মনোবল তুঙ্গে। দুই দলের ফাইনালের লড়াই যে জমে উঠবে সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ফাইনালে মাঠে নামার আগে নাইট শিবিরকে স্বস্তি দিচ্ছে আন্দ্রে রাসেলের সুস্থ হয়ে ওঠা। খেলার জায়গায় চলে এসেছেন নাইটদের এই অলরাউন্ডার। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য বেশ কয়েকটা ম্যাচে খেলতে পারেননি রাসেল। আপাতত তিনি ফিট। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নেটে বোলিংও করেছিলেন। তিনি যে প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন, তেমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন দলে মেন্টর ডেভিড হাসি। রাসেল ফিরলে দল আরও শক্তিশালী হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে কার জায়গায় তাঁকে খেলানো হবে, তা নিয়ে দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট। রাসেলের পরিবর্তে এতদিন সাকিব আল হাসানকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়েছিল। সুযোগ পেয়েই প্রতিটা ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরেছেন সাকিব। দুবাইয়ের মন্থর উইকেটে তাঁর স্পিন বোলিং কার্যকরী হতে পারে। সবদিক মিলিয়ে প্রথম একাদশ নিয়ে দ্বিধায় নাইট টিম ম্যানেজেমন্ট।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : আবার পুরনো মেজাজে ধোনি, ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস

কিং ইজ ব্যাক। আবার ফিনিশারের ভুমিকায় মহেন্দ্র সিং ধোনি। গত বছর আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছাতে না পারার যন্ত্রণা মিটিয়ে নিলেন ক্যাপ্টেন কুল। স্নায়ুযুদ্ধে বাজিমাত করলেন। সাত নম্বরে নেমে তিনটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে দলকে জেতালেন মাহি। দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস।টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর ধারণা ছিল শুরুর দিকে ব্যাট করা কঠিন হবে। জোরে বোলাররা বাইশ গজ থেকে সাহায্য পাবেন। ধোনির সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে দেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। ৩ ওভারে ৩২ রানে পৌঁছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। এর পরেই ধাক্কা খায় দিল্লি। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শিখর ধাওয়ান। ৭ রান করে তিনি উইকেটের পেছনে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন। পঞ্চম ওভারে শার্দুল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন ধোনি। শার্দূলের প্রথম ওভারেই পৃথ্বী শ দুটি ছক্কা মারেন। এই ওভারে ওঠে ১৪। ৫ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালসের রান দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৫০। শার্দুল ঠাকুর ২ ওভারে দিয়েছিলেন ২৮ রান। ষষ্ঠ ওভারে দ্বিতীয় উইকেট হারায় দিল্লি ক্যাপিটালস। হ্যাজেলউডের বলে আউট হন শ্রেয়স আয়ার (১)। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি অক্ষর প্যাটেল। ১১ বলে ১০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে আউট হন। অন্যপ্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়লেও ঝড় অব্যাহত ছিল পৃথ্বী শর ব্যাটে। একাদশ ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি আউট হন। ৩৪ বলে ৬০ রান করেন পৃথ্বী। এরপর দিল্লিকে ২০ ওভারে ১৭২/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও শিমরণ হেটমায়ের। ২৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হন হেটমায়ের। ঋষভ ৩৫ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। জস হ্যাজলউড ৪ ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন। মঈন আলি চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৭ রান খরচ করে একটি উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুর ৩ ওভারে দেন ৩৬ রান, দীপক চাহার ৩ ওভারে ২৬, কেউই উইকেট পাননি। ব্র্যাভো এক উইকেট পেলেও ৩ ওভারে ৩১ রান খরচ করেন।জয়ের জন্য ১৭৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় চেন্নাই সুপার কিংস। ডুপ্লেসি প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে ১ রান করে এনরিখ নরকিয়ার বলে বোল্ড হন। এরপরই দলকে শক্ত ভিতে দাঁড় করিয়ে দেয় ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবিন উথাপ্পার জুটি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে এদিন ১০০ রান যোগ করেন ঋতুরাজ ও উথাপ্পা। ১৩.৩ ওভারে ৪৪ বলে ৬৩ রান করে টম কারানের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন উথাপ্পা। উথাপ্পা ফেরার পর ৮ বলের ব্যবধানে ৬ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট হারায় চেন্নাই। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে উথাপ্পাকে আউট করার পর ষষ্ঠ বলে শার্দুল ঠাকুরকে শূন্য রানে আউট করেন কারান। ১৪.৪ ওভারে শ্রেয়স ও কাগিসো রাবাডার যুগলবন্দিতে রান আউট হন অম্বাতি রায়ুডু। তিনি ১ রান করেন। এই সময় ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। যদিও পাল্টা লড়াই চালাতে থাকেন ঋতুরাজ ও মঈন আলি। ১৮.১ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় আবেশ খানের বলে আউট হন। পাঁচটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৫০ বলে ৭০ রান করেন ঋতুরাজ। এরপর মঈনের সঙ্গে যোগ দেন ধোনি। ফিনিশারের ভুমিকায় চেনা ঝলক দেখা গেল ক্যাপ্টেন কুলের ব্যাটে। শেষ ওভারে জেতার জন্য দরকার ছিল ১৩। টম কারানের প্রথম বলে মঈন আলি (১২ বলে ১৬) আউট হন। শার্দুলকে শেষ বলে আউট করায় কারানের সামনে ছিল হ্যাটট্রিকের হাতছানি। হ্যাটট্রিক বাঁচান ধোনি। অবশেষে দুই বল বাকি থাকতে চার মেরে দলকে ফাইনালে তুলে দিলেন ধোনি (৬ বলে অপরাজিত ১৮)। ১৯.৪ ওভারে ১৭৩/৬ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় চেন্নাই।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌PL : চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে শীর্ষে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস

প্লে অফের ছাড়পত্র আগেই এসে গেছে। সোমবার দুবাইয়ে শীর্ষ স্থান দখলের লড়াইয়ে নেমেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও চেন্নাই সুপার কিংস। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ম্যাচটা আরও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ হারলেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে দ্বিতীয় স্থানে ওঠার সুযোগ এসে যেত। বিরাট কোহলিদের সেই সুযোগ দিলেন না ঋষভ পন্থরা। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষ স্থানে উঠে এল দিল্লি ক্যাপিটালস। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে রবিবার যে উইকেটে খেলা হয়েছিল, সেই উইকেটেই এদিন ম্যাচ ছিল দিল্লি ও চেন্নাইয়ের। আগের দিন মন্থর উইকেটে বড় ইনিংস গড়তে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। হায়দরাবাদের ১১৫ রান টপকাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। সেই উইকেটে চেন্নাই সুপার কিংসও বড় রান তুলতে ব্যর্থ। টস জিতে ধোনির দলকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ঋষভ পন্থ। আনরিখ নর্টিয়ের প্রথম ওভারে ১৬ রান তোলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। আবেশ খানের পরের ওভারে ওঠে ১০। ২ ওভারে চেন্নাই তোলে ২৬। এরপরই থমকে যায় রান তোলার গতি। তৃতীয় ওভারে আউট হন ডুপ্লেসি (১০)। এক ওভার পরেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১৩)। উথাপ্পা (১৯), মঈনরা (৫) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান অম্বাতি রায়ুডু। ৪৩ বলে ৫৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ধোনি ২৭ বলে করেন ১৮। ২০ ওভারে ১৩৬/৫ তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। অক্ষর প্যাটেল ১৮ রানে ২ উইকেট নেন। নর্টিয়ে, আবেশ খান ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১টি করে উইকেট পান। ব্যাট করতে নেমে দিল্লিও শুরুতেই ধাক্কা খায়। ১২ বলে ১৮ রান করে ফিরে যান পৃথ্বী শ। শ্রেয়স আয়ারও (২) রান পাননি। ঋষভ পন্থ (১৫) ও রিপল প্যাটেল (১৮) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। একের পর এক উইকেট পড়লেও শিখর ধাওয়ান একদিক ধরে রেখে লড়াই চালিয়ে যান। ৩৫ বলে ৩৯ রান করে তিনি শার্দূল ঠাকুরের বলে আউট হন। ১৩৭ রান তুলতেও একসময় চাপে পড়ে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিমরণ হেটমায়ের। ১৮ বলে ২৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২ বল বাকি থাকতে বাউন্ডারি মেরে দলকে জয় এনে দেন কাগিসো রাবাডা। এই জয়ের ফলে দিল্লি ক্যাপিটালসের পয়েন্ট ১৩ ম্যাচে ২০। চেন্নাই সুপার কিংসের ১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। ধোনিরা যদি শেষ ম্যাচে হেরে যান এবং বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর যদি দুটি ম্যাচেই জয়লাভ করে তাহলেই তিনে নেমে যেতে হবে চেন্নাই সুপার কিংসকে।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: চূড়ান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

এক নম্বরের সঙ্গে লিগ টেবিলে শেষে থাকা দলের লড়াই। শীর্ষে থাকা দলই যে ফেবারিট সে কথা বলাই বাহুল্য। প্রত্যাশামতোই সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস। আর কোনও জটিল সমীকরণ প্লে অফ থেকে ছিটকে দিতে পারবে না ধোনি ব্রিগেডকে। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রইল চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারানোর কিছু ছিল না। শুধু নিজেদের প্রমান করার তাগিদ। সেই প্রমান করার ম্যাচেও জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানরা। একমাত্র ব্যতিক্রম ঋদ্ধিমান সাহা। তিনি রুখে না দাঁড়ালে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছতে পারত না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। চতুর্থ ওভারেই তারা প্রথম উইকেট হারায়। আগের ম্যাচে রান পাওয়া জেসন রয় এদিন মাত্র ২ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে আউট হন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও (১১) এদিন ব্যর্থ। প্রিয়ম গর্গ করেন ৭। ৪৬ বলে ৪৪ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ঋদ্ধিমান। অভিষেক শর্মা ও আব্দুল সামাদ দুজনেই করেন ১৮। রশিদ খান ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জস হ্যাজেলউড ২৪ রানে ৩টি এবং ডোয়েন ব্র্যাভো ১৭ রানে ২ উইকেট নেন।চেন্নাইয়ের যা ব্যাটিং শক্তি তাতে ১৩৫ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা ছিল না। তার উপর দূর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন চেন্নাইয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের কথা বলতে হবে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। ওপেনিং জুটিতে ফাফ ডুপ্লেসির সঙ্গে তোলেন ৭৫। ৩৮ বলে ৪৫ রান করে জেসন হোল্ডারের বলে ঋতুরাজ আউট হন। ১৭ বলে ১৭ রান করে রশিদ খানের বলে বোল্ড হন মঈন আলি। ৩৬ বলে ৪১ রান করে হোল্ডারের বলে আউট হন ডুপ্লেসি। সুরেশ রায়নাও (২) হোল্ডারের শিকার। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অম্বাতি রায়ুডু (অপরাজিত ১৭) ও ধোনি (১১)। ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Match : রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে নাটকীয় জয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

রোমাঞ্চকর ম্যাচ, নাটকীয় শেষ দুটি ওভার। ম্যাচের ১৯ তম ওভারই পার্থক্য গড়ে দিল। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর ওই ওভারে ২২ রান তুলে প্রায় হারা ম্যাচ জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন স্যার রবীন্দ্র জাদেজা। আবু ধাবিতে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে শেষ বলে ২ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছে গেল চেন্নাই সুপার কিংস। চাপের মুখে শেষ বলে দলকে জয়সূচক রানটি এনে দেন দীপক চাহার। দিল্লি ক্যাপিটালসকে সরিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানও ফের দখল করল চেন্নাই সুপার কিংস।ডেথ ওভারে ৬ বলের মধ্যে আউট হয়েছিলেন মঈন আলি, সুরেশ রায়না ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্স যখন জয়ের গন্ধ পাচ্ছে তখন ১৯তম ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে সাধারণ মানে নামিয়ে পরিত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন রবীন্দ্র জাদেজা। ২টি ছয়ের পর ২টি চার মেরে এক ওভারে ২২ রান নিলেন। ফলে শেষ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়ে ৪ রান।শেষ ওভারেও রুদ্ধশ্বাস নাটক অপেক্ষা করছিল। প্রথম বলে স্যাম কারেনকে আউট করেন সুনীল নারাইন। কারেন করেন ৪ রান। পরের বলটিতে কোনও রান না হলেও তৃতীয় বলে তিন রান নিয়ে নেন শার্দুল ঠাকুর। চতুর্থ বলে রান নিতে পারেননি রবীন্দ্র জাদেজা। পঞ্চম বলে তিনি লেগ বিফোর হন। ৮ বলে ২২ রান করে আউট হন তিনি। শেষ বলে প্রয়োজনীয় এক রান নিয়ে চেন্নাই শিবিরে স্বস্তি এনে দেন দীপক চাহার।এদিন ধোনি যখন ব্যাট হাতে বাইশ গজে প্রবেশ করেন, চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য তখন দরকার ২০ বলে ৩৪। আগের ধোনি হলে চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যেত, চেন্নাই জিতবে। বরুণ চক্রবর্তীর ডেলিভারি মাহির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক খুঁজে স্টাম্পে আঘাত করতেই মনে হচ্ছিল চেন্নাইয়ের জয় হয়তো অধরাই থেকে যাবে। ধোনির অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে গেলেন স্যার রবীন্দ্র জাদেজা। ক্যাপ্টেন কুলএর দেওয়া স্যার উপাধির মর্যাদা দিয়ে গেলেন। ধোনিকে জ্বলে উঠতে না দেওয়ার পেছনে নাইট ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গানের মস্তিষ্কের প্রশংসাও করতে হবে। বরুণ চক্রবর্তীর রীতিমতো শিকার হয়ে দাঁড়িয়েছেন। গতবছর আইপিএলেও দুবাইয়ে ধোনিকে তুলে নিয়েছিলেন বরুণ। এবছরও সেই বরুণেরই শিকার। ধোনি ক্রিজে আসতেই বরুণকে আক্রমণে নিয়ে এসেছিলেন মর্গান। সুফলও পেয়েছিলেন। কিন্তু সব বুমেরাং করে দেন রবীন্দ্র জাদেজা।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে প্রথম পর্বে নাইট রাইডার্সকে ডুবিয়েছিল ব্যাটিং। দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরলেও জয় এল না। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে শুভমান গিলকে (৯) হারালেও বড় রান পেতে অসুবিধা হয়নি নাইটদের। ভেঙ্কটেশ আয়ায় (১৫ বলে ১৮) ভাল শুরু করেও আটকে গেলেন। রাহুল ত্রিপাঠী (৩৩ বলে ৪৫) অবশ্য ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে পরীক্ষায় লেটার মার্কস না পেলেও পাশ করে গেল মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডার। নীতিশ রানা (২৭ বলে অপরাজিত ৩৭), আন্দ্রে রাসেল (১৫ বলে ২০), দীনেশ কার্তিকদের (১১ বলে ২৬) সৌজন্যে ১৭১/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা।জয়ের জন্য ১৭২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করেন চেন্নাই সুপার কিংসের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৪ রান। নবম ওভারের প্রথম বলে আন্দ্রে রাসেলকে স্টেপ আউট করে ছক্কা মারার পরের বলটিই ঠিকভাবে সামলাতে না পেরে মর্গ্যানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। দুটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪০ রান করেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপর মঈন আলিকে সঙ্গে নিয়ে ১০.৫ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের ১০০ রান পূর্ণ করিয়ে দেন ফাফ ডুপ্লেসি। ১১.৩ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে লকি ফার্গুসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। সাতটি চারের সাহায্যে তিনি করেন ৩০ বলে ৪৪ রান। ১৪.২ ওভারে দলের ১১৯ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় সিএসকে। সুনীল নারাইনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৯ রান করেন অম্বাতি রায়ুডু।শেষ চার ওভারে সিএসকের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪০ রান। ১৭তম ওভারের চতুর্থ বলে মঈন আলিকে ফেরান লকি ফার্গুসন। ২টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৩২ রান করেন মঈন। শেষ তিন ওভারে চেন্নাইয়ের জয়ের জন্য ৩১ রান দরকার ছিল। ব্যক্তিগত ১১ রানে রান আউট হন সুরেশ রায়না। চেন্নাইয়ের পঞ্চম উইকেট পড়ে ১৪২ রানের মাথায়। কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই এই ওভারের তৃতীয় বলে বরুণ চক্রবর্তীর গুগলিতে ঠকে বোল্ড হন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ৪ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি সিএসকে অধিনায়ক। বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ২৩ রানের বিনিময়ে ধোনির উইকেটটি তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। ১৮তম ওভারে তিনি মাত্র ৫ রান খরচ করেন। এর আগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ রান তোলে। সর্বাধিক ৪৫ রান করেন রাহুল ত্রিপাঠি। নীতীশ রানা অপরাজিত থাকেন ২৭ বলে ৩৭ রান করে। ১১ বলে ২৬ রান করেন দীনেশ কার্তিক। শার্দুল ঠাকুর ও জশ হ্যাজলউড নেন দুটি করে উইকেট।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL, KKR : চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের জন্য কাদের জন্য দিকে তাকিয়ে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট?‌

রবিবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম পর্বে চেন্নাইয়ের কাছে হারতে হয়েছিল নাইটদের। এবার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে কাজটা সহজ হবে না নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় পর্বে দুটি দলই দুটি করে ম্যাচ জিতেছে। নাইট রাইডার্সকে আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝকঝকে মনে হচ্ছে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলে উঠে এসেছে ৪ নম্বরে। রবিবার চেন্নাই সুপার কিংসকে হারাতে পারলেই প্লে অফের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে ভরসা জোগাচ্ছে টপ অর্ডার এবং বরুণ চক্রবর্তীর বোলিং। আগের দুটি ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন ভেঙ্কটেশ আয়ার, শুভমান গিল ও রাহুল ত্রিপাঠী। বরুণ চক্রবর্তীর বোলিংও ধাঁধায় ফেলছে ব্যাটসম্যানদের।দ্বিতীয় পর্বে নাইটদের বদলে যাওয়ার রহস্য টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের পারফরমেন্স। প্রথম সাক্ষাৎকারে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে হয়েছিল নাইটদের। ৩১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়েছিল। পরের দিকে কার্তিক, রাসেল, কামিন্সদের ঝোড়ো ব্যাটিং বাঁচাতে পারেনি নাইট রাইডার্সকে। দ্বিতীয় পর্বে নাইটদের দুটি জয়ে পেছনে রয়েছে টপ অর্ডারের অবদান। ভেঙ্কটেশ আয়ার, শুভমান গিল, রাহুল ত্রিপাঠীরা দলকে উতরে দিয়েছেন। তবে মিডল অর্ডারকে এখনও পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধেই হয়তো পরীক্ষার মুখে। কারণ, চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা বোলাররা ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ব্যাটসম্যানদের কাজ কঠিন করে দিচ্ছে। চেন্নাই সুপার কিংসের অবশ্য কোনও বিভাগ নিয়ে চিন্তা নেই। টানা ৫ ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছে। আগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রতিকূল অবস্থা থেকেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ডেথ ওভারে শার্দূল, দীপকরা দারুণ বোলিং করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় রান করতে দেননি। ব্যাটিংয়েও টপ অর্ডার দলকে নির্ভরতা দিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, ধোনি ব্রিগেডের ব্যাটিং লেজ যথেষ্ট লম্বা। তার ওপর রয়েছে অধিনায় ধোনির ক্রিকেটীয় মস্তিষ্ক। ফলে নাইটদের কঠিন লড়াইয়ের সামনে পড়তে হবে। একটা পরিসংখ্যান দুই শিবিরকেই আশাবাদী করে তুলেছে। দুই দলই দ্বিতীয় পর্বে হারিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। দুই দলের শেষ পাঁচটি সাক্ষাতে চারটি ম্যাচেই জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। গত বছরের আইপিএলে প্রথম সাক্ষাতে সিএসকে ৬ উইকেটে জিতলেও ফিরতি ম্যাচে কেকেআর জিতেছিল ১০ রানে। এখনও অবধি আইপিএলে দুই দল পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে ২৬ বার। ১৬টিতে জিতেছে সিএসকে, ৯টিতে কেকেআর, একটি ম্যাচ অমীমাংসিত ছিল।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL : কোহলি রান পেলেও হেরে গভীর সঙ্কটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স

প্লে অফে যাওয়ার জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে জেতা জরুরি ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ধোনিদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে বিরাট কোহলিরা। যদিও ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হয়নি কোহলিদের এই পরিস্থিতিতে পড়তে হবে। ভাল শুরু করেও হারতে হল।শারজায় মাঝে মাঝেই মরু ঝড় দেখা যায়। শুক্রবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ও চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচের আগে তেমনই মরু ঝড়। চারিদিক ধুসর। মরু ঝড়ের জন্য নির্ধারিত সময়ের আধ ঘণ্টা পর টস। খেলা শুরু হয় ১৫ মিনিট দেরিতে। টসে জিতে চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। এদিন পাহাড় প্রমাণ চাপ নিয়ে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ক্রিকেটপ্রেমীরা প্রত্যাশা করেছিলেন, মরু ঝড়ের মতোই ঝড় উঠবে কোহলির ব্যাটিংয়ে। রান পেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ক্যাপ্টেন। দলকে বড় রানের জন্য শক্ত ভিতও গড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বাকিরা কাজে লাগাতে পারেননি।এদিন ভাল শুরু করেছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বিনা উইকেটে তোলে ৫৫। ১০ ওভারে ওঠে ৯২। ১০০ রানে পৌঁছয় ১১.১ ওভারে। ১৩.২ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ওপেনিং জুটি ভাঙেন ডোয়েন ব্র্যাভো। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। ৬টি ৪ ও ১টি ৬এর সাহায্যে ৪১ বলে ৫৩ রান করেন তিনি। কোহলির আগে ৩৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। ১৬ ওভারের শেষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের রান ছিল ১ উইকেটে ১৩১। ১৭তম ওভারে দুটি উইকেট তুলে নেন শার্দুল ঠাকুর। পঞ্চম বলে আউট করেন এবি ডিভিলিয়ার্সকে। রায়নার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ১১ বলে ১২ রান করেন তিনি। পরের বলেই আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। পাঁচটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে ৫০ বলে ৭০ রান করে আউট হন তিনি। পাড়িক্কল আউট হওয়ার পর পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন টিম ডেভিড। সিঙ্গাপুরের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এদিন আইপিএল অভিষেক হল তাঁর। যদিও অভিষেকে নজর কাড়তে ব্যর্থ ডেভিড। ৩ বলে ১ রান করে দীপক চাহারের শিকার হলেন তিনি। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ডোয়েইন ব্র্যাভোর বলে জাদেজার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৯ বলে ১১ রান করেন তিনি। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৬ রানের বেশি এগোতে পারেনি বিরাট কোহলির দল। ডোয়েন ব্র্যাভো ৪ ওভারে ২৪ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট নেন। শার্দুল ঠাকুর চার ওভারে ২৯ রানের বিনিময়ে দুটি উইকেট পেয়েছেন। দীপক চাহার একটি উইকেট দখল করেন।জয়ের জন্য ১৫৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিলেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭১। রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৬ বলে ৩৮ করেন রুতুরাজ। পরের ওভারেই ডুপ্লেসিকে (২৬ বলে ৩১) তুলে নেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মঈন আলি ও অম্বাতি রায়ডু। মঈন ২৩ ও রায়ডু ৩২ রান করে আউট হন। চেন্নাইকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ধোনি (অপরাজিত ১১) ও সুরেশ রায়না (অপরাজিত ১৭)। ১৮.১ ওভারে ৪ উইকেটে ১৫৭ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় চেন্নাই।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে দুরন্ত জয় ধোনির দলের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ট্র্যাক রেকর্ড বজায় রাখল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। দুবাইয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সিএসকে হারাল ২০ রানে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের পাশাপাশি উজ্জ্বল অলরাউন্ডার ডোয়েইন ব্র্যাভো।চারমাস পর নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যে শুরু আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। টস হওয়ার কিছুক্ষণ আগে জানা যায় চোটের জন্য খেলতে পারবেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কিয়েরণ পোলার্ড। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম হার্ডলে পেপ টক দিচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব। কিছুক্ষণ পরই টিম লিস্টে চোখ রাখতেই দেখা গেল প্রথম একাদশে নেই হার্দিক পান্ডিয়া। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসিকে (০) হারায় চেন্নাই। তাঁকে তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। পরের ওভারেই আবার ধাক্কা। এবার অ্যাডাম মিলনের শিকার মঈন আলি (০)। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পরপরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অম্বাতি রায়ুডু। প্রথম সাক্ষাতে এই তিনজনের ব্যাটিংয়েই বড় রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুর চোট বেশ গুরুতর। তৃতীয় ওভারে সুরেশ রায়নাকে (৪) তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুই কিউয়ি বোলারের দাপটে তখন দিশেহারা অবস্থা চেন্নাই সুপার কিংসের। ৩ ওভারে চেন্নাইয়ের রান দাঁড়ায় ৭/৩। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে মিলনেই ফেরান মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ৫ বলে ৩ রানের বেশি করতে পারেননি চেন্নাই অধিনায়ক। ৬ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪।এরপর রুখে দঁাড়ান রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনে দলকে টেনে নিয়ে যান। ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রুতুরাজ। জুটিতে ওঠে ৮১। দলের ১০৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৬ (৩৩ বলে) রান করে আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দেন। ৫৮ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন রুতুরাজ। তিনি ৯টি ৪ এবং ৪টি ৬ মারেন। ব্র্যাভো ৮ বলে ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই দুজনের দাপটে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ২০ ওভারে ১৫৬/৬ রান তোলে চেন্নাই।রোহিত শর্মার অভাব অনুভব করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটসম্যান হিসেবে তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবেও। কখনও মনেই হয়নি এই ম্যাচ মুম্বই বের করতে পারবে। সূর্যকুমার যাদব ৭, ঈশান কিষাণ ১১ করেন। রোহিত না থাকায় আনমোলপ্রীত সিংয়ের অভিষেক হয়, তিনি ১৬-র বেশি করতে পারেননি। কিয়েরন পোলার্ড ও অ্যাডাম মিলনে দুজনেই ১৫-র বেশি এগোতে পারেননি। ব্র্যাভোর তিন উইকেটের পাশাপাশি ১৯ রানে ২ উইকেট নেন দীপক চাহার।ব্যাট হাতে ৮ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে ফারাক গড়েছিলেন ব্র্যাভো। বল হাতে তিনি চার ওভারে ২৫ রানের বিনিময়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। চোটের কারণে সিপিএলে কয়েকটি ম্যাচে বোলিং করেননি। কিন্তু চেন্নাইয়ের হয়ে শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখে নিজের পাররফরম্যান্সে খুশি ব্র্যাভো। জয়ের জন্য ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স করল ৮ উইকেটে ১৩৬। এবারের আইপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ঝাড়খণ্ডের সৌরভ তিওয়ারি সর্বাধিক ৪০ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৬/৮ তোলে মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal