• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CBI

কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় সাংসদ দেবকে নোটিস সিবিআইয়ের

গোরুপাচার মামলায় তৃণমূল সাংসদ এবং অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। বুধবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের তরফে এই মর্মে একটি নোটিস গিয়েছে দেবের কাছে। ওই নোটিসে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টা নাগাদ দেবকে নিজাম প্যালেসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কলকাতার দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।দেবের সঙ্গে গোরু পাচার কাণ্ডের কী সম্পর্ক তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। সিবিআইয়ের নোটিসেও এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। তবে সূত্রের খবর গোরু পাচারকাণ্ডে যে সমস্ত সাক্ষীদের ইতিমধ্যে জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, তাদের বয়ানেই উঠে এসেছে অভিনেতা ও সাংসদ দেবের নাম। যদিও তৃণমূল সাংসদ দেব এই নোটিস নিয়ে বুধবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি বা ব্যখ্যা দেননি।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত জারি রাখতে নির্দেশ হাইকোর্টের

বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তদন্ত জারি রাখতে সিবিআইকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে মামলার শুনানি হয়। তখন বিচারপতি এই নির্দেশ দেন সিবিআইকে। একই সঙ্গে তিনি জানান, অনুব্রত মণ্ডল প্রধান অভিযুক্ত নন। তাঁর নাম এফআইআর-এ নেই। তবে তাঁকে বোলপুর বা দুর্গাপুরে ডেকে জিজ্ঞাসা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত ২ মে একুশের নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন বীরভূমের গোপালনগর গ্রামে খুন হন বিপ্লব সরকার নামে এক বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, বাড়ির অদূরেই তাঁর ওপর হামলা চালায় কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে চলে হামলা। রাস্তায় ফেলে বেপরোয়া মারধর করা হয় তাঁকে। মাথায়, বুকে পিঠে একাধিক ক্ষত তৈরি হয় বিপ্লব সরকারের। মাথায় অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয় তাঁর। চিকিৎসকরা তেমনই জানিয়ে দেন রিপোর্টে। ঘটনায় উঠে আসে বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। ঘটনার তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয় দিলীপ মৃধা নামে এক ব্যক্তিকে। তদন্ত যত এগোয়, উঠে আসে একাধিক তৃণমূল নেতার নাম। নোটিস পাঠানো হয় ইলামবাজারের তৃণমূলের সম্পাদককে। অনুব্রত মণ্ডলের নামেও জারি হয় নোটিস।গত শুক্রবার ২৮ জানুয়ারিও অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করে সিবিআই। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে সেই হাজিরা এড়িয়ে যান অনুব্রত। সিবিআইকে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, শারীরিকভাবে তিনি অসুস্থ। তিনি সিবিআই-এর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তাঁর নেই। হাজিরা দেওয়ার জন্য বেশ কিছুটা সময় চেয়ে নেন তিনি।এর পরই বুধবার গ্রেপ্তারি থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। আদালতকে তিনি জানান, তদন্তে সিবিআইকে সমস্ত রকম সহায়তা করতে রাজি। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ যেন না করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তলব এড়ালেন 'অসুস্থ' অনুব্রত মণ্ডল

ভোট পরবর্তী হিংসা বীরভূমের বিজেপি কর্মী খুনে এ বার তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। যদিও শুক্রবার অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়েছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, সিবিআই আধিকারিকদের অনুব্রত মণ্ডল জানান, তাঁর শরীর ভাল নয়। তাই এই দিন তিনি দেখা করতে পারছেন না।উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা ভোটে রাজ্যের যে সমস্ত জায়গায় হিংসার অভিযোগ তোলেন বিরোধীরা, তার মধ্যে অন্যতম বীরভূম। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশের পর একাধিকবার বীরভূমে এসেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ঘটনাক্রমে ইলামবাজারে বিজেপি কর্মী গৌরব সরকার খুনের মামলায় তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করা হয়।বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের দিন অর্থাৎ, গত ২ মে গৌরব সরকারকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। ইতিমধ্যে এই খুনের মামলায় বেশ কয়েক জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। কয়েক দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ইলামবাজার পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ-সহ একাধিক তৃণমূল নেতাকে। এর পর বিজেপি কর্মী খুনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয় স্বয়ং দলের জেলা সভাপতিকে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

CBI Charge Sheet: ভোট পরবর্তীতে বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই

বিধানসভা ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নবগ্রামে খুন হন বিজেপি কর্মীর মা। হাইকোর্টের নির্দেশে সেই খুনের মামলার তদন্তে নেমে সিবিআই বুধবার ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করলো। সিবিআইয়ের রাঁচি ইউনিটের ইনসপেক্টর অরুন কুমার সিং এদিন ২৫ পাতার সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট বর্ধমান সিজেএম আদালতে জমা দেন। এবং সিজেএম চার্জশিট গ্রহন করেছেন।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে ,চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করা, খুন ও খুনের চেষ্টার ধারা দেওয়া হয়েছে। এই খুনের মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৩৬ জনকে সাক্ষী করেছে। চার্জশিটে উল্লিখিত অভিযুক্তদের মধ্যে মোট চারজনের নাম এফআইআরে ছিল, তাঁদের মধ্যে শাহজাহান শা এবং বিভাস বাগ মারা যাওয়ায় তাঁদের নাম চার্জশিট থেকে বাদ গিয়েছে। বাকি যাদের নাম সিবিআইয়ের চার্জশিটে উঠে এসেছে তারা হল সমর ধারা, তরুণ ক্ষেত্রপাল, সোমনাথ শীল ওরফে হেপলো, সমীর বাগ ওরফে মুরুব্বি, সমীর ঘোষ, কুমারেশ ঘোষ, সাগর রায় ওরফে সঞ্জু ও অমরেশ বাগ। এই অভিযুক্তদের কেউই সিবিআইয়ের হাতে ধরা পড়েনি। এদের মধ্যে সোমনাথকে পলাতক দেখানো হয়েছে। তরুণ আগেই পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়। পরে সে জামিনে ছাড়া পায়। দুই সমীর, কুমারেশ, সাগর ও অমরেশ এখনও গ্রেপ্তার হয়নি। তবে তাঁদের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছেন জেলা জজ। গত বছরের ৩ আগস্ট পুলিশ সমর, তরুণ, সোমনাথ ও সমীর বাগের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই বিজেপি কর্মীর মাকে খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয়।সিবিআই জানিয়েছে, বিধানসভা ভোটের ফল বের হওয়ার পরদিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি কর্মী আশিস ক্ষেত্রপালকে সায়েস্তা করতে তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। ঘর ভাঙচুর করা হয়। তাঁকে না পেয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময় স্বামীকে বাঁচাতে যান কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। সামনে পেয়ে তাঁকেও বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি তাঁর গলায় হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারা হয়। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মারধরে জখম আশিসের বাবা ও কাকা মানস ক্ষেত্রপালের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা হয়। এরপরই গ্রামের লোকজন আক্রমণকারীদের তাড়া করে শাহজাহান শা ও বিভাস বাগকে ধরে গনপিটুনি দেয়। তাতে ওই দুজনের মৃত্যু হয়। তদন্ত চলাকালীন সিবিআই খুনে ব্যবহৃত কাস্তে ও কাটারি বাজেয়াপ্ত করে। সেগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে সিবিআই।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

Corona-CBI: করোনার থাবা এবার সিবিআই-ইডি অফিসেও

এবার করোনার থাবা সিবিআই-ইডি অফিসেও। কোভিডের কারণে ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করল কলকাতা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখনও পর্যন্ত ইডি দপ্তরের কেউ আক্রান্ত হননি। তবে আগাম সুরক্ষার কথা ভেবে এই ব্যবস্থা চালু করল ইডি। পাশাপাশি চালু করা হয়েছে ৫০ শতাংশ হাজিরাও। অন্যদিকে, সিবিআই কলকাতা শাখায় ১৩ জন কোভিড আক্রান্ত। সিবিআই-ও ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ভাবনায় রয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, নিজাম প্যালেস ও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স মিলিয়ে ১৩ জন অফিসার করোনা আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সিবিআইয়ের ব্যাংক জালিয়াতি, চিটফান্ড তদন্ত ও দুর্নীতিদমন শাখার অফিসাররা। এই পরিস্থিতিতে ৪০ শতাংশ কর্মী নিয়ে চলবে কাজ। বাকিরা থাকবেন কোয়ারেন্টিনে। সিবিআই-এর দুটি দপ্তরেই স্যানিটাইজেশন করা হবে বলে খবর।ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। পরিসংখ্যান বলছে, একধাক্কায় প্রায় ৩ হাজার বৃদ্ধি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৯ হাজার ৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬ জন করোনা রোগীর। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
দেশ

Shina Bora Murder: জীবিত আছেন শীনা বরা ! হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

শীনা বরা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শীনা বরা বেঁচে আছে! সে কাশ্মীরে রয়েছে। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করে সিবিআই অধিকর্তাকে চিঠি লিখেছেন শীনা বরা হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়।চিঠিতে ইন্দ্রাণী দাবি করেছেন, সম্প্রতি জেলে এক মহিলার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় তাঁর। সেই মহিলা ইন্দ্রাণীকে জানিয়েছেন কাশ্মীরে শীনার সঙ্গে দেখা হয়েছে তাঁর। ওই মহিলার দাবিকে চিঠিতে উল্লেখ করে শীনার খোঁজে কাশ্মীরে অনুসন্ধান চালানোর জন্য সিবিআইয়ের কাছে আর্জি জানিয়েছেন ইন্দ্রাণী। এ প্রসঙ্গে সিবিআই আদালতে একটি আবেদনও করেছেন তিনি।মেয়ে শীনাকে হত্যার অভিযোগে ২০১৫ থেকে মুম্বইয়ের বাইকুল্লা জেলে বন্দি ইন্দ্রাণী। গত মাসেই বম্বে হাইকোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করেছে। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন ইন্দ্রাণী। মেয়েকে খুন করার অভিযোগ ছবছর ধরে জেল খাটা ইন্দ্রাণীর এমন দাবি ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।শীনা বোরা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে আসে ইন্দ্রাণীর গাড়িচালক শ্যামবর রাই গ্রেপ্তার হওয়ার পর। পুলিশের কাছে তিনি জানিয়েছিলেন, শীনাকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন ইন্দ্রাণী। ২০১২-তে নিখোঁজ হয়ে যান শীনা।প্রায় তিন বছর পর ২০১৫-তে শীনার হত্যার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এই ঘটনায় ইন্দ্রাণী, পিটার এবং ইন্দ্রাণীর প্রথম পক্ষের স্বামী সঞ্জীব খান্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০২০-তে জামিন পান পিটার।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

CBI: ভুঁইফোর বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থার মামলায় গ্রেফতার বর্ধমান পৌরসভার প্রশাসক

গ্রেপ্তার হলেন বর্ধমান পুরসভার প্রশাসক প্রণব চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, গতকাল রাতে সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করে। একটি ভুঁইফোর বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থার মামলায় প্রণব চট্টোপাধ্যায়ের (ক্ষুদু) নাম জুড়ে যায়। সেই মামলাতেই তাঁকে বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আজ শুক্রবার সকালে আসানসোল সিবিআই কোর্টে তাঁকে তোলা হয়। এর সাথেই সিবিআইয়ের একটি দল হানা দিয়েছে বর্ধমানে প্রণবের বসতবাড়ি ও ঢলদিঘি সংলগ্ন তাঁর অফিসে। তাঁর অফিসেও দীর্ঘক্ষন তল্লাসি চালায় তদন্তকারি দলটি। সূত্র মারফত জানা যায় বর্ধমান সানমার্গ নামক একটি ভুঁইফোর বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের কারণেই বর্ধমান পুরসভার বর্তমান প্রশাসককে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওই বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থাটি তাঁর ঢলদিঘি অফিসে কিছুদিন ভাড়া ছিল। স্থানীয়দের ধারনা সে কারণেই হয়ত তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়ে গেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের সায়াহ্নে এসে মাত্র চার মাস আগে বর্ধমান পুরসভার প্রশাসক হিসেবে দ্বায়িত্ব পান প্রণব চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রণবকে আসানসোল সিজিএম আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিন দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ নিয়েছে আদালত।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
কলকাতা

Coal Scam: কয়লা পাচার-কাণ্ডে বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই

কয়লা পাচার-কাণ্ডে অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের ভাই বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করা হল। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পরই বৃহস্পতিবার বিকাশকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই।সিবিআই সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতার কারণে বুধবার বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল বিকাশকে। আপাতত সেখানে চিকিৎসাধীন তিনি। হাসপাতাল থেকে বিকাশকে গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।বুধবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত বিকাশের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছিল। সিবিআই আধিকারিকেরা আদালতে জানিয়েছিলেন, শারীরিক অসুস্থতার মিথ্যে কারণ দেখিয়ে জামিন পেয়েছিলেন বিকাশ। এর পর বিকাশের আবেদন খারিজ করে তাঁর বিরুদ্ধে জারি করা হয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

SSC-CBI: এসএসসি নিয়ে এখনই সিবিআই তদন্ত নয়

স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় আপাতত তদন্ত শুরু করতে পারছে না সিবিআই। এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চ যে রায় দিয়েছিল, তাতে তিন সপ্তাহের জন্য স্থগিতাদেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ।স্কুলে গ্রুপ-ডি বা চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগ মামলায় সিবিআইয়ের হাতে প্রাথমিক তদন্ত ভার দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য, স্কুল সার্ভিস কমিশন ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। বুধবার বিচারপতি হরিশ টন্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত শুনানির প্রয়োজন। তাই তিন সপ্তাহের জন্য ওই নির্দেশ স্থগিত থাকবে। এখন এসএসসি ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে সমস্ত তথ্য মুখবন্ধ খামে আদালতের কাছে জমা দিতে হবে। একক বেঞ্চের নির্দেশ মোতাবেক যা সিবিআইয়ের কাছে জমা দেওয়ার কথা ছিল।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
কলকাতা

SSC-CBI: এসএসসি গ্রুপ ডি নিয়োগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

এসএসসি গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ সোমবার এই নির্দেশ দেয়। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের হলফনামার পর সিবিআইয়ের অনুসন্ধানের প্রয়োজন আছে বলেই মনে করছে হাইকোর্ট। সিবিআই কমিটি গঠন করে এই অনুসন্ধান করুক চায় আদালত। এদিন ৫০০ জনের তালিকা জমা নিল আদালত। কবে তাঁরা নিয়োগ হয়েছেন, সেটা জানাতে হবে।এদিন মামলাকারীদের তরফে ৫০০ জনের নামের তালিকা তুলে দেওয়া হয় আদালতে। এদের নিয়োগ নিয়ম বহির্ভূতভাবে হয়েছে বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে এদিন বোর্ডের পক্ষ থেকে হলফনামা জমা পরে। সেখানে বলা হয়, কমিশনের পক্ষ থেকে যে সুপারিশ এসেছিল তার সফট কপি আছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে। তারা গ্রুপ সি ও ডি-র নিয়োগ সেখান থেকেই করেছেন। পেন ড্রাইভে তার তথ্য আছে।এদিন শুনানি চলাকালীন এজলাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একের পর এক তিরষ্কার করেছেন। একদিকে রয়েছে কমিশন, অন্যদিকে বোর্ড। কমিশন যে সুপারিশ করেনি বলে বার বার দাবি করেছে, সোমবার হলফনামা দিয়ে বোর্ড জানাল কী ভাবে সেই সুপারিশ হয়েছিল। পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট জমা পড়েছে আদালতের কাছে। সফট কপি জমা পড়েছে, পেন ড্রাইভ দেওয়া হয়েছে। তার পরও কমিশন কী করে বলছে সুপারিশ করেনি, সে প্রশ্ন ওঠে এজলাসে।বিচারপতি জানতে চান, কমিশনের সুপারিশ যদি না-ই থাকে, তা হলে কার অদৃশ্য হাত এখানে রয়েছে? কার সুপারিশে ২৫ জন চাকরি পেলেন। দুবছর হতে চলল তাঁরা সে চাকরি করছেন। পাশাপাশি বিচারপতি বলেন, এই ঘটনার জন্য তিনি সিবিআই এনকোয়ারি চান। এর কারণ যে রাজ্য পুলিশে অনাস্থা এমনটা নয়। কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলকে তিনি অসম্মান করতে চান এমনও নয়। যেহেতু এ ক্ষেত্রে একটা বড় ষড়যন্ত্র চলছে, মানুষের স্বার্থে তা কখনওই মেনে নেওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে কোথাও গিয়ে সিবিআইয়ের অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে। রাজ্য পুলিশের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের অধীনে তাদের কাজ করতে হয়। তাই তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কথা বলেছেন।

নভেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Ram Rahim: শিষ্য খুনে যাবজ্জীবন সাজা রাম রহিমকে

২০০২ সালে রঞ্জিত সিং হত্যার ঘটনায় ডেরা সাচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং-কে আজীবন কারাবাসের সাজা শোনালো পঞ্চকুলার বিশেষ সিবিআই আদালত।৮ অক্টোবর, ডেরা সাচ্চা সৌদা প্রধান এবং আরও চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ২০০২ সালে সাংবাদিক এবং রাম রহিমের তৎকালীন আপ্ত সহায়ক রঞ্জিত সিংকে হত্যার দায়ে তাকে এই সাজা শোনানো হয়েছে। যাবজ্জীবন কারাবাসের সাথেই তাকে আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, রীতিমতো পরিকল্পনা করেই রণজিৎ সিংকে হত্যা করেন রাম রহিম। রোহতক জেল থেকে রাম রহিম ক্ষমা প্রার্থনা করলেও তাকে তার আবেদন গৃহীত হয়নি। সাধারণ একজন মানুষকে প্রতিকল্পিত হত্যার দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ মঙ্গলেই ইস্তফা বাবুলেরগুরমিত রাম রহিম সিং, জাসবীর সিং, সাবদিল সিং, কৃষ্ণ লাল এবং ইন্দ্র সাইকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) এবং ১২০ বি (ফৌজদারি ষড়যন্ত্র) ধারায় রঞ্জিত সিং হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। জসবীর সিং, কৃষ্ণ লাল এবং ইন্দর সাইকে অস্ত্র আইনেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। যাবজ্জীবন জেলের পাশাপাশি সিবিআই আদালত গুরমিতের ৩১ লক্ষ এবং তাঁর সহ-অপরাধীদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে। প্রায় দু দশকের পুরনো ওই মামলার ষষ্ঠ অভিযুক্ত কিছু দিন আগে মারা গিয়েছেন।রোহতকের সুনারিয়া জেলে বন্দি ধর্মগুরুকে ভিডিও কনফারেন্স শুনানিতেও হাজির করানো হয়েছিল। অশান্তির আশঙ্কায় রোহতক, সিরসা-সহ বিভিন্ন এলাকায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের অগস্ট মাসে আশ্রমের মধ্যে দুই শিষ্যাকে ধর্ষণ এবং এক সাংবাদিককে খুনের মামলায় অপরাধী গুরমিত এখন ২০ বছরের জেলের সাজা ভোগ করছেন।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

CBI Chargsheet: ভোট পরবর্তী হিংসা, চার্জশিট পেশ করল সিবিআই

ভোট পরবর্তী হিংসায় কাঁকুরগাছির অভিজিৎ সরকার মৃত্যুতে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। ২০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার শিয়ালদা আদালতে চার্জশিট জমা করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। খুন, লুঠের ধারায় চার্জশিট জমা পড়েছে। উল্লেখ্য, গত সোমবারই অভিজিৎ সরকারের মা ও দাদাকে শিয়ালদা আদালতে নিয়ে যায় সিবিআই। অভিজিতের মায়ের গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়।আরও পড়ুনঃ কাটোয়ায় কর্মীসভা থেকে দলের জেলা সভাপতিকে হুমকি অনুব্রত ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতারভোট গণনার পরের দিনই মৃত্যু হয় বেলেঘাটার বাসিন্দা বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। তদন্তের স্বার্থে তাঁর দেহ সৎকার করা হয়নি। ১৩৬ দিন পর সৎকারের অনুমতি পায় পরিবার। ভোটের দিন গলায় তার পেঁচানো উদ্ধার হয় অভিজিৎ সরকারের মৃতদেহ। তাঁর পরিবার প্রথম থেকেই দাবি তোলে, বিজেপি করার অপরাধে অভিজিৎকে খুন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে নিহতের পরিবার। চলতি মাসের ৫ তারিখেই অভিজিতের বাড়িতে যান সিবিআই আধিকারিকরা। অভিজিতের মায়ের বয়ান রেকর্ড করা হয় বলে সূত্রের খবর। ফের সিবিআইয়ের কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে বিশ্বজিৎ নালিশ জানান আধিকারিকদের কাছে।সম্প্রতি অভিজিৎ সরকারের এই মোবাইল ফোন নিয়ে সিবিআই দফতরে গিয়েছিলেন দাদা বিশ্বজিৎ। বিশ্বজিতের বক্তব্য, অভিজিৎ সম্ভবত আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, তিনি খুন হতে পারেন। সেই জন্যই নিজের মোবাইল ফোন লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে মনে করছেন বিশ্বজিৎ। সূত্রের খবর, মোবাইল ফোনে অভিজিতের মৃত্য়ুর আগের মুহূর্তের বেশ কিছু ভিডিও রয়েছে। সেগুলি তদন্তকারীদের কাজে লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্বজিৎ। সেই ভিডিও নিয়েই সম্প্রতি সিবিআই দপ্তরে হাজির হন তিনি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Coal Scam-CBI arrest: কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে প্রথম গ্রেপ্তার লালা-ঘনিষ্ঠ ৪

কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে এই প্রথম গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-র। সোমবার ওই দুর্নীতি মামলায় চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। ধৃতেরা সকলেই কয়লা মাফিয়া বলে অভিযোগ।সিবিআই কয়লা-কাণ্ডের তদন্তভার নেওয়ার পর থেকে এই প্রথম গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটল। সোমবার জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ নন্দ, গুরুপদ মণ্ডল এবং নীরদ মণ্ডল নামে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, কয়লাপাচার-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার সহযোগী হিসাবেই কাজ করত ওই চার জন। তদন্তকারীদের ধারণা, ধৃতেরা বহু দিন ধরেই ওই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাদের দায়িত্ব ছিল মূলত পরিত্যক্ত খাদান থেকে কয়লা তোলা এবং তা বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো। তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক স্তরের পাশাপাশি প্রভাবশালী কেউ জড়িয়ে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের থেকে বহু তথ্য মিলবে বলেই সিবিআইয়ের ধারণা।আরও পড়ুনঃ কৃষি আইনের বিরোধিতায় পালিত হচ্ছে ভারত বনধ, প্রভাব পড়েছে রাজ্যেও মঙ্গলবার আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ধৃতদের তোলা হবে। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। ওই কাণ্ডের তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-ও। প্রায় এক বছর হতে চলল কয়লাকাণ্ডের তদন্তভার হাতে তুলে নিয়েছে সিবিআই। তবে এতদিন ঢেলে তদন্ত করলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। এই প্রথম কয়লাকাণ্ডে গ্রেপ্তারি। তাও একই সঙ্গে চারজন। অভিযোগ, প্রত্যেকে লালার সিন্ডিকেটে যুক্ত। অর্থাৎ, কয়লা কোথায় পাচার করা হবে। কত টাকায় রফা হবে, কে কী ভাবে কয়লার টাকা দেবেন বা নেবেন সবটাই নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ধৃতদের। সিন্ডিকেটের একেবারে শীর্ষ পদে ছিলেন এই জয়দেব, নীরদ, নারায়ণ, গুরুপদ। অভিযোগ, শুধু সিন্ডিকেটই নয়, লালার আরও একাধিক বেআইনি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন চারজন। মূলত, এই ব্যবসায় কয়লা পাচারের টাকা খাটানো হতো বলে অভিযোগ। সেই ব্যবসায় ডিরেক্টর পদে নাম রয়েছে চারজনের। সিবিআই এর আগেও বহুবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তাঁদের। কোনও বারই সন্তোষজনক জবাব পায়নি।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

CBI Burdwan: আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআই

খুনের মামলা রুজু করেই বর্ধমানের কাঞ্চননগরের বিজেপি কর্মী নারায়ণ দের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেদিল সিবিআই।খুনের মামলা রুজু করার বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানান সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। তার পর এদিনই সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের তদন্তকারী দল শুরু করে দিলেন বিজেপি কর্মী নারায়ন দে কে খুনের ঘটনার তদন্ত।নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথাসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণ কে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণ সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

CBI: বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনায় পৃথক মামলা রুজু সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে নেমে আবারও একটি খুনের মামলা রুজু করল সিবিআই। এবার সিবিআই বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মী নারায়ণ দে-কে পিটিয়ে মারার ঘটনা নিয়ে খুনের মামলা রুজু করল। মামলা রুজুর বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছেন সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ বিরলতম ঘটনা, পুরুলিয়া সূচকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণকে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএকই ভাবে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই জেলার জামালপুরের নবগ্রামে বিজেপি নেতার মাকে খুনের ঘটনারও তদন্ত চালাচ্ছে। তবে এই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের তিন জনের আগাম জামিন এদিন মঞ্জুর করে বর্ধমান আদালত। গ্রেপ্তারি এড়াতে নবগ্রামের বাসিন্দা কুমারেশ ঘোষ, সমীর ঘোষ ও অমরেশ বাগ জেলা জজের আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি হয়। অভিযুক্তদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস আদালতে সওয়াল পর্বে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তিনজনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনজনের কেউ এই ঘটনায় জড়িত নয়। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরাও জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন। সিবিআইনের আইনজীবী বলেন, অভিযুক্তরা জামিন পেলে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে পারে। মামলা প্রভাবিত হতে পারে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্তদের জামিন দিলে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সিবিআইয়ের আইনজীবী আদলতে দাবি করেন। যদিও সিবিআইয়ের বক্তব্যকে আমল না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা বিচারক অর্জুন মুখোপাধ্যায় ৩ জনের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুনঃ খড়দায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাবা-মা-ছেলেরসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের ফল বের হওয়ার পর দিন অর্থাৎ গত ৩ মে দুপুরে নবগ্রামে বিজেপির শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আশিসের বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময়ে স্বামীকে বাঁচাতে গেলে কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)-কে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর গলায় ভোজালির কোপ মারা হয়। কাকলিকে জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার কথা জানিয়ে কাকলির প্রতিবেশী মামণি ক্ষেত্রপাল জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এই খুনের মামলারও তদন্ত চালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

CBI: সিবিআই জেরার মুখে মমতার নির্বাচনী এজেন্ট

বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতির মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তলব করেছিল তাঁকে। বৃহস্পতিবার সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট শেখ সুফিয়ান। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা নাগাদ তিনি হলদিয়া পোর্ট ট্রাস্টের গেস্ট হাউসে গিয়েছেন। তার আগে সুফিয়ান বলেছেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার নাম জড়াতে চাইছে। তবে আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। আমার লড়াই করার সাহস আছে।আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশউল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় প্রাণ হারান নন্দীগ্রামের চিল্লোগ্রামের বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতি। ভোটের ফল ঘোষণার পর দিন তাঁর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। সেই হামলাতেই দেবব্রত জখম হন বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় কলকাতায় নিয়ে গেলে, দুদিন পরই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় পুলিশে কোনও অভিযোগ জানানো হয়নি। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। তাঁদের কাছেই দেবব্রতের মৃত্যুর ঘটনায় সুফিয়ান-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার নামে অভিযোগ জানানো হয়।কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। দেব্রব্রতের মৃত্যুর মামলায় মূল অভিযুক্তের তালিকায় সুফিয়ানের নাম থাকায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হলদিয়ায় ডেকে পাঠায়। সেই মতো বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়েছেন ওই তৃণমূল নেতা। সেখানে গিয়ে সিবিআইয়ের সঙ্গে সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Partha Chatterjee: ফের পার্থকে সিবিআই তলব

ফের একবার অর্থলগ্নিকারী সংস্থা আইকোর সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করল সিবিআই। তৃতীয়বার তাঁকে হাজিরার নোটিস দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কলকাতায় সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে হবে। এর আগেও পরপর দুবার তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের আগে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে সেই হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। ভোট মিটে গেলে হাজিরা দেবেন বলে জানিয়েছিলেন পার্থ। তাই ফের একবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে তলব করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিভুঁইফোড় অর্থলগ্নিকারী সংস্থা আইকোর-এর একটি অনুষ্ঠানে তাঁকে উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, ওই সংস্থার কর্তাদের ভূয়ষী প্রশংসাও করতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। কেন রাজ্যের একজন বিধায়ক তথা প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে এরকম একটি অনুষ্ঠানে হাজির হলেন তিনি, তা নিয়েই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। তাই চলতি সপ্তাহেই তাঁকে নোটিস দেওয়া হল। এই নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য সিবিআই নোটিস পেলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এবার তিনি হাজিরা দেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

CBI: বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রামে খুন হন বিজেপি নেতার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। হাইকোর্টের নির্দেশে এই খুনের মামলার তদন্তে নেমে ধৃতদের বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করলো সিবিআই। অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার কথা সিবিআই রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছে। সিআইয়ের দাবি, তল্লাশীতে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে তরোয়াল, কাস্তে ও কাটারি। এরআগে পুলিশও বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সহ সব কিছু নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে সোমবার বর্ধমান আদালতে আবেদন জানিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী ইন্সপেক্টার অরুন কুমার সিং। বিজেপি কর্মীর মা-কে খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে সিবিআইয়ের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই নবগ্রাম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ ৩ মে দুপুরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে। আশিসের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি টাঙি দিয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামী অনিল ক্ষেত্রপালকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি ক্ষেত্রপালও আক্রান্ত হন। নির্মম মারধর ও ভোজালির আঘাতে কাকলিদেবী মারাত্মক জখম হন। একই হামলায় জখম হন আশিস ক্ষেত্রপালেরকাকা মানস ক্ষেত্রপালও। জখমদের সকলকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাকলি ক্ষেত্রপালকে মৃত ঘোষণা করেন। জখম আশিসের বাবা ও কাকাকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিজেপি শক্তিপ্রমুখের বাড়িতে হামলা-আক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই আশপাশ থেকে বিজেপির কর্মীসমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌছে তৃণমূলের লোকজনকে ঘিরে ফেলে। ওই সময়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘের্ষ তৃণমূলের দুই কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু ও বিভাস বাগ গুরুতর জখম হন।তাঁদের ওইদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করার কিছু সময় পর তাঁরাও মারা যান।আরও পড়ুনঃ আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?রাজনৈতিক হিংসায় একই দিনে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই তরফের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর থানার পুলিশ পৃথক দুটি মামলা রুজু করে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকে যদিও বাড়ি ছাড়া থাকে আশিস ক্ষেত্রপাল পাল। পুলিশ পরের দিন ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্ত সম্পূর্ণ করে পুলিশ গত ৩ অগস্ট আদালতে চার্জশিটও পেশ করে দেয়। পুলিশি তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে বিজেপি নেতা আশিস ক্ষেত্রপাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোটপরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। তদন্তের জন্য সিবিআই আধিকারিক দল ২৯ আগষ্ট প্রথম নবগ্রামে পা রাখে। তাঁর পর থেকে বেশ কয়েকদিন ধরে সিবিআই দল নবগ্রাম এলাকাচষে বেড়ায়। সিবিআইয়ের ফরেন্সিক টিমও নবগ্রামে তদন্তে যায়। কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সকল সদস্যের পাশাপাশি এলাকার বেশ কয়েকজনের বয়ানও সিবিআই আধিকারিকরা নথিুভুক্ত করেন। তারই মাঝে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়েও এদিন আদালতে দাবি জানালো সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

CBI: নবগ্রামের ফেরার তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি সিবিআইয়ের

রাজনৈতিক হিংসায় বিজেপি নেতার মায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে রবিবার ফেরার তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঢুকে তল্লাশি চালালো সিবিআই।সিবিআইয়ের এই অতি সক্রিয়তায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের নবগ্রামে। সিবিআইয়ের এই অতি সক্রিয়তা জামালপুরের শাসক দলের নেতা কর্মীদের দুশ্চিন্তাও যথেষ্টই বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছেন সিবিআই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে তদন্ত করেছে।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরদিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম। ওই দিন নিহত হন নবগ্রামের বিজেপি শক্তি প্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। ওই রাজনৈতিক হিংসায় দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু (৩০) এবং বিভাষ বাগ ওরফে বিনোদ (২৭) নিহত হন। নিহতদের মধ্যে কাকলি ও বিভাসের বাড়ি নবগ্রামে।অপর নিহত শাজু শেখের বাড়ি জামালপুর থানার ভেড়িলি গ্রামে। রাজনৈতিক হিংসার এই ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে পরদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করে। ধৃতদের মধ্যে ১০ জন ছিল বিজেপি সমর্থক। একজন ছিল তৃণমূল কর্মী। মা কাকলি ক্ষেত্রপালের মৃত্যুর বিষয়ে জাতীয় মাণবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায় ছেলে আশিস ক্ষেত্রপাল। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় কাকলি ক্ষেত্রপালের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই।আরও পড়ুনঃ ৩৭ বছর বয়সেও চমক দেখিয়ে চলেছেন সুনীল ছেত্রীজামালপুরের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য গত ২৯ আগষ্ট সিবিআই দল প্রথম পা রাখে নবগ্রামে। তার পর থেকে এক প্রকার নবগ্রামের মাটি কামড়ে পড়ে আছে সিবিআই দল। এখনও পর্যন্ত পাঁচ দিন সিবিআই দল নবগ্রামে তদন্তে গিয়েছে। নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবার সদ্যসদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি এলাকার মানুষজনের সঙ্গেও কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকরা। এলাকার ভিডিওগ্রাফিও করেন। ১ সেপ্টেম্বর ফরেন্সিক টিম নিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা নবগ্রামে পৌছান। তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে মাটি ও অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করেন। এদিন বেশ কিছু কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে সিবিআইয়ের তিনটি দল বেলায় নবগ্রামে পৌছায়। তাঁরা নবগ্রামের ঘোষ পাড়া ও ওড়িষ্যা পাড়ার ফেরার তৃণমূল কর্মী সোমনাথ শিল, অমরেশ বাগ, সাগর রায়, কুমারেশ ঘোষ ,সমীর ঘোষ,সমর ধাড়া ও সমীর বাগের বাড়িতে পৌছে গিয়ে তল্লাশী চালান। পরে জামালপুর থানাতে গিয়েও সিবিআই আধিকারিকরা রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার মামলার নথিপত্র খতিয়ে দেখতে যান বলে জানা গিয়েছে। সিবিআইয়ের এই সক্রিয়তা নিয়ে জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারা অবশ্য কোন মন্তব্য করতে চাননি।আরও পড়ুনঃ জনতার কথা-র মুখোমুখি অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের ছেলে আশিস ক্ষেত্রপাল ঘটনার দিনের পর থেকে বাড়ি ছাড়া রয়েছেন। এদিন আশিষ ক্ষেত্রপালকে ফোন করা হলে তিনি বলেন,, ভোটের ফল প্রকাশের পরদিন পরিকল্পনা মাফিক তৃণমূলের লোকজন তাঁদের বাড়ি আক্রমণ করে। সেই সশস্ত্র আক্রমণে তাঁর মা কাকলি ক্ষেত্রপাল মারা যান। মারাত্মক জখম হয়ে তাঁর বাবা অনীল ক্ষেত্রপাল চলার শক্তি হারিয়েছেন। আশিস অভিযোগে বলেন , হামলা আক্রমণের বিষয়ে তাঁর পরিবার যে অভিযোগ থানায় জমা দিতে দিয়েছিল তা পুলিশ গ্রহন করেনি। অভিযুক্ত অনেকে এখনও এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই অবস্থায় পুলিশি তদন্তে সুবিচার মিলবে না বুঝে তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আশিস এদিন দাবি করেন,সিবিআই যে ভাবে তদন্ত করছে তার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা সুবিচার পাবেন বলে আশা করছেন। একই দাবি করেছেন নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের স্বামী অনিল ক্ষেত্রপাল।আরও পড়ুনঃ ৭৭ থেকে কমে ৭১! ফের ভাঙন বিজেপি শিবিরেসিবিআইয়ের এই তদন্তকে যদিও পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, একই দিনে নবগ্রামে দুই তৃণমূল কর্মীও খুন হন। অথচ সিবিআই আধিকারিকরা নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু নিয়ে কোন তদন্তই করছে না। শুধুমাত্র বিজেপি কর্মী পরিবারের মহিলার মৃত্যু নিয়েই তদন্ত করে যাচ্ছে। এর থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণদিত ভাবেই হচ্ছে সিবিআই তদন্ত।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

CBI Visit: নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমে

হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য রবিবার পূর্ব বর্ধমানে পা রাখলো সিবিআই দল। চার সদস্যের সিবিআই আধিকারিকের দলটি এদিন দুপুরে পৌছান জেলার জামালপুর থানার আঝাপুর পঞ্চায়েতের নবগ্রামে।সিবিআই তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে জেলার শাসক দলের নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছেন। তেমনি নবগ্রামের নিহত বিজেপি সমর্থকের পরিবার সদস্যরা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।আরও পড়ুনঃ যাত্রা শুরু ভিস্তাডোমের! তিস্তার বুক চিরে, ডুয়ার্সের চা-বাগানের ঘ্রাণ নিয়ে, সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে ঝর্ণায় মন ভিজিয়ে গহন জঙ্গলের পথেবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুর থানার নবগ্রাম। সেই হিংসার ঘটনায় নিহত হন দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু (৩০) এবং বিভাষ বাগ ওরফে বিনোদ (২৭)। একই হিংসার ঘটনায় ওই দিন প্রাণ হারাণ নবগ্রামের বিজেপি শক্তি প্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের মা কাকলি ক্ষেত্রপাল। নিহতদের মধ্যে কাকলি ও বিভাসের বাড়ি নবগ্রামে।অপর নিহত শাজু শেখের বাড়ি জামালপুর থানার ভেড়িলি গ্রামে। রাজনৈতিক হিংসার এই ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার কেরে পরদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করে। ধৃতদের মধ্যে ১০ জন বিজেপি সমর্থক। একজন ছিল তৃণমূল কর্মী।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!সিবিআই আধিকারিকরা এদিন নিহত বিজেপি সমর্থক কাকলি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। পরে তাঁরা যান নবগ্রামের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা নিয়ে পুলিশের সাক্ষী করা এলাকার বাসিন্দা মামনি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে। নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলে সেদিনের ঘটনা নিয়ে জানতে চান। মামনি ক্ষেত্রপাল যদিও সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়ে দেন, তিনি ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতেও ছিলেন না বলে সিবিআই আধিকারিকদের জানান। একই সঙ্গে মামনিদেবী সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পুলিশ কেন- কি জন্য তাঁকে সাক্ষী করেছে তার বিষয়েও তিনি কিছুই জানেন না। এনাদের বক্তব্য নথিভুক্ত করার পাশাপাশি ভিডিওগ্রাফিও করেন সিবিআই আধিকারিকরা। কড়া পুলিশি পাহারায় এই দু জনের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা নবগ্রাম ছাড়েন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের স্বামী অনিল ক্ষেত্রপাল জানান, তিনি সিবিআই অফিসারদের জানিয়েছেন তাঁর ছেলে আশিষ বিজেপি পার্টি কর। সেই কারণে তৃণমূলের লোকজন তাঁর ছেলেকে ও তাঁদের শত্রু বানিয়ে ফেলে। ভোটের ফল বের হওয়ার পরদিন তৃণমূলের সশস্ত্র দুস্কৃতিরা তাঁর ছেলের বাড়িতে আক্রমণ করে। ছেলেকে না পেয়ে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী কাকলিকে মারধোর শুরু করেদেয়। তারা টাঙ্গি দিয়ে তাঁর পায়ে মারে। ওই সময়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি তাঁকে বাঁচাতে গেলে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকেও আঘাত করে। তার জেরে কাকলি প্রাণ হারায়।মারধরে মারাত্মক জখম হয়ে এখন সাবলিল ভাবে পায়ে হেঁটে চলার শক্তি হারিয়েছেন বলে অনিল ক্ষেত্রপাল জানান।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরঅনিলবাবুর ছোট ছেলে, নবম শ্রেণির ছাত্র দীপঙ্করের সঙ্গেও সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলেন। কাকলিদেবীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন আশিস এখনও ঘরছাড়া হয়ে রয়েছে। তবে আক্ষেপ প্রকাশ করে অনিলবাবু বলেন, আমার সিবিআই কর্তাদের আরও অনেক কথা বলার ছিল। কিন্তু ওনারা আমাদের সব কথা সেই ভাবে শুনতেই চাইলেন না। এদিন নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যদিও যাননি সিবিআই আধিকারিকরা। তা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নিহত তৃণমূল কর্মীদের পরিবার।নিহত বিভাস বাগ ও শাজাহান শেখের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সিবিআই তাঁদের বাড়িতে না আসা থেকেই প্রমাণ হয়ে গেল সিবিআই পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে কাজ করছে। সিবিআই কেন তাঁদের কথা শুনবে না সেই প্রশ্ন এদিন তুলেছেন নিহত তৃণমূল কর্মী বিভাস বাগের স্ত্রী ঝর্ণাদেবী।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রজেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, সিবিআই বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলেই নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে কথা বলার সদিচ্ছা দেখায় নি । যদিও জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিবিআই তদন্ত হওয়ায় তৃণমূল অশনি সংকেত দেখছেন। সে জন্যই এই সব মন্তব্য করছেন তৃণমূলের নেতারা।ভোট পরবর্তী হিংসায় জেলার কেতুগ্রাম থানার শ্রীপুর গ্রামের নিহত বিজেপি কর্মী বলরাম মাজির বাড়িতেও এদিন সন্ধ্যায় যায় ৪ সদস্যের সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। তাঁরা নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। নিহতের মা টুম্পা মাজি কেতুগ্রাম থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন সিবিআই আধিকারিকদের কাছে। ছেলের হত্যার সুবিচার চেয়ে টুম্পাদেবী সিবিআই আধিকারিকদের কাছে আর্জিও জানান।

আগস্ট ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্য জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক মল্লিক এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি শুভেন্দু জানা। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর শুভেন্দু দ্বিবেদী, বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট আদিত্য পাল, সুখদেব, অতনু, অনিন্দ্য-সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal