• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CBI

কলকাতা

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ফের কাজে যোগ দিলেন আইপিএস মির্জা

নারদা-কাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে কারাবাস করেছেন। ব্যারাকপুরে এক সাব ইন্সপেক্টরের আত্মহত্যা জনিত মৃত্যুতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। অবশেষে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এবার ফের কাজে যোগ দিলেন আইপিএস সৈয়দ মহম্মদ হুসেন মির্জা (এসএমএইচ মির্জা)। আপাতত ভবানীভবনে ওএসডি পদে যোগ দিচ্ছে। জানা গিয়েছে৷ আদালতের নির্দেশে মির্জা চাকরি ফিরে পেয়েছেন মাসখানেক আগেই। নির্দেশমতো তাঁর নিয়োগে ছাড়পত্র দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। এর আগে তিনি পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপারের পদে ছিলেন। তাঁর যাবতীয় বকেয়া অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার জন্য আদালত রাজ্য সরকারকে নির্দেশও দিয়েছে।নারদায় প্রকাশিত ভিডিওয় তাঁর নাম উঠে এসেছিল অন্যতম অভিযুক্ত মুকুল রায়ের মুখে। পাশাপাশি, তাঁকেও নারদার ভিডিওতে দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, সিবিআই তদন্তে তিনি প্রকৃত তথ্য জানিয়ে দিয়েছেন।সূত্রের খবর, তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল ব্যারাকপুরের এক সাব ইনস্পেক্টরের আত্মহত্যার ঘটনায়। মৃত পুলিশ আধিকারিকের পরিবারের দায়ের করা অভিযুক্তের তালিকায় মির্জার নাম ছিল। কিন্তু দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন। কোনওরকম হাল ছাড়েননি এই আইপিএস। পালটা আইনি লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। অবশেষে তার সুফল পেলেন। বৃহস্পতিবার তাঁর নিয়োগ নিয়ে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য পুলিশের কর্মীবর্গ বিভাগ।

জুন ২৩, ২০২৩
রাজ্য

রাজু ঝা খুনের ঘটনায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

কয়লা মাফিয়া দুর্গাপুরের বাসিন্দা রাজু ঝা খুনের মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। চার মাসের মধ্যে তদন্ত করে আদালতে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এই ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। বর্ধমানের শক্তিগড়ে ল্যাংচা হাবের সামনে গাড়ির মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন রাজু ঝা। গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজু। বামফ্রন্ট আমলে তাঁর বেআইনি কয়লার রমরমা কারবার চলত। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজু ঝা গ্রেফতারও হয়েছিলেন। গত ১ এপ্রিল খুন হয়েছিলেন কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা। তাঁর গাড়িতে ছিলেন গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের আব্দুল লতিফ। কয়লা মাফিয়া ও গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত একই গাড়িতে কেন? উঠেছে এই প্রশ্ন। তাহলে রাজুর সঙ্গে লতিফের সঙ্গে কি লেনদেনের সম্পর্ক ছিল? তাও খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিবিআইকে চার মাসের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজ্য

রুজিরাকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ, আগামী সপ্তাহে তলব অভিষেককে

সাড়ে চার ঘন্টা পর সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে। কয়লা পাচার মামলায় ইডি তলব করেছিল অভিষেক-জায়াকে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি প্রবেশ করেন সিজিওতে। দিল্লি থেকে আসা ইডি অফিসাররা রুজিরাকে প্রশ্ন করেছেন। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে রুজিরাকে দিল্লির সদর দফতরে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেক্ষেত্রে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশেই রুজিরাকে কলকাতার দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলা হয়েছিল ইডিকে।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, আমার পারিবারিক বিষয় নিয়ে কোনও কথা বলব না। ও (রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভালো মেয়ে, নিরাপরাধ মেয়ে, সৎ মেয়ে, প্রাপ্ত বয়স্কা। শুধু বলব ইডি বাঘ নাকি? ইডি দেশের জনগণের সেবার জন্য, বিজেপির সেবা করার জন্য নয়।এরপরই এদিন বিকালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। আগামী মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গত, ওইদিনই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের।আজ, বৃহস্পতিবারই ইডির নোটিস, মঙ্গলবার অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি । কুন্তলের চিঠি ছাড়াও একাধিক তথ্যকে সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চায় ইডি। গত ২০ মে কুন্তলের চিঠির প্রেক্ষিতে অভিষেককে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।সমন পাওয়ার পর অভিষেক জানিয়ে দিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোট শেষ হওয়ার পর ইডি তলব করলে তিনি যাবেন। এখন ১০-১২ ঘন্টা সময় নষ্ট করতে পারবেন না।

জুন ০৯, ২০২৩
রাজ্য

পুরসভা-নগরোন্নয়ন দফতরে সিবিআই, করমন্ডলের দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিষ্ফোরক মমতা

রেল দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্ত শুরু হওয়ার পরের দিনই রাজ্যের ১৪টি পুরসভা ও সল্টলেকের নগরোন্নয়ন দফতরে হানা দেয় সিবিআই। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে করমন্ডল এক্সপ্রেসে নিহতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সাহায্য দেয় রাজ্য সরকার। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন সিবিআই তদন্ত নিয়ে। করমন্ডল এক্সপ্রেসে সিবিআই তদন্ত প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এতবড় ঘটনা কী করে ধামাচাপা দেওয়া যায় তার প্রচেষ্টা চলছে। কেন দুর্ঘটনা ঘটল, কেন এত লোক মারা গেল? ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সঠিক তদন্ত হল না। কোনও এভিডেন্স নেই। এদিকে সিবিআই নগরোন্নয়ন দফতরে ঢুকে গেছে। এখন কি বাথরুমেও ঢুকবে? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এসব করে ধামচাপা দেওয়া যাবে না। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে চাঁদের চূড়ান্ত শাস্তি হোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কর্পোরেশনে জল,কল দেখতে গেলে আগামী দিন কিন্তু ভয়ঙ্কর হবে, হুঁশিয়ার দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, টাকা দয়া করে দিচ্ছেন না। আমরা ১৫ লক্ষ টাকা দিতাম। আমরা এক্সট্রা করছি(রাজ্য সরকার)।

জুন ০৭, ২০২৩
রাজনীতি

টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ, অভিষেক বললেন, ‘নির্যাসশূন্য। শুভেন্দুকে কেন ডাকছে না সিবিআই?’

রাজ্য়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। শনিবার সকাল ১১টায় নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে ঢোকেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েছেন রাত 8টা 40 মিনিটে। জিজ্ঞাসাবাদের পরই সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শূন্য। আমারও সময় নষ্ট। তদন্তকারীদেরও সময় নষ্ট। অযথা তাঁকে ডাকা হয়েছে বলে এদিনও দাবি করেন অভিষেক। পাশাপাশি অভিষেক তুলোধোনা করেন বিজেপির। নাম না করে তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। অভিষেক বলেন, প্রথম দিন থেকেই আমাকে টার্গেট করেছে। বিজেপির জন্য এক আইন, আমার জন্য এক আইন। আমি দিল্লির পোষা কুকুর হয়ে থাকব না। আমরা বশ্যতা স্বীকার করব না। সর্বভারতীয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি লাগিয়েও মাথানত করাতে পারছেন না। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার হয়ে থাকব। সব চোর, দুর্নীতিগ্রস্ত বিজেপির সম্পদ। অভিষেকের প্রশ্ন, সুদীপ্ত সেন চিঠি লিখে অধীর, সুজন, শুভেন্দুর নাম বলেছে। একজনকেও ডাকা হয়েছে? সুদীপ্ত সেনের চিঠির ভিত্তিতে কেন শুভেন্দুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না? প্রসন্ন রায়ের বাড়িতে দিলীপের দলিল, তাঁকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ নয়? নারদায় টাকা নিতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে, তাঁকে ডাকা হয়েছে?তদন্ত প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, যাঁদের নাম জিজ্ঞাসা করছেন, তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদে। পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদে দলের দায়িত্বে কে ছিলেন? অথচ, শুভেন্দু অধিকারীকে ডাকছে না। তদন্ত চলছে এর থেকে বেশি বলা যাবে না বলেও জানিয়ে দেন অভিষেক।

মে ২০, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি আটকাতেই অভিষেককে তলব, দাবি মমতার

সিবিআইয়ের তলবে নবজোয়ার কর্মসূচি ছেড়ে কলকাতামুখী হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর ফলে বাঁকুড়ার পাত্রসায়রে নবজোয়ার কর্মসূচিতে ভার্চুয়াল ভাষণ দিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর দাবি, অভিষেককে বিজেপি ভয় পায়, তাই নবজোয়ার কর্মসূচি আটকাতেই ওকে ডাকা হয়েছে। কিন্তু অভিষেককে ডেকে নবজোয়ার যাত্রা বন্ধ করা যাবে না।বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেছেন মমতা{ তিনি বলেন, সিবিআই, ইডি তৃণমূলকে ভয় পায়। অভিষেককে বিজেপি ভয় পায়। নবজোয়ার কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করছে বিজেপি। কিন্তু অভিষেককে তর্জন, গর্জন করে আটানোর চেষ্টা করে কিছু করতে পারবে না। তৃণমূল কংগ্রেস শুধু জনগণের পরিবার। তারপরেই তৃণমূল নেত্রী বলেন, বিজেপিকে দেশ থেকে না তাডা়নো পর্যন্ত লড়াই থামাব না। তৃণমূল বিজেপির কাছে মাথা নত করবে না। অভিষেককে আটকালে আমি নবজোয়ারে যাব। এত মার খেয়েও আমি এখনও যা করতে পারি, বিজেপির ট্রাবল ইঞ্জিন তা করতে পারে না। বিজেপি নেতারা আমার দল, আমার পরিবারের পিছনে লেগে আছে। মমতার কথায়, একটা ছেলে ২৫ দিন ধরে বাইরে। ঠিক করে খাওয়া, ঘুম হয়নি।শিক্ষক নিয়োগ মামলায় কুন্তল ঘোষের চিঠির জেরে শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে নোটিস দিয়েছে সিবিআই। শনিবার সকাল ১১ টায় নিজাম প্যালেসে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মে ১৯, ২০২৩
রাজনীতি

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেককে তলব সিবিআইয়ের, তৃণমূলের 'যুবরাজ' বাঁকুড়া থেকে কলকাতায়

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন তিনি নবজোয়ার কর্মসূচিতে বাঁকুড়ায় ছিলেন। শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে কলকাতার নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। ইতিমধ্যে বাঁকুড়া থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। বাঁকুড়ার জনসভায় অভিষেক হাজির না থাকায় বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবারই হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল কুন্তল ঘোষ ও অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারবে সিবিআই। আর সেই নির্দেশের পরের দিনই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলব পাওয়ার পর সংবাদ মাধ্যমের কাছে তিনি বলেছেন, একটা ডেভালপমেন্ট আছে। আমি আজ কলকাতায় ফিরব। অভিষেক তখন বাঁকুড়ায় ছিলেন। এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ সিবিআইয়ের নোটিস পেয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তারপরেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন কলকাতায় ফিরবেন।কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ছিল, ধৃত কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে অভিষেককে জেরা করা উচিত। সেই মামলা সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে হাইকোর্টে ফিরে আসে। বেঞ্চ বদল হয়। মামলার শুনানি যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। তিনি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ই বহাল রাখেন। বিচারপতি বদলালেও বিচার বদলায়নি। সেইসঙ্গে আদালতের সময় নষ্ট করার জন্য অভিষেক ও কুন্তলকে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।গতকালের ওই নির্দেশের পর পশ্চিম বর্ধমান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, আমরা পালিয়ে যাওয়ার লোক নই। মাথা উঁচু করে থাকা লোক। তদন্তের মুখোমুখি হতে আমরা ভয় পাই না। ডিভিশন বেঞ্চ বা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ভাববো। একজন নাগরিক হিসাবে সেই রাস্তা আমার সামনে খোলা আছে। তবে তদন্ত এজেন্সিকে আমি সবসময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। যদি আমায় সমন পাঠানো হয় তাহলে দরকারে আমি জনসংযোগ যাত্রা একদিন থামিয়ে আমি তদন্তে সাহায্য করে আসব।বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের পর ডিভিশন বেঞ্চে আপিলও করেছিলেন অভিষেক। তবে শুক্রবার ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খান তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। দ্রুত বিচারের প্রক্রিয়া মানল না হাইকোর্ট। মামলা ফিরে যায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। নতুন বেঞ্চ তৈরি হলে শুনানি হবে বলে জানায় হাইকোর্ট।

মে ১৯, ২০২৩
রাজনীতি

সিবিআইয়ের হানায় বেকায়দায়! বীরভূমে নয়া দলের ঘোষণা প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতির

শনিবার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের তল্লাশি, রবিবার অনুব্রত মন্ডলের জেলায় নয়া দল গঠন। এই দেশে যে কত কিছুই সম্ভব তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সারদা-কাণ্ডের তদন্তের সময় জোর জল্পনা ছিল মুকুল রায় নতুন দল গঠন করবেন। কিন্তু সেই রাস্তায় যেতে দেখা যায়নি তৎকালীন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে। সোজা দিল্লি গিয়ে গেরুয়া উত্তরীয় পরেছিলেন মুকুল। কিন্তু এবার সিবিআইয়ের নজরে থাকা তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি বিভাস চন্দ্র অধিকারী নতুন দল গঠন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। রবিবার বিকেলে নলহাটির কৃষ্ণপুর গ্রামে তাঁর ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের আশ্রমেই নতুন দলের আত্মপ্রকাশ করেন। নতুন দলের নাম দেওয়া হয় সাড়া ভারত আর্য মহাসভা।নয়া দল ঘোষণার পর বিভাস চন্দ্র অধিকারী বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে কোন দলের ক্ষতি হবে বা কোন দলের লাভ হবে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। তবে দলের মূল লক্ষ্য হবে আর্য ভারত গঠন। মানুষকে সঠিক দিশা দিতে দল কাজ করে যাবে। বিভাসবাবু জানান, কয়েক দিনের মধ্যে বীরভূম জেলায় একটা সভা করার পর কলকাতার বুকে সভা হবে।এদিনের বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যাদের অধিকাংশই তৃণমূল কর্মী সমর্থক। তবে লাভ ক্ষতি ভাবতে চান না দলের নয়া সর্বভারতীয় সভাপতি বিভাস চন্দ্র অধিকারী। তিনি বলেন, আমাদের দলে যে কেউ আসতে পারে। আমরা কোন সম্প্রদায় নিয়ে দল করি না। ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র চেয়েছিলেন আর্য মহাসভা নামে দল গঠন হোক। যে দলের কাজ হবে মানুষকে সঠিক দিশা দেখানো। আমরা ঠাকুরের সেই ইচ্ছাকে সম্মান দিয়ে এগিয়ে যাব।

এপ্রিল ১৬, ২০২৩
রাজ্য

সরানো হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মহম্মদবাজারের আইসিকে, তলব করা হয়েছিল গরুপাচার কাণ্ডে

বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার আইসি মহম্মদ আলিকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠানো হয়েছে ডিইবি-তে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সরানো হয়েছে আলিকে।সম্প্রতি, গরুপাচার কাণ্ডে মহম্মদ আলির নাম জড়়িয়েছিল। এই আইসিকে তলবও করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ এই পুলিশ অফিসার। তিনি অনুব্রতর মামলার টাকার যোগানও দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁকে তলব করায় পুলিশ মহলে কানাঘুষো চলছিল। এবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
রাজ্য

বনি একা নন, কুন্তলের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন তাবড় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা

ইতমধ্যে ৪৪ লক্ষ টাকা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে ফেরত দিয়েছেন অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির এই টাকা কুন্তল ঘোষ গাড়ি কিনতে দিয়েছিলেন বনিকে। এই অভিনেতাকে ইতিমধ্যে দুবার জিজ্ঞাসাবাদও করেছে ইডি। শেষমেশ গতকাল, বৃহস্পতিবার ৪৪ লক্ষ টাকা ইডিকে ফেতর দেন বনি। তবে শুধু কি বনি? জানা গিয়েছে, কুন্তলের কাছ থেকে দুর্নীতির টাকা নিয়েছেন টলিউডের আরও ২২ জন। একথা আজ, শুক্তবার আদালতে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।ইতিমধ্যে টলিউডের রাজনীতির যোগ থাকা একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী ইডির তদন্তের আওতায় চলে এসেছেন। প্রথম সারির এই অভিনেতা-অভিনেত্রীরা লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন বনি সেনগুপ্তর কাছ থেকে। এবার তাঁদের জেরা করতে চায় ইডি। তাঁদের জেরা করে অনেক নতুন তথ্য মিলবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। কে নেই সেই তালিকায়, এই নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে টলিউডে। ইতিমধ্যে কুন্তল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্য়োপাধ্য়ায় গ্রেফতার হয়েছে। বলাগড়ে শান্তনুর ধাবা উদ্বোধনে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। নায়ক-সাংসদ, রাজনীতিক অভিনেত্রীরা তলবের তালিকায় রয়েেছেন বলে সূত্রের খবর।

মার্চ ১৭, ২০২৩
রাজ্য

কালিঘাটের কাকু সিবিআইতে, কুন্তলের স্ত্রী ইডিতে, দিল্লির হাজিরা এড়ালেন অনুব্রত কন্যা

শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্তে এবার সিবিআইয়ের তলবে নিজাম প্যালেসে হাজির হয়েছেন কালিঘাটের কাকু তথা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। একইদিনে ইডির তলবে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষ। অন্যদিকে মনীশ কোঠারিকে ৬ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে দিল্লির আদালত। তাঁকে গতকাল হাসতে দেখা গেলেও এদিন চোখে জল দেখা যায় মনীশের। তবে ইডি তলব করলেও এদিন দিল্লি যাননি অনুব্রত কন্য়া সুকন্যা মন্ডল। তা তিনি মেইল করে জানিয়ে দেন ইডিকে। এদিন নিজাম প্যালেসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে তিন ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। গোপাল দলপতি ও তাপস মন্ডল সুজয়কৃষ্ণ ঘোষের নাম করে। তাঁরা তাঁকে কালীঘাটের কাকু বলে সম্বোধন করেছিল। এদিন দুজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সিবিআই দফতরে আসেন কালিঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ। তিনি বলেন, কেন সিবিআই ডাকল জানি না। একটা ছোট্ট কাগজে নোটিস দিয়েছে চলে এসেছি। স্ত্রী অসুস্থ তাও এসেছি। তা সত্বেও তো বলবে সহযোগিতা করছি না।

মার্চ ১৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

ইডি, সিবিআই-র ডাক না পেয়ে 'পতিবাদ' করলেন টলি অভিনেত্রী!

রাজনীতির আঙ্গিনা ছেড়ে ঢেউ এখন টালিগঞ্জে আছড়ে পড়েছে। কখন এসএসসি দুর্নীতিতে কার ডাক আসে সেই আতঙ্কে কাঁপছে টলিউড, ঠিক অন্যদিকে জনপ্রিয় টলি অভিনেত্রী আবার মর্মাহত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তলব না পেয়ে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই টালিগঞ্জের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে তলব করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।অন্যদিকে জাতে উঠতে না পারার দুঃখে মরমে মরছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। রবিবারের সকালে শ্রীলেখা মিত্রর সামাজিক মাধ্যমের এহেন পোস্ট দেখে ঘাবরে গেছেন তাঁর অনুরাগীরা। আচমকাই এহেন উপলবদ্ধির হেতু বুঝতে একটু সময় লাগে তাঁদের। হঠাৎ কেন এমন কথা বললেন শ্রীলেখা?নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জল গড়িয়েছে বহু দূর। কুন্তল ঘোষের বয়ানের ওপর ভিত্তি করে ডাকা হয়েছে টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে। গোয়েন্দাদের ধারণা শুধু বনি সেনগুপ্ত নয়, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াতে চলেছে টালিউডের নামি-অনামি একঝাঁক অভিনেতা-অভিনেত্রীর। মূলত যাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেছেন ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে, আগামী মঙ্গলবার আবার তাঁকে ডাকা হয়েছে। কুন্তলের অভিযোগ ছিল, বনিকে ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, শীঘ্রই টালিগঞ্জের প্রথম সারির দুই অভিনেতা ও তিন অভিনেত্রীকে তলব করতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।শ্রীলেখার পোস্টে অনেকেই কটাক্ষের ইঙ্গিত পাচ্ছেন। সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, জীবনে একটা ইডি, সিবিআই-এর ডাক পেলাম না!!! রোজ়ভ্যালি থেকে কুন্তল... ছিঃ ছিঃ তিনি টলিউডের একজন স্বনামধন্যা নায়িকা হওয়া সাত্তেও যে বহু বছর ধরে যে একই কোম্পানির গাড়ি ব্যবহার (ভার্না ফ্লুইডিক) ব্যবহার করছেন, সে কথাও তিনি আক্ষেপের সাথে উল্লেখ করেছেন তাঁর পোস্টে। কয়েক বছরের অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত কুন্তলের টাকায় ল্যান্ড রোভার কেনাতেই কি শ্রীলেখার আক্ষেপ? অভিনেত্রী আরও লেখেন, আর পরের ছবির প্রযোজকের আশায়। ধুর ধুর! পতিবাদ থুরি প্রতিবাদ করছি।তাঁর প্রতিবাদ কে পতিবাদ বলার ধরনের মধ্যেই ভয়ঙ্কর শ্লেষ-র আভাস পাচ্ছেন নেটিজেনরা। বিশিষ্টজনেদের ধারণা বিদ্যজনেদের মতাদর্শ ভুলে ইস্যু ভিত্তিক প্রতিবাদকেই শ্রীলেখা হয়ত পতিবাদ বলে ব্যঙ্গ করতে চেয়েছেন।

মার্চ ১২, ২০২৩
রাজ্য

'রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে, তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে,', কেন বললেন দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন দিদির দূত। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্য দিনের মতো শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে যান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লীর দূত এখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌছে যাচ্ছে। সেই ভয়ে তৃণমূল কাঁপছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। ওরা যে দিদির সুরক্ষা কবচ আনছে, ওটা ওদের নেতাদের লাগবে।শহীদ দিবস নিয়ে তরজা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, যারা শহীদ হল তাদের কথা ভুলে গিয়ে সবাই নিজেদের কথা ভাবছে। শহীদ তো সারা বাংলায় আগে হয়েছে। এখনও হচ্ছে। কোনো একটা দিবস রাজনীতির ইস্যু হয়ে যায়। এটা আগেও হত এখনও হয়।সিপিএম কি বিজেপিকে সাপোর্ট করছে? খড়্গপুরের সাংসদ বলেন, বিজেপির কারও সাপোর্ট লাগে না। সামাজিক সাপোর্টে বিজেপি এগোয়। ওনারা এতদূর এগোলেন কার সাপোর্ট নিয়ে? যাদের সাপোর্ট নিয়ে এলেন, তাদেরই খুন হতে হচ্ছে। পার্টির লোক পার্টির নেতার বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলছে। হুমকি দিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে গুলি চালাচ্ছে। এটা তৃণমূল কালচার। বিজেপি সারা দেশে আছে। বিজেপিকে সবাই চেনে, জানে।আবার কি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়ায় গ্রেফতার তিন নাবালক, মজা পেতেই নাকি এই কান্ড

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে ঢিল ছোড়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই তিন কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও কুমারগঞ্জের ঢিল ছোড়ার ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে ধৃত কিশোরদের জবানবন্দিতে তাজ্জব পুলিশ। আরও এক অভিযুক্ত কিশোরকে খুঁজছে পুলিশ।পুলিশের কাছে জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, তারা নাকি নেহাত মজার ছলেই মঙ্গলবার আপ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছুড়েছিল। বৃহষ্পতিবার ওই তিন নাবালককে গ্রেপ্তার করেছে কিষানগঞ্জের পুঠিয়া থানার পুলিশ। অভিযোগ পুঠিয়া থানার অধীন নিমলা গ্রামের কাছে এনজেপিগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়ে এই নাবালকের দল। রেলের প্রকাশ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তিন জন ছাড়াও ঘটনাস্থলে আরও একজন ছিল। তারও খোঁজ চলছে।এই ঘটনার পরেই আরপিএফের ইন্সপেক্টর অমৃত কুমার বর্মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসঙ্গে ঢিল ছোড়ার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও সামনে নিয়ে আসে রেল। এরপরই পুলিশ ওই সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। একজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক। এইদিন বিহার পুলিশের সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের সময় মালিগাঁও থেকে আসা আরপিএফের ডিআইজি রাজেন্দ্র বাবু রূপ নবার, আরপিএফের কাটিহার জোনের কমান্ড্যান্ট কমল সিং ও পুঠিয়ার ওসি নিশিকান্ত কুমারও ছিলেন। কিষানগঞ্জের পুলিশ সুপার ডাঃ এমানুল হক মেগনু জানান, ধৃত তিনজনকে কিষানগঞ্জ জুভেনাইল কোর্টে তোলা হয়েছে।বাংলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর থেকেই সোমবার এবং মঙ্গলবার পরপর দুদিন ট্রেন লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বঙ্গ রাজনীতি। এনআইএ থেকে সিবিআই, সিআইডি তদন্তের দাবি উঠতে থাকে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে ঢিল ছোড়া ইস্যুতে। তৃণমূল এই ঘটনায় বিজেপির ষড়যন্ত্র দেখে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল, সিবিআই নয় সিআইডিতে ভরসা বিজেপি সাংসদের

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়া নিয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, বিডিও অফিসে ঢিল ছুড়ুন। তদন্তের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ বলেও মনে করেন সুভাষ সরকার।বঙ্গে প্রথম তিন দিনের যাত্রাতেই দুবার ঢিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এই ঘটনায় বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়। বন্দে ভারতে দ্বিতীয়বার হামলার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নয় সিআইডি তদন্ত চাইছেন।বুধবার সুভাষ সরকার বলেন, বন্দে ভারতে দ্বিতীয় দিন হামলা হল, পরিকল্পিতভাবে পাথর ছোড়া হল। তারপরও রাজ্য সরকার ও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বক্তব্য নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উন্নয়নই কী রাজ্য প্রশাসন বরদাস্ত করতে পারছেন না? এটা স্পষ্ট করে রাজ্যবাসীকে রাজ্য সরকার তাহলে জানিয়ে দিক। না হলে চাইব, মানীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই হামলার তদন্তে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিন। আমি বলছি না এতে সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন। রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট যোগ্য। কোথা থেকে কারা ঢিল ফেললেন তা খুঁজে বার করুক পুলিশ। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে যেন কোনও স্বজনপোষণ রাজনীতি না হয়। রাজ্য পুলিশ সুয়োমোটো এফআইআর করুন আজকের মধ্যে, ইতিমধ্যেই দেরি হয়ে গিয়েছে, আর দেরি ঠিক হবে না।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বিকাশ ভবনে সিবিআইয়ের হানা, মন্ত্রীর পাশের ঘরেই নথি পরীক্ষা

রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অভিযান চালাল সল্টলেকের বিকাশ ভবনে। সূত্রের খবর, গাড়ি থেকে নেমে সিবিআই অফিসাররা সোজা চলে যান ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে ওয়ার হাউসে। এই ওয়ার হাউস আগেই সিল করে দিয়েছিলেন সিবিআই কর্তারা। সেই সিল ঠিকমতো আছে কি না, তাঁরা খতিয়ে দেখেন। এরপর সিল খুলে ঢুকে পড়েন ওয়ার হাউসের ভিতরে। বেশ কিছু নথি সেই ওয়ার হাউস থেকে নিয়ে, তাঁরা ফের তা সিল করে দেন।এরপরই সিবিআই আধিকারিকরা সোজা চলে যান বিকাশ ভবনের পাঁচ তলায়। এখানেই রয়েছে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর ঘর। আর, তার পাশেই সচিবালয়। সেখানে হঠাৎ ঢুকে পড়েন সিবিআই আধিকারিকরা। সিবিআই কর্তারা রাজ্যের শিক্ষা দফতরের সচিবালয়ের একের পর এক কমপিউটার পরীক্ষা করেন। সেখান থেকে সংগ্রহ করেন নথি। জিজ্ঞাসাবাদ করেন রাজ্যের শিক্ষা দফতরের তিন জোন অপারেটরকে। দুজন সিবিআই আধিকারিককে নথিসহ বিকাশ ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুধু সিবিআই পরিচয় দিয়ে তাঁরা টু শব্দটিও করেননি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২২
কলকাতা

বগটুইয়ের নথি এল সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে

রামপুরহাটের অস্থায়ী সিবিআই-এর ক্যাম্প থেকে নথি নিয়ে আসা হল ফিজিও কমপ্লেক্স এর সিবিআই দপ্তরে। বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরেই সিবিআই এর তরফ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। লালন শেখের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআইকে দোষারোপ করেছে তাঁর পরিবার। সিবিআইকে কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও।সিবিআই কাস্টাডিতে বগটুই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে মৃত্যু হয় বগটুই কাণ্ডের অন্য়তম অভিযুক্ত লালন শেখের। এই ঘটনার পর সিবিআই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসে পৌঁছেছে সিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। কলকাতায় পৌঁছে সোজা সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন তিনি। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত মিটিং করেন তিনি। বুধবার সকালে আবার ফিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে এসে পৌঁছেছেন অজয় ভাটনগর। পাশাপাশি রামপুরহাটের সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে একাধিক নথি এবং হার্ডডিস্ক মনিটার সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে আসা হয়েছে সল্টলেক এর সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্তের মৃত্যু রহস্য খতিয়ে দেখতে সিবিআইয়ের দুঁদে কর্তা কলকাতায়

বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখতে কলকাতায় এলেন সিবিআই এর অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। মঙ্গলবার দমদম এয়ারপোর্ট থেকে তিনি সরাসরি এলেন সিজিও কমপ্লেক্সে। বগটুই-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েই বিরাট প্রশ্ন উঠেছে। লালনের স্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। কলকাতায় সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন অজয় ভাটনগর।সিবিআই হেফাজতে বগটুই-কাণ্ডে কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য। বিক্ষোভ চলেছে রামপুরহাট সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে। হেফাজতে থাকাকালীন কীভাবে লালনের মৃত্যু হল? তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। সিবিআইয়ের দাবি, গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে লালন সেখ। তবে কেন্দ্রীয় সংস্থার এই দাবি মানতে নারাজ তাঁর পরিবার। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলও লালন শেখের মৃত্যুর তদন্তের দাবি জানিয়েছে। খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে সিবিআইকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন।নিজেদের হেফাজতে মূল অভিযুক্তের মৃত্যু ঘিরে বেশ বেকায়দায় সিবিআই। লালন-মৃত্যুর প্রতিবাদে আজ দিনভর বোলপুরে সংস্থার অস্থায়ী ক্যাম্পের বাইরে চলে দফায়-দফায় বিক্ষোভ, চলতে থাকে অশান্তি। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভের আঁচ আছড়ে পড়ে কলকাতাতেও। এপিডিআর কলকাতার নিজাম প্যালেসের সিবিআই অফিসের সামনের রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায়। এক কথায় বগটুই কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু ঘিরে সিবিআইয়ের ওপর দায় ঠেলছে অনেকেই।সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন বগটুই-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর বক্তব্য, সিবিআই যদি এত সিরিয়াস, তাহলে কীভাবে হেফাজতে থাকাকালীন একজনের মৃত্যু হল? এই ঘটনায় মঙ্গলবার মেঘালয়ের শিলঙে সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বীরভূমে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু হয় ভাদু শেখ খুন পরবর্তী বগটুই গ্রামে হিংসার ঘটনায় সম্প্রতি গ্রেফতার হয় লালন। এই গটনায় এফআইআর দায়ের করেছেন লালনের স্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু নিজেই চাইছেন তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেই তাঁর বিরুদ্ধে করা সমস্ত এফআইআর-এর সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যে চক্রান্ত করা হয়েছে তা খোলসা করতেই সিবিআই তদন্ত চান তিনি। অবশ্য আদালতের তত্বাবধানেই সিবিআই তদন্ত হতে হবে বলেও শর্ত আরোপ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এদিকে এদিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা উচ্চ আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, শুভেন্দুর মামলাগুলি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের এফআইআরগুলি নিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছেন। তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে। তাঁর স্পষ্ট কথা, রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও ভরসা নেই। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি তো আদালতে প্রমান করেছি কি ধরনের মামলাগুলি করেছে। আমি তো তৃণমূল কংগ্রেসকে চ্য়ালেঞ্জ করছি এই মামলাগুলি সিবিআইকে ট্রান্সফার করে দিক তাহলে বুঝতে পারবে সিআইডির রাজশেখরণ, পূর্ব মেদিনীপুরের অমরনাথ ও বিনীত গোয়েলরা কিকি করেছে।এদিনই তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলিতে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন হাইকোর্টে। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, ওই মামলাগুলির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজনীতি

একবার নয়, একাধাকিবার লটারির পুরস্কার পেয়েছে অনুব্রতর পরিবার, নয়াতথ্যে বাড়ছে রহস্য

লটারি কাণ্ডের বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তৃণমূলের নানা স্তরের নেতৃত্ব ও আত্মীয়ের লটারিতে পুরস্কার পাওয়া নিয়েই চলছে বিতর্ক। বিরোধী দলনেতা একাধিকবার অভিযোগ করেছেন ডিয়ার লটারি তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিমিশে কেলেঙ্কারি চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে অনুব্রত মন্ডলের লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়া নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে আরও রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। তাঁর মেয়ের অ্যাকাউন্টেও লটারির টাকার হদিশ মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। এমনকী অনুব্রতর অ্যাকাউন্টেও আরেকটি লটারির টিকিট থেকে প্রাইজমানির টাকা জমা পড়েছিল বলে সূত্রের খবর। সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি খতিয়ে দেখছে।এর আগে ডিয়ার লটারিতে ১ কোটি টাকা জিতেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল, এখবর প্রকাশ্যে এসেছিল। তার আগে নাকি ২০১৯ সালেও লটারি জিতেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রতর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে জানা গিয়েছে তখন পেয়েছিলেন ১০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি অনুব্রতর কন্যা প্রাথমিক শিক্ষিকা সুকন্যা দুবার জিতেছেন লটারি। একবার ২৫ লক্ষ টাকা। অন্যবার জিতেছেন ২৬ লক্ষ। একাধিকবার তৃণমূল নেতা ও তাঁর মেয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লটারির টিকিট জেতার টাকা জমা পড়ায় সন্দেহ বেড়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। এই লটারি জেতার মাধ্যে কালো টাকা সাদা হয়েছে কীনা তাই খতিয়ে দেখছে সিবিআই। তাছাড়া অনুব্রতর কোনও নিকট আত্মীয় বা বাড়ি কাজের লোকেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। সেই সব অ্যাকাউন্টেও লটারির জয়ের টাকা পড়তে পারে বলে সন্দেহ করছে সিবিআই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ডিয়ার লটারি কতৃপক্ষের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের আঁতাঁত নিয়ে সরব হয়েছিলেন। ডিয়ার (ভাইপো) লটারির বলে কটাক্ষও করেছেন তিনি। এদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বক্তব্য, লটারির খেলা চলে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মানুসারে। তৃণমূলের কে লটারির টিকিট পেয়ে পুরস্কার পেল কি পেল না তা নিয়ে বলার কিছু নেই। অনুব্রত মন্ডল ডিয়ার লটারির প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন, তারপর তৃণমূল বিধায়ক বিবেক গুপ্তর স্ত্রী প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন। এই সব ঘটনায় রহস্য বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডঃ সত্যেন ভট্টাচার্য জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IFP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক মল্লিক এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি শুভেন্দু জানা। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IFP-এর কনভেনর শুভেন্দু দ্বিবেদী, বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট আদিত্য পাল, সুখদেব, অতনু, অনিন্দ্য-সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal