• ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ১১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman,

রাজ্য

Jamalpur: মন্দিরে ভক্ত সেজে সোনার হার ছিনতাই, গ্রেফতার ৬ সুন্দরী মহিলা

দেবতার দরবারে হাজির হয়েছিল ছয় সুন্দরী চোর ও তাঁদের গাড়ির চালক। একেবারে ফিল্মি কায়দায় তারা এক মহিলা ভক্তকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে তার গলায় থাকা সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা আর হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্তসেজে হাজির হওয়া ৬ মহিলা ও তাদের গাড়ি চালককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আটক করা হয়েছে ধৃতদের ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটি। ধৃতরা সকলেই হুগলী জেলার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থকেই উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া সোনার হারটি।পুলিশের অনুমান, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রে জড়িত। মঙ্গলবার ৭ ধৃতকে কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়েজনে ৬ দিনের জন্য তাদর নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় তরুণদীপ রাইয়েরপুলিশ জানিয়েছে, সোমবার পূর্বস্থলীর জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য অনেক ভক্ত লাইনে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে ধৃত ছয় মহিলাও ছিল। দুপুরে হঠাৎই লাইনে হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। কয়েকজন ভক্ত মাটিতে পড়ে যান। সেই ফাঁকে পড়ে যাওয়া মহিলা স্বপ্না দাসের গলা থেকে সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে গাড়ি চেপে পালিয়ে যায় ভক্ত সেজে আসা মহিলা ছিন্তাইবাজদের দল। স্বপ্না দাস চোরেদের টাটা সুমো গাড়ির নম্বর ও রঙের বিষয়টি তৎক্ষণাৎ মন্দির চত্ত্বরে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ারদের জানায়। সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ ওই টাটাসুমো গাড়িটির খোঁজে নেমে পড়ে। গাড়ি সহ সুন্দরী মহিলা চোরের দলটি ধরা পড়ে পুলিশের হাতে।আরও পড়ুনঃ আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতাকালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, পুলিশি তৎপরতায় বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্ত সেজে এসে মহিলার হার ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়া ৬ মহিলা সহ ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া সোনার হারটি। মনে করা হচ্ছে এই চোরের দলটি বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে সবিস্তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Suicide: বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বহুতল হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী ছেলে

বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা পরেই বহুতল হাসপাতাল বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হল ছেলে। মৃতের নাম অশোক রুইদাস (২২)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার তোড়কনা গ্রামে। সে ইংরেজি অনার্সের তৃতীয় বর্ষে ছাত্র ছিল। অশোকের আকস্মিক এই মৃত্যুর ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত পরিবার-পরিজন ও প্রতিবেশীরা।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত ক্রুণাল পান্ডিয়া, স্থগিত ভারতশ্রীলঙ্কা ম্যাচমৃতর দাদা অলোক রুইদাস জানিয়েছেন, তাঁর বাবা কার্তিক রুইদাস (৫০) সম্প্রতি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে প্রথম বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু কার্তিক বাবু সুস্থ হননি। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় আট দিন আগে পরিবারের লোকজন কার্তিকবাবুকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার বিকাল ৫ টা নাগাদ দুর্গাপুরের হাসপাতালেই কার্তিক রুইদাসের মৃত্যু হয়। অলোক রুইদাস বলেন, বাবার মৃত্যু সংবাদ তাঁর ভাই অশোক-ই তাঁকে জানায়। মা ভেঙে পড়বে বলে আমরা মাকে বাবার মৃত্যু সংবাদ জানাইনি। তারই মধ্যে ওই দিন রাত সাড়ে নটা নাগাদ অশোক হঠাৎই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর বেশ কিছু সময় বাদ অশোক আমাকে ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে জানায় বাবার মৃত্যুর জন্য আমি দায়ী। মেসেজ আসার আধঘন্টা পর আলোক দেখেন তাঁর ভাই অশোক হাসপাতলের ৫ তলা বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে নীচে ঝাঁপ দিয়েছে। অশোককে উদ্ধার করে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দাদা অলোক রুইদাস বলেন, ইংরেজি অনার্স নিয়ে পড়াশুনা শেষ করে ভাইয়ের ব্যাঙ্গালোরে পড়তে যাওয়ার কথা ছিল। ওর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতখণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি শ্যামল দত্ত বলেন, সোমবার বিকেলে বাবার মৃত্যুর পর রাতে ওই হাসপাতালের পাঁচ তলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে ছোট ছেলে অশোক রুইদাস আত্মঘাতী হয়। দুর্গাপুরের বিধাননগর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এদিন ময়নাতদন্তের পর বাবা ছেলের মৃতদেহ একসঙ্গে তোড়কনার বাড়িতে আসে।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজ্য

Swasthya Sathi: স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে ’কাটমানি’ অভিযোগ, তদন্তে জেলা প্রশাসন

বিল পাশে কাটমানি মিলছে না বলে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পকে বানচাল করতে চাইছে দুএকটি থার্ড পার্টি এজেন্সি (টি পি এ)।নএমনই অভিযোগ এনে পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে অভিযোগ জানালেন বর্ধমানের প্রগ্ৰেসিভ নার্সিংহোম এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি। অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তারা। সোমবার থেকে শুরু হল অভিযোগের তদন্ত।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মানুষের চিকিৎসা সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেন। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ দেবার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এই কাজে নিয়োগ করা হয়েছে দুটি বিমা কোম্পানিকে। সেই বীমা কোম্পানিগুলির মধ্যে বীরভূমের এফএইচপিএল ইন্সুরেন্স কোম্পানি এই অনিয়ম করেছে বলে অভিযোগ বর্ধমানের প্রগ্ৰেসিভ নার্সিংহোম এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি সেখ আলাউদ্দিনের। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ডেপুটি সিওএমএইচ (১) এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সোমবার বিকালে বর্ধমানের বেসরকারী সান হাসপাতালে যান।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনস্বাস্থ্য কর্তাদের ওই বেসরকারি হাসপাতালের অধিকর্তা মহম্মদ আলহাজউদ্দিন জানান, তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসার পুরো বিল অ্যাপ্রুভ না হওয়ায় রোগী ও তার পরিবারকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। চিকিৎসা হয়ে যাওয়ার পরেও সেই কারণে রোগীকে ছুটি দেওয়া যাচ্ছে না। ওই হাসপাতালে থাকা বাঁকুড়ার ইন্দাসের রোগী মুরারী ধারার ছেলে শম্ভু ধারা জানান, ব্রেন স্ট্রোকের রোগী হিসেবে গত ২৮ জুন তাঁর বাবা এই বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তির সময়ে রোগী খুবই সঙ্কটাপন্ন ছিলেন। চিকিৎসা মেলার পর এখন তিনি সুস্থ। কিন্তু হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ তাঁদের জানিয়েছে, তাঁদের চিকিৎসার পুরো বিল টিপিএ ছাড়েনি। তাই রোগীকে এখন ছাড়া যাচ্ছে না। মহম্মদ আলহাজউদ্দিন এই প্রসঙ্গে বলেন রোগী স্বাস্থ্যসাথী, কার্ডে ভর্তি হয়। সিইউতে ভর্তি থাকা ও ওষুধ সহ তার চিকিৎসায় ৯৬ হাজার টাকা বিল হয়েছে। কিন্তু টিপিএদিতে চাইছে মাত্র ৩৪ হাজার টাকা। আলহাজউদ্দিনের অভিযোগ ওই টিপিএ ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কাজ করছে। কাটমানি খাবার লোভে টিপিএ এই চক্রান্ত করছে বলে সরাসরি অভিযোগ করেছেন আলহাজউদ্দিন। তিনি দাবি করেছেন, টিপিএ কোম্পানিকে দ্রুত পরিবর্তন করুক রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলডেপুটি সিওএমএইচ(১) জগন্নাথ মণ্ডল বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর এদিন কাগজপত্র দেখা হল।রিপোট জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে দেওয়া হবে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Rape: নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রতিবেশী

বাড়িতে একা থাকা নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হল প্রতিবেশী পরিবারের যুবক। ধৃতের নাম বকুল হেমব্রম। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনার বেগপুর পঞ্চায়েত শিমুলগড়িয়ায়। ধর্ষণ ও পকসো ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৩+বয়সী নাবালিকার বাড়ি কালনার বেগপুর পঞ্চায়েতের শিমুলগড়িয়া গ্রামে। ওই নাবালিকা শনিবার দুপুরে বাড়িতে একাই ছিল। সেই সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী যুবক বকুল তাদের বাড়িতে ঢুকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।অবিভাবকরা বাড়িতে ফিরলে নির্যাতিতা নাবালিকা বকুলের কুকীর্তির কথা তাঁদের জানায়। ওই দিনই ঘটনার কথা জানিয়ে নাবালিকার পরিবার কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Road Blockade: কালনায় পথ অবরোধ, বিক্ষোভ উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য ছাত্রীদের

রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি এবার পূর্ব বর্ধমানেও ছড়াল উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট নিয়ে ক্ষোভের আঁচ। পরীক্ষা না নিয়ে কেন ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? এই দাবী তুলে শনিবার বিক্ষোভে ফেটে পড়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করা ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী। তারা কালনা-কাটোয়া রোডে ধাত্রীগ্রাম পোস্ট অফিসের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখায়।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাছাত্রীদের সঙ্গে পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেয় তাঁদের অবিভাবকরা। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে চলে অবরোধ বিক্ষোভ। তার জেরে থমকে যায় কালনা-কাটোয়া এসটিকেকে রোডে যানবাহন চলাচল। প্রায় ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর পুলিশি হস্তক্ষেপে অবরোধ বিক্ষোভ ওঠে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনউচ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী জানতে পারে তারা ফেল করেছে। রেজাল্ট হাতে পাওয়ার ওই ছাত্রীরা দেখে তাদের বেশির ভাগই বাংলা অথবা ইংরাজিতে ফেল করেছে। পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রী রিতিশা ঘোষ বলেন, পরীক্ষা হলে আমরা কেউ ফেল করতাম না। কারণ আমরা পড়শুনাটা সিরিয়াসলি করেছি। ছাত্রীদের প্রশ্ন, পরীক্ষা না নিয়ে তাহলে তাঁদের ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? তাই তারা চাইছে অবিলম্বে উচ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হোক। নয়তো তাঁদের সকলকে পাস করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরঅবিভাবক ঝুমা দেবনাথ বলেন, এই বছর অতিমারির কারণে পরীক্ষা না হওয়ায় মাধ্যমিকে পাশের হার ১০০ শতাংশ ।অথচ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন মানসিকতা দেখানো হল। পরীক্ষা না নিয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে অনেক পড়ুয়াকে উত্তীর্ণ করা হয়নি। ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্রীকে হয় বাংলা নয়তো ইংরাজিতে ফেল দেখানো হয়েছে। যাদের ফেল দেখানো হয়েছে তাদের সবাইকে পাশ করাতে হবে বলে ঝুমা দেবনাথ সহ অন্য অবিভাবকরা দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টবিক্ষোভরত ছাত্রীদের স্কুলের ভিতর নিয়ে গিয়ে পুলিশ শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনায় বসায়। শিক্ষিকাদের কাছেও একই দাবি জানায় পড়ুয়া ও অবিভাবকরা। ব্লক প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিলে ছাত্রী ও অবিভাবকরা এদিনের মতো আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Tree Theft: কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতা

বহু লক্ষাধিক অর্থমূল্যের গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে পুলিশ ও বনদপ্তরে অভিযোগ জানালেন তৃণমূল নেতা। পূর্ব বর্ধমানের গলসি ২ ব্লকের মসজিদপুর অঞ্চলের ঘটনা। গাছ চুরি নিয়ে ব্লক তৃণমূল জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লা প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাগলসির মসজিদপুর অঞ্চলে ছিল প্রায় কোটি টাকা মূল্যের গাছ। সেই গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদে স্বোচ্চার হন এলাকার বাসিন্দা ও একাংশ তৃণমূল নেতা। ঘটনায় নাম জড়ায় ব্লক তৃণমূলের জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লার। শুক্রবার গাছ চুরি কাণ্ডের তদন্ত চেয়ে গুল মহম্মদ বনদপ্তর ও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গুল মহম্মদ দাবি করেন, তাঁর বদনাম করতেই গাছ চুরির ঘটনার তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই তিনি চান প্রশাসন গাছ চুরির ঘটনার পুর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনআনুক ব্যবস্থা গ্রহন করুক।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহল, যেখানে ১১,০০০ অ্যাথলিট থাকবেএকই সঙ্গে তিনি বলেন, গত বছরের ৩০ নভেম্বর গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে ওমরপুর গ্রামের কিছু মানুষ ও পঞ্চায়েত প্রধান অশোক বাগদি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারপর ফের বৃহস্পতিবার এলাকার কিছু মানুষ পুনরায় গাছ চুরি নিয়ে বিডিও, জেলাশাসক ও বন বিভাগে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সবাই গাছ চুরির ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উল্টে গাছ চুরি বেড়ে যাচ্ছে বলে গুল মহম্মদের অভিযোগ।অন্যদিকে এলাকাবাসী মসজিদপুর অঞ্চলের গাছ চুরি নিয়ে প্রশাসনের কাছে যে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাতে গুসকরা ও গলসির তিন গাছ ব্যবসায়ী ছাড়াও জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুলমহম্মদ মোল্লা সহ এলাকার অপর তৃণমূল নেতা সুমন পবি, খোয়েশ মোল্লা এবং সেখ জহরের নাম জড়িয়েছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়াটাই এখন প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জের।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীমসজিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অশোক বাগদি বলেন, পূর্বের গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে তাঁরা বিডিও অফিসে ও থানায় অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুস্কৃতীদের সাহস বেড়ে গিয়েছে। এখন ব্যবস্থা না নিলে আর যে কটি গাছ অবশিষ্ট আছে তাও চুরি হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত সমিতির বনভূমির কর্মাধক্ষ্য সেখ সাবিরউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এলাকার মানুষ কোটি টাকা মুল্যের গাছ চুরি নিয়ে বৃহস্পতিবার অভিযোগ করছেন। সাবিরউদ্দিন বলেন, তিনিও চান ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক সাজার ব্যবস্থা করুক বনদপ্তর। বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Bomb Blast: কেতুগ্রাম বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত দুই, পলাতকদের খুঁজছে পুলিশ

মজুত রাখা বোমা বিস্ফোরণে বাড়ি ভেঙে পড়ার পর গা ঢাকা দেওয়া ষাটোর্দ্ধ বাড়ির মালিক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের নাম সাক্ষী ঘোষ ও মিনতি ঘোষ। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার সুজাপুর গ্রামে ধৃতদের বাড়ি। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পরিবারের বাকি সদস্যরা এখনও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। পুলিশ তাদের সন্ধান চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকেই পেশ করা হয় কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বোমাগুলি কোথা থেকে এনে কি উদ্দেশ্যে বাড়িতে মজুত করা হয়েছিল সেই তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃত সাক্ষী ঘোষকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক সাক্ষী ঘোষের ৩ দিনের পুলিশি হেপাজত ও স্ত্রী মিনতি ঘোষকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকারপুলিশ জানিয়েছে,গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে সুজাপুর গ্রামের বাসিন্দা সাক্ষী ঘোষের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়ে ঘোষ পরিবারের কংক্রিটের বাড়ির ছাদ ও দেওয়ালের একাংশ। ফাটল ধরে যায় বাড়ির অন্য দেওয়ালগুলিতেও। এই ঘটনার জেরে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।বিস্ফোরণের খবর পেয়েই কেতুগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারই মধ্যে বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দেয় সাক্ষী ঘোষ ও মিনতি ঘোষ সহ পরিবারের ৮ সদস্য।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিগোটা বাড়ি খতিয়ে দেখার পর পুলিশ নিশ্চিৎ হয় বোমা বিস্ফোরণের কারণেই সাক্ষী ঘোষেদের বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পরেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে বাড়ির পলাতক লোকজনের খোঁজ শুরু করে ।বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ঘোষ বাড়ির গৃহকর্তা ও গৃহকর্তীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এদিন ফরেনসিক দল বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রত বাড়িটি সরোজমিনে খতিয়ে দেখে। শনিবার ফরেনসিক দল কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি খতিয়ে দেখতে আসছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: খবর প্রকাশ হতেই বাড়ির দুয়ারে ভ্যাকসিন

খবর প্রকাশ হতেই একেবারে বাড়ির দুয়ারে বসে কোভিডের ভ্যাকসিন পেলেন নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খর্বকায় প্রতিবন্ধী ভ্রাতৃদ্বয়। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কলানবগ্রামে বাড়ি প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলের। ভোটের সময়ে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা কোভিডের ভ্যাকসিন পেয়ে গেলেও ভ্যাকসিন পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি কমিশনে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার ভ্রাতৃদ্বয় এমনকি ভোট মিটে যাওয়ার পরেও গত বুধবার পর্যন্ত তারা ভ্যাকসিন পাননি । সেই খবর এদিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হতেই প্রশাসনের কর্তারা নড়ে চড়ে বসেন। জনতার কথাতেও তা প্রকাশিত হয়।আরও পড়ুনঃ কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত বিধানসভা ভোটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়রীতিমতো দুয়ারে ভ্যাক্সিন নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়ের বাড়িতে হাজির হয়ে যান মেমারির বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, মেমারি ১ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও মেমারি ১ নম্বর ব্লকের যুগ্ম বিডিও। তাঁদের সঙ্গেই ছিল মেডিকেল টিম। বাড়িতেই সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলকে দেওয়া হয় কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ। ভ্যাকসিন পেয়ে উচ্ছ্বাসিত প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভাতৃদ্বয়। বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খবর পেয়েই ব্লক প্রশাসন উদ্যোগী হয়। তবে তিনি দবি করেন, ব্লক প্রশাসনের বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত ছিল।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

রেশনের খাদ্যসামগ্রী পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার দুই, চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানে

রেশনের খাদ্যসামগ্রী পাচারের অভিযোগে ডিলারসহ ২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ১০টি বস্তায় ভর্তি ৫ কুইন্টল চাল ও ৮টি বস্তায় ভর্তি ৪ কুইন্টাল গম। ধৃতরা হলেন ডিলার তুলসীরঞ্জন মুখোপাধ্যায় ও মোটর ভ্যান চালক তাপস দাস। প্রথমজনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতরের এওড়া গ্রামে। অপর ধৃত ভাতারের আড়া গ্রামের বাসিন্দা। ভাতার থানার পুলিশ বুধবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করে। বাজেয়াপ্ত করা হয়ে উদ্ধার হওয়া খাদ্য সামগ্রী। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। দুই ধৃতকেই বৃহস্পতিবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম দুই ধৃতের জামিন নামাঞ্জুর করে বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন । পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সুত্রে বুধবার সন্ধ্যায় পুলিশ খবর পায় এওড়া গ্রামের রেশন ডিলার তুলসিরঞ্জন মুখোপাধ্যায় রেশনের বেশ কিছু খাদ্য সামগ্রী পাচার করছে। সেই খবর পেয়েই পুলিশ সেখানে হানা দেয়। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তাপস দাসের মোটরভ্যানে রেশনের ১০ বস্তা চাল ও ৮ বস্তা গম লোড করে ফেলেছিল ডিলার। পুলিশ হাতেনাতে তাদের ধরে ফেলে। খবর পেয়ে ব্লক খাদ্য আধিকারিক দয়াময় গোস্বামীও ঘটনাস্থলে পৌঁছান । পুলিশ দুজনকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জেরায় খাদ্যসামগ্রী পাচারের কথা কবুল করার পরেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তাদের গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে রেশনের খাদ্য সামগ্রী পাচার করা হচ্ছিল।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Ketugram Blast: ভাতারের পর কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত কংক্রিটের বাড়ি, পলাতক বাড়ির লোকজন

মজুত বোমা বিস্ফোরণে বাড়ি ভঙে পড়ার ঘটনা ঘটেই চলেছে পূর্ব বর্ধমানে। ভাতারের বানেশ্বরপুর গ্রামের পর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বোমা বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়লো কেতুগ্রামের সুজাপুর গ্রামের জনৈক সাক্ষীগোপাল ঘোষের বাড়ির একাংশ। বোমা বিস্ফোরণের কারণে জখম হওয়া বাড়ির মালিক সহ ৩ জনই গা ঢাকা দিয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। পুলিশ বাড়িটি ঘিরে রেখে পলাতকদের সন্ধান চালাচ্ছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই কেতুগ্রামে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপির তর্জা।আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, ৪৯৯ পেয়ে প্রথম মুর্শিদাবাদের ছাত্রীসুজাপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামেই সাক্ষীগোপাল ঘোষের একতলা পাকা বাড়ি। সেই বাড়িতে থাকেন সাক্ষীগোপালের স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ ও ভাইসহ মোট ৬ জন সদস্য।প্রতিবেশীরা বলেন, এদিন ভোর রাতে বিকট বিস্ফোরণের কেঁপে ওঠে এলাকা। তারপরেই এলাকার সবাই যে যার ঘর থেকে বেরিয়ে দেখেন সাক্ষীগোপালের পাকা কংক্রাটের বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। এমনকি সাক্ষীগোপালের বাড়ির পাকা দেওয়ালগুলিতেও ফাটল দেখতে পান গ্রামবাসীরা। ঘটনা নিয়ে এলাকার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এলাকা সূত্রে খবর, বোমা বিস্ফোরণে সাক্ষীগোপাল ছাড়াও তাঁর ছেলে ও ভাই আহত হয়েছেন। গ্রেপ্তারি এড়াতে ঘটনার পরেই আহতদের সবাইকে নিয়ে পালিয়ে যায় পরিবারের বাকি সদস্যরা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিএই বিস্ফোরণের খবর পেয়েই এদিন সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ বাড়িটি খতিয়ে দেখে। বাড়িতে আর বোমা মজুত রাখার আছে কিনা খতিয়ে দেখার জন্যে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দেওয়া হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ওই বাড়িতে মজুত থাকা একাধিক বোমা বোস্ফোরণ ঘটাতেই বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্তাদের কথাতেই স্পষ্ট, পলাতকদের খুঁজে বার করাটাই এখন পুলিশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন ,পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?সুজাপুর গ্রামের বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগাঠনিক জেলার সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, সুজাপুর গ্রামে যার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সক্রিয় কর্মী। ওই বাড়িতেই বোমা মজুত রাখা হয়েছিল। কোনও ভাবে তাতে বিস্ফোরণ হয়ে যায়। তার পরেই বোমা মজুত রাখার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বোমা মজুতের ঘটনায় জড়িত সকলের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন বিজেপি নেতা কৃষ্ণ ঘোষ। যদিও সাক্ষীগোপালের ছেলে শুভজিৎকে বিজেপি কর্মী বলে পালটা দাবি করেছে তৃণমূল। কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ বলেন, তাঁর বিধানসভা এলাকা অনেক বড়। তার মধ্যে কে কাকে ভোট দিয়েছে বা কে কোন দলের সমর্থক অত খবর রাখা কারোও পক্ষেই সম্ভব নয় । পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে৷ আইন আইনের পথে চলবে। কেউ দোষী হলে শাস্তি পাবে।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Memari: মেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১জুলাই পালন

তৃতীয়বার বাংলা বিজয়ের পর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করার কথা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরের মতো এবারও ভার্চুয়ালি পালন করা হয় শহিদ দিবস। ভার্চুয়াল বক্তব্যে দিল্লি জয়ে বিরোধীদের সার্বিক জোটের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় বড় এলইডি স্ক্রিণের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর ভাষণ। সেখানেই ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।আরও পড়ুনঃ শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবসেই পদ্মশিবিরে বড়সড় ভাঙন, জামালপুরে যোগ তৃণমূলেমেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল বক্তব্য সম্প্রচারের ব্যবস্থা করে। সেখানে শহরের যুব নেতৃত্ব হাজির ছিলেন। এদিন দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নেতৃত্ব শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন। মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরা জানান, ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে মেমারী বামুনপাড়া মোড়ে শতাধিক বাচ্চাকে দুধ, বিস্কুট প্রদান করা হয়েছে। তৃণমুল কংগ্রেসের চোটখণ্ড গ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি পল্লব সিংহরায় জনতার কথাকে জানান, মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরার উদ্যোগে দুঃস্থ ও কর্মহীন অসহায় মানুষদের কম্যুনিটি-কিচেন তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন। যুব তৃণমূলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে মেমারীবাসী।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত বিধানসভা ভোটের 'ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার' খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়

বিধানসভা ভোটের সময়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্র্যাণ্ড অ্যাম্বাসাডার করা হয়েছিল দুই প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়কে। আর ভোট মিটে যেতেই তারা এখন ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন। কোভিড ভ্যাকসিন প্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত ভোটে নির্বাচন কমিশনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার হওয়া সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডল। ভ্যাকসিন পাওয়ার সৌভাগ্য আদৌ হবে কিনা তাও জানেন না দুই খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি বিধানসভার কলানবগ্রামে। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা আন্না মণ্ডল। মাটির এক কুটুরি বাড়িতেই তাঁরা বসবাস করেন। সরকারী ভাতার সামান্য কয়েকটা টাকা আর দুচারটে ছগল, গরু ও মুরগি প্রতিপালন করে সামন্য যে টুকু রোজগার হয় তা দিয়েই তাঁরা দিন গুজরান করেন। এমনই এক হতদরিদ্র পরিবারের খর্বকায় প্রতিবন্ধী ভ্রাতৃদ্বয় সঞ্জীব ও মানিককে ২০২১ বিধানসভা ভোটে ২৬৫ মেমারি বিধানসভার ভোট আইকন করা হয়। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিবন্ধী এবং ৮০ উর্ধ্ব ভোটারদের ভোট দানে উৎসাহিত করার ব্যাপারে তাঁরাই হয়েছিলেন প্রধান মুখ ।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?কোভিড অতিমারির মধ্যেই এবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়। তার জন্য নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু নতুন নিয়ম জারি করে। প্রতিবন্ধী ও ৮০ উর্ধ্ব বয়সী ভোটাররা যাতে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা করে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও কোভিড পেসেন্টরাও যাতে একই সুবিধা পান সেই ব্যবস্থাও কমিশন ধার্য করে। এই সকল ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশন গোটা রাজ্য জুড়ে প্রচার চালানোর উদ্যোগ নেয়। তারই প্রচার কাজে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মেমারি বিধানসভার আধিকারিকরা আইকন হিসাবে বেছে নেন খর্বকায় দুই প্রতিবন্ধী ভাই সঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডলকে। ভোটের সময় নিঃস্বার্থ ভাবেই এই দুই প্রতিবন্ধী ভাই ট্রাইসাইকেলে চড়ে গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবে সবাইকে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানোর কাজও চালিয়ে যান। তাঁদের এই কর্মকাণ্ড ভোটার মহলে যথেষ্ট সাড়াও ফেলে। এখন ভোট মিটে গিয়েছে। আর ভোট মিটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাত্য হয়ে গিয়েছেন দুই প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয়।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীসঞ্জীব মণ্ডল ও মানিক মণ্ডল বুধবার আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই এখন আর তাদের কথা কেউ মনে রাখে না। মনে রাখেনি সরকারও। সেই কারণে কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের আগেও তাঁরা কোভিড ভ্যাকসিনের টিকা পাননি। ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য অনেকবার পাল্লারোডের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়েছেন। লাইনে দাঁড়িয়েও ছিলেন। কিন্তু ভ্যাকসিন না পেয়ে তাঁদের হতাশ হয়েই বাড়ি ফিরতে হয়েছে। সঞ্জীব ও মানিক আরও জানান, ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য ব্লকের বিডিও অফিসেও মৌখিক ভাবে তাঁরা জানিয়ে ছিলেন। তাতেও সুরাহা হয়নি। আদৌ কোভিড ভ্যাকসিনের টিকা পাবেন কিনা তা নিয়েও অন্ধকারে রয়েছেন বলে প্রতিবন্ধী খর্বকায় ভ্রাতৃদ্বয় জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?এই বিষয়ে মেমারি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও আলি মহম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বলেন, তাঁর সঙ্গে ওনারা যোগাযোগ করেননি। তবে বিষয়টি তিনি জেনেছেন।খুব তাড়াতাড়ি ওনাদের ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হবে বলে বিডিও আশ্বাস দিয়েছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
রাজ্য

Discipline : ছাত্রীর শ্লীলতাহানী, শ্রীঘরে ঠাই কীর্তিমান শিক্ষকের

প্রাইভেট টিউশন পড়তে যাওয়া দশম শ্রেণীর ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক স্কুল শিক্ষক। ধৃতের নাম অখিলেশ্বর সরকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের শ্যামগঞ্জপাড়ায়। স্কুল শিক্ষকের কুকীর্তির কথা জানাজানি হতেই এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পকসো আইনে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে স্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করা হয় কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতের জামিন নামাঞ্জুর করে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে ছাত্রীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা শহরের আমলাপুকুর এলাকায় বাড়ি দশম শ্রেণীর ছাত্রীর। ছাত্রীটি সোমবার সকালে কালনা শহরের সরকারি স্কুলের শিক্ষক অখিলেশ সরকারের বাড়িতে প্রাইভেট টিউশন পড়তে যায়। অভিযোগ, ওই সময়ে ছাত্রীকে একা পেয়ে ওই শিক্ষক ঘরের দরজা বন্ধ করে তার শ্লীলতাহানি করে। শিক্ষকের যৌন লালসার হাত থেকে বাঁচতে ছাত্রীটি চিৎকার শুরু করে। তখনই ছাত্রীকে ছেড়ে দিলেও কাউকে ঘটনার কথা জানালে পরিণতি ভয়ংকর হবে বলে শিক্ষক ছাত্রীকে হুমকি দেয়। এই ঘটনা বিষয়ে ওই দিনই ছাত্রীর পরিবার কালনা থানায় শিক্ষক অখিলেশ্বর সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে এর পরেই পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Murder: সন্তান না হওয়ায় বধূহত্যা, অভিযোগ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

সন্তান না হওয়ায় বধূকে প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। মৃতার নাম সুদীপা কুণ্ডু (২৩)। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার জোকারি পাড়ায় বধূর শ্বশুর বাড়ি। সোমবার সকালে শ্বশুর বাড়ির ঘর থেকে উদ্ধার হয় মৃতদেহ।বধূর বাবার বাড়ির লোকজনের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন বধূর বাবা কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ।আরও পড়ুনঃ স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে প্রৌঢ় খুনে গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশীবধূ সুদীপার বাবা কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ পুলিশকে জানিয়েছেন,তাঁদের পাড়ারই যুবক মানস কুন্ডুর সঙ্গে তাঁর মেয়ে সুদীপার বিয়ে হয় পাঁচ বছর আগে।বিয়ের সময়ে পাত্র পক্ষের দাবি মতো তিনি নগদ ২ লক্ষ টাকা, মোটরবাইক, বেশ কয়েক ভরি সোনার গহনা, খাট, বিছানা, ও অন্য দানসামগ্রী দিয়েছিলেন। তবে শ্বশুর বাড়ির লোকজন যত ভরি সোনার গহনা দাবি করেছিলেন ততটা তিনি দিতে পারেননি। সেই কারণে বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুদীপার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। কৃষ্ণচন্দ্র বাবু বলেন, সেই অত্যাচার মেনে নিয়েও সুদীপা সংসার করছিল। তারই মধ্যে আবার শুরু হয় বিয়ের পাঁচ বছর পরেও সুদীপা সন্তানের মা হতে না পারার অত্যাচার। সেই জন্য সুদীপাকে প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হতো বলে কৃষ্ণচন্দ্র বাবু অভিযোগ করেছেন।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেএদিন সকালে সুদীপার বাবার বাড়িতে ফোন করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায় সুদীপা গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে আত্মঘাতী হয়েছে। সেই খবর পেয়ে বধূর বাবার বাড়ির লোকজন জামাইয়ের বাড়িতে গিয়ে দেখেন সেখানে সুদীপা মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখেই কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ অভিযোগ করেন, তাঁর মেয়েকে প্রাণে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে জামাই সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এমনটা দাবি করে কৃষ্ণচন্দ্র বাবু এদিনই মন্তেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগ জমা পড়ার কথা জানতে পেরেই গা ঢাকা দেয় বধূর স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। কালনায় এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বধূ মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার অভিযোগ দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Upa-Pradhan: তৃণমূলের কর্মীদের হাতে প্রহৃত হলেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান

২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিটিয়ে যোগ দিতে যাওয়ার পথে নিজের দলের কর্মীদের হাতে প্রহৃত হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার ডুমুর গ্রামের কাছে। আক্রান্ত গলসির গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিমল ভক্ত ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে রবিবার রাতে গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।উপপ্রধান বিমল ভক্ত পুলিশকে জানিয়েছেন, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিটিংয়ে যোগ দিতে এদিন তিনি ডুমুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। মোটর বাইক চালিয়ে দামোদরের বাঁধ ধরে যাবার সময়ে তাঁর দলের কর্মীরা তার পথ আটকায়। তাঁকে লাথি মেরে মোটর সাইকেল সহ নদীর বাঁধের নিচে ফেলে দেওয়া হয়। তারপর তাঁকে কিল, ঘুষি, লাথি মারা হয়। এমনকি গাছের ডাল দিয়েও তাঁকে মারা হয়। মারধরে তাঁর হাত, পা ও পেটে আঘাত লেগেছে বলে তিনি জানান। উপপ্রধানের আরও অভিযোগ, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় তাঁকে একই রকম ভাবে মারধর ও হেনস্তা করা হয়েছিল বলে উপপ্রধানের অভিযোগ।এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি খোঁজ খবর নেবেন। তবে তিনি এই ঘটনা দলের গোষ্ঠী কোন্দল বলে মানতে অস্বীকার করেছেন।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Lady: রহস্যময়ী যুবতীর ফাঁদে পড়ে হাইজ্যাক গাড়ি, গ্রেফতার ৩

যাত্রী সেজে গাড়ি ভাড়া করে গাড়ি হাইজ্যাকের অভিযোগ গ্রেপ্তার হল ৩ যুবক। ধৃতদের নাম নূর হাসমত মির্জা ওরফে ভুটান, রানা মেটে এবং মীর আমির আলি ওরফে জুয়েল আলি। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের ঝিলুগ্রামে। অপর ধৃত আমীর আলি বীরভূম জেলার নানুর থানার মুরুন্ডি গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ৩ গাড়ি হাইজ্যাকরকে গ্রেফতার করলেও গাড়ি এখনও উদ্ধার হয়নি। পুলিশ রবিবার ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করে। হাইজ্যক হওয়া গাড়ি উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের ধরার জন্য পুলিশ ৩ ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরপুলিশ জানিয়েছে,গাড়িটির চালক শেখ সাজুর বাড়ি বর্ধমান থানার দুবরাজদিঘি এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় তিনি তাঁর চারচাকা গাড়িটি দাঁড় করিয়ে রেখে যাত্রীর জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। ওই সময়ে এক অপরিচিত যুবতী চালকের কাছে আসে। মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামে যাবার কথা জানিয়ে যুবতী তাঁর গাড়িটি ভাড়া করে। তারপর তিনি যুবতীকে নিয়ে পালিশগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে ঝিলু মোড়ে একটি মদের দোকানের কাছাকাছি পৌছাতেই ওই যুবতী গাড়িটি দাঁড় করানোর কথা বলে চালককে। চালক শেখ সাজুর অভিযোগ, ওই সময়ে আশেপাশে অপেক্ষা করছিল মহিলার পরিচিত দুই যুবক। তারা গাড়ির কাছে আসা মাত্রই তিন জনে মিলে শেখ সাজুকে মারধোর করে গাড়ি কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি স্থানীয় লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে দুদিন ধরে গাড়ির খোঁজ চালান। কিন্তু কোথাও গাড়ির সন্ধান না পেয়ে শেষে গত শনিবার শেখ সাজু মঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ ওই দিন গভীর রাত থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তিন জনকে গ্রেপ্তার করে। তিন ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ হাইজ্যাক হওয়া গাড়িটি উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Suicide: প্রেমিক বিয়েতে অস্বীকার করায় আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার পরেও প্রেমিক বিয়ে করতে না চাওয়ায় আত্মঘাতী হল এক কলেজ ছাত্রী। এমনই অভিযোগ করেছে মৃতার পরিবার। বছর ১৮ বয়সী ওই ছাত্রীর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার চাঁচাই এলাকায়।মেমারি থানার পুলিশ শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে উদ্ধার করে কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ। এদিন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ছাত্রীর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। ছাত্রীর বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। প্রেমিক সৌরভ বিশ্বাসের কঠোর শাস্তির দাবি করেছে মৃতার পরিজন।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রীটি মেমারি কলেজে দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশুনা করতো। ছাত্রীর বাবা পুলিশকে জানিয়েছে, পাল্লা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে তাঁর মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে ছিল। তারপরও ওই যুবক তাঁর মেয়েকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। তার কারণে গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে ঝুলে কলেজ ছাত্রী মেয়ে আত্মঘাতী হয় বলে ছাত্রীর বাবা জানিয়েছে। পুলিশ প্রেমিক যুবকের খোঁজ শুরু করেছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Heritage School: হেরিটেজ বিদ্যালয় ভবন সংস্কারে মেলেনি সরকারী অনুদান, প্রতিবাদে সরব প্রাক্তনীরা

হেরিটেজ বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের দাবিতে সরব হলেন প্রাক্তনীরা। তাঁরা দাবি করেছেন, সরকারী অনুদানে সংস্কার করা হোক ভগ্নদশা তৈরি হওয়া পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর নীলমনি ব্রহ্মচারি ইন্সটিউট। সংস্কার কাজে সরকারী অনুদান না মিললে প্রাক্তনীরা ব্যক্তিগত ভাবে অর্থ দেওয়ার ব্যপারেও ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। ঐতিহ্যশালী বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের দাবিতে প্রাক্তনীদের এই ভাবে সরব হওয়ায় প্রশাসনের কর্তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস না দিয়ে পারেননি।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও প্রাক্তনীদের কথায় জানা গিয়েছে, নীলমনি ব্রহ্মচারি ইন্সটিউটটি ১৮৮৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক স্তরে পড়ানোর স্বীকৃতি পায়। তাদানিন্তন সময়ে স্কুলটি ভিক্টরিয়া ইন্সটিটিউশন নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তী সময়ে কালাজ্বরের ওষুধের আবিস্কারক উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারির পিতা নীলমনি ব্রহ্মচারির নামে ওই স্কুলের নামকরণ হয়। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ের মূল ভবনটির বয়স ১৭২ বছর। সরকার বেশ কয়েক বছর আগে বিদ্যালয়টিকে হেরিটেজ ঘোষনা করেছেন। কিন্তু হেরিটেজ ঘোষনা হলেও ভগ্নদশা তৈরি হওয়া বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের কোন উদ্যোগ আজ অবধি নেওয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?নীলমনি ব্রহ্মচারি ইন্সটিউট কর্তৃপক্ষ এক দশক ধরে ব্লকের উন্নয়ন আধিকারিক, জেলাশাসক থেকে রাজ্যস্তর পর্যন্ত বারবার আবেদন জানিয়ে আসছে। কিন্তু লাভের লাভ ও কিছুই হয়নি। এরইমধ্যে ওই ভবনের ৪০ শতাংশ অংশ ভেঙে পড়েছে। অনেক শিক্ষক চাকরি থেকে অবসরও নিয়েছেন। কিন্তু হেরিটেজ বিল্ডিং সংস্কারের জন্য এক টাকাও বরাদ্দ হয়নি। এই নিয়ে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষুব্ধ। তারা চাইছেন সরকার যত তাড়া তাড়ি সম্ভব বিদ্যালয় ভবন সংস্কারে উদ্যোগী হোক।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রইন্সটিটিউটের একদল প্রাক্তন ছাত্র তাঁদের দাবির বিষয়টি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মদনমোহন ঘোষের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন। প্রাক্তনী অনিন্দ্য দাস জানান, তাঁরা প্রাক্তন ছাত্ররা প্রধান শিক্ষককে জানিয়েছেন তাঁরা ১০জন মিলিতভাবে বিদ্যালয়ের হেরিটেজ বিল্ডিং সংস্কারে জন্য ২ লক্ষ টাকা দিতে চান। পাশিপাশি সংস্কারের বাকি অর্থের জন্য তারা অন্যান্য প্রাক্তন ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান। প্রাক্তনীরা মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য প্রধান শিক্ষকের হাতে একটি স্মারকলিপিও তুলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকএই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কিভাবে বিদ্যালয় ভবন সংস্কার করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Bird Nest: নাদনঘাট থানার বটবৃক্ষে জড়ো হওয়া পাখির দল পুলিশের মনজয় করে পেল বাসস্থান

পাখিরাও বোধহয় ভেবে নিয়েছে কিচির মিচির ডাকে পুলিশ বাবুদের খুশি করতে পারলে তারা নিরাপদ আশ্রয় পাবে! পাখিদের সেই ভাবনা যে ভুল ছিল না তা শনিবার স্বচক্ষে দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানায় পৌছে। পাখিদের কিচির মিচির ডাকে খুশি হয়ে পুলিশ বাবুরাই এদিন অসংখ্য ঝুড়ি থানা চত্তরে থাকা প্রকাণ্ড বটগাছটির ডালে ডালে ঝুলিয়ে দিলেন তাদের বাসা তৈরির সুবিধার্থে। পুলিশবাবুদের এমন পক্ষি প্রেম এলাকার মানুষজনের মন কেড়ে নিয়েছে। নাদনঘাট থানার সকল পুলিশ কর্মীরাও চাইছেন তাঁদের থানা চত্ত্বরে থাকা বটবৃক্ষই হয়ে উঠুক সকল পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় স্থল। আর তারা যেন সকল বিকাল কিচির মিচির ডাকেই পুলিশ কর্মীদের মন ভরিয়ে রাখে।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব, বললেন শুভেন্দুনাদানঘাট থানার অদূরে রয়েছে পূর্বস্থলীর চুপীর পাখিরালয়। প্রতিবছর শীত পড়তেই দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে উড়ে এসে ওই পাখিরালয়ে ভিড় জমায় প্রায় ৬০-৭০ প্রজাতির পাখি। পর্যটকরা ওই সময়ে রঙ বে রঙের পাখি দেখার টানে চুপীর পাখিরালয়ে হাজির হন। পর্যটকরা পাখি দেখে মুগ্ধ হন। তবে শীত না পড়লেও এই সময়ে অদ্ভুত ভাবেই দলে দলে পাখি আশ্রয় নিয়েছে নাদনঘাট থানা চত্ত্বরে থাকা প্রকাণ্ড বটবৃক্ষটিতে। আর তাতেই খুশিতে মাতোয়ারা থানার বড়বাবু থেকে শুরু করে সকল পুলিশ কর্মী। খুশি এলাকাবাসীও।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ননাদনঘাট থানার পুলিশ কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, কিছুদিন হল তাঁদের থানা চত্ত্বেরে থাকা প্রকাণ্ড বটগাছটিতে বিভিন্ন ধরণের পাখির আনাগোনা শুরু হয়। দিন গড়ানোর সাথে সাথে বটগাছটিতে পাখিদের ভিড় আরও বড়তে শুরু করে। বিভিন্ন পাখির বিভিন্ন রকম ডাক মন ভরিয়ে দেয় থানার পুলিশ কর্মীদের। পুলিশ কর্মীরাও তাই পাখিদের নিয়ে কিছু একটা করায় ব্যাপারে উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। কারণ পুলিশ কর্মীরা কেউ চাইছিলেন না থানা চত্ত্বরের বট গাছ ছেড়ে পাখিরা অন্য কোথাও চলে যাক। ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় তাই নিজে উদ্যোগ নিয়ে এদিন পাখিদের বাসস্থান গড়ার সুবিধার্থে বটগাছটির ডালে ডালে ঝুড়ি ঝুলিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পাখিদের পিপাসা মেটানোর জন্যে বটগাছ সন্নিকটে মাটির পাত্রে জল রাখার ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, কিছুদিন যাবৎ বিভিন্ন রঙের পাখি বট গাছটিতে বসতে শুরু করে। পরে পাখিদের আনঅগোনা বাড়ে। তা দেখে থানার সকলেই খুশি হন। । নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ পেলে তাঁদের থানা চত্ত্বরের বটবৃক্ষে আরও অনেক পাখি জড়ো হবে, পাখিরা পুলিশ কর্মীদের পাশাপাশি এলাকাবসীকেও মুগ্ধ করবে। এমন প্রত্যাশা নিয়েই এদিন গাছের ডালে ডালে পাখিদের বাসা তৈরীর সুবিধার্থে ঝুড়ি ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Self-Reliance: এক টাকার চপ বেচেই বিত্তশালী হিমাংশু আত্মনির্ভরতার দিশা দেখাচ্ছেন যুবকদের

অতিমারির মধ্যেও জ্বালানির আঁচে জ্বলছে গোটা দেশ। অগ্নিমূল্য সবেরই বাজার দর। কিন্তু তাতে কি !এই সব নিয়ে বিশেষ মাথাই ঘামাতে চান না পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পাঁচড়ার চপ-তেলেভাজা বিক্রেতা হিমাংশু সেন। বরং তিনি মনে করেন, এই কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ষোল আনা অর্থাৎ ১ টাকা পিস দরে চপও অন্য তেলে ভাজা বিক্রি করেও বিত্তশালী হওয়া যায়। শুধু মনে করাই নয়,বাস্তবে সেটা তিনি করেও দেখিয়ে চলেছেন।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রচপ বিক্রেতা হিমাংশুবাবুর এমন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডই এলাকার বেকার দের আত্মনির্ভর আর্থিক রোজগারে দিশা দেখাচ্ছে। যা চাক্ষুষ করে অনেকে এখন বলতে শুরু করেছেন,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চপ শিল্প নিয়ে হক কথাই বলেছিলেন । জামালপুরের পাঁচড়া গ্রামের দক্ষিনপাড়ায় বাস হিমাংশু সেনের। বাড়ির কাছেই রয়েছে তাঁর প্রসিদ্ধ চপ-তেলে ভাজার দোকান। প্রতিদিন দুপুর ৩ টায় খুলে যায় তাঁর চপের দোকান। তারপর থেকেই পরিবারের সবাই মিলে দোকান চালান। দোকানের এক ধারে বসে গ্যাসের উনানে গরম তেলের কড়াইয়ে ফুলুড়ি, সিঙ্গারা, ভেজিটেবিল চপ, আলুর চপ এই সবকিছুই ভাজেন হিমাংশু বাবু। এছাড়াও ঘুগনি এবং অল্পস্বল্প করে রসোগোল্লা, পান্তুয়া, ল্যাংচা ও মাখা সন্দেশও বিক্রির জন্য তিনি তৈরি করেন। তবে চপ বিক্রিই তাঁর মূল ব্যবসা।দোকান খোলার কিছু সময় পর থেকেই খরিদ্দারের ভিড় বাড়তে শুরু করে শিমাংশুবাবুর দোকানে ।খরিদ্দার সামলান হিমাংশু বাবুর স্ত্রী বন্দনাদেবী, ছেলে কাশিনাথ ও পুত্রবধূ শম্পা। চপ ভাজা থেকে শুরু করে চপ, ঘুগনি বিক্রি এই দুই কাজে রাত ৯ টা পর্যন্ত সেন পরিবারের কেউ একমুহুর্ত ফুরসত পান না। প্রায় ৩০ বছর ধরে ১ টাকা মূল্যে চপ-তেলেভাজা বিক্রি করেই হিমাংশুবাবু ও তাঁর পরিবার এখন এলাকার বিত্তশালীদের মধ্যে একজন হয়ে উঠেছেন। যা দেখে অনেকের ঈর্ষা হয় ঠিকই। কিন্তু তারা হিমাংশুবাবুর ব্যবসায়িক বিচক্ষণতার কাছে মাথা নত না করে পারেন না।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?দুর্মূল্যের বাজারেও ১টাকা পিস দরে চপ-তেলে ভাজা বিক্রি করে লাভের মুখ দেখার ব্যবসায়িক রহস্যটা কি? এই প্রশ্নের উত্তরে হিমাংশু সেন বলেন, আমাদের পরিবার এক সময়ে আর্থিক ভাবে অত্যন্ত দুর্বল ছিল। রোজগারের বিকল্প আর কোনও পথ সেভাবে খুঁজে না পেয়ে বাবা বিশ্বনাথ সেন অনেক বছর আগে বাড়ি লাগোয়া জায়গায় চপের দোকান খুলে বসেন। তাঁর বাবা এলাকার মানুষের আর্থিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে তখন ৮০ পয়সা পিস দরে চপ-তেলে ভাজা বিক্রী করা শুরু করেছিলেন। এর পর বেশ কয়েক বছর হল তিনি মাত্র ২০ পয়সা দাম বাড়িয়ে ১ টাকা পিস দরেই চপ-তেলেভাজা বিক্রি করে চলেছেন। শুধু এক প্লেট ঘুগনির দাম ২ টাকা নেন বলে হিমাংশু বাবু বলেন। হিমাংশুবাবু দাবি, এলাকার গরিব, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তরাই তাঁর দোকানের ১ টাকা মূল্যের চপ-তেলেভাজা ও ২ টাকা প্লেটের ঘুগনির সবথেকে বড় ক্রেতা। এছাড়াও দুর-দুরান্তের ক্রেতা তো রয়েইছে।প্রতিদিন ১০ কেজি বেসনের চপ- তেলেভাজা বিক্রি হয় হিমাংশুবাবুর দোকানে। শুধু ১০ কেজি বেসনই নয়। এর সঙ্গে প্রতিদিন লাগে ১ বস্তা আলু, ৫ কেজি মটর, হাজার টাকার সরষের তেল সহ অন্যান্য সামগ্রী। হিমাংশু বাবু জানান, এইসব সামগ্রী কিনে দোকান চালানোর জন্য প্রতিদিন তার প্রায় ৩৫০০ টাকা খরচ হয়। ১ টাকা পিস দরে চপ- তেলেভাজা আর ২ টা প্লেট দরে ঘুগনি বিক্রি করেও গড়ে প্রতিদিন ৫০০- ৭০০ টাকা লাভ থাকে বলে হিমাংশু বাবু জানান। সেই লাভের পয়সাতেই তিনি সংসার চালানোর পাশাপাশি মেয়ে কেয়াকে উচ্চশিক্ষিত করেছেন। এম এ, বিএড পাস করা মেয়ের বিয়েও তিন বছর আগে ধুমধাম করে দিয়েছেন। ছেলের ছেলে অর্থাৎ নাতি কুশল ও নাতনি কৃত্তিকাকেও উচ্চশিক্ষিত করার স্বপ্ন নিয়ে গ্রামের প্রথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছেন হিমাংশুবাবু। এছাড়াও চপ বিক্রির লাভের পয়সা দিয়েই তিনি পরিবারের সাবেকি বাড়িটিকে ঝাঁ চকচকে বানিয়েছেন। একই সঙ্গে চপের দোকানের লাগোয়া জায়গায় সম্প্রতি নতুন একটি সুন্দর দোতলা বাড়িও তৈরি করেছেন। নূন্যতম মূল্যে অধীক বিক্রি-ই তাঁর ব্যবসায়িক সাফল্যের চাবিকাঠি বলে হিমাংশু সেন জানিয়েছেন। পাঁচড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রেমনাথ ঘোষাল বলেন, অর্থনীতিবিদরা বলছেন ভারতসহ গোটা বিশ্ব এখন অর্থনৈতিক মন্দায় ধুুঁকছে। ভারতীয় জিডিপির পতনের প্রভাব পুরো বিশ্বের অর্থনীতিতে পড়বে বলেও অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটদেশের এমন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ১ টাকা মূল্যে চপ বিক্রী করে হিমাংশু সেন কোন যাদুতে লাভের মুখ দেখছেন সেটাই সবচেয়ে আশ্চর্য্যের বিষয়। হিমাংশু সেনের ব্যবসায়ীক সাফল্যের বিষয়টি হয়তো অর্থনীতিবিদদেরও ভাবাবে । কারণ এই কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও হিমাংশু সেনের ব্যবসায়ীক কর্মকাণ্ড এখন এলাকার বেকার দের আত্মনির্ভর আর্থিক রোজগারে দিশা দেখাচ্ছে বলে প্রেমনাথ ঘোষাল মন্তব্য করেন। পাঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লালু হেমব্রম জানান, চপ-তেলেভাজার দোকান করে জীবনে বড় হওয়া যায় বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন। তার জন্য বিরোধীরা ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করতে ছাড়েননি ।কিন্তু বাস্তবেই পাঁচড়ার হিমাংশু সেন প্রমাণ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ভুল কিছু বলেননি। মুখ্যমন্ত্রী হক কথাই বলেছিলেন। হিমাংশুবাবুর ব্যবসায়িক স্ট্রাটেজির কথা জেনে তারিফ করেছেন অর্থনীতি নিয়ে পড়া শুনা জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার।

জুলাই ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদিকে হত্যার ছক? বেঙ্গালুরুতে প্রধানমন্ত্রীর রুট থেকে উদ্ধার বিস্ফোরক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেঙ্গালুরু সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। যে রাস্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) কনভয় যাওয়ার কথা ছিল, সেই পথের ধারে উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত জেলাটিন স্টিক। ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। পুলিশ এক সন্দেহভাজন যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বেঙ্গালুরুর আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) । সেই সময় কাগ্গালিপুরা এলাকার থাথাগুনির কাছে রাস্তার ধারে কয়েকটি জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়।জানা গিয়েছে, মোদির (PM Modi) সফরের আগে পুলিশের কাছে একটি সন্দেহজনক ফোনকল আসে। ফোনে বিস্ফোরণের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। এরপরই এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। সেই তল্লাশিতেই রাস্তার ধারে পড়ে থাকা জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়।ঘটনার পরই হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, রবিবার ভোরে এক ব্যক্তি স্থানীয় থানায় ফোন করে এইচএএল এবং আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে বিস্ফোরণের আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি (PM Modi) ।পরে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কোরামাঙ্গালায় তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এইচএএল বিমানবন্দরের কাছে কোনও সন্দেহজনক বস্তু না মিললেও আর্ট অফ লিভিং যাওয়ার রাস্তায় জেলাটিন স্টিক উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। কীভাবে ওই বিস্ফোরক সেখানে পৌঁছল, কারা তা সরবরাহ করেছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সন্দেহভাজন যুবকের পাশাপাশি তাঁর বাবা-মাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি অতীতেও বেঙ্গালুরুতে ভিআইপি সফরের সময় একই ধরনের ফোন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছিলেন। তখনও তাঁকে আটক করা হয়েছিল। পরে জানা যায়, তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে। তবে এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরের রুট থেকে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না পুলিশ।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

সাসপেন্ড হতেই বিস্ফোরক ঋজু! “চাকরি বিক্রি হয়েছে, সবাই জানে”

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন দলের নেতা ঋজু দত্ত। চাকরি বিক্রি থেকে শুরু করে কাটমানি, টিকিট বাণিজ্য একের পর এক অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, চাকরি বিক্রি হয়নি, এটা বলার মতো বড় পাপ আর কিছু হতে পারে না। চাকরি বিক্রি হয়েছে, সেটা প্রমাণিত।এখানেই থামেননি ঋজু। তাঁর অভিযোগ, বাড়ির প্ল্যান পাশ করানো থেকে শুরু করে নির্মাণ কাজ সব ক্ষেত্রেই টাকা দিতে হয়। এমনকি বাড়িতে কোমড বসানোর ক্ষেত্রেও তৃণমূলের লোকেরা টাকা নেয় বলে দাবি করেন তিনি।বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ঋজু বলেন, বাংলার মানুষ এবার মন খুলে কথা বলতে পারছেন। কলকাতার রাস্তায় বেরোলে মনে হচ্ছে ভারত জিতেছে, পাকিস্তান হেরেছে। মানুষ নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে।তৃণমূলে থাকার সময় নিজের অবস্থান নিয়েও মুখ খুলেছেন ঋজু দত্ত। তিনি বলেন, আরজি কর আন্দোলনের সময় আমি দলের হয়ে লড়াই করেছি। সন্দেশখালির সময়ও দলকে সমর্থন করেছি। কারণ আমি দলের মুখপাত্র ছিলাম। কিন্তু মন থেকে কোনওদিন সেগুলো মেনে নিতে পারিনি। দল যা বলতে বলত, বাধ্য হয়ে সেটাই বলতে হত।আইপ্যাক নিয়েও তীব্র অভিযোগ করেছেন তিনি। ঋজুর দাবি, দল চালাত আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন। তৃণমূল নয়। টিকিট দেওয়ার জন্য টাকা চাওয়া হত। আমার কাছেও ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে বিজেপিও কটাক্ষ করতে শুরু করেছে তৃণমূলকে। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বক্তব্য, এখন ধাক্কা খেয়ে অনেকেরই চেতনা ফিরছে।তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন ঋজু দত্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি কোনও আবেদন করেননি। যদিও বিজেপি নেতাদের পাশে পাওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আমার এলাকার বিজেপি বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি পুলিশকে ফোন করে আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। উত্তর কলকাতার বিজেপি নেতারাও আমার পরিবারকে সাহায্য করেছেন।ঋজুর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
দেশ

বেঙ্গালুরু থেকেও বাংলার জয়গান মোদীর, “তিন থেকে ২০০, এটাই নতুন ইতিহাস”

বাংলায় বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভাসছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির শীর্ষ নেতাদের মুখে বারবার উঠে আসছে বঙ্গজয়ের প্রসঙ্গ। এবার কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সভা করেও বাংলার জয় নিয়ে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে তিনি তুলে ধরলেন গত ১০ বছরে বাংলায় বিজেপির উত্থানের কাহিনি।বেঙ্গালুরুতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মোদী বলেন, অসমে টানা তিনবার এনডিএ সরকার গঠন করেছে। বাংলায় প্রথমবার বিজেপি এত বড় আশীর্বাদ পেয়েছে। গুজরাটেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে দারুণ ফল করেছে বিজেপি। এই সবই নতুন ইতিহাস তৈরির ঘটনা।এরপর বাংলায় বিজেপির লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দশ বছর আগে বাংলায় আমাদের মাত্র তিনজন বিধায়ক ছিল। তখন সংগঠনও খুব শক্তিশালী ছিল না। আজ সেই বাংলা থেকেই ২০০-র বেশি আসনে জয় পেয়ে বিজেপি সরকার গঠন করেছে। এটা ইতিহাস রচনার থেকে কম কিছু নয়।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপি মাত্র তিনটি আসনে জয় পেয়েছিল। এরপর ২০২১ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৭। আর ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে।এবারের নির্বাচনে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে এসেছে ৮০টি আসন। রাজ্যের একাধিক এলাকায় গেরুয়া ঝড়ে কার্যত ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। বিজেপির ভোটের হারও ৪৫ শতাংশের বেশি বলে দাবি দলের।শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজে নেমে পড়েছেন তিনি। সোমবার নবান্নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করার কথা রয়েছে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর।বাংলায় প্রথমবার বিজেপি সরকার গঠন করায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস তুঙ্গে। আর সেই আবহেই দেশের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে বাংলার জয়কে ইতিহাস বলে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের ফলের পর রক্তাক্ত খুন! এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী হত্যায় আরও এক গ্রেপ্তার

এন্টালিতে তৃণমূল কর্মী তাপস নস্কর খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে হাসনাবাদ থেকে অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম ভোলা কর। রবিবার তাঁকে শিয়ালদহ আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবরবিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরের দিন, মঙ্গলবার গভীর রাতে খুন হন তাপস নস্কর। ঘটনার পরই একজনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই আরও এক অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। এরপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হাসনাবাদের মিঠুন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই ভোলা করকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস খুনের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআরে ভোলা করের নাম ছিল। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো ঘটনার পিছনের কারণ জানার চেষ্টা চলছে। যদিও পুলিশের দাবি, এই খুনের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই।স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকার এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন তাপস নস্কর। সেই সূত্রে এলাকায় প্রোমোটিংয়ের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অবৈধ কাজের অভিযোগ ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় থানায় তাপসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল।নির্বাচনের আগে পুলিশ তাঁকে সতর্ক করেছিল বলেও জানা গিয়েছে। এমনকি ভোটের আগে তাঁকে নজরবন্দিও রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান তাপস। ভোট শেষ হওয়ার পর ফের এন্টালিতে ফিরে আসেন তিনি।তারপরই ৫ তারিখ গভীর রাতে এন্টালির চৌধুরী লেনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। স্থানীয় মানুষ পুলিশে খবর দিলে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাপসের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়, যার মধ্যে ভোলা করের নামও ছিল।এই খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ালেও কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দা জানিয়েছেন, এটি রাজনৈতিক খুন নয়। তাঁর দাবি, নির্মাণ ব্যবসা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছুদিন বাইরে থাকার পর সম্প্রতি এলাকায় ফিরেছিলেন তাপস। তারপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

সরকার বদলাতেই বড় পদক্ষেপ! অবশেষে প্রকাশ্যে এসএসসি-র গোপন ওএমআর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরই বদলে গেল স্কুল সার্ভিস কমিশনের অবস্থান। দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কে থাকা ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ওএমআর শিট অবশেষে প্রকাশ করল এসএসসি। সূত্রের খবর, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের দিনেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের ওএমআর প্রকাশ করা হয়েছে।এর আগে ২০২৪ সালেই কলকাতা হাইকোর্ট সমস্ত ওএমআর প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখে। কিন্তু তারপরেও এতদিন পর্যন্ত সব ওএমআর প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ওএমআর মূল্যায়নকারী সংস্থার এক প্রাক্তন কর্মীর ঠিকানা থেকে একটি হার্ডডিস্ক উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই হার্ডডিস্ক থেকেই নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সমস্ত পরীক্ষার্থীর ওএমআর পাওয়া যায়। এরপরই তা প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে সমস্ত ওএমআর প্রকাশের নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখলেও এতদিন পর্যন্ত পুরো তথ্য সামনে আনা হয়নি। এবার এসএসসি জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র সমস্ত ওএমআরও প্রকাশ করা হবে।এখন ২০১৬ সালের সমস্ত পরীক্ষার্থী নিজেদের ওএমআর দেখতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার এসএসসি-র তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সিবিআই সূত্রে পাওয়া ওএমআর শিট ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পুরো প্যানেল বাতিল হয়। এরপর থেকেই চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ওএমআর প্রকাশের দাবি উঠছিল। ওএমআর নষ্ট করা এবং কারচুপির অভিযোগও সামনে এসেছিল।এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে ওএমআর প্রকাশ হওয়ায় নতুন করে রাজ্যের শিক্ষা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

মে ১০, ২০২৬
রাজ্য

“শেষে রাহুলের কাছেই হাতজোড় করতে হবে!” মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক অধীর

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, একসময় বাম শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে যাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এখন তিনিই রাজনৈতিক সংকটে পড়ে সকলকে পাশে চাওয়ার চেষ্টা করছেন।অধীর চৌধুরী বলেন, বামেদের সরানোর সময় উনি নকশালদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন। পরে কিষানজিকে হত্যা করা হয়। এখন দিদি নিজেই বিপদে পড়েছেন। তাই সবাইকে ডাকছেন। তাঁর কটাক্ষ, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাহুল গান্ধীর কাছেও হাতজোড় করতে হতে পারে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও কটাক্ষ করেছেন অধীর। তিনি বলেন, বিকেল চারটে থেকে ছটার মধ্যে ওঁর বাড়িতে কারা দেখা করতে যাচ্ছেন, সেটা দেখতে চাই। যদি কেউ যান, তাহলে বোঝা যাবে বাংলার মানুষ এখনও তাঁকে আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে মানছেন কি না।এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও আক্রমণ শানান অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, শুনছি খোকাবাবুর বাড়ি এখন দর্শনীয় জায়গা হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো হওয়ার সুবাদে কত ক্ষমতা পাওয়া যায় এবং সেই ক্ষমতায় কেমন বাড়ি তৈরি হয়, তা দেখতে মানুষ ভিড় করছেন। এখানেই থামেননি অধীর। তাঁর মন্তব্য, খোকাবাবুর বাড়ি যেমন মিউজিয়াম হয়েছে, দিদির বাড়িও খুব শীঘ্রই মিউজিয়াম হয়ে যাবে।জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ সমীকরণ নিয়েও মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, দিদি আগামী দিনে কী করবেন, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। তবে এটা নিশ্চিত, শেষ পর্যন্ত রাহুল গান্ধীর কাছেই তাঁকে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, শনিবার কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠানের পর বিজেপিকে রুখতে বিরোধী জোট গঠনের বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসতে হবে। বাম এবং অতিবাম দলগুলিকেও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মমতা স্পষ্ট বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।যদিও তৃণমূল নেত্রীর এই বার্তায় এখনও ইতিবাচক সাড়া দেয়নি বামেরা। আপাতত তারা একাই লড়াই করার অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যেই অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

টোল প্লাজার ক্যামেরায় ধরা পড়ল খুনিদের গাড়ি! ইউপিআই সূত্রে চাঞ্চল্যকর মোড়

চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে বড় সূত্র পেল পুলিশ। খুনে ব্যবহৃত গাড়ির ফাস্ট্যাগ পেমেন্ট থেকে একটি ইউপিআই লিঙ্কের খোঁজ মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই ঝাড়খণ্ডের এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তদন্তকারীদের দাবি, খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি বালি টোলপ্লাজা হয়ে এলাকায় ঢুকেছিল। টোলপ্লাজার সিসিটিভি ফুটেজে গাড়িটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে টোলের টাকা ফাস্ট্যাগের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সেই অনলাইন পেমেন্টের সূত্র ধরেই কোন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গিয়েছে, তা জানতে পেরেছে পুলিশ।চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্ক ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। চন্দ্রনাথ ছিলেন প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর পাঁচ গ্রাম পঞ্চায়েতে। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন সময় থেকেই তাঁদের পরিচয়। ধীরে ধীরে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন চন্দ্রনাথ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখভালের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।বুধবার রাতে আচমকাই খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। তারপর থেকেই তদন্তে নেমেছে বিশেষ তদন্তকারী দল। আততায়ীদের গতিবিধি জানতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। তদন্তকারীরা টাওয়ার ডাম্পিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার আগে এবং পরে এলাকার মোবাইল ফোনের তথ্য খতিয়ে দেখছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় কোন কোন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করা হয়েছিল বা কল রিসিভ করা হয়েছিল, তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সন্দেহজনক নম্বর চিহ্নিত করতে ঘটনাস্থলের আশপাশের একাধিক মোবাইল টাওয়ারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে বহু ফোন কলের মধ্যে থেকে সন্দেহভাজন নম্বর আলাদা করার কাজ চলছে। তদন্তকারীরা দেখছেন, ঘটনার আগে ও পরে কোন কোন নতুন নম্বর থেকে হঠাৎ ফোন আদানপ্রদান হয়েছে। সেই নম্বরগুলির টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে আততায়ীদের গতিবিধি জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় ঘোষণা থলপতি বিজয়ের! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ থেকে নারী সুরক্ষায় একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার থলপতি বিজয়। শপথ নেওয়ার পরই প্রথম ভাষণে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়ের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের মানুষের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।চেন্নাইয়ে শপথ গ্রহণের পর প্রথম ভাষণে বিজয় বলেন, আমি সাধারণ মানুষ। আপনাদের ভালবাসা আর সমর্থনেই আজ এখানে পৌঁছেছি। সরকারের সমস্ত সিদ্ধান্ত এবং কাজের দায়ভার আমারই থাকবে। তিনি আরও বলেন, আগের ডিএমকে সরকার বিপুল ঋণের বোঝা রেখে গিয়েছে। তবে মানুষের সমর্থন থাকলে তাঁর সরকার সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন জোট রাজনীতি নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজয়। তিনি বলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোনও জোটসঙ্গীর চাপের কাছে মাথা নত করবে না। সরকার নিজের নীতি মেনেই চলবে।অনুরাগীদের উদ্দেশেও আবেগঘন বার্তা দেন দক্ষিণী তারকা। তিনি বলেন, আপনারাই আমার জীবন। আপনাদের ভালোর জন্যই আমি কাজ করব। আপনাদের ছাড়া আমি কিছুই নই। তাঁর মুখে শোনা যায় জনপ্রিয় তামিল শব্দবন্ধ এন নেনজিল কুডিয়িরুক্কুম, যার অর্থ, যাঁরা আমার হৃদয়ে থাকেন।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন বিজয়। তিনি জানান, তামিলনাড়ুর মানুষ মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবেন। মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা নারী সুরক্ষা বাহিনী গঠন করা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।এছাড়াও রাজ্যে মাদক রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজয়ের দাবি, নতুন সরকার স্বচ্ছভাবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী ইস্তাহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন বিজয়ের সঙ্গে আরও নজন শপথ নেন। সূত্রের খবর, তাঁদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছেন কেএ সেনগোত্তাইয়ান, আধব অর্জুন, নির্মল কুমার, এন আনন্দ, অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু, প্রাক্তন আইআরএস আধিকারিক অরুণ রাজ, পি ভেঙ্কটারামনন এবং সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক কীর্তনা। বিরুধুনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন কীর্তনা।

মে ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal