• ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman,

রাজ্য

Agriculture Act: কৃষি আইন বাতিল ঘোষণায় লাড্ডু বিতরণ বর্ধমানে

কেন্দ্রীয় কৃষি আইন বাতিল ঘোষণায় তৃণমূল সহ বিরোধী দলের নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কৃষকদের অভিনন্দন জানাতে সোমবার বর্ধমানের বড়নীলপুর মেড়ে মানুষের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয়। এই তিন আইন বাতিল করার জন্য তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছেন বর্ধমানের তৃণমূল নেতা সুজিত ঘোষ।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করেছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, আন্দোলনকারী কৃ্যক সংগঠন ও তৃণমূল কংগ্রেসের ক্রমাগত প্রতিবাদের ফলেই এই তিন কৃষি আইন বাতিল ঘোষণা করেছেন তিনি। সোমবার তৃণমূল নেতা সুজিত ঘোষ বলেন, আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় কালা কৃষি আইনের টানা প্রতিবাদ করেছেন। পথে নেমে তৃণমূল আন্দোলন করেছে। কৃ্যকদের কোনও সমস্যা হলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যে ভাবে নির্দেশ দেবে সে ভাবেই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ব। আমরা কৃষকদের পাশে আছি। রাজ্য সরকার সবসময় কৃষকদের সঙ্গে থাকে। এদিকে দিল্লিতে আন্দোলনকারী কৃষকরা জানিয়ে দিয়েছে, শুধু মুখে ঘোষণা করলে হবে না কৃষি আইন বাতিলের পক্ষে সংসদে বিল আনতে হবে মোদি সরকারকে।

নভেম্বর ২১, ২০২১
শিক্ষা

School Re-Open: অবশেষে রাজ্যে খুলছে স্কুলের দরজা, ছাত্র-ছাত্রীদের কলতানে মাতবে ক্লাসরুম

বাজলো ছুটির ঘণ্টা। দীর্ঘ প্রায় দুবছর হতে চলল ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের মুখ দেখেনি। অবশেষে বছর শেষে আজ, মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের দরজা খুলতে চলেছে। স্কুলগুলিতে স্যানাটাইজারের কাজ শেষ। স্কুলে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে ছাত্র-ছাত্রীরা। যদিও প্রথম দফায় নবম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস হবে। তার মধ্যেও নানান নির্দেশিকা রয়েছে।রাজ্যের অন্য জেলার মত পুর্ব-বর্ধমান জেলার বিভিন্ন স্কুল আজ খুললো, সরকারি নির্দেশিকা ও কোভিড বিধি মেনে তাঁরা ছাত্রদের স্কুলে প্রবেশ করান। জেলার সিবিএসসি ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে আজ ছাত্রদের গোলাপ ফুল দিয়ে নবীনবরন করে নেওয়া হয়। বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা-কে জানান অতিমারীর কারণে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে আজ আবার স্কুল খুলতে চলেছে এবং ঈশ্বরের কৃপায় আমরা আমাদের বিদ্যালয়ে সন্তানদের ফিরে পেতে যাচ্ছি। শিক্ষক ও শিক্ষা-কর্মীদের কাছে আবেদন দয়া করে ভুলে যাবেন না যে এই অবস্থার মধ্যে তাদের মনের মধ্যে অনেক চাপ গিয়েছে, হয় তো অনেকের মধ্যে কিছু খারাপ অভ্যাস জায়গা করে নিতে পারে। তাই তাদের সাথে সহানুভূতির সঙ্গে আচরণ করুন এবং তাদের সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য চরম ধৈর্য ধরে রাখার চেষ্টা করুন। আশা রাখছি খুব শীঘ্রই আমরা শিশুদেরও স্কুলে আসতে দেখব। এর থেকে ভালো দৃশ্য সমাজে আমরা কিছু আশা করতে পারি না। সকালে ঘুম থেকে উঠে রাস্তার মোড়ে মোড়ে ও বাসের ভিতরে বাচ্ছারা মা-বাবা দের হাত ধরে স্কুল বাস/ক্যাব-র অপেক্ষায় যে কলতান করে তা কোনও সঙ্গীতের থেকে কম মধুর নয়। সকলের ভালো ও শুভ কামনা আশা করছি।যাত্রা শুরুএই সময় ছাত্রী-ছাত্রীরা অনলাইনে ক্লাসে অভ্যস্ত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সেই সুযোগ হয়নি লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার। শিক্ষামহল মনে করে, স্কুলে গিয়ে সরাসরি পড়াশুনার মজাটাই আলাদা। তাছাড়া স্কুলে গিয়ে না পড়লে প্রকৃত শিক্ষা সম্পূর্ণ হতে পারে না। বীরভূমের লাভপুরের শম্ভুনাথ কলেজের ভূগোল-র অধ্যাপক ডঃ কুনাল চক্রবর্তী জনতার কথাকে বলেন ছাত্রদের সাথে অফলাইনে ক্লাস নেওয়ার মজাই আলাদা। যে অনুভুতি সামনা-সামনি ক্লাস নিলে হয় তা কোনোদিন-ই অনলাইনের ক্লাসে সম্ভব নয়। আমরা দীর্ঘদিন শিক্ষকতা সঙ্গে যুক্ত, ছাত্রদের চোখের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি তারা কতটা নিতে পারছে, সেটা কোনও দিন-ই অনলাইনের ক্লাসে সম্ভব নয়। তাছাড়া অনেকেই প্রত্যন্ত গ্রামে থাকে, সেখানে ইন্টারনেট পরিসেবা ততটা উন্নত নয়, কেউ হয়তো অর্থনৈতিক অবস্থা কারনে মোবাইল কিনতে পারেনি। তবে অনলাইন ক্লাস একটা দিগন্ত খুলে দিল, এটা নিশ্চিত ভাবেই প্রমানিত যে কোনও কিছুই প্রতিবন্ধকতা নয়। মানুষ চাইলে সব কিছুকেই অতিক্রম করতে পারে। আশা রাখি খুব শীঘ্রই ছোটোদেরও স্কুল শুরু হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

U-19: সংসারে চরম অভাব–অনটন, দেশের হয়ে খেলার লক্ষ্যে পূর্ব বর্ধমানের তরুণীর অদম্য লড়াই

দীর্ঘদিন আগেই বাবা মারা গেছেন। মায়ের কাছে বেড়ে ওঠা। সেই মেয়ের চোখে একরাশ স্বপ্ন বড় ক্রিকেটার হওয়া। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বড়বেলুন গ্রামের মেয়ে শ্রীলেখা রায়। স্বপ্নপূরণ হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে বাংলার এই মহিলা ক্রিকেটার।ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ার সময়ই স্ত্রী ও কন্যাকে ছেড়ে চলে যান শ্রীলেখা রায়ের বাবা। মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন তিনি। ৮ বছর আগে মারা গিয়েছেন। ছোট থেকেই মায়ের কাছে মানুষ হয়েছে শ্রীলেখা। বাবাকে হারানোর পর রাস্তার ধারে ঘুঘনি বিক্রি করে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছে। তবু খেলার নেশা তাকে কখনও ছাড়েনি। বাড়ির কাছে ছেলেদের ক্রিকেট খেলা দেখেই উৎসাহিত হয়েছিল ছোট্ট শ্রীলেখা। একদিন হাজির হয় অগ্রগামী ক্লাবে অনির্বান হাজরা ও নীলকন্ঠ পাঁজার কাছে। সেখানেই ক্রিকেটে হাতেখড়ি শ্রীলেখা রায়ের। জেলা ক্রিকেটে নজরকাড়া পারফরমেন্সের পর জায়গা হয় দমদম বিডব্লুসিসি ক্লাবে। এখানেই শ্রীলেখা রায়কে ঘষে মেজে তৈরি করেন বাংলা মহিলা ক্রিকেটের দুই মুখ মিঠু মুখার্জি ও বিনীতা রায় মৌলিক। ২০১৫ সাল থেকেই এই কোচিং সেন্টারে প্রথাগত ক্রিকেট শিক্ষা শুরু।বাংলার বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ না পেয়ে ২০১৭ সালে শ্রীলেখা পাড়ি দেয় মিজোরামে। দুটি মরশুম সেখানে কাটিয়ে আবার ফিরে আসে বাংলায়। এই মরশুমে বাংলার জার্সি গায়ে খেলছে শ্রীলেখা। তার নজরকাড়া পারফরমেন্সের সুবাদে এবছর মহিলাদের অনূর্ধ্ব ১৯ চ্যালেঞ্জার ট্রফিতে খেলার সুযোগ পায়। চ্যালেঞ্জারে মোট চারটি দল অংশ নিয়েছিল। ভারত এ, বি, সি এবং ডি। ভারত এ দলে ছিল শ্রীলেখা। দুটি ম্যাচে খেলার সুযোগ পেয়েছিল। একটা ম্যাচে ৩ ওভার এবং অন্য ম্যাচে ৫ ওভার বোলিং করার সুযোগ এসেছিল। ব্যাট হাতে দ্বিতীয় ম্যাচে ১৭ রান করেছিল বাংলার এই অলরাউন্ডার।মা কলকাতায় বাড়ি বাড়ি পরিচারিকার কাজ করে। সামান্য আয় দিয়েই মেয়ের ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। শ্রীলেখা রায় বলছিল, যেদিন সিনিয়র জাতীয় দলে সুযোগ পাব, সেদিনই আমার স্বপ্ন পূরণ হবে। অর্থের অভাবে খেলার সরঞ্জাম কিনতে পারে না শ্রীলেখা। চ্যালেঞ্জার্স ট্রফি খেলে ফিরে আসার পর শ্রীলেখার বাড়িতে ছুটে গেছেন ভাতার থানার ওসি। তুলে দিয়েছেন খেলার সরঞ্জাম। ভবিষ্যতে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। শ্রীলেখার জন্য গর্বিত ভাতারের বড়বেলুন গ্রামের মানুষ। গ্রামের মানুষকে আরও গর্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে চায় শ্রীলেখা।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

NEET: পূর্ব বর্ধমানের ফুল বিক্রেতার ছেলের সর্বভারতীয় নিট পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক ২৫০১, মুখ উজ্জ্বল বাংলার

ফিজিকস ১৮০ মধ্যে ১৪৬, কেমিস্ট্রিতে ১৮০ মধ্যে ১৬৫, বায়োলজিতে ৩৬০ এর মধ্যে ৩৫০। পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না থানার সেহারাবাজার সি কে ইনস্টিটিউশনের আকাশ পোদ্দারের সর্বসাকুল্যে প্রাপ্ত নম্বর ৭২০ মধ্যে ৬৬১। সর্বভারতীয় রেঙ্ক ২৫০১। পার্সেন্টাইল সর্বসাকুল্যে ৯৯.৮৪। হ্যাঁ নিট পরীক্ষায় আকাশের সাফল্যের খতিয়ান। সাফল্যের ধারাবাহিকতা অবশ্যই আছে। কেননা, ২০১৮ সালে মাধ্যমিকে আকাশের প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৭০০ মধ্যে ৬৭০, আর উচ্চ মাধ্যমিকে ৫০০ মধ্যে ৪৮৬।কেউ ভাবতেই পারেন আকাশের সাফল্য ব্যতিক্রমী কেন? অবশ্যই ব্যতিক্রমী! কেননা সাফল্যের চূড়ায় উঠতে গেলে যে আনুষঙ্গিক অনুকূল পরিবেশের দরকার হয় আকাশের ক্ষেত্রে সেটা প্রায় ছিল না বললেই চলে! বাবা রায়নার সেহারাবাজার এর সামান্য একজন ফুল ব্যবসায়ী। স্ত্রী, দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে ৫ জনের সংসার। দিনান্তে ফুল বিক্রি করে কটা টাকাই বা হয়। বিশেষ করে এই করোনাকালে সব অনুষ্ঠানই প্রায় বন্ধ। বন্ধ তাই ফুল কেনাও। বেঁচে থাকাটাই যাদের দুঃসহ ব্যাপার তাদের কাছে পড়াশোনা, সাফল্য এগুলো দিবাস্বপ্নের মতই। নুন আনতে পান্তা ফুরানো পরিবার না বললেও, শাক আনতে মাছ পুরানো পরিবার বলাই যায়। একাদশ শ্রেণিতে পাঠরত ভাইয়ের খরচাও তো কম নয়। তবুও অসম্ভব জেদ সঙ্গী করে হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যে স্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড় টেনে সাফল্যের তীরভূমি তে পৌঁছে গেল আকাশ।পাঁচজনের দু-কামরা ঘরের একটি কোনই বরাদ্দ ছিল আকাশের পড়াশোনার জন্য। ইডেন গার্ডেন্সে যার খেলার ইচ্ছে তার প্র্যাকটিস ছোট্ট এক কানা গলিতে। একটি টিমটিমে লাইটের আলো, গোটা কতক পাঠ্যবই, জনা চারেক শিক্ষকের পরামর্শ আর বাবা মায়ের আশীর্বাদ পাথেয় করে আকাশের পথ চলা এবং সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া। নিশানায় অবিচল না থাকলে এই লক্ষ্যভেদ কখনোই সম্ভব নয়।বর্ধমান শহরের রাজা স্যার এবং সেহারাবাজার এর নীলlঙ্ক স্যারের কাছে কেমিস্ট্রি, বাঁকুড়ার আকুই গ্রামের প্রসেনজিৎ স্যারের কাছে ফিজিকস এবং বর্ধমান শহরেরই ২০০৭ এর ডাক্তারী পরীক্ষায় রাজ্যে প্রথম হওয়া কামিরুল ইসলামের শিক্ষিকা রুনু মুখোপাধ্যায়ের কাছে জুলজি ও বোটানি পড়েছে আকাশ। না, কোন অনলাইন বা অফলাইন কোচিং এর সঙ্গে যুক্ত ছিল না সে। অর্থ ছিল না, ছিলনা মানসিকতাও। তার কথায়, চারজন টিউশনি স্যার এবং বিদ্যালয়ের স্যারদের সাহায্য নিয়েই এই সাফল্য। স্যাররা না থাকলে ডাক্তারি পড়ার স্বপ্নই দেখতে পারতাম না। প্রথমদিকে পড়াশোনা সময় কম দিলেও শেষের দিকে ভীষণ রকমের পরিশ্রম করেছি। কোন কিছুর হিসেব করে নয়। প্রয়োজন মতো। বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা, জেঠু জেঠিমা দের আশীর্বাদ আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।ছাত্রের সাফল্যে স্বভাবতই খুব খুশি বায়োলজিক্যাল সাইন্স এর ম্যাডাম বর্ধমানের মালির বাগান এর রুনু মুখোপাধ্যায়। তিনি বললেন, হাই স্কুলের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার বেদনা অনুভব করি না এই আকাশ দের জন্য। প্রতিবছরই বেশকিছু ছাত্র-ছাত্রী আমাদের পরামর্শ মেনে পরিশ্রম করে ডাক্তারি পড়ার ছাড়পত্র যোগাড় করে। এদের পাশে দাঁড়াতে পেরে বেশ আনন্দ হয়। আকাশের সাফল্য নিয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম। অত্যন্ত বিনয়ী ও অনুগত ছাত্র। ক্লাসের সময় শতকরা একশভাগ মনোযোগ দিত আর এটাই ওর সাফল্যের বড় দিক। ও অনেক বড় হবে। ওর কার্ডিওলজিস্ট হওয়ার স্বপ্ন যেন সফল হয়!পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত মাঠে যেত আকাশ। ক্যাপ্টেন হিসেবে মহেন্দ্র সিং ধোনি প্রথম পছন্দ হলেও, ক্রিকেটার হিসেবে তার আদর্শ ভারতীয় দলের হিটম্যান রোহিত শর্মা। প্রিয় গায়ক অরিজিত সিং এর গান শোনা এবং গাওয়া আকাশের আর এক শখ।প্রায় ৩৫ বছর আগে বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে এসে রোজগারের একমাত্র বাহন ছোট্ট ফুলের দোকানটি করেছিলেন বাবা। বিয়ের সিজনে বা বিভিন্ন ধরনের পুজো-অনুষ্ঠানের সময়ে মাঝেমধ্যে আকাশকেও বাবার দোকানে বসতে হতো। ফলের আসায় ফুল বিক্রি! দুর্মূল্যের বাজারে সামান্য রোজগারে শিক্ষাদিক্ষা, খাওয়া পরা ও রোগ ব্যাধির ব্যালেন্স করা দুরূহ ব্যাপার। তাই জীবনটাকে অন্যরকমভাবে অনুভব করেছে সে।ডাক্তারিকে পেশা হিসেবে পছন্দ করার কারণ জিজ্ঞাসা করতেই বললো, আমি আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া পরিবারের সন্তান। আমাদের মত পরিবারগুলির কি কষ্ট আমরা জানি। চিকিৎসার খরচও প্রচুর। আমি চাই কোন গরিব মানুষ যেন বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়। ডাক্তার হয়ে আমি তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। সর্বোচ্চ শিক্ষা নিয়ে নিজের গ্রামে ফিরে আসবো। আর্থিক দারিদ্রতার মতো কঠিন বাস্তবের সামনে দাঁড়িয়েই আমার এই ডাক্তারি পড়ার সিদ্ধান্ত। গরিব পরিবারের ছেলে মেয়েদের জন্য আমার বার্তা শুধু বই পড়ে যাও। স্কুলের স্যারেরা সাহায্য করবেনই। লক্ষ্যে স্থির থাকো। পরিশ্রম করে যাও। হতাশ নাহলে লক্ষ্যভেদ হবেই।ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী তাহলে কার্ডিওলজি? অবশ্যই! ট্রাকে থাকছি। দৌড়ানো বন্ধ করছি না। আমাদের তো একটাই রাস্তা। আকাশের দিকে তাকিয়ে আকাশের মুখে তৃপ্তির হাসি। প্রতিকূলতার মেঘ সরিয়ে ফুলের সুগন্ধের মতই আকাশের ঝলমলে হাসি ছড়িয়ে পড়ল চতুর্দিকে।শ্রী অনিবার্য

নভেম্বর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Subrata Mukherjee: সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের ছোটবেলা কেটেছে বর্ধমানে, শোকে পাথর জন্ম স্থানের গ্রাম

প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল নাদনঘাটের নওপাড়া। অধুনা বর্ধমানের নওপাড়ায় ছোটবেলা কেটেছে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। স্থানীয় সুষমা সুন্দরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন তিনি। তারপর বাবা চাকরিসূত্রে সপরিবারে নওপাড়া ছেড়ে বজবজে বসবাস শরু করেন। এখনও অনেকেরই অজানা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের জন্ম স্থান পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাটের নওপাড়ায়। নওপাড়ায় বর্ষীয়াণ এই রাজনীতিকের মূর্তি স্থাপন করা হবে বলে এদিন ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।নওপাড়ায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শৈশবের বন্ধুরা তাঁকে সন্টু বলে ডাকতেন। সেকথা জানালেন শামসুল শেখ, তিনকরি বৈরাগ্যরা। তাঁরা অতীতের পাতা থেকে স্মৃতি তুলে ধরলেন। প্রাথমিক স্কুলে পড়ার সময় পেয়ারা পারতে গিয়ে বোলতার কামড় খেয়েছিলেন সুব্রত, জানালেন তিনকরি। মন্ডা খেতে খুব ভালবাসেন। শামসুলের কথায়, খুব ভাল হাডুডু খেলতেন। এককথায় মন্ত্রী হলেও গ্রামকে কখনও ভোলেননি সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গ্রামের জলপ্রকল্প, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নয়নেও সুব্রতবাবুর ভূমিকা ছিল বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।এখন মুখোপাধ্যায় পরিবারের ভিটে বলতে উঁচু মাটির ঢিভি। ঘর-বাড়ির কোনও চিহ্ন নেই। তাছাড়া গ্রামে তাঁদের কয়েক বিঘে চাষের জমি আছে। তা ভাগে চাষ চলছে বংশ পরম্পরায়। আগে ভাগের চাল নিতেন মুখোপাধ্যায় পরিবার। এই গ্রামেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাবা শিক্ষক অশোক মুখোপাধ্যায়ের মূর্তি বসেছে। গ্রামে রয়েছে সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দির। গ্রামে ঢোকার আগে সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মন্দিরে পুজো দিতেন সুব্রত। একথা জানালেন গ্রামের বাসিন্দারা। আজ নওপাড়ার বাসিন্দারা শোকে মুহ্যমান। তাঁর গ্রামের বন্ধুমহলও শোকে পাথর।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Raina: পূর্ব বর্ধমানে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার সুপারি কিলার সহ ২

হেলমেটে মুখ ঢেকে দামি হাইস্পিড মোটর বাইকে চড়ে আগে আগে যাচ্ছে দুই যুবক। তাঁদেরই পিছন পিছন যাচ্ছে একটি চারচাকা গাড়ি। গত ২২ অক্টোবর বিকালে তাঁরা যাওয়ার সময়ে কেউ ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি ওই চারচাকা গাড়িতেই সওয়ার রয়েছে সুপারি কিলাররা। যে সুপারি কিলাররা ওইদিন সন্ধ্যায় নৃশংসভাবে খুন করে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার দেরিয়াপুরের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসা কলকাতার ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার অদূরে জামালপুরের হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল সেই ছবি। তারই সূত্র ধরে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনার তদন্ত চালিয়ে এক সুপারি কিলার সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদেরও নাগাল পেতে চাইছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শনিবার রাতে কলকাতার নারকেলডাঙা এলাকা থেকে পুলিশ দুই জনকে ধরে। তাঁদের নাম জনিসর আলম ওরফে রিকি ও মহম্মদ সাদ্দাম। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, দুজনকে আটক করে প্রথমে রায়না থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার দুপুরে তাঁদের দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, নিহত ব্যবসায়ীর বাবার অভিযোগই সত্য। পারিবারিক শত্রুতার জেরেই খুন হতে হয়েছে ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। সেই কারণেই সব্যসাচীকে খুনের ঘটনায় রিকি ৫০ লক্ষ টাকা সুপারি পেয়েছিল। খুনের ঘটনার পর রিকি নারকেলডাঙার বদলে আনন্দপুরের গুলশন কলোনীতে ডেরা নিয়েছিল।পুলিশ সেখান থেকেই তাঁকে ধরে। এরপরে ধরা হয় মহম্মদ সাদ্দামকে। এই সাদ্দামের চারচাকা গাড়িতে চেপেই অভিযুক্তরা ঘটনার দিন গিয়েছিল রায়নার দেরিয়াপুরে ব্যবসায়ী সব্যসাচীর দেশবাড়িতে। যে গাড়িটি গত দুমাস আগে সাদ্দাম কিনেছিল। সাদ্দাম ওই চারচাকা গাড়িটির ১৯তম মালিক। পুলিশ আরও জেনেছে গত ২২ অক্টোবর সব্যসাচীকে খুনের ঘটনার দিন ওই গাড়িতে সুপারি কিলার ও সাদ্দাম সহ আরো কয়েকজন ছিল।ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজেই হাইস্পিড মোটর বাইকের পিছন পিছন চারচাকা ওই গাড়িটি যাওয়ার ছবি ধরা পড়ে। একই ছবি পুলিশ জামালপুরের মসাগ্রামের একটি দেকানের ও জানকুলির এক বাসিন্দার বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও দেখতে পায়। পুলিশ পালসিট ও ডানকুনি টোল প্লাজা থেকেও ঘটনার দিনের রাতের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে।হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন দুপুর ২ টো ৩৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চেপে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পার হয়ে সোজা রায়নার দিকের রাস্তা ধরে চলে যায়। এরপর ওইদিন বিকাল ৪ টে ৫৯ মিনিটে বাইক আরোহীদের পিছন পিছন একটি চারচাকা গাড়ি হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোলট্যাক্স অফিসের সামনে এসে দাঁড়ায়। সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চড়ে রায়নার দিকে সোজা চলে গেলেও ওই চারচাকা গাড়িটি সেই পথে যায় না। গাড়িটি টোল ট্যাক্স অফিসের ডান দিকে ঘুরে কালড়াঘাট ও জানকুলি গ্রামের রাস্তা ধরে এগিয়ে যায় দেরিয়াপুরের দিকে। এর খানিকটা বাদ সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিট নাগাদ রায়নার দিক থেকে এসে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পেরিয়ে শুধুমাত্র বাইক আরোহীরা জামালপুরের দিকে সোজা চলে যায়। তারপর ওই সন্দেহজনক চারচাকা গাড়িটি রাত ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্রুত গতিতে কালাড়াঘাট গ্রামের দিক থেকে ফিরে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের পিছনের রাস্তা দিয়ে রায়নার দিকে চলে যায়। তার খানিকটা বাদেই রাত ৮ টা ৫৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী মণ্ডলের গাড়িটি প্রচণ্ড গতিতে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তা দিয়ে জামালপুরের দিকে চলে যায়।সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া বাইকের পিছন পিছন চলা চারচাকা গাড়িটির বিষয়ে পুলিশের সন্দেহ তৈরি হয়। ওই গাড়িটির বিষয়ে খোঁজ চালাতে চালাতেই পুলিশ গাড়িটির মালিক মহম্মদ সাদ্দাম ও সুপারি কিলার রিকির কাছে পৌছে য়ায়।তদন্তকারীরা জেনেছেন, ঘটনার দিন রিকি সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বাকি যারা ওই চারচাকা গাড়িতে চড়ে গিয়েছিল তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে সব্যসাচীকে খুন করে।নিহতের বাবা দেবকুমার মণ্ডল রায়না থানায় অভিযোগে জানিয়ে ছিলেন, তাঁর ছোট ভাই ও ভাইপোরা লোক লাগিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে। সুপারি কিলার ধরা পড়ার পর নিহতের বাবার সেই দাবি জোরালো হচ্ছে। তবে বহিরাগত সুপারি কিলারদের কারা রাস্তা দেখিয়ে সব্যসাচীর দেশবাড়ি রায়না দেরিয়াপুরে নিয়ে গেল? এই প্রশ্ন পুলিশকেও ভাবিয়ে তুলেছে। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও চলছে। সব প্রশ্নের উত্তর মিলে যাবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Raids for Crackers: পূর্ব বর্ধমানে অভিযান চালিয়ে প্রচুর বাজি উদ্ধারের পাশাপাশি গ্রেপ্তার ৪

কালীপুজো ও দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো ও বিক্রি রুখতে লাগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রচুর শব্দবাজি উদ্ধার করার পাশাপাশি ৪ জন বাজি বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাজ্যের সর্ব্বোচ্চ আদালত যে কোনও ধরণের বাজি বিক্রি ও পোড়ানো নিষিদ্ধ করছে। শুধুমাত্র প্রদীপ অথবা মোমবাতি জ্বেলে দীপাবলি পালন করায়ছাড় দিয়েছে আদালত। আদালতের সেই নির্দেশ কার্যকর করতে শুক্রবার অভিযান আরও জোরদার করলো পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মেমারি থানার পুলিশ মেমারির গৌরীপুরের একটি বাজি কারখানায় হানা দিয়ে দুটি বস্তায় মজুত করে রাখা ৫০ কেজি শব্দ ও আতসবাজি উদ্ধার করেছে।এছাড়াও ওই কারখানা থেকে ৫০ কেজির বেশি বাজি তৈরির উপকরণও পেয়েছে। উদ্ধার হওয়া সবকিছু বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ অবৈধভাবে বাজি তৈরির অভিযোগে ওই কারখানার মালিক বাদল মুর্মুকে গ্রেপ্তার করেছে। একই দিনে শক্তিগড় থানার পুলিশ একটি দোকানে হানা দিয়ে ৫ কেজি শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে। নিষিদ্ধ বাজি বিক্রির অভিযোগে পুলিশ জগন্নাথ খাঁ ও বনমালি হালদার নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়াও জেলার মাধবডিহি থানার পুলিম বৃহস্পতিবার রাতে বিনোদপুর এলাকার নিতাই মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিয়ে ২ কেজি লঙ্কা বাজি, ১০টি গাছ বাজি, ২৫০টি শব্দবাজি ও ১৫টি তুবড়ি বাজি উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, বাজি বিক্রি সংক্রান্ত বৈধ কোনও নথিপত্র ধৃতদের কেউই দেখাতে না পারার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ায় সিজেএম যদিও ধৃত সকলের জামিন মঞ্জুর করেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Covid Infection: উৎসব মিটতেই কোভিড সংক্রমণ উর্ধমুখী, বর্ধমানে নেওয়া হল কড়া পদক্ষেপ

শারদোৎসব মিটতেই পূর্ব বর্ধমান জেলায ক্রমশ উর্ধ্বমুখী হচ্ছে কোভিড সংক্রমণের গ্রাফ। নতুন করে বুধবার জেলায় ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৭ জন বর্ধমান শহরেই বাসিন্দা। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে ফের আগের মতোই কড়া পদক্ষেপ নিল জেলার পুলিশ ও প্রশাসন।রাস্তায় নাকা চেকিং শুরু করার পাশাপাশি পুলিশ মাস্ক পড়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামলাল এলাকার একাংশ গণ্ডিবদ্ধ এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেন জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকায় বিধি লাগু করতে এদিন আশরে নামেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা।বিধি মেনে ওই গণ্ডিবদ্ধ এলাকায় আগামী ৭ দিন সমস্ত দোকাণপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন। বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস ;বর্ধমান পৌরসভার সহ পুর-প্রশাসক আইনুল হক ,বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী সহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরাএদিন গণ্ডিবদ্ধ এলাকা পরিদর্শে যান। তাঁরা সেখানকার মানুষকে সচেতন করেন। মাস্ক পড়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। এছাড়াও এলাকার সব দোকানপাট আগামী সাতদিন বন্ধ রাখার কথাও জানিয়ে দেন প্রশাসনের কর্তারা। প্রশাসন সূত্রে খবর,এই মুহূর্তে বর্ধমান শহরে ৫৮ জন অ্যাক্টিভ কোভিড রোগী আছেন। তার মধ্যে ১৭ জনই শ্যামলাল এলাকার। তাই কঠোর ব্যবস্থা বলবত করার দিকেই যেতে হল প্রশাসনকে।বর্ধমান সদর মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিধি লাগু হওয়া এলাকা স্যানিটাইজ করা হবে। বাইরে থেকে লোক আসা যাওয়া নিয়ন্ত্রণে রুখতে এলাকায় পুলিশ পোস্টিং থাকবে । পৌরসভার সহ-প্রশাসক আইনুল হক জানিয়েছেন, আশাকর্মীরা এই এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন। প্রয়োজনে বাসিন্দাদের আর টি পি সি আর টেস্ট করা হবে। কোন ভাবেই এলাকায় ভিড়বাড়তে দেওয়া হবে না। দোকান বাজার বন্ধ থাকলেও বাসিন্দাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কোনও জিনিসের অভাব হবে না। কোভিড আক্রান্তদের কাছে দুবেলা খাবার যোগান দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও এলাকার আক্রান্তদের বাড়ি থেকে বর্জ্যপদার্থ নিয়ে যাবে পুরসভার কর্মীরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Chotkhanda: লাঠি পেটা ও হাতে ঝাঁটার কাঠি ফুঁটিয়ে দিয়ে বৃদ্ধ বাবাকে নির্যাতন, গ্রেফতার গুনধর

বৃদ্ধ বাবাকে মারধর ও হাতে ঝাঁটার কাঠি ফুঁটিয়ে জখম করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল গুনধর ছেলে। ধৃতের নাম সুরজিৎ সরকার। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার চোটখণ্ড গ্রামের উত্তরপাড়ায়। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার ভোরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। বৃদ্ধ বাবাকে মারধোরে ব্যবহৃত লাঠি ও ঝাঁটাটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতকে বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে ৩ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, বসত বাড়ি ও জমি-জমা নিয়ে বৃদ্ধ বাসুদেব সরকারের সঙ্গে তাঁর ছেলে সুরজিতের বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। মাঝেমধ্যেই সুরজিৎ তাঁর বাবাকে মারধর করতো বলে অভিযোগ। গত সোমবার সকালে বাড়ির একটি জায়গা ত্রিপল দিয়ে ঘেরা নিয়ে সুরজিতের সঙ্গে তাঁর বাবার বচসা বাধে। অভিযোগ, ওই সময়ে সুরজিৎ অশ্লীল ভাষায় তাঁর বাবাকে গালিগালাজ করে। বৃদ্ধ বাবা তার প্রদিবাদ করলে সুরজিৎ লাঠি দিয়ে তাঁর বাবাকে ব্যাপক মারধোর করে। এমনকি ছেলে সুরজিৎ তাঁর বৃদ্ধ বাবায় হাতের একাধিক জায়গায় ঝাঁটার কাঠি ফুটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।মেমারি হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে বৃদ্ধ তাঁর ছেলের অত্যাচারের কথা জানিয়ে মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বাবার অভিযোগে পুলিশ ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Music with Cricket: বিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চের ব্যাকড্রপে ভারত-পাক ম্যাচ, উৎফুল্ল দর্শক-শ্রোতা

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট খেলার উত্তেজনাই অন্যমাত্রায় পৌছে যায় সবসময়। খেলার আগে দেশের নানা স্থানে যজ্ঞ, পুজোর রেওয়াজ তো আছেই। দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা গ্রুপের খেলা হলেও ভারত-পাক ম্যাচকে ফাইনাল ম্যাচ হিসাবেই ধরে নেয়। রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের ভারত-পাক ম্যাচের উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেল বর্ধমানের এক ক্লাবের বিজয়া সম্মেলনীতেও।পুলিশ লাইনের কাছে জি টি রোডে দুর্গাপুজোর জন্য যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে সবুজ সংঘ। রবিবার সবুজ সংঘের বিজয়া সম্মেলনী চলছিল। সেখানে সঙ্গীত পরিবেশন করছিলেন জি সা-রে-গা-মা-পা খ্যাত শিল্পী মন্দিরা কর্মকার। কিন্তু ওই মঞ্চের পিছনে ব্যাকড্রপ এল ই ডি জায়েন্ট স্ক্রীনে ভারত-পাকিস্তান খেলা চলছে। রথ দেখা ও কলা বেচার মত জায়েন্ট স্ক্রীনের এই উত্তেজপূর্ন খেলা দেখতে দেখতে শিল্পীর গানও উপভোগ করছে দর্শক-শ্রোতারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট সঞ্ছালিকা সুদেষ্ণা আচার্য জনতার কথাকে জানান একদিকে অনুষ্ঠান, একইসঙ্গে ভারত-পাক ম্যাচের আস্বাদও নিচ্ছেন তাঁরা, তিনি বলেন, আমার মনে হয় আয়োজকরা আশঙ্কা করেছিলেন ভারত-পাক খেলা থাকায় এই বিজয়া সন্মিলনীতে সদস্যদের উপস্থিতির হার কমে যেতে পারে, তাই এই ব্যবস্থা, যাতে কোনও কিছু থেকে কেউ বঞ্চিত না থাকেন। এই দৃশ্যই মনে করিয়ে দেয় এই দেশের সাধারন মানুষ কতটা ক্রিকেটপ্রেমী! মাঝে-মধ্যে খেলার দৃশ্য দেখে উত্তেজিত হয়েও পড়ছেন দর্শকরা। হাততালিও দিয়ে ফেলছেন। এর ফলে একদিকে যেমন বিজয়া সম্মেলনীতে হাজিরও হলেন এলাকাবাসী, আবার বাড়ির বাইরে থাকলেও হট ম্য়াচ দেখা থেকে বঞ্চিত হলেন না তাঁরা। কার্যত খুশি দর্শক-শ্রোতারা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Murder in Purba Bardhaman: গ্রামের বাড়িতে এসে কলকাতার ব্যবসায়ী খুন পূর্ব বর্ধমানে, আটক দুই, জোরদার তদন্তে পুলিশ

গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে খুন হলেন কলকাতার এক ব্যবসায়ী। মৃতর নাম সব্যসাচী মণ্ডল(৪৪)।শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার দেরিয়াপুর গ্রামে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে রায়না থানার পুলিশ ব্যবসায়ীর গাড়ির চালক ও রাঁধুনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তবে কারা কি কারণে ব্যবসায়ীকে খুন করলো সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দেশবাড়ি রায়নার দেরিয়াপুর গ্রামে। তিনি ও তাঁর পরিবার এখন থাকেন হাওড়ার শিবপুরে। সেখানে তাঁর পলিথিন সামগ্রীর ব্যবসা রয়েছে। শুক্রবার সব্যসাচী মণ্ডল তাঁর এক বন্ধু নাজবীর সিংকে সঙ্গে নিয়ে দেরিয়াপুর গ্রামের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসেন। রাতে দেশবাড়ির ছাদে রান্না হচ্ছিল। নাজবীর সিংয়ের কথায় জানা গিয়েছে, ছাদে রান্না যখন চলছিল তখন সেখানেই ছিলেন ওই সব্যসাচী। সেই সময়ে কেউ নীচে ডাকছে বলে জানিয়ে সব্যসাচীর গাড়ির ড্রাইভার সব্যসাচীকে নিয়ে ছাদে থেকে নিচে নেমে যায়। এর খানিকটা পর তাঁরা নীচে নেমে রক্তাক্ত অবস্থায় সব্যসাচীকে দেখতে পান। তৎক্ষণাৎ তাঁরা সব্যসাচীকে উদ্ধার করেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান বলে বন্ধু রাজবীর সিং ও রাধুনি পার্থ সান্যাল দাবি করেছেন। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে তদন্তে যায় রায়না থানার পুলিশ। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দেরিয়াপুরের বাড়িতে রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। ব্যবসায়ীর দেহের একাধিক জায়গায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে বোঝা যাবে কি জাতীয় জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। তদন্ত এখন একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কিভাবে এই ঘটনা ঘটলো তা জানার জন্য মৃতর পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Tobacco: খৈনি চাওয়া নিয়ে বিবাদের জেরে যুবক খুন গলসিতে, গ্রেফতার গামছা বিক্রেতা

খৈনি চাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিবাদ। তার জেরে বুকে ধারালো কাঁচি গেঁথে দিয়ে এক যুবকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল প্রৌঢ়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। যুবক সফিউল ইসলাম মণ্ডল (৩১)কে খুনের ঘটনায় ধৃত প্রৌঢ়ের নাম ফিরোজ হোসেন মল্লিক। তাঁর বাড়ি গলসি থানার পুরষায়। গলসি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে ৫ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ফিরোজ ইসলাম পুরষার মাঝেরপুলের মসজিদতলার কাছে একটি সব্জির দোকানে বসেছিল। সেই সময় পেশায় গামছা বিক্রেতা ফিরোজের কাছে গিয়ে তাঁর প্রতিবেশী সফিউল ইসলাম মণ্ডল খৈনি চান। ফিরোজ খৈনি দিতে না চাইলে সফিউল তাঁকে গালিগালাজ করে। তা নিয়ে দুজনের মধ্যে বিবাদ বাধে। ওই সময় ফিরোজ তাঁর সঙ্গে থাকা গামছা কাটার কাঁচি আচমকা সফিউলের বুকে গেঁথে দেয়। তাতে সফিউল গুরুতর জখম হয়। তাঁর বুকেও তৈরি হয় গভীর ক্ষত। প্রচণ্ড রক্তপাত শুরু হলে সফিউল আর্তনাদ শুরু করে। তা শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে সফিউলকে উদ্ধার করে পুরষা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনা নিয়ে সফিউলের দাদা আনোয়ার হোসেন মণ্ডল ওই দিনই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু করে পুলিশ ফিরোজ হোসেন মল্লিককে গ্রেপ্তার করে। কাঁচিটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Teachers at Doors: পূর্ব বর্ধমানে ’দুয়ারে শিক্ষক“-এ শিক্ষকদের মানবিকতা ও মাতৃভক্তির পাঠ মন্ত্রীর, তুঙ্গে বিতর্ক

দুয়ারে শিক্ষক শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিক্ষকদের মাানবিকতা ও মাতৃভক্তি সংক্রান্ত পাঠ বিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রবীন্দ্র পরিষদে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, করোনা অতিমারিতে শিক্ষকরা ঘরে বসেই প্রতি মাসের বেতন পেয়ে গেছেন। তাঁরা নিজের পরিবারের জন্য নিয়মিত বাজার করেছেন। কিন্তু অতিমারিতে দুঃস্থ মানুষের পাশে শিক্ষকরা সেভাবে দাঁড়াননি। এটা তিনি লক্ষ্য করেছেন বলে স্বপন দেবনাথ জানান। একই সঙ্গে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষকরা মাটির দুর্গাকে প্রণাম করেন, পুষ্পাঞ্জলি দেন। কিন্তু নিজের বাড়িতে মাকে অভুক্ত রাখেন। বাড়িতে বসে থাকা জ্যান্ত মা কেন অভুক্ত থাকবেন? কেন অনাদরে পড়ে থাকবেন? মন্ত্রী দাবি করেন, নিজের মাকে অনাদরে রাখার সংখ্যা কম নয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এদিন শিক্ষকদের উপদেশ দেন, দুর্গামাকে প্রণাম করুন। কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু গর্ভধারিণী মাকে যেন অভুক্ত রাখবেন না। জ্যান্ত মাকে হাসিখুশি রাখুন। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রীর করা এমন মন্তব্য শিক্ষক মহলে যেমন শোরগোল ফেলে দিয়েছে তেমনই তৈরি হয়ছে বিতর্ক।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যঅনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ পুজোর সময়ে শিক্ষকদের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান। স্বপনবাবু বলেন, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক মিলিয়ে জেলায় ২০ হাজারের বেশী শিক্ষক রয়েছেন। প্রত্যেক শিক্ষক যদি দুটো করে জামা-প্যান্ট দুঃস্থ শিশুদের কিনে দেন তাহলে অনেক শিশু পুজোয় নতুন জামা পরতে পারবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকগণ মন্ত্রীর এই আবেদনের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন ঠিকই। তবে মন্ত্রীর করা বাকি বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।আরও পড়ুনঃ রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার নিখোঁজ যুবকের মৃতদেহজেলা শিক্ষক সমিতির সম্পাদক বিশ্বনাথ সাহা এদিন দাবি করেন, করোনা অতিমারির সময়ে কাটোয়ার বিধায়কের উদ্যোগে কাটোয়ার শিক্ষকরা সর্বোতভাবে দুঃস্থ মানুষ জনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অন্যদিকে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সদস্য কৌশিক দে দাবি করছেন, করোনা অতিমারি কালে শিক্ষকরা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিজেদের সাধ্য মতো দান করেছেন। বহু শিক্ষক ব্যক্তিগত উদ্যোগেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারপরেও মন্ত্রী তাঁর মন্তব্যের মধ্য দিয়ে গোটা শিক্ষক সমাজকে ছোট করলেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Memari Samabay: পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে মেমারির সমবায়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন উপভোক্তারা

দোরগোড়ায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব। তার প্রাক্কালেও জমানো টাকা তুলতে পারছেন না উপভোক্তারা। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটি-তে বিক্ষোভ দেখালেন উপভোক্তারা। এমনকি অবসরকালীন সুবিধা পাওয়া থেকেও সমবায়ের কর্মীর পরিজনরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। যদিও সমবায় কর্তৃপক্ষ সমবায়ের আর্থিক দূরাবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েই দায় এড়াচ্ছেন।গোপ গন্তার সমবায়ের পরিচালনার সমিতির দায়িত্বপ্রাপ্ত অমল ঘোষ বলেন, বিভিন্ন ব্যাপারে সমবায় সমিতি তাঁদের সদস্যদের ঋণ দিয়ে থাকে। ঋণ বাবদ সমবায় সমিতির সদস্যদের দেওয়া প্রায় ৫ কোটি টাকা অনাদায়ী হয়ে রয়েছে। সেই টাকার সুদও নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে না। সুদ নিয়মিত পাওয়া গেলে আমানতকারীদের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা থাকবে না। সমবায়ের একাধিক কর্মী এদিন বলেন, সাধ্য থাকা সত্ত্বেও অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের টাকা শোধ করতে চাইছেন না। এরজন্য তাঁদের বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি। এইসব কারণে গত বছর থেকে তাঁদের সমবায় সমিতি আর্থিক দুরাবস্থায় ধুঁকছে।এদিন গোপ গন্তার ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার সোসাইটিতে এসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দা তথা সমিতির অবসরপ্রপ্ত কর্মী রজত সিংহের স্ত্রী সুপ্রিয়াদেবী। তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তাঁর স্বামীর অবসরকালীন টাকা পাওয়ার জন্যে ঘুরছেন। কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না। অসুস্থ স্বামীর ওষুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে না পেরে তিনি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেক আমানতকারী তাঁদের জমানো টাকা পুজোর মুখে টাকা তুলতে না পেরে নিদারুন অসুবিধার মধ্যে পড়ে গিয়েছেন। এমনই এক আমানতকারী সুব্রত রায় বলেন, তাঁর মায়ের অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে। পুজোর প্রাক্কালে প্রয়োজন মতো টাকা তুলতে না পারায় তিনি তাঁর মায়ের পুজোর শাড়ি, জামা কিনে উঠতে পারেননি।ক্ষোভের যেন কোনও শেষ নেই। অন্যদিকে স্থানীয় ইছাপুর গ্রামের বাসিন্দা রহিম শেখ, নূরবানু শেখরা জানান, বহু কাকুতি মিনতি করে সমবায় থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকার বেশি পান না। শঙ্করপুরের বাসিন্দা কাকলি টুডু একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সমবায়ে টাকা জমা রেখে তিনি মহা ফাঁপড়ে পড়ে গিয়েছি। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গেলেও টাকা পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিয়ের দিন ঠিক করতে পারছি না। সমবায়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসা অন্য অনেক আমানতকারী আবার বলেন, সার কেলেঙ্কারির কোনও সুরাহা এখনও এই সমবায় ব্যাঙ্ক করেনি। সমবায় থেকে সমবায় সার না কিনেও অনেককে টাকা মেটাতে হয়েছে। তাছাড়াও নিয়োগে দুর্নীতি, অডিট রিপোর্টে গন্ডগোল, কোনও নথি ছাড়াই ঋণ দেওয়ার ফলে এখন আমানতকারীদের ভুগতে হচ্ছে। সমবায় সমিতির জেলার এআরসিএস(রেঞ্জ ১) সত্যজিৎ মণ্ডল এই বিষয়ে বলেন, সমবায় পরিদর্শকের কাছে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Sitabhog Mihidana : পুজোর আগে দুই দফায় বিদেশে পাড়ি দিল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিহিদানা ও সীতাভোগ

বর্ধমানের দুটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানা। এখন এই দুই মিষ্টির কদর ও চাহিদা সমানভাবে বেড়েছে বিদেশের বাজারে। সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বড়দ্বীপ বাহরাইনে পাড়ি দিয়েছিল রাজ আমলের ঐতিহ্যবাহী বর্ধমানের শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টি মিহিদানা। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর মহালয়ার আগের দিনের সকালে বর্ধমান সীতাভোগ এ্যন্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের উদ্যোগে সীতাভোগ পাড়ি দিল ভিন দেশে। বিদেশের বাজারে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় খুশি এখানকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।সীতাভোগ এ্যণ্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের সহ-সম্পাদক সৌমেন দাস এদিন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ৩০টি প্যাকেটে মোট ১২ কেজি মিহিদানা বাইরাইনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানকার মানুষজন বর্ধমানের মিহিদানা খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছেন। আর এদিন গাওয়া ঘি দিয়ে তৈরী জিআই ট্যাগযুক্ত মোট ১২ কেজি সীতাভোগ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার রাজ্য বাহরাইনের দ্বীপে আলজাজিরার একটি স্টোরে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল।বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা জি আই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতীয় ডাক বিভাগ এই দুই মিষ্টিকে স্পেশাল কভারেজ দিয়েছে। সীতাভোগ ও মিহিদানকে মর্যাদা দিয়ে মাস দুয়েক ভারতীয় ডাক বিভাগ বাজারে ছাড়ে বিশেষ খাম। তারপর দেশজুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার কদর আরও বাড়ে। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও এই দুই মিষ্টির চাহিদা ও কদর উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে।সীতাভোগ ও মিহিদানার উৎপত্তি নিয়ে নানা কাহিনী প্রলিত আছে। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চন্দ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন বাংলার বড়লাট লর্ড কার্জন বর্ধমানে আমন্ত্রিত ছিলেন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য এবং অনুষ্ঠানকে আরও উৎকর্ষপূর্ণ করার জন্য বর্ধমানের রাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে রাজ পরিবারের খাস মিষ্টি প্রস্তুত কারক ভৈরবচন্দ্র নাগ একদম নতুন দুটি মিষ্টি সীতাভোগ আর মিহিদানা তৈরি করেন। যার স্বাদ পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছিলেন বড়লাট-সহ সকল অতিথিরা।সীতাভোগ তৈরির প্রধান উপাদান সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল। সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল থেকে প্রস্তুত হওয়ার কারণেই সীতাভোগের একটি নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ হয়। এই চাল গুঁড়ো করে তাতে ১:৪ অনুপাতে ছানা মিশিয়ে পরিমাণমত দুধ দিয়ে মাখা হয়। তারপর একটি বাসমতী চালের আকৃতির মত ছিদ্রযুক্ত পিতলের পাত্র থেকে ওই মিশ্রণকে গরম চিনির রসে ফেলা হয়। এর ফলে সীতাভোগ বাসমতীর চালের ভাতের মত দেখতে লম্বা সরু সরু দানাযুক্ত হয়। এর সঙ্গে ছোট ছোট গোলাপজাম এবং কখনও কখনও কাজুবাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। তবে সীতাভোগ নামটি নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে পণ্ডিতমহলে। সুকুমার সেনের মতে, বানানটি হওয়া উচিত সিতাভোগ, সিতা অর্থে সাদা। আবার সিতা-র মানে মিছরিও হয়, তাই সাদা রঙের মিছরির মতন যে মিষ্টি বর্ধমান রাজবাড়ির হালুইকররা বানালেন, তার নাম হয়ে গেল সিতাভোগ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Galsi-2 BDO: ১৫২ তম গান্ধী জয়ন্তীতে অভিনব উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমানের গলসী -২ ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫২তম জন্ম জয়ন্তী সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও মহাসমারোহে পালন করা হয়। পুর্ব-বর্ধমান জেলার গলসী-২ ব্লক এমপ্লইয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এই দিনটি মহাসমারোহে পালন করা হয়। দিনটিকে স্মরণ করে রাখতে তাঁরা অফিস প্রাঙ্গণে মহাত্মা গান্ধীর একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়। মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারন) সুপ্রিয় অধিকারী।এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) গলসী-২ ব্লকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট-এর উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, আমরা কর্মজীবন শুরু বিডিও হিসাবেই। সেই সময়ে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে কাজ করার চেষ্টা করা হত। কিন্তু বেশীরভাগ ব্লক অফিস হয় বড় রাস্তার ধারে নাহলে রেল স্টেশনের কাছাকাছি হওয়ায়, দূরের মানুষজনকে পরিষেবা পেতে খুব-ই কষ্ট করে ব্লক অফিস আসতে হয়। তিনি বলেন, বৈদ্যুতিন ব্যবহার যত বেড়েছে ততই মানুষ যেকোনও জিনিস অতি সহজেই জানতে পারছেন, তা সে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক বা দুয়ারে সরকার-এর পরিষেবা। তিনি আরও বলেন, গলসী-২ এর এই ওয়েবসাইটের জন্য মানুষ খুব সহজেই বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সম্বন্ধে বাড়িতে বসেই বিশদে জানতে পারবেন।গলসী-২ বিডিও সঞ্জীব সেন জানান, এই বিশেষ দিনে গলসী-২ ব্লক এমপ্লয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এলাকার দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র ও আবশ্যক খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ব্লক স্বাস্থ আধিকারিকের সহায়তায় স্থানীয় অপুষ্ট শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পৌষ্টিক আহার বিতরণ করা হয়। তিনি জানান, বর্তমানকালে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ব্যবহার ছাড়া কোনও গতি নেই। সেই উদ্দেশ্যেই এই ওয়েবসাইট বানানো। মানুষ ঘরে বসে ব্লকের পরিষেবা সমন্ধে অনেক কিছুই জানতে পারবে এর মাধ্যমে। করোনা ভ্যাকসিনের টোকেনের জন্য মানুষকে রাত জেগে লাইন দিতে হবে না, এখন অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তাঁরাও অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পেরে যাবেন তাঁর টিকা কবে কোথায় কখন পাবেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরি, গলসি-২ ব্লকের আধিকারিকগন, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ-প্রধান।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Flood : পূর্ব বর্ধমানে বন্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন অরুপ বিশ্বাস

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য শনিবার আরামবাগে গিয়েও কেন্দ্রকে দুষেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই পূর্ব বর্ধমানের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের কথা ডিভিসি কর্তৃপক্ষকেই ভাবতে হবে। মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসও পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৈরি হওয়া বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যানমেড বন্যা বলেই অবিহিত করেন। জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে খোঁজ খবর নেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস।পরে তিনি জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলার অন্যান্য নেতাদের কাছেও বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে খোঁজ খবর নেন। এরপর দুপুরে তিনি যান বর্ধমান টাউনস্কুলে। সেখানে জেলার জল প্লাবিত এলাকার মানুষদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী বোঝাই দুটি গাড়ি নিয়ে এরপর মন্ত্রীরা কাটোয়া মহকুমার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এখানে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দলের কর্মীরা সর্বত্র বানভাসি মানুষজনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। রাজ্যে কোথায় কোথায় সাধারণ মানুষের কী কী ক্ষতি হয়েছে সেইসব প্রশাসনিক বিষয়গুলি প্রশাসনিক স্তরে দেখা হবে। আপাতত দলনেত্রীর নির্দেশে তাঁরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইছেন।এরপরেই কেন্দ্রকে নিশানা করে অরুপ বিশ্বাস বলেন, রাতের অন্ধকারে একতরফা ভাবে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কাটোয়ার বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস কাটোয়ার ভারতীভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে বন্যা দুর্গত মানুষের পরিস্থিতি দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষজনকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোন অসুবিধা হবে না। উপরে ভগবান। আর নিচে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন । ত্রাণশিবিরে গিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষদের পরিস্থিতি দেখেন। ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া পরিবারের শিশুদের হাতে দুধ ও বিস্কুটের প্যাকেট তিনি তুলে দেন। ভারতী ভবন বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কাটোয়া পৌরসভা এলাকায় অন্যান্য ফ্লাড সেন্টারেও বন্যা কবলিত পরিবারগুলিকে রাখা হয়েছে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস কাটোয়ার অন্যান্য ত্রাণ শিবিরগুলি ঘুরে দেখেন ও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সঙ্গেও কথা বলেন। এদিনই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে জেলার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বন্যা দুর্গতদের যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই নির্দেশও তিনি বিধায়কদের দেন।এদিকে জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়া কমতেই শনিবার থেকে জেলায় বন্যার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ায় জলস্তর কমেছে দামোদরে। একই ভাবে অজয় নদে জল কমায় ধীরে ধীরে জেলার মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম ও আউশগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার দুই দফায় ডিভিসি জলাধার থেকে ৪ লক্ষেল কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছিল। এদিন ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে ১লক্ষ ৫৫ হাজার ৩০০ কিউসেকে নামে। তেনু ঘাট থেকে ১৩ হাজার কিউসেক, মাইথন থেকে ৫০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত ড্যাম থেকে ৬০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার হয়। জলাধার থেকে জল ছাড়া কমার সঙ্গে সঙ্গেই অজয় নদের তীরবর্তী মঙ্গলকোটের পালিগ্রাম, লাখুড়িয়া, ঝিলু ১, মাঝিগ্রাম, ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু গ্রাম ও কেতুগ্রামের পাণ্ডুগ্রাম, পালিটা, নবগ্রাম, বিল্লেশ্বর, তেওরা, চরখি প্রভৃতি গ্রামে বন্যার জল নামতে শুরু করেছে। তবে কাটোয়া ও মঙ্গলকোটের কয়েক হাজার হেক্টর ধান জমি এখনও জলের তলায় রয়ে আছে। কাটোয়া-সিউড়ি রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে এদিন সকালেও জল বয়ে যেতে দেখা যায়। অন্যদিকে জল কমলেও আউসগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চলের মানুষজনের দুর্দশা কমেনি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে গিয়ে আউসগ্রামের সাঁতলা, ধুকুর বাগবাটি, বঙ্গপল্লী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম জলপ্লাবিত হয়ে পড়ে। জল ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে কেউ ভয়ে বাঁধে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেন। শিশু সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে এখন তাঁরা বিষধর সাপের সঙ্গেই সহাবস্থান করছেন। চিড়ে, গুড় ও জল খেয়েই সেখানে তাঁদের দিন কাটছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের অনেকেরই ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নষ্ট হয়েছে জমির ফসলও। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান অজিত কুমার মণ্ডল এদিন যদিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ভেঙে যাওয়া বাড়ির বাসিন্দাদের জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করা হবে ।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Child Fever: বেড ঘাটতির কারণে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ঠাঁই হয়েছে কাটোয়া হাসপাতালের মেঝেতে

শিশুদের জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ার সংখ্যা বেড়ে চললেও বাড়েনি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা। তাই জ্বর, সর্দি ও কাশি উপসর্গ নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল ভর্তি হওয়া অনেক শিশুর ঠাই হয়েছে মেঝেতে। অসুস্থ শিশুদের মেঝেতে রেখেই চলছে চিকিৎসা। চাহিদা অনুয়ায়ী শিশু ওয়ার্ডে বেড কম থাকার কথা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে নিলেও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেননি চিকিৎসাধীন শিশুর পরিজনরা।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে নবান্ন, টুইট আক্রমণ শুভেন্দুরকাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে সারা বছরই রোগীর চাপ থাকে। পূর্ব বর্ধমান জেলার পাশাপাশি প্রতিবেশী জেলা মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদীয়া থেকে রোগীরা চিকিৎসা করাতে এই হাসপাতালে আসেন। তারই মধ্যে বর্তমান জ্বর, সর্দি ও কাশি উপসর্গ নিয়ে কাটোয়া হাসপাতালে শিশু ভর্তির সংখ্যা ব্যাপক ভাবে বেড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় এখন তিল ধারনের জায়গা নেই কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি হয় ৮৫ টি শিশু। বুধবার বিকাল পর্যন্ত ৫০ জন শিশু চিকিৎসাধীন থাকে। অথচ শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা ২০ তেই থমকে রয়েছে। তার কারণে অসুস্থ শিশুর ঠাঁই হয়েছে ওয়ার্ডের মেঝেতেই।আরও পড়ুনঃ পায়রার মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের পক্ষী প্রেমীরকাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এই বিষয়ে জানান, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেডের চাহিদার কথা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে তাঁরা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে ভাইরাসঘটিত জ্বর সহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। রোজ রোজ শিশু রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। তাই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Fever and Respiratory Infections: পূর্ব বর্ধমানে শিশুদের জ্বর-শ্বাসকষ্ট জনিত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর

কোভিডের লক্ষণ না থাকলেও পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বাড়ছে জ্বরে আক্রন্ত শিশু ভর্তির সংখ্যা। প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিশুর সংখ্যা ১৪০ জন। তার মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে ৩৭ জন ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ৯৫ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। কোন শিশুর মৃত্যুর খবর এখনও পর্যন্ত নেই বলে যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে জেলার কালনা ও কাটোয়া হাসপাতালের পাশাপাশি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও শিশু ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বাড়ায় উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুদের চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে। পাশাপাশি অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়ার জন্য বিশেষ ওয়ার্ডও চালু করা হয়েছে।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকজন শিশু জ্বর নিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হত । কিন্তু গত দুসপ্তাহ যাবৎ দৈনিক ৩০ থেকে ৪০ জন জ্বরে আক্রান্ত শিশু বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। তাঁদের অনেকের জ্বরের সঙ্গে শ্বাসকষ্টের সমস্যাও থাকছে। তবে চিকিৎসাধীন কোন শিশুর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ ধরা পড়েনি।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কৌস্তুভ নায়েক জানিয়েছেন, এই সময় আবহাওয়ার পরিবর্তনজনিত কারণে শিশুদের সমস্যা হয়। তবে তার কারণে এই বছর শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ার সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশী। শিশুদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ৬৪ বেডের একটি ওয়ার্ড নির্দিষ্ট করা হয়েছে।এছাড়াও সোমবার থেকে অক্সিজেন পরিষেবা যুক্ত ২০ বেডের একটি ওয়ার্ডও চালু করা হয়েছে। শিশুদের চিকিৎসার জন্য ডাক্তার, নার্স ও গার্ডের সংখা বাড়ানো হয়েছে। চিকিৎসক কৌস্তভ নায়েক জানিয়েছেন, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের কোভিড পরীক্ষাও করা হচ্ছে।চিকিৎসাধীন শিশুদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেও কৌস্তুভ নায়েক দাবী করেছেন।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশাপাশি কালনা মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও শিশুদের ব্যাপক হারে জ্বরে আক্রান্ত হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। কালনা মহকুমা হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক অরুপ রতন করণ সোমবায় জানান, চলতি মাসের ২০ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত ছয় দিনে প্রবল জ্বর ছাড়াও সর্দি, কাশি, উপসর্গ নিয়ে ১৫১ জন শিশু তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিছু বাচ্চার শ্বাসকষ্ট উপসর্গও থাকে। যদিও হাসপাতালে সব শিশুর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া শিশুদের সঙ্গে বাড়িতে কোভিড বিধি মেনেই মেলামেশার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Women Murder: মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশ

কোমরের পুঁটুলির মধ্যে থাকা কাগজের টুকরোয় লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই মুখ থেঁতলে প্রাণে মেরে দেওয়া মহিলার পরিচয় উদ্ধার করতে সক্ষম হল। রবিবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশ বাগান থেকে পুলিশ মুখ থেঁতলানো এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাত দেহ উদ্ধার করেছিল। মঙ্গলবার পুলিশ জানতে পেরেছে ওই মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি (৪৭)। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা জেলার মেমারি থানার নিমো ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। যদিও কারা, কি উদ্দেশ্যে মহিলাকে খুন করলো সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। খুনের মামলা রুজু করে পুলিশ মহিলার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। পুলিশের দাবি খুব শীঘ্রই ধরা পড়বে খুনিরা।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দির সংলগ্ন সেচ ক্যানেল পাড়ে রয়েছে বাঁশ বাগান। রবিবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা ওই বাঁশ বাগানে এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়। মহিলার মুখের অংশ থেঁতলানো ছিল। তাঁর কারণে কেউ মহিলার পরিচয় জানাতে পারছিলেন না। ওই দিন প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিৎ হয় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন করে কেউ মৃতদেহ বাঁশ বাগানে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। এরপরেই পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালায়।আরও পড়ুনঃ এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতাএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকা থেকে যে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল সেই মহিলার ছবি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও মহিলার কোমরের মধ্যে থাকা পুঁটুলি থেকে উদ্ধার হয় একটি কাগজের টুকরো। ওই কাগজে কিছু ফোন নম্বার লেখা ছিল। সেই ফোন নম্বারের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে মহিলার পরিচয় উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। মহিলার স্বামীর নামও জানা গিয়েছে। পরিবারের লোকজন এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করে এসেছেন। খুব শীঘ্র মহিলাকে খুনের ঘটনায় জড়িতরাও ধরা পড়বে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চিকিৎসাধীন রোগীর তান্ডবের হিসেব-নিকেশ, ১৫ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্টপলশা গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, সাধন মাণ্ডির বাড়ি পলশা গ্রামের সাপার পাড়ায়। সাধন মাণ্ডি পেশায় ট্র্যাক্টর চালক। তাঁরই দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোনও সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান। একজনের বয়স ১৫-১৬ বছর। অপর জনের বয়স ১২-১৩ বছর হবে।সুখীর বড় ছেলে সম্প্রতি নিজের পছন্দের ময়েকে বিয়ে করেছে। স্থানীয়রা জানান, সুখী সাপার পাড়ায় থাকতেন না। তিনি থাকতেন নবস্তা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অপর গ্রাম গাঙ্গুয়ায়। পারিবারিক অশান্তির কারণে মহিলা খুন হয়েছেন নাকি খুনের ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোন কারণ রয়েছে তা এলাকাবাসীর কাছেও পরিস্কার নয়। পুলিশ মহিলাকে খুনের কারণ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

বাড়ির সামনেই জমা জল, খেলতে গিয়ে আর ফেরা হল না! তিন বছরের শিশুর মৃত্যুতে উত্তাল দিল্লি

একটানা ভারী বৃষ্টিতে কার্যত জলমগ্ন দিল্লি। সেই জল জমেই ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। গাজিয়াবাদের একটি গলিতে জমে থাকা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তিন বছরের এক শিশুকন্যার। ঘটনাটি ঘটেছে বাড়ির কাছেই। দুর্ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।স্থানীয়দের দাবি, যে গলিতে শিশুটি ডুবে যায় সেখানে প্রায় তিন ফুট জল জমেছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর প্রায় চার ঘণ্টা পরে শিশুটির দেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাতীয় সড়কের একটি অংশ সম্প্রসারণের পর থেকেই ওই এলাকায় জল জমার সমস্যা বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পুর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁদের।বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিতে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বহু রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর আগের রাতে রোহিনী এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি ভেঙে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টি আরও কিছু সময় চলতে পারে। রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রাস্তা কার্যত জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। সদর বাজার, গ্রেটার কৈলাশ, বদরপুর, নাসিরপুর, তেলিওয়ারা, মহাবীর বাজার, স্বরূপ নগর, কুশক রোড, মুনিরকা, দ্বারকা, বিকাশ মার্গ, পূর্ব দিল্লি এবং নতুন দিল্লি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জল জমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

চারশো চল্লিশ কোটি টাকার তহবিল ঘিরে বড় লড়াই! এবার কি সুপ্রিম কোর্টে মুখোমুখি দুই তৃণমূল?

তৃণমূলের দলীয় তহবিল নিয়ে আইনি লড়াই এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সূত্রের খবর, দল পরিচালনায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি তুলে দলীয় তহবিলের উপর অধিকার চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ অনুমতি প্রার্থনা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। আসল-নকল তৃণমূল বিতর্কের মাঝেই এই সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী সংস্থা কালীঘাট তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা চারশো চল্লিশ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দলীয় তহবিল থেকে প্রায় একশো ষাট কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে। সেই লেনদেনের উৎস এবং প্রকৃতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, দলীয় অর্থ দিয়ে বিমান ও হেলিকপ্টার কেনার পর সেই যানই আবার ভাড়ায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, গোটা বিষয়টি আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হতে পারে এবং এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও দাবি করেন, তদন্ত এগোলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগের বিষয়ে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।এদিকে ঋতব্রত শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে। দুই দিন ধরে চলা এই বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয়, বিভিন্ন রাজ্যের সংগঠনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকের শেষে সংগঠন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হতে পারে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দরজা বন্ধ বলেই দাবি ছিল, তবে কেন তৃণমূলের তিন নেতাকে নিল বিজেপি? জানালেন শমীক

রাজ্য রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সাক্ষী থাকল বুধবার। এক মাস আগে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে দেওয়া তিন প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেব আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে তাঁরা দলে যোগ দেন। এই যোগদান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, এর আগে বিজেপির তরফে জানানো হয়েছিল, তৃণমূলের জন্য দলের দরজা বন্ধ। তবে এ দিন সেই অবস্থানের ব্যাখ্যাও দেন শমীক ভট্টাচার্য।শমীক ভট্টাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে এমন রাজনীতি চলেছে, যেখানে কেন্দ্রের সঙ্গে সহযোগিতার বদলে সংঘাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এর ফলে রাজ্যের উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আস্থা রেখে তৃণমূল ছেড়ে আসা তিন প্রাক্তন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।তৃণমূলের জন্য দরজা বন্ধ থাকার পরও কেন এই তিন নেতাকে দলে নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে শমীক বলেন, রাজনীতিতে ব্যতিক্রম থাকেই। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি জানান, যাঁরা দুর্নীতি, কাটমানি, চাকরি বিক্রি, সিন্ডিকেট বা সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচারের সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের জন্য বিজেপির দরজা সব সময় খোলা।তিনি আরও বলেন, এই তিন নেতাকে শুধু প্রাক্তন তৃণমূল নেতা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। তাঁদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে। এখন থেকে তাঁদের একমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়, তাঁরা বিজেপির সদস্য। তাই তাঁদের নামের আগে দলত্যাগী বা প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বলার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।তিন প্রাক্তন সাংসদের বিজেপিতে যোগদানের ঘটনাকে রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। আগামী দিনে এই যোগদানের প্রভাব রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা পড়ে, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ, জল্পনার মাঝেই বড় ঘোষণা

বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই বৈঠকের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়। সম্প্রতি অমিত শাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের পর এই বৈঠককে ঘিরেও নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে নবান্ন থেকে বেরিয়েই সমস্ত জল্পনায় ইতি টেনে দেন প্রসেনজিৎ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বৈঠকে রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।প্রসেনজিৎ বলেন, তিনি যদি কোনও দিন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে সেই খবর তিনি নিজেই সকলকে জানাবেন। তাঁর কথায়, এ দিনের বৈঠকের মূল বিষয় ছিল বাংলা চলচ্চিত্র জগতের উন্নয়ন এবং মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের পরিকল্পনা।অভিনেতা জানান, আগামী তিন সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বড় আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে ভবিষ্যতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনাও নিয়ে কথা হয়েছে। যদিও এখনই কোনও ঘোষণা নয়, তবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ইতিবাচক খবর আসতে পারে বলেও আশাবাদী তিনি।প্রসেনজিৎ আরও বলেন, তাঁর সঙ্গে অতীতেও কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি, এখনও হয়নি। তিনি শুধু নিজের শিল্প, নিজের ইন্ডাস্ট্রি এবং মহানায়ক উত্তম কুমারকে ঘিরে পরিকল্পনা নিয়েই কথা বলতে গিয়েছিলেন। তাঁর মতে, উত্তম কুমার শুধু বাংলার নন, তিনি গোটা দেশের গর্ব।চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যতে কোনও বিশেষ দায়িত্ব পেতে পারেন কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত বা আলোচনা হয়নি। তবে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন হবে, তিনি সব সময় পাশে থাকবেন। তাঁর কথায়, এই ইন্ডাস্ট্রিই তাঁর পরিচয়, তাই এর উন্নয়নের জন্য যে কোনও সময় কাজ করতে তিনি প্রস্তুত।

জুলাই ০৯, ২০২৬
বিদেশ

‘আমিই এক নম্বর টার্গেট!’ ইরানকে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের, হঠাৎ বিমান বদলে বাড়ল জল্পনা

নিজের প্রাণনাশের আশঙ্কার কথা প্রকাশ্যে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইরানের হত্যার তালিকায় প্রথম নাম তাঁরই। এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তুরস্ক সফর শেষে ফেরার পথে ট্রাম্পের হঠাৎ বিমান বদল ঘিরেও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।ন্যাটোর শীর্ষ বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের অবস্থান আগের মতো শক্তিশালী নয়। তাঁর দাবি, একের পর এক নেতৃত্বে পরিবর্তন হয়েছে। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, তিনিও যে কোনও সময় হামলার শিকার হতে পারেন। কারণ, ইরানের লক্ষ্যবস্তুদের তালিকায় তাঁর নামই প্রথম।ট্রাম্পের কথায়, তিনি জানেন ইরানের প্রধান নিশানা তিনি নিজেই। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর আচরণ একই রকম রয়েছে। দেশের এবং বিশ্বের স্বার্থে যা প্রয়োজন, তিনি সেই কাজই করছেন বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই সামনে আসে আরেকটি তথ্য। ন্যাটোর বৈঠকে যোগ দিতে যে বিমানে তিনি তুরস্ক গিয়েছিলেন, ফেরার সময় সেই বিমান ব্যবহার করেননি ট্রাম্প। পরিবর্তে অন্য বিমানে ওয়াশিংটনে ফেরেন তিনি। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা মেলেনি। ট্রাম্পও এ নিয়ে মুখ খোলেননি।তবে তাঁর প্রাণনাশের আশঙ্কার মন্তব্য এবং হঠাৎ বিমান বদলের ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণেই কি এই অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্ন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

চৌদ্দ বছর পর হঠাৎ খুলল বরুণ হত্যা মামলা! সিআইডি পৌঁছতেই জ্যোতিপ্রিয়কে ঘিরে বিস্ফোরক দাবি পরিবারের

চৌদ্দ বছর আগে নিহত প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসের হত্যা মামলায় ফের নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। বৃহস্পতিবার তদন্তকারী আধিকারিকেরা উত্তর চব্বিশ পরগনায় বরুণ বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।পরিবারের দাবি, আগের তদন্তে প্রকৃত সত্য সামনে আসেনি। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এরপরই সিআইডির এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমীলা রায় দাবি করেছেন, তাঁর ভাই তোলাবাজি ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে গুলি করে খুন করা হয় বরুণ বিশ্বাসকে। এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরিবারের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রকৃত দোষীদের শাস্তি এখনও হয়নি।পরিবার জানিয়েছে, তারা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির তত্ত্বাবধানে বিশেষ তদন্ত চেয়েছে। নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ায় বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হাসপাতালের ভিতরে কে দালাল, কে আসল কর্মী! এবার এক নজরেই ধরা পড়বে, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এবার থেকে হাসপাতালগুলির উপর সরাসরি নজরদারি চলবে স্বাস্থ্যভবন থেকেই। দালালদের চিহ্নিত করতে নতুন পরিচয় ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য আলাদা রঙের পরিচয়পত্র থাকবে। রোগীদের হাতে থাকবে এক ধরনের রঙিন ব্যান্ড এবং রোগীর পরিজনদের জন্য থাকবে অন্য রঙের ব্যান্ড। এই পরিচয়চিহ্নের বাইরে হাসপাতালের ভিতরে যাঁদের দেখা যাবে, তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে দালালচক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, হাসপাতালের প্রত্যেক শ্রেণির মানুষের জন্য আলাদা রঙের পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও রোগীর পরিজনদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং পরিষেবা আরও স্বচ্ছ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ত্রিশ জুলাইয়ের মধ্যে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করার কাজ শেষ করতে হবে। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হবে। হাসপাতালের ভিতরে অনিয়ম, ভুয়ো পরিচয়ে ঘোরাফেরা এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রুখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের জন্য ল্যামিনেশন করা আলাদা পরিচয়পত্র তৈরি করা হবে। অতীতে হাসপাতালের ভিতরে ভুয়ো পরিচয়ে বিভিন্ন কাজ করার অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতেই এই নতুন পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে আটকে থাকার অবসান! বাড়ি ফিরেই প্রথমবার সন্তানের মুখ দেখলেন বাবা, আবেগে ভাসল গোটা গ্রাম

এক বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আদালতের নির্দেশে অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরলেন বীরভূমের পাইকর গ্রামের বাসিন্দা দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে। বুধবার মালদার মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করার পর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে রাতে নিজের গ্রামে পৌঁছন তাঁরা। পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের আবেগঘন মুহূর্তে আনন্দে ভেসে যায় গোটা পরিবার।সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত ছিল দানিশ শেখের জীবনে। চার মাস আগে তাঁর ছোট ছেলে আপনের জন্ম হলেও এতদিন সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ পাননি তিনি। বাড়ি ফিরে প্রথমবার ছেলেকে কোলে নিয়ে দানিশ বলেন, জন্মের পর এই প্রথম তিনি নিজের সন্তানের মুখ দেখলেন। পরিবারের সবাইকে কাছে পেয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের কষ্ট যেন এক মুহূর্তে দূর হয়ে গেছে।জীবিকার খোঁজে বহু বছর ধরে দিল্লিতে কাজ করতেন পাইকর গ্রামের এই পরিবার। গত বছরের তেইশ জুন তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, নাগরিকত্বের পূর্ণাঙ্গ যাচাই ছাড়াই তাঁদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে দীর্ঘদিন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়।এরপর তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশের পর ধাপে ধাপে পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর আগে অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুন ও তাঁর ছোট সন্তান দেশে ফিরলেও দানিশ শেখ, সুইটি বিবি এবং তাঁদের দুই ছেলে বাংলাদেশেই ছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে তাঁরাও দেশে ফিরতে সক্ষম হন।বাড়ি ফিরে দানিশ শেখ জানান, পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন, যদি নিজের রাজ্যেই কাজের সুযোগ পান, তাহলে আর বাইরে কাজ করতে যেতে চান না। নিজের পরিচয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি সম্পূর্ণ করার জন্যও তিনি আবেদন করেছেন।সুইটি বিবিও বাড়ি ফিরে স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে আটক হওয়ার সময় তাঁদের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, বারবার ভারতীয় নাগরিক হওয়ার কথা জানালেও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। দীর্ঘ এক বছর বাড়ির বাইরে কাটানোর পর অবশেষে নিজের গ্রামে ফিরতে পেরে তিনি এবং তাঁর পরিবার নতুন করে জীবন শুরু করার আশায় রয়েছেন।

জুলাই ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal