• ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bar

রাজনীতি

‘২০২৪-এ বারাণসী সামলান’, মোদিকে নিশানা তৃণমূলের

বঙ্গে দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন প্রচারে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । নন্দীগ্রামের ভোট পরিস্থিতিতে গেরুয়া ঝড়, দিদির হার দেখেছিলেন তিনি। তাই উলুবেড়িয়ার সভা থেকে তাঁর শ্লেষমিশ্রিত প্রশ্ন ছিল, তাহলে কি অন্য কোনও আসন থেকে ফের লড়াই করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো? সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলও এর জবাব দিয়েছে। নন্দীগ্রামে জয় নিশ্চিত, অন্য আর কোথাও লড়বেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টুইট করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। ২০২৪এ দিল্লি দখলের লড়াইয়ে নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।তৃণমূলের অফিশিয়াল পেজে লেখা হয়েছে, দিদি নন্দীগ্রাম থেকে জিতছেনই।তাই অন্য কোনও আসন থেকে তাঁর লড়াইয়ের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। পরের অংশের বার্তাই বেশ ইঙ্গিতবাহী। নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে তৃণমূলের পরামর্শ বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করা বন্ধ করুন, আপনার মিথ্যাচার প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। বরং ২০২৪এ নিজের জন্য নিরাপদ একটি আসন খুঁজে নিন। কারণ, আপনি বারাণসীতে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়বেন। আর এখানেই উসকে উঠছে জল্পনা। তবে কি পরবর্তী লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই? তারই ইঙ্গিত দিয়ে রাখল দলের তরফে এই টুইট?

এপ্রিল ০২, ২০২১
কলকাতা

মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র ব্যারাকপুর

মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যারাকপুরে তৃণমূল-বিজেপি-র মধ্যে সংঘর্ষ বাধল। চলল গুলিও। পরিস্থিতি সামলাতে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে পুলিশকে। ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। এক জনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।বুধবার ব্যারাকপুরের মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সেখানে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছিলেন বীজপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভ্রাংশু রায়। তখনই দুপক্ষের সমর্থকদের ঝামেলা শুরু হয়। ধাক্কাধাক্কি, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দুদলের সমর্থকরা। এই গন্ডগোলের সময়ই শুভ্রাংশুর লোকেদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। শুভ্রাংশুকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়, গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।তাদের আরও অভিযোগ, শুভ্রাংশুকে খুন করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। যদিও হামলা এবং গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, শুভ্রাংশ রায়ের লোকেদের উপর গুলি চালানো হয়। পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। এর থেকে নিন্দনীয় ঘটনা আর কী হতে পারে। জাভেদ বলে এক সমাজবিরোধীর গুলি লাগে বলেও দাবি করেছেন অর্জুন। জাভেদ তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডা। তৃণমূলের গুন্ডারাই গুলি চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। শুভ্রাংশু বলেন, মনোনয়ন দিয়ে বেরোচ্ছি যখন জানতে পারি তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের ছেলেকে মার হয়। তৃণমূলের গুন্ডারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। প্রতিবাদ করতেই ইট, লাঠি নিয়ে আক্রমণ করে। পুলিশ নীরব দর্শকের মতোই দাঁড়িয়েছিল। আক্রমণ থেকে বাঁচাতে পারত। আমার ঘাড়ে লেগেছে। ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি। তাঁদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা হয়েছে। অন্যদিকে নৈহাটির তৃণমূল নেতা পার্থ ভৌমিকের পাল্টা দাবি, আমাদের ৩ জন কর্মী গুলিতে আহত হয়েছেন। অনুরোধ করব শুভ্রাংশু রায়কে এই ঘৃণ্য রাজনীতি বন্ধ করুন। মানুষকে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে দিন।ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার বলেন, গুলি চলল কে বলেছে। এখানে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। গোটা ঘটনাটি নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ৩১, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুর হয়ে মিঠুনের রোড শোয়ে উপচে পড়া ভিড়

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে রোড শো করেন এদিন মিঠুন চক্রবর্তী। অভিযোগ করেন, ছোটবড় প্রতেক্যটি কাজে কাটমানি খাওয়া হয়। প্রভিফেন্ড ফান্ডের টাকাও কমিশনও ছাড়া হয় না বলে অভিযোগ মহাগুরুর।রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোট প্রচারের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার। তৃণমূল-বিজেপি দুই দলেরই প্রচার ছিল নজরকাড়া। একদিকে হেভিওয়েট প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে রোড শো করেছেন অমিত শাহ এবং মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। অন্যদিকে মঞ্চে হুইলচেয়ারে বসেই বিরোধীদের তীক্ষ্ণে বাক্যবাণে বিঁধেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।প্রথমে খড়গপুরে বিজেপির তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন মিঠুন। শেষবেলায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে পৌঁছন। শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে প্রচার শুরু করেন। টেঙ্গুয়া থেকে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত রোড শো করেন মহাগুরু। কয়েক হাজার মানুষের ভিড় জমে যায় বাংলার সুপারস্টারকে দেখার জন্য। গাড়ির লক্ষ্য করে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। হাত নেড়ে অভিবাদন জানান সাধারণ মানুষ ও অনুরাগীরা। কখনও হাত জোড় করে, কখনও আবার হাত নেড়ে সকলের ভালবাসা গ্রহণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। প্রচারের ফাঁকেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, গেরুয়া শিবিরের জয় নিয়ে তিনি ১০১ শতাংশ বিশ্বাসী। বাংলার মানুষের সঙ্গে তাঁর শুধুমাত্র সুপারস্টার-অনুরাগীর সম্পর্ক নয়। মানুষ তাঁকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসেন বলেই দাবি করেন মহাগুরু।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজনীতি

লাল-সবুজ পেরিয়ে এবার গেরুয়া পথে মহাগুরু

কোনও দলের নাম না করে নিজের আগের ভুল সিদ্ধান্তের কথা বললেন। রবিবার ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে মিঠুন স্পষ্ট বলেন, তাঁর আগের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তাঁর কথায়, কারও দিকে আঙুল তুলতে চাই না। কাউকে দোষও দিচ্ছি না। আমারই সিদ্ধান্তে ভুল ছিল।প্রসঙ্গত, ব্রিগেডের সভার পরে মঞ্চের পিছনে মিঠুনের সঙ্গে আলাদা করে অন্তত ১৫ মিনিট কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিঠুনের কথায়, ওঁর সঙ্গে আমার খুব ভাল আলোচনা হয়েছে। সব কথা তো প্রকাশ্যে বলা যায় না। তাঁর আরও বক্তব্য, বাংলায় বিজেপি যথেষ্ট জায়গা তৈরি করেছে। বাংলার মানুষ বিশ্বাস করছে, ওরা রাজ্যের জন্য ভাল কিছু করবে। তারা ক্রমাগত চেষ্টা করে যাচ্ছে। সেটা কখনও মিথ্যে হতে পারে না। তার মধ্যে কিছু সততা থাকে। মিঠুন আগেও বলেছেন, তিনি রাজনীতি নয়, মানবনীতি বোঝেন। কিন্তু তাঁর কথায়, সকলেরই একটা পতাকা প্রয়োজন হয়। প্রধানমন্ত্রী আমায় ডেকে যখন কথা বললেন, আমি বললাম, আমি বাংলার জন্য কাজ করতে চাই। আমি বাংলাকে ভালবাসি। তবে এক সময়ে বাম সঙ্গ থেকে শুরু করে অধুনা সঙ্ঘের হাত ধরা। বেশ কয়েকদিন ধরা চলা জল্পনা সত্যি প্রমাণ করে এদিন মোদির ব্রিগেড মঞ্চে রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন হল মহাগুরুর। আর তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটাগরিকরা।

মার্চ ০৭, ২০২১
কলকাতা

আজ ব্রিগেডে অন্যকিছু হবে, কীসের ইঙ্গিত দিলেন মিঠুন

কথামতোই শনিবার রাতে কলকাতায় পৌঁছেছেন। এবং রবিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মঞ্চে থাকবেন। জানিয়ে দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। বেলা ১২টা নাগাদ মিঠুন ব্রিগেডে পৌঁছবেন। তার আগে তিনি বলেছেন, ব্রিগেডে কিছু তো একটা হবে! তাঁর এমন মন্তব্য কী প্রত্যক্ষ ভাবে বিজেপি-তে যোগ? নাকি নিছকই বিজেপি-র হয়ে ভোটে প্রচার? তা এখনও পর্যন্ত খোলসা করেননি মহাগুরু। তবে রবিবার সকালে জানা গিয়েছে, অক্ষয় কুমার ব্রিগেডে আসছেন না। বাস্তবে কিন্তু জমি মেপেই এগোচ্ছেন মিঠুন। বাম-তৃণমূল হয়ে সাময়িক বিরতি নিয়েছিলেন। এ বার বিজেপি-র হাত ধরে রাজনীতিতে নতুন ইনিংস খেলতে তৈরি তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সভার আগে কলকাতায় পা রেখে অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন মিঠুন। ব্রিগেডের মাঠে অন্যকিছু ঘটতে পারে বলে আগাম জানিয়ে রেখেছেন তিনি। সেই অন্যকিছু যে কী, তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি বিজেপি নেতৃত্ব। শনিবার প্রায় মধ্যরাতে কলকাতায় নামেন মিঠুন। বিমানবন্দরেই তিনি জানান, রবিবার ব্রিগেডে থাকছেন। তিনি বলেন, বারাণসী হয়ে বিমান এল বলে দেরি হল। কাল ১২টায় ব্রিগেডে দেখা হচ্ছে। এর আগে সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎকে আধ্যাত্মিক যোগ বলে বর্ণনা করলেও অতঃপর বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা বা ব্রিগেডে মোদির পাশে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেবেন কিনা জানতে চাইলে মিঠুন ইঙ্গিতপূর্ণ গলায় বলেন, অন্যকিছুও তো হতে পারে! সময় এলেই জানতে পারবেন। কী হতে পারে তা বলব না। তবে কিছু তো হবেই। জানতে পারবেন। রাতেই মিঠুনের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। দুজনের সাক্ষাতের ছবিও টুইট করেছেন কৈলাস। সঙ্গে লিখেছেন, গভীর রাতে কলকাতার বেলগাছিয়ায় অভিনেতা মিঠুনদার সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা ল। ওঁর দেশভক্তি এবং গরিব মানুষের প্রতি ওঁর ভালবাসা আমার ছুঁয়ে গিয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২১
রাজনীতি

রবিবার মোদির ব্রিগেডে থাকছেন 'মহাগুরু'

রবিবারের ব্রিগেডে সত্যিই বড় চমক দিতে চলেছে বিজেপি। সব ঠিক থাকলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় হাজির থাকতে চলেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। দলের শীর্ষনেতাদের দেওয়া প্রস্তাবে নাকি ইতিমধ্যেই সম্মতি দিয়ে দিয়েছেন মহাগুরু বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সূত্রে এমনটাই খবর।গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা আগামী রবিবার ব্রিগেড সমাবেশে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহাতারকাদের হাজির করানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। সেইমতো এই তিন মহাতারকার সঙ্গে গেরুয়া শিবির যোগাযোগ করেছে বলেও সূত্রের দাবি। তবে, সৌরভের ঘনিষ্ঠ সূত্র ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তিনি ব্রিগেড সমাবেশে হাজির হচ্ছেন না। প্রসেনজিতের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে বিজেপি সূত্রের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী রবিবারের সমাবেশে হাজির থাকার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন। যদিও, এখনই তিনি সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা সেটা স্পষ্ট নয়। তবে, আগামী দিনে বাংলার নির্বাচনে মিঠুনকে অন্যভাবে কাজে লাগাতে চাইছে গেরুয়া শিবির।উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে দেখা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। একপ্রকার হঠাৎই বসন্ত পঞ্চমীর সকালে মুম্বইয়ের মাঢ় অঞ্চলে মহাতারকার বাংলোয় হাজির হন আরএসএস প্রধান। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় দুজনের। তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে মিঠুনের বিজেপি যোগ নিয়ে জল্পনা চলছে। অভিনেতা নিজে অবশ্য দাবি করেছেন, এই বৈঠক অরাজনৈতিক। ওঁর সঙ্গে আমার আধ্যাত্মিক আলোচনা হয়েছে।

মার্চ ০৫, ২০২১
দেশ

বঙ্গ জয়ে এবার গেরুয়া শিবিরের প্রচারক মিঠুন?

বাংলার ভোটের মুখে হঠাতই সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর মুম্বইয়ের বাংলোয় হাজির আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। মঙ্গলবার সাতসকালে মহাতারকার বাংলোয় যান ভাগবত। ভোটের মুখে এই সাক্ষাৎ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাহলে কি বাংলার নির্বাচনে মিঠুনদার সমর্থন চাইছে সংঘ পরিবার? শুরু হয়েছে কানাঘুষো।মোহন ভাগবতের সঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তীর এই সাক্ষাৎ অবশ্য নতুন কিছু নয়। এর আগে নাগপুরে ভাগবতের সঙ্গে দেখা করেন মহাগুরু। দুজনের মধ্যে সৌহার্দ্য বিনিময় হয়। সূত্রের খবর, তখনই ভাগবতকে নিজের বাড়িতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান মিঠুন। মঙ্গলবার বসন্ত পঞ্চমীর সকালে মুম্বইয়ের মাঢ় অঞ্চলে মহাতারকার বাংলোয় হাজির হন আরএসএস প্রধান। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় দুজনের। অভিনেতা অবশ্য দাবি করেছেন, এই বৈঠক অরাজনৈতিক। তাঁর দাবি, ওঁর সঙ্গে আমার আধ্যাত্মিক আলোচনা হয়েছে। বৈঠক নিয়ে মুখই খুলতে চাননি আরএসএস প্রধান।প্রসঙ্গত, মিঠুন চক্রবর্তী দীর্ঘদিন এরাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তৃণমূলের তরফে রাজ্যসভার সদস্যও করা হয় তাঁকে। একটা সময় এরাজ্যের শাসকদলের হয়ে ভোটের প্রচারেও দেখা গিয়েছে মিঠুনকে। বছর পাঁচেক আগে একটি চিটফান্ড মামলায় নাম জড়ায় মিঠুনের। একটি অর্থলগ্নি সংস্থার কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ ওঠার কিছুদিন পরই রাজনীতির ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান মিঠুন। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আরএসএস প্রধানের সঙ্গে মিঠুনের এই সাক্ষাৎ সেজন্যই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের মুখে মিঠুনের সমর্থন জোগাড় করতে পারলে বিজেপি যে বাড়তি অক্সিজেন পেয়ে যাবে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সম্ভবত সেকারণেই মিঠুনের সঙ্গে আরএসএসের মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু করল বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজনীতি

বাতিল হওয়া দুই জেলায় আজ শাহর সফর

এর আগে বাংলা সফর বাতিল করতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। আজ, বৃহস্পতিবার কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সঙ্গে ঠাকুনগরের কর্মসূচিতেও যোগ দেবেন দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি। কলকাতায় তিনি মিলিত হবেন সামাজিক মাধ্যমের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গেও।কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা ১০ মিনিট নাগাদ কোচবিহারে মদন মোহন মন্দিরে যাবেন অমিত শাহ। ১১ টা ৩০ মিনিটে তিনি রাসমেলার ময়দানে দলের পরিবর্তন যাত্রায় হাজির থাকবেন। ২০১৮-তে এই কোচবিহারে রথযাত্রার কর্মসূচি বাতিল করতে হয়েছিল। আসতে পারেননি অমিত শাহ।এরপর কোচবিহার থেকে কপ্টারে চড়ে অমিত শাহ উড়ে যাবেন উত্তর ২৪পরগনার ঠাকুরনগরে। সেখানে ৩টে ২০ মিনিট নাগাদ হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দির দর্শন করবেন। তারপর ৩টে ৪৫ মিনিটে পাশের মাঠে তিনি সভা করবেন। বুধবার সন্ধা ৬টা নাগাদ কলকাতায় সায়েন্স সিটিতে সামাজিক মাধ্যমের স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে মিলিত হবেন।এর আগে ঠাকুরনগরে মতুয়াদের সভায় হাজির থাকার কথা ছিল। দিল্লিতে ইজরায়েল দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ ঘটে। তখন দুদিনের বাংলা সফর বাতিল করা হয়। মতুয়াদের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশও করেছিল। সেই সময় জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঠাকুরনগরে আসবেনই অমিত শাহ।অমিত শাহ আসার আগের দিন টুইট বার্তায় লিখেছেন,আমি উৎসুক,আগামীকাল বাংলায় উপস্থিত হওয়ার জন্য।কোচবিহার থেকে BJP Bengal #PoribortonYatra র চতুর্থ পর্যায় সূচিত হবে এবং ঠাকুরনগরে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আমি আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ার স্বেচ্ছাসেবীদের সাথেও আলাপচারিতায় অংশগ্রহণ করব।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজনীতি

৬ দিনের ব্যবধানে মোদি, নাড্ডা, শাহ, রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের মরিয়া প্রয়াস

৬ দিনের ব্যবধানে বিজেপির ৩জন শীর্ষ নেতৃত্ত্ব এরাজ্যে আসছেন। প্রথমে আসবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা, তার পরের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসছেন তার পরে। রাজ্যে পরিবর্তন যাত্রা ও বিজেপির সার্বিক কর্মসূচি নিয়ে মঙ্গলবার দিল্লিতে দলের কোর কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠক শেষে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ৬ ফেব্রুয়ারি নদিয়া থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি ফের একই কর্মসূচিতে ৯ ফেব্রুয়ারি আসবেন এই রাজ্যে। সেদিন দুটো জোন থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। ১১ ফেব্রুয়ারি কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূত্রপাত করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাঁচটা জোনে পাঁচটা পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচি আয়োজন করেছে বঙ্গ বিজেপি। সরকারি অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অনুমতি না পেলে আদালতে যাবেন বা বিকল্প ব্যবস্থা নেবেন বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি জানান, শেষ পর্যায়ে পরিবর্তন যাত্রা হবে কলকাতা জোনে। সেই কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।এদিকে ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় সরকারী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই দিন হলদিয়ায় বিজেপির সমাবেশেও থাকবেন মোদি। জানিয়েছেন দিলীপ। জনসভায় থাকার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য বিজেপি।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই রাজ্যে রথযাত্রা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। জোন ভিত্তিক প্রস্তুতি ছিল চূড়ান্ত। কোচবিহার থেকে রথ যাত্রার সূচনা হওয়ার কথা ছিল। অন্য রাজ্য থেকে রথও চলে এসেছিল। কিন্তু আইনের গেরোয় সেদিন রথযাত্রার উদ্বোধন করতে রাজ্যেই আসতে পারেননি অমিত শাহ। এবারও তাঁর সেই কোচবিহারেই পরিবর্তন যাত্রা সূচনা করার কথা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
রাজ্য

আদিবাসী উৎসবে মেতে উঠেছে ভাতারের সাহেবগঞ্জ

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের সাহেবগঞ্জে শুরু হয়েছে আদিবাসী উৎসব। বৃহস্পতিবার ভাতারের প্রাক্তন বিধয়ক বনমালী হাজরা ও ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুন্দরী মারডি মেলার উদ্বধোন করেন। উৎসব চলবে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত।শনিবার উৎসব প্রাঙ্গণে হাজির হন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা, স্থানীয় বিধায়ক সুভাষ মন্ডল, সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তপন সরকার, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অরবিন্দ পাল। এদিন আদিবাসী নৃত্যের প্রতিযোগিতা হয়। ৬৮টি আদিবাসী গ্রুপ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এছাড়াও ছিল হাঁড়ি ভাঙা ও মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা।মেলা মানুষের সঙ্গে মানুষের মিলনের মাধ্যম। আবার এই মেলাতেই ভাষা এবং সংস্কৃতির আদানপ্রদান হয়। সাংস্কৃতিক চর্চা একটা জাতির অস্তিত্ব রক্ষা করে। সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর মধ্যেও অনেক মানুষ আছেন যাঁরা ভাষা বলতে জানে কিন্তু অলচিকি অক্ষর চেনেও না, পড়তেও পারে না।বিশিষ্টরা মনে করে, এই মেলা আদিবাসীদের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। কারণ, এই তিন দিন শুধু তাঁদের ভাষা, সংগীত, নৃত্যের প্রদর্শন করবে। অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষও জ্ঞাত হবে আদিবাসী সংস্কৃতি সম্পর্কে। প্রসার ঘটবে লোকসংস্কৃতির।তাছাড়া সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচার করা করাও এই মেলার উদ্দেশ্য।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
রাজ্য

"অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। এভাবেও খুঁজে বের করা যায়?"- 'পদ্মশ্রী' শিক্ষক

অবসরের পর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে চলছে সদাই ফকিরের পাঠশালা। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের উত্তর রামনগরের এই পাঠশালার শিক্ষক সুজিত চট্টোপাধ্যায় পাচ্ছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার। ৭৮ বছরের শিক্ষকের বড় আক্ষেপ এলাকায় একটা কলেজ নেই। মন্ত্রী, বিধায়কদের বলেও কাজ হয়নি। আশপাশের সব কলেজের দূরত্বই প্রায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি। তবে নিজে এখনও পাঠশালায় গুরুদক্ষিণা নেন মাত্র ২ টাকা৷ রামনগর হাইস্কুল থেকে সুজিতবাবু অবসর নিয়েছেন ২০০৪ সালে। ওই স্কুলে শিক্ষকতার কাজে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৬৫ -তে। পড়াশুনা করেছেন বর্ধমান রাজ কলেজে। দীর্ঘ ৪০ বছর শিক্ষকতার পর শুরু করেন সদাই ফকিরের পাঠশালা। শুরু করেছিলেন ১ টাকা দক্ষিণা নিয়ে। ১৮ বছরের মাথায় দক্ষিণা বেড়ে হয়েছে ২ টাকা।পদ্মশ্রী পেয়ে কেমন লাগছে? সুজিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। ভাবতেই পারছি না গ্রাম বাংলা থেকে এভাবে কাউকে খুঁজে বের করে সম্মান দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার প্রত্যন্ত জঙ্গলমহল এলাকা থেকে। দিল্লির ফোন পেয়ে কথা বলেও প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। পরে দিল্লির ওই ফোন নম্বরে আমার মেয়ে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয়। সদাই ফকিরের পাঠশালায় ৩০০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করেন। সুজিত বাবু মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি, বাংলা, ভুগোল, ইতিহাস পড়ান। উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা, সংস্কৃত ও স্নাতক স্তরে বাংলা পড়ান। একেবারে শুরুতে গুরিদক্ষিণা নিতেন এক টাকা। এটা টিউশন ফি নয়। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা দুস্থ। টিউশন ফি নিলে পড়াশুনাই করতে পারবে না, বলেন সুজিত চট্টোপাধ্যায়।সুজিতবাবু জানান, তাঁর যে টাকা নেই, সেকথা বোঝাতেই সদাই ফকিরের পাঠশালা নাম দেওয়া হয়েছে। পেনশনের টাকাতেই তাঁর সংসার চলে। জঙ্গলমহলের এই শিক্ষকের দাবি, এলকায় একটা কলেজ স্থাপনের। সেকথা এখানকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন। দিল্লিতে মার্চে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেওয়ার সময়ও সেই দাবি জানাবেন বলে জানিয়ে দিলেন তিনি। এলাকায় স্টেট ব্যাংকের দাবিও রয়েছে তাঁর।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজ্য

দিল্লির কৃষক আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ল বর্ধমানে

এরাজ্যেও দিল্লির আঁচ এসে পোঁছাল। দিল্লির কৃষক আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়ল বর্ধমানে। মঙ্গলবার দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে ট্রাক্টর নিয়ে র্যালি করে সারা ভারত কৃষক সভার বর্ধমান জেলা কমিটি। ট্রাক্টর মিছিলের সামনে ছিল বাইক র্যালি। র্যালিটি বর্ধমান শহরের নবাবহাট থেকে উল্লাস পর্যন্ত যায়। কেন্দ্রীয় কৃষি বিলের প্রতিবাদও জানানো হয় এই র্যালি থেকে। প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে ট্রাক্টর প্যারেড করে আন্দোলনকারী কৃষকরা। লালকেল্লায় পৌঁছে যায় আন্দোলনকারীরা।কাঁদানে গ্যাস, লাঠিচার্জে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানীর কৃষক আন্দোলন। দিল্লির আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে সারা দেশ। দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে এবার ট্রাক্টর র্যালি হল বর্ধমানে। এদিনের র্যালিতে প্রায় ১ হাজার ট্রক্টর অংশ নেয়। বর্ধমানের এই আন্দোলনে যথেষ্ট সাড়া পড়েছে বলে দাবি করেছেন কৃষকসভার নেতৃত্ব।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
বিদেশ

মুজিববর্ষ স্মরণ: ৭০ হাজার গৃহহীনকে বাড়ি হাসিনার

বাংলাদেশের একলক্ষ গৃহহীন পরিবারকে বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । শনিবার তাদের মধ্যে ৬৯ হাজার ৯০৪ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর-সহ বাড়ি উপহার দিয়েছেন তিনি। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদিনে এত মানুষকে ঘর দিতে পারলাম, এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহারা থাকবেন না। যাঁদের গৃহ নেই তাঁদের ঘর করে দিয়ে অসাধ্য সাধন করতে পারলাম, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর হতে পারে না।যাঁদের ঠিকমতো দুবেলা খাবার জুটতো না। পরনের কাপড় ছিল ছিন্ন-ভিন্ন মলিন। এই দুটো মৌলিক সমস্যা মিটিয়ে আজ তাঁরা পরম নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জায়গা পেলেন। ঝড়-বৃষ্টি দেখলেও আর কোন কষ্ট ভোগ করতে হবে না তাঁদের। পারবেন নিশ্চিন্তে ঘুমোতে। খোলা আকাশের নিচে প্রখর রোদের তাপ হজম করতে হবে না। আর এ সবই সম্ভব হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে। শনিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃহহীন পরিবারগুলিকে বাড়ি চাবি বুঝিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ৪৯২টি উপজেলার মানুষ।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গৃহহীনদের জন্য দুটি ঘরবিশিষ্ট প্রতিটি বাড়ি তৈরিতে খরচ হচ্ছে এক লক্ষ ৭১ হাজার টাকা। সরকারের নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে বাড়িগুলো। থাকছে বারান্দা, রান্নাঘর ও অ্যাটাচ বাথরুমও। এছাড়া টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎসংযোগও দেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
রাজ্য

কৈলাস-দিলীপের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের

বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে শিলিগুড়ি-ফুলবাড়ি এলাকা। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির সময়ই ভাঙচুর হয় বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র গাড়ি। অন্যদিকে উত্তরকন্যা অভিযান চলাকালীন তাদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। তাদের আঙুল পুলিশের দিকে। এমনকি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় ছড়রা গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। উত্তরকন্যা অভিযানে দলীয় কর্মীর মৃত্যুর অভিযোগে আসরে নামে বিজেপি। বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বনধে গতকালও ধুন্ধুমার বাঁধে শিলিগুড়িতে। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ঠান্ডা পড়বে রাজ্যে এই পরিস্থিতিতে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষের নামে এফআইআর শিলিগুড়ি পুলিশের। দুই বিজেপি নেতা সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে উত্তরকন্যা অভিযানে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ২টি অভিযোগ হয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি থানায়। শিলিগুড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হিংসা ছড়ানো, অশান্তি সৃষ্টি, ট্রাফিক গার্ড ভাঙচুর, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে নিগ্রহ সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবেঃ কৈলাস বিজয়বর্গীয়

ধর্মের কারণে অত্যাচারের শিকার হয়ে যাঁরা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে এদেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু করবে মোদী সরকার। জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, শনিবার বারাসতে আর নয় অন্যায় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এমনই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি আরও বলেন, মোদি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেটা তারা অবশ্যই পালন করবে। রাজ্য সরকার বিরোধিতা করলেও নাগরিকত্ব দেওয়া থেকে আটকে রাখতে পারবে না। জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার শুধু ৩০ শতাংশ মানুষকে নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে। বাকি ৭০ শতাংশ মানুষের দিকে তাকাচ্ছেই না। আরও পড়ুন ঃ পূর্ব মেদিনীপুরের দুই ব্লক সভাপতিকে সরিয়ে দিল তৃ্ণমূল নেতৃত্ব কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই কৃষকদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার চলছে। সিন্ডিকেট রাজ চলছে এখানে। কৃষকদের উপর শোষণ চলছে। বাংলার কৃষকরা সবচেয়ে বেশি শোষিত। এই তৃণমূল সরকারের উপর রাজ্যবাসী নারাজ। বাংলার মানুষের সমর্থনে আছে বিজেপি। তাঁর কথায়, এই সরকারের উপর মন্ত্রীরাও নারাজ। বর্ষীয়ান নেতারা অসন্তুষ্ট। শুভেন্দু-ই তার উদাহরণ। পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, সংখ্যালঘুরাও বাংলায় তৃণমূল সরকারের উপর নারাজ। কারণ কেউ দুর্নীতি, ভ্রষ্টাচারকে সমর্থন করে না। এছাড়াও তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ করেন। হাতে হাতে লিফলেট দিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

আসানসোলের বারাবনিতে তৃণমূল- বিজেপি সংঘর্ষ , আহত ২

বিজেপির আর নয় অন্যায়কর্মসূচিতে গুলি ও বোমাবাজির জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের বারাবনি। এই ঘটনায় দুজন পায়ে গুলি লেগে আহত হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম স্বপন বাউড়ি ও সাধন রাউত। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে মিছিল বের করেছিল বিজেপি। বারাবনির জামগ্রাম থেকে কাপিস্টা পর্যন্ত বিজেপির মিছিল যাওয়ার কথা ছিল। তার জন্য সকাল থেকে কর্মী, সমর্থকরা জমায়েত হয়েছিলেন জামাগ্রামে। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই মিছিলকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা। বোমাবাজিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। মোটরবাইকও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। আরও পড়ুনঃ বর্ধমান শহরে দাদার অনুগামী পোস্টার, চাঞ্চল্য অন্যদিকে, বারাবনি তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, জামগ্রাম এলাকায় দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে শিবির করেছিলেন দলীয় কর্মীরা। ব্লক তৃণমূল সভাপতি অসিত সিংয়ের দাবি, তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপি। তারাই ঝাড়খণ্ড থেকে দুষ্কৃতীদের জড়ো করে বোমা-গুলি চালিয়েছে। আর যেসব গাড়ি পুড়েছে, তা তৃণমূল সমর্থকদেরই। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বারাবনি থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় বিজেপির মিছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস বেশ কিছু তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। যে মোটরবাইকে আগুন লাগানো হয় বলে অভিযোগ, সেই আগুন নিভিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

নিয়োগপত্র সত্ত্বেও কাজে যোগ দিতে বাধা, আলিপুর চিড়িয়াখানায় বিক্ষোভ

আলিপুর চিড়িয়াখানার বন সহায়ক পদে কাজে যোগ দেওয়ার নিয়োগপত্র হাতে রয়েছে। কিন্তু তাদের কাজে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হয়। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চাকরিপ্রার্থীর্। গেটের বাইরে তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে বনসহায়ক পদের নিয়োগপত্র রয়েছে। আজ তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো শুক্রবার সকালে চিড়িয়াখানায় যান চাকরিপ্রার্থীরা। অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের অন্যায়ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারপরেই শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ। আরও পড়ুন ঃ অপমানজনক মন্তব্যের প্রতিবাদ, পরেশ পালকে আইনি নোটিশ শ্রেয়ার পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। অনেক চেষ্টায় তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তাঁদের সামনেও বিক্ষোভ চলতে থাকে। এদিনের এই ঘটনায় সমস্যায় পড়েছেন চিড়িয়াখানার দর্শনার্থীরা। ভিতরে বহু মানুষ আটকে পড়েন। জানা গিয়েছে, এদিনের ঘটনার জেরে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্মী সংগঠন। জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে বন্ধ থাকবে আলিপুর চিড়িয়াখানা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

পিকে'র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পরেও নিজের অবস্থানে অনড় শীলভদ্র

শীলভদ্র দত্তের বাড়ি গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন প্রশান্ত কিশোরের প্রতিনিধিরা। কিন্তু বরফ গলল না। অনড় রইলেন নিজের অবস্থানে। জানিয়ে দিলেন, আর তৃণমূলের হয়ে নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। তবে ২০২১-এ দলের জয় নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী । বলেন, তৃণমূল ২০০টি আসন পাবে। প্রশান্ত কিশোরের দুই প্রতিনিধিকে তিনি জানিয়ে দেন, আমি দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলব। আরও পড়ুনঃ আমিও বাংলা হরফে লিখে গুজরাতি ভাষা বলতে পারি, নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার প্রশান্ত কিশোরের প্রতিনিধিরা তাঁকে তৃণমূলের টিকিটে দাঁড়ানোর কথা বলতেই তিনি সরাসরি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। তিনি বলেন, অনেকে মনে করছেন জাহাজ ডুবতে চলেছে। কিন্তু আমি মনে করি ২০২১-এর নির্বাচনে তৃণমূল ২০০টি আসন পাবে। কারণ তৃণমূলের আসল মানুষ তো দলে রয়েছেন।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়াকে সমর্থন তৃণমূল বিধায়কের

শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ত্যাগ নিয়ে মন্তব্য করে জল্পনা বাড়ালেন বারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। তিনি বলেছেন, যা করেছেন, ঠিক করেছেন। আমি ওঁর ফ্যান। এরপর তিনি জল্পনা বাড়িয়ে বলেন, ভবিষ্যতে ঠিক করব, কোন দলে থাকব। কয়েকদিন আগেই শীলভদ্রবাবু দল নিয়ে তাঁর অসন্তোষের কথা প্রকাশ্যে বলেছিলেন। আরও পড়ুন ঃ বিজেপিতে যোগ দিলেন মিহির গোস্বামী তিনি টিম পিকে-র নাম না করে বাজারি কোম্পানি তাঁকে রাজনীতির জ্ঞান দিচ্ছে, তিনি তা মেনে নিতে পারছেন না, এই বিরক্তিও গোপন রাখেননি। এমনকী এও ঘোষণা করে দিয়েছেন যে পরবর্তী বিধানসভায় তিনি আর লড়বেন না। বারাকপুর থেকে তৃণমূল প্রার্থী হবেন অন্য কেউ। মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন তিনি। দল তাকে একবার সাসপেন্ডও করেছিল। তিনি আজ হোক বা কাল, সে পথেই যাবেন, এ বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

ইস্তেহার নিয়ে বৈঠকে বিজেপি

নির্বাচনের আগে ইস্তেহার নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠকে বসল বিজেপির ইস্তাহার বিষয়ক কমিটি। বৃহস্পতিবার শহরের একটি হোটেলে তারা বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়-সহ দলের ১৪ জন সাংসদ। সাধারণত ভোটের কাছাকাছি সময়ে শুরু হয় ইস্তাহার তৈরির প্রক্রিয়া। তবে অপেক্ষা করতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলই আসল ভোগীঃ দিলীপ ইস্তাহার বিষয়ক কমিটির সুভাষ সরকার, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় ও অসীম ঘোষ। হাজির হন ১৪ জন সাংসদ। রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নথিবদ্ধ করা হয়েছে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের অভাব-অভিযোগ। এ দিনই দিলীপ ঘোষ ডাক দিয়েছেন, সবাই মিলে লড়ব, সোনার বাংলা গড়ব। সংবিধান দিবস নতুন কর্মসূচির সূচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নাম দেওয়া হয়েছে, আমরা সবাই সাংসদ। আমাদের দিলীপদা ওয়েবসাইটে সরাসরি সমস্যা বলতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal