• ১৭ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ০২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BLA

দেশ

বাবরি মসজিদের ‘বদলা’ নিতে ছ’টি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা! প্রকাশ্যে ভয়ঙ্কর জইশ চক্রান্ত

দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের রেশ এখনো কাটেনি। ১০ নভেম্বরের সেই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১২ জন, আহত আরও ২০ জন। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতিতে এখন প্রকাশ পাচ্ছে আরও ভয়ঙ্কর সত্য। এই বিস্ফোরণ ছিল না কোনও একক ঘটনাবরং ছিল এক বিশাল, ধারাবাহিক সন্ত্রাসের সূচনা মাত্র!কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার হাতে এসেছে এমন তথ্য, যা রীতিমতো গা শিউরে দেওয়ার মতো। জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণ ছিল একটি বড়সড় সিরিয়াল ব্লাস্ট প্ল্যানের প্রথম ধাপ। জইশ-ই-মহম্মদের হোয়াইট কলার মডিউল-এর তরফে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকী।তদন্তে উঠে এসেছে, ওই দিন দিল্লির অন্তত ছয় জায়গায় একসঙ্গে বিস্ফোরণের ছক কষেছিল জইশ মডিউল। এনআইএ-র জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিশোধ নিতে ওই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল এমন এক হামলার, যা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দেবে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে দেবে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হামলায় মোট ৩২টি গাড়ি ব্যবহার করার ছক ছিল। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে ৪টি গাড়িএকটি হুন্ডাই আই-২০, একটি ব্রেজা, একটি সুইফট ডিজায়ার এবং একটি ফোর্ড ইকোস্পোর্ট। গাড়িগুলি কেনা হয়েছিল হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে, তাও পুরনো বা থার্ড হ্যান্ড গাড়ি হিসেবে, যাতে পুলিশ বা গোয়েন্দারা ট্রেস করতে না পারে।জইশের এই ডাক্তার-জঙ্গি মডিউল গোটা হামলাটিকে সাজিয়েছিল পাঁচ ধাপে। প্রথম ধাপে তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদী মডিউল, যাতে ছিল জইশ ও আনসার ঘাজয়াত-উল-হিন্দের যোগ। দ্বিতীয় ধাপে নুহ ও গুরুগ্রাম থেকে বিস্ফোরক এনে মজুত করা হয়। তৃতীয় ধাপে কেমিক্যাল আইইডি বানানো হয় এবং সম্ভাব্য টার্গেট বেছে নিয়ে রেইকি চালানো হয়।এরপর চতুর্থ ধাপে সেই বিস্ফোরক ভাগ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন মডিউল সদস্যদের মধ্যে। সবশেষ ধাপে, অর্থাৎ পঞ্চম ধাপে, দিল্লির অন্তত ছয় থেকে সাতটি জায়গায় একসঙ্গে সিরিয়াল ব্লাস্ট ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, প্রথমে এই বিস্ফোরণগুলো করার ছক কষা হয়েছিল চলতি বছরের আগস্টে। কিন্তু পরে মাসুদ আজহারের নির্দেশে দিন বদলে করা হয় ৬ ডিসেম্বর। গোয়েন্দারা মনে করছেন, জইশ প্রধান মাসুদ আজহার চায় বাবরি মসজিদ ইস্যুকে নতুন করে উসকে দিয়ে ভারতে সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়াতে। বহু বছর ধরেই তারা বদলা-র হুমকি দিয়ে আসছে।এক গোয়েন্দা আধিকারিক জানিয়েছেন, এটি ছিল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা। দিল্লির মতো শহরে একসঙ্গে ছটি বিস্ফোরণ ঘটলে তার পরিণতি অকল্পনীয় হত।এখন প্রশ্ন একটাইআরও কি গাড়ি প্রস্তুত রয়েছে এই মডিউলের হাতে? তদন্ত চলছে জোরকদমে। গোটা দেশের নিরাপত্তা সংস্থা এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায়।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

উমর উন-নবিই—‘বইপোকা’ থেকে সন্ত্রাসী! দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে চমকপ্রদ কাহিনি

দিল্লি বিস্ফোরণের রহস্য অবশেষে উন্মোচিত! ঘটনার পর থেকেই নানা জল্পনা চলছিল, আর এবার তদন্তে মিলল স্পষ্ট প্রমাণ। লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হুন্ডাই আই-২০ গাড়িটি চালাচ্ছিল যে যুবক, তার পরিচয় মিলেছে সে আর কেউ নয়, কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা উমর উন-নবিই।তদন্ত সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার দেহাংশের ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে উমরের পরিবারের সঙ্গে। উমরের মা ও ভাইয়ের ডিএনএ-র সঙ্গে মেলানোর পর দেখা যায়, একশো শতাংশ মিলেছে সেই নমুনা। অর্থাৎ, গাড়িটি চালাচ্ছিল উমর নিজেই, আর সেই বিস্ফোরণ ছিল এক আত্মঘাতী হামলা।বিস্ফোরণে ব্যবহৃত আই-২০ গাড়িটির নম্বর ছিল HR26 CE 7674। গাড়িটির মালিকানার ইতিহাসও কম চমকপ্রদ নয়। প্রথমবার ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ বিক্রি হয়েছিল এটি। তারপর একে একে গাড়িটি হাতবদল হয়সলমন থেকে দেবেন্দ্র, তারপর সোনু, তারিক, আর শেষে উমরের হাতে। কিন্তু কখনওই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে সেই বদল হয়নি। বিস্ফোরণের আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, উমর নিজেই গাড়িটি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সুনহেরি মসজিদ থেকে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত। সেখানেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ।তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে অনুমান করছেন, উমর আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করেছিল দুই সহযোগীকে নিয়ে। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক সন্দেহভাজন ধরা পড়া ও আরডিএক্স উদ্ধার হওয়ায়, ভয়ে পড়েই সম্ভবত সময়ের আগেই বিস্ফোরণ ঘটায় উমর।বুধবার তদন্তকারীরা আরও একটি তথ্য হাতে পেয়েছেন। জানা গিয়েছে, উমরের নামে আরও একটি গাড়ি রয়েছেএকটি লাল রঙের ফোর্ড গাড়ি, যেটি ২০১৭ সালে রাজোরি গার্ডেনে তাঁর নামে রেজিস্টার হয়। ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহার করে গাড়িটি কিনেছিল সে। অনুমান, এটি দ্বিতীয় হামলার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। বিস্ফোরণের পর থেকেই এই লাল গাড়িটির হদিশ নেই। এখন তল্লাশি শুরু হয়েছে গোটা দিল্লি জুড়ে।এদিকে উমরের নাম উঠে আসতেই স্তব্ধ তার পরিবার। কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার কইল গ্রামের ছেলে উমরকে এক বইপোকা, শান্ত স্বভাবের পড়ুয়া হিসেবেই চিনতেন সবাই। উমরের বৌদি জানান, গত শুক্রবারই ওর সঙ্গে কথা হয়েছিল। বলেছিল সামনে পরীক্ষা আছে, লাইব্রেরিতে পড়ছে। এমন শান্ত, ভদ্র ছেলে এই কাণ্ড করবেবিশ্বাসই হচ্ছে না। পরিবারের দাবি, দারিদ্র্য থেকে মুক্তির লড়াইয়ে ছিল উমরের মা। ছেলেকে নিয়েই ছিল সব আশা। সেই ছেলেই আজ দেশ কাঁপানো বিস্ফোরণের মূল accusedশোকে ভেঙে পড়েছেন সবাই।তদন্ত এখন অনেক গভীরে গিয়েছে। কে বা কারা উমরকে প্ররোচিত করল, কারা যোগ দিয়েছিল এই ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী ছকেসেই উত্তর খুঁজছে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

দিল্লির লালকেল্লায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই জানাল কেন্দ্র

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে গেল এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ! লালকেল্লার সামনে সোমবারের (১০ নভেম্বর) সেই বিস্ফোরণ যে নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত সন্ত্রাসবাদী হামলাই ছিল, তা এখন আর কারও অজানা নয়। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলএটি ছিল এক ঘৃণ্য টেরর অ্যাটাক।বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বৈঠকের শুরুতেই দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হয় লালকেল্লা বিস্ফোরণে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। এরপর কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়এটি দেশবিরোধী শক্তির পরিকল্পিত হামলা, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতের নিরাপত্তা ও ঐক্যকে চ্যালেঞ্জ করা।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশে ফেরার পরই সরাসরি ছুটে যান দিল্লির লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। সেখানে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন, চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বাস দেন যে এই জঘন্য ঘটনার দায়ে জড়িতদের একটিকেও ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। যারা এই হামলার পিছনে, তাদের শাস্তি হবেই।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছে। গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন, কোথা থেকে এবং কারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি এনআইএ-র একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে।১০ নভেম্বর বিকেলে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, একের পর এক গাড়ি উড়ে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের দোকান ও বাড়ির জানলার কাচ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, একটা বোমার আওয়াজে যেন কেঁপে উঠেছিল গোটা এলাকা!এখন প্রশ্ন একটাইকাদের হাত এই হামলার পিছনে? গোটা দেশ তাকিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার দিকে। প্রধানমন্ত্রী থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাসবার এক সুর, ভারতকে ভয় দেখানো যাবে না।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। বিদেশ থেকেও একাধিক দেশ ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থনের বার্তা দিয়েছে। এদিকে কেন্দ্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণে এবার বাংলাদেশ যোগ! চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এনআইএ-র

দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটনার পর কেটে গিয়েছে কয়েকদিন। কিন্তু রহস্যের জাল যেন আরও জটিল হচ্ছে প্রতিটি ঘণ্টায়। সোমবারের সেই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১২ নিরীহ মানুষের। ঘটনার তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছে এনআইএ (NIA)। আর এবার তদন্তে উঠে এসেছে এক নতুন মোড় এই বিস্ফোরণে জড়িয়ে গেল বাংলাদেশের নাম!গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া ২,৯০০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের বড় অংশ বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়েছিল ভারতে। শুধু তাই নয়, এনআইএ-র হাতে থাকা তথ্য বলছে, অন্তত আরও ৩৫০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক খুঁজে বের করাই এখন তদন্তকারীদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।এতেই শেষ নয়, গোয়েন্দাদের সন্দেহের তালিকায় উঠে এসেছে দুই বাংলাদেশি মহিলা চিকিৎসকের নাম। জানা গেছে, তাঁরা দুজনেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে কাশ্মীরের অনন্তনাগ ও শ্রীনগরে ডাক্তারি করছিলেন। তবে তাঁদের কাজ শুধুই চিকিৎসা নয় তাঁরা গোপনে জইশ-ই-মহম্মদের হয়ে কাজ করছিলেন বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।এনআইএ সূত্রে খবর, এই দুই মহিলা চিকিৎসকই মূলত লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করতেন ইস্তাম্বুল ও দোহা থেকে তাঁদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়েছিল ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে। ইতিমধ্যেই ধৃত শাহিনকে জেরা করে এই দুই নারীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাঁদের কোনো হদিশ মেলেনি।সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয়, গোয়েন্দারা বলছেন, তুরস্কের সঙ্গে এই বিস্ফোরণ চক্রের যোগাযোগ মিলেছে। মনে করা হচ্ছে, পহেলগাঁও হামলার সময় যেমন তুরস্ক পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল, এবারও একই রকম যোগাযোগের প্রমাণ মিলছে।সূত্রের দাবি, জইশ ও লস্কর-ই-তইবার নেতারা বারবার বাংলাদেশের মাটিতে প্রবেশ করেছে ধর্মীয় প্রচারের নামে। সেখানে তারা গোপনে নতুন ঘাঁটি তৈরি করছিল। এমনকি পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই বাংলাদেশের মাটিতেই তাদের অফিস খুলতে চেয়েছিল, যার জন্য বাংলাদেশ সরকারের একাংশের অনুমতিও মেলে বলে গোয়েন্দাদের দাবি।তদন্তকারীদের মতে, যেহেতু পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের দিক থেকে ভারতে প্রবেশ এখন কঠিন হয়ে পড়েছে, তাই জইশ ও লস্কর এখন বাংলাদেশের সীমান্ত ব্যবহার করে ভারতে নাশকতার ছক বাস্তবায়ন করছে।এক কথায়, লালকেল্লা বিস্ফোরণের পেছনে লুকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি জোটের ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

‘শিক্ষিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক’! ডাক্তারদের জইশ সংযোগে কেঁপে উঠেছে গোটা দেশ

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের পর গোটা দেশজুড়ে শুরু হয়েছে এক নজিরবিহীন অভিযান। তদন্তে উঠে এসেছে এক অভাবনীয় তথ্য এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে ছিল তথাকথিত হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল, যেখানে যুক্ত ছিলেন একাধিক চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মী। এই মডিউল জইশ-ই-মহম্মদ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর থেকেই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ একাধিক জেলায় একযোগে অভিযান চালাচ্ছে। শোপিয়ান, কুলগাম ও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। মূল অভিযুক্ত মৌলভি ইরফান, যিনি শ্রীনগরের সরকারি মেডিকেল কলেজের এক প্যারা মেডিক্যাল কর্মী, তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, চিকিৎসক সমাজের মধ্যেই গোপনে জঙ্গি মগজধোলাইয়ের কাজ চালাতেন এই মৌলভি।তদন্তে আরেকটি ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এসেছে ফরিদাবাদ থেকে প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল একাধিক সিরিয়াল ব্লাস্টে। গোটা ষড়যন্ত্রের নকশা তৈরি হয়েছিল একই মডিউলের মাধ্যমে।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আটক আরও তিন জন। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, ইন্টার্ন এবং প্যারা মেডিক্যাল কর্মীও। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের যোগ মিলেছে পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে।নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, এটি ভারতের ইতিহাসে এক নতুন ধরণের সন্ত্রাসের চিত্র যেখানে অস্ত্র নয়, শিক্ষা ও প্রভাব ব্যবহার করা হচ্ছিল ভয় ছড়ানোর অস্ত্র হিসেবে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

‘ডাক্তার মডিউল’-এর ছায়া বিস্ফোরণ-কাণ্ডে! জইশের নয়া রণনীতি ফাঁস

দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য। একের পর এক গ্রেফতার বাড়ছে। এবার ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫। আরও তিনজনকে আটক করেছে তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, ধৃতরা সকলেই জইশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের এক ভয়ংকর ডাক্তার মডিউল-এর সদস্য। এদের মধ্যে কেউ জম্মু-কাশ্মীর থেকে, কেউ বা হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ থেকে ধরা পড়েছে।গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু এই ১৫ জনই নয় আরও ২০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে কড়া জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ধৃত চিকিৎসকদের সঙ্গে আটক সন্দেহভাজনদের সম্পর্ক কী, সেই দিকেই এখন তদন্তকারীদের নজর।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার এক মৌলবীর নাম। দীর্ঘদিন ধরেই ওই মৌলবী তদন্তকারীদের নজরে ছিলেন। শ্রীনগরের একটি সরকারি মেডিকেল কলেজে প্যারা মেডিক্যাল স্টাফ হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তদন্তকারীদের অনুমান, মেডিক্যাল ছাত্রদের মগজ ধোলাইয়ের বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। তরুণদের জঙ্গি পথে টানার দায়িত্ব অনেকটাই একাই সামলাতেন এই মৌলবী।গোয়েন্দারা বলছেন, দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে তাঁর যোগ এখন প্রায় নিশ্চিত। যোগাযোগ ছিল উমর নবী ও মোজাম্মিলের সঙ্গে। এমনকী জইশ সংগঠনের মূল ঘাঁটির সঙ্গেও তাঁর সরাসরি সম্পর্ক ছিল বলে খবর। তাঁকে জেরা করে জইশের গোপন নেটওয়ার্কের আরও তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।অন্যদিকে, কাশ্মীর জুড়ে চলছে নজিরবিহীন তল্লাশি অভিযান। শুধু গত কয়েকদিনেই প্রায় ৪০০ জায়গায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ ও এনআইএ। কুলগাম, সোপিয়ান, পুলওয়ামা সহ একাধিক জেলায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। নিষিদ্ধ জামাত-ই-ইসলামি সংগঠনের সদস্যদের বাড়িতেও হানা দিয়েছে পুলিশ।গত চার দিনে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সন্দেহ, এদের মধ্যে অনেকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জইশ ও জামাতের সঙ্গে যুক্ত। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে বহু ডিজিটাল ডিভাইস, যা থেকে মিলছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।সব মিলিয়ে গোটা উত্তর ভারতে ছড়িয়ে থাকা জইশের মেডিক্যাল-নেটওয়ার্ক এখন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে। তদন্তকারীদের মতে, এই ডাক্তার মডিউলই ছিল জইশের নতুন কৌশল শিক্ষিত তরুণদের মাধ্যমে ভয়ঙ্কর হামলা চালানোর পরিকল্পনা। আর সেই পরিকল্পনাই এখন ভেস্তে যাচ্ছে একের পর এক গ্রেফতারে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণ ফিদায়েঁ হামলা নয়, তাড়াহুড়োতেই বিপর্যয়! গোয়েন্দা রিপোর্টে নতুন চাঞ্চল্য

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণ, যা নিয়ে সারা দেশে তোলপাড়, সেটি আসলে পরিকল্পিত ফিদায়েঁ হামলা নয়, বরং তাড়াহুড়োর ফলেই ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্ঘটনা এমনই ইঙ্গিত মিলেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে।সূত্রের খবর, ফরিদাবাদের ভাড়া বাড়ি থেকে প্রায় ৩,০০০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পরই ভেস্তে যায় জঙ্গি ডাক্তার উমর নবীর মূল পরিকল্পনা। গোয়েন্দাদের ধারণা, সেই ঘটনার পরই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ওঠে উমর। একের পর এক সহযোদ্ধা গ্রেফতার হচ্ছিল দিল্লি-এনসিআর ও ফরিদাবাদে। ধরা পড়ার ভয়েই সিদ্ধান্ত নেয় দ্রুত বিস্ফোরক সরিয়ে ফেলার।গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিস্ফোরকটি তখনও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না। কোনও শার্প নেল বা ধাতব টুকরো পাওয়া যায়নি, যা সাধারণত বড়সড় হামলায় থাকে। তদন্তকারীদের ভাষায়, যদি সেইভাবে সম্পূর্ণ বিস্ফোরক তৈরি হতো, তাহলে ক্ষতির মাত্রা ভয়াবহ হতে পারত।\উমর নবী সম্ভবত নিজের গাড়িতেই দ্রুত গতিতে বিস্ফোরক সরানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু গাড়ি চলন্ত অবস্থাতেই আচমকা ঘটে যায় বিস্ফোরণ। ঘটনাস্থলের প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় গাড়ির গতি ছিল অনেক ধীর। তাই গোয়েন্দাদের ধারণা আরও স্পষ্ট এটি কোনও আত্মঘাতী হামলা নয়, বরং প্রস্তুতির মধ্যেই ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনা।ফরিদাবাদে পুলিশি অভিযানে বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় আগেই ধাক্কা খায় জঙ্গি মডিউল। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই সময় দেশজুড়ে গোয়েন্দা ও পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের ফলেই আরও বড় কোনও হামলা রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।তবে এখানেই শেষ নয়। এখনও চলেছে তদন্ত। উমর নবীর সমস্ত সম্ভাব্য লিঙ্ক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ, এবং বিস্ফোরকের উৎস সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তত্ত্বাবধানে। প্রশ্ন একটাই ওই বিস্ফোরক দিয়ে ঠিক কী করতে চেয়েছিল উমর ও তার দল?

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

১৩ দিন আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে লুকিয়ে ছিল ঘাতক গাড়ি! উমর নবীর ছক ফাঁস

দিল্লির রেড ফোর্ট বিস্ফোরণ কাণ্ডে উঠে আসছে রোমহর্ষক তথ্য। তদন্তে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত Hyundai i20 গাড়িটি প্রায় ১৩ দিন ধরে লুকিয়ে রাখা ছিল হরিয়ানার আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই! সূত্রের খবর, ২৯ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সেই গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্কিং লটেই দাঁড়িয়ে ছিল। আর এই সময়েই তৈরি হচ্ছিল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গাড়িটি কেনা হয়েছিল ২৯ অক্টোবরই। পরের দিনই দূষণ পরীক্ষার (PUC) জন্য একবার বাইরে নেওয়া হয়, তারপর ফের এনে রেখে দেওয়া হয় ঠিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল বিভাগের পাশে, যেখানে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে ছিল ডাক্তার মুজাম্মিলের সহযোগী শাকিলের গাড়ি। CCTV ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এই ১১ দিনের মধ্যে বারবার কয়েকজন যুবক গাড়িটির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিলেন।তদন্তকারীদের মতে, এটা যে একেবারে পূর্বপরিকল্পিত সন্ত্রাস ছক, তা নিয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই। আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই বিস্ফোরকের জোগান হয়েছে সেই বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত গোয়েন্দারা। এখন তাঁদের প্রশ্ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবের কেমিক্যাল থেকেই কি তৈরি হয়েছিল সেই মারাত্মক বিস্ফোরক, নাকি বাইরের জঙ্গি নেটওয়ার্ক থেকে এনে সেখানে মজুত করা হয়েছিল বিপুল পরিমাণ সামগ্রী?প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য। মনে করা হচ্ছে, এই পুরো পরিকল্পনার মূল মস্তিষ্ক শুধু ড. উমর নবি নন, তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন অধ্যাপক মুজাম্মিলও। কিন্তু মুজাম্মিল গ্রেফতার হওয়ার পরই আতঙ্কে পড়ে যান উমর। তাঁর ধারণা হয়, আর বেশি দিন আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্কিং লটে গাড়ি রেখে নিরাপদ থাকা সম্ভব নয়। আর সেই আতঙ্কেই ১০ নভেম্বর সকালে দ্রুত গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি গন্তব্য দিল্লি।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়ির ভিতরে উমরের সঙ্গে ছিলেন আরও তিনজন। তাঁদের অস্তিত্বও মিলেছে তদন্তে। গাড়িটি ছিল বিস্ফোরক বোঝাই। পথজুড়ে গাড়ির গতি ছিল ভয়ঙ্কর দ্রুত।হরিয়ানা থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে রাজ্য সীমান্তের বদরপুর টোল প্লাজায় গাড়িটি ধরা পড়ে। টোল কর্মীদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সোমবার সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে ২৫ নম্বর টোল গেট দিয়ে দিল্লিতে প্রবেশ করে উমরের গাড়ি। টোলের ২৬ নম্বর গেটটিতে ইমার্জেন্সি লেখা বোর্ড থাকা সত্ত্বেও সেখানে ঢোকার চেষ্টা করেছিল গাড়িটি। কর্মীরা বাধা দিলে পাশের গেট দিয়ে প্রবেশ করে উমর। টোল প্লাজার কর্মীদের কথায়, রাস্তা ছিল ব্যস্ত, কিন্তু গাড়ির গতি এতটাই বেশি ছিল যে, মুহূর্তে চোখের আড়ালে চলে যায়।তদন্তকারীরা বলছেন, এত দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গাড়ি লুকিয়ে রাখা, মুজাম্মিলের যোগসূত্র, এবং তারপর আতঙ্কে পালানো সব মিলিয়ে এটা যে একটি ভয়ঙ্কর সন্ত্রাস মডিউলের অংশ, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
বিদেশ

দিল্লির কায়দায় ইসলামাবাদের আদলতের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ১২ জনের

দিল্লির ভয়াবহ বিস্ফোরণের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই একই কায়দায় বিস্ফোরণ এবার ইসলামাবাদে। মঙ্গলবার দুপুরে পাকিস্তানের রাজধানীর একটি আদালতের বাইরে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। আহতের সংখ্যা বহু। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এটি আত্মঘাতী হামলাও হতে পারে।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ইসলামাবাদের আদালত চত্বরের পার্কিং এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। ভয়াবহ আওয়াজে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দ ছয় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শোনা যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি। ঘটনার সময় আদালত চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বহু আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ।বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি এবং করাচি-সহ পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির মধ্যে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে নাশকতার দিকটিও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট উপাদানও থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম কাজ শুরু করেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এর ঠিক একদিন আগে সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ১৩ জনের। তদন্তে উঠে এসেছে, বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছিল গাড়ির ভিতর থেকে। একই ধাঁচে মঙ্গলবার ইসলামাবাদেও বিস্ফোরণ হওয়ায় জঙ্গি নেটওয়ার্ক জুড়ে আশঙ্কা ছড়িয়েছে।দিল্লি ও ইসলামাবাদে টানা দুই দিনে ঘটে যাওয়া এই দুই বিস্ফোরণ এখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মহলে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা মহলও ঘটনাটির দিকে নজর রাখছে বলে সূত্রের খবর।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

‘গভীর ষড়যন্ত্র’, দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মোদীর! দিলেন কঠোর হুঁশিয়ারি

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণকে গভীর ষড়যন্ত্র বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার ভুটান সফরে গিয়ে সেই বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বলেন, দিল্লির ঘটনায় আমি মানসিকভাবে খুব ভারাক্রান্ত। যারা নিজেদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের কষ্ট আমি অনুভব করতে পারছি। এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, এক গভীর ষড়যন্ত্র।সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ নাগাদ দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় আশপাশের গাড়িগুলিতে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয় অন্তত আটজনের। আহত বহু। বিস্ফোরণের পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ ও এনএসজি কমান্ডোরা। ঘটনার পরদিন সকালেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভুটান সফর ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রওনা দেন তিনি।ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত, তারা রেহাই পাবে না। আমি প্রতি মুহূর্তে ঘটনার আপডেট নিচ্ছি। তদন্তকারীরা খুব তাড়াতাড়ি এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা মাথাদের চিহ্নিত করবে। ভারত সরকার কোনওভাবেই এমন জঘন্য কাজ বরদাস্ত করবে না।ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা একসঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজে বিস্ফোরণের আগে ঘাতক গাড়ির গতিপথ চিহ্নিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, গাড়িটি বিকেল চারটের দিকে সুনহেরি মসজিদের পার্কিং লটে ঢোকে এবং তিন ঘণ্টা পর বের হয়। পরে সেই গাড়িতেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ফরিদাবাদে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের সঙ্গে এর যোগ থাকতে পারে।এদিকে বিস্ফোরণ ঘিরে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন নিরাপত্তা আধিকারিকেরা। গৃহমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনায় জঙ্গি যোগ-এর দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।রাজধানীর এমন সংবেদনশীল এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, লখনউ চার মেট্রো শহরে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে সতর্কতা। প্রধানমন্ত্রী নিজে আশ্বস্ত করেছেন দেশবাসীকে ভারতকে ভয় দেখানোর চেষ্টা ব্যর্থ হবে। আমরা এর জবাব দেব শক্ত হাতে।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণ ঘিরে বড় ফাঁস! গাড়ির মালিকদের জবানবন্দিতে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাস্তায় চাপা চাপ রক্ত, কোথাও ছড়িয়ে রয়েছে দেহাংশ। আতঙ্কে জমে গিয়েছে রাজধানীর বাতাস। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লালকেল্লা সংলগ্ন সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছোট গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মুহূর্তে দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে গাড়িটি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে আশপাশের কাঁচের দেওয়াল ভেঙে যায়, উড়ে যায় রাস্তার পাশে দাঁড়ানো বাইক, জখম অন্তত ২০ জন, মৃত্যু এখন পর্যন্ত আট জনের।প্রথমে মনে করা হয়েছিল, কোনও পার্কিং লটে থাকা গাড়িতে শর্ট সার্কিটের জেরে বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিন্তু তদন্ত এগোতেই চিত্রটা পাল্টে যায়। দিল্লি পুলিশ জানতে পারে, বিস্ফোরণের কেন্দ্রবিন্দু সেই ছোট গাড়িটিই একটি হুন্ডাই আই২০। গাড়িটির নম্বরপ্লেট হরিয়ানার। রেজিস্ট্রেশনের নাম মহম্মদ সলমন। খবর পেয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।সলমন তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, প্রায় দেড় বছর আগে তিনি গাড়িটি বিক্রি করে দেন দক্ষিণ দিল্লির ওখলার এক বাসিন্দা দেবেন্দ্রর কাছে। বিক্রির সমস্ত কাগজপত্রও পুলিশের হাতে জমা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এখানেই ঘটনার মোড় ঘোরে। সূত্র অনুযায়ী, দেবেন্দ্রর কাছ থেকে গাড়িটি যায় হরিয়ানার অম্বলার এক বাসিন্দার হাতে। সেখান থেকে সেটি পৌঁছয় জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার তারিক নামের এক ব্যক্তির কাছে।এখন প্রশ্ন উঠছে এই তারিক আদৌ কাকে গাড়িটি বিক্রি করেছিলেন? নাকি তিনিই ছিলেন বিস্ফোরণের রাতে স্টিয়ারিংয়ের পেছনে? সেই উত্তর এখনও মেলেনি। তদন্তকারীরা এখন খুঁজছেন তারিকের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন এবং দিল্লিতে তাঁর গতিবিধির খোঁজ। পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, আমাদের অনুমান কেউ প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। হয়তো গাড়ির ভিতরে আইইডি ছিল। সামান্য চাপেই সেটা বিস্ফোরিত হয়।তবে এটুকু স্পষ্ট ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে বিস্ফোরণের মুহূর্তে গাড়ির জানালা দিয়ে এক ব্যক্তির হাত বেরোচ্ছে। তাঁর মুখ অস্পষ্ট হলেও, পোশাকের রং ও দেহবিন্যাস দেখে তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন, তিনি হয়তো কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা। সেই সূত্র ধরেই এখন ফরিদাবাদে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক মডেলের সঙ্গে মিল খুঁজছে এনআইএ ও দিল্লি পুলিশ।রাজধানীর বুকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে। আত্মঘাতী হামলার গন্ধ, পাকিস্তান যোগের ইঙ্গিত, আর ক্রমে জট পাকানো গাড়ি বিক্রির গল্প সব মিলিয়ে গোটা রহস্য এখন চরম ধোঁয়াশায়।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

আত্মঘাতী হামলার ছক কষেছিলেন উমর! পুলিশের হাতে জোরালো প্রমাণ

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে দিয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। লালকেল্লার কাছেই বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে নয় জনের। ঘটনার পরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে সীমান্ত পেরনোর সময় সন্দেহভাজন গাড়িটির ভিতরে এক ব্যক্তির হাত ও অস্পষ্ট মুখ। তদন্তকারীদের মতে, সেই ব্যক্তিই সম্ভবত পুলওয়ামার চিকিৎসক মহম্মদ উমর যিনি ফরিদাবাদের বিস্ফোরণ চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত।তদন্তে প্রকাশ, ফরিদাবাদের ঘটনায় সহযোগী চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের গ্রেফতারির পর থেকেই উমর ছিলেন আতঙ্কে। সেই থেকেই নাকি আত্মঘাতী হামলার ছক কষতে শুরু করেন তিনি। উমরই বিস্ফোরক বোঝাই হুন্ডাই আই২০ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে আশঙ্কা পুলিশের। ওই গাড়ির মালিক মহম্মদ সলমনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। তাঁর দাবি, দেড় বছর আগেই গাড়িটি বিক্রি করে দেন তিনি। তারপর আরও দুইবার হাতবদল হয়ে গাড়িটি পৌঁছয় পুলওয়ামার তারিক নামে এক ব্যক্তির কাছে। তাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।তদন্তকারীদের বক্তব্য, দিল্লির বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধারের মধ্যে অদ্ভুত মিল রয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে একই মডেলের আইইডি ডিভাইস। সুতরাং এই দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র থাকা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা উমরের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ও পেশেন্ট ডেটা খতিয়ে দেখছে।সূত্রের দাবি, উমরের মোবাইল থেকে পাকিস্তানের বালাকোটে এক সন্দেহভাজন নম্বরে বারবার যোগাযোগের চিহ্ন মিলেছে। এই মুহূর্তে দিল্লি, কাশ্মীর ও ফরিদাবাদ পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। বিস্ফোরণ পরবর্তী এই গোটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে প্রতি ঘণ্টা।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

লাল কেল্লা মেট্রোর সামনে ধীরে ধীরে আসছিল গাড়িটি... তারপরেই ঘটল বিস্ফোরণ, কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

ভর সন্ধ্যায় আচমকাই কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট নাগাদ লালবাতিতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মারুতি সুজুকি ইকো ভ্যানে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গ্রাস করে ফেলে আশপাশের আরও কয়েকটি গাড়িকে। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ১০, আহত ২০ জনের বেশি।দিল্লি পুলিশের কমিশনার সতীশ গোলচা জানিয়েছেন, একটি ধীরে চলা গাড়ি ট্র্যাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়েছিল। ঠিক সেই সময়ই বিস্ফোরণ হয়। তার পরপরই আশেপাশের গাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণের পর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। স্থানীয়রা আতঙ্কে ছুটে পালাতে শুরু করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশেপাশের বৈদ্যুতিক খুঁটি ও স্ট্রিটলাইট পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। অনেক গাড়ি প্রায় ১৫০ মিটার দূরে ছিটকে যায়। লালকেল্লা সংলগ্ন চাঁদনি চক এলাকার ভিড়ের মধ্যে মুহূর্তেই নেমে আসে তীব্র বিশৃঙ্খলা।এই ঘটনার দিনই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আন্তঃরাজ্য জঙ্গি চক্র। উদ্ধার হয় প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক তৈরির রাসায়নিক, যার মধ্যে ছিল অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও। তবে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ওই বিস্ফোরণের সঙ্গে এই জঙ্গি মডিউলের সরাসরি কোনও যোগ এখনও পাওয়া যায়নি।তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল, এনআইএ ও এনএসজি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভ্যানে বিস্ফোরক বোঝাই করা ছিল, এবং সেটি হয়তো আরও ভিড়ভাট্টার এলাকায় পৌঁছনোর আগেই বিস্ফোরিত হয়ে যায়।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এত জোরে আওয়াজ হয়েছিল যে মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। চারপাশে আগুন, গরম বাতাসে যেন শ্বাস নেওয়া যাচ্ছিল না। বর্তমানে গোটা দিল্লি জুড়ে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। তদন্ত চলছে রাতভর।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

রেড ফোর্টের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১, আহত বহু!

সোমবার সন্ধ্যায় রেড ফোর্ট মেট্রো স্টেশনের গেট নং ১-এর নিকটে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, পরে তিন থেকে চারটি কাছের গাড়িতেও আগুন লাগে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং একাধিক ফায়ার টেন্ডার দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, এই ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলো উচ্চ সতর্কতা অবস্থা ঘোষণা করেছে। প্রাথমিক তথ্যে একজন নিহতের কথা বলা হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা চার বা তার বেশি। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আহত সংখ্যা ৮ বা তারও বেশি বলা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেককে Lok Nayak Jai Prakash Hospital-এ ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। প্রধান সচিব ও দিল্লি পুলিশ জানায়, এখনও বিস্ফোরণের কারণ নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি এটি দুর্ঘটনা হতে পারে বা কোনো পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডও হতে পারে। এলাকাটি দ্রুত সিল করা হয়েছে, এবং বিস্ফোরণের সময় ও davor সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য অভিযান চলছে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

একদিকে ছড়িয়ে আছে কাটা হাত, অন্য়দিকে মাংসপিণ্ড... দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ভয়াবহ দৃশ্যে আঁতকে উঠছে প্রত্যক্ষদর্শীরা

ভর সন্ধ্যায় হঠাৎ ভয়ংকর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে পার্কিং লটে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের আরও গাড়িতে। চারপাশে ধোঁয়া, আতঙ্ক আর চিৎকারে ভরে ওঠে গোটা এলাকা।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একটা বড় বিস্ফোরণ হয়েছে। আমরা দৌড়ে দূরে চলে যাই। দেখি কাটা হাত পড়ে আছে। ধ্বংসস্তুপ পড়ে আছে। মানুষ ভাবতেই পারবে না এমন দৃশ্য। পড়ে আছে খাবলা-খাবলা মাংস। যা দেখেছি তা ভাষা প্রকাশ করতে পারব না।লালকেল্লা মেট্রো এলাকা বরাবরই জনবহুল। পর্যটক ও স্থানীয় মানুষে ভরপুর জায়গাটিতে সোমবার সন্ধ্যাটা যেন এক দুঃস্বপ্ন হয়ে এল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই আকাশ কাঁপিয়ে বিকট আওয়াজ হয়। তারপরেই আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গ্রাস করে নেয় কয়েকটি গাড়ি ও দোকানঘর।পুলিশ ও দমকলের একাধিক টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষ পাওয়া খবরে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, আহত বহু মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। শুরু হয়েছে তদন্ত। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না প্রশাসন। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গোটা এলাকায় জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, যে আওয়াজটা হয়েছিল, তা কখনও ভুলতে পারব না। সবাই দৌড়াতে শুরু করেছিল। যেন এক মুহূর্তে পৃথিবী থেমে গিয়েছিল।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

রাজধানীতে তীব্র বিস্ফোরণ! তদন্তে নামল NIA ও NSG, জঙ্গি হানার গন্ধ

ভর সন্ধ্যায় রক্তাক্ত আতঙ্কে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। ঐতিহাসিক লালকেল্লার একদম সামনে, মেট্রো স্টেশনের গেট নম্বর ১-এর কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল গাড়িটি, তার পাশাপাশি আরও কয়েকটি যানবাহন। বিস্ফোরণের শক্তি এতটাই প্রবল ছিল যে আশপাশের রাস্তার লাইটপোস্ট থেকে শুরু করে দোকানের কাঁচ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে।শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ২৪ ছাড়িয়েছে। ভয়াবহ এই ঘটনায় চারদিক জুড়ে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।বিস্ফোরণের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইঞ্জিন ও ১৫টি অ্যাম্বুল্যান্স। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি দ্রুত আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় লোডি ও LNJP হাসপাতালে। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে।এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র একটি বিশেষ দল। ইতিমধ্যেই সেখানে উপস্থিত রয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG)-এর কমান্ডোরা। বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করে ফরেনসিক টিম পরীক্ষা শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এই বিস্ফোরণ অত্যন্ত উচ্চক্ষমতার ছিল।তদন্তকারীরা আপাতত নাশকতার সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না। কারণ, দিন কয়েক আগেই দিল্লি পুলিশই গুঁড়িয়ে দিয়েছিল এক আন্তঃরাজ্য জঙ্গি মডিউল, যাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২,৯০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট যা দিয়ে তৈরি করা যায় শত শত শক্তিশালী IED বোমা।এই প্রেক্ষাপটে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ নতুন করে নড়াচড়ে বসিয়েছে গোটা প্রশাসনকে। রাজধানীর ব্যস্ততম পুরনো দিল্লির বাজার এলাকাজুড়ে ঘোষণা করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা, বাড়ানো হয়েছে পুলিশ মোতায়েন।এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, আওয়াজটা এমন ছিল যেন একটা ট্রাক বিস্ফোরিত হয়েছে। আমরা দেখলাম আগুনের বল আকাশে উঠে যাচ্ছে, তারপর একের পর এক গাড়ি জ্বলে উঠল।ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করছেন, তবে প্রশাসনের আশঙ্কা এটি শুধুই দুর্ঘটনা নয়, বরং বড়সড় পরিকল্পনার অঙ্গ হতে পারে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

“মিসাইল ফেটেছে মনে হচ্ছিল!”— লালকেল্লা মেট্রো গেটের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে শোরগোল

ভরসন্ধ্যায় আচমকা ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের ঠিক বাইরে ঘটে এই বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের একাধিক গাড়ি, দোকান ও ঘরে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশেপাশের দেয়াল ফেটে যায়, ভেঙে যায় কাঁচের জানলা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতি মুহূর্তে।স্থানীয় বাসিন্দা রাধর পান্ডে বলেন, আমি তখন ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আচমকাই একটা জোরালো শব্দ শুনলাম। মনে হল, আকাশে যেন আগুনের গোলা ফেটে উঠল। চারদিক থরথর করে কেঁপে উঠল। আতঙ্কে নিচে নেমে আসেন তিনি।আরও এক প্রত্যক্ষদর্শী মনীশ জানাচ্ছেন, আমার দোকানটা বিস্ফোরণস্থল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে। তবুও এমন কাঁপুনি লেগেছিল যে মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হয়েছে। পুলিশকে একের পর এক আহত মানুষকে উদ্ধার করে নিয়ে যেতে দেখেছি।আরও একজন প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, শব্দটা এত জোরে হয়েছিল, মনে হচ্ছিল একটা মিসাইল যেন আকাশ থেকে এসে ফেটেছে। সোফায় বসে ছিলাম, গোটা ঘর দুলে উঠল। বাইরে বেরিয়ে দেখি ছয়-সাতটা গাড়ি দাউদাউ করে জ্বলছে।বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। নাশকতার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে ফায়ার টেন্ডার, বোম স্কোয়াড ও ফরেনসিক টিম। গোটা দিল্লি শহরজুড়ে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকায় এমন ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায় ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়রা আতঙ্কে ঘরছাড়া, পুলিশ ঘিরে ফেলেছে গোটা অঞ্চল।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

ভরসন্ধ্যায় কেঁপে উঠল দিল্লি! জোড়া গাড়িতে বিস্ফোরণ, মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে

ভরসন্ধ্যায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দিল্লি। রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে থাকা আরও কয়েকটি গাড়ি, অটো, রিক্সা ও বাইকে। মিনিটের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত হয়ে যায় গোটা এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের দোকান, গাড়ি এমনকি ঘরবাড়িও কেঁপে ওঠে।শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরে এলাকা জুড়ে দেহাংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার সময় ঘটনাস্থলে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল বলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। স্পেশাল সেল, এনআইএ ও এনএসজি-র টিম তদন্তে নেমেছে। স্নিফার ডগ নিয়ে তল্লাশি চলছে এলাকায়। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পাহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় কয়েকজন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর ভারত চালায় অপারেশন সিঁদুর। তার মাত্র কয়েক মাস পর রাজধানীতে ফের বিস্ফোরণ নিরাপত্তা মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন বড় শহরে ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

শুক্রবারের নামাজ চলাকালীন পর পর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল মসজিদ! আতঙ্কে গোটা শহর

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় শুক্রবার দুপুরে ঘটে গেল ভয়াবহ বিস্ফোরণ। স্কুলের মসজিদের ভিতরে প্রার্থনার সময় পরপর দুটি বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনায় অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে অধিকাংশই স্কুলছাত্র। স্থানীয় সময় দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে উত্তর জাকার্তার কেলাপা গাডিং এলাকার এসএমএ ২৭ নামের একটি সরকারি স্কুলে, যা একটি নৌবাহিনী ঘাঁটির ভিতরে অবস্থিত।প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, খুতবা শুরু হতেই আচমকা একের পর এক দুটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মসজিদের ভিতর। চারদিকে ধোঁয়া আর চিৎকার। প্রার্থনায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীরা প্রাণ বাঁচাতে ছুটতে শুরু করে। কেউ জানলা ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসে, কেউ আবার বিস্ফোরণের তাপে ছিটকে যায় মাটিতে।জাকার্তার পুলিশ কমিশনার আসেপ এদি সুহেরি জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই কাচের টুকরো ও ধ্বংসাবশেষে জখম হয়েছেন। বেশ কিছুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও কমপক্ষে ২০ জন ছাত্র এখনও হাসপাতালে ভর্তি, যাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, বিস্ফোরণটি মসজিদের লাউডস্পিকার সিস্টেমের কাছ থেকে ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার পর পুলিশ ও অ্যান্টি-বম্ব স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিছু খেলনা বন্দুক ও টয় রাইফেল উদ্ধার করে। তবে সেগুলির সঙ্গে বিস্ফোরণের কোনও যোগ আছে কিনা, তা এখনও পরিষ্কার নয়।পুলিশ কমিশনার সুহেরি বলেন, আমরা এখনই কিছু বলছি না। তদন্ত চলছে। কেউ যেন কোনও গুজব না ছড়ান। সব তথ্য মিললে আমরা জানাব।ঘটনার পর থেকেই জাকার্তার স্কুল ও সরকারি ভবনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বিস্ফোরণের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে গোটা মসজিদ প্রাঙ্গণ, আতঙ্কে দৌড়চ্ছে শত শত ছাত্র।স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিস্ফোরণটি পরিকল্পিত নাকি দুর্ঘটনা তা এখনও নিশ্চিত নয়। তদন্ত চলছে, এবং পুলিশ সেই স্কুলের বৈদ্যুতিক সংযোগ ও লাউডস্পিকার সার্কিট খতিয়ে দেখছে।ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাসে স্কুলের মধ্যে প্রার্থনার সময় এভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা অত্যন্ত বিরল। ফলে, এই ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূলের দাপট না প্রশাসনিক ব্যর্থতা? বিজেপির বিএলএকে পরানো হল জুতোর মালা

এসআইআর (SIR) ঘিরে উত্তেজনায় ফুটছে রাজ্য। এবার কোচবিহারের মাথাভাঙার ছাট খাটেরবাড়ি এলাকায় ঘটল রীতিমতো রোমহর্ষক ঘটনা। অভিযোগ, বিজেপির বুথ লেভেল এজেন্টকে (BLA-2) প্রকাশ্যে জুতোর মালা পরিয়ে অপমান করা হয়েছে। মুহূর্তে সেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়, ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে বিজেপির বিএলএ ২ ওই এলাকায় যান এসআইআরের কাজ পর্যালোচনা করতে। ঠিক সেই সময় সেখানেই উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের বিএলএ ২। অভিযোগ, বিজেপির প্রতিনিধি পৌঁছনোমাত্রই শুরু হয় বচসা, আর তারপরই তাঁকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। হঠাৎই কিছু মানুষ তাঁকে ঘিরে ধরে, এবং পরে জুতোর মালা পরিয়ে অপমান করা হয় বলে অভিযোগ বিজেপির।এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি মুহূর্তেই ক্যামেরাবন্দি হয় এবং ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় রাজনৈতিক ঝড়। মাথাভাঙা ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, বিজেপি ও তৃণমূলের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় দোষারোপের পালা।বিজেপির মাথাভাঙা বিধায়ক সুশীল বর্মন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, বাংলার মানুষ এবার বিজেপিকেই জেতাবে, তাই ভয় পাচ্ছে তৃণমূল। বিজেপির নেতানেত্রীদের ওপর হামলা করা হচ্ছে, ভয় দেখানো হচ্ছে। এমনকি সাধারণ কর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এটা স্পষ্ট রাজনৈতিক সন্ত্রাস। তাঁর দাবি, এসআইআরের নামে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে, যাতে বিজেপি কর্মীরা মাঠে নামতে না পারে। কিন্তু বাংলার মানুষ এর জবাব ভোটেই দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন জানান, আমরা বিষয়টি শুনেছি, কিন্তু দলের কোনও সম্পর্ক নেই। এটা প্রশাসনিক বিষয়। কে, কেন করেছে, সেটা প্রশাসন তদন্ত করবে। দলীয়ভাবে আমরা খোঁজ নিচ্ছি। প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, ঘটনার ভিডিও হাতে পেয়েই তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকায় শান্তি ফেরাতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।এদিকে রাজ্য জুড়ে চলছে ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনার (SIR) কাজ। আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে ফর্ম ফিলআপ। এরপর ৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। অভিযোগ জানানো যাবে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি, এরপরই শুরু হবে বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন।কোচবিহারের এই ঘটনার জেরে রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই প্রশ্ন এসআইআর কি ভোটার তালিকা সংশোধন, নাকি রাজনীতির নতুন যুদ্ধক্ষেত্র?

নভেম্বর ০৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
বিদেশ

কোথায় মোজতবা? একমাস পরও দেখা নেই, জল্পনার মাঝেই রুশ দূতের বড় দাবি

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। মোজতবা খামেনেই দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। এর ফলে তাঁর জীবিত থাকা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক রুশ কূটনীতিক দাবি করেছেন, মোজতবা খামেনেই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং ইরানেই রয়েছেন। তিনি জানান, নিরাপত্তার কারণে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি জনসমক্ষে আসছেন না। যদিও ঠিক কী কারণে তিনি আড়ালে রয়েছেন, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।মনে করা হচ্ছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি প্রকাশ্যে আসতে পারেন। তবে তিনি সামনে না এলেও তাঁর বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং তা দেশের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলায় প্রয়াত হন ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপর তাঁর পুত্র মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে সেই ঘটনার পর থেকেই গুজব ছড়াতে শুরু করে যে তিনিও হয়তো হামলায় আহত বা নিহত হয়েছেন।কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, তিনি গুরুতর আহত এবং বিদেশে চিকিৎসাধীন। এমনকী রাশিয়ায় তাঁর চিকিৎসা চলছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেই সব জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার রুশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি ইরানেই আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলা যুদ্ধ পরিস্থিতিও এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরে চলা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সামরিক অভিযান বন্ধ হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে রহস্য কবে কাটবে, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

হু হু করে বাড়ছে বিমানের জ্বালানির দাম! এবার আকাশপথে ভ্রমণ হবে আরও ব্যয়বহুল

আকাশপথে ভ্রমণ এবার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে বিমানের জ্বালানির দাম। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে বিমান সংস্থাগুলির উপর এবং তার ফলে যাত্রীদেরও বেশি টাকা খরচ করতে হবে।দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানির দামে বড়সড় বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে এই দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সেখানে প্রতি কিলোলিটারের দাম এক লাফে দুই লক্ষ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। গত মাসে যেখানে এই দাম ছিল এক লক্ষ টাকারও কম, সেখানে এক মাসের মধ্যেই এই বিশাল বৃদ্ধি নজরে পড়েছে।শুধু দিল্লি নয়, কলকাতাতেও জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মার্চ মাসে যেখানে দাম ছিল প্রায় নিরানব্বই হাজার টাকা, এখন তা বেড়ে দুই লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। চেন্নাইতেও দাম দুই লক্ষ টাকার বেশি হয়েছে। মুম্বইতে তুলনামূলকভাবে দাম কিছুটা কম হলেও সেখানেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।এই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান সংস্থাগুলির খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিমানের টিকিটের দামও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। যাঁরা নিয়মিত বিমান যাত্রা করেন, তাঁদের জন্য এটি বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগেও জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে এই প্রথম এত বড়সড় বৃদ্ধি দেখা গেল। প্রথমবারের মতো বিমানের জ্বালানির দাম দুই লক্ষ টাকার সীমা ছাড়িয়ে গেল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বিমান ভাড়া কতটা বাড়বে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

সাত এপ্রিলেই সব পরিষ্কার! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় আশ্বাস, সন্তুষ্ট শীর্ষ আদালত

ভোটের আগে বড় স্বস্তির খবর এল আদালত থেকে। বিবেচনাধীন থাকা সমস্ত ভোটারের নাম খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই আশ্বাসে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্টও।বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি চিঠি তুলে ধরা হয়। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছে, আগামী সাত এপ্রিলের মধ্যেই সব বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। এই বক্তব্য শুনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।এদিন আদালতে জানানো হয়, মোট প্রায় ষাট লক্ষ নামের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় সাতচল্লিশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই লক্ষ করে নাম যাচাই ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক নামের নিষ্পত্তি আদৌ সম্ভব কি না। বিশেষ করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ঘনিয়ে আসায় উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে এদিন আদালতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।সুপ্রিম কোর্ট জানায়, হাই কোর্টের এই অগ্রগতিতে তারা সন্তুষ্ট এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রাইবুনালের কাজও শুরু হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রাইবুনাল কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে বুধবার প্রাক্তন বিচারপতিদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে।এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটার তালিকা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়ার মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল! গুজরাটিদের ক্ষোভ, সামনে এল মমতার ক্ষমা প্রার্থনা

ভোটের আগে নতুন করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ভবানীপুরে বসবাসকারী গুজরাটি মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলেরই এক কাউন্সিলর প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের নিন্দা করেন। তিনি জানান, এই ধরনের মন্তব্য দলের অবস্থান নয় এবং সাংসদ নিজের মতেই তা বলেছেন। একইসঙ্গে গুজরাটি সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করা হয় তাঁর তরফে।এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বার্তাও সামনে আনা হয়। সেই বার্তায় তিনি গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এই ধরনের মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কয়েকদিন আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মহুয়া মৈত্র মন্তব্য করেছিলেন, যেখানে তিনি বাঙালিদের অবদানের কথা তুলে ধরতে গিয়ে গুজরাটিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে থাকে। ভবানীপুরের একটি বড় অংশ গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়ে গঠিত হওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জানা যায়, অতীতের নির্বাচনে এই এলাকায় তৃণমূল খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি।রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে যখন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দল এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। দলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এই মন্তব্য দল সমর্থন করে না এবং গুজরাটি সম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
কলকাতা

ফর্ম নিয়ে তুমুল সংঘর্ষের পরও থামছে না উত্তেজনা! সিইও দপ্তরের সামনে আবার অবস্থান

ফর্ম নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবারের সংঘর্ষের পর বুধবার সকালেও নির্বাচন দফতরের সামনে চাপা উত্তেজনা বজায় রয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধর্না ও অবস্থান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় বিপুল সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।অভিযোগ, এক ব্যক্তি ব্যাগভর্তি ফর্ম নিয়ে নির্বাচন দফতরে ঢুকেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রচুর ফর্ম জমা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর রাতেও দফতরের সামনে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত ও বিক্ষোভ চলতে থাকে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিক্ষোভকারীরা কিছুটা সরে যান।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, এ ধরনের অসামাজিক কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বুধবার সকাল থেকেই আবার দফতরের সামনে জমায়েত শুরু হয়েছে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।এদিকে রাতের ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে এই বিতর্কে ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! একজনের হাতে হাজার হাজার আবেদন, প্রশ্নের মুখে প্রক্রিয়া

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির মাঝেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এদিন উঠে আসে বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার বিষয়টি। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, নির্বাচন কমিশনের দফতরে হঠাৎ করেই গুচ্ছ গুচ্ছ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ছে।তিনি আদালতে বলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পরও বিবেচনাধীন নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে এত বড় সংখ্যায় আবেদন জমা পড়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেননি, তবে কেন এই সময়ে এত আবেদন জমা পড়ছে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্যের পর সতর্ক করে বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে কোনও মন্তব্য করা উচিত নয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যায়। এমনকি যাঁর সেদিনই আঠারো বছর পূর্ণ হচ্ছে, তিনিও আবেদন করার অধিকার রাখেন। তাই এই প্রক্রিয়ায় কাউকে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়।শুনানির সময় আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, এখানে সমস্যা হচ্ছে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়া। সেই প্রসঙ্গেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন ব্যক্তিই নাকি কয়েক হাজার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এই ঘটনায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।প্রধান বিচারপতি বলেন, এই ধরনের ঘটনা নতুন নয় এবং অতীতেও এমন নজির রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের পরিচয় জানা না যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনজীবীরা। তাঁদের দাবি, বুথভিত্তিকভাবে আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হলে অভিযোগ জানানো সহজ হবে।আদালত জানিয়ে দেয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম বিবেচনা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে আবেদন করলে নাম তালিকায় উঠলেও সেই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার নাও থাকতে পারে।এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক নাম তালিকায় যুক্ত হচ্ছে এবং অনেক নাম বাদও যাচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাজ্যের নির্বাচন দফতরের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায়। দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে এবং পরিস্থিতি সংঘর্ষে গড়ায়। মারধর, ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই। এক পক্ষের অভিযোগ, ফর্মের মাধ্যমে বাইরে থেকে লোক এনে ভোটার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে, অন্য পক্ষ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।এই ঘটনায় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এবং ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে শুরু জনগণনা, কিন্তু বাদ পশ্চিমবঙ্গ! কেন এই ব্যতিক্রম? বাড়ছে জল্পনা

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হল বহু প্রতীক্ষিত জনগণনা প্রক্রিয়া। এই জনগণনা হবে দুই ধাপে। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হচ্ছে বাড়ি ও বাসস্থানের তথ্য সংগ্রহের কাজও। তবে এই প্রক্রিয়া আপাতত শুরু হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, জনগণনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি রাজ্য। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গকে জানানো হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, জনগণনা সম্পূর্ণভাবে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই তা করা হবে।এইবারের জনগণনা সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকদের নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য, বাড়ি ও সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে। এরপর সরকারি আধিকারিকরা বাড়িতে গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন। একবার তথ্য জমা হয়ে গেলে তা আর পরিবর্তন করা যাবে না।আজ থেকে শুরু হওয়া প্রথম ধাপ চলবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত। প্রথমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নাগরিকরা নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। তারপর সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।এই প্রথমবার দেশের জনগণনা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। নাগরিকরা নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন এবং যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষ নম্বর পাবেন। পরে সরকারি কর্মীরা সেই নম্বরের ভিত্তিতে তথ্য মিলিয়ে দেখবেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১১ সালের পর এই প্রথম জনগণনা হচ্ছে। সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবারের জনগণনার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে দেশের অধিকাংশ জায়গায় জনগণনা শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গের বাইরে থাকা এই সিদ্ধান্ত নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে এই ইস্যুতে টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal