• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrested

রাজ্য

পুর্ব বর্ধমানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যাক্তি গ্রেপ্তার, এলাকায় চাঞ্চল্য

আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। অভিযুক্তের নাম শ্রীমন্ত ঘাঁটি। এই অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি খন্ডঘোষ এর বীচখাঁড়া এলাকায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত্রে পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা বর্ধমান বাঁকুড়া রোডের খণ্ডঘোষ এর মেটেডাঙ্গার কবরস্থান এলাকায় ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলিও পাওয়া যায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি শ্রীমন্ত ঘাঁটিকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে চেয়ে আজ বর্ধমান আদালতে পেশ করেন।খন্ডঘোষ থানার পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে সম্পূর্ণ বিষয়টির তদন্ত করতে চান। কিসের উদ্দেশ্যে ওই ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে রাস্তার উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

পুলিসি তৎপরতায় বোমা ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার অব্যহত পূর্ব বর্ধমানে

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলায় অব্যাহত রয়েছে বোমা,গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা। সোমবারের পর মঙ্গলবারও জার ভর্তি বোমা বোমা উদ্ধার হল জেলার গলসি ও রায়না থানা এলাকায়। একই দিনে আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ সহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। অস্ত্রসস্ত্র ও বোমা উদ্ধার অভিযান জারি থাকবে বলে জেলার পুলিশ কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে গলসি ১ ব্লকের করকডাল ও শিড়রাই গ্রামের পশ্চিম পাড়া থেকে উদ্ধার হয়েছে জার ভর্তি বেশ কিছু বোমা । তার পর থেকে পুলিশ ওই দুই জায়গা ঘিরে রেখে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দেয়। মঙ্গলবার বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড দুই জায়গা থেকে বোমা গুলি উদ্ধার করে নির্জন জায়গায় নিয়েগিয়ে নিস্কৃয় করে। কারা এলাকায় বোমা জড়ো করেছিল তার তদন্ত গলসি থানার পুলিশ শুরু করেছে। রায়না থানার পুলিশও এদিন হিজলনা অঞ্চলের ফুলবাড়ি এলাকার একটি ঝোপ থেকে জারে ভর্তি বোমা উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি কয়েকদিন ধরে পুলিশ হিজলনা অঞ্চলে রুটমার্চ করে। তাতেই ভীত হয়ে কোন দুস্কৃতি দলের কেউ রাতের অন্ধকারে জার ভর্তি বোমা ঝোপে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে থাকতে পারে। এরই পাশাপাশি খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বীচখাঁড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্রীমন্ত ঘাঁটি নামে এক দুস্কৃতিকে ধরে। পুলিশের দাবী তল্লাশীতে ধৃতের কাছথেকে একটি আগ্নেআস্ত্র ও একটি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে পুলিশ ধৃতকে এদিনই বর্ধমান আদালতে পেশ করে নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে কিশোরী মৃত্যর ঘটনায় মামলা রুজু হল এক কৃষক ও তাঁর কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে

বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে এক কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠলো এক কৃষক ও তাঁর কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ,চুরি রুখতে ওই কৃষক তাঁর স্ট্রবেরি খেতের বেড়ার সঙ্গে জড়িয়ে রেখেছিলেন বিদ্যুৎতের তার। সেই বিদ্যুৎতের তারে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়েই কিশোরী পূজা কর্মকার(১৭) এর মৃত্যু হয় বলে তাঁর পরিবার অভিযোগ করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালে থেকে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া এলাকায়। খবর পেয়ে আউশগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে স্ট্রবেরি খেতের পাশ থেকে ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।কিশোরীর মৃত্যুর জন্য তাঁর মা স্ট্রবেরি চাষ করা কৃষক শ্যামানন্দন পাঠক ও তাঁর কেয়ারটেকার লক্ষণ যাদব কে দায়ী করে এদিন বিকালে আউশগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ।পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিশোরী পূজা কর্মকারের বাড়ি আউশগ্রামের দীপচন্দ্রগ্রামের বাগানপাড়ায়। সেখানকার অজয় নদের চরের লাগোয়া কিছুটা জায়গায় স্ট্রবেরি চাষকরা কৃষক শ্যামানন্দন পাঠক ও তাঁর কেয়ারটেকার লক্ষণ যাদবের বাড়ি বিহারে।এদিন সকালে ওই স্ট্রবেরি খেতের পাশে পূজা কর্মকারের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।কিশোরীর দেহে ওই সময়ে খেতের বেড়ায় থাকা বিদ্যুৎবাহী তার জড়িয়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী।ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকার বাসিন্দা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে । বেলা বাড়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে অনেক লোকজনও জড়ো হয়ে যায়। এলাকাবাসীর জিজ্ঞাসাবাদে জমির কেয়ারটেকার লক্ষণ যাদব স্বীকার করে নেন খেতেয় ফসল চুরি রুখতে তারা জমির বেড়ায় বিদ্যুতের তার জড়িয়ে রাখেছিল। বিদ্যুৎবাহী ওই তারে দেহ ঠেকে যাওয়ায় কিশোরীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে কেয়ারটেকার আশংকা প্রকাশ করেন।পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা গিয়েছে, পূজার বাবা পরিযায়ী শ্রমিক। মা পেশায় জনমজুর। পূজারা দুভাই বোন। এবারে তাঁর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগেই হঠাৎ সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। ফলে এবারে তার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। শেষে চলতি মাসের ১২ তারিখে নবদ্বীপ থেকে তাকে উদ্ধার করে আনে পরিবারের লোকজন। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর থেকেই সে ফের পালানোর মতলব করছিল বলে জানা গেছে। তাই পূজার মা ও ভাইসহ প্রতিবেশীরা তার উপর সর্বদা নজর রাখছিলেন। শেষে রবিবার রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে চুপি চুপি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পরে পূজা। এদিন ওই স্ট্রবেরী খেতের পাশে বিদ্যুৎবাহী তার জড়ানো অবস্থায় পূজার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মাঠে মাঠে পালানোর সময় ওই জমির পাশ দিয়ে যেতেই গিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান পুলিশের। পুলিশ জানিয়েছে,অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২২
রাজ্য

ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রীতে বাধা হয়ে দাঁড়ানোই, বাড়িতে বোমা মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার চাষি-গ্রেপ্তারি নিয়ে ধোঁয়াসা

ওয়াকফ সম্পত্তিতে থাবা বসাতে চাওয়া প্রোমোটারদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হওয়া চাষির বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার হল বোমা। রহস্যজনক সেই বোমা উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেপ্তার করলো ওই বাড়ির মালিক তথা চাষি ফিরোজউদ্দিন মল্লিককে। বর্ধমান থানার কৃষ্ণপুর পশ্চিমপাড়ার এই ঘটনা এলাকাবাসী মহলে তুমুল চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছে। বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড উদ্ধার হওয়া বোমা গুলি এদিন বিকালে নিস্কৃয় করে। যদিও এলাকাবাসী ও ফিরোজউদ্দিনের পরিবার সদস্যরা দাবী করছেন, ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রী আটকানোর জন্যই প্রমোটার ও জমি দালালরা চক্রান্ত করেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।বর্ধমানের কেষ্টপুর গ্রামের এক প্রান্তে বাড়ি পেশায় চাষি ফিরোজউদ্দিন মল্লিকের। স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে তিনি ওই বাড়িতেই থাকেন। ফিরোজউদ্দিনের ছেলে ইব্রাহিম মল্লিক এদিন বলেন,শুক্রবার অনেকটা রাতে তাঁদের বাড়িতে পুলিশ আসে। পুলিশ তাঁদের ঘুম থেকে তোলে। ঈব্রাহিম জানায় কি কারণে গভীর রাতে পুলিশ তাঁদের বাড়িতে তা সে জানতে চায়। তখন পুলিশের একজন তাঁকে চড় মেরে বলে, তাঁদের বাড়িতে বোমা রাখা আছে। ফিরোজউদ্দিনের স্ত্রী সাকিলা বানু অভিযোগে বলেন,মধ্য রাতে তাঁদের বাড়িতে পুলিশ ঢুকে হুমকি দেয়। বাড়িতে থাকা অন্য মহিলাদেরও পুলিশ ধমকায়। সাকিলা বিবি দাবী করেন, তাঁদের পরিবার চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে। পরিবারের কেউ রাজনীতিও করে না। চক্রান্ত করে কেউ ব্যাগে ৪টি বোমা ভরে নিয়ে এসে তাঁদের বাড়ির বাথরুমের ছাদে রেখে দিয়ে গিয়ে পুলিশকে ফোন করেছে। তাঁরা নির্দোশ বলে জানান সাকিলা বিবি।পুলিশ যদিও ফিরোজউদ্দিণের পরিবাবার সদস্যদের এইসব বক্তব্যকে কোন গুরুত্ব দেয় নি। বর্ধমান থানার সাব-ইন্সপেক্টর সঞ্জয় মণ্ডলের অভিযোগের ভিত্তিতে বাড়িতে বোমা মজুত রাখার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ ফিরোজউদ্দিন মল্লিককে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ দাবি করেছে, ধৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বোমার কারবারে সঙ্গে জড়িত। তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন এই কারবারে জড়িত রয়েছে। এদিনই ধৃত ফিরোজউদ্দিন কে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। আরও বোমা উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে নেবার জন্য আদালতে আবেদন জানায়। ধৃতের আইনজীবী অবশ্য মিথ্য মামলায় ফাঁসানোর হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশি হেপাজতের বিরোধীতা করেন। দুই পক্ষের সওয়াল শুনে সিজেএম ধৃতকে ৪ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।এই ঘটনা কার্যতই হতবাক করে দিয়েছে এলাকাবাসীকে। তাঁরা দাবী করেছেন, ফিরোজউদ্দিনের পরিবারটি সাতেপাঁচে থাকে না। প্রতিবেশী সোনেহারা বিবি ও সালমা বেগম বলেন, এই ঘটনার নিয়ে আমরা শুধু আতঙ্কিতই নই, বিস্মিতও হয়েছি। কারণ, ফিরোজউদ্দিনের পরিবার চাষবাস নিয়েই থাকে। এরকম কিছুতে ওদের জড়িত থাকাটা কোন ভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। এলাকাসূত্রে এও জানা গিয়েছে ,একটি ওয়াকফ সম্পত্তি প্রমোটারদের বিক্রিতে বাঁধা দিয়েছিলেন ফিরোজউদ্দিন ও তাঁর পরিবার সদস্যরা। এলাকাবাসীর ধারণা, তার কারণেই প্রোমোটার ও জমির দালালরা ফিরোজ উদ্দিনের পরিবারকে ফাঁসাতে এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বার করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের কেষ্টপুর থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা রাখা নিয়ে প্রশ্ন অভিযুক্তের পরিবারের

পূর্ব বর্ধমানের কেষ্টপুর গ্রাম থেকে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল। এই ঘটনায় পুলিশ ফিরোজউদ্দিন মল্লিক নামে এক গ্রামবাসীকে আটক করেছে। তাঁর পুত্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ওই পরিবারটি কারও সাতেপাঁচে থাকে না। পুত্র ইব্রাহিম মল্লিকের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলে। তাঁকে চড় মারা হয়। তারপর বলা হয় বাড়িতে বোম রাখা আছে। তাঁর মা সাকিলা বানুর দাবি, মধ্যরাতে পুলিশ এসে হুমকি দেয়। মেয়েদের ধমকায়। তাঁর দাবি, কেউ বোমা রেখেই পুলিশকে খবর দিয়েছে। তাঁরা এসবে জড়িত নন।এলাকার বাসিন্দা সোনেহারা বিবি, সালমা বেগমরা একদিকে আতঙ্কিত অন্যদিকে বিস্মিত। তাঁরা জানান, এই পরিবারটি চাষবাস নিয়ে থাকে। এরকম কিছুতে তাঁরা জড়িত থাকা কার্যত অসম্ভব। এলাকা সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি ওয়াকফের সম্পত্তি বিক্রিতে বাঁধা দেন এই পরিবারের সদস্যরা। এলাকাবাসীর ধারণা, প্রোমোটাররা সেকারণেই এইরকম কারসাজি করে থাকতে পারে। পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, এটা নিয়ে একটি কেস করা হবে। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্ত চলছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই গ্রেপ্তার আনারুল

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই বগটুই-কাণ্ডে ধরা পড়লেন তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেন। আনারুলের বিরুদ্ধেই প্রথম থেকে অভিযোগ উঠেছিল। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেও তাঁরা একই অভিযোগ করেন। আর তারপরই আনারুলকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে। মমতা নির্দেশ দেওয়ার পরই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। পরে তাঁকে তারাপীঠ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকে বলেছিলেন, যেখান থেকে সম্ভব তুলে এনে গ্রেপ্তার করতে হবে আনারুলকে। সেই মতো পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বাড়িতে গেলেও পাওয়া যায়নি আনারুলকে। গেটে তালা লাগানো ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর আনারুল হোসেন কোথায় গা ঢাকা দিয়েছেন সেই খোঁজ শুরু হয়। পরে তারাপীঠ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।তৃণমূলের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেন। নৃশংস এই হত্যাকান্ডে বৃহস্পতিবার থেকে বারবার তাঁর নাম উঠে এসেছে। স্থানীয়রা বলেছেন, আগুন লাগান হয়েছে তাঁর নির্দেশেই। তবে এই অভিযোগ শোনার পরও বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি তিনি। সাফ জানান, ওই সময় এলাকাতেই ছিলেন না তিনি। শুধু তাই নয়, শান্তির বার্তা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছেন আনারুল।

মার্চ ২৪, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী-কে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক যুবক

অপহরণের ঘটনার তদন্তে নেমে দুদিনের মধ্যে অপহরণকারীর ডেরা থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া ছাত্রীকে উদ্ধার করলো পুলিশ। পাশাপাশ পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার পুলিশ ছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় জড়িত যুবক রণি খান কেও গ্রেপ্তার করেছে। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম থানার পাটুলি শিবতলা এলাকায়। মেয়েকে উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য ছাত্রীর পরিবার বুধবার রায়না থানায় গিয়ে পুলিশকে কৃতজ্ঞতা জানান। পুলিশ জানিয়েছে,১৬ বছর বয়সী অপহৃত ছাত্রীর বাড়ি রায়না থানার হিজলনা পঞ্চায়েত এলাকায়। সে এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। ওই ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবী করে তাঁর বাবা গত রবিবার রাতে রায়না থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ছাত্রীর বাবা পুলিশ কে জানান, মাসির বাড়ি যাবার জন্য তাঁর মেয়ে রবিবার সকাল ৮ টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়। তার পর থেকে তিনি তাঁর মেয়ের আর কোন খোঁজ পান না। বিভিন্ন আত্মীয় পরিজনের বাড়িতেও খোঁজ চালান। কিন্তু মেয়ের আর কোন হদিশ মেলে না। নাবালিকা মেয়েকে কেউ অপহরণ করেছে এমনটা ধরে নিয়ে এরপর তিনি ওইদিন রাতেই রায়না থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ছাত্রীর বাবার অভিযোগ পেয়েই নড়ে চড়ে বসে রায়না থানার পুলিশ। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নামেন পুলিশ অফিসার সফিউর রহমান। বিভিন্ন সূত্র মাধ্যমে খোঁজ খবর চালিয়ে তিনি নিশ্চিৎ হয় ছাত্রী উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম থানা এলাকায় রয়েছে। এর পরেই নাবালিকা ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য মঙ্গলবার তিনি উত্তর ২৪ পরগনা মধ্যমগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। মধ্যমগ্রাম থানার সহায়তা নিয়ে সফিউর রহমান সেখানকার পাটুলি শিবতলা এলাকা নিফাসী অপহরণকারী রণি খানের ডেরায় পৌছান। সেখান থেকে নাবালিকা ছাত্রীকে উদ্ধার করার পাশাপাশি পুলিশ রনি খানকেও ধরে ফেলে।জেরায় ছাত্রীকে অপহরণের কথা কবুল করার পরেই পুলিশ রনি খান কে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার রাতেই নাবালিকা ওই ছাত্রী ও ধৃত অপহরণকারীকে নিয়ে রায়না থানায় পৌছান তদন্তকারী অফিসার সফিউর রহমান। ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করিয়ে গোপন জবানবন্দি পেশের জন্য এদিনই তাকে হাজির করানো হয় বর্ধমান আদালতে। পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ ধৃত অপহরণকারীকেও এদিন আদালতে পেশ করে। ৭০০ টাকার বন্ডে ধৃতর জামিন মঞ্জুর করে বিচারক ১৪ জুলাই ফের তাঁকে আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্চ ২৩, ২০২২
রাজ্য

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে প্রেমিকাসহ পরিবার সদস্যদের গ্রেফতার করলো পুলিশ

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল প্রেমিকা।রেহাই পাননি প্রেমিকার বাবা, মা ,ও দাদা। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে মেমারি স্টেশন রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমিক শুভ শীলকে খুনের অভিযোগে ধৃতদের নাম প্রিয়াঙ্কা কির্তনিয়া, সুনীল কীর্তনিয়া, জয়মালা কীর্তনিয়া ও রাজীব কীর্তনিয়া। তাঁদের বাড়ি মেমারি পৌরসভার উদয়পল্লী দক্ষিণপাড়ে। এদিনই ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর ভাই রাজীবকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিশ। সিজেএম ধৃত প্রেমিকা ও তাঁর ভাইকে ৪ দিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অপর ধৃত প্রেমিকার বাবা ও মাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, মেমারির ৩ নম্বর ওয়াের্ডর পারিজাত নগরের শুভ শীলের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার দীর্ঘদিনের ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। যদিও প্রিয়াঙ্কার পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তা সত্বেও প্রেমিকার বাড়িতে মাঝেমধ্যেই যেত শুভ। প্রিয়াঙ্কার পরিবারের লোকজন বেশ কয়েকবার শুভকে সম্পর্ক ছাড়ার জন্য হুমকি দেয়। অন্যথায় তাঁকে খুন করা হবে বলে শাসানো হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান শুভ। তারপর থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। রাত দেড়টা নাগাদ প্রিয়াঙ্কার বাড়ি থেকে শুভর মাকে মোবাইলে ফোন করা হয়। শুভ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানানো হয়। খবর পেয়ে শুভর পরিবারের লোকজন প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখেন, উঠানে তাঁর দেহ শায়িত রয়েছে। কাপড়ের পার দিয়ে তাঁর দুহাত বাঁধা। কোমরের একটু উপরে দড়ি বাঁধা রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। মৃতের বাবা অশোক শীল ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে তার পরিবারের লোকজন পরিকল্পিতভাবে শুভকে খুন করেছে। অভিযোগ পেয়ে পরিকল্পনামাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে থানা।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাজ্য

ওসির নির্দেশে গিয়েছিলাম, আমরা বলির পাঁঠা, দাবি ধৃত দুই পুলিশকর্মীর

ওসি-র নির্দেশ পেয়েই শুক্রবার রাতে ছাত্রনেতা আনিস খানের বাড়িতে গিয়েছিলেন, জানালেন আনিস-হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে ধৃত দুজন পুলিশকর্মী। তাঁদের দাবি, গোটা ঘটনাটিতে তাঁদেরকে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে। আসলে আনিস-হত্যার আগুনে জল ঢালা হচ্ছে এই ভাবে।বুধবারই আনিস-হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে। বৃহস্পতিবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁরা জানান, শুক্রবার আনিসের বাড়িতে গেলেও আনিসের মৃত্যু কী ভাবে হয়েছে তা তাঁদের জানা নেই। তাঁদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন সেই রাতে আনিসের বাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁরা? কেউ কি তাঁদের যেতে বলেছিল? জবাবে ধৃত দুই পুলিশকর্মী জানান, তাঁরা ছাত্রনেতার আমতার বাড়িতে গিয়েছিলেন ওসি-র নির্দেশে। এই ওসি আমতা থানার ওসি কি না তা অবশ্য ধৃতরা জানাননি।এখানেই শেষ নয়, সরাসরি ওসি-র বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেন তাঁরা। এই বিষয়ে আনিস খানের দাদা সাবির খান বলেন, আমরা এজন্যই প্রথম থেকে বলছিলাম পুলিশ নাটক করছে। এই নাটক আমাদের পছন্দ হচ্ছে না। এ জন্য আমরা পুলিশকে মানি না। পুলিশকে পছন্দ করি না। সিটের উপর ভরসা নেই। আমরা সিবিআই চাইছি। ওসি-কে জিজ্ঞেস করুক। ওসি-কে তুলছে না কেন?

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
দেশ

দাউদ যোগে ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা নবাব মালিক

দাউদ যোগে গ্রেপ্তার করা হল এনসিপি নেতা নবাব মালিককে। ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করল ইডি। বুধবার সকালেই নবাব মালিকের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। তারপর ইডি আধিকারিকরা তাঁকে জেরার জন্য দপ্তরের দিকে নিয়ে যান। কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিম ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নবাবকে নিজেদের দপ্তরে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। সকাল ৭ টা নাগাদ এনসিপি নেতাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সকাল ৮ টা থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অবশেষে টানা ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহারাষ্ট্রের দোর্দণ্ডপ্রতাপ এনসিপি নেতা নবাব মালিককে।সূত্রের খবর, এনসিপি নেতা নবাব মালিক দাউদের সংযোগীদের সঙ্গে লেনদেন এবং জমি লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। ইডি জানিয়েছে তদন্তের ক্ষেত্রে তিনি কোনও সহযোগিতা করেননি এবং এড়িয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি এই মামলায় ইডি দাউদ ইব্রাহিমের ভাই ইকবাল কাসকারের বাড়িতে অভিযান চালান এবং তাঁকে হেপাজত নেওয়া হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন নবাব মালিকের কেনা কিছু সম্পত্তির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মহা বিকাশ আগাধি সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের চলতে থাকা চাপা লড়াইয়ের মধ্যে ইডির হাতে গ্রেপ্তার হলেন ৬২ বছরের মন্ত্রী নবাব মালিকের।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
কলকাতা

গোরু পাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনামুল হক

গোরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হল এনামুল হককে। ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন গোরু পাচারকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এনামুল। শনিবারই দিল্লির রাউজ এভিনিউ আদালতে তোলা হবে তাঁকে। সূত্রের খবর, এদিন এনামুলকে নিজেদের হেপাজতে চাইতে পারে ইডি। এর আগে ২০২০ সালে সিবিআই এনামুলকে গ্রেপ্তার করেছিল।ইতিমধ্যেই এনামুল হকের কলকাতার বেশ কয়েকটি ঠিকানা এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। সিবিআইয়ের দাবি ছিল, এনামুল শুধু গোরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত এমনই নয়। চালকল, আবাসন ও নির্মাণ শিল্প, পাথর খাদান, বালির কারবার-সহ একাধিক বেআইনি কারবারেও এনামুল যুক্ত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১০০ কোটির বেশি টাকা পাওয়া গিয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এছাড়াও তাঁর নামে-বেনামে বহু সম্পত্তিরও খোঁজ মেলে। বাংলা থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে এনামুলকে। এখান থেকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে আদালতে তোলা হবে শনিবারই।এর আগে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে সিবিআই তাঁকে হেপাজতে নিয়েছিল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তদন্তকারীদের হাতে একটি ডায়েরি উঠে এসেছে। সেটি এনামুলের কাছ থেকেই পাওয়া গিয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই ডায়েরি অনুযায়ী গোরু পাচারকাণ্ডে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কে বা কারা এই টাকা পেয়েছেন, কোথা থেকে সেই টাকা এল, এর পিছনে আরও বড় কোনও মাথা রয়েছে কি না সমস্ত কিছু জানতেই এনামুলকে হেপাজতে নিয়ে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান বলেই দাবি সূত্রের।সম্প্রতি এই এনামুল হকের সূত্র ধরেই তৃণমূল সাংসদ-অভিনেতা দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সিবিআই নিজাম প্যালেসে তাঁকে জেরা করেন। সূত্রের খবর, এনামুলের কাছ থেকে দেব নগদ টাকা এবং দামী ঘড়ি উপহার নিয়েছেন। যদিও দেব এই বিষয়টি ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেন। একইসঙ্গে দেবের দাবি ছিল, তিনি এনামুল হককে চেনেনই না। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গোরু পাচারের টাকার একটা অংশ চলচ্চিত্র জগতেও লগ্নি হয়েছে। দেবকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পিন্টু মণ্ডল নামে টলিউডের এক প্রযোজককেও তলব করে সিবিআই।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

মধুচক্র চালানোর অভিযোগে পাঁচ যুবক গ্রেফতার, চাঞ্চল্য মেমারিতে

মধুচক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার হল পাঁচ যুবক। মঙ্গলবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ জাতীয় সড়কের ধারে কানাইডাঙা এলাকায় চলা মধুচক্রের ডেরায় হানা দেয়। সেখানেই ধরা পড়ে পাঁচ যুবক। উদ্ধার করা হয়েছে ৮ জন মহিলাকে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকদের নাম মহম্মদ চাঁদ,আনিসুর রহমান ,দেবু বালা, শম্ভু ক্ষেত্রপাল ও বিশ্বজিৎ মণ্ডল। ধৃতরদের বেশিরভাগই মেমারি থানা এলাকার বাসিন্দা।একজন দক্ষিণ ২৪ পরগনার স্বরুপনগরের বাসিন্দা। উদ্ধার হওয়া মহিলারা ব্যান্ডেল, রাণাঘাট, নদিয়া প্রভৃতি এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারার মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেটপুলিশ জানিয়েছে, যুবকরা গোপনে কানাইডাঙা এলাকার একটি বাড়িতে মধুচক্র চালাচ্ছিল। গোপন সূত্রে সেই খবর পুলিশের কাছে পৌছায়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ ওই মধুচক্রের ডেরায় হানা দিয়ে পাঁচ যুবককে হাতে নাতে ধরে ফেলে। ৮ জন মহিলাকেও সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়। সবাইকেই এদিন বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

STF Operation Burdwan: বর্ধমানে এসটিএফের অভিযানে ৬৫ কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার বাবা ও ছেলে, ব্যাপক চাঞ্চল্য

স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অভিযানে ফাঁস হল হেরোইন তৈরি ও পাচারের সঙ্গপ যুক্ত আন্ত রাজ্য চক্রের।অভিযানে ধরা পড়েছে মোট ৬ জন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে এসটিএফ রবিবার রাতে ধরে বর্ধমানে বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে। পৌরসভা ভোটের আগে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোমবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকা থেকে ধৃতদের নাম বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডল। এঁরা সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। এই দুই ধৃতর আদি বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গকোটে। তবে ১০ বছর আগে সেখান থেকে চলে এসে তাঁরা ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বর্ধমানে পালার- শ্রীরামপুর এলাকায় থাকতে শুরু করে। পরে তাঁরা শহর বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ মোড়ের কাছে বাড়ি ক্রয় করে। রবিবার রাতে এসটিএফ বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের বর্ধমানের ডেরায় অভিযান চালিয়ে ১৩ কেজি হেরোইন ও হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ রাজেয়াপ্ত করেছে। যার আনুমানিক মূল্য ৬৫ কোটি টাকা বলে এসটিএফের দাবি। এছাড়াও ধৃতদের ডেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ লক্ষ ১০ হাজার ১০০ টাকা। বাকি চার ধৃতর মধ্যে ২ জন ওড়িশা ও ২ জন মণিপুরের বাসিন্দা। এদের বিষয়ে হাওড়ার গোলাবারি থানা মামলা রুজু করেছে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট মামলার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন বাবর মণ্ডল ও তাঁর ছেলে বর্ধমানের ডেরার হেরোইন তৈরি করে ওড়িশা ও মণিপুরে পাচার করতো।আরও পড়ুনঃ করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তাতদন্তকারীদের কথায় জানা গিয়েছে, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার রুজু হওয়া একটি মামলার সূত্র ধরে এসটিএফ ওড়িশা ও মণিপুর থেকে ৪ মাদক-পাচারকারীকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন বর্ধমানের দুজনের কাছ থেকে তাঁরা মদক দ্রব্য কেনে। বর্ধমানের মাদক কারবারীদের ৫ জন এজেন্ট ওড়িশাতে থাকার কথাও জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে। এমনকি বর্ধমানে দৈনিক ৪-৫ কোটি টাকার মাদক তৈরি হয়ে পাচারের তথ্যও তদন্তকারীদের কাছে উঠে আসে। এরপরেই রবিবার রাতে এসটিফ কর্তা আমিনুল ইসলাম খাঁনের নেতৃত্বে বর্ধমানের গ্লাস ফ্যাক্টরি এলাকায় বাবর মণ্ডল ও রাহুল মণ্ডলদের ডেরায় অভিযান চালানো হয়।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নএসটিএফের দাবি বাবর ও রাহুলদের বর্ধমানের ডেরা থেকে ১৩ কেজি হেরোইন, হেরোইন তৈরির রাসায়নিক উপকরণ ও নগদ ২০ লক্ষাধিক টাকা ছাড়াও টাকা গোনার যন্ত্র এবং অন্যান সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। দুটি বাড়ির ভিতরে বস্তাবন্দি করে বড় বড় প্লাস্টিক ড্রামের ভিতর হেরোইন ও অন্যান্য সামগ্রী লুকিয়ে গুলি রাখা ছিল। তদন্তকাীরা জেনেছেন, বর্ধমানে বাবর ও রাহুলের গোপন ডেরায় যে হেরোইন তৈরি হত তার কাচা মাল আসতো মণিপুর থেকে। হেরোইন তৈরি হওয়ার পর তা পাচারের জন্য দেওয়া হত ওড়িশার এজেন্টদের হাতে। হেরোইনের কারবার চক্রে বর্ধমানের আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা সেই বিষয়টি নিয়েও এসটিএফ খোঁজ খবর চালাচ্ছে।হেরোইনের কারবারের বিষয়ে বর্ধমান অভিযান চালিয়ে এসটিএফ প্রচুর হেরোইন সহ দুজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেলেও পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ এই বিষয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ছিল। এদিন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় বলেন, এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারবো না।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

MLA Arrested: নির্বাচনী প্রচারে কোভিড বিধি ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়ক

করোনা বিধি ভেঙে প্রচার করায় বিজেপি বিধায়ক সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করল চন্দননগর থানার পুলিশ। পরে থানায় জামিনও পেয়ে যায় বিজেপি নেতৃত্ব। চন্দনগরে রবিবাসরীয় পুরনির্বাচনী প্রচারে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে গোন্দলপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের আঙুলি হেলনে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অথচ সিপিম ও তৃণমূল করোনা বিধি না মেনে প্রচার করলেও তাদের দেখতেই পাচ্ছে না পুলিশ।চন্দননগরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সন্ধ্যা দাসের সমর্থনে রবিবার প্রচারে ছিলেন পড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ, হুগলি জেলা বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি তুষার মজুমদার, জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউ। সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। কোভিড বিধি ভঙ্গের দায়ে চন্দননগর থানার পুলিশ গিয়ে বিজেপির প্রচার বন্ধ করে দেয়। কেন শতাধিক লোক নির্বাচনী প্রচারে এই প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতৃত্বকে চন্দননগর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নেতৃত্বে ছিলেন চন্দননগর থানার আইসি সৌমেন পাল। পরে প্রত্যেককে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী সন্ধ্য়া দাসের সমর্থনে প্রচারে ছিলাম। আমরা ৫-৭জন ছিলাম। তারপর কয়েকজন কর্মী-সমর্থক ভিড় করে। পুলিশ অন্য়ায়ভাবে আমাদের গ্রেফতার করেছে। আমাদের ৬ জনকে থানায় নিয়ে আসে। থানা থেকে জামিন হয়। আমাকে পুলিশ কোভিড প্রোটোকলের কথা বলে। অথচ একসঙ্গে ২০ জন পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। তাহলে পুলিশের প্রোটোকল কোথায় ছিল?মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে প্রচার, একে অপরের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। বিধাননগর পুরনিগমের মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন করোনা বিধি মেনে চলার ছবি দেখা গিয়েছে। অন্য পুরসভাগুলিতেও ছিল একই চিত্র। বিজেপি বিধায়কের কথায়, পুলিশ বলছে শতাধিক লোক ভিড় করেছিল। কোথায় ছিল ১০০ জন? আমরা ৫-৬ জন ছিলাম। সিপিএমের প্রার্থী ২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার করছে। তৃণমূল ৫০ জন নিয়ে প্রচার করছে। পুলিশকে দিয়ে রাজনীতি বেশি দিন চলবে না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

Theft of money: অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি থেকে টাকা, সোনার গয়না ও ডলার চুরি, গ্রেফতার এক

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়ি থেকে টাকা, সোনার গয়না ও ডলার চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ধৃতের নাম সত্যেন্দর রায়। তাঁর বাড়ি বুদবুদ থানার হরিনারায়ণপল্লীতে। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশ মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, চুরির কথা ধৃত ব্যক্তি কবুল করেছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ এও জানতে পেরেছে চুরির ঘটনায় আরও একজন জড়িত রয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ, বুধবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। চুরির মালপত্র ও টাকা উদ্ধার এবং অপর জড়িতের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতের তিনদিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, আউশগ্রাম থানার মাজুড়িয়ার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হিমাংশু চক্রবর্তী কিছুদিন আগে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সপরিবারে বাঁকুড়ায় গিয়েছিলেন। তাঁর ঘর তালাবন্ধ ছিল। এক মহিলাকে ঘর দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি। রাতে দরজা ও আলমারির তালা এবং লক ভেঙে সোনার গয়না, টাকা ও দুটি ইউএস ডলার নিয়ে পালায় চোর। দেখভালের দায়িত্বে থাকা মহিলা পরেরদিন সকালে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। বাড়ি ফিরে হিমাংশুবাবু চুরির ঘটনা নিয়ে আউসগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

NCB-Aryan: আরিয়ান-কাণ্ডে আটক এনসিবি-র অন্যতম সাক্ষী কিরণ গোসাভি

আরিয়ান-কাণ্ডে ফের নয়া মোড়। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) অন্যতম সাক্ষী কিরণ গোসাভিকে আটক করল পুলিশ। পুণে পুলিশের তরফে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। পুণের পুলিশ কমিশনার অমিতাভ গুপ্ত বলেছেন, মুম্বইয়ের প্রমোদতরীতে মাদক মামলায় এনসিবি-র অন্যতম সাক্ষী কিরণ গোসাভিকে আটক করা হয়েছে।মুম্বইয়ের প্রমোদতরীতে এনসিবি যখন হানা দিয়েছিল তখন সেখানে গোসাভি উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ। পরে এনসিবি-র অফিসে আরিয়ান খানের সঙ্গে নিজস্বীও তোলেন তিনি। দুই জায়গার ছবি-ভিডিও জানান দেয় শাহরুখ-পুত্রের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের বিষয়টি। রবিবার গোসাভির দেহরক্ষী হিসাবে দাবি করা এক ব্যক্তি ঘুষ সংক্রান্ত লেনদেনের অভিযোগ তুলেছিলেন তাঁর বিরুদ্ধে। প্রভাকর সইল বলে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, টেলিফোনে ২৫ কোটি টাকা ঘুষের বিষয়টি নিয়ে গোসাভিকে কথা বলতে শুনেছিলেন তিনি। সেই ২৫ কোটির মধ্যে আট কোটি টাকা এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়েকে দেওয়ার কথাও না কি হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন গোসাভি। ঘুষের ব্যাপারে তিনি সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, প্রথম বার এই বিষয়টি আমি শুনছি। ওয়াংখেড়েকেও তিনি ২ অক্টোবরের আগে চিনতেন না বলে দাবি করেছেন।উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একটি প্রতারণা মামলায় গোসাভির বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করে পুণে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার পর থেকেই খোঁজ মিলছিল না।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Killing Relative : শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে মারধোর ও আত্মীয়কে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার জামাই

স্ত্রীকে মারধোরে বাধা দেওয়া শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়কে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল জামাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার গিরিগড়নগর এলাকায়। আত্মীয় সাহের আলী মোল্লা(৫২)কে খুনের ঘটনায় ধৃত জামাইয়ের নাম মোস্তফা খান। তাঁর বাড়ি মন্তেশ্বরের মাসডাঙ্গা এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে পঠাোর নির্দেশ দিয়েছেন।জমাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছে বধূর বাপের বাড়ির পরিবার সদস্যরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে মন্তেশ্বরে মাসডাঙ্গা নিবাসী মোস্তফা খানের সঙ্গে বিয়ে হয় গিরিগড়নগরের মেয়ে মোসরাকিনার। শ্বশুর বাড়িতে অশান্তির কারণে মোসরাকিনা বিবি ৩-৪ মাস আগে তাঁর বাপের বাড়ি চলে আসে।মোস্তাফা খান রবিবার সকালে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি শুরু করে। অশান্তি চলাকালীন মোস্তাফা তাঁর স্ত্রীকে মারধোর শুরু করে বলে অভিযোগ। তা দেখে মোসরাকিনার বাপের বাড়িতে বেড়াতে আসা কালনার নিভুজি এলাকা নিবাসী আত্মীয় সাহের আলি মোল্লা মোস্তাফাকে বাঁধা দেন।তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে মোস্তাফা তাঁর শ্বশুর বাড়ির প্রৌঢ় আত্মীয় সাহের আলীকে ব্যাপক মারধোর করে। মারধোরে মারাত্মক জখম হন সাহের আলী। তাঁকে ওই দিনই বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাতেই তিনি মারাযান। আত্মীয়র এই মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে বধূ মোসরাকিনার বাপের বাড়ির লোকজন ওইবিনই জামাইরের বিরুদ্ধে মন্তেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ মোস্তফা খানকে গ্রেপ্তার করে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: রাইসমিলের যন্ত্রাংশ চুরিতে জড়িত ১৬ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

রাতের অন্ধকারে বন্ধ থাকা রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির কারার সময়ে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়লো ১৬ জন দুষ্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পলশা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে ওই দুষ্কৃতীদের ধরে। ধৃতরা বর্ধমান ও দেওয়ানদিঘী থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, মিল থেকে চুরি করা দামি যন্ত্রাংশ ভর্তি একটি লরিও তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে হেপাজতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির পলশা এলাকার আদ্যামা নামের রাইসমিলটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই মিলের দামি যন্ত্রাংশ চুরির জন্য শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জনের দুষ্কৃতী দল মিলের ভিতরে ঢোকে। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ওসি বলেন, বন্ধ থাকা রাইসমিলে দুষ্কৃতী দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌছে যায়। পুলিশ দেখে কয়েকজন দুষ্কৃতী পালাতে সক্ষম হলেও কয়েকজন ধরে পড়ে যায়। তারপর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ওই এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলের যেসব যন্ত্রাংশ চুরি করে দুষ্কৃতীরা একটি লরিতে লোড করেছিল সেই লরিটিও বাজোয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছে। দুষ্কৃতী দলে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Death : পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধু

বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে গিয়ে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতর নাম সৌরভ অধিকারী(১৯)। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কোলে মল্লিকাপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে বৃহস্পতিবায় মেমারির নুদিপুরে পিকনিক করতে যান। এদিন হগলীর বৈঁচির সেচখাল থেকে উদ্ধার হয় সৌরভের মৃতদেহ। সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ এনেছেন তাঁর পরিবার। এদিনই যুবকের মৃত দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। মেমারি থানার পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে তাঁর তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবক সৌরভ বৃহস্পতিবার তাঁর চার বন্ধুর সঙ্গে পিকনিক করতে বেরহয়। পিকনিক করার জন্য ওইদিন তাঁরা মেমারির নুদিপুরে ডিভিসির সেচ ক্যানেলের লকগেট সংলগ্ন এলাকায় যায়। তার পর থেকে রাত অবধি সৌরভের আর কোন খোঁজ পাননা তাঁর পরিবার। সৌরভের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে তাঁর পরিবারকে বন্ধুরা নানারকম কথা বলে বলে অভিযোগ। তা নিয়েই তৈরি হয় রহস্য। যুবকের হদিশ পেতে তাঁর পরিবার রাতেই মেমারি থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। এদিন সকাল থেকে মেমারি থানার পুলিশের উপস্থিতিতে ডুবুরি নামিয়ে নুদিপুরে সেচ খালে শুরু হয় তল্লাশি। তারই মধ্যে বেলায় হুগলির পাণ্ডুয়া থানার অন্তর্গত বৈচির সেচ খালের লকগেটের কাছে এক যুবকের মৃতদেহ ভাসতে থাকার খবর আসে পুলিশের কাছে। মেমারি থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে যুবকের পরিবার বৈঁচি পৌছে দেখেন সেখানকার ক্যানেলের জলে সৌরভের মৃতদেহ ভাসছে। এর পরেই সৌরভের পরিবার অভিযোগ করে সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে। সৌরভের মৃত্যুর জন্য তাঁর আত্মীয় মিলন আধিকারী সৌরভের বন্ধুদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মেমারি থানার পুলিশ সৌরভের তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ যদিও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই যুবকের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Student Molestation: ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার চার নাবালক ছাত্র

নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল চার নাবালক ছাত্র। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। পূর্বস্থলী থানা এলাকাতেই ধৃতদের বাড়ি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমানের জুভেনাইল জাষ্টিস বোর্ডে।আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত বছর ১৬ বয়সী নাবালিকা ওই ছাত্রীর বাড়ি পূর্বস্থলী থানার উখুড়া শরাংপুর এলাকায়। সে স্থানীয় যে কোচিং সেন্টারে পড়তে যেত সেখানেই পড়তো নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া এলাকার চার ছাত্র। গত ১০ই আগষ্ট ছাত্রটি ওই কোচিং সেন্টারে পড়তে যায়। তখন চার ছাত্রও কোচিং সেন্টারেই ছিল। অভিযোগ, শিক্ষক নিজের কাজে একবার বাইরে যেতেই ওই চার ছাত্র নাবালিকা ছাত্রীকে শ্লীলতহানি করে। এমনকী শ্লীলতাহানির অশ্লীল ভিডিও ছাত্ররা মোবাইলে তুলে রাখে। কাউকে কিছু জানালে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে ছাত্ররা ছাত্রীটিকে হুমকি দেয়।এমন হুমকির কথা শুনে ভয়ে ছাত্রীটি বাড়ির কাউকে কিছু জানায়নি। তার পরেও শ্লীলতাহানির অশ্লীল ভিডিও তারা ছড়িয়ে দেয়। তা দেখার পর ছাত্রীর অবিভাবকরা ছাত্রীর কছে বিষয়টি জানতে চায়। ছাত্রীটি ঘটনার কথা তাঁর পরিবারকে খুলে বললে অবিভাবকরা চার ছাত্রের বিরুদ্ধে পূর্বস্থলী থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে পুলিশ চার ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal