• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrested

দেশ

অগ্নিদগ্ধ নাইটক্লাবের রহস্য ফাঁস! অজয় গুপ্ত আটক, পুলিশের খুঁজে পাওয়া আরও তথ্য

গোয়ার আরপোরা এলাকার বিখ্যাত নাইটক্লাবটিতে আগুন লাগার ঘটনার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি দিল্লি থেকে আটক করা হয়েছে নাইটক্লাবের অন্যতম মালিক অজয় গুপ্তকে। জানা যাচ্ছে, শীঘ্রই তাঁকে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে নাইটক্লাবের চিফ জেনারেল ম্যানেজার রাজীব মোদক, জেনারেল ম্যানেজার বিবেক সিং, বার ম্যানেজার রাজীব সিংহানিয়া, গেট ম্যানেজার রিয়াংশু ঠাকুর এবং কর্মী ভারত কোহলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গোয়া পুলিশের লুকআউট নোটিসে নাম ছিল অজয় গুপ্ত ও সুরিন্দর কুমারের। আর দুই মালিক সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা দেশ ছাড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তারা থাইল্যান্ডে আছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধেও জারি হয়েছে ব্লু কর্নার নোটিস।উত্তর গোয়ার বাগা সুমদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত এই নাইটক্লাবটিতে শনিবার পার্টি চলাকালীন আগুন লাগে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। তদন্তে জানা গেছে, নাইটক্লাবে বেআইনি নির্মাণ, সংকীর্ণ প্রবেশপথ এবং নিরাপত্তা বিধি অমান্যসহ একাধিক অনিয়ম ছিল। এই ঘটনায় বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে।এছাড়া মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রমোদ সওয়ান্তের নির্দেশে লুথরা গ্রুপের আরও একটি নৈশক্লাব রোমিও ল্যানে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সরকারি জমিতেই ক্লাবটি গড়ে উঠেছিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে বড় ক্লাব তৈরি হওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
কলকাতা

ঘনিষ্টতার মূল্য ২০ হাজার টাকা! দিতে রাজি না হওয়ায় খুন হতে হল আদর্শকে

কলকাতার কসবার হোটেলে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আদর্শ লোসালকারের খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে আরও ভয়ংকর তথ্য। ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতার শর্তে দুই হাজার টাকার দাবি ছিল ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল অন্তত কুড়ি হাজার টাকা হাতানো। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেই কোমল সাহা ও তার লিভ-ইন সঙ্গী ধ্রুব মিত্র নৃশংসভাবে খুন করে আদর্শকে এমনটাই দাবি পুলিশের।গত শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে একই ঘরে ছিলেন তিনজন। পুলিশের মতে, সেই সময়েই ঘটে ধস্তাধস্তি। আদর্শ বাধা দিতেই বেডশিটে জড়িয়ে তাঁর শ্বাসরোধ করা হয়। ধ্রুবর হাতে আদর্শের নখের আঁচড়ের চিহ্ন মিলেছে, যা সন্দেহকে আরও জোরালো করছে। রাত ১২টার কিছু পরই মারা যান আদর্শ।এরআগে, শনিবার কসবার হোটেল থেকে উদ্ধার হয় আদর্শের বিবস্ত্র দেহ। গ্রেপ্তারের পর থেকে কোমল ও ধ্রুব বারবার বয়ান বদলাচ্ছে। কখনও আলাদাভাবে, কখনও মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করছে পুলিশ। ঘটনার পুনর্গঠন করতে দুজনকেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে হোটেল কক্ষে।পুলিশ সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার ডেটিং অ্যাপে পরিচয় হওয়ার পর কোমল প্রথমে দুহাজার টাকা দাবি করেন ঘনিষ্ঠতার বিনিময়ে। তবে আদর্শ সেই টাকা দেননি বলে দাবি অভিযুক্ত যুগলের। কিন্তু আদর্শই অনলাইনে কসবার হোটেলের দুটি ঘর বুক করেছিলেন। প্রথমে কোমল ও ধ্রুব একসঙ্গে একটি ঘরে ঢোকে।তারপর প্রায় দশ মিনিটের জন্য কোমল আদর্শের ঘরে যায়। এর মধ্যেই হোটেল কর্মী কয়েকটি বিয়ারের বোতল নিয়ে আসে আদর্শই অনলাইনে অর্ডার করেছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আদর্শ নিজেই বাইরে গিয়ে চিপস কিনে ঘরে ফেরেন। এরপর করিডরে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায় কোমল ও ধ্রুবকে। পুলিশের দাবি, ওই সময়ই দুজন কুড়ি হাজার টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করে। এরপর কোমল আদর্শের ঘরে চলে যান এবং তার কিছু পরেই ঘটে খুন।তদন্তে আরও জানা গেছে, এই যুগল ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ভিনরাজ্যের একাধিক ব্যক্তির কাছে টাকা হাতানোর অভিযোগেও জড়িত। ফলে আদর্শের মৃত্যু শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বড়সড় প্রতারণা চক্রের ইঙ্গিত বলেই মনে করছে পুলিশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

পাঠানখালি পঞ্চায়েতে আবারও জালিয়াতি! ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট বানিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ

ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেটের জালিয়াতির পরে এবার সামনে এল ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট কাণ্ড। গোসাবার পাঠানখালি পঞ্চায়েতের নাম জড়াল আবারও। ভাড়া নেওয়া দোকানের দখল পেতেই নাকি এক ব্যক্তি জীবিত থাকা সত্ত্বেও তাঁকে মৃত দেখিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র। অবশেষে প্রতারণার দায়ে গ্রেফতার হলেন এক দম্পতিজর্জ ক্লিন্টন ডিকসন এবং তাঁর স্ত্রী ক্যারল এরিকসন ডিকসন। শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, বহু বছর আগে এজেসি বোস রোডে একটি দোকান ভাড়া নেন সরল রায় ও নিত্যরঞ্জন ঘোষ। পরে সেই দোকানই সাব-টেনেন্ট হিসেবে ভাড়া নেন ডিকসন দম্পতি। অভিযোগ, দোকানের দখল নিজের দাম্পত্যের হাতে নিতে নিত্যরঞ্জন ঘোষকে ২০১৪ সালেই মারা গেছেন বলে দেখানো হয়। অথচ বাস্তবে তিনি জীবিত ছিলেন। কিন্তু দোকান দখল নিশ্চিত করতে এই দম্পতি ২০২৪ সালের অগস্টে পাঠানখালি পঞ্চায়েত থেকে নিত্যরঞ্জনের নামে নতুন করে এক ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট বানিয়ে নেন।এই কাজে তাঁদের সাহায্য করেন পাঠানখালি পঞ্চায়েতের চুক্তিভিত্তিক কর্মী গৌতম সর্দার। তদন্তকারীদের দাবি, গৌতমই পুরো নথি জালিয়াতির মূল কারিগর। তাঁর বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ উঠেছিল যে তিনি হাজার হাজার ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেট এবং শত শত ভুয়ো মৃত্যুসার্টিফিকেট তৈরি করেছিলেন। প্রায় সাড়ে তিন হাজার ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেট এবং ৫১০টি ভুয়ো মৃত্যুসার্টিফিকেট তৈরির ঘটনায় তিনি আগেই গ্রেফতার হয়ে জেল হেফাজতে রয়েছেন। সেই মৃত্যুসার্টিফিকেটগুলির মধ্যেই ছিল নিত্যরঞ্জন ঘোষের নামে প্রস্তুত ভুয়ো শংসাপত্র। সেই নথিই ব্যবহার করে দোকান দখলের চেষ্টা করছিলেন ডিকসন দম্পতিএমনটাই মনে করছে পুলিশ।এই জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে তদন্তকারী সংস্থা। কীভাবে পঞ্চায়েতের ভিতর থেকেই এভাবে ভুয়ো নথি তৈরি হচ্ছিল, কে কে যুক্ত, কোথায় কোথায় এই সার্টিফিকেট ব্যবহার হয়েছেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একের পর এক নথি জালিয়াতির ঘটনায় পাঠানখালি পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
কলকাতা

হাসপাতালে রোগীর পরিবারকে প্রতারিত করার ফাঁদ—ধরা পড়তেই বিস্ফোরক তথ্য, মাথা ঘুরে গেল পুলিশের

সরকারি হাসপাতালে দালালচক্র নির্মূলের দাবি বহুদিনের। অথচ কলকাতার দুই প্রধান স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল পুরনো সেই দাপটই। মেডিক্যাল কলেজ ও SSKMদুটি হাসপাতালেই রোগীর আতঙ্ক বাড়িয়ে আবার সক্রিয় হয়েছে দালাল চক্র। গত শুক্রবার সন্ধেয় সাদা পোশাকে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের আকস্মিক হানাতেই ধরা পড়ল এই নেটওয়ার্কের দুই সক্রিয় সদস্য।মেডিক্যাল কলেজ থেকে ধরা হয় সচিন রাউথ নামে এক ব্যক্তিকে। অভিযোগ, তিনি রোগীর পরিবারের কাছে ঘোরাফেরা করে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা তুলছিলেন। চিকিৎসাপরামর্শ দেওয়ার নামে তাঁকে আগে থেকেই নজরে রেখেছিল পুলিশ। সেই সূত্র ধরেই শেষ পর্যন্ত হাতেনাতে ধরা পড়ে তিনি।অন্যদিকে SSKM হাসপাতাল থেকে পাকড়াও করা হয়েছে গোলাম রসুল নামে আরও এক দালালকে। রোগীদের ভিড়ের মাঝে ছদ্ম পরিচয়ে ঘুরে বেড়িয়ে তিনি নানাভাবে টাকা আদায় করতেন বলে অভিযোগ। হাসপাতাল সূত্রে দাবি, তিনি বহিরাগতই ছিলেন। গত কয়েক দিন ধরেই তাঁর গতিবিধি সন্দেহজনক লাগছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশের গোপন নজরদারিতে তার জাল শেষমেশ ভেঙে পড়ে।সবচেয়ে বড় প্রশ্নমুখ্যমন্ত্রী সরাসরি হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরও কীভাবে সরকারি হাসপাতালের ভিতর এমন দালালচক্রের দাপট এতটা প্রকাশ্যে চলল? গত মাসেই SSKM হাসপাতালের বহিরাগত প্রবেশ ও CCTV নজরদারি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। সেই সময়ই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, হাসপাতালের ভেতরে কারা ঢুকছেবেরোচ্ছে তার বিশেষ খতিয়ান রাখতে। তবু কীভাবে এসব চক্র ফের সক্রিয় হল, তা এখন তদন্তের মুখ্য দিক।দুই অভিযুক্তকেই আজ আদালতে পেশ করা হবে। তাঁদের কাছ থেকে আরও তথ্য জোগাড় করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ মনে করছে, তাঁদের পিছনে আরও বড় চক্র লুকিয়ে থাকতে পারে। হাসপাতাল চত্বরে তাদের ম্যাপিং শুরু করেছে তদন্তকারী দল।কলকাতার দুই সর্বাধিক ব্যস্ত সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের এই নতুন সক্রিয়তা রোগীদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছেএবার কি সত্যিই কঠোর পদক্ষেপ করবে প্রশাসন?

নভেম্বর ২২, ২০২৫
দেশ

ভারতীয় নৌসেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানে! কর্নাটকে গ্রেপ্তার দুই যুবক, সামনে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য

ভারতের নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কর্নাটকের উদুপিতে গ্রেপ্তার হলেন দুই যুবক। অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইও নিজে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হন। ধৃতদের পরিচয় রোহিত (২৯) এবং সানত্রী (৩৭), দুজনেই উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। দেশবিরোধী এই কর্মকাণ্ড ঘিরে এখন উত্তপ্ত গোটা দক্ষিণ ভারত।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, রোহিত একসময় কেরলের কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কাজ করতেনযে শিপইয়ার্ড ভারতীয় নৌসেনার রণতরী, সাবমেরিন থেকে শুরু করে একাধিক অতি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রকল্প তৈরি করে। অভিযোগ, সেখানেই কাজ করার সময় তিনি বিভিন্ন নৌগোপন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাচার করতেন। পরে তিনি কর্নাটকের একটি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় যোগ দিলেও পাচার বন্ধ হয়নি। বরং আরও নিয়মিতভাবে একই কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।শিপইয়ার্ডের সিইওর নজরে আসে তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি। তথ্য যত বেরোতে থাকে, ততই স্পষ্ট হয় যে রোহিতের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এমন কিছু নথি ও চিত্র, যা কোনও ভাবেই সাধারণ কর্মীর কাছে থাকার কথা নয়। অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।রোহিতকে জেরা করতেই উঠে আসে সানত্রীর নাম। জানা যায়, বারবার সানত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন রোহিত। তাঁর কাছেও কিছু গোপন তথ্য পাঠানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তবে সানত্রীর ভূমিকাটি কতটা গভীর, তিনিও পাচার নেটওয়ার্কের অংশ কি নাসবটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রের দাবি, গোটা চক্রটির পেছনে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কোনো যোগ রয়েছে কি না, তাও প্রধানত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কীভাবে এত বড় নিরাপত্তা সংস্থার ভিতর থেকে তথ্য চুরি হল, কীভাবে তা বিদেশে পৌঁছলসবকিছুর দিকেই নজর তদন্তকারীদের।দেশের নৌসেনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই প্রকাশ পাচ্ছে বহু অজানা তথ্য, আর ততই স্পষ্ট হচ্ছে চক্রটি আরও বড় হতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

বাক্সবন্দি বন্দুক পরিষ্কার করতে গিয়ে রক্তপাত—এই দম্পতির বয়ান কি বিশ্বাসযোগ্য?

শিবপুরের বিলাসবহুল আবাসনের এক ফ্ল্যাটে মর্মান্তিক ঘটনা। বুধবার সকালে নিজের ঘরে বসে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করছিলেন গোপাল যাদব। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, ঠিক সেই সময়েই তাঁর পাশে চেয়ারে বসে ছিলেন স্ত্রী পুনম। আচমকা হাত ফসকে বন্দুক থেকে গুলি ছুটে গিয়ে সোজা গিয়ে লাগে পুনমের ঘাড়ে। গুলির শব্দে আবাসনের লোকজন ছুটে আসলেও গোপাল প্রথমেই দাবি করেন, এটি সম্পূর্ণ দুর্ঘটনা।গুলিবিদ্ধ পুনমকে তড়িঘড়ি করে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বৃহস্পতিবার তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে পুলিশ হাসপাতালেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুনমও বলেন, স্বামী আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করার সময়ই গুলি বেরিয়ে যায়। যদিও এই দম্পতির বয়ান পুলিশের সন্দেহ পুরোপুরি কাটাতে পারেনি। তদন্তকারী অফিসারেরা মনে করছেন, এটা নিছক দুর্ঘটনা, নাকি গোপাল কোনও কারণে স্ত্রীকে খুন করতে চেয়েছিলেনসেই দিকটাই এখন গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে গোপালের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনসহ খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করেছে শিবপুর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর হয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ঘটনাটি ঘটার পর গোপাল বন্দুকটি সরিয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আগেই পুলিশ ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করে। জানা গিয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রটি বিহার থেকে এনেছিলেন গোপাল এবং নিজের সঙ্গে অস্ত্র রাখার নেশা ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের।এমন প্রশ্ন উঠছেঅভিজাত আবাসনে বসবাস করেও কীভাবে এতদিন ধরে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দিব্যি ছিলেন গোপাল? হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাই অত্যন্ত ঢিলেঢালা। গেটে মেটাল ডিটেক্টর নেই, নেই কোনও কঠোর তল্লাশি। তাঁর কথায়, মেটাল ডিটেক্টর থাকলে গোপালের অস্ত্র নিয়ে ঢোকাই সম্ভব হত না।এই ঘটনার পর হাওড়া সিটি পুলিশ জানিয়েছে, জেলার সমস্ত আবাসনেই এবার বাধ্যতামূলক করা হবে মেটাল ডিটেক্টর। যাতে কোনও বাসিন্দা, অতিথি কিংবা বাইরের কেউ বেআইনি অস্ত্র নিয়ে ভেতরে ঢুকতে না পারে। শিবপুরের যে আবাসনে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে বহু হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি থাকেন। তাঁদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই দ্রুত নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
কলকাতা

সুদে টাকা ফেরত নয়, উল্টে কারচুপি—ইডির জালে আরেক সাহারা আধিকারিক

সাহারা ইন্ডিয়া গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের আর্থিক প্রতারণার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিল ইডি। ১.৭৯ লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হলেন সংস্থার প্রাক্তন কর্তা ওমপ্রকাশ শ্রীবাস্তব। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিতে যান। টানা জেরা চলতে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ইডি অভিযোগ করেছে, তিনি তদন্তে বারবার অসহযোগিতা করেছেন। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এই মামলার সূত্র বহু পুরনো। সাহারা ইন্ডিয়া আমানতকারীদের মোটা টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা বাস্তবে কেউ পাননি। এরপর সংস্থার বিরুদ্ধে ১.৭৯ লক্ষ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। সুব্রত সাহা, তাঁর ছেলে-সহ একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। মামলাটি পরে পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে। ইডির দাবি, আমানতকারীদের থেকে সংগ্রহ করা বিপুল অর্থের মধ্যে ৭৫০ কোটি টাকা সংস্থার তিন কর্তার কাছে গিয়েছিল। ওমপ্রকাশের ব্যক্তিগত হিসাবে গিয়েছে ১৫০ কোটি।ইডির আরও অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্ট আমানতকারীদের টাকা ফেরাতে সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিলেও সেই প্রক্রিয়াতেও কারচুপি করা হয়েছে। ওমপ্রকাশ নাকি সাহারায় কর্মরত থাকার সময় বিভিন্ন সংস্থায় টাকা সাইফুন করেছেন, এমনকি ব্যক্তিগত মুনাফাও তুলেছেন প্রায় ১৫০ কোটি।জেরার পর ওমপ্রকাশ শ্রীবাস্তবকে বৃহস্পতিবারই আদালতে তোলা হয়। ইডি আদালতে জানিয়েছে যে, তিনি সাহারা সংস্থা থেকে অবসর নেওয়ার পর অন্য সংস্থায় যুক্ত হলেও পুরনো নথি ও লেনদেনে তাঁর ভূমিকা গোপন করার চেষ্টা করেছেন। তদন্তকারীরা তাঁকে ১৪ দিনের হেফাজতে চাইছে, যাতে টাকা সাইফুনের পুরো রুট ও কার কার ভূমিকা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা যায়।সাহারা মামলায় এই গ্রেপ্তার নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে আর্থিক মহলে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
কলকাতা

ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্রে ব্যবসা! কলকাতায় আফগান নাগরিকদের গোপন নেটওয়ার্কে নড়েচড়ে বসল পুলিশ

ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘ দিন ধরে কলকাতা শহরে লুকিয়ে থাকার অভিযোগে দুই আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম রহমতুল্লাহ খাকসার ও নিয়াজ মহম্মদ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা বেশ কয়েক বছর ধরে ওয়াটগঞ্জ এলাকায় থেকে ব্যবসা করত। কিন্তু পাঁচ বছর আগেই তাদের ভারতে থাকার অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। মেয়াদ নবীকরণ না করে তারা ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে শহরেই গা-ঢাকা দিয়ে থাকতে থাকে। সন্দেহ দেখা দেয় ঠিক সেই জায়গাতেই।সম্প্রতি গোয়েন্দারা রাজ্যজুড়ে খোঁজ শুরু করেন এমন সব বিদেশিদের, যাদের ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছে, তবুও তারা কলকাতা বা আশপাশের জেলায় লুকিয়ে আছে। সেই সূত্র ধরেই নিরাপত্তা দপ্তরের তদন্তকারীরা জানতে পারেন যে রহমতুল্লাহ ও নিয়াজ ভুয়ো পরিচয় দিয়ে ব্যবসার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুজনকে জেরার জন্য ডাকা হলে তাদের নথিতে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। বেআইনিভাবে শহরে থাকার প্রমাণ নিশ্চিত হওয়ার পরই দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয় এবং এরপরই সিকিউরিটি কন্ট্রোল অফিস তাদের গ্রেপ্তার করে। তাদের শহরে থাকার উদ্দেশ্য কী ছিল, কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল কি নাসবই এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।কয়েক দিন আগেই ওয়াসিম আহমেদ নামে আরও এক আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাবুলে লুকআউট নোটিস ছিল। জাল নথি ব্যবহার করে সে ভারতে ঢুকে পড়ে এবং পরে নাসির খান নামের ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় পাসপোর্টও বানিয়ে নেয়। সোমবার রাতে ওই পাসপোর্ট দেখিয়ে কুয়ালালামপুর যাওয়ার চেষ্টা করতেই দমদম বিমানবন্দরে তাকে পাকড়াও করে পুলিশ। তার কাছে এক আফগান ও এক ভারতীয়দুটি আলাদা পাসপোর্ট উদ্ধার হয়েছে। সে কী কাজ করত, কারা দিয়েছে তাকে সাহায্য, আর কী উদ্দেশে ভারতে লুকিয়ে ছিলসবই এখন তদন্তের আওতায়।ক্রমাগত ধরা পড়তে থাকা আফগান নাগরিকদের নিয়ে নিরাপত্তা দপ্তর আরও সতর্ক হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, আরও কেউ ভুয়ো পরিচয়ে শহরে লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় নথি যাচাইয়ের কাজ আরও জোরদার করা হয়েছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

জঙ্গি ঘাঁটির অভিযোগে তোলপাড়! অর্থ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা

দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নতুন মোড়। জেহাদি যোগ ও মানি লন্ডারিং অভিযোগে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেপ্তার করল ইডি। আর্থিক লেনদেনে বড় গরমিলের হদিশ।দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু হওয়ার পরই নজরে আসে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরমহল। জেহাদি কার্যকলাপের অভিযোগে আগে থেকেই বিতর্কে ছিল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এবার সেই সন্দেহ আরও গভীর করল তাদের আর্থিক লেনদেনের গরমিল। দীর্ঘদিনের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ইডি শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিকে।দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই গোয়েন্দাদের সন্দেহের তালিকায় ছিল হরিয়ানার এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়। অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ প্রতিষ্ঠানটিকে সাসপেন্ডও করে। তার পরই দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ প্রতারণা এবং জালিয়াতির দুটি আলাদা এফআইআর দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ছাত্র ভর্তির নামে জাল ডকুমেন্ট, বেআইনি স্বীকৃতি এবং অন্যায় আর্থিক লেনদেন চলছিল বহুদিন ধরে।ঠিক সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই মঙ্গলবার সকালে ইডি একযোগে দিল্লি এবং আরও ২৫টি জায়গায় তল্লাশি চালায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ সিদ্দিকিকে সারা দিন ধরে জেরা করা হয়। নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাওয়া এবং আর্থিক নথিতে অসংগতি ধরা পড়তেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইডি।এদিকে বিস্ফোরণের পর ফরিদাবাদে কয়েকজন চিকিৎসকের গ্রেপ্তারি এবং দেশজুড়ে জঙ্গি যোগে একাধিক ডাক্তার আটক হওয়ার পর আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আরও ঘনঘন সামনে এসেছে। আত্মঘাতী জঙ্গি উমর-উল-নবির সঙ্গেও আল ফালাহর যোগ পাওয়া গেছে বলে সূত্রের দাবি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে একটি জঙ্গি নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল, যেখানে চিকিৎসক থেকে ছাত্রঅনেকেই যুক্ত ছিল।সব মিলিয়ে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সন্দেহের মেঘ ঘনায়মান। আর্থিক জালিয়াতি, মানি লন্ডারিং, বেআইনি স্বীকৃতি, জেহাদি কার্যকলাপসব অভিযোগ একে একে সামনে আসতে শুরু করেছে। তদন্তের প্রথম পর্যায়েই প্রতিষ্ঠাতা গ্রেপ্তার হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

চার বছর ধরে ভুয়ো আধারে ভারতবাস! বাংলাদেশে ফিরতে গিয়ে গ্রেফতার যুবক

পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে বহু বাংলাদেশি বছরের পর বছর ধরে ভুয়ো পরিচয়ে বসবাস করছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR শুরু হতেই বাড়ছে আতঙ্ক, আর এই আতঙ্কেই চোরাপথে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়লেন এক যুবক। তাঁর নাম দুর্জয় রায়, বয়স আঠাশ। কোচবিহারের হলদিবাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শুক্রবার দুপুরে সিঞ্জারহাট এলাকায় ঘুরতে থাকা সন্দেহজনক ওই যুবককে প্রথমে লক্ষ্য করেন স্থানীয়রা। তাঁর গতিবিধি দেখে সন্দেহ হলে খবর দেওয়া হয় দেওয়ানগঞ্জ আউট পোস্টে। পুলিশ এসে প্রশ্ন করতেই দুর্জয় স্বীকার করেন, তাঁর বাড়ি বাংলাদেশে। এরপরই তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।হলদিবাড়ি থানার তদন্তে সামনে আসে আরও তথ্য। দুর্জয়ের বাড়ি বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার মর্দিয়া গ্রামে। চার বছর আগে চোরাপথে ভারতে ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় হোটেলে ও চা বাগানে কাজ করতেন। ভারতে ঢোকার পর তিনি আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টসবই তৈরি করে ফেলেছিলেন। তাঁর কাছ থেকে মোবাইল ফোন, আধার-প্যান, ব্যাঙ্কের এটিএম কার্ড, কিছু টাকা উদ্ধার হয়েছে।তদন্তে জানা গেছে, SIR শুরু হতেই তাঁর উপর চাপ বাড়তে থাকে। আশঙ্কা হয়, ধরা পড়ে যাবেন। তাই দালালের মাধ্যমে কাঁটাতার পার করে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। সেই মতো তিনি হলদিবাড়ি পৌঁছলেও শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে যান।গ্রেফতার হওয়ার পর দুর্জয় বলেন, বছর চারেক আগে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম। তারপর কাজ করতাম হোটেল, চা বাগানে। পুলিশের দাবি, SIR শুরুর পর চোরাপথে বাংলাদেশে পালাতে গিয়ে এর আগেও বেশ কয়েকজনকে ধরা হয়েছে। দুর্জয়ের গ্রেফতার এই তালিকায় নতুন সংযোজন।এই ঘটনার পর আবারও সামনে এল রাজ্যের সীমান্তনিরাপত্তা এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্ন। অভিযোগ, চোরাপথ ব্যবহার করে বহু অনুপ্রবেশকারী এখনও এপারে-ওপারে যাতায়াত করছে, আর তাঁদের অনেকেই আর্থিক দালাল ও নেটওয়ার্কের মারফত ভুয়ো নথি তৈরি করেও ফেলছে সহজেই।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

‘ডাক্তার মডিউল’-এর ছায়া বিস্ফোরণ-কাণ্ডে! জইশের নয়া রণনীতি ফাঁস

দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য। একের পর এক গ্রেফতার বাড়ছে। এবার ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫। আরও তিনজনকে আটক করেছে তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, ধৃতরা সকলেই জইশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের এক ভয়ংকর ডাক্তার মডিউল-এর সদস্য। এদের মধ্যে কেউ জম্মু-কাশ্মীর থেকে, কেউ বা হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ থেকে ধরা পড়েছে।গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু এই ১৫ জনই নয় আরও ২০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে কড়া জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ধৃত চিকিৎসকদের সঙ্গে আটক সন্দেহভাজনদের সম্পর্ক কী, সেই দিকেই এখন তদন্তকারীদের নজর।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার এক মৌলবীর নাম। দীর্ঘদিন ধরেই ওই মৌলবী তদন্তকারীদের নজরে ছিলেন। শ্রীনগরের একটি সরকারি মেডিকেল কলেজে প্যারা মেডিক্যাল স্টাফ হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তদন্তকারীদের অনুমান, মেডিক্যাল ছাত্রদের মগজ ধোলাইয়ের বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। তরুণদের জঙ্গি পথে টানার দায়িত্ব অনেকটাই একাই সামলাতেন এই মৌলবী।গোয়েন্দারা বলছেন, দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে তাঁর যোগ এখন প্রায় নিশ্চিত। যোগাযোগ ছিল উমর নবী ও মোজাম্মিলের সঙ্গে। এমনকী জইশ সংগঠনের মূল ঘাঁটির সঙ্গেও তাঁর সরাসরি সম্পর্ক ছিল বলে খবর। তাঁকে জেরা করে জইশের গোপন নেটওয়ার্কের আরও তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।অন্যদিকে, কাশ্মীর জুড়ে চলছে নজিরবিহীন তল্লাশি অভিযান। শুধু গত কয়েকদিনেই প্রায় ৪০০ জায়গায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ ও এনআইএ। কুলগাম, সোপিয়ান, পুলওয়ামা সহ একাধিক জেলায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। নিষিদ্ধ জামাত-ই-ইসলামি সংগঠনের সদস্যদের বাড়িতেও হানা দিয়েছে পুলিশ।গত চার দিনে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সন্দেহ, এদের মধ্যে অনেকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জইশ ও জামাতের সঙ্গে যুক্ত। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে বহু ডিজিটাল ডিভাইস, যা থেকে মিলছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।সব মিলিয়ে গোটা উত্তর ভারতে ছড়িয়ে থাকা জইশের মেডিক্যাল-নেটওয়ার্ক এখন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে। তদন্তকারীদের মতে, এই ডাক্তার মডিউলই ছিল জইশের নতুন কৌশল শিক্ষিত তরুণদের মাধ্যমে ভয়ঙ্কর হামলা চালানোর পরিকল্পনা। আর সেই পরিকল্পনাই এখন ভেস্তে যাচ্ছে একের পর এক গ্রেফতারে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
রাজ্য

শ্রমিকের ছদ্মবেশে গুপ্তচর? বাগডোগরার সেনা ছাউনিতে ঢোকার চেষ্টা, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি যুবক!

উত্তরবঙ্গে ফের চাঞ্চল্য! শ্রমিকের ছদ্মবেশে সেনা ছাউনিতে ঢোকার চেষ্টা করে ধরা পড়ল এক বাংলাদেশি নাগরিক। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির বাগডোগরা এলাকার ব্যাঙডুবি সেনা ছাউনিতে। ধৃতের নাম নন্দ মণ্ডল। বৃহস্পতিবার ভোরে ওই ব্যক্তি সেনা ছাউনির গেটের কাছে ঘোরাঘুরি করছিলেন, সেই সময়ই তাঁকে আটক করে পুলিশ। প্রথমে নিজেকে নির্মাণ শ্রমিক বলে দাবি করলেও, জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে।বাগডোগরা থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নন্দ মণ্ডল কোনও বৈধ পরিচয়পত্র বা নথি দেখাতে পারেননি। তাঁর কথাবার্তা এবং উপস্থিতির সময় নিয়েও সন্দেহ জাগে পুলিশের। এরপরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সেনা গোয়েন্দা বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। আপাতত দফায় দফায় চলছে জেরা। তবে কেন, কী উদ্দেশ্যে এবং কার নির্দেশে তিনি সেনা ছাউনিতে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন, তা এখনও পরিষ্কার নয়। পুলিশ এবং সেনা গোয়েন্দারা মনে করছেন, এর পেছনে থাকতে পারে গুপ্তচরবৃত্তি বা নাশকতার ছক।এই ঘটনা নতুন নয়। এর আগে, গত ২৮ মে ভোরে একই এলাকায়ব্যাংডুবির এমইএস মোড়েআরও এক বাংলাদেশি নাগরিককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে আটক করেছিল সেনা জওয়ানরা। তিনিও পরবর্তীতে স্বীকার করেন যে তিনি বাংলাদেশের বাসিন্দা। সেই ঘটনার পর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ফের একই জায়গায় আরেক বাংলাদেশির ধরা পড়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।উল্লেখ্য, শিলিগুড়ি এবং তার আশপাশের অঞ্চল দেশের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। এখানেই রয়েছে চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা একমাত্র সরু স্থলপথ। এই করিডর জুড়েই রয়েছে সেনা ঘাঁটি, এয়ারবেস, এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পরিকাঠামো। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের রংপুর ডিভিশনের লালমনিরহাট এলাকায় চিন একটি এয়ারবেস তৈরি করছে, যা শিলিগুড়ি করিডর থেকে মাত্র কয়েকশো কিলোমিটার দূরে। সেই প্রেক্ষিতে এই অনুপ্রবেশের ঘটনা কেন্দ্র ও রাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে কড়া নজরদারিতে যেতে বাধ্য করেছে।রাজ্য গোয়েন্দারা আগেই সতর্ক করেছিলেন যে উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় জঙ্গি কার্যকলাপ এবং বিদেশি অনুপ্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে। এখন এই নতুন ঘটনার পর গোটা এলাকা জুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে বহুগুণ। সেনা, বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের যৌথ তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃত বাংলাদেশির মোবাইল, যোগাযোগের ইতিহাস ও যাতায়াতের রুট খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সেনা ছাউনির মতো সুরক্ষিত এলাকায় এভাবে বিদেশির প্রবেশের চেষ্টা যে নিরাপত্তার বড় ফাঁকফোকর, তা মানছেন পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরাও।এই ঘটনার তদন্ত এখন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে যেতে পারে বলেও সূত্রের খবর। কারণ, দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সবচেয়ে সংবেদনশীল করিডরের পাশে বারবার বিদেশি অনুপ্রবেশ এখন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৫
দেশ

বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই নারকীয় বর্বরতা! তামিলনাড়ুতে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ

দেশ যখন মহিলা ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাসে ডুবেছিল, ঠিক সেই রাতেই তামিলনাড়ুতে ঘটল নারীর উপর নারকীয় হিংসা। কোয়েম্বাটুর বিমানবন্দরের কাছে রবিবার রাতে এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। সোমবার তিন অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পালাতে গিয়ে ও পুলিশকে আক্রমণ করায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে তিন জনই। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তারা।পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা কোয়েম্বাটুরের একটি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী। রবিবার রাতের ঘটনা। এক পুরুষ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গাড়িতে করে বেরিয়েছিলেন তিনি। মাঝপথে তাঁদের গাড়ি থামতেই ঝাঁপিয়ে পড়ে তিন দুষ্কৃতী। প্রথমে বন্ধুকে মারধর করা হয়, এরপর তরুণীকে জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। শহরের বিমানবন্দরের কাছে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার পর তৎপর হয় পুলিশ। সোমবার তিন অভিযুক্তথাভাসি, কারুপ্পাসামী এবং কাল্লাইসওয়ারন পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ তাঁদের একটি মন্দিরের কাছে ঘিরে ফেললে তীরের মতো চড়াও হয় তারা। ধারাল কাস্তে দিয়ে পুলিশকে আক্রমণ করে অভিযুক্তেরা। গুরুতর জখম হন হেড কনস্টেবল চন্দ্রশেখর। ডান হাতের কবজি ও বাহু কেটে যায় তাঁর। আত্মরক্ষায় ও অভিযুক্তদের থামাতে তাঁদের পায়ে গুলি চালায় পুলিশ। এরপর তিন জনকেই গ্রেপ্তার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ভয়ংকর ঘটনা ঘিরে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাই অভিযোগ করেছেন, ডিএমকে সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। তাঁর বক্তব্যআইনের ভয় না থাকায় এমন অপরাধীরা দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সমাজের বিভিন্ন মহল প্রশ্ন তুলছেখেলায় জয়, অথচ পথে পথে নারী নিরাপত্তা হারিয়ে যাচ্ছে কেন?দেশজুড়ে যখন নারী শক্তির জয়গান, তখন তামিলনাড়ুর এই ঘটনা ভাবাচ্ছে সবাইকে। পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত চার্জশিট জমা দিয়ে দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

স্কুলে মদের আড্ডা, ছাত্রের রহস্যমৃত্যু.... গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

পুরুলিয়ার কেন্দায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। ঘটনার জেরে অবশেষে গ্রেফতার হলেন সংশ্লিষ্ট বেসরকারি স্কুলের সম্পাদক জগন্নাথ মাহাতো। তাঁর বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছিল, মৃত্যুর আগে ওই ছাত্রকে তিনি নৃশংসভাবে মারধর করেছিলেন। মঙ্গলবার ভোরেই কেন্দ্রা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।ঘটনা রবিবার সন্ধ্যার। স্কুলের হস্টেলের ঘর থেকে ওই ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। স্কুল থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে বাড়ি হলেও পড়ার সুবিধার জন্য এই হস্টেলেই থাকত সে। রবিবার কোচিং শেষ করে প্রতিদিনের মতোই নিজের ১২ নম্বর ঘরে ঢুকে পড়ে। রাতের দিকে চাঞ্চল্য ছড়ায়, যখন তার নিথর দেহ উদ্ধার করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।অভিযোগ, ছাত্রের মৃত্যুর খবর পরিবারকে সময়মতো জানায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। বরং অন্য শিক্ষার্থীরাই ফোন করে মৃতের বাবামাকে খবর দেয়। শোকস্তব্ধ মায়ের অভিযোগ, শনিবার স্কুলের এক শিক্ষক নাকি মারধর করেছিলেন ছেলেকে। সেই কারণেই পরদিন বন্ধুরা দেখতে গিয়েছিল তার সঙ্গে কথা বলতে, কিন্তু দরজা খোলে না। পরে জানা যায়, ঘরের ভিতর ঝুলছে তাঁর দেহ।শুধু পরিবারের অভিযোগ নয়, স্কুলের বহু ছাত্রের দাবি, শনিবার স্কুল সম্পাদক জগন্নাথ মাহাতো নিজেই ওই ছাত্রকে মারধর করেছিলেন। ঘটনার জেরে সোমবার সকাল থেকে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। মানবাজার রাজ্য সড়ক অবরোধ করে টানা ৯ ঘণ্টা বিক্ষোভ চলে। দাবি ওঠে, অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করলে অবরোধ ওঠানো হবে না।চাপের মুখে সোমবার রাতেই জগন্নাথ মাহাতো ও তাঁর ভাইকে আটক করে পুলিশ। যদিও ভাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ না থাকায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয় জগন্নাথ মাহাতোকে।শুধু জগন্নাথ নয়, এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নারায়ণ মাহাতো, সহপ্রধান শিক্ষক গুণধর মাহাতো এবং শিক্ষক বিদ্যুৎ মাহাতোর বিরুদ্ধেও। এলাকাবাসীর দাবি, জগন্নাথ মাহাতো শুধু স্কুল সম্পাদকই নন, তিনি স্থানীয় তৃণমূলের দাপুটে নেতা এবং পুরুলিয়া তৃণমূল সাংগঠনিক জেলা কমিটির সদস্য। ২০০৮ সালে এই স্কুল নির্মাণ করেন তিনি।বিজেপি জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিজেপি নেত্রী ময়না মুর্মু বলেন, এই রাজ্যে ছাত্রছাত্রীরা নিরাপদ নয়। আমরা পরিষ্কার তদন্ত চাই, নিহতের মা যেন ন্যায় বিচার পান। অন্যদিকে বাম নেতাদের অভিযোগ, এই স্কুলে নাকি নিয়মিত মদ্যপানের আসর বসত। তাঁদের দাবি, এটা স্কুলের নামে অন্যায় কারবার চলছিল। এখনই বন্ধ করা উচিত।এখন প্রশ্নএ মৃত্যু কি সত্যিই আত্মহত্যা, নাকি মারধরের জেরে ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক ঘটনা? এলাকাবাসীর দাবি একটাইদোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
কলকাতা

হাঁটতে বেরিয়ে হঠাৎ গুলি! প্রতিবেশী প্রেমিকের নাম বলেই লুটিয়ে পড়লেন মহিলা

হরিদেবপুরে সোমবার ভোরের শুটআউট ঘিরে চাঞ্চল্য। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ গুলিবিদ্ধ হলেন এক মহিলা। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত প্রেমিক বাবলু ঘোষকে পাকড়াও করল কলকাতা পুলিশ। ধরা পড়লেন পিটিএসের কাছে একটি গাড়ি থেকে। পুলিশের নজরে এ ঘটনাকে বড় সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছেকারণ ঘটনার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার অভিযুক্ত।পুলিশ সূত্রের খবর, ৫০ বছর বয়সি মৌসুমী হালদার প্রতিদিনের মতো হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই মোটরবাইকে করে দুই যুবক আসে। লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লাগে মৌসুমীর পিঠে। লুটিয়ে পড়েই তিনি আততায়ীর নাম বলে দেনবাবলু। এলাকাবাসীও জানতেন, প্রতিবেশী বাবলু ঘোষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল মৌসুমীর।জানা গিয়েছে, বাবলুর মুরগির ব্যবসা ছিল। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকেই মৌসুমীর সঙ্গে তাঁর প্রেম। এমনকি চুপিসারে বিয়েও করেছেন তারাএমনটাই ছড়িয়েছিল এলাকায়। বাবলুর মেয়ের বিয়েও হয়ে গেছে। অভিযোগ, কিছুদিন ধরে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন মৌসুমী। কিন্তু তাতে রাজি ছিল না বাবলু। ওই মহিলাকে সংসার ছেড়ে তাঁর সঙ্গে থাকতে জোরাজুরি করত। শেষমেশ প্রেমের জটিলতাই রক্তাক্ত পরিণতি নিল।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, বাবলু কোনও গ্রাহকের কাছ থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জোগাড় করে সোমবার সকালে গুলি চালায়। এরপর নিজের বাড়ির তালা বন্ধ করে জিনিসপত্র তুলে পালানোর চেষ্টা করে ভাড়ার গাড়িতে। প্রতিবেশীরা গাড়ির নম্বর দেখে রাখেন। সেই সূত্রেই শুরু হয় পুলিশের অভিযান।হরিদেবপুর থানার ওসি প্রসূন দে সরকার ও অতিরিক্ত ওসি সুদীপ্ত দেবঘরিয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় অপারেশন। গাড়ির মালিককে ফোন করে খদ্দের সেজে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জানা যায়, গাড়িটি হাওড়ার পাঁচলায় আছে। পুলিশ গাড়ির নম্বর ট্র্যাক করে, আরেক দল পাঁচলার পথে রওনা দেয়।কিন্তু গাড়িটি মাঝপথেই ধরা পড়ে। পিটিএসের কাছে নম্বর মিলিয়ে পুলিশ গাড়ি থামায় এবং ভিতরেই বাবলুকে দেখা যায়। পাঁচলায় পালানোর পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি পুলিশের। তার আগেই হাতকড়া পড়ল তার হাতে। আজ তাকে আদালতে তোলা হবে।দ্রুত পদক্ষেপে এই গ্রেফতারকলকাতা পুলিশের তদন্ত এবং তৎপরতার বড় নিদর্শন হয়ে রইল বলে মত অনেকের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
দেশ

ভোটের উত্তাপে বিস্ফোরণ, গুলির আতঙ্ক! জন সূরজ পার্টির কর্মী খুনে ধরা জেডিইউ নেতা

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫-এর আগেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজনৈতিক আক্রমণপ্রতিআক্রমণের মাঝেই এবার সামনে এল রক্তাক্ত ঘটনা। প্রশান্ত কিশোরের দল জন সূরজ পার্টির কর্মী দুলারচন্দ যাদবের মৃত্যুর মামলায় গ্রেফতার হলেন ক্ষমতাসীন জেডিইউ-র মোকামা কেন্দ্রের প্রার্থী অনন্ত সিং। পটনা পুলিশের হাতে শনিবার, ১ নভেম্বর তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীকেও পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।ুীদুলারচন্দ যাদব গত বৃহস্পতিবার মোকামায় জন সূরজ পার্টির প্রার্থী পীযূষ প্রিয়দর্শীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। সেই ভরা সভাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রথমে গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা শোনা গেলেও ময়নাতদন্তে প্রকাশগুলি নয়, গুরুতর শারীরিক আঘাত, বিশেষত পাঁজরের হাড় ভেঙে যাওয়া ও ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।দুলারচন্দ অনেক দিন আরজেডি-র প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। লালু প্রসাদ যাদবের ঘনিষ্ঠ হিসেবেও পরিচিত। পরে PKর জন সূরজ পার্টিতে যোগ দেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সভার মাঝেই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধেছিল। সেই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই ঘটে এই মৃত্যুর ঘটনা। এবং সে সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন জেডিইউ প্রার্থী অনন্ত সিং।গ্রেফতারের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পীযূষ প্রিয়দর্শী বলেন, পুলিশ ঠিক কাজ করেছে। তবে এই পদক্ষেপ আরও আগে হওয়া দরকার ছিল। এটা কোনো হঠাৎ ঘটনা নয়। এফআইআর হওয়ার পরই গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল। দেরিতে হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এখন দেখার তদন্ত কতদূর এগোয়।অন্য দিকে গ্রেফতারির আগে অনন্ত সিং দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। প্রাক্তন সাংসদ সূরজভান সিংকে দায়ী করেন তিনি। উল্লেখ্য, সূরজভান সিংয়ের স্ত্রী বীণা দেবী এবার আরজেডি-র প্রার্থী।ঘটনার গুরুত্ব দেখে ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আদর্শ আচরণবিধি কড়াভাবে বজায় রাখতে হবে এবং রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন বিন্দুমাত্র নষ্ট না হয়।বিহারের ভোটযুদ্ধ এখনও শুরুই হয়নি, আর তার আগেই রক্তঝরা সংঘর্ষে জর্জরিত রাজনৈতিক ময়দান। আগামীর দিনগুলো যে আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ০২, ২০২৫
রাজ্য

পুলিশের কর্মীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি নেতা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর দাবি ধৃতের

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় পুলিশের এক কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগে বিজেপি নেতা গোবিন্দ ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে গাইঘাটা এলাকা থেকে তাকে আটক করে বনগাঁ থানার পুলিশ। অভিযোগ, বুধবার রাতে হাসপাতাল কালিবাড়ি এলাকায় বাড়ি ফেরার পথে এক যুবককে পূর্ব আক্রোশের জেরে মারধর করেন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা। আক্রান্ত যুবক নিজে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি কলকাতা পুলিশের কর্মী। ধৃত গোবিন্দ ভট্টাচার্যকে শুক্রবার বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে বনগাঁয়। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, গোবিন্দ জমি মাফিয়া। সমাজবিরোধীদের সঙ্গে চলাফেরা করে। যে যুবককে মারধর করা হয়েছে, তিনি একজন পুলিশ কর্মী। বিজেপি একটা উশৃঙ্খল দল। তবে ধৃত বিজেপি নেতা গোবিন্দ ভট্টাচার্যের দাবি, শুধুমাত্র বিজেপি করার কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এটা তৃণমূলের ষড়যন্ত্র।এই ঘটনায় বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কির্তনীয়াও পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, আমাদের কার্যকর্তারা ঘরে বসে থাকলেও পুলিশ কেস দিচ্ছে। এটা তৃণমূলের পূর্বপরিকল্পনা। মামলা হবে, জামিন নেব। তবে ২০২৬ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিসর্জন হবে।অন্যদিকে, আক্রান্ত যুবক এবং তাঁর পরিবার এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু পথচারীর

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম জয়ন্ত মন্ডল (৫০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার অন্তর্গত বিশালক্ষী তলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জয়ন্তবাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসে একটি রেসিং বাইক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই পথচারীকে। প্রবল আঘাতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বাইকচালক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়রা সক্রিয় হয়ে তাঁকে ঘাতক বাইকসহ ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে বারুইপুর থানার পুলিশ বাইকচালককে আটক করে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, জয়ন্তবাবু শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। রোজকার মতো বাজার সেরে ফিরছিলেন, তখনই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া বাইক দৌড় চলে। প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের ঘটনা রোখা সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁদের।এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় রেসিং বাইকের দৌরাত্ম্য নিয়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

মুর্শিদাবাদের সীমান্ত এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার

সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশী যুবককে গ্রেপ্তার করলো রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে রঘুনাথগঞ্জের তেঘরি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম কাইয়ুম রেজা (২৪)এবং জাহির রহমান(৩৫)। উভয়ের বাড়ি বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ। বুধবার ধৃতদের জঙ্গিপুর আদালতে পাঠায় পুলিশ। যদিও কি উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছিল ধৃতরা কিংবা কিভাবেই বা পার হয়ে এসেছে তারা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। ধৃতদের পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

জুন ২৬, ২০২৫
রাজ্য

বাংলাদেশী নাগরিক পরিচয়ে চিকিৎসার জন্য ২১ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার দুই

অভিনব কায়দায় ২১ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করলো বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। বাংলাদেশী নাগরিক পরিচয় দিয়ে কয়েকজন পরিচিতের নাম বলে চিকিৎসার জন্য টাকা ধার নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত বছর নভেম্বর মাসের ২ তারিখে পেট্রাপোল থানার পুরাতন বনগাঁ এলাকার বাসিন্দা অমিত হালদার বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ জানিয়ে বলেন, অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি বাংলাদেশী নাগরিক পরিচয় দিয়ে তার কয়েকজন পরিচিতের সুপারিশ নিয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য টাকা ধার দিতে বলেন। ঐ ব্যক্তি ফোন মারফত বলেন, তিনি ভারতে চিকিৎসা করাতে আসবেন তার জন্য টাকা প্রয়োজন এবং তাকে ধার দিতে অনুরোধ করেন, আশ্বাস দেন টাকা ফেরত দিয়ে দেবেন। অমিত বাবু তার কথায় তাকে ২১ লক্ষ টাকা ধার দেন এবং পরবর্তীতে প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অমিত বাবুর অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্তে নেমে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করে বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দুই প্রতারক প্রানতোষ বনিককে শিলিগুড়ি থেকে এবং বিকাশ তামাংকে দার্জিলিং এর মিরিক থেকে গতকাল গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বুধবার ৬ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চেয়ে বনগাঁ মহকুমা আদালতে পেশ করেছে বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জানতে চায় এই প্রতারনার পিছনে আর কারা কারা জড়িত এবং এই প্রতারনার জাল কতদূর ছড়িয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal