• ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

AC

কলকাতা

দেউচা পাঁচামি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সল্টলেকে, এবার কি বাড়বে প্রকল্পের গতি?

দেউচা পাঁচামি কয়লখনির অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়ে গেল সল্টলেকে। বুধবারের এই বৈঠকে বীরভূমের জেলাশাসক ছাড়া আদিবাসী সংগঠনের নেতৃত্ব হাজির ছিলেন। আদৌ প্রকল্পে কি কাজ করা হবে তা নিয়ে অবগত করা হয় আদিবাসী সমাজের নেতৃত্ববর্গকে। এই কয়লাখনি নিয়ে ইতিমধ্যে আদিবাসীদের একাংশ সেখানে বিরোধিতায় নেমেছে। ডব্লিউবিপিডিসিএলের চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর পিবি সেলিম জানিয়েছেন, দেউচা পাঁচামি নিয়ে বাইরের কিছু লোক ভুল তথ্য দিচ্ছেন, বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সেটাকে ক্লারিফাই করার জন্য রাজ্যের আদিবাসী যে বড় সংগঠন রয়েছে তাদের ১০ জন প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করা হয়। মাইনিং নিয়ে যারা টেকনিক্যাল এক্সপার্ট রয়েছেন তারাও ছিলেন এই বৈঠকে। কিভাবে মাইনিং করতে চাইছে,দেউচা পাঁচামি নিয়ে কি পরিকল্পনা রয়েছে, সেই বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে জানানো হলো। এই বৈঠকে করে বুঝলাম অনেক কিছু ভুল ধারণা, মিথ্যা ধারণা তৈরি হয়েছে প্রকল্প নিয়ে। সেগুলো পরিস্কার করতে পেরেছি। ওখানে ওপেন কাস্ট মাইনিং হচ্ছে না, যখন এটা হচ্ছে না তখন উচ্ছেদের কোন প্রশ্ন নেই। তিনি আরও জানিয়েছেন, আপাতত ৩২৬ একরে কাজ হবে, তার মধ্যে ১২ করে কাজ শুরু হয়েছে। এই ৩২৬ একরে না কোন বসতি না কোন জঙ্গল আছে। এখানে আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিং হবে। এই আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিং এমন হবে যাতে উচ্ছেদ কোন না হয় এটা পরিষ্কার করে দেওয়া হল।এই বৈঠকে হাজির ছিলেন বীরভূমের জেলশাসক বিধান রায়। তিনি জানিয়েছেন, আদিবাসী সংগঠনের একটা ইউনাইটেড ফোরাম আছে তাদেরকে নিয়ে আমরা বসে ছিলাম। তার কারণ, চারিদিকে এটা নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। যে উচ্ছেদ হয়ে যাবে আদিবাসীদের এখানে অত্যাচার করা হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো সব মিথ্যা, সেগুলো নিয়ে আজকে ইউনাইটেড ফোরাম এসেছিল আমাদের কাছে। প্রাথমিক যে ফার্স্ট ফেজ, সেটা ৩২৬ একর। যেখানে ১০৪ একর হচ্ছে আমাদের ভেস্টেড ল্যান্ড আর বাকি ২২২ এখন হচ্ছে প্রাইভেট ল্যান্ড। প্রাথমিক কাজ ১২ একর দিয়ে শুরু হয়েছে। এই ৩২৬ একরের মধ্যে ফার্স্ট ফেজে কোন ধরনের কোন বনভূমি নেই, কোথাও কোনো বসতি নেই সুতরাং উচ্ছেদের যে বিষয়গুলি মিথ্যাচার করা হচ্ছে সেগুলো সরবই বা মিথ্যা। এখানে আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিং হবে সেটা আমরা বুঝিয়ে দিলাম উনারাও বুঝেছেন।ইউনাইটেড ফোরাম অল আদিবাসী অর্গানাইজেশনের কর্ণধার রামদাস কিসকু জানান, আজ এখানে আসার উদ্দেশ্য একটাই ছিল। সরকার যে কয়লা খনিটা করতে চাইছেন সেটা ওপেন না আন্ডারগ্রাউন্ড, বিভিন্ন প্যাকেজ থেকে আরম্ভ করে কিভাবে হচ্ছে তার ডিটেলস জানার জন্য আজকে এখানে এসেছিলাম। সরকারি অর্ডার সহ সরকার কি করতে চাইছেন, সেটা পরিষ্কারভাবে আমাদের কাছে ছিল না। সেটা জানার জন্যই এসেছিলাম। আমাদের মনের মধ্যে যে প্রশ্ন একটা খনি করতে গেলে আদিবাসী উচ্ছেদ বা গ্রাম উচ্ছেদ হচ্ছে কিনা কি কি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এগুলো আমরা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রকম ভাবে প্রশ্ন করেছি, আধিকারিকরা উত্তর দিয়েছেন। কাগজ এবং বাস্তব দুটো আলাদা, আমরা ওই এলাকায় আবার ভিজিট করব এলাকার মানুষ কি বলতে চাইছেন, আজকে যেটা শিখলাম সেটা আমরা বলব, ওনাদের বক্তব্য আমরা শুনবো তারপরে সে সিদ্ধান্ত মানুষই বলবে।বিতান চন্দ্র টুড (ওয়ার্কিং কনভেনার) জানান, বাইরে যেভাবে আমরা শুনেছি, আমরা বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে যেভাবে আমাদের কাছে বিষয়টা এসেছে আর এখানে এসে যা তথ্য পাচ্ছি তার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে বলে আমাদের মনে হয়েছে। সুতরাং কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক সেটা স্পটে গিয়েই আমরা বুঝতে পারবো।

মার্চ ১৯, ২০২৫
কলকাতা

নিউটাউন থানায় মহিলা সাব ইন্সপেক্টরকে মারধর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেপ্তার দুই

শুক্রবার সন্ধ্যায় ২ যুবক মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি নিয়ে সেক্টর ফাইভের দিক থেকে নিউটাউনের দিকে আসিছল। তখন বলাকা আবাসনের কাছে অত্যন্ত বেপরোয়া হবে গাড়ি চালাচ্ছিল বলে এলাকার মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে। গাড়িটি একটা গাড়িকে ধাক্কাও মারে। ওই দুজনকে পুলিশ আটক করে নিয়ে আসে গাড়িসহ। দুই অভিযুক্তকে যখন থানায় কর্মরত অবস্থায় ডিউটি অফিসার সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদা নাম জিজ্ঞাসা করে তখন ওই মহিলা অফিসারের গায়ে হাত দিয়ে মারধর করে এবং পোশাকের দড়ি ধরে টানাটানি করে। এরপরেই পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযুক্ত দুই যুবককে এদিন বারাসাত আদালতে তোলা হয়।

মার্চ ১৫, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুনমুনের ভালোবাসায় আপ্লুত শ্রীলেখা! রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে এ এক অন্য জোট

একঝলকে দেখে মনে হতে পারে শ্রীলেখা মিত্রের মায়ের চরিত্রে মুনমুন সেন! হঠাৎ মেয়ের বাড়িতে এসে ঘর অগোছালো দেখে কোমর বেঁধে পরিপাটি করে ঘর গোছাতে শুরু করলেন। না! এটা কোনও সিনেমার শুটিং নয়। কোনও নাটকের রিহার্সাল-ও নয়। বাস্তবেই এমন ঘটেছে। এবং অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সেই আবেগঘন দৃশ্য নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি এই বিরল মুহূর্ত চাক্ষুষ করে অবিভুত।অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র যে ভিডিও শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, একদা বাংলা সিনেমার হার্টথ্রব সুচিত্রা তনয়া মুনমুন সেন ছাই রঙের ফুলছাপ শাড়ি ও স্লিভলেস ব্লাউজ পরে আঁচল কোমরে গুঁজে পরিপাটি ডাইনিং টেবিলে রাখা মিনারেল ওয়াটারের বোতলগুলি খাট লাগোয়া ছোট টেবিলে গুছিয়ে রাখছেন। মুনমুন বোতলগুলি সরাতে সরাতে বলে ওঠেন, আমি পেটিকোট খুঁজে পাচ্ছি না। মুনমুনের কান্ড দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় শ্রীলেখা। অভিনেত্রী বলে ওঠেন আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন কে দেখো! এই ভদ্রমহিলা আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন। কোনও মানে হয়! আমি করতেও দিচ্ছি। ভিডিয়ো করছি, তবু গোছাতে নিষেধ করছি না! বলতে বলতে দুজনেই উচ্চস্বরে হেঁসে ওঠেন।কোনও কিছুকে পাত্তা না দিয়ে মুনমুন সেন ঘর গুছিয়েই চলেছেন। শ্রীলেখাও সেই অমূল্য মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে চলেছেন। সুচিত্রা সেন তনয়া তাঁর ঘর গোছাচ্ছেন, এইসব দেখে শ্রীলেখা তারস্বরে কান্নার ভঙ্গী করে বলে ওঠেন, আমার লজ্জা করছে। ভীষন লজ্জা করছে, কী মিষ্টি মহিলা! কোনও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মুনমুনকে। একের পর এক জলের বোতল এনে বিছানার পাশে টেবিলে রাখছেন তিনি। তখন বাধ্য হয়ে শ্রীলেখাই বলেন, এ বার তুমি থামো তো! শুধু জলের বোতলের স্থান পরিবর্তন করেই ক্ষান্ত হননি মুনমুন। এর পর শ্রীলেখার মাতৃসমা মুনমুন হাত দেন শ্রীলেখার কস্টিউম বক্সে। জিজ্ঞেস করে চলেন কোনটা কী। শ্রীলেখাও আন্তরিক ভাবে তার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকেন। শ্রীলেখা বলতে থাকেন কোন শাড়ির সঙ্গে কোন গয়না কিনেছেন তিনি। পরিস্থিতি দেখে বোঝা যায়, এটি কোনও হোটেলের ঘরে দৃশ্য।অভিনেত্রীকে যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি। অনেকেরই ধারনা এই দুই অভিনেত্রী একসঙ্গে কোনও শুটিংয়ে গিয়েছেন! এই ভিডিয়ো শেয়ার করে সমাজমাধ্যমে শ্রীলেখা লিখেছেন, কোনও মানে হয়! এত ভালবাসা নিয়ে কী করি! কেউ দেয়নি।বাম মনোভাবাপন্ন শ্রীলেখার সাথে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মুনমুনের এই আবেগঘন মুহুর্তের পোস্টে অনেকেই আপ্লুত। রাজনৈতিক মতাদর্শ যাইহোক পেশাগত ক্ষেত্রে তার উর্ধে ওঠাটাই কাম্য। চিত্র-বিনোদন জগতে আমরা-ওরা মুলত ওই শিল্পক্ষেত্রের-ই ক্ষতি করছে বলে মনে করেন বিদগ্ধজন। এই আবেগঘন পোস্ট মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। দুই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রীকে একান্ত ঘরোয়া পরিবেশে এত স্বাভাবিক কথোপকথন দৃশ্য অনুধাবন করে মুগ্ধ আপামোর নেটরসিক। দুজনের একান্ত দৃশ্য যদি কোনও সিনেমার শুটিংয়ের জন্য গিয়ে থাকেন সেই চমকের দিকেই তাকিয়ে দুই অভিনেত্রীর অনুরাগী মহল।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বিধাননগরে রঙের উৎসবে একই মঞ্চে হাজির সুজিত বসু ও সব্যসাচী দত্ত

ব্যক্তিগত দূরত্ব সরিয়ে রঙের খেলায় এক মঞ্চে হাজির হলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু ও বিধাননগরের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। একসঙ্গে গানের তালে কিছুটা নাচেন দুজনে। আবিরও মাখেন তাঁরা।শুক্রবার দোলের দিন সকালে করুণাময়ী মেলা প্রাঙ্গণে রঙের উৎসবের আয়োজন করা হয়। গানে গানে রঙের খেলায় মেতে ওঠে ছোট বড় সকলে। করুণাময়ী মেলা মাঠে একই সময়ে উপস্থিত হন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু এবং বিধান লনগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। একসঙ্গে দুজনে মঞ্চে। গানের তালে বেশ কিছুটা নাচের প্রচেষ্টা তাদের। বেশ অনেকটা সময় একসঙ্গেই মঞ্চে থাকেন তাঁরা। রাজনৈতিক মহলে তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত দূরত্বের জল্পনা শোনা গেলেও এদিনের মঞ্চে একেবারেই ভিন্ন চিত্র ধরা পড়ে।

মার্চ ১৪, ২০২৫
রাজ্য

শেষমেশ চড়কা কেটে আন্দোলন শুরু দেউচায়, ৩ দিন বন্ধ খননের কাজ

অবেশেষে চড়কা কেটে আন্দোলন শুরু করে দিল আদিবাসীরা। তাঁদের বিক্ষোভের জেরে টানা ৩ দিন ধরে খননের কাজ বন্ধ দেউচা-পাঁচামির। ইতিমধ্যে সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আটক করা হয়েছে আদিবাসী নেতাদের। তবে এবিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রশাসনিক কর্তারা।আন্দোলনের জেরে এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রস্তাবিত কয়লা খনির কাজ টানা তিন দিন বন্ধ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে নিজেদের ভিটেমাটি ছাড়তে নারাজ স্থানীয় আদিবাসীরা। এই প্রসঙ্গে বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, আমরা শিল্পের বিরোধী নই। তবে শিল্পের নামে আদিবাসীদের জল, জমি ও জঙ্গলের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে, চাকরি থেকে বঞ্চিত করে রাজ্যসভার সাংসদ তাঁর নিজের লোকেদের ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। কয়লা শিল্পের নামে পাথর তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তার জন্য আদিবাসী সমাজের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। এই আন্দোলন যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন থেকে দেউচা-পাচামিতে কয়লা খনির খনন কাজ শুরুর কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেও জল, জঙ্গল, জমির অধিকার ছাড়তে নারাজ স্থানীয় মানুষজন৷ বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা৷ বিক্ষোভকারীদের অধিকাংশই আদিবাসী। কোনওরকমে বিক্ষোভ সামাল দিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি রাতের অন্ধকারে মুখ্যমন্ত্রীর মান বাঁচাতে শুরু হয় দেউচায় খনন কাজ। কিন্তু আন্দোলনের জেরে ফের বন্ধ হল খনন প্রক্রিয়া। এই দেউচা-পাচামিতে প্রস্তাবিত কয়লা খনির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই লড়াই-আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ৷ কারণ, এখানে ৩৪০০ একর জমিজুড়ে মজুত রয়েছে কয়লা৷ এই কয়লা উত্তোলন করতে হলে প্রায় ২০ টি গ্রামকে অন্যত্র সরাতে হবে। কমপক্ষে ২১ হাজার মানুষকে পুর্নবাসন দিতে হবে। যার মধ্যে অধিকাংশ আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন। এছাড়া, কয়লা খনি হলে ধ্বংস হবে বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল, জলাভূমি, চারণভূমি। ভারসাম্য হারাবে পরিবেশের। তাই খনির জন্য ভিটেমাটি ছাড়তে নারাজ স্থানীয় বাসিন্দারা।

মার্চ ০৬, ২০২৫
রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনা মালদায়, টোটোকে ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৩, জখম ১

মালদায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় তিনজন মৃত, আহত এক। বৃহস্পতিবার মালদার গাজলের হিয়াঘর এলাকায় ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এক অজানা গাড়ি ধাক্কা দেয় টোটোকে। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। একজন গুরুতর আহত হয়। যদিও ঘাতক গাড়িটির খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছয়টা নাগাদ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেওতলা এলাকার বেশ কিছু লোকজন গাজোলে যাচ্ছিল। কেউ যাচ্ছিল মাছ বিক্রি করতে, কেউ বা আবার আড়ৎ থেকে সবজি কিনতে যাওয়ার জন্য যাচ্ছিল। গাজোল যাওয়ার পথেই গঙ্গারামপুরগামী অজানা গাড়ি ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলে গাজোল থানার পুলিশ ছুটে যায়। মৃতদেহগুলোকে উদ্ধার করে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। আহত ব্যক্তিকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কা জনক। নাম নিজামুদ্দিন সেখ, বয়স ৫৫ । অন্যদিকে মৃতরা হলেন ললিত ভুইমালি (৬০), আলতাফ হোসেন (৪২), শামসুদ্দিন শেখ (৬০)।

মার্চ ০৬, ২০২৫
রাজ্য

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, বিক্ষোভ, ভাঙচুর দমদমের স্কুলে

দমদমের একটি সরকারি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর শীলতাহানির অভিযোগে স্কুলে বিক্ষোভের পাশাপাশি ভাঙচুর চালালো, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা।দমদম ভারতীয় বিদ্যামন্দির স্কুলের ছাত্রীর সাথে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার, নির্যাতিতা ছাত্রী অষ্টম ক্লাসে পঠারত। সে দমদম বিশরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত তিন ফেব্রুয়ারি স্কুলে গেলে অভিযোগ স্কুলের হেডমাস্টার শুভজিৎ ভট্টাচার্য ছাত্রীর শ্রীলতাহানি করেন। এরপর ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে সমস্ত বিষয় জানালে, আজ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীর পাশাপাশি অভিভাবকরা এসে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখায় ও স্কুলে ভাঙচুর করে। অবিলম্বে প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করতে হবে এও দাবি জানায় অভিভাবকরা। অভিযোগ এর আগেও নাকি হেডমাস্টার অনেক ছাত্রীর শীলতাহানি করেছে। তাই এই বিষয় নিয়ে দমদম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তারা।

মার্চ ০৪, ২০২৫
রাজ্য

গাড়ি উল্টে তরুণীর মৃত্যু, শেষমেশ গ্রেফতার বাবলু যাদব, বাকিরা অধরা

রবিবার গভীর রাত্রে পানাগড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের(২৭)। এই মৃত্যুর ঘটনায় পানাগড়ের কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে কটুক্তির অভিযোগ ওঠে। যে সাদা রংয়ের গাড়িতে করে ওই যুবতীকে কটুক্তি করার অভিযোগ ওঠে সেই গাড়ির মধ্যে ছিলেন গাড়ির মালিক বাবলু যাদব। রবিবার দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া বাবলু ও গাড়িতে থাকা বাকিরা। কাঁকসা থানার পুলিশ বাবলু যাদব সহ বাকিদের সন্ধানে মঙ্গলবার বাবলু যাদবের বাড়িতে যায় এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। ঘটনার চার দিনের মাথায় বাবলু যাদবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।অভিযুক্ত বাবলু যাদবকে গ্রেফতার করলেও বাকিরা এখনও অধরা। পুলিশের বিশেষ দল তাকে গ্রেফতার করেছে। আসানসোলের নিঘা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, ওই ঘটনায় প্রথমে ইভটিজিংয়ের দাবি করেছিল পরিবার। যদিও পুলিশ ইভটিজিংয়ের তত্ত্ব খারিজ করে দিয়েছে। বরং পুলিশ দাবি করা হয়েছে, দুটি গাড়ির রেষারেষির জেরেই ঘটে দুর্ঘটনা। সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের মা এদিন বলেছেন, যদিও গ্রেফতার হয়েছে একজন। বাকিদেরও গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করুক। আমি চাই সেদিনের ঘটনায় যাঁরা ছিলেন সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। পুলিশ কি আগে সেভাবেব তৎপরল হয়নি। ওই গাড়ির একজনকে গ্রেফতার করল। আমি সন্তানহারা হয়েছি। আমি চাই ছেলে বা মেয়ে হোক নির্বিশেষে সুরক্ষা থাকে। নিজের খুশি মত বাইরে বের হতে পারে। কেউ অসুস্থ হলে বাইরে ওষুধ আনতে কেউ যেতে পারবে না। সমাজে নিরাপত্তা পাওয়া তো অধিকার। কেন এই নিরাপত্তা পাব না। প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৫
রাজ্য

ফুল দিয়ে সাজিয়ে-গুছিয়ে হাসপাতালেই নার্সিং স্টাফের আইবুড়ো ভাত! বিতর্ক বীরভূমে

নার্সিং স্টাফের আইবুড়ো ভাত খাওয়া নিয়ে তোলপাড় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। আইবুড়ো ভাত খাওয়ার ছবি রীতিমতো সামাজিক সাধ্যমে ভাইরাল। আবার এই অনুষ্ঠান হয়েছে হাসপাতালের পুরুষ বিভাগে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, হাসপাতালে এইরকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ঠিক হয়নি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে নার্সিং স্টাফরা রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুরুষ বিভাগে সহকর্মীর আইবুড়ো ভাতের আয়োজন করে। টেবিলের মধ্যে ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল পঞ্চব্যঞ্জন রান্না। চলে ভুঁড়িভোজ। সেই ছবি সমাজ মাধ্যমে আপলোড করতেই মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।প্রশ্ন হচ্ছে, রোগী পরিষেবা দেওয়ার পরিবর্তে নার্সের পোশাক পরে এই ধরনের অনুষ্ঠান করা যায়? যেখানে হাসপাতালে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কথা সেখানে কাজ বন্ধ রেখে আইবুড়ো ভাত! কোন নার্স এনিয়ে মুখ খোলেননি। তবে হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত সুপার ঈশ্বর চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই ধরনের কোনও অনুষ্ঠান হাসপাতাল চত্বরে করা যায় না। বিষয়টা জেনে তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতালের জয়েন্ট নার্সিং সুপারিন্টেনডেন্ট মুনমুন মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের কাছেই শুনলাম। তদন্ত করে দেখা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

পানাগড়ে তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবলু যাদব কে? তদন্তে সিআইডি

রবিবার গভীর রাত্রে পানাগড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের(২৭)। এই মৃত্যুর ঘটনায় পানাগড়ের কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে কটুক্তির অভিযোগ ওঠে। যে সাদা রংয়ের গাড়িতে করে ওই যুবতীকে কটুক্তি করার অভিযোগ ওঠে সেই গাড়ির মধ্যে ছিলেন গাড়ির মালিক বাবলু যাদব। রবিবার দুর্ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া বাবলু ও গাড়িতে থাকা বাকিরা। কাঁকসা থানার পুলিশ বাবলু যাদব সহ বাকিদের সন্ধানে মঙ্গলবার বাবলু যাদবের বাড়িতে যায় এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। ঘটনার দুদিন কেটে গেলেও এখনও বাবলু যাদবকে গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকার বাসিন্দাদের। কেন এই বাবলু যাদব কে এখনও পর্যন্ত পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারছে না? সেই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।কে এই বাবলু যাদব ?স্থানীয় সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশ থেকে প্রায় দশ বছর আগে পানাগড়ে আসে বাবলু যাদব। পানাগড় বাজারের কাওয়ারি মার্কেটে এক ব্যক্তির দোকানে কাজ শুরু করে। সেখান থেকে পরে লোহার যন্ত্রাংশ অল্প পরিমাণে কেনা বেচার ব্যবসা শুরু করে। মূলত ছোট এবং বড় গাড়ির স্প্রিং পাতির ব্যবসা করতো বাবলু। পরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এক বাংলাদেশের ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। পানাগড়ে কাওয়ারি মার্কেটে মূলত পুরনো গাড়ির স্পেয়ার পার্টস কেনা বেচার বিরাট এলাকা জুড়ে ব্যবসা চলে। অবৈধ গাড়ির কেনা বেচা হয় সমস্তটাই পুলিশের নজর এড়িয়ে। মূলত এখানে ভিন রাজ্য থেকে বড় এবং ছোট গাড়ি কিনে এনে সেগুলিকে কাটাই করে তার সমস্ত যন্ত্রাংশ আলাদা করার পর লোহার কেজি দরে বিক্রি করা হয়। সেখান থেকেই গাড়ির স্প্রিং পাতি কিনে সেগুলি অবৈধভাবে বাংলাদেশ পাচার করত বাংলাদেশী এক ব্যবসায়ীর হাত ধরে। এই ব্যবসা শুরু করার পর মাত্র দু বছরের মধ্যে রীতিমত ফুলে ফেঁপে ওঠে এই বাবলু যাদব। কাওয়ারি মার্কেটের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী হিসেবে তার পরিচিতি বাড়ে। স্প্রিং পাতির ব্যবসার সাথে চোরাই গাড়ি ও পুরনো গাড়ি কিনে সেগুলি বেআইনিভাবে কাটাই করে শুরু হয় আরো একটি ব্যবসা। পুলিশের নজর এড়িয়ে রমরমিয়ে চলতো তার ব্যবসা। গত এক বছর আগে ভিন রাজ্য থেকে একটি লরি কিনে এনে পানাগড় বাইপাসের ধারে একটি ফাঁকা জায়গায় লরিটি কাটাই করার সময় বুদবুদ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ধরে। বাবলু যাদবের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। বুদবুদ থানার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় বাবলু যাদব ও তার সঙ্গী সাথীরা। বাজেয়াপ্ত হয় ভিন রাজ্যের একটি গাড়ির বিভিন্ন পার্টস ও লরির যন্ত্রাংশ।আদালতে পেশ করার পর তারা পরে জামিনে মুক্তি পায়। রবিবার গভীর রাত্রে সেই বাবলু যাদব গাড়ির মধ্যে ছিলেন বলে দাবি করেছেন এসিপি সুমন কুমার জয়সওয়াল। যদিও এসিপি জানিয়েছেন তারা বাবলু যাদবকে শীঘ্রই গ্রেফতার করবে। অন্যদিকে মঙ্গলবার কাঁকসা থানার ঘটনার তদন্তে নামে সিআইডি আধিকারিকরা। এদিন কাঁকসা থানায় আটক হওয়া দুর্ঘটনাগ্রস্থ দুটি গাড়ি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গাড়ি দুটির ছবি ও নমুনা সংগ্রহ করেন সিআইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি পানাগড়ের রাইস মিল মোরে দুর্ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন তারা। এদিন কাঁকসা থানার পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গোটা এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেয়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় দুই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে। যদিও এদিন পুলিশের পক্ষ থেকে সিআইডির হাতে অফিসিয়ালি কোনও তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়নি বলে তারা জানিয়েছেন। অন্যদিকে মঙ্গলবার বিকেলে কাঁকসা থানায় আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি ইস্ট অভিষেক গুপ্তা। এদিন তিনি দুর্ঘটনা গ্রস্থ গাড়ি দুটি খতিয়ে দেখেন। এদিন সাংবাদিকরা ডিসিপি-কে ঘটনার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে গেলে। সাংবাদিকদের উপর ক্ষুব্ধ হন ডিসিপি অভিষেক গুপ্তা।এদিন তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদেরকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি শুধুমাত্র মিডিয়া সন্ত্রাসের কারণে। মিডিয়ায় খবর দেখে সকলে গা ঢাকা দিয়েছে। তার দাবি, সংবাদ মাধ্যমে সোমবার সকাল থেকে যে খবর দেখানো হয়েছে তা সত্য নয়। সোমবার আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি দাবি করেন কোনরকম ইভটিজিংয়ের মতো ঘটনা ঘটেনি। রেষারেষির কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। সেই কথা মঙ্গলবার বিকেলে কাঁকসা থানায় এসে ফের দাবি করেন ডিসিপি।পুলিশ জানিয়েছে, ১০৫ ও ৩০৪ ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।গত রবিবার গভীর রাত্রে হুগলির চন্দননগর থেকে সুতন্দ্রা চ্যাটার্জি একটি ছোট গাড়িতে করে চালকসহ পিছনে তিনজনকে সাথে নিয়ে বিহারের গয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। সেখানে তাদের একটি নাচের অনুষ্ঠান ছিল। বুদবুদের আগে জাতীয় সড়কের ধারে একটি পেট্রোল পাম্পে তারা গাড়িতে তেল ভরার পর। জাতীয় সড়ক ধরে আসানসোলের দিকে যাওয়ার সময় একটি সাদা রঙের ছোট গাড়ি থেকে ৫ জন যুবক তাদের কটুক্তি করে বলে অভিযোগ ওঠে। দুটি গাড়ির মধ্যে কয়েকবার সংঘর্ষ হয়। এরপরই সাদা গাড়িতে থাকা পানাগড়ের বাসিন্দাদের গাড়ি ধাওয়া করে সুতন্দ্রার চার চাকাটি। পানাগড় বাজারের রাইস মিল রোডে সাদা গাড়িটি রাইস মিল রোডে ঢোকার মুখে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সেখানে দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় সুতন্দ্রা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

মদ্যপ যুবকদের গাড়ির তাড়াতে দুর্ঘটনায় মৃত্য যুবতীর, পুলিশের পাল্টা দাবি!

নারী সুরক্ষা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নের মুখে রাজ্য। এবার জাতীয় সড়কে তরুণীর গাড়ি লক্ষ্য করে ধাওয়া মদ্যপ যুবকদের। পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় তরুণীদের গাড়িটি। গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় হুগলির চন্দননগরের বাসিন্দা ওই তরুণীর। যদিও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের দাবি, দুটি গাড়ি রেষারেষি করছিল। কটূক্তি বা তাড়া করার বিষয়টি মানতে চায়নি পুলিশ।চন্দননগরের বাসিন্দা সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়। পেশায় একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার কর্মী সুতন্দ্রা। রবিবার মাঝ রাতে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে একটি গাড়ি করে চন্দননগর থেকে গয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন সুতন্দ্রা। সুতন্দ্রাদের গাড়ি চালকের দাবি, পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদে পৌঁছে তেল ভরার জন্য তাঁরা একটি পেট্রোল পাম্পে গিয়েছিলেন। পেট্রোল পাম্প থেকে তেল ভরার পরেই তাঁদের গাড়িকে ধাওয়া করে অন্য একটি গাড়ি।সেই গাড়িতে ছিল পাঁচ যুবক। ওই যুবকরা প্রত্যেকে মদ্যপ অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ। সুতন্দ্রাকে তারা কটুক্তি করতে থাকে, এরপরই সুতন্দ্রাদের গাড়ি ধাওয়া করতে শুরু করে যুবকদের গাড়িটি। কোনওক্রমে গাড়ি নিয়ে পালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি রাস্তার পাশের দোকানে ধাক্কা মারে সুতন্দ্রাদের গাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি উল্টে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় এবার সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। সুতন্দ্রাদের গাড়িতে থাকা প্রত্যেকেই চোট পেয়েছেন।পরবর্তী সময়ে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যায় পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাঁকসা থানার পুলিশ। তবে অভিযুক্তরা এখনও অধরা রয়েছে। জাতীয় সড়কের CCTV ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যে নারী সুরক্ষা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।পেট্রোল পাম্প থেকেই বারে বারে সাদা গাড়িটি আমাদের গাড়িটিকে ওভারটেক করে। যখন তেল ভরে পেট্রোল পাম্প থেকে গাড়ি নিয়ে বেরোতে যায় তখনই আমাদের গাড়িটিকে বাঁ দিকে চেপে দেয় কিছু দূর গিয়ে আচমকা ব্রেক কষে। তরুণী মৃত্যুতে বিস্ফোরক বয়ান গাড়ির চালকের। দুর্ঘটনার পর ওই গাড়ি চালক দাবি করেন, পেট্রোল পাম্প থেকে বেরোনোর পরেই ওদের গাড়িটা আমাদের গাড়িতে এসে ধাক্কা দেয়। ম্যাডামের দিকে হাত নেড়ে অশ্লীল ইঙ্গিত করছিল ওরা। আমি গাড়ি থামালে ওরা ম্যাডামকে নামিয়ে তুলে নিয়ে চলে যেতে পারত। এদিকে গোটা ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি করেছে মৃতার মা। মাত্র ৮ মাস আগেই স্বামীকে হারিয়েছেন। এবার পথদুর্ঘটনায় মেয়ের মৃত্যুতে স্বাভাবিক ভাবেই বাকরুদ্ধ। হুগলির চন্দননগরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নাড়ুয়া রায়পাড়ার পুরোনো দোতলা বাড়িতে আজ শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরু একচিলতে গলির ধারে বাড়িটির বাইরে এলাকার মানুষজন এবং মিডিয়ার ভিড়। নিজস্ব ট্রুপ নিয়ে প্রোগ্রাম করতে বেরিয়েছিলেন ওই বাড়ির মেয়ে বছর ২৭ এর সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়। গন্তব্য ছিল গয়া। গতকাল রাতেই ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

বাজি কারখানায় ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ, ঝলসে গেল চার কর্মীর দেহ

নদীয়ার কল্যাণীর রথতলা এলাকায় একটি বাজি কারখানায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। ঝলসে গিয়েছে বাজি কারখানার ৪ জন কর্মী। বিস্ফোরণের পরপরই আগুন ধরে যায় গোটা কারখানায়। বীভৎস এই ঘটনায় কমপক্ষে চার জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে দাবি করছেন কেউ কেউ। বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে গিয়েছে কারখানার ছাদ। এদিকে এই ঘটনার পরপরই এলাকায় যায় পুলিশ ও দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারাও। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিস বাহিনী ও দমকল। তবে তার আগেই স্থানীয় মানুষজন আগুন নেভানোর কাজ হাত লাগান। ঠিক কীভাবে ওই বিস্ফোরণ হল তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটি ও মহেশতলায়, উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৫
কলকাতা

নিউটাউনের কারিগরি ভবনে ধুন্ধুমার কাণ্ড, ছুটি নিয়ে বিবাদে ছুরি চালালেন সহকর্মীদের

ছুটি নিয়ে বিবাদ। তার জেরেই যত কাণ্ড। এবার অফিসে ছুটি নিয়ে নিজের সহকর্মীদের উপর ছুরি চালালেন এক ব্যক্তি। ছুরির কোপে এক পুলিশকর্মীও গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিউটাউনের কারিগরি ভবনের ওই ঘটনার পর সেই রক্তমাখা ছুরি নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকেন। এমনকী পুলিশকর্মীরা তাঁকে থামতে বললে ছুরি উঁচিয়ে হুমকি দিতে দেখা যায় সরকারি ওই কর্মচারীকে। অবশেষে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ছুরিটিও।বৃহস্পতিবার নিউটাউনের কারিগরি ভবনে ধুন্ধুমার কাণ্ড। জানা গিয়েছে, ছুটি নিয়ে বিবাদের জেরেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তার ছুটির আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ায় মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি ওই ব্যক্তি। ছুরি দিয়ে আঘাত করে বসেন অফিসেরই তিন সহকর্মীকে। ঘটনাস্থলে থাকা এক পুলিশকর্মীও তাঁর ছুরির কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ঘটনার পর রক্তমাখা সেই ছুরি নিয়েই প্রকাশ্য রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বেরিয়ে যান ঋষ্টপুষ্ট চেহারার ওই ব্যক্তি। তাঁকে থামতে বললে উল্টে হাতে থাকা ছুরি উঁচিয়ে পুলিশকর্মীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,একদম এগোবেন না, চালিয়ে দেব। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি মানসিক অবসাদে ভুগছেন। তারই জেরে তিনি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। তবে ছুরিটি তিনি কোথা থেকে পেলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
রাজ্য

কয়লা উত্তোলন নিয়ে দেউচায় বিক্ষোভের মুখে প্রশাসন, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর শুরু হয় উদ্যোগ

বিশ্ব বঙ্গ বানিজ্য সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের দেউচা-পাঁচামি কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। বীরভূম জেলা প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতো ভূমি পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দেয়। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরের দিন অর্থাৎ আজ, বৃহস্পতিবার জেলা শাসক বিধান রায়, জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ, রাজ্য সভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম ওই এলাকায় যান। তাদের সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। জানা গিয়েছে, এই ভূমি পুজোকে কেন্দ্র করেই দেউচায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উত্তপ্ত থাকে এলাকা। বিক্ষোভ শুরু হতে থাকে। যার দরুন মাঝ পথে বন্ধ হয়ে যায় ভূমি পুজো। আদিবাসীদের বাধায় কয়লা উত্তোলন না করেই ফিরতে হল প্রশাসন। চাঁদা গ্রামের খাস জমিতে শুরু হয়েছিল ভূমি পুজো। আধঘণ্টা পর আদিবাসীদের একাংশের বাধায় পুজো বন্ধ করে দিতে হয়। এমনকি কয়লা উত্তোলনের যন্ত্রাংশ ও কয়লা বোঝাই করতে আসা গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে।পুরোহিত সন্তু চটট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, আমি জানতাম না কোথায় পুজো করতে হবে। আমাকে বলা হয় শোঁতসালে পুজো হবে। পরে দেখলাম চাঁদা গ্রামে নিয়ে এসে পুজো করানো হচ্ছে। কিসের জন্য পুজো করা হচ্ছে সেটাও জানানো হয়নি। পুজো কিছুক্ষণ চলার পর আদিবাসীরা এসে বলেন পুজো বন্ধ করতে হবে। তারা বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পর পুজো হবে। ফলে আদিবাসীদের বাধায় মাঝপথে পুজো বন্ধ করতে হল। হোমযজ্ঞ হলে পুজো সম্পূর্ণ হত। চাঁদা গ্রামের বাসিন্দা পদ্মা বিত্তার, মিতালী দলুইরা বলেন, আমরা সরকারি জমিতে বসবাস করি। আমরা ভূমিহীন, দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছি। কয়লা উত্তোলন হলে আমরা থাকব কোথায়? আমাদের কাজ দিতে হবে। থাকতে দিতে হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুজো হয়েছে। কয়লা উত্তোলনের যন্ত্রাংশ চালানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
রাজ্য

সরকারি উদ্যোগে বর্ধমানে শুরু 'সাঁওতালি' ভাষায় একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতা

দেশের বৃহত্তম ভাষার অন্যতম বাংলা ভাষা যখন ইংরাজি ও হিন্দির চাপে এক সন্মিলিত ভাষায় পরিণত হওয়ার প্রহর গুনছে, ঠিক সেই সময় সাঁওতালি ভাষায় একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সত্যিই প্রশংসনীয়। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগর উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের তত্ত্বাবধানে পূর্ব বর্ধমান জেলায় বর্ধমান শহরের অদূরে দেওয়ানদিঘী প্রীতিলতা মঞ্চে মহাসমারোহে শুরু হল তিনদিন ব্যাপী ৩০তম আদিভাষায় জেলা ও আঞ্চলিক স্তরের আদিবাসী একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতা। বুধবার দেওয়ানদিঘীর প্রীতিলতা মঞ্চে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহকারি সভাধিপতি গার্গী নাহা, ও কর্মাধ্যক্ষ মিঠু মাঝি। উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) প্রতীক সিং (আইএএস), সদর উত্তর মহুকুমাশাসক তির্থঙ্কর বিশ্বাস, পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি দেবু টুডু। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, স্থানীয় ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক রজনীশ কুমার যাদব সহ আরও বিশিষ্ট মানুষজন।এই সুবিশাল কর্মকান্ডের প্রধান উদ্যোগী পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেনী উন্নয়ন দপ্তর। ওই দপ্তরের আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল সকলকে অবাক করে দিয়ে তাঁর স্বাগত ভাষণ শুরু করেন অলচিকী ভাষায়। কোনওরকম স্ক্রিপ্ট ছাড়াই অনর্গল ভাবে সাঁওতালি ভাষায় তাঁর বক্তব্য এই অনুষ্ঠানে পরম প্রাপ্তি। তিনি তাঁর স্বাগত ভাষণে সকলকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ জানান। এই ভাষার প্রচার প্রসার করার শুভ উদ্যোগের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানান।অথিতিবর্গের সকলেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। মাতৃভাষার রক্ষণাবেক্ষণে এই উদ্যোগ সত্যিই প্রসংসার দাবি রাখে, জানালেন পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের মেন্টর মহঃ ইসমাইল। পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রকল্প আধিকারিক ও অনগ্রসর শ্রেণী উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল জানান, প্রীতিলতা মঞ্চ, দেওয়ানদীঘিতে বুধ ও বৃহস্পতিবার দুই দিনের জেলা পর্যায়ের এবং শুক্রবার জোনাল লেভেল একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতা (সাঁওতালি ভাষা) অনুষ্ঠিত হবে। তিনি জনতার কথা মাধ্যমে সকল নাট্যপ্রেমী মানুষজনকে নাটকের আনন্দ উপভোগ করার আহ্বান জানান।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
হেঁসেল

সুস্বাদু মানকচু বাটা, নিমিষে তৈরি করে ফেলুন রসুই ঘরে

মিলি রায়এমন স্বাদের সত্যি ভাগ হবে না। মানকচু বাটার রেসিপি মুখে দিলে তা মন থেকে যাবে আজীবন। আর বারে বারেই মনে হবে আর একটু হলে কেমন হতো। তাহলে চটপট করে জেনে নেওয়া যাক মানকচু বাটা তৈরির সহজ প্রণালী। সবজি বাজার থেকে টাটকা দুধ সাদা মানকচু নেবেন। এবার তৈরির পালা। এর সঙ্গে পরিমান মতো নারকেল, সাদা সর্ষে, কাল সর্ষে, অল্প চিনি, কাজু বাদাম, অল্প পোস্ত লাগবে। লাগবে কাচা লঙ্কা, কয়েক কোয়া রসুন। অবশ্যই আন্দাজ মতো নুন। সমস্ত উপকরণ দিলেও নুন না দিলেই স্বাদের দফারফা। এখন কচু খাওয়ায় বাঙাল-ঘটির কোনও ফারাক নেই। মানকচু বাটার সমস্ত উপকরণ হাজির। এবার মিক্সার গ্লাইন্ডারে একে একে সব দিতে থাকুন। মানকচুটা অবশ্যই গ্রিড করে নিতে হবে। তাহলে মিক্সিংয়ে সুবিধা হবে। মিক্সিং শেষ হলেই কড়াইতে অল্প সর্ষের তেলে ফ্রাই করা। মানকচু বাটাকে একটু নাড়িয়ে নিলেই হবে। এবার চাই গরম ভাত। একেবারে গ্যারান্টি এক কচু বাটা দিয়েই সব ভাত উঠে যাবে। কেউ ভাবতেই পারবে না কচুবাটা না অমৃত। আর দেরি না করে রসুই ঘরে গিয়ে সেরে ফেলুন সুস্বাদু মানকচু বাটা। এই কচুর নামেই সার্থকতা। মান-কচু।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বীরভূমের গ্রামে দুষ্কৃতী তান্ডব, গণপিটুনি, পুলিশের কলার ধরে হুমকি!

কয়েক মূহুর্তের ঘটনায় পরিচিত পেল বীরভূমের সিউড়ির মিনিস্টিল গ্রাম। দুষ্কৃতী তান্ডব, গণপিটুনি, জখম, শেষমেষ পুলিশের কলার ধরা। তারপর গ্রামে পুলিশের অভিযান। গ্রেফতার। এদিন সকালে সিউড়ির মিনিস্টিলে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গ্রামে প্রবেশ করে দুই যুবক। তাদের হাতেনাতে পাকড়াও করে গ্রামবাসীরা। পুলিশকে ঘিরেও চলে ব্যাপক বিক্ষোভ। পরিস্থিতি আয়ত্বে আনতে লাঠি হাতে তারা করে পুলিশ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ দুজন যুবক বাইরে থেকে এসে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গ্রামের ভেতর প্রবেশ করতে যাচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীরা হাতেনাতে ধরে ফেলে ওই যুবকদের। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে, সাথে চলে গণপিটুনি। দড়ি দিয়ে পিছেমোড়া করে বাঁধা হয়। গণপিটুনিতে একজন গুরুতর আহত হয়েছে। তাদেরকে ইতিমধ্যেই আটক করেছে সিউড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে উত্তেজিত জনতা।উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মুর্শিদাবাদের ডোমকলের পর এবার ঘটনাস্থল বীরভূমের সিউড়ি। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করা দুই যুবককে গ্রামবাসীরা মারধর করেছে খবর পেয়ে এলাকায় গিয়েছিল পুলিশ। ওই দুই যুবককে ধরে থানায় আনতে গিয়েই বাধে বড় বিপত্তি। ভািরাল ভিডিওতে দেখা যায় থানার আইসি-র কলার ধরে টানাটানি করার অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীকে মারধর পর্যন্ত করা হয়েছে।এভাবে পুলিশকর্মীদের ওপর গ্রামবাসীদের একটি বড় অংশ চড়াও হওয়ার পর প্রথমে পুলিশ পিছু হটে। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এরপর শুরু হয় লাঠিচার্জ। ব্যাপক লাঠিচার্জ করে এলাকা ফাঁকা করে দেয় পুলিশ। ওই দুই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই দুই যুবকের সঙ্গে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতা দখলের ফলে এই অশান্তি বলে খবর।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৫
রাজ্য

কালিয়াচকের তৃণমূল কর্মী খুনের মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার, এদিনই মালদায় গিয়েছিলেন ডিজি

মালদায় এসেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। শুক্রবার তিনি নিহত বাবলা সরকারের স্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তার আগে পুলিশ সুপারের অফিসে উত্তরবঙ্গের আইজি, ডিআইজি সহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজীব কুমার। অবশেষে এদিন বিকেলেই জানা গিয়েছে, মালদার কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনে গ্রেফতার হয়েছে মূল অভিযুক্ত জাকির শেখ। তৃণমূল কর্মী খুনের তিন দিন পর এদিন সন্ধ্যায় কাশিমনগরের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কুখ্যাত দুষ্কৃতী জাকির শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কর্মী আতাউল হককে খুন এবং দলের দুই নেতার ওপর গুলি করে মাথা থেঁতলে খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় সাতসকালে খুন হন তৃণমূল কর্মী আতাউল হক (৫০)। এই ঘটনার সময় নওদা যদুপুর তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি বকুল শেখ এবং সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসকদলের নির্বাচিত শাসকদলের সদস্য এসারুদ্দিন শেখের ওপর হামলা চালানো হয়। আহত দুই তৃণমূল নেতা এখনও চিকিৎসাধীন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আমির হামজা নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপরই ওই খুন এবং হামলার মূল ষড়যন্ত্রী জাকির শেখকে ধরতে ড্রোন উড়িয়ে এবং পুলিশ কুকুর দিয়েও চলে তল্লাশি অভিযান। গ্রেফতার হয় জাকির শেখ। পুলিশ জানিয়েছে, কাশিমনগরের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কুখ্যাত দুষ্কৃতী জাকির শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগামিকাল, শনিবার মালদা আদালতে জাকিরক পেশ করা হবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুম্বাইয়ের নিজের বাড়িতেই ছুরি দিয়ে কোপানো হল সাইফ আলি খানকে, হাসপাতালে ভর্তি: পুলিশ

মুম্বাইয়ের বাড়িতে অনুপ্রবেশকারীর ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছেন বলিউডের শীর্ষ অভিনেতা সাইফ আলি খান। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি।ঘটনাটি ঘটে রাত ২টার দিকে বান্দ্রার সাইফ আলি খানের ১১ তলার ফ্ল্যাটে এক অঞ্জাত পরিচয় ব্যাক্তি ঢুকে পড়ে। অভিনেতা অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে চেষ্টা করলেও অনুপ্রবেশকারী তাকে ছুরিকাঘাত করে।গত রাতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি অভিনেতা সাইফ আলি খানের বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তার পরিচারিকার সাথে তর্ক করে। অভিনেতা যখন হস্তক্ষেপ করে লোকটিকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, তখন সে সাইফ আলি খানের উপর হামলা করে তাকে আহত করে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে, মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় বাড়ি সইফের। এই বাড়িতেই থাকেন অভিনেতার স্ত্রী তথা বলিউডের ডাকসাইটে অভিনেত্রী করিনা কপূর। সুত্রের খবর, দুষ্কৃতী যখন সেই বাড়িতে প্রবেশ করে সেই সময় অভিনেতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন।জানা গেছে বান্দ্রা থানার পুলিশ সইফ আলি খানের ওপর এই হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন সুত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, সইফ আলি খান আপাতত লীলাবতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সইফ-কে ছুরি দিয়ে-ই কোপানো হয়েছে না কি হামলাকারীদের সাথে ধস্তাধস্তির জন্য তিনি আহত হয়েছেন, এব্যাপারে স্পষ্ট কোনও প্রমান মেলেনি। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। বান্দ্রা থানার পাশাপাশি এই ঘটনার তদন্ত শুরু করছে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।বিস্তারিত আসছে......

জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
রাজ্য

কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার এক, একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

মালদার কালিয়াচকে নওদা যদুপুর এলাকায় তৃণমূল কর্মী খুন এবং অঞ্চল সভাপতি ও প্রাক্তন প্রধানের ওপর হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ব্রিজের নাম আমির হামজা। বুধবার ধৃতকে মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। এদিকে এদিন নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকা সকাল থেকেই ছিল জনশূন্য। বন্ধ ছিল বিভিন্ন দোকান, বাজার-হাট। সকাল থেকেই গ্রামে দফায় দফায় টহল দিয়েছে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। এলাকা দখল নিয়েই মূলত এই ঝামেলা বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। যার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সেই জাকির শেখের একটি খুনের হুমকি দেওয়া ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলা জুড়ে। ইতিমধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের জেলা সংখ্যালঘু সেলের সহ-সভাপতি মহম্মদ আজমল শেখ। তিনি বলেন, বকুল ও জাকিরের পুরনো শত্রুতা রয়েছে। জাকিরকে তৃণমূলে নিতে বারণ করেছিলাম। দলে জেলার শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছিলাম এতে গোষ্ঠী কোন্দল বাড়বে। তাও আমার কথা শোনা হয়নি। মালদার কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি সারিউল শেখের মদতে দলে ঢোকে। এরপর থেকেই সমস্যা সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ভিডিওতেই দেখা যাচ্ছে জাকির শেখ কিভাবে নওদা যদুপুরে তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান সহ আরো বেশ কয়েকজনকে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তাহলে কেন পুলিশ স্বীকার করছে না যেগুলি চলেছে। সঠিক তদন্তে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম আমির হামজা(২৪)। তার বাড়ি উত্তর দাড়িরাপুর নয়াবস্তি এলাকায় । এদিকে জাকির ও তার অনুগামীরা এই ঘটনা ঘটানোর পর ভিন রাজ্যে বা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে পারে এই কারণে বাংলাদেশ সীমান্ত ও বাংলা, বিহার, ঝাড়খন্ড সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ১২ দিন আগেই খুন হয় জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বাবলা সরকার। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার এই ঘটনা। এদিকে এই ঘটনার পর ওই এলাকায় স্নিপার ডগ নিয়ে তল্লাশী চালাচ্ছে পুলিশ। বুধবার সকালে স্নিপারডগ নিয়ে নওদা যদুপুর এলাকায় তল্লশী চালায়।রক্তমাখা জামা কাপড় শুকানো হয় কুকুরকে। এই ঘটনার পর ব্যাপক আতংক ছড়িয়েছে ব্যবসায়ী মহলে। মালদা জেলার মার্চেন্ট চেম্বার অফ কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন,বর্তমানে জেলার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।মানুষ বাড়ি থেকে কম বেরোচ্ছে। ব্যবসায় প্রচন্ড ক্ষতি হচ্ছে। বেশি রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে ভয় পাচ্ছে অনেক ব্যবসায়ীরা। আমরা চাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। সন্দেহের তালিকায় রয়েছে আরো ৬ জন। পুলিশের দাবি গুলি চলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে আহত বকুল শেখ ও তার ভাই মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, কে কি ভিডিও করে হুমকি দিচ্ছে তার দায়ভার তৃণমূল নেবে না। তবে পুলিশের সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ তদন্ত করছে দোষীরা শাস্তি পাবে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে মালদার কালিয়াচক থানা নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের দিয়ে থেঁতলে খুন করে দুষ্কৃতীরা।গুরুতর আহত হয়ে নওদা যাদবপুর অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি বকুল শেখ ও তার ভাই তথা দলের পঞ্চায়েত সদস্য এসারুদ্দিন শেখ। এই ঘটনায় খুন হন আতাউল হক নামে তৃণমূল কর্মী। আহত দুই তৃণমূল নেতা চিকিৎসাধীন মালদা মেডিকেল কলেজে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ...
  • 78
  • 79
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিরাটির পর দত্তপুকুরে রাতভর তাণ্ডব! একে একে পাঁচ সিপিএম অফিসে ভাঙচুর-আগুন, উঠল বিজেপির নাম

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটিতে সিপিএমের সভা ঘিরে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাতের দিকে দত্তপুকুরে একের পর এক সিপিএমের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বামেদের দাবি, দত্তপুকুরে মোট পাঁচটি দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। কয়েকটি অফিসে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সিপিএমের অভিযোগ, শুক্রবার রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা রড ও হাতুড়ি নিয়ে একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। অফিসের আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়। দেওয়ালে থাকা বাম নেতাদের ছবিও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি দলের। দত্তপুকুরের দুনম্বর রেলগেট, গঙ্গাপুর মোড় এবং দত্তপুকুর স্টেশনের কাছে-সহ একাধিক এলাকায় এই হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। একটি কার্যালয়ে কাগজপত্র বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।এই হামলার পিছনে সরাসরি বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম। দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খান দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার বারাসত এক নম্বর বিডিও দফতরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সিপিএমের বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির পরেই পার্টি অফিসগুলিতে হামলার ঘটনা ঘটায় দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনায় পুলিশে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।তবে সিপিএমের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরিন্দম দে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও যোগ নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ফলে দত্তপুকুরের ঘটনা নিয়ে দুই দলের মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগ ও রাজনৈতিক চাপানউতোর।এর আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটির বণিক মোড়ে সিপিএমের একটি পথসভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। সভামঞ্চে ভাঙচুর, চেয়ার ভাঙা এবং ব্যানার নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। বামেদের দাবি, সভায় হামলার পাশাপাশি তাঁদের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল।বিরাটির ঘটনার ক্ষেত্রেও সিপিএম বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। দলের বক্তব্য, পুলিশের উপস্থিতিতেই সভামঞ্চে হামলা হয়েছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের আটকাতে কার্যকর পদক্ষেপ করেনি। সুজন চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত প্রতিবাদ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিজেপির তরফে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারের দাবি, সভায় স্থানীয়রা কিছু স্লোগানের প্রতিবাদ করেছিলেন এবং উল্টে তাঁদের দলের মহিলা কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন।একই রাতে হাবড়াতেও বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার অভিযোগ ওঠে। হাবড়া এক নম্বর রেলগেটের কাছে এসএফআইয়ের পথসভায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। বিজেপির বিরুদ্ধে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে বিজেপি। এই ঘটনায় হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।বিরাটি, হাবড়া এবং দত্তপুকুরের পরপর ঘটনাকে ঘিরে উত্তর ২৪ পরগনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। দত্তপুকুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এসএফআই নেতা আকাশ করকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ-সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন। তবে সিপিএম যে বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার মূল অভিযোগ তুলেছে, সেই অভিযোগের সঙ্গে ওই গ্রেফতারের যোগসূত্র বা হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিলের কাছে ৪-০ হার, তবু যুবভারতীতে লড়াইয়ের গল্প লিখল ভারত

যুবভারতীতে ফলাফলটা ভারতের পক্ষে নয়। স্কোরবোর্ডে ৪-০। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে শনিবার যে লড়াই উপহার দিল ভারত, তা নিছক চার গোলের হারের গল্প নয়। গুরপ্রীত সিংহ সান্ধুর দুটি বড় ভুলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারত। তবে রায়ান উইলিয়ামস, মনবীর সিংহ, অভিষেক সিংহদের লড়াকু ফুটবল প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের মন জিতে নিল।ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটাই প্রশ্নব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ভারত কত গোল হজম করবে? মাঠে সেই আশঙ্কার ছাপ অবশ্য শুরুতে খুব একটা দেখা যায়নি। বরং প্রথমার্ধের একটা বড় সময় ভারত রক্ষণ সামলে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে উঠে এসেছে। ব্রাজিলের তারকা সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে বেশ কিছুটা সময় আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিল ভারতীয় রক্ষণ।কিন্তু বড় দলের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলের মূল্য যে কতটা চড়া হতে পারে, যুবভারতী তারই সাক্ষী থাকল।গুরপ্রীতের দুই ভুলেই পিছিয়ে পড়ল ভারতশুরুতেই ভিনিসিয়াসের শট আটকে গুরপ্রীতকে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল। গ্যালারি থেকেও এসেছিল প্রশংসার আওয়াজ। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না।২৮ মিনিটে বক্সের ডান দিক থেকে এস্তেভাওর নেওয়া শট ছিল গুরপ্রীতের নাগালের মধ্যেই। বলের গতি বেশি থাকলেও সেটি সামলানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল ভারতীয় গোলরক্ষকের। কিন্তু তাঁর হাতের নীচ দিয়ে বল গড়িয়ে জালে ঢুকে যায়। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০।প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ভারত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বিরতির ঠিক আগে ফের বিপর্যয়। ৪২ মিনিটে এস্তেভাওর তৈরি করা সুযোগ থেকে পেদ্রোর শট আটকাতে গিয়ে গুরপ্রীতের ডান হাতের গ্লাভসে বল লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়।মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল। অথচ প্রথমার্ধে ভারত যে ভাবে রক্ষণ সামলাচ্ছিল, তাতে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল।এরপর আরও একটি বিপজ্জনক মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল। ভিনিসিয়াসের শট গুরপ্রীতের গায়ে লেগে গোলের দিকে যাচ্ছিল। পিছন থেকে দানিলো ছুটে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় রক্ষণ কোনও রকমে পরিস্থিতি সামলে নেয়।ব্রাজিলের তারকাদের আটকে রাখল ভারতব্রাজিল যে ভারতকে হালকা ভাবে নেয়নি, প্রথম একাদশেই তার প্রমাণ ছিল। ভিনিসিয়াস, মার্কুইনহোসদের সঙ্গে বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা থাকা ফুটবলাররাও ছিলেন দলে।তবু ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের আক্রমণকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয়নি। ভিনিসিয়াস বাঁ দিক দিয়ে বারবার আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও তাঁকে বেশির ভাগ সময় নজরে রেখেছিলেন অভিষেক সিংহ। ব্রাজিলীয় তারকা কয়েক বার ড্রিবল করে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও অভিষেক পিছনে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন।শুধু রক্ষণ নয়, সুযোগ পেলেই ভারতীয় ফুটবলাররা পাল্টা আক্রমণে উঠেছেন। রায়ান উইলিয়ামস ও মনবীর সিংহের গতির উপর ভর করে ব্রাজিলের বক্সে ঢোকার চেষ্টাও হয়েছে একাধিক বার।বিরতির পর বদলে গেল ব্রাজিলদ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন আনেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। মাঠে আসেন গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ়, স্যামুয়েল লিনোর মতো ফুটবলাররা। পরিবর্তিত দল নিয়েও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি।৫৮ মিনিটে বিজয়ের পা থেকে বল কেড়ে নেয় ব্রাজিল। দূর থেকে শক্তিশালী শটে গোল করেন স্যামুয়েল লিনো। ভারত তখন ৩-০ পিছিয়ে।তবে এই সময়েও ভারত লড়াই থেকে সরে যায়নি। ৬৪ মিনিটে রায়ান উইলিয়ামস ব্রাজিলের বক্সে ঢুকে পড়ে গোলের সুযোগ তৈরি করেন। তাঁর শট আটকে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক মাউরো।এর কিছুক্ষণ পর রায়ান ও মনবীরের দারুণ বোঝাপড়ায় ফের সুযোগ তৈরি হয়। রায়ান বল বাড়ান মনবীরকে। পরে মনবীরের ক্রস ফের রায়ানের দিকে। চলতি বলে শট নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।সেই মুহূর্তে যুবভারতীর গ্যালারিতে হয়তো অনেকেরই মনে হয়েছিলএকটি গোল অন্তত প্রাপ্য ভারতের।শেষ মুহূর্তেও গোলের ধাক্কাম্যাচের বাকি সময়ে দুদলই আক্রমণে উঠেছে। ভারত চেষ্টা করেছে ব্যবধান কমানোর, ব্রাজিল খুঁজেছে আরও গোল। শেষ পর্যন্ত সংযুক্তি সময়ের একেবারে শেষ দিকে চতুর্থ গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল।লিনোর শট প্রভসুখন গিলের শরীরের নীচ দিয়ে গোলে ঢুকে যায়। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।চার গোলের ব্যবধান নিঃসন্দেহে বড়। কিন্তু ম্যাচের পুরো ছবিটা শুধু স্কোরলাইন দিয়ে বোঝা যাবে না। ভারতীয় দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ব্যক্তিগত ভুল এবং আক্রমণে শেষ পাস বা ফিনিশিংয়ের অভাব।তার বিপরীতে ইতিবাচক দিকও কম নয়। বিশ্বমানের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে ভারত ভয় পেয়ে গুটিয়ে থাকেনি। রায়ান, মনবীর, অভিষেক, বিজয়রা বারবার প্রতিপক্ষের অর্ধে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে অভিষেকের ভিনিসিয়াসকে সামলানোর চেষ্টা এবং রায়ানের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নজর কেড়েছে।সামনে আরও কঠিন পরীক্ষাব্রাজিলের বিরুদ্ধে ০-৪ হার দিয়ে ভারতের এই পর্ব শেষ হচ্ছে না। বরং সামনে আরও একটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আগামী ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।যুবভারতীর রাত ভারতের জন্য ফলের দিক থেকে হতাশার হলেও, লড়াইয়ের মানসিকতা পরের ম্যাচের আগে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাতেই পারে। চার গোলের ব্যবধানের আড়ালে তাই থেকে গেল অন্য এক ছবিবিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ফুটবলারদের হার না মানা লড়াই।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের চেয়ার এবার কাকলির হাতে! দোলার জায়গায় বিজেপি, সংসদে রদবদল ঘিরে তুমুল চর্চা

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হাতছাড়া হয়েছে। রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির থেকে বেরিয়ে যাওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদার। অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে। তাঁর জায়গায় চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীকে।শনিবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলির পুনর্গঠনের পরই এই রদবদলের কথা প্রকাশ্যে আসে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এবং লোকসভার স্পিকারের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের স্থায়ী কমিটির নতুন চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য পুনর্গঠিত কমিটিগুলির মধ্যে রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বাণিজ্য সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন সুধাংশু ত্রিবেদী।এই বদলকে ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে মূলত কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কেন্দ্র করে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একদল সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। তাঁরা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছিলেন। পরে সংসদে তাঁদের আসনেও পরিবর্তন করা হয়।এ বার সেই বিদ্রোহী শিবিরেরই অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদের জায়গায় রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। ফলে সংসদীয় কমিটির এই রদবদলকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদে দোলা সেনের জায়গায় এসেছেন বিজেপির সুধাংশু ত্রিবেদী। অর্থাৎ একই রদবদলে তৃণমূল দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হারাল। একটি পদ গেল বিজেপির হাতে, অন্যটি গেল তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রীর হাতে।তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ সাংসদপদ এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তৃণমূলের তরফে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। লোকসভার সচিবালয় ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তাঁদের সাংসদপদ বাতিল হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।ফলে এক দিকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে তৃণমূলের দুই চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হওয়া, অন্য দিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্ব পাওয়া এবং একই সময়ে বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকাসব মিলিয়ে সংসদে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেয়েদের পর ছেলেরাও সোনা! মালয়েশিয়াকে ৫-১ উড়িয়ে ইতিহাস, অলিম্পিকের টিকিটও পাকা ভারতের

৪৪ বছর পর মেয়েদের হকিতে সোনা এসেছিল। এ বার পুরুষদের দলও সেই পথেই ইতিহাস গড়ল। মালয়েশিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে পুরুষ হকির সোনা ধরে রাখল ভারত। শুধু সোনাই নয়, এই জয়ের সঙ্গে ২০২৮ সালের অলিম্পিকের সরাসরি যোগ্যতাও অর্জন করল হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম একই আসরে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল দুটিই সোনা জিতল। পুরুষ হকিতে পরপর দুবার সোনা জেতার নজিরও এই প্রথম ভারতের।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ভারত। ১১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তবে বেশিক্ষণ সেই ব্যবধান থাকেনি। পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে সমতা ফেরায় মালয়েশিয়া। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আবার ভারতকে এগিয়ে দেন যুগরাজ সিং। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকেই আসে সেই গোল।বিরতির পর একের পর এক সুযোগ তৈরি করছিল ভারত। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান বাড়ান হার্দিক সিং। এর পর ৫৪ মিনিটে শিলানন্দ লাকরা গোল করে ভারতের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৫-১ করেন হরমনপ্রীত। ১৪টি পেনাল্টি কর্নার পেলেও ভারত তার মধ্যে তিনটি কাজে লাগাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিয়েই সোনা নিশ্চিত করে ভারত।হকির পাশাপাশি কুস্তিতেও সোনা এসেছে। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আমন সেহরাওয়াত। এক সময় এগিয়ে থেকেও পরে পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচ জিতে নেন ভারতীয় কুস্তিগির। এই বিভাগে এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন আমন। অন্য দিকে মহিলাদের ৫৩ কেজিতে রুপো পেয়েছেন অন্তিম পাঙ্ঘাল। পুরুষদের ৯৭ কেজিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন দীপক পুনিয়া।তিরন্দাজিতেও ইতিহাস তৈরি হয়েছে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভ বিভাগে সোনা জিতেছেন কুমকুম মহোদ। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের পর লড়াই ৫-৫ সমতায় শেষ হয়। শুট-অফে নিখুঁত ১০ পয়েন্ট তুলে সোনা নিশ্চিত করেন কুমকুম। এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভে সোনা জেতা প্রথম ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজ তিনি। পুরুষদের রিকার্ভে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন নীরজ চৌহান।গলফেও এল ঐতিহাসিক সাফল্য। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে ১৫ আন্ডার ২৬৫ স্কোর করে সোনা জিতেছেন প্রণবী উরস। এশিয়ান গেমসে এই বিভাগে ভারতের প্রথম সোনা এটি। দলগত বিভাগেও রুপো পেয়েছে ভারত।দিনের শেষে ক্রিকেটেও সোনার মুকুট পেল ভারত। পুরুষদের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে ২১১ রান তোলে। অভিষেক শর্মা ২৮ বলে ৬১ রান করেন। তিলক বর্মা ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। জবাবে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানেই থেমে যায়। হাসান নওয়াজ ৫১ বলে ৯৬ রান করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও পাকিস্তানকে জেতাতে পারেননি।এর ফলে এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের দুই সোনাই এ বার ভারতের দখলে। মহিলা দলও আগে সোনা জিতেছিল। হকি এবং ক্রিকেটের পাশাপাশি কুস্তি, তিরন্দাজি ও গলফে সাফল্য মিলিয়ে শেষ দিনে ভারতের সোনার সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ২১টি সোনা, ২৭টি রুপো এবং ৩৭টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ৮৫টি পদক নিয়ে এশিয়ান গেমস শেষ করেছে ভারত। পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এস্তেভাঁও-পেদ্রো-লিনোর গোলের ঝড়, তবু ভারতকে নিয়ে কেন আলোচনা? ব্রাজিলের বিরুদ্ধে যুবভারতীর ম্যাচে চমক

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে স্বপ্নের ম্যাচ। ফল অবশ্য ভারতের পক্ষে গেল না। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শনিবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতকে ৪-০ গোলে হারাল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এস্তেভাঁও, পেদ্রো এবং স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলোত্তির দল। তবে স্কোরলাইন যতই একপেশে হোক, ভারতের ফুটবলাররা বেশ কিছু সময়ে ব্রাজিলকে চাপে ফেলেছেন এবং একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি করেছিলেন।বিশ্ব ক্রমতালিকায় ব্রাজিল পঞ্চম এবং ভারত ১৩৮ নম্বরে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ছিল স্পষ্ট। ভারতের সামনে ছিল দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার বিরল সুযোগ। শেষ পর্যন্ত হার এলেও ম্যাচের শুরুতে ভারত যথেষ্ট লড়াই করেছে। ব্রাজিল প্রথম গোল পায় ২৮ মিনিটে। এস্তেভাঁওয়ের বাঁ পায়ের শটে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৪২ মিনিটে পেদ্রো ব্যবধান বাড়ান। প্রথমার্ধ শেষ হয় দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই।দ্বিতীয়ার্ধে ভারত চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ব্রাজিলের আক্রমণ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। বদলি হিসেবে নামা স্যামুয়েল লিনো ৫৮ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন। অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় ৪-০ করেন তিনি। ফলে বড় ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হলেও ভারতের লড়াইয়ের কয়েকটি মুহূর্ত আলাদা করে নজর কেড়েছে।ভারতের আক্রমণেও সুযোগ এসেছিল। মনবীর সিং এবং রায়ান উইলিয়ামস গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের রক্ষণ এবং গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি তাঁরা। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে ভারত আক্রমণে উঠেছে এবং শুধু নিজেদের অর্ধে আটকে থাকেনি।রক্ষণেও আনোয়ার আলি ও আকাশ মিশ্রকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দায়িত্ব সামলাতে দেখা যায়। ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকা থাকলেও ভারত শুরুতে তাঁদের গতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুও একাধিক বার ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকান।এই ম্যাচে ভারতীয় গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলেরও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলাটাই তাঁর কাছে বড় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল। ভারতের কোচ খালিদ জামিলের কৌশল নিয়েও ম্যাচের আগে যথেষ্ট আলোচনা ছিল। পানামার বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের পর ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর দল কী ভাবে খেলবে, ছিল সেটাই বড় প্রশ্ন।ভারত শেষ পর্যন্ত গোলের মুখ খুলতে পারেনি এবং চার গোল হজম করেছে। কিন্তু দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলার এই অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলের জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও ম্যাচটিকে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।ফল ভারতের পক্ষে নয়, সেটাই সত্যি। কিন্তু যুবভারতীর সেই সন্ধ্যায় ব্রাজিলের মতো বিশ্বমানের দলের বিরুদ্ধে ভারতের ফুটবলাররা যে লড়াইয়ের কিছু ছবি রেখে গেলেন, সেটাই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। ০-৪-এর স্কোরলাইন তাই ম্যাচটির পুরো গল্প বলে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ককপিটে হামলার পর যাত্রীরাই ধরলেন সহ-পাইলটকে! তারপর তাঁকে ছেড়ে দিতে কেন চাপ এসেছিল?

মাঝ আকাশে ককপিটে হামলা। তার পর যাত্রীদের তৎপরতায় আটক হলেন অভিযুক্ত সহ-পাইলট। তাঁকে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে দাবি যাত্রীদের। কিন্তু সেই সময় বিমানের অন্য কর্মীদের কয়েক জন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফ্লাইদুবাইয়ের দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অন্য কর্মীরা কোনও ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত চলছে।ঘটনাটি ঘটে বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে। বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, ওমানের নাগরিক সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি ককপিটে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় ককপিটের জরুরি কুঠার ব্যবহার করা হয়েছিল এবং অভিযুক্ত সহ-পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।হামলার পর বিমানটি আচমকা নীচে নামতে শুরু করে। ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর গুরুতর আহত অবস্থাতেও ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। তখন কয়েক জন যাত্রী ভিতরে ঢুকে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ধরে ফেলেন। পরে তাঁকে বেঁধে রাখা হয় বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। এই তৎপরতার ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে অন্য দুই পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান।বিমানে থাকা দুই যাত্রী জিকা মানেস এবং ড্যানিয়েল স্লিখটার দাবি করেছেন, কয়েক জন যাত্রী মিলে হামামকে আটকেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, হেডফোনের তার এবং টেপ ব্যবহার করে তাঁকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এর পর বিমানের অন্য কয়েক জন কর্মী এসে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কেন তাঁকে মুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তা তাঁরা বুঝতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন ওই যাত্রীরা।এই দাবিই এখন নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে শুধু যাত্রীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিমানের অন্য কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, এমন তথ্য এখনও নেই। ফ্লাইদুবাইয়ের ওই কর্মীরা কেন অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে যাত্রীরা দাবি করছেন, তা তদন্তের বিষয়।এদিকে হামাম আল-হামামির অতীত নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এর আগে ওমানের বিমান সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং তাঁকে উড়ান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর পরিচয় ও অতীত নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন দাবির সবটাই এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত হয়নি।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্ত সহ-পাইলটের অতীত এবং ঘটনায় আর কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।ফ্লাইদুবাই বিমানের এই ঘটনায় দ্রুত যাত্রীদের হস্তক্ষেপ এবং পরে অন্য পাইলটদের বিমান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘটনাই বড় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছে। কিন্তু অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে বেঁধে রাখার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কর্মীদের চাপ দেওয়ার যে দাবি যাত্রীরা করেছেন, সেটি তদন্তে কতটা সত্যি, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
কলকাতা

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় নামছে ককরোচ জনতা পার্টি? পুজোর পর কীসের প্রস্তুতি

দিল্লি, মুম্বইয়ের পর এবার কি কলকাতার রাস্তাতেও নামতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি? মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এখনও পর্যন্ত এই কর্মসূচির দিনক্ষণ বা স্থান চূড়ান্ত হয়নি।এর আগে নিট পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তবে সেই কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি বলে দাবি। এবার এসআইআর এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কলকাতায় নতুন করে কর্মসূচি করার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর।সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রস্তাবিত কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব। কোথায় এবং কবে সভা করা হবে, তা নিয়ে তৃণমূলের পাশাপাশি বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গেও আলাদাভাবে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে অভিজিৎ দীপকেরা এই বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন বলে সূত্রের দাবি।এর মধ্যেই আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ওই কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে দিল্লির পর কলকাতাতেও একই ধরনের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে তৃণমূলের সাহায্যের খবর সামনে আসতেই তা নিয়ে কটাক্ষ করেছে সিপিএম। সংগঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে বামেদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, স্যান্ডো গেঞ্জির আবার বুকপকেট। ওদের দলে কতজন আছে যে সহযোগিতা করবে। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরে নিট আন্দোলন থেকে শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টির বিভিন্ন কর্মসূচিতে এসএফআই সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে। কলকাতায় কর্মসূচির বিষয়ে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বও কথা বলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির আদৌ কোনও সভা হয় কি না, হলে তাতে কারা যোগ দেন এবং এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কী কর্মসূচি নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বারবার ধসে বন্ধ শিলিগুড়ি-সিকিমের পথ! এবার বদলে যাবে দশ নম্বর জাতীয় সড়ক, তৈরি হবে সুড়ঙ্গ-উঁচু সেতু

বর্ষা এলেই ধস, কখনও মাটি বসে যাওয়া, আবার কখনও যানজটে থমকে যায় পাহাড়ের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার অন্যতম প্রধান পথ দশ নম্বর জাতীয় সড়কের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ শুরু হল। রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার রাস্তার আমূল উন্নয়নের জন্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার প্রকল্পের দরপত্র ডেকেছে জাতীয় সড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে রাস্তা চওড়া করার পাশাপাশি একাধিক সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধসপ্রবণ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দশ নম্বর জাতীয় সড়কের রংপো থেকে রানিপুল অংশটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫.৮৭ কিলোমিটার। বর্তমানে এই রাস্তার একাধিক অংশ বর্ষায় ধস এবং মাটি বসে যাওয়ার সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন প্রকল্পে বর্তমান রাস্তা দুই লেনে উন্নীত করা হবে। রাস্তার দুপাশে পাকা অংশও রাখা হবে। পাশাপাশি ধসপ্রবণ এবং মাটি বসে যাওয়ার এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এই প্রকল্পে একাধিক সুড়ঙ্গ এবং উঁচু সেতুপথ তৈরির পরিকল্পনা। পাহাড়ের যে অংশগুলিতে রাস্তা বারবার ধসের কবলে পড়ে বা মাটি বসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে নতুন পরিকাঠামোর মাধ্যমে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা হবে। ফলে প্রকল্পটি শুধু রাস্তা চওড়া করার কাজ নয়, বরং গোটা রংপো-রানিপুল পথের পরিকাঠামো নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা।এই প্রকল্পের জন্য দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। ৬ নভেম্বর থেকে দরপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তা জমা দেওয়া যাবে। ১৭ নভেম্বর দরপত্র খোলার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্রয় ও নির্মাণ পদ্ধতিতে করার পরিকল্পনা হয়েছে। সরকারি নথিতে কাজের সময়সীমা ৪৭৪৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা দীর্ঘদিন ধরেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এই রাস্তা শুধু সিকিম বা কালিম্পংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ, পর্যটন, পণ্য পরিবহণ এবং সীমান্ত এলাকার অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে।বর্ষায় দশ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামলে সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী থেকে পণ্যবাহী গাড়িসবাইকে তার প্রভাব সামলাতে হয়। সেই কারণে নতুন প্রকল্পে রাস্তার নিরাপত্তা এবং সারা বছর যোগাযোগ সচল রাখার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সরকারি দরপত্রের নথিতে প্রকল্পটির আনুমানিক মূল্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ ৪০ হাজার ১৮৭ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দরপত্রের কাজের বিবরণে দুই লেনের রাস্তা, পাকা পাশের অংশ, সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধস ও মাটি বসে যাওয়ার প্রবণ এলাকার চিকিৎসার কথা স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত দশ নম্বর জাতীয় সড়কের চেহারা অনেকটাই বদলে যেতে পারে। পাহাড়ি পথে ধসের ঝুঁকি কমানো, যান চলাচল আরও মসৃণ করা এবং সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ আরও নির্ভরযোগ্য করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal