• ১৩ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

AC

রাজ্য

কেটে আসা ঘুড়ি ধরতে যাওয়াই কাল হল বর্ধমানের স্কুল ছাত্রের

কেটে আসা ঘুড়ি ধরতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল ছাত্রের। মৃত ছাত্রের নাম রাজগুরু চট্টোপাধ্যায় (১৪)। মৃত কিশোরের বাড়ি বর্ধমানের নাড়ীকলোনী অরবিন্দপল্লী এলাকায়। বর্ধমান টাউন স্কুলের নবম শ্রেণীর পড়ুয়া ছিল। বুধবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ছাত্রের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ তাঁর পরিবার, পরিজন ও প্রতিবেশীরা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্র রাজগুরু চট্টোপাধ্যায় এদিন স্কুলেও গিয়েছিল। দুপুরে সে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরে। ছাত্রের বাবা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে খাওয়া দাওয়া সারে। তার পরেই খেলতে যাবার জন্য এক বন্ধু তাকে ডাকতে আসে। তখনই রাজগুরু বর্ধমানের কালনাগেট বাঁকা ব্রিজের কাছে খেলতে চলে যায়। সন্ধ্যায় প্রাইভেট টিচারের কাছে পড়তে যাবার কথা থাকলেও রাজগুরু বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তার খোঁজ শুরু করে। জয়ন্তবাবু বলেন,তখন এক পরিচিত মারফত তাঁরা তাঁদের ছেলে রাজগুরুর ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যুর কথা জানতে পারেন। এও জানতে পারেন, খেলার সময়েই রাজগুরু সুতো কেটে ভাসতে থাকা একটি ঘুড়ি দেখতে পায়। ওই ঘুড়িটি ধরতে গিয়ে রেল লাইনের উপর চলে যায় রাজগুরু। তখই দুরন্ত গতিতে ধেয়ে আসা একটি ট্রেন সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। জিআরপি দুর্ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহ উদ্ধার করে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়ায় গ্রেফতার তিন নাবালক, মজা পেতেই নাকি এই কান্ড

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে ঢিল ছোড়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই তিন কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও কুমারগঞ্জের ঢিল ছোড়ার ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে ধৃত কিশোরদের জবানবন্দিতে তাজ্জব পুলিশ। আরও এক অভিযুক্ত কিশোরকে খুঁজছে পুলিশ।পুলিশের কাছে জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, তারা নাকি নেহাত মজার ছলেই মঙ্গলবার আপ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছুড়েছিল। বৃহষ্পতিবার ওই তিন নাবালককে গ্রেপ্তার করেছে কিষানগঞ্জের পুঠিয়া থানার পুলিশ। অভিযোগ পুঠিয়া থানার অধীন নিমলা গ্রামের কাছে এনজেপিগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়ে এই নাবালকের দল। রেলের প্রকাশ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তিন জন ছাড়াও ঘটনাস্থলে আরও একজন ছিল। তারও খোঁজ চলছে।এই ঘটনার পরেই আরপিএফের ইন্সপেক্টর অমৃত কুমার বর্মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসঙ্গে ঢিল ছোড়ার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও সামনে নিয়ে আসে রেল। এরপরই পুলিশ ওই সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। একজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক। এইদিন বিহার পুলিশের সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের সময় মালিগাঁও থেকে আসা আরপিএফের ডিআইজি রাজেন্দ্র বাবু রূপ নবার, আরপিএফের কাটিহার জোনের কমান্ড্যান্ট কমল সিং ও পুঠিয়ার ওসি নিশিকান্ত কুমারও ছিলেন। কিষানগঞ্জের পুলিশ সুপার ডাঃ এমানুল হক মেগনু জানান, ধৃত তিনজনকে কিষানগঞ্জ জুভেনাইল কোর্টে তোলা হয়েছে।বাংলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর থেকেই সোমবার এবং মঙ্গলবার পরপর দুদিন ট্রেন লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বঙ্গ রাজনীতি। এনআইএ থেকে সিবিআই, সিআইডি তদন্তের দাবি উঠতে থাকে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে ঢিল ছোড়া ইস্যুতে। তৃণমূল এই ঘটনায় বিজেপির ষড়যন্ত্র দেখে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

এবার মাদক তৈরির কারখানার হদিশ মালদার কালিয়াচকে, কি মিলল তল্লাশিতে?

বর্ধমানে মিলেছিল হেরোইন তৈরির হদিশ। এবার কালিয়াচক এলাকায় মাদক তৈরির বেআইনি কারখানার হদিশ পেল পুলিশ। মালদার কালিয়াচক থানার শ্রীরামপুর এলাকার একটি বাঁশ বাগানের মধ্যে বিপুল পরিমাণ মাদক তৈরির সামগ্রী লুকানো ছিল। তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্রাউন জাতীয় মাদক তৈরির কারবার এই এলাকায় চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা । যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পরিষ্কারভাবে কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রীরামপুর এলাকার বাঁশবাগানের একটি পরিত্যক্ত এলাকায় মাটির নীচ থেকেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদক তৈরির ওই সামগ্রীগুলো উদ্ধার করে। যার মধ্যে অপরিশোধিত উপকরণ এসিটাইল ক্লোরাইড ৪০ বোতল, দুটি ২ পয়েন্ট ৩ মাপের প্লাস্টিকের পাত্র, সোডিয়াম সালফেট অ্যানহাইড্রাস ১৮২ কেজি , বেশ কিছু কেমিক্যাল মেশানো কাপড়, জ্যামকড ৫০০ গ্রাম বোতলের ১০ পিস , বেশ কিছু স্টিলের পাত্র, সাদা জামাকাপড়, ৮টি বাঁশের তৈরি ঝুড়ি, ১০টি প্লাস্টিকের মগ সহ আরও বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, এতদিন কালিয়াচকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র কারখানার হদিস পেয়েছে পুলিশ। কিন্তু এই প্রথম মাদক তৈরির অস্থায়ী ছোট ধরনের একটি কারখানার হদিশ পেয়েছে কালিয়াচক থানার পুলিশ । গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরেই বাঁশ বাগানের পরিত্যক্ত জায়গায় অভিযান চালায় এবং সেই জায়গার প্রায় কুড়ি মিটার এলাকা জুড়ে মাটি খোঁড়াখুঁড়ির পর একের পর এক মাদক তৈরী সামগ্রী উদ্ধার হতে থাকে। যা দপখে রীতিমতো হতবাক তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। কারা কিভাবে এই ধরনের মাদকের কারবার চালাচ্ছে, তারই খোঁজ চলছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মূলত এইসব উদ্ধার হওয়া রাসায়নিক সামগ্রী দিয়েই ব্রাউন সুগার জাতীয় নেশার জিনিস তৈরি করতো মাদক কারবারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করার লক্ষ্যে চিরুনি তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল, সিবিআই নয় সিআইডিতে ভরসা বিজেপি সাংসদের

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়া নিয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, বিডিও অফিসে ঢিল ছুড়ুন। তদন্তের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ বলেও মনে করেন সুভাষ সরকার।বঙ্গে প্রথম তিন দিনের যাত্রাতেই দুবার ঢিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এই ঘটনায় বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়। বন্দে ভারতে দ্বিতীয়বার হামলার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নয় সিআইডি তদন্ত চাইছেন।বুধবার সুভাষ সরকার বলেন, বন্দে ভারতে দ্বিতীয় দিন হামলা হল, পরিকল্পিতভাবে পাথর ছোড়া হল। তারপরও রাজ্য সরকার ও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বক্তব্য নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উন্নয়নই কী রাজ্য প্রশাসন বরদাস্ত করতে পারছেন না? এটা স্পষ্ট করে রাজ্যবাসীকে রাজ্য সরকার তাহলে জানিয়ে দিক। না হলে চাইব, মানীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই হামলার তদন্তে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিন। আমি বলছি না এতে সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন। রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট যোগ্য। কোথা থেকে কারা ঢিল ফেললেন তা খুঁজে বার করুক পুলিশ। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে যেন কোনও স্বজনপোষণ রাজনীতি না হয়। রাজ্য পুলিশ সুয়োমোটো এফআইআর করুন আজকের মধ্যে, ইতিমধ্যেই দেরি হয়ে গিয়েছে, আর দেরি ঠিক হবে না।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

মহা সমারোহে শুরু দু'দিন ব্যাপী বর্ধমান মডেল স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শুক্রবার বর্ধমানের বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হল। ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর যথা শুক্র ও শনিবার এই অনুষ্ঠান চলবে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (OAER) র সচিব ও বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ও ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত।এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার অন্যান্য কলেজের অধ্যক্ষ যথা লিজা ব্যানার্জী (BIMS), ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (OIST), সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা (সোসাইটির সদস্য), বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শম্বুনাথ চক্রবর্তী, স্কুল পরিচালন সমিতি-র সদস্যা ডঃ ইন্দ্রানী মুখার্জি ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাষ দত্ত। অথিতিদের বরণ করে নেন বর্ধমান মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক (প্রিন্সিপ্যাল) বিপিন বিহারী সিং।সুসজ্জিত মঞ্চওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সচিব তথা বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন সামগ্রিক শিক্ষার কথা। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বই-মুখী পড়াশোনার বাইরেও সমাজ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়, সমাজ যে শিক্ষা দেয় তা চিরস্থায়ী। তিনি জানান, করোনা অতিমারীর কারণে দীর্ঘ দুবছর অপেক্ষার পর এবছর আবার খুব জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সংস্থার বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেসমারাইজ (Mesmerize-2K22) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।নৃত্য পরিবেশনওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন পড়াশোনায় টেকনোলজি-র প্রভাব। তিনি বলেন, আগের প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীরা জানতেই পারতো না যে, সে যে বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে সেই বিষয়ে বিশ্বের সেরা শিক্ষক কে? আজকের ছাত্রদের কাছে সেটা খুবই মামুলি ব্যাপার, সেই শিক্ষক আজ তাদের মুঠোয় বন্দি (Mobile)। তিনি আরও বলেন, টেকনোলজিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই অনেক দূর অবধি যাওয়া যায়। তিনি বেশ কয়েকজন ছাত্রের উদাহরণ টেনে বলেন, তাঁরা এই টেকনলজির সাহায্য নিয়েই (অন লাইন এডুকেশন) এই বছর সারা ভারতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য র্যাঙ্কিং করেছে।রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাস চন্দ্র দত্ত তাঁর বক্তব্যে জানান, বিজ্ঞানমনস্ক না হলে উন্নতি কিছুতেই হবেনা। ছাত্রছাত্রীদের খুব অল্প বয়স থেকেই বিজ্ঞান শিক্ষায় উৎসাহী করে তুলতে হবে। তাঁর কথায়, জীবনের চলার পথে বিজ্ঞানকে আমরা কখনোই অবহেলা করতে পারবো না। এরপর বর্ধমান মডেল স্কুল-র বার্ষিক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধন করেন সম্মানিত অতিথিবর্গ। এছাড়াও স্কুলের ছাত্রদের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য পুরস্কৃত করা হয়।বার্ষীক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধনস্কুলের খুদে বাচ্চা থেকে শুরু করে বড়দের নাচ, গান, নাটক ও আবৃত্তিতে ভরে ওঠে অনুষ্ঠান। অভিভাবক সহ সাধরণ দর্শককুল দারুণভাবে উপভোগ করেন আজকের এই অনুষ্ঠান। বিশেষ করে হিন্দি নাটকে বেড়ালের চরিত্রে ছোট্ট আদিত্য সিং-র অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়ে যায়। এছাড়াও স্কুলের আবৃত্তি শিক্ষিকা সুদেষ্ণা আচার্যের তত্ত্বাবধানে অনুপ্রাণ সমবেত আবৃত্তি এককথায় আসাধরণ। ৪০ জন ছাত্র ছাত্রী সম্বলিত এই প্রয়াস এক কথায় অনবদ্য। একেবারে অনুষ্ঠানের শেষ লগ্নে বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান বার্তা নিয়ে সমগ্র দেশের বিভিন্ন নৃত্য শৈলীর সমন্বয় ঘটিয়ে স্কুলের নৃত্য শিক্ষিকা তুনা রুদ্রের প্রয়াস সত্যিই মেসমারাইজ (Mesmerize)।ছোটদের আবৃত্তিসঙ্গীত বিভাগের দুই শিক্ষক নম্রতা রায় ও সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়-র নিরলস প্রয়াস ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গীত প্রদর্শন এক অন্য মাত্রা পায়। এবছরের মেসমারাইজ-এর (Mesmerize) সবচেয়ে বড় পাওনা ব্যান্ড বিএমএস। স্কুলের এক ঝাঁক ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে তৈরি এই ব্যান্ড মুগ্ধ করে দেয় তাদের উপস্থাপনায়। নম্রতা রায়ের প্রচেষ্টা ও কর্নধার অচিন্ত্য মণ্ডলের উৎসাহে এই ব্যন্ড সত্যিই ব্রান্ড বিএমএস (Brand BMS)উল্লখ্য গতকাল ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তিনদিন ব্যাপি ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-র কলেজ গুলির Mesmerize-2K22 শীর্ষক বার্ষিক সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠান শুভ সূচনা হয়। ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কলকাতার ফকিরা ব্যান্ড গান পরিবেশন করেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে শহরে সুপারস্টার অমিতাভ

২৮ তম কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনে শহরে এলেন বলিউড সুপার স্টার অমিতাভ বচ্চন। তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে আসেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। বৃহস্পতিবার বিকেলে নেতাজী ইনডোর স্টেডিয়ামে এই প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানে বলিউডের সুপারস্টার শাহরুখ খান, জয়া বচ্চন, রানী মুখার্জি, শত্রুঘ্ন সিনহা, সহ এক ঝাঁক তারকার উপস্থিত থাকার কথা।কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের যাত্রা শুরু ১৯৯৫-এ। সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন এবং বাংলার চলচ্চিত্রের মহীরুহদের পদচিহ্নে এই উৎসব আজ ভারত ছাড়িয়ে আন্তঃর্জাতীক সমাদর পেয়েছে। বিশ্ববরেণ্য বাংলা চলচিত্রকার-দের অনুপ্রেরণা ও অবদানে আজ কলকাতা চলচিত্র উৎসব আক্ষরিক অর্থেই আন্তঃর্জাতীক।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
কলকাতা

বগটুইয়ের নথি এল সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে

রামপুরহাটের অস্থায়ী সিবিআই-এর ক্যাম্প থেকে নথি নিয়ে আসা হল ফিজিও কমপ্লেক্স এর সিবিআই দপ্তরে। বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরেই সিবিআই এর তরফ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। লালন শেখের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআইকে দোষারোপ করেছে তাঁর পরিবার। সিবিআইকে কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও।সিবিআই কাস্টাডিতে বগটুই কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় মধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে মৃত্যু হয় বগটুই কাণ্ডের অন্য়তম অভিযুক্ত লালন শেখের। এই ঘটনার পর সিবিআই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসে পৌঁছেছে সিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। কলকাতায় পৌঁছে সোজা সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন তিনি। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত মিটিং করেন তিনি। বুধবার সকালে আবার ফিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে এসে পৌঁছেছেন অজয় ভাটনগর। পাশাপাশি রামপুরহাটের সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে একাধিক নথি এবং হার্ডডিস্ক মনিটার সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে আসা হয়েছে সল্টলেক এর সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দফতরে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

বেপড়োয়া চারচাকা গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত সিভিক ভলেন্টিয়ার

ডিউটি সেরে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির ধাক্কায় জখম হলেন একজন সিভিক ভলেন্টিয়ার। তাকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে অনানয় সুপার স্পেশালিষ্টি হাসপাতালে। জখম সিভিক ভলেন্টিয়ারের নাম সেখ নাজির হোসেন। বাড়ি মেমারির বাগিলায়।প্রত্যক্ষদর্শী আকাশ চৌধুরী বলেন, চারচাকা গাড়িটি পুলিশ লাইনের দিক থেকে উল্লাস মোড়ের দিকে যাচ্ছিল।প্রথমে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি রিক্সাকে ধাক্কা মারে। তারপর বাইকের পিছনে ধাক্কা মারে গাড়িটি।পর পর ধাক্কা দেওয়ার পর বেগতিক বুঝে গাড়ির চালক আলিশা বাসস্ট্যাণ্ডের সামনে গাড়ি রেখে চম্পট দেয়।গাড়ির সামনে লেখা আছে অন ডিউটি গর্ভমেন্ট অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল। বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জখম সিভিক ভলেন্টিয়ার বর্ধমান শহরের জিটি রোডের বাদামতলা মোড়ে সোমবার ডিউটি করছিলেন। দুপুরে ডিউটি সেরে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় পড়েন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
দেশ

গুজরাটে গেরুয়া ঝড়ে নয়া ইতিহাস, হিমাচলে হাতের দাপটে ঝরল পদ্ম

গুজরাটে সপ্তমবারের জন্য সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে সেখানে উড়ে গিয়েছে কংগ্রেস। ১৮২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ১৫৬টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ১৭টি, আম আদমি পার্টি ৫টি আসন জয় পেয়েছে। অন্যরা পেয়েছে ৪টি আসন। এরাজ্যে এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল ৭৭টি আসন। মনে করা হচ্ছে, কংগ্রেসের একটা বড় অংশের ভোট পেয়েছে আপ।হিমাচলপ্রদেশে ৬৮ আসনের মধ্যে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ৪০ আসনে। বিজেপি জয় পেয়েছে ২৫টি আসনে। অন্যরা পেয়েছে ৩টে আসন। এর আগে হিমাচলপ্রদেশে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। তবে কংগ্রেসের আশঙ্কা বিজেপি যেনতেন প্রকারেণ সরকার গঠনের প্রচেষ্টা চালাতে পারে। তাই বিধয়কদের ওপর কড়া নজর রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের। তবে এই পাহাড়ি রাজ্যে কংগ্রেসের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিজেপি।গুজরাটে রেকর্ড জয়ের পর দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গুজরাটের জয়ের জন্য সেখানকার সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, গুজরাটের মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছে। দেশের সংকটের সময় দেশের জনতা ভরসা করে বিজেপিকে। দল সেখানে হারলেও হিমাচলের পাশে থাকবে কেন্দ্র। সেখানকার উন্নতিতে সামিল হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
দেশ

গুজরাটে বিরোধীদের দুরমুশ করে ফের ক্ষমতার দোরগোড়ায় বিজেপি, হিমাচলে হাড্ডাহাড্ডি

মরবি সেতু দুর্ঘটনার পর এভাবেও যে ক্ষমতায় আসা যায় তা হয়তো ভাবেননি স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ। ফলাফলের ট্রেন্ড দেখে বোঝাই যাচ্ছে রীতিমতো কংগ্রেসসহ বিরোধীদের ওপর যেন বুলডোজার চালিয়ে দিয়েছে। দুরমুশ করে এখনও অবধি গুজরাটে ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৫১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসনে ও আম আদমি পার্টি ৮টি আসনে এগিরয়ে রয়েছে। অন্যরা এগিয়ে রয়েছে ৪টি আসনে। গুজরাটে নিরঙ্কুশ ভাবে এগিয়ে থাকলেও হিমাচলপ্রদেশে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এই পাহাড়ী রাজ্যের ৬৮ আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৩৩টি আসনে, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৩১টি আসনে। এই রাজ্যে নির্দলরা এগিয়ে রয়ছে ৪টি আসনে।গুজরাটে টানা ২৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও সরকার বিরোধী কোনও হাওয়াই তুলতে পারেনি কংগ্রেস। আপ এবার সেখানে প্রথমবার লড়াই করেই আপাতত ৮ আসনে এগিয়ে রয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে গুজরাটে ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। সেই আসন ধরে রাখা দূরের কথা, তার কাছাকাছিও এবার নেই হাতশিবির। জিগনেশ মেভানি, মহেন্দ্র সিং বাঘেলাসহ তাবড় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব পিছিয়ে রয়েছেন। তবে হিমাচলে কখনও কংগ্রেস এগোচ্ছে কখনও বিজেপি এগিয়ে যাচ্ছে। মোদ্দা কথা হিমাচলে কে সরকার গড়বে এখনই বলা মুশকিল। কিন্তু মোদি-শাহের রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠন করা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

গুলিবিদ্ধ শিক্ষক, বীরভূম থেকে আপাতকালীন নিয়ে আসা হল বর্ধমান মেডিকেল কলেজে

বীরভূমের মহম্মদবাজারে গুলিবিদ্ধ শিক্ষককে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সোমবার রাতে মহম্মদবাজার থানা এলাকার হাবরাপাহাড়ী গ্রামে সুটআউট হয়। গুলিতে মৃত্যু হয় এক খাদান কর্মীর, গুলিতে জখম হন শিক্ষক ধনা হাঁসদা। তিনি বীরভূমের স্থানীয় ডোলকাটা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকতা করেন। জখম শিক্ষক ধনা হাঁসদাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তার অবস্থার অবনতি হওয়ার তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। নিহত খাদান কর্মী ধানু সেখ ও শিক্ষক ধনা হাঁসদা একটি ক্লাবে বসে রাতে গল্প করছিলেন। সেই সময় এক অজ্ঞাত পরিচয়ে ব্যাক্তি সাইকেলে করে এসে গুলি চালায়। গুলি ধানু সেখের বুকে লাগলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। অন্য গুলিতে জখম হন শিক্ষক ধনা হাঁসদা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের কমন ফেসিলিটি সেন্টারে জরি এণ্ড জারদৌসি কারখানা

কমন ফেসিলিটি সেন্টার নামে জরি এণ্ড জারদৌসি শিল্পের জন্য কারখানা তৈরি হলো পূর্ব বর্ধমানের সেহারা অঞ্চলের বাজিতপুর গ্রামে। সেহারা বাজার জরি এণ্ড জারদৌসি প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারিং ইণ্ডাস্ট্রিয়াল ক্লাসটার কোঅপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামক এই শিল্পে ৫০০ থেকে ৬০০ জন মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। মূলত মহাজনী কারবারের মাধ্যমে এতদিন চলছিল এই শিল্প। যার সুবিধা পাচ্ছিল মহাজনরাই।করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে ভিন রাজ্য থেকে নিজেদের এলাকায় ফিরে আসতে হয়েছিল। কাজ হারিয়ে বসেছিলেন। তারা এবার জরি এবং যারদৌসি শিল্পে তাদের কর্মসংস্থান হাওয়ায় তারা খুশী।

নভেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

রাইস মিল মেসিনারীর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী বর্ধমানে

বর্ধমান জেলা রাইস মিলস এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায় বর্ধমানের আলমগঞ্জের কল্পতরু ময়দানে চতুর্থ রাইস মিল মেসিনারীর আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হল। ২৫ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিন ধরে এই প্রদর্শনী চলবে।এই মেলায় দেশী-বিদেশী প্রায় ১৭০টি কোম্পানির আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ মেশিনারী এবং প্রদর্শনীর স্টল বসেছে। বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশের মানুষ এই এক্সপোতে মিলিত হয়েছেন তাদের বিশ্বমানের প্রযুক্তিতে তৈরি মেশিনারী নিয়ে।প্রদর্শনী থেকে উপকৃত হবেন পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ রাজ্যের একাধিক জেলার এই ট্রেডের ব্যবসায়ীরা।২০১৫ সালে প্রথম এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৭, ১৯ সালে করার পর ফের এবছর এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। তিনদিনের এই মেলায় বিচিত্রা অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।শুক্রবার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা সভাধিপতি সম্পা ধারা, পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন প্রমুখ।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হার কাকে বলে? পিছিয়ে যাওয়াকে, সত্যি টা মেনে না নেওয়া কে? বোধহয় তাই!

হার কাকে বলে? পিছিয়ে যাওয়াকে, সত্যি টা মেনে না নেওয়া কে? বোধহয় তাই।কিন্তু ও তো পিছিয়ে যায়নি। বার বার সামনে এসে হাসি মুখে দেখিয়ে গেছে, দেখিয়েছে ওর এগিয়ে যাওয়া।ও তো মিথ্যের আশ্রয় নেয় নি। বার বার সবাই কে গলা চিরে চিৎকার করে বলেছে ওর সত্যিটা। বলেছে ও ভালো থাকতে চায় আমাদেরই মত।ক্যামেরার ঝলসানিতে থেমে যায়নি তো ওর পদক্ষেপ, চোখ একবার ও বন্ধ হয়ে যায়নি। একবার ও দুঃখ কে মুখের সামনে আসতে দেয়নি যাতে আমরা ভালোবাসতে ভয় না পাই। শিখিয়ে দিতে চেয়েছে চরৈবেতি মন্ত্র।ও আসলে জিতে গেছে, সবাই কে দেখিয়ে গেছে কষ্ট ,মৃত্যু, কিছুই ভালোবাসার কাছে হার মানে না। ভালোবাসার জোরে ঐন্দ্রিলারা বার বার জন্ম নিতে চায়, বার বার সত্যি কে মেনে নিতে আপস করে না। বার বার ঐন্দ্রিলারা বেঁচে থাকতে চায় সব্যসাচী দের জন্য।

নভেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

রাসায়নিক সারের কালোবাজারি রুখতে গোডাউনে হানা কৃষি আধিকারীকের

মালদহের চাঁচলে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি রুখতে নড়েচড়ে বসল কৃষি দপ্তর। দীর্ঘদিন ধরেই রাসায়নিক সারের কালোবাজারি নিয়ে সরব হয়েছিলেন চাষীদের একাংশ।পরিপ্রেক্ষিতে নড়েচড়ে বসল কৃষি দফতর।মজুত করে রাখা সারের গোডাউন খতিয়ে দেখলেন স্বয়ং মালদা জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা সৌমেন্দ্রনাথ দাস,চাঁচল মহকুমা কৃষি আধিকারিক অতীন মোদক,ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট মনোজিৎ নস্কর সহ কৃষি আধিকারিকেরা।এদিন চাঁচল-১ ব্লকের খরবা পঞ্চায়েত এলাকার বেশ কয়েকটি সারের দোকানের গোডাউনে অভিযান চালানো হয়।এর আগে চাঁচলে অভিযোগ উঠছিল, নির্ধারিত দামের থেকে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে রাসায়নিক সারের।কৃষি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যে সমস্ত সার ব্যবসায়ীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চলবেন না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সারের সঠিক এমআরপি দামে কৃষকেরা সার কিনতে পারেন সেদিকেও আমরা লক্ষ্য রাখব।সারের কালোবাজারির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছেন চাষীরা।কৃষি আধিকারিকের আশ্বাসের পর সঠিক এম আর পি তে কৃষকরা সার কিনতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মাত্র ২৪-এ চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা, ২০ দিনের যাবতীয় লড়াই শেষ

অবশেষে জীবনযুদ্ধে হার মানতে হল অভিনেত্রীকে। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ২০ দিন ধরে তিনি ভর্তি ছিলেন হাওড়ার হাসপাতালে। হাসপাতালে সর্বক্ষণ ছিলেন সব্যসাচী চৌধুরী, রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা।গতকাল রাতে টানা ১০ বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে ঐন্দ্রিলার। ২০ দিন আগে অভিনেত্রীর স্ট্রোক করায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর আগে ২০১৫-তে বোন ম্যারো ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা। দিল্লিতে সেই সময় কেমো থেরাপি চলেছিল। ২০১৬-তে সুস্থ হন তিনি। ক্যানসারকে হারিয়ে দিব্যি অভিনয় করছিলেন। এরপর ২০২১-এ ডান ফুসফুসে টিউমার ধরা পড়েছিল। শেষমেশ হার মানলেন ঐন্দ্রিলা। এদিন ১২টা ৫৯ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে টলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় কি লিখেলেন সব্যসাচী?

কয়েক হাজার মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার জন্য এতখানি লেখা প্রয়োজন ছিল। একটু কষ্ট করে পড়ে নিও। পরশুদিন সকালে ঐন্দ্রিলার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়, চোখের সামনে দেখলাম ওর হার্টরেট ড্রপ করে চল্লিশের নিচে নেমে তলিয়ে গেলো, মনিটরে ব্ল্যাঙ্ক লাইন, কান্নার আওয়াজ, তার মাঝে ডাক্তাররা দৌড়াদৌড়ি করছেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে হৃদস্পন্দন ফের ফিরে এলো বিভিন্ন সাপোর্টে, হার্টবিট ১২০। তারপরই কে যেন একটা অদৃশ্য বালিঘড়ি উল্টো করে ঝুলিয়ে দিলো, ঝুরো বালির মতন সময় ঝরে পড়ছে, সাথে স্থিরভাবে একটা একটা করে হার্টবিট কমছে, কমছে রক্তচাপ, কমছে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস। ডাক্তাররা জবাব দিয়েছেন, হসপিটালের নিচে পুলিশ পোস্টিং, বিভিন্ন বিশিষ্ট মানুষ এসে সমবেদনা জানাচ্ছেন, কিছু উত্তেজিত ইউটিউবার এবং মিডিয়ার লোকজন নিচে ঘোরাঘুরি করছেন। শেষ চেষ্টার জন্য অন্য হাসপাতালের এক নামকরা নিউরোসার্জনকে ডেকে আনা হলো, তিনি খানিক নাড়াচাড়া করে জানালেন যে ও চলে গেছে অনেক আগেই, শুধুশুধু এইভাবে আটকে রাখছেন কেন? এমনিতেও কালকের মধ্যে সব থেমেই যাবে। লেট্ হার গো পিসফুলিরাত বাড়লো, দাঁতে দাঁত চিপে একটা ছোট্ট অসাড় হাত ধরে বসে আছি, চোখদুটো অনেক আগেই ডাইলেটেড হয়ে গেছে, একটা করে বিট কমছে আর অসহায়তা বাড়ছে, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব আগেই দেখা করে গেছে। লোকজন মাঝেমধ্যেই ফোন করে জিজ্ঞাসা করছে যে আজ রাতেই হবে? নাকি সকালে আসবো? ইতিমধ্যে ফেসবুকের কল্যাণে কারা যেন মাঝরাতে ছড়িয়ে দিয়েছে যে ঐন্দ্রিলা আর নেই। বানের জলের মতন হুহু করে ফোন ঢুকতে শুরু করলো, সৌরভ শুটিংয়ে বাইরে গেছে, দিব্য একা সামলাতে পারছে না। অগত্যা ঠেকা দেওয়ার জন্য আমি পোস্ট করতে বাধ্য হলাম, মিনিট কুড়ির মধ্যে আবার সব শান্ত। সকাল থেকে রক্তচাপ কমতে শুরু করলো, ওর বাবা-মা কে ডাকলাম, বাকিদের খবর দিলাম। গতকাল আর বাধা দিইনি কাউকে, সারাদিন ধরে কাছের মানুষরা এসেছে, ওকে ছুঁয়েছে, ডুকরে কেঁদেছে। কত স্মৃতিচারণ, কত গল্প। বিকেলের পর দেখলাম হাত, পা, মুখ ফুলছে ঐন্দ্রিলার, শরীর ঠান্ডা। হার্ট রেট কমতে কমতে ৪৬, বিপি ৬০/৩০। আগের দিনের ডাক্তারের কথাটা কেবলই আমার মাথায় ঘুরছিলো, ওর শরীরটাকে এভাবে আটকে রাখার জন্য নিজেকেই অপরাধী মনে হচ্ছে, থাকতে না পেরে ওর মাকে বললামও যে এত কষ্ট আর দেখতে পারছি না, কি দরকার ছিল এত কিছু করার, শান্তিতে যেত। মুখে বলছি বটে, কিন্তু ছাড়তে কি আর পারি, মায়ার টান বড় কঠিন। ঠিক রাত আটটায় যখন আমি বিমর্ষমুখে নিচে দাঁড়িয়ে, হঠাৎ হাত নড়ে ওঠে ঐন্দ্রিলার। খবর পেয়ে দৌড়ে গিয়ে দেখি হার্টরেট এক লাফে ৯১, রক্তচাপ বেড়ে ১৩০/৮০, শরীর ক্রমশ গরম হচ্ছে। কে বলে মিরাকেল হয় না? কে বলে ও চলে গেছে? এক প্রকার অনন্ত শূন্য থেকে এক ধাক্কায় ছিটকে ফিরে এলো মেয়েটা। গেছে বললেই ও যাবে না কি, যেতে দিলে তো যাবে। এই মুহূর্তে ঐন্দ্রিলা একপ্রকার সাপোর্ট ছাড়াই আছে, এমন কি ভেন্টিলেশন থেকেও বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। আগে ক্লিনিক্যালি সুস্থ হোক, নিউরোর কথা পরে ভাববো।ঈশ্বর ফেসবুক করেন না আমি জানি, তাই লিখেছিলাম মন থেকে প্রার্থনা করুন, ফোন থেকে করুন লিখিনি। চিকিৎসাশাস্ত্রে যে বিজ্ঞানই শেষ কথা, আমি সে কথাও জানি। তবে পর পর তিনজন নিউরোসার্জন যদি বলেন ঈশ্বরকে ডাকুন, তাহলে আর না ডেকে উপায় কি? ওনাদের তুলনায় আমি নিতান্তই অশিক্ষিত। তবে কেবল আমি একা নই, মুর্শিদাবাদের প্রতিটা মন্দির, প্রতিটা মসজিদে মানুষ ওর জন্য প্রার্থনা করেছে। বিভিন্ন ধর্মের বিভিন্ন প্রসাদ এবং অজস্র আশীর্বাদী হাসপাতালে এসেছে নিয়মিত। তোমাদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমি ছোট করতে পারবো না। অনেকে অবশ্য হেসেছে বা অপমান করেছে, তাতেও আমি বিন্দুমাত্র কিছু মনে করিনি। এই ক্ষুদ্র জীবনে বহুবার কাদায় পড়েছি তো, তাই গায়ের চামড়া বেশ মোটা হয়ে গেছে। তবে হ্যাঁ, কিছু কথা বলা প্রয়োজন।প্রথমত, এ কথা ঠিক যে ঐন্দ্রিলার প্রথম থেকে যা যা হয়েছে তা যথেষ্টই অপ্রাকৃত। কিন্তু তা বলে সেটা নিয়ে এত মাতামাতি করলে তা বাকি পেশেন্টদের একপ্রকার অপমান করা হয় বলে আমি মনে করি। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসার খরচ নিয়ে লেখালিখি বন্ধ করা উচিত, পরিবারের সামর্থ্য অনুযায়ীই চিকিৎসা হবে, এখনো অবধি কারোর কাছে এক পয়সাও অর্থসাহায্য চাওয়া হয়নি অথবা কারোর থেকে এক পয়সাও গ্রহণ করা হয়নি। তাই এটা নিয়ে লেখা মানে ঐন্দ্রিলাকে অপমান করা এবং তার পরিবারকে ছোট করা। নিজের অপমান গায়ে মাখি না ঠিকই কিন্তু ওর অপমানে আমার গায়ে ফোস্কা পড়ে।তৃতীয়ত, একটা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ চেষ্টা করে তার কাছের মানুষের পাশে থাকতে, বিপদে পড়লে খড়কুটো অবধি আঁকড়ে ধরতে। সেটাই তো এতদিন স্বাভাবিক বলে জেনে এসেছি। আমার মা অসুস্থ হলে, বাবা যেমন দৌড়াদৌড়ি করেন, গত দুই বছর ধরে আমিও সেটাই করেছি। তাই কিছু পুরোনো ছবি আর ভিডিও সাজিয়ে, গান বাজিয়ে সেটাকে গ্লোরিফাই করা বন্ধ করা উচিত। এমন কি একটা লকডাউনের সময়কার তারাপীঠের ভিডিও পর্যন্ত ঐন্দ্রিলার নাম করে ঘুরপাক খাচ্ছে দেখলাম। আমি ঠিক জানি না, এগুলো করে বোধহয় তোমাদের চ্যানেল বা পেজ পয়সা পায় কিন্তু বিষয়টা আমার চোখে খুবই দৃষ্টিকটু লাগে। ইহ জীবনে কয়েক শত জুটিকে দেখেছি এসএসকেএমএর বাইরের ফুটপাথে রাত কাটাতে, ভালোবাসে বলেই তারা থাকে। তবু পরিচিত মুখ বলে আমরা চর্চিত হই, তারা নয়। আসলে কি জানো, সে খবর বিক্রি হয় না। সর্বশেষে বলি, মানুষের গায়ে আজকাল বড়ই শকুন শকুন গন্ধ পাই। গত দুইদিন ধরে হাসপাতালের নিচে বেশ ভিড় জমেছিলো, ওর অবস্থার উন্নতি ঘটাতে কাল রাত থেকে একেবারে খাঁ খাঁ করছে। তবে গত দুদিনের এত নেগেটিভিটির মাঝে একটামাত্র মানুষ আমায় কিছু তথ্য দিয়ে প্রথম আলোর দিশা দেখায়, যার সাথে সারাদিন নির্দ্বিধায় চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করি, তিনি অরিজিৎ সিং। ঐন্দ্রিলা আছে। ঐন্দ্রিলা থাকবে। রাখে বড়মা, তো মারে কোন..

নভেম্বর ১৯, ২০২২
রাজ্য

'জন প্রতিনিধি মানে জনগণের প্রতিনিধি', সকলকে নিয়ে চলার বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী

জনগণের প্রতিনিধি। সুতরাং জনগণকে আমাদের সার্ভিস দেওয়ার কাজ বলে জনপ্রতিনিধিদের দাওয়ায় দিলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের জৌগ্রামের আমড়া মোড়ে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মহিলাদের নিয়ে চলো গ্রামে যাইয়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় তিনি বলেন, শুধু ভোট নয়,আমি তো চাইবো ভোটটা আমাদের দিক। কিন্তু তাতেও তার একটা রাজনৈতিক দল করার অধিকার আছে। অন্য কাউকে ভোট দিতে পারেন। কিন্তু তার জন্য তিনি জল পাবেন না,বাড়ি পাবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এইটা বিশ্বাস করেন না। সবাইকে দেবে।এটা মনে রাখতে হবে। আপনি যখন গ্রামে যাবেন হয় আপনি পঞ্চায়েত সদস্য বা পঞ্চায়েত সমিতির কিংবা জেলা পরিষদের। আপনি জনগণের প্রতিনিধি। তাই জনগণকে আমাদের সার্ভিস দেওয়া কাজ। আমরা সিপিএম নই, আমাদের সঙ্গে মিছিলে না গেলে সুযোগ সুবিধা পাবে না। আমরা এই বিশ্বাসে রাজনীতি করি না তিনি মন্তব্য করেন।অন্যদিকে তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে কোন ভয়ের নয়। ভয় তো বিজেপিই খাচ্ছে। ওরা তো দাঙ্গা বাঁধানো দল। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন পুলিশ প্রশাসনকে সর্তক থাকতে।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে গুজব, সব্যসাচী লিখলেন, 'আরেকটু থাকতে দাও ওকে.. এসব লেখার অনেক সময় পাবে'

বুধবার গভীর রাতে সব্যসাচী চৌধুরী সোশাল মিডিয়ায় লিখলেন, আরেকটু থাকতে দাও ওকে.. এসব লেখার অনেক সময় পাবে। অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মাকে ফের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রের খবর, এখনও সঙ্কটজনক অভিনেত্রী। শারীরিক অবস্থার উন্নতি নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন চিকিৎসকরা। সমস্ত রকম চেষ্টা করছেন তাঁরা। এরইমধ্যে গতকাল সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যরাতে সেই খবরগুলিকে মিথ্যা জানিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে ফেসবুক পোস্ট করেন ঐন্দ্রিলার বন্ধু সব্যসাচী চৌধুরী। তারপর যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটে।হঠাৎ স্ট্রোক করে দুই সপ্তাহ আগে হাসপাতালে ভর্তি হন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ভর্তির পর চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। শহরজুড়ে প্রার্থনা চলে এই অভিনেত্রীর জন্য। সর্বদা তাঁর পাশে রয়েছেন সব্যসচী চৌধুরী। বুধবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন ঐন্দ্রিলা। ফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসকরা ফের তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখেন। এবার সোশাল মিডিয়ায় অভিনেতা সৌরভ দাস লিখেছেন, বেঁচে আছে এখনও। মেরে ফেলো না ওকে। পায়ে ধরছি।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
রাজ্য

বকেয়া ডিএ সহ একাধিক দাবী জানিয়ে ডেপুটশন প্রাথমিক শিক্ষকদের

বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে জেলা বিদ্যালয় প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকে ডেপুটেশন দিলেন প্রাথমিক শিক্ষকেরা। পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখার উদ্যোগে এদিন বিজয় তোরণ এলাকায় প্রতিবাদ সভা আয়োজন করা হয়। সংগঠনের জেলা সম্পাদক রাজকুমার বারিক জানান; প্রধান শিক্ষক পদগুলি দ্রুত পুরণ করা, বকেয়া ডি এ প্রদান, মিড ডে মিলের বরাদ্দ বৃষ্টি করা সহ আরো কিছু দাবি রয়েছে তাদের।পশ্চিম বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক ফেডারেশনের পুর্ব বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদক রাজকুমার বারিক জানান, শিক্ষকরা কোনও দিন-ই রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখায় নি। আমাদের বেশ কিছু দাবী আছে সেগুলি সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য আমরা আজ রাস্তায়। তিনি জানান, ২০১১ থেকে এই জেলা সহ গোটা রাজ্যে প্রাথমীক বিদ্যালয় গুলতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ। তার ফলেই গোটা রাজ্যে ৯০% প্রাথমীক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হীন পঠন পাঠন চলছে। তাঁরা এই সভা থেকে অতি সত্তর প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবী তলেন। তাঁরা এই সভা থেকে অবিলম্বে ৩০ শতাংশ ডিএ প্রদানের দাবী জানান সরকারের কাছে, এছাড়াও তাঁদের দাবী ডিএ বাবদ যে বকেয়া সেই টাকাও সরকার যেনো অতি সত্তর তাঁদের প্রদান করে। এছাড়াও তাঁদের দাবী শিক্ষক দের শিক্ষা ভিন্ন নানা কাজে ব্যস্ত রাখা হয়, সেটা যেন না করা হয় তার আবেদন রাখেন সরকারের কাছে। তাঁরা জানেন বেশীর ভাগ প্রাথমীক বিদ্যালয়ে এক থেকে দুজন শিক্ষক, সেই দুজনের ভিতর থেকে কাউকে যদি সরকারি প্রকল্পের কাজে তুলে নেওয়া হয়,সেক্ষেত্রে যে কাজের জন্য তাঁরা নিযুক্ত সেই কাজটিই ব্রাত্য হয়ে যাচ্ছে।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 70
  • 71
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিতর্কে কড়া হাইকোর্ট! রাজ্যকে বেঁধে দেওয়া হল সময়

বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘ দিন ধরেই কাঁটাতার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার জমি না দেওয়ায় সীমান্তের বড় অংশ এখনও সুরক্ষিত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর করা মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই জমি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করছে না। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি নেওয়া যায়। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে কেন সেই ধারা প্রয়োগ করা হবে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, একটি রাজ্য যদি আন্তর্জাতিক সীমান্তের অংশীদার হয়, তা হলে তারা নিজেরা কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা সত্যিই আশ্চর্যের।আদালত জানায়, যে জমির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছে এবং অধিগ্রহণও হয়েছে, সেই জমি যত দ্রুত সম্ভব হস্তান্তর করতে হবে। এই ক্ষেত্রে এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।রাজ্য এখনও জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পায়নি বলে জানিয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত থাকলে জেলা শাসক সরাসরি আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবীও জানান, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে।মামলায় ২০১৬ সাল থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার রাজ্যকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্য ক্যাবিনেট কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া ৪০ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলেই রাজ্যের অবস্থান। রাজ্য আরও জানায়, যেসব জমির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। কিছু জেলায় এক-দু মাস সময় বেশি লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুন মাসে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসে জমি হস্তান্তরের কাজ শেষ হবে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ জেনারেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কাঁপছে বেজিং

চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কার্যত গোটা চিনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চিনা সেনার পরমাণু বোমা সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন নথি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চিনা সেনার এক শীর্ষ জেনারেল গোপনে সেই টপ সিক্রেট নথি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। এর ফলে চিনের পরমাণু অস্ত্র তৈরির বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নাকি পৌঁছে গিয়েছে ওয়াশিংটনের কাছে।অভিযুক্ত ওই সেনাকর্তার নাম ঝ্যাং ইউঝিয়া। বয়স ৭৫। তিনি চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ, চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প সংক্রান্ত কোর টেকনিক্যাল ডেটা তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমেরিকাকে পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, জেনারেল থেকে আরও উঁচু পদে পৌঁছতে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।একসময় ঝ্যাং ছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ ওঠায় বেজিংয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিন সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানালেও, আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, এই তদন্ত আসলে লোকদেখানো। ভিতরে ভিতরে ঝ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে বলেও জল্পনা।ঝ্যাং সেই সরকারি সংস্থার শীর্ষকর্তা ছিলেন, যারা চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পের দেখভাল করে। ওই সংস্থাই পরমাণু বোমার গবেষণা, উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের দায়িত্বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঝ্যাং এই সমস্ত গোপন তথ্য আমেরিকার হাতে তুলে দেন। সেই অর্থ আবার নিজের পদোন্নতির জন্য ঘুষ হিসেবেও ব্যবহার করতেন।চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা চিনা দূতাবাস এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বিবিসির দাবি, ঝ্যাংকে ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের ওই কমিশনে এখন নাকি মাত্র দুজন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁদের সাময়িকভাবে সরানো হয়েছে।এই কমিশনের আর এক সদস্য লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ঝ্যাং এবং লিউএই দুই শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় চিনা সেনার উচ্চমহলে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রথম শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোনও সেনাকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হল।ঝ্যাং এবং লিউ দুজনেই সত্তর ও আশির দশকে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬১ বছরের লিউ পিপলস লিবারেশন আর্মির জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন। এই বিভাগই চিনা সেনার প্রশিক্ষণ, অপারেশন এবং গোয়েন্দা কাজের দায়িত্বে থাকে।গত দুবছর ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, সেই অভিযানের ফলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয়েছে। ১৯৮০ সালে গঠিত সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ সেনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু সেই কমিশনের সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র দুজনে নেমে আসায়, তাইওয়ান প্রশ্নে চিনের সামরিক পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal