• ২৮ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

মন

কলকাতা

ইডি তল্লাশির মাঝেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী, উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ

হাতে একটি সবুজ ফাইল। তার ভিতরে গুচ্ছ গুচ্ছ কাগজ। সেই ফাইল ধরে একের পর এক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে আসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে যখন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময়েই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী।কিছুক্ষণ পর প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এরপর তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি অফিসে যাবেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁর দলের আইটি অফিসে হানা দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দলের হার্ড ডিস্ক, প্রার্থী তালিকা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্বাচন সামনে থাকায় পরিকল্পিত ভাবে তৃণমূলের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য বলে তিনি দাবি করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজেই দলের সব নথি এবং তথ্য সঙ্গে নিয়ে এসেছেন।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি শুরু করে ইডি। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সংস্থার আর একটি দল পৌঁছে যায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে। প্রতীক জৈন ৭ নম্বর লাউডন স্ট্রিটের একটি আবাসনে থাকেন। সূত্রের খবর, দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায় আইপ্যাকের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই তল্লাশি অভিযান।পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলার মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি সোজা রওনা দেন সল্টলেকের আইপ্যাক অফিসের দিকে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
দেশ

হঠাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে!

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। শনিবার রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। বৈঠকের একটি ছবি রাষ্ট্রপতি নিজেই এক্স-এ পোস্ট করলেও, আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও সরকারি ব্যাখ্যা আসেনি। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান ও চিন সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। কূটনৈতিক দিক থেকে দুই সফরই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিশেষ নজর কাড়ছে চিন সফর। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলন ঘিরে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক মিত্রতার সমীকরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদীর বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা আমেরিকাকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান পুনর্নির্মাণে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।তবে শুধু বৈদেশিক সম্পর্কই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বৈঠকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, ৯ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরি কে হবেন, তা ঠিক করতে এখন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সময়। এমন পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই বৈঠক আদৌ কি আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে আলোচনা, নাকি আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত? উত্তর স্পষ্ট না হলেও, নয়াদিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রে নতুন সমীকরণের গুঞ্জন ইতিমধ্যেই জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

মন্দিরবাজারে মাটির দেওয়াল ধসে মা ও দুই মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানার কামারপাড়া এলাকায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মাটির দেওয়াল ধসে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক মা ও তাঁর দুই মেয়ে। মৃতরা হলেন বৃহস্পতি কর্মকার (৪৩), তাঁর মেয়ে শিলা কর্মকার (১৫) এবং প্রিয়া কর্মকার (১০)। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে, যখন তারা তাদের মাটির বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোরবেলা হঠাৎ মাটির দেওয়াল ভেঙে পড়ায় তিনজনই চাপা পড়েন। স্থানীয়রা শব্দ শুনলেও প্রাথমিকভাবে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সকালে দেওয়াল ধসে পড়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী নাইয়ারহাট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকরা তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর মন্দিরবাজার থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পুরনো মাটির দেওয়ালের দুর্বল গঠনই এই দুর্ঘটনার কারণ। তবে ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনাকে দায়ী করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা আবাস যোজনার আওতায় ওই পরিবারকে বাড়ি দেওয়ার জন্য দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তিন বছর আগে তৃতীয় কিস্তির টাকা আটকে না রাখলে বাড়িটি সম্পূর্ণ হতো এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো যেত। বিধায়ক আরও বলেন, আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি এবং তাদের সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছি।এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাটির বাড়ির দুর্বল অবকাঠামোর কারণে এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। এই ঘটনা সরকারি আবাসন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, যোজনার টাকা সময়মতো দেওয়া হলে এই পরিবারের জীবন বাঁচানো যেত।মন্দিরবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
বিদেশ

কলকাতায় হাসিনার কার্যালয়? তোলপাড় ফেলা অভিযোগে হুলস্থূল

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস সম্প্রতি অভিযোগ করেন যে, শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ দিল্লি ও কলকাতায় অফিস খুলেছে। তিনি দাবি করেছিলেন, এই অফিসগুলি অবিলম্বে বন্ধ করা না হলে ভারতবাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে। ইউনূস সরকার এই অফিস খোলাকে বাংলাদেশ বিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে উল্লেখ করে কড়া পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছিলেন।তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক বুধবার এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিয়েছে। মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারত সরকার ভারতীয় আইনের পরিপন্থী কোনও কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত নয়। তিনি বলেন, ভারতে আওয়ামী লীগের সদস্যদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ বিরোধী কার্যকলাপ বা আইন লঙ্ঘনের কোনো তথ্য সরকারকে পাওয়া যায়নি। ভারত তার ভূখণ্ড থেকে কোনও বিদেশি রাজনৈতিক কার্যকলাপ অনুমোদন করে না।একই সঙ্গে ভারত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অভিযোগকেও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মুখপাত্রের বক্তব্য, ভারত আশা করে বাংলাদেশ যত দ্রুত সম্ভব অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করবে, যাতে সেখানকার জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয়।এর আগে ইউনূস সরকার আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেয় এবং ভারতের বিরুদ্ধে সম্পর্ক নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছিল। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে জনগণকে উসকানি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল। কিন্তু ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোনও ভূমিকা নিচ্ছে না, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত।

আগস্ট ২১, ২০২৫
দেশ

রক্ত ও জল একসঙ্গে নয়, স্বাধীনতা দিবসে ফের মোদীর আগুনে হুঙ্কার

আজ দেশের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে রাজধানী দিল্লির লালকেল্লা থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে তেরঙ্গা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের পর তিনি ভাষণ শুরু করেন। এদিন তিনি স্পষ্ট বার্তা দেনভারত আর কোনওভাবেই পারমাণবিক হুমকি বা ব্ল্যাকমেলিং সহ্য করবে না।অপারেশন সিঁদুরে অংশ নেওয়া সেনাদের স্যালুট জানিয়ে মোদী বলেন, সাহসী জওয়ানরা শত্রুকে কল্পনার বাইরে শাস্তি দিয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দিল্লিজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী ও ৩ হাজার ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন হয়েছে।জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মোদী বলেন, প্রতিটি ঘরে তেরঙ্গা উড়ছেহোক তা মরুভূমি, হিমালয়, সমুদ্রতট বা শহর। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান এবং ১৪০ কোটি মানুষের সম্মিলিত সংকল্পকে দেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেন।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
রাজ্য

অভিষেকগড়ে শুভেন্দুর হানা, তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে

বারুইপুরের জনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিলেন ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদার। তাঁর সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও প্রায় ১৬ জন তৃণমূল নেতা। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই যোগদানের মাধ্যমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধস নামল, যা বিধানসভা ভোটের আগে নিঃসন্দেহে ধাক্কা তৃণমূল শিবিরের কাছে। সভায় চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দ। বেশ কয়েকদিন ধরেই ডায়মন্ডহারবারের বিধায়ক দীপক হালদারকে নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। চলতি বছরের প্রথমে তিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমান বিজেপির কলকাতা সংগঠনের পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ এই সৈনিক নিজের রাজনৈতিক শিবির বদল নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটেছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁর গতিপ্রকৃতি বুঝতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের। ১ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল ছাড়ার কথা জানিয়ে দেন। স্পিডপোস্টে নিজের ইস্তফা পাঠান দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির কাছে। আর পুরনো পরিচয় থেকে বেরিয়ে এসে ২ তারিখই নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারে পা রাখলেন দীপক হালদার।মঙ্গলবার বারুইপুরে বিজেপির যোগদান মেলায় মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের উপস্থিতিতে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন দীপক হালদার।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজনীতি

বাংলায় বিজেপিতে মুখমন্ত্রী পদে মুখ ৬ জন ও উপমুখ্যমন্ত্রী পদে ১৩ জন

বাংলায় বিজেপিতে ৬ জন মুখ্যমন্ত্রী, ১৩ জন উপমুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন পদের লড়াইয়ে। জানালেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের স্ত্রী সুজাতা মন্ডল খাঁ। এদিন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথা বললেই দলের নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখিয়ে দেন। তৃণমূল ভবনে এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে একথা বলেন সুজাতা মন্ডল খাঁ। সুজাতা বলেন, আগামী দিন তাঁর এই সিদ্ধান্তে সৌমিত্র খাঁ সামিল হবেন কী না তা কে বলতে পারে? এরাজ্যে বিজেপির মুখ কে এ নিয়ে বারে বারে প্রশ্ন উঠেছে। কখনও জল্পনায় উঠেছে এসেছে ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, রামকৃষ্ণ আশ্রমের সন্যাসী সহ অনেকের নাম। এবার সুজাতা দাবি করলেন, বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ৬ জন, উপমুখ্যমন্ত্রী ১৩ জন দাবিদার আছেন বিজেপিতে। তবে তাঁরা কারা সেকথা বিস্তারিত জানাননি সৌমিত্র পত্নী। বিজেপিতে মর্যাদা পাচ্ছেন না বলে দল ছেড়েছেন সুজাতা। তিনি জানান, বিজেপির অনেক মুখ থাকলেও তৃণমূলে একজনই মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও তিনি মুখ্যমন্ত্রী, ভবিষ্যতেও তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবে। তিনিই দলের মুখ। বিজেপির সেখানে কোনও মুখ নেই। বিজেপিতে কোনও নেতা নেই। বিজেপি এখন তৃণমূলের বি-টিম। তাই আসল দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
নিবন্ধ

ম'নের ঘরের স্বজন

দেবনন্দন ব্যানার্জী সারাজীবনেও আমার মনের সংসারের স্বজনদের সঙ্গে মিতালী হয় না! তাঁদের সঙ্গে আমার পরিচয় নিবিড় হয় না। আত্মার-আত্মীয় হয়ে ওঠে না তাঁরা। দেহটাকে আপন ভাবলেও অধরা থেকে যায় সত্তার অস্তিত্ব। আমার ঘরে বসত করে মন কয় জনা?--এ, জানা হয়ে ওঠে না সারা জীবনেও। কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ যা-যা নিয়ে আমার এই সত্তা---তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক মধুর হয় না। কখনও অপব্যবহার বা কখনও ব্যবহারহীনতায় যাপিত হয় জীবন! এটা সত্যি যে সংসারের অভিভাবকটিকেই আমরা চিনতে পারি না। যিনিই চিনিয়ে দিতে পারেন ঐ ক-জনাকে। তিনিই বোলে দিতে পারেন কার সঙ্গে কী ব্যবহার হলে আমার উপভোগ আমার মনুষ্যত্বকে উপঢৌকন দেবে। এই সামান্য সহজ সোজা-সাপ্টা বোধটা থাকে না বলেই দুর্বুদ্ধি উপভোগের বদলে ভোগ করিয়ে অসুস্থ করে তোলে আমাকে। যারা আমার মিত্র হতে পারতো তারাই শত্রু হয়ে দাঁড়ায়। কখনও কখনও মনে হয়, তবে কি বৈরাগ্য সন্ন্যাসই সঠিক পন্থা! রবীন্দ্রনাথের অনুভব ভাবিত করে--বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়/ অসংখ্য বন্ধন মাঝে লভিব মুক্তির স্বাদ। ত্যাগ কাকে করবো, সে তো আমার পরাজয়! আমি অযোগ্য তাই পারলাম না, আমার ছোটো-ছোটো আমিদের নিয়ে চলতে। আর তাতেই তো ব্যর্থতা। জীবনে মল-মূত্র ত্যাগ ছাড়া, আর কোনো ত্যাগ আছে বোলে তো মনে হয় না! কাম কখন প্রেমের বন্ধু হয়ে যায়, ক্রোধ কখন তেজ বিক্রম হয়ে অন্যায়ের মুখোমুখি দাঁড়ায়, লোভ কখন তৃপ্ত করে আপনাকে--সে তো আমারই ঐ অভিভাবক প্রেষ্ঠের আলিঙ্গনেই অসম্ভব সম্ভব হয়ে ওঠে। মনের সন্ন্যাসই আরও বৃহত্তর সংসারের জনক। আর সেখানেই আমার প্রবৃত্তিরূপ স্বজনদের সাথে সুন্দরের আরাধনা। নিশ্চিন্ত হতে পারি, একটা নির্ভরতা থাকলে। অনুরাগ-প্রেম বিল্লমঙ্গলকে প্রকৃত চিন্তামনিকে চেনালো, চণ্ডাশোককে ধর্মাশোক করলো, রত্নাকরকে বাল্মীকি করলো। সন্ন্যাসী শ্রেষ্ঠ মহাপ্রভু বললেন--সন্ন্যাস লইনু যবে ছন্ন হইলো মন/ কি কাজ সন্ন্যাসে মোর প্রেম প্রয়োজন। একজন মালিক থাকলে আমি নির্ভাবনায় বলতে পারি, অন্ধকারের আগেই আমি গৃহে ফিরবো। একজন মাহুত থাকলেই আমি নিঃসংশয় হতে পারি, স্বেচ্ছাচার আমার উপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না। আর সেটি হওয়া চাই কোনো Living personality । আকাশের ভগবান হলে হবে না, কারণ তিনি আমায় ভাল-মন্দ , ন্যায়-অন্যায় কিছু বলতে পারেন না। আমার স্বেচ্ছাচারে নীরব থাকেন। প্রবৃত্তি তো সেই অতন্দ্র ঈশ্বর , জীবনটাকে উপভোগ করার জন্য। তাই তাঁকে বড্ড প্রয়োজন, ওদের(বৃত্তিগুলি) নিয়ে চলতে, শিখতে, জানতে। আর এই বৃত্তিই ছোট্ট বৃত্ত থেকে অনন্তে নিয়ে যায় একজন friend, guide, master-এর হাত ধরে। আমার মনের পরিচালনার ভারটি তাঁর হাতে সপলে মনের ঘরের সদস্যরা আমার আপন হয়ে উঠতে সময় লাগবে না। যেমন অতি মূর্খ শিবাজী রামদাস স্বামীর হাত ধরে অনন্ত জীবনের অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন। অনেককেই বলতে শুনেছি--অহংকার ত্যাগ না হলে কিছুই হবে না। ফলিত বিজ্ঞান বলে অহং যায় না, দেহ থাকতে। তাই তো আমার প্রভু আমায় শিখিয়ে দেন , কিভাবে তার (অহং-এর) প্রভু হয়ে ওঠা যায়। অহংটা করতে হয় তাঁকে(আপন ইষ্ট) নিয়ে। আমার সব কৃতিত্বের মালিক তাঁকে ভাবতে হয়। আর তখুনি অহং আমার ক্রীতদাস হয়। আমি তাঁর সন্তান--এই বোধই আমার শত্রু অহংকে মিত্র করে তোলে। আমি পূর্ণ হই, পবিত্র হই।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

মাঝেরহাট ব্রিজের নাম জয় হিন্দ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

মাঝেরহাট ব্রিজের নতুন নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্রিজের নতুন নাম হয়েছে জয় হিন্দ। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা ঘোষণা করে তিনি বলেন, আগামী ৩ তারিখ উদ্বোধন করা হবে মাঝেরহাট ব্রিজ। এবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোসের ১২৫ তম জন্মদিন। সেই কারণে সরকারের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তার মধ্যে প্রথম হল মাঝেরহাট ব্রিজের নাম পালটে করা হচ্ছে জয় হিন্দ। আমি চাই জয় হিন্দ লোকের মুখে মুখে ফিরুক, সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত। আরও পড়ুন ঃ সারদা মামলায় নয়া ভয়েস রেকর্ডিং সিবিআইয়ের হাতে পাশাপাশি রাজ্যের লোকশিল্পী ও সাংস্কৃতিক শিল্পীদের জন্য নয়া প্রকল্পের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি জানান, রাজ্যে ৬১৭টি মেলার আয়োজন করা হয়েছে ৷ এই মেলার জন্য লোকশিল্পী ও সাংস্কৃতিক শিল্পীরা উপকারিত হবেন। তিনি আরও দাবি করেন, এই মেলার জন্য ১৫৬ কোটি টাকার কেনাবেচা হবে। ৩ দশমিক ৬৪ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সমগ্র বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে বাংলা মোদের গর্ব বইটিতে। এদিন বইটি প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
দেশ

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব খারিজ কৃষক সংগঠনগুলির

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দেওয়া সব শর্ত উড়িয়ে দিল পঞ্জাবের কৃষক সংগঠনগুলি। ওই কৃষক সংগঠনগুলি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, তারা দিল্লি সীমানায় আন্দোলন চালিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদি সরকারের নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশের একাধিক রাজ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন কৃষকরা। কৃষকদের প্রবল আন্দোলনের মুখে পড়ে শনিবারই সুর নরম করেছিল কেন্দ্র। শর্ত সাপেক্ষে চাষীদের সঙ্গে বৈঠক করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কিন্তু রবিবার সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিল কৃষক সংগঠনগুলি। ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের সভাপতি জগজিৎ সিং রবিবার বলেন, যন্তর মন্তরের পরিবর্তে নয়াদিল্লির বুরারির মাঠে বিক্ষোভ প্রদর্শনের শর্তে কেন্দ্র যে বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছিল তা সর্বসম্মতভাবে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এখন সরকার কী ব্যবস্থা নেয় আমরা সকলেই সেদিকে তাকিয়ে আছি। আরও পড়ুন ঃ মোদি সরকারের আমলে সর্বোচ্চ সীমায় দেশে বেকারত্বের হার কৃষকদের আশঙ্কা, সরকারি নির্ধারিত স্থানে তাঁদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে কার্যত বন্দি করে রাখবে দিল্লি পুলিশ। অমিত শাহ জানান, কৃষকরা চাইলে ৩ ডিসেম্বরের আগেই সরকার বৈঠকে বসবে। তবে এজন্য কৃষক সংগঠনগুলিকে কিছু শর্ত মানতে হবে। শর্ত হিসেবে শাহ জানিয়েছিলেন সরকার নির্ধারিত স্থানে এই আন্দোলনকে সরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি দেখতে পাচ্ছি অনেক জায়গাতেই প্রবল ঠান্ডায় জাতীয় সড়কের উপর ট্রাক্টর এবং ট্রলিতে রাত কাটাচ্ছেন বহু বয়স্ক মানুষ। তাই আমি চাই, কৃষকরা বুরারি ময়দানে সরে আসুন। সেখানে তাঁদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করবে পুলিশ। কেউ কৃষকদের বাধা দেবে না। বরং পানীয় জল, অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করবে সরকার।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা

যারা নিজেরা মিথ্যে কথা বলেন, তাঁরাই অন্যদের অসম্মান করেন। শনিবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাষাতেই আগাগোড়া বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংকে বিঁধলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, নির্বাচনের মনোনয়নপত্রেও অর্জুন সিং নিজের সম্পর্কে অনেক অসত্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এরপরেই দুটি সংস্থার নাম বলেন তিনি। যার একটি ব্যাঙ্গালুরু ও অন্যটি দুবাইয়ের। দাবি করেন, এই দুটি সংস্থার শেয়ার হোল্ডার অর্জুন সিং। শুধুমাত্র একটি সংস্থাতেই তাঁর ২ লক্ষ টারার শেয়ার রয়েছে। যা তিনি লোকসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করেননি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ শুধু তাই নয়, এদিন আবারও শ্রাবন্তী সিনহা রায়ের কথা উল্লেখ করেন শশী পাঁজা। ওই মহিলা অর্জুন সিংয়ের স্ত্রী বলে দাবি করে তিনি বলেন, ব্যাঙ্গালুরুর ওই সংস্থায় শ্রাবন্তী সিনহা রায়েরও ২ লক্ষ টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে। তাঁর সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের বিয়ের সার্টিফিকেটও রয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশনে সেই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন সাংসদ। এর ফলে মহিলাদের অসম্মান করা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, নিজের স্ত্রীকে স্বীকৃতি দেননি যেই ব্যক্তি তিনি মহিলাদের সম্মান করবেন কীভাবে? এদিন শশী পাঁজা আরও বলেন, শিবসেনা, অকালি দলের মতো অনেক দলই এক এক করে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এনডিএ-র শরিক হয়েছে সিবিআই, ইডি, ইনকাম ট্যাক্স। শশী পাঁজা অর্জুন সিংকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, সে প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ওনার যা অভিযোগ , তা নির্বাচন কমিশনে বলুক। প্রকাশ্যে বলছেন কেন? ওরা আমার বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ ্করে। কিন্তু তার কোনটাই ধোপে টেকে না।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার?

বাঁকুড়া সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার তাঁর বাঁকুড়া সফরে সঙ্গী ছিলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার দলনেত্রী নিয়ে গিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলাও করে সরকারি বিজ্ঞাপনে তাঁর নামও ছাপা হয়েছে। সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর সঙ্গে বাগযুদ্ধ চলছে শুভেন্দুবাবুর। তাঁর মতো জননেতাকে কল্যাণের বিলো দ্য বেল্ট লাগাতার আক্রমণ ভালোভাবে নিচ্ছেন না তৃণমূলের অনেকেই। বিশেষ করে যখন সৌগত রায়ের আরও একবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা। শুভেন্দুবাবু দলনেত্রী সম্পর্কে কিছু বলেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেননি। তবে গাড়ি বা হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গীদের দেখে অনেক বার্তা বোঝা যায়। কল্যাণকে সঙ্গে নিয়ে জেলা সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দিলেন তা নিয়েই চর্চা চলছে।আরও পড়ুন- শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যমরবিবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দলের অনেকেই দোদুল্যমান। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথার উপর না থাকলে কার কত দম সেটাও বোঝা যাবে গোছের নাম না করে একটা বার্তা দেন তৃণমূল মহাসচিব। তারপরেই মমতা-কল্যাণ বাঁকুড়ায়। প্রশ্ন উঠছে, কল্যাণ যে শুভেন্দুবাবুকে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন (যা নিয়ে শেরপুরের সভায় নাম না করে কল্যাণকে অনিল বসুর সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন রাখেন, এই কালচার আপনারা সমর্থন করেন?), তাহলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করছেন? অভিজ্ঞমহলের মতে, নীরবতা এমনিতেই সম্মতি লক্ষ্মণ। সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করেনি দল। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি তৃণমূল শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ চাইছে?আরও পড়ুন- বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরশুভেন্দুবাবুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাঁকুড়ার দুটো লোকসভা আসনে হারে তৃণমূল। শুভেন্দুবাবু কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তৃণমূলের যে ঢাকিশুদ্ধ বিসর্জন হবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নিশ্চিত। বিভিন্ন জেলা থেকেও তেমন ভাঙনের আভাস মিলছে। অনেকে বলছেন, দিদির ম্যাজিক যদি থাকত তাহলে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ ২২-এ থমকাতো না। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ভোটের ফলের চাবিকাঠি থাকবে পান্তা খাওয়া, গামছা পরা গ্রামের ছেলে নন্দীগ্রামের বিধায়কের হাতেই।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রী কি দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন কৈলাসের

প্রধানমন্ত্রী আমফানের জন্য এক হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে কেউ জানে না । শনিবার রামনগরের এক সভা থেকে তৃণমূলকে এভাষাতেই আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন , এই চাল চোর সরকার ঝড়ের পয়সাও খেয়ে নেয়। খেয়ে নেয় গরিবের পয়সাও। একথা বলে তিনি জনসাধারণের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, এই সরকার কি পশ্চিমবঙ্গে থাকা উচিত? সভায় উপস্থিত জনতা সমস্বরে চিৎকার করে জানায়, না এই সরকার থাকা উচিত না। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপুল কর্মীদের তিনি প্রশ্ন করেন, এই চালচোর সরকারের কী আর রাজ্যে থাকা উচিত? উত্তর আসে না। আরও পড়ুনঃ সুজাপুরে পাওয়া যায়নি কোনও বিস্ফোরক সামগ্রীর নমুনাঃ ফরেনসিক তিনি আরও বলেন, এর আগে আপনারা এই রাজ্যে কংগ্রেসের সরকার দেখেছেন , সিপিএম-এর সরকারও দেখেছেন। সিপিএমের সময় খুন হত , লুটপাট হত। এরপর আপনারা সিপিএমকে সরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে নিয়ে এসেছেন এই ভেবে যে , সোনার বাংলা গড়ে উঠবে। মা- মাটি-মানুষ স্লোগানের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের মানুষের কাছ থেকে দুবার সরকার গড়ার সুযোগ পেয়েছেন। মহিলাদের সম্মানহানি এই রাজ্যে বেশি হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, মা সুরক্ষিত নয় , মাটি সুরক্ষিত নয়। এদিন সিএএ নিয়েও তিনি সরব হয়ে বলেন, দেশের বাইরে যে সমস্ত হিন্দু বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে বিতাড়িত হয়েছেন সেই সমস্ত মানুষকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য অমিত শাহ এই আইন লাগু করেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন রাজ্যে আসেন, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন তিনি বহিরাগত। কৈলাস বিজয়বর্গীয় জনতাকে প্রশ্ন করেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি , অমিত শাহ কি বহিরাগত ? প্রধানমন্ত্রী কি দেশের নাগরিক নয়? জনতা জানায় প্রধানমন্ত্রী বহিরাগত নয়। রোহিঙ্গা , মুসলমান , বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে গলা মেলান মমতা। আজ টিএমসি মমতার নয় , শুভেন্দুর নয়। টিএমসি এখন পুরনো নেতাদের নেই । টিএমসি এখন পিকে ও অভিষেকের। ভাইপোই এখন টিএমসি চালাচ্ছে। এখন যারা সিন্ডিকেট চালাচ্ছে , তাদের ঠিকানা হবে জেল। পাশাপাশি রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে কৈলাস বলেন, দিদি আর ভাইপোর হাতে আর চার মাস সময় রয়েছে যত পারেন এই সময় টাকা গুছিয়ে নিন। কিন্তু ওই টাকা কি করবেন, যখন সিবিআই হস্তক্ষেপ করবে। তখন ওই পয়সা কোনো কাজে লাগবে না। জেলে বসে পয়সা গুনতে পারবেন না। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে , এবার বিজেপির সরকার হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০০০০ এর উপর কলকারখানা বন্ধ হয়েছে। আমরা সরকারে এলে নতুন কারখানা তৈরি হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন এই বিজেপি নেতা। এদিন বিজেপিতে ২২ জন বাম নেতা যোগ দেন। এদিন যোগদান মেলায় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ লকেট চ্যাটার্জী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের

রাজ্যে নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে, কোনও প্রতিকার হচ্ছে না। এই অভিযোগে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পরে তিনি টুইটও করেন। চিঠিতে রাজ্যে গত তিনমাসে নারীদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যা তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সূত্রেই পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা দেখে তিনি বিস্মিত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এসব অন্যায়ের প্রতিকারে তিনি সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনসচেতনতায় জোর দেবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে রাজভবনে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠালেও, তার কোনও জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই ভূমিকাকে বারবার ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করার যে নিদর্শন তিনি দেখে আসছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে। এভাবে তাঁরা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে তুলছেন, যার প্রভাব জনমানসে পড়বে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
কলকাতা

কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা

কেউ কেউ ভোটের সময় আসেন, বড়সড় ভাষণ দিয়ে চলে যান। শুক্রবার ছটপুজো উপলক্ষে হেস্টিংসের তক্তাঘাটে উপস্থিত হয়ে বিজেপিকে এভাষাতেই আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কিন্তু আমরা দুর্গাপুজোতেও যাই, ছটপুজোতেও যাই, ইদেও যাই আবার বড়দিনের অনুষ্ঠানেও সামিল থাকি।এটাই আমাদের পরম্পরা। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, অনেক রাজ্যে বাড়িতেই ছট পালন করার কথা বলা হয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু বাংলায় তেমন নিয়ম জারি করা হয়নি। ছটে দুদিন ছুটিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঘরে বসে ছটপুজো করতে বলেছে আদালত। সম্ভব হলে তা-ই করুন। সম্ভব না হলে পুকুরে বা গঙ্গায় যেখানেই যান, ছোট ছোট দলে যান। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় বহিরাগতদের তাণ্ডব চলছেঃ ব্রাত্য বিজেপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা দাঙ্গা লাগায়, তারা যেন দেশ থেকে বিদায় নেয়। আগামীদিন আলোয় ভরে উঠুক।তিনি এদিন আরও বলেন, যেভাবে দুর্গাপুজো-কালীপুজোয় মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সহযোগিতা করেছেন। ছটপুজোও সেভাবে করুন। তাড়াহুড়োর কিছু নেই। এক এক গঙ্গার ঘাটে নামুন। খেয়াল রাখবেন, ভিড় করবেন না।

নভেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

নেতাজির জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মমতার

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২২ সালে নেতাজির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালিত হবে। সেই উপলক্ষে চিঠিতে ফের ওই দিন জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মোদীকে দেওয়া চিঠিতে জানিয়েছেন, আগামী ২৩ জানুয়ারি, ২০২২ দেশজুড়ে নেতাজির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালিত হবে। নেতাজি শুধু বাংলার নন, গোটা দেশের সুপুত্র এবং জাতীয় নায়ক। তাঁর নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসন উপড়ে ফেলতে হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামী আজাদ হিন্দ ফৌজে যোগ দিয়ে আত্মহুতি দিয়েছেন। প্রতিবছর দেশজুড়ে নেতাজির জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়। নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি আমরা। বহুদিন ধরেই কেন্দ্র সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়ে আসছি আমরা। তাই জাতীয় নায়ককে যোগ্য সম্মান দিতে ২৩ জানুয়ারি জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হোক। আরও পড়ুন ঃ প্রতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডাঃ দিলীপ এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, নেতাজি নিয়ে বর্তমান প্রজন্ম সমান কৌতুহলী। মানুষ জানতে চান, বাংলা তথা গোটা দেশের জননায়কের সঙ্গে ঠিক কি হয়েছিল! ইতিমধ্যেই রাজ্য কিছু গোপন ফাইল জনসমক্ষে এনেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মমতা। তাঁর দাবি, এবার কেন্দ্রের উচিত এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
দেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদির

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪০ নাগাদ ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। ইন্দো-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের দৃঢ় সংকল্পে জোর দিলাম। করোনা মহামারী, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতার মতো বিষয়ে দুপক্ষের অগ্রাধিকার এবং উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ দিল্লিতে ধৃত দুই জইশ জঙ্গি এছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি টুইটারে লেখেন , নব-নির্বাচিত মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকেও উষ্ণ অভিনন্দন জানানোর কথা বলেছি। ভারতীয়-মার্কিনদের কাছে তাঁর সাফল্য অত্যন্ত গর্বের এবং অনুপ্রেরণামূলক। উল্লেখ্য , বাইডেন-হ্যারিস ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক কোন দিকে বাঁক নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

দলিতদের প্রতি অত্যাচার এই রাজ্যে হয় নাঃ শশী পাঁজা

বিজেপিকে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। মহারাষ্ট্র, বিহার, দিল্লি সব জায়গাতেই ভোট শেয়ার কমেছে বিজেপির। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই মন্তব্য করেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। এদিন তৃণমূল মিডিয়া সেন্টার সেলের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি আরও বলেন, নারী ক্ষমতায়নে দেশের মধ্যে বাংলা প্রথম। কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য ৯ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০১৬-তে চালু হওয়া স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কার্ড বাড়ির মহিলাদের নামেই করা হয়, এর ফলে তাঁর বাপের বাড়ির লোকজনও এই প্রকল্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। রাজ্যের ১ কোটি ৪২ লক্ষ পরিবারের প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছেন। শুধু স্বাস্থ্য সাথীই নয়। রূপশ্রী প্রকল্পের দিকটিও তুলে ধরেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের ২০১৮-তে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ৫ লক্ষ ৫৮ হাজার মেয়ে এই সুবিধা পেয়েছে। প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এই প্রকল্পে। পাশাপাশি রাজ্যের মহিলাদের জন্য পৃথক পুলিশ স্টেশন ২০১১-এর আগে ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি। দলিতদের উপর অত্যাচারের প্রসঙ্গে রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশের তুলনা টেনে শশী পাঁজা বলেন, অনেক রাজ্যেই দলিতদের প্রতি নির্যাতন বেশি হয় । তবে আমাদের রাজ্যে হয় না । এছাড়াও তিনি বলেন , ৪৬টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট মহিলা দ্বারা পরিচালিত। শুধু তাই নয়, মাদারস অ্যান্ড চাইল্ড হাব, মাদারস পিকনিক, ওয়েটিং হার্টসের মতো সুবিধা শুধুমাত্র এই রাজ্যেই পাওয়া যায়।৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ২ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে তৃণমূল সরকারই। তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন , মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলার অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু উন্নয়নমূলক কাজের কোনও প্রচার হচ্ছে না। ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। এই ধরনের ভুয়ো ভিডিয়োর জন্য নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। শশী পাঁজা বলেন , কেন ডক্টরড ভিডিয়ো শেয়ার হচ্ছে ? যাঁরা এই ধরনের কাজ করছেন, তাঁরা উন্নয়নকে আড়াল করার জন্য এই ধরনের ভিডিয়ো ছড়াচ্ছেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যবাসীকে কালীপুজো ও দীপাবলির শুভেচ্ছা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

কালীপুজো ও দীপাবলি উপলক্ষে সকল রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা ্জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুকে বাংলা ও হিন্দি দুই ভাষাতেই শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী। সকলের সুস্থতা কামনা করেন তিনি। তিনি টুইটারে সকলকে কালীপুজো ও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়াও সকলকে তিনি দূরত্ববিধি মেনে আনন্দ করার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি আবেদন করেছেন , মাস্ক পরুন , সাবধানে থাকুন। আরও পড়ুন ঃ বাংলা পক্ষের আন্দোলনের জের , ফের পাঁচ অস্থায়ী কর্মীকে পুনর্বহাল আয়কর দপ্তরে উল্লেখ্য , কঠিন মহামারি পরিস্থিতিতেই বিধিনিষেধ মেনে আলোর উৎসব পালন করবেন রাজ্যের মানুষ। কালীপুজোতে থাকছে না দর্শনার্থীদের মণ্ডপে প্রবেশের অনুমতি।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজনীতি

মাথায় আছে কি করতে হবেঃ শুভেন্দু

আগামী ১৯ নভেম্বর একটি সভা ডেকেছি। সেদিন একটু বেশি সময় নিয়ে অনেক কথা বলব। শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে কালীপুজোর উদ্বো্ধনী অনুষ্ঠানে এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । তিনি এদিন বলেন, একটা সময়ে যাদের উপকারে লেগেছিলাম , এখন তাদের অনেকের আমাকে নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। নন্দীগ্রাম আন্দোলনে অনেক বাহাদুরকে না দেখা গেলেও ফেসবুকে আমাকে গালাগালি দিতে অনেককেই দেখা যাচ্ছে। ভাল সময়ে না থাকলেও খারাপ সময়ে শুভেন্দু পাশেই থাকে। আরও পড়ুন ঃ ২০২১ নির্বাচনে বাংলায় কৈলাসেই ভরসা কেন্দ্রীয় বিজেপির তিনি আরও বলেন , অনেক পদ আসে , আবার চলেও যায়। আজ পদ আছে , কাল থাকবে না। আমার কাছে পদ কিছু নয়। সেবক শুভেন্দু সাধারণের পাশে যেমন ছিল , তেমনই থাকবে। এরপর তিনি বলেন , যা বলতে হয় , তা করতে নেই। আর যা করতে হয় , তা বলতে নেই। তাঁর মাথায় আছে , কখন কি করতে হবে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভোও-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal