• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

দেশ

বড় মোড় লোকসভায়! স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থায় কি বিরোধীদের পাশে তৃণমূল?

লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য আগেই নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। এবার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হতেই সেই বিষয়টিকে সামনে রেখেই কৌশল সাজাতে শুরু করেছে বিরোধী জোট। রাজনৈতিক মহলের সূত্রের খবর, এই পর্বে এত দিন একলা চলার নীতি নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসও বিরোধী শিবিরের পাশে দাঁড়াতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। এই অধিবেশনেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সরব হতে চলেছে বিরোধীরা। যদিও কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু আগেই জানিয়েছিলেন, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার পর অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।সূত্রের খবর, সেই ভোটাভুটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদেরা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষেই ভোট দিতে পারেন। যদিও অধিবেশনের প্রথম পর্যায়ে এই অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দেওয়া হয়েছিল বিরোধীদের পক্ষ থেকে। স্পিকার ওম বিড়লা শাসক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিরোধী জোট। সেই নোটিসে মোট একশো কুড়ি জন বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। পরে সেই নোটিস খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন স্পিকার নিজেই।তবে সেই সময় এই প্রস্তাব থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে স্বাক্ষর করেননি তৃণমূলের সাংসদেরা। সে সময় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাদের স্বাক্ষর করতে কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু তার আগে কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। সেই চিঠির ভিত্তিতে স্পিকার যদি কোনও পদক্ষেপ না নেন, তার পরেই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলেছিল তারা।কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। যদিও প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেনি তৃণমূল, তবু অনাস্থা ভোটাভুটির সময় বিরোধী জোটের পক্ষেই দাঁড়াতে পারে রাজ্যের শাসকদল। ফলে লোকসভায় এই বিষয়টি ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

পরিবর্তন যাত্রার রথে হামলার অভিযোগ! খাগড়াবাড়িতে তীব্র উত্তেজনা, মুখোমুখি বিজেপি-তৃণমূল

পরিবর্তন যাত্রার রথ ঘিরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি। রথে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাদের দাবি, বুধবার গভীর রাতে স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও তাঁর অনুগামীরা আচমকা এসে রথের সামনে ভাঙচুর চালায়। তৃণমূলের যুব নেতা সায়নদীপ গোস্বামীর নামও সামনে আনছে বিজেপি। তাঁর নেতৃত্বেই হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ।বৃহস্পতিবার সকালে সেই একই রাস্তা দিয়ে রথ যাওয়ার কথা, যেখানে কিছুদিন আগে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-র উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। ফলে সকাল থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা।খাগড়াবাড়িতে বিজেপি ও তৃণমূল দুই দলের কর্মী-সমর্থকেরা রাস্তার দুধারে ভিড় জমিয়েছেন। কয়েক জনের হাতে বাঁশ ও লাঠিও দেখা গিয়েছে। পরিস্থিতি যে কোনও মুহূর্তে অশান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা। এলাকায় বড় পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ অভিযোগ করেন, খাগড়াবাড়িতে তৃণমূল ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। তাঁর দাবি, কোচবিহারে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বেড়েছে এবং তাদের ভরসাতেই তৃণমূল বারবার হামলা করছে। পরিবর্তন যাত্রা শেষ পর্যন্ত সফল হবেই বলে দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ঘটনার পূর্ণ রিপোর্ট না পেয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। প্রশাসন বিষয়টি দেখছে। তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ রয়েছে, তারই প্রতিফলন হতে পারে এই ঘটনা।উল্লেখ্য, এদিন রাজ্যের ছয়টি জায়গা থেকে পরিবর্তন যাত্রার রথ বেরোনোর কথা। তার মধ্যে কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। তাই আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সতর্ক প্রশাসন। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে পুলিশ।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই কালনার প্রধানের, বাংলাদেশি বিতর্কে নতুন মোড়

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হতেই পূর্ব বর্ধমানের কালনায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। হাটকালনা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রাবন্তী মণ্ডলের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তাঁর নামের পাশে ডিলিটেড উল্লেখ থাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়েছে।শনিবার নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, প্রধানের নাম আর সক্রিয় ভোটারের তালিকায় নেই। বিষয়টি নিয়ে জানতে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি তাঁর বাড়িতে গেলে প্রথমে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে রাস্তায় দেখা হলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকার করেন। ছবি তুলতে গেলে ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যান তিনি।প্রসঙ্গত, আগে বিজেপি অভিযোগ তুলেছিল যে হাটকালনা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাংলাদেশি। তাদের দাবি ছিল, তিনি অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে এসে নথি তৈরি করে প্রধান হয়েছেন। সেই সময় এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিলেন শ্রাবন্তী মণ্ডল। তিনি পাল্টা বলেছিলেন, যারা অভিযোগ করছেন, তারাই আগে নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করুন।এ দিন নাম বাদ পড়ার ঘটনায় বিজেপি নেতৃত্ব নতুন করে সরব হয়েছে। কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার এক পদাধিকারী জানান, তাঁদের করা অভিযোগই শেষ পর্যন্ত সত্য প্রমাণিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনে প্রধানের পদ খারিজের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হবেন তাঁরা।এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানেই কি অভিযোগ প্রমাণিত, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর সকলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
রাজ্য

১৯ বছরের সম্পর্ক ছেদ করে বিজেপিতে গিয়েছিলেন মুকুল রায়, এত কষ্টের কেন শেষ পরিণতি

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় চলে গেলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করার পর সোমবার রাত দেড়টার সময় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। বাংলার রাজনীতির বহু মানুষ স্মৃতিচারণ করছেন, মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসের সময় রাজনীতি শুরু করে মুকুল রায় পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের সময় সর্বদা পাশে ছিলেন। দলের অগ্রগতিতে তাঁর অবদান ছিল বিশাল। প্রতিটি বুথ, ব্লক, জেলা, শহর স্তরের খবর তাঁর নখদর্পণে ছিল। দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হিসেবে তিনি দলের অন্তপ্রাণ হয়ে উঠেছিলেন। তৃণমূলের পার্টি অফিসে সপরিবারে থাকতেন তিনি।২০০৬ সালে জমি অধিগ্রহণ অভিযান ও সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মুকুল রায় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা। পরবর্তী সময়ে তিনি জাহাজ মন্ত্রী, রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনের পরও অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দেন এবং দেড় বছর ধরে দলের নেতৃত্বে দলবদল কর্মসূচি চালান। বিভিন্ন শরিক দলের নেতা-কর্মীদের ভাঙিয়ে তৃণমূলে যোগদান করান। এই কর্মসূচির ফলে বাংলার রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।তবে সারদা কেলেঙ্কারি ও নারদা স্টিং অপারেশনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। দলের একাংশের মধ্যে অভিযোগ ওঠে, মুকুল রায় নিজের প্রভাব বৃদ্ধি করছেন এবং প্রশাসনকেও প্রভাবিত করতে পারতেন। নারদা মামলায় সিবিআইয়ের ডাকের পর তিনি নিজের মতো করে সংগঠন চালাতে থাকেন। জল্পনা ওঠে আলাদা দল তৈরি করবেন কি না।শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১ সালের ১১ জুন আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন, তবে আগের মতো সক্রিয় ছিলেন না। শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে মূল রাজনীতির মঞ্চে দেখা কম হয়। স্ত্রী প্রয়াণের পর আচরণে অসঙ্গতি দেখা দেয়, একাধিকবার ক্যামেরায় অসংলগ্ন কথাবার্তা ধরা পড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেও বিজেপির বিধায়ক পদ ছাড়েননি। এই বিতর্ক আদালত পর্যন্ত পৌঁছায়। সুপ্রিম কোর্ট মানবিকতার কারণে তাঁর বিধায়ক পদ রাখার নির্দেশ দেন।মুকুল রায়ের প্রয়াণ বাংলার রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি। তাঁর নেতৃত্ব, প্রভাব এবং সংগঠন করার ক্ষমতা বাংলা রাজনীতিতে অনস্বীকার্য।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কাণ্ডারী মুকুল রায়! ছায়াসঙ্গী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। অনেকেই স্মৃতিচারণ করছেন, আর রাজনীতির মানুষজন মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসে নেতা হিসাবে মুকুল রায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। সেখানেই পরিচয় হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি মমতাকে দিদি বলে সম্বোধন করতেন, আর মমতাও তাঁকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। প্রতি বছর ভাইফোঁটা দেওয়ার রীতি ছিল, যদিও শেষ কয়েক বছরে নানা কারণে তা থেমে গিয়েছিল।মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৯৮ সালে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হয়, তিনি সর্বদা পাশে ছিলেন। দল গঠনের সময় থেকে প্রতিটি ব্লক, বুথ, জেলা এবং শহরে তৃণমূলের পরিচয় দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ও তিনি ছিলেন নেতৃত্বের মুখ।২০০৬ সালে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হন এবং দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তবে প্রথমবার হেরে যান। এরপরও তাঁর লড়াকু মনোবল কখনও হ্রাস পায়নি। ২০০৬ সালে রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী ছিলেন।জমি আন্দোলনের সময়ও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও বিভিন্ন বামদল ভেঙে তৃণমূলে নেতা-কর্মীদের আনার কাজও মুকুল রায়ের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় জাহাজ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।কিছু বছর পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। তবে ২০২১ সালে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করলেও মূল রাজনীতির মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। মুকুল রায় ছিলেন যে কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের চাণক্য, তা চলে গেলেও স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

বাংলার রাজনীতির শেষ চাণক্য! মুকুল রায়ের মৃত্যুতে তৃণমূল শোকে স্তব্ধ

বাংলার রাজনীতির এক প্রভাবশালী অধ্যায়ের ইতি ঘটল। তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা মুকুল রায় সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তাঁর প্রয়াণের খবর মিলার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।মুকুল রায় গত কয়েক মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় জানান, রাত দেড়টার সময় ঘটনার পর চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পর হাসপাতালে যাচ্ছেন এবং পরে সকলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি আরও বলেন, কেউ হয়তো জানেনই না যে বাবা আর নেই।মুকুল রায়ের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ এবং বর্ণময়। তৃণমূল কংগ্রেসে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। রাজ্যসভার সাংসদ, দেশের রেলমন্ত্রী ও জাহাজমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। রাজনীতির ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল মাপের বাইরে। এক সময়ে তাঁকে বাংলার চাণক্য ও বঙ্গেশ্বর বলা হতো।তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন তৈরি থেকে জমি আন্দোলন ও পরিবর্তনের লড়াই, সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তৃণমূলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাঁর অবদান অসীম।কয়েক বছর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন এবং কৃষ্ণনগর থেকে জয়ী হন। ২০২১ সালে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরলেও স্বাস্থ্যগত কারণে মূল মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান। দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর সোমবার রাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মুকুল রায়।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুকুল রায়ের প্রয়াণ তৃণমূলের জন্য এক বড়ো ধাক্কা।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

দলবদলের তকমা কি মুছবে, দীপেন্দুর প্রত্যাবর্তনে প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

খেলার মাঠ থেকে রাজনীতির ময়দান, দলবদলের বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না প্রাক্তন ফুটবলার ও রাজনীতিক দীপেন্দু বিশ্বাসকে। ভোটের আগে আবার তৃণমূল কংগ্রেস এ ফিরলেন বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন এই বিধায়ক। একসময় জাতীয় দলের ফুটবলার হিসেবে পরিচিত দীপেন্দু কলকাতার বড় ক্লাবগুলিতেও খেলেছেন। তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিং এর জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলেছেন এবং নব্বইয়ের দশকে ফুটবল মহলে পরিচিত মুখ ছিলেন।রাজনীতিতে প্রবেশের পরও দলবদলের অভিযোগ তাঁকে ঘিরে থেকেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে আবার পুরনো দলে ফিরে এলেন। রবিবার বসিরহাটে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে পুনরায় দলে যোগ দেন তিনি।দলে ফিরে দীপেন্দু বিশ্বাস জানান, অভিমান থেকেই তিনি দল ছেড়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তাঁকে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, দল যে দায়িত্ব দেবে সেটাই পালন করবেন এবং টিকিট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।একই দিনে বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল কাদের সরদার সহ বিভিন্ন দল থেকে বহু কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।২০১৪ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অল্প ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন দীপেন্দু। সেই নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। পরে ২০১৬ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন তিনি। তবে ২০২১ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে দলত্যাগ করেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে দলবদলের প্রবণতা নতুন নয়। ইতিমধ্যেই একাধিক নেতা পুরনো দলে ফিরতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র এবং শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কেও তৃণমূলের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। ফলে ভোটের আগে দলবদলের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, ঘন ঘন দল পরিবর্তন রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে গোপন বৈঠক, তৃণমূল বিজেপি যোগাযোগে বিস্ফোরক দাবি

রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের ঝড় তুললেন মৌসম বেনজির নূর। কংগ্রেসে ফিরে তিনি দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেস এর কিছু নেতা গোপনে ভারতীয় জনতা পার্টি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বোঝাপড়া রয়েছে এবং তিনি দলে থাকাকালীন টাকার লেনদেন ও ক্ষমতার রাজনীতির জন্য এমন যোগাযোগের ঘটনা দেখেছেন।একই দিনে প্রায় একই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির রাজ্য নেতা ও উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁর দাবি, মালদহের এক তৃণমূল বিধায়ক, জেলার দুই সহ সভাপতি, তিন সাধারণ সম্পাদক এবং আরও কয়েকজন নেতা বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। গোপন বৈঠকের কথাও জানিয়েছেন তিনি।খগেন মুর্মুর বক্তব্য, এই তালিকায় জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাও রয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। তাঁর আশঙ্কা, নাম প্রকাশ পেলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বা সুযোগসন্ধানী নেতাদের বিজেপিতে জায়গা দেওয়া হবে না।অন্যদিকে মালদহ জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন চৈতালি সরকার এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তাঁর বক্তব্য, দলে কিছু নেতা রয়েছেন যারা শুধু অর্থ ও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন এবং তারাই অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মালদহ জেলা তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। বিভিন্ন পদ না পেয়ে অনেক নেতা ক্ষুব্ধ বলেও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

বিরোধী থেকে সহযোদ্ধা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় চমক প্রতীক উরের

লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুবছর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা গেল। একসময়ের বিরোধী মুখ প্রতীক উর রহমান এবার অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রাক্তন বাম যুবনেতার এই দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতীক উর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা যেত, কিন্তু সেই পথে না গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে নেতৃত্ব। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। পরে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁদের কাছে সন্তানের মতো কাউকে হারানোর সমান। তাঁকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। উল্টে প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই সময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর রহমান। রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকজন বাম যুবনেতাও কি তাঁর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য ও দীপ্সিতা ধরকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবু বাম শিবিরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে জঙ্গলমহলে ‘মাওবাদী’ পোস্টার! তৃণমূল নেতাদের নামে গণ-আদালতের হুঁশিয়ারি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে জঙ্গলমহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টারকে ঘিরে। রবিবার ভোরে বান্দোয়ান থানার কুমড়া অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় এবং যজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা একাধিক পোস্টার দেখা যায়। স্থানীয় মানুষ বিষয়টি দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কে বা কারা এই পোস্টার সাঁটিয়েছে এবং এর পিছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পোস্টারে তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ভবতোষ দাস-সহ মোট আট জনের নামে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গণ-আদালতে তাঁদের বিচার হবে। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে ওই পোস্টারে।এর আগেও সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার হয়েছিল। তালডাংরা ও ওন্দা থানা এলাকার গাছের গুঁড়ি এবং বাসস্ট্যান্ডের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা পোস্টার মিলেছিল। সেখানেও নিহত মাওবাদী নেতা হিডমাকে সম্মান জানানো হয়েছিল।ভোটের আগে জঙ্গলমহলে এই ধরনের পোস্টার ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকাজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই ১৫০০ টাকা! যুবসাথীতে বড় চমক মমতার

আগস্টের অপেক্ষা আর নয়। এপ্রিল থেকেই চালু হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্প। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই রাজ্যের বেকার যুবক ও যুবতীরা প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন।কয়েক দিন আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় শিক্ষিত বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক ও যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনও বেকার। কেউ যদি স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও বাধা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যদি কেউ নিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে যুবসাথীর টাকা মিলবে না।প্রাথমিকভাবে টানা পাঁচ বছর প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পরেও কেউ যদি বেকার থাকেন, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আদলে বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে সেখানেই আবেদন করা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে আবেদনপত্রের রসিদও দেওয়া হবে।যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানিয়ে শীঘ্রই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

বৃদ্ধকে লাথি, তারপর মৃত্যু! ব্যারাকপুরে কাউন্সিলর গ্রেফতার হতেই তৃণমূলের বড় সিদ্ধান্ত

ব্যারাকপুরে এক ৮১ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার করা হল স্থানীয় কাউন্সিলর ও আইনজীবী রবীন ভট্টাচার্যকে। ঘটনার পরই তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক পার্থ ভৌমিক।অভিযোগ, উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তুলসীচরণ অধিকারিক তাঁর প্রতিবেশীর বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে পুরসভায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই বিষয়েই রবিবার কাউন্সিলর রবীন ভট্টাচার্য তাঁর বাড়িতে যান বলে জানা যায়। সেখানে বৃদ্ধের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। অভিযোগ, তর্কের এক পর্যায়ে কাউন্সিলর তাঁকে মারধর করেন এবং পেটে লাথি মারেন। এর পরই বৃদ্ধ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁর মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাউন্সিলরকে আটক করে। পরে ব্যারাকপুর থানায় নিয়ে গিয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।ঘটনাস্থলে গিয়ে বিধায়ক পার্থ ভৌমিক বলেন, এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও মর্মান্তিক ঘটনা। তিনি জানান, দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছিল। সেই কারণেই পুরসভায় অভিযোগ করা হয়েছিল। পুরসভার নোটিস নিয়ে কাউন্সিলরের সঙ্গে বৃদ্ধ ও তাঁর ছেলের তর্ক হয়। তাঁর কথায়, তিনি শুনেছেন বৃদ্ধ হার্টফেল করে মারা গিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, দল এই ঘটনাকে ভালভাবে দেখছে না। সেই কারণেই অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ঢাকুরিয়ায় গুলি-বোমার নেপথ্যে কে এই সোনা পাপ্পু? শাসক-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে তোলপাড়

রবিবার রাতে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এই হামলা। এই ঘটনার নেপথ্যে সোনা পাপ্পু এবং তাঁর দলবলের নাম উঠে এসেছে। কে এই সোনা পাপ্পু, আর কার মদতে তিনি এতটা প্রভাবশালী, তা নিয়েই এখন এলাকায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে।কসবা, ঢাকুরিয়া এবং রামলাল বাজার এলাকায় সোনা পাপ্পু এখন আতঙ্কের নাম বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে এলাকায় নিয়ন্ত্রণের কাজ করেন তিনি। রবিবার রাতে ঘটনার পর ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে কাঁকুলিয়া রোডে দেখা যায়। যদিও ওই এলাকা ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে, যার কাউন্সিলর তাঁর স্ত্রী চৈতালি চট্টোপাধ্যায়।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরভোট বা অন্য কোনও নির্বাচনের সময় বিরোধীদের ঘরবন্দি করে রাখার কাজেও সোনা পাপ্পুকে ব্যবহার করা হয়। মাসখানেক আগে কলকাতা পুরনিগমে ৬৭ এবং ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, এই সমস্ত বেআইনি নির্মাণের পিছনেও সোনা পাপ্পুর হাত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পুরনিগমের আধিকারিকরাও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পান না। শাসক দলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতাই এর কারণ বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আগেও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই নির্মাণকে ঘিরে শাসকদলের মধ্যেই দুই থেকে তিনটি গোষ্ঠী এলাকা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে। সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই গোটা এলাকা দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে, বিশেষ করে ৬৭ ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ড। রবিবার রাতের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি স্থানীয়দের।এলাকাবাসীদের দাবি, ঢাকুরিয়ার পঞ্চাননতলা বস্তি দীর্ঘদিন ধরেই সোনা পাপ্পুর নজরে ছিল। অভিযোগ, বস্তির বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে উচ্ছেদ করে সেখানে নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু বর্তমানে ওই বস্তি নিয়ন্ত্রণ করেন বাপি নামে স্থানীয় এক যুবক। এলাকার বেশিরভাগ মানুষ এখন বাপির কথাতেই চলাফেরা করেন। স্থানীয় সূত্রে দাবি, বস্তির কয়েকজন মাতব্বর, যাঁরা শাসক দলেরই এক গোষ্ঠীর আশ্রয়ে রয়েছেন, সোনা পাপ্পুর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সেই কারণেই বস্তির দখল নিতে না পেরে সংঘর্ষের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শাসকদলের একাধিক নেতার ছবি সামনে এসেছে। কখনও তাঁকে কসবার বিধায়ক জাভেদ খানের পাশে দেখা গিয়েছে, আবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল জেলা সভাপতি দেবাশিস কুমারের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রীকেও সোনা পাপ্পুর মেয়ের অন্নপ্রাশন অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে বলে দাবি।তবে এই ঘটনার পর দেবাশিস কুমার বলেন, যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের গ্রেফতার করা উচিত। তিনি আরও বলেন, কারও সঙ্গে ছবি থাকলেই সে অপরাধী শাস্তি পাবে না, এমনটা নয়। যে অন্যায় করবে, সে যে মঞ্চেই থাকুক, তার শাস্তি হওয়া উচিত।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

পতাকা লাগানো নিয়ে তুমুল সংঘর্ষ! সখেরবাজারে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি

পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে রবিবার অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হল বেহালার সখেরবাজারে। তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি থেকে শুরু করে ভাঙচুর এবং আগুন লাগানোর অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনার জেরে ডায়মন্ড হারবার রোডে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।রবিবার সখেরবাজার মোড়ে বিজেপির একটি সভা ছিল। সেই সভায় বক্তব্য রাখার কথা ছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বিপ্লব দেবের। সভাকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা এলাকায় দলীয় পতাকা লাগাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের কর্মীরা পতাকা লাগাতে বাধা দেন। তা থেকেই শুরু হয় বচসা। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গড়ায়।ঘটনাস্থলের কাছেই রয়েছে তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লের অফিস। অভিযোগ, উত্তেজনার মধ্যেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ওই অফিসে ভাঙচুর চালান। এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে।এরপর বিপ্লব দেব সভায় বক্তব্য রাখার পর ফের অশান্তি ছড়ায় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির সভা শেষ হতেই তৃণমূল কর্মীদের দিকে আঙুল তুলে বিজেপি গন্ডগোল বাধায়। অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, সভা ভন্ডুল করতেই তৃণমূলের কর্মীরা বিজেপির সভামঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে সভামঞ্চ। চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের চেষ্টায় বেশ কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ঘটনার পরেও এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।দুই দলের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূলের বিধায়ক দেবাশিস কুমার ও রত্না চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পুলিশ যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক রয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমার বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, বাংলায় গণতন্ত্র রয়েছে বলেই বিজেপি মঞ্চ বাঁধতে পেরেছে। এসআইআর নিয়ে বিজেপির ষড়যন্ত্র কাজ করছে না বুঝেই পরিকল্পিতভাবে এই অশান্তি ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য, এই ভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

‘এখন যুদ্ধের সময়’—এসআইআর ইস্যুতে তৃণমূলকে রণসজ্জায় নামালেন অভিষেক

এসআইআর ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, তখন বিনা যুদ্ধে এক চুল জমিও ছাড়তে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রণসজ্জা দেখে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। আদালত থেকে রাজপথ, সব জায়গাতেই সরব ঘাসফুল শিবির।ভোটার দিবসে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে পথে নামছে তৃণমূল। রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ব্লকে মিছিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতি ব্লকে দুটি করে মিছিল হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বুথে বুথে ভোটরক্ষা কমিটি গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এখন আত্মতুষ্টির সময় নয়, এটি লড়াইয়ের সময়। আগামী ২২ দিন দলের কর্মীদের মাঠে নেমে মাটি আঁকড়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কাজের ক্ষেত্রে কোনও রকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না বলেও কড়া বার্তা দিয়েছেন অভিষেক। সূত্রের খবর, দলের এক মেগা ভার্চুয়াল বৈঠকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে দলের প্রায় সব স্তরের নেতানেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরের নেতারা যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় এক লক্ষেরও বেশি মানুষ এই বৈঠকে ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সেখানে একের পর এক স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই বৈঠকে বিএলএ-টুদের সক্রিয় উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও এক চুল জমি ছাড়তে রাজি নয় তৃণমূল, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই বিধায়ক ও সাংসদদের উদ্দেশে কড়া নির্দেশ দেন অভিষেক। প্রয়োজনে নিজেদের খরচে ওয়ার রুম চালানোর কথাও বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্য দলের মতো তৃণমূল বিধায়ক বা সাংসদদের বেতন থেকে টাকা কাটে না। দল যখন সুযোগ দিয়েছে, তখন এখন ঝাঁপিয়ে পড়ার সময়।লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সির তালিকায় থাকা প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ নাম যাতে কোনওভাবেই বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নামগুলি আগের ভোটার তালিকায় ছিল, এখন সেগুলি লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সিতে দেখানো হয়েছে। এই ভোটারদের নাম রক্ষা করাই এখন দলের প্রধান লক্ষ্য।আগামী পনেরো থেকে কুড়ি দিন ওয়ার রুম সক্রিয় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক। দুদিনের মধ্যে ওয়ার রুম কার্যকর করতে বলা হয়েছে। তাঁর সাফ কথা, ওয়ার রুম চালু না থাকলে বিজেপির ষড়যন্ত্র কীভাবে ধরা যাবে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

ডেডলাইন পেরোল, তবু এফআইআর নেই! কমিশনকে উল্টে হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেলেও ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এখনও কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বহাল তবিয়তেই রয়েছেন তিনি। উল্টে প্রকাশ্য সভা থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই এফআইআর করার হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গিয়েছে তাঁকে।মনিরুল ইসলামের দাবি, এসআইআর সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার জেরে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, এমনকি আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই গণ এফআইআর হওয়া উচিত বলে তিনি দাবি করেন। মঞ্চ থেকে কমিশনকে কার্যত চোখরাঙান ফরাক্কার বিধায়ক।তবে প্রকাশ্যে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেও চিঠিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন মনিরুল ইসলাম। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথা উঠতেই তিনি নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকা ইআরও-কে একটি চিঠি পাঠান। সেই চিঠিতে তিনি লেখেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সংবিধান মেনেই কাজ করেন।উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি ফরাক্কার বিডিও অফিসে ব্যাপক অশান্তি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সেই সময় মঞ্চ থেকে মনিরুল ইসলাম বলেন, তাঁকে ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ নেই। আদালত সকলের জন্যই খোলা আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে গণহারে এফআইআর করার ডাকও দেন বিধায়ক।ফরাক্কার ঘটনা ঘিরেই রাজ্যে এসআইআর সংক্রান্ত অশান্তির সূত্রপাত বলে মনে করা হচ্ছে। এরপর চাকুলিয়া, সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লক, ইটাহার সহ একাধিক জায়গায় বিডিও অফিস ও শুনানি কেন্দ্রে ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে এসেছে। ধীরে ধীরে এই অশান্তি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে।ফরাক্কার ঘটনার পর জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরেই নড়েচড়ে বসেন তৃণমূল বিধায়ক। চিঠিতে তিনি জানান, তাঁর বক্তব্যের উদ্দেশ্য কমিশনকে আঘাত করা নয়। বরং সাধারণ মানুষ যাতে তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ে সমস্যায় না পড়েন, সেই বিষয়টি বোঝাতেই তিনি কথা বলেছেন। নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশও করেছেন তিনি। এই চিঠি ইতিমধ্যেই জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়েছে।এদিকে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় দেখানো, ভাঙচুর ও অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র এফআইআর করার নির্দেশ দিলেই চলবে না। নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক স্তরে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূল নেত্রী পদ্মশিবিরের পথে? তৃণমূলের জনপ্রিয় ছাত্র নেত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরে জোর জল্পনা

এক সময় যাঁর কণ্ঠে তৃণমূলের স্লোগান মুখরিত হয়েছে ব্রিগেডের মঞ্চ, যাঁকে দেখা গিয়েছে রাজ্য শাসক দলের ভিআইপি প্রচারক হিসেবে, সেই ডাকসাইটে তৃণমূল ছাত্র নেত্রী রাজন্যা হালদারকে ঘিরে এখন রাজনীতির ময়দানে তুমুল জল্পনা। প্রশ্ন উঠছেতবে কি তৃণমূল থেকে সরে বিজেপির দিকে পা বাড়াচ্ছেন তিনি?সম্প্রতি রাজন্যার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত দুটি পোস্ট এই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, একসময় তিনি তমলুকে প্রচার করলেও মানুষ জ্ঞান, শিক্ষা ও ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। সেই সূত্রেই তাঁর সাক্ষাৎ হয় তমলুকের বিজেপি সাংসদ, প্রাক্তন বিচারক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়এর সঙ্গে। সেখানে রাজন্যা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তাঁদের লড়াই কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, বরং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ, কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সমস্যার বিরুদ্ধে সংগ্রাম।এই বক্তব্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি বড় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। একসময় ২১শে জুলাই ব্রিগেডের মঞ্চে রাজন্যার কণ্ঠে শোনা গিয়েছিলजुल्मी जब जब जुल्म करेगा सत्ता के गलियारों से, चप्पा चप्पा गूंज उठेगा ममता दी के नारों से!এই স্লোগান ছাত্র-যুব সমাজে সাড়া ফেলেছিল। গত লোকসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি ছিলেন তৃণমূলের ভিআইপি প্রচারক। একাধিক কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়এর খুব কাছাকাছি।কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করে। আর জি কর চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের পর থেকে রাজন্যার অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বক্তব্যে রাজ্য সরকার ও তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তাঁর কড়া সমালোচনা নজরে আসে রাজনৈতিক মহলের। এই অবস্থান বদলের মাঝেই সরস্বতী পুজোর আগের দিন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়এর বাড়িতে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক মহলে দুইয়ে দুইয়ে চারজল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি রাজন্যা হালদারের বিজেপিতে যোগদান শুধুই সময়ের অপেক্ষা? তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের একসময়কার পরিচিত মুখের এমন অবস্থান পরিবর্তন রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।যদিও এখনও পর্যন্ত রাজন্যা হালদার প্রকাশ্যে দলত্যাগের কোনো ঘোষণা করেননি, তবে তাঁর সামাজিক মাধ্যমের বক্তব্য, রাজনৈতিক অবস্থান এবং বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এই জল্পনাকে আরও জোরালো করছে। রাজ্য রাজনীতিতে ছাত্র-যুব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত রাজন্যার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 53
  • 54
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal