• ২৬ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজ্য

শাহজাহান, সিরাজুদ্দিন সঙ্গী অজিত মাইতিকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করল পুলিশ, ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি

শেখ শাহজাহান, শেখ সিরাজউদ্দিনদের বিরুদ্ধে ক্ষোভের পাহাড় সন্দেশখালিতে। তাদেরই দোসর এলাকার এক তৃণমূল নেতাকে গত শুক্রবারের পর আজ রবিবারেও ঝাঁটা-জুতো নিয়ে তাড়া গ্রামের মহিলাদের। কয়েকশো জনতার রোষের হাত থেকে বাঁচতে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিলেন তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি। সাংবাদিকদের সামনেই শেষমেশ সুর বদল সন্দেশখালির বেড়মজুরের তৃণমূল নেতার। শেষমেশ ৪ ঘন্টা পরে অজিত মাইতিকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। গত শুক্রবারেও সন্দেশখালির বেড়মজুর গ্রামের তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির বাড়িতে চড়াও হয়েছিলেন কয়েকশো গ্রামবাসী, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন মহিলা। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিনদের সঙ্গে অজিত মাইতি ভয় দেখিয়ে জমি দখলে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। সেদিন তাঁর বাড়ির বাইরে ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁকে মারধরও করা হয়।এরপর থানায় নালিশ করেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। রবিবার এলাকায় তাঁকে দেখে আবারও তেড়ে যান গ্রামবাসীরা। ধাওয়া করে বেশ কিছু দূর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাণভয়ে শেষমেশ এলাকারই এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন ওই তৃণমূল নেতা। সেখানে ৪ ঘন্টা লুকিয়ে ছিলেন। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তালা লাগানো গেটের ভিতর থেকে তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি বলেন, জমি দখলের বিষয়ে কিছু জানতাম না। আমি নির্দোষ। ওরা আইনের দ্বারস্থ হোক। আইন যা সাজা দেবে মেনে নেব। আমি কারও জমি নিইনি। এটা তদন্ত করে দেখা হোক। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, আগে আমি BJP করতাম। আমাকে মারধর করে নিয়ে এসেছিল। শেখ শাহজাহান, সিরাউদ্দিন শেখের নেতৃত্বে এই কাজ হয়েছিল। তবে আটক অজিত মাইতিকে আদৌ পুলি গ্রেফতার করে কিনা তা এখনও জানা যায়নি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ, জণগর্জনের ডাক অভিষেকের

১০ মার্চ ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সভার নাম দেওয়া হয়েছে জণগর্জন। আবাস যোজনার টাকা বন্ধ সহ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ করবে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে এই সমাবেশে অন্য কোনও বিজেপি বিরোধী নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না বলে অভিষেক জানিয়েছেন।অভিষেকের দাবি, এটা ট্রেলর। সিনেমা দেখা যাবে ভোটের সময়। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ। একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বিজেপি ভোটের সময় মানুষকে ভুল বোঝাতে চাইছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

ফের তৃণমূলের দুুই মন্ত্রী সন্দেশখালিতে, ড্যামেজ কন্ট্রোলে মরিয়া চেষ্টা

৫১ দিনেও ধরা গেল না সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহানকে। ফুঁসছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। অগ্নিগর্ভ বেড়মজুর, ঝুপখালি অঞ্চল। ডিজি গেলেও কিন্তু ল গ্রামবাসীদের ক্ষোভে প্রলেপ পড়েনি। এলাকায় বিশাল পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বেশ কয়েকটি জায়গায় বসানো হয়েছে সিসিটিভি। সন্দেশখালির ঘটনায় শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা গারদে থাকলেও তৃণমূলের অস্বস্তি ক্রমেই যেন ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে শনিবার সকালে ফের সন্দেশখালি গিয়েছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সঙ্গে রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। এদিকে, সন্দেশখালিতে ঢুকতে এদিন ডিওয়াইএফআই নেত্রী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ বাম কর্মী, সমর্থকদের আটকে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েছেন এই বাম যুবনেত্রী। ১৪৪ ধারা জারির কারণেই মিনাক্ষীদের ঢুকেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাচনের অভিযোগে সোচ্চার সন্দেশখালি ও সংলগ্ন অঞ্চলের মহিলারা। লাঠি, বাঁশ হাতে তাঁদের চরম বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে। অভিযোগ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দুই তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা, উত্তম সর্দাররা বহু স্থানীয়র জমি, ভেড়ির অংশ দখল করেছে। এমনকী সেচের খালও তাদের কব্জায়। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ খতিয়ে দেখে সেসব ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ক্ষোভের আগুন তাতে কমছে না।শনিবার সকালে ফের সন্দেশখালি গিয়েছেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। সঙ্গে রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত সেচের কোন খাল, জমি শাহজাহান বাহিনী দখল করেছে তা দেখতেই দুই মন্ত্রীর সেখানে য়াওয়া বলে সূত্রের খবর। এসবের মধ্যেই শেখ শাহজাহানের কথা উঠতেই দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু বলেছেন, আমাদের দল কাউকে রেয়াত করে না, এক্ষেত্রেও করবে না। তৃণমূল অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। ইতিমধ্যেই আমাদের কাছে আড়াইশো অভিযোগ জমা পড়েছে। দেড়শোর কাছাকাছি অভিযোগের তদন্ত হয়েছে। একশোটি অভিযোগের সমাধান আমরা করেছি। জমি ফেরত দিয়েছি। এখন গ্রাবাসীদের সঙ্গে কথা বলছি। জানছি কার কিসে ক্ষোভ।এদিকে পুলিশকে লুকিয়ে এদিন ঘুরপথে সন্দেশখালিতে ঢোকার চেষ্টা করেন বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ধৃত প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান তিনি। এরপর সন্দেশখালিতে ঢোকার মুখে বাধা দেওয়া হয় তাঁকে। পুলিশ জানায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তাঁদের আর যেতে দেওয়া হবে না। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন মিনাক্ষী। পুলিশকে তিনি প্রশ্ন করেন, কেন ভয় দেখাচ্ছেন? পার্থ ভৌমিক, সুজিত বসুরা কীভাবে সন্দেশখালিতে ঘুরছেন। কীভাবে ধানি জমিতে ভেড়ি হল? এতদিন কেন জমি ফেরৎ দেওয়া হল না? দুয়ারে সরকারে কেন এগুলো হল না? দুই মন্ত্রী হলেন শিবু, শাহজাহান, উত্তমদের দলের লোক। সিপিএম আমলে এরা মাথাচাড়া দেয়নি। তৃণমূলের বারো বছরে এইসব দুষ্কৃতীরা মাথায় উঠেছে। মানুষ অতিষ্ট।সন্দেশখালিতে ব্যাকফুটে তৃণমূল? জানা গিয়েছে, এদিন তৃণমূল নেতা বিনয় সর্দারের বাবা ও ভাইকে দেখেই তেড়ে যান গ্রামবাসীরা। উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরই পুলিশ গিয়ে দুই গ্রামবাসীকে আটক করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

আধার বাতিল বিতর্ক, এবার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আধার কার্ড নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক জোরদার। তার মাঝেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই চিঠিতে সমস্যা সমাধানে হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন মমতা। তুলে ধরা হয়েছে মানুষের বিড়ম্বনার বিষয়টিও।মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আমি আধার কার্ডের বেপরোয়া বাতিলের তীব্র নিন্দা করছি, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের তপশিলি জাতি ও উপজাতি এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে নিশানা করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও পূর্ব তদন্ত বা পরামর্শ ছাড়াই আধার কার্ড নিষ্ক্রিয় করার কেন্দ্রের একতরফা সিদ্ধান্ত। লোকসভা নির্বাচনের আগে নির্ধারিত উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি থেকে যোগ্য সুবিধাভোগীদের বঞ্চিত রাখতেই এই অশুভ চক্রান্ত। আমরা সবাই ভারতের নাগরিক। প্রতিটি বাসিন্দা রাজ্য সরকারের উন্নয়মূলক প্রকল্পের সুবিধাগুলি পেতে পারেন, তাদের আধার কার্ড থাকুক বা না থাকুক।হঠাৎ আধার বাতিলে মতুয়ারা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ বলে দাবি বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। সোমবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তাঁর দাবি, মতুয়াদের সবচেয়ে বেশি আধার কার্ড বাতিল করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তফশিলি এবং সংখ্যালঘুদের ওপরও অত্যাচার হচ্ছে। মমতার অভিযোগ, অসমের মতো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির ভাবনা নিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু তিনি বাংলায় এনআরসি করতে দেবেন না। পশ্চিমবঙ্গে ডিটেইনশন ক্যাম্প হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন মমতা।আধার বাতিলের সমস্যা নিয়ে তফশিলি ফেডারেশন তাঁকে চিঠিও লিখেছে। মতুয়া থেকে শুরু করে অনেকক্ষেত্রে রাজ্যকে না জানিয়ে ডিএম-কে না জানিয়ে আধার কার্ড বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার গুণ্ডামি করে এনআরসি করার পরিকল্পনা করেই আধার কার্ড বাতিল করছে বলে আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জাতীয় নির্বাচন কমিশনে একটি দল পাঠানোর ভাবনাও রয়েছে জোড়া-ফুলের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

অবশেষে গ্রেফতার শিবু হাজরাও, উত্তম সরদারের বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের ধারা, পুলিশে রদবদল

এবার ন্যাজাট থেকে পুলিশ গ্রেফতার করল শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবপ্রসাদ হাজরাকে। এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই সন্দেশখালি হামলার অন্যতম অভিযুক্ত শিবপ্রসাদ হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে একাধিক ভয়ঙ্কর অভিযোগ সামনে এসেছে। শেখ শাহজাহানের এই দুই শাগরেদের গ্রেফতারির দাবিতে লাঠিসোঁটা ঝাঁটা দিয়ে রাস্তায় প্রতিবাদ দেখান কয়েকশো মহিলা। সন্দেশখালি থানায় ঘেরাও করেন। পরদিন রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছিল স্থানীয় তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারকে। পরে জামিনে মুক্ত হলে ফের গ্রেফতার করা হয়। এসবের মধ্যেই নির্যাতিতাদের গোপন জবানবন্দি নিয়েছিল পুলিশ। তার ভিত্তিতেই সন্দেশখালির ২০ নম্বর মামলায় শিবপ্রসাদ হাজরা ও উত্তর সর্দারের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সঙ্গে যোগ করা হয়েছে খুনের চেষ্টার ধারাও। সন্ধ্যায় বসিরহাট পুলিশ জেলার এসপি জেবি থমাস এই তথ্য জানিয়েছেন।এদিন পুলিশ সুপার বলেছেন, সন্দেশখালির পরিস্থিতি আপাতত শান্ত। কেউ শান্তিভঙ্গ করলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। পুলিশ কিছু লুকনোর চেষ্টা করছে না। নির্যাতিতাদের গোপন জবানবন্দির প্রেক্ষিতে সন্দেশখালির ২০ নম্বর মামলায় গণধর্ষণের মামলা রুজু করা হয়েছে।বসিরহাট মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী অরুণ পালের দাবি, সন্দেশখালির এক নির্যাতিতা অভিযোগ করে বলেছেন যে দুই তৃণমূল নেতা শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দার তাঁকে গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা করেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর গোপন জবানবন্দি বসিরহাট মহকুমা আদালতে নেওয়া হয়। সেই জবানবন্দির প্রেক্ষিতেই পুলিশের পক্ষ থেকে গণধর্ষণ এবং খুনের চেষ্টা-এই নতুন দুটি ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে।এরপরও নির্যাতিতাদের দাবি, শুধু গণধর্ষণের মামলা রুজু করলেই চলবে না। শিবু ও উত্তমকে গ্রেফতার করতে হবে। না হলে এলাকায় শান্তি ফিরবে না। সুবিচার হবে না।এদিকে, সন্দেশখালি বিতর্কের মধ্যেই মাত্র ১৭ দিনের মাথায় দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদ থেকে সরানো হল সিদ্ধনাথ গুপ্তকে। ওই জায়গায় আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। সন্দেশখালি এলাকা বারাসত ডিআইজির নিয়ন্ত্রণাধীন। সেই বারাসত ডিআইজি পদে থাকা সুমিত কুমারকে সরিয়ে আনা হচ্ছে আইপিএস ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে।শুরু থেকেই সন্দেশখালি কাণ্ডে কাঠগড়ায় পুলিশের ভূমিকা। অস্বস্তিতে রাজ্য প্রশাসন। ড্যামেজ কন্ট্রোলে তাই তড়িঘড়ি দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদে আদলবদল করা হল বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালির শাহজাহানকে ক্লিনচিট মমতার, আরএসএসকে দিকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

সন্দেশখালিতে উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় মহিলাদের মারাত্মক অভিযোগে পারদ চড়ছে বঙ্গ রাজনীতিতে। অস্বস্তি বাড়ছে রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের। এসবের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি নিয়ে বিধানসভায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানকার তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখকে নিয়েও কথা বললেন। কেন সন্দেশখালিতে এত ঝামেলা তা স্পষ্ট করলেন মমতা।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওখানে আরএসএস-এর একটা বাসা আছে। ৭-৮ বছর আগেও ঝামেলা হয়েছিল ওখানে। কতগুলি ঝামেলার জায়গার মধ্যে ওটাও একটি। সেখানে মুখে মাস্ক পরে গোলমাল করা হচ্ছে। বহিরাগতরাই সন্দেশখালিতে এত গোলমাল পাকাচ্ছে। সন্দেশখালিতে এমন ঘটনা প্রথম না বলেই এদিন দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগের গন্ডগোলের সময়ে সরকার কড়া পদক্ষেপ করেছিল, তাই পরিস্থিতি খারাপ হয়নি। কিন্তু বিজেপির অনেক পরিকল্পনা ছিল বলেও অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ সন্দেশখালির ঘটনার জন্য বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোপুরি বিজেপি-কে দায়ী করেন।সন্দেশখালিতে হামলার নেপথ্যে অভিযুক্ত সেখানকার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। কিন্তু তা মানতে নারাজ মমতা। বললেন, সন্দেশখালিতে শাহজাহানকে টার্গেট করে ইডি ঢুকেছিল। সেই নিয়ে গোলমাল করে সংখ্যালঘু এবং আদিবাসীদের মধ্যে ঝামেলা লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। তবে পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। ১৭ জন-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি জীবনে অন্যায়কে প্রশ্রয় দিই না। কোনও সমস্যা থাকলে তার সমাধান হবে।রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের খোঁজে সেখানে গিয়েছিল ইডি। তবে তাঁর বাড়িতে ঢুকতে পারেনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। উল্টে অভিযোগ, শাহজাহানের অনুগামীদের হাতে হেনস্থা হতে হয় ইডি আধিকারিকদের। সেই ঘটনার পর থেকেই ফেরার শাহজাহান। তাঁর দুই অনুগামী শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধেও স্থানীয়দের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। উত্তম বর্তমানে জামিনে মুক্ত, কিন্তু বাকিদের কোনও খোঁজ মেলেনি। প্রায় দেড় মাস ধরে উত্তপ্ত সন্দেশখালি। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে অত্য়াচারের অভিযোগে সরব গ্রামবাসীরা। বিশেষত সেখানে বিক্ষোভের ঘটনায় প্রথম সারিতে মহিলারা। তাঁদের যাবতীয় অভিযোগ যথেষ্ট স্পর্শকাতর। মমতার দাবি সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করছে রাজ্য প্রশাসন। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যেমন সক্রিয় পুলিশ প্রশাসন, তেমনই রাজ্য মহিলা কমিশনও সেখানে গিয়ে মহিলাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে। তা নিয়ে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারকে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণায় চমক, বাদ পুরনো ৩ সাংসদ

আসন্ন রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করে দিল তৃণমূল। রবিবার তৃণমূলের এক্স হ্যান্ডলে রাজ্যসভার নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। বিদায়ী ৩ সাংসদকে নতুন তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তাঁদের বদলে নতুন মুখকে রাজ্যসভায় নিয়ে যেতে চান তৃণমূল সুপ্রিমো।রাজ্যসভার ভোটে তৃণমূলের নতুন তিন প্রার্থী হলেন প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেব, মতুয়া মহাসংঘের সঙ্ঘাতিপতি তথা প্রাক্তন লোকসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর ও সাংবাদিক সাগরিকা ঘোষ। রাজ্যসভায় আগেই সাংসদ থাকা নাদিমুল হককে এবারও মনোনয়ন দিয়েছে তৃণমূল। পুরনোদের মধ্যে রাজ্যসভার নির্বাচনে দাঁড়ানোর ছাড়পত্র মেলেনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূলের সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তীর। মনোনয়ন পাননি সাংসদ আবীররঞ্জন বিশ্বাস ও শান্তনু সেন।রাজ্যসভায় তৃণমূলের এই প্রার্থী ঘোষণায় যথেষ্ট চমক দেখছে রাজনৈতিক মবহল। একদিকে মমতাবালা ঠাকুরকে রাজ্যসভায় নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে মতুয়া ভোটারদের আরও কাছে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে শাসক শিবিরের।অন্যদিকে, সুস্মিতা দেবের কাজেও যথেষ্ট খুশি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষমোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকেই দলের হয়ে ভিনরাজ্যেও নানা কাজ করে চলেছেন। এমনকী রাজ্যসভায় তাঁর ভাষণও ফি দিন চর্চায় থাকে। ফের একবার তাঁকেই রাজ্যসভায় মনোনয় দিয়ে সোজা ব্যাটে খেললেন তৃণমূলনেত্রী। এছাড়াও সাংবাদিক সাগরিকা ঘোষকেও এবার রাজ্যসভার ভোটে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। প্রখ্যাত সাংবাদিক রাজদীপ সরদেশাইয়ের স্ত্রী সাগরিকা ঘোষ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজ্য

শেষমেশ সাসপেন্ড সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা উত্তম সরদার গ্রেফতার, ধৃত স্থানীয় বিজেপি নেতাও

সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা উত্তম সরদারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর এদিন রাতেই এই তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আগামিকাল তাকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। শনিবার সন্দেশখালি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য উত্তম সরদারকে ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করার ঘোষণা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ ভৌমিক। দলের অভ্যন্তরীণ তদন্ত রিপোর্ট এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।শনিবার কলকাতার রেড রোডে তৃণমূলের ধরনা মঞ্চ থেকে পার্থ ভৌমিক বলেন, আমাদের দলীয় রিপোর্ট অনুসারে দল ব্যবস্থা নিয়েছে। কেন শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এখনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না দল?, এপ্রসঙ্গে পার্থ ভৌমিক বলেন, এখানে শাহজাহান আলোচ্চ বিষয় নয়। যাঁকে নিয়ে কেউ কিছু বলেনি খামোকা তাঁকে নিয়ে আলোচনা করব কেন?এদিকে, উত্তম সরদারকে সাসপেন্ড ইস্যুতে মুখ খুলেছে বিরোধীরা। সংবাদমাধ্যমে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা লোকদেখানো ব্যাপার। ওরা আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে অত্যাচার করেছে। তৃণমূল কী এতদিন জানত না? ওরা তো দুষ্কৃতী। ওদের আবার সাসপেন্ড কীসের?সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এটা সম্পূর্ণ লোকদেখানো সাসপেনশন। শেখ শাহাজাহানের গ্রেফতারের কী হল? উত্তম সরদার, শিবু হাজরারা টাকা তুলে শাহজাহানেক দিত। শাহজাহান দিত জ্যোতিপ্রিয়কে। জ্যোতিপ্রিয় সেই টাকা পাঠাত কালীঘাটে।এদিকে, সন্দেশখালিতে বুধবার থেকে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন গ্রামবাসীরা। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরার একাধিক সম্পত্তিতে ভাঙচুর-আগুন লাগানো চলছে অহরহ। আইনের শাসন হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে নড়েচড়ে বসেছে নবান্ন। শুক্রবার রাত ৯.৩০ থেকে সন্দেশখালি ২ নং ব্লকের ৮টি পঞ্চায়েত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সন্দেশখালির প্রতিটি দ্বীপে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

নথি নিয়ে ইডি দপ্তরে হাজির প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ট কলকাতা কাউন্সিলর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে নথি নিয়ে হাজির হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট কলকাতা পৌরসভার ১০১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাসগুপ্ত। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁর ভূমিকা কি ছিল, সম্পত্তির হিসেব ও ব্যাংকের ডিটেলস নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।গত বছরের নভেম্বর মাসে নিয়োগকাণ্ডে নাম জড়ায় বাপ্পাদিত্যের। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি সংক্রান্ত নথি পাওয়া গিয়েছিল বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি।কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের স পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নিয়মিত ওঠাবসা ছিল। সেই কারণে নিয়োগ মামলায় পার্থের ভূমিকা সম্পর্কে বাপ্পাদিত্য অনেকটাই জানেন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। প্রাথমিকের নিয়োগে পার্থের কী ভূমিকা ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখতে চাইছে ইডি। সেই কারণেই ইডি মনে করছে ব্যাপাদিত্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এদিন তলব করা হয়।ইডি দফতরে প্রবেশ করার সময় ব্যাপাদিত্য বলেন, আজকে ইনকাম স্টেটমেন্ট, আই টি রিটার্ন, এসেট ৱ্যাবিলিটি ডিটেলস এই কাগজ গুলো চেয়েছে সেগুলো নিয়ে এসেছি। দেখা যাক কথা বলি। আইটি রিটার্ন রয়েছে ১২ বছরের। যা যা কাগজ চেয়েছে সেই গুলো নিয়ে এসেছি। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট সেই কারণে ডাকা হচ্ছে হয়তো। প্রাথমিকের নিয়োগের সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। সিবিআই যখন বাড়িতে রেড করে যে এডমিট কার্ড পেয়েছে একটাও প্রাথমিকের নয়। সেগুলো আজ জমা করে দেব।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেক-মমতা বৈঠক, রাজ্যসভার প্রার্থী নিয়ে আলোচনা? চর্চা রাজনৈতিক মহলে

আগেই রাজধানী সফর বাতিল করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়েছেন আজ এক দেশ এক ভোট বৈঠকে যোগ দেবেন তৃণমূলের অভিজ্ঞ দুই সাংসদ সুদীপ ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কৌতুহল ছিল কিন্তু কোথায় গেলেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? এই জল্পনার মাঝেই মঙ্গলবার দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক! এরপর বিমানবন্দর থেকে অভিষেক সোজা পৌঁছে যান কালীঘাটে তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে।মমতা-অভিষেক দ্বৈরথ নিয়ে নানা জল্পনা। এসবের মধ্যেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ ও বকেয়ার দাবিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেড রোডে ধর্না আন্দোলনে বসেন। সেই ধর্না মঞ্চের দুদিনই হাজির হননি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। যা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। সোমবার প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় দাবি করেছিলেন, শারীরিক অসুস্থতার জেরেই সম্ভবত ওই ধর্নায় অনুপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। দলীয় মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছিলেন, দিল্লিতে কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনের রূপরেখা তৈরিতে ব্যস্ত অভিষেক, পাশাপাশি তাঁর চোখের সমস্যাও রয়েছে।বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে গত সপ্তাহে দিল্লি গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেট পেশের পর দলীয় বহু সাংসদ বাংলায় ফিরলেও দিল্লিতেই ছিলেন অভিষেক। এসবের মধ্যেই এদিন দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গেলেন মমতার বাড়িতে। কেন হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? তা এখনও স্পষ্ট নয়। মুখ্যমন্ত্রী সোমবার তাঁর দিল্লি সফর বাতিলের কারণ হিসাবে বাজেট অধিবেশনের কথা বলেছিলেন। তাহলে কী রাজ্য বাজেট নিয়েই মমতা-অভিষেক কথা হয়েছে?তৃণমূল সূত্রের খবর, রাজ্যের পাঁচটি রাজ্যসভা আসন ফাঁকা হচ্ছে। বিধায়ক সংখ্যার নিরিখে চারটি পাবে তৃণমূল। একটিতে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী জিতবেন। প্রার্থী তালিকা নিয়েই মমতা-অভিষেকের কথা হয়ে থাকতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
রাজ্য

দিল্লির বৈঠকে থাকছেন না মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই সিদ্ধান্ত?

এক দেশ এক ভোট সংক্রান্ত বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি সফরের কথা থাকলেও যাচ্ছেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লি সফর বাতিল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।কেন দিল্লি সফর বাতিল করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য, ৮ই ফেব্রুয়ারি রাজ্য বাজেট রয়েছে। ফলে দিল্লি যাওয়ার বিষয়টি আমি আপাতত বাতিল করছি।সোমবার ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। তারপরই দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। ওই বৈঠকের পরেই নবান্নে সাংসবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, তিনি দিল্লি সফর বাতিল করেছেন। রাজ্য বাজেটের কারণে তাঁর এই সফর বাতিল বলে জানিয়েছেন মমতা। পাশাপাশি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার এক দেশ এক ভোট সংক্রান্ত বৈঠকে তাঁর বদলে তৃণমূলের তরফে দুই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন।এক দেশ এক ভোট সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমি অপারগতার কথা রামনাথ কোবিন্দজিকে জানাতে ফোন করেছিলাম। উনি প্রথমে ছিলেন না। উনি খুব সজ্জন ব্যক্তি। পরে জানাতে উনি বলেছেন, ঠিক আছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হঠাৎ দিল্লি যাত্রা বাতিলের ঘোষণায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকস্তরে প্রবল আলোড়ন পড়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বাজেট পেশ হবে তা আগে থেকেই অবগত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরও তাঁর দিল্লি সফরের বিষয়টি পাকা ছিল। তাহলে কেন এই আচমকা বাতিলের সিদ্ধান্ত? অনেকের মতে, সোমবার দিল্লিতে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেছেন। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে বলেছি, ইতিমধ্যে বরাদ্দ টাকার হিসাব না পেলে নতুন বরাদ্দ করবেন না। ফলে নতুন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই কৌশলগত কারণেই কি এদিন মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি যাত্রা এড়িয়ে গেলেন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৪
রাজ্য

ফের বসন্তের কোকিল বলে নাম না করে রাহুলকে তোপ মমতার

২৪-এর লোকসভা ভোটের কাউন্টডাউন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। একদিকে এনডিএ অন্যদিকে ইন্ডিয়া জোট। শুরু থেকে আক্রমনাত্মক ভঙ্গিতে বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারে নামলেও বারে বারে ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি বিরোধী জোট। জোটের দলগুলির মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চর্চার মাঝেই ইন্ডিয়া জোট ছেড়ে এনডিএ জোটের হাত ধরে বিহারে সরকার গড়েছে নীতীশ কুমার। এদিকে বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কোনরকম জোট করবে না সেকথা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার ফের জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন মমতা। ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দেশের প্রাচীনতম দল কংগ্রেস আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ৪০ টি আসনও জিততে পারবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তৃণমূল কংগ্রেস ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সবকটি আসনে একা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কয়েকদিন পরেই কংগ্রেসকে এভাবে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৪০টি আসন জিতবে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আমি কংগ্রেসকে দুটি আসন অফার করছিলাম এবং বলেছিলাম দুটি আসনেই তাদের জিতিতে দেব। কিন্তু তারা আরও বেশি আসন চেয়েছিল। আমি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করি। এরপর থেকে কংগ্রেসের সঙ্গে আর কোনওরকম আলোচনা হয়নি।ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় আমন্ত্রণ নেইএর আগে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন এই যাত্রা সম্পর্কে হতাশা প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, ইন্ডিয়া জোটের সদস্য হিসাবে যাত্রার কথা আমাকে জানানো হয়নি। এমনকী যাত্রায় আমাকে কোনও আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। আমি প্রশাসনিক সূত্রে যাত্রার কথা জানতে পেরেছি।সাহস থাকলে বেনারসে বিজেপিকে হারান উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে ভারতীয় জনতা পার্টিকে হারাতে কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেছেন, সাহস থাকলে উত্তরপ্রদেশ, বেনারস, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে বিজেপিকে হারান। টিএমসি বারবার কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা বিলম্বিত করার অভিযোগ করেছে।রাহুলের নাম না নিয়ে মমতা বলেন, আজকাল ফটোশুটের নতুন ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। যারা কখনও চায়ের স্টলে যাননি, তারাই এখন বসে বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত। আসলে, ভারত জোড়ে ন্যায় যাত্রার সময়, রাহুল গান্ধী বাংলার বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন। এবার তা নিয়ে মমতার তোপের মুখে পড়তে হল রাহুল গান্ধীকে।রাহুলের ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, বসন্তের কোকিল ফটোশ্যুট করছে। যাঁরা কোনওদিন চা বানাতে জানেইনি। বাচ্চাদের আদর করেই না। বিড়ি বাঁধতে জানেই না।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে কলকাতায় ধরনা মুখ্যমন্ত্রীর, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদীকে চিঠি

এর আগে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটেছে। কলকাতায় রাজভবনের সামনে মঞ্চ বেঁধে ধরনা চলেছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে রেড রোডের পাশে ধর্নায় বসেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেই মঞ্চ থেকেই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য সব মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।গত বুধবার মমতার আর্থিক বঞ্চনার জবাব দিতে আসরে নামে বিজেপি। ওইদিন সকালে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে বাংলার বকেয়া টাকার দাবি জানান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরে সুদীপকে ক্যাগ রিপোর্ট পড়ে দেখতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত।কী আছে সেই ক্যাগ রিপোর্টে, যা দেখে কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে? গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সুকান্তর দাবি, পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট-এ সরকারি প্রকল্পের টাকা নেওয়া হয়েছে, এমন কথাই রয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। সুকান্তর দাবি ছিল, এটা দুর্নীতির নতুন পন্থা। সাধারণের টাকা কোথায় খরচ করা হয়েছে, তা কারও জানা নেই। বঙ্গ বিজেপি সভাপতির দাবি, রাজ্য সরকারকে যে কোনও প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে হয়। তাতে বোঝা যায়, যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, সেই টাকা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজেই খরচ হয়েছে। কিন্তু ক্যাগ রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার কোনও ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেয়নি রাজ্য সরকার।বিজেপি নেতাদের ওই অভিযোগের বিরুদ্ধে এদিন ধরনা মঞ্চেই মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা জানান, এখান থেকেই ক্যাগ রিপোর্টের মিথ্যাচার নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে স্ট্রং চিঠি দিচ্ছি এখান থেকে। ক্যাগ রিপোর্টে ২০০৩ সাল থেকে রিপোর্ট দিয়েছে। তখন কি আমরা ছিলাম? আমরা ক্ষমতায় এসেছি ২০১১ সালে। তাহলে কেন ওই সময়ের দায়িত্ব নেব? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সব ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিয়েছি। ক্যাগ রিপোর্টে সব মিথ্যা কথা। সত্য কখনও চাপা থাকে না। ক্যাগ রিপোর্ট বিকৃত সত্য ও বিজেপি লিখেছে। রাজ্যের পাওনা আটকে রেখে ক্যাগ কথা বলছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৪
রাজ্য

অত্যাচারী সিপিএমের সঙ্গে কংগ্রেস, লোকসভায় একাই লড়বে তৃণমূল, মালদায় ঘোষণা মমতার

কংগ্রেসকে মালদায় লোকসভা নির্বাচনে দুটি আসন ছাড়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু ওরা আরও চাইছে। তাই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল একাই লড়বে। কোনও জোটে যাব না। মালদার ইংরেজবাজারের সরকারি পরিষেবা প্রদানমূলক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিম মমতা ব্যানার্জি। বুধবার দুপুরে ইংরেজবাজারের জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠের এই কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি তিন দলকেই নিশানা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে সিপিএম এতদিন অত্যাচার চালিয়েছে, তাদের সঙ্গে জোট করে চলতে চাইছে কংগ্রেস। আর এই জোটের মাধ্যমে এক প্রকার বিজেপিকে সাহায্য করা হচ্ছে। এটা কোন রকম মানবো না। তৃণমূল একলা চলার রাজনীতিতেই বিশ্বাসী, তাই একাই লড়বো। মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের বক্তব্যে প্রয়াত প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা এবিএ গণিখান চৌধুরীর নাম উঠে আসে। তিনি বলেন, বরকতদার সময় তৈরি হয়েছিল গৌর ভবন। আজকে মালদার সেই গৌড় ভবনের কি অবস্থা। এতদিন মালদায় কংগ্রেস সাংসদ থেকেও কোন কাজই করতে পারেনি। তারাই আবার অত্যাচারী সিপিএমকে নিয়ে লোকসভার ভোটে সামিল হয়েছে। বিজেপি অনেক কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু আপনারাই বলুন কোন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। আর সেই বিজেপিকে কংগ্রেস ও সিপিএম জোট করে সাহায্য করতে চাইছে। আমরা এই জোটে নেই, একাই লড়বো একাই জিতবো।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, মালদার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বিএসএফ একরকম গ্রামবাসীদের জন্য কার্ড চালু করেছে। এটা আবার কিসের কার্ড। সাধারণ মানুষের পরিচয়পত্র ভোটার কার্ড, আধার কার্ড সবই রয়েছে। নতুন করে বিএসএফের এই নির্দেশ কোনরকম ভাবেই মানা যাবে না। কেন্দ্রের অধীনস্থ বিএসএফ যদি কোনরকম অসুবিধা তৈরি করে, তাহলে লোকাল থানায় অভিযোগ জানান। বিডিওর কাছে নিজের পরিচয় পত্র তুলে ধরুন। সঠিক অভিযোগ পেলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। বিজেপি যতই বলুক এই রাজ্যে কোন রকম ভাবেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) চালু করতে দেব না। আপনারা ভরসা রাখুন। এদিন কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে বার্তা দেন মমতা। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেসকে বলেছিলাম মালদার দুটি আসন আমরা দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু ওদের আরও অনেক আসনের দাবি। সুতরাং তৃণমূল একাই লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করবে। কারও সমর্থনের দরকার নেই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৪
রাজ্য

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘোষণার পর এবার শুভেন্দু, বাংলায় শীঘ্রই লাগু সিএএ

আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিএএ ঘোষণা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইঙ্গিতে আগেই সিএএ ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্দ্রী শান্তনু ঠাকুর। সোমবার, সেই সুরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সিএএ-র ডেটলাইন ঘোষণা করে দিলেন। বিরোধী দলনেতা জানালেন, ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চালু করা হবে সিএএ।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল সিএএ। রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিএএ চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পালটা, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছিল, বিজেপি বাঙালি-বিরোধী। তাই বিজেপি বাঙালিদের নাগরিকত্বের অধিকার কাড়তে চাইছে। সেই কারণে এরাজ্যে সিএএ ঘোষণা করতে চাইছে বিজেপি। কিন্তু, তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে কোনওমতেই পশ্চিমবঙ্গে সিএএ লাগু করতে দেবে না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অমিত শাহ জি শিলিগুড়ির সভা থেকেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, সিএএ কারও নাগরিকত্ব হরণের আইন নয়। এটা নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এই ইস্যুতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, ২০২১ সালে সিএএ নিয়ে মিথ্যা প্রচার করেই তো বেরিয়ে গেলেন। সিএএ আর এনআরসির মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। এবার পারলে সিএএ লাগু হওয়া আটকান! দেখবেন, আর লুচির মত ফুলবেন।পরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শান্তনু কিছু জানেন, সেই জন্যই বলেছেন। এর আগে অমিত শাহও বলেছিলেন, সিএএ আইন বাক্সবন্দি করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়নি। সেই কারণে আমি যতটা জানি যে সাত থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সিএএ লাগু করার চেষ্টা হচ্ছে। যেখানে উদ্বাস্তুরা সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। খুবই তাড়াতাড়ি লাগু হবে। গোটা বাংলায় বিজয় মিছিল করার প্রস্তুতি চলছে। ফেব্রুয়ারিতেই লাগু হবে। কারণ, মার্চে নির্বাচন ঘোষণা হবে। তখন আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়ে যাবে। সেই কারণেই আমাদের আশা, ফেব্রুয়ারিতেই লাগু হবে।শুভেন্দু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২ ফেব্রুয়ারি ধরনার ডাক দিয়েছেন। তিনি ধরনা করলে বিজেপি পালটা ধরনা দেবে। নেতা-মন্ত্রীদের পরিবারের সদস্যদের ছেলেমেয়েরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়েন। কিন্তু, সাধারণ অটো এবং টোটোচালকদের ঘরের ছেলেমেয়েরা বাংলামাধ্যম স্কুলে পড়ে। সেই কারণেই বৃহত্তর স্বার্থে আমি এই ধরনা দিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে বারণ করব।এর আগে রবিবার রাহুল গান্ধী সম্পর্কে কটূক্তি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী! রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে কংগ্রেস পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে। নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। সোমবার এই প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী নিজের বক্তব্যে অটল থাকেন। তিনি বলেন, বোকাকে যে ভাষায় বলা হয়, সেই কথাই বলেছি। শুভেন্দুর অভিযোগ, রাহুল গান্ধী বিভিন্ন সময়ে যে ধরনের মন্তব্য করেছেন, তা তাঁর মর্যাদার সঙ্গে মানানসই নয়। সেই কারণেই তিনি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজ্য

মমতার নিশানায় সিপিএম, বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট কি বড় সমস্যায়?

মোদীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন, কিন্তু একইসঙ্গে পার্কসার্কাসের সভায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে চরম আক্ষেপের সুর। তৃণমূল বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শরিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই জোটের অন্যতম শীর্ষ নেত্রী। সেই মমতার মুখেই ভয়ঙ্কার অভিযোগ শোনা গেল ইন্ডিয়া জোটের আরেক শরিকের বিরুদ্ধে! ফলে প্রশ্নের মুখে বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ। তৃণমূল নেত্রী বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপি তাঁর মূল শত্রু হলেও পুরনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দৃষ্ঠিভঙ্গি লঘু করতে নারাজ তিনি।সংহতি যাত্রা শেষে সোমবার গেরুয়া শিবিরকে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গেই টেনে আনেন বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের কথা। যা বলতেই গিয়েই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদের সঙ্গে আমরা জীবনের ৩৪ বছর ধরে লড়াই করেছি, তাদের কোনও পরামর্শ আমরা শুনব না। আমাদের অনেক অসম্মান করা হয়। কিন্তু তাও, আমরা বলেছিলাম, যে আঞ্চলিক দল যেখানে শক্তিশালী, সেই জায়গাটা তাঁদের উপর ছেড়ে দেওয়া হোক।সেই সঙ্গেই নাম না করে কংগ্রেসের উদ্দেশে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ৩০০ আসনে আপনারা এককভাবে লড়ুন, আমরা সাহায্য করে দেব। আমরা তোমাদের কোনও আসনে লড়ব না। এরপরই তুলে ধরেন নিজের আক্ষেপের কথা। মমতার কথায়, ইন্ডিয়ার নাম আমরা দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এটা বলতে খুব দুঃখ হচ্ছে, আমরা যখন বৈঠকে যাই, দেখি সিপিএম বৈঠককে কন্ট্রোল করে। ওরা বলছে, যা মর্জি করব।ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কতা, একটা কথা মাথায় রাখুন, বিজেপিকে সাহায্য করবেন না। আল্লা কসম আপনারা ক্ষমা করবেন না, আমিও করব না।নাম না করলে এদিন রাহুল গান্ধীকেও একহাত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, আমাদের সাহস আছে। আজ তো আমরা মিছিল করলাম। সাহস দেখলাম। এতগুলো রাজনৈতিক দল আছে। কে কী সাহস দেখাল? আমরা তো মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার সব ধর্মীয় স্থানে গিয়েছি। একটা মন্দির ভিজিট করলেই হয়ে য়ায় নাকি? উল্লেখ্য, ভারতজোড়ে ন্যায় যাত্রার সময় সোমবার অসমের বাতদ্রব থান নামে একটি মন্দিরে যান রাহুল গান্ধী। তবে পুলিশ রাহুলকে আটকে দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মতো দুপুর ৩টে পর্যন্ত কারোর মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি নেই। এরপরই মন্দিরের বাইরে রাহুল সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব ধর্নায় বসে পড়েন।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৪
রাজনীতি

চ্যাং ব্যাংদের কর্তৃত্ব মানবেন না তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, বৈঠকের পরে দিলেন হুঙ্কার

কালীঘাটের বৈঠকে নেত্রীর থেকে ধমক খেয়েও ক্ষান্ত হলেন না হুমায়ুন কবীর। উল্টে জোড়া-ফুল নেতৃত্বকেই ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। মমতার শাসন থেকে দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার, বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারানো, দলে যুবনেতাদের উত্থান নিয়ে শনিবার অকপট হুমায়ুন। যা কার্যত আরও চাপ বাড়াল রাজ্যের শাসক শিবিরের ওপর।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের তৃণমূল সাংসদ, বিধায়ক ও নেতৃত্বের সঙ্গে কীলাঘাটে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন অভিষেকও। সেখানেই হুমায়ুন কবীরের বেশ কিছু মন্তব্য ও কাজ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নেত্রী তাঁকে ধমকে দেন।শনিবার এ সম্পর্কে হুময়ান বলেন, এটা তিরস্কারের বিষয় নয়। কথায় বলে ভালোবাসেন যিনি তিনিই শাসন করেন। দিদি আমাকে স্নেহ করেন। আমি ভুল করলে উনি শুধরে দেন। এতে আমার কিছু বলার নেই। আমি ওনাকে যোগ্য নেতৃত্ব বলে মনে করি ও অত্যন্ত শ্রদ্ধা করি।হুমায়ুন কবীরের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামকে সামনে রেখে কিছু লোক মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের পাট্টা বসে আসেন। তাদের অঙ্গুলি হেলনে চলা মেনে নেওয়া যায় না। মুর্শিদাবাদের মানুষকে যেন ভুল ট্রিটমেন্ট না করা হয়। মনে রাখতে হবে মুর্শিদাবাদ একসময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যাকে নেতৃত্ব দিয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার অভিভাবক। তিনি শাসন করতেই পারেন। কিন্তু ২৬, ২৮, ৩০ বছর বয়সী চ্যাং ব্যাংরা ৬৮-৭০ বছর বয়সী নেতাদের মূল্যায়ন করবে, কর্তৃত্ব দেখাবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। লোকসভার আগে নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব তৃণমূলে মাথাচাড়া দিয়েছে। যা নিয়ে হুঙ্কারও ছেড়েছেন তৃণমূল নেত্রী। হুমায়ুনের নিশানায় দলের কোন যুব নেতৃত্ব তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি ভরতপুরের বিধায়ক।আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তিনি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। নিজেকে যথার্থ নেতা বলে প্রমাণ করেছেন। দলের একজন কর্মী হিসাবে অভিষেকের কাছে আমার অনুরোধ, মুর্শিবাদের মানুষের প্রতি সুবিচার করুন। কারও কথা শুনে কারও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ করবেন না।আবারও মুখ খোলায় যদি তাঁকে তৃণমূল বহিষ্কার করে? জবাবে হুমায়ুন কবীর বলেন, সাসপেনশন নিয়ে আমি ভাবি না। মনে রাখতে হবে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে হুমায়ুন কবীর একটা বিরল নাম। দল আমাকে বহিষ্কার করবে কি না সেই সিদ্ধান্ত দলকেই নিতে হবে। বহিষ্কার করলে তখন সিদ্ধান্ত নেব। আমি কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসদ দলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, কাজেই আমার চিন্তার কিছু নেই।বহরমপুর অধীরের গড়। পরপর পাঁচবার সেখান থেকে সাংসদ তিনি। ইন্ডিয়া জোটের তোয়াক্কা না করে শুক্রবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের ৪২ লোকসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী দেবে তৃণমূল। অর্থাৎ অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেখা যেতে পারে জোড়া-ফুল প্রার্থীকে। এ নিয়ে হুমায়ুন কীর বলেন, বহরমপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ওপর ভরসা রাখলে আমি অধীর চৌধুরীকে ২ লক্ষের বেশি ভোটে হারাব। দেখিয়ে দেব আমাকেও নেতা বলে সকলে মানে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৪
রাজ্য

অধীরেই আটকে তৃণমূল? মুর্শিদাবাদ নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠকে বিশেষ নির্দেশ মমতার

পশ্মিম মেদিনীপুরের পর মুর্শিদাবাদ। শুক্রবার কালীঘাটে এই জেলার সাংসদ, বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতাদের নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক সারলেন তৃণমূল নেত্রী। সেই বৈঠক কার্যত হয়ে উঠল অধীরময়! যদিও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম একবারও উচ্চারণ করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নবাবের জেলা নিয়ে বৈঠকে অধীর চৌধুরীর নাম উঠবে সেটাই স্বাভাবিক। এদিনের বৈঠকেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শুক্রবারের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে অধীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন একদা তাঁরই শিষ্য হুমায়ুন কবীর। যদিও হুমায়ুন এখন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রের খবর, বৈঠকে হুমায়ুন মমতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দিদি বহরমপুরে অধীর চৌধুরী কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জ।সূত্রের খবর, দলের বিধায়কের মুখে তা শুনেই তৃণমূল নেত্রী বলেন, মাথা থেকে এসব বের করে দাও। একসঙ্গে লড়াই করতে পারলে কিছুই চ্যালেঞ্জ নয়।২০১৯-এর ভোটে মুর্শিদাবাদ জোড়-ফুলের দখলে এলেও বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারাতে পারেনি তৃণমূল। বহরমপুরে ১৯৯৯ সাল থেকে পরপর পাঁচবারের সাংসদ অধীর। এবারও বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারানো চ্যালেঞ্জ মমতার দলের। ফলে এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম মুখে না নিলেও দিদির মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।নানা কার্যকলাপের জন্য হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে অসন্তুষ্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমের সামনে এদিন এই বিধায়ককে বেশি কথা না বলার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূল সূত্রে খবর, এদিন দলের দুই সাংসদ আবু তাহের খান আর খলিলুর রহমানের কাজের প্রশংসা করেছেন মমতা। জানা গিয়েছে, বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়া নিয়ে দলের সাংসদ, বিধায়ক ও নেতাদের সতর্ক করে দিয়েছেন।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ফের ব্যাপক তল্লাশি ইডির, জ্যোতিপ্রিয়র সম্পত্তি জানতে তৎপরতা

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার ব্যাপক তল্লাশি করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিন ইডি হানা দিয়েছে নিউটাউনে প্রসন্ন কুমার রায়ের অফিস ও তাঁর ফ্ল্যাটে। এর পাশাপাশি তার ঘনিষ্ট প্রদীপ সিং এর ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালায় ইডি।ইডি সূত্রে খবর মূলত এই প্রসন্ন কুমার রায়ের বিপুল পরিমান সম্পত্তির উৎস কি? নিয়োগ দুর্নীতির টাকায় কি এই বিপুল সম্পত্তি? সেই টাকা কোথা থেকে এলো? কার কার কাছে এই টাকা পাঠানো হত? সেই সব বিষয়ে নথির খোঁজে এই তল্লাশি বলে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইডি আধিকারিকরা নিউটাউন বলাকা আবাসনে পৌঁছে যায়। সেখানে প্রসন্ন কুমার রায় ও প্রদীপ সিং এর ফ্লাট রয়েছে। এর পাশাপাশি নিউটাউন এর একটি বিল্ডিং এ তাঁর অফিসে তল্লাশি চালানো হয়।প্রসন্ন রায় এর অফিসে কাজ করতো প্রদীপ সিং। প্রথম গ্রেফতার হয় প্রদীপ সিং। তাীপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রসন্ন কুমার রায়ের নাম উঠে আসে। তার ভিত্তিতে প্রসন্ন কুমার রায় এর ফ্লাট ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই । সম্প্রীতি প্রসন্ন রায় সুপ্রিম কোর্টে থেকে জামিন পায়। প্রসন্ন রায়ের ট্রাভেল ব্যবসায় প্রদীপ সিং ড্রাইভার হিসাবে কাজ করতো। প্রদীপ সিং ক্যান্ডিডেটদের সঙ্গে যোগযোগ করতো ও টাকা সংগ্রহ করতো প্রসন্ন রায়ের হয়ে। সেই টাকা প্রসন্নের নির্দেশ মত পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতো। প্রদীপ সিং আর মেইল ব্যবহার কোরে প্রসন্ন রায় বোর্ড এর উপদেষ্টা শান্তি প্রসাদ সিনহার সঙ্গে যোগযোগ রাখতো এবং নিয়োগের জন্য প্রার্থী তালিকা পাঠাতো। প্রদীপ সিংয়ের ওই মেইল থেকে ছোটু নাম ব্যবহার কোরে মেল করা হত শান্তি প্রসাদ সিনহাকে। এদিন প্রসন্ন রায়ের একাধিক বাড়ি, অফিস ও প্রদীপ সিংয়ের বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি।দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিলাসবহুল আবাসন আইডিয়াল ভিলা থেকে বেরিয়ে ইডি আধিকারিকরা পৌঁছায় পাথরঘাটা এলাকার এক বাগানবাড়িতে। ইডি সূত্রে খবর, প্রসন্ন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই বাগান বাড়ির হদিস পাওয়া যায়।এদিকে খাদ্য দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ি ও অফিসে হানা দিয়েছিল ইডি। সেখান থেকে প্রচুর নথির হদিস পায় ইডি। সেই সংক্রান্ত বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রেভিনিউ ডিপার্টমেন্টকে চিঠি দিয়ে ইডি জানতে চেয়েছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামে কোথায়, কত সম্পত্তি আছে? তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ইডি দপ্তরে রেভিনিউ ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজির হন। সেই নথিগুলোকে ইতিমধ্যে জমা দেয়া হয়েছে ইডি দপ্তরে। এই তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামে বেনামী আর কোথায় কত সম্পত্তি আছে তা তদন্ত করে দেখছে ইডি।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

আদালতে টিকল না শুভেন্দুর আবেদন, রামমন্দির উদ্বোধনের দিন পথে মমতা

হাইকোর্টে টিকল না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধিতা। অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন কলকাতায় তৃণমূলের সংহতি যাত্রার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২২ জানুয়ারি, হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের সংহতি মিছিল হবে। তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে হাইকোর্টে জানিয়েছে, সুশৃঙ্খলভা ভাবে এই মিছিল করতে হবে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে কোন মন্তব্য করা যাবে না।এছাড়াও একাধিক সতর্কতা মূলক কথা বলেছে আদালত। প্রাধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের সতর্কবার্তা, এই ধরনের মিছিলের ক্ষেত্রে ট্রাফিকের সমস্যা হতে পারে, আটকে পড়তে পারে অ্যাম্বুল্যান্স। এই বিষয়গুলি সংশ্লিষ্ট দল ও রাজ্য সরকারকে তৎপর হতে হবে।শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে যে মিছিলের আর্জি জানিয়েছিলেন, তাও খারিজ করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে উল্লেখ করেছে যে, অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট দলের (তৃণমূল) উপর দায় বর্তাবে। আদালতের রায় লঙ্ঘন করলে যেকোনও ব্যক্তিই দায়ী হতে পারেন।২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন। সেদিনই বাংলায় সংহতি যাত্রার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা ছাড়াও ব্লকে ব্লকে ওই মিছিল করার কথা বলা হয়েছে। সেই মিছিল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই দিন আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানান বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।২২ জানুয়ারি সংহতি যাত্রার অনুমতি মেলার পর তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, এই নির্দেশ আসলে শুভেন্দুর গালে আদালতের থাপ্পড়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন নেই। রাজ্য পুলিশই যথেষ্ট। শুভেন্দুরা বিভেদ চেয়েছিল। আদালত ওদের গালে কষিয়ে থাপ্পড় মেরেছে। বাংলায় শান্তি-সম্প্রীতির মিছিল হবে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ...
  • 49
  • 50
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal