• ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজনীতি

আমিও বাংলা হরফে লিখে গুজরাতি ভাষা বলতে পারি, নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার

আমফানের টাকা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। কিন্তু পিএম কেয়ার্সের লক্ষ ্লক্ষ কোটি কোটি টাকা কোথায় গেল? মঙ্গলবার এভাবেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগে বারবার সরব হন বিজেপি নেতারা, তার জবাবে মমতার সাফ কথা দুর্নীতি তো দূরঅস্ত, সরকারের টাকায় চা-ও খান না তিনি। এও জানালেন যে তাঁর লেখা বই বিক্রির টাকাই আয়ের উৎস। নির্বাচনী লড়াইয়ের সুর চড়িয়ে ফের বলেন, বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমি বাংলার মানুষ ছাড়বে না। তাঁর আক্রমণ, সিপিএম বিজেপির সর্দার। পরিকল্পনা করে তৃণমূলের বদনাম করা হচ্ছে। ভাত দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কিল মারার গোঁসাই। কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে আগেই তিনি বলেছিলেন, ডাক পেলে তিনি দিল্লি যেতে প্রস্তুত। আর আজ কেন্দ্রের নয়া কৃষিনীতি নিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য, অটলজি থাকলে এই আইন সমর্থন করতেন না। আরও পড়ুন ঃ নাম করে অভিষেককে আক্রমণ বিজেপি সাংসদের তিনি আরও বলেন, টেলিপ্রম্পটারের দৌলতে এখন এ সবই সম্ভব। গুজরাটি হরফে বাংলা লিখে উচ্চারণ করা কোনও ব্যাপারই নয়। বাংলা বললেই বাঙালি হয় না। আমিও গুজরাটি ভাষা বাংলা হরফে লিখে বাংলা বলতে পারি। টেলিপ্রম্পটারে সম্ভব সব। তাই কেউ বাংলা বললেই তা নিয়ে মাতামাতি করার কিছু নেই। এছাড়াও দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মোট চার দফায় ক্যাম্পগুলি বসবে। প্রকল্প বা সরকারি পরিষেবার বিষয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে ওই ক্যাম্পেই যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি নেতার যোগ তৃণমূলে

মঙ্গলবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন লিওস কুজুর। ২০১৬-তে কুমারগ্রাম বিধানসভা থেকে বিজেপির প্রতীকে প্রার্থী ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তৃণমূলের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মন্ত্রীর হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বিজেপি নেতা লিওস কুজুর। তিনি জানান, শাসকদল আদিবাসীদের উন্নয়নে একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। তাতে সন্তুষ্ট হয়েই আদিবাসী মানুষেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ভরসা করতে পাকরছেন। মানুষের স্বার্থে তৃণমূলে যোগদান করলাম। আরও পড়ুন ঃ মাঝেরহাট ব্রিজের নাম জয় হিন্দ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত লিওস কুজুর। ২০১৬-তে উত্তরবঙ্গের কুমারগ্রাম বিধানসভার বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, প্রতিদিনই বিজেপির তরফ থেকে বলা হচ্ছে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার জন্য অনেকে মুখিয়ে রয়েছে। ঠিক সেসময় শ্রমিক ও আদিবাসীদের নেতার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না , ক্ষোভ বিধায়কের

দলে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না, এই অভিযোগে ক্ষোভ উগরে দিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পারিয়াল। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিধায়ক এই মন্তব্য করে বলেন, যদি শ্রমিক সংগঠনে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারতাম, তাহলে শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে শ্রমিক স্বার্থ সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যা মিটিয়ে দিতে পারতাম। আরও পড়ুন ঃ সভা থেকে ফেরার পর শুভেন্দু অনুগামীর বাড়িতে হামলা বিশ্বনাথবাবু বলেন, যখনই ভাল কোনও কাজ করতে যাচ্ছি, ঠিক তখনই পিছন থেকে টেনে ধরা হচ্ছে। এইভাবে চলতে থাকলে দল সম্পর্কে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যাবে। আর দলের নেতৃত্বের একাংশ দুর্গাপুরের সমস্ত কারখানায় শ্রমিক সমস্যাগুলিকে ইচ্ছে করে জিইয়ে রেখে দিচ্ছে, দলে থেকে এই নেতারা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে দিচ্ছে। যারা এগুলি জিইয়ে রাখছেন, তারা দলের ভাল চাইছে না। তারা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করার চেষ্টা করছেন। উচ্চ নেতৃত্বকে সব রিপোর্ট জমা দিয়েছি। এখন সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে সবাই। কারণ, সামনেই নির্বাচন। মাথায় রাখতে হবে সেই কথাও। বহিরাগত লোকেরাই গ্রাফাইট কারখানায় কাজের সুযোগ পাচ্ছে। স্থানীয় বেকার যুবকরা বঞ্চিত হচ্ছে। এটা ভোটের মাধ্যমেও প্রতিফলন ঘটছে। স্থানীয় বেকার যুবকরা যদি সেখানে কাজের সুযোগ না পায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবে তাদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈ্রি হবে। বিধানসভা নির্বাচনেও এর প্রভাব পড়বে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

সভা থেকে ফেরার পর শুভেন্দু অনুগামীর বাড়িতে হামলা

তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীর বাড়িতে ভাঙচুর ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটল সবংয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের কোলোন্দা গ্রামে। সেখানকার এক বাসিন্দা সোমবার যোগ দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে রাস উৎসবে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীও। আরও পড়ুন ঃ খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নন্দীগ্রাম থেকে যখন সবংয়ে ফিরছিলেন, তখন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল সাংসদ মানস ভুঁইয়ার অনুগামীরা। বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি বোমাও ছোড়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি তাজা বোমা। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার পিছনে যুক্ত রয়েছে বিজেপি কর্মীরা। তবে বিজেপির পাল্টা দাবি, শুভেন্দু বনাম মমতার লড়াই ধামাচাপা দিতেই তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

খেজুরিতে বিজেপি কর্মীদের উপর বোমাবাজি ও গুলির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার খেজুরি ২ দক্ষিণ মণ্ডলের বোগা মোড়ে বিজেপির তরফে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে জমায়েত করেন বিজেপি কর্মীরা। কিছুক্ষণ পরেই হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও গুলিও চলে। আরও পড়ুন ঃ টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক অভিযোগ, একের পর বিজেপি কর্মীদের বাইকে ভাঙচুর চালায় অভিযুক্তরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় খেজুরি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। বিজেপির অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখাতেই এই হামলা। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বে। তাদের দাবি, এটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্ধের ফল।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

তৃণমূল এখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়েদের মতো বুড়ো খোকাদের বার করেছেন সোনার বাক্স থেকে। ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ ফের শাসক দলের নেতৃত্বের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মাঝখানে যত নেতা ছিল হয় পালিয়েছে, নয় চুপ করেছে, আর সবে মুখ খুলতে শুরু করেছে। দিন কয়েক আগে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় বলেছিলেন, যাঁরা দল (তৃণমূল) ছেড়ে পালাচ্ছেন তাঁরা ইঁদুর। এই প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদের খোঁচা, বাকিরা ইঁদুর হলে সৌগতবাবু কি মোষ? ওঁকে কেউ দলে নেবে না। তাই উনি তৃণমূলে পড়ে রয়েছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কলকাতায় জিততে পারেননি বলে কাঁথি গেছেন। তৃণমূল অর্থবদের দলে পরিণত হয়েছে। যাঁরা নেতা ছিল তাঁরা হয় পালিয়ে গিয়েছেন, নয়তো চুপ করে গিয়েছেন। যাঁদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তাঁরাই ওই দলে পড়ে রয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন আজ, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তৃণমূল সরকারের দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি- সরকার এই ধরণের অনেক প্রকল্প ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাস্তবে মানুষ কিছু পায়নি। পার্টির লোকেরা কাটমানি পেয়েছেন। এগুলো সব স্ট্যান্ট। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্টান্ট হচ্ছে। আর কিছু না। একবার রাস্তায় নেমে জিজ্ঞেস করুন কে স্বাস্থ্যসাথী সুবিধা পেয়েছে, সব লোককে বোকা বানানোর রাস্তা। বাংলার লোক আর বোকা হতে রাজি নন। আগের যে সমস্ত কার্ড দিয়েছিল সেগুলো কোথায় গেল তার হিসাব দিতে হবে আর কেউ ভুলবে না। এদিন তাঁর নিশানায় ছিল ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরও। তিনি বলেন, বাইরে থেকে লোক এসে কোন নেতা কী পড়বেন, কী খাবেন, কখন ওষুধ খাবেন-সব ঠিক করে দিচ্ছেন। বাংলায় এমন রাজনীতি আগে ছিল না। এই রাজনীতি বাংলার মানুষ মানতে পারবেন না। তিনি জানান, গুণ্ডা মন্তব্যের জেরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে তার কোনও জবাব এখনও মেলেনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজনীতি

নাম করে অভিষেককে আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

গত রবিবার বজবজের সভা থেকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন,সবার আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ভাইপো। বুকের পাটা থাকলে ভাব বাচ্যে কথা বলে না বলে নাম নিয়ে দেখাক। এবার সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তাঁর নাম করেই আক্রমণ শানালেন বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। মঙ্গলবার সকালে কোচবিহারে চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন চোর। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ডাকাত। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন কয়লা মাফিয়া। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরি দেব বলে ছেলেদের কাছ থেকে টাকা তুলেছে এলাকায় এলাকায়। ওর সঙ্গী বিনয় মিশ্র। আরও পড়ুন ঃ কল্যাণের মন্তব্যে বিজেপিকে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে , মত তৃণমূল সাংসদের তিনি আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলুন আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে। তারপর আমি বুঝে নেব। তিনি তৃণমূলকে সাম্প্রদায়িক বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পিসি আর ভাইপো ছাড়া সবাই চেষ্টা করবে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে কীভাবে বাঁচা যায়। তৃণমূলের মালিক পিকে ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পালটা সৌমিত্রবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কোচবিহার জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

টুইটে করে ফের রাজ্যের পাওনার দাবিতে সরব ডেরেক

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ট্যুরিস্ট গ্যাং বলে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। মঙ্গলবার টুইটে তিনি লেখেন, সর্বশিক্ষা অভিযানে ১৪ হাজার ৫২০ কোটি, সমগ্র শিক্ষা মিশনে ৯৭০ কোটি, মিড ডে মিলে ২৩৩ কোটি, স্বচ্ছ ভারত মিশনে ২৭৫ কোটি, মনরেগায় ৬৩১ কোটি, আমরুতে ২৫৪ কোটি, ছিটমহল বিনিময় বাবদ ১৮৮ কোটি, বিআরজিএফ ২ হাজার ৩৩০ কোটি, বেসিক গ্রান্ট ৪৩৮ কোটি-সহ একাধিক খাতে মোট ৮৫ হাজার ৭২০ কোটি টাকা পাওনা বকেয়া রয়েছে বাংলার। এই খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি মোদি-শাহকেও কটাক্ষ করেন ডেরেক। লেখেন,মোদি-শাহর ট্যুরিস্ট গ্যাং বাংলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, ওদের উচিত আগে বাংলার পাওনা মিটিয়ে দেওয়া। আরও পড়ুন ঃ পালসিট টোলপ্লাজায় হল্ট হাবের শিলান্যাস মন্ত্রীর রাজ্যের বকেয়া পাওনা নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠকেও এই দাবি জানিয়েছেন তিনি। এবার রাজ্যের দাবিতে ডেরেক আরও সুর চড়ালেন বলে মত রাজনৈ্তিক মহলের।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

পালসিট টোলপ্লাজায় হল্ট হাবের শিলান্যাস মন্ত্রীর

জাতীয় সড়কের পালসিট টোলপ্লাজার কাছে হল্ট হাবের শিলান্যাস করলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। রবিবার তিনি শিলান্যাস করেন। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর এক্সেপ্রেয়ওয়ের ২ নম্বর জাতীয় সড়কে তৈরি হবে হল্ট হাব। দুএকর জায়গা নিয়ে আপাতত হাবের কাজ শুরু হবে। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী বলেন, এখন দুএকর জমির উপর কাজ শুরু হবে জানুয়ারি মাসে। আরো ৬ একর জমি নেওয়া হবে। মোট আট একর জায়গায় আধুনিক হল্ট হাব তৈরি হবে পিপিপি মডেলে। জাতীয় সড়কের শক্তিগড় বাজারে টয়লেটের ব্যবস্থা থাকলেও তা ততটা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নয়।কিন্তু এই হাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন টয়লেট থাকবে। থাকবে বাথরুম। যাত্রীরা পয়সা দিয়ে বাথরুম ও টয়লেট ব্যবহার করতে পারবেন। বাঙালী খাবার মাছ, ভাতের পাশাপাশি থাকবে দক্ষিণী খাবার ও পাঞ্জাবি খাবার। হাবে থাকবে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা। মেডিকেল ব্যবস্থাও থাকবে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর দ্রুত চিকিৎসার জন্য সবরকম ব্যবস্থাপনা রাখা হবে। জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা ঘটলে জখমদের হাসপাতালে পাঠানের জন্য অ্যাম্বুলেন্স থাকবে ২৪ ঘন্টায়। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমানে ফের সোনার দোকানে ডাকাতি, লুঠ বহু গহনা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন আগে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার অধীনে সাড়ে চারশো বাস ছিল। এই সরকারের আমলে তা বেড়ে হয়েছে সাড়ে নশো বাস।এখানে হাব চালু হলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে।অনেকে চায়ের দোকান,ফুচকার দোকান বসাবে। রাতে থাকার জন্য ঘরও থাকবে অত্যাধুনিক এই হাবে। পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান বলেন, জানুয়ারি মাসে কাজ শুরু হবে এবং হাব চালু হবে মার্চ এপ্রিল মাসের মধ্যেই। কলকাতা থেকে দুর্গাপুর যাওয়ার লেনের বাঁদিকে হল্ট হাব তৈরি হচ্ছে।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন

বিজেপির সঙ্গে বাংলার আত্মিক যোগাযোগ নেই। সোমবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তিনি বলেন, বাংলার জন্য বিজেপির আন্তরিকতা নেই। কিন্তু তৃণমূল বাঙালি অবাঙালি ভাগ করে না। যে গব্বর সিংগুলিকে বাংলায় আমদানি করা হচ্ছে তাদের বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। সেটা সিনেমাতেই ভালো লাগে। ইন্দ্রনীল সেন আরও বলেন, লোকশিল্পীদের পাশে কোনও বিজেপি নেতা দাঁড়ায়নি। লোকশিল্পীদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন। আরও পড়ুনঃ সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ দিলীপ ঘোষের আইনজীবীর রাজ্যের প্রকল্প পৌঁছে দিতে দুয়ারে দুয়ারে সরকার-এর কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, রাজ্যের প্রকল্প অনুকরণ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুধু কেন্দ্র নয়, অন্য রাজ্যও বাংলাকে অনুকরণ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিন তিনি তিনি নাম না করে দিলীপ ঘোষকে মিস্টার বিন বলে উল্লেখ করেন। গুন্ডা শব্দ নিয়ে যে বিতর্ক হয়েছে সে বিষয়ে ইন্দ্রনীল বলেন, অভিষেক ব্যানার্জীর সৎসাহস আছে তাই মঞ্চ থেকে এ কথা বলতে পেরেছেন। বলেন, গুন্ডামি মানুষ সিনেমায়, যাত্রায় বা নাটকে দেখতে ভালবাসে কিন্তু এলাকায় দেখতে অভ্যস্ত নন। বাংলার মানুষ গুন্ডাদের এখানে আমদানিও করবেন না।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
দেশ

নয় বছরে দিদির বাংলায় কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ বেড়েছেঃ ডেরেক

কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে কৃষকদের বিক্ষোভ- উত্তালকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত জাতীয় রাজনীতি। এবার কৃষকদের বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। তিনি লেখেন, মোদী ও অমিত শাহ কথা দিয়েছিলেন ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ করে দেবেন। কিন্তু পরিস্থিতি যা তাতে অন্তত ২০২৮ সালের মধ্যে সেটা হবে না। এদিকে বাস্তব হল, গত নয় বছরের মধ্যে দিদির বাংলায় কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ বেড়েছে। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাব খারিজ কৃষক সংগঠনগুলির প্রসঙ্গত, দু পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কৃষকপক্ষ। সরকার যেন আগে থেকেই কোনও শর্ত আরোপ না করে, এই ব্যাপারে সতর্ক করেছেন বিক্ষোভকারীরা। সবমিলিয়ে কিছুতেই দমছে না বিক্ষোভ।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

শিলিগুড়িতে একই মঞ্চে ডান - বাম উভয় পক্ষ

মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি উন্মোচনের মঞ্চে একই সারিতে দেখা গেল তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস জনপ্রতিনিধিদের। সোমবার শিলিগুড়ি কোর্ট মোড় লাগোয়া এক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, শিলিগুড়ির সিপিএম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য, মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার সহ অনেকেই। পুরমন্ত্রী জানান, মানুষের হৃদয় থেকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নাম মুছবে না। একই সঙ্গে রাজ্যপাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই পদ অলংকৃত করার মতো ব্যক্তি উনি কি না তা জানি না। বলতে চাই ভগবান ওঁকে ক্ষমা করুন। কী বলছেন তা উনি নিজেও জানেন না। তিনি আরও বলেন, চায়ে পে চর্চা আসলে বিজেপির খরচা । দিলীপ ঘোষ কাকে কী সম্বোধন করছেন তা তাঁর রুচি ও সংস্কৃতির বিষয়। আমার নয়। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এই লড়াই নীতির লড়াই। ব্যক্তির বিরুদ্ধে লড়াই নয়। আরও পড়ুন ঃ সেবক হিসেবে বরাবর আপনাদের সঙ্গে থাকবঃ শুভেন্দু অশোকবাবু জানান, তারা পুরসভার তরফ থেকে সরকারি কর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পুর-প্রশাসনের শীর্ষে থাকা পুরমন্ত্রী আসায় তাঁরা খুশি বলে জানান তিনি। এর মধ্যে রাজনীতি নেই বলে দাবি তাঁর। মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শঙ্কর মালাকার বলেছেন, অতীতে তাঁকে কোনও সরকারি অনুষ্ঠা্নে ডাকা হত না। এখন তৃ্ণমূলের হুঁশ ফিরেছে। আগামীদিনে সেই হুঁশ রেখে তৃণমূল সরকার চললে সকলেরই ভাল হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

সেবক হিসেবে বরাবর আপনাদের সঙ্গে থাকবঃ শুভেন্দু

আপনাদের সেবক শুভেন্দু বরাবর আপনাদের সঙ্গে ছিল, থাকবে। নন্দীগ্রামে রাস উৎসবের সূচনা করে এই মন্তব্য করেন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রীত্ব ছাড়ার পর সোমবার প্রথম তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে যান শুভেন্দু। সেখানে তিনি প্রথমে পুজোপাঠ করেন। এদিনের অরাজনৈ্তিক সভায় তিনি বলেন, আমি নন্দীগ্রামে সব অনুষ্ঠানে আসি। বড়দিন থেকে ইদ, সবসময় আমি আসি। দীপাবলিতেও এসেছি। তাঁর অর্ধেকেরও বেশি সময় ধরে তুলে ধরেন রাস উৎসবের মাহাত্ম্যের কথা। এর পাশাপাশি প্রত্যেকের করোনামুক্ত জীবনেরও কামনা করেছেন। এদিন তিনি বক্তব্য শেষে হরেকৃষ্ণ ধ্বনি দেন। রবিবার মহিষাদলের মতোই এদিনও তার মুখে কোনও রাজনৈতিক কথা শোনা যায়নি। আরও পড়ুন ঃ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু সম্পর্কে যা বলছেন, তা ঠিক নাঃ শিশির এদিন শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃ্ত্বে রেয়াপাড়া থেকে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত হলুদ পতাকা নিয়ে বাইক মিছিল হয়। শয়ে শয়ে বাইক এদিনের মিছিলে অংশ নেন। তৃণমূলের বহু কর্মী এদিনের এই মিছিলে অংশ নেন। নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লক তৃণমূলের ব্লক সভাপতিও এদিনের এই মিছিলে অংশ নেন। সেই পতাকায় ওঁ চিহ্ন ছিল। এই চিহ্নকে কেন্দ্র করে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈ্তিক জল্পনা। দলীয় কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

কল্যাণের মন্তব্যে বিজেপিকে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে , মত তৃণমূল সাংসদের

শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকদিন আগেই বলেছিলেন, সিবিআই-এর হাত থেকে বাঁচতে যাঁরা নারদ-সারদায় অভিযুক্ত, তাঁরা বিজেপিতে যাবেন। যাঁরা সারদা-নারদাতে অভিযুক্ত, তাঁরা বিজেপিতে গেলে কি গঙ্গাজলে পবিত্র হয়ে যাবে? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। এবার তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মুখ খুললেন আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। তিনি বলেন, দলের সিনিয়র নেতা কেউ যদি বলেন, যাঁরা নারদ-সারদায় আছেন তাঁরা বিজেপিতে চলে যাবেন , এধরনের মন্তব্য ঠিক নয়। সারদা - নারদ মামলা এখনও আদালতের বিচারাধীন। কেউ এখনও দোষী সাব্যস্ত হয়নি। আমি মনে করি, এটা বিজেপিকে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। ব্যক্তিগত আক্রমণ করাও ঠিক না। অপরূপা বলেন, পুরো বিষয়টি শীর্ষ নেতৃত্ব শুনেছেন। তাঁদের জানানো হয়েছে। নিশ্চয় কোন পদক্ষেপ করবেন। আরও পড়ুনঃ ভাইপোকে খোকাবাবু বলে কটাক্ষ দিলীপের প্রসঙ্গত, সারদা ও নারদ কাণ্ডে তৃণমূলের একাধিক নেতা, মন্ত্রী , বিধায়ক ও সাংসদ অভিযুক্ত। চিটফাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন জেলও খেটেছেন। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কল্যাণের এই মন্তব্য নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু সম্পর্কে যা বলছেন, তা ঠিক নাঃ শিশির

দলেরই কয়েকজন ওকে জোর করে ঠেলে বিজেপিতে পাঠিয়ে দিতে চাইছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু সম্পর্কে যা বলছেন, তা ঠিক করছেন না। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তৃণমূলের পূর্ব মেদিনীপুরের চেয়ারম্যান তথা সাংসদ শিশির অধিকারী। বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতা বলেন, ক্ষোভ, অভিমান আছে বলেই শুভেন্দু মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছে। আরও পড়ুনঃ বিজেপি মোর্চাদের মানুষ বলেই মনে করে নাঃ রোশন গিরি শুভেন্দু অধিকারী কি শেষ পর্যন্ত বিজেপিতে যাচ্ছেন? সে প্রশ্নের জবাবে শিশির অধিকারীর ইঙ্গিতপুর্ণ জবাব, দেখা যাক কি হয়! তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি তৃণমূলে ছিলেন এবং আগামীদিনেও থাকবেন। এই বয়সে এসে অন্য কোন দলে যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিকতা নেই বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত , কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে অনেক সময় বিরূপ মন্তব্য করে চলেছেন। যা নিয়ে শাসক দলের মধ্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। সূত্রের খবর, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌ্গত রায়ের সঙ্গে গোপন বৈঠকেও তাঁর অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

ভাইপোকে খোকাবাবু বলে কটাক্ষ দিলীপের

কে গুন্ডা সে তো পঞ্চায়েত নির্বাচনেই আমরা দেখেছি। সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে অভিষেকের গতকালের মন্তব্যের পালটা আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অভিষেক ৭ কোটি টাকার বাড়িতে থাকে, কনভয়ে ২৫টা গাড়ি ও আরও অনেক কিছু থাকে তাই কে মাফিয়া বোঝাই যাচ্ছে। হতাশা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে এসব বলছেন। আদর করে ভাইপো বললে আপত্তি কোথায়। আমি ভাইপো বলি না। আমি খোকাবাবু বলছি। ওঁকে খোকাবাবু বলব না তো কী! উনি কোলে চড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, এখনও কোলেই আছেন। দিল্লিতে যুবরাজকে পাপ্পু বলা হয়। পাপ্পু বলা হবে। ভাইপো বললে ক্ষতি কি হয়েছে? চিৎকার চেঁচামিচি করে কিছু হবে না। লোক জানেন সব কিছু। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত তিনি আরও বলেন, যে লোকেরা পার্টির জন্য প্রাণ দিল তারা আজ ব্রাত্য আর উনি কোলে চড়ে এসে সাংসদ হয়ে গেলেন। বিগত ১০ বছরে প্রাইভেট প্রপাটি বানানো হয়েছে। বাসিন্দাদের কালিঘাট থেকে বের করে জায়গা দখল করা হয়েছে। আমাকে গুন্ডা, মস্তান বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য যা করছি তা যদি গুন্ডামি হয় তবে তাই। আমি সবে গুন্ডামি শুরু করেছি। গুন্ডামির কিছুই দেখেননি এখনও। অভিষেকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা তা আইনজীবীরা দেখছেন। তবে ক্ষমতায় এসে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। মানুষ সব দেখছেন ও বুঝছেন। মানুষ তুলতেও পারে-ফেলতেও পারেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি মোর্চাদের মানুষ বলেই মনে করে নাঃ রোশন গিরি

তিনবার আমরা বিজেপিকে সুযোগ দিয়েছি পাহাড়ের উন্নয়নে কাজ করার। তিনবার সাংসদ নির্বাচন করেছি বিজেপি থেকে। কিন্তু কেন্দ্রের ক্ষমতায় বিজেপি আসার পরও কোনও লাভ হয়নি। বিজেপি মোর্চাদের মানুষ বলেই মনে করে না, গুরুত্বই দেয় না। আমরা তৃণমূলকে সমর্থন করব। রবিবার কার্শিয়াংয়ের জনসভা থেকে এভাবেই বিজেপির সমালোচনা করলেন রোশন গিরি। তিনি বলেন, ২০২৪-এর নির্বাচনে যে দল আমাদের গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে সমর্থন করবে তাদেরই আমরা সমর্থন করব। এদিন তিনি স্পষ্ট করে দেন, একুশের আবার তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হোন এটাই তাঁদের আশা। তাই পাহাড়ে ভোটের লড়াইয়ে তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন তাঁরা। পাশাপাশি বর্তমান জিটিএ অর্থাৎ অনীত থাপা পরিচালিত সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে সরব হন রোশন গিরি। জিটিএ-তে অডিটের দাবি তোলেন। আরও পড়ুন ঃ জল্পনা জিইয়ে রেখে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা শুভেন্দুর এদিন তাঁর কথায় সমর্থন জুগিয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সদস্যরা। এদিন রোশন গিরির সভায় ভালই জমায়েত হয়েছিল। সভা শেষে অনেকটা উৎসবের মেজাজে ছিল পাহাড়বাসী। সেই পুরনো ছন্দে নাচে-গানে মেতে উঠলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমলপন্থী সমর্থকরা। প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে সভা করতে পারেন বিমল গুরুং। সেদিন তিনি কি বলেন, সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত

তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা চলছে। ওসব করে কোনও লাভ নেই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। তৃণমূলের তরফ থেকে রবিবার হলদিয়ার কদমতলা থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। এদিনের মিছিলে সুজিত বসু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের হলদিয়া টাউনের নেতৃত্ব। সুজিত বসু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের নেত্রী। আবার সরকার হবে। নন্দীগ্রামের আন্দোলন, সিঙ্গুরের আন্দোলন দেখেছেন। দিদিকে আমার নেত্রী মানি। তাঁর বিকল্প একমাত্র তিনিই। আরও পড়ুন ঃ লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক কেন্দ্রীয় সরকারকে তাঁর কটাক্ষ, কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ হচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছে, ওরা গরীবের কথা ভাবে না। বিজেপি কিছু নেতা যাদের ক্লাব জেতার ক্ষমতা নেই, তারা বড় বড় কথা বলছে। সোনার বাংলা করতে গেল ত্রিপুরা, গুজরাটের করুন। বাংলা নিয়ে ভাবতে হবে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

জল্পনা জিইয়ে রেখে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা শুভেন্দুর

মন্ত্রীত্ব ছাড়ার পর মহিষাদলের সভায় শুভেন্দু অধিকারী কি বলেন, সেদিকে তাকিয়ে ছিলেন সকলে। কিন্তু সকলকে নিরাশ করে সমস্ত জল্পনা জিইয়ে রাখলেন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। স্বাধীনতা সংগ্রামী রণজিৎ কুমার বয়ালের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আয়োজিত সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তাঁর দল সম্পর্কে একটা কথাও বললেন না নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর বক্তব্যের বেশি অংশ জুড়েই স্বাধীনতা সংগ্রামে পূর্ব মেদিনীপুরের অবদান প্রসঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু। উল্লেখ করেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের কথা। এছাড়াও জানান, ডিসেম্বর মাসে তিনি সঙ্গীদের নিয়ে ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন ও তাম্রলিপ্ত সরকার গঠনের বর্ষপূর্তি পালন করবেন। তবে সবশেষে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি জানালেন, এ দেশের সংবিধানের শক্তিতে মানুষই শেষ কথা বলে। বাংলা ও বাঙালির সেবক হিসেবে কাজ করে যাব। আমি রাস্তায় থাকব। সামর্থ্য অনুযায়ী আজীবন সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন তিনি। রবিবার তাঁর সভায় ভিড় হয়েছিল ভালই। শুভেন্দু নিজে হাজার আটেক মানুষের সমাগম হয়েছে বলে দাবি করেন। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুরে রাস্তায় বসে চপ ভেজে বিক্ষোভ কর্মসূচি বিজেপির শুভেন্দুর রবিবারের সভায় তৃণমূলের কারা উপস্থিত থাকছেন সে দিকেও নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। তবে তেমন কোনও বড় নেতা বা জনপ্রিতিনিধিকে মঞ্চে দেখা যায়নি। হাজির ছিলেন তৃণমূলের হলদিয়া ব্লক সভাপতি সুব্রত হাজরা, জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ আনন্দময় অধিকারী, নন্দকুমার ব্লকের সভাপতি সুকুমার বেরা, জেলা পরিষদের সদস্য সোমনাথ ভুঁইয়া ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কণিষ্ক পণ্ডা। বলা যায় এদিন নীল সাদা মঞ্চে থেকে কার্যত নীরব ছিলেন শুভেন্দু।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

লিফটে উঠলে ৩৫ টা পদের অধিকারী হতামঃ অভিষেক

কর্মী হোক বা নেতা, তৃণমূল কংগ্রেসে কেউ প্যারাশুটে নামেনি। লিফটে ওঠেনি। রবিবার সাতগাছিয়ার জনসভা থেকে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন ডায়মন্ড হারবারের তৃ্ণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, আপনারা যাঁরা এসেছেন কজন প্যারাশুটে নেমেছেন। কজন লিফটে উঠেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নাম তৃণমূল কংগ্রেস। এটা মাথায় রাখতে হবে। দল সকলের কাছে মায়ের মতো। তৃণমূল কংগ্রেস সকলের মা। মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে ছেড়ে কথা বলবেন? নিজে উচ্চাকাঙক্ষী হয়ে অন্য দলের হয়ে তাবেদারি তল্পিবাহক হলে ছেড়ে কথা বলবেন? মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা সহ্য করা যায় না। একটা বাংলা ছবির সংলাপ আছে, বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে পাওয়া যায় না। বিশ্বাসঘাতকতা করলে কড়ায়-গণ্ডায় জবাব দেওয়া হবে। যতই নাড়ো কলকাটি নবান্নে আবার হাওয়াই চটি। পদ নয় পতাকা, নেত্রীর নাম মমতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাতারাতি তৈরি হয়নি। একে ওকে দিয়ে মন্তব্য করিয়ে লাভ হবে না। ৩৪ বছরের তমশাচ্ছন্ন পশ্চিমবঙ্গের সূর্য মমতা। লড়াই করতে আসলে ঝলসে যাবেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ডাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি সৌমিত্র খাঁয়ের তৃণমূল কংগ্রেসে রাতারাতি কেউ নেতা হয়নি। কর্মী হোক বা নেতা- কেউ প্যারাশুটে নামেননি। লিফটেও ওঠেননি। লিফটে উঠলে একটা বিধানসভার সদস্য হয়ে থাকতেন না। কেউ কেউ অনেক কিছু বলে। গণতান্ত্রিক দেশে বলতেই পারেন। আমি প্যারাশুটে নামলে ৩৫টা পদের অধিকারী হতাম। প্যারাশুটে নামলে দক্ষিণ কলকাতায় লড়তাম, যেখানে আমি থাকি। ২০১৪ সালে প্রার্থী হয়েছি ডায়মন্ড হারবারের। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ছিলেন প্রয়াত সৌমেন মিত্র। তাঁর জমানায় কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিষেক এই প্রসঙ্গে বলেন, প্রার্থী হওয়ার পর মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়েছি। কেউ বলছে জল নেই, বিদ্যুৎ নেই। তবুও ময়দান ছেড়ে যাইনি। আপনাদের ভালবাসায় ৭১ হাজার ভোটে জিতেছিলাম। সবচেয়ে কম ভোটের মার্জিন ছিল এই জেলায়। জেতার পর বুথে বুথে পৌঁছনোর চেষ্টা করেছি। সেই ডায়মন্ডবারবার গতবার ৭ লক্ষ ৯১ হাজার ভোট পেয়েছি। ৩ লক্ষ ২২ হাজার ভোটে জিতেছি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির উদ্দেশে বলেন, বিজেপির ছোট- বড় নেতারা একটাই কথা বলে ভাইপো। বুকে পাটা থাকলে আমার নাম নিয়ে দেখান। ভাববাচ্যে কথা বলে লাভ নেই। নাম নিয়ে বলার সাহস নেই। কারণ, মুকুল রায় বলেছিল, আমি নাকি বিশ্ববাংলা কোম্পানির মালিক। তারপর তাকে আদালতে ল্যাজেগোবরে হতে হয়েছিল। যে যখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে, তাঁকেই হাই কোর্ট পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়েছি। সবসময় আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি। তাই তারা আমার নাম নেওয়ার সাহস পায় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নেওয়ার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও নেই। এরপরেই তিনি বলেন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় গুন্ডা। দিলীপ ঘোষ গুন্ডা মাফিয়া। সুনীল দেওধর বহিরাগত। কৈলাস বিজয়বর্গীয় বহিরাগত। আমার দিদি কী করেছে আর তোমার মোদি কী করেছে, হোক প্রতিযোগিতা। তিনি আরও বলেন, আমফানে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকার আমফানের জন্য ইতিমধ্যেই সাত হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে। দলে থেকে অনেকেই খারাপ কাজ করছেন বলেও দাবি করেন যুব তৃণমূলে সভাপতি। ডায়মন্ড হারবারে আর দলবিরোধী কাজ সমর্থন করা হবে না বলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ার করেছেন অভিষেক।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

কমনওয়েলথ গেমসের দলে নীরজ, তবে কি এখনও পুরোপুরি ফিট নন অলিম্পিক সোনাজয়ী তারকা?

চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভারতের তারকা জ্যাভলিন নিক্ষেপক নীরজ চোপড়া। তাঁকে শর্তসাপেক্ষে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ঘোষিত ৩২ সদস্যের ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স দলে রাখা হয়েছে। রবিবার দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। তবে নীরজকে শর্তসাপেক্ষে দলে রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রীড়ামহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই কৌতূহল, অলিম্পিক সোনাজয়ী এই তারকা কি এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি?এবারের দলে রয়েছেন দেশের একাধিক তারকা অ্যাথলিট। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় রেকর্ড নিয়ে আলোচনায় থাকা স্প্রিন্টার গুরিন্দরবীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন তেজস্বিন শঙ্কর, তাজিন্দরপাল সিং তুর এবং সর্বেশ কুশারের মতো অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদরাও।গত মে মাসে রাঁচিতে আয়োজিত ফেডারেশন কাপে বেশ কয়েকজন ভারতীয় অ্যাথলিট দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে কমনওয়েলথ গেমসের যোগ্যতা অর্জন করেন। তবে পুরুষদের চার গুণ একশো মিটার রিলে দলটি সুযোগ হাতছাড়া করে। বিশ্ব রিলে প্রতিযোগিতায় ব্যাটন বদলের সময় দুর্ঘটনার জেরে ভারতীয় দল অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিল। যদিও পরে তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে ভালো সময় করলেও শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।জ্যাভলিন বিভাগে নির্ধারিত মান পূরণ করতে না পারা অ্যাথলিটদের জন্য গত ১৩ জুন জলন্ধরে অতিরিক্ত বাছাইপর্বের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে রোহিত যাদব এবং যশবীর সিং নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স করে যোগ্যতা অর্জন করেন। দুজনেই নির্ধারিত দূরত্বের বেশি জ্যাভলিন ছুড়ে নজর কাড়েন।ফেডারেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন নীরজ। গত বছর দোহা ডায়মন্ড লিগে প্রথমবার নব্বই মিটারের গণ্ডি পেরনোর পর থেকেই তিনি পিঠের চোটে ভুগছিলেন। তবে ফেডারেশনের দাবি, নীরজ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন।ফেডারেশনের আশা, কমনওয়েলথ গেমস শুরুর আগে নীরজ প্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে যোগ্যতার সব শর্ত পূরণ করতে পারবেন। তাই তাঁকে দলে রাখা হয়েছে শর্তসাপেক্ষে।এদিকে ট্রিপল জাম্পার সেলভা প্রভুকেও বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে নির্ধারিত যোগ্যতা মান অতিক্রম করেছেন। ফলে তাঁকেও নিয়ে আশাবাদী ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স মহল।এখন সকলের নজর কমনওয়েলথ গেমসের দিকে। নীরজ চোপড়া কত দ্রুত প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন এবং ভারতীয় অ্যাথলিটরা কতটা সফল হন, সেটাই দেখার।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

‘ওনার কাছ থেকে কোনও উপহার চাই না’, মমতার দেওয়া গয়না ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা সাংসদপুত্রের

তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন বিতর্ক সামনে এল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সোনার গয়না ও পুজোর উপহার ফেরানোর সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে তিনি জানান, বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীকে দেওয়া সোনার হার এবং তাঁকে দেওয়া পুজোর পোশাক ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।বৈদ্যনাথ তাঁর পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত কিছু কারণেই এই উপহারগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি লেখেন, এই সৌজন্যের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে উপহারগুলি আর নিজেদের কাছে রাখতে চান না।ছেলের এই সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ছেলে ও পুত্রবধূর সিদ্ধান্তে তিনি গর্বিত।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। কাকলি ঘোষ দস্তিদার দীর্ঘদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে মনে করা হচ্ছে।কিছু দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে এক সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তিনি নিজের ছেলের জন্য দলের টিকিট চেয়েছিলেন। সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় তিনি অন্য রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পরে দলের আরও কয়েকজন নেতার মুখেও একই ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। এই মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন বৈদ্যনাথ, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ওই উপহারগুলি ফেরত দিয়ে আসবেন। এমনকি সোনার হার দীর্ঘদিন তাঁদের কাছে থাকার কারণে যদি কোনও অতিরিক্ত অর্থ বা সুদ দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাতেও তিনি প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন।এখানেই থামেননি বৈদ্যনাথ। তাঁর অভিযোগ, পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। সেই কারণে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের দুই সাংসদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বিরোধ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা পুরসভায় শুভেন্দুর বড় কর্মসূচি, আমন্ত্রণ পেলেন তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলররাও

সোমবার কলকাতা পুরসভায় বিশেষ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাত ধরেই মহানগর জুড়ে শুরু হতে চলেছে স্বচ্ছতাকে স্বাগত শীর্ষক বিশেষ সাফাই অভিযান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অনুষ্ঠানে শুধু শাসক দলের প্রতিনিধিরাই নন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদেরও। পাশাপাশি কলকাতার সমস্ত বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি আগেও দেখা গিয়েছে। তবে কলকাতা পুরসভার সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদের এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর মাধ্যমে সৌজন্য ও সহযোগিতার বার্তা দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু-সহ পুরসভার একাধিক প্রাক্তন মেয়র পারিষদ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর বিকল্প মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এই অনুষ্ঠানে যোগ নাও দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, আগামী ২১ জুন রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বড় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে কলকাতাকে আরও পরিচ্ছন্ন করে তুলতে শহর জুড়ে ছয় দিনের বিশেষ সাফাই অভিযান শুরু করছে প্রশাসন।এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা পুরসভায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। রবিবার ছুটির দিন হলেও পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে-সহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক পুরভবনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি তদারকি করেছেন বলে সূত্রের খবর।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণার টাকা মিলেছে, এবার কবে যুবশক্তি? মালদহ থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি এবং বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প আদৌ চালু হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। এর মধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। তবে যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প এখনও চালু না হওয়ায় অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার মালদহের এক সভা থেকে তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। তাঁর দাবি, প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।এরপর যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই দুই প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। খুব শীঘ্রই বেকার ভাতা চালু করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর প্রকল্প দুটির সুবিধাপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বাজেটে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সেই প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরে নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দেয়, ক্ষমতায় এলে যুবশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি যাঁরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের এককালীন ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল।সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত, প্রকল্প চালুর আগে উপভোক্তাদের তালিকা খতিয়ে দেখা হবে। যোগ্য ব্যক্তিরাই যাতে সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতেই যাচাই প্রক্রিয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে যুবশক্তি প্রকল্প চালু হওয়ার আগে আবেদন ও যাচাই সংক্রান্ত নিয়মাবলি নিয়েও শীঘ্রই বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

স্পিকারের দরজায় অভিষেকের চিঠি! বিদ্রোহী সাংসদদের বড় পরিকল্পনার আগেই দিল্লিতে তৃণমূলের পাল্টা চাল

দিল্লিতে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। সূত্রের খবর, আজই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা ব্লক গঠনের আবেদন জানাতে পারেন তৃণমূলের একাংশ সাংসদ। তার আগেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি নিয়ে স্পিকারের দিল্লির বাসভবনে পৌঁছলেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ।জানা গিয়েছে, তিন পাতার ওই চিঠি আগেই ই-মেলের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল। রবিবার সাগরিকা ও কীর্তি সরাসরি স্পিকারের হাতে সেই চিঠি তুলে দেন। চিঠিতে অভিষেকের আবেদন, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে যেন আলাদা স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, এমন পদক্ষেপের কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ভিত্তি নেই।স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর কীর্তি আজাদ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিভাজনকে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর আশা, আইন ও সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার।অন্যদিকে, সাগরিকা ঘোষের বক্তব্য, লোকসভার মধ্যে তৃণমূলের সাংসদদের নিয়ে আলাদা ব্লক তৈরির উদ্যোগ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। এর কোনও আইনি বৈধতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।এ দিন দিল্লিতে একজোট হন বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদরা। সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন। এরপর তাঁদের স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, তাঁরা আলাদা ব্লক গঠন করে এনডিএকে সমর্থনের আবেদন জানাতে পারেন।এই পরিস্থিতিতেই স্পিকারের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী হবে। ফলে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে নামেননি নেইমার, তবু ব্রাজিলের গোলের নেপথ্যে তিনিই! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল চর্চা

চোটের কারণে মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। শুধু তাই নয়, তিনি রিজার্ভ বেঞ্চেও ছিলেন না। তবু ম্যাচের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, মাঠে না নেমেও ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ গোলের নেপথ্যে ছিলেন নেইমারই।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। ম্যাচের ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল চাপে পড়ে গেলেও ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বাঁদিক থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক ইয়াসির বোনোর কিছুই করার ছিল না।তবে গোলের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, প্রথমার্ধে জলপান বিরতির সময় মাঠের ধারে এসে ভিনিসিয়াসের সঙ্গে কথা বলছেন নেইমার। কিছুক্ষণ পরে ব্রুনো গিমারেসকেও ডেকে পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিও দেখে অনেকের ধারণা, ভিনিসিয়াসকে আরও বেশি করে বক্সের ভিতরে ঢুকে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন নেইমার। কারণ ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ডকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বাইরে খেলতে দেখা গিয়েছিল।মজার বিষয় হল, সেই কথোপকথনের কিছুক্ষণ পরেই গিমারেসের পাস থেকে গোল করেন ভিনিসিয়াস। আর সেই কারণেই সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করছেন, মাঠের বাইরে থেকেও ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন নেইমার।যদিও এই ম্যাচে খেলেননি তিনি, তবে পরের ম্যাচে নেইমারকে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও তিনি প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেক সমর্থকের মতে, দলটিকে একেবারেই চেনা ব্রাজিলের মতো লাগেনি। রাফিনহাদের খেলায় ধার ও গতি দুটোরই অভাব ছিল। অন্যদিকে মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানী ভবনে মুখোমুখি অভিষেক-কুণাল! সাড়ে তিন ঘণ্টার জেরা ঘিরে বাড়ছে রহস্য

সই জাল কাণ্ডের তদন্তে নতুন মোড়। রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের নেতা কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডি। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা জেরার পর ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন কুণাল ঘোষ। বেরিয়ে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে এর বেশি কিছু বলতে চাননি।অন্যদিকে, রাত পর্যন্ত ভবানী ভবনেই ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, টানা প্রায় আট ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এই মামলায় গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করেছিল সিআইডি। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সেই জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলেই রবিবার তাঁকে ফের তলব করা হয়। দুপুর বারোটার মধ্যে হাজিরার নির্দেশ থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান অভিষেক। এরপর বিভিন্ন নথি সামনে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা।দুপুর সাড়ে তিনটার কিছু পরে ভবানী ভবনে পৌঁছন কুণাল ঘোষ। সূত্রের দাবি, প্রথমে দুজনকে আলাদা করে জেরা করা হয়। পরে অভিষেক ও কুণালকে মুখোমুখি বসিয়ে একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই জেরাই চলে দীর্ঘ সময় ধরে।জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে কুণাল ঘোষ সরাসরি কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। যদিও সেখানে যাওয়ার কারণ নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।সই জাল কাণ্ডকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এর আগে তদন্তের সূত্রে সিআইডি আধিকারিকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের পাশের দফতরেও তল্লাশি চালিয়েছিলেন। ফলে এই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড় শক্তিপ্রদর্শন! ওম বিড়লার বাড়িতে ১৭ সাংসদ, তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে জল্পনা

দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি রবিবার আরও নাটকীয় হয়ে উঠল। বিকেলে তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। পরে সামনে আসে একটি ছবি, যেখানে তৃণমূলের ১৭ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদকে একসঙ্গে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও।সূত্রের খবর, সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন ব্লক গঠনের দাবি জানাতে পারেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সাংসদ তাঁদের পাশে রয়েছেন। সেই দাবিকে সামনে রেখেই তাঁরা নতুন রাজনৈতিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।রবিবার সকাল থেকেই একের পর এক সাংসদ দিল্লিতে পৌঁছতে শুরু করেন। তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চান। সেই কারণেই তিনি তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান।অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবির স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছনোর আগেই সেখানে যান তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। যদিও স্পিকারের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। তাঁরা স্পিকারের দফতরে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি জমা দেন। সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, লোকসভায় একটি রাজনৈতিক দলের দুটি পৃথক ব্লক থাকতে পারে না।এর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষুব্ধ সাংসদরা স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছন। যে ছবি সামনে এসেছে, সেখানে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, মালা রায়, অরূপ চক্রবর্তী, দীপক অধিকারী, ইউসুফ পাঠান, জুন মালিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার এবং মিতালি বাগ-সহ মোট ১৭ জন সাংসদকে দেখা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।এই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর সোমবারের দিকে। স্পিকারের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা কী দাবি জানান এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব কী হয়, তা নিয়েই তুঙ্গে আলোচনা।

জুন ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal