কাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ওডিষার ভুবনেশ্বরে এইমস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখন তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। একইসঙ্গে মোট ১৩ জায়গায় তল্লাশি করে ইডি আধিকারিকরা। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১কোটি টাকা ২০ টাকা উদ্ধার করে ইডি। এসএসকেএম থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে তৃণমূলের মহাসচিবকে।
তৃণমূলের শহিদ দিবসে ২১ জুলাই কলকাতা মহানগর যেন ভেঙে পড়েছিল। যাত্রী সংখ্যাতে রেকর্ড করেছে মেট্রো রেল। সম্প্রতি শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ অর্থাৎ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো চালু হয়েছে। এছাড়া কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত যাত্রী পরিষেবা আগে থেকেই চালু রয়েছে।মেট্রো রেল সূত্রে খবর, ২১ জুলাই নর্থ-সাউথ মেট্রোতে যাত্রী সংখ্যা ছিল ৫, ০২, ০৩0 জন। অন্যদিকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতে ছিল ৪১,৯৫৬। মোদ্দা কথা এদিন মেট্রো রেলেই ভিড় ছিল ঠাসাঠাসি। ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে এদিন হাজার মানুষ শহরে এসেছে। তাছাড়া সড়ক পথে যানজট থাকায় অনেকেই মেট্রোতে যাতায়াত করেছেন। বৃহস্পতিবার একমাত্র যাতায়াতের পথ বলতে ছিল মেট্রো। সেই কারণে মেট্রোতে ভিড় অনেকটা বেশি ছিল।
মরশুম শেষেই এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। মাঝে শোনা গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিতে পারেন। অনেকেই মনে করেছিলেন হয়তো অস্ট্রেলিয়ার পুরনো ক্লাবেই ফিরে যাবেন রয় কৃষ্ণা। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এদেশেই থেকে যাচ্ছেন ফিজির এই তারকা ফুটবলার। তবে কলকাতায় নয়, রয় কৃষ্ণাকে সামনের মরশুমে দেখা যেতে পারে বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে।২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের দল ওয়েলিংটন ফিনিক্স থেকে ভারতীয় ফুটবলে আগমন ঘটেছিল রয় কৃষ্ণার। তিনি যোগ দিয়েছিলেন এটিকেতে। সেই মরশুমে দলকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করতে তিনি মুখ্য ভুমিকা নেন। এরপর মোহনবাগানের সঙ্গে এটিকের সংযুক্তি ঘটে। সবুজমেরুণেই থেকে যান রয় কৃষ্ণা। গত দুই মরশুম এটিকে মোহনবাগানে কাটানোর পর তিনি সবুজমেরুণের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ছিল রয় কৃষ্ণার। জুয়ান ফেরান্দো এটিকে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেওয়ার পর চিত্রনাট্যে বদল ঘটে। রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে কোচের। আইএসএলের একাধিক ম্যাচে রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে হয়েছিল ফিজির এই তারকা ফুটবলারকে। দলের কর্তারাও ওই বিষয়ে রয় কৃষ্ণার পাশে দাঁড়াননি। তাই একরাশ অভিমান নিয়েই এটিকে মোহনবাগানেরস সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন রয় কৃষ্ণা।গত মরশুমে রয় কৃষ্ণর পারফরম্যান্স আহামরি কিছু ছিল না। যদিও বারবার রয় নিজের সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরে দলকে টেনে গিয়েছেন। তিনি মানেই ছিল বাগানের তারকার তারকা, গোলের জন্য সমর্থকরা তাঁর দিকে চেয়ে থাকতেন।আইএসএল কেরিয়ারে ৬০ ম্যাচে ৩৬ গোল করেছেন রয়। ১৮টি গোলের পাসও দিয়েছেন তিনি। গত কয়েক মরশুম ধরে খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বেঙ্গালুরু এফসি। এ বার ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে অভিজ্ঞ প্লেয়ারদের দলে নিয়ে বাজিমাত করতে চাইছে তারা। সেই লক্ষ্যেই টিম গড়ছে বেঙ্গালুরু।সুনীল ছেত্রি তো রয়েছেনই, প্রবীর দাস যোগ দিয়েছেন। এছাড়া জাভি হার্নান্ডেজকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।
ইতিমধ্যে শিয়ালদা স্টেশন থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। মাঝে একটা দিন পর বৃহস্পতিবার শুরু হবে শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে মেট্রোর ছোটার পালা। আইটি সেক্টর ছাড়াও হাজার হাজার অফিসযাত্রী ও সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে এই মেট্রো চালু হলে{ কলকাতা মেট্রো রেল এই পথের সূচিও প্রকাশ করেছে সাধারণের সুবিধার জন্য।বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মেট্রো রেলওয়ে কলকাতার জানিয়েছে, শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত দিনে ১০০টি মেট্রো চলাচল করবে। ৫০টি আপ, ডাউনে থাকবে ৫০টি। তবে আপাতত রবিবার এই রুটে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে। শিয়ালদা স্টেশন থেকে আপ-এ সেক্টর ফাইভ অভিমুখে প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৬.৫৫ মিনিটে। ডাউনে সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত প্রথম মেট্রো ছাড়াবে সকাল ৭টা থেকে। শিয়ালদা থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের উদ্দেশ্যে দিনের শেষ মেট্রো রওনা দেবে রাত ৯.৩৫ মিনিটে। অন্যদিকে সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদার দিকে শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ৯.৪০ মিনিটে।প্রথম দু ঘন্টা অর্থাৎ সকাল ৬.৫৫-৮.৫৫ মিনিট, শিয়ালদা স্টেশন থেকে ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো যাতায়াত করবে। তার পরের দুঘন্টা অর্থাৎ ৮.৫৫-১০.৫৫, মেট্রো উভয় দিক থেকেই ১৫ মিনিট অন্তর চলবে। ১০.৫৫ থেকে ৪.৫৫ পর্যন্ত ওই পথে মেট্রোর সময়ের ব্যবধান ফের সকালের মতো ২০ মিনিট হবে। অফিসয়াত্রীদের ফেরার সময় ৪.৫৫ থেকে ৭.৫৫ পর্যন্ত ফের মেট্রো চলবে ১৫ মিনিট। রাতে ৭.৫৫ থেকে ৯.৯৫ অবধি মেট্রোর চাকা গড়াবে ২০ মিনিট অন্তর অন্তর।
২৮ শে জুন মঙ্গলবার রবীন্দ্রসদনে আবৃত্তি শিল্পী সংস্থা আয়োজিত আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হল। আবৃত্তি নিয়েই আবৃত্তিশিল্পী সংস্থার পথ চলা চুরু ২০১৫ সালে। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বিশাল ভাবনা চিন্তার চাষ শুরু হয়েছিল বহু আগে থেকেই আগে। সারা বিশ্ব যখন আতিমারির কবলে আটকে পড়েছিল সেই সময় আবৃত্তিশিল্পী সংস্থা অনলাইনের মাধ্যমে শুরু করেছিল আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র আবৃত্তি প্রতিযোগিতা। ভারত তথা বিশ্বের বহুপ্রান্তীয় সংস্কৃতিমনস্ক মানুষ এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল। সংখ্যাটা ছিল ৪১৬৪ জন। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকেও বহু প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল। বিভিন্ন পর্যায়ের শেষে গত ২৮ জুন চূড়ান্ত পর্বে ছিলেন তিনটে বিভাগে মোট ১৯ জন প্রতিযোগী।এদিন চূড়ান্ত পর্বের বিচারকের আসন অলংকৃত করেছিলেন স্বনামধন্য বাচিক শিল্পী প্রণতি ঠাকুর, রত্না মিত্র, সুকুমার ঘোষ। উদ্বোধন করা হয় গাছে জল সিঞ্চন এবং কবিগুরুর বিভিন্ন কথার মালা গাঁথা হয় গাছটিতে। উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি শিল্পী সংস্থার সভাপতি সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, সহ সভাপতি মধুমিতা বসু, কর্ণধার জয়ন্ত ঘোষ এবং বিচারকরা। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই মেন্টরদের সংবর্ধনা দেওয়া হয। এছাড়াও যে সমস্ত প্রতিযোগী সেমিফাইনালে উঠেছিলেন তাঁদেরকেও সংবর্ধিত করা হয়। কবি দিধিতি চক্রবর্তী এবং কবি মনীষা যুগ্ম সম্পাদনায় আবৃত্তি শিল্পী সংস্থার নিজস্ব পত্রিকা কন্ঠকথার তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতায় তিনটি বিভাগ ছিল ক-খ-গ, ক বিভাগে প্রথম হয় তৃষিত চক্রবর্তী (চিত্তরঞ্জন), দ্বিতীয়- পরিযায়ী চ্যাটার্জী (পুরুলিয়া), তৃতীয় - প্রমীতি পন্ডা ( পাটুলী)। খ বিভাগে প্রথম হয় সৃজা রায় ( পুরুলিয়া), দ্বিতীয় - শ্রীপর্ণা সিং (মুর্শিদাবাদ), এবং তৃতীয় -সোমশ্রী দেব ( হুগলি)। গ বিভাগ প্রথম- রীতি সেন(দক্ষিণ দিনাজপুর), দ্বিতীয়- স্বাগতা মির্জা (মুর্শিদাবাদ), তৃতীয়- সুশ্বেতা চক্রবর্তী ( উত্তর ২৪ পরগণা)। অনুষ্ঠানের শেষে সমস্ত প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।এইদিন সংস্থার নিজস্ব প্রযোজনা ছিল শতাধিক শিল্পীর কন্ঠে হে মোর চিত্ত পূণ্যতীর্থ কবিতাটি। দীর্ঘ সময় ধরে অনলাইন থেকে শুরু করে অফলাইনে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের আবৃত্তি প্রতিযোগিতা এবং তার গ্রান্ড ফিনালে - এই ভাবনা বাস্তবায়িত হয়েছে জয়ন্ত ঘোষের তত্বাবধানে।
বাংলা পক্ষ বঙ্গভঙ্গ চক্রান্তের বিরুদ্ধে কলেজ স্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মহামিছিল করল। মিছিলে হাজার হাজার বাঙালি উপস্থিত ছিল। বাংলার উত্তর দিকের জেলাগুলোকে বাংলা থেকে ভাগ করে আলাদা রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার চক্রান্ত করছে বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি-আরএসএস। এরই প্রতিবাদে কলেজষ্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় পর্যন্ত এক মহা মিছিল সংগঠিত করে বাংলা পক্ষ।মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস, মনন মণ্ডল, শোয়েব আমিন, অমিত সেন, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, হাওড়া জেলার সম্পাদক জয়দীপ দে, হুগলী জেলার সম্পাদক দর্পণ ঘোষ, উত্তর চব্বিশ পরগণা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগণা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশিষ মজুমদার, বাঁকুড়ার জেলা সম্পাদক অচিন্ত্য নাথ, পূর্ব বর্ধমানের সম্পাদক জুয়েল মল্লিক, পূর্ব মেদিনীপুরের সম্পাদক সুতনু পণ্ডিত, বাংলা শ্রমিক পক্ষর অভিজিৎ কুন্ডু প্রমূখ।গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাংলা ভাগের চক্রান্ত ব্যর্থ করবোই। বাংলা পক্ষর মিছিল থেকে প্রমাণ হল বাঙালি জেগে গেছে। এবং বিজেপি চক্রান্ত করছে আমার মুখ বন্ধ করে দেওয়ায় জন্য, বাংলা থেকে আমাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। বিজেপি বাংলা থেকে আমাকে সরিয়ে দিতে পারে কিন্তু আমার হৃদয় থেকে বাংলাকে সরাতে পারবেনা। তিনি আরও বলেন, একটি জাতিকে দুর্বল করে দেওয়ার সবথেকে সহজ উপায় হল তার মাতৃভূমিকে টুকরো টুকরো করে দেওয়া। ভূমিপুত্রদের ঐক্য ধ্বংস করে দেওয়া। জাতি হিসাবে বাঙালি টুকরো টুকরো হলে লাভ বাঙালি বিদ্বেষীদের। বাংলার উত্তরের জেলাগুলো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হলে গোটা এলাকার জমি, অর্থব্যবস্থা, পুলিশ সবই কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্রীয় সরকার এনআরসি করে ভূমিপুত্রদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়ে তাদের নিজের মাতৃভূমি থেকে বেদখল করে, তাদের জমি দোকান সম্পত্তি রাখার অধিকার কেড়ে নিয়ে ইউ পি -বিহার-ঝাড়খণ্ড-রাজস্থান থেকে বহিরাগত ঢুকিয়ে এলাকার ভূমিপুত্রদের ওপর অত্যাচার চালাবে। উত্তরের জেলাগুলোর প্রাকৃতিক সম্পদ তুলে দেবে তাদের পছন্দের গুজরাট, রাজস্থানের পুঁজিপতিদের হাতে। সেখানে সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন করে দেওয়া হবে বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের।কৌশিক মাইতি বলেন, গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের উপর আঘাত হানলে বাংলার প্রতিটি জেলা বাংলার প্রতিটি ঘরে প্রতিবাদের আগুন জ্বলবে। তিনি আরও বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার তিস্তার জল বাংলাদেশে পাঠিয়ে বাংলার উত্তরের জেলাগুলোকে শ্মশানে পরিণত করতে চায়। বাংলার সরকার রাজি না হওয়ায় এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। বাংলার উত্তরের জেলাগুলোকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে পারলে দিল্লি তিস্তার জল সহজেই বাংলাদেশে পাঠাতে পারবে। এখনও পর্যন্ত এই চক্রান্ত আটকে রেখেছে বাংলার সরকার। কিন্তু বাংলা ভাগ হলে উত্তরের জেলাগুলোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আর বাংলার সরকারের হাতে থাকবে না। বিপন্ন হয়ে যাবে উত্তরের জেলাগুলোর বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের অস্তিত্ব।বাংলা পক্ষ প্রথম দিন থেকে বিজেপির এই বঙ্গভঙ্গ চক্রান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। এর আগে গোর্খাল্যান্ড তৈরি করে বাংলাকে দু-টুকরো করার ষড়যন্ত্র করেছিল বিজেপি-আরএসএস। সেই সময়ও বাংলা পক্ষ গোটা রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ, পথ সভা প্রতিবাদ সংগঠিত করেছিল।
রেট্রো কলকাতার গ্রীষ্মকালীন আর্ট ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হল গ্যালারি গোল্ডে। এই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয় দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্ন শিল্পীদের হস্তশিল্প, স্কাল্পচার এবং আর্ট ফর্ম। মোট ৪৫ জন আর্টিস্ট এই আর্ট এক্সিবিশনে যোগ দেন। প্রথমদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব তৃণমূল নেতা সৌম্য বক্সী, অভিনেতা অংশু বাচ, অভিনেত্রী নন্দিনী চ্যাটার্জি, সোমা ব্যানার্জি, সন্দীপ দে, সংগীতশিল্পী মল্লার ঘোষ, বাচিকশিল্পী ফুল্লোরা মুখোপাধ্যায় ও প্রমুখ। সদ্য প্রয়াত বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী কেকে সম্মান জানিয়ে দ্বিতীয় দিন আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রদর্শনী এবং লাইভ আর্ট এক্সিবিশন। এই অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা সম্পর্কে উদ্যোক্তা চন্দন পাল জানালেন, অনেক দুঃস্থ শিল্পীরা আছে যারা খুব ভালো কাজ করেন অথচ সঠিক প্লাটফর্ম পান না আমরা তাদের ট্যালেন্ট কে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য এই রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।
অভি ব্যানার্জির স্বপ্ন সফলের গল্পটা অনেকটাই আলাদা। তিনি পেশায় ছিলেন একজন ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার। সেন্ট থমাস কলেজে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারের ছাত্র হিসাবে পড়াশোনা শুরু হয় তার। কিন্তু স্বপ্নের টানে ক্যামেরা হাতে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। ক্যামেরা নিয়ে তার যে পথচলা শুরু হল, সেখান থেকে বর্তমানে তিনি একজন সফল ফটোগ্রাফার।তবে ফটোগ্রাফি হিসাবে জার্নির শুরুটা ছিল বেশ কঠিন। কিন্তু স্বপ্ন, নিষ্ঠা আর পরিশ্রমের জন্য ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে অভি ব্যানার্জি। মডেলিং প্রফেশন থেকে সিনেমা, সর্বত্র জায়গাতেই অভিনবত্বের ছাপ রেখেছেন।এর আগেও অভি ব্যানার্জির ফটোগ্রাফিতে দেখা গিয়েছে বহু কিছু সুন্দর ফ্রেম। অনেক মডেলেরই এখন পছন্দের ফটোগ্রাফার হয়ে উঠেছেন অভি ব্যানার্জি। তাই বলাই বাহুল্য ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার থেকে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখা অভি ব্যানার্জির থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ফটোগ্রাফাররা। তাদেরকে অভি ব্যানার্জি দেখিয়ে দিচ্ছেন পরিশ্রম করলে স্বপ্ন একদিন সফল হবেই।
কলকাতা শহরে হয়ে গেল ফ্যাশন ফেস্ট ২০২২। আর এই ফ্যাশন ফেস্ট ২০২২ এ দেখা গেল মডেল দিয়া রায় কে। সেখানে লাল ড্রেসে বেশ সুন্দরী লুকে ক্যামেরার সামনে ধরা পরলেন জনপ্রিয় মডেল দিয়া রায়। বিভিন্ন লুকে সাহসের সঙ্গে পা মিলিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন দিয়া।সাদা সবুজ ফুলের গাউনে সবার মন কেড়েছেন দিয়া রায়। বলাই বাহুল্য আগামী প্রজন্মের মডেলদের মধ্যে দিয়া নিজের জায়গা করে নিচ্ছেন। ঐদিন ফ্যাশন শো তে দেখা গিয়েছিল নতুন প্রজন্মের আরো বেশ কিছু জনপ্রিয় মডেলকে। এর আগেও দিয়া রায় মডেল জগতে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তার প্রতিভার দ্বারা। এবার আরও একবার নিজের প্রতিভা তুলে ধরলেন তিনি।
বেশ কয়েকটা ছবি মুখ থুবড়ে পরার পর ভুল ভুলাইয়া ২ এর হাত ধরে আবার পুরনো ফর্মে ফিরেছেন অভিনেতা। কার্তিক আরিয়ান ও কিয়ারা আদবানী অভিনীত হরর কমেডি মুক্তির ৬ দিনের মধ্যেই প্রায় ৮৬ কোটির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে পরিচালক আনিস বাজমীর এই ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। ছবির প্রচারে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হচ্ছে ভুল ভুলাইয়া ২ এর টিমকে। এবার এই ছবির প্রচারে কলকাতায় এলেন কার্তিক আরিয়ান অর্থাৎ এই ছবির রুহ বাবা। আজ দুপুরে কলকাতার সল্টলেকের নভোটেলে ছবির প্রচারে এলেন অভিনেতা। তাকে দেখতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। ভুল ভুলাইয়া গানের পোজে পাওয়া গেল এই বলি অভিনেতাকে। যারা নিজস্বীর আবদার রেখেছিলেন সকলের আবদারও মেটালেন কার্তিন আরিয়ান। কলকাতায় এসে বাংলায় কার্তিক বললেন আমি খুব ভালোবাসি। এছাড়া তিনি জানালেন কলকাতায় আসতে তার সবসময় ভালো লাগে। বন্ধুদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার এখানে এসেছেন।
সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মামলায় রক্ষাকবচ মেলেনি সুপ্রিম কোর্টেও। তবে দ্বিতীয় দিন দুদফায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে প্রায় সাড়ে ৮ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। প্রায় ৭টা ১৫ মিনিট নাগাদ নিজাম প্যালেস ছাড়েন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, এদিন প্রথম দফায় তাঁকে প্রায় ২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিছু সময় তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়। তারপর ৪ ঘন্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সিবিআইয়ের এসপি রাজীব মিশ্রও এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, এসএসসি নিয়োগে উপদেষ্টা কমিটি গঠন নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। ওই কমিটির কার্যকলাপের উপর তাঁর কতটা নিয়ন্ত্রণ ছিল তা-ও জানতে চায় সিবিআই। বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার নিয়োগ নিয়েও তাঁর কাছে জানতে চান তদন্তকারীরা।বুধবার সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে ঢোকেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সন্ধ্যা সাতটা ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। তারপর নিজের গাড়ি চড়ে নিজাম প্যালেস ছাড়েন মন্ত্রী। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতেও পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এর আগে হাইকোর্টেও সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর কোনও রক্ষাকবচ জোটেনি। সূত্রের খবর, ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করতে পারে সিবিআই।
কলকাতায় আয়ুষ্মান খুরানা। অনুভব সিনহা পরিচালিত আসন্ন ছবি আনেক এর প্রচারে সিটি অফ জয় তে নিউটাউনের মিরাজ সিনেমাজে এলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেতা। মিরাজের প্লাস মাল্টিপ্লেক্সে ছবির অ্যাকশন প্রোমোও দেখানো হল। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আয়ুষ্মান জানান, আনেক-এ আমার চরিত্র জোশুয়া আমাকে এমন কিছু করতে বাধ্য করেছে যা শারীরিক এবং মানসিক উভয়ভাবেই আমি আগে কখনও করিনি। পরিচালকের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, আমি এই চরিত্রতে আমার সেরা আমার সেরা অভিনয় দেওয়ার চেষ্টা করেছি। বাকিটা দর্শক বলবেন। অভিনেতা আরও জানান কলকাতায় এসে মিষ্টি দই ও সন্দেশ খেয়েছেন তিনি। এছাড়া এদিন ভক্তদের অনুরোধে ১০ বছর আগে রেকর্ড করা জনপ্রিয় গান পানি দ্য রক গাইলেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ছবিতে আয়ুষ্মানের বিপরীতে রয়েছেন নাগাল্যান্ডের মডেল Andrea Kevichusa। আয়ুষ্মানকে নিজের আইডল মনে করেন তিনি।
বিউটি পেজেন্টের ফাইনালে হাজির থাকতে কলকাতায় বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক আরবাজ খান।আরবাজ খান, বাঙালি মেগাস্টার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কলম্বাস ডিজিপ্লেক্স-এর উদ্যোগে জিও কিং অ্যান্ড কুইন মিস্টার/মিসেস এবং মিসেস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সিজন-২-এর মেগা ফাইনাল ইভেন্ট আয়োজিত হল।সংস্থার মুখপাত্র সুকন্যা গুপ্তা বলেন, এই পেজেন্ট সমস্ত আইকনিক পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য ব্যক্তিত্ব, প্রতিভা, আত্মবিশ্বাস এবং বুদ্ধিমত্তার উপর তাদের স্বতন্ত্রতা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দিতে চেয়েছে। আমরা পুরুষ ও মহিলাদের জন্য অনেক সুযোগ নিয়ে আসতে চলেছি। আমরা বিশ্বাস করি যে আপনি যদি কোনও কিছুতে খুব উৎসাহী হন তবে কোনও কিছুই আপনাকে উচ্চতায় পৌঁছাতে এবং নতুন মাইলফলক স্থাপন করতে বাধা দিতে পারে না। বয়স একটি সংখ্যামাত্র। আপনার প্রচেষ্টা এবং আপনার লক্ষ্যের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটাই গুরুত্বপূর্ণ।মুম্বইয়ের পূজা ব্যাস জিও কুইন মিসেস বিজয়ী হয়েছেন৷ মাস্কাটের নীলম সিং এবং দিল্লির রবিন্দর কৌর যৌথভাবে প্রথম রানার আপ হন। দ্বিতীয় রানার আপ হন বেঙ্গালুরুর শালিনী পারুপুদি এবং দুবাইয়ের মিসেস নেহা সিং গুপ্তা। এঁরা জিওকুইন ইন্টারন্যাশনাল মিসেস গ্লোবাল কুইনের মুকুট লাভ করেন।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচটা একদিকে যেমন ছিল প্লে অফের ছাড়পত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে প্রথম দুইয়ে থাকারও লড়াই। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠল লখনউ। ২০ ওভারে তুলল ২১০/০। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে দলকে বড় রানে পৌঁছে দেন কুইন্টন ডিকক। তাঁর ব্যাটে এদিন রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রান।নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে লখনউ সুপার জায়ান্ট। চোটের জন্য প্রথম একাদশের বাইরে ছন্দে থাকা অলরাউন্ডার ক্রূণাল পান্ডিয়া। পরিবর্তে দলে কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। এছাড়া প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েন আয়ূষ বাদোনি ও দুষ্মন্ত চামিরা। এই দুজনের জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ পান মনন ভোরা এবং এভিন লুইস।এদিন সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। তার মাঝেই একবার জীবন পান ডিকক। তৃতীয় ওভারে উমেশ যাদবের বলে ব্যক্তিগত ১২ রানের মাথায় তাঁর ক্যাচ ফেলেন নাইটদের হয়ে আইপিএলে অভিষেককারী অভিজিৎ টোমার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে লখনউ তোলে ৪৪।শুরুতে জীবন পেয়ে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ডিকককে। ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন। লোকেশ রাহুলও শুরুর জড়তা কাটিয়ে নিজেকে মেলে ধরেন। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন এই প্রোটিয়া ওপেনার। শেষ ৫ ম্যাচে চারটি হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। ১৭.১ ওভারে ১৫০ রানে পৌঁছে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।
সন্ধ্যে ৬টার আগেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজাম প্যালেসে প্রবেশ করলেন। ঠিক বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে লিফ্টে করে সিবিআই দফতরে উঠে যান প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআইেয়ের আধিকারিকরা। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের রায় বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি এসএসসির পাঁচ উপাদেষ্টাকে সিবিআই দফতরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ডিভিশন বেঞ্চ কোনও স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাজির হতে হবে। সেই মত সময়ের আগে পার্থবাবু সিবিআই দফতরে পৌঁছে যান। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন এই মামলায় রায় দিতে অস্বীকার করেছে। পার্থবাবুর আইনজীবী মৌখিকভাবে আবেদন করেছিলেন। এভাবে এই ধরনের মামলায় শুনানি সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিনে ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় শুধু পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাজির হতেই বলেননি একই সঙ্গে সহযোগিতা না পেলে মন্ত্রীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। অর্থাৎ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কোনও রক্ষাকবচ পেলেন না আদালত থেকে। জানা গিয়েছে, বিকেল প্যন্ত বাড়িতেই আছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বিকেলের পরই বেরিয়ে পড়েন নিজাম প্যালেসেের দিকে। জানা গিয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে।
রাজ্য়ের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের অফিসে আজ সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ শিক্ষাদফতরের পাঁচ উপাচেষ্টাকে বিকেল চারটের মধ্যে সিবিআইয়ের ওই দফতরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। রাজ্যের আরেক মন্ত্রী পরেশ অধিকারীকেও সিবিআইয়ের কাছে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে তিনি ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করেছেন। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন এসএসসির ৭টা মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের সমস্ত রায় বহাল রেখেছে।
এসএসসি গ্রুপ সি দুর্নীতিতে শিক্ষা পর্ষদের উপাদেষ্টা-সহ কর্তাদের নাম জড়িয়ে গেল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে। ১৮ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির পক্ষে আইনজীবী অরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩৮১ জনের নিয়োগে নানা দুর্নীতি রয়েছে। তার মধ্যে ২২২জন পরীক্ষায় অংশই নেননি।বিচারপতি বাগ রিপোর্টে জানিয়েছে, ৫ জনের কমিটি বেআইনিভাবে গঠন করা হয়েছে। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সুপারিশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আদৌ তা আইনসম্মত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। বড়সড় দুর্নীতি হওয়ায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে এদিন।সূত্রের খবর, বাগ কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো সুপারিশপত্রের সঙ্গে জড়িয়েছেন কল্যানকুমার গঙ্গোপাধ্যায়। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পর ৩৯১ জনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে। ২২২ জনের কোনও প্যানেলে বা ওয়েটিং লিস্টে নাম ছিল না। তাঁদের পার্সোনালিটি টেস্টই হয়নি। এরা কেউ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এরা সুপারিশপত্র পেয়ে নিয়োগপত্র হাতে পান। তাঁদের নিয়োগও করা হয়েছে।আদালত সূত্রে খবর, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়, অশোককুমার সাহারা এই কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর পাশাপাশি আরও একাধিক নামের উল্লেখ রয়েছে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে। শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়,অশোককুমার সাহাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মামলায় এফআইআর করা যেতে পারে বলে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে।
৮ মে আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস। সারা বিশ্ব জুড়ে এই ব্যাধির বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নানা কর্মসূচী নেওয়া হয়ে থাকে। পিছিয়ে থাকেনা আমাদের শহর কলকাতাও।শহরের এক অতি পরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনও সামিল হন এমনিতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞে। এমনিতেও সারা বছর ধরে এই সংগঠন বিভিন্ন ধরণের সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকে।এবছর ৩ মে থেকে শুরু হচ্ছে নানা কর্মসূচী। তবে সব থেকে চমক হল এবছরের সচেতনতার প্রচার পরিকল্পনায়। শহর জুড়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় নেমেছেন সত্যজিৎ রায়ের ছবির চরিত্রেরা। দেবীর শর্মিলা ঠাকুর, জলসাঘরের ছবি বিশ্বাস, মহানগরের মাধবী মুখোপাধ্যায়, গুপি গাইন বাঘা বাইন এর রবি-তপেশ, সোনার কেল্লার সৌমিত্র, আগন্তুকের উৎপল দত্ত আরো অনেকে। প্রচারে এই চরিত্রেরা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার নানা কথা বলছেন। ছবির থিম, কখনো ডায়ালগকে মাথায় রেখে বানানো হয়েছে নানা রকমের স্লোগান। ঠিক যেন এই চরিত্র গুলো আমাদের মতো রক্ত মাংসের মানুষ হয়ে পথে নেমেছে।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়া২ মে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবার্ষিকী। সদ্য শতবার্ষিকী হয়েছে। তিনি শিশুদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। গল্প লেখা থেকে শুরু করে, ছবি বানানো, সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদনা, নানা রকম ইলাসট্রেশন করা। অথচ একটু অসচেতনতার জন্য সেই শিশুরাই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়। এ যেন সেই সব থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের পক্ষ থেকেই এই বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাকে স্মরণ। ক্যাপশন গুলো লিখেছেন তারাই।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়াসেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন এর সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য জানিয়েছেন, সত্যজিতের ছবি খুব পপুলার। চরিত্রগুলোও ভীষণ জনপ্রিয়।এই ধরনের চরিত্র গুলোকে যদি প্রচারের মাধ্যমে আনা যায় তাহলে লোকের চোখে বেশি করে পড়বে। সেক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর আমাদের যে লক্ষ সেটা সফল হবে। সত্যজিৎ বাবু তাঁর সৃষ্টিতে অমর। এখানে তাঁর সৃষ্টি সমাজে থ্যালাসেমিয়ার মতো একটা ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতার অংশ হয়ে উঠল এতে সামগ্রীক ভাবে প্রচারটা অনেক বেশি করে লোকের চোখে পড়লো। এছাড়া থাকছে ডাক্তারদের সম্মাননা প্রদান জীবনদেবতা সম্মান, রক্তদান শিবির সহ নানা কর্মসূচী।
অবেশেষ দেখা মিলল কালবৈশাখীর। সাপ্তাহের শেষে শনিবাসরীয় সন্ধ্যাতেই কলকাতায় আচমকা ধুলো উড়তে শুরু করে। কালবৈশাখীতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে মহানগরবাসী। বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে কল্লোলিনী কলকাতা। কালবৈশাখীর ঝড়ে গ্রীষ্মের দহণ এদিন যেন নিমিষে উধাও হয়ে যায়।সোমবার কলকাতায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তার আগেই প্রকতি সদয় হল তিলোত্তমা কলকাতার প্রতি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানেও এদিন বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা নামে। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতে স্বস্তি এসেছে। এদিন কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি চলে।হাঁসফাঁস গরমে স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি দিতে বাধ্য হয় রাজ্য সরকার। এদিকে গরমের ছুটি ঘোষণার পর দিন থেকেই প্রকৃতি সদয় হতে শুরু করে। এদিন হঠাৎ ঝড়-জলে অফিস ফেরত মানুষজন বিপাকে পড়ে। তবু বৃষ্টিতে খুশিই হয়েছেন তাঁরা। পূবালি হাওয়ার জেরে রাজ্যে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করছে বলে জানিয়ে ছিল হাওয়া অফিস।
দিল্লি হিংসার ঘটনায় তমলুক থেকে গ্রেফতার হল। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থেকে গ্রেফতার করল ফরিদ ওরফে নীতু ওরফে আরিফ। জানা গিয়েছে, দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী এলাকার হিংসার ঘটনায় ফরিদের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ রয়েছে। গোপনসূত্রে খবর পেয়ে এদিন কলকাতা থেকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। এর আগে দিল্লি হিংসার ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল এরাজ্যের। হলদিয়ার কুমারগ্রামের আনসারের খোঁজে এসেছিল দিল্লি পুলিশ। তারপর স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের ছবি নিয়ে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ উঠেছিল। পরক্ষণেই বিজেপির মিছিলে আনসারের ছবি প্রকাশ্যে এনে তৃণমূল নেতৃত্ব টুইট করতে থাকেন। দুদলই বিপাকে পড়ে। ফরিদের গ্রেফতারের ফল এবার দিল্লি হিংসার সঙ্গে বাংলার নাম এসেই গেল। তমলুক থেকে গ্রেফতার হল দিল্লি হিংসার অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী।