• ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata

কলকাতা

ফের ট্যাংরায় বিধ্বংশী আগুন, ভষ্মীভূত গাড়ি সমেত গ্যারাজ

টিনের শেডের নীচে এখনও দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দেড়মাসের মধ্যে দুবার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটল ট্যাংরায়। ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডের বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে একাধিক গ্যারাজ। পুড়ে যায় বেশ কিছু গাড়িও। আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল পাশের গুদাম ঘরেও। বাড়ির ছাদ থেকে জল দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে গিয়েছে।আগুন লাগার আড়াই ঘন্টা পরেও জ্বলছে আগুন। বহু দূর থেকেও আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলতে দেখা যায়। রবিবার গ্যারাজগুলি বন্ধ ছিল। এখনও পর্যন্ত প্রাণহানির কোনও খবর নেই। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে স্থানীয়রা দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেয়। আশেপাশের বাড়ির ছাদ থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা জল দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করে। ঘিঞ্জি এলাকা বলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার ভয়ও ছিল বেশি।দেড় মাস আগে এই রোডের ওপরই আগুন লেগেছিল। সেই আগুন নেভাতে ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছিল। এদিনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেকটা সময় লাগবে বলে মনে করছে দমকল কর্মীরা। টিনের শেডের নীচে আগুন চাপা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ওপর থেকে দেখলে তা বোঝা যাবে না। সেই আগুন নেভাতে আরও সময় লাগবে।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপাল ধনখড়ের মুখে ভূয়সী প্রশাংসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মলনে এক মঞ্চে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছরভর বাংলার নানান ইস্যুতে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাত লেগেই থাকে। এমনকী রাজ্যপালকে অপসারণ করার জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর কাছেও দরবার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই রাজ্যপাল এদিন প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন বাংলাকেও।২ বছর পর ফের নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশনে বুধবার বানিজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে। এই বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মেলনে হাজির হয়েছেন ১৯টি দেশের ২৫০জন প্রতিনিধি। এদিন নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেন শিল্পপতি আজিম প্রেমজি ও গৌতম আদানির সঙ্গে। জিন্দাল গোষ্ঠীর সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে ব্রিটেনের ৪৯ জন প্রতিনিধি এসেছেন। সম্মেলন শুরুতে ভাষণ দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।এদিন বক্তব্যে রাজ্যপাল বলেন, মহামতি গোখলে বলেছিলেন বাংলা আজ যা ভাবে কাল গোটা দেশ ভাবে। প্রধানমন্ত্রী মোদিও তাই বলেছেন। মোদীজির লুক ইস্ট নীতি মেনে এগিয়ে যাবে বাংলা। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মানব সম্পদে এগিয়ে বাংলা। দেশের অর্থনৈতিক ছবি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা বাংলার আছে। পূর্বভারতের ইকোনমিক হাব হবে বাংলায়। শিল্পপতিদের বাংলায় শিল্প স্থাপনের জন্য উৎসাহ দেন ধনখড়। তিনি বলেন, বাংলায় বিনিয়োগ করলে শিল্পপতিদের লাভ হবে। আশা করা যায় বাংলা আগামিদিনে আরও উন্নত হবে। এই বাণিজ্য সম্মেলন পথ দেখাবে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুনীল নারাইন যেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের সুব্রত ভট্টাচার্য

কলকাতা ময়দানে ফুটবলে একটা সময় প্রায়ই শোনা যেত ঘরের ছেলে। সুব্রত ভট্টাচার্য, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, সত্যাজিৎ চ্যাটার্জি থেকে কৃশানু দে, বিকাশ পাঁজিদের নামের সঙ্গে ঘরের ছেলের তকমা সেঁটে গিয়েছিল। কিন্তু ক্রিকেটে? ক্রিকেটে আবার ঘরের ছেলে হয় নাকি? নিলামে কোন ক্রিকেটারকে কোন দল নেবে, কেউ বলতে পারবে না। তবে একটানা খেলতে খেলতে অনেকেই ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন। যেমন চেন্নাই সুপার কিংসে মহেন্দ্র সিং ধোনি, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে বিরাট কোহলি। তেমনই কলকাতা নাইট রাইডার্সে যেন ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন সুনীল নারাইন। এক দশক ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা। অন্য কোনও দলে যাওয়ার পরিকল্পনাও নেই। নাইট রাইডার্সে খেলেই আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সুনীল নারাইনের। সোমবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে ১৫০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলে ফেললেন সুনীল নারাইন। একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরে তিনি গর্বিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নারাইনের হাতে ১৫০ লেখা জার্সি তুলে দেন দলের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। ২০১২ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সে যোগ দেন সুনীল নারাইন। টানা ১০ বছর একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। আইপিএলে খুব কম বিদেশিই রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে এতদিন খেলতে পেরে আপ্লুত সুনীল নারাইন। ১৫০ ম্যাচের মাইলস্টোনে পৌঁছে এই ক্যারিবিয়ান তারকা বলেন, যতদিন আইপিএল খেলব, কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়েই খেলতে চাই। আমি দলের সিইও ভেঙ্কি মাইসোরকে সবসময় বলে এসেছি, আমাকে নিশ্চয় আর অন্য কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলতে হবে না। নাইট রাইডার্স থেকেই শুরু করেছি, এখানেই শেষ করব। বিদেশি ক্রিকেটাররা একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে বেশিদিন খেলার সুযোগ পায় না। সেই দিক দিয়ে আমি সৌভাগ্যবান। কলকাতা নাইট নাইট রাইডার্সে কাটানো সময়গুলো আমার কাছে খুবই মহামূল্যবান। নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচের আগে ১৪৭ উইকেন নেন সুনীল নারাইন। সোমবার রাজস্থানের বিরুদ্ধে তাঁর হাত ধরেই ব্রেক থ্রু আসে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ১০ বছর জীবনে তাঁকে সমস্যাতেও পড়তে হয়েছে। ২০২০ সালে তাংর বিরুদ্ধে চাকিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। পরে নিজের বোলিং অ্যাকশন বদল করতে বাধ্য হন। শুধু বল হাতেই নয়, ব্যাট হাতেও দলকে ভরসা দিয়েছেন সুনীল নারাইন। দলকে দুবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। বহু বিপদে দলকে উদ্ধার করেছেন। ঠিক যেন মোহনবাগানের সুব্রত ভট্টাচার্য।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পেন মহোৎসবে উপস্থিত তারকারা

কিশলয় ইভেন্ট এন্ড অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এবং পেন ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে কলকাতার আইসিসিআর এ উদ্বোধন হয়ে গেল পেন মহোৎসব ২০২২ । এই পেন উৎসব। তিনদিন ব্যাপী এই পেন মহোৎসবে ১৫ এপ্রিল শুরু হয়ে চলে ১৭ই এপ্রিল পর্যন্ত। এই অভিনব পেন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যারা তারা হলেন অধ্যাপক ড: সুরঞ্জন দাস,ভাইস চ্যান্সেলর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়,শুভ্র কমল মুখার্জি,মাননীয় বিচারপতি, ড: স্বাথী গুহ,ডিরেক্টর ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজ স্টাডিস এন্ড রিসার্চ, শিউলি রামানী গোমস, চিত্র পরিচালক,সুরঞ্জন দে,চিত্র পরিচালক, হুসেন মুস্তাফি, বিশিষ্ঠ ফুটবলার,নাসির আহমেদ, বিশিষ্ট ফুটবলার, বিমল দে, সেক্রেটারি EIMPADA, নুপুর মুখার্জি, ড্যান্স থেরাপি, অনিন্দিতা সিনহা, ইমন কর্নধর, সুরভি দাস,মডেল,মৌমিতা সাহা,ফ্যাশন ডিজাইনার, সায়নদ্বীপ রায়,ফটোগ্রাফার। এই অভিনব পেন উৎসবের আয়োজক ছিলেন সুব্রত দাস, শায়ক কুমার আঢ্য, এবং প্রসেনজিৎ গুছাইত।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
ব্যবসা

সরকারের ই-কমার্স নীতি শক্তিশালী করার আবেদন এআইএমআরএ-র

অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্মগুলির অর্থনৈতিক এবং একচেটিয়া ব্যবসায়িক নীতি দেশের দেড় লক্ষ সাধারণ মোবাইল বিক্রেতার ভবিষ্যতে বিপদ ডেকে এনছে বলে দাবী করেছে দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল বিক্রেতাদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া মোবাইল রিটেলার অ্যাসোসিয়েশন। তাই তারা সতর্কও করছে। সারা দেশে ১.৫ লক্ষের বেশি মোবাইল বিক্রেতাদের যৌথ মঞ্চ এই সংগঠনের সদস্য গোটা দেশের শত শত খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতা এবং সংগঠনের শীর্ষ কর্তারা ১৬ ও ১৭ এপ্রিল কলকাতায় সংগঠনের বার্ষিক সভায় অংশ নেন। এই বছরের বার্ষিক সাধারণ সভায় খুচরো মোবাইল ফোন বিক্রেতাদের সামনে উদ্ভূত অস্ত্বিতের সংকট এবং তার মোকাবিলা পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। এই বিষয়ে এআইএমআরএ-র পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি মোহন বাজোরিয়া বলেছেন, আমরা বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থা ও পোর্টালের অনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশলের সঙ্গে অস্ত্বিত্ব রক্ষার জন্য নিরন্তর লড়াই করে চলা দেশের দেড় লক্ষ তৃণমূল স্তরের মোবাইল বিক্রেতা সুরক্ষার দাবী নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিস্তারিত দাবী সনদ পেশ করতে চলেছে। বড় বড় সংস্থাগুলির এই অর্থনৈতিক ব্যবসায়িক কৌশল রুখতে সরকারের কাছে আমরা নতুন নিয়ন্ত্রণ বিধি তৈরি অথবা কমপক্ষে বর্তমান বিধিনিষেধগুলোকে আরও শক্তিশালী করার দাবী জানাচ্ছি।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে টেক্কা দিতে চলেছেন সচিব জয় শাহ!‌

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অভ্যন্তরে কি কোনঠাসা বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি? বিরাট কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর বিতর্ক থেকে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি আরও জোরালো হতে চলেছে আইপিএলের প্লে অফ ও ফাইনালের স্থান নির্বাচন নিয়ে। এই ব্যাপারেও বোর্ড প্রেসিডেন্টকে পেছনে ফেলে লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে বোর্ড সচিব জয় শাহ। বেশ কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবারের আইপিএলের তিনটি প্লে অফ ম্যাচ ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু হঠাৎ করে কলকাতাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে লখনউ ও আমেদাবাদ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটা ঘনিষ্ট সূত্র থেকে এমনই জানা গেছে। করোনার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ঠিক করেছিল আইপিএলের লিগ পর্বের ম্যাচগুলি মহারাষ্ট্রের চারটি স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে। এই স্টেডিয়ামগুলি হল মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন, ওয়াংখেড়ে, ডিওয়াই পাতিল ও পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম। তখন প্লে অফ ও ফাইনালের স্থান চূড়ান্ত হয়নি। পরে বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, কলকাতার ইডেন গাডেন্সে প্লে অফের ম্যাচগুলি ও ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু বোর্ডের একটি সুত্র জানিয়েছে, লখনউ ও আমেদাবাদকে প্লে অফ ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এই দুটি ভেনুতে প্লে অফ আয়োজনের যুক্তি হল, যেহেতু এই দুটি শহর এবছর আইপিএলে প্রথম খেলছে, তাই এই দুটি শহরে প্লে অফ আয়োজন করা হোক। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে লখনউকে প্রথম কোয়ালিফায়ার এবং এলিমিনেটর ম্যাচ দুটি আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, আহমেদাবাদকে দেওয়া হতে পারে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার এবং ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব। আসলে বোর্ড সচিব জয় শাহ চান, তাঁর নিজের শহর আমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএলের ফাইনাল হোক। বোর্ডের ওই সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, যেহেতু লখনউ এবং আহমেদাবাদ এই বছর প্রথম আইপিএল খেলছে, তাই প্লে অফ ম্যাচগুলি এই দুটি শহরে আয়োজিত হলে দারুণ ব্যাপার হবে। এই নিয়ে আমরা কয়েকদিন আগে আলোচনায় বসেছিলাম। বোর্ডের বেশ কয়েকজন কর্তা এই ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি আবার আমরা বৈঠকে বসব। সেই বৈঠকেই সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আশা করছি লখনউ ও আমেদাবাদেই প্লে অফ ম্যাচগুলি এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। মূলত বোর্ড সচিব জয় শাহর জন্যই ফাইনাল আমেদাবাদ পেতে পারে। এক্ষেত্রে বোর্ড প্রেসিডেন্টকে পেছনে ফেলে দিতে চলেছেন তিনি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

কলকাতা বইমেলা'য় প্রথমবার অংশগ্রহণেই জমজমাট বাংলা পক্ষ'র স্টল, আজ প্রকাশিত হবে ম্যাগাজিন 'একদিন সব বাঙালির হবে'

সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক মাঠে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২২র শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মেলার উদ্বোধন করেন। বিশ্বের বৃহত্তম অ-বাণিজ্যিক বই মেলার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর ছাড়াও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী সুজিত বসু, সাংসদ মালা রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।প্রায় ৬০০টি বইয়ের স্টল এবং ২০০ লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশক নিয়ে মেলার মাঠ প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। ১৯৭৬ থেকে শুরু হওয়া কলকাতা বইমেলা তার সূচনালগ্ন থেকেই বাংলার সংস্কৃতি ও আবেগের এক বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে।প্রতি বছর-ই বইমেলা এক বিশেষ থিমের ওপর গড়ে ওঠে। এবছর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫0 তম বছর। সেই কারনে বইমেলার এই সংস্করণে মেলার আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলারস গিল্ড বাংলাদেশকেই এবছরের থিম হিসাবে বিবেচনা করে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে আমাদের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে। দুই বাংলাকে কখনই সীমান্ত দিয়ে আলাদা করা যায় না। বাংলা ও বাংলাদেশের মধ্যে মানসিকতাই কোনও পার্থক্য নেই। বাংলাদেশের সকলকে আমার শুভেচ্ছা।মেলায় প্রথম বার অংশগ্রহণ করেই বাঙালির মন জয় করে নিয়েছে বাংলা পক্ষ। বুধবার উদ্বোধনী দিনে তাঁদের স্টলে উপস্থিত ছিলেন বাঙালীর প্রাণপুরুষ ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের উত্তরসূরী অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলা ও বাঙালির পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন। অমিতাভ বাবু জানান তিনি বাংলা পক্ষের একজন একনিষ্ঠ সমর্থক। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, তাঁদের স্টলে বাংলা পক্ষ বার্তা, বই, টিশার্ট, ক্যালেন্ডার, কাপ, ব্যাজ, উত্তরীয়, স্টিকার পাওয়া যাচ্ছে।বাংলা পক্ষর স্টলে মনোরঞ্জন ব্যাপারী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়কৌশিক মাইতি আরও বলেন, আমাদের স্টলে সাধারণ মানুষের সমাগম চোখে পড়ার মত। প্রথমবার অংশগ্রহণেই এতটা আশা আমরা করিনি। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বহু বিশিষ্ট মানুষ-ও আসছেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মনোরঞ্জন ব্যাপারী, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বংশধর অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়, নানা রাজনৈতিক নেতা, সাহিত্যিক, চলচ্চিত্র পরিচালক স্টলে আসছেন। আরও অনেক আসবেন কথা দিয়েছেন। সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায় এসেছিলেন। বুধবার বাংলা পক্ষ স্টলে এসেছিলেন নতুন প্রজন্মের বাঙালি ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম পরিচিত মুখ সায়ন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, পাহাড় থেকে মোহনা, বাঙালির মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বইমেলায় বাংলা পক্ষর ৫২৯ নম্বর স্টল।কৌশিক মাইতি আরও জানান, আমাদের স্টলে লেখক রনজিৎ রায়ের লেখা ধ্বংসের পথে পশ্চিমবঙ্গ ও জনম মুখার্জীর লেখা ক্ষুধার্ত বাংলা পাওয়া যাচ্ছে। ধ্বংসের পথে পশ্চিমবঙ্গ বইটি হু হু করে বিক্রি হচ্ছে। শনিবার বাংলা পক্ষের ম্যাগাজিন একদিন সব বাঙালির হবে প্রকাশিত হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য আপামর বাঙালির কাছে বাংলা পক্ষর আদর্শ পৌঁছে দেওয়া। বাংলা পক্ষর সাথে অনেকে যুক্ত হতে চান, কিন্তু কিভাবে যুক্ত হবেন সেটা জানেন না; সেক্ষেত্রে বইমেলায় বাংলা পক্ষের স্টল খুব সাহায্য করছে।তিনি জানান, বিভিন্ন জেলা ও বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাঙালিরা আসছেন, দেখা করছেন, তাঁদের সমস্যার কথা মন খুলে বলছেন। বইমেলায় বাংলা পক্ষর মুখপত্র বাংলা পক্ষ বার্তা আমরা মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে পারছি। বইমেলায় বাংলা পক্ষর স্টলে ভিড় সকলের নজর কাড়ছে। বাংলা পক্ষের স্টল নং- ৫২৯। এটি বইমেলার ২ নং গেটের বামদিকে, ৩ নং গেটের ডানদিকে।

মার্চ ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় ইন্ট্রিগুই হোম এর উদ্বোধন করলেন লোপামুদ্রা

বাঙালিরা একটু ঘুমকাতুরে হয়। সারাদিনের ক্লান্তির পর বা দুপুরে ছুটি থাকলে ঘুমানোর সময় পেলে আমরা সেটা হাতছাড়া করি না। সেরকমই আমাদের ঘুমটা যাতে ভালো হয় তার জন্য দারুণ ভাবনা নিয়ে এসেছে ইন্ট্রিগুই হোম। হোম ইস হোয়ার দ্য হার্ট ইস। এই ইন্ট্রিগুই হোম নিয়ে এল বিভিন্ন কালেকশনের বিছানার সামগ্রী। যেটা মানুষকে আরো বেশি আরাম দেবে। ইন্ট্রিগুই হোম ২৫ বছর ধরে তাদের ব্যবসা চালাচ্ছে। তাদের নতুন ভাবনায় অ্যাট্রাক্টিভ কুশনস থেকে শুরু করে আরো অনেক চমক রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন কর্ণধার বিপুল দুগার। বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন জগতের পরিচিত নাম লোপামুদ্রা মণ্ডল। তিনি জানালেন, কলকাতায় ইন্ট্রিগুই হোমের ব্র্যান্ড লঞ্চ করতে পেরে আমার সত্যিই খুব ভালো লাগছে। যারা ভালো মানের বিছানার চাদর থেকে পর্দা ইত্যাদির খোঁজ করছেন তাদের জন্য ইন্ট্রিগুই হোম আদর্শ। মন পছন্দ লাক্সারি ব্র্যান্ডের খোঁজ করলে ইন্ট্রিগুই সকলের ভরসা।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যায় সিটের হাতেই তদন্তভার বহাল রাখল হাইকোর্ট, দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ

আনিস হত্যা-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি, রাজ্যের দাবি মেনে ছাত্রনেতার দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। তবে তা হাওড়ার জেলা আদালতের বিচারকের তত্ত্বাবধানে হবে।শুক্রবার মধ্যরাতে হাওড়ার আমতায় আনিস খানের মৃত্যুতে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভের আবহে সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই মামলা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা রাজ্যের থেকে তিন দিনের মধ্যে আনিসের মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছিল। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আনিস-মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, ওই সিটের সদস্যেরা প্রত্যেকেই অভিজ্ঞ। তাঁদের প্রত্যেকের সিআইডি-তে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, ওই দলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের আরও সাত জন রয়েছেন।এর পরেই বিচারপতি মান্থা জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আনিসের দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হবে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন হাওড়া জেলা আদালতের বিচারক। দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের সময় ওই বিচারক বা তাঁর মনোনীত কোনও ব্যক্তিকে উপস্থিত থাকতে হবে।আদালতের তরফে জানানো হয়, তদন্তের স্বার্থে আনিসের পরিবারের থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে হায়দরাবাদে পাঠানো হবে। সেখানে সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে মোবাইল ফোনটির পরীক্ষা করা হবে। মোবাইল পরীক্ষার সময় উপস্থিত থাকতে হবে ন্যাশনাল ইনফর্মেটিক সেন্টারের এক জন প্রতিনিধিকে। জেলা বিচারকদের পর্যবেক্ষণে মোবাইলের তথ্য বন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, এই মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে বলেছে আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশ, সিটকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

আনিস-কাণ্ডে উত্তাল কলকাতা, শাস্তির দাবিতে পথে আলিয়া-র পড়ুয়ারা, পা মিলিয়েছে যাদবপুরও

আনিস-কাণ্ডের জেরে কলকাতায় ধুন্ধুমার। আনিস মৃত্যু-রহস্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ কলকাতার রাজপথ জুড়ে। জায়গায় জায়গায় ছাত্রনেতা আনিসের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা। রাস্তায় নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা। তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও কিনারা হয়নি আনিস মৃত্যু-রহস্যের। অধরা অভিষুক্তরাও। তাই অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার দাবিতেই রাস্তায় নেমেছেন পড়ুয়ারা।কলেজ স্ট্রিটে গার্ডরেল সরিয়ে মিছিল এগোনোর চেষ্টা করে পড়ুয়ারা। বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ আন্দোলনকারীদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যা ফ নামানো হয়। আনা হয় জলকামান। বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।আনিস-কাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল করে মহাকরণ অভিযানে নেমেছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। এই মিছিল নবান্নের দিকে যেতে পারে আশঙ্কা করে পার্ক সার্কাসেই পড়ুয়াদের আটকে দেয় পুলিশ। ডোরিনা ক্রসিং-এ পড়ুয়াদের আটকাতে ত্রিস্তরীয় ব্যারিকেড দিয়ে আগে থেকেই তৎপর হয় পুলিশ। কিন্তু তার আগেই পার্ক সার্কাসে পুলিশি প্রতিরোধের মুখে পড়েন পড়ুয়ারা। পথ আটকানোর কারণে পার্ক সার্কাস-এ পৌঁছে রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভও দেখান পড়ুয়ারা। মল্লিক বাজার, মৌলালি হয়ে মহাকরণের দিকে যাওয়ার কথা এই মিছিলের। এই মিছিলের ফলে তীব্র যানজটের মুখেও পড়েন নিত্যযাত্রীরা।আনিস খানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তোলপাড় গোটা বাংলা। অভিযুক্তদের হদিশ পেতে গঠন করা হয়েছে সিট। এরই মাঝে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের মহাকরণ অভিযানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল খাস কলকাতা। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্বসূচি অনুযায়ী পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট থেকে মিছিল শুরু করে আন্দোলনকারীরা। আনিস কাণ্ডের বিচারের দাবিতে বহু পড়ুয়া সামিল হন অভিযানে। ছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। প্রথমে মৌলালিতে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা। সেখানে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। পরবর্তীতে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। মৌলালি হয়ে ডোরিনা ক্রসিংয়েরর দিকে আসার কথা ছিল মিছিলটির। সেখানে জলকামান নিয়ে প্রস্তুত ছিল পুলিশ।ডোরিনা ক্রসিং-এর পাশাপাশি এসএন ব্যানার্জি রোডেও ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা ঘিরে রাখে পুলিশ। মিছিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সাউথ-ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ নিজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন।পাশাপাশি আনিস মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরও। মঙ্গলবার এসএফআই-এর ডাকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের কাছে আন্দোলনে শামিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। আন্দোলনে নেমে দফায় দফায় তৃণমূল সংগঠনের ছাত্র এবং কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তাল হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আরো ভালো ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করতে চান সোমা সাহা

বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং ও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনেক নতুন নতুন মডেল গকলকাতায় কাজ করছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ অনেকটাই বেড়েছে। সেরকমই কলকাতার অন্যতম পরিচিত মডেল হিসাবে বর্তমানে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন মডেল সোমা সাহা। বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি মডেলিং করছেন। তবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে তিনি কাজ করছেন তিন বছর ধরে। আভামা জুয়েলার্স, ট্র্যাফিক রেস্টুরেন্ট, হোটেল গোল্ডেন টিউলিপ, মিনু শাড়ি, ইন্ডিয়ান সিল্ক হাউসের মতো বড় বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন সোমা।সোমা জানিয়েছেন, আমি আরও ভালো ভালো কাজ করতে চাই। মডেল হওয়ার স্বপ্ন ছিল। আমি তিন বছর ধরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করছি। তবে মডেলিং শুরু করেছি বেশ কয়েকবছর হল। সোমা জানালেন কোভিড এর মধ্যে কাজের একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে আগের থেকে পরিস্থিতি অনেকটা ভালো এখন। আগামী দিনে তিনি আরও ভালো ভালো কাজ করতে চান।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রয়াত সুরজিৎ সেনগুপ্ত, বিখ্যাত গোলের সঙ্গে তিনিও ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে থাকবেন

মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে তিনি মারা যান। সুরজিৎ সেনগুপ্তর প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩ জানুয়ারি পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। মাঝে মাঝে চিকিৎসায় সারা দিচ্ছিলেন। পরের দিকে শারীরিক অবস্থার খুবই অবনতি হয়। ২৯ জানুয়ারি থেকে তাঁকে ভেন্টিলেশনে বিশেষ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে থেকেই শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত হন এই প্রাক্তন ফুটবলার।১৯৫১ সালের ৩০ আগস্ট জন্ম সুরজিৎ সেনগুপ্তর। মফঃস্বল থেকে উঠে এসে কলকাতা ময়দানে পদার্পন করেন। কলকাতা ময়দানে প্রথম খিদিরপুর ক্লাবে ফুটবলজীবন শুরু করেন। খিদিরপুরের হয়ে কলকাতা লিগে যথেষ্ট নজর কাড়েন। মোহনবাগান কর্তাদের নজরে পড়ে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭২ সালে খিদিরপুর থেকে মোহনবাগানে সই করেন। দুমরশুম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপানোর পর ১৯৭৪ সালে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গে খেলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৮ সালে ইস্টবেঙ্গলের লিগজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। পরের বছর তাঁর জায়গায় লালহলুদের অধিনায়ক করা হয় শ্যামল ঘোষকে। সেবছরও ইস্টবেঙ্গল লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়।১৯৭৯ মরশুম শেষে লালহলুদ কর্তারা বাঙালী ফুটবলারদের কোনঠাসা করার জন্য বাইরের কয়েকজন ফুটবলারদের সই করান। কর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ৮ জন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারকে নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি মহমেডানে যোগ দেন। মোহনবাগান থেকে নিয়ে যান একজন ফুটবলারকে। ১ বছর সাদাকালো জার্সি গায়ে কাটানোর পর ১৯৮১ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। ফুটবলজীবনের শেষ ৩ বছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।১৯৭৩ সালে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পরেই ভারতীয় দলে সুযোগ পান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলেন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ এশিয়ান গেমসে তিনি ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে মারডেকা কাপ, ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্টস কাপেও তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন। বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন সন্তোষ ট্রফিতে খেলেন। ১৯৭৬ সালে বাংলার অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৯ সালে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সংযুক্ত দলের বিরুদ্ধে কর্ণার থেকে তাঁর বাঁক খাওয়ানো শটে গোল আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। পরলোকে চলে গেলেও তিনিও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"আভি রাত বাকি হ‍্যায়" রঙ্গকর্মীর এই নতুন নাটক জীবন কে এক গভীর সঙ্কট এর মুখোমুখি দাঁড় করায়

আমরা সকলেই কম বেশি জীবনের নানা সমস্যায় জর্জরিত। অর্থনৈতিক, সামাজিক সমস্যার পাশাপাশি ব্যক্তি জীবনেও নানা ঘাত প্রতিঘাতে আমাদের মন ভালো নেই। বর্তমান সময়ে প্রতিটা পরিবারে কিছু না কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যা যখন আরো বাড়তে থাকে তখন সেই পরিবারটা শেষ হয়ে যায় তিলে তিলে। ১৯৮০ সালে বোম্বের মিল ওয়ার্কার দের নিয়ে বিখ্যাত মারাঠি নাট্যকার জয়ন্ত পাওয়ার লিখেছিলেন তার জনপ্রিয় নাটক আধান্তর। রঙ্গকর্মীর প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত নাট্য নির্দেশক ও অভিনেত্রী উষা গাঙ্গুলীর অনুপ্রেরণায় সেই নাটক মারাঠি ভাষা থেকে হিন্দি অনুবাদ করেছেন কৈলাশ সিঙ্গার। সেই হিন্দি নাটক অভি রাত বাকি হ্যায় একাডেমি হলে মঞ্চস্থ হলো। নাট্যরূপ ও নির্দেশনা সৌতি চক্রবর্তী।এই নাটকটি একটা অতি সাধারণ গরীব পরিবার কে কেন্দ্রকরে মঞ্চস্থ হয়েছে। যে পরিবারে রয়েছে তিন ভাই, এক বোন আর মা। বড় ভাই বাবা স্বপ্ন দেখে বিরাট সাহিত্যিক হবার। মেজো ভাই নাড়ুর স্বপ্ন মস্তান বা ডন হবার। আর পরিবারের ছোট ছেলে মোহন সারাদিন রেডিওতে ক্রিকেট শোনে।তার দিশাহীন জীবন। বোন মঞ্জুর বিয়ে হয়েছে কারখানার এক লেভার রানের সাথে। রানে ইউনিয়ান লিডার। সে সবসময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করে। কিন্তু মঞ্জু একটা কারখানায় কাজ করলেও ঠিকমত টাকা পায়না, তাই শে পাড়ার একজনের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, পেটে আসে সন্তান।পরিবারের সবাই তাকে প্রশ্ন করলে মঞ্জু উত্তর দেয় বাঁচতে গেলে লাগে পয়সা। কে দেবে টাকা, কারখানায় ঠিকমত টাকা দেয়না, তাইসে এই পথে গেছে। বড় ছেলে বাবা চেয়েছিল তার লেখা উপন্যাস কাগজে ছাপাতে। পারেনি সে। সামান্য টাকায় সে প্রকাশক কে দিয়ে দেয়।সেই শোক ভুলতে প্রতিদিন নেশা করে।মেজো নাড়ু প্রায়দিন মস্তানী করে পাড়ায়। সংসারে সে কিছুই দেয়না, মায়ের থেকে এসে টাকা চায়, আর খেতে আসে। ছোটো মোহন রেডিও তে ক্রিকেট শুনে কাটায়। দিশাহীন,লক্ষহীন জীবনের এক বেকার যুবক। বাড়িতে প্রতিদিন অশান্তি, পরিবারে আর্থিক অভাব, গালিগালাজ এসব রোজকের ঘটনা। এই চলতে চলতে মঞ্জুর সাথে যে লোকের অবৈধ সম্পর্ক ছিলো সেই লোক কে খুন করে নাড়ু। পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। এই পরিবারের ছেলে মেয়েদের যে পিতা সে অনেক আগে মারা যায়। তার এল এই সি মাত্র ১৫ হাজার টাকা পায়। পাশাপাশি মঞ্জুর স্বামী রানের কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। তাদের মালিক মাত্র ২৫ হাজার টাকা দেয়। শেষমেষ পরিবারের সকলেই মাকড়সার জালের মতন নিজেদের জীবনে আর্থিক অনটন, মানহানিকর ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে, এখান থেকে কোনো ভাবে বেরিয়ে আসার উপায় নেই।অসহায় এক পরিবার লক্ষ বিহীন,দিশাহীন এক অজানা অন্ধকারে তলিয়ে যায় সকলেই। করোনার পরবর্তী সময়ে বহু পরিবারের এই অবস্থার স্বীকার। অসাধারণ একটি নাটক আভি রাত বাকি হ্যায়। রঙ্গকর্মীর নতুন নাটকটি এখন কার সময় উপযোগী নাটক। চমৎকার উপস্তাপনা। এই নাটকে দারুন অভিনয় করেছেন (বড় ছেলে বাবা) শুভম, (মেজো ছেলে নাড়ু) দিপেস রজক, (ছোট ছেলে মোহন) ওম তেওয়ারী, (মেয়ে মঞ্জু) স্নেহা রায়, (জামাই রানে) অনিরুদ্ধ সরকার, (মা) রঞ্জিনী ঘোষ, (নাড়ুর সঙ্গী বাটার) রহত নাদিম, (বড় ছেলের বন্ধু সতীশ) শঙ্কর দে, (মামি) শ্রেয়া খৈতান। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিষেক, বাপ্পা, অরিজিৎ ও সুভাষ। এই নাটকে সৌমেন চক্রবর্তী র আলো, সৌতি চক্রবর্তীর মঞ্চ নজর করেছে। সবমিলিয়ে এক ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিটের রঙ্গকর্মীর এই নতুন হিন্দি নাটক আভি রাত বাকি হ্যায় এক কথায় জীবনের গল্পগাথা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য সরকারের মতামত জানাতে নির্দেশ হাইকোর্টের, বেধে দিল সময়

করোনা আবহে স্কুল খোলা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত বাংলায়। তারই মধ্যে নানান মাহল থেকে স্কুল চালু করার দাবি উঠেছে। শুক্রবার হাইকোর্টের নির্দেশ, স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য কী ভাবছে তা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবিস্তারে তা আদালতে জানাতে হবে। রাজ্যে স্কুল চালু নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার স্কুল খোলা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি ছিল উচ্চ আদালতে। এই মামলার দিকে তাকিয়ে আছে শিক্ষামহল।রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় দুবছর ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-সহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাঝে দিন কয়েকের জন্য নবম শ্রেণি থেকে স্কুল খুলেছিল। তবে গত দুবছর বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী স্কুলের মুখই দেখেনি। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যে কোভিড বিধি মেনে স্কুল চালু হয়েছে।এদিন মামলাকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। দিনের পর দিন রাজ্যের স্কুল বন্ধ। তাই পড়ুয়ারা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। করোনা বিধি মেনে অবিলম্বে রাজ্যে স্কুল চালু করে দেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন বিকাশরঞ্জনবাবু। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে চায়। রাজ্য সরকারও যে স্কুল খোলার বিষয়ে উৎসাহী তা আদালতে জানান তিনি। তিনি জানান, ইতিমধ্যে কম বয়সীদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলছে রাজ্যে।বিরোধীরা ইতিমধ্যে স্কুল চালুর জন্য রাস্তায় নেমে দাবি জানিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তি হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিকাশভবনের সামনে। তাঁকে ও তাঁর সঙ্গী বিধায়কদের পথ আটকে ছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, ওই স্থানে ১৪৪ ধারা জারি ছিল।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

প্রজাতন্ত্র দিবসে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা

নিউ মার্কেট, পার্কস্ট্রিট থেকে বড়বাজার প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই শহরজুড়ে চলেছে পুলিশের তল্লাশি। হোটেল, গেস্ট হাউজগুলিতেও কড়া নজরদারি পুলিশের। বিভিন্ন রাস্তায় চলছে নাকা চেকিং। মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।রেড রোডে যেখানে প্যারেড রয়েছে, সেখানে আড়াই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যার মধ্যে ১১০০ পুলিশ রয়েছে রেড রোডে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার কর্তারা রয়েছেন। রেড রোডে ১১টি জোন প্রস্তুত করা হয়েছে। দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের ডিসি পদমর্যাদার কর্তারা। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। তার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালানো হচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে পুলিশ পিকেটিং রয়েছে।যে যে পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের তরফে করা হয়েছে কোভিডের কারণে এবারও দর্শক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ভিআইপি সংখ্যাও কমানো হয়েছে, যাতে কোভিডবিধি ভঙ্গ না হয়। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানের জায়গা কড়া নিরাপত্তার মোড়কে। শহরজুড়ে চলছে নজরদারি। নিরাপত্তার জন্য রেড রোড সংলগ্ন এলাকাকে ১১ টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জোনের দায়িত্বে একজন করে ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। প্রত্যেক জোনকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। রেড রোডের চারপাশে ৫ টি স্যান্ড ব্যাংকার রয়েছে। ৯ ডিভিশনে ২৬ টি পিসিআর ভ্যান থাকছে। ১২ টি এইচআরএফএস গাড়ি থাকছে। মোটরবাইক পেট্রোল টিম রয়েছে ৮ টি। ৬ টি ওয়াচ টাওয়ার। মোতায়েন রয়েছে ৩ টি কুইক রেসপন্স টিম। রেড রোডে বিশেষ কন্ট্রোল পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরে ঢোকা বেরোনোর প্রত্যেকটি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
কলকাতা

Kolkata Police: ঘরে বসেই অভিযোগ দায়ের করা যাবে থানায়, অভিনব পন্থা কলকাতা পুলিশের

ওমিক্রনের ধাক্কায় বেসামাল সাধারণ মানুষ থেকে ক্রেতা বিক্রেতা। প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। সারা দেশ-ই এর আতঙ্কে প্রহর গুনছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, ভয়ঙ্কর ছোঁয়াচে করোনার নয়া রূপ ওমিক্রনের কারনেই সংক্রমণের এত বাড়বাড়ন্ত।এর করাল গ্রাস থেকে কেউ পার পাচ্ছেন না। সে কবি, সাহিত্যিক, নায়ক-নায়িকা, সরকারি কর্মী, চিকিৎসক থেকে শুরু করে পুলিস। একের পর এক থানা করোনার থাবায় ধরাশায়ী। দিনে দিনে থানার লোকবল কমতে থাকায় কলকাতা পুলিস এক অভিনব পন্থার কথা তাদের সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করলো। এখন থেকে কোনও অভিযোগ করার জন্য সশরীরে থানায় হাজির হতে হবে না।প্রতিটি থানার জন্য একটি নির্দিষ্ট নম্বর-এ ডায়াল করে পুলিস আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা যাবে। এই বিশেষ নম্বরে ভিডিও কল করেও অভিযোগ জানানো যাবে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমের অভিযোগের সপেক্ষে নথি পাঠানো যাবে নির্দিষ্ট থানায়।রাজ্য পুলিস ও কলকাতা পুলিসের উচ্চপদস্ত আধিকারিকসহ সিভিক ভলেন্টিয়ার অবধি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এক উচ্চ পদস্ত আধিকারিক-এর কথায়, অতিমারির জন্য তো ল-আন্ড-অর্ডার থেমে থাকতে পারে না। তাই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প পথ বেছে নিতে হচ্ছে। এখন থেকে আর থানায় সশরীরে না এলেও, অভিযোগ জানানো যাবে। ডিপার্টমেন্ট থেকে সামাজিক মাধ্যমে সবিস্তারে কোন থানায় কোন নম্বরে ফোন করতে হবে, সমস্ত থানার এই সমস্ত নম্বর তালিকায় দেওয়া আছে।কলকাতা মহানগরে যে ভাবে হু-হু করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে, তখন সাধারণ মানুষের অনেকেই প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী বলে সাধুবাদ জানিয়েছেন । এতে যেমন অহেতুক সংক্রমণ শঙ্কা থেকে বাঁচবেন পুলিশকর্মীরা, ঠিক তেমনই সংক্রামণের প্রকোপ থেকে নিরাপদ থাকতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

Mahamrityunjay Mantra: আজ শহরে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রপাঠ, কার জন্য জানুন

প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য কামনায় বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে হয়েছে পুজো ও হোম যজ্ঞ। এবার কলকাতায় মহিলা মোর্চার তরফে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হল। প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষা কামনা করে এবার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ করবে মহিলা মোর্চা।সকাল ১০টায় যাদবপুর ত্রিকোণ পার্ক শিব মন্দিরে মন্ত্রপাঠ হবে। এটি ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। সকাল ১১টায় ভূকৈলাশ শিব মন্দির, খিদিরপুরে হবে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠ। অন্যদিকে, বেলা ১২টা নাগাদ ভবানীপুর শিবমন্দিরেও এই মন্ত্রপাঠ হবে।বৃহস্পতিবার মোদির সুরক্ষা কামনা করে দেশের একাধিক জায়গায় পুজো হয়। অসমে আয়োজিত পুজোয় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। মুখ্যমন্ত্রীর গুয়াহাটির উগ্রতারা মন্দিরে আয়োজন করা হয় পুজো ও হোম যজ্ঞের। উল্লেখ্য, পঞ্চাবের এই ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গলদ নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। যে কমিটির নেতৃত্বে আছেন ক্যাবিনেট সুরক্ষা সচিব সুধীর কুমার সাক্সেনা। দ্রুত কমিটিকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গত বুধবার পঞ্জাবের ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সেই গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Covid-19 Graph: করোনা ঝড়ে তোলপাড় রাজ্য, ছাড়িয়ে গেল ১৫ হাজারের গন্ডি

করোনা সংক্রমণের ঝড় উঠেছে বাংলায়। গত ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৩৯। ১০ দিন পার করে আজ, বৃহস্পতিবার সেই সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১৫,৪২১-এ। বিশেষজ্ঞদের মতে এই তুফান এখন থামার কোনও লক্ষ্মণ নেই। মুখ্যমন্ত্রী আগামি ১৫ দিন রাজ্যবাসীকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালির দোকান?রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বৃহস্পতিবারের বুলেটি অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় ১৫,৪২১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিড ১৯ পরীক্ষা করা হয়েছিল ৬২,৪১৩ জনের। পজিটিভিটি রেট ২৪.৭১ শতাংশ। বুধবার একধাক্কায় ১৪ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯ হাজারের কিছু বেশি। আগামিতে এই সংখ্যা কোথায় গিয়ে থামবে তা নিয়ে শঙ্কায় চিকিৎসক মহল।আরও পড়ুনঃ ১৫ দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ, প্রয়োজনে আরও কড়া ব্যবস্থার ইঙ্গিত মমতারএদিনও আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী মহানগরে আক্রান্তের সংখ্যা ৬,৫৬৯জন। এরপরেই রয়েছে কলকাতা লাগোয়া জেলা উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা শেষ ২৪ ঘণ্টায় ২,৫৬০জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার হাল তুলনামূলক ভালো। এই জেলায় ৭৮৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘন্টায়। হাওড়ায় ১২২৮ জন কোভিড ১৯-এ সংক্রমিত হয়েছেন। রাজ্যের অন্য জেলাতেও বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পূর্ব বর্ধমানে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৩৯৪-এ। পশ্চিম বর্ধমানে ৯১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘন্টায়। রাজ্যজুড়ে করোনা ঝড় চলছে।আরও পড়ুনঃ শহরে ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন মোদিগত ২৪ ঘন্টায় করেনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। মৃতের সংখ্যাটাও ক্রমশ বাড়ছে। সচেতন নাহলে সমস্যা আরও বাড়বে। এখন বিধিনিষেধ জারি করে সংক্রমণ রোখার চেষ্টা চলছে। এরপর কড়া পদক্ষেপ করতে দ্বিধা করবে না রাজ্য সরকার, এদিনই জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

Covid-Doctors: মুম্বইয়ে তিন দিনে কোভিড আক্রান্ত দু’শোর বেশি চিকিৎসক, বঙ্গে আক্রান্ত স্বাস্থ্য অধিকর্তা-সহ বহু

ওমিক্রন আবহে দেশজুড়ে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বিপুলভাবে বাড়তে শুরু করেছে। কোনও হাসপাতালে এক সঙ্গে ৭০ জন, তো কোনও হাসাপাতলে তারও বেশি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে এর মধ্যে মুম্বইয়ের ছবিটা বোধহয় সবচেয়ে ভয়াবহ। গত তিন দিনের মধ্যে শহরের সরকারি হাসপাতালগুলির ২২০ জন চিকিৎসক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন।এদিকে করোনায় আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। তবে কেবল স্বাস্থ্য অধিকর্তা নন, আক্রান্ত হয়েছেন ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল সার্ভিস কর্পোরেশনের ৮৭ জন। মোট ১৩৫ জনের ৮৭ জনই করোনা আক্রান্ত। প্রথমে সংখ্যাটা ছিল ৬৬। সেটাই বেড়ে দাঁড়িয়ে হয় ৮৭। পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যাচ্ছে, স্বাস্থ্যভবনে কার্যত থাবা বসিয়ে দিয়েছে করোনা। স্বাস্থ্য ভবনের মূল প্রশাসনিক কার্যালয়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত হয়েছেনে অনেকেই। স্বাস্থ্য ভবনে মোট কতজন আক্রান্ত, সেই পরিসংখ্যান এখনই নির্দিষ্টভাবে বলতে পারছেন না দপ্তরের কেউই।মহারাষ্ট্রের চিকিৎসক সংগঠন সূত্রে খবর, জেজে হাসপাতালে গত ৭২ ঘণ্টায় ৭৩ জন চিকিৎসকের কোভিড ধরা পড়েছে। কিং এডওয়ার্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালে আক্রান্ত ৬০ জন চিকিৎসক। লোকমান্য তিলক মিউনিসিপ্যাল জেনারেল হাসপাতালে এক সঙ্গে ৮০ জন চিকিৎসক কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া আর এন কুপার হাসপাতালে সাত জন এবং থানের ছত্রপতি শিবাজি হাসপাতালের আট চিকিৎসকের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যে ভাবে দেশজুড়ে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন তাতে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে দেশজুড়ে একটা আশঙ্কার মেঘ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Modi: শহরে ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন মোদি

শহরে ক্যানসার হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট-এর দ্বিতীয় ক্যাম্পাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুক্রবার এই হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন মোদি।PM Narendra Modi to inaugurate the second campus of Chittaranjan National Cancer Institute in Kolkata tomorrow: PMO pic.twitter.com/gFPUpZv9Ig ANI (@ANI) January 6, 2022নিউ টাউনে চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন এই হাসপাতালে থাকছে ক্যানসার চিকিৎসার অত্যাধুনিক সব সুযোগসুবিধা। থাকবে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সুবিধাও। সঙ্গে থাকার কথা রোগীর আত্মীয়দের থাকার জন্য অতিথিনিবাস, চিকিৎসকদের আবাসন। ১০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই হাসপাতালে থাকছে ৭৫০টি শয্যা। শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে তারই উদ্বোধন করবেন মোদি। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উদ্বোধন হলে শহরের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় সুবিধা হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal