• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

State

কলকাতা

Khela Hobe Diwas: ২৪-এর লক্ষ্যে রাজ্যে রাজ্যে 'খেলা দিবস' উদযাপন

খেলা এখনও শেষ হয়নি। বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে না সরানো পর্যন্ত খেলা চলবে। একুশের মঞ্চ থেকে জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘোষণা করলেন, ১৬ অগস্ট উদযাপিত হবে খেলা হবে দিবস হিসেবে। বাংলায় ভোটে খেলা হবে স্লোগান দিয়েছিল তৃণমূল। সেই খেলায় জয় হয়েছে নেত্রীর। তবে খেলা এখনও শেষ হয়নি। ২৪-র লক্ষ্য বেঁধে দিলেন মমতা। তাঁর কথায়,খেলা হবে। খেলা একটা হয়েছে। ৫ মে যার রেজাল্ট আপনারা দেখতে পেয়েছেন। খেলা আবার হবে। যত দিন বিজেপিকে ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত না করতে পারি ততদিন রাজ্যে রাজ্যে খেলা হবে। খেলা হবে বুথে বুথে। সমস্ত জায়গায় খেলা হবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?খেলা হবে দিবস উদযাপনের কথা বিধানসভায় জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন দিনক্ষণ বলে দিলেন। মমতা জানান,পশ্চিমবঙ্গে খেলা হবে দিবস আমরা পালন করব। ১৬ অগস্ট পালিত হবে। ওই দিন আমরা যে যেখানে পারব কিছু ফুটবল দেব। যারা এই সব নিয়ে খেলাধুলো করবে। খেলা ছাড়া জীবন গড়ে ওঠে না। খেলা সুস্থ, সভ্য, মানবিক সংস্কৃতির প্রতীক। আজ আমাদের দেশের স্বাধীনতা বিপদে। এদিকে মমতার ঘোষণার পরই তাঁকে নিশানা করে বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর কালো অধ্যায়কে মনে করান। টুইটে স্বপন দাশগুপ্ত লেখেন, ১৬ অগস্টকে খেলা হবে দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৪৬ সালে এই দিনেই মুসলিম লিগ তাদের ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে এবং গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং শুরু করেছিল। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে খেলা হবে স্লোগান বিরোধীদের উপর অত্যাচারের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

Modi: করোনাবিধি নিয়ে দেশবাসীর উদাসিনতায় উদ্বেগ প্রকাশ মোদির

দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা একটু স্থিমিত হয়ে আসতেই মানুষ অতি উৎসাহে করোনাবিধি উপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়েছেন বাইরে। হইহই করে চলছে পার্টি, খাওয়াদাওয়া, বাজার করা ও ঘুরে বেড়ানো। যা দেখে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি শৈলশহরে পর্যটকদের করোনাবিধি উপেক্ষা করে মজা করতে দেখা গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার নানা ভিডিওতে। তারমধ্যেই আইএমএ-র সতর্কবার্তাও এসে গিয়েছে তৃতীয় ঢেউ নিয়ে। এরপরই উত্তর-পূর্বের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এদিন মোদি। বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগও প্রকাশ করেন। আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেতিনি বলেন, কোভিডের জেরে পর্যটন এবং ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে দুঃখের সঙ্গে এটাও জানাতে হচ্ছে যে ভাবে বিপুল সংখ্যক মানুষ শৈলশহরে যাচ্ছেন, বাজারে মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেটা ঠিক হচ্ছে না।মঙ্গলবারই উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পর্যটকরা যাতে কোভিডবিধি মেনে চলেন, জমায়েত না করেন সে বিষয়ে রাজ্যগুলিকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ এ মাসেইভাইরাস নিজে থেকে যায়-আসে না। স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে মানুষই এই ভাইরাস বয়ে আনছে। যা কোনও ভাবেই কাম্য নয় বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বিশেষজ্ঞরা বার বারই সতর্ক করছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে, জমায়েত না করতে। ভিড় রুখতে তাই দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত। একই সঙ্গে তাঁর বার্তা, কোভিডের তৃতীয় ঢেউ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত।

জুলাই ১৩, ২০২১
দেশ

Zika Virus: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাস

করোনার ভয়াবহতার মাঝেই এবার জিকা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশে। ইতিমধ্যে কেরলে মোট ১৪ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি। আক্রান্তদের শরীরে জিকার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি। ২৪ বছরের এক তরুণীর দেহে জিকা ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলে আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে। সেখানে ১৯ জনের মধ্যে ১৩ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই তরুণীর গর্ভাবস্থায় এই ভাইরাস হানা হয়৷ সতর্কতার সঙ্গে চিকিৎসা জারি রয়েছে। আরও পড়ুনঃ ভাতারের বোমা বিস্ফোরণের পিছনে রহস্য কি?বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা, জল জমতে না দেওয়া, মশার হাত থেকে বাঁচতে মশা প্রতিরোধী ওষুধ ব্যবহার করা যায়৷ এদিকে জিকা ভাইরাস নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে রাজ্য। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। জিকা প্রতিরোধে তৈরি হচ্ছে বিশেষজ্ঞ কমিটিও। জিকা ভাইরাস একটি মশাবাহিত রোগ। বাহক হল এডিস মশা৷ চিকেনগুনিয়া, ডেঙ্গির মতোই উপসর্গ দেখা যায়। প্রবল জ্বর, গাঁটে ব্যাথা ছাড়াও, শরীরে র্যা শ বের হতে দেখা যায়। এমনকী, শরীরের জটিলতা বাড়িয়ে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে জিকা। খুব দ্রুত এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। এই জিকা ভাইরাস মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে গর্ভস্থ সন্তান ও ভ্রুণের। গর্ভবতী মহিলারা যদি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তাহলে শিশু বিকলাঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

জুলাই ১০, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccine: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলব

কসবার ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে এ বার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে চিঠি দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ। জাল টিকাকরণ শিবির নিয়ে গত ২৬ জুন কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই চিঠির ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে বিস্ফোরণে মৃত ৪, জখম ১চিঠিতে বলা হয়েছে, শুভেন্দু কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে অনেক জায়গায় বেআইনিভাবে টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত কসবা এলাকার একটি শিবিরে টিকা প্রাপকরা কোনও মেসেজ পাননি। তাই এই শিবিরগুলি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, বার বার রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কো-উইন পোর্টালের মাধ্যমেই শুধুমাত্র টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করতে হবে। যাঁরা টিকা নেবেন তাঁদের তথ্য পোর্টালে থাকবে ও তার বদলে তাঁদের মেসেজ পাঠানো হবে। যদি কোনও প্রাপক মেসেজ না পান, তার মানে তিনি জাল শিবির থেকে টিকা নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে রাজ্যকে। সেই সঙ্গে এই পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি রিপোর্ট ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

জুন ৩০, ২০২১
কলকাতা

JP Nadda: একুশ ভুলে ছাব্বিশে সরকার গড়ার লক্ষ্যে মন্ত্র নাড্ডার

একুশে হয়নি, কিন্তু ছাব্বিশকে পাখির চোখ করে এ রাজ্যে নতুন উদ্যমে পথচলা শুরু করতে চাইছে বিজেপি। মঙ্গলবার বঙ্গ বিজেপির কার্যকরী বৈঠকে এমটাই সাফ করে দিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। দিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি এই সভায় যোগ দিয়ে রাজ্যের নেতাদের চাঙ্গা করতে এই দাওয়াই দেন তিনি। বলেন, এ বার আমরা ৩ থেকে ৭৭-এ এসেছি। আগামী ৫ বছরে বিজেপি আরও একটা বড় লাফ দেবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে সরকার গঠন করবে।আরও পড়ুনঃ টুইটার ইন্ডিয়ার প্রধানের বিরুদ্ধে এফআইআরনাড্ডার এ দিনের বক্তব্যের বেশিরভাগ অংশেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান একজন মহিলা হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে নারী নির্যাতনের ঘটনা ভোটের পর থেকে আরও বৃদ্ধি পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়াও তাঁর অভিযোগ, ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপির অসংখ্য কর্মী গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। শয়ে শয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকের বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে, বা আগুনে পুড়িয়ে দিয়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। অন্যান্য রাজ্যের উদাহরণ টেনে নাড্ডা বলেন, কেরল, পুদুচেরি, অসমেও নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু সেখানে হিংসার ঘটনা ঘটেনি। কারণ সেখানে তৃণমূল নেই। যেখানে তৃণমূল থাকবে, সেখানেই হিংসার ঘটনা ঘটবে।অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ভুয়ো টিকা-কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনেও এ দিন রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতার। তাঁর কথায়, কোভিড ১৯-এর টিকা নিয়েও যদি কোথাও দুর্নীতি হয় সেটাও একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে। সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে জাল ভ্যাকসিন দেওয়া হল। আপনারা যদি এই দুর্নীতিকে সমর্থন করেন, তাহলে এ বার মন্ত্রীরাও ভুয়ো টিকা পেতে শুরু করবেন।

জুন ২৯, ২০২১
কলকাতা

BJP Meeting: বিধানসভা ভোটের হারের কারণ খু্ঁজতেই মরিয়া শুভেন্দু

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-র বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বার করতে বিধানসভা ধরে-ধরে ফলাফলের কারণ জানতে চাইলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপি-র কার্যকারিণী বৈঠকে এই কথাই বলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তবে দাবি আকারে নয়, পরামর্শ দেওয়ার সুরেই হারের কারণ খোঁজা উচিত বলে নিজের বক্তব্যে জানিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে চান বলেও বৈঠকে জানান শুভেন্দু। বিজেপি সূত্রের খবর, শুভেন্দু জানিয়েছেন, যিনি যত বড় নেতাই হোন না কেন, তাঁকে নিজের এলাকায় সময় দিতে হবে। নিজের বুথে যেন দল জয় পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।আরও পড়ুনঃ এক দেশ এক রেশন কার্ড নিয়ে রাজ্যগুলোকে কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট, জেনে নিনএদিনের বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করা। সেই বিষয়টিও জায়গা পায় শুভেন্দুর বক্তব্যে। বিজেপি সূত্রের খবর, শুভেন্দু জানান, খুব তাড়াতাড়ি বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে একটি একদিনের প্রশিক্ষণ শিবির করতে চান তিনি। নতুন বিধায়কদের বিধানসভার নিয়ম এবং কী ভাবে শাসকদলের মোকাবিলা করতে হবে, তা শেখানোর জন্য ওই প্রশিক্ষণ শিবির হবে হেস্টিংসে রাজ্য বিজেপি-র সদর দপ্তরে। সেই শিবিরের উদ্বোধনে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে উপস্থিত থাকার অনুরোধও করেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে বলেন, শিবিরে প্রশিক্ষক হিসেবে তিনি ছাড়াও কয়েকজন প্রাক্তন বিধায়ক থাকবেন। তাঁদের মধ্যে ২০১৬ সালে বিজেপি-র টিকিটে জয়ী বিধায়ক মনোজ টিগ্গা যেমন থাকবেন, তেমনই থাকবেন তৃণমূল থেকে আসা সব্যসাচী দত্ত, জটু লাহিড়িরা। ঘটনাচক্রে, যাঁরা দুজনেই বিধানসভা ভোটে হেরে গিয়েছেন।বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে হাজির থাকলেও এই প্রথম বিজেপি-র সংবিধান অনুসারে কোনও সাংগঠনিক বৈঠকে হাজির থাকলেন শুভেন্দু। এই ধরনের বৈঠক সাধারণত নিয়মমাফিক হয়ে থাকে। বড় কিছুর আকর্ষণ ছিলও না। তবে আকর্ষণ ছিল শুভেন্দুর উপস্থিতি নিয়ে। প্রথমবারের সাংগঠনিক বৈঠকে তিনি কী বলেন, তার দিকে নজর ছিল রাজ্য থেকে জেলা নেতৃত্বের।যদিও বৈঠকে দেখা মেলেনি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীয়র।

জুন ২৯, ২০২১
দেশ

One Nation One Ration Card: এক দেশ এক রেশন কার্ড নিয়ে রাজ্যগুলোকে কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট, জেনে নিন

এক দেশ, এক রেশন কার্ড প্রকল্প চালুর জন্য সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এই প্রকল্পটি কার্যকর করতে হবে। মঙ্গলবার এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি কেন্দ্রকে বেশ কয়েকটি নির্দেশও দেওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতের তরফে। বিশেষভাবে নজর দিতে বলা হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant workers) দিকে।মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এক দেশ, এক রেশন কার্ড-এর কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অনলাইন পোর্টাল (Portal) চালু করুক কেন্দ্র। তাতে প্রত্যেকের রেজিস্ট্রেশন থাকা চাই। বিশেষ করে অসংগঠিত ও পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই তথ্যগুলি যাতে নির্ভুলভাবে নথিভুক্ত করা হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে কেন্দ্রকে। গোটা কাজ শেষ করতে ৩১ জুলাই পর্যন্তই সময়। তারপরই যাতে গোটা দেশে এক দেশ, এক রেশন কার্ড (One Nation, One Ration card) চালু হয়ে যায়, তা নিয়ে কড়া নির্দেশ রয়েছে শীর্ষ আদালতের।আরও পড়ুনঃ আজ বিজেপির রাজ্য কমিটির বৈঠকের আলোচ্যসূচি ও কৈলাসের উপস্থিতি নিয়ে জল্পনাপরিসংখ্যান মতে, দেশের ৩৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ওয়ান নেশন ওয়ান রেশন কার্ড প্রকল্প চালু করা হয়েছে। শুধুমাত্র দিল্লি, অসম ও পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প এখনও চালু হয়নি। তা নিয়ে রাজ্য সরকারকে নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্র সরকারের হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যের প্রায় ৯৬ শতাংশ রেশন দোকানে ই-পিওএস (ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেল) যন্ত্র বসে গিয়েছে। এই যন্ত্রে রেশন কার্ডের আসল মালিকই চাল-গম নিতে এসেছেন কি না, তা চিহ্নিত করা যায়। ৮০ শতাংশ রেশন কার্ডের সঙ্গে আধারের সংযুক্তিকরণও হয়ে গিয়েছে। ফলে এক দেশ এক রেশন কার্ড প্রকল্প চালু করতে কোনও বাধা নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্প চালু হলে পরিযায়ী শ্রমিকদের আরও সুবিধা হবে।

জুন ২৯, ২০২১
রাজনীতি

BJP State Committee meeting: আজ বিজেপির রাজ্য কমিটির বৈঠকের আলোচ্যসূচি ও কৈলাসের উপস্থিতি নিয়ে জল্পনা

বিধানসভা ভোটে দলের একপ্রকার পর্যুদস্ত হওয়ার পর প্রায় দুমাস কেটে গেলেও ভোটের ফল নিয়ে পর্যালোচনার জন্য কোনও বৈঠক ডাকেনি রাজ্য বিজেপি। আজ, মঙ্গলবার দলের রাজ্য কমিটির বৈঠকেও ভোটের ফল বিশ্লেষণ ঘোষিত আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়নি। এ বারের বিধানসভা ভোটে যে দল পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখলের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিল, পরাজয়ের কারণ খুঁজতে তাদের এত দেরি কেন? উঠছে প্রশ্ন।বস্তুত, রাজ্য বিজেপির একাংশের অভিযোগ, ভোট-পর্বে দলে কেন্দ্রীয় শাসন জারি হয়েছিল। দলে যোগদান করানো, প্রার্থী বাছাই এবং নবাগতদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়াকোনও বিষয়েই রাজ্য নেতৃত্বের মতকে গুরুত্বই দেওয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে রাজ্য বিজেপির একটা বড় অংশের ক্ষোভের নিশানায় সবচেয়ে বেশি রয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সর্বভারতীয় এক পদাধিকারী, আরএসএসের এক নেতা এবং এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাজ্য বিজেপির একাংশের মতে, ভোটের আগে শেষ মুহূর্তে তৃণমূল এবং অন্য দল থেকে যাঁদের নেওয়া হয়েছে, তাঁদের অনেকের সম্পর্কেই জনমানসে ক্ষোভ ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁদের অনেককে প্রার্থী করা হয়েছে। নবাগতদের অনেককে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিয়ে জনতার থেকে আরও দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজনীতিবা আন্দোলনের সঙ্গে বিন্দুমাত্র সম্পর্কহীন তারকাদের প্রার্থী করাও মানুষ পছন্দ করেননি। দলের কর্মীদের সঙ্গে তারকা প্রার্থীদের অনেকের আচরণও প্রশ্নাতীত ছিল না।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকছে ১৫ জুলাই পর্যন্ত, বাড়ছে ছাড়-চলবে যাত্রীবাসবিজেপির এক রাজ্য নেতার কথায়, দল এখানে ক্ষমতায় এলে কেন্দ্রীয় নেতারা কৃতিত্ব নিতেন। হারের দায়ও তাঁদেরই নিতে হবে। কারণ ভোটের আগে আমাদের কোনও কথা মানা হয়নি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের শিবির কোনও দিনই মুকুল রায়ের সঙ্গে কৈলাসের ঘনিষ্ঠতা পছন্দ করেনি। এখন মুকুল তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার পরে ঘরোয়া আলোচনায় এই প্রসঙ্গেও কৈলাসকে বিঁধছে দিলীপ-শিবির। তাৎপর্যপূর্ণ হল, আজ বিজেপির রাজ্য কমিটির বৈঠকে কৈলাস যোগ দেবেন এমন কোনও খবর সোমবার রাত পর্যন্ত রাজ্য নেতৃত্বের কাছে নেই। তাই বক্তার তালিকাতেও তাঁর নাম রাখা হয়নি। অবশ্য এর উল্টো একটি পিঠও আছে। যেমন-- দিলীপ-বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, দিলীপবাবুর ধারাবাহিক উগ্র এবং নারীবিদ্বেষী বক্তৃতার জন্য মানুষ বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভোটে জেতার উপযুক্ত সংগঠনও গড়ে তোলা হয়নি।আজ বিজেপির রাজ্য কমিটির বৈঠকে শেষ বক্তা দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। তিনি-সহ বেশিরভাগ নেতাই বৈঠকে থাকবেন ভার্চুয়ালি। দলের হেস্টিংস কার্যালয়ে রাজ্য পদাধিকারী, কয়েক জন সাংসদ, বিধায়ক-সহ ৫০ জনকে ডাকা হয়েছে। জেলা সভাপতি, বাকি সব সাংসদ ও বিধায়ক এবং রাজ্য কমিটির অন্য সদস্যদের উপস্থিতি হবে ভার্চুয়াল। মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার পরে বিজেপির আরও কয়েক জন নেতা এবং জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে দলের অন্দরে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। আজ তাঁরা বৈঠকে থাকেন কি না, তা নিয়ে কৌতূহলী রাজনৈতিক শিবির।

জুন ২৯, ২০২১
কলকাতা

'বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র'-র প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি 'বাংলা পক্ষ'র

সম্প্রতি, বাংলা ভাগ করা নিয়ে দুই বিজেপি সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আর গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদের মন্তব্যে বেশ অস্বস্তিতেও পড়ে যায় বঙ্গ বিজেপি। যদিও ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে সবপক্ষ সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীর মতো শীর্ষস্থানীয় নেতারা। কিন্তু, দলের উত্তরবঙ্গ শাখার অন্দরে একটি চাপানউতোর রয়েই গিয়েছে। এবার বিজেপি সাংসদদের বাংলা ভাগের দাবি নিয়ে সরব হয়েছে বাংলা পক্ষ নামক একটি সংগঠন। বঙ্গভঙ্গের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের।আরও পড়ুনঃ ফিরে এলাম দূরে গিয়ে...... পঞ্চমবাঙালির শত্রু, হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি বাংলা ভাগ করতে চায়। তাদের দুই সাংসদ জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ বাংলা ভাগের দাবি তুলেছে। বাংলা ও বাঙালিকে বিপদে ফেলতে চায় বিজেপি। বাংলা পক্ষ ভারতের তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে। বাংলা পক্ষ-র দাবি, তারা বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়ছে। সংগঠনের তরফে ইতিমধ্যেই নানা জেলায় এই দুই বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। রবিবার বাংলা পক্ষ-র হাওড়া জেলা সংগঠনের পক্ষ থেকে সালকিয়ায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হল। জেলা সম্পাদক জয়দীপ দের নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখানো হয় এলাকায়। তাদের দাবি, কোনওভাবেই বাংলা ভাগ হতে দেবে না বাঙালি। বাঙালির রক্তে ভারত স্বাধীন হয়েছে। এবার বঙ্গভঙ্গ আটকাতে বাংলা পক্ষর সৈনিকরা রক্ত দিতে প্রস্তুত। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আমিন, মিঠুন মণ্ডল, প্রীতম দত্ত-সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।

জুন ২৭, ২০২১
রাজ্য

Fake Vaccination: রাজ্যে সরকারি অনুমতি ছাড়া করোনা টিকার ক্যাম্প নয়

কসবায় ধৃত দেবাঞ্জন দেবের কাণ্ড কারখানা রীতিমতো হতবাক করে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের। মানুষের জীবন নিয়ে যে কেউ এমন ছেলেখেলা করতেও পারেন, এটাই কার্যত কল্পনাতীত ছিল সকলের। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যজুড়ে টিকাকরণের জন্য এ বার নতুন এবং অনেকাংশে কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে নয়া নির্দেশ জারি করে সমস্ত সমস্ত জেলাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারের অনুমতি ব্যতীত কোনও টিকাকরণ ক্যাম্পের আয়োজন করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপেরস্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে শনিবার একটি ৭ পাতার নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেই নির্দেশিকার প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনের অনুমতি ছাড়া কোনও টিকাদান শিবিরে আয়োজন করা যাবে না। কসবা কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি যাতে কোনওভাবেই এ রাজ্যে না ঘটে, বস্তুত তা নিশ্চিত করতে চাওয়া হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকার মাধ্যমে। বেসরকারিভাবে যদি কোনও সংস্থা ভ্যাকসিন ক্যাম্প করতে চায়, তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নিযুক্ত নোডাল অফিসারের কাছে স্পষ্ট করতে হবে কী ধরনের চুক্তির মাধ্যমে এই ক্যাম্প করা হচ্ছে। জেলার ক্ষেত্রে তা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানাতে হবে।কসবা কাণ্ডে পুলিশের নাকের ডগায় ভুয়ো ক্যাম্প চললেও পুলিশ তা জানতে পারেনি। কারণ, রক্তদান শিবির বা এহেন জনস্বাস্থ্য কল্যাণমূলক কর্মসূচির জন্য পুলিশি অনুমতি লাগে না। এ বার টিকাকরণ শিবির করতে গেলে পুলিশের অনুমতিও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকায়। ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটাও উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে কোভিড টিকা কোথা থেকে এল তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে এই ক্যাম্পকে। পাশাপাশি প্রতিটি টিকা যাতে কো-উইন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র

ভুয়ো টিকা (Fake Vaccine) নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। করোনার টিকা (Covid Vaccine) নিয়ে যাতে কোনও ধরনের জালিয়াতি না হয়, তার জন্য নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশও রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের করোনা (Corona Virus) সংক্রান্ত বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দেশের যে দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র থেকে ভুয়ো টিকার অভিযোগ ওঠে, তার জেরেই কেন্দ্রের তরফ থেকে আলাদা করে সতর্ক করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাভুয়ো টিকার খবর দেশের যেকোনও রাজ্যের যেকোনও জায়গা থেকে এলেই কেন্দ্রকে যাতে অবিলম্বে এই বিষয়ে জানানো হয়, বৈঠকে সমস্ত রাজ্যগুলিকে সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়ালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির উপস্থিতিতে সমস্ত রাজ্যের চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে আমাদের করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। ভুয়ো টিকার খবর কোথা থেকে এসেছে তা জানা জরুরি। স্থানীয় জেলা প্রশাসন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে আমাদের তা জানালে প্রয়োজনমতো ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।আরও পড়ুনঃ করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়ভুয়ো টিকার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালেও, পশ্চিমবঙ্গের ভুয়ো টিকার বিষয়ে তারা যে সরাসরি মাথা গলাতে চাইছে না, সেই বিষয়টি এদিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের ভুয়ো টিকার ঘটনাকে তারা জনস্বাস্থ্য বিষয়ক নয়, বরং ফৌজদারি অপরাধ বলেই মনে করছে। সরকারি বা সরকার অনুমোদিত টিকাকরণ কেন্দ্র থেকে বা কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার পরেও যদি কোনও ব্যক্তি ভুয়ো টিকা পান, তাহলে কেন্দ্র সরকার সেই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ঘটনায় শুধুমাত্র ভুয়ো টিকাই নয়, টিকাকরণ কেন্দ্রটিরও সরকারি অনুমোদন ছিল না।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Covid-19 Vaccine: ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ কলকাতা পুরসভার ভ্যাকসিন-কাণ্ডে শাসক দলের জড়িত থাকার বিষয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন। শনিবার কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর সোজা কোচবিহারের তিনবিঘা করিডর এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা।ফেক ভ্যাকসিন নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এক বছর ধরে ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছে। এই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা ফেক ভ্যাকসিনকাণ্ডে যুক্ত। কলকাতা পুরসভাও যুক্ত। অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে ছবিতে। কী করে নেতারা বলছে তাঁকে চেনে না?আগামী পুরসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপি তৎপর হয়ে উঠেছে। শনিবার এনজেপিতে ট্রেন থেকে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি জানান, উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলার কর্মসূচিতে অংশগ্রহহ করে আগামী পুরসভা নির্বাচনে ও দলের আগামী দিনের রনকৌশল ঠিক করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।রাজ্যে দলত্যাগ নিয়ে জল্পনা অব্যাহত আছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী বিধায়কদের দল পরিবর্তন নিয়ে জল্পনার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে গিয়েছে, কাজের লোক যাঁরা আছেন তাঁরা বিজেপি ছাড়বেন না। মুকুল রায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেই জানিয়েছিলেন বহু বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদ দল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেবেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘোষণা করেছন বিজেপির নেতা-নেত্রীরা দলে আসার জন্য পা বাড়িয়ে আছেন।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Student Credit Card: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড

কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প। আগামী ৩০ জুন এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ সিএবি-র উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ৫ দিন ব্যাপী টিকাকরণ অভিযাননির্বাচনের আগে ইস্তেহারে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল (TMC)। সেখানে বলা হয়েছিল, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের কথা। এই প্রকল্পে পড়াশোনার জন্য পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা ঋণ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে এই প্রকল্প। তিনি জানিয়েছেন, দশম শ্রেণি থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাএদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পড়ুয়াদের ঋণ দেওয়ার যে প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছিল, তা মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। আজকের দিনটি পড়ুয়াদের। রাজ্যে দশম শ্রেণিতে প্রতিবছর কম-বেশি ১০ লক্ষ পড়ুয়া থাকে, দ্বাদশ শ্রেণিতে থাকে সাড়ে ৯ লক্ষ। দশম থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর-সহ যাবতীয় পড়াশোনার জন্য রাজ্যের তরফে এবার পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। যা ক্রেডিট হবে তা ফেরত দেওয়ার জন্য চাকরি পাওয়ার পর ১৫ বছর সময় পাবেন পড়ুয়ারা।

জুন ২৪, ২০২১
রাজ্য

BJP in Crisis: ফের ভাঙন বিজেপিতে

ফের পদ্মশিবিরে ভাঙন। এবার দল ছাড়লেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য ও দার্জিলিং জেলার পর্যবেক্ষক ভাস্কর দে (Vaskar Dey)। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই দলত্যাগের কথা জানান তিনি। তবে কি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার মতো তিনিও যোগ দিতে চলেছেন ঘাসফুল শিবিরে, সেই জল্পনা ক্রমশ জোরাল হচ্ছে।দিনকয়েক আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন সপুত্র মুকুল রায় (Mukul Roy)। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তাঁকে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, মুকুল রায়ের শিবির বদল নিয়ে জনসমক্ষে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব উদাসীন ঠিকই। তবে তাঁর দলবদল যে গেরুয়া শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তারপর থেকে বিজেপির একের পর এক নেতা দল ছাড়ছেন। কাজের পরিবেশ নেই বলেই অভিযোগ তাঁদের। সম্প্রতি দলবদল করেছেন গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। যিনি আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপি সভাপতি ছিলেন। তাঁরই নেতৃত্বে আলিপুরদুয়ার নিজেদের দখলে রেখেছিল গেরুয়া শিবির। তিনিই এখন তৃণমূলে।আরও পড়ুনঃ কোন কৌশলে রাজ্য তিন টুকরোর দাবি বিজেপি সাংসদদ্বয়ের?সূত্রের খবর, ভাস্কর দে সরাসরি কারও নাম না করলেও দল ছাড়ার আগে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। ভাস্কর জানান, বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2021) টাকার বিনিময়ে টিকিট দেওয়া হয়েছে। কাজ করলেও, যোগ্য সম্মান পাননি বলেও দাবি। আর সে কারণেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে ইতিমধ্যেই তিনি তাঁর পদত্যাগপত্রও পাঠিয়ে দিয়েছেন। গেরুয়া শিবির ছেড়ে তবে কি এবার তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন? রাজনৈতিক মহলে ক্রমশই সে প্রশ্ন জোরাল হচ্ছে। তবে অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন কিনা, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট করেননি ভাস্কর। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পরবর্তী সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন বলেই স্থির করেছেন তিনি।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

Soumitra Khan: উত্তরবঙ্গের পর পৃথক রাজ্যের দাবি সৌমিত্রেরও

দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত উত্তরবঙ্গ। স্রেফ এই অভিযোগ তুলেই উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য কিংবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দাবি তুলে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি (BJP) সাংসদ জন বার্লা। তা নিয়ে বিজেপির অন্দরেই মতানৈক্য তৈরি হয়েছে। দলের কেউ কেউ তাঁকে সমর্থন করেছেন, কেউ আবার বিরোধিতা। এসবের মাঝেই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Khan)। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে যোগাভ্যাসের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুন্নয়ন নিয়ে বার্লার দাবিকে সমর্থন জানালেন তিনি। বললেন, রাঢ়বঙ্গও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এখানকার কোনও যুবকের চাকরি হয় না। এখানকার সম্পদ নিয়ে যাওয়া হয় অন্যত্র। কিন্তু উন্নয়নের লেশমাত্র নেই। এখন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম নিয়ে পৃথক রাজ্যের দাবি উঠতেই পারে।আরও পড়ুনঃ দিলীপের নিশানায় রাজ্য সরকারবঙ্গভঙ্গ চাইছে বিজেপি। জন বার্লার দাবির পর থেকে এই অভিযোগে সরব শাসকদল তৃণমূল (TMC)। দলের নেতারা এর বিরোধিতায় তীব্র সমালোচনায় মুখর। এই অবস্থায় সৌমিত্র খাঁর দাবি ঘিরে আরেকপ্রস্ত বিতর্কের অবকাশ তৈরি হল। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে বলব, মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বহিরাগত শব্দটি এনেছেন, তাতে এই দাবি উঠবেই। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে ২৩ জন মন্ত্রী রয়েছেন। আমাদের এলাকার মানুষ বঞ্চিত। রাঢ়বঙ্গের যুবকদের চাকরি নেই। আমাদের এলাকার সম্পত্তি রাজ্যের কোষাগারে যাচ্ছে। আমরা কিছু পাচ্ছি না। আগামী দিনে রাঢ়বঙ্গ থেকেও পৃথক রাজ্যের দাবি উঠবে। অর্থাৎ যে কোনও বঞ্চনার শিকার হলেই পৃথক রাজ্যের দাবি ওঠাকে যুক্তিসঙ্গত বলেই মনে করেন সৌমিত্র খাঁ। জন বার্লার পর সৌমিত্র খাঁ। প্রায় একইসুরে অনুন্নয়নের অভিযোগ তুলে পৃথক রাজ্যের দাবিতে বিজেপির একের পর এক নেতার বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

Post poll violence: রাজ্যের আর্জি খারিজ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দায়িত্ব দিল হাইকোর্ট

ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) মামলায় কলকাতার হাইকোর্টের (Calcutta HC) নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ হয়ে গেল। আগের নির্দেশই বহাল রাখল উচ্চ আদালত। সোমবার দিনের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। আবেদন শোনার পর তাঁরা তা খারিজ করে দেন। ১৮ জুনের নির্দেশ বহাল রাখেন। যুক্তি হিসেবে জানানো হয়, রাজ্যকে আগে সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও কাজ হয়নি। তাই সেই ভার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) হাতে দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। গত ১৮ তারিখ, শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কলকাতা হাইকোর্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আরও একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই কমিটি ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। তাতে স্থগিতাদেশ চেয়ে রবিবার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। তাঁর আবেদন ছিল, এখনই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে না জড়িয়ে রাজ্যকে আরও একবার সুযোগ দেওয়া হোক। আরও পড়ুনঃ ২০টি চুরি করে পুলিশের জালে ইংরেজিতে এমএ পাশ যুবকএদিন মামলার শুনানির শুরুতেই বিচারপতিরা স্পষ্ট জানান, এর আগে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো নিয়ে রাজ্য সরকারকে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের নেতৃত্বে একটি কমিটিও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ঘরে ফেরানো তো হয়ইনি, এমনকী এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগই সেভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। রাজ্য সরকারের এই উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ উচ্চ আদালত।

জুন ২১, ২০২১
দেশ

CoronaVirus: চিকিৎসকদের হেনস্তা করলেই এফআইআর

করোনা আবহে চিকিৎসকদের (Doctors) হেনস্তা করলেই হতে পারে জেল। হেনস্তাকারীর বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। করোনা আবহে লড়াই করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অখচ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের হেনস্তার (Assualt) খবর সামনে আসছে। যার জেরে ক্ষোভ বাড়ছে ডাক্তারদের মধ্যেও। সেই ক্ষোভ প্রশমিত করতেই কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।শনিবার এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি দেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছ, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী হেনস্তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। হুমকি দেওয়া বা হামলার ঘটনা তাঁদের মনোবলকে ম্লান করে দিতে পারে। তৈরি করতে পারে নিরাপত্তাহীনতা। যা স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আরও লেখেন, বর্তমানের কিছু ঘটনা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে FIR করতে হবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এ ধরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর-গুলির অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মহামারি রোগ (সংশোধনী) আইন, ২০২০ প্রয়োগ করার কথাও বলেছেন তিনি। উল্লেখ্য, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় ঘটনা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাস এবং পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে অভিযোগের উপর নির্ভর করে এ ধরনের শাস্তির বহর আরও বাড়তে পারে। মহামারি আইন প্রয়োগ করলে শাস্তি স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।চিঠিতে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজর রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন ভাল্লা। লিখেছেন, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্তায় উৎসাহ জোগাতে পারে এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের উপরেও কড়া নজর রাখতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হাসপাতাল, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি জায়গায় প্রচার চালাতে হবে।

জুন ২০, ২০২১
রাজনীতি

বড় খবরঃ এবার বেসুরো রাজীব, ৩৫৬ ধারার জুজু নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন

হঠাৎ উদয় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দীর্ঘ দিন চুপ থাকার পর বেসুরো রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সোশাল মিডিয়ায় ৩৫৬ ধারা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন এই বিজেপি নেতা। সমর্থন করলেন মমতা সরকারকে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কী ঘরে ফিরতে চাইছেন রাজীব? এদিকে বিজেপির রাজ্যকমিটির সদস্য সুজিত ঘোষ বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর অসহায় কর্মীদের পাশে না থাকার জন্য দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় তোপ দেগেছেন।এদিনই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বলা হচ্ছে ৩৫৬ ধারা লাগু করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যে। ঠিক এমন সময়ে একমাস নীরবে থাকার পর দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজীব। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজীব। নির্বাচনে পরাজিত হন প্রাক্তন বনমন্ত্রী। তারপর থেকে প্রকাশ্য কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। এমনকী বারংবার ফোন করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি সাংবাদিকরা। তারপর এদিন এই ফেসবুক পোস্ট।কী লিখেছেন রাজীব?সমালোচনা তো অনেক হলো..........।মানুষের বিপুল সমর্থনে নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি, আার ৩৬৫ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালভাবে নেবে না। তারপরই তিনি লিখেছেন আমাদের সকলের উচিত রাজনীতির উর্দ্ধে উঠে কোভিড ও ইয়াস মোকাবিলায় বাংলার মানুষের পাশে থাকা। এভাবেই বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন রাজীব।সোনালী গুহ, দিপেন্দু বিশ্বাসরা সহ একঝাঁক দলবদলু তৃণমূলে ফিরতে চান। এদিন বিজেপির হেস্টিংসে সাংগঠনিক বিঠকেও হাজির ছিলেন না রাজীব। দলকেও কিছু জানাননি। তৃণমূলে ফেরার পরিস্থিতি তৈরি করছেন বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।এদিকে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুজিত ঘোষ ফেসবুক পোস্টে দলের নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই কর্মীদের বাড়ি, দোকান লুট হতে শুরু করে। তাঁরা ভীত ও সন্ত্রস্ত, পাশে নেই কোনও রাজ্য বা জেলা নেতৃত্ব। দলীয় নেতৃত্বের কেউ ফোন ধরছেন না। দিশা দেখাবার কেউ নেই। কর্মীদের নামে যথেচ্ছ মামলা করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সামান্য সৈনিক হিসাবে এই পরিস্থিতিতে নিজেকে অসহায় লাগছে। অস্থির পরিস্থিতির জন্য বিরোধীদের দায়ী না করে, নিজেদের পর্যালোচনা করা উচিত।একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। তাঁর বক্তব্য, কেন ২রা মে-র ভরাডুবির পর জেলা নেতৃত্ব সামান্য কর্মীদের অসহায় পরিস্থিতিতে ফেলে কলকাতায় চলে গেলেন? তাহলে যে গুজব রটছে এটাকেই কি সাধারণ কর্মীরা সত্য বলে ধরবে? যে পরিযায়ী নেতারা রাজ্যের কিছু নেতার যোগসাজসে কিসের বিনিময়ে সিটগুলো বিক্রি করলেন এই অনুপযুক্ত লোকেদের কাছে?

জুন ০৮, ২০২১
রাজ্য

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নয়া গাইডলাইন জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের

করোনার সংক্রমণের মাঝেই গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠেছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের দাপট। ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রবেশ করেছে এই কালো ছত্রাক। এই সংক্রমণে কলকাতার শম্ভুনাথ হাসপাতালে প্রাণও হারিয়েছেন ৩২ বছরের যুবতী। আর এবার এই সংক্রমণ ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। বঙ্গবাসীকে সতর্ক করতে স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জারি করা হল নতুন গাইডলাইন।জানানো হয়েছে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ এড়াতে মাস্কের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যে সমস্ত এলাকা কিংবা নির্মাণস্থলে বেশি ধুলোবালি রয়েছে, সেসব জায়গায় বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। মাস্ক ছাড়া সেখানে যাওয়ার প্রশ্নই নেই। আবার বাগানে বা মাটি নিয়ে কাজ করলে, জুতো, লম্বা ঝুলের ট্রাউজার, ফুলহাতা শার্ট এবং গ্লাভস পরা জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ও ডায়াবেটিক রোগীদের শরীরেই কালো ছত্রাক বেশি করে হানা দিচ্ছে। তাই তাঁদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার দিকে নজর রাখতে হবে। স্টেরয়েড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহারেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অতিমারি আবহেই দেশের একাধিক রাজ্যে কালো ছত্রাকের হানায় বেড়েছে উদ্বেগ। প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি বলে ঘোষণা করেছিল রাজস্থান সরকার। পরে একই পথে হাঁটে তেলঙ্গানাও। তারপরই দেখা যায়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও রাজ্যগুলিকে এই সংক্রমণকে মহামারির আওতায় ফেলারই নির্দেশিকা দেয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে শুক্রবার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে মারা গিয়েছেন হরিদেবপুরের শম্পা চক্রবর্তী (৩২)। রাজ্যে এই প্রথমবার কেউ এই সংক্রমণে প্রাণ হারালেন। যা করোনা আবহে নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্যবাসীর।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

জোড়া রদবদল রাজ্য প্রশাসনে, সরলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

ফের রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তিু জারি করে আমলাস্তরে জোড়া রদবদল করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর একাধিক পদের রদবদল করেছেন। দুটি পরিবর্তন সেই তালিকায় নবতম সংযোজন।নির্বাচনের আগে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের সচিব ছিলেন সংঘমিত্রা ঘোষ। নির্বাচনের মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে একাধিক আধিকারিককে সরানো হয়। সেই সময় কমিশনের অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার পদে আনা হয় ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সংঘমিত্রা ঘোষকে। ভোট মিটে যাওয়ার পর সরকার গঠন হতেই তাঁকে পুরনো পদেই ফেরানো হল। আরেক অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার স্মারকি মহাপাত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল। বদলে তাঁকে রাজ্যে অর্থদপ্তরের সচিব পদে নিয়োগ করা হল। তিনি ২০০২ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ২০০-রও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ভোট মিটতেই রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিক পদে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ভোটের পরই বদলানো হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসক এবং এসডিপিও-কে। তেমনই রাজ্য পুলিশের আরও একাধিক পদে বদল আনা হয়েছে।বীরভূমের জেলাশাসকের পদে ডিপি কারনামের জায়গায় আসতে চলেছেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এর আগে খাদ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। ডিপি কারনামকে করা হয়েছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ডিরেক্টর। এছাড়া তিনি বিশ্ববাংলা কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাবেন। শ্রী নিখিল নির্মলকে করা হয়েছে বস্ত্রমন্ত্রকের ডিরেক্টর। এদিকে, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। অন্যদিকে, ধবল জৈনকে করা হয়েছে হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার। এছাড়া সরানো হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসক পার্থ ঘোষকেও। তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে। যে পদে এতদিন ছিলেন ধবল জৈন। সেই রদবদলের তালিকা এদিন আরও দীর্ঘ হল।

মে ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal