• ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Malda

রাজ্য

তীব্র দাবদহ থেকে মুক্তি পেতে মালদার মানুষ ইন্দ্রদেবের শরণাপন্ন

তীব্র দাবদহে ছারখার বঙ্গভূমি। অবশেষে প্রকৃতির বিরূপ আচরণ থেকে মুক্তি পেতে দেবরাজ ইন্দ্র দেবের শরণাপন্ন হলেন মালদার মানিকচকের ধনরাজ গ্রামের বাসিন্দারা। একটু বর্ষার আশায় ধুমধাম করে ইন্দ্রদেবের পুজো দেন গ্রামবাসীরা। এই পুজোকে কেন্দ্র মেলারও আয়োজন করা হয়। যজ্ঞও করা হয়। ইন্দ্রদেবের কাছে বৃষ্টির কামনা করেন ভক্তরা। পুজোতে হাজির ছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনেরা।একটা সময় মৎস্যজীবী এবং কৃষক সম্প্রদায় ধনরাজ গ্রামে মূর্তি তুলে ইন্দ্র দেবের পুজোর সূচনা করেছিলেন। তীব্র গরমেও নদী যাতে কখনোই শুকিয়ে না যায় যাতে জমিতে জলের অভাব না থাকে। মূলত এই কারণেই এখানে ইন্দ্রদেবের পুজো শুরু হয়। সেই নিয়ম মেনে আজও মানিকচকের ধনরাজ গ্রামে পুজিত হন ইন্দ্রদেব। গরমের জন্য় সারা রাজ্যের সঙ্গে মালদার মানুষের অবস্থাও দফারফা। নাজেহাল অবস্থা জেলাবাসীর। ধনরাজ গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতিবছরই ধুমধাম করে আমরা পুজো দিয়ে থাকি। কিন্তু এবারের পুজোর গুরুত্ব যেন আরও বেশি। এপ্রিল থেকেই কোনও বৃষ্টি নেই, সকলেই চাইছি এই দাবদহ থেকে রেহাই পেতে। দয়া করে বৃষ্টির ব্যবস্থা করুক ইন্দ্রদেব, এটাই আমাদের একান্ত প্রার্থনা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূল নেতার পরিবারের একসঙ্গে ৩ জন স্কুলের চাকরি খোয়ালেন, ব্যাপক শোরগোল এলাকায়

হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষা দফতরের ৮৪২ জনের চাকরি খোয়াতেই রাজ্যজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। বিধায়কপুত্র, কন্য়া থেকে তৃণমূল নেতাদের পরিবারের সদস্যদের একের পর এক চাকরি চলে যাওয়ার খবর আসছে। বাতিলের তালিকায় মালদহের তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে ও জামাইয়ের নাম রয়েছে। বিষয়টা প্রকাশ্যে আসতেই স্কুলের চাকরি দুর্নীতিতে তৃণমূল নেতৃত্বই জড়িত বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল চেয়ারম্যান প্রকাশ দাসের দুই মেয়ে মাম্পি দাস, শম্পা দাস এবং জামাই বিপ্লব দাসের চাকরি গিয়েছে হাইকোর্টের রায়ে। প্রকাশের বাড়ি উত্তর রামপুর গ্রামে। মাম্পি দাস হরিশ্চন্দ্রপুর হাই স্কুল, শম্পা দাস হরিশ্চন্দ্রপুর কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয় এবং বিপ্লব দাস কনুয়া ভবানীপুর হাইস্কুলে ক্লার্ক পদে কর্মরত ছিলেন। তৃণমূল নেতার পরিবারের ৩ জনের চাকরি চলে গিয়েছে এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।বিরোধীদের দাবি, মোটা টাকার বিনিময়ে তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে ও জামাইয়ের স্কুলে চাকরি হয়েছিল। এই কারণেই প্রকৃত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা চাকরি পাচ্ছে না। তবে প্রকাশ দাসের বক্তব্য, আমার মেয়েরা নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছে। আমি তৃণমূলের কুশিদা অঞ্চল চেয়ারম্যান ছিলাম। সেই সময় চেয়ারম্যানের কি ক্ষমতা ছিল? অন্যদিকে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, কোর্টের নির্দেশে এগুলো হচ্ছে। বেআইনী নিয়োগ হলে ব্যবস্থা হবে। দল পাশে থাকবে না।

মার্চ ১২, ২০২৩
রাজ্য

মালদার হাসপাতালে বসে মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা পরীক্ষা দিলেন দুই মা

পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়ে মুখ ভাল করে দেখার আগেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসলেন পরীক্ষার্থী। মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বেডে বসেই পরীক্ষা দেন প্রসূতি। তাঁকে দেখাভালের জন্য তাঁর পাশেই ছিলেন চিকিতসক ও নার্স। এমনকী একজন সিভিক ভলেন্টিয়ারও ছিলেন। পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজের বেডে বসেই পরীক্ষা দিলেন প্রসূতি ওই মহিলা। মালদা মেডিকেল কলেজে মাধ্যমিক ওই পরীক্ষার্থীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ। ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সুস্থ অবস্থায় পরীক্ষা দিতে পারছেন কিনা তার তদারকি করেন মেডিকেল কলেজের কর্মাধ্যক্ষ পার্থপ্রতীম মুখোপাধ্যায়। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পাশেই পরীক্ষার সময়টুকু একটানা বসেছিলেন একজন চিকিৎসক, কর্তব্যরত নার্স। ছিলেন সিভিক ভলেন্টিয়ারও।মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদার বৈষ্ণবনগর থানার কুম্ভিরা গ্রামের বাসিন্দা সিরিন বিবি। বছর দেড়েক আগে গ্রামের সরিফ মিয়ার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। গত শনিবার মালদা মেডিক্যাল কলেজে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি হয় সিরিন। বুধবার মধ্যরাতে পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় সে। এমন পরিস্থিতিতেও মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার মনোবল তুঙ্গে ছিল সিরিনের।এদিকে চিকিৎসকদের নজরদারি ও নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মালদা মেডিক্যালে পরীক্ষা দিয়েছে সিরিন বিবি। তবে শুধু সিরিন নয় মাদ্রাসা পরীক্ষা দিচ্ছে কোলের শিশুকে নিয়ে সাহারাবানু খাতুম। সে মানিকচকের বালুটোলার বাসিন্দা। যদিও সাহারাবানুর পুত্রসন্তান হয়েছে প্রায় চার মাস আগে। কিন্তু সম্প্রতি শারীরিক অবস্থা জটিল হয়ে যাওয়ায় তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই জায়গায় অন্য বেডে সিরিনের সাথেই মাদ্রাসার পরীক্ষা দিচ্ছে সাহারাবানু।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গঙ্গায় দৈত্যকৃতি মাছ, হইহই কাণ্ড

ভয়ঙ্কর কান্ড মালদার গঙ্গায়। এই নদিতে মিলেছে প্রায় ৯১ কেজির বাঘার মাছ। এ যেন মাছ নয়, একটা আস্ত একটা দৈত্য। মালদার নেতাজি পুর মার্কেটের মাছ বাজারে ওই মাছ আসতেই হইচই বেধে যায়। মাছ দেখতে মানুষজন হামলে পড়ে। বুধবার সকাল থেকে ওই বাঘার মাছকে ঘিরে ব্যাপক কৌতুহল তৈরি হয়।জানা গিয়েছে, ফাঁসজালে আটকে গিয়েই ফরাক্কায় গঙ্গা থেকে এই বাঘার মাছটি জেলেরা ধরতে পেরেছেন। এদিন সকাল থেকেই এই বাঘারমাছকে ঘিরেই হইহই কাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে। আড়তে মাছটির দর ওঠে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ওই দামেই বিক্রি হয় মাছটি।নেতাজি পুর মার্কেটের একাংশ মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, এই মাছ বিক্রি করা হবে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে। বুধবার সকাল থেকে মাছ দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ। এত বড় মাছ নড়াতেও হিমশিম খেতে হয় পাঁচজনকে। বুধবার বিক্রি করা হবে মাছটি।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বদলের দাবিতে মালদায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

অঞ্চল সভাপতি ঘোষণা হতেই মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকন্দল। পুনরায় কুশিদা অঞ্চলের সভাপতি মোহাম্মদ নুর আজমকে করায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন তৃণমূল কর্মীদের একাংশের। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ মোহাম্মদ নুর আজমকে তাঁরা সভাপতি হিসেবে মানবেন না। নুর আজম দুর্নীতিগ্রস্ত। এমনকি তিনি কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের পদেও রয়েছেন। তার পরিবর্তে অলোক পোদ্দারকে অঞ্চল সভাপতি করতে হবে বলে দাবি বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের। যদি বিহার থেকে লোক নিয়ে এসে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে পাল্টা দাবি মহম্মদ নুর আজমের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের অস্বস্তিতে শাসক দল। বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, তৃণমূলের শেষের শুরু এটা। আজকে কাটমানি কার হাতে যাবে কে কাট মানির ভাগ পাবে সেই নিয়ে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। এখানে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল আছে। এটা আরো বেশি প্রকট হচ্ছে। এটা হচ্ছে কাটমানি খাওয়ার রাশ দুর্নীতি করার রাস কার হাতে থাকবে। এটা নিয়েই তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। কারণ তৃণমূল বুঝে গেছে মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানান, একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্ষোভ বিক্ষোভ তো থাকতেই পারে। দুই দলকে নিয়ে বসে আলোচনা করা হবে দুই দলের কথাই শোনা হবে। কেন তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ রয়েছে। আর বিজেপিকে বলবো আমাদের দলের বিষয় নাক গলানোর কোন দরকার নেই। আমাদের দলের ব্যাপার আমরা মিটিয়ে নেব।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৩
রাজনীতি

'ক্যা ক্যা করার জন্য কাক আছে, তুমি(বিজেপি) কেন ক্যা ক্যা করছো,' কটাক্ষ মমতার

মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল এনআরসি থেকে সিএএ প্রসঙ্গে। সংখ্যালঘু ও মতুয়াদের জন্য রাজ্য কি করেছে সে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজনীতি নিয়ে ভাবছে অর্থনীতি নিয়ে ভাবছে না। কেন্দ্রীয় শাসক দলটা কেন এত হিংসুটে? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যালঘুদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ভাবছে না বলেও দাবি তাঁর। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এখানে ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘু জনসংখ্য়া আছে। সেটা তো তাদের অপরাধ নয়। তারা যদি পড়াশুনো করতে চায় আমাদের কি উচিত তাঁদের পড়াশুনার ব্যবস্থা করা। নাকি উইপোকা কামড়ালেও তাঁদের একটা এজেন্সি পাঠিয়ে গ্রেফতার করা। কোনটা কাজ? তাদের পড়াশুনা করিয়ে এগিয়ে দেওয়াটা আমাদের কাজ।ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন স্কলারশিপ কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের স্কলারশিপ অনেক বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১কোটি ২০ লক্ষ সংখ্য়ালঘু ছেলেমেয়ের ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ দিচ্ছি। শিক্ষাশ্রী তপসিলি জাতি ও উপজাতিদের দিচ্ছি। ওবিসি স্কলারশিপ এবছর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ওবিসিদের জন্য তৈরি করেছি মেধাশ্রী। মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি করেছেন, মতুয়াদের জন্য আমরা সবটা করেছি। তাঁর বক্তব্য, ভোট এলে হঠাৎ ভাত খেয়ে বলবে আমরা মতুয়ার বন্ধু হয়ে গেলাম। ক্যা ক্যা করে চিৎকার করবে, ওদের বলুন ক্যাক্যা করার জন্য কাক আছে। তুমি কেন ক্যা ক্য়া করছো? এনআরসির নামে সবাইকে জেলে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ক্যার নামে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যতদিন মতুয়াদের বড়মা বেঁচে ছিলেন তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা কে করেছিল? আমি করেছিলাম। কেউ তাকিয়ে দেখেনি। আমরা কন্য়াশ্রী কলেজ করেছি, কৃষ্ণনগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্য়াম্পাস করেছি, মতুয়া বাড়ির গেট করা হয়েছে। সৌন্দর্যকরণ করা হয়েছে। কি করা হয়নি? আমি চাই আপনাদের উন্নয়ন হোক। রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্র, গরুপাচার, কয়লাপাচার নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একাধিক তৃণমূল নেতা ও প্রশাসনিক কর্তাকে গ্রেফতার করেছে। বিজেপি চোর চোর বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগানও দিচ্ছে সভা-সমাবেশ। মমতা এদিন বলেন, আমরা যদি চোর হই তোমরা ডাকাত। তোমরা কি করছ। ডাকাত, গদ্দার বলে কটাক্ষ করে মমতার অভিযোগ, পুরুলিয়ার কোটা নিজের পকেটে রেখে দিয়েছিলেন। কেন তারা চাকরি পায়নি?

জানুয়ারি ৩১, ২০২৩
রাজনীতি

২০২৪-এর মধ্যেই সিএএ লাগু নিশ্চিত? কি ঘোষণা করলেন সুকান্ত মজুমদার

ফের সিএএ লাগু করার কথা বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতার মুখে{ বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রবিবার বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে সি এ এ জারি করা হবে। এদিন মালদার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পার্বতী ডাঙ্গায় কর্মীসভায় বক্তব্য রাখছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ।পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যজুড়ে সভা করছে বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন পার্বতীডাঙ্গায় বক্তব্যে সুকান্ত বলেন, রাম মন্দির হওয়ার আগে বিরোধীরা অনেক আমাদের টিটকিরি মারতো, কবে রাম মন্দির হবে কবে? ২০২৪ এর পয়লা জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের উদ্বোধন করবেন। তেমনই এখন বিরোধীরা টিটকিরি মারছে কবে সিএএ হবে। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন ২০২৪ এর মধ্যেই সিএএ হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কিছু করতে পারবে না। দেখবে আর লুচির মত ফুলবে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যে এখন একটাই প্রকল্প চলছে। পেট্রোলের দাম বাড়লো না মদের দাম বাড়িয়ে দিল। ঢকঢুগ প্রিয় অর যুগ যুগ জিও।এদিকে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য় সেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয়ের জমি হরপ করেছেন বলে চিঠি ধরিয়েছে কতৃপক্ষ। এদিনও আরেকটা চিঠি দিয়েছে বিশ্বভারতী। সুকান্ত মজুমদার বলেন, অমর্ত্য সেনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা জমি নিয়ে সমস্যা হয়েছে। সেই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া উচিত। জমি মাপামাপি করলে তবেই তো সমস্যা মিটবে। আমি নোবেল পেয়েছি মানে তো আমি কারও জমি দখল করতে পারি না। একটা অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হওয়া উচিত, উনি সম্মানীয় ব্যক্তি। তার নামের সাথে এই ধরনের সমস্যা মানায় না।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৩
রাজ্য

মালদায় বি টেক চাওয়ালা, নতুন বছরে চা বিক্রি করে বাজিমাত করতে চান দুই ইঞ্জিনিয়ার বন্ধু

বি টেক চাওয়ালা। ইংরেজি নতুন বছরে এই নামে চায়ের দোকান খুললেন মালদা জেলার দুই ইঞ্জিনিয়ার বন্ধু। মালদা শহরের স্টেশন রোডে ভাড়া নিয়ে চায়ের দোকান খুলেছেন তাঁরা। চাকরি না জোটায় এভাবেই স্বনির্ভর হতে চান দুই যুবক।উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া স্টেশনের এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি, পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের এমএ চাওয়ালার পরে, এ বার বি.টেক চাওয়ালা। দোকানের মালিক আলমগীর খান ও রাহুল আলি। আলমগীর কালিয়াচকের থানা রোড ও রাহুল ইংরেজবাজার শহরের রেল কলোনির বাসিন্দা। দুজনেই মালদা গনিখানের নামাঙ্কিত কারিগড়ি কলেজের ছাত্র ছিলেন। আলমগীর ২০১৭ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা কোর্স করেন। ওই বছরই কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা কোর্স করেন রাহুল। তিনি আর পড়াশোনা না করলেও, আলমগীর কলকাতার একটি বেসরকারি কারিগরি কলেজ (স্বামী বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলজি) থেকে ২০২১ সালে বি টেক পাশ করেন।তাঁর বাবা শাহেনশা খান ঢালাই মেশিন (ছাদ ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহৃত) ভাড়া দিয়ে পাঁচ ছেলেমেয়েকে নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন। আলমগীর তাঁর বড় ছেলে। রাহুলের বাবা মনসুর আলি পেশায় ট্যাক্সি চালক। দুই বন্ধুর আশা চায়ের দোকান করে একদিন অনেক দুর পৌঁছবেন তাঁরা।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৩
রাজ্য

এবার মাদক তৈরির কারখানার হদিশ মালদার কালিয়াচকে, কি মিলল তল্লাশিতে?

বর্ধমানে মিলেছিল হেরোইন তৈরির হদিশ। এবার কালিয়াচক এলাকায় মাদক তৈরির বেআইনি কারখানার হদিশ পেল পুলিশ। মালদার কালিয়াচক থানার শ্রীরামপুর এলাকার একটি বাঁশ বাগানের মধ্যে বিপুল পরিমাণ মাদক তৈরির সামগ্রী লুকানো ছিল। তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্রাউন জাতীয় মাদক তৈরির কারবার এই এলাকায় চালাচ্ছিল দুষ্কৃতীরা । যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পরিষ্কারভাবে কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। তবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রীরামপুর এলাকার বাঁশবাগানের একটি পরিত্যক্ত এলাকায় মাটির নীচ থেকেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদক তৈরির ওই সামগ্রীগুলো উদ্ধার করে। যার মধ্যে অপরিশোধিত উপকরণ এসিটাইল ক্লোরাইড ৪০ বোতল, দুটি ২ পয়েন্ট ৩ মাপের প্লাস্টিকের পাত্র, সোডিয়াম সালফেট অ্যানহাইড্রাস ১৮২ কেজি , বেশ কিছু কেমিক্যাল মেশানো কাপড়, জ্যামকড ৫০০ গ্রাম বোতলের ১০ পিস , বেশ কিছু স্টিলের পাত্র, সাদা জামাকাপড়, ৮টি বাঁশের তৈরি ঝুড়ি, ১০টি প্লাস্টিকের মগ সহ আরও বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, এতদিন কালিয়াচকে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র কারখানার হদিস পেয়েছে পুলিশ। কিন্তু এই প্রথম মাদক তৈরির অস্থায়ী ছোট ধরনের একটি কারখানার হদিশ পেয়েছে কালিয়াচক থানার পুলিশ । গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরেই বাঁশ বাগানের পরিত্যক্ত জায়গায় অভিযান চালায় এবং সেই জায়গার প্রায় কুড়ি মিটার এলাকা জুড়ে মাটি খোঁড়াখুঁড়ির পর একের পর এক মাদক তৈরী সামগ্রী উদ্ধার হতে থাকে। যা দপখে রীতিমতো হতবাক তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। কারা কিভাবে এই ধরনের মাদকের কারবার চালাচ্ছে, তারই খোঁজ চলছে।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মূলত এইসব উদ্ধার হওয়া রাসায়নিক সামগ্রী দিয়েই ব্রাউন সুগার জাতীয় নেশার জিনিস তৈরি করতো মাদক কারবারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করার লক্ষ্যে চিরুনি তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গাজোলের সভা থেকে হুংকার শুভেন্দু অধিকারীর

বন্দে ভারত থেকে কিছুতেই ঘুচছে না রাজনীতির ছোঁয়া। নাম না করে রাজ্যের একটি দলের বিরুদ্ধে বন্দে ভারতের পাথর ছোঁড়া পার্টি বলে মালদায় তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সভা মঞ্চ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানার আইসিকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী । তিনি বলেন, গাজোলের আইসি সাহেব খুব মাল তুলছেন। এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান, তৃণমূল দল আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। আইনের কাজ করুন। যা করছেন সব খবর আমাদের কাছে আছে।মঙ্গলবার গাজোল থানার বিএসএ ময়দানে উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির বিধায়ক তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, উত্তর মালদার সাংগঠনিক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত, দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী প্রমূখ।এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যারা বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়েছে সেই পাথর ছোড়ার পার্টির দিন ঘনিয়ে এসেছে। মানুষ এর জবাব দিবে।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চরম দুর্নীতি হচ্ছে। যাদের পাকা বাড়ি, চারচাকা গাড়ি, আড়াই একরের ওপর জমি আছে, তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃত গরীব মানুষেরা বঞ্চিত হয়ে একশ্রেণীর বড়লোকদের এই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাই আমি বলছি বঞ্চিত লোকেদের নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে বিজেপি।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এরাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে ৭০ লক্ষ শৌচালায় তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও বহু গ্রামীণ এলাকায় এই সুবিধা পাননি সাধারণ মানুষ। সবেতেই দুর্নীতি। তৃণমূল একটা দুর্নীতির সরকারের পরিণত হয়েছে। এই সরকারের এখন এমন অবস্থা যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া দিয়ে দিতে গেলে মাইনে বন্ধ হবে । আর মাইনে দিতে গেলে লক্ষী ভান্ডার বন্ধ হবে। কোন কিছুই ওরা বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। তাই এবারে মতোই ইতি টানতে হবে এই চোর সরকারকে।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এত দুর্নীতি হয়েছে, যে ভয়ে নিজেরা প্রশাসনিকভাবে কাজ না করে খেটে খাওয়া অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশা কর্মীদের দিয়ে সমীক্ষা করাতে বলেছে। আসলে তৃণমূল দল কিছুই করতে পারবে না। তবে এটা মনে রাখতে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু ভোট লুঠ হয়েছিল। কিন্তু এবার মানুষ বদ্ধপরিকর। ভোট এবার লুঠ হতে দেওয়া যাবে না। গাজোল তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বহু জায়গায় পঞ্চায়েতের ভোট লুঠ আটকে দিয়েছিল জনগণ এবং বিজেপি। ফলে বহু আসন বিজেপি পেয়েছিল। এবারে সোচ্চার হয়েছে। বন্যার টাকা নিয়েও দুর্নীতি করা হয়েছে মালদার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে। একজন প্রধানও জেল খাটছে। বাকিরা ও বাদ যাবেন না।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

আবাস যোজনায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে, মালদায় পঞ্চায়েতে তালা দিয়ে বিক্ষোভ

সরকারি আবাস যোজনার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ঘটনায় ক্রমশ উত্তাল হচ্ছে বাংলা। শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখালেন শতাধিক বাসিন্দারা। শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস সংলগ্ন এলাকায়। প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভ, প্রতিবাদ , আন্দোলন চলতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, প্রকৃত দুঃস্থ মানুষেরা সরকারি আবাস যোজনায় বাড়ি পাচ্ছে না বরং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যাদের এই প্রকল্পে ঘর পাওয়ার কথা, তাঁরাই নামের তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। অথচ যাদের পাকা বাড়ি রয়েছে তাদেরকে সেই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের একাংশ কাটমানির বিনিময়ে এই কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা। যদিও সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত কর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আচমকায় শতাধিক বাসিন্দারা এসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে কর্মরত কর্মীরাও আটকে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, আমাদের দিনমজুরি করে সংসার চলে। টালির চালার বাড়ি। কারোর আবার টিনের ও চাটায়ের বাড়ি রয়েছে। এই আবাস যোজনার মাধ্যমে পাকা ঘর হবে সে ব্যাপারে দীর্ঘদিন আগেই আবেদন করা হয়েছিল। এক প্রস্তর সার্ভেও করা হয় পঞ্চায়েত থেকে। কিন্তু তারপরেও আমাদের তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে । এজন্যই এদিন এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখিয়েছি। পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এবং ব্লক প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে, সঠিক উপভোক্তাদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার। আগামীতে যদি এই আশ্বাস পূরণ না হয় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রূকসানা বিবি অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রকৃত গরিব মানুষদের এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। সেই মতো কাজ করা হচ্ছে। এখানে কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র করে পঞ্চায়েতকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টা করছে। তবে অভিযোগ উঠেছে তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ, ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি মালদায়

মালদা, ২১ ডিসেম্বর। সরকারি প্রকল্পে বাংলা আবাস যোজনায় তালিকা তৈরি নিয়ে দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে রাস্তায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার তালিকায় নাম রয়েছে বেশ কিছু সরকারি কর্মচারীদের নাম। কিন্তু প্রকৃত উপভোক্তাদের তালিকায় নাম নেই। যাদের পাকা বাড়ি নেই। কাটমানি দিতে না পারায় নাম নেই অভিযোগ এলাকাবাসীর। প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারী শতাধিক গ্রামবাসীরা। বুধবার দুপুরে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসিহাটা এবং মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে রাজ্য সড়কে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। এলাকাবাসীর সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল সমর্থকদের একাংশ। এদিন মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মহেন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, আবাস যোজনার তালিকায় নাম রয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি ফেশান আলি সহ একাধিক নেতার, সরকারি কর্মচারীর এবং যাদের পাকা বাড়ির রয়েছে তাদেরও। কিন্তু যাদের পাকা বাড়ি নেই, দরিদ্র পরিবার তাদের কারোর নাম নেই। তারা কাটমানি দিতে পারে নি বলে নাম নেই এমনটাই দাবি বিক্ষোভকারীদের। প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে ভোট বয়কট করা হবে বলেও জানিয়েছে বিক্ষোভকারী দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। অপরদিকে তুলসিহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনেও একই অভিযোগে বিক্ষোভ। পঞ্চায়েতের কার্য্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীরা।হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের বস্ত্র দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তাজমুল হোসেন জানিয়েছেন, এরকম ঘটনার বিষয় যদি ঘটে থাকে তাহলে প্রশাসন অবশ্যই তা তদন্ত করে দেখবে। যারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না হবে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

আত্মঘাতী দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী, দায়ী করে বান্ধবীর বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ থানায়

দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয়েছে তাঁর বান্ধবীর বাবাকে। এই মর্মে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে। বুধবার রাতে আত্মঘাতী হয়েছে ওই ছাত্রী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসিহাটা মস্তান মোড় এলাকায়। বান্ধবীর বাবার বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতের পরিবার। অভিযোগ পেতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম স্নেহা সাহা(১৮)। স্নেহার বান্ধবী ছিল বিহারের আজিমনগরের বাসিন্দা জ্যোতি শা। তুলসীহাটায় দাদুর বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করত জ্যোতি। একই ক্লাসে পড়াশোনা করতো স্নেহা ও জ্যোতি। স্নেহার বান্ধী জ্যোতি প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায় বাড়ির অমতে। এই ঘটনায় বিগরে যায় জ্যোতির বাবা মনোজ শা-র মাথা। তিনি এই ঘটনার জন্য ক্রমাগত দায়ী করতে থাকেন স্নেহাকে। অভিযোগ স্নেহাকে ফোন করেও বিভিন্ন রকম হুমকি চলতে থাকে। স্নেহার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মনোজ শা-র দেওয়া সেই মানসিক চাপ সহ্য না করতে পেরে আত্মহত্যা করেছে স্নেহা। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। মনোজ শার কড়া শাস্তির দাবী করেছে। মিন্টু সাহার তিন মেয়ের মধ্যে স্নেহা মেজ।

ডিসেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

রাসায়নিক সারের কালোবাজারি রুখতে গোডাউনে হানা কৃষি আধিকারীকের

মালদহের চাঁচলে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি রুখতে নড়েচড়ে বসল কৃষি দপ্তর। দীর্ঘদিন ধরেই রাসায়নিক সারের কালোবাজারি নিয়ে সরব হয়েছিলেন চাষীদের একাংশ।পরিপ্রেক্ষিতে নড়েচড়ে বসল কৃষি দফতর।মজুত করে রাখা সারের গোডাউন খতিয়ে দেখলেন স্বয়ং মালদা জেলা উপ কৃষি অধিকর্তা সৌমেন্দ্রনাথ দাস,চাঁচল মহকুমা কৃষি আধিকারিক অতীন মোদক,ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট মনোজিৎ নস্কর সহ কৃষি আধিকারিকেরা।এদিন চাঁচল-১ ব্লকের খরবা পঞ্চায়েত এলাকার বেশ কয়েকটি সারের দোকানের গোডাউনে অভিযান চালানো হয়।এর আগে চাঁচলে অভিযোগ উঠছিল, নির্ধারিত দামের থেকে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে রাসায়নিক সারের।কৃষি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যে সমস্ত সার ব্যবসায়ীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চলবেন না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সারের সঠিক এমআরপি দামে কৃষকেরা সার কিনতে পারেন সেদিকেও আমরা লক্ষ্য রাখব।সারের কালোবাজারির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছেন চাষীরা।কৃষি আধিকারিকের আশ্বাসের পর সঠিক এম আর পি তে কৃষকরা সার কিনতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

স্কুলের বাথরুমের ছাদ ও দেওয়াল মাথায় ভেঙে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ছাত্রের মৃত্যু, দায় কার?

মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল মালদার মোথাবাড়ি থানার বাঙ্গিটোলা হাইস্কুলে। এই সরকারি স্কুলের শৌচাগারের ছাদ এবং পাঁচিল ভেঙে মৃত্যু হল এক ছাত্রের। গুরুতর জখম হয়েছে আরেক ছাত্র। আহত ছাত্রকে ভর্তি করা হয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। দুইজনই একাদশ শ্রেণির ছাত্র। বৃহস্পতিবার দুপুরে মর্মন্তুদ এই দুর্ঘটনার পর স্কুলে ভাঙচুর করা ক্ষুব্ধ জনতা। মারধর করা হয়েছে সিভিকি ভলান্টিয়ারদেরও। স্কুল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ করেছে মৃত ও আহত ছাত্রের পরিবার। জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম জিসান শেখ, বয়স ১৭ বছর। জিসানের বাড়ি বাঙ্গিটোলা ফিল্ডকলোনি এলাকায়। জখম জিসান মোমিন(১৭)-এর বাড়ি জোত-অনন্তপুর এলাকায়। মৃতের দাদা সফিকুল শেখ জানান, অন্য দিনের মতো ভাই এদিনও স্কুলে গিয়েছিল। স্কুলে টিফিন চলাকালীন ভাই শৌচাগারে যায়। সেই সেময় শৌচাগারের ছাদের একটা অংশ এবং পাঁচিল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে ভাইয়ের মাথার ওপর পড়ে। তখন আরেক ছাত্র বাথরুমে ছিল। সেও গুরুতর জখম হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে শৌচাগারটির বেহাল দশা সত্বেও কেন সংস্কার করা হয়নি? প্রশ্ন তুলেছেন মৃত ও আহতদের পরিবার। মুখ বন্ধ রেখেছে বাঙ্গিটোলা হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই খবর জানাজানি হতেই বাঙ্গিটোলা এলাকায় চরম অসন্তোষ ছড়িয়েছে। মানুষজন ভিড় করে স্কুলে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, স্কুলে গিয়ে বাড়ির ছেলেকে জীবন চলে গেল। এই ক্ষতিপূরণ কীভাবে মিটবে। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মৃত ছাত্রের পরিবার। এই ঘটনার দায় কার? স্থানীয়দের বক্তব্য স্কুল কতৃপক্ষ কি দায় এড়াতে পারবে। স্কুলে পড়াতে পাঠিয়ে জীবন চলে গেল এর শাস্তি কে পাবে? কোটি কোটি টাকা খরচ করে সাইকেল, মোবাইল দেওয়া হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের। সেখানে বাথরুমের ছাদ ও পাঁচিল ভেঙে মৃত্যুর ঘটনায় হতবাক মালদাবাসী। এই ঘটনায় যাঁরা দায়ী তাঁদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি উঠেছে।

নভেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

খেটেখাওয়া জামাইবাবু-শ্যালক এক টিকিটেই কোটিপতি

দুজনের ভাগ্য জুড়ে এক টিকিটের সিরিজেই ১ কোটি! মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের জামাইবাবু-শ্যালক ১৫ টাকা করে ভাগে টিকিট কেটে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গিয়েছেন। এও যেন এক নজির। এক সিরিজের টিকিট কেটেছেন দুজন মিলে। তাই পুরস্কারের টাকাও দুভাগ করে নেবে তাঁরা।মালদার চাঁচোলের হরিশ্চন্দ্রপুরে পিপলা গ্রামের বাসিন্দা পিন্টু সাহা এবং কৃষ্ণ দাস। এরা সম্পর্কে জামাইবাবু-শ্যালক। এঁরা দুজনেই পানের দোকান চালান। কোনওরকমে দিনযাপন চলে। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। এবার এঁদের দুজনের সংসারে আলোর রোশনাই দেখা যাবে। কোটিপতি হতে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছেন শ্যালক-জামাইবাবু। তাঁরা পুরস্কারের অর্থ মূল্য দুজন সমান ভাগে ভাগ করে নেবেন। তাঁদের এই সিদ্ধান্তে বেশ খুশি পরিবারে সদস্যরাও। পুরস্কার পড়েছে শুনে টিকিট নিয়েই তাঁরা ছোটেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

মালদহের মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে এসে এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন

মালদহের গাজলের মৃতের বাড়িতে এসে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। এসসি কমিশনের চেয়ারম্যানের হুসিয়ারী ডিএম এম এসপিকে তলব করা হবে ব্যবস্তা নেওয়া হবে।গাজোলে মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে এলেন জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন অরুন হালদার। বুধবার রহস্য মৃত্যু হয় গাজরের বহিরগাছি এলাকার বাসিন্দা ধনঞ্জয় সরকারের। এই ঘটনায় বহিরগাছি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি কর্মীর পরিবারের তরফে। আজ সকালে ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আসেন জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারপারসন অরুণ হালদার। কথা বলেন পরিবারের সাথে। এরপর গাজল বিডিও অফিসে বিডিও এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সাথে বৈঠক করেন তিনি। যদিও পরিবারের দাবি প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি করছি।ধনঞ্জয় সরকারের বাড়িতে গিয়ে অরুন হালদার তাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষন কথা বলেন। তাদের অভিযোগের পর কেন এখনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরপর তিনি সেখান থেকে গাজলের বিডিও অফিসে আসেন। সেখানে ডিএম, এসপি-কে তলব করলেও তাঁরা আসেন নি। তিনি বলেন, তাঁরা না আসায় চরম অপমানিত হয়েছি। আমাকে বিডিও সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। তাঁরা কেন পরিবারের সাথে কথা বলেনি সোজন্য সাক্ষাৎ করেছি।এসসি কমিশনের ভাইস ভাইস চেয়ারপারসন অরুণ হালদার সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, ওই পরিবার বিচার পাবে। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি। কিন্তু মালদায় এসে চূড়ান্ত অসৌজন্যমূলক ব্যবহার পেলাম। ডিএম এসপি দেখা পর্যন্ত করতে আসলেন না। ডিএম এসপিকে তলব করব। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তিনি সেদিন পরিষ্কার ভাষায় বলেন, রাজনীতি করতে আমি এখানে আসিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

বিনা অস্ত্রপচারে গলা থেকে কয়েন বার করে নজির গড়লো মালদহ মেডিক্যাল কলেজ

বাতাসা ভেবে কয়েন খেয়ে নিয়েছিল শিশু। গলা থেকে কয়েন বের করে নজির গড়লো মালদহ মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগের চিকিৎসকেরা। বিনা অপারেশনেই শিশু কন্যার গলায় আটকে থাকা পয়সার কয়েন বার করে সাফল্য মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের। বিশেষ চিকিৎসা যন্ত্রের সাহায্যে ফরেন বডি গলার ভেতর থেকে বার করা হয়। বর্তমানে সুস্থ রয়েছে শিশুকন্যা। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ধরণের চিকিৎসা এখন প্রায় হচ্ছে মালদা মেডিকেল কলেজে। পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকলেও ইএনটি বিভাগের চিকিৎসকেরা ঝুঁকি নিয়ে এই পরিষেবা দিয়ে থাকেন। এমন সফল ভাবে সাফল্য মিলছে।কালি মন্দিরে বাতাসা প্রসাদ ভেবে পাঁচ টাকার কয়েন খেয়ে নিয়েছিল আট বছরের মানালি সাহা। বাড়ির পাশে কালি মন্দিরে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটে। শিশুকন্যার বাড়ি মালদার হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায়। কয়েন খাওয়ার পর পরিবারের লোকেদের কিছুই জানায় নি। রাতে গলা ব্যাথা করলে পরিবারের লোকেরা বিষয়টি জানতে পারে। তড়িঘড়ি স্থানীয় বুলবুলচন্ডী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকেরা মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। মেডিকেল কলেজে ভর্তির পরে চিকিৎসা শুরু করেন ই এন টি বিভাগের চিকিৎসকেরা। গলার এক্সরে করে চিকিৎসা করে জানতে পারেন খাদ্যনালীতে কিছু একটা আটকে রয়েছে। তারপরে ইথোফস্কোপ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে খাদ্যনালী থেকে বার করা হয় পাঁচ টাকার কয়েন।মালদহ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপ্যল পার্থ প্রতিম মুখার্জী জানান,আমাদের ই এন টি চিকিৎসকেরা এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা করেছে। শিশুটি আপাতত সুস্থ রয়েছে।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

২০ বছর ধরে বাংলার এই জেলায় ১৮ হাত বিশিষ্ট লক্ষ্মী পুজিত হয়ে আসছে

সবে দশভুজার পুজো শেষ হল। এবার লক্ষ্মী পুজো। মালদার বামনগোলায় কুড়ি বছর ধরে অষ্টভুজা লক্ষ্মীর পুজো নিয়ে উৎসাহের অন্ত নেই। কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে ১৮ হাত বিশিষ্ট দেবী লক্ষ্মী পূজিত হন। বামনগোলা ব্লকের গাঙ্গুরিয়া সারদা তীর্থ আশ্রমে এই পুজোকে কেন্দ্র করেই ভিড় জমান ভক্তরা। সকালে মহালক্ষ্মী রূপে এবং রাতে কোজাগরী লক্ষ্মী রূপে পূজিত হবেন দেবী।স্বামী গ্রীয়াকানন্দজি মহারাজ জানিয়েছেন, ১৯৯৮ সালে এই আশ্রমের প্রতিষ্ঠা হয়। ২০০০ সাল থেকে তিনি ১৮ হাত বিশিষ্ট মহালক্ষ্মী পুজোর সূচনা করেন। তবে এখানে দেবী সকালে এক রূপে ও রাতে আরেকরূপে পুজিত হয়ে আসছেন। পুজো দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা আশ্রমে আসেন।আশ্রম কর্তাদের মতে, দেবী এখানে লক্ষ্মী, মা দুর্গা, চণ্ডীসহ নানা রূপে পূজিত হয়ে থাকেন। সেই কাল্পনিক চিন্তাধারায় দেবীকে এখানে ১৮ হাত বিশিষ্ট হিসাবে পুজো করার প্রচলন হয়েছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে প্রহার

পুরাতন মালদার পৌরসভা অফিসের পাশে সবজি বাজারে এক মোবাইল চুরি করার সন্দেহ করে চোরকে ইলেকট্রিক খুঁটিতে বেঁধে মারধর। ঘটনাস্থল থেকে মালদা থানা পুলিশ উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় হাসপাতালে ।জানা গেছে ওই যুবকের বাড়ি বর্ধমান জেলার আসানসোলে।ঘটনাটি ঘটেছে পুরাতন মালদা পুরসভা লাগোয়া বাজারে।জানা গিয়েছে,পুরাতন মালদা পুরসভা লাগোয়া বাজারে বেশ কিছুদিন থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মোবাইল ফোন চুরি হচ্ছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে বাজার কতৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করে। গত কয়েকদিনে প্রায় পাঁচটির বেশী মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। বিষয়টি বাজারের সকলের নজরে আসে। এরপর বেশ কয়েকদিন থেকে ওই যুবককে বাজারে ঘুরে বড়াতে দেখা যাচ্ছে। এরপর থেকে যুবককে নজরে রাখতে শুরু করে বাজারের দোকানীরা। এদিনও এক ক্রেতা বাজার করছিল। ঠিক সেই সময় ওই যুবক বাজার করার অচ্ছিলায় ক্রেতার বুক পকেটে নিচ ধাক্কা মারতে থাকে। এরপর মোবাইল ফোনটি পরে গেলে নিয়ে পালাতে যায়। সেই সময় স্থানীয়রা ওই মোবাইল চোর যুবককে ধরে ফেলে। এরপর তাকে ইলেক্ট্রিক পোলে বেঁধে মারধর দেয় উত্তেজিত জনতা। খবর দেওয়া হয় মালদা থানার পুলিশকে। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ক্রেতারা জানান,এই বাজারে কোন নিরাপত্তা নেই। যার ফলে প্রায়ই চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। অবিলম্বে নিরাপত্তা দিতে হবে। মালদা থানার পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছ, ধৃতকে চিকিৎসার চলছে। সুস্থ হলে তাকে জিঞ্জাসাবাদ করা হবে। তার নাম পরিচয় নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal