• ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Investigation

রাজ্য

Raina Murder: দুঁদে পুলিশ অফিসার, সিআইডি ও ফরেন্সিক দল তদন্তে, তবু জট কাটছে না ব্যবসায়ী খুনের

পুলিশের দুঁদে অফিসাররা তদন্তে নামলেও জট কাটছে না। প্রতি মুহুর্তে পুলিশকে বদলাতে হচ্ছে খুনি চিহ্নিতকরণের ছক। পূ্র্ব বর্ধমানের রায়নার দেরিয়াপুর গ্রামের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসা কলকাতার ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে কারা খুন করলো তাহলে? ঘটনার পর থেকে ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর এই প্রশ্নের উত্তর এখনও হাঁতরে বেড়াচ্ছেন তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা। খুনিদের নাগাল পেতে রবিবার সিআইডি ও ফরেন্সিক দল দেরিয়াপুর গ্রামে তদন্তে যায়। ছেলেকে নৃশংস ভাবে খুনের ঘটনায় জড়িতরা কবে ধরা পড়ে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন নিহত ব্যবসায়ীর পরিবার।বন্ধু রাজবীর সিংকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার হাওড়ার শিবপুরের বাড়ি থেকে রায়নার দেরিয়াপুরের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসেন ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডল (৩৮)। ওই দিন রাতে ওই বাড়িতেই তিনি খুন হন। দুস্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে ব্যবসায়ীকে খুন করে পালায়। ময়নাতদন্তে তাঁর দেহের ২৯ টি জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ধরা পড়েছে। ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর বন্ধু রাজবীর সিংও চোট পান। এই খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ব্যবসায়ীর গাড়ির চালক আলো সাউ ও রাঁধুনি পার্থ সান্যালকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে জেরার পর জেরা চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও খুনের রহস্য উন্মোচন এখনও হয়নি বলে খবর।এদিকে ঘটনার পরদিন মৃত ব্যবসায়ীর বাবা দেবকুমার মণ্ডল রায়না থানায় লিখিত অমিযোগ দায়ের করে দাবি করেন, তাঁর ছেলেকে খুনের ঘটনা নিয়ে তাঁর ভাই গৌরহরি মণ্ডল, তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমাদেবীও দুই ভাইপো দীনবন্ধু ও সোমনাথ জড়িত রয়েছে। এরাই সুপারি কিলারদের দিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে বলে দেবকুমারবাবু পুলিশকে জানিয়েছেন।এদিন বিকালে ফরেন্সিক দলের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট চিত্রাক্ষ সরকার ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিন) আমিনুল ইসলাম খাঁনও সেখানে উপস্থিত থাকেন। ফরেন্সিক টিম বাড়িটির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে । রায়না থানার হেপাজতে থাকা ব্যবসায়ীর গাড়িটিও চিত্রাক্ষ বাবু পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিত্রাক্ষবাবু পুলিশকে জানিয়ে দেন, দোতলা বাড়ির নিচের তলাতে ১০ মিনিটের বেশী সময় নিয়ে একাধিক আততায়ী মিলে খুনের ঘটনাটি ঘটিয়েছে।এসডিপিও বলেন , সন্দেহভাজনদের এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আততায়ীদের নাগাল পেতে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
কলকাতা

Double Murder: গড়িয়াহাটে জোড়া খুনে ঘনীভূত রহস্য

শহরে ফের খুন। তবে এবার জোড়া খুন।গড়িয়াহাট থানা এলাকার কাকুলিয়া রোডের দোতলা একটি বাড়ি থেকে গতকাল গভীর রাতে ষাটোর্ধ্ব দুই ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একটি দেহ দোতলার ঘরে পড়েছিল। অন্য দেহটি পড়েছিল বাড়ির একতলায়। দুজনের দেহের হাতে, পায়ে ও গলায় ধারাল অস্ত্রের একাধিক আঘাত মিলেছে। মৃতের নাম সুবীর চাকি ও রবীন মণ্ডল।আরও পড়ুনঃ সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে, ৭৮ এ কাকুলিয়া রোডের ওই বাড়ি মালিক সুবীর চাকি। তিনি ও তাঁর গাড়ি চালক রবীন মণ্ডল খুন হয়েছেন। সুবীর এখন নিউ টাউনে থাকতেন। কাকুলিয়া রোডের বাড়িটি মোটা দামে বিক্রি করতে চাইছিলেন। একাধিক ক্রেতার সঙ্গে কথাবার্তাও চলছিল। গতকাল বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নিউ টাউন থেকে গাড়িতে কাকুলিয়া রোডে আসেন সুবীরবাবু। সম্ভবত কোনও ক্রেতাকে সম্পত্তি দেখানোই উদ্দেশ্য ছিল বলে পুলিশের অনুমান। রাতেও তিনি বাড়ি না ফেরায় তাঁর পরিবারের লোকজন গড়িয়াহাট থানায় ফোন করে জানায়, সুবীরবাবুর মোবাইল ফোন বন্ধ। তাঁর ও তাঁর চালকের খোঁজ মিলছে না। রাতে পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে। সুবীরবাবু ও তাঁর চালকের মোবাইল ফোনের হদিশ নেই।সুবীর চাকির দেহ পাওয়া গিয়েছে বাড়ির এক তলায়। দোতলায় পড়ে ছিল গাড়ি চালকের দেহ। দুজনেরই দেহ ক্ষতবিক্ষত ছিল। জোড়া খুনে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Blast: কড়েয়ায় বিস্ফোরণ, জখম ৪

ফের শহরের বাড়িতে বিস্ফোরণ। কড়েয়া থানার অন্তর্গত আহিরিপুকুর এলাকার একটি বাড়িতে এই বিস্ফোরণ হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৬.৩০ নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে বলে খবর।ঘটনায় ৪ জনের জখম হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। ভয়ঙ্কর শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় বিস্ফোরণের ফলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, বাড়িটিতে চারজন বাসিন্দা থাকতেন। বিকট শব্দ পেয়ে ভোরে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। দেখতে পান ৮/৩ আহিরিপুকুর ফার্স্ট লেন ঠিকানার বাড়ির দেওয়ার ভেঙে পড়েছে। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় একজন মাটিতে পড়ে রয়েছেন। বাকিরা দেওয়াল চাপা পড়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। খবর দেওয়া হয়েছে ফরেনসিক বিভাগে। বিস্ফোরণের কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। আরও পড়ুনঃ এখনই নিস্তার নেই, শক্তি আরও বাড়াচ্ছে জোড়া ঘূর্ণাবর্তযে ঘরে বিস্ফোরণ হয়েছে সেই ঘরটি ইতিমধ্যেই ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। পাশের ঘরটির অবস্থাও খুবই খারাপ। ঘরের চেয়ার টেবিল, যাবতীয় আসবাবপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। দেওয়ালের একাংশ ফেটে বেরিয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে ছাদের চাঙড়ও। যেহেতু এই এলাকা অত্যন্ত ঘিঞ্জি। এই বাড়ির যে পিছনের একটি বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কী বিস্ফোরণ হল তা নিয়ে এখনও কোনও সূত্র মেলেনি। ঘরের মধ্যে বিস্ফোরক ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে কিছু পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে ঘরের ভিতর দুটি রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ছিল। সেগুলিও একেবারেই অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে।তবে মনে করা হচ্ছে, অনেক সময় এমনও হয়, গ্যাসের সিলিন্ডারে কোথাও ছিদ্র থাকার কারণে গ্যাস বেরিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে যায়। তেমন কিছু ঘটল কি না তাও দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Aushgram: আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ

ঘটনার পর পেরিয়ে গিয়েছে গোটা একটা দিন।আগ্নেআস্ত্র মিললেও মেলেনি পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধানের ছেলে চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত আততায়ীদের হদিশ। তাই আততায়ীদের হদিশ পেতে দুই বর্ধমান জেলা পুলিশের পাশাপাশি বুধবার বেলা থেকেই জোরদার তদন্তে নেমে পড়লো সিআইডি দল। মৃতর পরিজন ও আউসগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্বের প্রত্যাশা খুব শিঘ্রই সিআইডির জালে ধরা পড়বে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা চঞ্চল বক্সীকে খুনের ঘটনায় জড়িত দুস্কৃতিরা। তার পরেই পর্দা ফাঁস হবে খুনের রহস্যের।আউসগ্রাম ২ ব্লকের গেঁড়াইয়ে মঙ্গলবার হওয়া দলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন ব্লকের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সী ও তার ছেলে চঞ্চল বক্সী(৪৪)। একদা দেবশালা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন চঞ্চল। বৈঠক শেষে দুপুর ৩টে নাগাদ বাবা ও ছেলে একটি বাইকে চেপে দেবশালা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। বাইক চালাচ্ছিলেন চঞ্চল। পথে আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার বর্ডার লাগোয়া গেঁড়াই-মানকর রোডে উলুগড়িয়া জঙ্গলের কাছে পিছু ধাওয়া করে এসে দুস্কৃতিরা তাঁদের লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালায়। ওই পরিস্থিতিতে শ্যামলবাবু বাইক থেকে পড়ে যান। চঞ্চলের বুকের পাঁজরে ও হাতে মোট তিনটি গুলি লাগে। তাঁকে উদ্ধার করে ওই এলাকার লোকজন স্থানীয় জামতারা হাসপাপালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক চঞ্চলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দিনে দুপুরে গুলির পর গুলি চালিয়ে তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনার খবর পেয়েই আউসগ্রাম ও বুদবুদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন ও দুর্গাপুর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌছান। তদন্তে নেমে ঘটনাস্থলের খানিকটা দূর থেকে পুলিশ একটি আগ্নেআস্ত্র পায়। রাতে পুলিশ কুকুর এনেও তদন্ত চলে। বুধবার বেলা ১১ টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌছায় ৪ সদস্যের সিআইডি আধিকারিকের দল। তাঁরা ঘটনাস্থল ছাড়াও যে জায়গা থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি ও একটি জামা উদ্ধার হয়েছিল সেইসব জায়গা খতিয়ে দেখেন। তাঁরা মাপযোগ করেন ও ছবি তোলেন।সেখান থেকে সিআইডি আধিকারিক দল সোজা চলে যান নিহতের বাড়িতে। দরজা বন্ধ করে তাঁরা কথা বলেন চঞ্চল বক্সীর বাবা শ্যামল বক্সীর সঙ্গে। এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের দেহের ময়না তদন্ত হয়। সেখানে গিয়েও সিআইডি আধিকারিকরা বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন চিকিৎসকদের কাছে। সিআইডি আধিকারিকরা বিকালে ফের ঘটনাস্থলে যান।তারই মধ্যে এদিন নিহতের ভাই রাহুল বক্সী পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তাঁর দাদাকে খুনের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আউসগ্রাম থানার পুলিশ খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনার তদন্তের জন্য দুই বর্ধমান জেলার পুলিশকে নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে। চঞ্চল বক্সূকে খুনের ঘটনায় কারা জড়িত থাকতে পারে সে বিষয়ে এদিনও সঠিক কিছু জানাতে পারেননি তাঁর বাবা শ্যামল বক্সী। পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগেও কারও নাম উল্লেখ করেননি নিহতের ভাই।আউসগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার বলেন, খুনি যারাই হোক কেউ পার পাবে না। সিআইডি তদন্তে ভরসার কথা শোনা গিয়েছে তৃণমূল বিধায়কের গলায়। ময়নাতদন্ত শেষে এদিন বিকালে নিহতের মৃতদেহ দেবশালা অঞ্চল তৃণমূল কার্যালয়ে পৌছায়। সেখানে দলের সর্বস্তরের নেতা, কর্মী ও এলাকার বিধায়ক তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

CBI: বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসায় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রামে খুন হন বিজেপি নেতার মা কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)। হাইকোর্টের নির্দেশে এই খুনের মামলার তদন্তে নেমে ধৃতদের বাড়ি থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করলো সিবিআই। অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার কথা সিবিআই রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছে। সিআইয়ের দাবি, তল্লাশীতে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে তরোয়াল, কাস্তে ও কাটারি। এরআগে পুলিশও বেশকিছু জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সহ সব কিছু নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে সোমবার বর্ধমান আদালতে আবেদন জানিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী ইন্সপেক্টার অরুন কুমার সিং। বিজেপি কর্মীর মা-কে খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে সিবিআইয়ের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা জানাজানি হতেই নবগ্রাম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ ৩ মে দুপুরে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুরের নবগ্রাম এলাকা। ওই দিন নবগ্রামের বিজেপি শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে। আশিসের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি টাঙি দিয়ে তাঁর বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। হামলাকারীদের হাত থেকে স্বামী অনিল ক্ষেত্রপালকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি ক্ষেত্রপালও আক্রান্ত হন। নির্মম মারধর ও ভোজালির আঘাতে কাকলিদেবী মারাত্মক জখম হন। একই হামলায় জখম হন আশিস ক্ষেত্রপালেরকাকা মানস ক্ষেত্রপালও। জখমদের সকলকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাকলি ক্ষেত্রপালকে মৃত ঘোষণা করেন। জখম আশিসের বাবা ও কাকাকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বিজেপি শক্তিপ্রমুখের বাড়িতে হামলা-আক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই আশপাশ থেকে বিজেপির কর্মীসমর্থকরা ঘটনাস্থলে পৌছে তৃণমূলের লোকজনকে ঘিরে ফেলে। ওই সময়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘের্ষ তৃণমূলের দুই কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু ও বিভাস বাগ গুরুতর জখম হন।তাঁদের ওইদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করার কিছু সময় পর তাঁরাও মারা যান।আরও পড়ুনঃ আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?রাজনৈতিক হিংসায় একই দিনে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনায় দুই তরফের অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর থানার পুলিশ পৃথক দুটি মামলা রুজু করে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকে যদিও বাড়ি ছাড়া থাকে আশিস ক্ষেত্রপাল পাল। পুলিশ পরের দিন ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্ত সম্পূর্ণ করে পুলিশ গত ৩ অগস্ট আদালতে চার্জশিটও পেশ করে দেয়। পুলিশি তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে বিজেপি নেতা আশিস ক্ষেত্রপাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ জানায়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোটপরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। তদন্তের জন্য সিবিআই আধিকারিক দল ২৯ আগষ্ট প্রথম নবগ্রামে পা রাখে। তাঁর পর থেকে বেশ কয়েকদিন ধরে সিবিআই দল নবগ্রাম এলাকাচষে বেড়ায়। সিবিআইয়ের ফরেন্সিক টিমও নবগ্রামে তদন্তে যায়। কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সকল সদস্যের পাশাপাশি এলাকার বেশ কয়েকজনের বয়ানও সিবিআই আধিকারিকরা নথিুভুক্ত করেন। তারই মাঝে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়েও এদিন আদালতে দাবি জানালো সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর মিলেছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Ex-Minister: প্রাক্তন মন্ত্রীর থরে থরে সাজানো সম্পত্তি যেন জখের ধন!

ঠিক যেন সকলের চোখের আড়ালে জখের ধন সামলে রেখেছিলেন বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রাক্তন সভাপতি ও মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। প্রাক্তন মন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের লকারগুলি আগেই বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই লকার থেকে এ বার বেরল ভরি ভরি সোনার অলঙ্কার, সোনার বাঁট ও বিস্কুট! শ্যামাপ্রসাদের ওই লকার থেকে প্রায় ৩কিলোগ্রামের বেশি সোনা পাওয়া গিয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি। ব্যাংকের সেই লকারের মালিকানা রয়েছে অবশ্য শ্যাম- ঘনিষ্ঠ রামশঙ্কর মহন্তের নামে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, রামশঙ্কর জেরায় স্বীকার করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে ব্যাগে করে সমস্ত সোনার গয়না এনে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নিজের লকারে জমা করতেন। এছাড়াও, একাধিক জমি-জায়গার মালিকানাও ছিল শ্যামাপ্রসাদের। শুক্রবার দুপুরে রামশঙ্করকে সঙ্গে নিয়ে বিষ্ণুপুর শহরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে হানা দেন তদন্তকারীরা। লকার খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। থরে থরে সাজানো সোনার বাঁট, সোনার বিস্কুট-সহ সোনার অলঙ্কার দেখতে পান তদন্তকারীরা। ঠিক কত পরিমাণ সেই সম্পত্তি তা বুঝতে স্বর্ণ বিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হন গোয়েন্দারা। গোটা ঘটনা ভিডিওগ্রাফি করে রাখা হয়। বিশেজ্ঞরাই জানান, প্রাপ্ত সোনার পরিমাণ প্রায় ৩ কিলোগ্রাম। সোনার পরিমাণ যাচাইয়ের পর ওই লকার সিল করে দেওয়া হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা ধরে অভিযান চালান তাঁরা।আরও পড়ুনঃ পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধুশুধু সোনা নয়, ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের জমি-জায়গার খোঁজ পেয়েছেন। জানা গিয়েছে, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিপুল পরিমাণ টাকা জমি কেনার কাজে বিনিয়োগ করেছিলেন। বিষ্ণুপুর শহরে ও আশেপাশে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর নামে-বেনামে প্রচুর জমির খোঁজ মিলেছে। এমনকী, নিজের ছেলেমেয়ের নামেও বেশ কিছু জমি কিনেছিলেন তিনি। তদন্তে নেমে সেগুলির অনেকগুলির দলিলও হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। সেই সব দলিল মিলিয়ে জমি চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে।শহর ও শহর সংলগ্ন মরার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় খড়িকাশুলিতে প্রায় ৪ বিঘার জমির ওপর নির্মীয়মান পেট্রোল-পাম্পে যান তদন্তকারী অফিসাররা। মরার গ্রাম পঞ্চায়েত ছাড়াও খড়িকাশুলিতে প্রায় ১২ বিঘা জমির খোঁজ মিলেছে। পেট্রোলপাম্প তৈরির কাজে নিযুক্ত ঠিকাদার জানিয়েছেন, প্রাক্তন মন্ত্রী শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে রূপা মুখোপাধ্য়ায়ের নামে কেনা হয়েছে ওই জমি। প্রায় ৯ মাস যাবত্ চলছে পাম্প তৈরির কাজ। এছাড়াও, শহরের তুর্কিডাঙায় রয়েছে ৬ কাঠা জমি। জমি কেনার ক্ষেত্রে ঠিক কত পরিমাণ টাকা ব্যয় করা হয়েছে, আর কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিল তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এছাড়াও আরও একাধিক সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, যা শ্যামাপ্রসাদের ছেলে-মেয়ের নামে রয়েছে। সবটাই তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রশ্ন উঠছে প্রাক্তন মন্ত্রীর এত জমানো টাকার উৎস কী? সূত্রের খবর, টেণ্ডার দুর্নীতির ঘটনায় আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
রাজ্য

CBI Visit: নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমে

হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তের জন্য রবিবার পূর্ব বর্ধমানে পা রাখলো সিবিআই দল। চার সদস্যের সিবিআই আধিকারিকের দলটি এদিন দুপুরে পৌছান জেলার জামালপুর থানার আঝাপুর পঞ্চায়েতের নবগ্রামে।সিবিআই তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে জেলার শাসক দলের নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছেন। তেমনি নবগ্রামের নিহত বিজেপি সমর্থকের পরিবার সদস্যরা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।আরও পড়ুনঃ যাত্রা শুরু ভিস্তাডোমের! তিস্তার বুক চিরে, ডুয়ার্সের চা-বাগানের ঘ্রাণ নিয়ে, সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে ঝর্ণায় মন ভিজিয়ে গহন জঙ্গলের পথেবিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দিন রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয় জামালপুর থানার নবগ্রাম। সেই হিংসার ঘটনায় নিহত হন দুই তৃণমূল কর্মী শাজাহান শা ওরফে শাজু (৩০) এবং বিভাষ বাগ ওরফে বিনোদ (২৭)। একই হিংসার ঘটনায় ওই দিন প্রাণ হারাণ নবগ্রামের বিজেপি শক্তি প্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের মা কাকলি ক্ষেত্রপাল। নিহতদের মধ্যে কাকলি ও বিভাসের বাড়ি নবগ্রামে।অপর নিহত শাজু শেখের বাড়ি জামালপুর থানার ভেড়িলি গ্রামে। রাজনৈতিক হিংসার এই ঘটনায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেপ্তার কেরে পরদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করে। ধৃতদের মধ্যে ১০ জন বিজেপি সমর্থক। একজন ছিল তৃণমূল কর্মী।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!সিবিআই আধিকারিকরা এদিন নিহত বিজেপি সমর্থক কাকলি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। পরে তাঁরা যান নবগ্রামের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা নিয়ে পুলিশের সাক্ষী করা এলাকার বাসিন্দা মামনি ক্ষেত্রপালের বাড়িতে। নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলে সেদিনের ঘটনা নিয়ে জানতে চান। মামনি ক্ষেত্রপাল যদিও সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়ে দেন, তিনি ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতেও ছিলেন না বলে সিবিআই আধিকারিকদের জানান। একই সঙ্গে মামনিদেবী সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পুলিশ কেন- কি জন্য তাঁকে সাক্ষী করেছে তার বিষয়েও তিনি কিছুই জানেন না। এনাদের বক্তব্য নথিভুক্ত করার পাশাপাশি ভিডিওগ্রাফিও করেন সিবিআই আধিকারিকরা। কড়া পুলিশি পাহারায় এই দু জনের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা নবগ্রাম ছাড়েন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২নিহত কাকলি ক্ষেত্রপালের স্বামী অনিল ক্ষেত্রপাল জানান, তিনি সিবিআই অফিসারদের জানিয়েছেন তাঁর ছেলে আশিষ বিজেপি পার্টি কর। সেই কারণে তৃণমূলের লোকজন তাঁর ছেলেকে ও তাঁদের শত্রু বানিয়ে ফেলে। ভোটের ফল বের হওয়ার পরদিন তৃণমূলের সশস্ত্র দুস্কৃতিরা তাঁর ছেলের বাড়িতে আক্রমণ করে। ছেলেকে না পেয়ে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী কাকলিকে মারধোর শুরু করেদেয়। তারা টাঙ্গি দিয়ে তাঁর পায়ে মারে। ওই সময়ে তাঁর স্ত্রী কাকলি তাঁকে বাঁচাতে গেলে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকেও আঘাত করে। তার জেরে কাকলি প্রাণ হারায়।মারধরে মারাত্মক জখম হয়ে এখন সাবলিল ভাবে পায়ে হেঁটে চলার শক্তি হারিয়েছেন বলে অনিল ক্ষেত্রপাল জানান।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরঅনিলবাবুর ছোট ছেলে, নবম শ্রেণির ছাত্র দীপঙ্করের সঙ্গেও সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলেন। কাকলিদেবীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন আশিস এখনও ঘরছাড়া হয়ে রয়েছে। তবে আক্ষেপ প্রকাশ করে অনিলবাবু বলেন, আমার সিবিআই কর্তাদের আরও অনেক কথা বলার ছিল। কিন্তু ওনারা আমাদের সব কথা সেই ভাবে শুনতেই চাইলেন না। এদিন নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যদিও যাননি সিবিআই আধিকারিকরা। তা নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নিহত তৃণমূল কর্মীদের পরিবার।নিহত বিভাস বাগ ও শাজাহান শেখের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সিবিআই তাঁদের বাড়িতে না আসা থেকেই প্রমাণ হয়ে গেল সিবিআই পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে কাজ করছে। সিবিআই কেন তাঁদের কথা শুনবে না সেই প্রশ্ন এদিন তুলেছেন নিহত তৃণমূল কর্মী বিভাস বাগের স্ত্রী ঝর্ণাদেবী।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রজেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, সিবিআই বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলেই নিহত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে কথা বলার সদিচ্ছা দেখায় নি । যদিও জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিবিআই তদন্ত হওয়ায় তৃণমূল অশনি সংকেত দেখছেন। সে জন্যই এই সব মন্তব্য করছেন তৃণমূলের নেতারা।ভোট পরবর্তী হিংসায় জেলার কেতুগ্রাম থানার শ্রীপুর গ্রামের নিহত বিজেপি কর্মী বলরাম মাজির বাড়িতেও এদিন সন্ধ্যায় যায় ৪ সদস্যের সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। তাঁরা নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। নিহতের মা টুম্পা মাজি কেতুগ্রাম থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন সিবিআই আধিকারিকদের কাছে। ছেলের হত্যার সুবিচার চেয়ে টুম্পাদেবী সিবিআই আধিকারিকদের কাছে আর্জিও জানান।

আগস্ট ২৯, ২০২১
রাজ্য

No Confidence: পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারের

টাকা হাতানোর জন্য বীরভূমের এক ব্যবসায়ী ও তাঁর পিকআপ ভ্যান চালককে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে।এই ঘটনার পর থেকে পেরিয়ে গিয়েছে ২৪ টা দিন।অপহৃতদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে হুগলির ডানকুনি এলাকার তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে। দুই দফায় ৩ দুস্কৃতীকে ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ ডানকুনির খালে তল্লাশী চালিয়েও আজ অবধি অপহৃতদের হদিশ করতে পারেনি। এই অবস্থায় পুলিশি তদন্তের উপর আর ভরসা রাখতে না পেরে অপহৃতদের পরিবার শুক্রবার রাতে জামালপুর থানায় হাজির হয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি জানিয়ে গেলেন। তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের কর্তারা যদিও বিশেষ কিছু বলতে চাননি।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রপুলিশ জানিয়েছে, অপহৃতরা হলেন বীরভূমের ইলামবাজারে ব্যবসায়ী শামিম খাঁন(২১) ও তার পিকআপ ভ্যানের চালক বরুণ মুর্মু (২৬)। ব্যবসার ফাস্টফুড সামগ্রী কেনার জন্য গত ৪ আগষ্ট পিকআপ ভ্যানে চড়ে তাঁরা কলকাতা যাচ্ছিলেন।ব্যবসায়ীর সঙ্গে ছিল ৭০ হাজার টাকা। পরদিন জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি ধাবার সামনে থেকে উদ্ধার হয় ব্যবসায়ীদের পিকআপ ভ্যানটি। ওই গাড়ির চালকের কোন হদিশ না পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ একটি মামলা রুজু করে পিকআপ ভ্যানটি বাজেয়াপ্ত করে। এরপর ৮ আগষ্ট ব্যবসায়ীশামিমের পরিবার সদস্য শামিত খাঁন জামালপুর থানায় এসে শামিম ও বরুণকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নামে জামালপুর থানার পুলিশ। হুগলির ডানকুনি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আকতার আলী মল্লিক, শেখ শামিম ওরফে বাবু ওরফে গোলতাবলে ও করিম শেখ ওরফে কালো নামে তিন দুস্কৃতিকে। জেরায় ধৃতরা শামিম ও বরুনকে অপহরণ করার পর খুন করে দেহ ডানকুনির খালে ফেলে দেওয়ার কথা পুলিশকে জানায়। দেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ তিন ধৃতকে দুই দফায় ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিয়ে ডানকুনির খালে তল্লাশি চালায়। কিন্তু ব্যবসায়ী ও তাঁর পিকআপ ভ্যান চালকের কোন হদিশ করতে পারেনি পুলিশ। দেহ উদ্ধার না হওয়ায় মামলায় খুনের ধারাও পুলিশ যুক্ত করতে পারেনি। এদিকে হেপাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুলিশ তিন ধৃতকেই শুক্রবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর ফের আদলতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরশামিমের মা সামেনা বিবির বলেন, তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে শামিম ও তার গাড়ির চালক মৃত না জীবিত তা আজও জানা নেই।পুলিশ তো অনেক তদন্ত করল। এ বার তদন্তভার সিআইডি হাতে তুলে দেওয়া হোক। একই দাবির কথা পুলিশকে জানিয়েছেন বলে জানান শামিমেরদিদি মোমেনা খাতুন সহ পরিবারের অন্য সকল সদস্য। অন্যদিকে এক বছরের ছেলেকে কোলে নিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বরুণ মুর্মুর স্ত্রী তুলসীদেবী বলেন, আমার দুই ছেলেই এখন শিশু। বড় ছেলের বয়স আড়াই বছর, আর ছোট ছেলের বয়স মাত্র এক বছর। স্বামী বরুণ মুর্মুই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। স্বামীর হদিশ না মেলায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর স্বামীর হদিশ উদ্ধারের দায়িত্ব এবার পুলিশ সিআইডির হাতে তুলে দিক এটাই তিনি চান।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন অবশ্য এদিন জানান, তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে ঘটনার তদন্ত করছেন। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ধৃতদের দেখানো জায়গায় দেহ খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি চালানো হয়েছে। ঘটনায় আরও কিছু সূত্র মিলেছে। সেই সূত্র ধরেও অপহৃতদের খোঁজ করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতার

শনিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর এদিন সকালেই, কয়লা-কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর টিএমসিপি-র মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠেই এই নিয়ে সরাসরি আক্রমণের পথে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দিল্লি আমাদের সঙ্গে না পেরেই কেন্দ্রীয় সংস্থা লেলিয়ে দেয়। কয়লা দুর্নীতি ও অভিষেকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই তিনি ইডি-র নোটিস নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দেন।টিএমসিপি-র অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে উঠে এ দিন মমতা বলেন, ক্ষমতায় এসে আমাদের চ্যালেঞ্জ আরও বেড়ে গিয়েছে। যেটুকু কাজ বিরোধী দলে আমাদের ছিল, তার থেকে এখন কাজ বেড়ে গিয়েছে। আমরা কখনও দমে যাইনি। মানুষের কাজ করাই আমাদের প্রধান কাজ। তাই দিল্লি যখন আমাদের সঙ্গে রাজনীতিকে পারে না, কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার তখন এজেন্সি লেলিয়ে দেয়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট নিয়েও এ দিন কটাক্ষ করেছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আজকাল লজ্জা লাগে আমার। আমি মানবাধিকার কমিশনকে শ্রদ্ধা করি, সম্মান জানাই। এই মানবাধিক কমিশনের জন্যই আমি ২১ দিন ধরনা করেছিলাম রাস্তায়।আরও পড়ুনঃ শহরে কৈলাস খের, গানে গানে কাটল সন্ধ্যামুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের পরবর্তী সময় ফের একবার কয়লা কাণ্ডের কথা উঠে আসে। তিনি বলেন, কয়লা চুরির জন্য শুধু তৃণমূলকে ধরলে হবে? তৃণমূলের দায়িত্বে কয়লা নয়। কয়লা কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্বে। মাথায় রেখো, এটা রাজ্যের দপ্তর নয়। তোমার দপ্তর। একটা ছোট্ট নেংটি ইঁদুর বের করেছো না পকেট থেকে, ওই ইঁদুর তোমার পকেট ফাঁকা করে দিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে অভিষেকের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালাও। এমন প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি কখনও দেখিনি। আমরা এমন রাজনীতি করি না। তোমার দলের বিরুদ্ধে কতটা পদক্ষেপ করেছ? উত্তরপ্রদেশে হাথরসের ঘটনায় মানবাধিকার কমিশন পাঠিয়েছ?আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার কয়লা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তবে এ রাজ্যে নয়, তাৎপর্যপূর্ণভাবে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। সূত্রের খবর, অভিষেকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠিয়েছে আর্থিক তছরুপ তদন্তকারী এই গোয়েন্দা সংস্থা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে রুজিরাকে। তদন্তের সহযোগিতারা জন্য অভিষেককে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Post Poll Violence: রিপোর্ট তৈরি করতে জেলা ঘুরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবে সিবিআই

ভোট পরবর্তী হিংসার রিপোর্ট তৈরি করতে কলকাতার পর এবার জেলায় গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবে সিবিআই। চলতি সপ্তাহেই শুরু হবে জেলা সফর। সূত্রের খবর, ভোট পরবর্তী হিংসায় সব থেকে বেশি আক্রান্ত তিনটি জেলায় গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবেন গোয়েন্দারা। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে মোডাস অপারেন্ডি জানার চেষ্টা করা হবে। তার ভিত্তিতেই তৈরি হবে প্রাথমিক রিপোর্ট।রাজ্য পুলিশের এফআইআর কপির ভরসায় না থেকে সরাসরি আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিক রিপোর্ট তৈরি হবে। তা পাঠানো হবে দিল্লিতে। বেলেঘাটায় খুন হওয়া অভিজিৎ সরকারের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার সিবিআইয়ের কাছে বেশ কয়েকজন পুলিশ অফিসারের নামে অভিযোগ জানিয়েছেন, যাঁরা পক্ষপাত দুষ্ট আচরণ করেছেন। শাসক দলের এক প্রভাবশালী নেতা-সহ বেশ কয়েকজন অভিযুক্তের নাম জানিয়েছেন সিবিআই গোয়েন্দাদের। জানা গিয়েছে, অভিজিৎকে পিটিয়ে মারার কয়েকটি ফুটেজও গোয়েন্দাদের কাছে তুলে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ প্রশ্নপত্র বিতর্কের মাঝেই রাজ্যকে আক্রমণ দিলীপেরপ্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, জেলা ঘুরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন তদন্তকারীরা। সেই রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হবে দিল্লিতে। ভোট পরবর্তী বাংলায় যতগুলি অভিযোগ হয়েছে, রাজ্য পুলিশের কাছে ইতিমধ্যেই এফআইআর কপি ও কেস ডিটেলস চাওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই রিপোর্ট এখনও এসে পৌঁছয়নি। ফলে সেই রিপোর্টের ভরসায় না থেকে সিবিআই নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে রিপোর্ট তৈরি করবেন।উল্লেখ্য, গতকাল, সোমবারই বেলেঘাটায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিত সরকারের দাদা বিশ্বজিতের সঙ্গে কথা বলেছেন সিবিআই কর্তারা। দুঘণ্টার কথোপকথনে কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েকজন অফিসারের নাম তুলে ধরেছেন। বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার নামও সিবিআই-এর কাছে জানিয়েছেন বিশ্বজিৎ।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Post poll violence: পশ্চিমবঙ্গে সিবিআইয়ের চারটি দল খুঁজে দেখবে হিংসাস্থল

ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগের তদন্তভার এখন সিবিআইয়ের হাতে। সূত্রের খবর, তদন্তের সুবিধার্থে প্রথমেই গোটা রাজ্যকে চারটি জ়োনে ভাগ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার চারটি দল রাজ্যে আসার পর এই জ়োন ধরেই তদন্ত করবে। শুক্রবারই চার দলের দায়িত্বে থাকা জয়েন্ট ডিরেক্টরদের ভার্চুয়াল বৈঠক।সূত্রের খবর, পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণ এই চার ভাগে রাজ্যকে ভাগ করবে সিবিআই। এরপর যে সমস্ত জায়গা থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছে, তা ঘুরে দেখবে দলগুলো। কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টকে এই তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও সূত্রের দাবি। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলবে। আগামী সোমবার বা মঙ্গলবারই রাজ্যে আসতে চলেছে সিবিআই। উল্লেখ্য, গত ১৯ অগস্টই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্ত করবে সিবিআই। একইসঙ্গে গঠন করা হয় সিট। পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চের নির্দেশ, আদালতের নজরদারিতে খুন, ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। অন্যান্য অভিযোগের তদন্ত করবে সিট। সিটের তদন্তের নজরদারিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।আরও পড়ুনঃ বার্লার পাশে দাঁড়িয়ে সুর বদল দিলীপের এই নির্দেশ মিলতেই দিল্লিতে তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। শুক্রবারই এ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে চারটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে সিবিআই। প্রতি দলের নেতৃত্বে রাখা হচ্ছে জয়েন্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার একজন অফিসারকে। এছাড়াও বিশেষ তদন্তকারী দলে রাখা হচ্ছে ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার অফিসারদের। সূত্রের খবর, লখনউ, পাটনা, দিল্লি ও দেহরাদুনের সিবিআই অফিসারদের নিয়ে গড়া হয়েছে এই বিশেষ দল। চারটে দলে আট জন করে আধিকারিক থাকছেন। প্রত্যেক টিমে এক জন করে এসপি পদমর্যাদার মহিলা আধিকারিকও থাকছেন।

আগস্ট ২১, ২০২১
দেশ

Post Poll violence: ৪ রাজ্যের অফিসারদের নিয়ে গঠিত সিবিআইয়ের বিশেষ দল

কলকাতা হাইকোর্টে সবুজ সংকেত মিলতেই দিল্লিতে শুরু হয়ে গিয়েছে তৎপরতা।এ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে চারটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করল সিবিআই। সূত্রের খবর, প্রতি দলের নেতৃত্বে থাকবেন জয়েন্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার এক অফিসার। এছাড়াও বিশেষ তদন্তকারী দলে রাখা হচ্ছে ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার অফিসারদের। লখনউ, পাটনা, দিল্লি ও দেরাদুনের সিবিআই অফিসারদের নিয়ে গড়া হচ্ছে এই বিশেষ দল। গতকালই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে এ রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্ত করবে সিবিআই। তদন্তে নজরদারি করবে উচ্চ আদালত।আরও পড়ুনঃ দেশের সাধারন মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহে নেমেছেন আফগান ক্রিকেটার রশিদ খানপাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে নির্দেশ আদালতের নজরদারিতে, খুন, ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই বলে বৃহস্পতিবার নির্দেশ দিয়েছে। অনান্য অভিযোগের তদন্ত করবে সিট। নজরদারিতে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।ভোটের পর শাসকদলের মদতে বিরোধীদের ওপর হিংসা, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ, ওঠে। কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় একাধিক মামলা। আদালতের নির্দেশে রাজ্য ঘুরে রিপোর্ট দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কমিটি। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি-সহ পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে ৩ অগস্ট শুনানি শেষ হয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
রাজ্য

Post-poll Violence: বড় খবর: ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অন্য ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে সিট গঠনের নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট। খুন, ধর্ষণ, গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্তে সিবিআই। তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ। ছসপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ। গত ৩ অগস্ট এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চে। এই মামলায় প্রথম থেকেই পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে রিপোর্ট তৈরি করে তা আদালতে জমা দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। কিন্তু সেই রিপোর্টে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলে রাজ্য। কমিশনের রিপোর্টে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানায় আদালত। এমনকী, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্যও রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ। দুই তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও পার্থ ভৌমিক এই মামলায় যুক্ত হতে চেয়েছিলেন। তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেভাঙচুর করা, আগুন লাগানো, মারধর করা, ঘরছাড়া করার মতো অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় সিট গঠন করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তিন আইপিএস আধিকারিক সুমনবালা সাহু, সৌমেন মিত্র এবং রণবীর কুমারের নেতৃত্বে গঠিত হবে সিট। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নজরদারিতে কাজ করবে সিট। সেই রিপোর্টও ছসপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে বলে এদিন নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট

আগস্ট ১৯, ২০২১
রাজ্য

Bangladeshi Infiltrator: বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশ

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী এক যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। ধৃতের নাম ওসমান আলি। তার বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা ডিভিশনের ঝেরাইদাহ জেলার কোটচাঁদপুর থানার কাগমারি গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ শনিবার বিকেলে ভাতার বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়াই যুবক কিভাবে এবং কি উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশ করেছে তার তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিভাতার থানার ওসি প্রনব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, লাল গেঞ্জি ও নীল সাদা চেক লুঙ্গি পরিহিত ওই যুবক শনিবার বিকেলের দিকে ভাতার বাজার এলাকায় উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। তার কথাবার্তাও এদেশের বাসিন্দাদের মতো নয়। সন্দেহ হওয়ায় তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। জেরায় যুবক স্বীকার করে তার বাড়ি বাংলাদেশে। সে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে । তারপরেই অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুবক কি ভাবে ও কি উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকেছে তা জানার জন্য ধৃতকে পুলিশি হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Pegasus Row: বড় খবর: দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতার

ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করল রাজ্য সরকার। সোমবার দিল্লি যাওয়ার আগে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ কথা ঘোষণা করেন। দুই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে এই কমিশন গঠন করেছে রাজ্য সরকার।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করেছি আমরা। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অবসপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লকুর ও হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এই তদন্ত কমিশনের দায়িত্বে থাকবেন। এনকোয়্যারি অ্যাক্ট (১৯৫২)-এর আওতায় এই কমিশন গঠন করা হয়েছে। প্রথম কোনও রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে গঠিত হল তদন্ত কমিশন। মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে কমিশন গঠনের প্রস্তাবে সিলমোহর পড়ল। কমিশনের দায়িত্বে রয়েছেন ২ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। এদিন কেন্দ্রকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি না জাগে, তাঁকে জাগাতে হয়। আশা করব আমাদের পদক্ষেপ বাকিদেরও জাগিয়ে তুলবে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলউল্লেখ্য, আজ দুপুরেই দিল্লি উড়ে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজধানীতে একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তবে, দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে সোমবার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই এই বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে চাঁচাছোলা ভাষায় কেন্দ্রকে তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পেগাসাস ব্যবহার করে সাংবাদ মাধ্যম, আইনজ্ঞ মহল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নাগরিক সমাজকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে সংসদ চলাকালীন আমরা ভেবেছিলাম, সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চয়ই তদন্ত করাবে। সেক্ষেত্রে মানুষ বিচার পাবে। কিন্তু আমরা যখন দেখলাম সরকারের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। তখন দিল্লি যাওয়ার আগে আমি বিচার বিভাগীয় কমিশন তৈরি করে দিলাম।

জুলাই ২৬, ২০২১
কলকাতা

Golfgreen: ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?

ছাদ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু এক বৃদ্ধার। দক্ষিণ কলকাতার গল্ফগ্রিনের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। তবে মৃত্যুর অন্য কারণও থাকতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের। তদন্ত শুরু করেছে গল্ফগ্রিন থানার পুলিশ।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে গল্ফগ্রিনের রাসা রোডে। মৃতার নাম বিনীতা মুখোপাধ্যায়। বয়স ৬২ বছর। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বৃদ্ধার ছেলে ও ছেলের বউ লখনউয়ে থাকেন। ফলে বাড়িতে একাই থাকতেন বৃদ্ধা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রতিবেশীরা কিছু একটা পড়ার শব্দ পান। তাঁরা বেরিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধা রাস্তায় পড়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ হাসপাতালে নিয়ে গেলে বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েপুলিশ জানিয়েছে, দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে তবেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বোঝা যাবে। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, একা থাকায় মানসিক অবসাদে ঝাঁপ দিয়ে থাকতে পারেন বৃদ্ধা। তবে তাঁর দেহ রাস্তায় যতটা দূরে পড়ে ছিল সেটা দেখেই ধন্ধে পুলিশ। তাঁকে কেউ ছাদ থেকে ধাক্কা মেরেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃদ্ধার বাড়িতে কেউ ঢুকেছিল কি না সে বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Devanjan Dev's Bodyguard: দেবাঞ্জনের দেহরক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি! তদন্ত চায় তৃণমূল

গতকালই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ভূয়ো টিকাকাণ্ডে আরও ছবি থাকতে পারে। থাকলে তা শীঘ্রই প্রকাশ পাবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভূয়ো করোনা টিকাকরণে অভিযুক্ত ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি প্রকাশ্য আনল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় ওই ছবি দেখিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কার কাছে যেত খাম ও সঙ্গে উপহার? তাও তদন্তকারী দলকে খতিয়ে দেখতে বলবে তৃণমূল কংগ্রেস। জানিয়ে দিলেন সুখেন্দুবাবু। আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনবৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী অরবিন্দ বৈদ্যর দুটি ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর দেখানো একটি ছবিতে অরবিন্দকে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের সঙ্গে, আরেকটি ছবিতে অরবিন্দ রাজ্য জগদীপ ধনকরের পরিবারের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, এই অরবিন্দ দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মী। তিনি কী করে রাজ্যপালের ব্যক্তিগত পরিসরে থাকতে পারেন। ওই ছবিতে সবাই রয়েছেন হাসিমুখে। তাঁদের পিছনেই অরবিন্দ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতি শুধু ছবি দেখিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। সুখেন্দুবাবু বলেন, এই নিরাপত্তা কর্মীর মাধ্যমে বিশেষ ব্যক্তির কাছে খাম যেত, যেত কিছু উপহারও। ইতিমধ্যে ভূয়ো টিকার তদন্তে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি দেখা গিয়েছিল দেবাঞ্জন দেবের। এবার রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর ছবি সামনে আনায় বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশসুখেন্দুশেখর বলেন, রাজভবনে যিনি আলোকিত করে বসে আছেন তাঁর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীকে। তদন্তকারী সংস্থার গোচরে আনতে চাই বিষয়টা। আমরা চাই সমস্ত তথ্য উঠে আসুক। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, টিকাকাণ্ডের সঙ্গে মানুষকে যাঁরা অসুবিধায় ফেলতে চেয়েছেন তিনি যত গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন রেহাই পাবেন না। এই ছবি যদি সত্যি হয় তাহলে তা দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর। জৈন ডায়েরির পাতায় জগদীপ ধনকড়ের নাম ছিল এদিনও দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন রাজ্যপাল পদে যোগ দেওয়ার পর থকেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে জগদীপ ধনকরের। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন একেবারে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে গিয়েছে। তৃণমূল নেতার দাবি, সুরেন্দ্র জৈন হাওলাকাণ্ডের মাথা ছিলেন। পরশু দিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে আর তারপর ৪৮ ঘণ্টা নীরব রয়েছেন রাজ্যপাল। জমি কেলেঙ্কারিতেও তিনি জড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, এত দুর্নীতির অভিযোগ কোনও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ছিল না। এমন অভিযুক্ত লোককে রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করা উচিত নয়। অবিলম্বে বরখাস্ত করা প্রয়োজন। এবিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করব। পাশাপাশি দুই সংসদে আইন অনুযায়ী পন্থা নেব।

জুলাই ০১, ২০২১
রাজ্য

Burn Dead Body: আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশ

অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার নগ্ন, আধপোড়া মৃতদেহকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমানের কাঞ্চননগরে। বর্ধমান পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চননগরের মালিপাড়া কদমতলা এলাকায় মাঠের মধ্যে এই মহিলার মৃতদেহ পরে থাকতে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় মানুষজনের নজরে আসে এই মৃতদেহ। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে বর্ধমান থানার পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিদামোদরের পাশে মাঠের ধারে পড়েছিল দেহটি। মৃতদেহ মহিলার অনুমান করা গেলেও এমনভাবে পুড়েছে যে শনাক্ত করাই মুশকিল। পুলিশের অনুমান, প্রমান লোপাটের জন্য এমন কাজ করা হতে পারে। এলাকাবাসীদের অনুমান বাইরে থেকে খুন করে নিয়ে এসে এখানে মৃতদেহ ফেলে পালিয়েছে দুস্কৃতিরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশিস ঘোষ বলেন, খবর পেলাম এখানে এক মহিলার মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। দেহের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। এসে দেখলাম গলায় একটা ফাঁস রয়েছে। নগ্ন দেহ। স্থানীয় বলে মনে হচ্ছে না। এখানে এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি। এই মাঠে রাতে ছেলেমেয়েরা আড্ডা দেয়। সম্ভবত এখানে দেহটি ফেলে দিয়ে গিয়েছে। কারণ, এখানে কেউ কোনও চিৎচার চেঁচামেচি বা আওয়াজ পায়নি।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

Gun fire at Santragachi: সাঁতরাগাছির বহুতল আবাসনে গুলি

হাওড়ার সাঁতরাগাছি এলাকার বহুতল আবাসনের এক ফ্ল্যাটে চলল গুলি। শুক্রবার সকালে দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এসে গুলি চালায়। গুলিচালনার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় আবাসনে। অভিযোগ, এদিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পেশায় রেলকর্মী সুনীল কুমার বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে গুলি চালান হয়। দুষ্কৃতীরা তাঁর ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে মোট ২ রাউন্ড গুলি চালায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। এই ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন স্যানচুয়ারি ভিউ অ্যাপার্টমেন্টে। সাঁতরাগাছি থানার পুলিশ ওই রেলকর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গুলি চালানোর বিষয়ে রেলের সিনিয়র প্যাসেঞ্জার গার্ড নন্দকিশোর রাম জানিয়েছেন, এদিন সকালে লোকো ইন্সপেক্টর এস কে বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে করে গুলি চলে। একটা গুলি দরজা ভেদ করে চলে যায়। তারপর দরজা খুললে আরও একটা গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সেই গুলি ঘরের ভেতরে চলে যায়। দুই রাউন্ড গুলি চলেছিল। কেন গুলি চালানো হল তা জানা যায়নি। আরও পড়ুনঃ কসবা-কাণ্ডে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে এফআইআরঅন্যদিকে, হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝারখারিয়া জানিয়েছেন, এটা গুলি চালানোর ঘটনা। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ দুজন লোক বাইকে করে এসে গুলি চালায়। পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা, আর তার জন্যই গুলি চালনা বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। যারা এই কাজ করেছে তারা রেলওয়ে কর্মী নয়, তবে রেলের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে মনে করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই তদন্তে কিছু তথ্য হাতে এসেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

চিটফান্ড-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের নজরে এবার পার্থ-মদন

এবার আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠাল সিবিআই। আগামী সপ্তাহে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের মহাসচিবকে। জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি এখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। অন্যদিকে, সারদা-কাণ্ডে এবার কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রকে তলব করল ইডি। আগামী সপ্তাহে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আগামী ১৮ তারিখ সিজিও কমপ্লেক্সে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবিষয়ে মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানিয়েছেন, এখনও কোনও নোটিস তাঁর কাছে পৌঁছয়নি। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ শুক্রবার বাঁকুড়ার তালডাংরার বিধায়ক সমীর চক্রবর্তীকে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। দিন দুয়েক আগেই আইকোর মামলায় তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইঞাকে নোটিস পাঠায় সিবিআই। জিজ্ঞাসবাদের জন্য অতি শীঘ্রই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই সময় সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছিল, আইকোরের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দেখা গিয়েছিল মানস ভুঁইঞাকে। তিনি আইকোরের সমর্থনে একাধিক বক্তব্যও রেখেছিলেন। এছাড়াও আইকোর-কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তিকে জেরা করায় উঠে আসে মানস ভুঁইঞার নাম। সেই কারণেই তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ই আরও একাধিক প্রভাবশালীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

মার্চ ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সুপ্রিম কোর্টে আজ আই-প্যাক মামলা: মমতার ভূমিকা নিয়ে কড়া প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভবনা

বহুল চর্চিত আই-প্যাক (I-PAC) মামলার শুনানিতে আজ ফের সরগরম হয়ে সম্ভবনা ওঠার সম্ভাবনা সুপ্রিম কোর্ট। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বান্দ্যোপাধ্যায়-র ভূমিকা নিয়ে আদালতের কড়া পর্যবেক্ষণ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতায় আই-প্যাকের দফতর ও কর্ণধারদের বাড়িতে তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজে সেখানে গিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতে মামলা চলছে।এর আগে শুনানিতে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি এন.ভি. আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানায়, কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্ত চলাকালীন সরাসরি সেখানে উপস্থিত হয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হতে পারে। আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এটি আইনের শাসন ও তদন্তের স্বাধীনতার প্রশ্ন।ইডির তরফে সলিসিটর জেনারেল আদালতে দাবি করেন, আই-প্যাকের তল্লাশির সময় শুধু তদন্তে বাধা দেওয়া হয়নি, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক তথ্যও সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য, এর ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা চায়, এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হোক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করা হোক।অন্যদিকে, সরকারের বদল হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা আদালতে কি দাবি করেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় আম জনতা। এর আগে তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা জানান, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি ছিল রাজনৈতিকভাবে প্ররোচিত অভিযানের প্রতিবাদ হিসেবে। তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ভিত্তিহীন। রাজ্যের দাবি ছিল, ইডি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ইস্যুকে বড় করে দেখাতে চাইছে।শুনানির এক পর্যায়ে আদালত মন্তব্য করে, এ ধরনের পরিস্থিতি সংবিধান প্রণেতারাও কল্পনা করেননি। এই মন্তব্য ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, আগামী শুনানিতে আদালত মামলার গ্রহণযোগ্যতা এবং তদন্তের পরবর্তী দিকনির্দেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানাতে পারে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

মে ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সবুজ-মেরুনের অভিভাবকের বিদায়: প্রয়াত টুটু বসু, শোকে স্তব্ধ ময়দান

কলকাতার ফুটবল মহলে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মোহনবাগানের এই প্রাক্তন সভাপতি ও প্রাক্তন সাংসদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।সোমবার সন্ধ্যায় আচমকাই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন টুটু বসু। দ্রুত তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মঙ্গলবার গভীর রাতে চিরবিদায় নিলেন সবুজ-মেরুনের এক স্বর্ণযুগের নির্মাতা।ময়দানের ইতিহাসে টুটু বসুর নাম উচ্চারিত হবে শ্রদ্ধার সঙ্গে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)-এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল আত্মার মতো গভীর। ১৯৯১ সালে ক্লাবের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে বদলে দেন মোহনবাগানের ভবিষ্যৎ। তাঁর হাত ধরেই ক্লাবে প্রথম বিদেশি ফুটবলার হিসেবে এসেছিলেন নাইজিরিয়ান ফুটবলার চিমা ওকেরি কে যা সে সময় ছিল সাহসী এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।পরবর্তীতে সভাপতির আসনে বসে আরও বড় পরিবর্তনের পথ খুলে দেন তিনি। শিল্পপতি সাঞ্জীব গোয়েঙ্কা-র হাতে ক্লাবের মালিকানার দায়িত্ব তুলে দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের কর্পোরেট যুগে প্রবেশ করান মোহনবাগানকে। যদিও এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) নামকরণ ঘিরে বিতর্ক হয়েছিল প্রবল, তবু ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।শুধু ক্রীড়া প্রশাসক নন, টুটু বসুর পরিচয় বিস্তৃত ছিল রাজনীতি ও ব্যবসার জগতেও। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress)-এর হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম ও ব্যবসায়ও ছিল তাঁর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি।দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি। হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ফলে সক্রিয় প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে তিনিই ছিলেন ক্লাবের অভিভাবক।মাত্র গত বছরই মোহনবাগান দিবসে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল ক্লাবের সর্বোচ্চ সম্মান মোহনবাগান রত্ন। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি, বাইচুং ভুটিয়া, আই.এম. বিজয়ন, হোসে রামিরেজ ব্যারেটো-সহ বহু তারকা। সেই মঞ্চেই যেন শেষবারের মতো সবুজ-মেরুন পরিবার তাঁকে জানিয়েছিল শ্রদ্ধা।বর্ষীয়ান সবুজ-মেরুন সমর্থকদের কথায়, টুটু বসুর প্রয়াণে শুধু একজন প্রশাসকের মৃত্যু নয়, শেষ হল মোহনবাগানের এক গৌরবময় অধ্যায়। তাঁর বিদায়ে আজ শোকে স্তব্ধ গোটা ময়দান।

মে ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত, বাতিল নিট ইউজি পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই বাতিল করে দেওয়া হল নিট ইউজি পরীক্ষা। গত ৩ মে দেশজুড়ে ডাক্তারি পড়ার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। প্রায় তেইশ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার পর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সোমবার বিষয়টি আরও বড় আকার নেয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নিট ইউজি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।তদন্তে উঠে এসেছে, রাজস্থানে পরীক্ষার অন্তত এক মাস আগে কিছু পড়ুয়ার হাতে একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিশাল বনশন জানিয়েছেন, ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে মোট চারশো দশটি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পরে দেখা যায়, তার মধ্যে একশো কুড়িটি রসায়নের প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, উত্তরের বিকল্পও একই ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।অন্য একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের মোট দুশো একাশি প্রশ্নের মধ্যে একশো পঁয়ত্রিশটি প্রশ্ন আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরীক্ষার দিন কবে ঘোষণা করা হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরা।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা, ভিতরে যা মিলল তাতে হতবাক সবাই

শিবপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ শামিম ওরফে বরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চমকে উঠল পুলিশ। বাইরে থেকে সাধারণ বাড়ি মনে হলেও ভিতরে ঢুকতেই সামনে আসে একের পর এক গোপন ব্যবস্থা। বাড়ির ভিতরে রয়েছে একাধিক সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নীচের ফ্লোরে। সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ঘর। দামী কাঠের আসবাব, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা, ফ্রিজ-সহ নানা আধুনিক সুবিধায় সাজানো এই বাড়ি দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।জানা গিয়েছে, হাওড়া পুরসভার ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সামিমা বানোর স্বামী মহম্মদ শামিম। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শিবপুরে বিজেপির জেলা সংখ্যালঘু মোর্চার আহ্বায়কের বাড়িতে হামলা, গুলি ও বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে শামিমের নাম সামনে আসে।বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পলাতক ছিলেন শামিম। শুক্রবার তাঁর খোঁজে শিবপুরে বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই এই বিলাসবহুল বাড়ির ভিতরের ছবি সামনে আসে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার এমন জীবনযাপন দেখে বিস্মিত তদন্তকারীরাও।যদিও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও শামিমের খোঁজ মেলেনি। তিনি এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এর আগেও একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। শিবপুরে রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। বিজেপির অভিযোগ, সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal