• ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death

রাজ্য

Women Murder: মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশ

কোমরের পুঁটুলির মধ্যে থাকা কাগজের টুকরোয় লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই মুখ থেঁতলে প্রাণে মেরে দেওয়া মহিলার পরিচয় উদ্ধার করতে সক্ষম হল। রবিবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশ বাগান থেকে পুলিশ মুখ থেঁতলানো এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাত দেহ উদ্ধার করেছিল। মঙ্গলবার পুলিশ জানতে পেরেছে ওই মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি (৪৭)। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা জেলার মেমারি থানার নিমো ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। যদিও কারা, কি উদ্দেশ্যে মহিলাকে খুন করলো সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। খুনের মামলা রুজু করে পুলিশ মহিলার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। পুলিশের দাবি খুব শীঘ্রই ধরা পড়বে খুনিরা।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দির সংলগ্ন সেচ ক্যানেল পাড়ে রয়েছে বাঁশ বাগান। রবিবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা ওই বাঁশ বাগানে এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়। মহিলার মুখের অংশ থেঁতলানো ছিল। তাঁর কারণে কেউ মহিলার পরিচয় জানাতে পারছিলেন না। ওই দিন প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিৎ হয় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন করে কেউ মৃতদেহ বাঁশ বাগানে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। এরপরেই পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালায়।আরও পড়ুনঃ এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতাএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকা থেকে যে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল সেই মহিলার ছবি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও মহিলার কোমরের মধ্যে থাকা পুঁটুলি থেকে উদ্ধার হয় একটি কাগজের টুকরো। ওই কাগজে কিছু ফোন নম্বার লেখা ছিল। সেই ফোন নম্বারের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে মহিলার পরিচয় উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। মহিলার স্বামীর নামও জানা গিয়েছে। পরিবারের লোকজন এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করে এসেছেন। খুব শীঘ্র মহিলাকে খুনের ঘটনায় জড়িতরাও ধরা পড়বে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চিকিৎসাধীন রোগীর তান্ডবের হিসেব-নিকেশ, ১৫ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্টপলশা গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, সাধন মাণ্ডির বাড়ি পলশা গ্রামের সাপার পাড়ায়। সাধন মাণ্ডি পেশায় ট্র্যাক্টর চালক। তাঁরই দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোনও সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান। একজনের বয়স ১৫-১৬ বছর। অপর জনের বয়স ১২-১৩ বছর হবে।সুখীর বড় ছেলে সম্প্রতি নিজের পছন্দের ময়েকে বিয়ে করেছে। স্থানীয়রা জানান, সুখী সাপার পাড়ায় থাকতেন না। তিনি থাকতেন নবস্তা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অপর গ্রাম গাঙ্গুয়ায়। পারিবারিক অশান্তির কারণে মহিলা খুন হয়েছেন নাকি খুনের ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোন কারণ রয়েছে তা এলাকাবাসীর কাছেও পরিস্কার নয়। পুলিশ মহিলাকে খুনের কারণ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

বন্ধুদের সঙ্গে ভাগীরথীতে স্নান করতে নেমে ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তৈরি হল রহস্য

বন্ধুদের সঙ্গে ভাগীরথী নদীতে স্মান করতে নেমে এক ছাত্রের মারা যাওয়ার ঘটনা নিয়ে তৈরি হল রহস্য । মৃত ওই ছাত্রের নাম রিক রায়(১৬)।তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনার সুবর্ণনগর কলোনীতে।সে স্থানীয় বিদ্যালয়ে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল ।ভাগীরথীতে স্নান করতে নেমে রিক তলিয়ে যায় বলে তাঁর বন্ধুরা দাবি করলেও ছাত্রের পরিবার তা মানতে চায়নি। আর তার কারণেই ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য । ময়নাতদন্তের জন্য ছাত্রের মৃতদেহ শনিবার পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশের দাবি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই ছাত্রের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে । তার ভিত্তিতেই নেওয়া হবে পরবর্তী পদক্ষেপ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজোর দিন দুপুরে ছাত্র রিক তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যায়।পরে সে বাড়ির ওই বন্ধুদের সঙ্গেই আবার কালনার ভাগীরথী নদীতে স্নানও করতে যায়।বন্ধুদের দাবি স্নান চলাকালীন অবস্থায় রিক নদীর জলে তলিয়ে যায় ।যদিও ছাত্রের পরিবারের অভিযোগ রিকের বন্ধুরা এই ঘটনার কিছুই তাঁদের বাড়িতে জানায় নি । সব চেপে যায় । অন্য মাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁরা নদীতে গিয়ে রিকের খোঁজ চালান। পাশাপাশি বিপর্যয় ব্যবস্থাপন দপ্তরের টিমও ভাগীরথীতে রিকের খোঁজ চালায়।কিন্তু ওই দিন রিকের কোন হদিশ মেলে নি । শনিবার সকালে ফের ভাগীরথীতে রিকের খোঁজ চালানো শুরু হয় । বেলা ১০ টা নাগাদ উদ্ধার হয় ছাত্র রিকের মৃতদেহ।মৃত ছাত্রের বাবা গোপাল রায় এদিন বলেন,বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যাচ্ছি বলে রিক বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল ।বন্ধুরা পরে যে যার বাড়ি ফিরে গেলেও রিকের ব্যাপারে তাঁরা কোন খবর তাঁদের জানায়নি। পরে একজন বয়স্ক লোকের কাছ থেকে তাঁরা রিকের ব্যাপারে খবর পান ।গোপালবাবু বলেন , বন্ধুরা কেন সব ঘটনা চেপে গেল সেটাই তাঁদের কাছে রহস্য জনক লাগছে । তাই ঘটনার বিষয়ে তিনি পুলিশের কাছে আভিযোগ জানানোর দিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Maldah Child death: মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক

বুধ এবং বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শুকনো কাশির সমস্যা নিয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে একজনের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের রাজমহলে। অন্যজন মালদহের ভুতনি এলাকার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। চিকিৎসার তেমন সুযোগ মেলেনি বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এই নিয়ে গত তিন দিনে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৫ শিশুর মৃত্যু হল। এই মুহূর্তে ওই হাসপাতালে আরও ১৭৮ জন শিশু সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাধীন। আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশবুধবার রাতে দুজন এবং বৃহস্পতিবার সকালে একজন শিশু মারা গিয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মৃত তিন শিশুই সদ্যজাত ছিল। কারও বয়স ৭ বছর, কারও বয়স ৫ বছর। তাদের শুকনো কাশি ও শ্বাসকষ্টও ছিল। শিশুদের এই জ্বরের চিকিৎসা করতে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ কতৃপক্ষ। শিশুদের জ্বর মোকাবিলার জন্য ইতিমধ্যেই পাঁচ বিশেষজ্ঞের কমিটি গঠন করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞরা শুক্রবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। শিশুমৃত্যু নিয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের প্রধান সুষমা সাউ বলেছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে মোট পাঁচ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দুজন করে এবং শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত এক জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী শিশুদের চিকিৎসা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Teacher Hanged: ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

দরজা বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ। মৃতার নাম সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্য বয়স্ক শিক্ষিকার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের প্রফেসার কলোনিতে। বুধবার রাতে কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার বাড়ির একটি ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায় কালনার একটি মাদ্রাসা স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া মৃতার ছেলে সম্ভ্রম বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানায়, সে পড়াশোনা গাফিলতি করায় গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর মা রেগে যায়। মায়ের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। তার পরেই তাঁর মা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। সম্ভ্রম বলেন ,এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর ঘরের দরজা খুলে আর বাইরে হয় না। তাঁর মা কোন সাড়া শব্দও দিচ্ছিল না। এই ভাবে মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে যাবার পর বুধবার সাকালে ফের দরজা ধাক্কাধাক্কি করও সম্ভ্রম তাঁর মায়ের সাড়া পায়নি। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সম্ভ্রম কলকাতায় তাঁর মামার বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনা মামাদের খুলে বলে। বুধবার রাতে মামাদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভ্রম কালনা থানায় গিয়ে পুলিশকে ঘটনার কথা জানায়। কালনা থানার পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুনন্দাদেবীর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। প্রাথমিক ভাবে এটি একটি আত্মহত্যায় ঘটনা বলেই পুলিশের অনুমান। তবে পাড়া প্রতিবেশীকে কিছু না জানিয়ে সম্ভ্রম কেন কলকাতায় মামার বাড়িতে গেল তাঁদেরকে ঘটনার কথা জানালো সেই বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sara Harding : প্রয়াত মার্কিন গায়িকা সারা হার্ডিং

ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত মার্কিন গায়িকা সারা হার্ডিং। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৯ বছর। তাঁর মা ম্যারি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে এই দুঃসংবাদটা জানান। লেখেন,খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আমার সুন্দরী কন্যা সারা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। অনেকেই জানেন যে সারা ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিল এবং শেষ দিনের চিকিৎসা পর্যন্ত ও লড়াই চালিয়ে যায়। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।১৯৮১ সালের ১৭ নভেম্বর বার্কশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন সারা। পরে ম্যাঞ্চেস্টারের স্টকপোর্টে স্থানান্তরিত হন তিনি। সারার মৃত্যুতে পপস্টারঃ দ্য রাইভালস এর বিচারক জেরি হরনার টুইট করে লেখেন,শান্তিতে ঘুমাও সারা হার্ডিং। টিভির সঞ্চালক ডেভিনা ম্যাকল টুইট করে লেখেন,এই খবরটা পেয়ে খুবই দুঃখিত। তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের জন্য রইল অনেক ভালোবাসা। তাঁর প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড ক্যালাম বেস্ট লেখেন,তোমাকে আমি মিস করবো। তোমার মায়ের জন্য অনেক ভালোবাসা রইল। জেএলএসের সঙ্গীতশিল্পী অরিটস উইলিয়ামস জানান,আমাদের যখন দেখা হল খুবই ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। খুব ভালো একজন ব্যক্তিত্ব।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Death : পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধু

বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে গিয়ে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতর নাম সৌরভ অধিকারী(১৯)। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কোলে মল্লিকাপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে বৃহস্পতিবায় মেমারির নুদিপুরে পিকনিক করতে যান। এদিন হগলীর বৈঁচির সেচখাল থেকে উদ্ধার হয় সৌরভের মৃতদেহ। সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ এনেছেন তাঁর পরিবার। এদিনই যুবকের মৃত দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। মেমারি থানার পুলিশ যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে তাঁর তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবক সৌরভ বৃহস্পতিবার তাঁর চার বন্ধুর সঙ্গে পিকনিক করতে বেরহয়। পিকনিক করার জন্য ওইদিন তাঁরা মেমারির নুদিপুরে ডিভিসির সেচ ক্যানেলের লকগেট সংলগ্ন এলাকায় যায়। তার পর থেকে রাত অবধি সৌরভের আর কোন খোঁজ পাননা তাঁর পরিবার। সৌরভের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার কারণ নিয়ে তাঁর পরিবারকে বন্ধুরা নানারকম কথা বলে বলে অভিযোগ। তা নিয়েই তৈরি হয় রহস্য। যুবকের হদিশ পেতে তাঁর পরিবার রাতেই মেমারি থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। এদিন সকাল থেকে মেমারি থানার পুলিশের উপস্থিতিতে ডুবুরি নামিয়ে নুদিপুরে সেচ খালে শুরু হয় তল্লাশি। তারই মধ্যে বেলায় হুগলির পাণ্ডুয়া থানার অন্তর্গত বৈচির সেচ খালের লকগেটের কাছে এক যুবকের মৃতদেহ ভাসতে থাকার খবর আসে পুলিশের কাছে। মেমারি থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে যুবকের পরিবার বৈঁচি পৌছে দেখেন সেখানকার ক্যানেলের জলে সৌরভের মৃতদেহ ভাসছে। এর পরেই সৌরভের পরিবার অভিযোগ করে সৌরভকে পরিকল্পনা করে প্রাণে মারা হয়েছে। সৌরভের মৃত্যুর জন্য তাঁর আত্মীয় মিলন আধিকারী সৌরভের বন্ধুদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মেমারি থানার পুলিশ সৌরভের তিন বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।পুলিশ যদিও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই যুবকের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Siddharth: সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পর ভালো নেই শেহনাজ, সানা

একটা মৃত্যু। আর সেটাই যেন তছনছ করে দিয়েছে শেহনাজ গিলের জীবন। সিদ্ধার্থ শুক্লার আকস্মিক প্রয়াণের খবর পাওয়ার পর যাবতীয় শুট বন্ধ করেছেন তিনি। পরিবার সূত্র মারফত এমনটাই জানা গেছে। একদম ভেঙে পড়েছেন একেবারেই, জানিয়েছেন শেহনাজের বাবা। এক সূত্র মারফত্ এও জানা গেছে বুধবার রাতে সিদ্ধার্থের পরিবারের সঙ্গেই তাঁর বাড়িতেও ছিলেন শেহনাজ। এরকমটা যে হতে পারে কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি।এক সংবাদমাধ্যম শেহনাজের বাবা সন্তোখ সিং সুখের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কথা বলার মতো অবস্থাতেই একেবারেই নেই। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। তিনি জানান শেহনাজের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। একেবারেই ভাল নেই শেহনাজ। ইতিমধ্যেই শেহনাজের দাদা শেহবাজ মুম্বই আসছেন। দুঃসময়ে বোনকে আগলে রাখতেই তাড়াতাড়ি ফিরে আসছেন তিনি। অভিনেত্রীর বাবা জানিয়েছেন, তিনিও খুব শীঘ্রই মুম্বই আসবেন।এদিকে সিদ্ধার্থের আরও এক বন্ধু সানা খানও কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। অন্য এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। গুগলে বহুবার খবরটা রি-চেক করেছি। ভগবান ওঁর পরিবারকে শক্তি দিন। ও এত ভাল একজন মানুষ ছিল। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Siddharth Shukla : প্রয়াত সিদ্ধার্থ শুক্লা, শোকস্তব্ধ বলিউড

ভেঙে গেল সিডনাজের জুটি। বন্ধুত্বের বাঁধন আলগা করে দিয়ে মাত্র ৪০ বছর বয়সেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন ভারতীয় ছোটপর্দার অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক সিদ্ধার্থ শুক্লা। যে সম্পর্ক ধীর গতিতে এগিয়ে চলেছিল বিয়ের মণ্ডপের দিকে, তার স্মৃতি আপাতত শেহনাজ গিলের হৃদয়ে কাঁটা হয়ে থাকবে। তেমনই, মুম্বইয়ের কুপার হসপিটালের স্টাফদের কাছেও মর্মান্তিক হয়ে থাকবে অভিনেতার মৃত্যু। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া বলিউড ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে। অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছেন এই খবরটা। যখন অভিনেতাকে কুপার হসপিটালে নিয়ে আসা হয়েছে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর, ততক্ষণে তিনি প্রয়াত, তাঁর চিকিত্সার সেই অর্থে কোনও সুযোগই পাননি কুপার হসপিটালের স্টাফরা, বরং বেদনার ভার বুকে নিয়ে পরিবার এবং প্রিয়জনের কাছে উচ্চারণ করতে হয়েছে অপ্রিয় সত্য! অথচ, হসপিটাল স্টাফদের অনিঃশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েই স্তব্ধ হয়েছে সিদ্ধার্থের ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে। সিদ্ধার্থের এই সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলের এই পোস্ট হসপিটাল স্টাফদের উদ্দেশে নিবেদিত। পোস্টের সঙ্গে যে ছবি রয়েছে, সেখানে লাল জামায় হাস্যময় অভিনেতা যেন বলতে চাইছেন- আমায় ভুলো না! সেই সঙ্গে তাঁর হাতে যে প্ল্যাকার্ড রয়েছে, তার লেখাও বার্তা দিচ্ছে না ভুলে যাওয়ার-ই! প্ল্যাকার্ডে লেখা আছে- The Heroes We Owe, তার ঠিক নিচেই এক বহমান হৃদরেখা।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Buddhadeb Guha : প্রয়াত বিশিষ্ট সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ

করোনায় আক্রান্ত হন। তারপর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। শেষপর্যন্ত সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন আমাদের প্রিয় সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। রবিবার রাত ১১.২৫ মিনিটে মৃত্যু হয় তাঁর। বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।চলতি বছর এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব গুহ। দীর্ঘ হাসপাতালে থাকার পর সুস্থ হয়ে ফিরেছিলেন। চলতি মাসে শুরুতে ফের দেখা দেয় শারীরিক জটিলতা। শ্বাসনালি ও মুত্রথলিতে সংক্রমণ নিয়ে গত ৪ অগাস্ট তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। চার চিকিত্সকের বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চলছিল চিকিত্সা। তবে চিকিত্সায় তেমন সাড়া দিচ্ছিলেন না তিনি। স্থানান্তর করা হয়েছিল আইসিইউতে। রবিবার রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালা১৯৩৬ সালের ২৯ জুন কলকাতায় জন্ম বুদ্ধদেব গুহর। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের এই প্রাক্তণীর পেশাদার জীবন শুরু হয়েছিল চার্টার্ড অ্যাউন্ট্যান্ট হিসাবে। তাঁর প্রথম উপন্যাস জঙ্গলমহল। তাঁর অসংখ্য উপন্যাস বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ১৯৭৭ সালে আনন্দ পুরস্কারে সম্মানিত হন তিনি। তাঁর সৃষ্ট ঋজুদার মতো চরিত্র কিশোর-কিশোরীদের মনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shirshendu Mukhopadhyay : প্রয়াত শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী

প্রয়াত বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী সোনামন মুখোপাধ্যায়। শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার যোধপুর পার্কে নিজের বাড়িতেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। বহু বছর ধরে ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিল আরও নানারকম শারীরিক সমস্যাও। জানা গেছে,শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাত্ই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে তাঁর। সেইসময় বাড়িতেই ছিলেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় সহ তাঁর পরিবারের আর বাকি সদস্যরাও। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার দ্রুত তোরজোড় শুরু হয়ে যায়। এই সামান্য সময়ের মধ্যেই মৃত্যু হয় তাঁর। জানা গেছে, কেওড়াতলা মহাশ্মশানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সহধর্মিণী সোনামন মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ রাতে কলকাতায় প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে আশি- উত্তীর্ণা, সাহিত্য-অনুরাগিণী ও সাহিত্যব্রতী সোনামন মুখোপাধ্যায় সাহিত্যের রসাস্বাদনে পারঙ্গম ছিলেন। তিনি নিজেও সাহিত্যের আসরে স্বকীয় স্বাক্ষর রেখেছেন। এক সময় শিক্ষকতা ও সংগীতচর্চার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। আমার সঙ্গে তাঁর মধুর সম্পর্ক ছিল। তাঁর প্রয়াণ শিল্প ও সংস্কৃতি জগতে এক বিশেষ ক্ষতি। আমি শীর্ষেন্দুদাসহ সোনামন মুখোপাধ্যায়ের আত্মীয়-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

আগস্ট ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hakim Death : ভারতীয় ফুটবল জগৎ থেকে খসে পড়ল আরও এক অলিম্পিয়ান

করোনা কালে ভারতীয় ফুটবল হারিয়েছে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জিদের মতো কিংবদন্তীদের। এবার আরও এক তারা খসে পড়ল ভারতীয় ফুটবল থেকে। মারা গেলেন ভারতের ফুটবল অলিম্পিয়ান তথা প্রাক্তন জাতীয় কোচ সৈয়দ শাহিদ হাকিম। রবিবার কর্ণাটকের গুলবার্গার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২। হাকিম সাবএর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশের ফুটবল মহল।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যানদীর্ঘদিন ধরেই বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন সৈয়দ শাহিদ হাকিম। সম্প্রতি তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাঁকে গুলবার্গার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ভারতীয় ফুটবলের এই কিংবদন্তী। স্ত্রী ও দুই কন্যাকে রেখে গেলেন দেশের প্রাক্তন অলিম্পিয়ান ফুটবলার।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনের১৯৬০ সালের রোম অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দলের হয়ে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। বাবা আব্দুল রহিম ছিলেন বিখ্যাত কোচ। যিনি রহিম সাহেব নামে বেশি পরিচিত ছিলেন। যাঁর কোচিংয়ে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জি, তুলসীদাস বলরাম, জার্নেল সিংরা খেলেছিলেন। সার্ভিসেসের হয়ে ১৯৬০ সালের সন্তোষ ট্রফি জিতেছিলেন হাকিম সাব। শুধু ফুটবলার হিসেবেই নয়, রেফারি হিসেবেও শাহিদ হাকিম যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছিলেন। ফিফা প্যানেলভূক্ত প্রাক্তন রেফারি হিসেবে তিনি ১৯৮৮ সালের এএফসি কাপের একাধিক ম্যাচ পরিচালনাও করেছিলেন।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিকোচ হিসেবেও শাহিদ হাকিম নজর কেড়েছিলেন। ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে ভারতীয় ফুটবল দলের সহকারি কোচ ছিলেন। মারডেকা কাপে দেশের ফুটবল দলের হেড কোচের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। তাঁরই প্রশিক্ষণে ১৯৮৮১৯৮৯ মরসুমের ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রা ফুটবল ক্লাব। ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল। সালগাঁওকর, হিন্দুস্তান এফসির মতো ক্লাবকেও কোচিং করিয়েছেন সৈয়দ শাহিদ হাকিম। ২০০৪২০০৫ মরসুমে বেঙ্গল মুম্বই এফসিকেও তিনি কোচিং করিয়েছিলেন। ফুটবল প্রশিক্ষক হিসেবে সেটিই ছিল তাঁর শেষ কাজ।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীফুটবল ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০১৭ সালে সৈয়দ শাহিদ হাকিমকে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কারে (তৎকালীন রাজীব গান্ধী খেলরত্ন) ভূষিত করেছিল ভারত সরকার। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন স্কোয়াড্রন লিডার হাকিম সাব স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর পদের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৭ সালে ভারতে হওয়া অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবাল বিশ্বকাপের প্রোজেক্ট ডিরেক্টরের ভূমিকায় তাঁকে শেষবার স্বমহিমায় দেখা গিয়েছিল। সৈয়দ শাহিদ হাকিমের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছে এআইএফএফ, ভারতীয় ফুটবল দল, সাই সহ ফুটবল জগতের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য রথীমহারথীরা। প্রয়াত সৈয়দ হাকিমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এআইএফএফ সচিব কুশল দাস।

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

Monkey: দুর্ঘটনায় মৃত্যু পবননন্দন হনুমানের শেষকৃত্য সম্পন্ন হল রাজকীয় মর্যাদায়

রামচন্দ্রের একনিষ্ঠ ভক্ত হনুমানকে একজন দেবতা হিসাবেই মানেন হিন্দুরা। রামায়নের বর্ণনা অনুয়ায়ী হিন্দুদের কাছে হনুমান পবননন্দন হিসাবে পূজনীয়। এহেন হুনুমানের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়ায় যারপরনাই ব্যাথিত হয়ে পড়েছেন পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের মাঝেরগ্রাম এলাকার হিন্দু ধর্মপ্রাণ মানুষজন। তাঁরা দেবতা হনুমানের শেষকৃত্যেও তাই কোন খামতি রাখলেন না। রীতিমতো খোল করতাল বাজিয়ে হরিনাম সহযোগে ভাগীরথীর ঘাটে তাঁরা সম্পন্ন করলেন পবননন্দন হনুমানের শেষকৃত্য।ভক্তিভাবের এখানেই শেষ নয়। ধর্মীয় উপাচার মেনে হনুমানের পরলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন করবেন বলে গ্রামের বাসিন্দা ঝাঁপু তরি পরিধান করেছেন সাদা কাপড়ের কাছা। মাজের গ্রামের বাসিন্দারের হনুমানের প্রতি এমন ভক্তিভাব সাড়া ফেলে দিয়েছে হনুমান ভক্ত মহলে।আরও পড়ুনঃ ফাঁকা পড়ে থাকা ভারতীয় দূতাবাসে কী খুঁজছে তালিবান?মন্তেশ্বরের মাঝেরগ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামে হামেশাই হনুমানের আগমন ঘটে। গ্রামের যেখানে যা পায় তা খেয়ে হনুমানেরা অন্যত্র চলেও যায়। বৃহস্পতিবার বিকালে একটি হনুমান মালডাঙ্গা- মেমারির রোড ধরে স্থানীয় পুরগুনা মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময়ে একটি লরি হনুমানটিকে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই হনুমানটিআরও পড়ুনঃ তালিবানি আতঙ্কের মাঝেই কেঁপে উঠল আফগানিস্তানমারা যায়। হনুমানটির এমন মর্মান্তিক মৃত্যু প্রত্যক্ষ করে মাঝের গ্রামের বাসিন্দারা ব্যাথিত হন। এলাকার যুবক চিরঞ্জিত রায়, রাজু হাজরা, কৌশিক মাঝি প্রমুখরা সড়কপথ থেকে হনুমানটিকে উদ্ধার করে মাঝের গ্রাম বাজারে নিয়ে যান। তাঁরাই হনুমানের মৃত্যুর কথা জানায় স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান সুমন্ত রায়কে। এরপর উপ-প্রধান সহ গ্রামের সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা রাজকীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করবেন পবননন্দন হনুমানের শেষকৃত্য। সেই অনুযায়ী এদিন হনুমানটির শরীরের উপরে গেরুয়া কাপড় চড়িয়ে দিয়ে তার উপর ফুল ও মালা সাজিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সুগন্ধী ধূপ জ্বেলে খোল-করতাল বাজিয়ে হরিনাম সংকীর্তন সহযোগে হনুমানের মৃতদেহ কাঁধে চাপিয়ে নিয়ে চলে গ্রাম প্রদক্ষিন। এরপর গ্রামবাসীরা কালনার ধাত্রীগ্রামে ভাগীরথীর ঘাটে হনুমানের শেষকত্য সম্পন্ন করেন। দেবতা পবননন্দনের পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন করবেন বলে মাঝেরগ্রামের বাসিন্দা ঝাঁপু তুরি ভাগীরথীতে স্নান সেরে কাছাও পরিধান করছেন।আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফবাড়ি ফিরে ঝাঁপু তুরি বলেন, আমরা হিন্দুরা হনুমানকে প্রভু রামচন্দ্রের বিশ্বস্ত সহযোগী এক দেবতা হিসাবেই মানি। সেই শ্রদ্ধা রেখেই আমরা হনুমানের পরলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন করলাম। উপপ্রধান সুমন্ত রায় বলেন, এদিন হনুমানটির শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামী তিন দিনে হনুমানটির পারলৌকিক ক্রিয়া ধুমধাম করে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২০, ২০২১
রাজ্য

Mystery Death: দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্য মৃত্যু বধূর

দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যু হল এক বধূর। মৃতার নাম লীলা আগরওয়াল(৪৪)।ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার মাহাতা গ্রামে। ভাতারের মাহাতা গ্রামে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন লীলা আগরওয়াল ও তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় । বুধবার সকালে সেই ভাড়া বাড়ি থেকেই গৃহবধূ লীলার মৃতদেহ উদ্ধার করে ভাতার থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই বধূর মৃতদেহ পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ মর্গে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ বধূ মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লীলা আগরওয়ালের প্রথম পক্ষের স্বামীর বাড়ি বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের মিশন কম্পাউণ্ড এলাকায়। তাঁর প্রথম পক্ষের স্বামী রাজু আগরওয়ালের সেখানে একটি সাইকেল মেরামতির দোকান রয়েছে। লীলার এক ছেলে ও এক মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক। ছেলে আকাশ বোলপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী। মেয়ে প্রীতি আগরওয়াল বিবাহিতা। প্রীতি জানিয়েছেন, তাঁর মা বর্ধমান শহরে সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন। বিবাহিত সুদীপ্তবাবু ওষুধ সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করেন। ওই সময়েই তাঁর মা লীলাদেবীর সঙ্গে সুদীপ্ত বাবুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারপর দেড় বছর হল লীলাদেবী পাকাপাকিভাবে সুদীপ্তবাবুর কাছেই রয়ে যান। সুদীপ্তবাবুর এই কীর্তিকলাপ মেনে নিতে না পেরে তাঁর স্ত্রী সুদীপ্তবাবুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর থেকে সুদীপ্তবাবু ভাতারের মাহাতা গ্রামে বাড়ি ভাড়া করে সেখানে লীলাদেবীকে নিয়ে থাকতেন । প্রীতি আগরওয়াল বলেন, এদিন সকালে ওই ভাড়া বাড়ি থেকেই পুলিশ তাঁর মা লীলাদেবীর মৃতদেহ উদ্ধার করে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরমৃতার ছেলে আকাশ আগরওয়াল দাবি করেন, আমার মায়ের গলায় দাগ রয়েছে। তা দেখে আমার মনে হচ্ছে শ্বাসরোধ করেই মাকে মারা হয়েছে। তাই মৃত্যুর তদন্ত দাবি করেছে। যদিও সুদীপ্তবাবু এদিন দাবি করেন, আমি ব্যবসার কাজে মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে লীলাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। ভাতার থানার পুলিশ অবশ্য সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে , ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মহিলার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে । তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Death: বর্ধমানে জুনিয়র ডাক্তারের রহস্য মৃত্যু, খুনের অভিযোগ তুললেন বাবা

রহস্যজনক মৃত্যু হলো বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক জুনিয়র ডাক্তারের। মৃতের নাম শেখ মোবারক হোসেন (২৩)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাট থানার সাহাজাদপুরে। তিনি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জরি বিভাগের হাউস স্টাফ ছিলেন।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টমোবারক বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৩ নম্বর বয়েজ হোস্টেলে থাকতেন। বুধবার ভোর রাত আড়াইটে নাগাদ হোস্টেলের অন্য আবাসিক ডাক্তাররা হঠাৎই উপর থেকে ভারি কিছু পড়ার শব্দ পান। তখনই তাঁরা বাইরে বেরিয়ে দেখেন নীচে ডাক্তার মোবারক হোসেন রক্তাক্ত অবস্থায় উবুর হয়ে পড়ে রয়েছে। এমন ঘটনা দেখেই হোস্টেলের অন্য জুনিয়র আবাসিক চিকিৎসকরা সিনিয়ারদের খবর দেয়। সিনিয়ার ডাক্তাররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছান। মোবারক হোসেনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ শর্তসাপেক্ষে খুলছে বেলুড় মঠচিকিৎসকের এমন মৃত্যুর কারণ দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যা? নাকি ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে! তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) সৌভিক পাত্র ও বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী এদিন ঘটনাস্থলে তদন্তে যান। তাঁরা ঘটনাস্থলে সবিস্তার খতিয়ে দেখেন। এদিনই চিকিৎসকের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর কারণ অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করছেন পুলিশ কর্তারা। তাঁরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা-কাণ্ডের জের, অভিষেক-সহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআরমৃত চিকিৎসকের বাবা শেখ হাফিজুল ইসলাম যদিও তাঁর ছেলের মৃত্যু আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা বলে মানতে চাননি। তাঁর অভিযোগ, তাঁর ছেলে মোবারক হোসেনকে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। এই বিষয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপ্যাল সুহৃতা পাল বলেন,চিকিৎসক শেখ মোবারক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার কথা পুলিশকে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ফরেন্সিক টিম এনে তদন্ত করা হবে ।

আগস্ট ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Covid : করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রী

চারিদিকে একের পর এক দুঃসংবাদ। মৃত্যুর খবর। করোনা যেভাবে গ্রাস করেছে তা সত্যিই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার করোনার শিকার হলেন এক বলিউড অভিনেত্রী।মাত্র ৩৫ বছর বয়সেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন মলয়ালাম অভিনেত্রী সারন্যা শশী। দীর্ঘদিন ১০ বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই চলছিল তার। সপ্তাহ খানেক আগেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফিরে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। নেমে যায় দেহের সোডিয়ামের মাত্রা। এরপরই তাঁকে ভর্তি করা হয় বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই সোমবার দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মোট ১১টি অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, ক্যানসারের কারনে আর্থিক সমস্যায় পড়তে হয়েছে তাঁকে, তবে সে ক্ষেত্রে পাশে পেয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির একাধিক সহকর্মীকে।আরও পড়ুনঃ অক্ষয় কুমারের স্টান্ট ভয় পান তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্নামলয়ালাম ইন্ডাস্ট্রিতে ছোট পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ ছিলেন সারন্যা। মান্থারকোডি, সীতা সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। বম্বে, থালাপাভুসহ বেশ কিছু আঞ্চলিক ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন ইন্ডস্ট্রির অনেকেই।

আগস্ট ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anupam Shyam : প্রয়াত বলিউড অভিনেতা অনুপম শ্যাম

করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের দেশের অবস্থা একদমই ভালো নয়। রোজ মারা যাচ্ছেন অনেক মানুষ। তবে তাদের পাশাপাশি অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত মানুষদেরও মৃত্যুর খবর আমাদের ব্যথিত করছে। এবার প্রয়াত বিখ্যাত অভিনেতা অনুপম শ্যাম। খলনায়কের চরিত্রেই দর্শকদের মন জয় করেছিলেন তিনি। রবিবার রাত আটটা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে অনুপম শ্যাম। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৬৩ বছর। রবিবার রাত আটটা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে অনুপম শ্যাম। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৬৩ বছর।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশদীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থাতেই মনের জোরকে পুঁজি করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে এবার হার মানল শরীর। মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে দেহের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ায় মৃত্যু হয় তাঁর। অনুপম শ্যামের মৃত্যুতে বিনোদুনিয়ায় নেমেছে শোকের ছায়া।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিপরিবার সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন অনুপম শ্যাম। ডায়ালিসিসও চলছিল তাঁর। গত বছর অনুপম শ্যাম নিজেই জানিয়েছিলেন, শুটিং শেষ করে হাসপাতালে ডায়ালিসিস করাতে যান তিনি। তবে বিপুল খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন খোদ অভিনেতা এবং তাঁর পরিজনেরা। এই পরিস্থিতিতেই সপ্তাহখানেক আগে বেশ আশঙ্কাজনক অবস্থায় মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে ভরতি হন অনুপম শ্যাম। চলছিল ডায়ালিসিস। সোনু সুদ বিষয়টি জানতে পারেন। পাশে দাঁড়ান অভিনেতার। বুধবার টুইটারে সোনু সুদ নিজেই জানান তিনি অনুপমের পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছেন। মুম্বইয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদেরও অভিনেতার পরিবারের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। তারপরেও বাঁচানো গেল না অভিনেতাকে।

আগস্ট ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rabindranath Tagore : কবিগুরুর প্রয়াণে আবক্ষ মূর্তি

আজ ২২ শে শ্রাবণ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮০তম প্রয়াণ দিবস। বাঙালির জীবনে আবেগের আপর নাম রবীন্দ্রনাথ।কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে তার আবক্ষ মূর্তি বসানোর উদ্যোগ নিল মাথাভাঙ্গা নিউটাউন ক্লাব। রবিবার বিকেলে ক্লাব প্রাঙ্গনে কবিগুরুর আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়। এর পাশাপাশি ক্লাবের পক্ষ থেকে এইদিন স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে আজ ওই রক্তদান শিবিরে প্রায় ১০০ জন রক্তদান করেছেন। এই রক্তদান শিবির কর্মসূচির সূচনা করেন রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ চন্দ্র অধিকারী। তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি পার্থ প্রতিম রায়, মাথাভাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক লক্ষপতি প্রামাণিক, চন্দন দাস, অরুনাভ গুহ, শাবলু বর্মন সহ অন্যান্যরা।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যেএই উদ্যোগটা সত্যিই খুব ভালো। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে ক্লাবের সম্পাদক অনুপ কুমার সাহা বলেন, কোচবিহার জেলার প্রায় সমস্ত ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত সংকট দেখা দিয়েছে। তাই আমরা রক্তদান শিবির কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়ান দিবস উপলক্ষে। আজ কবির সেই প্রয়াণ দিবসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি আবক্ষ মূর্তি বসালাম ক্লাব প্রাঙ্গনে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Lightning: পূর্ব বর্ধমানে বজ্রপাতে মৃত ৩, জখম ৭

বজ্রপাতে একই দিনে পূর্ব বর্ধমানে মৃত্যু হল তিন খেত মজুরের। জখম হয়েছেন আরও সাত জন। মৃতরা হলেন বনমালি ধারা (৬০) ও শুকুরমনি সরেন (২২) ও কালিরাম হাঁসদা (৩৫)। শনিবার বজ্রপাতে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বিল্বগ্রামে, রায়না ২ ব্লকে দিঘুরা ও মেমারির কাশিয়াড়া গ্রামে। মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসনের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আউশগ্রামের বিল্বগ্রাম নিবাসী বনমালি ধারা সহ রবি বাগদি, মমতা বাগদি, মঞ্জু বাগদি, জ্যোৎস্না বাগদি, শেফালি বাগদি প্রমুখরা একসঙ্গে স্থানীয় মাঠে ধান বোনার কাজ করছিলেন। ওই সময়ে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। মাঠে বাজ পড়লে সেখানেই বনমালি ধারার মৃত্যু হয়। জখম হন বাকি পাঁচ খেত মজুর ।জখমদের সকলকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াবজ্রপাতে অপর মৃত শুকুরমনি সরেনের বাড়ি বর্ধমান ২ ব্লকের বড়শুলে। জেলার জামালপুর ব্লকের শম্ভুপুর গ্রামে শুকুরমনির বাপের বাড়ি। খেত মজুরির কাজ করার জন্য তিনি রায়না ২ ব্লকে আরুই পঞ্চায়েতের নিলুট গ্রামে দিদির বাড়ি গিয়েছিলেন। এদিন দুপুরে শুকুরমনিসহ ওই এলাকার বাসিন্দা মণিকা মাণ্ডি, মানসী হেমব্রম স্থানীয় দিঘুরা গ্রামের মাঠে কাজ করছিলেন। এলাকার যুবক শেখ নজু জানান, দুপুরে হঠাৎই বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে মাঠেই মারা যান শুকুরমনি সরেন। জখম হন মণিকা মাণ্ডি, মানসী হেমব্রম। তাঁদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে মেমারির সাহানগর গ্রাম নিবাসী কালিরাম হাঁসদা মেমারির কাশিয়াড়া গ্রামে রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজ করার সময়ে বজ্রপাতে মারা যান।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

সাঁতরে খড়ি নদি পেরিয়ে জমিতে যেতে গিয়ে তলিয়ে গেলেন প্রৌঢ়

সাঁতরে ভরা খড়ি নদি পেরিয়ে চাষের জমিতে যাওয়ার সময়ে তলিয়ে গেলেন এক প্রৌঢ় চাষি। তাঁর নাম সাহাদাত মোল্লা (৭০)। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের শুশুনিয়া পঞ্চায়েতের ভোজপুর গ্রামে তার বাড়ি। এই খবর পেয়ে পুলিশ ও ব্লক বিপর্যয় ব্যবস্থাপন দপ্তরের কর্তাদের পাশাপাশি এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ঘটনাস্থলে পৌছান। তারই মধ্যে কালনা থেকে ডুবুরির দল এসে নদিতে নেমে সাহাদাত মোল্লার খোঁজ চালানো শুরু করে। যদিও এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তার হদিশ মেলেনি। এই অবস্থায় চরম উৎকন্ঠায় রয়েছেন চাষি সাহাদাত মোল্লার পরিবার।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কপলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্তেশ্বরের খড়ি নদির পারেই রয়েছে ভোজপুরের বাসিন্দা সাহাদাত মোল্লার কৃষি জমি। বছরের অন্যান্য সময়ে নদিতে তেমন জল থাকে না বলে এলাকার আর পাঁচটা চাষির মতো তিনি তখন হেঁটে নদি পেরিয়ে জমিতে যেতেন। তবে বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ডিভিসির ছাড়া জলে খড়ি নদিতে এখন কানায় কানায় জল । সহাদাত এদিন সকালে ভরা নদী সাঁতরে জমিতে যেতে গিয়ে তলিয়ে যান। ঘটনা প্রত্যক্ষ করে এলাকার কয়েকজন নদীর জলে নেমে তাঁর খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু খোঁজ পান না। পরে ডুরিরা নদির জলে সন্ধান চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। প্রৌঢ় চাষির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Accident: একই দিনে পৃথক ৪টি পথ দুর্ঘটনায় মৃত ২, জখম ১২

একই দিনে পৃথক চারটি পথ দূর্ঘটনায় মৃত্যু হল ১ বাইক আরোহীর সহ ২ জনের। জখম হয়েছেন ১২ জন। সোমবার দুর্ঘটনাগুলি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার, মঙ্গলকোট ও মন্তেশ্বরে. যা নিয়ে সারাদিন হিমসিম খেতে হয় পুলিশ কর্মীদের। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি গুলি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাপুলিশ জানিয়েছে, মৃত বাইক আরোহীর নাম প্রণব সাধু(৪৫) । তাঁর বাড়ি মঙ্গলকোট থানার নতুনহাট গ্রামে। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ প্রণব সাধু বাইক চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর পিছনে বসেছিলেন বাবু থান্ডার নামে এক ব্যক্তি। বাদশাহী রোড ধরে তিনি বাইক চালিয় যাওয়ার সময়ে দাসগর গ্রামের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বাইক চালক প্রণব সাধুর। গুরুতর জখম হন বাইকের পিছনে বসে থাকা বাবু থান্ডার। দুর্ঘটনার পরেই লরি ছেড়ে পালায় চালক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার পর এলাকার ক্ষিপ্ত বাসিন্দারা বাদশাহী রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ বাসিন্দাদের বুঝিয়ে সড়কপথ অবরোধ মুক্ত করে।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলএকই দিনে ভাতার ও মঙ্গলকোটের দুটি যাত্রীবাহী বাস দূর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ভাতার থানার আলিনগর চৌমাথার কাছে। বাসটি বাদশাহী রোড ধরে নতুনহাট থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিল। আলিনগর মসজিদতলার কাছে আসতেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে নেমে যায়। তার জেরে ২ মহিলা সহ মোট ৫ জন বাসযাত্রী আহত হন।খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহত বাস যাত্রীদের উদ্ধার করে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?অপর দিকে এদিন সকাল ৮ টা নাগাদ দ্বিতীয় বাস দূর্ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলকোটের মাহার্তুবা বাস স্ট্যান্ডের কাছে। জঙ্গিপুর-কলকাতা রুটের একটি যাত্রিবাহী বাস বাদশাহী রোড ধরে দ্রুতগতীতে যাওয়ার সময়ে সামনে থাকা ডাম্পারের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে। এই দূর্ঘটনায় বাসের চালক সহ কেবিনে বসে থাকা ৫ যাত্রী আহত হন। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এই দুর্ঘটনা গুলি ছাড়াও এদিন দুপুরে মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রামের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটে। রড় বোঝাই একটি লরি বর্ধমানের দিক থেকে কুসুমগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময়ে সড়ক পথে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরে ধাক্কা মেরে লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে গিয়ে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় লরির ভিতরে থাকা একজনের মৃত্যু হয় এবং একজন আহত হন। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ট্র্যাক্টর সহ তার চালককে আটক করেছে।

আগস্ট ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিদেশি প্রতিযোগীদের টেক্কা দিয়ে সাফল্য, আন্তর্জাতিক ক্যারাটে মঞ্চে গুসকরার জয়জয়কার

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে ফের উজ্জ্বল হল পূর্ব বর্ধমানের গুসকরার নাম। কলকাতার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দশম আন্তর্জাতিক ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সাফল্য পেল গুসকরার একটি ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিদেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে একসঙ্গে ৩১টি পদক জয় করেছেন এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ১৬ জন প্রতিযোগী।গত ৩১ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় গুসকরার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রতিযোগীরা মোট ৩১টি ইভেন্টে অংশ নেন। তাঁদের ঝুলিতে এসেছে ৫টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য এবং ১৮টি ব্রোঞ্জ পদক। এই সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে গুসকরা জুড়ে।স্বর্ণপদক জয়ীদের মধ্যে রয়েছেন শ্রেয়াঙ্ক মুর্মু, অন্যরা সাউ, সৌরদীপ অধিকারী এবং অরণ্যা দত্ত। তাঁদের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাকি প্রতিযোগীরাও বিভিন্ন ইভেন্টে সাফল্য অর্জন করে গুসকরার ক্রীড়াক্ষেত্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন।আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিযোগীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা-সহ সাতটিরও বেশি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। ফলে এমন একটি প্রতিযোগিতার মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই সাফল্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন জেলার ক্রীড়ামহলের সঙ্গে যুক্তরা।প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্ণধার তথা প্রধান প্রশিক্ষক সেনসাই পার্থ সারথী পাল বলেন, গুসকরা থেকে এই প্রথম এত সংখ্যক প্রতিযোগী আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জন করল। তাঁর মতে, ক্যারাটেকে শুধুমাত্র পদক জয়ের খেলা হিসেবে দেখলে চলবে না। শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো, আত্মরক্ষার কৌশল শেখানো, শৃঙ্খলাবোধ তৈরি, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং মানসিক দৃঢ়তা গড়ে তোলাই এই খেলার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।অভিভাবকরা যদি সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সন্তানদের ক্যারাটে প্রশিক্ষণে উৎসাহিত করেন, তাহলে আগামী দিনে আরও বহু প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।এলাকার ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, গুসকরার এই সাফল্য কোনও একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাফল্য নয়। এটি গোটা পূর্ব বর্ধমান জেলার গর্ব। আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুসকরার খেলোয়াড়দের এই নজরকাড়া পারফরম্যান্স আগামী দিনে জেলার ক্যারাটে চর্চাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দেরও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের মেলে ধরার ক্ষেত্রে এই সাফল্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘মেসি’ হয়ে ওঠার নেপথ্যের মানুষ আর নেই, প্রয়াত জর্জ মেসি

৬৮ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন লিওনেল মেসির বাবা জর্জ মেসি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে মেসির পরিবারের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ফুটবল মহলেজর্জ মেসি শুধু লিওনেল মেসির বাবা ছিলেন না, ছেলের দীর্ঘদিনের এজেন্ট ও পরামর্শদাতাও ছিলেন। মেসির ফুটবলজীবনের শুরু থেকে তাঁর পাশে ছিলেন জর্জ। ছেলের প্রতিভার উপর আস্থা রেখে ছোটবেলা থেকেই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি।রোজারিওতেই ছোটবেলায় ফুটবলের হাতেখড়ি হয়েছিল মেসির। নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজের যুব দলে খেলার সময় তাঁর প্রতিভা নজর কাড়ে। শারীরিক বৃদ্ধির জন্য হরমোনের চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল মেসির। সেই পরিস্থিতিতে ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে জর্জই তাঁকে নিয়ে স্পেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে বার্সেলোনায় মেসির ফুটবলজীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।ছেলের সঙ্গে বার্সেলোনায় থেকেছেন জর্জ। মেসির পেশাদার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গেও জড়িয়ে ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সাঁ জাঁ এবং ইন্টার মায়ামিমেসির ক্লাবজীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বাবার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।শুধু ফুটবল নয়, মেসির ব্যক্তিগত জীবনেও বাবার প্রভাব ছিল গভীর। কঠিন সময়েও জর্জ ছেলের পাশে থেকেছেন। তাই মেসির জীবনে জর্জ ছিলেন একইসঙ্গে বাবা, অভিভাবক, পরামর্শদাতা এবং দীর্ঘদিনের পেশাদার প্রতিনিধি।চলতি বছর বিশ্বকাপের সময় থেকেই জর্জের অসুস্থতার খবর সামনে আসতে শুরু করেছিল। মেসিও একসময় জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনের নানা কারণে তিনি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। পরে দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই শেষ হল জর্জ মেসির।মেসির ফুটবলজীবনের উত্থানের সঙ্গে জর্জের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ছেলের প্রতিভায় বিশ্বাস রেখে যে মানুষটি তাঁর পথচলার শুরু থেকে পাশে ছিলেন, তাঁর প্রয়াণে মেসির জীবনে তৈরি হল এক গভীর শূন্যতা। ফুটবল দুনিয়াতেও নেমে এসেছে শোকের আবহ।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
ভ্রমণ

সিকিমের অফবিট সৌন্দর্যে মুগ্ধ করবে জুলুক থেকে জোংগু, ঘুরে এলে মন চাইবে বারবার

ব্যস্ত শহরের কোলাহল, কর্মব্যস্ত জীবনের একঘেয়েমি আর প্রতিদিনের দৌড়ঝাঁপ থেকে কিছুদিনের জন্য মুক্তি পেতে আমরা কয়েকজন বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম ভারতের উত্তর-পূর্বের ছোট্ট অথচ অপরূপ সুন্দর রাজ্য সিকিমের উদ্দেশ্যে। পাহাড়, মেঘ, ঝরনা আর সবুজ প্রকৃতির টানে বহুদিন ধরেই সিকিম আমাদের স্বপ্নের গন্তব্য ছিল।শিলিগুড়ি থেকে গাড়িতে চড়ে যখন সিকিমের পথে যাত্রা শুরু করলাম, তখনই বুঝতে পারলাম এক অন্য জগতে প্রবেশ করতে চলেছি। তিস্তা নদী আমাদের পথসঙ্গী হয়ে বয়ে চলছিল। পাহাড়ের গা বেয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা, দূরে মেঘে ঢাকা পাহাড়ের সারি আর নদীর কলকল শব্দ যেন মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিল।গ্যাংটক পৌঁছে আমরা প্রথমেই শহরের পরিচ্ছন্নতা এবং শৃঙ্খলা দেখে মুগ্ধ হলাম। তবে আমাদের আসল লক্ষ্য ছিল সিকিমের কিছু অফবিট বা কম পরিচিত স্থান ঘুরে দেখা। তাই পরদিন সকালে আমরা রওনা দিলাম জুলুকের উদ্দেশ্যে। পূর্ব সিকিমের এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি পর্যটকদের কাছে এখনও তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত। পথে বিখ্যাত জিগজ্যাগ রোডের ৩২টি বাঁক দেখে আমরা অভিভূত হয়ে গেলাম। পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচের রাস্তা দেখতে যেন বিশাল কোনো শিল্পকর্মের মতো লাগছিল।জুলুকের ঠান্ডা আবহাওয়া আর নিস্তব্ধ পরিবেশ আমাদের মন জয় করে নিল। রাতের আকাশে অসংখ্য তারার মেলা দেখে মনে হচ্ছিল যেন স্বর্গের খুব কাছাকাছি এসে গেছি। শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে এই অভিজ্ঞতা সত্যিই ছিল অসাধারণ।পরের দিন আমরা গেলাম থাম্বি ভিউ পয়েন্টে। ভোরবেলায় সূর্যের প্রথম আলো যখন কাঞ্চনজঙ্ঘার বরফঢাকা শৃঙ্গে পড়ল, তখন সেই দৃশ্য ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন। সোনালি আলোয় ঝলমল করা পর্বতশ্রেণি আমাদের চোখে এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে রইল।এরপর আমরা উত্তর সিকিমের এক সুন্দর অফবিট গ্রাম জোংগুতে পৌঁছালাম। এটি লেপচা সম্প্রদায়ের সংরক্ষিত এলাকা। এখানকার মানুষজন অত্যন্ত আন্তরিক এবং অতিথিপরায়ণ। তাদের সংস্কৃতি, জীবনযাপন এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমাদের গভীরভাবে মুগ্ধ করল। ছোট ছোট কাঠের বাড়ি, পাহাড়ি ঝরনা এবং সবুজ বনভূমির মধ্যে কয়েকটি দিন কাটিয়ে মনে হলো প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এক অপূর্ব সহাবস্থান প্রত্যক্ষ করছি।জোংগু থেকে ফেরার পথে আমরা কয়েকটি অজানা ঝরনা এবং ছোট পাহাড়ি গ্রামে থামলাম। প্রতিটি স্থান যেন প্রকৃতির নিজস্ব হাতে সাজানো একেকটি চিত্রপট। কোথাও পাখির ডাক, কোথাও ঝরনার শব্দ, আবার কোথাও শুধুই নীরবতাসব মিলিয়ে সিকিমের প্রকৃতি যেন হৃদয়কে নতুন করে বাঁচতে শেখায়।ভ্রমণের শেষ দিনে আমরা বুঝতে পারলাম, সিকিম শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়; এটি এক অনুভূতির নাম। এখানে পাহাড় শুধু চোখকে নয়, মনকেও ছুঁয়ে যায়। প্রকৃতির এত কাছে এসে জীবনের ছোট ছোট সুখগুলোর মূল্য আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা যায়।ফেরার পথে গাড়ির জানালা দিয়ে শেষবারের মতো পাহাড়গুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল, সিকিম যেন নীরবে বলছেআবার এসো। আমরাও মনে মনে প্রতিশ্রুতি দিলাম, এই অফবিট সৌন্দর্যের রাজ্যে আবার ফিরে আসব। কারণ সিকিমের মায়া একবার যার মনে জায়গা করে নেয়, তাকে বারবার টেনে নিয়ে যায় তার সবুজ পাহাড়, নীল আকাশ আর মেঘের দেশে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

‘রাজনীতিটাই জটিলতা’, শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে বড় বার্তা দুই সাংসদের

এনডিএ-তে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনার মধ্যেই শনিবার কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন এনসিপিআইয়ের দুই সাংসদ আবু তাহের ও খলিলুর রহমান। বৈঠকের পর এনডিএ নিয়ে তাঁদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন তাঁরা। আবু তাহের জানান, এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে তাঁরা যাবেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রাজনীতিটাই জটিলতা। প্রতিদিন জটিলতার মধ্যে দিয়ে চলছি।এনসিপিআইয়ের মোট ২০ জন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠানকে ঘিরেই মূলত জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তিন সাংসদের নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে তাঁদের বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।এই তিন সাংসদ এখনও পর্যন্ত এনডিএ-র বিভিন্ন বৈঠক থেকে দূরে থেকেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়। তার পরেই শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়।পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন দুই সাংসদ। বৈঠকে তাঁদের রাজ্য এবং নিজ নিজ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাঁরা। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন বলে দাবি করেন দুই সাংসদ।বৈঠকের পর আবু তাহের এবং খলিলুর রহমান জানান, তাঁদের উত্থাপিত সমস্যাগুলি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এনডিএ-র সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা পুরোপুরি থামেনি।বিশেষ করে তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে যে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই আবু তাহেরের এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে যাব না মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী ডাকা বৈঠকে তাঁদের উপস্থিতি এবং তার পরেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎদুই ঘটনাকে পাশাপাশি রেখে রাজনৈতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে পুলিশের অভিযান, দত্তপুকুর থেকে পাকড়াও নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক

নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে-কে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শনিবার তাঁকে বারাকপুর আদালতে তোলা হবে।২০২৪ সালের উপনির্বাচনে নৈহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন সনৎ দে। তবে তার আগে থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় সূত্রে তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি এবং জমি দখলের অভিযোগ ছিল বলে জানা যায়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয়। এরপর সনৎ দে-র বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরেই শুক্রবার রাতে দত্তপুকুরে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই প্রাক্তন বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে গত জুন মাসে জনরোষের মুখেও পড়েছিলেন সনৎ দে। নৈহাটির বিজয়নগরে নিজের বাড়ির কাছে দলীয় কার্যালয় খোলার সময় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ সামনে আসে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা সেই অভিযোগগুলিও খতিয়ে দেখছেন। সব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।শুক্রবার গভীর রাতে গ্রেফতারের পর শনিবার সনৎ দে-কে বারাকপুর আদালতে পেশ করার কথা। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তে পুলিশ কী তথ্য পায় এবং আদালতে কী অবস্থান জানায়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal