• ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১২ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

কলকাতা

‘যশ’ আতঙ্কে ২ দিন বন্ধ হাইকোর্ট, আরও পিছল নারদ-জামিনের শুনানি

যশ আতঙ্কে কাঁটা রাজ্যবাসী। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের জেরে দুর্যোগ থাকতে পারে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। যেদিন রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়বে যশ, সেদিন তো বটেই, তারপরেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বন্ধ থাকতে পারে অন্য সব পরিষেবা। এর মধ্যে ২৬ ও ২৭ তারিখ অর্থাৎ বুধ এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ কথা। যার জেরে নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতার জামিনের শুনানি আরও পিছিয়ে গেল। আপাতত আরও বেশ কয়েকদিন তাঁদের গৃহবন্দিই থাকতে হবে।হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে, যান চলাচলের সমস্যা, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতেই স্পষ্ট, অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায় গৃহবন্দি থাকবেন। মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁদের হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারপর হাইকোর্টে এই নারদ মামলার শুনানি হলে বোঝা যাবে, তাঁদের জামিনের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।সোমবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। কারণ, তার আগেই হাইকোর্টে শুনানির জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরির বিরোধিতা করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিবিআইয়ের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ঘূর্ণিঝড় আসছে, তাতে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। শুনানি সোমবার না হলে তা পিছিয়েই যাবে। কেন সোমবার শুনানিতে আপত্তি জানাচ্ছে সিবিআই? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা সত্যি করেই যশ-এর কারণে ২ দিন উচ্চ আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

মে ২৫, ২০২১
দেশ

১৫ দিনের অতিরিক্ত বেতন পাবেন আড়াই লাখ এসবিআই কর্মী

করোনা আর লকডাউনের জেরে যেখানে চাকরি খোয়াতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে, সেখানে সুখবর পেতে চলেছেন স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরা। সব ঠিকঠাক থাকলে দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকের প্রায় আড়াই লক্ষ কর্মী ১৫ দিনের অতিরিক্ত বেতন পেতে পারেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্যই ইনসেনটিভ হিসেবে এই অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হতে পারে তাঁদের বলেই শোনা যাচ্ছে।জানা গিয়েছে, ২০২১ অর্থবর্ষে এসবিআইয়ের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রিপোর্ট বলছে, চলতি বছরের আর্থিক বর্ষে ৪১ শতাংশ বেড়েছে ব্যাংকের মোট লাভ। আর সেই কারণেই কর্মীদের মুখে হাসি ফোটাতে পারে স্টেট ব্যাংক। যা লকডাউনের মধ্যে নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর। কোনও ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য আয় হলে সেই ব্যাংক চাইলে তার কর্মীদের পুরস্কৃত করতে পারে। গত বছর এই প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দিয়েছিল নভেম্বরে ইন্ডিয়ান ব্যাংকস অ্যাসোসিয়েশন। এই চুক্তি অনুযায়ী, কোনও পিএসইউ সেক্টরের ৫ থেকে ১০ শতাংশ লাভ হলে কর্মীরা পাঁচদিনের অতিরিক্ত বেতন পেতে পারে ইনসেনটিভ হিসেবে। এক্ষেত্রে বেসিক এবং ডিএ যোগ করে সেই অর্থ তুলে দেওয়া হয় কর্মীদের হাতে। আবার লভ্যাংশের পরিমাণ ১০-১৫ শতাংশ হলে ১০ দিনের অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হতে পারে কর্মীদের। ১৫ শতাংশের লাভ হলে কর্মচারীরা পেতে পারেন ১৫ দিনের বেতন। তবে লাভের পরিমাণ পাঁচ শতাংশের কম হলে ইনসেনটিভ পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকে না।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

করোনার শৃঙ্খল ভাঙতে লকডাউনের প্রথম সকালে শুনশান শহর

নবান্ন থেকে কার্যত লকডাউনের ঘোষণার সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার জন্যই এই কড়াকড়ি। সরকার আশা করছে, মানুষ এই নির্দেশ মানবেন। রবিবার, লকডাউনের প্রথম সকালে হুগলি থেকে হাওড়া হয়ে কলকাতার এই ছবিই এখন দেখা যাচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজার, দোকান খোলা থাকলেও রাস্তায় লোক নেই বললেই চলে। বাজার এলাকায় দুএক জায়গায় অল্প কয়েক জনের জমায়েত ছাড়া মোটের উপর ফাঁকা রাস্তা। গাড়ি চলাচলও খুব কম। রাস্তায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাকা চেকিং চলছে। বিধিনিষেধ বজায় রাখতে সক্রিয় পুলিশ।রাস্তার ধারে বিক্রেতারা ফল, সবজি নিয়ে বসেছেন। কিন্তু ক্রেতার দেখা বিশেষ একটা চোখে পড়ল না। পাড়ার মোড়ের চায়ের দোকানগুলো বেশির ভাগ বন্ধ থাকায় সেখানেও ভিড় নেই। গাড়ি যে চলছে না বা রাস্তায় লোক নেই তা নয়, তবে সবটাই হতে গোনা। একই ছবি হাওড়া ব্রিজে ওঠার মুখেও। সেখানে চেকিং আরও কড়া। ব্রিজের দুই প্রান্তেই চেকিং চলছে। সংবাদমাধ্যমের গাড়িকে না আটকালেও বেশ কিছু গাড়ি ও মোটরবাইককে ফিরিয়ে দিলেন পুলিশ কর্মীরা। পর্যাপ্ত কারণ থাকলে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি। রবিবারের সকালে শুনশান বড়বাজার এলাকাও। রাস্তার উপরেই কিছু ঠেলাগাড়িতে সবজি, ফল বিক্রি হচ্ছে। তবে সেখানেও ক্রেতার সংখ্যা বেশ কম। দোকান প্রায় সবই বন্ধ। রাস্তার ধারে সার দিয়ে দাঁড়ানো ট্যাক্সি, ওলা, উবর। এই সুযোগে কেউ কেউ আবার গাড়ি ধুয়ে নিচ্ছেন। চারদিকে যেন একটা ছুটির আমেজ চোখে পড়ছে। বড়বাজার পেরিয়ে মহাকরণ, লালবাজার চত্বরেও রাস্তাঘাট ফাঁকা। কিছু গাড়ি চললেও কলকাতার সেই চেনা ভিড়ের ছবিটা উধাও। সব মিলিয়ে লকডাউনের প্রথম সকালের ছবিটা কিন্তু বেশ স্বস্তির। করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সরকারের সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহণ করেছেন সাধারণ মানুষ।

মে ১৬, ২০২১
রাজ্য

কড়া রাজ্য, আগামী ১৪ দিন বন্ধ বাস, মেট্রো-সহ সব গণপরিবহণ

করোনা সংক্রমণ রুখতে কার্যত লকডাউনের পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ তারিখ সন্ধে পর্যন্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। শনিবার দুপুরে নবান্নে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানিয়েছেন। দেখে নিন, কোন কোন ক্ষেত্রে কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা জারি হল বার বাস, মেট্রো-সহ সমস্ত গণপরিবহণ বন্ধ করা হল। বন্ধ ফেরি, অটো পরিষেবাও। শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই মিলবে পরিবহণ পরিষেবা। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, কলকারখানাও বন্ধ হচ্ছে আগামী ১৫ দিনের জন্য। বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে।প্রায় লকডাউনের পরিবেশই ফিরছে রাজ্যে। গত ৫ তারিখ তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে কোভিড মোকাবিলায় বৈঠকের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, দু সপ্তাহ বন্ধ থাকবে লোকাল ট্রেন। কিন্তু অন্যান্য গণপরিবহণ স্বাভাবিকই ছিল। এবার তাও বন্ধ করে কার্যত জনগণের বাড়ির বাইরে আসাযাওয়া নিয়ন্ত্রণের পথে হাঁটল প্রশাসন। এমনকী, বন্ধ অটোও। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিন বন্ধ থাকবে রেস্তরাঁ, শপিংমল, সুইমিং পুল, পার্লার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরনো প্রায় নিষেধ। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কার্যত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে। এছাড়া সমস্ত ধর্মীয়, রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ বন্ধ। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এ ধরনের জমায়েত থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাই বেশি। তাই তা রুখতে জমায়েতে কড়া হাতে রাশ টানছে প্রশাসন।এদিকে, রেল চলাচল বন্ধ হওয়ার কথা মুখ্যসচিব জানালেও পূর্ব রেলের সিপিটিএম-এর বক্তব্য, এখনও রাজ্যের তরফে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। সেক্ষেত্রে দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ না হওয়ার আশা দেখছেন রেলকর্তারা। তবে ছাড়ও রয়েছে বেশ কয়েকটি পরিষেবায়। চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় পরিষেবা দিনভর সচল থাকবে। ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স, চশমার দোকান খোলা থাকবে। সীমিত সংখ্যক কর্মী নিয়ে চালু থাকবে চা বাগান, জুটমিল। খুব প্রয়োজনে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বেরনো যাবে পথে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সারাদিন চালু থাকবে খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা। রেস্তরাঁ, হোটেল বন্ধ থাকলেও মিলবে অনলাইনে ফুড ডেলিভারি।

মে ১৫, ২০২১
দেশ

১৫ দিনে বিনামূল্যে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন পাবে রাজ্যগুলি

দেশজুড়ে ভ্যাকসিনের সংকট। বিরোধীরা আক্রমণ শানাচ্ছে কেন্দ্র সরকারকে। কেন্দ্রের ভ্যাকসিন বণ্টন নীতিই সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে, বারবার বলছেন রাহুল গান্ধি। রাজ্যগুলিও কাঠগড়ায় তুলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়ে দিলেন, আগামী ১৫ দিনে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ দেবে কেন্দ্র। তাও আবার বিনামূল্যে।প্রসঙ্গত, দেশজুড়ে এখন বিভিন্ন পর্যায়ে ১৮ বছরের বেশি বয়সি সবাইকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা। কিন্তু, ভ্যাকসিনের জোগানের সমস্যার জন্য এখনও অনেক রাজ্যেই ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। আবার অনেকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেলেও দ্বিতীয় ডোজ পাননি। কেন্দ্রের তরফে বৃহস্পতিবারই ঘোষণা করা হয়েছিল, এখন থেকে কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় টিকার ডোজ নিতে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ পরে। তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে। অনেকে মনে করছেন, জোগানের অভাবেই কৌশলে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ পিছিয়ে দিতে চাইছে সরকার। তবে, সে বিতর্ক উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় শুক্রবার সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্র। আর এদিনই ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৬ থেকে ৩১ মের মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেবে কেন্দ্র। এর মধ্যে কোভিশিল্ড থাকছে ১৬২.৫ লক্ষ ডোজ এবং কোভ্যাকসিন থাকছে ২৯.৪৯ লক্ষ। কেন্দ্রের দেওয়া এই ভ্যাকসিন রাজ্যগুলি ব্যবহার করতে পারবে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বের নাগরিকদের টিকাকরণের জন্য।প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৮ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছেন। আগামী ১৫ দিনে আরও ২ কোটির বেশি মানুষ ভ্যাকসিন কেন্দ্রের আশা খুব শীঘ্রই ভারতে ভ্যাকসিনের উৎপাদনের হার অনেকটা বেড়ে যাবে। সরকারের দাবি, আগামী অগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২১৬ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ ভারতে তৈরি হয়ে যাবে। যার অর্থ এবছরের শেষদিক পর্যন্তই পুরো টিকাকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় কেন্দ্র।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনের করোনার বলি প্রায় ৪০০০

ফের নয়া রেকর্ড গড়ল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ৪ লক্ষ ১৪ হাজার ১৮৮ জন। একদিনে করোনার বলি ৩৯১৫। সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০৭ জন। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৩৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৬৪।আইসিএমআর-এর রেকর্ড অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিডের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২১৮ লক্ষ ২৬ হাজার ৪৯০। ইতিমধ্যে টিকাকরণ হয়েছে ১৬ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৮ জনের। যা মোট জনসংখ্যার তুলনায় সামান্যই। টিকাকরণের শ্লথ গতির কথা অবশ্য মেনে নিয়েছে কেন্দ্রও।বৃহস্পতিবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪ লক্ষ ১২ হাজারের বেশি। আর শুক্রবার তা তৈরি করল নয়া রেকর্ড। মৃত্যুর হারও আগের কয়েকদিনের চেয়ে বেশি। সুস্থতার পরিসংখ্যানেও তেমন স্বস্তি নেই। এখনও পর্যন্ত করোনাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন দেশের ১ কোটি ৭৬ লক্ষ ১২ হাজার ৩৫১ জন। দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে দফায় দফায় জারি হচ্ছে লকডাউন। কোথাও আবার কার্ফু জারির মাধ্যমে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার চেষ্টা চলছে। কোভিড মোকাবিলায় ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছে কার্যত গোটা বিশ্বই। ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স, সুইডেন-সহ একাধিক দেশ চিকিৎসা সরঞ্জাম, টিকা দিয়ে সাহায্য করেছে। শুক্রবার সকালে সুইজারল্যান্ড থেকেই পণ্যবাহী বিমানে দিল্লিতে নেমেছে ৫০টি রেসপিরেটর, যা এই মুহূর্তে সংকটজনক করোনা রোগীকে বাঁচানোর চিকিৎসায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অক্সিজেনের অভাব মেটাতে বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হচ্ছে প্লান্ট। এত কিছু সত্ত্বেও লাগামহীন করোনা সংক্রমণ। প্রতিদিন রেকর্ড ভেঙেই চলেছে। দ্বিতীয় ধাক্কায় যদি এই পরিস্থিতি হয়, তবে আসন্ন তৃতীয় ঢেউ আরও কতটা ভয়ংকর হবে, তা ভেবেই আশঙ্কিত আমজনতা।

মে ০৭, ২০২১
দেশ

টানা তিনদিন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি

ভোট মিটতেই জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যে ফের নাজেহাল দেশবাসীর। বাংলা-সহ চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গত মঙ্গলবার থেকেই চড়তে শুরু করেছে পেট্রল-ডিজেটেল দাম। এই নিয়ে টানা তিনদিন বাড়ল দাম।এবার বিভিন্ন শহরে একলাফে ২০ থেকে ৩০ পয়সা বাড়ল জ্বালানি তেলের মূল্য। অর্থাৎ হিসেব বলছে, তিনদিনের মধ্যে ৪০-৫০ পয়সা পেট্রলের লিটারপ্রতি মূল্যবৃদ্ধি হল। ডিজেল লিটার পিছু বাড়ল ৫০-৬০ পয়সা। যা নিঃসন্দেহে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে আমজনতার কপালে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রাজধানী দিল্লিতে যেমন ২৫ পয়সা বেড়ে লিটারপ্রতি পেট্রলের দাম হল ৯০.৯৯ টাকা। বৃহস্পতিবার ডিজেলের মূল্য বেড়ে হয়েছে ৮১.৪২ টাকা। বুধবারই যা ছিল ৮১.১২ টাকা। কলকাতায় এক লিটার পেট্রলের দাম ৯০.৯২ টাকা থেকে বেড়ে (২২ পয়সা) হল ৯১.১৪ টাকা। আজ সকাল ৬টা থেকে এক লিটার ডিজেলের জন্য খরচ করতে হবে ৮৪.২৬ টাকা (২৮ পয়সা)।এদিকে মুম্বইয়ে ফের আকাশছোঁয়া জ্বালানি তেলেন দাম। ২২ পয়সা বেড়ে লিটারপিছু পেট্রলের দাম গিয়ে পৌঁছল ৯৭.৩৪ টাকায়। বাণিজ্যনগরীতে লিটারপ্রতি ৩০ পয়সা বাড়ল ডিজেলের মূল্য। ৮৮.৪৯ টাকায় মিলবে এক লিটার ডিজেল। চেন্নাইয়ের বাসিন্দাদের এক লিটার পেট্রল ও ডিজেলের জন্য এখন দিতে হবে ৯২.৯০ এবং ৮৬.৩৫ টাকা।বিশ্বজুড়ে করোনার দাপটে একধাক্কায় অনেকটা কমেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। যার জেরে অপরিশোধিত তেলের দামও নিম্নমুখী। গত বছরও করোনার কোপ আর লকডাউনের জেরে পেট্রল-ডিজেলের আমদানি কমিয়ে ফেলেছিল ভারত। এবছরও নতুন করে মারণ ভাইরাসের চোখ রাঙানির কারণে ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে একাধিক শহর। ফলে চাহিদা কমছে পেট্রল-ডিজেলের। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভোট শেষ হতেই দেশে এই নিয়ে তৃতীয় দিন পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ায় ফের সমালোচনায় বিদ্ধ কেন্দ্র সরকার।

মে ০৬, ২০২১
দেশ

ভোট শেষ হতেই টানা ২ দিন ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রল-ডিজেলের দাম

পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ভোট শেষ। আর ভোট মিটতেই ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রল-ডিজেলের দাম। বুধবারও ফের দাম বাড়ল জ্বালানির। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন। যা ইতিমধ্যে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে সাধারণ মানুষকে।জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে ১৯ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে লিটারপিছু পেট্রলের দাম। রাজধানী দিল্লিতে এদিন এক লিটার পেট্রলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০.৭৪ টাকা। দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে এক লিটার পেট্রল মিলছে ৯৭ টাকা ১২ পয়সায়। এ শহরেও দামী হয়েছে পেট্রল। কলকাতায় এক লিটার পেট্রলের দাম ৯০.৭৬ টাকা থেকে বেড়ে হল ৯০.৯২ টাকা। অর্থাৎ এখানে পেট্রলের দাম বেড়েছে ১৬ পয়সা। অন্যদিকে, আরেক মহানগর চেন্নাইয়ে পেট্রল মিলছে লিটারপ্রতি ৯২.৭০ টাকায়।একইভাবে দেশজু়ড়ে দাম বেড়েছে ডিজেলেরও। লিটারপিছু ২১ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে ডিজেলের দাম। দিল্লিতে এক লিটার ডিজেলের দাম ২১ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১.১২ টাকা। দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে এক লিটার ডিজেল মিলছে ৮৮ টাকা ১৯ পয়সায়। এ শহরেও দামী হয়েছে ডিজেল। কলকাতায় এক লিটার ডিজেলের দাম ২০ পয়সা বেড়ে হয়েছে ৮৩.৯৮ পয়সা। অন্যদিকে, চেন্নাইয়ে ডিজেল মিলছে লিটারপ্রতি ৮৬.০৯ টাকায়।বিশ্বজুড়ে করোনার দাপটে একধাক্কায় অনেকটা কমেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। যার জেরে অপরিশোধিত তেলের দামও নিম্নমুখী। গত বছরও করোনার কোপ আর লকডাউনের জেরে পেট্রল-ডিজেলের আমদানি কমিয়ে ফেলেছিল ভারত। এবছরও নতুন করে মারণ ভাইরাসের চোখ রাঙানির কারণে ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে একাধিক শহর। ফলে চাহিদা কমছে পেট্রল-ডিজেলের। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভোট শেষ হতেই দেশে এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ায় ফের সমালোচনায় বিদ্ধ কেন্দ্র সরকার।

মে ০৫, ২০২১
রাজ্য

২দিনের সফরে রাজ্যে নাড্ডা, ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক বিজেপির

বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার জের। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিল বিজেপি। বাংলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন জেপি নাড্ডা। ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে শাসকদল সন্ত্রাস চলছে বলে রবিবার সন্ধে থেকেই অভিযোগ করছে বিজেপি। সোমবার দলের রাজ্য দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যজুড়ে অশান্তি ও হিংসার জেরে প্রাণ গিয়েছে ৬ জনের। রাজ্যে অবিলম্বে শান্তি ফেরানোর আরজি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যপালকে চিঠি দিচ্ছি। মুখ্যসচিবকেও চিঠি দেওয়া হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত না শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নামবে বিজেপি। এদিকে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় টুইটে অভিযোগ করেন, ভোটে জেতার পর তৃণমূল উৎসব করছে। এবং তারা বিজেপি কর্মীদের ঘর ভাঙছে। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের বেশি বিজেপি কার্যকর্তা খুন হয়েছে। এদিন রাজ্যপালকে অভিযোগ জানানোর পর রাজভবনের বাইরে বেরিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দিলীপ ঘোষ বলেন, ভয়ংকর খুন, সন্ত্রাস হচ্ছে। লাঠি নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঢুকে বাড়ি ভাঙছে, আমাদের কর্মীদের মারধর করছে। সব ভিডিও আসছে। এসব বন্ধের আবেদন নিয়েই রাজ্যপালের কাছে এসেছিলাম। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের উপর লাগাতার হামলার প্রতিবাদেই বুধবার দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিয়েছে বিজেপি। আজ রাজ্যে এসে আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন ডেপি নাড্ডা। কর্মীদের মনোবল চাঙা করতে বৈঠক করতে দলের নেতাদের সঙ্গেও।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

রেকর্ড গড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা, কমল দৈনিক সংক্রমণ

দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় সামান্য স্বস্তি পেল ভারত। চার লক্ষের গন্ডি পেরনোর পরদিনই সামান্য কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু। রবিবার মৃতের সংখ্যায় রেকর্ড গড়েছে দেশ। টানা দ্বিতীয়বার মৃতের সংখ্যা পেরল তিন হাজার পাঁচশোর গণ্ডি। তবে, সবচেয়ে স্বস্তির খবর দেশে প্রথমবার দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা ৩ লক্ষ পেরল।রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ৪৮৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় অনেকটাই কম। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫৭ হাজার ৪৫৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৫৪২ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৮৯ জনের। এই সংখ্যাটাও সর্বকালের রেকর্ড। এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭ হাজার ৮৬৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৪৪ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ১৬ হাজার ৩১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৬৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৩১ জন।

মে ০২, ২০২১
দেশ

আগামী সপ্তাহেই সবচেয়ে ভয়াবহ হবে করোনা পরিস্থিতি!

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় নাজেহাল দেশ। প্রতিদিন নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। গত ৯ দিন পরপর দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের বেশি। যা বিশ্বরেকর্ড। মারণ ভাইরাসের এই দাপাদাপি যে কোনও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ধরাতে বাধ্য। কিন্তু কেন্দ্রের এক উপদেষ্টা কমিটি বলছে, এখানেই শেষ নয়। আগামী সপ্তাহে আরও ভয়াবহ হবে দেশের করোনা পরিস্থিতি। ওই কমিটি মনে করছে, দেশের পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হতে চলেছে আগামী সপ্তাহেই।দেশের করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে এবং সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি গড়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই কমিটি জানিয়েছে, মে মাসের ৩ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে দেশের করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। দিন কয়েক আগে ওই উপদেষ্টা কমিটিই জানিয়েছিল, আগামী ৫ থেকে ১০ মের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হবে দেশের পরিস্থিতি। কিন্তু কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ভাইরাসটি তাঁদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক দ্রুত ছড়িয়েছে। ওই উপদেষ্টা কমিটির প্রধান এম বিদ্যাসাগর জানিয়েছেন, আমাদের বিশ্বাস, আগামী সপ্তাহেই দেশজুড়ে সর্বোচ্চ হবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।তবে স্বস্তির খবর হল, কেন্দ্রের উপদেষ্টা কমিটির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনার দ্বিতীয় এই ঢেউ বেশিদিন স্থায়ী হবে না। শীঘ্রই তা কমতে শুরু করবে। এম বিদ্যাসাগর সরকারকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছেন, জুলাই বা অগস্ট পর্যন্ত পরিকল্পনা করে কোনও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরি করা অর্থহীন। কারণ অতদিন পর্যন্ত হয়তো এই ঢেউ থাকবেই না। সরকারের উদ্দেশে ওই কমিটির পরামর্শ, আগামী ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে অদৃশ্য এই শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হবে। তাই দীর্ঘকালীন পরিকল্পনা করে সময় নষ্ট করবেন না। আপনাদের সমস্যা এখন, তাই এটাকে মেটাতে হবে এখনই। এম বিদ্যাসাগর স্বীকার করে নিয়েছেন, এই মুহূর্তে দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রথম ঢেউয়ের যেটা সবচেয়ে খারাপ সময় ছিল, তারও তিন গুণ। তবে, আসল সংখ্যাটা হয়তো হিসেবের ৫০ গুণ।

মে ০১, ২০২১
দেশ

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ৪ লক্ষ

বিশ্বে প্রথম। ভারতের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৪ লক্ষের গণ্ডি। পরপর ৯ দিন আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের বেশি থাকার পর শনিবার নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলল ভারত। এর আগে বিশ্বের কোনও দেশে দৈনিক সংক্রমণ চার লক্ষের ধারেকাছেও যায়নি। আক্রান্তের এই রেকর্ড বৃদ্ধি কাঁপুনি ধরাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তবে স্বস্তির খবর, আক্রান্তের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি সুস্থতার হারেও রেকর্ড গড়ছে দেশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থও হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ লক্ষ ১ হাজার ৯৯৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৬ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৬৯ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১১ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৫২৩ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় এই প্রথম মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০৬ জন। প্রসঙ্গত, করোনা রুখতে আজ থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হচ্ছে গণটিকাকরণ। শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী টিকা নেওয়ার জন্য ১৮ থেকে ৪৪ বছরের প্রায় ২ কোটি ৪৫ লক্ষ মানুষ ভ্যাকসিন পাওয়ার আশায় নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। তবে, কয়েকটি রাজ্যে টিকার অপ্রতুলতার জন্য টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। তবে, এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৩৫ জন।

মে ০১, ২০২১
রাজ্য

করোনায় রাজ্যে একদিনেই মৃত ৯৬ জন

ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় মারণ ভাইরাস প্রাণ কাড়ল রাজ্যের ৯৬ জনের। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। মৃত্যুর সংখ্যা রীতিমতো ভাঁজ ফেলেছে রাজ্যবাসীর। একইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যাও। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন রাজ্যের ১৭,৪১১ জন। তাঁদের মধ্যে ৩,৯৩২ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে ফের প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয় স্থানে কলকাতা। সেখানকারও তিন হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এদিন। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৯২৪ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। একদিনে নতুন করে করোনা থাবা বসিয়েছে সেখানকার ৯৭৩ জনের শরীরে। হাওড়া রয়েছে চতুর্থ স্থানে। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ৯২২ জন। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের করোনা গ্রাফও রীতিমতো ভয় ধরিয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন সংক্রমিতের হদিশ। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮,২৮, ৩৬৬।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
দেশ

আগামী দিনেও বিনামূল্যে টিকা, আশ্বস্ত করলেন মোদি

কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । লকডাউন নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এবার রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন সচেতন থাকুন। কুর্নিশ জানালেন করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রামকে। আশ্বাস দিলেন বিনামূল্যে টিকাকরণ নিয়েও।এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। সেই টিকা পেয়েছেন ৪৫ ঊর্ধ্বরা। আগামী দিনেও এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চলবে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিও তাদের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ১ মে থেকে ১৮ ঊর্ধ্বে সকলেই টিকা পাবেন। একইসঙ্গে টিকাকরণ সংক্রান্ত গুজব থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়, করোনা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তাই সহজে হেরে গেলে চলবে না। কোভিডের প্রথম ধাক্কা সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশ। যার জন্য দেশবাসীর আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমি। করোনা যোদ্ধাদের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানাতে এদিন বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীর তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

আগামী দিনেও বিনামূল্যে টিকা, আশ্বস্ত করলেন মোদি

কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে গোটা দেশ। এমন পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । লকডাউন নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। এবার রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানেও দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। বললেন সচেতন থাকুন। কুর্নিশ জানালেন করোনাযোদ্ধাদের সংগ্রামকে। আশ্বাস দিলেন বিনামূল্যে টিকাকরণ নিয়েও।এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে। সেই টিকা পেয়েছেন ৪৫ ঊর্ধ্বরা। আগামী দিনেও এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চলবে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিও তাদের কর্মীদের টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে পারবে।আরও একবার মনে করিয়ে দেন, ১ মে থেকে ১৮ ঊর্ধ্বে সকলেই টিকা পাবেন। একইসঙ্গে টিকাকরণ সংক্রান্ত গুজব থেকে দূরে থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়, করোনা মানুষের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। তাই সহজে হেরে গেলে চলবে না। কোভিডের প্রথম ধাক্কা সফলভাবেই সামাল দিয়েছিল দেশ। যার জন্য দেশবাসীর আত্মবিশ্বাস বেড়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ধাক্কা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমি। করোনা যোদ্ধাদের সংগ্রামকে কুর্নিশ জানাতে এদিন বিভিন্ন রাজ্যের চিকিৎসক, নার্স, অ্যাম্বুল্যান্স চালকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীর তরফ থেকে তাঁদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

৩ দিনে দেশে করোনা আক্রান্ত প্রায় ১০ লক্ষ, রেকর্ড মৃত্যুতেও

দৈনিক করোনা সংক্রমণের নিরিখে বিশ্বরেকর্ডের ধারা অব্যাহত রাখল ভারত। লাগাতার তিনদিন দেশে ৩ লক্ষের বেশি মানুষ এই মারণ ভাইরাসের কবলে পড়লেন। শনিবার সংখ্যাটা প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছে গেল। যার জেরে স্রেফ ৩ দিনেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল প্রায় ১০ লক্ষ। এর আগে বিশ্বের কোনও দেশেই সংক্রমণের এ হেন ভয়াবহ ছবি চোখে পড়েনি। আক্রান্তের পাশাপাশি বাড়ছে মৃতের সংখ্যাটাও। লাগাতার তিনদিন দৈনিক ২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর পর শনিবার সংখ্যাটা পেরিয়ে গিয়েছে আড়াই হাজারের গণ্ডিও।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৭৮৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৪ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের তো বটেই গোটা বিশ্বের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ১০ হাজার ৪৮১ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৪৪ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৬২৪ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ১৯ হাজার ৮৩৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক অনেক কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ২৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৯৪০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৩৮ লক্ষ ৬৭ হাজার ৯৯৭ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১৩ কোটি ৮৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৩২ জন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই বহু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। অন্য একাধিক রাজ্যের মতো আজ থেকে সাপ্তাহিক লকডাউন শুরু হয়েছে ওডিশাতে। এদিকে, দিল্লি এইমসে জরুরি পরিস্থিতির কথা ভেবে প্রবেশিকা পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
রাজ্য

বঙ্গে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত প্রায় ১৩ হাজার

করোনার বেঙ্গল স্ট্রেনের দাপট। রাজ্যে লাগামহীন মহমারির সংক্রমণ। স্বাস্থ্যদপ্তরের নয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাস নতুন করে থাবা বসিয়েছে মোট ১২,৮৭৬ জনের শরীরে।মারণ জীবাণুর বলি হয়েছেন ৫৯ জন। অনেকটা কমেছে সুস্থতার হার। মাত্র ৮৮.০১ শতাংশ। সংক্রমণের শীর্ষে কলকাতা। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ২৮৩০। এরপরই কোভিড গ্রাফে উত্তর ২৪ পরগনার স্থান। এখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২৫৮৫। এর মধ্যে বিধাননগরেও বাড়ছে সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যুতে চিন্তার ভাঁজ স্বাস্থ্যমহলে। রোগীদের সুরক্ষিত থাকতে ফের এখানকার সেফ হাউসগুলো খোলার পরিকল্পনা চলছে।রাজ্যে এই মুহূর্তে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। ৬ দফা ভোট শেষ, বাকি ২ দফা। এরই মাঝে সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত হারে বাড়তে থাকায় কোভিড বিধি আরও কড়া করেছে নির্বাচন কমিশন। সমস্ত রোড শো, মিছিল বাতিল হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও এগিয়ে এসেছে। জনসভা বাতিল করে অনেকেই ভারচুয়াল প্রচারে ঝুঁকেছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কিছুতেই যেন লাগাম পরছে না করোনা সংক্রমণে। স্বাস্থ্যদপ্তরের নয়া পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৫২, ৬৪৬ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে করোনার। এর মধ্যে ৭.১০ শতাংশ রিপোর্টই পজিটিভ। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৭৪৭৩৭। তবে সংক্রমণের হার সর্বকালীন রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। এদিনই মুখ্যসচিবকে নেতৃত্বে রেখে টাস্ক ফোর্স তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে সাহায্যের জন্য গঠিত হয়েছে ওয়ার্কিং কমিটি। বিভিন্ন হাসপাতালে কোভিড বেড বাড়ানো হয়েছে। অক্সিজেন সরবরাহ যাতে স্বাভাবিক থাকে, তার জন্য অন্য রাজ্যে অক্সিজেন পাঠানো আপাতত স্থগিত করতে চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি লিখেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সঙ্গে যুদ্ধ কত দ্রুত জয়ী হবে বাংলা, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
দেশ

দৈনিক সংক্রমণে আমেরিকাকেও পিছনে ফেলল ভারত!

লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে দেশের দৈনিক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পৌঁছে গেল ২ লক্ষ ৯৫ হাজারে। এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা শুধুমাত্র ভারতে নয় বিশ্বেও সর্বোচ্চ। এ বছর ৮ জানুয়ারি আমেরিকাতে এক দিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন। কোনও একটি দেশে একদিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা এত দিন সর্বোচ্চ ছিল। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বুধবার নতুন রের্কড গড়ল ভারত।দৈনিক মৃত্যুর নিরিখেও দেশে বুধবার তৈরি হল নতুন রের্কড। দেশে এই প্রথম একদিনে মৃত্যু ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩ জনের। করোনাভাইরাসের ছোবলে দেশে এখনও অবধি প্রাণ হারিয়েছেন ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩ জন। বুধবার দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ১৬ হাজার ১৩০ জন। মোট আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। প্রথম আমেরিকা।বিপুল পরিমাণ দৈনিক আক্রান্তে জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সক্রিয় রোগী বেড়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৬১। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৩৮ জন। যদিও এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা নেমেছিল দেড় লক্ষের নীচে। তার পর বাড়তে বাড়তে গিয়েছে এই পরিস্থিতিতে। এর জেরে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার পরিসর ক্রমেই কমে আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই শয্যায় একাধিক রোগীকে শুয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অক্সিজেনেরও অভাব সামাল দিতে আসরে নেমেছে প্রশাসনও। অনেক জায়গাতেই অস্থায়ী কোভিড কেয়ার কেন্দ্র তৈরি করে পরিস্থিতি মোবাবিলার চেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার।সংক্রমণ শৃঙ্খল রুখতে লকডাউনও জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। রাজধানী দিল্লিতে সোমবার থেকে চলছে লকডাউন। মহারাষ্ট্রেও করোনা কার্ফু চলছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে সপ্তাহান্তে চলছে লকডাউন। রাত্রিকালীন কার্ফুও জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে। এর পাশাপাশি দেশে টিকাকরণ চলছে জোরকদমে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে টিকা নিয়েছেন ২৯ লক্ষ ৯০ হাজার ১৯৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট কোভিড টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৩ কোটি ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১০।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে নতুন সংক্রমণ ১০ হাজার ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়ে ৪৬

রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ একধাক্কায় ১০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গেল। যা এখনও পর্যন্ত ১ দিনে আক্রান্তের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার মতোই মোট সংক্রমণের হারও সর্বোচ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৮৫ শতাংশে।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮১৯ জন। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নতুন করে ২ হাজার ২৩৪ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে পিছিয়ে নেই উত্তর ২৪ পরগনাও। ওই জেলায় নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৯০২ জন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৭২ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।রাজ্য জুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি কোভিড রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ জন আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় ১৫ এবং কলকাতায় ১৩ জন মারা গিয়েছেন। মালদহে ৪, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, এবং হুগলিতে ২ জন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, দার্জিলিং, কালিম্পিং, জলপাইগুড়ি, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ১ জন করে মারা গিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১০ হাজার ৬৫২ জন কোভিড রোগী মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।আক্রান্তের সংখ্যায় নজির গড়লেও রাজ্য সরকারের তরফে গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাকরণ অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে রাজ্যের ২ লক্ষ ১২ হাজার ৫৭০ জন বাসিন্দাকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর। তবে তা সত্ত্বেও দৈনিক সংক্রমণের হার বা পজিটিভিটি রেট পৌঁছেছে ১৯.৬২ শতাংশে। প্রসঙ্গত, প্রতি দিন যে সংখ্যক কোভিড টেস্ট করা হয়, তার মধ্যে যত শতাংশের রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাকেই পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার বলা হয়।দৈনিক টিকাকরণের মতোই কোভিড টেস্টের সংখ্যাও রবিবারের থেকে অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫০ হাজার ৪৪টি কোভিট টেস্ট হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৯৯ লক্ষ ৩২২টি টেস্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

এপ্রিল ২০, ২০২১
দেশ

ফের রেকর্ড সংক্রমণ দেশে, একদিনে মৃত্যু ১ হাজার ৬১৯ জনের

ভয়াবহতার সব মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে করোনা। এতদিন রেকর্ড হারে বাড়ছিল শুধু আক্রান্তের সংখ্যা। এবার শুরু হল মৃত্যু মিছিলও। সোমবার সকালেও দেশে রেকর্ড ভেঙে প্রায় পৌনে তিন লক্ষ মানুষ করোনার কবলে পড়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১,৬০০-র বেশি মানুষের। যে হারে দেশের পজিটিভিটি রেট এবং অ্যাকটিভ কেস বাড়ছে, তাতে খুব দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে ভয়াবহ পরিস্থিতি। খুন স্বস্তিতে নেই রাজস্থান, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, বিহার, বাংলাও।সোমবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮১০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৩ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৬১ হাজার ৯১৯ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৬৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৬১৯ জনের। যা সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ১৭৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের প্রায় অর্ধেক। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ২৯ হাজার ৩২৯ জন। এই নিয়ে পরপর চারদিন দেশে দৈনিক অ্যাকটিক কেস বাড়ল এক লক্ষের বেশি। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৯ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮২১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১২ কোটি ৩৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬৬ জন।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাথরুমে পড়ে গুরুতর অসুস্থ সুব্রত বক্সী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ! কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার আচমকাই বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা ও স্ক্যানের পর চিকিৎসকেরা জানতে পারেন, মাথায় আঘাতের জেরে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ না হলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। আপাতত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতাকে।এই খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম সংগঠক মুখ হিসেবে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন সুব্রত বক্সী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তাঁর প্রভাব আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলীয় অন্দরের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা হতাশ করেছিল। যদিও রাজনৈতিক সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।এখন চিকিৎসকদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সুব্রত বক্সীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনায় প্রার্থনা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

মে ১১, ২০২৬
রাজ্য

সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরার পর ইডির জালে সুজিত বসু, রাতে গ্রেফতার সদ্য-পরাজিত তৃণমূল নেতা

অবশেষে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির জালে ধরা পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। সোমবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর দফতরে হাজিরা দেওয়ার প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা পর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার অভিযোগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। রাত সওয়া ৯টা নাগাদ বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের সদ্য-পরাজিত এই বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে গত ১ মে-ও ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। তবে ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের পর এই প্রথম তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন। সোমবার তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবীও। পরে ইডি দফতরের বাইরে বেরিয়ে সুজিতের আইনজীবী জানান, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু এখনও দফতরের ভিতরেই রয়েছেন।বিধানসভা ভোটের আগে একাধিকবার সুজিতকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু ভোটের প্রচারে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়ান এবং বিষয়টি আদালতেও জানান। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন।এর আগেও সুজিতের বাড়ি, অফিস এবং তাঁদের মালিকানাধীন ধাবায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। শুধু তাই নয়, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু-সহ পরিবারের একাধিক সদস্যকেও ডেকে পাঠিয়ে বয়ান রেকর্ড করা হয়েছিল।বারবার তলবের মুখে সুজিতের দাবি ছিল, যে মামলায় তাঁকে ডাকা হচ্ছে, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যেই চার্জশিট জমা দিয়েছে এবং সেখানে তাঁর নাম নেই। তবে শেষরক্ষা হল না। তদন্তকারী সংস্থার জাল এড়াতে পারলেন না তিনি।ইডি সূত্রের খবর, সোমবার রাতেই তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। এরপর তাঁকে হেফাজতে রাখা হবে। মঙ্গলবার সকালে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের ইডির মুখোমুখি সুজিত বসু, বাড়ছে চাপ!

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির মুখোমুখি হলেন প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। এর আগেও গত পয়লা মে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই সময়ের জেরায় উঠে আসা নতুন তথ্যের ভিত্তিতেই ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম এবং হালিশহর-সহ একাধিক পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন দক্ষিণ দমদম পুরসভার সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে সেই সময়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুজিত বসুর কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলায় ধৃত অয়ন শীল এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের জেরা করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। উদ্ধার হওয়া নথিতেও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম উঠে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই সুজিত বসুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপ-পৌরপ্রধান হিসেবে দায়িত্বে থাকার সময় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কীভাবে কর্মী নিয়োগ হয়েছিল, তা জানতে চাইছে ইডি। এছাড়াও মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন তাঁর সময়ে হওয়া নিয়োগ নিয়েও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগেও এই মামলায় সুজিত বসুর বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। একই ঘটনায় তাঁকে সিবিআই-ও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। ফলে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নতুন করে চাপ বাড়ল প্রাক্তন মন্ত্রীর উপর।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

নন্দীগ্রাম বিতর্কে থাকা অফিসারও এবার সিএমও-তে! শুভেন্দুর প্রশাসনিক দলে বড় বদল

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসনে বড় রদবদল শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরকে আরও শক্তিশালী করতে একের পর এক নতুন আমলাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হচ্ছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যুগ্ম সচিব পদে নিয়োগ করা হল দুই তরুণ আইএএস অফিসারকে। পাশাপাশি সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নতুন দায়িত্ব পাওয়া আইএএস অফিসারদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৯ ব্যাচের পি প্রমোথ। এতদিন তিনি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প এবং বস্ত্র দফতরের যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ২০২০ ব্যাচের আইএএস অফিসার নবনীত মিত্তলকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের যুগ্ম সচিব করা হয়েছে। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।একইসঙ্গে সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকে সিএমও-তে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সুরজিৎ রায়। ভোটের সময় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার ছিলেন। এর আগে নন্দীগ্রামের বিডিও থাকাকালীন তাঁকে শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। এবার সেই সুরজিৎকেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারের এসডিও অয়ন দত্তগুপ্ত এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি রাজর্ষি নাথকেও সিএমও-তে নিয়োগ করা হয়েছে।শুধু প্রশাসনিক পদেই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু। শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএফ অফিসার সুব্রত গুপ্তকে। ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে সেই সময় বিস্তর আলোচনা হয়েছিল।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার শান্তনু বালাকে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, শপথ নেওয়ার পর থেকেই নিজের দফতর গুছিয়ে দ্রুত কাজে নামতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট করছে।

মে ১১, ২০২৬
দেশ

এক বছর সোনা কিনবেন না! দেশবাসীকে হঠাৎ এমন বার্তা কেন দিলেন মোদী?

ইরান-আমেরিকা সংঘাতের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এর মধ্যেই আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার বড় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।রবিবার এক জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আগামী এক বছর সোনা না কেনার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমানোর কথাও বলেন তিনি। প্রয়োজনে আবার ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করার পরামর্শও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া আপাতত বিদেশ ভ্রমণ এবং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং এড়িয়ে চলার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। দেশের অর্থভাণ্ডার শক্তিশালী রাখা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখেই এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মোদী।প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার পরেই আজ বিশেষ বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অর্থনীতির উপর কতটা প্রভাব পড়ছে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বৈঠকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার কারণে দেশের কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হবে।সূত্রের খবর, বৈঠকে পেট্রোলিয়াম এবং জাহাজ মন্ত্রকের তরফে আলাদা করে রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি রুখতে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এছাড়া আগামী দিনে কোন কোন ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে খবর।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

প্রথম ক্যাবিনেটেই বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! নিহত ৩২১ বিজেপি কর্মীর পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার

নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর একাধিক বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিহত ৩২১ জন বিজেপি কর্মীর পরিবারের দায়িত্ব নেবে রাজ্য সরকার। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাও জানানো হয়েছে।প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পর শুভেন্দু বলেন, দীর্ঘদিন পর বাংলায় ভয়মুক্ত ও অবাধ নির্বাচন হয়েছে। ভোটকর্মী, গণনাকর্মী, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশ এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়া সমস্ত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, ডবল ইঞ্জিন সরকার দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করবে।এদিনের বৈঠকে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের কাজের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।এছাড়া কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছে রাজ্য সরকার। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও, বিশ্বকর্মা যোজনা এবং আয়ুষ্মান ভারত-এর মতো প্রকল্প বাংলায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে নতুন সরকার। এতদিন রাজ্যের আইএএস ও আইপিএস অফিসাররা কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারতেন না বলে অভিযোগ ছিল। এবার থেকে তাঁরা সেই সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।সবচেয়ে বড় ঘোষণাগুলির মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালুর সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এতদিন বাংলায় অসাংবিধানিকভাবে আইপিসি চালু ছিল। আজ থেকেই রাজ্যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্যও বড় স্বস্তির খবর দিয়েছে সরকার। চাকরিতে আবেদন করার বয়সসীমার ঊর্ধ্বসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, পূর্বতন সরকার রাজ্যের অনেক ক্ষতি করে গিয়েছে। তবে কোনও চালু সামাজিক প্রকল্প বন্ধ করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। আগামী সপ্তাহ থেকে দিলীপ ঘোষ এবং অগ্নিমিত্রা পল সাংবাদিক বৈঠক করবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

শপথের পরই কড়া অ্যাকশনে শুভেন্দু! সিন্ডিকেট আর গরু পাচার বন্ধে এসপিদের বড় নির্দেশ

তৃণমূল সরকারের অবসানের পর বাংলায় শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজে দ্রুত সক্রিয় হয়ে উঠেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ নবান্নে বসছে নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকের আগেই প্রশাসনের অন্দরমহলে শুরু হয়েছে তৎপরতা।নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যে সিন্ডিকেট রাজ এবং গরু পাচার বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনওভাবেই এই ধরনের বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশ সুপারদের কাছে। সরকার বদলের পরেই এই নির্দেশিকাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।জানা গিয়েছে, আজ বেলা এগারোটা নাগাদ নবান্নে নতুন সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক হবে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সেখানে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হতে পারে বলে খবর। শুধু মন্ত্রিসভার বৈঠকই নয়, এদিন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকও করবেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রথমে রাজ্যের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। তারপর জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। বিকেলে রাজ্যের শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং বিভিন্ন জোনের উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা। আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে সেখান থেকেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার দিন থেকেই ব্যক্তিগত সচিবালয় বা সিএমও-তে বড়সড় রদবদল শুরু হয়েছে। একের পর এক নতুন অফিসারকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম দিনের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কী বার্তা আসে, সেদিকেই এখন নজর রাজ্যবাসীর।

মে ১১, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথের খুনি সন্দেহে তিন ব্যক্তি গ্রেফতার, ভবানী ভবনে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল তদন্তকারী দল। উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের দ্রুত কলকাতায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। দলে রয়েছেন এসটিএফ এবং সিআইডির অভিজ্ঞ আধিকারিকরা। তদন্তে নেমে সূত্র ধরে ভিনরাজ্যে অভিযান চালিয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন জনকে পাকড়াও করা হয়।উল্লেখ্য, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। জানা যায়, তাঁর গাড়ির সামনে আচমকাই একটি চারচাকা এসে দাঁড়ালে গাড়ি থামাতে বাধ্য হন চালক। সেই সময় দুদিক থেকে বাইকে চেপে আসা আততায়ীরা চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালককে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম চালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল। বালি টোলপ্লাজায় অনলাইনে টোলের টাকা মেটানোর সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের সন্ধান মেলে। ইতিমধ্যেই খুনে ব্যবহৃত চারচাকা এবং দুটি বাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সবকটি গাড়ির নম্বরপ্লেটই ভুয়ো।পুলিশের ধারণা, অন্তত এক থেকে দেড় মাস আগে থেকেই এই খুনের ছক কষা হয়েছিল। চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে কারও শত্রুতা বা সাম্প্রতিক কোনও বিরোধ ছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার নেপথ্যে আরও বড় চক্রান্তের তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মে ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal