• ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

দেশ

Yoga Day: করোনা আবহে যোগ দিবসের গুরুত্ব বোঝালেন প্রধানমন্ত্রী

করোনার (Coronavirus) ধাক্কায় প্রায় বেসামাল গোটা দেশ। এই পরিস্থিতিতে শারীরিক সমস্যা যেমন চিন্তার কারণ ঠিক তেমনই একাকীত্বও গ্রাস করছে অনেককেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে মনের জোর বাড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে একমাত্র হাতিয়ার হতে পারে যোগব্যায়াম। সপ্তম যোগ দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এদিন এম যোগা নামে একটি অ্যাপেরও ঘোষণা করেন তিনি। চলতি বছরের থিম যোগা ফর ওয়েলনেস। ১৫ জন আধ্যাত্মিক নেতা ও যোগ গুরু এই অনুষ্ঠান যোগ দেন। সপ্তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে (International Yoga Day) ভার্চুয়ালি জাতির উদ্দেশে বক্তব্য রাখে প্রধানমন্ত্রী।Addressing the #YogaDay programme. https://t.co/tHrldDlX5c Narendra Modi (@narendramodi) June 21, 2021প্রধানমন্ত্রী জানান, এম যোগা অ্যাপে (M-Yoga App) বিভিন্ন ভাষায় যোগাভ্যাসের বিস্তারিত তথ্য থাকবে। বিভিন্ন প্রশিক্ষকরা শেখাবেন যোগাসন। যোগ দিবসের অনুষ্ঠান শেষের আগে আরও একবার এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্যর উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এম যোগা অ্যাপকে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ হিংসা নিয়ে রাজ্যপালকে নালিশ শুভেন্দুরকরোনা রোগীদের চিকিৎসাতেও যোগাসনের উপরেই জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন করোনা রোগীদের চিকিৎসাতেও যোগাভ্যাসের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। এই সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও তাঁর নজরে পড়েছে বলেও জানান মোদি। যোগাভ্যাসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি হয় বলেও জানান তিনি। মোদি আরও জানান, যোগাভ্যাসের মাধ্যমে নেতিবাচক মানসিকতা দূর হয়। বেড়ে ওঠে উদ্ভাবনী ক্ষমতা। তাই শিশুদের অনলাইন ক্লাসেও কমপক্ষে ১৫ মিনিট যোগাভ্যাসের উপর জোর দিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন জায়গায় করোনার চিকিৎসাতেও যোগাসনের গুরত্ব নিয়েও গবেষণা হচ্ছে বলেও যোগ দিবসে জানান প্রধানমন্ত্রী।

জুন ২১, ২০২১
নিবন্ধ

পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যার

আজ পিতৃদিবস। আমাদের ছোটবেলায় এরকম কিছুর নাম শুনিনি । বোধহয় কারও জানা ছিল না যে বছরের বিশেষ কোন দিন বাবাদের জন্যও হয়। আমাদের শৈশব ছিল পিতৃময়। সংসারের সিদ্ধান্ত সব বাবাই নেবে, আমরা কি করব, কোথায় পড়ব, কি ভাবে সংসার চলবে সব কিছু। খুব ছোটতে বাবা আমাকে ভোরবেলা উঠিয়ে জল খাইয়ে নিয়ে যেত বাথরুমে। সকাল ৭টায় রিকশা আসবে স্কুলে নিয়ে যেতে।স্কুল থেকে ফিরে বাবাকে দেখতে পেতাম না, বাবার তখন অফিস। কিন্তু দুপুরগুলো চলতো বাবার করে দেওয়া রুটিনে। অঙ্ক দেওয়া থাকত খাতাতে। অঙ্ক কষে একটু ঘুমিয়ে নেওয়া। সেটাও আগাম বলে দিত বাবা। সন্ধ্যেয় এসে পড়াতে বসা। যখন একটু বড় হলাম, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। সাইকেল চালানো শিখতে হবে। আমাদের মফস্বল শহরে কোন বাস সার্ভিস ছিল না। আর রিকশা ভাড়া দিয়ে টানা যাচ্ছে না। তখন তেরো বছরের কিশোরীর চোখে ভয়, লজ্জা সব। সাইকেল আর শেখা হয় না। মাঠে বিকেলে অনেকে খেলছে, কিশোর থেকে কিছু যুবকও। তাদের চোখের সামনে পিঠে পড়লো বিরাশি সিক্কার এক থাপ্পড়। সদ্য কিশোরী আমার মুখ চোখ লাল হয়ে চোখে জল। মারলো তো বাবাই , কিন্তু এত ছেলের সামনে? মুগ্ধ দৃষ্টি গুলো কেমন বদলে গেল ব্যঙ্গের হাসিতে। কিন্তু ওমা! দিব্যি সাইকেল টাও চলতে থাকলো গরগড়িয়ে। একটু হাত সরগর হতেই বাবার সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে হাজারদুয়ারী। বাবা বড় সাইকেল-এ সামনে, আমি পিছনে লেডিস ছোট লাল সাইকেল আমার। বোর্ড-এর পরীক্ষা, ভোরে ওঠা নিয়ে আমি নাজেহাল। ভোরে উঠতে পারি না, বাবা এলো কফির কাপ হাতে। গরম গরম কফি খেয়ে আমি আবার ঘুমে। এইভাবেই কেটে চলে দিন। ইউনিভার্সিটিতে এডমিশন। বাবা পৌঁছাতে গেল আমাকে, সেদিনটা টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছিল। বাবা আমাকে পৌঁছে টুকিটাকি জিনিস কিনে ফিরে যাচ্ছে, আমি দাঁড়িয়ে আছি দরজায়। বাবা বারবার বলছে তুই ভেতরে না গেলে আমি যাই কি করে আর আমি বলছি, তুমি যাও তারপরে তো যাব আমি। এই পহলে তুম-পহলে তুম এর টানাপোড়েনে কে যে জিতেছিল আজ আর মনেও নেই। বিয়ের পরে আমার ঘুম থেকে উঠে সর্বপ্রথম কাজ ছিল বাবাকে ফোন করা। ততদিনে বাবা অনেকটাই অসুস্থ, তবু ঘড়ির কাঁটা ৭টা ছুঁলেই ফোন আসত, তুমি কি আমাকে ফোন করতে ভুলে গেলে? তুই নয় তুমি, সম্বোধনেই ধরা পড়ত উষ্মা। তারও পরে তখন আমি মা, সন্তান পালনের টুকিটাকি বাবা আমাকে শিখিয়েছিল। বিশেষত, বাচ্চার খাওয়া-দাওয়া। আমার অতি দুরন্ত মেয়েকেও সামলেছে অপটু হাতে। তখন আমি জীবন যুদ্ধে পাগলপ্রায়। যখন একটু গুছিয়ে বসেছি, কন্যা আমার কাছেই। অফিস থেকে ফেরার পথে বিউটি পার্লার এ বসে আছি। উদ্দেশ্য, কিঞ্চিৎ সৌন্দর্য বৃদ্ধি। বাবার ফোন আসতেই কেটে দিলাম, দ্বিতীয় ফোনটা আসতে ধরলাম। নাহলে রিং করা থামাবেন না উনি। বললাম পার্লার এ আছি, পরে করছি ফোন ঘন্টা খানেক পরে আবার ফোন, বাধ্য হয়ে ধরে বললাম, এখনও হয়নি, শেষ হলে করছি আমার বাবার রাগে ক্ষোভে উক্তি, এখনও ওই পার্লার-এ বসে আছিস, ছোট থেকে এত মন দিয়ে যদি অঙ্কটা করতিস তাহলে কোথায় যে থাকতিস আজ! এবং হতভম্ব আমার প্রত্যুত্তর, এটা কি এইসময় ই মনে এলো তোমার! বাবা চলে গেছে, না বলেই। যে বাবা কিছু আমাকে না বলে করত না, কিরকম যেন এই সিদ্ধান্তটা একাই নিয়ে নিল। বাবাকে কোনদিন বলা হলো না তোমাকে ভালোবাসি। কোনওদিন জীবনে যা ভুল করেছি নতজানু হয়ে স্বীকার করা হল না। বলা হলো না বাবা তোমাকে ছেড়ে থাকা এখনও ভালো করে শেখা হয়নি আমার। অসমাপ্ত শিক্ষা নিয়ে কি করে চলবো আমি। কিছুই তো বলা হল না। তাহলে এতগুলো বছরে কি কথা বললাম আমি বাবার সঙ্গে? এতগুলো জরুরি কথা কি করে বাকি থেকে গেল? কবে শেষ করব এই অসমাপ্ত কথোপকথন আমি আর আমার বাবা? সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

জুন ২০, ২০২১
দেশ

Coronavirus: ২৪ ঘণ্টায় দেশে বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশে আছড়ে পড়ার পর থেকেই নতুন করে বেড়েছিল উদ্বেগ। চলতি বছর মার্চ থেকে হু হু করে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। ভোলবদলে আরও প্রাণঘাতী হয়ে ওঠা ভাইরাসের জেরে বৃদ্ধি পায় মৃত্যুর হারও। তবে লকডাউন ও কড়া বিধিনিষেধের জেরে বর্তমানে অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে দেশের কোভিড সংক্রমণ। এক সময় দেশে যেখানে দৈনিক আক্রান্ত ৪ লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছিল, সেখানে এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজারে। তবে এখনও চিন্তায় রাখছে দৈনিক মৃতের সংখ্যা।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬২ হাজার ২২৪ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও সংখ্যাটা গতকালের তুলনায় সামান্য বেশি। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ। এর মধ্যে অবশ্য চলতি বছরই করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ফের যাতে সংক্রমণ না বাড়ে, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র এবং সমস্ত রাজ্য। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২ কোটি ৯৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ১০৫। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৪২ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫৭৩ জন।তবে মানুষ নতুন করে গৃহবন্দি হওয়ায় ধীরে ধীরে কমছে অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনার চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে হল ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪৩২ জন। সেই সঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ৬২৮ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ২ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০০ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

জুন ১৬, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: আচমকাই আজ দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল

দলবদল নিয়ে সড়গরম রাজ্য-রাজনীতি। সোমবারই একাধিক ইস্যু নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেছে শুভেন্দু অধিকারী-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি বিধায়ক (BJP MP)। এই পরিস্থিতিতে আজ দিল্লি যাচ্ছেন জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। Honble Governor West Bengal. Shri Jagdeep Dhankhar will be visiting New Delhi.Governor Dhankhar will leave for Delhi on the late evening of June 15, 2021 and return to Kolkata on June 18, 2021 in the late afternoon. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) June 15, 2021মঙ্গলবার সকালে একটি টুইট করেছেন রাজ্যপাল। সেখানেই দিল্লি সফরের কথা জানিয়েছেন তিনি। ১৮ তারিখ কলকাতায় ফিরবেন তিনি। ঠিক কী কারণে এই সফর তা নিয়ে টুইটে কোনও মন্তব্য করেননি ধনকড়। ফলে ঠিক কী কারণে তিনি হঠাৎ দিল্লি যাচ্ছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই কানাঘুষো শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে রাজ্য়পালের দিল্লিযাত্রা যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য। হঠাৎই রাজ্যপালের দিল্লি সফরের এই সূচি সামনে এসেছে। এর আগেও একাধিকবার দিল্লি গিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং প্রত্যেকবারই বাংলা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তিনি সেখানে জানিয়ে এসেছেন। বেশির ভাগ সাক্ষাৎই তিনি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও দেখা করেছেন। গত কয়েকদিন ধরেই বিজেপির সমস্বরেই রাজ্যপালকে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ও রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে দোষী ঠাওরেছেন ধনখড়।উল্লেখ্য, রাজ্য-রাজ্যপালের সম্পর্ক কোনওদিনই সুমধুর নয়। একাধিকবার প্রকাশ্যে রাজ্যের নীতির বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছেন ধনখড়। তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তুলেছে তৃণমূল। সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর পাশে বসে সাংবাদিক বৈঠক করেন ধনখড়। সেখানে রাজ্যকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, ভোট পরবর্তী রাজ্যে একাধিক জায়গায় অশান্তি হয়েছে। সেই জায়গাগুলিতে কেন মুখ্যমন্ত্রী গেলেন না? ভোট পরবর্তী অশান্তি, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের খোঁচা, বাংলায় গণতন্ত্র শ্বাস নিতে পারছে না। ওইদিন ফের রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও আঙুল তুলেছেন জগদীপ ধনখড়।

জুন ১৫, ২০২১
রাজ্য

Tarapith Temple: ১৬ জুন থেকে ভক্তদের জন্য খুলতে চলেছে তারাপীঠ মন্দির

অপেক্ষার অবসান। রাজ্যে করোনার সংক্রমণ (Corona Pandemic) অনেকটাই নিম্নমুখী। আর তাই আগামী ১৬ জুন থেকে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠের মন্দির (Tarapith Temple)। সোমবার সেবাইতদের বৈঠকের পর এমনটাই জানানো হয়েছে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে। তবে জারি থাকবে করোনা সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ। ৩৩ দিন পর খুলতে চলেছে মন্দির।করোনার (Corona Virus) দ্বিতীয় ঢেউয়ে রাজ্যের অন্যান্য মন্দিরের পাশাপাশি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তারাপীঠের মা তারার মন্দিরও। সংক্রমণ রুখতে রাজ্যের তরফে কড়া বিধিনিষেধ জারি করার পরই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল। এই সময় কেবল সেবাইতদেরই পালা করে মায়ের পুজো করার অনুমতি ছিল। তবে মন্দিরের দ্বার বন্ধ থাকলেও ভিডিও কলের মাধ্যমেই মায়ের দর্শন করছিলেন ভক্তরা। এজন্য উদ্যোগ নিয়েছিল তারাপীঠ মন্দিরের সেবাইত সংঘই। সেবাইতরাই ভক্তদের ভিডিও কল করে মায়ের দর্শনের ব্যবস্থা করছিলেন। এমনকী পুণ্যার্থীদের দাবি মেনে ভিডিও কল করে তাঁদের নাম, গোত্র ধরে পুজোও দিয়ে দেন তাঁরা। এখানেই শেষ নয়, দূর-দূরান্তের পুণ্যার্থীদের কাছে সংকল্প করা পুজোর ফুলও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল ডাকযোগে। তবে শেষপর্যন্ত রাজ্যে সংক্রমণের গ্রাফ কমতেই মন্দির খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।তবে ১৬ তারিখ থেকে মন্দির খুললেও ভক্তদের জন্য জারি থাকবে একাধিক বিধিনিষেধ। প্রত্যেককেই সেই বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। মন্দিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গর্ভগৃহে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। তোলা যাবে না কোনওপ্রকার সেলফি। মায়ের বিগ্রহকে স্পর্শ করা কিংবা জড়িয়ে ধরা যাবে না। এছাড়া করোনা সংক্রান্ত অন্যান্য সতর্কতাও মেনে চলতে হবে।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Yash: রাজ্যের ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা, রিপোর্ট নবান্নর

রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় যশের (Cyclone Yash) জেরে ক্ষয়ক্ষতি সরজমিনে খতিয়ে দেখে দেখার পর বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। কোথায় কত ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয় রাজ্য সরকারের সঙ্গে। রাজ্যের তরফে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে, প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। নবান্নে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর এবং অর্থ দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে এদিন বিকেলে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। তবে রাজ্য সরকার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত রিপোর্ট দেয়নি। খতিয়ে দেখছে কোথায় কোন ক্ষেত্রে কত ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে পাঠানো হবে বলে খবর। কারণ, এখনও বহু এলাকা জলের তলায়। সেখানে ক্ষতির পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি। তার উপর ১১ ও ২৬ তারিখ ফের কটালের জল ঢুকতে পারে। ঘণীভূত হয়েছে নিম্নচাপও। তাই এসব পার হলে বোঝা যাবে আসলে কত ক্ষতি হয়েছে। সেসব খতিয়ে দেখেই কেন্দ্রকে চূড়ান্ত রিপোর্ট দেবে নবান্ন। তবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের কাছে প্রতি ক্ষেত্র ধরে ধরে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিসংখ্যান জানিয়েছেন রাজ্যের আধিকারিকরা। রাজ্যরে চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা তা খতিয়ে দেখে তবেই কেন্দ্রের কাছে জমা করবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই কেন্দ্র ঠিক করবে রাজ্যকে কতটাকা দেওয়া হবে।উল্লেখ্য, গত রবিবার রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব এসকে সাহির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি। এই দলে ছিলেন কেন্দ্রের কৃষি ও কৃষক উন্নয়নের ডিরেক্টর, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে মন্ত্রকের অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক, বিদ্যুৎ মন্ত্রক, মৎস্য মন্ত্রকের কর্তারা। দুটি দলে ভাগ হয়ে সোমবার তাঁরা পাথরপ্রতিমা ও গোসাবা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে যান। সেখানে দিঘা ও মন্দারমণির অবস্থা দেখেন। মঙ্গলবার দিঘা ও গদখালিতে সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকায় যান। এদিন দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগে নবান্নে রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন।

জুন ১০, ২০২১
কলকাতা

Film Director passes away: প্রয়াত পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

প্রয়াত চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার নিজের বাসভবনে মৃত্যু হয় তাঁর। অনেকদিন ধরেই তিনি কিডনির অসুখে ভুগছিলেন। চলছিল ডায়ালিসিস। কিডনির সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ছিল বার্ধক্যজনিত সমস্যা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তাহাদের কথা, উত্তরা ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।বিশিষ্ট পরিচালকের মৃত্যুতে বিনোদুনিয়ায় শোকের ছায়া। পরিচালকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Anguished by the demise of Shri Buddhadeb Dasgupta. His diverse works struck a chord with all sections of society. He was also an eminent thinker and poet. My thoughts are with his family and several admirers in this time of grief. Om Shanti. Narendra Modi (@narendramodi) June 10, 2021Saddened at the passing away of eminent filmmaker Buddhadeb Dasgupta. Through his works, he infused lyricism into the language of cinema. His death comes as a great loss for the film fraternity. Condolences to his family, colleagues and admirers Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 10, 2021বৃহস্পতিবারও তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা ছিল। তবে তার আগে বুধবার রাতে কবি-পরিচালকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী ঘুম থেকে ডাকতে যান। তবে কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে আঁতকে ওঠেন। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে ডেকে পাঠান। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত্যু সংবাদ জানা। ১৯৪৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পুরুলিয়ার আনাড়ায় জন্ম বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর। নজন ভাইবোনের পরিবারে তৃতীয় সন্তান ছিলেন তিনি। তাঁর বাবা তারাকান্ত দাশগুপ্ত পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। রেলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাই একাধিক জায়গায় ঘুরে ফিরে বড় হয়েছেন কবি-পরিচালক। মাত্র ১২ বছর বয়সে কলকাতায় চলে আসেন। হাওড়ার দীনবন্ধু স্কুলে পঠনপাঠন শুরু হয় তাঁর। স্বাধীনতার পর তাঁর বাবার খড়গপুর এবং ঝাড়খণ্ডে বদলি হয়ে যায়। অর্থনীতি নিয়ে স্কটিশ চার্চ কলেজেও পড়াশোনা করেছেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ শ্যামসুন্দর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন তিনি।ন।এরপর সিনেমা তৈরির ভাবনাচিন্তা শুরু করেন। কলকাতা ফিল্ম সোসাইটির সদস্যপদ গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬৮ সালে ১০ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র তৈরির মধ্য দিয়ে পরিচালনায় হাতেখড়ি তাঁর। তারপর একে একে দূরত্ব, নিম অন্নপূর্ণা, গৃহযুদ্ধ, মন্দ মেয়ের উপাখ্যান, স্বপ্নের দিন, উড়োজাহাজ-এর মতো ছবি করেছেন তিনি। তাঁর বহু ছবি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। বাঘ বাহাদুর, চরাচর, লাল দরজা, কালপুরুষ-সহ একাধিক ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তাহাদের কথা বাংলায় সেরা ফিচার ফিল্মের সম্মান পেয়েছিল। এই ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। বিনোদুনিয়ার পাশাপাশি সাহিত্য জগতেও অবদান রয়েছে তাঁর। চলচ্চিত্র সির্মাতার মৃত্যুতে শোকে পরিজনেরা। বিনোদুনিয়াতেও নেমেছে শোকের ছায়া।

জুন ১০, ২০২১
বিদেশ

সাত বছরের জেল গান্ধিজির প্রপৌত্রীর

প্রাথমিক ভাবে আটক করা হয়েছিল গান্ধিজির প্রপৌত্রী আশিস লতা রামগোবিনকে। পরে তাঁকে সাত বছরের জেলের সাজা দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তাঁর বিরুদ্ধে ৬.২ মিলিয়ন বা ভারতীয় মুদ্রায় ৩.২২ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানের একটি আদালত তাঁর এই আজা ঘোষণা করেছে।এসআর মহারাজ নামে এক ব্যবসায়ী তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন। ২০১৫ সালে ঘটে ওই ঘটনা। জানা গিয়েছে, কিছু কাগজপত্র দেখিয়ে ওই টাকা নেন রামগোবিন। কিন্তু সে সব কাগজপত্র আসলে ছিল ভুয়ো। অভিযোগ, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপের পর রামগোবিন তাঁকে জানিয়েছিলেন যে তিনি খুবই আর্থিক সংকটে ভুগছেন। এদিকে, ভারত থেকে তাঁর অর্ডার করা তিনটি কন্টেনার ভর্তি লিনেন কাপড় বন্দরে আটকে রয়েছে। সেগুলি ছাড়িয়ে আনতে প্রচুর টাকা আমদানি শুল্ক দিতে হবে। মহারাজের কাছে সেই টাকা সাহায্য হিসেবে চান রামগোবিন।রামগোবিন বলেছিলেন, মহারাজ পরবর্তীকালে ব্যবসার লাভের অংশ পাবেন। এরপর কিছু ভুয়ো কাগজপত্রও ওই ব্যবসায়ীকে প্রমাণস্বরূপ পাঠান গান্ধিজির প্রপৌত্রী। এরপর ওই টাকাটি রামগোবিনকে পাঠিয়ে দেন মহারাজ। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন, সমস্ত কাগজপত্রই ভুয়ো। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন ওই ব্যবসায়ী।

জুন ০৯, ২০২১
রাজ্য

জুলাই-শেষে উচ্চ মাধ্যমিক, মধ্য অগস্টে দেড় ঘণ্টার মাধ্যমিক

জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে হবে এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। অগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে মাধ্যমিক পরীক্ষা। তিন ঘণ্টার বদলে পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টার। বৃহস্পতিবার নবান্নে এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অতিমারি পরিস্থিতিতে অনিশ্চয়তার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন মমতা। কোভিড অতিমারির কথা মাথায় রেখে যার যার নিজের স্কুলেই সিট পড়বে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, বাড়ির কাছে নিজের স্কুলে পরীক্ষার আসন পড়লে যানবাহনে চড়ে যেতে হবে না ছাত্র-ছাত্রীদের।আরও পড়ুন: যশ-এ বিধ্বস্ত পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনামুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বছর মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থী রয়েছে ১২ লক্ষের কিছু বেশি। মাধ্যমিকে আবশ্যিক বিষয় আছে ৭টি। এই আবশ্যিক বিষয়গুলিরই পরীক্ষা নেওয়া হবে ২০২১ সালের মাধ্যমিকে। ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা এ বছর নেওয়া হবে না। ওই বিষয়গুলির নম্বর নিজ নিজ স্কুল দেবে বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরীক্ষার সময়সীমাও কমানো হবে বলে জানিয়েছেন মমতা। ৩ ঘণ্টার বদলে পরীক্ষা দেড় ঘণ্টার নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর ফলে পরীক্ষার্থীদের সামনে বিকল্প থাকবে অনেক বেশি। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাখা, তিন ঘণ্টার পরীক্ষা হলে যতগুলি প্রশ্নের উত্তর দিতে হতে হয়, দেড় ঘণ্টার পরীক্ষা হওয়ায় উত্তর দিতে হবে তার অর্ধেক। উচ্চমাধ্যমিকের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন বিষয়ের যত কম পরীক্ষা নেওয়া যায় সে ব্যাপারে দেখার জন্য পর্ষদকে অনুরোধ করেছেন তিনি। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে পর্যদের তরফে আরও বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা।মাধ্যমিকের আগে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন নেওয়া হবে সে বিষয়টিও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন কলেজে ভর্তির ব্যাপার থাকে। তাই ওই পরীক্ষা আগে নেব। মাধ্যমিক তো আমাদের ঘরের ব্যাপার। তাই ওটা পরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মে ২৭, ২০২১
বিদেশ

৯০ দিনের মধ্যে করোনার উৎস খুঁজতে মার্কিন গোয়েন্দাদের নির্দেশ বাইডেনের

বন্যপ্রাণ থেকে উদ্ভুত হয়েছিল নোভেল করোনা ভাইরাস নাকি পরিকল্পনামাফিক চিনের গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে এই সংক্রামক ভাইরাসটি? এ নিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব করলেন মার্কি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের উৎস খুঁজতে মার্কিন সংস্থাগুলিকে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। প্রয়োজনে আরও বেশি পরিশ্রমেরও পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ট্রাম্প পরবর্তী সময়ও চিন-আমেরিকার দ্বন্দ্বের পারদ ফের চড়তে শুরু করবে।বিবৃতিতে বাইডেন জানিয়েছেন, করোনার উৎপত্তি নিয়ে গোয়েন্দারা এখনও দ্বিধাবিভক্ত। কারোর দাবি, চিনের পশুবাজারে থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। কেউ আবার বলছেন চিনের গবেষণাগারেই তৈরি হয়েছে নোবেল করোনা ভাইরাস। কিন্তু কেউই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি। আমি মার্কিন গোয়েন্দাদের উত্তর খুঁজতে ৯০ দিন সময় দিয়েছি। ধোঁয়াশা মোড়া বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দরকার। বিশেষ করে এ বিষয়ে চিনের ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এ বিষয়ে বাইডেন সমমনস্ক অন্যান্য দেশের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। যাঁরা করোনার উৎপত্তি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনতে চিনের চাপ তৈরি করবে। আন্তর্জাতিক তদন্তেও চিনকে সহযোগিতা করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাইডেন। নয়া মার্কিন প্রেসিজেন্ট এ হেন মন্তব্য চিন-আমেরিকার সম্পর্কে নতুন করে সংঘাত তৈরি করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মে ২৭, ২০২১
রাজ্য

পাণ্ডুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ২, হালিশহর-চুঁচুড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক বাড়ি

ঘূর্ণিঝড় যশ এখনও এসে পৌঁছয়নি। ল্যান্ডফলে এখনও বাকি ১২ ঘণ্টার বেশি। তবে তার আগেই প্রতিকূল আবহাওয়া এবং ছোটখাটো ঘূর্ণিঝড়ের জেরে দক্ষিণবঙ্গের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে বলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানান মমতা। ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান মমতা। তবে তাঁকে এও বলতে শোনা যায়, প্রকৃতিকে আমরা গেস করতে পারি, কিন্তু ফেস করতে গেলে প্রকৃতি কখন কোন দুর্যোগ ঘটিয়ে দেবে তা অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে।মমতা বলেন, হালিশহরে একটা দেড় মিনিটের টর্নেডো হয়ে গিয়েছে। হালিশহরে ৪০ টা বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বীজপুরেও ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত বিষয়টি দেখছে। চুঁচুড়াতেও টর্নেডো হওয়ায় ৪০ টির মতো বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাণ্ডুয়াতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজন মারা গিয়েছে।অন্যদিকে, যশের গতিপথ ক্রমশ ওডিশার দিকে ঘুরে যেতে থাকলেও এ দিন আরেক আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমরা সবাই নিশ্চই প্রার্থনা করব যাতে বেশি কিছু না হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও শোনা যাচ্ছে যে সাগর দ্বীপেও এটা ধাক্কা মারতে পারে। যদিও আমরা সবাই তৈরি আছি। প্রায় ১১ লক্ষ মানুষকে আমরা উদ্ধার করে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে এসেছি। চিন্তা করার বা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। রাতটা একটু সামলে থাকতে হবে।কীভাবে রাজ্যবাসী এই পরিস্থিতি সামাল দেবেন তা নিয়ে পরামর্শ দিতে শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, বিদ্যুতের ব্যবহার যতটা কম করা যায় ততটাই ভাল। ঝড়টা চলে যেতে দিন। চেষ্টা করুন যাতে বাড়ির বাইরে না বের হতে হয়। সম্ভব হলে ফোনে কাজ সারুন। আজ গোটা রাতটাই তিনি নবান্নেই কাটাবেন বলে জানান মমতা।

মে ২৫, ২০২১
কলকাতা

‘যশ’ আতঙ্কে ২ দিন বন্ধ হাইকোর্ট, আরও পিছল নারদ-জামিনের শুনানি

যশ আতঙ্কে কাঁটা রাজ্যবাসী। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের জেরে দুর্যোগ থাকতে পারে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। যেদিন রাজ্যের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়বে যশ, সেদিন তো বটেই, তারপরেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বন্ধ থাকতে পারে অন্য সব পরিষেবা। এর মধ্যে ২৬ ও ২৭ তারিখ অর্থাৎ বুধ এবং বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ কথা। যার জেরে নারদ মামলায় ৪ হেভিওয়েট নেতার জামিনের শুনানি আরও পিছিয়ে গেল। আপাতত আরও বেশ কয়েকদিন তাঁদের গৃহবন্দিই থাকতে হবে।হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ও ২৭ মে, যান চলাচলের সমস্যা, ঘূর্ণিঝড় যশের কারণে মামলার শুনানি সম্ভব নয়। এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ২৭ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হবে। এতেই স্পষ্ট, অন্তত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম ও শোভন চট্টোপাধ্যায় গৃহবন্দি থাকবেন। মদন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার কারণে তাঁদের হাসপাতালেই থাকতে হবে। তারপর হাইকোর্টে এই নারদ মামলার শুনানি হলে বোঝা যাবে, তাঁদের জামিনের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।সোমবার এই মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন সিবিআই আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। কারণ, তার আগেই হাইকোর্টে শুনানির জন্য ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তৈরির বিরোধিতা করে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু সিবিআইয়ের এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ঘূর্ণিঝড় আসছে, তাতে নেটওয়ার্ক পরিষেবা বিপর্যস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। শুনানি সোমবার না হলে তা পিছিয়েই যাবে। কেন সোমবার শুনানিতে আপত্তি জানাচ্ছে সিবিআই? এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা সত্যি করেই যশ-এর কারণে ২ দিন উচ্চ আদালত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

মে ২৫, ২০২১
দেশ

১৫ দিনের অতিরিক্ত বেতন পাবেন আড়াই লাখ এসবিআই কর্মী

করোনা আর লকডাউনের জেরে যেখানে চাকরি খোয়াতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে, সেখানে সুখবর পেতে চলেছেন স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরা। সব ঠিকঠাক থাকলে দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংকের প্রায় আড়াই লক্ষ কর্মী ১৫ দিনের অতিরিক্ত বেতন পেতে পারেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্যই ইনসেনটিভ হিসেবে এই অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হতে পারে তাঁদের বলেই শোনা যাচ্ছে।জানা গিয়েছে, ২০২১ অর্থবর্ষে এসবিআইয়ের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রিপোর্ট বলছে, চলতি বছরের আর্থিক বর্ষে ৪১ শতাংশ বেড়েছে ব্যাংকের মোট লাভ। আর সেই কারণেই কর্মীদের মুখে হাসি ফোটাতে পারে স্টেট ব্যাংক। যা লকডাউনের মধ্যে নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর। কোনও ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য আয় হলে সেই ব্যাংক চাইলে তার কর্মীদের পুরস্কৃত করতে পারে। গত বছর এই প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দিয়েছিল নভেম্বরে ইন্ডিয়ান ব্যাংকস অ্যাসোসিয়েশন। এই চুক্তি অনুযায়ী, কোনও পিএসইউ সেক্টরের ৫ থেকে ১০ শতাংশ লাভ হলে কর্মীরা পাঁচদিনের অতিরিক্ত বেতন পেতে পারে ইনসেনটিভ হিসেবে। এক্ষেত্রে বেসিক এবং ডিএ যোগ করে সেই অর্থ তুলে দেওয়া হয় কর্মীদের হাতে। আবার লভ্যাংশের পরিমাণ ১০-১৫ শতাংশ হলে ১০ দিনের অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হতে পারে কর্মীদের। ১৫ শতাংশের লাভ হলে কর্মচারীরা পেতে পারেন ১৫ দিনের বেতন। তবে লাভের পরিমাণ পাঁচ শতাংশের কম হলে ইনসেনটিভ পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকে না।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

করোনার শৃঙ্খল ভাঙতে লকডাউনের প্রথম সকালে শুনশান শহর

নবান্ন থেকে কার্যত লকডাউনের ঘোষণার সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার জন্যই এই কড়াকড়ি। সরকার আশা করছে, মানুষ এই নির্দেশ মানবেন। রবিবার, লকডাউনের প্রথম সকালে হুগলি থেকে হাওড়া হয়ে কলকাতার এই ছবিই এখন দেখা যাচ্ছে। সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজার, দোকান খোলা থাকলেও রাস্তায় লোক নেই বললেই চলে। বাজার এলাকায় দুএক জায়গায় অল্প কয়েক জনের জমায়েত ছাড়া মোটের উপর ফাঁকা রাস্তা। গাড়ি চলাচলও খুব কম। রাস্তায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাকা চেকিং চলছে। বিধিনিষেধ বজায় রাখতে সক্রিয় পুলিশ।রাস্তার ধারে বিক্রেতারা ফল, সবজি নিয়ে বসেছেন। কিন্তু ক্রেতার দেখা বিশেষ একটা চোখে পড়ল না। পাড়ার মোড়ের চায়ের দোকানগুলো বেশির ভাগ বন্ধ থাকায় সেখানেও ভিড় নেই। গাড়ি যে চলছে না বা রাস্তায় লোক নেই তা নয়, তবে সবটাই হতে গোনা। একই ছবি হাওড়া ব্রিজে ওঠার মুখেও। সেখানে চেকিং আরও কড়া। ব্রিজের দুই প্রান্তেই চেকিং চলছে। সংবাদমাধ্যমের গাড়িকে না আটকালেও বেশ কিছু গাড়ি ও মোটরবাইককে ফিরিয়ে দিলেন পুলিশ কর্মীরা। পর্যাপ্ত কারণ থাকলে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে গাড়ি। রবিবারের সকালে শুনশান বড়বাজার এলাকাও। রাস্তার উপরেই কিছু ঠেলাগাড়িতে সবজি, ফল বিক্রি হচ্ছে। তবে সেখানেও ক্রেতার সংখ্যা বেশ কম। দোকান প্রায় সবই বন্ধ। রাস্তার ধারে সার দিয়ে দাঁড়ানো ট্যাক্সি, ওলা, উবর। এই সুযোগে কেউ কেউ আবার গাড়ি ধুয়ে নিচ্ছেন। চারদিকে যেন একটা ছুটির আমেজ চোখে পড়ছে। বড়বাজার পেরিয়ে মহাকরণ, লালবাজার চত্বরেও রাস্তাঘাট ফাঁকা। কিছু গাড়ি চললেও কলকাতার সেই চেনা ভিড়ের ছবিটা উধাও। সব মিলিয়ে লকডাউনের প্রথম সকালের ছবিটা কিন্তু বেশ স্বস্তির। করোনা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সরকারের সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহণ করেছেন সাধারণ মানুষ।

মে ১৬, ২০২১
রাজ্য

কড়া রাজ্য, আগামী ১৪ দিন বন্ধ বাস, মেট্রো-সহ সব গণপরিবহণ

করোনা সংক্রমণ রুখতে কার্যত লকডাউনের পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ তারিখ সন্ধে পর্যন্ত কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। শনিবার দুপুরে নবান্নে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানিয়েছেন। দেখে নিন, কোন কোন ক্ষেত্রে কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা জারি হল বার বাস, মেট্রো-সহ সমস্ত গণপরিবহণ বন্ধ করা হল। বন্ধ ফেরি, অটো পরিষেবাও। শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই মিলবে পরিবহণ পরিষেবা। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, কলকারখানাও বন্ধ হচ্ছে আগামী ১৫ দিনের জন্য। বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয়-সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে।প্রায় লকডাউনের পরিবেশই ফিরছে রাজ্যে। গত ৫ তারিখ তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে কোভিড মোকাবিলায় বৈঠকের পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, দু সপ্তাহ বন্ধ থাকবে লোকাল ট্রেন। কিন্তু অন্যান্য গণপরিবহণ স্বাভাবিকই ছিল। এবার তাও বন্ধ করে কার্যত জনগণের বাড়ির বাইরে আসাযাওয়া নিয়ন্ত্রণের পথে হাঁটল প্রশাসন। এমনকী, বন্ধ অটোও। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিন বন্ধ থাকবে রেস্তরাঁ, শপিংমল, সুইমিং পুল, পার্লার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরনো প্রায় নিষেধ। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কার্যত নাইট কার্ফু জারি হল রাজ্যে। এছাড়া সমস্ত ধর্মীয়, রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ বন্ধ। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এ ধরনের জমায়েত থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কাই বেশি। তাই তা রুখতে জমায়েতে কড়া হাতে রাশ টানছে প্রশাসন।এদিকে, রেল চলাচল বন্ধ হওয়ার কথা মুখ্যসচিব জানালেও পূর্ব রেলের সিপিটিএম-এর বক্তব্য, এখনও রাজ্যের তরফে কোনও নির্দেশিকা আসেনি। সেক্ষেত্রে দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ না হওয়ার আশা দেখছেন রেলকর্তারা। তবে ছাড়ও রয়েছে বেশ কয়েকটি পরিষেবায়। চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় পরিষেবা দিনভর সচল থাকবে। ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স, চশমার দোকান খোলা থাকবে। সীমিত সংখ্যক কর্মী নিয়ে চালু থাকবে চা বাগান, জুটমিল। খুব প্রয়োজনে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বেরনো যাবে পথে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। সারাদিন চালু থাকবে খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা। রেস্তরাঁ, হোটেল বন্ধ থাকলেও মিলবে অনলাইনে ফুড ডেলিভারি।

মে ১৫, ২০২১
দেশ

১৫ দিনে বিনামূল্যে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন পাবে রাজ্যগুলি

দেশজুড়ে ভ্যাকসিনের সংকট। বিরোধীরা আক্রমণ শানাচ্ছে কেন্দ্র সরকারকে। কেন্দ্রের ভ্যাকসিন বণ্টন নীতিই সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে, বারবার বলছেন রাহুল গান্ধি। রাজ্যগুলিও কাঠগড়ায় তুলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়ে দিলেন, আগামী ১৫ দিনে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ দেবে কেন্দ্র। তাও আবার বিনামূল্যে।প্রসঙ্গত, দেশজুড়ে এখন বিভিন্ন পর্যায়ে ১৮ বছরের বেশি বয়সি সবাইকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা। কিন্তু, ভ্যাকসিনের জোগানের সমস্যার জন্য এখনও অনেক রাজ্যেই ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। আবার অনেকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেলেও দ্বিতীয় ডোজ পাননি। কেন্দ্রের তরফে বৃহস্পতিবারই ঘোষণা করা হয়েছিল, এখন থেকে কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় টিকার ডোজ নিতে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ পরে। তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে। অনেকে মনে করছেন, জোগানের অভাবেই কৌশলে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ পিছিয়ে দিতে চাইছে সরকার। তবে, সে বিতর্ক উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় শুক্রবার সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্র। আর এদিনই ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৬ থেকে ৩১ মের মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেবে কেন্দ্র। এর মধ্যে কোভিশিল্ড থাকছে ১৬২.৫ লক্ষ ডোজ এবং কোভ্যাকসিন থাকছে ২৯.৪৯ লক্ষ। কেন্দ্রের দেওয়া এই ভ্যাকসিন রাজ্যগুলি ব্যবহার করতে পারবে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বের নাগরিকদের টিকাকরণের জন্য।প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৮ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছেন। আগামী ১৫ দিনে আরও ২ কোটির বেশি মানুষ ভ্যাকসিন কেন্দ্রের আশা খুব শীঘ্রই ভারতে ভ্যাকসিনের উৎপাদনের হার অনেকটা বেড়ে যাবে। সরকারের দাবি, আগামী অগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২১৬ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ ভারতে তৈরি হয়ে যাবে। যার অর্থ এবছরের শেষদিক পর্যন্তই পুরো টিকাকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় কেন্দ্র।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনের করোনার বলি প্রায় ৪০০০

ফের নয়া রেকর্ড গড়ল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ৪ লক্ষ ১৪ হাজার ১৮৮ জন। একদিনে করোনার বলি ৩৯১৫। সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০৭ জন। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৩৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৬৪।আইসিএমআর-এর রেকর্ড অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিডের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২১৮ লক্ষ ২৬ হাজার ৪৯০। ইতিমধ্যে টিকাকরণ হয়েছে ১৬ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৮ জনের। যা মোট জনসংখ্যার তুলনায় সামান্যই। টিকাকরণের শ্লথ গতির কথা অবশ্য মেনে নিয়েছে কেন্দ্রও।বৃহস্পতিবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪ লক্ষ ১২ হাজারের বেশি। আর শুক্রবার তা তৈরি করল নয়া রেকর্ড। মৃত্যুর হারও আগের কয়েকদিনের চেয়ে বেশি। সুস্থতার পরিসংখ্যানেও তেমন স্বস্তি নেই। এখনও পর্যন্ত করোনাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন দেশের ১ কোটি ৭৬ লক্ষ ১২ হাজার ৩৫১ জন। দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে দফায় দফায় জারি হচ্ছে লকডাউন। কোথাও আবার কার্ফু জারির মাধ্যমে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার চেষ্টা চলছে। কোভিড মোকাবিলায় ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছে কার্যত গোটা বিশ্বই। ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স, সুইডেন-সহ একাধিক দেশ চিকিৎসা সরঞ্জাম, টিকা দিয়ে সাহায্য করেছে। শুক্রবার সকালে সুইজারল্যান্ড থেকেই পণ্যবাহী বিমানে দিল্লিতে নেমেছে ৫০টি রেসপিরেটর, যা এই মুহূর্তে সংকটজনক করোনা রোগীকে বাঁচানোর চিকিৎসায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অক্সিজেনের অভাব মেটাতে বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হচ্ছে প্লান্ট। এত কিছু সত্ত্বেও লাগামহীন করোনা সংক্রমণ। প্রতিদিন রেকর্ড ভেঙেই চলেছে। দ্বিতীয় ধাক্কায় যদি এই পরিস্থিতি হয়, তবে আসন্ন তৃতীয় ঢেউ আরও কতটা ভয়ংকর হবে, তা ভেবেই আশঙ্কিত আমজনতা।

মে ০৭, ২০২১
দেশ

টানা তিনদিন জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি

ভোট মিটতেই জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যে ফের নাজেহাল দেশবাসীর। বাংলা-সহ চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গত মঙ্গলবার থেকেই চড়তে শুরু করেছে পেট্রল-ডিজেটেল দাম। এই নিয়ে টানা তিনদিন বাড়ল দাম।এবার বিভিন্ন শহরে একলাফে ২০ থেকে ৩০ পয়সা বাড়ল জ্বালানি তেলের মূল্য। অর্থাৎ হিসেব বলছে, তিনদিনের মধ্যে ৪০-৫০ পয়সা পেট্রলের লিটারপ্রতি মূল্যবৃদ্ধি হল। ডিজেল লিটার পিছু বাড়ল ৫০-৬০ পয়সা। যা নিঃসন্দেহে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে আমজনতার কপালে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রাজধানী দিল্লিতে যেমন ২৫ পয়সা বেড়ে লিটারপ্রতি পেট্রলের দাম হল ৯০.৯৯ টাকা। বৃহস্পতিবার ডিজেলের মূল্য বেড়ে হয়েছে ৮১.৪২ টাকা। বুধবারই যা ছিল ৮১.১২ টাকা। কলকাতায় এক লিটার পেট্রলের দাম ৯০.৯২ টাকা থেকে বেড়ে (২২ পয়সা) হল ৯১.১৪ টাকা। আজ সকাল ৬টা থেকে এক লিটার ডিজেলের জন্য খরচ করতে হবে ৮৪.২৬ টাকা (২৮ পয়সা)।এদিকে মুম্বইয়ে ফের আকাশছোঁয়া জ্বালানি তেলেন দাম। ২২ পয়সা বেড়ে লিটারপিছু পেট্রলের দাম গিয়ে পৌঁছল ৯৭.৩৪ টাকায়। বাণিজ্যনগরীতে লিটারপ্রতি ৩০ পয়সা বাড়ল ডিজেলের মূল্য। ৮৮.৪৯ টাকায় মিলবে এক লিটার ডিজেল। চেন্নাইয়ের বাসিন্দাদের এক লিটার পেট্রল ও ডিজেলের জন্য এখন দিতে হবে ৯২.৯০ এবং ৮৬.৩৫ টাকা।বিশ্বজুড়ে করোনার দাপটে একধাক্কায় অনেকটা কমেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। যার জেরে অপরিশোধিত তেলের দামও নিম্নমুখী। গত বছরও করোনার কোপ আর লকডাউনের জেরে পেট্রল-ডিজেলের আমদানি কমিয়ে ফেলেছিল ভারত। এবছরও নতুন করে মারণ ভাইরাসের চোখ রাঙানির কারণে ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে একাধিক শহর। ফলে চাহিদা কমছে পেট্রল-ডিজেলের। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভোট শেষ হতেই দেশে এই নিয়ে তৃতীয় দিন পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ায় ফের সমালোচনায় বিদ্ধ কেন্দ্র সরকার।

মে ০৬, ২০২১
দেশ

ভোট শেষ হতেই টানা ২ দিন ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রল-ডিজেলের দাম

পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ভোট শেষ। আর ভোট মিটতেই ফের ঊর্ধ্বমুখী পেট্রল-ডিজেলের দাম। বুধবারও ফের দাম বাড়ল জ্বালানির। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন। যা ইতিমধ্যে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে সাধারণ মানুষকে।জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে ১৯ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে লিটারপিছু পেট্রলের দাম। রাজধানী দিল্লিতে এদিন এক লিটার পেট্রলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০.৭৪ টাকা। দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে এক লিটার পেট্রল মিলছে ৯৭ টাকা ১২ পয়সায়। এ শহরেও দামী হয়েছে পেট্রল। কলকাতায় এক লিটার পেট্রলের দাম ৯০.৭৬ টাকা থেকে বেড়ে হল ৯০.৯২ টাকা। অর্থাৎ এখানে পেট্রলের দাম বেড়েছে ১৬ পয়সা। অন্যদিকে, আরেক মহানগর চেন্নাইয়ে পেট্রল মিলছে লিটারপ্রতি ৯২.৭০ টাকায়।একইভাবে দেশজু়ড়ে দাম বেড়েছে ডিজেলেরও। লিটারপিছু ২১ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে ডিজেলের দাম। দিল্লিতে এক লিটার ডিজেলের দাম ২১ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১.১২ টাকা। দেশের বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে এক লিটার ডিজেল মিলছে ৮৮ টাকা ১৯ পয়সায়। এ শহরেও দামী হয়েছে ডিজেল। কলকাতায় এক লিটার ডিজেলের দাম ২০ পয়সা বেড়ে হয়েছে ৮৩.৯৮ পয়সা। অন্যদিকে, চেন্নাইয়ে ডিজেল মিলছে লিটারপ্রতি ৮৬.০৯ টাকায়।বিশ্বজুড়ে করোনার দাপটে একধাক্কায় অনেকটা কমেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। যার জেরে অপরিশোধিত তেলের দামও নিম্নমুখী। গত বছরও করোনার কোপ আর লকডাউনের জেরে পেট্রল-ডিজেলের আমদানি কমিয়ে ফেলেছিল ভারত। এবছরও নতুন করে মারণ ভাইরাসের চোখ রাঙানির কারণে ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে হেঁটেছে একাধিক শহর। ফলে চাহিদা কমছে পেট্রল-ডিজেলের। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভোট শেষ হতেই দেশে এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ায় ফের সমালোচনায় বিদ্ধ কেন্দ্র সরকার।

মে ০৫, ২০২১
রাজ্য

২দিনের সফরে রাজ্যে নাড্ডা, ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক বিজেপির

বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার জের। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিল বিজেপি। বাংলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন জেপি নাড্ডা। ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে শাসকদল সন্ত্রাস চলছে বলে রবিবার সন্ধে থেকেই অভিযোগ করছে বিজেপি। সোমবার দলের রাজ্য দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যজুড়ে অশান্তি ও হিংসার জেরে প্রাণ গিয়েছে ৬ জনের। রাজ্যে অবিলম্বে শান্তি ফেরানোর আরজি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যপালকে চিঠি দিচ্ছি। মুখ্যসচিবকেও চিঠি দেওয়া হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত না শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা হলে রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নামবে বিজেপি। এদিকে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় টুইটে অভিযোগ করেন, ভোটে জেতার পর তৃণমূল উৎসব করছে। এবং তারা বিজেপি কর্মীদের ঘর ভাঙছে। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের বেশি বিজেপি কার্যকর্তা খুন হয়েছে। এদিন রাজ্যপালকে অভিযোগ জানানোর পর রাজভবনের বাইরে বেরিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে দিলীপ ঘোষ বলেন, ভয়ংকর খুন, সন্ত্রাস হচ্ছে। লাঠি নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঢুকে বাড়ি ভাঙছে, আমাদের কর্মীদের মারধর করছে। সব ভিডিও আসছে। এসব বন্ধের আবেদন নিয়েই রাজ্যপালের কাছে এসেছিলাম। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের উপর লাগাতার হামলার প্রতিবাদেই বুধবার দেশজুড়ে ধরনার ডাক দিয়েছে বিজেপি। আজ রাজ্যে এসে আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন ডেপি নাড্ডা। কর্মীদের মনোবল চাঙা করতে বৈঠক করতে দলের নেতাদের সঙ্গেও।

মে ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া কি অপরাধ? কমিশনের বৈঠকের পর প্রশ্ন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতেই চাননি। উল্টে তাঁদের উপর চিৎকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের প্রতিনিধিরা।এর আগেও দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এবার কলকাতাতেও প্রায় একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকে নাকি বারবার শীর্ষ আদালতের মামলার প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।সূত্রের খবর, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার বলেন, যখন আপনারা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনার নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উচ্চস্বরে কথা বলেন।সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রিমা বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে চিৎকার করেছেন।চন্দ্রিমার অভিযোগ, বৈঠকে বারবার বলা হয়েছে যে তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া তাঁদের অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন এবং তাতে কোনও ভুল নেই।তিনি আরও বলেন, যদি সব বিষয়ই আদালতে রয়েছে, তাহলে তাঁদের বৈঠকে ডাকার প্রয়োজন কী ছিল। ডাকা হলে অন্তত তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠক এবং তার পরের অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় উত্তেজনা, ধরনা মঞ্চের কাছে লিফলেট বিতরণ নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ মমতার

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের চতুর্থ দিনে ধরনা মঞ্চ থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি। তাঁর দাবি, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।সোমবার সকালে ধরনা মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এজেন্সির মাধ্যমে এই কাজ করাচ্ছে। তিনি দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন, যারা এই লিফলেট বিলি করছে তাদের হাতেনাতে ধরতে হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। যারা এই কাজ করছে তাদের ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নির্দেশ দেন দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জায়গায় এমন কাজ করার কোনও অধিকার তাদের নেই। অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন এবং আশেপাশের এলাকা নজরে রাখতে নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, যারা এই কাজ করেছে তারা হয়তো পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাই দ্রুত তাদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপর ধর্মতলা চত্বরে খোঁজ চালানো হলে একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকার একটি দোকান থেকে বিজেপির ব্রিগেডে যাওয়ার আহ্বান জানানো লিফলেট উদ্ধার হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ধর্মতলায় এই ধরনা চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাতেও ধরনা মঞ্চেই থাকছেন। এদিন বিকেলে ধরনা মঞ্চে আসার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।ভোটের আগে এই আন্দোলন ও নতুন অভিযোগ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের বৈঠকেই চরম উত্তেজনা, চিৎকার করে কথা বললেন জ্ঞানেশ কুমার? বিস্ফোরক অভিযোগ চন্দ্রিমার

ভোটার তালিকা ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকেই তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার নিউটাউনে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম এবং রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা।তিনি দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের কথা শোনার পরিবর্তে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটানা কথা বলেছেন। চন্দ্রিমার অভিযোগ, কোনও বক্তব্য শোনার আগ্রহ না দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমার শুধু চিৎকার করেই কথা বলছিলেন।সোমবার দুপুর প্রায় বারোটা দশ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অনুরোধ করেন, যেন কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাননি জ্ঞানেশ কুমার।চন্দ্রিমা জানান, কমিশনার একাই কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন, আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া কি কোনও অপরাধ। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আদালতে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈঠকের সময় তাঁকে চুপ করতে বলা হয় এবং বলা হয় চিৎকার না করতে। চন্দ্রিমার কথায়, একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা মানে মহিলাদের প্রতি সম্মানের অভাব দেখানো।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়েও তাঁদের বক্তব্য শোনার আগ্রহ দেখাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বৈঠক শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেন, বিজেপি রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ধারণা তৈরি করেছে। কিন্তু বাস্তবে কতজনকে চিহ্নিত করা গেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।ফিরহাদের অভিযোগ, এই অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত তা স্বীকার করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার যেন খর্ব না হয়।তিনি আরও দাবি করেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার আগে বহুবার নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।এদিন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও বৈঠক করেন। তাঁদের পক্ষ থেকেও ভোট এক বা সর্বাধিক দুই দফায় করার দাবি জানানো হয়েছে। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই উত্তপ্ত বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, সরাসরি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ! নতুন করে বিতর্কে এসআইআর

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ল। এসআইআর ইস্যুতে আবারও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন একদল আবেদনকারী। সোমবার কলকাতায় যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে শীর্ষ আদালতে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।যাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের পক্ষ থেকেই এই মামলা করা হয়েছে। তাঁদের হয়ে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। তিনি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণত সরাসরি আবেদন করা যায় না। তখন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের জমা দেওয়া নথিও গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।আদালত জানিয়েছে, মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই আবেদনটিও শোনা হবে।এদিকে রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার সকাল থেকেই তিনি একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বামফ্রন্ট, বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে বিভিন্ন দল নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। সূত্রের খবর, আলোচনার সময় বারবার শীর্ষ আদালতের প্রসঙ্গ তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় জ্ঞানেশ কুমার নাকি বলেন, আপনারাই যখন শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন।তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটার তালিকায় যে অসঙ্গতি রয়েছে তা এখনও পুরোপুরি সংশোধন করা হয়নি। আনম্যাপড ভোটারদের বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না যায়।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও দাবি করেন, এই বিষয়গুলি শুনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন।ভোটের আগে এসআইআর ইস্যু ঘিরে এই আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal