• ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ০৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Burdwan

উৎসব

ভাইফোঁটা! একদিন আগে থেকেই মিষ্টির দোকানে লাইন

ভাইফোঁটা মানেই ভাইয়ের পাতে কিছু খাবারদাবার তুলে দিতে বোনের সাধ। আর তার সাথে নানা ধরণের মিষ্টি দিয়ে মিষ্টিমুখের পালা। দক্ষিণবঙ্গের বর্ধমানে মিষ্টির নানা ধরণের আধিপত্য কোন কাল থেকেই। তবে সবার উপরে রয়েছে জিআই ট্যাগ পাওয়া সীতাভোগ আর মিহিদানা। অন্য মিষ্টির সাথে এ দুটোও পড়বে ভাইয়ের পাতে।রাত পোহালেই ভাইফোঁটা। আর সকাল থেকেই মিষ্টির দোকানগুলোতে ভিড় জমেছে ক্রেতাদের। বাজারদরের সাথে পাল্লা দিয়ে এবারে মিষ্টির দামও বেড়েছে। কিন্তু দুবছর কোভিডের জেরে ভাইফোঁটা সেভাবে হয়নি। এবারে তাই তাগিদ বেশি। ক্রেতারা জানাচ্ছেন, ভাইফোঁটা উপলক্ষে অনেক স্পেশাল মিষ্টি তৈরি হয়। সেগুলো তারা কিনছেন। তার সাথে সীতাভোগ আর মিহিদানা সেটাও চাই।শহর বর্ধমানের এক মিষ্টি বিক্রেতা সৌমেন দাস জানান, এবারেও ভাইফোঁটা সন্দেশ সহ অন্য মিষ্টি হয়েছে। লোকে একটু হাল্কা মিষ্টি চাইছেন। তাই আমুলের বরফি সন্দেশ রয়েছে। রয়েছে চিলি রসগোল্লা। যা কাঁচালংকার ঝাল দিয়ে বানানো। আর সীতাভোগ মিহিদানা তো আছেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

হিন্দু ভাইয়ের কপালে ফোঁটা মুসলিম বোনেদের, উৎসবে মাতল বর্ধমান

উৎসবে ভেঙে গেল সংস্কারের অচলায়তন। সৌভ্রাতৃত্বের বন্ধনে মিলে গেল হিন্দু, মুসলিম। ভাতৃদ্বিতীয়ার শুভ লগ্নে ধর্মান্ধতার উর্দ্ধে উঠেবর্ধমান শহরের পঞ্চাশজন হিন্দু ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিলেন মুসলিম বোনেরা। ফোটা দিয়ে একে অপরের দীর্ঘায়ু কামনায় ব্রতী হলেন তাঁরা৷ সঙ্গে ছিল দেদার খাওয়াদাওয়া। শহরের কয়েকজন ছেলেমেয়ে মিলে আয়োজন করে এই ভাইফোঁটার। বেচারহাট শ্মশানতলা, মল্লিক পুকুর, গোলাহাট ও নতুন কলোনির দুঃস্থ পরিবারের পঞ্চাশ জন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এই ভাতৃদ্বিতীয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা তাদের বাড়ি থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত নিয়ে আসা ও দিয়ে যাবার ব্যবস্থাও করেছিলেন।বর্ধমান শহরের আরামবাগ রোডে ম্যালেরিয়া মোড়ে অনুষ্ঠিত হয় অভিনব অনুষ্ঠানটি। সকালে সকলে এক জায়গায় একত্রিত হয়। তাদের জন্য ছিল সকালের জলখাবার। দুপুরে আহারে ছিল ভাত, ডাল, আলু পোস্ত, মুরগির মাংস, চাটনি,পাপড়, রসোগোল্লা, ল্যাংচা ও ছানার জিলাপি। বুধবার ৩টে ২৭ মিনিটের পর প্রতিপদ শেষ হয়ে দ্বিতীয়া শুরু হয়েছে। সেই সময় ধরেই বুধবার এই পঞ্চাশজন একত্রিত হয়েছিলেন একে অপরকে সৌহার্দ্য বিনিময়ে। ভাইয়েদের মঙ্গল কামনায় মুসলিম বোনেরা হিন্দু ভাইদের ফোঁটা দিলেন। সাথে ভাইয়েদের হাতে তুলে দিলেন পাঞ্জাবী ও জামা। অপরদিকে ভাইয়েরা বোনেদের হাতে তুলে দিলেন নতুন শাড়ি। অভিনব এই ভাতৃত্ব বন্ধন দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন উৎসাহী মানুষজন।

অক্টোবর ২৬, ২০২২
উৎসব

বিদ্যা ও সুন্দরের এক অমর প্রেম কাহিনী এই মন্দিরে কান পাতলেই শোনা যায়

বর্ধমানের বিদ্যাসুন্দর কালীপুজোর পেছনে জড়িয়ে রয়েছে এক প্রেমের গল্প ৷ তেজচাঁদ রাজার কন্যা বিদ্যা ও মন্দিরের পুজারি সুন্দরের ভালবাসার জোরে বন্ধ হয়েছিল মন্দিরের নরবলি প্রথা ৷ বর্ধমানের মহারাজা তেজচাঁদের আমল। বর্ধমানের বেশিরভাগ এলাকা ছিল ঘন জঙ্গলে ভর্তি। বিশেষ করে দামোদর তীরবর্তী তেজগঞ্জ এলাকায় ছিল আরও গভীর জঙ্গল। সেখানেই কালী মন্দিরে পুজো করতেন রাজা। ওই কালী মন্দিরে কেউ সচরাচর যেতেন না।কথিত আছে, যারা অন্যায় অত্যাচার করত, তাদের এই মন্দিরে দেবীর সামনে হাঁড়িকাঠে নরবলি দেওয়া হত। তাই সেই সময় এই কালী দক্ষিণ মশান কালী নামে পরিচিত ছিল। ফলে দিনের বেলাতেও ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করার কেউ খুব একটা সাহস করত না।রাজার এক কন্যা ছিল, নাম বিদ্যা৷ আর রাজবাড়ির পুজারি ছিলেন সুন্দর নামে এক যুবক। সুন্দরের আর্থিক অবস্থা মোটেই ভাল ছিল না। রাজবাড়িতে ফুল দিতে আসত মালিনী মাসি। সে প্রতি ঠাকুর বাড়িতে ফুলের মালা দিত। যথারীতি একদিন মালিনী মাসি মন্দিরে ফুলের মালা নিয়ে এসেছেন। সেই মালা দেখে পুজারি সুন্দর খুব আকৃষ্ট হন। তিনি মালিনী মাসিকে জিজ্ঞাসা করেন, এত সুন্দর ফুলের মালা কে গেঁথেছে? যে মালা গেঁথেছে তাকে দেখার জন্য ছটফট করতে থাকে সুন্দর। মালিনী মাসি তাকে বলে, রাজকুমারী বিদ্যা মালা গেঁথেছে। কিন্তু তাকে দেখা সম্ভব নয়।পরবর্তীকালে বিদ্যার সঙ্গে সুন্দরের পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমনকী তারা নাকি মন্দিরের পাশ থেকে রাজবাড়ি পর্যন্ত একটা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ফেলে। সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে বিদ্যা ও সুন্দর একে-অপরের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করতে যেতেন । একদিন চরের মাধ্যমে তেজচাঁদ বিদ্যা ও সুন্দরের প্রণয়ের ব্যাপারে জেনে ফেলেন। খবরটা কানে যেতেই রাজা প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি বিদ্যা এবং সুন্দরকে কালীর সামনে বলি দেওয়ার আদেশ দেন ৷ রাজার হুকুম মতো তাদেরকে বলি দিতে নিয়ে যাওয়া হয় কালী মন্দিরে। হাঁড়িকাঠে বিদ্যা ও সুন্দর দুজন ঢোকানোর পর খাঁড়া হাতে বলি দেওয়ার সময় কাপালিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। বিদ্যা আর সুন্দর প্রেমিক প্রেমিকা মন্দির থেকে উধাও হয়ে যায়। রাজ্যপাট না থাকলেও এখনো প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই কালী মন্দিরে পুজো হয় বলে জানান সেবাইত আভা বটব্যাল। তবে জাঁকজমক এখন আর আগের মত নেই। মা এখানে পাষাণ মূর্তি। নিত্যদিন পুজো হয়।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের মা কঙ্কালেশ্বরী কালী চামুণ্ডা মতে পূজিত হন

বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নির্ণয করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা। গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী।আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড, শঙ্খ, চক্র, ধনুক, খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত স্বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷ বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নি র্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা।গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী। আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড,শঙ্খ,চক্র,ধনুক,খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি সাংসদ স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ তৃণমূল নেত্রী স্ত্রীর

সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে নিয়ে সরব হলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় বর্ধমানের মেহেদী বাগানে একটি কালী পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল। তিনি বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা তথা তার প্রাক্তন স্বামীকে মস্তিষ্ক বিকৃত হয়েছে বলে কটাক্ষ করেন।তিনি বলেন, উনি তো কোথাও গুরুত্ব পান না। উনি যখন যে দলে থাকেন সেই দলকেই পাগল করে মারেন। তিনি যখন তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন তখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উল্টো পাল্টা কথা বলেছেন। এখন তিনি যে দলে আছেন সেই দলের বিরুদ্ধে বলছেন। নিশ্চয় গুরুত্ব না পাবার মত কিছু করেছেন। তবে ওই দলে কদিন থাকবে তা নিয়েও তিনি সন্দিহান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাজনীতি করতে আসা মানে পাবার জায়গা নয়। পদ চাই তা নয়।মানুষের জন্য কাজ করা।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

টুইন টাওয়ার ছেড়ে মানুষ ভিড় জমিয়েছে হরিনারায়নপুরের রুদ্রানীর 'পোড়ো বাড়িতে'

রাজ্যের শস্যভান্ডার বর্ধমানের প্রধান পুজো দুর্গাপুজো হলেও, দুর্গাপুজোর রেশকে অনেকটাই জিইয়ে রেখে শহর বর্ধমান মেতেছে কালীপুজোয়। দুর্গাপুজোর মতই কালীপুজোতেও শহরে আনাচে কানাচে থিমের রমরমা। এবারে কালী পুজোর বিশেষ আকর্ষণ সাম্প্রতিক সময়ে বহু চর্চিত টুইন টাওয়ার বর্ধমান শহরের পাড়াপুকুরের রাসবিহারি এ্যথলেটিক ইউনাইটেড ক্লাব। কালীপুজোতে বেশ কয়েক বছর ধরে নিত্যনতুন থিমের চমক দিচ্ছে তারা।গত বছর বুর্জ খালিফা করে শহরের নজর টেনেছিল এই ক্লাব। এবারে তাদের মণ্ডপের থিম- টুইন টাওয়ার। ৯/১১/২০০১ র যে টুইন টাওয়ার ভাঙা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় হয়। সেটাই এবার কালীপুজোর থিম ভাবনায় উঠে এসেছে। টিন,ফোম,দড়ি, থার্মোকল,বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। লাইট এণ্ড সাউণ্ডের মাধ্যমে আলোর খেলা দেখানো হবে মণ্ডপ জুড়ে। স্লট করে আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হবে। সঙ্গে ডাকের সাজের চিরায়ত প্রতিমা,কাঁচের চুমকির কাজে সজ্জিত মূর্তি।বনানী রায় ও ডঃ শিবকালী গুপ্তআলোর রোশনাই ছেড়ে এবারে দর্শকের মন কেড়েছে হটুদেওয়ান এলাকার বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের কালি পুজো। এবছর তাদের ১৪ তম বর্ষ। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁরা কালি পুজোতে নানা থিমের উদ্যোগ নিয়েছেন। এবছর তাঁদের কালি পুজোর ভাবনা রূদ্রানীর আদিবাস। রুদ্র মুর্তীর অধিষ্টাত্রী দেবী শ্যমা মায়ের পুজোয় ব্রতী হয়েছেন তাঁরা। প্রাচীন কালের ভগ্নপ্রায় মায়ের বাসস্থানকে থিম হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।উদ্যোক্তা বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের সদস্য সৌম্য দাস জনতার কথা জানালেন, দুর্গা-প্রতিমা বিসর্জনের পরের দিন থেকেই তাঁরা এই পুজো আয়োজনে নেমে পড়েছেন। গতবছর তাঁরা ২৭ ফুটের সুউচ্চ প্যন্ডেল করেছিলেন। ভারতের সাধকেদের তাঁদের থিমের মধ্য দিয়ে সন্মান জ্ঞ্যাপন করেছেন। তিনি আরও জানান, এই এলাকায় সেই ভাবে কালী পুজো হতো না। আমদের পুজো উত্তরোত্তর জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় অনেক দূরদুরান্ত থেকে আমাদের পুজো দেখতে আসেন। সেই কারণে আমাদেরও দ্বায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে সেই ধারাকে বজায় রাখার। তিনি জানান এবারে তাঁরা ঠাকুর এনেছেন সুদুর হুগলী জেলার গুপ্তিপাড়া থেকে, থিমের কারিগর এসেছেন গলসী থেকে। বাইরের কারিগরের সাথে তারাও সমান তালে হাত লাগিয়েছেন বলেই এত কম সময়ে এই পুজো আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।ক্লাবের আরও এক সদস্য শৈলেন বিশ্বাস জানান, তাঁরা এই থিম বানাতে যে সমস্ত দ্রব্য ব্যবহার করেছেন তার শতকরা নব্বই ভাগই পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশ সচেতনাতার বার্তা দেওয়ার জন্য তাঁরা প্লাস্টিকের ব্যবহার সেই ভাবে করেননি। তাঁদের এই থিমের মধ্যে দিয়ে এই বার্তা দিতে চাইছেন,যে ভাবে প্রাচীন বাড়িগুলি ভেঙে আবাসন গড়ে উঠছে শহর জুড়ে তাতে আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা প্রাচীন ইতিহ্য বলে যে একটা শব্দ আছে সেটাও ভুলতে বসবো।আমি সেই মেয়ে-তুনা রুদ্রপুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান জেলা মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলয়ের অধীনস্ত ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অধ্যাপক ডঃ শিবকালী গুপ্ত। বানানি রায় বলেন, দীপাবলি আলোর উৎসব, এই উৎসবে আমরা যেমন আমরা বাইরের জগৎটাকে আলো দিয়ে সাজায়, মা কালি যেন ঠিক সেই আলো দিয়েই মনের সব অন্ধকার কে দূর করে দেন। অপর অথিতি ডঃ শিবকালী গুপ্ত জানান, এই দীপাবলি যেন আমাদের মনের সব অন্ধকার দূর করে দেয়। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সমবেত চেষ্টায় করোনার মত অতিমারী কে দূর করতে পারছি, আমাদের সার্বিক চেষ্টায় সকল অন্ধকারও দূর হবে এই আশায় তিনি করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন তাঁরা। কচি কাঁচাদের নাচে গানে ভরে ওঠে পূজা প্রাঙ্গণ। বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্রর নৃত্য পরিবেসন করেন। তাঁর আমি সেই মেয়ে দর্শকদের মন জয় করে নেয়। তাঁর এই অনুষ্ঠানে অভিনয়, অভিব্যক্তি দর্শকদের নির্বাক করে দেয়। অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিল্পী জয়মাল্য ও চঞ্চল চৌধুরির শিবের সাক্ষাতকার এক অন্য মাত্রা যোগ করে। এছাড়াও নাচে, গানে, কবিতায় অংশগ্রহণ করেন নৈরিক ভকত, সম্পূর্না চক্রবর্তী, দিয়া সামন্ত,নিধি মণ্ডল, সংকলন চৌধুরী সহ আরও অনেকে।বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের আরও এক সদস্য চঞ্চল চৌধুরী জনতার কথা কে জানান, আগামী কাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টাই পুজো শুরু, মঙ্গলবার রাতে মায়ের ভোগ বিতরণ, বুধবার সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানের শেষে মায়ের বিসর্জন। তিনি বর্ধমান বাসীকে জনতার কথার মাধ্যমে তাঁদের এই পুজোয় আমন্ত্রণ জানান।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

সাধক কমলাকান্ত তেজচাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন

১৮০৫ খীষ্টাব্দে বর্ধমানের মহারাজ তেজচাঁদ বাহাদুর কোটালহাটে কমলাকান্তের কালি সাধন ও ভজনের জন্য মন্দির টি তৈরি করে দেন।সাধক কমলাকান্ত ভষ্টাচার্য ১৭৭২শরষ্টাব্দে বর্ধমানের তাঁর মাতুলালয়ের চান্না গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।তাঁর পিতার নাম মহেশ্বর ভট্টাচার্য এবং মাতার নাম মহামায়াদেবী। কিশোর বয়সে পিতার মৃত্যু হলে মা মহামায়াদেবী দুই শিশু পুত্র কমলাকান্ত ও শ্যামাকান্তকে নিয়ে পিত্রালয়ে চলে আসেন। মহামায়াদেবী কমলাকান্তকে পড়াশোনার জন্য টোলে ভর্তি করে দেন। টোলে পড়াশোনার পাশাপাশি কমলাকান্ত গোপনে সাধন ভজনের অনুশীলন শুরু করেন বর্ধমানের মহারাজা তেজচাঁদ বাহাদুরের গুরু এবং সভাকবি ছিলেন তিনি। তেজচাঁদের উচ্ছৃঙ্খল পুত্র প্রতাপচাঁদকে শিক্ষা দীক্ষায় উপযুক্ত করে তোলার জন্য কমলাকান্ত বর্ধমানে নিয়ে আসেন। এবং বর্ধমানের লাকুড্ডিতে কমলাকান্তকে থাকার জন্য ঘরও তৈরি করে দেন। প্রথমে লাকুড্ডিতে কমলাকান্ত মা কালীর সাধন ভজন শুরু করেন। কথিত আছে তিনি রাজা তেজচাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। কমলাকান্তের সাধনায় ও যোগবলে মুগ্ধ হয়ে রাজা তেজচাঁদ বাহাদুর ১৮০৫ খীষ্টাব্দে কোটালহাটে তাঁর সাধন ভজনের জন্য মন্দিরটি তৈরি করে দেন। এই মন্দিরেই কমলাকান্ত কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পঞ্চমুন্তীর আসনে বসে সাধনা করতেন।সাধনা করতে করতে এক দিন রাজা প্রতাপচাঁদকে মা কালীর পায়ে বেলকাঁটা ফুটিয়ে রক্ত বেড়করে দেখিয়ে ছিলেন মা জীবন্ত। শুধু তাই নয় কমলাকান্ত প্রায় শতাধিক ভক্তিগীতি রচনা করেছেন।১৮২০ শরীষ্টাব্দে সাধক কমলাকান্ত মা কালীর সামনেই মৃত্যুবরণ করেন মৃত্যুবরণের সময় বর্ধমানের মহারাজ তাঁকে গঙ্গায় নিয়ে যেতে গেলে তখন তিনি মাহারাজকে বলেন মাকে ছেড়ে তিনি যাবেনা।তখন মন্দিরের মাটি ফেটে গঙ্গার জল এসে সাধকের মুখে পড়ে। সাধক কমলাকান্তের দেহ সমাধিস্থ করা হয় মন্দিরের ভিতরে।তাঁর সমাধির উপরেই মা কালী প্রতিষ্ঠা করা আছে।কমলাকান্তের পুজোর আচার আচরন মেনেই এখনও পর্যন্ত কালীর পুজো হয়ে চলেছে এই মন্দিরে।প্রতি অমাবস্যায় মা কমলাকান্তকে মাগুর মাছ রান্না করে ভোগ দেওয়া হয়।এছারও প্রতিদিন দুবেলায় নিত্যসেবা ও সন্ধ্যা আরতি হয় এই কালি মন্দিরে।প্রথামেনে কালী পুজো দিন রাত্রি ১২ টা সময় ঘটে জল ভরে পুজো শুরু হয়।পুজোর সময় মন্দির প্রাঙ্গনে দূরদূরান্ত থেকে অসংখ ভক্তের সমাগম ঘটে।কালী পুজোর পরের দিন অন্নকুট মহোৎসব হয়।এবং ভাইফোঁটার দিন কালি মন্দিরে কমলাকান্ত দিবস পালন করা হয়।

অক্টোবর ২৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে ফেলার অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে

রাতের অন্ধকারে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে রাস্তায় ফেলা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্বর থেকে বীরহাটা পর্যন্ত এলাকায়। কয়েকদিন ধরে শহরে জেলা বিজেপি ও বিজেপির যুবমোর্চার কয়েকটি কর্মসূচি ছিল, তাতে শহরের বেশ কিছু অংশে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগানো ছিল। শুক্রবার রাতে বেশ কিছু দলীয় পতাকা রাস্তায় এবং রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেই সব জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা উরতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দূষ্কৃতিরা তাদের দলীয় পতাকা খুলে ফেলে দিয়েছে বলে বিজেপির দাবী। এই বিষয়ে শুক্রবার রাতে বর্ধমান জেলা বিজেপির যুবমোর্চার পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বর্ধমান থানায়। অবিলম্বে পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনে নামবে জেলা যুবমোর্চার সদস্যরা বলে দাবী করেন জেলা বিজেপির যুবমোর্চার সভাপতি পূরব সাম। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

'করুনা', 'মমতা' শব্দগুলোর নতুন মানে বার করার আবেদন রাখলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক

বাংলাভাষায় করুনা, মমতা শব্দগুলোর মানে নতুন করে বার করতে হবে। চাকরি গুলো নিলাম করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, তাদের সরকার। যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চনা করা হয়েছে। ৮৪ ঘন্টা অনশনের পর যেভাবে তাদের উপর তান্ডব করল বিধাননগরের পুলিশ তা নজিরবিহীন। সূর্যাস্তের পর কোনো মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয় না।এখানে হয়েছে।আজ বর্ধমানে সি পি এমের জেলা দপ্তরে এই কথাগুলি বলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহঃ সেলিম। এদিন সেখানে দলের জেলা কমিটির এক সভায় হাজির ছিলেন তিনি। সেখানেই পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তার সঙ্গে ছিলেন সি পি এম জেলা নেতা অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়।সেলিম আরও বলেন, সব চেয়ে বেশি নয়েজ পলিউশন তো উনি করেন। পুজোর উদ্বোধন করে রাজনৈতিক কথা বলেন। আজ কেন? কাল সারাদিন প্রতিবাদ চলবে। সব বিবেকবান মানুষকে আহ্বান জানাচ্ছি। চাকরি চুরির প্রতিবাদ করতে।ওই ছেলেমেয়েরা কী গোলমাল করছিল? সারা রাজ্য যখন ঘুমিয়ে পড়েছে তখন রাতের অন্ধকারে পুলিশ লেলিয়ে দিলেন উনি। এভাবে মানুষকে দমিয়ে দিতে পারবেন ভাবলে উনি মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন। আজ পুলিশ পাগলের মত আচরণ করছে। ওই ছেলেমেয়েরা কী গোলমাল করছিল? সারা রাজ্য যখন ঘুমিয়ে পড়েছে তখন রাতের অন্ধকারে পুলিশ লেলিয়ে দিলেন উনি। এভাবে মানুষকে দমিয়ে দিতে পারবেন ভাবলে উনি মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন। আজ পুলিশ পাগলের মত আচরণ করছে।

অক্টোবর ২১, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের দূর্ল্লভা কালী একই অঙ্গে কালী, দুর্গা, চণ্ডী ও বিপত্তারিণী রূপে পূজিত

কালী, দুর্গা, চণ্ডী অথবা বিপত্তারিণী। বছরভর বিভিন্ন মরসুমে সব দেবীরই পুজো হয় এক মূর্তিতে। এমন ভাবেই তিন শতকেরও বেশি সময় ধরে বর্ধমান শহর লাগোয়া লাকুড্ডি এলাকায় দুর্লভা কালীর পুজো চলছে। মন্দিরে গিয়ে দেখা গেল, কালীপুজোর আগে এখন সেখানে সাজোসাজো রব।লোকশ্রুতি থেকে জানা যায়, বর্ধমানের মহারাজার আনুকুল্যেই দেবী মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয়। একদা গোকুলানন্দ ব্রহ্মচারী নামে এক পরিব্রাজক সন্যাসী ঘুরতে ঘুরতে জঙ্গলে পরিপূর্ণ লাকুড্ডিতে হাজির হন। শুরু করেন দেবী আরাধনা। একদিন গোকুলানন্দ মন্দিরের পাশে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে তার পায়ে একটি পাথর ঠেকে। তখন তিনি ওই পাথর টিকে তুলে নিয়ে আসেন। এর পর মা কালী সন্যাসী গোকুলানন্দকে স্বম্নাদেশ দেয় তাঁকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করতে তারপর সন্ন্যাসী গোকুলানন্দ বর্ধমানে লাকুড্ডিতে তাল পাতার ছাউনী দিয়ে মন্দির তৈরি করে পাথরটিকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করেন। জড়ো হন ভক্তেরাও। কথিত রয়েছে, গোকুলানন্দের সাধনা ও বিভিন্ন দৈব শক্তির খবর যায় বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহতাবের দরবারেও। একদিন মহারাজ বিজয়চাঁদ ঘুরতে ঘুরতে সন্যাসী গোকুলানন্দ কাছে পৌছান। তখন সন্যাসী গোকুলানন্দ মহারাজ বিজয়চাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। এরপর বিজয়চাঁদ মুগ্ধ হয়ে প্রায় দশ বিঘে জায়গার উপর একটি দালান মন্দির তৈরি করে দেন। পাশেই তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি শিব মন্দিরও। এ ভাবেই ধীরে ধীরে দেবী দূর্লভার প্রসিদ্ধি ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন এলাকায়।তবে দেবীর নাম দুর্লভা হওয়া নিয়েও একটি গল্প প্রচলিত আছে।বর্তমানে মন্দিরের পুরহিত মঙ্গলা ভট্টাচার্য জানান,.গোকুলানন্দ স্বামী মারা যাওয়ার পরে দুর্লভ ভট্টাচার্য নামে একজনকে পুরোহিত হিসেবে নিয়োগ করেন রাজা বিজয়চাঁদ। রাজ অনুগ্রহে মন্দির ও সম্পত্তিরও অধিকারী হন তিনি। এই দুর্লভ ভট্টাচার্যের নামেই দেবী এখানে ছুর্লভা নামে পরিচিত।ভষ্টাচার্য পরিবারের সূত্রে জানা গেল, দেবী এখানে শ্বেত পাথরের মুর্তিতে পুজীতা হন। তবে দেবীর মূর্তিটি প্রথমে মাটির ছিল। পরে তা অষ্টধাতুতে তৈরি করা হয়। তবে সেই মুর্তি চুরি যায়। তারপর মহারাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে দেবী বেলকাঠের মূর্তিতে পুজিতা হতেন। কিন্তু সময়ের ফেরে ওই বেলকাঠেও ঘুন ধরে। তারপর খানেকের মধ্যে তাতেও ফাটল ধরে। ছুবছর আগে রাজস্থান থেকে সাড়ে চার ফুট উচ্চতার শ্বেত পাথরের মূর্তিটি আনা হয় বলে জানান মন্দিরের বর্তমান পুরোহিত মঙ্গল ভ্টাচার্য। দুর্গাপুজোর সময় এখানে চারদিন ধরে পুজো হয়। তবে কালীপুজোর সময়মতো রাতভর পুজো হয়। প্রতিদিন নিত্যপুজোর সময় অন্নভোগ দেওয়া হয় এবং ওই দিন মন্দিরের ভিতরে ভক্তদের বসিয়ে খিঁচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানো হয়। একসময় দেবী দুর্লভা কালী ডাকাত কালী নামেও পরিচিতি ছিল।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার!

বুধবার বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার বিজয়া সন্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও পূর্ব-বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাপতি দেবু টুডু বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিয়েছিলেন। সুকান্ত মজুমদার তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে সমস্ত নেতাদের স্নায়ুতন্ত্র এত দুর্বল যে কে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন তা বুঝতে পারছেন না, সে দলের না থাকাই ভাল। তিনি তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়কে কটাক্ষ করে বলেন, আগেকার দিনে যাত্রাপালায় একজন বিবেক থাকত। নীতিকথা শুনিয়ে যেত এটাও সে রকম। তোয়ালে মুড়ে টাকা না নিলেই হল।তিনি সৌমিত্র খানের প্রসঙ্গে বলেন,পঞ্চায়েতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দলে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তার সাথে আলোচনা হয় না। আমাকে সভাপতি করার আগেও হয়নি। তিনি আরও বলেন,অনন্ত মহারাজ রাজনৈতিক নেতা নন। তার কাছে কেউ যেতে পারেনমমিনপুরের প্রস্নগ টেনে বলেন, রাজ্যের আদালত নির্দেশ দিয়েছে। এন আই এ তদন্ত করছে। যারা অ্যারেস্ট হবার যোগ্য অ্যারেস্ট হবে। তিনি মল্লিকার্জুনকে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। সেই প্রসঙ্গে বলেন, মল্লিকার্জুন কংগ্রেস সভাপতি হলেন। এমন একটা জাহাজে উনি ক্যাপ্টেন হলেন যেটা থেকে সবাই পালাচ্ছে। তবে মোদীজি আবার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, সেই শপথ গ্রহণ সভায় বিরধী নেতা হিসাবে তাঁকে স্বাগত।সুকান্ত মাজ্যমদার আজ বলেন, পুলিশ ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুলিশ না থাকলে উবে যাবে। আজ শিলিগুড়ির কাওয়াখালী গ্রাউন্ডে উত্তরের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন সিঙ্গুর থেকে টাটাকে সিপিএম তাড়িয়েছে, সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, উনি তো মাঝে মাঝেই মিথ্যে কথা বলেন। এটা নতুন কিছু নয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি তালিকাভুক্ত করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি

কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করার চেষ্টার প্রতিবাদর জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্ত্বরে বিক্ষোভ দেখাল আদিবাসী কল্যাণ সমিতি । সমিতির অভিযোগ, এসটি হওয়ার নির্ধারিত বৈশিষ্ট্য না থাকা সত্ত্বেও অবৈধভাবে, অনৈতিকভাবে কুড়মী সম্প্রদায়কে এসটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ। কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি করা হলে রাজ্যে আগুন জ্বলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। প্রয়োজনে রেল রোখা থেকে শুরু করে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে জানালেন তারা, এবং আগামী লোকসভা ভোটে ভোটবাক্সের মধ্যে দিয়েও এর প্রতিবাদ হবে বলে জানান তারা। এদিন বিক্ষোভ শেষে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয় আন্দোলনকারীরা।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

বালি বোঝাই ট্রাক্টারের ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুল ছাত্রের

বর্ধমান শহরের বেড়মোড়ে বালি বোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল এক স্কুল ছাত্রের। দুর্ঘনায় জখম হয় ছাত্রের বাবা।পূর্ব-বর্ধমানের খণ্ডঘোষের কেশবপুর থেকে বাবার সঙ্গে মোটরবাইকে করে বর্ধমানের গোলাহাটে যাওয়ার পথে বেড়মোড় এলাকায় একটি বালি বোঝাই ট্রাক্টর বাইকটিকে ধাক্কা মারলে মন্তাসীর সেখ (১১) রাস্তার উপর ছিটকে পড়ে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। জখম বাবা আজমগীর সেখ ও বর্ধমান মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।মন্তাসীর সেখ বর্ধমানের দেওয়ানদীঘি এলাকায় ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র চতুর্থ শ্রেণিতে পড়তো। পুলিশ ঘাতক ট্রাক্টরটি ও চালককে আটক করেছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

শহরে জিটি রোডে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক সিভিক ভলেন্টিয়ার

সাত সকালে সড়ক দুর্ঘটনা বর্ধমান শহরে। সোমবার সকালে জিটি রোডের বাদামতলায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইণ্ডিয়ার একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই ব্যক্তিকে ধাক্কা মারে। স্থানীয় মানুষজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। ক্রেন এনে ট্রাকটিকে সরানো হয়। দুর্ঘটনার জেরে কার্জনগেটমুখী লেনে সাম্যীক ভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। আহতদের মধ্যে একজন কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

জাল নোট সহ তিন ব্যক্তি গ্রেফতার বর্ধমান স্টেশনে

যৌথ ভাবে অভিযানে জালনোট সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করলো বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।পুলিশ গোপনসূত্রে খবর শনিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান স্টেশন চত্বরে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে। বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিকরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২৪ টি ২ হাজার টাকার জালনোট। ধৃত মহম্মদ রাজ ওরফে রাজুয়া ওরফে বসিরুদ্দিন, মহম্মদ আমিন হোসেন ওরফে আমান ও মহম্মদ মঈনুদ্দিন ওরফে গোবরা প্রত্যেকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়।১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে ৩ জনকেই রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। কি উদ্দেশ্যে এই জালনোট নিয়ে স্টেশন চত্বরে ধৃতরা অপেক্ষা করছিলো তার তদন্ত শুরু করছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহর জুড়ে তাল্লসী অভিযানে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে মোট ১৮ জন গ্রেফতার

দিপাবলীর আগে জুয়ার ঠেকে অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ১১ হাজার ৯০ টাকা ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বর্ধমান শহরের নাড়ি বেলবাগান ও সদরঘাটের ইডেন ক্যানেল পাড় এলাকায় জুয়ার ঠেকে অভিযান চালায় বর্ধমান থানার পুলিশ। জুয়া খেলার অভিযোগে দুটি জায়গা থেকে মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিস। উদ্ধার হয় ১১ হাজার ৯০ টাকা ও বেশকিছু তাশের বাণ্ডিল।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে পালিত যুব উৎসব, উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া

নেহেরু যুব কেন্দ্র বর্ধমান শাখার উদ্যোগে বর্ধমানে আজ যুব উৎসব, যুব সমবাদ ইন্ডিয়ার আয়োজন করা হয়। Take Pride in Our Heritage and legacy. এই থিমের উপর মোবাইল ফটোগ্রাফি, পেইন্টিং, বক্তৃতা, কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। লোকসংস্কৃতি র উপর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তরুন তরুনীরা। আয়োজন করা হয় যুব সম্মেলন। স্বাধীনতার একশ বছর পরে ভারত বর্ষকে যুব সমাজ কি রুপে দেখতে চান তা তুলে ধরেন আজকের তরুন তরুনীরা। ছটি স্তরের প্রতিযোগিতায় তিনশোর অধিক প্রতিযোগী অংশ নেন। জেলা স্তরের এই প্রতিযোগিতায় প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের পুরস্কৃত করা হয়। পাশাপাশি তারা রাজ্য এবং জাতীয় স্তরে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া, বিধায়ক খোকন দাস সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনের। মূলত জেলার তরুন তরুনীদের প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে এই উৎসবের আয়োজন বলে জানিয়েছেন নেহেরু যুব কেন্দ্র বর্ধমান শাখার আধিকারিক উত্তরা বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে খুশি বলে জানান যুবক যুবতীরা

অক্টোবর ১৪, ২০২২
রাজ্য

ছেলে ধরা সন্দেহে তিন মহিলাকে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ

ছেলে ধরা সন্দেহে তিন মহিলাকে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।পুলিশের পক্ষ থেকে মহিলাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্ধমান শহরের বিধানপল্লী ঘোষপাড়া এলাকার ঘটনা।স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুরে রক্ষাকালী পুজোর চাঁদার নাম করে তিন মহিলা বিধানপল্লীর ঘোষপাড়ায় ঢোকে। অভিযোগ বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে একটি ৩ বছরের বাচ্চাকে নিয়ে পালানোর সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। কোথায় ও কি জন্য বাচ্চাটিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো মহিলাদের থেকে তার কোনো সদুত্তর না মেলায় স্থানীয়রা তাদের মারধর করে এমনকি মাথার চুল পর্যন্ত কেটে দেয় বলে অভিযোগ।পরে পুলিশ পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে।যদিও অভিযুক্ত মহিলাদের দাবী, তারা পুজোর জন্য ভিক্ষা সংগ্রহ করতেই এলাকায় গিয়েছিল। মিথ্যা অভিযোগে তাদের হেনস্থা করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। মহিলাদের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধমূলক কাজ কর্মে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

শাসক দলের বিরুদ্ধে বামেদের ফ্ল্যাগ ও ফষ্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে বর্ধমানে

সিপিএমের ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন ছিঁড়ে দেবার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। অভিযোগ উঠলো শাসকদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল কংগ্রেসের মেমারি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি। প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মেমারির চকদিঘি মোড়ে প্রতিবাদ সভা ও মিছিল করে সিপিএম।সিপিএমের অভিযোগ সিআইটিইউর জেলা সম্মেলন উপলক্ষে মেমারি শহর ও শহরের আশপাশে ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন লাগানো হয়েছিলো রাস্তার ধারে। সিপিএম নেতা অভিজিত কোঙারের অভিযোগ মেমারির বাগিলা, কালসি ও নুদীপুর মোড় এলাকায় রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতিরা তাদের ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন ছিঁড়ে ফেলে দেয়।যদিও মেমারি ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নিত্যানন্দ ব্যানার্জী সিপিএমের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন সিপিএমের পতাকা লাগানোর লোক কোথায়? পতাকা টাঙিয়েছিলো দেখাক। এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে সিপিএম।আগামীকাল শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান জেলা সিআইটিইউর একাদশ তম সম্মেলন হবে মেমারিতে। শুক্রবার বিকেলে মেমারির পুরনো বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায় সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশ হবে। ওই সভায় উপস্থিত থাকবেন সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

অনলাইন প্রতারণার ফাঁদে কয়েক হাজার টাকা খোয়ালেন পঞ্চায়েত প্রধান

বারে বারে সচেতনতার পাঠ দিলেও মানুষ তবুও প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়েই চলেছে। অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলেন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। জালিয়াতি চক্রের শিকার হয়ে খোয়ালেন ১৬,৭০০ হাজার টাকা।পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের সাহেবগঞ্জ দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ, অনলাইন প্রতারণা চক্রের শিকার হলেন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি অফিসের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেই সময় একটি অজানা নম্বর থেকে গ্যাস এজেন্সির পরিচয় দিয়ে তাঁর মোবাইলে ফোন আসে। গ্যাসের ভর্তুকির টাকা ব্যাংকে জমা করে দেওয়ার নাম করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট শেয়ার করতে বলা হয়। তিনি না বুঝে ব্যাংক একাউন্ট নম্বর শেয়ার করেন। সঙ্গে ওটিপি নম্বরটাও। সঙ্গে সঙ্গে তার মোবাইলে মেসেজ আসে তার অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬,৭০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। এরপরই বিনয় বাবুর চক্ষু চড়কগাছ। তিনি বুঝতে পারেন প্রতারণা চক্রের শিকার হয়েছেন তিনি। তড়িঘড়ি তিনি ভাতার থানার দ্বারস্থ হন।পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার প্রতারণা চক্রের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতনতার বার্তা দিলেও অসাবধানতার বসে প্রতারিত হচ্ছেন অনেকেই। সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষও পড়লেন অনলাইন প্রতারকদের পাতা ফাঁদে। তাঁর অসাবধানতার বসে খোয়া গেল কয়েক হাজার টাকা।

অক্টোবর ১১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সুরুচি সংঘের পুজো কি বন্ধ হতে চলেছে? এলআইসির জমি দখলের অভিযোগে নতুন বিস্ফোরণ

সুরুচি সংঘকে ঘিরে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হল। এবার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থা এলআইসি অভিযোগ করেছে, তাদের ২১ কাঠা জমি দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। ওই জমিতেই সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজো এবং ক্লাবের বিভিন্ন কার্যকলাপ পরিচালিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের দাবিতে শনিবার আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এলআইসির আধিকারিকরা।দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় দুর্গাপুজো সুরুচি সংঘ। এই ক্লাবের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত। সম্প্রতি স্বরূপ বিশ্বাস তোলাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সুরুচি সংঘকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে।এলআইসির দাবি, বহু বছর ধরে তাদের মালিকানাধীন ২১ কাঠা জমি বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই জমি ঘিরে স্থায়ী নির্মাণও করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের জন্য অতীতেও একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংস্থার কর্তারা। এমনকি আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল এলআইসি। তবে এতদিন জমি ফেরত পাওয়া যায়নি বলেই অভিযোগ।এলআইসির আধিকারিকদের দাবি, বিতর্কিত জমির উপর নির্মিত ভবনে একাধিক বেডরুম-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সংস্থার অনুমতি ছাড়াই এই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই জমির মালিকানা এবং নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে।এরই মধ্যে সুরুচি সংঘকে ঘিরে আরও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ক্লাব প্রাঙ্গণে বিপুল পরিমাণ সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। সেখানে সরকারি পানীয় জল প্রকল্পের বোতল এবং ত্রাণ বিতরণের জন্য রাখা শাড়িও উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ। এসব নিয়ে এলাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর জেরে সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজোর ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। এলআইসির অভিযোগ এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

১৮ সাংসদ দল ছাড়তে পারেন! হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন অভিষেক, জোর জল্পনা

ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অস্থিরতা বেড়েছে। বিধানসভায় পরিষদীয় দলে বড় ভাঙনের পর এবার সংসদীয় দল নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, বেশ কয়েকজন সাংসদ দল ছাড়তে পারেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই দিল্লি গিয়েছেন অভিষেক। আগামী ৮ জুন বিজেপি-বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকেরও যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁর দিল্লি যাত্রা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।ইতিমধ্যেই বিধানসভায় তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক আলাদা গোষ্ঠী গড়ে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করেছে। বিরোধী দলনেতা হিসেবেও নতুন নাম ঘোষণা হয়েছে। এবার লোকসভাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, কয়েকজন সাংসদ একজোট হয়ে নতুন ব্লক গঠনের পরিকল্পনা করছেন। দলবদল বিরোধী আইনের জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যার সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টাও চলছে বলে খবর।এই আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকের মতে, দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাঁকে রাজধানীতে পাঠানো হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।অন্যদিকে, সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ৮ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে সিআইডি। এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাওয়া হলেও সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনেই তাঁকে হাজিরা দিতে হবে।ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। দিল্লি সফরের নেপথ্যে কি শুধুই রাজনৈতিক কারণ, নাকি তদন্ত সংস্থার তলবও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত? এই নিয়ে জল্পনা ক্রমশই বাড়ছে। এখন নজর আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-চিন সংঘাতে বড় বার্তা পুতিনের! ‘নাক গলাবে না রাশিয়া’, প্রকাশ্যে জানালেন কারণ

ভারত ও চিনের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত ও চিনের মতো দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশের সংবেদনশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে রাশিয়া কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে আন্তরিকভাবে আগ্রহী।সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর কথায়, ভারত-চিন সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক। তাই এই বিষয়ে বাইরের কোনও দেশের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। তবে রাশিয়া দুই দেশের সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং সীমান্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে বলে তারা আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। তবে গত কয়েক বছরে দুই দেশই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার ফলেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর চিনের তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই নেতা জানিয়েছিলেন, ভারত ও চিন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং উন্নয়নের অংশীদার। মতপার্থক্য থাকলেও তা বিবাদের কারণ হওয়া উচিত নয় বলেও মত প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।পুতিন আরও বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক চিনকে অস্বস্তিতে ফেলে না। একইভাবে চিনের সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও ভারতের কোনও উদ্বেগ নেই। তাঁর মতে, তিন দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে এগোচ্ছে।সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে চিন আড়াল থেকে সাহায্য করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল, সে বিষয়ে পুতিন বলেন, পাকিস্তানকে সম্পূর্ণভাবে চিনের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র এবং বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে।তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে পাকিস্তানের সামরিক শক্তির একটি বড় অংশ চিনের অস্ত্র ও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাঁর মতে, পাকিস্তানের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ চিন থেকে আসে, ফলে ইসলামাবাদের কাছে বেজিংয়ের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে।পুতিনের এই মন্তব্যকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ভারত-চিন সম্পর্ক, পাকিস্তানের অবস্থান এবং এশিয়ার ভূরাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

লন্ডনে প্রধান বিচারপতিকে ঘিরে বিতর্ক! প্রশ্নবাণে থামাতে হল অনুষ্ঠান, কড়া বার্তা ভারতের

লন্ডনে একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি সামনে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে মতপার্থক্য প্রকাশেরও একটি শালীন পদ্ধতি থাকা উচিত।গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক আলোচনাসভায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বক্তব্য শেষ হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত কয়েকজন ভারতের গণতন্ত্র এবং ভিন্নমতের প্রতি আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করেন। প্রধান বিচারপতির সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।সেখানে উপস্থিত এক মহিলা বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে গণতন্ত্র রক্ষায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখা হলেও দেশে ভিন্নমতের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা নিয়ে উদ্বেগের কথা আন্তর্জাতিক মহলে শোনা যাচ্ছে। তিনি সেই প্রসঙ্গেই প্রশ্ন তুলতে চেয়েছিলেন।তবে ওই প্রশ্ন সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তাঁকে থামিয়ে দেন। সঞ্চালক জানান, আলোচনার বিষয় ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন। তাই বিষয়বহির্ভূত প্রশ্ন গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেন।ঘটনার ভিডিও পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তা নিয়ে শুরু হয় জোর আলোচনা। এরপর লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ হলেও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা জরুরি। দূতাবাসের মতে, এ ধরনের আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, বিদেশের মাটিতে ভারতকে ঘিরে নেতিবাচক প্রচারের চেষ্টা চলছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও বিভিন্ন মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

খাদ্যসাথীতে বড় ঝাঁকুনি! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যেতেই বন্ধ হতে পারে রেশন, চিহ্নিত ৬৩ লক্ষ উপভোক্তা

খাদ্যসাথী প্রকল্পে অযোগ্য এবং তথাকথিত ভূতুড়ে উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতে বড়সড় অভিযান শুরু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সরকারি অর্থের অপচয় রুখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। চলতি বছরের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার তথ্যের ভিত্তিতেই এই যাচাই অভিযান চালানো হবে।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় যেসব ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম চিহ্নিত করা হয়েছে। যাচাইয়ের পর অযোগ্য উপভোক্তাদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে যাঁরা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদন করেছেন বা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আপাতত রেশন পরিষেবা চালু থাকবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা খাদ্যসাথীর সুবিধা পাবেন।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমা শাসক এবং বিডিওদের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরে পাঠানো হবে। এরপর খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার কারণ, বর্তমান অবস্থা এবং প্রকৃত যোগ্যতা খতিয়ে দেখা হবে। যাচাই শেষ হওয়ার পর যাঁরা প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত নন বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। প্রশাসনের লক্ষ্য, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা।বর্তমানে রাজ্যের প্রায় দুই কোটি মানুষ খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে রেশন পান। এই প্রকল্প চালাতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ থেকে শুরু করে খাদ্যশস্য বিতরণ পর্যন্ত গোটা ব্যবস্থার জন্য কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। তাই প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দিতে এবং অপব্যবহার রুখতে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।প্রশাসনের একাংশের মতে, অতীতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে অনিয়ম এবং অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই এবার সমস্ত রেশন কার্ডের তথ্য নতুন করে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের ধারণা, এই উদ্যোগ সফল হলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় হবে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরাই সরকারি সাহায্য পাবেন।একই সঙ্গে রাজ্যের অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পেও উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন প্রকল্পগুলিতে আবেদন গ্রহণের পাশাপাশি পুরনো তালিকাও পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

সিএএ আন্দোলনের আগুন এবার ফিরল ফাইলে! পুরনো মামলা খুলে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের সম্পত্তি নষ্ট, ট্রেনে আগুন লাগানো এবং পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগে এবার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো মামলার ফাইল খুলে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের রাজ্য সফরের দিনই এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলের সম্পত্তি নষ্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলি পুনরায় খোলার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তদন্তে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও সেই আন্দোলনের প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকটি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যায় রেলের বহু সম্পত্তি। এর জেরে বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করতে হয়েছিল। অনেক ট্রেন ঘুরপথে চালাতে বাধ্য হয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল ভারতীয় রেল।নবান্নে বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রীকে ভবানীপুরে রেল সুরক্ষা বাহিনীর একটি বিশেষ দপ্তর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সেখানে বসেই পুরনো নথি, ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, শুধু অভিযুক্তদের চিহ্নিত করাই নয়, রেলের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাঁদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।রেল আইনে রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা, ভাঙচুর চালানো বা পরিষেবা ব্যাহত করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই বহু বছর পর এই মামলাগুলির তদন্ত ফের শুরু হওয়ার খবরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

হোটেলে আগুন, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! বাংলাদেশিদের জাল আধার-পাসপোর্ট বানানোর অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার একাধিক গাফিলতির অভিযোগের মধ্যেই এবার উঠে এসেছে জাল পরিচয়পত্র চক্রের অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জাল নথি তৈরিতে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লির সমস্ত হোটেল, রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল এবং সিনেমা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজের ছত্তরপুরের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন লাভকেশ বাজাজ। অভিযোগ, সেই ঠিকানা ব্যবহার করে আধার কার্ড, পাসপোর্ট-সহ একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হত। অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন এই পুরনো মামলার তথ্যও ফের সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের জানুয়ারিতে দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় জাল নথি ব্যবহার করে এক বাংলাদেশি পরিবারের থাকার খবর পায় পুলিশ। তদন্তে একটি বাড়ি থেকে এক মহিলা এবং তাঁর নাতিকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন পরিচয়পত্রে আলাদা নাম ও ঠিকানা থাকলেও ছবিটি ছিল একই ব্যক্তির।পুলিশের দাবি, ওই জাল নথিগুলির মধ্যে থাকা একটি ঠিকানা দক্ষিণ দিল্লির ছত্তরপুর এলাকার। তদন্তে সেই ঠিকানার সূত্র ধরেই লাভকেশ বাজাজের নাম উঠে আসে। পরে জেরায় তিনি নাকি স্বীকার করেন যে, অর্থের বিনিময়ে নিজের ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন।এর আগে জালিয়াতি চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। কিছুদিন জেলে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দিল্লি পুলিশের তদন্ত এখন দুই দিকেই এগোচ্ছে। একদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও নিরাপত্তা গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে জাল পরিচয়পত্র চক্রের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্ভাব্য যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও সংযোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

শওকত-পুত্রের বিলাসবহুল ক্যাফেতে প্রশাসনের নোটিস! এবার কি ভাঙার মুখে কোটি টাকার নির্মাণ?

ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার বিরুদ্ধে মাতলা নদীর চর দখল করে বিলাসবহুল ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে এবার সরাসরি পদক্ষেপ করল প্রশাসন। ক্যাফের সমস্ত নথিপত্র নিয়ে আগামী ১৮ জুন মহকুমাশাসকের দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইমরান মোল্লাকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে ক্যাফেটি ভেঙে দেওয়া হতে পারে।ইমরান মোল্লার এই ক্যাফের নাম অরণ্যের কূলে। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর দখল করে এবং মৌখালি সেতুর কাছাকাছি এলাকায় ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে প্রায় ১০ একর জমির উপর এই ক্যাফে গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে এই বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্র।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। কয়েক দিন আগে তদন্তকারী সংস্থা শওকত মোল্লাকে খুঁজতে গিয়ে তাঁর ছেলে ইমরানকে নিয়ে এই ক্যাফেতেও পৌঁছেছিল। এরপরই প্রশাসনের নজরে আসে গোটা বিষয়টি।জানা গিয়েছে, জীবনতলা থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের আধিকারিকরা ক্যাফেতে গিয়ে নোটিস টাঙিয়ে এসেছেন। মহকুমাশাসক প্রণব মালিয়ে আগামী ১৮ জুন ইমরান মোল্লাকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু এই ক্যাফে নয়, মাতলা নদীর চর ভরাট করে গড়ে ওঠা আরও কয়েকটি নির্মাণ এবং ক্যাফেকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।এদিকে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লা বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। সেই আবহেই তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার একাধিক ফিশারি এবং জলাভূমি দখল করে তা কম দামে বিক্রি করা হয়েছে। পরে সেখানে গড়ে উঠেছে ক্যাফে, বাণিজ্যিক নির্মাণ এবং অন্যান্য স্থাপনা। এমনকি একটি বেসরকারি নার্সিংহোম তৈরির জন্যও বিপুল পরিমাণ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal