• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

‘হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী?’ আক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরি বাতিলের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। তবে পর পর চাকরি বাতিলের ঘোষণায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার আলিপুর আদালতের একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, কথায় কথায় লোকের চাকরি খাবেন না। কালও দুজন আত্মহত্যা করেছেন। হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী? এটা রাজনীতির বিষয় নয়। দয়া করে রাজ্যের বদনাম করবেন না।বেআইনি নিয়োগের কারণে সম্প্রতি ৮৮৪ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তার আগে একই কারণে গ্রুপ ডি এবং শিক্ষক পদেও চাকরি হারাতে হয়েছে অনেককে। সদ্য প্রকাশিত শিক্ষা দফতরের ওএমআর শিটে নম্বরের মহিমা যে কাউকে অবাক করতে বাধ্য। ০, ১, ২ নম্বর পাওয়া পরিক্ষার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৪, ৫৫, ৫৬। সাদা চোখেই ধরা পড়েছে সীমাহীন দুর্নীতি। তবে চাকরি চলে যাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, এখন রোজ কথায় কথায় ৩ হাজার চাকরি বাদ, ৪ হাজার চাকরি বাদ। নীচুতলার কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব, এটা আমার চিরকালের স্বভাব। তবে কালও দুজন আত্মহত্যা করেছেন। কেউ ভুল করলে তার দায় তাঁরা নেবেন কেন? হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী? যাঁরা অন্যায় করেছে অ্যাকশন নিন। আমার কোনও দয়া নেই তাঁদের জন্য।এমনকী চাকরি বাতিল হওয়াদের ফের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর যুক্তি, ছেলেমেয়েদের সুযোগ দিন। দরকার হলে তাঁদের পরীক্ষা নিন। আদালত যেটা বলবে সেটা আমরা করব। দয়া করে চাকরি খাবেন না। এটা আমার মনের ভাবনা। কথায় কথায় লোকের চাকরি খাবেন না। এটা রাজনীতির বিষয় নয়। অন্য রাজ্যে তো এটা হচ্ছে না। এরাজ্যে কেন হচ্ছে? আমাকে দুবেলা গালাগালি দিন। দরকার হলে মারুন। দয়া করে রাজ্যটার বদনাম করবেন না। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতায় এসে একটা সিপিএম ক্যাডারেরও চাকরি খাইনি। তোমরা কেন খাচ্ছ? দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কাড়ছ কেন?

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ও শান্তনুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা তৃণমূলের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল অনেক আগেই বহিস্কার করেছে। তবে তিনি এখনও দলে বিধায়ক রয়েছেন। গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য এখনও বিধায়ক রয়েছেন। এবার শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফাতার দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করল। যদিও গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রয়েছেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২ মাস হতে চলল গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে। কুন্তলকে গ্রেফতার করার পর নতুন নতুন নাম করেছে ইডির কাছে। তাঁদের তলব করছে ইডি। চার দিন আগে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। এদিন তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয় কুন্তল ও শান্তনুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন কুন্তল। কিন্তু শান্তনু দলের সেভাবে কোনও পদে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন। এদিন শশী পাঁজা বলেন, সঞ্জীব সুকুল নামে যে ব্যক্তির চাকরি খুইয়েছেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বিজেপি ও সিপিএম নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূল নেতার পরিবারের একসঙ্গে ৩ জন স্কুলের চাকরি খোয়ালেন, ব্যাপক শোরগোল এলাকায়

হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষা দফতরের ৮৪২ জনের চাকরি খোয়াতেই রাজ্যজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। বিধায়কপুত্র, কন্য়া থেকে তৃণমূল নেতাদের পরিবারের সদস্যদের একের পর এক চাকরি চলে যাওয়ার খবর আসছে। বাতিলের তালিকায় মালদহের তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে ও জামাইয়ের নাম রয়েছে। বিষয়টা প্রকাশ্যে আসতেই স্কুলের চাকরি দুর্নীতিতে তৃণমূল নেতৃত্বই জড়িত বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল চেয়ারম্যান প্রকাশ দাসের দুই মেয়ে মাম্পি দাস, শম্পা দাস এবং জামাই বিপ্লব দাসের চাকরি গিয়েছে হাইকোর্টের রায়ে। প্রকাশের বাড়ি উত্তর রামপুর গ্রামে। মাম্পি দাস হরিশ্চন্দ্রপুর হাই স্কুল, শম্পা দাস হরিশ্চন্দ্রপুর কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয় এবং বিপ্লব দাস কনুয়া ভবানীপুর হাইস্কুলে ক্লার্ক পদে কর্মরত ছিলেন। তৃণমূল নেতার পরিবারের ৩ জনের চাকরি চলে গিয়েছে এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।বিরোধীদের দাবি, মোটা টাকার বিনিময়ে তৃণমূল নেতার দুই মেয়ে ও জামাইয়ের স্কুলে চাকরি হয়েছিল। এই কারণেই প্রকৃত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা চাকরি পাচ্ছে না। তবে প্রকাশ দাসের বক্তব্য, আমার মেয়েরা নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছে। আমি তৃণমূলের কুশিদা অঞ্চল চেয়ারম্যান ছিলাম। সেই সময় চেয়ারম্যানের কি ক্ষমতা ছিল? অন্যদিকে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, কোর্টের নির্দেশে এগুলো হচ্ছে। বেআইনী নিয়োগ হলে ব্যবস্থা হবে। দল পাশে থাকবে না।

মার্চ ১২, ২০২৩
রাজ্য

কংগ্রেস নেতা আইনজীবী কৌস্তভ গ্রেফতার, পথে নামছে দল

গ্রেফতার করা হল কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা কৌস্তভ বাগচিকে। শনিবার ভোররাতে কৌস্তভের ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশ। তার আগে চলে ব্যাপক তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় কৌস্তভকে। রাজ্য কংগ্রেস মুখপাত্রকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় বড়তলা থানায়। গ্রেফতারের সময় কৌস্তভ দাবি করেন, হয়রানি করতেই এই গ্রেফতারি। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় বড়তলা থানার পুলিশের সঙ্গে তুমুল কথা কাটাকাটি হয় কংগ্রেসের আইনজীবী এই নেতার। সাগরদিঘি উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। তারপরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অধীর চৌধুরীর মেয়ে ও গাড়িচালকের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই পাল্টা সংবাদ মাধ্যমে বলেন কৌস্তভ বাগচি। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার দীপক ঘোষের লেখা বইয়ের কপি ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। ওই বইয়ের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কৌস্তভ। এরপরেই শুক্রবার ভোররাতে কংগ্রেসের এই যুব নেতার ব্যারাকপুরের বাড়িতে পৌঁছে যায় বটতলা থানার পুলিশ। সকাল ৮ টা নাগাদ গ্রেফতার করা হয় কৌস্তভ বাগচিকে। ইতিমধ্যে বড়তলা থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে কংগ্রেস। বৃহত্তর আন্দোলনের পথে পা বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।

মার্চ ০৪, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষানিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তলের রহস্যময়ী হৈমন্তী মুখ খুললেন

গোপাল দলপতি প্রকাশ্যে আসার পর এবার আড়ালে থেকেই সংবাদ মাধ্যমে মুখ খুললেন রহস্যময়ী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি ষড়যন্ত্রের স্বীকার বলে দাবি করলেন হৈমন্তী। তিনি কোনও ভাবেই শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নন বলে দাবি করেছেন।এদিনও আদালত থেকে বেরিয়ে হৈমন্তীর নাম জড়িয়েছেন শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির ঘটনায় কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। এর আগে বারে বারেই বলেছেন রহস্যময়ী হৈমন্তী এই দুর্নীতিতে যুক্ত। তাঁকে ধরলেই রহস্যের জাল উন্মোচন হবে। এদিন হৈমন্তী সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি কোনও দিন কুন্তলকে দেখেননি, তাঁকে চেনেন না। তাঁকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে। তাঁর সঙ্গে গোপাল দলপতির কোনও জয়েন্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই বলেও দাবি করেছেন হৈমন্তী। তিনি জানান, তাঁদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। তবে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি সম্পর্কে তিনি বিন্দুবিসর্গ জানেন না। কেন তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে তাও তিনি বুঝতে পারছেন না। তাঁর কথায়, আমি অভিনয় জগতের লোক। এসব কিছুই আমি জানি না। আমার শরীর অসুস্থ তাই সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসতে পারিনি। তদন্ত করলেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।

মার্চ ০৩, ২০২৩
রাজ্য

১০ মার্চ ছাত্র ধর্মঘটের ডাক বাম ছাত্র সংগঠনের

আজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এআইডিএসও র ছাত্র মিছিল কলেজ স্কোয়ার পরিক্রমা করে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে শেষ হয়। বিষয়ঃ রাজ্যের ৮২০৭ টি সরকারি স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত রুখতে, দুর্নীতি মুক্তভাবে সমস্ত শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ সহ সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ বাতিলের দাবিতে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার সুযোগ হরণকারী শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে, সরকারি শিক্ষা বাঁচানোর লক্ষ্যে রাজ্যের সংগ্রামী শিক্ষাপ্রেমী মানুষ, এবং এই উদ্দেশে আগামী ১০ মার্চ সারা বাংলা ছাত্র ধর্মঘটের ডাক । এআইডিএসও র আরো দাবী রাজ্যের ৮২০৭ টি স্কুলের যে ভয়াবহ চিত্র প্রকাশিত হয়েছে তা পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক সহ সমস্ত শিক্ষাপ্রেমী মানুষকে উদ্বিগ্ন করেছে। সম্প্রতি রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের স্কুল পর্যবেক্ষনের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যে ৩০ জনের কম ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে চলছে এমন স্কুলের সংখ্যা কলকাতা সহ প্রতিটি জেলায় কয়েকশ। সরকারি স্কুলে ছাত্র সংখ্যা কমে যাওয়ার ঘটনা আকস্মিক নয়। বামফ্রন্ট সরকারের সময়েও ছাত্র সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলের সংখ্যা নেহাতই কম ছিল না। বর্তমান তৃণমূল সরকার এখনও পর্যন্ত এবিষয়ে সদর্থক কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। বামফ্রন্ট সরকার প্রাথমিকে পাশফেল তুলে দিয়ে স্কুল শিক্ষার সর্বনাশ শুরু করে ড্রপআউট বৃদ্ধির প্রচেষ্টা শুরু করেছিল আর বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাশফেল তুলে দিয়ে স্কুল শিক্ষাকে পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে নিয়ে এসেছে৷ পাশাপাশি সরকারি স্কুলে প্রত্যেক বছর ব্যাপক ফি বাড়ানো হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ দরিদ্র পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছে না। কোভিড পরিস্থিতির পরে পরিবারগুলোর রোজগারের পথ যখন বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং এখনও রাজ্য সরকার শিক্ষার ফি মকুব করার মতন ছাত্রস্বার্থবাহী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উপরন্তু মুখে কেন্দ্র সরকারের বিরোধিতা করলেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নিয়ে আসা জাতীয় শিক্ষা নীতিকে তারা এ রাজ্যে চালু করেছে। যে শিক্ষা নীতি গণতান্ত্রিক, সার্বজনীন শিক্ষাকে ধ্বংস করে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে কর্পোরেট পুঁজির লুঠের মৃগয়াক্ষেত্রে পরিনত করছে। আর এক দিকে পাশ ফেল না থাকা, রাজ্যের স্কুলগুলোতে শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি এবং শিক্ষকের অভাব সরকারি স্কুলের পরিকাঠামোর বেহাল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। ফলে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংখ্যা কমে যাওয়া কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আরও আশঙ্কা এই শিক্ষা নীতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছাত্র সংখ্যা কম এই অজুহাতে এই সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেই পিপিপির আওতায় এনে সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশি বিদেশি মালিকদের হাতে তুলে দেবে সরকার। সেখানে রমরমিয়ে চলবে শিক্ষা ব্যাবসা। যার সাথে দেশের গরীব পরিবারের ছাত্রছাত্রীদেরর কোনও সম্পর্ক থাকবে না। এই প্রক্রিয়ার একটু একটু করে চলে যাবে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার সুযোগ। তাই সরকারের এই শিক্ষা স্বার্থবিরোধী, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার সুযোগ হরণকারী শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে, সরকারি শিক্ষা বাঁচানোর লক্ষ্যে রাজ্যের সংগ্রামী শিক্ষাপ্রেমী মানুষ, ছাত্র শিক্ষক অভিভাবকদের উদ্দ্যেশ্যে আগামী ১০ মার্চ ছাত্র ধর্মঘটের আহ্বান রাখছি আমরা।

মার্চ ০২, ২০২৩
রাজ্য

মাসের প্রথম দিনই মাথায় বজ্রপাত, ফের লাফিয়ে বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

মার্চের পয়লাতে সাতসকালেই সাধারণের জন্য খারাপ খবর। ফের একধাক্কায় মাসের প্রথম দিনই ৫০ টাকা বেড়ে গেল রান্নার গ্যাসের দাম। ডোমেস্টিক রান্নার গ্যাসের দাম ছিল ১০৭৯ টাকা হল। আজ, বুধবার থেকে তা বেড়ে হল ১১২৯টাকা। প্রায় ৭ মাস পর এই দাম বাড়ল। একইসঙ্গে দাম বেড়েছে বানিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম। বানিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ২২১.৫০টাকা। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, লকডাউনের সময় থেকেই আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়েছে। এভাবে রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেলে সংসার চালানো মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। মাসের প্রথম দিন যেন মাথায় বজ্রপাত হয়েছে। রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় রেরে করে উঠেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, এটাই বিজেপির আচ্ছে দিন। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে বিজেপি সরকার দেশের কি বেহাল দশা করেছে।

মার্চ ০১, ২০২৩
রাজ্য

অর্পিতা, শাহিদের পর হৈমন্তী, বিনোদন জগতের সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রের দুর্নীতি মিলেমিশে একাকার

অর্পিতা মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু। তারপর নাম উঠে আসে হুগলির আরামবাগের শাহিদ ইমামের। এবার হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে অভিনয় জগতের যোগ উঠে আসছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিনোদনে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির অর্থ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী ও মডেলার অর্পিতা মুখোপাধ্যায় গ্রেফতার হতেই তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতি। অর্পিতার দুটো ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। একইসঙ্গে কয়েক কোটি টাকার গহনাও উদ্ধার হয়। অর্পিতা পর্ব চলাকালীন নিয়োগ দুর্নীতি এজেন্ট হিসাবে নাম উঠে আসে আরামবাগের শাহিদ ইমামের। জানা গিয়েছে, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও যুক্ত। অভিযোগ, ক্ষমতাবলে খেলার মাঠ দখল করে বিলাসবহুল অট্টালিকা তৈরি করছেন শাহিদ। মুম্বাই ও টলিউডের সিনেমা জগতের সঙ্গে যুক্ত শাহিদ এমনটাই খবর রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। তিনি নিজেও একটি বলিউডের ভিডিও অ্যালবাম করেছেন। এর পাশাপাশি টলিউডে ৩ টি সিনেমার প্রযোজনাও করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি অর্থ এভাবে বিনোদন জগতে বিনিয়োগ করেছেন। অর্পিতার পর শাহিদ ইমামের খবর জানাজানি হতেই হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উঠে এসেছে। হাওড়ার হৈমন্তী বাংলা সিনেমা ও টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন। তিনি নিজে প্রযোজনাও করেছেন। এত অর্থ এমন ছাপোষা পরিবারের মেয়ে কোথা থেকে পেল তা নিয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। গতকাল, বৃহস্পতিবার গ্রেফতার কুন্তল ঘোষ হৈমন্তীর নাম করেছেন। তাঁর সঙ্গে ছবি মিলেছে প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদিও রাজীব দাবি করেছেন, তাঁর মেয়ের বিয়েতে হৈমন্তী নিমন্ত্রিত কারও সঙ্গে এসেছেন। তাঁকে তিনি চেনেন না বা নিমন্ত্রনও করেনি। তবে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সঙ্গে অভিনয় জগতের যে জোরালো যোগ, তা কিন্তু ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

মালদার হাসপাতালে বসে মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা পরীক্ষা দিলেন দুই মা

পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়ে মুখ ভাল করে দেখার আগেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসলেন পরীক্ষার্থী। মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বেডে বসেই পরীক্ষা দেন প্রসূতি। তাঁকে দেখাভালের জন্য তাঁর পাশেই ছিলেন চিকিতসক ও নার্স। এমনকী একজন সিভিক ভলেন্টিয়ারও ছিলেন। পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজের বেডে বসেই পরীক্ষা দিলেন প্রসূতি ওই মহিলা। মালদা মেডিকেল কলেজে মাধ্যমিক ওই পরীক্ষার্থীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ। ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সুস্থ অবস্থায় পরীক্ষা দিতে পারছেন কিনা তার তদারকি করেন মেডিকেল কলেজের কর্মাধ্যক্ষ পার্থপ্রতীম মুখোপাধ্যায়। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পাশেই পরীক্ষার সময়টুকু একটানা বসেছিলেন একজন চিকিৎসক, কর্তব্যরত নার্স। ছিলেন সিভিক ভলেন্টিয়ারও।মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদার বৈষ্ণবনগর থানার কুম্ভিরা গ্রামের বাসিন্দা সিরিন বিবি। বছর দেড়েক আগে গ্রামের সরিফ মিয়ার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। গত শনিবার মালদা মেডিক্যাল কলেজে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি হয় সিরিন। বুধবার মধ্যরাতে পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় সে। এমন পরিস্থিতিতেও মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার মনোবল তুঙ্গে ছিল সিরিনের।এদিকে চিকিৎসকদের নজরদারি ও নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মালদা মেডিক্যালে পরীক্ষা দিয়েছে সিরিন বিবি। তবে শুধু সিরিন নয় মাদ্রাসা পরীক্ষা দিচ্ছে কোলের শিশুকে নিয়ে সাহারাবানু খাতুম। সে মানিকচকের বালুটোলার বাসিন্দা। যদিও সাহারাবানুর পুত্রসন্তান হয়েছে প্রায় চার মাস আগে। কিন্তু সম্প্রতি শারীরিক অবস্থা জটিল হয়ে যাওয়ায় তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই জায়গায় অন্য বেডে সিরিনের সাথেই মাদ্রাসার পরীক্ষা দিচ্ছে সাহারাবানু।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গঙ্গায় দৈত্যকৃতি মাছ, হইহই কাণ্ড

ভয়ঙ্কর কান্ড মালদার গঙ্গায়। এই নদিতে মিলেছে প্রায় ৯১ কেজির বাঘার মাছ। এ যেন মাছ নয়, একটা আস্ত একটা দৈত্য। মালদার নেতাজি পুর মার্কেটের মাছ বাজারে ওই মাছ আসতেই হইচই বেধে যায়। মাছ দেখতে মানুষজন হামলে পড়ে। বুধবার সকাল থেকে ওই বাঘার মাছকে ঘিরে ব্যাপক কৌতুহল তৈরি হয়।জানা গিয়েছে, ফাঁসজালে আটকে গিয়েই ফরাক্কায় গঙ্গা থেকে এই বাঘার মাছটি জেলেরা ধরতে পেরেছেন। এদিন সকাল থেকেই এই বাঘারমাছকে ঘিরেই হইহই কাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে। আড়তে মাছটির দর ওঠে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ওই দামেই বিক্রি হয় মাছটি।নেতাজি পুর মার্কেটের একাংশ মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, এই মাছ বিক্রি করা হবে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে। বুধবার সকাল থেকে মাছ দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ। এত বড় মাছ নড়াতেও হিমশিম খেতে হয় পাঁচজনকে। বুধবার বিক্রি করা হবে মাছটি।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৩
রাজ্য

DA-র দাবিতে নাছোড়বান্দা সরকারি কর্মীরা এবার ধর্মঘটের পথে, অচল হবে অফিস

কর্মবিরতির পর এবার ধর্মঘটের ডাক। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আগামী ১০ মার্চ সরকারি দফতরে বনধের ডাক দিলেন যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ ও কো অর্ডিনেশন কমিটি। এর আগে ধর্মঘটের দিন ঘোষণা হয়েছিল ৯ মার্চ। ওই দিন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা আছে। তাই এই পরিবর্তন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি ডিএ-র দাবিতে কর্মবিরতি পালন করে সরকারি কর্মীদের একাংশ।বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ১০ মার্চ বন্ধ ডাক। কো-অর্ডিনেশন কমিটির সঙ্গে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। কর্মবিরতির দিন সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছিল সরকারি কর্মীদের অফিসের কাজে যোগ দিতে। বনধেরও যে বিরোধিতা করবে রাজ্য তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। পর পর দুদিনের কর্মবিরতিতে সরকারের টনক না নড়ায় এবার পুরোপুরি ধর্মঘটের রাস্তায় হাঁটলেন সরকারি কর্মচারীরা। আগামী ১০ মার্চ হকের ডিএ-র দাবিতে প্রশাসনিক কাজকর্মে ধর্মঘটের ডাক দিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনগুলি। ওই দিন সরকারি দফতরে কাজকর্ম যে লাটে উঠবে। ডিএ নিয়ে যে সরকারি কর্মচারিদের সংগঠন সহজে ছেড়ে কথা বলবে না তা স্পষ্ট করেছে তাঁরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৩
রাজ্য

আপাতত চাকরি ফিরে পাচ্ছে এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষক

বিগত কয়েক দিন ধরেই এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষকের চাকরি খোওয়ানো নিয়ে বিস্তর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শিক্ষকের এইচআইভি পজিটিভ জানতে পেরেই দীর্ঘ ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়ায় ময়দানে নেমে পড়েছিল সমাজকর্মীরাও। তাঁদের আশঙ্কা ছিল এই ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া মানেই চাকরি কেড়ে নেওয়ার প্রাথমিক প্রক্রিয়া। গর্জে ওঠে সমাজকর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে গতকাল, সোমবার নিউ সেক্রেটারিয়েটে রাজ্যের অ্য়াডমিনিস্ট্রেটর জেনারেল বিপ্লব দত্তের দফতরে দফায় দফায় বৈঠক হয়। অবশেষে জটিতলা কেটেছে। আগামিকাল বারাসতের ওই মানসিকভাবে বিশেষ সক্ষমদের স্কুলে ফের কাজে যোগ দেবেন সৌমিত্রা গায়েন।গত ১২ ফেব্রুয়ারি সৌমিত্র ও সুনীতা শুভ পরণয়ে আবদ্ধ হন। দুজনেই এইচআইভি পজিটিভ। এই খবর জানতে পেরে বারাসত ভিসিয়ন ট্রাস্টের অধীনস্ত ওই বিদ্যালয় কতৃপক্ষ সৌমিত্রকে ছুটিতে যেতে। অভিযোগ, একইসঙ্গে বলা হয় যেদিন কতৃপক্ষ বলবে সেদিন তাঁকে স্কুলে আসতে হবে। বিয়ে করার চার-পাঁচ দিনের মধ্যে চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে সৌমিত্রর। সমাজকর্মী অলোক ঘোষ পুরো বিষয়টি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর জেনারেলকে বিষয়টি জানায়। এরপরই গতকাল, সোমবার দফায় দফায় বৈঠকে বসেন বিপ্লব রায়, সৌমিত্র-সুনীতা, কল্লোল ঘোষ ও স্কুলের পক্ষে ট্রাস্টের চেযারম্যান ডা. রণজিত মন্ডল। দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় ফের কাজে যোগ দেবেন সৌমিত্র। স্কুলের অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে হবে।সমাজকর্মী কল্লোল ঘোষের কথায়, অত্যন্ত অন্যায় কাজ করছেন স্কুল কতৃপক্ষ। একজন এইচআইভি পজিটিভ শিক্ষককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল কতৃপক্ষ। যাই হোক শেষমেশ তাঁকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফের এমন কোনও কান্ড যেন না ঘটে। তাহলেই ফের প্রতিবাদ হবে। এদিকে, মঙ্গলবার বিপ্লব বায় সাংবাদিকদের বলেন, কাজে যোগ দেবে সৌমিত্র। সুনীতাকে মেয়ে হিসাবে মর্যাদা দিয়ে একটি পেন গিফ্ট করেন বিপ্লববাবু। রণজিত মন্ডল বলেন, আমরা ওকে তাড়িয়ে দিইনি। ছুটিতে যেতে বলেছিলাম। কারণ এটা বিশেষভাবে মানসিক সক্ষমদের স্কুল। শিক্ষকের পজিটিভ শুনে অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে ও ফের এই স্কুলেই কাজ করবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি, তবু কর্মবিরতিতে অনড় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ

রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করা সত্বেও কর্মবিরতির দাবিতে অনড় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে লাগাতার ধরনা চালিয়ে যাচ্ছে যৌথ মঞ্চ। উল্লেখ্য, এই মঞ্চ আগামীকাল সোমবার ও পরশু মঙ্গলবার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। সরকারি কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার সার্কুলার জারি করায় অর্থ দফতরের প্রধান সচিব মনোজ পন্থকে আইনি নোটিসও পাঠিয়েছে তারা। রাজ্য নোটিশে জানিয়েছে, অফিসে না এলে চাকরি জীবনে ছেদ পড়বে, কাটা হবে একদিনের বেতনও। উল্লেখ্য়, বাজেট অধিবেশনে মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়ে দেন সরকারি কর্মীদের ৩ শতাংশ ডিএ বাড়বে সামনের মার্চ থেকে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
রাজ্য

সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান বেঁধে দিলেন অভিষেক

মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি উপনির্বাচনের প্রচার একেবারে জমজমাট। ইতিমধ্যেই সেখানে প্রচার সেরেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবাসরীয় প্রচারে গিয়ে জয়ের ব্যবধানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের স্পষ্ট বার্তা, উপনির্বাচনে একটা বুথেও হারলে সেটা হবে মীরজাফরের বুথ। কোনও বুথেই হারা চলবে না বলেই জনসভায় জানিয়ে দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেখান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কংগ্রেস প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপির যোগসাজশ চলছে। ভোটে জিতলেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজেপিতে চলে যাবে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কি করে শুভেন্দু বলছেন সংখ্যালঘু বুথগুলিতে আর যেই হোক জোড়াফুল জিতবে না। সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছি।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ২ মার্চ ভোটগণনা। এখানে বিজেপি, তৃণমূল ও কংগ্রেসের প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হচ্ছে। বামেরা এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করছে। লড়াই ত্রিমুখি হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২০১৬-তে কোনওরকমে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। রাজ্যর এই মন্ত্রীর অকাল প্রয়াণের কারণেই এই উপনির্বাচন। সামনেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। স্বভাবতই তার আগে এই উপনির্বাচন সব দলের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাজেট ভাষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি, এক বছরেই উলোট-পূরাণ

রাজ্যপাল হায় হায় বলে স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দেওয়া লিখিত ভাষণ পাঠ করা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন চোর ধরো জেল ভরো স্লাগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। ছিঁড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালের ভাষণের কপি। ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। এমনকী রাজ্যপাল বিধানসভা চত্বরে গাড়িতে ওঠার সময়ও গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সময় বিপরীত দৃশ্য দেখা যেত। তখন রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাত তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা, এখন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি বিধায়করা। একেবারেই উলোট-পূরাণ।গতবছর ২০২২ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ভাষণ না পাঠ করেই বিধানসভার কক্ষ ত্যাগ করছিলেন। তখন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, শিউলি সাহারা ঘেরাও করে ফেলেছিলেন ধনকড়কে। কোনওরকম ভাবে নামকা ওয়াস্তে রাজ্য সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর চোখের ইশারায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এখন বিজেপির স্লোগান-বিক্ষোভের সমালোচনা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বদলে যেতেই বদলে গেল বিধানসভার পরিস্থিতি। এমনকী রাজভবনকে তৃণমূল বলত বিজেপির সদর দফতর। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই বদল ঘটেছে। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপালের পদ ছেড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। তখনও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে বিজেপি। তারপর সেন্ট জেভিয়ার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডি লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন রাজ্যপাল।মোদ্দা কথা রাজ্যপালের কর্মকান্ডে খুশি নয় বঙ্গ বিজেপি। এখনও অবধি রাজ্যপালের অবস্থানে তৃণমূল স্বস্তিতে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

'মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্যৎ,' নদিয়ায় বললেন সুকান্ত মজুমদার

নদিয়ার জনসভাতে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে এলে তৃণমূলকে দাওয়াই দেওয়ার কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সভাতে বক্তব্য রাখেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুনে উপস্থিতি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মিঠুন বলেন, এত ভালবাসা বিজেপির বাক্সে পড়বে কিনা। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলা তৈরি করি।এদিন রাজ্য সরকারের মদের কারবার নিয়ে কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, গত আর্থিক বছরে রাজ্যে১০,৬৬৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে। মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্য়ৎ। যত দিন মদ খাওয়াবে ততদিন বোকা বানানো যাবে। এছাড়া রাজ্যে এই মুহূর্তে ঋণের বোঝা চাপতে বসেছেন ৫.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা। রাজ্যে প্রতিজনের ঋণ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বব্যাংক সহ নানা জায়গা থেকে রাজ্য ঋণ নিয়েছে। রাজ্যটাকে বিক্রি করে দিচ্ছেন।পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, গতবার ভোট লুট করতে এসেছিল এবার যদি ফের লুট করতে আসে দিদির ভুতকে ঘোল ঢেলে ভুত বানিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। আর পুলিশ যদি তৃণমূল হয় তাহলে সেরকম আচরণ হবে। টিবি হাসপাতাল তৃণমূল চুরি করে নিয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে স্কুলের ক্রীড়া পরিকাঠামো দেখে মুগ্ধ প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়কের আক্ষেপ ছাত্র-ছাত্রীদের ক্রীড়া অনিহায়

প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও ধুমধামের সাথে শুরু হল বর্ধমান শহরের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা। শহরের প্রান্তে অবস্থিত দেওয়ানদিঘী অঞ্চলের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে শুক্রবার দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতযোগীতার সূচনা হয়। সম্প্রীতির বার্তা জানিয়ে একঝাঁক গ্যাস বেলুন আকাশে ওড়ানো হয়। মশাল প্রজ্জ্বলন করে ক্রীড়া প্রতিযোগীতার শুভ উদ্বধোন করেন ভারতের জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ও সুনামের সাথে কলকাতা ময়দানের তিন প্রধান খেলা বর্ষিয়ান গোলরক্ষক ভাস্কর গাঙ্গুলি।উদ্বোধনী ভাষণে আক্ষেপের স্বরে বর্ষীয়ান খেলোয়াড় জানান, খেলার মাঠে যাওয়ার প্রবণতা এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের ক্রমশই কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের সময়ে আমরা বেশী খেলতাম বলে অবিভাবকদের বকুনি খেতাম, আর এখন ঠিক তাঁর উল্টোটা। তিনি বাচ্ছাদের মাঠমুখী করার জন্য অবিভাবকদেরও এগিয়ে আসতে বলেন। তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধুমাত্র শরীর স্বাস্থ্য সুস্থ রাখার জন্য নয়, মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে, দলবদ্ধ ভাবে কোনও কাজ করার মানসিকতা গড়তে ও প্রতি পদক্ষেপের জেতার জেদ তৈরি করতে এর কোনও বিকল্প নেই।বর্ষীয়ান খেলোয়াড় ভাস্কর গাঙ্গুলি আরও বলেন, শুধু মাত্র ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস-খেলেও কেরিয়ার তৈরি করা যায়। তিনি বলেন, আমার পরিচিত এক প্রো-কবাডি খেলোয়ারের সাথে কয়েকদিন আগে দেখা হয়েছিলো, সে বলেছিলো একটু ভালো কবাডি খেলোয়াড় প্রো-কবাডি টুর্নামেন্ট খেলে বছরে এক কোটি টাকার কাছাকাছি আয় করে। সেই উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শুধুমাত্র জনপ্রিয় খেলার পিছনে না ছুটে বাচ্ছার যেটা মন চায় খেলুক।তিনি বর্ধমানের এই স্কুলের পরিকাঠামো-র ভুয়াসী প্রশংসা করে বলেন, এখানে দুইটি প্রমান মাপের মাঠ, একটি প্রসস্ত ইন্ডোর অডিটোরিয়াম সবই আছে শুধুমাত্র অভাব একঝাঁক উৎসাহী ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রী। ভাস্কর গাঙ্গুলি স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডলকে জানান, তাঁকে কোনও প্রয়োজনে লাগলে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত।ভাস্কর গাঙ্গুলি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় জয়ী বাচ্ছাদের হাতে ট্রফি ও সার্টিফিকেট তুলে দেন। উপস্থিত ছিলেন প্রবীন ক্রীড়া সাংবাদিক ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আর্কাইভ ও লাইব্রেরির কিউরেটর আরুপ পাল। স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথাকে বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস খেলাধুলা কখনই পড়াশোনা-কে ক্ষতি করে না বরং আরও মনোযোগী হতে ও ভবিষ্যৎ জীবনে লড়াইয়ের রসদ যোগান দেয়।

জানুয়ারি ২০, ২০২৩
রাজ্য

রং তুলির মেলবন্ধনে মেতে উঠলো রাঢ়-বঙ্গের শিল্প কর্মশালা

রাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার আয়োজিত দুদিনের আর্ট ওয়ার্কশপ শুক্রবার শুরু হল। বর্ধমান শহরে বইমেলা প্রাঙ্গণে এই আর্ট ওয়ার্কশপ-র শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান সদর দক্ষিণের মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল। এবছর রাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার আর্ট ওয়ার্কশপ৬ষ্ট বর্ষে পদার্পন করলো। মোট ৪২ জন স্বনামধন্য শিল্পী এই শিল্প কর্মশালার অংশগ্রহন করছেন।শিল্প পদর্শনীবাইমেলা শুরুর দিন থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে তাঁদের শিল্প পদর্শনী চলছে। বিভিন্ন নামী শিল্পীরা সশরীরে উপস্থিত হয়ে ক্যানভাস তুলি রং নিয়ে কর্মশালা আলো করে তুলেছেন। কেউ জল মাধ্যমে তো কেউ অ্যাক্রেলিক তো কেউ ডোকরা করতে ব্যাস্ত। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে মহকুমাশাসক বলেন, তাঁকে ছোট বেলায় ওড়িয়া ভাষা শিখতে হয়েছিলো। কিন্তু তাঁর ইচ্ছা ছিলো আদিবাসী (অলচিকি) ভাষা শেখা এবং তিনি তা শিখেও ছিলেন। তিনি আরও বলেন শুক্রবারের এই কর্মশালায় এসে বিভিন্ন শিল্পীদের সহচর্য পেয়ে মনে এই শিল্প কর্ম শেখার ইচ্ছা জাগছে। আজকের অনুষ্ঠানের উপরি পাওনা মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডলের গলায় লোকগীতি আমায় ডুবাইলি রে-আমায় ভাসাইলি রে...।শিল্পী শ্যমল মুখোপাধ্যায়মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে এই সংস্থার শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন, আগামীদিনে আরও বড় কর্মশালার আয়োজনের শুভেচ্ছা জানান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও শিল্পপতি সন্তোষ সাহাশিকদার, প্রথিতযশা চিত্রকর শ্যমল মুখোপাধ্যায়। শিল্পী শ্যমল মুখোপাধ্যায় জানান, তিনি তিন তিন বার অকৃতকার্য হয়ে শান্তিনিকেতন থেকে শিল্প শিক্ষা গ্রহণ করে চিত্রশিল্পী হয়েছেন। তিনি জানান, তাঁর শিল্পকর্ম নিয়ে তিনি ৪২টি দেশে চিত্র পদর্শনী করেছেন।শ্যমল মুখোপাধ্যায়, প্রদ্যুত পাল ও সহশিল্পীরাঢ় কৃষ্টি ওয়েলফেয়ার সংস্থার অন্যতম সদস্য শিল্পী প্রদ্যুত পাল বলেন, এবছর আমরা বইমেলায় এই প্রদর্শনী ও কর্মশালার আয়োজন করলাম, খুবই ভালো সাড়া পাচ্ছি। সামনের বছর এই অনুষ্ঠান আরও বড়ো করে করার চেষ্টা করবো। এবছর বর্ধমান সহ সারা বাংলার মোট ৪২ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন। ঝাড়খণ্ড থেকেও একজন শিল্পী এই কর্মশালার এসেছেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৩
রাজ্য

কেতুগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুন, এর পিছনে কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না বালির কারবার?

সাতসকালে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ভরা বাজারেই লুটিয়ে পড়ল তৃণমূল কর্মী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল। এই ঘটনার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের আমগরিয়া এলাকার জনবহুল বাজারে। মৃতের নাম দুলাল শেখ (৪৫)। এই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বালির কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মৃতের বাড়ি কেতুগ্রামের রতনপুরের পীড়তলা এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ দলের অন্তর্কলহে খুন হয়েছেন দুলাল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলাল শেখ বালির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, পাশাপাশি ঠিকাদারিও করতেন। তবে এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত, পরিচিতিও আছে। পরিবার সূত্রে খবর, এদিন সকালে আমগরিয়ায় গিয়েছিলেন কোনও কাজে। সেখানেই বাজারে বসে গল্প করতে করতে চা খাচ্ছিলেন। তখন হঠাৎ করে বাইকে চেপে এসে কেউ বা কারা তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি ছোঁড়া হয়। ঘটনাস্থলেই দুলালের মৃত্যু হয়। সাতসকালে ভরাবাজারে প্রকাশ্যে জনবহুল এলাকায় শুটআউটের ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা।পুলিশ তদন্ত করে দেখছে ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটল। বালি ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টাই কি কাল দুলালের? তা নিয়েও জল্পনা চলছে। গোষ্ঠী কোন্দলের অভিযোগ করেছে বিজেপি।জেলা পুলিশ সুপারকামনাশী সেন নিজে ঘটনাস্থলে তদন্তে গেছেন। পুলিশ সুপার জানান, কেস রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। খুনিদের সন্ধানে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের সন্ধান পাওয়ার জন্য জেলা ও ভিন জেলার সঙ্গে সংযোগকারী বিভিন্ন সড়কপথে পুলিশি নাকা চেকিং শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেব টুডু বলেন, কি কারনে এমন ঘটনা ঘটলো সেটা আমাদের কাছে এখনো পরিষ্কার নয়, পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তৃণমূল কর্মী খুনের পর থেকে পুরো এলাকা থমথমে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

গরীবের রেশন কার্ড কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রীর, বড়সড় অভিযোগ সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যের

বুধবার গাইঘাটা বিডিও অফিসে আবাস যোজনার ডেপুটেশন মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য রেশন কার্ড নিয়ে ভয়ংকর অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে। তন্ময় ভট্টাচার্য একটি রেশন কার্ডের নম্বর উল্লেখ করে বিডিও-র উদ্দেশ্যে বলেন, আমি একটা নাম্বার বলছি বিডিও সাহেব শুনে রাখুন। এই রেশন কার্ডটি PHH( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড ) ভুক্ত। কার্ডটি বনগাঁ লোকসভার সংসদ শান্তনু ঠাকুরের। তাঁর প্রশ্ন, একজন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কি করে এই কার্ড ব্যবহার করেন? শান্তনু ঠাকুর চাইলে আমার বিরুদ্ধে কোর্টে যেতে পারেন আমি কোর্টে গিয়ে তার রেশন কার্ডটি তুলে ধরব।গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গোবিন্দ দাস বলেন, আমরা জানতে পেরেছি শান্তনু ঠাকুর সহ তার পরিবারের কয়েকজনের PHH ( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড ) আছেন । তাদের উচিত ছিল এই কার্ডগুলিকে সারেন্ডার করানো কিন্তু তারা করেনি। এর বিরুদ্ধে আইঅনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যায় কিনা আমরা খতিয়ে দেখছি। রেশন ডিলার জয়ন্ত মৃধা জানিয়েছেন, শান্তনু ঠাকুরের পরিবারের কয়েকজনের PHH ( প্রায়োরিটি হাউজ হোল্ড) কার্ড আছে এবং কার্ডগুলো সক্রিয় আছে তা্র মা ছবিরানি ঠাকুর প্রতি মাসে রেশন তুলতে আসেন। গত মাসেও তারা রেশন তুলেছে। PHH কার্ডে চাল ৬ কেজি ৭৫০ গ্রাম, গম ১ কেজি ২৫০ গ্রাম আটা ২ কেজি সহ মোট ১০ কেজি জিনিস মেলে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বক্তব্য, তাঁর জানা নেই এমন কোনও কার্ড তাঁর বাড়িতে আছে। মা হয়তো রেশন তুলতে পারে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 70
  • ...
  • 187
  • 188
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal