• ২১ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

রাজ্য

রাজ্য

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মুক্তির দাবিতে উত্তপ্ত কলকাতা, রাজপথে চলল নগর কীর্তন

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে উত্তপ্ত হল কলকাতার রাজপথ। বাংলাদেশে গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে কীর্তনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানায় ইসকনও। বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চ এদিন বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ মিছিল আটকাতে গেলে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। শেষমেশ পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল ডেপুটি হাইকমিশনে প্রবেশ করে। তার আগে ব্যারিকেড ধরে টানা-হ্যাঁচড়া চলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের। শান্তিপূর্ণ মিছিলে কলকাতা পুলিশ বাধা দেয়। দাবি, মিছিলকারীদের দুএকজন আহত হয়েছেন। চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার ও বাংলাদেশে হিন্দুদের অত্য়াচারের প্রতিবাদে এদিন জেলায় জেলায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এদিন শিলিগুড়িতে বিক্ষোভ হয়। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য়, পরবর্তীকালে আরও আন্দোলনে যাব। মা-বোনেদের ওপর অত্যাচার চলছে তাই আমরা সাধু বলে চুরি পড়ে বসে থাকবো না। বাংলাদেশের ঘোর দুর্যোগ ঘনিয়ে আসবে যদি ইউনুস না সতর্ক হন। এদিকে বাংলাদেশে আদালত ইসকন নিষিদ্ধ করার

নভেম্বর ২৮, ২০২৪
রাজ্য

নিত্যযাত্রীদের জন্য বিরাট সুখবর, পূর্ব রেলের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা

নিত্যযাত্রীরা বিশেষত অর্থাৎ যারা অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ বা ব্যবসার কাজে রোজই একটু দূরে বিশেষত কলকাতা বা সংলগ্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে থাকেন, তাঁদের দীর্ঘ দিনের চাহিদা পূরণে ইন্টারসিটি ধরণের মাঝারি দূরত্বের এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে অতিরিক্ত রিজার্ভড (সংরক্ষিত ) কোচ জুড়তে চলেছে পূর্বরেল। এই রিজার্ভড কোচ সংযুক্তির ফলে তাদের যাতায়াত আরও সুগম হয়ে উঠবে যা আর্থসামাজিক উন্নয়নেরও সহায়ক। পাঁচটি ট্রেন যেমন ১২৩৩৭/১২৩৩৮ হাওড়া - বোলপুর - হাওড়া শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস, ১২৩৩৯/১২৩৪০ হাওড়া - ধানবাদ - হাওড়া কোলফিল্ড এক্সপ্রেস, ১২৩৪১/১২৩৪২ হাওড়া - আসানসোল - হাওড়া অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, ১৩০১১/১৩০১২ হাওড়া - মালদা - হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস এবং ০৩০৪৭/০৩০৪৮ হাওড়া - রামপুরহাট - হাওড়া বিশ্বভারতী ফাস্ট প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলিতে লাগছে একটি করে অতিরিক্ত দ্বিতীয় শ্রেণীর চেয়ার কার। এই অতিরিক্ত কোচের সংযোজন ২৭ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই উভয় প্রান্ত থেকে কার্যকর হবে। এছাড়াও, ১৩০৪৫/১৩০৪৬ হাওড়া - দেওঘর - হাওড়া ময়ূরাক্ষী এক্সপ্রেসে লাগছে একটি অতিরিক্ত সাধারণ দ্বিতীয় শ্রেণীর রিজার্ভড কোচ। এই ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযুক্তি হাওড়া থেকে ৩০শে নভেম্বর এবং দেওঘর প্রান্ত থেকে ১লা ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। ২২৩২১/২২৩২২ হাওড়া - সিউড়ি - হাওড়া হুল এক্সপ্রেসে যাত্রীদের জন্য আরও সুখবর। তারা পাচ্ছেন একটি অতিরিক্ত এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজন। এতদিন পর্যন্ত এই গাড়িতে যাত্রীরা কেবলমাত্র বসেই যাতায়াত করতে পারতেন, কিন্তু এখন এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজনের ফলে যাত্রীরা শুয়ে অথবা ঘুমিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। অতিরিক্ত কোচের সংযুক্তির ফলে হুল এক্সপ্রেসের কোচ সংখ্যাও ১৩টি কোচ থেকে ১৪ টি কোচে বৃদ্ধি পেলো। এই এসি ৩ টায়ার কোচের সংযোজন উভয় প্রান্ত থেকেই ৩০শে নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। নিত্যযাত্রীদের চাহিদা পূরণে পূর্বরেল সর্বদাই সচেষ্ট। সময়বিশেষে দ্বিতীয় শ্রেণীর অতিরিক্ত কোচ সংযোজনের ফলে সাধারণ যাত্রীরা সাশ্রয়কারী যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে রেলের উপর বিশেষ নির্ভরশীল। রেলের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নিত্য যাত্রীরা।

নভেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

আবাস এর আভাস! দূর্নীতি নিয়ে কি বার্তা দিচ্ছে?

ভোট এলেই দেশ জুড়ে চর্চায় আসে রোটি, কাপড়া ওর মকান। শুধু ভাত কাপড় নয়। সঙ্গে থাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর বাসস্থান। পশ্চিমবঙ্গে অবশ্য এর অন্য তাৎপর্য রয়েছে। শিক্ষা আর স্বাস্থ্য আগেই রাজ্য রাজনীতির মঞ্চে মধ্যমনি হয়ে বসেছে। এবার এই দুটির পাশে জায়গা নিয়েছে বাসস্থান। এই মুহূর্তে বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের বুলডোজার বিচার নিয়ে শীর্ষ আদালতের রায়ে বড় জায়গা নিয়েছে বাসস্থান। পশ্চিমবঙ্গে আলোড়ন উঠেছে আবাস যোজনায় দূর্নীতি নিয়ে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে আবাস যোজনায় গৃহ নির্মাণে বড় বড় দূর্নীতির তথ্য প্রমাণ সামনে আসতে শুরু করেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের মতন ই এই ক্ষেত্রেও তার ই সঙ্গে সংঘর্ষ, হুমকি, নির্যাতন সব ই রয়েছে। অর্থাৎ, তিন ক্ষেত্রেই চিত্র নাট্যে মিল রয়েছে। পুরুলিয়া, বীরভূম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ক্ষোভ বিক্ষোভের খবরের পাশেই রয়েছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা। তৃনমূলের এই শক্ত ঘাঁটিতেও পরিস্থিতি খুব ই উত্তপ্ত। এই ক্ষোভের আঁচের মধ্যে তৃনমূলের সমর্থক বা কর্মী বলে পরিচিতরা ও রয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ নিয়ম মতে যাদের পাওয়ার কথা তারা বাদ পড়েছেন। যোজনার তালিকায় ঢুকে পড়েছে ভুয়ো নাম। শুধু তাই নয় একই নামে একাধিকবার টাকা পাওয়ার তথ্য ও উঠে এসেছে। তবে এই সব অভিযোগ তো বরফশীলার চূড়া মাত্র। দরিদ্র মানুষকে ঘর পেতে কাটমানি দিতে বাধ্য করা। ঘর পেতে হলে বিভিন্ন খাতে অর্থ দিতে বাধ্য করার পাশাপাশি রয়েছে অসাক্ষর প্রাপকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বদলে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা আনিয়ে পকেটস্থ করা। আর্থিক নয় ছয়ের পরিমাণ এতটাই বেশি যে আদালতে রাজ্য সরকার ও অনিয়ম হয়েছে বলে মেনে নিয়েছে। দূর্নীতির বিষয়ে রাজ্য সরকার যে রিপোর্ট দিয়েছে তা দেখেই আদালত সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত প্রধান ও বিডিওদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছে। পরিস্থিতিতে এবার নতুন মোড় এনেছে প্রতিবাদের চেহারা। শুধু গ্ৰামবাসীরাই নয় দলীয় নেতা, কর্মী ও প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃনমূলের ই একাংশ।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দূর্নীতির অভিযোগ কেন্দ্র অর্থ দেওয়া বন্ধ করলে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছিল। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল নির্বাচনের আগে এসব অভিযোগ আসলে ভোট পাওয়ার কৌশল। কেন্দ্রের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রাজ্য নিজস্ব আবাস যোজনা ঘোষণা করেছিল। প্রতিটি প্রাপককে তিন লপ্তে মোট এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে ওই ঘোষণায় । বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই যোজনায় ভুরি ভুরি দূর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে। সরকারি প্রকল্প বা সরকারি যোজনা মানেই যেন উদোর অর্থ বুদোর পকেটে যাওয়ার অভিযোগ উঠবেই। সামাজিক ন্যায়ের নটে গাছটি মুড়িয়ে দিতে কাটমানি সংস্কৃতির বিষ যেন সর্বগামী। অর্থ লিপ্সার জালে আবদ্ধ পশ্চিম বঙ্গের দরিদ্র গ্ৰামীন সমাজ

নভেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

পানাগড়ে আগুনে ঝলসে গেল এক শিশুকন্যা ও তিন নাবালক

পরিত্যক্ত গাড়ির একটি কেবিনের ভেতরে খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেল এক শিশুকন্যা ও তিন নাবালক। বুধবার দুপুর তিনটে নাগাদ কাঁকসার রাইস মিল রোডে একটি পরিত্যক্ত গাড়ির কেবিনের ভেতরে খেলা করার সময় হঠাৎ গাড়ির ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। গাড়ির ভেতর আটকা পড়ে ৪ জনেই। ওই নাবালক ও শিশু কন্যার চিৎকার শুনে এলাকার বাসিন্দারা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে।স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের পানাগড় ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের মধ্যে ২ জনকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ও অপর ২ জনকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কাঁকসা থানার পুলিশ। যে ব্যক্তি তাদের উদ্ধার করে সেও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পানাগড় ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

নভেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

ট্যাবের টাকা কোথায়? মালদা থেকে সাইবার ক্যাফের মালিককে গ্রেফতার বর্ধমান পুলিশের

পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের হাতে ধরা পড়লো মালদার সাইবার ক্যাফের এক মালিক। অভিযুক্ত যুবকের ট্যাব কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার ঘটনা জানাজানি হতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সোমবার গভীর রাতে মালদার বৈষ্ণবনগর থানার কৃষ্ণপুর এলাকার বাড়ি থেকেই সাইবার ক্যাফের মালিক হাসেম আলীকে গ্রেফতার করে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার মালদা আদালতের মাধ্যমে ধৃতকে সাত দিনের জন্য ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছে তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ট্যাব কেলেঙ্কারির পান্ডা এই হাসেম আলীর মাধ্যমে প্রচুর সূত্র বেরিয়ে আসতে পারে। কারা এতদিন ধরে ছাত্রদের লক্ষ লক্ষ টাকা গায়েব করার পিছনে যুক্ত রয়েছে, সেটিও জানতে তৎপর তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈষ্ণবনগর থানার কৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা হাসেম আলী। তার বৈষ্ণবনগরের এমএলএ মোড়ে রাস্তার ধারে ছোট্ট একটি সাইবার ক্যাফের দোকান রয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক পাশ ওই যুবক যে বিশেষ কায়দায় পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক বিষয়ে পারদর্শী তা জানতে পেরেও হতবাক হয়েছে পুলিশ। ধৃত হাসেম আলীর কাছ থেকে তিন বছরের একটি কম্পিউটার সার্টিফিকেট উদ্ধার করেছে পুলিশ ।জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাস জানিয়েছেন, ট্যাব কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে গত জুলাই মাসে হাসেম আলি একটি মোবাইল ফোন মাধ্যমে বাংলার শিক্ষা পোর্টাল অ্যাকসেস করে। সাথে সাথে হাসেম নিজেও একটি অ্যাকাউন্ট মোডিফাই করেছিল। এই কাজে হাসেম যে মোবাইলটি ব্যবহার করতো সেটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। এই ঘটনায় হাসেমের সঙ্গে আরও কিছু জন জড়িত থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথাও পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। বর্ধমান জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে হাসেম আলী তার মোবাইল ফোনে বাংলা শিক্ষা পোর্টালে ঢুকে। এরপরই পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টের তথ্য বদলে দেয় বলে পুলিশ এখনও পর্যন্ত জানতে পেরেছে। তারপরে ধীরে ধীরে এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে ধৃত হাসেম আলী। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ট্যাব কেলেঙ্কারিতে শুধু হাসেম আলী একা জড়িত নয়। এর পিছনে অনেক বড় বড় মাথা রয়েছে। সেইসব পান্ডাদের সন্ধান পেতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মালদা আদালতের কাছে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে বর্ধমান পুলিশ। ধৃত হাসেম আলির মা নুরজাহান বেগম বলেন, আমার ছেলেকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। ও যদি সত্যি এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে থাকত, তাহলে আজকে আমাদের আধা কাঁচা, আধা পাকা বাড়িতে থাকতে হত না। আমার ছেলের কোনওরকম বিলাসবহুল জীবনযাত্রাও ছিল না। সাদামাটা ভাবেই থাকতো। তারপরেও হঠাৎ করে পুলিশ এসে ছেলেকে ভিত্তিহীন অভিযোগে ধরে নিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে নির্দোষ। উল্লেখ্য, পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রায় শতাধিক পড়ুয়ার পাশাপাশি মালদার গাজোল, হবিবপুর এবং হরিশ্চন্দ্রপুরের তিনটি বিদ্যালয়ের প্রায় দেড়শ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায়। ঘটনাটি সামনে আসতেই মালদার জেলাশাসকের নির্দেশে শুরু হয় তদন্ত। তিনটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামে এফআইআর করে জেলা শিক্ষা দপ্তর। এরই মধ্যে সোমবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ মালদায় হানা দিয়ে ট্যাব কেলেঙ্কারিতে হাসেম আলী নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার সেই মোবাইল ফোনও।

নভেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

এখন ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান সাগর থেকে ২১০ কিলোমিটার দূরে, ভোরেই ল্যান্ডফল, জানাল হাওয়া অফিস

ঘণ্টায় ১৩ কিলোমিটার গতিবেগে ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় দানা। ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ৯০ কিলোমিটারের দূরে রয়েছে দানার অবস্থান। সাগর থেকে দানার অবস্থান ২১০ কিলোমিটার। ল্যান্ডফলের পর ১০৫ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতি হতে পারে ঘূর্ণঝড়ের। দানা খুব সম্ভবত মুভ করে ওড়িষার পুরি ও পশ্চিমবঙ্গের সাগর আইল্যান্ডের মধ্যে আছড়ে পড়বে। ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টায় ঝড় বইবে উপকূল এলাকায়। রাত সাড়ে এগারোটায় এই তথ্য জানায় আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

অক্টোবর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

কিছু সময়ের মধ্যে ল্যান্ডফল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানার, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী

আর কিছু সময়ের অপেক্ষা। কিছু সময়ের মধ্যে ল্যান্ডফল করতে চলেছে দানা। অসীম শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানা (Cyclone Dana)। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নবান্নে চালু করা হয়েছে হেল্প লাইন নম্বর। রাতভর নবান্নে থেকেই পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে থেকেই মুখ্যমন্ত্রী নজর রাখছেন পুরো পরিস্থিতির।ভয় পাবেন না কিন্তু সতর্ক থাকুন। ঘূর্ণিঝড় দানা নিয়ে রাজ্যবাসীকে অস্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সরকারের দেওয়া গাইডলাইন সাধারণ মানুষকে মেনে চলার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের বন্দোবস্ত করেছে। যে জেলাগুলিতে ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কন্ট্রোলরুমে ছাড়াও উপস্থিত আছেন মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ, ডিজি রাজীব কুমার, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের প্রধান সচিব শ্রী দুষ্যন্ত নারিয়ালা, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের বিশেষ সচিব প্রিয়াঙ্কা সিংলা প্রমুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কি বলেছেন?মানুষের জীবন হল সবচেয়ে দামী। মানুষের জীবন আগে রক্ষা করতে হবে। স্কুলগুলি ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে সেই কারণেই। আমি আজ রাতে নবান্নেই থাকব। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সকলে কাজ করবেন। সেই সঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকেও পরিস্থিতির ওপর গভীরভাবে নজরদারি চালাতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন ও জেলায় জেলায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে রাজ্য সরকার। নবান্নের হেল্পলাইন নম্বর, ০৩৩-২২১৪৩৫২৬, আরেকটি হেল্পলাইন নম্বর হল ১০৭০।

অক্টোবর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

আরও এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার, এবার বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অপরাধে

হাতির দাঁত পাচারের ঘটনায় কলকাতা পুর এলাকার এক তৃণমূল নেতা গ্রেফতারের পর এবার বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র সহ মালদার সংখ্যালঘু সেলের এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে দুটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ রাউন্ড কার্তুজ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে মোথাবাড়ি থানার পুরাতন পটলডাঙ্গা এলাকায়।বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র মজুত, এই অভিযোগে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃতের নাম আব্দুস সালাম। তার বাড়ি মোথাবাড়ি থানার পুরাতন পটলডাঙা এলাকায়। তিনি তৃণমুলের সংখ্যালঘু সেলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ ধৃতের বাড়িতে অভিযান চালায়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে উদ্ধার করেছে দুটি আগ্নেয়য়াস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। কি কারণে আগ্নেয়াস্ত্রগুলি বাড়িতে মজুত করেছিল ওই তৃণমূল নেতা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, একজনকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। রাজ্য তৃণমূলের সহ-সভাপতি কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেছেন, বিরোধীরা কি বলল তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। তবে দলের নেতা বা কর্মী যেই হোক অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী শাস্তি পাবে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মেলনী ঘিরে ভাতারে বিশৃঙ্খলা, কোনওরকমে সামলালেন বিধায়ক

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনীকে কেন্দ্র করে তুলকালাম পরিস্থিতি। গন্ডগোলের রেশ গড়িয়েছে বর্ধমান-কাটোয়া রাজ্য় সড়কে। রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিজয়ার অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত অশান্তি ও দ্বন্দ্বে চলতে থাকে বিশৃঙ্খলা। ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী নিজে পরিস্থিতি সামলাতে নাজেহাল হয়ে যান। নিজে পথে নেমে কোনওরকমে পরিস্থিতি সামাল দেন। শেষমেশ ভাতার হাউজিং মাঠে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। কোনওপ্রকারে অনুষ্ঠান শুরু হলেও উত্তেজনা চলতেই থাকে। ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি অশোক হাজরাকে উত্তেজিত হতে দেখা যায়। ব্লক তৃণমূল সভাপতি বাসুদেব যশ অশোকবাবুকে শান্ত করার চেষ্টা করতে থাকেন। সেই সময় মঞ্চের আশপাশে কর্মীদের একাংশ চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেন। মঞ্চে অশান্তি চলতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করে দিয়ে বিজয়া সম্মিলনী শেষ করে দিতে বাধ্য হন নেতারা। ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন, বিজয়া সম্মিলনী একটা মিলনের অনুষ্ঠান। আনন্দের বিষয়। তাই আমরা প্রথম থেকেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করব বলে ঠিক করেছিলাম। বক্তৃতা পর্ব রেখে অনুষ্ঠান দীর্ঘায়িত করতে চাইনি। বিশৃঙ্খলার বিষয়টি অবশ্য বিধায়ক এড়িয়ে যান। এ নিয়ে তাঁর সাফাই, বাইরে কি ঘটেছে সঠিক জানি না। অনুষ্ঠান সুষ্ঠ ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর, বেশ কিছু দিন ধরেই ভাতারে দলের সহ সভাপতি অশোক হাজরার সঙ্গে দলের একাংশের মনোমালিন্য চলছে। বিশেষ করে ভাতার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় অশোকবাবুর প্রভাব রয়েছে। দলের অভ্যন্তরের কিছু সমস্যা এমনিতেই চলছিল। বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে তা প্রকাশ্যে চলে আসে। যদিও অশোক হাজরার দাবি, বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে প্রচুর জনসমাগম হয়েছিল। অত্যাধিক ভিড়ের কারণে সামান্য বিশৃঙ্খলা হয়েছিল। তবে তারপর সুষ্ঠভাবে অনুষ্ঠান হয়েছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

কেন রাখা হয় ঘূর্ণি ঝড়ের নাম? এই তালিকায় কোন কোন দেশ রয়েছে?

বাংলা ও ওড়িষা উপকূল লন্ডভন্ড করতে দাঁনা বাঁধতে চলেছ দানা{ প্রবল আশঙ্কায় উপকূল অঞ্চলের বাসিন্দারা{ সতর্ক রাজ্য় সরকরাও{ ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি সম্ভবত বুধবারের মধ্যে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে এবং বৃহস্পতিবার রাতে উত্তর ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম রাখা হয়েছে দানা।আইএমডি লিখেছে যে নিম্নচাপ মঙ্গলবার সকালের মধ্যে গভীর নিম্নচাপ এবং বুধবারের মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে, পরের দিন সকালে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের কাছে যাওয়ার জন্য উত্তর-পশ্চিমে এগোবে। ঘূর্ণিঝড়টি বৃহস্পতিবার রাতে এবং শুক্রবার সকালে পুরী এবং সাগর দ্বীপের মধ্যে ল্যান্ডফল করবে বলে আশা করা হচ্ছে, ঝড়ের গতিবেগ হবে প্রতি ঘন্টায় ১২০ কিমি, এমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।আগস্টের শেষ দিকে আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড় আসনার পর দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে উত্তর ভারত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় দানা দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়। আরবি ভাষায় দানা নামের অর্থ উদারতা এবং এই অঞ্চলে গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের নিয়ম অনুসারে কাতার এটি বেছে নিয়েছে। কীভাবে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয় এবং তাদের নাম বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন নিয়ম অনুসরণ করা হয়?ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখে কারা?২০০০ সালে, WMO/ESCAP (বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা/ইউনাইটেড নেশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক) নামক দেশগুলির একটি দল, যা বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড নিয়ে গঠিত, সিদ্ধান্ত নেয়। এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে। প্রতিটি দেশ পরামর্শ পাঠানোর পর, WMO/ESCAP প্যানেল অন ট্রপিক্যাল সাইক্লোন (PTC) তালিকা চূড়ান্ত করেছে।WMO/ESCAP ২০১৮ সালে আরও পাঁচটি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ইয়েমেন। ২০২০ সালের এপ্রিলে আইএমডি দ্বারা প্রকাশিত ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নামের তালিকা এই দেশগুলি সরবরাহ করেছিল - ১৩টি দেশের প্রতিটি থেকে ১৩টি পরামর্শ।ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখার কারণ কী?ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ মানুষের পক্ষে মনে রাখা সহজ করে তোলে, সংখ্যা এবং প্রযুক্তিগত পদের বিপরীতে। সাধারণ মানুষ ছাড়াও, এটি বিজ্ঞানী, মিডিয়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকেও সাহায্য করে। একটি নাম দিয়ে, এটি স্বতন্ত্র ঘূর্ণিঝড় শনাক্ত করা, এর পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা, মানুষকে প্রস্তুত হতে এবং বিভ্রান্তি দূর করার জন্য দ্রুত সতর্কবার্তা প্রচার করা সহজ। একটি অঞ্চলে একাধিক সাইক্লোনিক সিস্টেম।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল আশঙ্কা, চূড়ান্ত প্রস্তুতি রাজ্যের

ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। উপকূল অঞ্চলের ৫ জেলা সহ মোট ৭ জেলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগেভাগে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে রাজ্য সরকারও। মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সবরকম ভাবে সরকার প্রস্তুত রয়েছে সরকার। উপকূলের এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে আনার কাজ চলছে। উপকূলবর্তী এলাকার পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও বাড়তি সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাগুলিতে মাইকিং করছে প্রশাসনের কর্মীরা।ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায ইতিমধ্যেই রাজ্য ও জেলা স্তরে ২৪ ঘন্টার কন্ট্রোল রুম চালু করা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধিকারিকদের সর্বক্ষণ পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি রাখবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আগামিকাল, বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছ। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কায় সতর্কতামূলক একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, হুগলি, হাওড়া এবং কলকাতায় সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী ২৪ অক্টোবর রাত থেকে ২৫ অক্টোবর সকালের মধ্যে পুরী থেকে সাগরদ্বীপের মাঝে কোনও এক জায়গায় ল্যান্ডফল হতে পারে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানার। ল্যান্ডফলের সময় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার তুমুল সম্ভাবনা রয়েছে উপকূলের জেলাগুলিতে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে শহর কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামেও।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

হাতির দাঁত পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা! কটক্ষ বিজেপির সুকান্ত মজুমদারের

বিহারের বক্সার থেকে গ্রেফতার হয়েছেন কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অশোক ওঝা। ২০ কিলো ওজনের হাতির দাঁত পাচার সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ। বিজেপি এই ঘটনায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূলকে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন এটা বাংলার লজ্জা।সুকান্ত মজুমদার টুইটে বলেন, বাংলার লজ্জা তৃণমূল! বিহার পুলিশের গোপন অভিযানে গ্রেফতার কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা (ব্লক সভাপতি) অশোক ওঝা। কয়লা, বালি, গরু পাচারের পর এবার হাতির দাঁত পাচারেও যে তৃণমূলের কাটমানিখোর নেতারা সিদ্ধহস্ত, তা প্রতিবেশী রাজ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেলো। এই লজ্জা কোথায় লুকোবেন দিদিবাংলার লজ্জা তৃণমূল! বিহার পুলিশের গোপন অভিযানে গ্রেফতার কলকাতার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা (ব্লক সভাপতি) অশোক ওঝা। কয়লা, বালি, গরু পাচারের পর এবার হাতির দাঁত পাচারেও যে তৃণমূলের কাটমানিখোর নেতারা সিদ্ধহস্ত, তা প্রতিবেশী রাজ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেলো। এই লজ্জা কোথায় লুকোবেন pic.twitter.com/qZDNYpox6u Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) October 22, 2024

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

শিয়ালদা ডিভিশনে ৩০ সেকেন্ড লোকাল ট্রেনের স্টপেজ, সময় সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর খবর, জানাল রেল

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন মাধ্যমে শিয়ালদা ডিভিশনের লোকাল ট্রেনের স্টপেজ সময় কমিয়ে ৩০ সেকেন্ড করা হয়েছে বলে একটি বিভ্রান্তিকর খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এই তথ্য সম্পূর্ণ অসত্য এবং বিভ্রান্তিমূলক। যাত্রীদের কাছে বিনীত অনুরোধ করা হচ্ছে, এমন ধরনের অপপ্রচারে বিশ্বাস করবেন না এবং বিভ্রান্ত হবেন না।লোকাল ট্রেনগুলি আগের মতোই প্রতিটি স্টেশনে তাদের নির্ধারিত সময়ের জন্য দাঁড়াবে, এবং যাত্রীদের ওঠানামার জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকবে। যাত্রীদের আরামদায়ক এবং নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে পূর্ব রেলওয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।যাত্রীদের অনুরোধ করা হচ্ছে, ধৈর্য ও সতর্কতার সঙ্গে ট্রেনে ওঠানামা করুন এবং যেকোনো ধরনের গুজবে কান দেবেন না। পূর্ব রেলওয়ের লোকাল ট্রেনের স্টপেজের সময় যেমন ছিল, তেমনই থাকবে।

অক্টোবর ১৯, ২০২৪
রাজ্য

বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে তাড়া খেলেন রাজ্যের মন্ত্রী

বাঁধ পরিদর্শনের কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়ে মহিলাদের তাড়া খেয়ে পালালেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী তথা গঙ্গাসাগরের বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।বৃহস্পতিবার সকালে নামখানা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নারায়ণগঞ্জের হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর বাঁধ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি কোটালে ধসে যাচ্ছে নদীর পাড়। যার জেরে বেহাল অবস্থা নদী বাঁধের। বাড়ি ঘর তলিয়ে যাচ্ছে নদীর জলে। কিন্তু পরিস্থিতি বেগতিক বুঝেও কোনও হেলদোল নেই প্রশাসনের।স্থানীয়দের অভিযোগ, সেচ দফতর ইতিমধ্যে ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে বাঁধ মেরামতির কাজ শুরুর কথা জানালেও কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই এদিন সকালে মন্ত্রী পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। তাঁকে এলাকায় দেখেই ক্ষেপে ওঠেন স্থানীয়রা। কংক্রিটের ঢালাই বাঁধের বদলে মাটি ও বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ তৈরী করা হয়েছে এবং বাঁধের টাকা লুঠের অভিযোগ গ্রামবাসীদের। এক দুই কোথায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মহিলারা তেরে যান মন্ত্রীর দিকে তখনই কোনমতে মন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযোগ বাঁধ নির্মাণ করার ক্ষেত্রে বিস্তর অসামঞ্জস্য আছে। মন্ত্রীকে সব জানানো হয়েছে। এবার আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের তরফ থেকে লিখিত ভাবে জানাবো।

অক্টোবর ১৭, ২০২৪
রাজ্য

দাবি আদায়ে এবার আমরণ অনশনে জুনিয়র চিকিৎসকরা, মঞ্চে থাকছে সিসি ক্যামেরা

আমরণ অনশনে বসছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রথম দফায় ৬ জন এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বাকি জুনিয়র চিকিৎসকরা হাসপাতালে রোগী দেখবেন। রাজ্য সরকার তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত অনশন চলবে। গতকালই জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়েছিল ২৪ ঘন্টারর মধ্যে তাঁদের দাবি মানতে হবে। তা নাহলেই অনশনে বসবেন। সেই মতো শনিবার অনশনের কথা ঘোষণা করেন।জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, কোনও অনশনকারী অসুস্থ হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। এদিন ধর্মতলায় মঞ্চ বাধতে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। নিজেরাই আন্দোলনের মঞ্চ তৈরি করেন। এদিকে এদিন অভিযুক্ত ১০ জন চিকিৎসক পড়ুয়াকে আরজি কর থেকে এক্সপেল করেছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের বিচারের দাবি আদায়ে প্রথম থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। এর সঙ্গে আরও একাধিক দাবি রয়েছে তাদের। মোট ১০ দফা দাবি রয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। সেই দবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে তাঁরা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

দামোদরে ইলিশ! খুশির হাওয়া দক্ষিণবঙ্গে। এবার কি নিয়মিত পাওয়া যাবে? প্রশ্ন মুখে মুখে

দক্ষিণবঙ্গে খুশির হাওয়া, পূর্ব বর্ধমান জেলায় দামোদরে জেলের জালে ধরা দিলো রুপালী সুন্দরী। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরে দামোদরে এক জেলের জালে উঠলো প্রায় ১ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় প্রায় ২০ বছর পর জামালপুরের দামোদরে ধরা পড়লো ইলিশ। দামোদরের জলে পাওয়া রূপালী সুন্দরীকে দেখতে স্থানীয় মানুশের ভিড় জমে যায়। কোন পথে জামালপুরে ইলিশ দামোদরে পৌছলো তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে মৎস্য বিশেষজ্ঞ মহলে। নোনা জলের কুলীন মাছ দামোদরের মিষ্টি জলে চলে কোন পথে এল? কেউ কেউ জানাচ্ছেন জামালপুরে থেকে ভাগ হয়ে যাওয়া মুন্ডেশ্বরী নাব্যতা বেড়ে যাওয়ায় জল প্রবাহ বেশী হওয়ায় ইলিশের গতিপথ হয়ত সুগম হয়েছে। দুর্গাপুর ব্যারেজ হয়ে প্রবাহিত দামোদর তার গতিপথ পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের কাছে জ্যোতসিরাম থেকে পরিবর্তন করে এবং তারপরে দুটি চ্যানেলে বিভক্ত হয়ে যায়। একটি দামোদর চ্যানেল (আমতা চ্যানেল নামেও পরিচিত) এবং অপরটি কঙ্কা-মুন্ডেশ্বরী চ্যানেল। মূল চ্যানেলটি শেষ পর্যন্ত হুগলি নদীর (গঙ্গা) সাথে মিলিত হয়ে শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।বিশিষ্ট মৎস্য চাষী বৃন্দাবন ঘোষ জানান, যেহেতু গঙ্গা হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে সেক্ষেত্রে বর্ধমান জেলায় দামোদরে ইলিশ পাওয়া খুব একটা আশ্চর্যের বিষয় নয়। গলসি এলাকার দামোদরের পাড়ের বাসিন্দা শিল্পী সুব্রত বৈরাগি জনতার কথাকে জানান, এই এলাকার অনেক জেলে আছেন যারা নিয়মিত ভাবে দামোদরের জলে মাছ ধরে থাকেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন দামোদরে ইলিশ পেয়েছেন তবে তার কোনটায় ৪৫০-৬০০ গ্রামের বেশী নয়। সুব্রত আরো জানান, তবে নিয়মিত ভাবে ইলিশ এখানে পাওয়া যায় না।হটাৎ হাজির হওয়া অতথি কে দেখতে শুক্রবার সকালে জামালপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মাছের আড়তে ভিড় জমে যায়। দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টিতে কয়েক দিন আগেই ডিভিসি-র জলাধার থেকে ব্যাপক জল ছাড়ার ফলে বানভাসি হয় জামালপুরের বিভিন্ন এলাকা। মাছ সবসময় স্রোতের বিপরীতে ভেসে বেড়ায়। এখন জামালপুরে ইলিশ ধরার পড়ায় মনে করা হচ্ছে দূর্গাপুরের ডিভিসি-র ব্যারেজ থেকে ছাড়া জলের তোড়ে মোহনা থেকে স্রোতে বিপরীতে ভাসতে ভাসতে কিছু ইলিশ জামালপুরের দামোদরে এসে পড়েছে। ইলিশটি ধরা পড়ে তপন বিশ্বাস নামে এক মৎস্যজীবীর জালে। সেই খবরে খুশির হাওয়া জামালপুর সহ দক্ষিণবঙ্গে, খবর চাউর হতেই অনেকেই জাল হাতে নিয়ে দামোদরের পাড়ে হাজির হয়ে পরেন। যদি তার শিকে ছেঁড়ে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশটিকে কিনতে অনেকে ইচ্ছা প্রকাশ করায় মাছের আড়তে নিলাম ডাকেন আড়তদার। ১২০০ টাকা থেকে ডাক শুরু হয়, শেষমেশ ২১০০ টাকায় কেজিতে এসে থামে ডাক। জানাযায় জামালপুরের স্থানীয় বাসিন্দা লক্ষ্মণ বিশ্বাস ওই মাছটি ২,১০০ টাকা কেজি দরে মাছটিকে কিনে নেন। গর্বিত ক্রেতা লক্ষ্মণ বিশ্বাস বলেন, এক কেজি ওজনের জীবন্ত ইলিশ পেয়ে আমি খুবই খুশি। তাই টাকার কথা মাথায় ছিলনা। তায় ২,১০০ টাকায় মাছটি কিনে ফেললাম।স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী এবং আড়তদারেরা জানান, জামালপুর এলাকায় এর আগেও মাছ পাওয়া গেছে। আনুমানিক বছর ২০ আগে দামোদরে ইলিশ পাওয়া যেত। দীর্ঘ ২০ বছর পরে দামোদরের জলে ইলিশ ওঠায় এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়। জামালপুর ব্লকের মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিক (FEO) নিত্যানন্দ মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, আমি শুনেছি উত্তর মোহনপুর এলাকার মৎস্যজীবী তপন বিশ্বাস মাছটি পেয়েছেন। জামালপুরের বাসস্ট্যান্ডের পাশে মাছের আড়তের আড়তদার প্রভাত পাত্রের আড়তে মাছটি নিলাম হয়েছে। আড়তদার প্রভাত পাত্র বলেন, ভরা বর্ষায় নোনা জল থেকে উঠে এসে মিষ্টি জলে ডিম পাড়তে আসে ইলিস। সেই ভাবেই হয়তো ইলিসটি এসেছিল, এবং কাল্লা এবং জামালপুরের মাঝে ধরা পড়ল। তবে আশার কথা শুনিয়েছেন প্রভাত সহ স্থানীয় মৎস ব্যাবসায়ীরা। তাঁরা বলেছেন, ইলিশ হল ঝাঁকের মাছ। একটি যখন ধরা পড়েছে তখন আগামী কয়েকদিনে আরও মাছ ধরা পড়বে। সেই আশায় দক্ষিণবঙ্গের মৎসপ্রেমী রা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানে চক্ষু হাসপাতালের উদ্বধোনে নজর কাড়লো দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রী

বর্ধমানে পার-বীরহাটার আরজি ভবনে বর্ধমান আই কেয়ার-এর উদ্যোগে বিনা মূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়। আর পাঁচটা সংস্থার মত শুধুমাত্র চক্ষু পরীক্ষা করেই দায় সারেননি তাঁরা। যে সমস্ত মানুষেরা আজ চক্ষু পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন তাঁদের বিনামূল্যে ঔষধ-ও প্রদান করা হয় সংস্থার পক্ষ থেকে। এছাড়াও আজ যাঁরা চক্ষূ পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন তাঁদের মধ্যে ১০ জনের বিনা মূল্যে চক্ষূ অপারেশনের দায়িত্ব নিয়েছে বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম।বুধবার ৩রা আগস্ট বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম বহু মানুষ এসে তাঁদের চক্ষু পরীক্ষা করান। বুধবার যারা চক্ষু পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন পরিবেশে ভারসাম্য রক্ষার দায়িত্ব স্মরণ করাতে প্রত্যেককে একটি করে চারাগাছ উপহার দেওয়া হয়। তাঁদের এই মহৎ উদ্যোগের উদ্বোধনেও ছিল চমক। বর্ধমান আই কেয়ার-এ আজকের অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের জন্য কোনও নামি-দামিদের পিছনে না ছুটে আমন্ত্রন জানিয়েছিলেন বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীদের।বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের বিশেষ ক্ষমতায় মুগ্ধ করেন উপস্থিত সকলকে। তাঁদের নাচ, গান ও আবৃত্তিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ। মহালয়ার পূণ্য লগ্নে এক দৃষ্টিহীন ছাত্রীর বাজলো তোমার আলোর বেণু সত্যি-ই যেন বেণূর সুরে সন্মোহিত করে দিলো উপস্থিত সকলকে।সংস্থার কর্নধার বিশিষ্ঠ চক্ষু বিশারদ ড. সৌরভ ঘোষ জানান, আজ তাঁরা তাঁদের নতুন চক্ষূ পরীক্ষা কেন্দ্র বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম উদ্বোধনী দিনে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষার আয়োজন করেছেন। এবং বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের নুতন চক্ষু পরীক্ষা কেন্দ্রের উদ্বোধন করছেন। ভবিষ্যতেও এই ধরনের নানাবিধ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

অক্টোবর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

কয়েকশো মহিলাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পুজোর উপহার প্রদান, মুখপত্র প্রকাশ ও ওয়েবসাইটের সূচনা

বেঙ্গল প্রেস ক্লাব কয়েকশো মহিলাকে পুজোর উপহার প্রদান করলো। রবিবার বিজয় তোরণের সামনে বস্ত্র উপহার কর্মসূচি পালন করে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল প্রমুখ। পুজোর মুখে এই উপহার পেয়ে খুশি মহিলারা।বিধায়ক খোকন দাস বলেন, প্রতি বছর দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব অসহায় মহিলাদের হাতে বস্ত্র উপহার হিসাবে তুলে দেয়। সারা বছর মানুষের পাশে থাকে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। বর্ষমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত বস্ত্র উপহার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের জনদরদী কর্মসূচির ভূয়সী প্রসংশা করেন। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের মুখপত্র জনমন প্রকাশিত হয়। ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইট এদিন যাত্রা শুরু করে। সাধারন মানুষের মধ্যে এই অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

বর্ণ পরিচয় স্রষ্টার জন্মদিনে বর্ধমানের শিক্ষকের বিশেষ সম্মান প্রাপ্তি

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন নানান কাহিনী আর কীর্তিতে ভরপুর। কথিত আছে, মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্যকে সম্মান জানাতে তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধি দেওয়া হয়। এও জানা যায় বিদ্যাসাগর তাঁর অসুস্থ মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য ছুটি চেয়ে না পাওয়ায় সটান চাকরি ছেড়ে দেন, এবং ভরা বর্ষার রাতে প্রবল উত্তাল দামোদর নদী সাঁতরে মাকে দেখতে যাওয়ার কাহিনী লোকগাথা হয়ে গেছে।বাংলা ও বাঙ্গালির সংগঠন বাংলা পক্ষ আজ বৃহস্পতিবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৪ তম জন্মদিনে সমগ্র পশ্চিম বাংলার ২৩ টি জেলা থেকে ২৩ জন শিক্ষাবিদকে বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মান প্রদান করেন। পূর্ব বর্ধমান জেলায় দামোদর নদের মাত্র কয়েক কিমি দূরে বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্তকে ১৪৩১ সনের বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মানে ভূষিত করা হয়।বাংলা পক্ষের পূর্ব বর্ধমান জেলার সম্পাদক অসিত সাহা জনতার কথাকে জানান, এই পুরস্কার তুলে দিতে পেরে তাঁরা গর্বিত। তিনি প্রসঙ্গক্রমে জানান যে, বর্ধমানের প্যারিচাঁদ মিত্র লেন এলাকার একটি বাড়িতে বসে ঈশ্বরচন্দ্র বর্ণপরিচয় লেখেন। শুধু তাই না, এই বই যাতে প্রকাশকরা বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেন। ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে এই ঘটনা উল্লেখ করে বলেন যে, বড় হয়ে চাকরির জন্য অনর্থক সময় নষ্ট না করে তোমরা ব্যবসার কথা ভাবতে পার, এই পথ বিদ্যাসাগরই দেখিয়ে গেছেন। বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মান পুরস্কারে ভূষিত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত তাঁর ভাষণে বাংলা পক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। বিদ্যাসাগরের পূর্বপুরুষদের চরিত্র উল্লেখ করে বলেন যে, ঠাকুরদাদা ঠাকুমা বাবা মা এঁদের দৃঢ় মনোভাবসম্পন্ন গুণাবলী বিদ্যাসাগরকে বিদ্যাসাগর হতে সাহায্য করেছে।আজ বাংলা পক্ষ তরফ থেকে এই ওই বিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষকশিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীকেও সংবর্ধিত করে। কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা স্বাগতা আঢ্য জানান, এই সম্মান আমাদের সকলের খুব ভাল লেগেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডল বিদ্যাসাগরের সঙ্গে রামকৃষ্ণের সাক্ষাতের ঘটনাটি স্মরণ করেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী যথা, মধুমিতা অরিজিৎ ইন্দু পূর্বারা নাচ আবৃত্তি গানে বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানায়।এবছর যে শিক্ষাব্রতীদের সম্মানিত করতে পেরে আমরা গর্বিত,তাঁরা হলেনঃ১) আলিপুরদুয়ার- অজিত কুমার দে ২)কোচবিহার- নারায়ণ চন্দ্র সাহা৩) জলপাইগুড়ি- জুয়েল দত্ত৪) শিলিগুড়ি- কাকলী মজুমদার চাকী৫) উত্তর দিনাজপুর- কিংশুক মাইতি৬) দক্ষিণ দিনাজপুর- তপন অধিকারী৭) মালদা- মহ: সাকিলুর রহমান৮) মুর্শিদাবাদ- খাজিম আহমেদ৯) নদীয়া- সুবীর কুমার পাল১০) বীরভূম- জয়ন্ত মুখার্জী১১) পশ্চিম বর্ধমান- জইনুল হক১২) পূর্ব বর্ধমান- ড: সুভাষ চন্দ্র দত্ত১৩) হুগলী- শুভময় সরকার১৪) হাওড়া- বিশ্বনাথ বসু১৫) উত্তর ২৪ পরগণা (শিল্পাঞ্চল)- অশোক কুমার ভৌমিক১৬) উত্তর ২৪ পরগণা (শহরাঞ্চল)- শুভদীপ চৌধুরী১৭) উত্তর ২৪ পরগণা (গ্রামীণ)- মিজানুর রহমান১৮) দক্ষিণ ২৪ পরগণা- অমিত ভট্টাচার্য১৯) কলকাতা- তৃপ্তিশ্রী ধর২০) পূর্ব মেদিনীপুর- মৃণালসুন্দর পাত্র২১) পশ্চিম মেদিনীপুর- শক্তিপদ বেরা২২) বাঁকুড়া- ঈশ্বর পান২৩) পুরুলিয়া- ড: জয়ন্ত হাজরা

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

কুইন্টাল কুইন্টাল জল! আবার মাস্টার প্ল্যন! শেষমেশ বিজেপি মন্ডল সভাপতির সঙ্গে ছবি, রচনার বন্যা-পরিদর্শন

বলাগড় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রী সাংসদ বললেন, কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বাড়ি ঘর কিছু নেই। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। তৃণমূল সাংসদদের এমন মন্তব্য়ে চারিদিকে বিতর্কের ঝড় শুরু করেছে। কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। কুইন্টাল কুইন্টাল জল! এমন মন্তব্য় জনপ্রতিনিধিরে মুখ থেকে বেরিয়ে আসায় সমালোচনা সর্বত্র। এদিন বাজার থেকে ওল কেনেন সাংসদ। ওল কিনে রচনা জিজ্ঞেস করেন, গলা ধরবে না তো।এদিন দুপুরে হঠাতই হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা ব্যানার্জি তাঁর সঙ্গীসাথী দের নিয়ে চলে যান বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি মন্ডল সভাপতি সুমিত অধিকারী বিরিয়ানির দোকানে। তখনও বিরিয়ানি রান্না সম্পূর্ণ হয়নি। তাই লাঞ্চ হল না। বিজেপি সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে ছবিও তুললেন তৃণমূল সাংসদ রচনা। আর এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে। এদিন হুগলির শ্রীপুর বলাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদরা কলোনী, মিলনগর গ্রামে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব দেখে তিনি বলেন, মাত্র তিনমাস এসেছি সাংসদ হয়ে। চেষ্টা করছি। বলাগড় থেকে চন্দননগর পর্যন্ত নদী বরাবর পাড় ভাঙছে দ্রুত। এই বিশাল জায়গা সামাল দিতে মাস্টার প্ল্যান দরকার এবং একা রাজ্যের দ্বারা সম্ভব নয়। কেন্দ্রের সাহায্য দরকার। আমি দিল্লি গিয়ে এবিষয়ে দরবার করবো সংশ্লিষ্ট জায়গায়। তাঁর অভিযোগ,আগের বিজেপি সাংসদ এলাকার জন্য কিছুই করেনি। এলাকাবাসীদের ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনমাস আগে যেখানে দাঁড়িয়ে প্রচার করে গিয়েছি সেই জায়গা তলিয়ে গিয়েছে। কয়েকটি বাড়ি, রাস্তাও গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। খুবই খারাপ অবস্থা। এলাকার মানুষকে ত্রান দিয়েছি। গঙ্গা ভাঙন রোধ একটা বড় ব্যাপার। আমি লোকসভায় বলেছি। আবারও বলব। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া হবে না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আদলে বলাগড় মাস্টার প্ল্যান করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 41
  • ...
  • 186
  • 187
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

তামিলনাড়ুতে বড় চমক! অভিনেতা বিজয়ের দলে ভর করে বদলে গেল রাজনীতি

তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই যে ট্রেন্ড দেখা গিয়েছিল, দিনের শেষে সেই ছবিই প্রায় একই রইল। গোটা দেশকে চমকে দিয়ে এগিয়ে রয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থলপতি বিজয় নামে পরিচিত। তাঁর দল ক্ষমতার দিকে এগোচ্ছে।এই ফলাফলের ফলে দীর্ঘদিনের ডিএমকে এবং এআইডিএমকে-র রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এরই মধ্যে খবর, নিজের কেন্দ্র কোলাথুরে হেরে গিয়েছেন ডিএমকে নেতা এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজয়ের দলের প্রার্থী।ভোটগণনার শুরুতেই স্ট্যালিন নিজের পরিচয় থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ সরিয়ে দিয়েছিলেন। বিকেলের খবর অনুযায়ী, বিজয়ের দল বেশ কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে শাসক দল অনেক কম আসনে এগিয়ে আছে।তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সেই লক্ষ্যের দিকেই এগোচ্ছে বিজয়ের দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শরিক দলগুলির সমর্থন পেলে সহজেই সরকার গঠন করতে পারেন তিনি।অন্য দলগুলির মধ্যেও কিছু আসনে লড়াই চলছে। তবে সামগ্রিক ছবিতে স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন শক্তির উত্থান হয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিচিত রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে চলেছে।এখন দেখার, শেষ ফলাফল কী দাঁড়ায় এবং নতুন সরকার গঠনের জন্য কী ধরনের জোট তৈরি হয়।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

“জোর করে হারানো হয়েছে”—কার বিরুদ্ধে তোপ মমতার?

গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে বড় অভিযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে তিনি শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন। সেই সময় থেকেই সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়।গণনার শুরুতে এগিয়ে থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। রাউন্ড যত এগোয়, ততই ব্যবধান কমতে থাকে এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে যান।এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিকেলে গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ে। পরে রাতের দিকে তিনি গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসেন।সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, ভোট লুঠ হয়েছে। তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন। তাঁর কথায়, জোর করে তাঁকে হারানো হয়েছে। তবে তিনি আবার ফিরে আসবেন বলেও জানান।এদিকে রাত পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিক রাউন্ড গণনার পর শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন। গণনা তখনও চলছিল।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেরিয়ে আসার সময় তাঁকে ঘিরে স্লোগান শোনা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এরপর তিনি কালীঘাটের উদ্দেশে রওনা দেন।গণনা এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুরের লড়াই আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

বাংলার ফল নিয়ে বড় মন্তব্য! কেন কর্মীদের ধন্যবাদ দিলেন মোদি?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুজনেই এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন দলের কর্মীদের পরিশ্রম, ত্যাগ এবং মানুষের সমর্থনকে।প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এই ফলাফল মানুষের শক্তির জয় এবং সুশাসনের প্রতি মানুষের বিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি বাংলার ভোটারদের ধন্যবাদ জানান। তাঁর আশ্বাস, নতুন সরকার মানুষের আশা পূরণে কাজ করবে এবং সবার জন্য উন্নয়ন ও সম্মান নিশ্চিত করবে।অন্যদিকে অমিত শাহ বলেন, এই জয় সহজে আসেনি। বহু কর্মী সংগ্রাম করেছেন, কষ্ট সহ্য করেছেন, তবেই এই ফল এসেছে। অনেক পরিবার নানা সমস্যার মধ্যেও দলের পাশে থেকেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এই জায়গায় পৌঁছানো গেছে। এই যাত্রায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। বাংলার মানুষের এই রায় তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধার নিদর্শন বলে তিনি মনে করেন।এই জয়ের জন্য দলের সর্বভারতীয় সভাপতি, রাজ্য নেতৃত্ব এবং কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। মোদি ও শাহ দুজনেই জানিয়েছেন, এই জয় শুধু রাজনীতির নয়, বরং বাংলার উন্নয়ন ও নতুন পথচলার সূচনা।

মে ০৪, ২০২৬
দেশ

“ভয় আর তোষণের বিরুদ্ধে রায়!” বাংলার ফল নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য শাহর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভালো ফলের ইঙ্গিত মিলতেই প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এই ফলকে ঐতিহাসিক জয় বলে দাবি করেছেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ ভয় এবং তোষণের রাজনীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে।সোমবার তিনি একাধিক বার্তায় বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই ফল মানুষের স্পষ্ট বার্তা, যারা ভয় দেখায় এবং বিশেষ সুবিধার রাজনীতি করে, তাদের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।তিনি আরও বলেন, এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের উপর মানুষের আস্থার প্রতিফলন। তৃণমূলের ভয়ভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।অমিত শাহ বলেন, গঙ্গার উৎস থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত এখন বিজেপির শক্তি ছড়িয়ে পড়েছে। এই জয় দলের অসংখ্য কর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম এবং আত্মবলিদানের ফল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, বহু পরিবার নানা অত্যাচার সহ্য করেও দলের পতাকা ছাড়েনি। এই জয় সেই সব মানুষের ধৈর্য এবং বিশ্বাসেরও জয়। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পথে যারা প্রাণ হারিয়েছেন বা কষ্ট সহ্য করেছেন, তাঁদের প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা জানান।শাহর দাবি, বাংলার মানুষ এই ফলের মাধ্যমে সেই সব কর্মীদের প্রতি সম্মান জানিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের কটাক্ষ করে বলেন, অনুপ্রবেশ এবং তোষণের রাজনীতি যারা করেছে, তাদের মানুষ শিক্ষা দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ যে ভরসা দেখিয়েছে, তা পূরণ করার চেষ্টা করবে বিজেপি। দিনরাত কাজ করে বাংলার উন্নয়ন ঘটানো এবং সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।এদিকে ভোটের ট্রেন্ড অনুযায়ী বিজেপি বেশ কিছু আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং কিছু আসনে জয়ও পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলও কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে এবং কিছু জায়গায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।তবে ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলের অনেক মন্ত্রীই পিছিয়ে রয়েছেন। এতে শাসক দলের জন্য চাপ তৈরি হয়েছে। সিঙ্গুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেও বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলার রাজনৈতিক ছবি দ্রুত বদলাচ্ছে। এখনও গণনা চলছে, তাই শেষ ফলাফল কী হবে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে।

মে ০৪, ২০২৬
রাজ্য

মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াই থেকে ভোটে জয়! পানিহাটিতে চমক রত্নার

পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় বাইশ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন রত্না দেবনাথ। জয়ের পরেই তিনি মেয়ের ন্যায়বিচারের লড়াই আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই জয়কে ঘিরে এলাকায় উচ্ছ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।জয়ের পর রত্না দেবনাথ বলেন, এই জয় পানিহাটির মানুষের জয়। তাঁর কথায়, এই ফল তাঁর মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারের লড়াইকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন বিচার অবশ্যই মিলবে।ফল ঘোষণার পরই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমায় দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা। আবির খেলায় মেতে ওঠেন সবাই। আনন্দ উদযাপনের ছবি ধরা পড়ে চারদিকে।নির্বাচনের সময় নানা কটূক্তি ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবু সাধারণ মানুষের সমর্থনই তাঁকে শক্তি দিয়েছে বলে জানান তিনি। এলাকার অনেকেই মনে করেন, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে বদলে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্যই মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে।অন্যদিকে বিরোধী পক্ষের অভিযোগ, প্রচারের সময় নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রার্থীকে। মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত মানুষই সব অপপ্রচারের জবাব দিয়েছে বলে তাঁদের মত।এই জয়ের মুহূর্তে রত্না দেবনাথ তাঁর সাফল্য পানিহাটির মানুষকে উৎসর্গ করেছেন।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal