• ৩ কার্তিক ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

খেলার দুনিয়া

খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকে

অলিম্পিকের মঞ্চে দাপিয়ে বেড়াবেন। ছোট থেকেই মনের মধ্যে স্বপ্নের জাল বুনতেন। কিন্তু প্রাথমিক ভিত ততটা মজবুত ছিল না। তাই বড় জিমন্যাস্ট হওয়ার স্বপ্ন রাজ্য পর্যায়েই থেমে যায় দীপক খাবরার। দুধের স্বাদ ঘোলে মিটতে চলেছে এই প্রাক্তন জিমন্যাস্টের। টোকিও অলিম্পিকে আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্সে বিচারক হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। প্রথম ভারতীয় হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। গতবছর মার্চ মাসে টোকিও অলিম্পিকে বিচারক হয়ে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন দীপক কুমার। কিন্তু অলিম্পিক স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আশঙ্কায় ভুগছিলেন। আবার ডাক আসবে তো? এবছর এপ্রিলে আবার চিঠি ইমেল পান অলিম্পিক সংস্থার কাছ থেকে। স্বপ্নপূরণ হওয়ায় খুশি দীপক খাবরা। তিনি বলেন, গতবছর মার্চে অলিম্পিকে বিচারক হিসেবে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। কিন্তু অলিম্পিক স্থগিত হয়ে যাওয়ায় খুব টেনশনে পড়ে গিয়েছিলাম। আশঙ্কা হচ্ছিল, আবার ডাক পাব কিনা। এবছর এপ্রিলে আবার আমন্ত্রণ পাই। অবশেষে অলিম্পিক যাওয়ার স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হচ্ছে। খেলোয়াড় হিসেবে যাওয়ার সুযোগ পাইনি। বিচারক হিসেবে তো যেতে পারছি। আমি সত্যিই খুব খুশি। ২০০০ সালে ১২ বছর বয়সে জিমন্যাস্টিক শুরু করেছিলেন দীপক। তিনি থাকতেন গুজরাটের সুরাটে। সুরাটে সেই সময় জিমন্যাস্টিকের পরিকাঠামো একেবারেই ভাল ছিল না। তা সত্ত্বেও নিজেকে তৈরি করছিলেন। ২০০৫ থেকে ২০০৯, টানা গুজরাটের রাজ্য চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। ২০০৭ গুয়াহাটিতে জাতীয় গেমসেও অংশ নেন। তবে সাফল্য পাননি। তারপরই খেলা ছেড়ে বিচারক হওয়ার রাস্তা বেছে নেন। এই ব্যাপারে তাঁকে অনুপ্রানিত করেন তাঁর কোচ কৌশিক বেদিওয়ালা। তিনিও জিমন্যাস্টিক্সের বিচারক। ২০১০ কমনওয়েলথ গেমসই ছিল বিচারক হিসেবে দীপকের প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কনিষ্ঠ বিচারক। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ২০১৪ এশিয়ান গেমস ও যুব অলিম্পিকে বিচারকের দায়িত্ব পান। ২০১৮তেও এই দুটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত ২০টি বড় প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন দীপক খাবরা। অলিম্পিকে পৌঁছতে ১২ বছর সময় লাগল।

জুলাই ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Y‌ashpal Sharma : মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপের নায়ক, শোকস্তব্ধ গোটা দেশ

ভারতীয় ক্রিকেটে ইন্দ্রপতন। মারা গেলেন ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য যশপাল শর্মা। বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। মঙ্গলবার সকালে নিজের বাসভবনেই মারা যান দেশের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। মৃত্যুকালে যশপাল রেখে গেলেন স্ত্রী রেণু শর্মা, দুই মেয়ে পুজা ওপ প্রীতি এবং ছেলে চিরাগকে। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়ামহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কের১৯৮৩ বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন যশপাল শর্মা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিস খেলেছিলেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ওটাই ছিল সর্বোচ্চ স্কোর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেও ৮৯ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন যশপাল। দেশের হয়ে ৩৭ টি টেস্ট খেলেছিলেন। রান করেন ১৬০৬। সেঞ্চুরি ২টি। ৪২টি একদিনের ম্যাচে রান করেছেন ৮৮৩। যশপাল শর্মার রানিং বিটুইন দ্য উইকেট ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৯৮৩ বিশ্বকাপে এই ব্যাপারে দারুণ নজর কেড়েছিলেন। খারাপ ফর্মের জন্য ১৯৮৩৮৪ মরশুমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। পরে আর সেই জায়গা ফিরে পাননি।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিখেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর একসময় ম্যাচ রেফারির দায়িত্বও পালন করেছিলেন যশপাল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন যশপাল। তাঁর সময় কালেই কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। প্রকাশ্যে সৌরভের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন যশপাল। সৌরভের হয়ে বিবৃতিও দিয়েছিলেন। পাশাপাশি কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের নানা কর্মকান্ডের সমালোচনায় মুখর হন। তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, গ্রেগ চ্যাপেল যাদের পছন্দ করেন না, তাদের দলে না রাখার জন্য নির্বাচকদের চাপ দিতেন। শারদ পাওয়ার বোর্ড সভাপতি হওয়ার পর নির্বাচকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় যশপাল শর্মাকে। পরে আবার নির্বাচকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। একসময় আম্পায়ারের ভুমিকাতেও দেখা গেছে যশপালকে।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘেযশপাল শর্মার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে। দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে ক্রীড়ামন্ত্রী, বিভিন্ন ক্রীড়াবিদ শোকজ্ঞাপন করেছেন। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ টুইটারে লিখেছেন, যশপাল শর্মার মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। দেশকে ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিল। ওর পরিবারকে আমার সমবেদনা জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী তথা প্রাক্তন ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুর টুইটারে শোকপ্রকাশ করে লিখেছেন, ভারতীয় ক্রিকেটে যশপাল শর্মার অবদান কখনও ভোলা যাবে না। শচীন টুইট করেছেন, যশপাল শর্মার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ে শর্মাজীর অবদান কখনও ভোলার নয়।

জুলাই ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল!‌ প্রশ্নের মুখে আইএফএ

আইএফএ-র বিরুদ্ধে বরাবরের অভিযোগ, তারা নাকি সবসময় বড় ক্লাবগুলোর স্বার্থর কথা বিবেচনা করে। প্রদ্যুৎ দত্ত থেকে শুরু করে তাঁর উত্তরসূরী সুব্রত দত্ত, এমনকি উৎপল গাঙ্গুলির সময়েও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। জয়দীপ মুখার্জিও যে পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করে চলছেন, প্রমান হয়ে গেল।১ জুলাই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলির সঙ্গে আইএফএ-র বৈঠকে ঠিক হয়েছিল, এই বছর প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো ৩ জন বিদেশি সই করাতে পারবে। কিন্তু খেলবেন ২ জন। সোমবার গ্রুপ বিন্যাস নিয়ে বৈঠকের দিন হঠাৎ নিয়ম বদলে গেল। ঠিক হয়েছে ক্লাবগুলো ৬ জন বিদেশি সই করাতে পারবে। মাঠে অবশ্য ২ জন বিদেশিই নামতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীহঠাৎ করে এই নিয়ম বদলে যাওয়ার কারন কী? আসলে এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএফএ। এবারের কলকাতা লিগকে আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে এটিকে মোহনবাগান। লিগে সব বিদেশি খেলিয়ে দেখে নিতে চান এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। তাই তাঁরা আইএফএ-র কাছে অনুরোধ করেছিল ৬ জন বিদেশিকে লিগে সই করানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য। আইএফএ সেই অনুরোধ মেনে নিয়েছে।প্রশ্ন উঠছে অপেক্ষাকৃত ছোটদল গুলিকে নিয়ে। তারা তো আর এটিকে মোহনবাগানের মতো ৬ জন বিদেশি ফুটবলার সই করাতে পারবে না। সেই সামর্থ নেই। এমনিতেই করোনা আবহে দল গড়াই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ছোটদলগুলির কাছে। স্পনসর থাকে না। ছোটদলের কর্তারা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে দল গঠন করেন। বিদেশি ফুটবলার সই করানোর অর্থ আসবে কোথা থেকে?আরও পড়ুনঃ সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ফাইনাল, অভিনয়ে বলিউড তারকা বড় দলগুলোকে এই ভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এতে লিগের ভারসাম্য নষ্ট হবে। কয়েকটা প্রিমিয়ার লিগের কর্তা বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাদের আপত্তি ধোপে টেকেনি। এই প্রসঙ্গে আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এটিকে মোহনবাগান, মহমেডান যদি আইএসএল, আই লিগের জন্য বিদেশি দেখে নিতে চায়, ক্ষতি কী। এতে তো কোনও সমস্যা নেই। এটিকে মোহনবাগান তো আর ৩ জন বিদেশি মাঠে নামতে পারছে না।

জুলাই ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

England Football: রাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য, সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন

ইওরো ফাইনালে ইতালির বিরুদ্ধে টাইব্রেকারের গোল করতে ব্যর্থ ইংল্যান্ডের তিন কৃষ্ণাঙ্গ ফুটবলার র্যাশফোর্ড,স্যাঞ্চো ও সাকা। হারের পর তাঁদের বিরুদ্ধা সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করেছে ইংল্যান্ডে উগ্র সমর্থক। তা নিয়ে চারিদিকে সমালোনার ঝড় উঠেছে। ব্যাপারটা ভালভাবে নেয়নি ইংল্যান্ড ফুটবল সংস্থাও। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেনও সমাচনায় মুখর। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘেইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, র্যাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে যেভাবে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করা হয়েছে, তা লজ্জাজনক ও নিন্দানীয়। এই ধরণের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। সরকারের উচিত দোষীদের দ্রুত বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন টুইটারে লিখেছেন, যারা এই ধরণের ঘৃণ্য কাজ করেছে, তাদের নিজেদেরই লজ্জা হওয়া উচিত। ওরা জাতির কলঙ্ক। প্রাক্তন ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেনও ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, ২০২১ সালে এসে এই ধরণের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এই ফুটবলাররা দেশের সম্পদ। ওরা দেশকে কত সম্মান এনে দিয়েছে। এই ঘটনার পরে ২০৩০ সালে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আমরা যোগ্য কিনা ভাবতে হবে। যারা এই ধরণের মন্তব্য করেছে, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিএদিকে, ফাইনালে ইতালির কাছে টাইব্রেকারে হারের পর ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টাইব্রেকারে গোল করতে ব্যর্থ রাশফোর্ড, স্যাঞ্চো ও সাকা। কেন অনভিজ্ঞ সাকাকে টাইব্রেকারের গুরুত্বপূ্ণ শট নিতে দেওয়া হয়েছিল? জ্যাক গ্রিলিস শট নিতে চাইলেও কেন তঁার ইচ্ছেকে দমিয়ে রাখা হয়েছিল? পাঁচ শুটারের তালিকায় কেন রাহিম স্টার্লিংয়ের নাম ছিল না? সাউথগেট অবশ্য তরুণ সাকার পাশে দাঁড়িয়েছেন। বলেছেন, সাকা হয়তো নিজের মধ্যে ছিল না। তবে আমাদের ওর পাশে দাঁড়াতে হবে। ওকে সাহায্য করতে হবে। আশা করছি বাইরের কেউ সাকাকে ঘৃণা করবে না। রাশফোর্ড ও স্যাঞ্চোকে দীর্ঘক্ষণ রিজার্ভ বেঞ্চে বসিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রাশফোর্ড, স্যাঞ্চো, সাকাকে টাইব্রেকারের জন্য মনোনীত করার জন্য সাউথগেট নিজেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তিনি বলেন, এটা পুরোপুরি আমার সিদ্ধান্ত। প্র্যাকটিসে টাইব্রেকার শট মারার ভিত্তিতেই ফুটবলারদের বেছে নিয়েছিলাম। কেউই নিজে থেকে মারতে যায়নি। সব দায়িত্ব আমার। সাউথগেটের এই সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন অধিনায়ক অ্যালান শিয়েরার। এদিকে, জ্যাক গ্রিলিশ দাবি করেছেন, তিনি টাইব্রেকার শট নিতে চাইলেও মারতে দেওয়া হয়নি।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : কলকাতা লিগে না খেললে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে ইস্টবেঙ্গলকে

সোমবারই হয়ে গেল কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশনে গ্রুপ বিন্যাস। ইস্টবেঙ্গলকে গ্রুপে রাখা হলেও লালহলুদ খেলবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। আর যদি শেষ পর্যন্ত লিগে লিগে ইস্টবেঙ্গল দল না নামায়, তাহলে অবনমনের আওয়ায় পড়তে হবে। এমনই জানিয়েছেন আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি১ জুলাই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলির কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন আইএফএর কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আগস্টের মাঝামাঝি শুরু হবে কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশন। প্রিমিয়ার ডিভিশনের দলগুলিকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে এবছর লিগ হবে। প্রিমিয়ার লিগের দলগুলির ওই বৈঠকে ইস্টবেঙ্গলের কোনও প্রতিনিধি হাজির ছিলেন না। গ্রুপ বিন্যাসের জন্য সোমবার আবার বৈঠক ডেকেছিল আইএফএ। চুক্তিপত্র সই করা নিয়ে বিতর্ক না মেটায় এদিনের বৈঠকেও ইস্টবেঙ্গলের কোনও প্রতিনিধি আসেননি। যদিও ইস্টবেঙ্গলকে রেখেই গ্রুপ বিন্যাস করা হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এ গ্রুপে রয়েছে মহমেডান স্পোর্টিং, ইউনাইটেড স্পোর্টস, ভবানীপুর ক্লাব, সাদার্ন সমিতি, বিএসএস স্পোর্টিং, রেলওয়ে এফসি। অন্যদিকে বি গ্রুপে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান, এরিয়ান, জর্জ টেলিগ্রাফ, পিয়ারলেস, খিদিরপুর ও কাস্টমস।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চূড়ান্ত পত্রে সই না হওয়ায় এখনও দল গঠনের কাজে হাত দেয়নি লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। ফলে কলকাতা লিগে দল নামানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত দল না নামায়, অবনমনের মুখে পড়তে হবে লালহলুদকে। শাস্তির মুখেও পড়তে হতে পারে। আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এদিন ব্যক্তিগত কারণে এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দার বৈঠকে হাজির থাকতে পারেননি। আমরা চাই বাংলার ফুটবলের স্বার্থে ইস্টবেঙ্গল লিগে খেলুক। যদি শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল না খেলে তাহলে ওরা একেবারে নীচে চলে যাবে। যদি সব ডিভিশনের খেলা হয়ে তাহলে অবনমন থাকবে। সেক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী ইস্টবেঙ্গলকে অবনমনের আওতায় পড়তে হবে। আইএফএ ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে। লালহলুদ শিবিরকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও এটিকে মোহনবাগান পূর্ণশক্তির দল নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা হালকাভাবে নেবে না কলকাতা লিগকে। আইএসএলের প্রস্তুতিও সেরে নিতে চায় লিগে।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro 2020 Champion Italy: ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি

১৯৬৬ সালের পর বড় আসরে সাফল্য নেই ইংল্যান্ডের। এই ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামেই সেবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ববি মুরের ইংল্যান্ড। তারপর আর কোনও প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি। এবারের ইউরোর সেমিফাইনালে ডেনমার্ককে হারিয়ে শাপমুক্তি। ইতালিকে হারিয়ে স্বপ্ন ছোঁয়ার অপেক্ষায় ছিল ইংল্যান্ড। স্বপ্নপূরণ হল না সাউথগেটের দলের। শুরুতে এগিয়ে গিয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না ইংল্যান্ড। টাইব্রেকারে ৩২ ব্যবধানে হেরে স্বপ্নের সলিল সমাধি। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে খেলার ফল ছিলে ১১। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হল ইতালি। ২০১৮ বিশ্বকাপ খেলতে না পারার আক্ষেপ মিটল।Complimenti Itlia 👏👏🇮🇹🏆 @azzurri https://t.co/gmRug6PjYt Nuno Gomes (@21nunogomes) July 12, 2021ঘরের মাঠে খেলা। ওয়েম্বলির জনসমর্থন নিয়ে ম্যাচের শুরু থেকেই ইতালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। চিয়েলিনিরা নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার আগেই এগিয়ে যায় গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ম্যাচের ২ মিনিটে কর্ণার পায় ইতালি। বল ক্লিয়ার হতেই প্রতিআক্রমণে উঠে আসে ইংল্যান্ড। ডানদিক থেকে ট্রিপিয়ের সেন্টার করেন লুক শর উদ্দেশ্যে। জোরালো হাফভলিতে জালে পাঠান লুক শ। শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর ইতালির ওপর বাড়তি উদ্যম নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন হ্যারি কেন, রাহিম স্টার্লিং, ম্যাসন মাউন্টরা। ইতালির রক্ষণকে চাপে রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। প্রচন্ড গতিতে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল ইংল্যান্ড। এইরকম পরিস্থিতিতে বিপক্ষকে আটকাতে গেলে খেলার গতি কমিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। সেটাই করেছিলেন মানচিনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল ভেরাত্তি। তাঁর শট আটকে দেন ইংল্যান্ড গোলকিপার পিকফোর্ড। স্টোনসের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড ডিফেন্স প্রথমার্ধে সুবিধা করতে দেয়নি ইম্মোবিলেদের।🇮🇹 For Leonardo Spinazzola 👊#EURO2020 | #ITA pic.twitter.com/Ir1Hp4tnu6 UEFA EURO 2020 (@EURO2020) July 12, 2021সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে ইতালি। ৫৫ মিনিটে দুদুটি পরিবর্তন করেন মানচিনি। বারেল্লাকে তুলে নামান ক্রিস্টান্টেকে। আর ইম্মোবিলের জায়গায় বেরার্ডি। এই দুটি পরিবর্তনই বদলে দেয় ইতালিকে। অনেকবেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আজুরিরা। ৬২ মিনিটে চিয়েসার পুশ আটকে দলকে বাঁচান পিকফোর্ড। অবশেষে ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায় ইতালি। ইনসাইনের কর্ণার ভেরাত্তি হেড করলে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পিকফোর্ড থাবা দিয়ে বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন। লুজ বল পেয়ে জালে পাঠান বোনুচ্চি। ৭৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইতালি। বেরার্ডির ভলি দারুণভাবে বাঁচান পিকফোর্ড। দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় গতি ছিল। ইতালি প্রথমার্ধের তুলনায় নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছিল। ফলে ম্যাচ অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল। তবে কোনও দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।অতিরিক্ত সময়েও সেই প্রাণবন্ত ফুটবল। দুই দলই আক্রমণ শানিয়েছে। তবে ইংল্যান্ডের চাপ একটু বেশি ছিল। গ্রিলিশ, স্টার্লিংরা বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও চিয়েলিনি, বোনুচ্চিরা সুযোগ দেননি। ১০৭ মিনিটে বার্নার্ডেসচির বাঁপায়ের দুরন্ত ফ্রিকিক বাঁচান পিকফোর্ড। শেষদিকে কোনও দলই আর ঝুঁকি নিতে চায়নি। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে বাজিমাত ইতালির। আজুরিদের হয়ে গোল করেন বেরার্ডি, বোনুচ্চি, বার্নার্ডেস্কি। বেলোত্তি, জর্জিনহোর শট সেভ করেন ইংল্যান্ডের গোলকিপার পিকফোর্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে গোল করেন হ্যারি কেন, ম্যাগুয়ের। র্যাশফোর্ড ও স্যাঞ্চো পোস্টে মারেন। সাকার শট সেভ করেন ডোনারুমা।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon : বেরেত্তিনিকে হারিয়ে ফেডেরার, নাদালকে ধরে ফেললেন জকোভিচ

মাত্তেও বেরেত্তিনিকে হারিয়ে ষষ্ঠবার উইম্বলডন খেতাব জিতলেন নোভাক জোকোভিচ। এই নিয়ে টানা তিন বার। একই সঙ্গে তিনি স্পর্শ করলেন টেনিস ইতিহাসের অন্যতম দুই সেরা খেলোয়াড় রজার ফেডেরার, রাফায়েল নাদালের ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের রেকর্ড। মাত্তেও বেরেত্তিনির বিরুদ্ধে জয় অবশ্য সহজে আসেনি জকোভিচের। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টার লড়াইয়ে ৬৭ (৪৭), ৬৪, ৬৪, ৬৩ জেতেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।Kiss from a rose 🌹Novaks done this 20 times. But the feeling will remain as sweet as ever. #Wimbledon pic.twitter.com/uHEmY7MOtp Roland-Garros (@rolandgarros) July 11, 2021বিশ্ব টেনিস সার্কিটে শেষ পাঁচ বছরে আধিপত্য দেখিয়ে আসছেন নোভাক জকোভিচ। যদি এদিন বেরেত্তিনির বিরুদ্ধে নাও জিততেন, তবুও ফেডেরার, নাদালের রেকর্ড স্পর্শ করতে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হত না। কারণ দুই টেনিস তারকাই খেলোয়াড়ী জীবনের শেষপ্রান্তে এসে পৌঁছেছেন। আর নোভাক জকোভিচ এই মুহূর্তে ফর্মের চূড়ান্ত শিখরে। এদিন উইম্বলডন ফাইনালের প্রথম সেটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। একটা সময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন জকোভিচ। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ায় বেরেত্তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রথম সেট গড়ায় টাইব্রেকারে। শেষ পর্যন্ত ৭৬ (৭৪) ব্যবধানে সেট জিতে নেন বেরেত্তিনি। প্রথম সেট হারলেও দুরন্ত লড়াই করেন জকোভিচ। The moment @DjokerNole became #Wimbledon champion for the sixth time pic.twitter.com/5xN8ogWYYT Wimbledon (@Wimbledon) July 11, 2021দ্বিতীয় সেটে দারুণ প্রত্যাবর্তন নোভাক জকোভিচ। ৬৪ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেটও একই ব্যবধানে জিতে নেন। প্রথম সেট জেতার পর মাত্তেও বেরেত্তিনি ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যেতে থাকেন। অভিজ্ঞতা দিয়ে ম্যাচ বার করে নেন জকোভিচ। চতুর্থ সেটে বেরেত্তিনির দুটি সার্ভিস ব্রেক করেন জকোভিচ। ৬৩ ব্যবধানে জিতে খেতাব জিতে নেন।Congrats Novak on your 20th major. Im proud to have the opportunity to play in a special era of tennis champions. Wonderful performance, well done! Roger Federer (@rogerfederer) July 11, 2021২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে যে যাত্রা শুরু করেছিলেন জকোভিচ, ২০২১ সালে এসে বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। ৯ বার অস্ট্রেলীয় ওপেন, ২ বার ফরাসি ওপেন এবং ৩ বার ইউএস ওপেন জিতেছেন নোভাক জকোভিচ। নিউ ইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জিতলে ৫০ বছরের বেশি সময় পর কোনও পুরুষ সিঙ্গলস খেলোয়াড় ক্যালেন্ডার গ্র্যান্ড স্লাম জিতবেন। রড লেভার ১৯৬৯ সালে এই অনন্য নজির গড়েছিলেন।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Samir Bandyopadhyay : আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণের

নাসরীন সুলতানাবয়স মাত্র ১৭। বয়েজ কেরিয়ারের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যামে নেমেই জিতে নিয়েছে সিঙ্গলস খেতাব। জুনিয়র উইম্বলডনের ফাইনালে জিতে ইতিহাস গড়ে ফেলল প্রবাসী বাঙালী সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ১ ঘণ্টা ২২ মিনিটে স্ট্রেট সেটে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্টর লিলোভকে উড়িয়ে দিয়েছে। খেলার ফল ৭-৫, ৬-৩।এ বছর ফরাসি ওপেনে জুনিয়র সিঙ্গলসে নেমেছিল সমীর। প্রথম রাউন্ডে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। কিন্তু উইম্বলডনে বাজিমাত করল। ২০০৯ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে শেষ ভারতীয় হিসেবে জুনিয়র গ্র্যান্ড স্ল্যাম সিঙ্গলস খেতাব জিতেছিল ইউকি ভামব্রি। ২০১৫ সালে ভিয়েতনামের পার্টনারকে নিয়ে উইম্বলডন বয়েজ ডাবলস খেতাব জেতেন। জাপানি পার্টনার নিয়ে এবার ডাবলস সেমিফাইনাল থেকে আগেরদিন বিদায় নিলেও সুমিত সিঙ্গলস চ্যাম্পিয়ন হল।A future mens champion?Samir Banerjee might well be a name you become more familiar with in the future#Wimbledon pic.twitter.com/byAEBwBrSp Wimbledon (@Wimbledon) July 11, 2021লিলোভের বিরুদ্ধে একটা সময় প্রথম সেটে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল সমীর। তারপর লড়াইয়ে ফিরে আসে লিলোভ। তবে শেষ পর্যন্ত ৭-৫ গেমে প্রথম সেট জিতে নেয় সমীর। দ্বিতীয় সেটে প্রথম থেকে ভাল লড়াই হলেও লিলোভের সার্ভিস ভেঙে এগিয়ে যায় সমীর। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি লিলোভ। স্ট্রেট সেটে হারতে হয় তাকে। আগেরদিন ডাবলস সেমিফাইনালে হেরে গেলেও এবারের উইম্বলডনে যেভাবে আগাগোড়া দাপট দেখিয়ে আসছেন এদিন তা বজায় রেখে নতুন ইতিহাস গড়ে সমীর।প্রবাসী বাঙালি সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে হলেও তার সাফল্যে গর্বিত বাঙালি। তার বাবামা আশির দশক থেকেই পাকাপাকিভাবে বসবাস করছেন আমেরিকায়। নিউ জার্সিতেই জন্ম সমীরের, তবে তাঁদের আদি বাড়ি আসামে। মার্কিন বাসিন্দা হলেও বাঙালি হিসেবে তিনি গ্র্যান্ড স্ল্যাম সিঙ্গলসের ফাইনাল খেলছেন, এটাই গর্বিত বাঙালি। আইটিএফ ক্রমতালিকায় বিশ্বের ১৯ নম্বর সমীর কেরিয়ারের দ্বিতীয় জুনিয়র গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেলতে নেমেছিলেন। বাবামায়ের উৎসাহেই টেনিসে আসা সমীরের। চ্যাম্পিয়ন হয়ে খুশি সে। তবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা কখনও ভাবেনি।

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammad Azharuddin : ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নতুন ওয়ার্কিং গ্রুপে মহম্মদ আজহারউদ্দিন

নাসরীন সুলতানাঘরোয়া ক্রিকেটারদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে নতুন ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরি করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেই ওয়ার্কিং গ্রুপে জায়গা পেয়েছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিন ও অভিষেক ডালমিয়া। দিন পনের আগেও নিজের ক্রিকেট সংস্থায় কোনঠাসা ছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন। প্রেসিডেন্টের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিল বিরোধী গোষ্ঠীর কর্তারা। অম্বুডসম্যানের হস্তক্ষেপে আবার নিজের জায়গা ফিরে পান আজহার। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দিলেন প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতএই ওয়ার্কিং গ্রুপের বড় দায়িত্ব ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি কীভাবে মেটানো যায় তা দেখা। রনজি ক্রিকেটাররা প্রতি মরশুমে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আয় করেন। গত মরশুমে রনজি বাতিল হওয়ায় ক্রিকেটাররা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। কীভাবে ক্রিকেটারদের ক্ষতি পূরণ করা যায় তা ওয়ার্কিং গ্রুপ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহর সঙ্গে আলোচনা করবে। আজহারউদ্দিন, অভিষেক ডালমিয়া ছাড়াও এই ওয়ার্কিং গ্রুপে রয়েছেন দিল্লির রোহন জেটলি, সৌরাষ্ট্রর জয়দেব শাহ, উত্তরপ্রদেশের যুধবীর সিং, কর্ণাটকের সন্তোষ মেনন, আসামের দেবজিৎ সাইকিয়া।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজিরকরোনার জন্য গত মরশুমে সব ঘরোয়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে পারেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এবছর বয়সভিত্তিকসহ সব প্রতিযোগিতা আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেপ্টেম্বরে মহিলা ক্রিকেট দিয়ে শুরু হবে মরশুম। করোনা পরিস্থিতিতে জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করে কীভাবে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করা হবে, সে ব্যাপারে নীতি নির্ধারণ করবে ওয়ার্কিং গ্রুপ। এই কমিটি তাদের সিদ্ধান্ত বোর্ডকে জানাবে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানএছাড়া আরও কিছু দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে ওয়ার্কিং গ্রুপকে। উত্তরপূর্ব ভারতের ক্রিকেটের উন্নতির বিষয়টিও দেখাশোনা করবে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ। ওয়ার্কিং গ্রুপের অন্যতম সদস্য জয়দেব শাহ মনে করেন, গত বছর রনজি বাতিল হওয়ায় ক্রিকেটারদের যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা পুশিয়ে দেওয়া দরকার। এই ব্যাপারে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহর সঙ্গে পরামর্শ করে এগোবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। বয়সভিত্তিক সব ক্রিকেটারদেরো আর্থিক সাহায্য করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Messi: চোট নিয়ে ফাইনাল খেলেছেন মেসি!‌ ফাঁস করলেন স্ক্যালোনি

নাসরীন সুলতানাকলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ম্যাচে খেলার সময় পায়ে চোট পেয়েছিলেন। তাঁর পা দিয়ে রক্ত বার হচ্ছিল। সেই অবস্থাতেও মাঠ ছেড়ে উঠে যাননি। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে ফাইনালে তুলে মাঠ ছেড়েছিলেন। ফাইনাল খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। স্বপ্নপূরণের ম্যাচে নিজেকে দুরে সরিয়ে রাখতে পারেননি লিওনেল মেসি। চোট নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন। ম্যাচের পর আসল সত্যটা সামনে নিয়ে এসেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে জয়ের পর স্ক্যালোনি বলেন, মেসি পুরোপুরি ফিট ছিল না। তা সত্ত্বেও দলের কথা ভেবে মাঠে নেমেছে। ওকে ছাড়া আমাদের মাঠে নামা সম্ভব ছিল না। মেসিও ফাইনাল খেলার জন্য মুখিয়ে ছিল। কোপা আমেরিকার ফাইনালে মেসি যেভাবে খেলেছে, পুরোটা আপনারা জানলে ওকে আরও বেশি ভালবাসবেন। ও এমন একজন ফুটবলার পুরোপুরি ফিট না থাকলেও ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। তবে মেসির কোথায় চোট রয়েছে, তা অবশ্য খোলসা করে বলেননি আর্জেন্টিনা কোচ। গ্রুপ লিগ থেকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছেন মেসি। নিজে গোল করেছেন, অনেকগুলি গোল অ্যাসিস্ট করেছেন। ফাইনালে অবশ্য গোল পাননি। দুটি সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। তবে ডি মারিয়ার গোলে স্বপ্নপূরণ হয়েছে। স্ক্যালোনি আরও বলেন, মেসি কখনও হাল ছাড়েনি বলেই আজ সফল হয়েছে। সবাই জানে, দেশের হয়ে ট্রফি জেতা ওর কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেটাই করে দেখিয়েছে। আমাদের সম্পর্ক কোচ ও অধিনায়কের সম্পর্কের ঊর্ধ্বে, অনেকটা বন্ধুর মতো। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে কোপার ফাইনালকে নিজের ফাইনাল হিসেবে দেখেছিলেন মেসি। সেই কথাই জানিয়েছেন সতীর্থ অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। ম্যাচের পর জয়ের নায়ক ডি মারিয়া বলেন, মেসি আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। আমিও ওকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। ম্যাচের আগে আমাকে বলেছিল এই ফাইনালটা ওর হতে চলেছে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পেরে আমি খুশি। আমার স্ত্রীসন্তানরা, বাবামা মাঠে হাজির ছিল। ওদের জন্য খুশি। যারা আমাদের সমর্থন করেছেন, তাদেরও ধন্যবাদ জানাই।

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Champion!! : শাপমোচন মেসির, ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে কোপা জিতল আর্জেন্টিনা

নাসরীন সুলতানাকোপা আমেরিকার ফাইনাল নিয়ে উত্তেজনায় কাঁপছিল গোটা ফুটবল বিশ্ব। যতই হোক আর্জেন্টিনাব্রাজিল ম্যাচ বলে কথা। লাতিন আমেরিকার দুই মহাশক্তিধর দেশ। বিশ্ব ফুটবলেও সাড়া জাগানো অন্যতম দুই সেরা দল। আবার দুই দলে লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়রের মতো তারকা। ম্যাচ যে অন্যমাত্রায় পৌঁছবে সেকথা বলাই বাহুল্য। অবশেষে কোপায় ব্রাজিলের সাম্প্রতিককালের আধিপত্য ভেঙে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফাইনালে জিতল ১০ ব্যবধানে। দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। ২৮ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন। শাপমোচন লিওনেল মেসিরও।বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। অথচ দেশকে একটাও ট্রফি দিতে পারেননি। এই যন্ত্রণা ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছিল লিওনেল মেসিকে। অধিনায়ক হিসেবেও বাড়তি দায়িত্ব ছিল। এবছর গোটা কোপাতেই অন্য তাগিদ দেখা গেল মেসির মধ্যে। চোট পেয়েছেন, পায়ে রক্ত ঝড়েছে, কিন্তু লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বদনাম ঘোঁচাতে কতটা মরিয়া ছিল, তাতেই প্রমাণ। ফাইনালে গোল পাননি ঠিকই, কিন্তু তাঁর দুরন্ত লড়াই স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবারের কোপায়। ফাইনালে চিরশত্রু ব্রাজিলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, জানতেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। তাই প্রথম একাদশে ৫ জন ফুটবলার বদল করেছিলেন। ভরসা করেছিলেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, মন্টিয়েল, রোমেরো, অ্যাকুনাদের ওপর। হতাশ করেননি ডি মারিয়ারা। শুরুর দিকে অবশ্য তুলনামূলকভাবে ব্রাজিলের আক্রমণের চাপ বেশি ছিল। নেইমার, রিচারলিসনরা কয়েকবার হানা দিয়ে যান আর্জেন্টিনার রক্ষণে। এরপরই খেলায় ফেরে আর্জেন্টিনা। ২২ মিনিটে গোলও তুলে নেয়। নিজেদের অর্ধ থেকে রডরিগো ডি পল লম্বা পাস বাড়ান ডানদিকে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার উদ্দেশ্যে। রেনান লডির ভুলে বল পেয়ে যান ডি মারিয়া। প্রথম টাচে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে দ্বিতীয় টাচে বল লব করে ব্রাজিল গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান।দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। ৫২ মিনিটে রিচারলিসন আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠালেও অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। মিনিট তিনেক পরেই রিচারলিসনের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচান আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমি মার্টিনেজ। নেইমারকে এদিন কড়া নজরে রেখেছিলেন ওটামেন্ডি। তবুও মাঝে মাঝে জ্বলে উঠলেন। শেষদিকে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসেও সমতা ফেরাতে পারেনি ব্রাজিল। তিন কাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার মার্টিনেজ। ৮৮ মিনিটে অবিশ্বাস্য সুযোগ নষ্ট মেসির। এডারসনকে একা পেয়েও বল জালে রাখতে পারেননি। ফাইনালে গোল না পেলেও ২০২১ কোপার ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে লিওনেল মেসির নাম। তাঁর কাছে এবারের কোপা সে শাপমোচনের।

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon: উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজির

নাসরীন সুলতানা আগেও গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন। কিন্তু উইম্বলডন জেতার মর্যাদাই আলাদা। তাই স্বপ্ন ছিল উইম্বলডন খেতাব। এই ট্রফিটা ক্যাবিনেটে শোভা না পেলে তাঁর টেনিস জীবন অপূর্ণই থেকে যেত। স্বপ্নপূরণ করতে মরিয়া ছিলেন। বেছে নিয়েছিলেন এবছরের উইম্বলডনকে। অবশেষে স্বপ্নপূরণ। সেন্টার কোর্টে জীবনের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্লাম জিতে নিলেন অ্যাশলে বার্টি। ৪১ বছর পর প্রথম অস্ট্রেলীয় মহিলা হিসেবে ট্রফি জিতে ইতিহাস তৈরি করলেন। ক্যারোলিনা প্লিসকোভার বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর ৬৩, ৬৭(৬৪), ৬৩ সেটে জিতে চ্যাম্পিয়ন হলেন বার্টি।আরও পড়ুনঃ প্রতিবছর রাজ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ, কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী? জানুনচেক প্রজাতন্ত্রের ক্যারোলিনা প্লিসকোভার বিরুদ্ধে জয় অবশ্য সহজে আসেনি অ্যাশলে বার্টির। যথেষ্ট লড়ে জিততে হয় এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকাকে। শুরুর দিকে ফাইনাল খেলার চাপ নিতে পারেননি ক্যারোলিনা প্লিসকোভা। প্রথম তিনটি গেমে একটা পয়েন্টও ঘরে তুলতে পারেননি তিনি। চতুর্থ গেমে ডাবল ফল্ট করে ০৪ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন। তারপর খেলায় ফেরেন প্লিসকোভা। যদিও শেষ পর্যন্ত ৬৩ ব্যবধানে প্রথম সেট জিতে নেন বার্টি। প্রথম সেট জিততে সময় নেন ২৮ মিনিট।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির বেরেত্তিনিদ্বিতীয় সেটে দারুণভাবে প্রত্যাবর্তন করেন প্লিসকোভা। একসময় ৩১ ব্যবধানে এগিয়ে যান অ্যাশলে বার্টি। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ান প্লিসকোভা। একসময় সমতা ফেরান। তখন খেলার ফল দাঁড়ায় ৩৩। সমানে সমানে লড়াই চলতে থাকে। স্কোর ৫৫ হয়ে যায়। ৬৫ ব্যবধানে এগিয়েও যান বার্টি। এরপর সেট টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে অ্যাশলে বার্টি ডাবল ফল্ট করলে ৭৬ (৬৪) ব্যবধানে সেট জিতে নেন প্লিসকোভা। আরও পড়ুনঃ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাসতৃতীয় সেটের শুরু থেকেই অবশ্য অ্যাশলে বার্টির দাপট ছিল। প্লিসকোভার সার্ভিস ভেঙে ৩০ ববধানে এগিয়েও যান। এরপর আর বার্টিকে সমস্যায় ফেলতে পারেননি প্লিসকোভা। নিজের সার্ভিস ধরে রেখে দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম পাকা করেন অ্যাশলে বার্টি। ৪১ বছর পর প্রথম অস্ট্রেলিয়ান মহিলা হিসেবে উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন হলেন। ১৯৮০ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ইভন গুলাগং। এটা বার্টির দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্লাম খেতাব। এর আগে ২০১৯ সালে ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

COPA-EURO: মহারণে মহারথী, কোপা-ইউরো ফাইনাল, কবে কোথায় কখন, দেখে নিন একনজরে

রবিবার দুই হাই-ভোল্টেজ ফাইনাল। দুই মহাদেশের দুটি সর্ববৃহৎ টুর্নামেন্টে মুখোমুখি কোপা ফাইনালে আর্জেন্টিনা : ব্রাজিল, ইউরো ফাইনালে ইতালি : ইংল্যান্ড। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কবে কোথায় কখন খেলা গুলি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।কোপা ফাইনালপ্রতিপক্ষঃ আর্জেন্টিনা : ব্রাজিল।স্টেডিয়ামঃ মারাকানাস্থানঃ রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল।তারিখঃ ১১/০৭/২০২১ (রবিবার)সময়ঃ ভোর ৫টা ৩০ মিনিট থেকে।চ্যানেলঃ দেখা যাবে সোনি সিক্স, সোনি টেন ২ চ্যানেলে।# দুই দেশ মোট মুখোমুখি ১০৭ বার# আর্জেন্টিনা জয়ী ৩৯ বার# ব্রাজিল জয়ী ৪৩ বার# ড্র ২৫ বার* কোপায় দুই দেশ মুখোমুখি ৩৩ বার* আর্জেন্টিনা জয়ী ১৫ বার* ব্রাজিল জয়ী ১০ বার* ড্র ৮ বার# আর্জেন্টিনা কোপায় চ্যাম্পিয়ন ১৪ বার# ব্রাজিল কোপায় চ্যাম্পিয়ন ৯ বার# আর্জেন্টিনা ম্যাচে নজর রাখুন: মেসি, নেইমারইউরো ফাইনালপ্রতিপক্ষঃ ইতালি : ইংল্যান্ডস্টেডিয়ামঃ ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম।স্থানঃ লন্ডন, ইংল্যান্ড।তারিখঃ ১২/০৭/২০২১ (রবিবার রাত)সময়ঃ ১২টা ৩০ মিনিট থেকে।চ্যানেলঃ দেখা যাবে সোনি সিক্স, সোনি টেন ২ চ্যানেলে* ইউরো-তে দুই দেশ মুখোমুখি ২৭ বার* ইতালির জয় ১১ বার* ইংল্যান্ডের জয় ৮ বার* ড্র ৮ বারনজর রাখুনইতালিঃ ইনসিগনে, ইম্মোবিলে, চিয়েসা, চিয়েল্লিনি, জর্জিনহোইংল্যান্ডঃ হ্যারি কেন, রাহিম স্টার্লিং, ম্যাসন মাউন্ট

জুলাই ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Laxmiratan: বাংলার ক্রিকেটে আবার ফিরছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা

নাসরীন সুলতানাবঙ্গক্রিকেটে আবার দেখা যাবে লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে। অনূর্ধ্ব ২৩ দলের কোচ করা হল এই প্রাক্তন বাংলার অধিনায়ককে। সিনিয়র বাংলার কোচিংয়েও পরিবর্তন। অরুণলালের সহকারী হিসেবে বেছে নেওয়া হল সৌরাশিস লাহিড়ীকে। বোলিং কোচের দায়িত্বে শিবশঙ্কর পাল।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানকয়েকবছর দায়িত্ব পেয়ে বাংলার অনূর্ধ্ব ২৩ দলকে সাফল্য এনে দিয়েছেন সৌরাশিস লাহিড়ী। তারই পুরস্কার হিসেবে তাঁকে সিনিয়র দলের সহকারী কোচ করা হল। গত মরশুমে বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা বাতিল হয়ে যাওয়ায় অরুণলালের সহকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন সৌরাশিস। এবার তাঁকে পাকাপাকিভাবে দায়িত্ব দেওয়া হল। বোলিং কোচ রণদেব বসুকে নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না সিএবি কর্তারা। তাই তাঁর জায়গায় শিবশঙ্কর পালকে নিয়ে আসা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ মহারণে মহারথী, কোপা ইউরো ফাইনাল, কবে কোথায় কখন, দেখে নিন একনজরেসৌরাশিসকে সহকারী হিসেবে পেয়ে খুশি বাংলার কোচ অরুণলাল। তিনি বলেন, বয়সভিত্তিক ক্রিকেট খেলার সময় থেকে ওকে দেখে আসছি। আমার কোচিংয়ে একসময় খেলেছেও। কঠোর পরিশ্রমী। ৩ বছর ধরে অনূর্ধ্ব ২৩ দলের দায়িত্বে ছিল। দলকে সাফল্য এনে দিয়েছে। অনূর্ধ্ব ২৩ দলের দায়িত্বে থাকার সুবাদে বাংলার এই ক্রিকেটারদের খুব ভাল চেনে।ওর সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। সৌরাশিসকে সহকারী কোচের দায়িত্ব দেওয়ায় বাংলার ক্রিকেটাররা উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন অরুণলাল। তাঁর সঙ্গে দায়িত্ব ভাগ করে নিতে চান তিনি। আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারএদিকে, সিনিয়র দলের সহকারী কোচের দায়িত্ব পেয়ে খুশি সৌরাশিস লাহিড়ী। তিনি বলেন, অনূর্ধ্ব ১৩ থেকে আমি বাংলার হয়ে খেলেছি। খেলার সময় বাংলার হয়ে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। সিএবিও আমার খারাপ সময়ে বহুবার পাশে দাঁড়িয়েছে। দাদি ছাড়া ক্রিকেটার থেকে আমার বাংলার কোচ হওয়া সম্ভব হত না। অভিষেক ডালমিয়ার কাছেও আমি কৃতজ্ঞ।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির বেরেত্তিনিসৌরাশিস লাহিড়ীর জায়গায় অনূর্ধ্ব ২৩ দলের কোচ করা হয়েছে লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় ক্রিকেট থেকে অনেকটাই দুরে সরে গিয়েছিলেন লক্ষ্মীরতন। তাকে আবার মূলস্রোতে ফেরানোটা সিএবির মাস্টারস্ট্রোক। যদিও বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা আসন্ন সিএবির নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই লক্ষ্মীরতনকে কোচিংয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। অক্টোবরে মেয়াদ শেষ হচ্ছে ভিভিএস লক্ষ্মণের। তঁাকে ২০২২এর মার্চ পর্যন্ত দায়িত্বে রাখা হল। অনূর্ধ্ব ১৯ দলের কোচিংয়েও বদল হতে চলেছে। প্রণব নন্দীর জায়গায় দেবাং গান্ধীকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Roy Krishna: রয় কৃষ্ণাকে পেতে এবার আসরে নামল মুম্বই সিটি এফসি

নাসরীন সুলতানামাসখানেক আগে গোলকিপার অমরিন্দার সিংকে তুলে নিয়ে মুম্বই সিটি এফসির ঘর ভেঙেছিল এটিকেমোহনবাগান। অমরিন্দার সিংকে হারানোর শোক কাটতে না কাটতেই আবার ধাক্কা সবুজমেরুণ শিবিরের। দুদিন আগে তুলে নিয়েছে ফরাসি মিডফিল্ডার হুগো বৌমাসকে। দুই সেরা ফুটবলারকে হারানোর ধাক্কা মেনে নিতে পারছে না মুম্বই সিটি এফসির কর্তারা। এবার এটিকেমোহনবাগানের ঘর ভাঙার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছে। সবুজমেরুণের স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। সামনে মরশুমে মাঠে বল গড়ানোর আগেই দুই পক্ষের লড়াই শুরু।আরও পড়ুনঃ চাম্পিয়ানশিপের লক্ষ্যে আর এক ম্যাচ, প্রতিপক্ষ কে আর্জেন্টিনা না কলম্বিয়া?গতমরশুমে মুম্বই সিটি এফসিকে চ্যাম্পিয়ন করার অন্যতম কারিগড় ছিলেন হুগো বৌমাস, বার্তোলোমেউ ওগবেচে এবং অ্যাডাম লে ফন্ড্রে। ওগবেচে ও লে ফন্ড্রে আগেই দল ছেড়েছেন। হুগো বৌমাস এটিকেমোহনবাগানে খেলার জন্য চুক্তিপত্রে সই করেছেন। তিন সেরা বিদেশি দল ছাড়ায় নতুন করে ভাবতে হচ্ছে গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়নদের। আবার আক্রমণভাগ ঢেলে সাজাতে হবে। তাই আক্রমণবাগ শক্তিশালী করতে এবার হাত বাড়াল কৃষ্ণার দিকে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানগত মরশুম থেকেই ফিজির এই স্ট্রাইকারকে পেতে আগ্রহী ছিল মুম্বই সিটি এফসি। কিন্তু সবুজমেরুণের সঙ্গে চুক্তি থাকায় যেতে পারেননি। এটিকেমোহনবাগানও ছাড়তে রাজি হয়নি। সামনের মরশুমে তাঁকে পাওয়ার জন্য আবার ঝাঁপিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। ইতিমধ্যেই কর্তার রয় কৃষ্ণার এজেন্ট নাজিয়া কৃষ্ণার সঙ্গেও কথা বলেছেন কর্তারা। বড় অঙ্কের আর্থিক প্রস্তাব দিয়েছেন। সবুজমেরুণ কর্তারা অবশ্য অনেক আগেই দাবি করছিলেন, রয় কৃষ্ণা সামনের মরশুমে খেলার জন্য কথা দিয়েছেন। যদিও দুই পক্ষের মধ্যে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তাই রয় কৃষ্ণাকে পেতে ঝাঁপিয়েছেন মুম্বই সিটি এফসির কর্তারা। এটিকেমোহনবাগানের থেকে বেশি অর্থও তাঁরা রয় কৃষ্ণাকে দিতে তৈরি। আইএসএল শেষে ফিজি রওনা হওয়ার আগে রয় কৃষ্ণা অবশ্য বলেছিলেন, তিনি এটিকেমোহনবাগানে খেলতে চান। মুম্বই সিটি এফসির বড় অঙ্কের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে পারেন কিনা এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon: ‌উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির বেরেত্তিনি

নাসরীন সুলতানারজার ফেডেরার ও রাফায়েল নাদালের রেকর্ড কি লন্ডনেই স্পর্শ করতে পারবেন নোভাক জকোভিচ? তাঁর সামনে এসে গেছে সেই সুযোগ। এখনও পর্যন্ত ১৯ বার গ্রান্ডস্লাম জিতেছেন জকোভিচ। রবিবার উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন হলেই ফেডেরার ও নাদালের ২০টি গ্রান্ডস্লাম জেতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনি। ফাইনালে ওঠার পথে জকোভিচতে অবশ্য যথেষ্ট ঘাম ঝড়াতে হয়েছে। কানাডার ডেনিস শাপোভালভকে হারান ৭৬, ৭৫, ৭৫ ব্যবধানে। এই নিয়ে ৩০ বার গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে উঠলেন জকোভিচ। উইম্বলডনে ৭ বার। চ্যাম্পিয়ন হলে ষষ্ঠবার উইম্বলডন জেতার স্বাদ পাবেন। শাপোভালভ এদিন কঠিন চ্যালে়ঞ্জের মুখে ফেলেছিলেন জকোভিচকে। ২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিটের লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত জকোভিচই বাজিমাত করেন।আরও পড়ুনঃ স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে শিয়েরারের, ১৯৮২র কথা মনে পড়ছে জফেরপুরুষদের অন্য সেমিফাইনালে হুবার্ট হুর্কাজকে হারিয়ে জীবনের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনালে পৌঁছে যান ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে আট বারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরারকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছিলেন পোল্যান্ডের তারকা হুর্কাজ। শুক্রবার সপ্তম বাছাই বেরেত্তিনি তাঁর বিরুদ্ধে জেতেন ৬৩, ৬০, ৬৭, ৬৪ সেটে। এই প্রথম ইতালির কোনও খেলোয়াড় ঘাসের কোর্টে গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনাল খেলতে চলেছেন। শেষ গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে খেলেছিলেন আদ্রিয়ানো পানাত্তা, ১৯৭৬ সালে।আরও পড়ুনঃ ভারতশ্রীলঙ্কা সিরিজ কি অনিশ্চিত? আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছেএদিকে, আজ উইম্বলডনে মহিলাদের সিঙ্গলস ফাইনালে মুখোমুখি অ্যাশলে বার্টি ও ক্যারোলিনা প্লিসকোভা। চ্যাম্পিয়ন হলে টেনিস জীবনে দ্বিতীয় খেতাব পাবেন অ্যাশলে বার্টি। অন্যদিকে ক্যারোলিনা প্লিসকোভা এই আগে মাত্র একটিই টেনিস মেজরের ফাইনালে খেলেছিলেন। ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাই বড় চ্যালেঞ্জ চেক প্রজাতন্ত্রের এই তারকা খেলোয়াড়ের সামনে। বার্টিকে হারাতে পারলে নজির গড়বেন প্লিসকোভা। চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডনে দুই শীর্ষ বাছাইকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবেন তিনি। এর আগে ২০০০ সালে শীর্ষ বাছাই মার্টিনা হিঙ্গিসকে কোয়ার্টার ফাইনালে এবং দ্বিতীয় বাছাই লিন্ডসে ডাভেনপোর্টকে ফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ভেনাস উইলিয়ামস। ২০০৫ সালেও দ্বিতীয় বাছাই মারিয়া শারাপোভাকে সেমিফাইনালে এবং ডাভেনপোর্টকে ফাইনালে হারান ভেনাস। প্লিসকোভা সেমিফাইনালে হারান দ্বিতীয় বাছাই আরিয়ানা সাবলেঙ্কাকে। এবার বার্টিকে হারানোর সুযোগ।

জুলাই ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

EURO 2020‌‌: স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে শিয়েরারের, ১৯৮২–র কথা মনে পড়ছে জফের

নাসরীন সুলতানানিজের ফুটবল জীবনে দেশের জার্সি গায়ে কখনও ট্রফির স্বাদ পাননি। তাঁর দেশ বড় আসরে শেষবার ট্রফি জিতেছিল ১৯৬৬ বিশ্বকাপ। তখনও জন্ম হয়নি অ্যালান শিয়েরারের। তবে ফুটবলার হিসেবে অনেক স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী থেকেছেন। দেশের ইউরো কাপের ফাইনালে ওঠা তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, ইতালির প্রাক্তন অধিনায়ক দিনো জফের ১৯৮২ বিশ্বকাপের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠা প্রসঙ্গে অ্যালান শিয়েরার বলেছেন, জন্মের পর থেকে ইংল্যান্ডকে কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে দেখিনি। আমার মতো ইংল্যান্ডের অনেক প্রজন্মই দেখেনি। এই দীর্ঘ অপেক্ষা এবারের ইউরো কাপে ফাইনালে ওঠা অন্য আমেজ এনে দিয়েছে। আমার কাছে রীতিমতো স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। ইংল্যান্ডের এই প্রাক্তন অধিনায়ক আরও বলেন, ইংল্যান্ডকে বড় আসরে প্রথম সেমিফাইনাল খেলতে দেখি ১৯৯০ বিশ্বকাপে। পশ্চিম জার্মানির কাছে টাইব্রেকারে ইংল্যান্ড হেরেছিল। পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়ে ওই ম্যাচ দেখেছিলাম। ১৯৯৬তে আমি নিজেই দলে ছিলাম। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপেও দেশকে হারতে দেখেছি। এবার ইউরোতে অবিশ্বাস্য একটা মাস কাটালাম। এখন রবিবারের জন্য অপেক্ষা করছি। এবার আমাদের জিততেই হবে। আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারঅন্যদিকে, ইতালির প্রাক্তন অধিনায়ক দিনো জফের হাত ধরেই ১৯৬৮ সালে ইউরো জিতেছিল ইতালি। তবে তাঁর কাছে জীবনের সেরা মুহূর্ত ১৯৮২র বিশ্বকাপ জয়। তিনি এবারের ইউরোতে রবার্তো মানচিনির সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন ১৯৮২র বিশ্বকাপজয়ী দলের সঙ্গে। ইতালির এই কিংবদন্তী গোলকিপার বলেন, ১৯৮২ বিশ্বকাপজয়ী দলের সঙ্গে এই দলের অনেক মিল পাচ্ছি। সব ফুটবলার দারুণ গতিতে ফুটবল খেলছে। অনেক খোলামেলা মনে হচ্ছে। রবার্তো মানচিনিরও প্রশংসা করেছেন দিনো জফ। তিনি বলেন, খেলোয়াড়রা দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিচ্ছে মানচিনির জন্যই। দলকে দারুণ তৈরি করেছে। কখন কোন সিদ্ধান্ত নিতে হয় খুব ভাল জানে। খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে।

জুলাই ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia-Srilanka: ভারত–শ্রীলঙ্কা সিরিজ কি অনিশ্চিত?‌ আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে

নাসরীন সুলতানাভারতশ্রীলঙ্কা সীমিত ওভারের সিরিজ শেষ পর্যন্ত হবে তো? আশঙ্কার কালো মেঘ ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে উঠছে। ১৩ জুলাই থেকে সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। চারদিন আগেও দল ঘোষণা করতে পারল না শ্রীলঙ্গা। করোনায় জেরবার গোটা শিবির। যা পরিস্থিতি, শেষ পর্যন্ত হয়তো দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে শিখর ধাওয়ানদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হবে শ্রীলঙ্কাকে।ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার। এবার দলের ডেটা অ্যানালিস্ট জি টি নিরোশানেরও করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে আসতেই গোটা দলকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। কোয়ারিন্টন পর্ব কাটিইয়ে শুক্রবারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে যাওয়ার কথা ছিল গোটা দলের। কিন্তু জি টি নিরোশানের রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আরও কয়েকদিন ক্রিকেটারদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এর মধ্যে আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। তারপরই দল ঘোষণা করা হবে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের কথা ভেবে দুটি দলকে আলাদা জায়গায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারইংল্যান্ড সফর চলাকালীন শ্রীলঙ্কার ৩ ক্রিকেটার কুশল মেন্ডিস, নিরোশান ডিকওয়েলা এবং ধানুষ্কা গুনথিলাকা জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙেছিলেন। আপাতত তাঁদের সাময়িক নির্বাসনে পাঠিয়েছে শ্রীলঙ্কা বোর্ড। এই তিনজনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট জমা না পড়া পর্যন্ত তাঁদের দলে নেওয়া হবে না। এমনিতেই সমস্যার মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট। চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের ঝামেলা চলছে। জোড়াতালি দিয়ে দল গড়ে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ভারতের বিরুদ্ধে ব্যর্থ হলে দেশে সমালোচনার ঝড় উঠবে। উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারএদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ম্যাচে যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদবকে একসঙ্গে খেলানো উচিত বলে মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ভি ভি এস লক্ষ্মণ। তিনি মনে করছেন, এই দুজন নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতীয় বোলিং আক্রমণের বড় অস্ত্র ছিল কুলদীপচাহাল জুটি। লক্ষ্মণ বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে ভারতীয় দলে ৬ জন স্পিনার রয়েছে। ওদের যত বেশি বোলিং করতে দেওয়া হবে, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে। চাহাল অভিজ্ঞ বোলার। ওর ছন্দে ফিরতে সময় লাগবে না। কুলদীপকে ছন্দে ফেরানো জরুরী।

জুলাই ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Copa America 2021: শাপমোচন করতে পারবেন?‌ ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসি

নাসরীন সুলতানাক্লাবের হয়ে একের পর এক সাফল্য। অথচ দেশের হয়ে জ্বলে উঠতে পারেন না। দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনা হজম করে আসতে হচ্ছে লিওনেল মেসিকে। যখনই কিংবদন্তীদের সঙ্গে তাঁর তুলনা টানা হয়, দেশের হয়ে ব্যর্থতার কথাই বারবার উঠে আসে। এই জায়গাটাতেই পিছিয়ে রেখেছে মেসিকে। এবার সেই বদনাম ঘোঁচানোর সুযোগ মেসির সামনে। কোপার ফাইনালে যদি ব্রাজিলের বিরুদ্ধে দেশকে জেতাতে পারেন, সমালোচকদের কিছুটা হলেও মুখ বন্ধ রাখতে পারবেন। শাপমোচনের সুযোগ এই ফুটবলের ঈশ্বরের কাছে।এবছর কোপা আমেরিকা খেলতে নেমে বেশ কয়েকটা মাইলস্টোন গড়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬ বার কোপা আমেরিকায় খেলে ফেললেন। এই কৃতিত্ব আগে কোনও ফুটবলার দেখাতে পারেননি। আগেই জেভিয়ার মাসচেরানোর দেশের হয়ে ১৪৭ ম্যাচ খেলার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে আরও এক মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে মেসি। লাতিন আমেরিকার ফুটবলারদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি কোপার ম্যাচ খেলার রেকর্ড স্পর্শ করবেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ৩৩ট ম্যাচ খেলেছেন। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন চিলির সার্জিও লিভিংস্টোন।আগের বার কোপাতে এই ব্রাজিলের কাছে হেরেই বিদায় নিতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। এবার বদলা নেওয়ার সুযোগ। বদলার ম্যাচে মেসির দিকেই তাকিয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। আর্জেন্টিনা দলে মেসিই একমাত্র উজ্জ্বল। ৬ ম্যাচে এখনও পর্যন্ত গোল করেছেন ৪টি। তাঁর পাস থেকে গোল এসেছে ৫টি। যদিও ফাইনালে জ্বলে উঠতে না পারার রেকর্ড আছে মেসির। এখনও পর্যন্ত ৩ বার কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলেছেন এই আর্জেন্টিনা তারকা। আর একবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছেন। কোনও ফাইনালেই গোল করতে পারেননি। আর্জেন্টিনারও সাফল্য আসেনি। ফলে আর্জেন্টিনাকে সাফল্য পেতে গেলে মেসিকে জ্বলে উঠতেই হবে। ক্লাব ফুটবলে অবশ্য মেসির রেকর্ড ঈর্ষানীয়। ১৭ বার ফাইনাল খেলে ১৪ বার চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পেয়েছেন।পরিসংখ্যান, ব্যক্তিগত রেকর্ড, এসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে ফাইনালের জন্য মনসংযোগ করছেন মেসি। তাঁর লক্ষ্য যে কোনও মূল্যে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করা। না হলে দেশের হয়ে ব্যর্থতার তকমা নিয়েই থাকতে হবে। নেইমারদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মেসির মুখেই শোনা গেছে, কোপা থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরতে চাই। ব্যক্তিগত মাইলস্টোনের দিকে তাকাচ্ছি না।

জুলাই ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohammed Siraj‌: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে সিরাজকে খেলানোর ভাবনা

নাসরীন সুলতানানিউজিল্যান্ডের কাছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে হেরে জোর ধাক্কা খেয়েছে ভারত। ব্যাটসম্যানদের নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছিল। এবার প্রশ্ন উঠছে বোলারদের ভুমিকা নিয়েও। ফাইনালে ইশান্ত শর্মার পারফরমেন্সে খুশি হতে পারেনি টিম ম্যানেজমেন্ট। ইংল্যান্ডের সুইংয়ের পরিবেশে মহম্মদ সিরাজের মতো বোলার দলে থাকা সত্ত্বেও কেন ইশান্তকে খেলানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে মহম্মদ সিরাজকে খেলানোর ভাবনা শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহারফাইনালের প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ইশান্ত শর্মা। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত ব্যর্থ। যশপ্রীত বুমরাও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। একমাত্র মহম্মদ সামি কিছুটা প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছিলেন নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর। বল দুদিকে সুইংও করাতে পারছিলেন। বাকি জোরে বোলাররা সুইং করাতে ব্যর্থ। সুইংয়ের পরিবেশে ভারতীয় জোরে বোলারদের ব্যর্থতায় প্রাক্তন ক্রিকেটার ও বিশেষজ্ঞরা বিস্মিত। তাঁদের মতে মহম্মদ সিরাজকে খেলাতে হয়তো লাভবান হত ভারতীয় দল।আরও পড়ুনঃ হুগো বৌমৌসকে তুলে নিয়ে আবার মুম্বইয়ের ঘর ভাঙল এটিকেমোহনবাগান ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে মহম্মদ সিরাজকে খেলানোর ভাবনাচিন্তা শুরু হয়ে গেছে। ভারতীয় দল যদি দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজাকেও প্রথম একাদশে খেলায় তাহলেও দলে জায়গা পেতে পারেন মহম্মদ সিরাজ। সেক্ষেত্রে ইশান্ত শর্মা প্রথম একাদশের বাইরে যাবেন। দেশের হয়ে এখনও পর্যন্ত ৫টি টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছেন সিরাজ। তুলে নিয়েছেন ১৬ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দেশকে সিরিজ জিততে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন। ৩ টেস্টে তুলে নিয়েছিলেন ১৩ উইকেট। ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারী।আরও পড়ুনঃ ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ডশুধু বোলিং বিভাগেই নয়, ব্যাটিংয়েও পরিবর্তন হচ্ছে। চোটের জন্য শুভমান গিল ছিটকে গেছেন। তাঁর জায়গায় লোকেশ রাহুল অথবা মায়াঙ্ক আগরওয়াল ওপেন করতে পারেন। চেতেশ্বর পুজারাকেও ব্যাটিং অর্ডার থেকে সরানোর পরিকল্পনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সেক্ষেত্রে অধিনায়ক বিরাট কোহলি ৩ নম্বরে আসতে পারেন। পুজারার মন্থর ব্যাটিংয়ে খুশি নয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। হনুমা বিহারীকে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। এদিকে, চোট পাওয়া শুভমান গিলের জায়গায় নতুন কোনও ওপেনার ইংল্যান্ডে পাঠানো হবে কিনা, কিংবা স্ট্যান্ডবাই থাকা অভিমন্যু ইশ্বরণকে দলে নেওয়া হবে কিনা সে ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

জুলাই ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 69
  • ...
  • 73
  • 74
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal