• ১৩ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কলকাতা

কলকাতা

অনুদান কি শুধু দুর্গাপুজোতেই দেয় সরকার?  প্রশ্ন হাইাকোর্টের

অনুদান কি শুধু দুর্গাপুজোতেই দেয় সরকার? নাকি অন্য উৎসবগুলিতেও দেওয়া হয়? ঈদেও কি দেওয়া হয়েছিল? দুর্গাপুজো নিয়ে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এমনই একগুচ্ছ প্রশ্ন করলেন কলকাতা হাইাকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে উৎসব ও মানুষের উদ্দিপনা থামাতে আইনজীবী সব্যসাচী চ্যাটার্জী এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানে আদালত জানিয়েছে, দুর্গাপুজো নিয়ে আমরা গর্বিত। তাই বলে কি যেভাবে ইচ্ছা টাকা দেওয়া যায়? গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কি এই ভেদাভেদ করা যায়? আরও পড়ুনঃ দেবদারু ফটকের পুজোয় এবার দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ সরকারের তরফে জানানো হয়, যে এবারের অনুদান দর্শনার্থীদের মাস্ক-স্যানিটাইজার বিতরণ করার জন্য দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি কী কী সুরক্ষা বিধি নেওয়া হয়েছে, তাও জানতে চান বিচারপতি। সরকারের কাছে বেঞ্চের প্রশ্ন, সংক্রমণের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সেখানে পুজোর অনুমতি কীভাবে দিলেন? সরকারের কাছে আদালত জানতে চায়, কী কী সুরক্ষা বিধি মেনে চলছেন আপনারা? ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্লু-প্রিন্ট কী, তাও জানতে চাওয়া হয়। আদালতের মন্তব্য,সব কাজ পুলিশ করলে ক্লাবকে টাকা দেওয়ার যুক্তি কী? এসব প্রশ্নের জবাব শুক্রবারের মধ্যে সরকারকে জানাতে হবে।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

দেবদারু ফটকের পুজোয় এবার দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ

এবার বেহালা দেবদারু ফটকের পুজোয় দর্শনার্থীদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পর দ্বিতীয় পুজো প্যান্ডেল হিসেবে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল বেহালা দেবদারু ফটক পুজো কমিটি। এ বছর তাদের পুজো ৪৮ তম বর্ষে পা দিয়েছে। ক্লাবের সভাপতি শক্তিপদ মণ্ডল বলছিলেন, বেহালা ক্লাব, আদর্শ পল্লি আর দেবদারু ফটক- এই তিন ক্লাবের হাত ধরেই বেহালায় থিম পুজোর খাতে খড়ি। সেই ৯৮ সাল থেকে দেবদারু ফটকে থিম পুজো আয়োজিত হচ্ছে। এবারও যতটা সম্ভব কম পরিসরে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকা মেনে রাস্তার অনেকটা কাছে এগিয়ে আনা হয়েছে মণ্ডপ। যাতে প্যান্ডেলে না ঢুকেও মায়ের দর্শন করে সোজা রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন মানুষ। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ক্লাবকে এ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত কঠিন ছিল। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনার পর এই পরিস্থিতিতে এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়েছে। কিন্তু মেন রোডের উপর একটি জায়ান্ট স্ক্রিনে প্যান্ডেল দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুজো যাতে বাড়ি বসেই লাইভ দেখা যায়, সেই চেষ্টাও করছেন উদ্যোক্তারা। এছাড়া পুজো দেখাতে একাধিক অ্যাপের সঙ্গেও হাত মিলিয়েছে দেবদারু ফটক। আর ক্লাবের ফেসবুক পেজ থেকেও দেখে নেওয়া যাবে মণ্ডপ সজ্জা। এবার তাদের থিম শব্দযাপন। একদিকে শহরের ক্যাকোফনি আর অন্যদিকে আচমকা লকডাউনে ফিরে পাওয়া প্রকৃতি ও পাখিদের কলরব- এই দুই শব্দের সহাবস্থান ঘটিয়েছেন শিল্পী শুভদীপ ও সুমি মজুমদার। একচালায় মায়ের মমতাময়ী রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন প্রতিমাশিল্পী সৌমেন পাল। এসবই দেখতে পাবেন বাঙালি। তবে ভারচুয়ালি। আরও পড়ুনঃ শহরের পুজো প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মণ্ডপ পরিদর্শন স্বয়ং নগরপালের প্রসঙ্গত, বুধবারই শহরের ঐতিহ্যবাহী পুজো কমিটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার জানিয়েছিল, অনেক চিন্তাভাবনা, আলাপ-আলোচনার পর দর্শকহীন পুজোই করবে তারা। অর্থাৎ ক্লাব সদস্য ছাড়া আর কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

শহরের পুজো প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মণ্ডপ পরিদর্শন স্বয়ং নগরপালের

করোনা আবহে শহরের পুজোর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাস্তায় নেমে পড়লেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা স্বয়ং। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ লালবাজার থেকে তিনি বের হন। সঙ্গে ছিলেন স্পেশাল কমিশনার জাভেদ শামিম।প্রথমে তিনি দেশপ্রিয় পার্ক-এর পুজো পরিদর্শন করেন। কথা বলেন পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে। এদিন সব মিলিয়ে শহরের ছটি পুজোর প্রস্তুতি দেখবেন বলে তিনি ঠিক করেছেন। দেশপ্রিয় পার্ক থেকে তিনি সোজা চলে যান সুরুচি সঙ্ঘ। এরপর নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ হয়ে কলেজ স্কোয়ার, মহম্মদ আলি পার্কে। আরও পড়ুনঃ ফের রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে কড়া চিঠি ধনকড়ের করোনার সময় কলকাতা পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অষ্টমীর অঞ্জলি, সন্ধিপূজা ও সিঁদুর খেলার সময় মণ্ডপে একসঙ্গে ১৫ থেকে ২৫ জনের বেশি যেন না থাকেন। এবিষয়ে এদিন পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে কথা বলেন নগরপাল। শুধু তাই নয়, প্রতিমা দর্শনের সময়ও যেন ৩০ থেকে ৫০ জনের বেশি মণ্ডপ প্রাঙ্গণে না থাকেন সেদিকটাতেও নজর রাখতে বলা হয়েছে। যদিও প্রতিটি মণ্ডপেরই আশপাশে পুলিশ কর্মী মোতায়েন থাকবে।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
কলকাতা

ফের রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে কড়া চিঠি ধনকড়ের

ফের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে শাসকদল ও রাজ্য প্রশাসনের উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর মতে, সরাসরি প্রশাসনের সঙ্গে রাজ্যপালের বাক্যবিনিময় অনেক পরিস্থিতিই সহজ করে দেয়। কিন্তু বাংলায় তা হচ্ছে না। উলটে একজন রাজ্যপালকে শাসকদলের নেতা,মন্ত্রীরা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের এজেন্ট বলে বারবার উল্লেখ করছেন, যা আদতে সাংবিধানিক প্রধানের পদ এবং কার্যালয়ের পক্ষে অবমাননাকর। তাঁর আরও অভিযোগ, প্রশাসনই বরং সাংবিধানিক নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। তাঁর পরামর্শ, পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। অন্যথায় তা গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকারক হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে ডিজিপিকে তলব এবং বিজেপির নবান্ন অভিযানে বলবিন্দর সিংয়ের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে তাঁকে গ্রেপ্তারি নিয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের ভূমিকার উল্লেখ করেছেন। দুটি বিষয়ই তাঁর কাছে যথেষ্ট অপ্রত্যাশিত বলে মনে হয়েছে। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দার সিংএর মুক্তির দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ পরিবারের সদস্যরা চিঠির শেষে তিনি আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, একজন রাজ্যপালের যা কর্তব্য, তা তিনি করতে বদ্ধপরিকর। খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে রাজ্য প্রশাসন সেই কাজ অনেক মসৃণভাবে করার রাস্তা তৈরি করে দিতে পারে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে তিনি লেখেন যে রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় তাঁকেই এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশাবাদী ধনকড়। চিঠিতে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন, সংঘাতের মধ্যে দিয়ে নয়, রাজভবন-নবান্ন একজোট হয়ে কাজ করলে, তবেই সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হবে।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

 বলবিন্দার সিং’এর মুক্তির দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ পরিবারের সদস্যরা

বলবিন্দার সিংএর সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীদের মতো আচরণ করছে বাংলার পুলিশ। এই অভিযোগ করে ধৃত বলবিন্দরকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আরও পড়ুনঃ নবান্ন অভিযানে জলকামানের রং নিয়ে অমিত শাহকে চিঠি লকেটের বুধবার পাঞ্জাব থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা হাওড়ায় গিয়ে পুলিশের অনুমতি নিয়ে প্রথমে বলবিন্দরের সঙ্গে দেখা করেন তাঁর স্ত্রী ও পুত্র । সেখান থেকে তাঁরা বলবিন্দারের মুক্তির দাবিতে সোজা রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে দেখা করেন।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

নবান্ন অভিযানে জলকামানের রং নিয়ে অমিত শাহকে চিঠি লকেটের

নবান্ন অভিযানে বিজেপির সঙ্গে পুলিশ ভীষণই ন্যক্কারজনক ব্যবহার করেছে। সেদিন বিজেপির বিক্ষোভ প্রতিহত করতে পুলিশ যে জলকামান ব্যবহার করেছিল , তাতে রঙের ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই রং গায়ে লাগার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। অনেক দলীয় সদস্যও সেদিন গায়ে রং লাগার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চিহ্নিত করতেই পুলিশ রাসায়নিককে হাতিয়ার হিসাবে প্রয়োগ করেছিল। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাস্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠিতে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের বিষয়ে এভাবেই তোপ দাগলেন তিনি। শান্তিপূর্ণ মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করতে এভাবে রং ছোঁড়া হল , এটা ভারতীয় রাজনীতিতে প্রথম। আরও পড়ুনঃ বাংলায় দুর্গোৎসব বন্ধ রাখা হোক, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা চিনে কমিউনিস্টরা যে প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের আন্দোলন দমিয়ে দেন সেই প্রক্রিয়াতেই বিজেপির নবান্ন চলো অভিযান আটকানোর চেষ্টা করেছে মমতা সরকারের পুলিশ। এই রংয়ে কোনও ক্ষতিকারক রাসায়নিক ছিল বলে বিজেপি সাংসদ অভিযোগ করেছেন। আপনি যদি এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেন, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। এছাড়াও এদিনের চিঠিতে মণীশ শুক্লা হত্যা ও বলবিন্দর সিংয়ের সঙ্গে হওয়া ঘটনারও প্রতিবাদ জানিয়ে কড়া সমালোচনা করেন বিজেপি সাংসদ।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

বাংলায় দুর্গোৎসব বন্ধ রাখা হোক, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

দুর্গাপুজোর নামে উৎসব বন্ধ রাখার আরজি নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যে দুর্গোৎসব বন্ধ রাখার আরজি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। তিনি আবেদনে কেরলের ওনাম উৎসবের কথা উল্লেখ করেছেন। আরও পড়ুনঃ মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় সিআইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ওনাম উৎসবের করে কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুতহারে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সাড়ম্বরে দুর্গাপুজো পালনের কারণেও একইভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবেদনে তিনি মহারাষ্ট্রের উদাহরণ টেনে এনে বলেন, মহামারীর আবহে মহারাষ্ট্র সরকার ইতিমধ্যে গণেশ পুজো ও মহরম নিষিদ্ধ করেছে। সেই উদাহরণ মাথায় রেখেই বাংলায় এ বছর দুর্গাপুজো পালনে উৎসব বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হোক।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় সিআইডির কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় এবার সিআইডির কাছে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা তথা বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই মন্তব্য করেছেন। জানা গিয়েছে, ১৬ অক্টোবরের মধ্যে ওই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য , এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। আরও পড়ুনঃ বেলেঘাটা বিস্ফোরণ কাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির তবে মণীশ শুক্লার পরিবারের বদলে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল কেন ঘটনা সিবিআই তদন্তের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শুনানিতে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল। এজি অভ্রতোষ মজুমদারের দাবি , প্রিয়াঙ্কাদেবীর এ নিয়ে মামলা করার এক্তিয়ারই নেই। যদিও প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের পালটা দাবি, মণীশ নিজে একজন আইনজীবী ছিলেন। তাছাড়া খুনের ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছে গোটা পরিবার। পুলিশ তাদের লাগাতার হুমকি দিচ্ছে। সে কারণে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হতে ভয় পাচ্ছেন। তাই একজন আইনজীবী হিসেবে এই ঘটনায় তিনি পরিবারের হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

 বেলেঘাটা বিস্ফোরণ কাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপি'র

বেলেঘাটায় বিস্ফোরণস্থলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে । মঙ্গলবার বিজেপি সাংসদ বিস্ফোরণস্থলে যেতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশকর্মীদের ধস্তাধস্তিও হয় ৷ তাদের ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুমতি নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। এরপর বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, একুশের নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে পুজোয় ক্লাবগুলিকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। যাতে ওরা বোমা মজুত করতে পারে। তার প্রমাণ বেলেঘাটার ঘটনা। পাশাপাশি কলকাতার সমস্ত ক্লাবে তল্লাশি চালানোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন , কি কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে , তার সঠিক তথ্য উদ্ঘাটনের জন্য এনআইএ তদন্ত হওয়া উচিত। একই দাবিতে সরব হয়েছেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুও। আরও পড়ুনঃ বলবিন্দর সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল : ধনকড় এদিন কৈলাস বিজয়বর্গীয় এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে টুইট করে বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে টিএমসি পশ্চিমবঙ্গে বড় বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করছে। আজ তার প্রমাণও পাওয়া গেল বেলেঘাটা মেইন রোডের ক্লাবে ভয়াবহ বিস্ফোরণে। ক্লাবটির ছাদটি উড়ে গিয়ে কয়েক মিটার দূরে পড়েছিল। সন্দেহ করা হচ্ছে যে এখানে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

বলবিন্দর সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল : ধনকড়

বলবিন্দর সিংয়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির যে ধারায় মামলা রুজু হয়েছে তাতে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও হতে পারে। তাই তা কার্যত মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল বলেই অভিযোগ করে মঙ্গলবার একটি টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সঙ্গে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ পুজো প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষেধ বেলুড় মঠের সেই ভিডিও বার্তায় ব্রিটিশ আমলের জালিওয়ানাবাগ হত্যাকাণ্ড ও তার প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাইট উপাধি প্রত্যাখানের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। এই টুইটটি তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য পুলিশকে ট্যাগ করেছেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

পুজো প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষেধ বেলুড় মঠের

এবার পুজোয় দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হবে বেলুড় মঠ প্রাঙ্গন। মঙ্গলবার বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে বৈঠক করেন হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জানা গিয়েছে , এবছর করোনা আবহে মূল মন্দিরে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। বিতরণ করা হবে না প্রসাদও। আরও পড়ুনঃ রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিকে ২০% ফি কমানোর নির্দেশ হাইকোর্টের তবে, প্রতিবছরের মতোই কুমারি পুজোর আয়োজন হবে। তবে এবছর বাড়িতে বসেই বেলুড়ের পুজো দেখতে পাবেন সকলে। ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচার হবে বেলুড় মঠের পুজো। বেলুড় মঠ থেকে এদিন পঞ্চমী থেকে দশমী পর্যন্ত পুজোর নির্ঘণ্টও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিকে ২০% ফি কমানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

২০ শতাংশ ফি কমাতে হবে বেসরকারি স্কুলগুলোকে। টিউশন ফি ছাড়া অন্য সমস্ত ফি সম্পূর্ণ মকুব করতে হবে। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য অভিভাবকদের স্বস্তি দিয়ে এই রায় দেন। আরও পড়ুন ঃ দোতলা বাসের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী তাঁরা এদিন রায় দিতে গিয়ে আরও বলেন, ২০ শতাংশ ফি মকুব করার পর বাকি ৮০ শতাংশ ফি দিতেও যাদের অসুবিধা হবে, তাদের সমস্যা খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পদক্ষেপের সময়সীমা ধার্য করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

দোতলা বাসের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

দুটি ছাদ খোলা দোতলা বাসের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে দুটি হুডখোলা বাসের উদ্বোধন করেন তিনি। জানালেন, সপ্তমী থেকে এই দুটি বিশেষ বাস বুকিং করতে পারবেন সকলে। এই দুটি বাসে করে কলকাতার ঐতিহ্যশালী জায়গাগুলি দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষ-পর্যটকরা। ভিক্টোরিয়া, ন্যাশনাল লাইব্রেরি, চিড়িয়াখানা, নবান্ন-সহ কলকাতার সমস্ত ঐতিহাসিক দেখাবে বাসটি। সময় লাগবে মাত্র ২ ঘণ্টা। তবে পরবর্তীতে বাসের চাহিদা বুঝে সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবে পর্যটন দপ্তর। কাল থেকে শুরু বুকিং। আরও পড়ুন ঃ সাতসকালে বেলেঘাটায় তীব্র বিস্ফোরণ , এলাকায় চাঞ্চল্য জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ১০.৩০ টায় ছাড়বে প্রথম বাসটি। সফর শেষে ফিরবে বেলা ১.৩০ টায়। দ্বিতীয় বাসটি বেলা ১১.৩০ মিনিটে রওনা হবে গন্তব্যের উদ্দেশে। সেটি ফিরবে বেলা ২. ৩০ মিনিটে। টিকিট বুক করা যাবে অনলাইনে। এই বাসের মাধ্যমে চাকুরি প্রার্থীদের কাজের ব্যবস্থাও হবে বলে জানান তিনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, হাওড়ার উলুবেড়িয়াতে অ্যমাজনের একটি লজিস্টিক হাব করা হয়েছে। যেখান থেকে পূর্ব ও উত্তর পূর্বে পরিষেবা দেওয়া হবে। সেখানে নিয়োগ করা হচ্ছে ২,০৫০ জনকে। পাশাপাশি, এদিনও সকলকে সতর্কভাবে পুজো উদযাপন করতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। করোনা বিধি উপেক্ষা করে নয়, সমস্তরকম নিয়ম মেনেই দেবী আরাধনায় শামিল হতে হবে। সর্বদা মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরামর্শও দেন তিনি।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

সাতসকালে বেলেঘাটায় তীব্র বিস্ফোরণ , এলাকায় চাঞ্চল্য

বেলেঘাটায় তীব্র বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। বিস্ফোরণের পর ব্যাপক শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ বেলেঘাটা গান্ধী ভবনের কাছেই একটি ক্লাবের চিলেকোঠার ঘরে ওই তীব্র বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, উড়ে যায় অ্যাসবেস্টসের ছাদ। দেওয়ালও ভেঙে নীচে পড়ে যায়। এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে অসংখ্য ইটের টুকরো। কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। তবে ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বেলেঘাটা থানার পুলিশ। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের একদিনে করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি , ওই ক্লাবেই নাকি বিস্ফোরক মজুত করা ছিল। তদন্তকারীরা সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখছেন। তবে সকাল ৭ টারও আগে এই বিস্ফোরণ হওয়ায় সে সময় কেউ ক্লাবে ছিল না বলে জানা গিয়েছে। ক্লাবের মেইন গেটে ছিল তালা লাগানো। ফলে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে ফের একদিনে করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি

রাজ্যে ফের একদিনে করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ছুঁই ছুঁই। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৮৩ জন। এরফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯৮ জন। আরও পড়ুন ঃ দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী আক্রান্তের পাশাপাশি বেড়েছে রাজ্যে মৃতের সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৬০ জন। ফলে মোট মৃত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৮২ জন। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মুহূর্তে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার ৬০৪ জন। সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে ৩৬৮ জন। তবে ডিসচার্জ রেট কার্যত অপরিবর্তিত রয়েছে, ৮৭.৮৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩,১৫৫ জন।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বাসের উদ্বোধন করবেন তিনি। ১৫ বছর পর এই দোতলা বাস কলকাতার রাস্তায় এই বাস চলবে। ্কলকাতার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক মনে করা হয় এই বাসকে। ২০২০ সালের কোভিড আবহে এই দোতলা বাস পথে নামলে সাধারণ মানুষের মনে খুশির বাতাস বয়ে যাবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। আরও পড়ুন ঃ ষষ্ঠীতে বঙ্গবাসীকে ভারচুয়াল শুভেচ্ছা জানাবেন মোদি

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

ষষ্ঠীতে বঙ্গবাসীকে ভারচুয়াল শুভেচ্ছা জানাবেন মোদি

বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়ে ভারচুয়াল ভাষণ দেওয়ানোর আয়োজন করল বিজেপি নেতৃত্ব। সোমবার দুপুরে দিল্লি থেকে ফেরার সময়ে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। সেসময় তিনি বলেন, আগামী ২২ তারিখ প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে ভারচুয়ালি থাকবেন। বাংলার সমস্ত মানুষকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানাবেন। এটা আমাদের পক্ষে অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। আরও পড়ুনঃ এবার ভার্চুয়ালি পুজো উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গতবছর কলকাতার পুজোর উদ্বোধনের জন্য এসেছিলেন। এই বছর বঙ্গ বিজেপির সেরকম কোনও পরিকল্পনা আছে কিনা তা জানতে চাইলে কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, পুজোর আগেই একদিনের জন্য উত্তরবঙ্গে আসবেন অমিত শাহ। তবে এখনও দিন ঠিক হয়নি। বলবিন্দর সিংয়ের বিষয়ে কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাজ্য সরকারকে এর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

এবার ভার্চুয়ালি পুজো উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

এবার কোভিড বদলে দিয়েছে সবকিছুই। তাই এবার সব পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন হবে নবান্ন থেকে। সোমবার নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী , আগামী ১৬ অক্টোবর উত্তর কলকাতার প্রতিমা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন হবে। তার পরেরদিন অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর দক্ষিণ কলকাতা এবং ১৮ অক্টোবর বেহালা ও যাদবপুরের প্রতিমা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করা হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন করোনা সংক্রমণ বাড়ছে,সংক্রমণ আটকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। পুজো প্যান্ডেলে যাওয়ার সময় মাস্ক পরুন। আরও পড়ুন ঃ বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , পুড়ে ছাই প্লাস্টিক কারখানা তাঁর কথায় , প্রচুর মানুষ এই সময় কাজ হারিয়েছেন। অনেকেই আট মাস বাড়িতে বসে বসে ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছেন। তাই পুজো উপভোগ করুন। কিন্তু, বাড়ি থেকে বেরোবেন না। কোভিড প্রটোকল মেনে চলার জন্যও আবেদন করেন তিনি। মাইকে গানের পাশাপাশি কোভিড সতর্কতা জারির কথাও বলেছেন তিনি। পুজো কমিটিগুলোর উদ্দেশে তিনি বলেন, মাস্ক না পরলে প্যান্ডেলে ঢুকতে দেবেন না। প্রয়োজনে প্যান্ডেলে ঢোকার সময় স্যানিটাইজার, মাস্ক দিন। ব্যবস্থাপনা দেখে বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানে অতিরিক্ত পয়েন্ট দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, দিল্লিতে একটা পুজোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, অন্য রাজ্য তো দেয়ইনি, আমি কিন্তু দিলাম। বাংলায় পুজো হবে, কিন্তু সংক্রমণও আটকাতে হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড , পুড়ে ছাই প্লাস্টিক কারখানা

বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের জেরে পুড়ে ছাই হয়ে গেল চিৎপুরের প্লাস্টিক কারখানা। সোমবার দুপুর ১ টা নাগাদ কারখানায় আগুন লাগে। দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে কারখানা সংলগ্ন এলাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর কারখানার আর কোনও কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। কিন্তু কীভাবে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা অনুমান করছেন, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। আরও পড়ুন ঃ কোভিড রোগীদের জন্য একাধিক জনমুখী পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের জানা গিয়েছে, যখন আগুন লাগে , সেসময় কারখানায় মহিলা ও পুরুষ কর্মীরা কাজ করছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে কারখানার কর্মীদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যান। এরপর দমকল ও পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
কলকাতা

কোভিড রোগীদের জন্য একাধিক জনমুখী পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের

ফের করোনা আক্রান্ত মানুযের কথা চিন্তা করে পুজো্র আগে জনমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। কলকাতা ও শহরতলিতে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে কোভিড টেস্ট করাতে গেলে এখন সাধারণ মানুষকে দিতে হয় ২২৫০। কিন্তু রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে , এই বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলিতে এখন থেকে টেস্ট করাতে গেলে লাগবে ১৫০০। এছাড়াও রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুরসভা বিনামূল্যে রাজ্যের সকল কোভিড রোগীকে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেয়। কিন্তু যে সকল কোভিড রোগী বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি হন , তাদের জন্যও অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া কমানো দরকার। রাজ্য সরকার সেই সংক্রান্ত রেগুলেটরি কমিশনের কাছে অনুরোধ করছে , অবিলম্বে পুজো্র আগেই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সহনশীল স্তরে নামিয়ে আনা হোক। আরও পড়ুনঃ স্পা-এর আড়ালে মধুচক্র , ধৃত টেলি অভিনেতা সহ ১৬ এছাড়াও গত ১০ অক্টোবর হাওড়ার এএসআই বালটুকরিতে ইতিমধ্যেই কোভিড রোগীদের ৪৮ টি শয্যা্র ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলকাতার এম আর বাঙুরে সো্মবার থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য চালু হল ৫৬ টি শয্যা। আরও ৪৯৬ টি শয্যা আগামী দু থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে চালু হবে। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন কোভিড হাসপাতালে ২৪৭৫ জন নার্স শীঘ্রই নিযুক্ত করা হবে। পুজোর সময় প্রশাসনের জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অফিসার ও আধিকারিকদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 61
  • 62
  • 63
  • 64
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিতর্কে কড়া হাইকোর্ট! রাজ্যকে বেঁধে দেওয়া হল সময়

বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘ দিন ধরেই কাঁটাতার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার জমি না দেওয়ায় সীমান্তের বড় অংশ এখনও সুরক্ষিত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর করা মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই জমি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করছে না। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি নেওয়া যায়। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে কেন সেই ধারা প্রয়োগ করা হবে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, একটি রাজ্য যদি আন্তর্জাতিক সীমান্তের অংশীদার হয়, তা হলে তারা নিজেরা কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা সত্যিই আশ্চর্যের।আদালত জানায়, যে জমির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছে এবং অধিগ্রহণও হয়েছে, সেই জমি যত দ্রুত সম্ভব হস্তান্তর করতে হবে। এই ক্ষেত্রে এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।রাজ্য এখনও জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পায়নি বলে জানিয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত থাকলে জেলা শাসক সরাসরি আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবীও জানান, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে।মামলায় ২০১৬ সাল থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার রাজ্যকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্য ক্যাবিনেট কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া ৪০ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলেই রাজ্যের অবস্থান। রাজ্য আরও জানায়, যেসব জমির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। কিছু জেলায় এক-দু মাস সময় বেশি লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুন মাসে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসে জমি হস্তান্তরের কাজ শেষ হবে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ জেনারেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কাঁপছে বেজিং

চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কার্যত গোটা চিনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চিনা সেনার পরমাণু বোমা সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন নথি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চিনা সেনার এক শীর্ষ জেনারেল গোপনে সেই টপ সিক্রেট নথি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। এর ফলে চিনের পরমাণু অস্ত্র তৈরির বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নাকি পৌঁছে গিয়েছে ওয়াশিংটনের কাছে।অভিযুক্ত ওই সেনাকর্তার নাম ঝ্যাং ইউঝিয়া। বয়স ৭৫। তিনি চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ, চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প সংক্রান্ত কোর টেকনিক্যাল ডেটা তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমেরিকাকে পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, জেনারেল থেকে আরও উঁচু পদে পৌঁছতে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।একসময় ঝ্যাং ছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ ওঠায় বেজিংয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিন সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানালেও, আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, এই তদন্ত আসলে লোকদেখানো। ভিতরে ভিতরে ঝ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে বলেও জল্পনা।ঝ্যাং সেই সরকারি সংস্থার শীর্ষকর্তা ছিলেন, যারা চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পের দেখভাল করে। ওই সংস্থাই পরমাণু বোমার গবেষণা, উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের দায়িত্বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঝ্যাং এই সমস্ত গোপন তথ্য আমেরিকার হাতে তুলে দেন। সেই অর্থ আবার নিজের পদোন্নতির জন্য ঘুষ হিসেবেও ব্যবহার করতেন।চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা চিনা দূতাবাস এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বিবিসির দাবি, ঝ্যাংকে ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের ওই কমিশনে এখন নাকি মাত্র দুজন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁদের সাময়িকভাবে সরানো হয়েছে।এই কমিশনের আর এক সদস্য লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ঝ্যাং এবং লিউএই দুই শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় চিনা সেনার উচ্চমহলে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রথম শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোনও সেনাকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হল।ঝ্যাং এবং লিউ দুজনেই সত্তর ও আশির দশকে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬১ বছরের লিউ পিপলস লিবারেশন আর্মির জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন। এই বিভাগই চিনা সেনার প্রশিক্ষণ, অপারেশন এবং গোয়েন্দা কাজের দায়িত্বে থাকে।গত দুবছর ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, সেই অভিযানের ফলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয়েছে। ১৯৮০ সালে গঠিত সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ সেনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু সেই কমিশনের সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র দুজনে নেমে আসায়, তাইওয়ান প্রশ্নে চিনের সামরিক পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal