• ৪ ফাল্গুন ১৪৩২, শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য

এই কোভিড-টু'তে ডিম খান আর সুস্থ থাকুন

আবার সে এসেছে ফিরিয়া। মানে, কোভিড। তার হাত ধরে লকডাউনও চলে আসবে কিনা, কেউ জানে না। কিন্তু এখনই বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, সাবধানে থাকুন, বেশি বেরোবেন না, রোজ বেরোবেন না। পারলে বাজার এক সপ্তাহের তুলে রাখুন। এই রকম পরিস্থিতিতে মাছ-আনাজ-মাংস-সয়াবিন যা-ই ঘরে মজুত রাখুন না কেন, সব চেয়ে কার্যকরী ডিম। চটজলদি যা-হোকক কিছু একটা বানিয়ে নেওয়া চলে ডিম দিয়ে। অনেকদিন ধরে ঘরে রাখাও চলে। আর শুধু তাই নয়, কোভিড সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতেও ডিমের জুড়ি নেই!আর ডিম খেতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। প্রোটিনের জোগান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই খাবার আমাদের শরীরে পৌঁছে দেয় ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভালো কোলেস্টরল, প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি। নানা রকমারি পদে বানিয়ে ফেলুন ডিমের নানা রেসিপি। আর মন ভরে খেতে থাকুন ডিম। রসনা তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে ইমিউনিটিও।

মে ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

তরমুজ বীজের উপকারিতা

গরমের ট্রেডমার্ক ফল তরমুজ। গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজার ছেয়ে যায় তরমুজে। আর গরমে শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে যে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার তাও আমাদের সবার জানা। কিন্তু তরমুজ খাওয়ার সময় বীজ ফেলে দেওয়াই দস্তুর। কিন্তু জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজে বীজ। গবেষকরা বলছেন, তরমুজের বীজে এমন এক রাসায়নিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী। তাছাড়া তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ উপকারী। তরমুজের বীজে থাকা লাইসিন নামে উৎসেচক ডায়াবেটিস বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসে চমকে দেওয়ার মতো ফল দিতে পারে তরমুজের এই বীজ। এছাড়া তরমুজের বীজে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম। এছাড়া তার মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ফোলেট, যা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে এ সবই থাকে তরমুজের বীজের খোলের নীচে থাকা অভ্যন্তরীণ অংশে। ফলে তরমুজের বীজ চিবিয়ে খেলেই তার সম্পূর্ণ উপকার মেলা সম্ভব। কারণ, সাধারণত বীজের ওপরের কঠিন খোল হজম করতে পারে না প্রাণীর পরিপাকতন্ত্র।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধির পাশাপাশি জানুন ত্রিফলার ঔষধিগুণ

ভারতীয় আয়ুর্বেদে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে ত্রিফলা। এটা হল তিনটি ফলের মিশ্রণ। ত্রিফলা আয়ুর্বেদিক ওষুধের প্রধান উপাদান। ত্রিফলা-য় তিনটি ফল থাকে আমলকি, হরিতকি এবং বহেরা। এর প্রতিটি ফলের গুণাগুণ অনেক এবং এটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বাড়াতে সাহায্য করে।আয়ুর্বেদ চিকিৎসা মতে ত্রিফলা সেবন হজমের জন্য খুব ভাল ফল দেয়। এটি একটি দুর্দান্ত অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ফলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এর কাজ। বর্তমানে করোনাকালে এটা অনেক সহায়তা করতে পারে আমাদের। ত্রিফলা বাজারজাত একটি দ্রব্য। এটা পাউডার, জুস, ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। ত্রিফলা সেবন হজম প্রক্রিয়া ছাড়াও বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর বিষয়ে আমাদের সহায়তা করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে ত্রিফালার নিয়মিত সেবন টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। ত্রিফলার প্রধান পাঁচটি গুণ-হজম শক্তি বৃদ্ধিত্রিফলার সর্বাধিক পরিচিত স্বাস্থ্যগুণ হল এটি হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। রেচন প্রক্রিয়া উন্নত করার কারণে অন্ত্রনালির গতিপথ অনেক উন্নত করে তোলে। অন্ত্রের হজম প্রক্রিয়ায় কাজে আসা ভাল ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়িয়ে মানব দেহের পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।ইমিউনিটি বুস্টারদ্য ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফার্মাসিউটিকাল সায়েন্সেস-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, ত্রিফলা আমাদের ইমিউনিটির জন্য দুর্দান্ত এবং ইমিউনো সাপ্রেসেন্ট হিসাবেও কাজ করে। ত্রিফলার নিয়মিত সেবন যে কোনও প্রকার সংক্রমণ এবং অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।দাঁতের স্বাস্থ্য২০১৬ পেরিওডন্টোলজির জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষা অনুসারে , ত্রিফলা দাঁতের ভাল স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ত্রিফলা ভেজানো জল দিয়ে মুখ ধুলে, মুখের গন্ধ ও নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।চোখের দৃষ্টি ভালো রাখেএক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল, চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী এটি। শুধু দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় তা নয়, মারাত্মক চোখের অসুখ ছানি বা গ্লুকোমা থেকেও রক্ষা করে।ওজন কমেশরীরের অতিরিক্ত ওজন কিছু দিনের মধ্যেই কমিয়ে ফেলতে পারে ত্রিফলা। এটি যেহেতু হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, সেহেতু ওজন কম করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শরীরের টক্সিন বের করতে সাহায্য করার পাশাপাশি গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল ট্র্যাক্ট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
স্বাস্থ্য

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় কী কী খাবেন না, দেখুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সকালে উঠে মাটিতে পা ফেলতেই ব্যথা শুরু। দু-একদিন পর হাত-পায়ের জয়েন্টেও একই অবস্থা। কিছুক্ষণ হাঁটাচলার পর ব্যথা কমছে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি সারছে না। জয়েন্ট ফুললে সমস্যা আরও বাড়ছে। মাটিতে পা ফেলাটাই তখন বিভীষিকা। একজন সুস্থ, সবল মানুষ রাতারাতি শয্যাশায়ী। এতটাই মারাত্মক হতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। কেন হয়-৪০ বছরের পর এমন সমস্যা হয়। তবে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, প্রোটিনের আধিক্য, মদ্যপানের জন্য এখন অল্পবয়সিদের মধ্যেও এর প্রবণতা বাড়ছে। অনেকেই তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে প্রোটিন বেশি খান। সেখান থেকেই সমস্যা সূত্রপাত।মেটাবলিক ডিসঅর্ডারের জন্য শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ইউরিক অ্যাসিডের ক্যালসিফিকেশনহয়, ফলে ইনফ্লেমেশন হয়ে ফুলে যায়। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা বেশি। মহিলাদের শরীরের ইস্ট্রোজেন হরমোন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।কী খাবেন আর কী খাবেন না? ইউরিক অ্যাসিডের ডায়েট নিয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই টমেটো খাওয়া ছেড়ে দেন। রান্নায় টমেটো, পিঁয়াজ খেতে পারেন তবে কাঁচা পিঁয়াজ বা টমেটো খাবেন না। ভাত, রুটি, চিঁড়ে, মুড়ি, ভুট্টা খেতে পারেন। পালং, ফুলকপি, বাঁধাকপি অল্প খাবেন। বীজ আছে এরকম সবজিও খেতে পারেন, পরিমাণ কম। তৈলাক্ত নয় এমন মাছ খান। ইলিশে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। বর্ষাকালে এক-দুদিন ইলিশ খেলে সমস্যা নেই। সব ফল খেতে পারেন। তবে মিক্সড ফ্রুটের বদলে সারাদিনে যে কোনও একটা ফল খান। ড্রাই ফ্রুটস চলবে। ২০০-২৫০ এম.এল.-এর বেশি দুধ খাবেন না। দই, ছানা খেতে পারেন। খাবারের তালিকা থেকে প্রোটিনের পরিমাণ কমান। ৬০ কেজি ওজনের কেউ সারাদিনে ৬০ গ্রামের বেশি প্রোটিন খাবেন না। ডাল বা ডাল থেকে তৈরি জিনিস, রাজমা, সয়াবীন খাদ্যতালিকা থেকে সরিয়ে রাখুন।ডিমের সাদা অংশই খেতে পারেন। চিকেন চলবে। মাটন, মাটনের মেটে, চিংড়ি খাবেন না। অক্সালেট জাতীয় স্টোনের সমস্যা থাকলে দুধ বা দুগ্ধজাতীয় কিছু খাবেন না। ফলের রস খাবেন না। কারণ ফ্রুকটোজ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

মার্চ ১৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

মাইগ্রেনের ব্যথা এড়িয়ে চলতে কী করবেন? জানুন, সতর্ক থাকুন

বর্তমান ইদুঁর দৌঁড়ের সমাজে সময় বরই বালাই। আর সময়ের অভাবেই শরীরের দিকে নজর দেওয়া তেমন করে আর হয়ে উঠছে না যুব সমাজের। যার পরোক্ষ ফল মাইগ্রেনের সমস্যা।মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যে কোনও এক পাশ থেকে শুরু হয়ে তা মারাত্মক কষ্টকর হয়ে ওঠে। তাই একে আধ-কপালি ব্যথাও বলা হয়ে থাকে। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী। যাঁদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তীব্র মাথা যন্ত্রণার পাশাপাশি তাঁদের বমি বমি ভাব, শরীরে এবং মুখে অস্বস্তিভাব দেখা দিতে পারে। এই ব্যথা টানা বেশ কয়েকদিন থাকে। তাই যাঁদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের এই ব্যথার জন্য দায়ী কিছু কাজ বা অভ্যাস এড়িয়ে চলাই ভাল।১) পেট খালি রাখা: পেট খালি থাকলে মাইগ্রেনের ব্যথা বা সমস্যা শুরু হতে পারে। এর কারণ হচ্ছে, খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয় যা মাইগ্রেনের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।২) আবহাওয়া: অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরির কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতার তারতম্যে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে থাকে।৩) মানসিক চাপ: যারা অনেক বেশি চাপ নিয়ে একটানা কাজ করে চলেন এবং নিজের ঘুম ও খাওয়া-দাওয়ার কোনও নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে পারেন না, তাদের বেশি মাইগ্রেনে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। তাই মানসিক চাপ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। খুব মানসিক চাপে থাকলে এক কাপ লেবু চা খেয়ে নিন। এতে মস্তিষ্ক কিছুটা রিল্যাক্স হবে।৪) অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া: আমরা যখন অনেক বেশি মিষ্টি খাবার খেয়ে ফেলি তখন আমাদের রক্তের সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত ইনসুলিনের উৎপাদন হতে থাকে। যার ফলে রক্তের সুগারের মাত্রা নেমে যায়। এ ভাবে হঠাৎ হঠাৎ রক্তে সুগারের মাত্রার তারতম্য হওয়ার কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।৫) অতিরিক্ত আওয়াজ: অতিরিক্ত আওয়াজ, খুব জোরে গান শোনা ইত্যাদির কারণেও মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে। প্রচণ্ড জোরে আওয়াজের কারণে প্রায় দুদিন টানা মাইগ্রেনের ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।৬) অতিরিক্ত ঘুমানো: মাত্র এক দিনের ঘুমের অনিয়মের কারণে শরীরের উপরে খারাপ প্রভাব পড়তে পাড়ে। যেমন, যারা নিয়মিত মোটামুটি ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা করে ঘুমোন, তারা যদি হুট করে একদিন একটু বেশি ঘুমিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে যায়।৭) হঠাৎ করে কফি খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া: সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা নিয়মিত ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় খেতে অভ্যস্ত, তারা হঠাৎ করে সেই অভ্যাস ত্যাগ করলে বা বন্ধ করে দিলে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে।

মার্চ ১৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

এক টমেটোর হাজারো গুণ, শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

লাল টুকটুকে রূপের বাহার দেখে মন তো ভুলবেই। সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।এমন কোনও খাবার পেলে সকলেই চোখ ভরে দেখবেন ও মন ভরে খাবেন। টমেটো হচ্ছে তেমনই একটি সবজি, যা স্বাদে ও স্বাস্থ্যে একেবারে একে অপরকে টেক্কা দেয় বললেই চলে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টমেটোতে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানুষের হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে। মারণ রোগ ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে টমেটো।টমেটোর মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান নেই। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। উলটে শরীরে ভিটামিন সির জোগান বাড়বে। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর করোনার এই সময় তা কতটা জরুরি, সেকথা তো সবারই জানা। হাড়ের জোর বাড়ানোর ক্ষমতাও রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিনের উপস্থিতিতে আবার ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।কাঁচা খান বা পাঁকা, স্যুপ খান বা চাটনি বা সস, যেভাবে ইচ্ছা টমেটো খেতেই পারেন। কিন্তু এত গুণের পরিমাণ জেনে আবার যথেচ্ছ পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। পেটের সহ্য করার ক্ষমতা বুঝে তবেই স্বাদের কথা ভাববেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
স্বাস্থ্য

ফেব্রুয়ারির শুরুতে এক ধাক্কায় অনেকটাই কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকেই রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হুহু করে কমছে। রাজ্যে গত পাঁচ দিনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৮৩। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮১,০৪,৩৩৯ জনের। রাজ্যে মোট করোনা পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ১০৩। এবছর জানুয়ারির প্রথম দিকে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল গড়ে এক হাজারের উপরে। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৭৯। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৪। অর্থাৎ সরকারি বুলেটিন অনুযায়ী ক্রমশ কমছে করোনা সংক্রমণ।গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৪৯ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় ৪৮। হুগলিতে ১২, নদিয়াতে ১৬, পশ্চিম বর্ধমান ও দার্জিলিংয়ে ১১ জন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যান্য জেলায় কম-বেশি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ঝাড়গ্রাম জেলায় কেউ করোনা আক্রান্ত হয়নি। ঝাড়গ্রামে মোট করোনা আক্রান্ত ৩০৪১ জন। সব জেলার থেকে কম। আজ ওই জেলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য। অন্যদিকে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৫,৭১,২৮৫ জন। সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে কলকাতায়। আক্রান্তের সংখ্যা ১,২৮,১৩৮। উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,২২,০৭৮। হাওড়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫,৫৬৮। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১০,২০৩ জনের।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

শিশুদের জন্য প্রথম হাসপাতাল চালু হাওড়ায়

হাওড়া জেলায় পথম শিশু হাসপাতাল চাল্য হল। মাস কয়েক আগে বহির্বিভাগ চালু করা হলেও এদিন আন্তর্বিভাগও চালু করা হয়েছে। ২০টি শয্যার এই শিশু হাসপাতালে প্রসূতিদের জন্যও থাকছে শয্যা। এছাড়া রয়েছে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও। থাকছে শিশুদের পাঁচটি এনআইসিইউ। হাওড়া ময়দানে মহত্মা গান্ধী রোডে একটি তিনতলা ভবনে এই হাসপাতালটি তৈরি করা হয়েছে। দোতলায় রয়েছে অপারেশন থিয়েটার ও শিশু ও প্রসূতি বিভাগ। এদিন নবনির্মিত এই হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায় ও হাওড়া সদরের সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। উদ্বোধনের পর সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায় জানান, গরীব মানুষও যাতে এই হাসপাতালে শিশুদের চিকিৎসা করাতে পারেন তা দেখা হবে। পাশেই রাজ্য সরকারের নিজস্ব জায়গায় হাসপাতালটির আরও বড় পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও এদিন জানান তিনি। এই হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ছাড়াও গায়নোকোলজিস্টরা থাকবেন।ইন্ডিয়ান রেড ক্রস সোসাইটির সম্পাদক তথা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সুজয় চক্রবর্তী জানালেন, শিশুদের টাইফয়েড, হারনিয়ার মতো চিকিৎসা হবে। এছাড়াও শিশুদের স্পিচ থেরাপি, কাউন্সেলিংও হবে এখানে। হবে চামড়ার চিকিৎসা। এমনকী শিশুদের জটিল অস্ত্রোপচারও। সাংসদ তহবিলের ১০ লক্ষ টাকা অনুদান ও সমবায় দফতরের আর্থিক সাহায্যে এই হাসপাতালটি তৈরি হয়েছে। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যায় হাসপাতালটি তৈরি করা হল। ইন্ডিয়ান রেড ক্রস সোসাইটি ও রাজ্য সরকারের সমবায় দফতরের যৌথ উদ্যোগেই শিশু হাসপাতালটি তৈরি হল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

বর্ধমানে দুই তৃণমূল বিধায়কের করোনা টীকাকরণ নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে বিতর্কে পূর্ব বর্ধমান জেলার দুজন তৃণমূল বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। শনিবার সারা দেশের সঙ্গে রাজ্যে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের ভ্যাকসিন বা টিকাকরণ প্রক্রিয়ার কাজ শুরু হয়। এদিন ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিন নেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুভাষ মন্ডল ও প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। এছাড়াও কাটোয়াতে করোনার টিকা নিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপি অভিযোগ করেছে রোগী কল্যান সমিতির নাম করে এভাবে টীকা নেওয়া ঠিক হয়নি। প্রথম সারির যোদ্ধাদের আগে টিকাকরণ করার কথা। অন্যদিকে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও জনপ্রতিনিধিদের টিকাকরণ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ প্রকাশ করেছেন।তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া প্রসঙ্গে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এখনই যাঁদের করোনা ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত হয়নি তাঁরা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। আম্ফান এর মতোন এক্ষেত্রেও তালিকায় গন্ডগোল রয়েছে। এদিকে পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রনব রায় জানিয়েছেন, এই বিধায়করা রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্য। তাঁরা সরাসরি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। তাই তাঁদের টিকাকরণ করা হয়েছে। বর্ধমান জেলা তৃণমূল এর মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাসের বক্তব্য, টীকা নিয়ে কোন স্বজনপোষণ করা হয়নি। বিজেপি সব ক্ষেত্রেই অভিযোগ করে। এই বিধায়করা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এঁরা রোগী কল্যাণ সমিতির সঙ্গে যুক্ত।রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জনপ্রতিনিধিদের টীকাকরণ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সর্বপ্রথমে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টীকাকরণ করতে হবে। এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। টিকাকরণের সফটওয়্যারে একটা সমস্যা হয়েছে। তাই নির্দেশ ছিল জরুরি ভিত্তিতে তালিকা অনুযায়ী টীকা দিতে হবে। এটা ঠিক কাজ হয়নি বলেই তাঁরা মনে করেন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

নতুন বছরে বাংলায় হুহু করে কমছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, স্বস্তি স্বাস্থ্য দফতরের

নতুন বছরে হুহু করে কমছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা নতুন বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,১৫৩। তারপরে টানা সাত দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের নিচে রয়েছে। এই রাজ্যে শুক্রবার সরকারি বুলেটিন অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা ৯২৬। সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে কোভিড টেস্ট করা হয়েছিল ৩৬ হাজার ১৩৫ জনের। সব থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় ৪ জানুয়ারি আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছিল মাত্র ৫৯৭। সেদিন অবশ্য টেস্ট করা হয়েছিল ২৫,২৫৬ জনের।বিগত ১০ দিনের রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে শেষ সাত দিন রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক হাজারের নিচে। তার আগের তিন দিন ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজারের উপরে।একবার আক্রান্তের সংখ্যার তালিকা দেখে নেওয়া যাক। কোন দিন কতজন আক্রান্ত হয়েছেন।৩০ ডিসেম্বর ১,১৭৮৩১ ডিসেম্বর ১,১৭০১ জানুয়ারি ১,১৫৩২ জানুয়ারি ৮৬৩৩ জানুয়ারি ৮৯৬৪ জানুয়ারি ৫৯৭৫ জানুয়ারি ৮১২৬ জানুয়ারি ৮৬৮৭ জানুয়ারি ৯২১৮ জানুয়ারি ৯২৬এই রিপোর্ট অনুযায়ী এটা পরিস্কার জানুয়ারির প্রথম দিকে বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। কিন্তু ফের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে ওই কয়েকদিন টেস্টের সংখ্যাও অনেক কম ছিল। করেনা রিপোর্টে স্বস্তি বেড়েছে রাজ্যাে।রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৫৬০০৩৫ জন। কলকাতায় এখন পর্যন্ত আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১২৫১০৪, উত্তর ২৪ পরগনা রয়েছে তার পরেই। ওই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১১৮৮১৮, পাশের জেলা দক্ষিন ২৪ পরগনা, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬,৪৫৬। হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০৩২। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় করোনা সংক্রমণের প্রথমদিকে হাওড়ায় প্রবলভাবে প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।রাজ্যের ৬টি পরীক্ষা কেন্দ্রে টেস্টের পরিসংখ্যানঃনর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজ ২,৭৬,৩৫৯এসএসকেএম ২,৪১,৫৩৪আরজিকর মেডিকেল কলেজে ২,০৪,৫৪৪বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ১,৪৮,,৯৫নাইসেড ১,৫৪,৫৯৬মালদা মেডিকেল কলেজ ১,৮৪,৩৪৫রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কম রয়েছে গত কয়েক দিনে। করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯,৯২৩ জনের।

জানুয়ারি ০৯, ২০২১
স্বাস্থ্য

শীতে বাংলায় কমছে করোনার দাপট, স্বস্তি

কনকনে ঠান্ডায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে করোনার ভয়াবহ দাপট। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে দৈনিক করোনা সংক্রমণের বেশ খানিকটা হ্রাস পেয়েছে। বিগত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫১৫ জন। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ১,৯৭৮। এক ধাক্কায় কমেছে প্রায় পাঁচশো।সোমবার পর্যন্ত এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩৪৩। দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় এরাজ্যে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৪২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১২ হাজার ৩৯ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৫.১১ । আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও সেই হারে মৃত্যুহার কমেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রাজ্যে আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুলনামূলকভাবে আক্রান্তের হারের তুলনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বাংলায় মৃতের সংখ্যা বেশি। অ্যাক্টিভ কেসে অন্য জেলাগুলিকে পিছনে ফেলে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। মহানগরে মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪০০৯। যথারীতি কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩১৩৩)। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১০০৭), হুগলি (৮৭৪), হাওড়া (৮৬২), পূর্ব মেদিনীপুর (৭৪৪),পশ্চিম মেদিনীপুর (৬৫১),নদিয়া (৭৩৬)।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে আরও বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ১৫৫ জন। যার মধ্যে সর্বোচ্চ কলকাতায় (৫৩৯)। প্রত্যাশা মতোই তারপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সে জেলায় আক্রান্ত ৪৮৫ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি ও হাওড়াতেও অব্যাহত সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিন জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১২৯, ১৩৬ ও ১২১ জন। এদিকে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই লাগামছাড়া হয়ে পড়েছিল দার্জিলিংয়ের করোনা পরিস্থিতি। যদিও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একদিকে সেখানে আক্রান্ত ৭৩ জন। যদিও সংখ্যাটা গতকালের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৫০ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় আশা জোগাচ্ছে সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী হার গত কয়েকদিন ধরেই কমছে অ্যাকটিভ কেস। এদিনও ব্যতিক্রম হল না। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৬০ জনে। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭১৭ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৭ হাজার ৭০ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৮১। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৩ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৩২০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৭ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৬ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৭ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় আশা জোগাচ্ছে সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী হার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৩৯ জন। যার মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৫৯৫ এবং ৫২৪ জন। এরপরই তালিকায রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি ও হাওড়া। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিন জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৫৩, ১১৮ ও ১০০ জন। এদিকে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই লাগামছাড়া হয়ে পড়েছিল দার্জিলিংয়ের করোনা পরিস্থিতি। যদিও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একদিকে সেখানে আক্রান্ত ৪২ জন। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৩২ হাজার ৬৯৫ জন। গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬৫ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মোট করোনাজয়ী সংখ্যা পেরল ৫ লক্ষের গণ্ডি ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭২৯ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৪ হাজার ৩৫৩ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৬৮। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪২ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ২৭৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ৩৫৫ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৬ লক্ষ ২৩ হাজার ৮২০ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে মোট করোনাজয়ী সংখ্যা পেরল ৫ লক্ষের গণ্ডি

গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত ২২৪৫ জন, বুধবার যা ছিল ২২৯৩। দৈনিক সুস্থতার হারও বেশি। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭৪৭ জন। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৫ লক্ষ। সুস্থতার হার ৯৪.৫৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৪৪ জন, বুধবার যা ছিল ৪৪। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ২১১, যার মধ্যে এই মূহুর্তে অ্যাকটিভ করোনা রোগী ১৯,৫৯৭। এ নিয়ে বাংলায় করোনার থাবায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৯২৩৫। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অন্যদিকে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সুস্থতার হারে আশার আলো দেখাচ্ছে বাংলা। এ নিয়ে রাজ্যে করোনাজয়ীর সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৫ লক্ষ। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,৪৭৩টি, যার মধ্যে ৮.০৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৯২। এই পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়িয়ে, আরও দ্রুত করোনা রোগীকে চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করার লক্ষ্যে পরিকাঠামোর আরও উন্নতি হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। তবে এখনও সংক্রমণের শীর্ষে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা। এই দুই জেলায় এখনও অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ৪৬৫৮ এবং ৩৮৫৪। করোনাযুদ্ধে এগিয়ে তিন জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম। এই তিন জায়গাতেই করোনা রোগী একশোর কম।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৯৩ জন। যার মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৫৪৭ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম বর্ধমানের সংক্রমণের ছবিটাও বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৬৪ ও ১১২। হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায় একদিনে সংক্রমিত যথাক্রমে ১১৫, ১১৮ ও ১০৫ জন। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ২১১ জন। তবে গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২০ হাজার ১৪৩। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭৬৭ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনাজয়ী ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ৮৭৭ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৪৫ শতাংশ। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৬ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৯১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৬ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৯২ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৮৯ জন। যার মধ্যে সর্বাধিক সংক্রমিতের হদিশ মিলেছে উত্তর ২৪ পরগনায় (৫২৩)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা (৫০৩)।দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম বর্ধমানের সংক্রমণের ছবিটাও বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৬৪ ও ১২৩। গত ২৪ ঘণ্টায় আবার হাওড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটা নিম্নমুখী করোনায় দৈনিক সংক্রমণ সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৯১৮ জন। তবে গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬৬৩ জন। স্বস্তি দিয়ে বাড়ছে বাংলায় কোভিডজয়ীর সংখ্যাও। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৯৬৫ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ১১০ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৩৩। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৫ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৪৫ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১ হাজার ৫৬৯ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭৩৬ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটা নিম্নমুখী করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৩৪জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের। তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২৯৮০। এ নিয়ে বঙ্গে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৪.১৮ শতাংশ। রবিবারও রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৭১০। সেই তুলনায় সোমবার সংখ্যা কমল অনেকটাই। এ নিয়ে বাংলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ২১ হাজার ৭৯৫, যার মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২১, ৩৮৪। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ জন করোনার বলি হওয়ায় এ নিয়ে মৃতের সংখ্য়া দাঁড়াল ৯১০০। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার আর সুস্থ হয়েছেন রাজ্যের মোট ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৪৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩১, ৬৭১টি। এর মধ্যে ৮.১১ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিসংখ্যান অবশ্য এখনও উদ্বেগজনকই। তুলনায় করোনাযুদ্ধে উত্তর ২৪ পরগনা ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে সেখানে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৪২৬৯। কলকাতায় করোনা পজিটিভ রোগী ৫১৫৭।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫৮০ জন। তবে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার বলি ৪৭ জন, শনিবার তা ছিল ৪৪। একই সময়ে রাজ্যে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯৯৪ জন, যা দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এ নিয়ে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.৯৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দুদিনের তুলনায় সপ্তাহান্তে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেশ খানিকটা কম। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনায় আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১৯ হাজার ২১৫ জন, যার মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২২, ৫৭৩। শনিবারের তুলনায় অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমেছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বলি হয়েছেন ৯০৫৭। আর মোট সুস্থতার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯০ হাজার ১৬৫। আরও পড়ুন ঃ দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার খানিকটা বেশি করোনা সংক্রমণের শীর্ষে যথারীতি দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতায় এখনও অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। তুলনায় উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিসংখ্যান কিছুটা আশা জোগাচ্ছে। এখানে এই মুহূর্তে সাড়ে চার হাজারের সামান্য বেশি মানুষ করোনা পজিটিভ। করোনাযুুদ্ধে ভাল অবস্থানে রয়েছে দুই তিন জেলা কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, ঝাড়গ্রাম। তিন জেলাতেই করোনা পজিটিভের সংখ্যা ১০০র কম। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১,২১৮ টি, যার মধ্যে ৮.১২ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার খানিকটা বেশি

স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে ২৭১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪ জনের। তুলনায় অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯১৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনার বলি ৯০১০। করোনায় মোট আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১৬ হাজার ৫০৫, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২৩,০৩৪। পরিসংখ্যান বলছে, এ পর্যন্ত করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ১৭১ জন। আরও পড়ুন ঃ নিম্নমুখী রাজ্যের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা তবে সংক্রমণের শীর্ষে সেই কলকাতাই। এখানে এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৭৭১। ঠিক পিছনেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে করোনা পজিটিভ ২১৪২। সংক্রমণের গোড়া থেকেই এই দুই জায়গাই বারবার চিন্তিত করেছে বিশেষজ্ঞদের। বছরশেষেও সেই উদ্বেগ কমছে না। করোনাযুদ্ধে এগিয়ে দুই জেলা কালিম্পং ও ঝাড়গ্রাম। দুই জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে একশোর কম। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,১০৭ টি, যার মধ্যে ৮.১৪ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩,৪০,১৭১টি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

নিম্নমুখী রাজ্যের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২,৭৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৬৭৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথমে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৬৬৪ জন। ফের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে হাওড়া। নতুন করে সেখানকার ১৫৫ শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। এছাড়া অন্যান্য প্রায় সব জেলা থেকেই এদিন হদিশ মিলেছে নতুন আক্রান্তের। ফলে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫,১৬,৫০৫। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা এদিন মারণ করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার ৫০ জনের। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা। একদিনে করোনার বলি সেখানকার ১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ২, ৮৭৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৩৫ জন কলকাতার। উত্তর ২৪ পরগনার ৭৩৯ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৪, ৮৪, ২৫৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২, ১৩১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩, ৪০, ১৭১ জনের। বাংলায় মোট কোভিড হাসপাতাল রয়েছে ১০২টি। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১১, ০৭, ২২৫ জন। মোট সেফ হোমের সংখ্যা ২০০টি। সেখানে রয়েছেন ৪৮৬ জন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত, হঠাৎ সক্রিয় নির্বাচন কমিশন, কী ঘটতে চলেছে জানেন?

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার তৃতীয় ধাপ এখন শেষের পথে। বিহারে এই কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ চলছে। শুরুতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কবে শুরু হবে বা আদৌ সব রাজ্যে হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে এবং কমিশনও পরবর্তী পদক্ষেপে এগোতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ এখনও শুরু হয়নি, সেই সব জায়গার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের জন্য আগাম সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ পরিকাঠামো, কর্মী ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই গুছিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বাকি থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এই বিশেষ পরিমার্জনের কাজ শুরু হতে পারে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল করার উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।মেটা বিবরণ: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বিহারের পর বাকি রাজ্যগুলিতে এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে কাজ, প্রস্তুতির নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

ভিসা জট কাটছে অবশেষে, ভারত সফরের পথ খুলতেই স্বস্তি দুই দেশের মানুষের

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক। অন্তর্বর্তী পর্বের অবসান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। এই পরিবর্তনের পরই ভ্রমণ ভিসা-সহ বিভিন্ন ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক হতে চলেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কূটনৈতিক মহল। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় বিধিনিষেধ থাকায় সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েছিলেন এবং মূলত চিকিৎসা ভিসা ও সীমিত প্রবেশের ভিসাই দেওয়া হচ্ছিল।সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস জানান, ভ্রমণ ভিসা-সহ সব ধরনের ভিসা পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের অগস্ট মাস থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল, যার ফলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াতে বড় অসুবিধা তৈরি হয়। এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার ইঙ্গিত মিলছে।তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং দুই দেশের মানুষই এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাঁর কথায়, ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক নৈকট্য, বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথাও উল্লেখ করে তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ করার দিকেই দুই দেশ এগোতে চায়।প্রসঙ্গত, ছাত্র আন্দোলনের জেরে দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। পরে মুহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। সেই সময় আঞ্চলিক কূটনীতিতে নানা টানাপোড়েন দেখা দেয় এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও দূরত্ব তৈরি হয়। দীর্ঘ প্রায় সতেরো মাসের অস্থিরতার পর নতুন স্থায়ী সরকার গঠনের মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে বাংলাদেশে গম রপ্তানির উপর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ভারত, যা ইতিবাচক কূটনৈতিক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধীরে ধীরে আগের উষ্ণ অবস্থায় ফিরতে পারে এবং ভিসা পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়া সেই প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক, স্কুলের পাতে বাড়ছে ডিমে ভরা মধ্যাহ্নভোজ

স্কুলের মধ্যাহ্নভোজে বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে শিক্ষা মহল থেকে অভিভাবক সমাজসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে আলোচনা। এতদিন মাথাপিছু অল্প বরাদ্দের কারণে বহু স্কুলে সপ্তাহে একদিন গোটা ডিম দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ত। এবার ভোটের আগে রাজ্য সরকার বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা করায় পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে বলে মনে করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনই পড়ুয়াদের পাতে ডিম দেওয়া সম্ভব হবে, আর ডিম না মিললে মরসুমি ফল দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।এর আগে প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য মাথাপিছু প্রায় ছয় টাকা আটাত্তর পয়সা বরাদ্দ ছিল। চাল আলাদা করে দেওয়া হলেও ওই সামান্য অর্থে সবজি, ডাল, মশলা এবং রান্নার জ্বালানি জোগাড় করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হত স্কুল কর্তৃপক্ষকে। ফলে অনেক স্কুলে সপ্তাহে এক বা দুদিন ডিম দেওয়া যেত, আবার ডিমের দাম বাড়লে কোথাও আধখানা ডিম দিয়েও পরিস্থিতি সামাল দিতে হত। দীর্ঘদিন ধরেই বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।অবশেষে বাড়তি প্রায় আটাত্তর কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অতিরিক্ত অর্থে মাসে অন্তত বারো দিন পড়ুয়াদের ডিম বা মরসুমি ফল দেওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের মুখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। তবে সাধারণ পড়ুয়া ও অভিভাবকদের বড় অংশ বলছেন, কারণ যাই হোক, এতে শিশুদের পুষ্টি ও খাবারের মান বাড়বে, যা অত্যন্ত জরুরি।বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মরসুমি ফল নিয়মিত দেওয়া কতটা সম্ভব তা নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকলেও শিক্ষকদের মতে, বাড়তি বরাদ্দে অন্তত সপ্তাহে আরও কয়েকদিন ডিম দেওয়া সম্ভব হবে। বহু পরিবারেই শিশুদের পুষ্টির বড় অংশ নির্ভর করে স্কুলের খাবারের উপর, তাই এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি মিলেছে বলে মত অভিভাবকদের। অনেকেই হাসিমুখে বলছেন, যদি এমন সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়াদের খাবারের মান বাড়ে, তবে ভোট এলেও আপত্তি নেই। এতে নিরামিষ পাতে অন্তত কিছুটা আমিষ ও পুষ্টির যোগান বাড়বে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

দল ছাড়ছেন দীপ্সিতা? সদস্যপদ নবীকরণ ঘিরে তীব্র জল্পনা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বাম রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তরুণ নেত্রী দীপ্সিতা ধর তাঁর দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ এখনও না করায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন দলের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ থেকেই এই দূরত্ব, আবার কেউ বলছেন বিষয়টি সম্পূর্ণই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। যদিও দীপ্সিতা নিজে সমস্ত জল্পনাকে রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন সদস্যপদ নবীকরণের জন্য মার্চ মাস পর্যন্ত সময় রয়েছে।দলীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণ করা যায়। সাধারণত এই সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ সদস্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন। আবেদন প্রথমে জেলা স্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় এবং ধাপে ধাপে তা সম্পন্ন হয়। তবে দলীয় সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারির অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও দীপ্সিতার নবীকরণ হয়নি। এদিকে নির্বাচনের সম্ভাব্য ঘোষণা সামনে থাকায় আপাতত সংগঠনের কাজের গতি কিছুটা থমকে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে তিনি আদৌ সদস্যপদ চালিয়ে যেতে চান কি না।দীপ্সিতা জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনার সময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় এ থাকাকালীন দলের সদস্য হন এবং সেই সূত্রে তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ দিল্লিতেই হওয়ার কথা। তাই রাজ্যে নবীকরণ না হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সময় শেষ হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে অযথা জল্পনা ছড়ানো হচ্ছে। তবে মার্চের মধ্যে নতুন করে ফর্মে সই করবেন কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতীক উর রহমান এর পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, দলের সমালোচনা মানেই দলবিরোধী অবস্থান নয়। এতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইদানিং দলীয় কর্মসূচিতে দীপ্সিতাকে তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। এমনকি বিতর্কসভা ও মিছিলেও তাঁর উপস্থিতি কমেছে। ২০২৪ সালে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজয়ের পর কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।অন্যদিকে একই প্রজন্মের নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি করে চলেছেন। দীপ্সিতার এলাকাতেও তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভবিষ্যতে কি নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন দীপ্সিতা? নাকি সবটাই সাময়িক দূরত্ব? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

ভোটের আগে টাকা বিলি নিয়ে কড়া প্রশ্ন, শীর্ষ আদালতের মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়

ভোটের আগে নগদ সহায়তা ও বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্প ঘোষণা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলল দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার এই ধরনের প্রকল্পকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর নেতৃত্বে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলি-র বেঞ্চ জানতে চায়, ভোটের আগে কেন বিভিন্ন রাজ্য সরকার হঠাৎ করে নগদ অর্থ বা সুবিধা দেওয়ার প্রকল্প চালু করে। আদালতের মতে, এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রভাব ফেলতে পারে এবং এতে তোষণের রাজনীতির ইঙ্গিতও রয়েছে।এদিন তামিলনাড়ু-এর একটি মামলার শুনানির সময় এই প্রশ্ন ওঠে। বিদ্যুৎ সংশোধনী নিয়মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তামিলনাড়ু পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড মামলা দায়ের করেছিল। সেই শুনানির মধ্যেই বিনামূল্যে পরিষেবা ও নগদ সহায়তা দেওয়ার রাজনীতি নিয়ে আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে। বিচারপতিরা মন্তব্য করেন, ভোটের আগে হঠাৎ উন্নয়নমূলক প্রকল্প ঘোষণা করা হলে তা মানুষের কর্মপ্রবণতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আদালত আরও জানায়, কে বিল দিতে সক্ষম আর কে নয়, সেই বিভাজন তৈরি করা সহজ নয় এবং এই সংস্কৃতি নিয়ে আদালত উদ্বিগ্ন।এই মন্তব্য এমন সময় সামনে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গ-এ সম্প্রতি যুব সহায়তা প্রকল্পে বেকারদের নগদ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা হয়েছে এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অর্থের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, মধ্য প্রদেশ ও ছত্তিসগঢ়-সহ একাধিক রাজ্যেই ভোটের আগে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রকল্প সামনে এসেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভময় মৈত্র মনে করেন, আদালতের পর্যবেক্ষণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, দেশের সম্পদ সঠিকভাবে বণ্টন হলে মানুষের আর্থিক কষ্ট অনেকটাই কমতে পারত। তবে রাজনৈতিক বাস্তবতায় তা সবসময় সম্ভব হয় না। তিনি বলেন, আর্থিক সহায়তা মানুষের জন্য উপকারী হলেও দীর্ঘমেয়াদে কর্মসংস্থান ও আয়ের স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরি করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

পালানোর ছক ভেস্তে গেল শেষ মুহূর্তে, ইউরোপে যাওয়ার আগেই গ্রেপ্তার বাংলাদেশের ছাত্রনেতা

দুই হাজার চব্বিশ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ-এর পরিস্থিতি। সেই অশান্ত সময়ে এক হিন্দু পুলিশ কর্মী সন্তোষ চৌধুরি-কে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে এক ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক ছিলেন। অবশেষে তাঁকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি নামে ওই ছাত্রনেতা বাংলাদেশের পুলিশের খাতায় ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত ছিলেন এবং ভারতে আত্মগোপন করে ছিলেন। দিল্লি থেকে ইউরোপে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দরেই তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। যদিও ঠিক কবে তিনি গ্রেপ্তার হন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।জানা যায়, হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর ছিলেন সন্তোষ চৌধুরি। দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট থানার মধ্যেই তাঁকে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং পরে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে তাঁর দগ্ধ দেহ একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়, যা ঘিরে দেশ-বিদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।তদন্তে সন্তোষের খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে মেহেদির নাম সামনে আসে। এমনকি একটি ভিডিও বার্তায় নিজের জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেছিলেন বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারিকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় নতুন করে বিচারপ্রক্রিয়া এগোবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সরকার, ভারত ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই সক্রিয় চিনের দূত

দীর্ঘ সতেরো মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অবশেষে বাংলাদেশ-এ নতুন স্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। শপথ গ্রহণের দিনই ভারতের পক্ষ থেকে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করে নরেন্দ্র মোদী-র আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন বলে সূত্রের খবর। চিঠিতে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।এই ঘটনার পরই ঢাকায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছেন। জানা গিয়েছে, তিনি পৃথক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের আবেদন জানান। দ্রুত এই বৈঠক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রককে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধও করেছেন তিনি।অন্যদিকে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার বর্মা-ও নতুন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় চান। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানের পর ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রী-সহ দূতাবাসের অন্যান্য আধিকারিকরা। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। হাসিনা পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন মোড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং তা আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।এই পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী চিন ও পাকিস্তান-এর উদ্বেগ বাড়ছে বলেও কূটনৈতিক মহলের ধারণা। নতুন সরকারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের জন্য চিনা রাষ্ট্রদূতের চিঠিকে তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এর আগেও চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি চিন আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাতের অনুরোধ করেছিল, কিন্তু শপথ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস তেরোটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ভারত-সহ একাধিক দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সেই অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দিল্লি ও ঢাকার নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে এআই মহাসম্মেলন, মোদীর সতর্কবার্তা—ডিপফেক থামাতে চাই ‘অথেনটিসিটি লেবেল’

তীব্র কৌতূহল ও আন্তর্জাতিক নজরের মধ্যেই রাজধানী দিল্লির ভারত মণ্ডপমে শুরু হল বিশ্বজুড়ে আলোচিত এআই সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন এই সামিটের মূল পর্ব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ, প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব বিল গেটস, গুগলের প্রধান সুন্দর পিচাই এবং ওপেনএআই প্রতিষ্ঠাতা স্যাম অল্টম্যান সহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা। দিল্লির ভারত মণ্ডপম প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সম্মেলনকে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বৈঠক বলে দাবি আয়োজকদের।ছয় দিনের এই সম্মেলন সোমবার শুরু হলেও বৃহস্পতিবার থেকে মূল আলোচনা ও নীতিগত পর্ব শুরু হয়েছে। সর্বজনের কল্যাণ ও সুখকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন এর আগে ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ফ্রান্স-এ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আয়োজকদের মতে, পাঁচশোর বেশি বৈশ্বিক এআই বিশেষজ্ঞ ও শিল্পনেতার অংশগ্রহণে এটি নতুন রেকর্ড গড়তে পারে এবং প্রযুক্তি নীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।উদ্বোধনী ভাষণে ভারত-এর অবস্থান স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এআই নিয়ে বিশ্বে ভয় ও সম্ভাবনাএই দুই ধরনের মনোভাব দেখা যাচ্ছে। তবে ভারত এই প্রযুক্তিতে বিশাল সুযোগ দেখছে এবং দেশের তরুণ প্রজন্ম দক্ষতা দিয়ে সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে। সম্মেলনে তিনটি ভারতীয় সংস্থা নিজেদের তৈরি এআই মডেল ও নতুন পণ্যও প্রকাশ করেছে।প্রধানমন্ত্রী ডিপফেক ও বিকৃত তথ্যের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে বলেন, ডিজিটাল কনটেন্টে খাবারের প্যাকেটের মতো সত্যতা যাচাইয়ের লেবেল থাকা দরকার। এতে সাধারণ মানুষ সহজেই আসল ও নকল আলাদা করতে পারবেন। তিনি জলছাপ প্রযুক্তি ও স্পষ্ট উৎস মানদণ্ড তৈরির ওপর জোর দেন এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এআইকে শিশু-বান্ধব করার আহ্বান জানান।ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান মানবকেন্দ্রিক হবে বলে মন্তব্য করে তিনি জানান, দক্ষতাই হবে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। অনেক দেশ এআইকে কৌশলগত সম্পদ হিসেবে গোপনে উন্নয়ন করলেও ভারতের লক্ষ্য জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া, যাতে কোটি কোটি তরুণের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, এআই শুরু হওয়ার সময় এত কর্মসংস্থান তৈরি হবে তা কেউ কল্পনাও করেনি, আর এর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে মানুষের দায়িত্বশীল ব্যবহারের উপর। মানুষ ও বুদ্ধিমান প্রযুক্তির যৌথ কাজ আগামী দিনের নতুন অর্থনীতি গড়ে তুলবে বলেও মত তাঁর।প্রধানমন্ত্রী এআই মানব দর্শনের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে নৈতিকতা, দায়িত্বশীল শাসন, জাতীয় নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং বৈধ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মানুষ যেন শুধু ডেটা সরবরাহকারী হয়ে না পড়ে, বরং প্রযুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে মানুষকেই রাখতে হবে। জিপিএস পথ দেখালেও কোন পথে চলতে হবে সেই সিদ্ধান্ত মানুষেরএই উদাহরণ টেনে তিনি প্রযুক্তির সচেতন ব্যবহারের বার্তা দেন।বিশ্বজুড়ে এআই নিয়ে প্রতিযোগিতা ও উদ্বেগের মধ্যেই দিল্লির এই সম্মেলন ভারতের ভবিষ্যৎ কৌশল ও বৈশ্বিক সহযোগিতার দিশা স্পষ্ট করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এই বৈঠক ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নীতি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal