• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

কন্যা

রাশিফল

পিতার কাছ থেকে উপহার লাভ তুলার, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২ পৌষ ( ১৮ ডিসেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ পেতে পারেন। বৃষঃ সাংবাদিক ও প্রকাশকদের নতুন কাজের দায়িত্ব লাভের যোগ। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ সকালের দিকে কোনো বন্ধু বা ভাই এর কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন। কন্যা ঃ ঠিকাদারী কাজে প্রভাবশালী ব্যক্তির সাহায্য কাজে আসবে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ শিক্ষা ও গবেষণা সংক্রান্ত কাজের জন্য সম্মানিত হওয়ার সম্ভাবনা। ধনু ঃ কোনও বন্ধু বা পরিচিত জনের কাছ থেকে কিছু অর্থ ধার করতে হবে। মকর ঃ ব্যবসায়ীদের আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ সৃজনশীল পেশার সঙ্গে জড়িতদের সময় ভালো যাবে না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
রাশিফল

 বকেয়া টাকা আদায় মিথুনের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৩০ অগ্রহায়ণ ( ১৬ ডিসেম্বর) বুধবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাশিফল

ধর্মের কথা আলোচনায় সুনাম সিংহের, অন্যান্য রাশির কি হবে মঙ্গল ?

২৯ অগ্রহায়ণ ( ১৫ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ নতুন কোনও বন্ধু লাভের যোগ। বৃষঃ ভুল সিদ্ধান্ত আপনার ভাল সময়কে নষ্ট করতে পারে। মিথুন ঃ সকাল থেকে ভাইয়ের সঙ্গে অশান্তি বাড়তে পারে। কর্কট ঃ নিজের প্রতিভা ফুটিয়ে তোলার আজ বিশেষ দিন। সিংহ ঃ ধর্মের কথা আলোচনায় আজ আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। কন্যা ঃ প্রিয় কোনও বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে। তুলাঃ জলপথে বেড়াতে না যাওয়াই ভাল হবে। বৃশ্চিক ঃ পরিশ্রম সত্ত্বেও সংসারে অভাব অনটন থাকবে। ধনু ঃ আজ কর্মক্ষেত্রে আপনি মিশ্র ফল পাবেন। মকর ঃ নিজের পর্যাপ্ত উপায়ের সঙ্গে বাড়তি উপায়ের সম্ভাবনা আছে। কুম্ভ ঃ অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা আসবে। মীন ঃ মাবাবার সঙ্গে কোনও কারণে বিরোধ।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাশিফল

বকেয়া টাকা আদায় মিথুনের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

২৮ অগ্রহায়ণ ( ১৪ ডিসেম্বর) সোমবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাশিফল

জলপথে বিপদ তুলার, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ছুটির দিন ?

২৭ অগ্রহায়ণ ( ১৩ ডিসেম্বর) শনিবার মেষ ঃ নতুন কোনও বন্ধু লাভের যোগ। বৃষঃ ভুল সিদ্ধান্ত আপনার ভাল সময়কে নষ্ট করতে পারে। মিথুন ঃ সকাল থেকে ভাইয়ের সঙ্গে অশান্তি বাড়তে পারে। কর্কট ঃ নিজের প্রতিভা ফুটিয়ে তোলার আজ বিশেষ দিন। সিংহ ঃ ধর্মের কথা আলোচনায় আজ আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। কন্যা ঃ প্রিয় কোনও বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে। তুলাঃ জলপথে বেড়াতে না যাওয়াই ভাল হবে। বৃশ্চিক ঃ পরিশ্রম সত্ত্বেও সংসারে অভাব অনটন থাকবে। ধনু ঃ আজ কর্মক্ষেত্রে আপনি মিশ্র ফল পাবেন। মকর ঃ নিজের পর্যাপ্ত উপায়ের সঙ্গে বাড়তি উপায়ের সম্ভাবনা আছে। কুম্ভ ঃ অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা আসবে। মীন ঃ মাবাবার সঙ্গে কোনও কারণে বিরোধ।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাশিফল

জমিজমায় বিনিয়োগ মেষের, অন্যান্য রাশিদের কেমন কাটবে দিন ?

২৫ অগ্রহায়ণ ( ১১ ডিসেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ জমিজমায় বিনিয়োগ করা লাভদায়ক হবে। বৃষঃ ভালবাসার মানুষের সঙ্গে আজ দেখা হবে। মিথুন ঃ বিনিয়োগ করলে প্রভূত লাভের সম্ভাবনা। কর্কট ঃ কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন। সিংহ ঃ আর্থিক লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা। কন্যা ঃ গুরুজনদের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখুন। তুলাঃ প্রেমে জোরালো আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা। বৃশ্চিক ঃ অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ধনু ঃ খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করুন। মকর ঃ অতিরিক্ত চিন্তায় ক্ষতির আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ বন্ধুদের থেকে সহায়তা লাভ করবেন। মীন ঃ অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাশিফল

ভাইয়ের সঙ্গে অশান্তি মিথুনের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২৪ অগ্রহায়ণ ( ১০ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ নতুন কোনও বন্ধু লাভের যোগ। বৃষঃ ভুল সিদ্ধান্ত আপনার ভাল সময়কে নষ্ট করতে পারে। মিথুন ঃ সকাল থেকে ভাইয়ের সঙ্গে অশান্তি বাড়তে পারে। কর্কট ঃ নিজের প্রতিভা ফুটিয়ে তোলার আজ বিশেষ দিন। সিংহ ঃ ধর্মের কথা আলোচনায় আজ আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। কন্যা ঃ প্রিয় কোনও বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে। তুলাঃ জলপথে বেড়াতে না যাওয়াই ভাল হবে। বৃশ্চিক ঃ পরিশ্রম সত্ত্বেও সংসারে অভাব অনটন থাকবে। ধনু ঃ আজ কর্মক্ষেত্রে আপনি মিশ্র ফল পাবেন। মকর ঃ নিজের পর্যাপ্ত উপায়ের সঙ্গে বাড়তি উপায়ের সম্ভাবনা আছে। কুম্ভ ঃ অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা আসবে। মীন ঃ মাবাবার সঙ্গে কোনও কারণে বিরোধ।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাশিফল

অতিরিক্ত চিন্তায় ক্ষতি মকরের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২৩ অগ্রহায়ণ ( ৯ ডিসেম্বর) বুধবার মেষ ঃ জমিজমায় বিনিয়োগ করা লাভদায়ক হবে। বৃষঃ ভালবাসার মানুষের সঙ্গে আজ দেখা হবে। মিথুন ঃ বিনিয়োগ করলে প্রভূত লাভের সম্ভাবনা। কর্কট ঃ কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন। সিংহ ঃ আর্থিক লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা। কন্যা ঃ গুরুজনদের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখুন। তুলাঃ প্রেমে জোরালো আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা। বৃশ্চিক ঃ অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ধনু ঃ খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করুন। মকর ঃ অতিরিক্ত চিন্তায় ক্ষতির আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ বন্ধুদের থেকে সহায়তা লাভ করবেন। মীন ঃ অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাশিফল

আর্থিক উন্নতি ধনুর, অন্যান্য রাশির কি হবে মঙ্গল ?

২২ অগ্রহায়ণ ( ৮ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ চাকরিজীবীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। বৃষঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। মিথুন ঃ কোনো বন্ধু বা আত্মীয়র মৃত্যু সংবাদ পেতে পারেন। কর্কট ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ আজ আপনার টাকা হারিয়ে ফেলতে পারেন। কন্যা ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। তুলাঃ যানবাহন চুরি যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ মুদ্রণ ও প্রকাশনা ব্যবসায় অহেতুক বাধা-বিপত্তি অব্যাহত থাকবে। ধনু ঃ আর্থিক অবস্থার উন্নতি আশা করা যায়। মকর ঃ জীবন সাথীর সাথে ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলতে হবে। কুম্ভ ঃ আয় রোজগার ব্যহত হতে পারে। মীন ঃ ব্যবসা বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার আশা করতে পারেন।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাশিফল

অসুস্থতা থেকে মুক্তি মীনের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

২১ অগ্রহায়ণ ( ৭ ডিসেম্বর) সোমবার মেষ ঃ জমিজমায় বিনিয়োগ করা লাভদায়ক হবে। বৃষঃ ভালবাসার মানুষের সঙ্গে আজ দেখা হবে। মিথুন ঃ বিনিয়োগ করলে প্রভূত লাভের সম্ভাবনা। কর্কট ঃ কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন। সিংহ ঃ আর্থিক লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা। কন্যা ঃ গুরুজনদের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখুন। তুলাঃ প্রেমে জোরালো আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা। বৃশ্চিক ঃ অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ধনু ঃ খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করুন। মকর ঃ অতিরিক্ত চিন্তায় ক্ষতির আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ বন্ধুদের থেকে সহায়তা লাভ করবেন। মীন ঃ অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
রাশিফল

আইনগত জটিলতা ধনুর, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ছুটির দিন ?

২০ অগ্রহায়ণ ( ৬ ডিসেম্বর) রবিবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাশিফল

বিপদ থেকে উদ্ধার কর্কটের, অন্যান্য রাশির কি কপালে শনি ?

১৯ অগ্রহায়ণ ( ৫ ডিসেম্বর) শনিবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাশিফল

বিপদ থেকে উদ্ধার কর্কটের, অন্যান্য রাশির কি কপালে শনি ?

১৯ অগ্রহায়ণ ( ৫ ডিসেম্বর) শনিবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
রাশিফল

বিদেশ যাত্রার সুযোগ সিংহের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন?

১৮ অগ্রহায়ণ ( ৪ ডিসেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ বাড়িতে বহু আত্মীয় স্বজনের আগমন হতে পারে। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ ঠিকাদারী কাজে প্রভাবশালী ব্যক্তির সাহায্য কাজে আসবে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ কোনও বন্ধু বা পরিচিত জনের কাছ থেকে কিছু অর্থ ধার করতে হবে। মকর ঃ জীবন সাথীর সাথে দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। কুম্ভ ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাশিফল

বিদেশ যাত্রার সুযোগ সিংহের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন?

১৭ অগ্রহায়ণ ( ৩ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাশিফল

প্রেমে অপমান  বৃষের, অন্যান্য রাশির ভাগ্যে কি আছে প্রাপ্তি ?

১৬ অগ্রহায়ণ ( ২ ডিসেম্বর) বুধবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
রাশিফল

বকেয়া টাকা আদায় মিথুনের, অন্যান্য রাশির কি হবে মঙ্গল?

১৫ অগ্রহায়ণ ( ১ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাশিফল

ভাল কাজের জন্য প্রশংসা কুম্ভের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

১৪ অগ্রহায়ণ ( ৩০ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাশিফল

প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি কর্কটের, অন্যান্য রাশির ছুটির দিন কেমন কাটবে?

১৩ অগ্রহায়ণ ( ২৯ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ মায়ের সাহায্য আশা করতে পারেন। বৃষঃ ছোট ভাই বোনের সাফল্যে আনন্দ পাবেন। মিথুন ঃ বকেয়া টাকা পয়সা আদায় হবে। কর্কট ঃ প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। সিংহ ঃ বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসতে পারে। কন্যা ঃ বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। তুলাঃ পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার লাভের সুযোগ আসবে। বৃশ্চিক ঃ উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সাফল্য আশা করতে পারেন। ধনু ঃ আইনগত জটিলতা নিয়ে চিন্তিত হবার আশঙ্কা। মকর ঃ অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। কুম্ভ ঃ কোনও মূল্যবাণ দ্রব্যাদি হারিয়ে ফেলতে পারেন। মীন ঃ পরীক্ষার্থীরা কোনও পরীক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাশিফল

বিপদ থেকে উদ্ধার কর্কটের, অন্যান্য রাশির কপালে কি শনি?

১২ অগ্রহায়ণ ( ২৮ নভেম্বর) শনিবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার একেবারে কাছে ভারতের নতুন বিমানঘাঁটি, এবার কী বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে সেনা?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। গত বছর চালু হয়েছে লাদাখের নোওমা বিমানঘাঁটি। সীমান্তে যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কথা মাথায় রেখেই বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই বিমানঘাঁটি। সেনা সূত্রে খবর, কৌশলগত দিক থেকে ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটি।২০২১ সালে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানঘাঁটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২১৪ কোটি টাকা। অনুমোদন পাওয়ার পরেই শুরু হয় নির্মাণের কাজ। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে গত বছর চালু হয় এই বিমানঘাঁটি।লাদাখের নোওমা অঞ্চল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই অবস্থিত। সেই কারণে এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব অনেকটাই বেশি। সীমান্তে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত সেখানে পৌঁছতে পারবেন বায়ুসেনার কর্মীরা। পাশাপাশি উত্তর সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও সহজে পৌঁছনো সম্ভব হবে।লাদাখের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থলপথে যাতায়াত বেশ কঠিন। বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে অনেক সময় সেনার কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে সমস্যা হয়। নোওমা বিমানঘাঁটি চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা এবং সেনার দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই বিমানঘাঁটি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘খুব তাড়াতাড়ি জেলে যাবেন অভিষেক’, কালীঘাটের অশান্তির পর বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, খুব তাড়াতাড়ি জেলে যেতে হতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। শনিবার কল্যাণীতে সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করতে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ির সামনে রাতভর উত্তেজনা এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার প্রসঙ্গ উঠতেই এই দাবি করেন শান্তনু।বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত কল্যাণী বিধানসভা। ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। এত দিন কল্যাণী-সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে বা বিভিন্ন কাজের জন্য বনগাঁয় যেতে হত। সেই সমস্যা দূর করতেই কল্যাণীতে নতুন সাংসদ কার্যালয় চালু করলেন তিনি।শনিবার কল্যাণীর নিমতলা এলাকায় একটি শপিং মলের কাছে এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন শান্তনু। অনুষ্ঠানে শতাধিক দুঃস্থ ও অসহায় মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য হুইলচেয়ারও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন সাংসদ কার্যালয় থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এর পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শান্তনু বলেন, খুব তাড়াতাড়ি গ্রেফতার হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপ্রতিমা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে দাবি। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে দেখতে পেয়ে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় পুলিশকর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়।অভিষেক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়ির নীচে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে।শুক্রবার রাতের ঘটনার রেশ গড়ায় শনিবারেও। দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে মাইক নিয়ে দুবার বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।এই পরিস্থিতিতে শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আমার ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে! অভিষেকের বাড়ির সঙ্গে হুঙ্কার মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী জোটে থাকার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নাম না করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপুজোর প্রতিমা আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর ব্যানার ও কাটআউটও ছিঁড়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে সামনে দেখে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পাল্টা স্লোগানেও উত্তেজনা বাড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।অভিষেকও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির সামনে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোর ৬টা নাগাদ তিনি বাড়ির ভিতরে যান।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকায় তখন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার অভিযোগ, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এমনকি অভিষেকের বাড়িতে ঢোকার পথ আটকে নতুন করে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে অকারণে হেনস্থা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে প্রতিবাদে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ভাবে কাউকে হেনস্থা করা উচিত নয়।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিরোধী জোট বলে বাস্তবে কিছু নেই। তাই সেই জোটে থাকার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই মনে করেন তিনি।রাতের বেলা রাস্তায় কেন জন্মদিন পালন করা হচ্ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

‘কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে...’, কালীপুজোর আগে বিস্ফোরক মমতা, পাল্টা তোপ বিজেপির

কালীপুজোর আগের দিন ফের উত্তপ্ত কালীঘাট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত থেকে তাঁর বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শনিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। এমনকি কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, মমতা ও অভিষেকের বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।শুক্রবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগও ওঠে।শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মমতা। হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। পাশে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাস্তা ফাঁকা রাখার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যাঁরা অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন, তাঁদের স্বাগত। তবে কাউকে রাস্তা আটকে জমায়েত করা যাবে না। প্রতিমা নিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা খোলা রাখতে হবে।মমতা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা ফাঁকা করে দিন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের শাঁখা ভাঙার অভিযোগও তোলেন তিনি।পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বাড়ির সামনে লাগানো ব্যারিকেড সরানোর দাবিও জানান। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের পদত্যাগও দাবি করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক দিকে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্য দিকে মামলা করা হচ্ছে। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে এক দিন দলটি রাজনৈতিক ভাবে বড় সমস্যায় পড়বে। তাঁর দাবি, এ ভাবে অশান্তি তৈরি করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানান তিনি।অন্য দিকে, মমতার অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূলই কালীপ্রতিমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিল। এখন ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।দেবজিৎ আরও দাবি করেন, অভিষেকের জন্মদিনে কেক কাটা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। কে কেক কাটবেন, তা নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল শুরু হয় বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, এই ঘটনার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী।বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, তাঁর মতে, বিরোধী জোটের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই। রাতে কেন রাস্তার উপর জন্মদিন পালন করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এ দিকে, শুক্রবার রাতের ঘটনার পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেডও।কালীঘাটে এই উত্তেজনার জেরে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ থাকায় দোকানদারদের ক্ষতি হচ্ছে। কালীপ্রতিমা বিক্রেতারাও ক্রেতাদের কাছে প্রতিমা পৌঁছে দিতে পারছেন না। ফলে কালীপুজোর মুখে কালীঘাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তৃণমূল ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির কালীপুজো ঘিরেও অশান্তি! কালীঘাটে রাস্তা আটকে পুজো, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর বড় হুঁশিয়ারি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজো ঘিরে। কালীঘাটে নিজের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে নতুন নতুন কালীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজনে বাধা দেওয়া হলেও রাতারাতি নতুন পুজো শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুরে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় কালীঘাটে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাঝরাতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীমূর্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন দুপক্ষের লোকজন।এর মধ্যেই অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুপক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তবে অভিষেকের অনুগামীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। সেই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেই সময়ও কালীঘাটে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।মমতার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে ক্লাবগুলি কালীপুজোর আয়োজন করে আসছে, তাদের পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বাড়িতে ঢোকার রাস্তাও কার্যত আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এ ভাবে অশান্তি চলতে থাকলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। মমতার কথায়, আমি দরকার হলে আবারও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়ব।অভিষেকের বাড়ির সামনে জন্মদিন পালন ঘিরে রাতভর উত্তেজনা এবং তার পর মমতার বাড়ির কালীপুজো নিয়ে নতুন বিতর্কপরপর এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাটে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

ইন্দিরার জরুরি অবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া! সঞ্জয় গান্ধীকে একা দায়ী করতে নারাজ, ফাঁস করলেন কী?

১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সেই সময়কে আজও কালো অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়। এ বার সেই জরুরি অবস্থা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর দাবি, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল ঠিকই, তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সংবিধান মেনেই। পাশাপাশি, জরুরি অবস্থার সময় হওয়া সমস্ত ভুলের জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ী করতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতি তৈরির পিছনে অনেক প্রবীণ নেতা ও আমলারও ভূমিকা ছিল।আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ। বই প্রকাশের আগে একটি সাক্ষাৎকারে জরুরি অবস্থা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।সোনিয়া বলেন, জরুরি অবস্থার পর তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সেই সময় কত বড় ঘটনা ঘটেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই কাজ করা হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।জরুরি অবস্থার সময়কার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় গান্ধীর প্রসঙ্গও তোলেন সোনিয়া। তাঁর মতে, সেই সময়ের সমস্ত ঘটনার জন্য শুধু সঞ্জয়কে দায়ী করা ঠিক নয়। জরুরি অবস্থার সঙ্গে সঞ্জয়ের নাম জড়িয়ে থাকলেও, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল।সোনিয়ার দাবি, সেই সময় দেশে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছিল। সরকারি দফতর ও বাসে আগুন লাগানো হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছিল। এমনকি সরকারি আধিকারিক ও সেনাকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্দিরা গান্ধীকে প্রবল চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। একাধিক প্রবীণ নেতা ও আমলার তরফেও তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি সোনিয়ার।সেই সময় রাজীব গান্ধীও মায়ের সঙ্গে সব বিষয়ে একমত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সোনিয়া। তাঁর কথায়, রাজীব সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা ইন্দিরা গান্ধীকে জানাতেন। শেষ পর্যন্ত ইন্দিরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেন।সোনিয়া আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চে নিজেই লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল জরুরি অবস্থা। পরে জরুরি অবস্থার সময় হওয়া বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যে অনুতাপও জানিয়েছিলেন ইন্দিরা। ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেই পরিস্থিতির অবসান হয়েছিল।একই সাক্ষাৎকারে গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সোনিয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা কি ভুলে গিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী? তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। প্রায় ২১ মাস পর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাব নিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। সোনিয়া গান্ধীর নতুন মন্তব্যে সেই পুরনো বিতর্কই আবার সামনে এল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পাস দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! বাবার নাম করেই দায় এড়ালেন ইন্দ্রনীলের মেয়ে?

পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কসবার বাড়ি এবং চন্দননগরের বাংলোয় তল্লাশি চালাল লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল। শুধু তল্লাশিই নয়, ইন্দ্রনীলকে সঙ্গে নিয়েই দুই জায়গায় পৌঁছন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির অভিযোগের তদন্তে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার তাঁকে কসবার বহুতলে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তাঁর উপস্থিতিতেই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এরপর ইন্দ্রনীলকে নিয়ে চন্দননগরের বাংলোয় পৌঁছন গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে তল্লাশি।লালবাজারের এক কর্তার দাবি, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার সঙ্গে এই লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। ওই সংস্থাগুলির বেশ কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে জেরায় জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। তাঁর দুটি সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন কী কারণে হয়েছিল, তা জানতে আভেরিকে প্রশ্ন করেন গোয়েন্দারা। পুজোর প্রিভিউ পাস এবং পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দুটি সংস্থার নথিও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।জেরার মুখে আভেরি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছু জানেন। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি শুধু সেটুকুই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি।এর আগে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাকেও লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনিও গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীই সব কিছু জানতেন। তিনি কিছু জানতেন না।অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের দাবি, মাস আর্টের সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভই সমস্ত লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় টাকা লেনদেন হত বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইন্দ্রনীলের বক্তব্য, এই দুর্নীতির মূল মাথা শুভ। যদিও তাঁর এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন শুভ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লেনদেনের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় ইন্দ্রনীল-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতিদমন আইনের ধারাও যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সাতসকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে চমকে উঠলেন স্থানীয়রা! জলে ভাসছে মহিলার দেহ, বাগুইআটিতে চাঞ্চল্য

পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ! সাতসকালে স্নান করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার কাছে বাগুইআটির বাগুইপাড়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইপাড়া এলাকার ওই পুকুরে নিয়মিত স্নান করতে যান অনেকে। শনিবার সকালে কয়েক জন বাসিন্দা সেখানে স্নান করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের নজরে আসে পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মৃতার বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন বলেই মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ওই মহিলা জলে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে তাঁর দেহ জলের উপরে ভেসে ওঠে। তবে কীভাবে তিনি পুকুরে পড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশি মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা চলছে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশকর্মীরা। কেউ ওই মহিলাকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালীপুজোর আগের দিন সকালে পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগুইপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal