• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Weather Forecast

রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আজও বৃষ্টির দাপট দক্ষিণবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মেদিনীপুরে; উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ২৫ জুলাই: বর্ষার সক্রিয় পরিস্থিতির জেরে আজও বৃষ্টিতে ভিজতে পারে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আজ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই আজ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার হতে পারে।আজ দক্ষিণবঙ্গের এক-দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহর ও গ্রামীণ এলাকায় সাময়িক জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। নিচু এলাকা, রাস্তা ও আন্ডারপাসে জল জমে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।২৬ জুলাই আরও বাড়বে বৃষ্টির তীব্রতাআবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের এক-দুটি জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়াতেও এক-দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। অন্যান্য জেলাতেও বজ্রপাত ও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাউত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ আবহাওয়া পুরোপুরি শুকনো থাকার সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহসমস্ত জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।তবে আগামী কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গের বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ২৭ জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ ও ২৯ জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ৩০ জুলাইও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।২৭ জুলাই থেকে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাদক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বর্ষার প্রভাব বজায় থাকবে। ২৭ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২৮ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বর্ধিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত উত্তর ও দক্ষিণদুই বঙ্গেই বিস্তীর্ণ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।সতর্ক থাকার পরামর্শবৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয় বা গাছের নিচে না থাকার পরামর্শ রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়াই নিরাপদ।টানা বৃষ্টির জেরে নিচু এলাকায় জল জমা, কাঁচা রাস্তার ক্ষতি এবং দুর্বল বাড়িঘরের ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। কৃষকদেরও জমিতে জল জমার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে, আজ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি তুলনামূলকভাবে বেশি বিস্তৃত হলেও আগামী ২৬ জুলাই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বিশেষ নজরে রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আজ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও আগামী ২৭ জুলাই থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ পাহাড় ও ডুয়ার্স এলাকায় বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

দক্ষিণে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি, উত্তরে লাল সতর্কতা! ঝোড়ো হাওয়া-ভারী বর্ষণে দুর্যোগের আশঙ্কা, কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

রাজ্যের আবহাওয়ায় ফের বদলের ইঙ্গিত। উত্তরবঙ্গে সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং অনুকূল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির জেরে পাহাড় ও ডুয়ার্সে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই কারণে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বুধবারের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বড়সড় দুর্যোগের সম্ভাবনা না থাকলেও কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। সপ্তাহের শেষের দিকে অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।বুধবার দক্ষিণবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বুধবার বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।তবে বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। কলকাতা-সহ হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। শুক্রবার থেকে পরিস্থিতি আরও বদলাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাংলায় শুরু এনকাউন্টার! বারুইপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে নিহত ধর্ষণ-খুনের মূল অভিযুক্তকলকাতার ক্ষেত্রেও বুধবার আকাশ সারাদিনই মূলত মেঘলা থাকবে। কোথাও কোথাও হালকা বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৩ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় সামান্য বেশি।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি অনেকটাই উদ্বেগজনক। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কালিম্পং, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায়ও ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। দুই দিনাজপুর ও মালদহ বাদে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।পাহাড়ি এলাকায় টানা বর্ষণের ফলে ভূমিধস, রাস্তা ধসে যাওয়া এবং নদী-নালার জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলেও জল জমা এবং পরিবহণে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোটামুটি বজায় থাকবে। তবে শুক্রবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।রাজ্যের একদিকে যখন উত্তরবঙ্গ ভারী বর্ষণের কবলে পড়তে চলেছে, তখন অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে সক্রিয় হতে শুরু করেছে বর্ষা। সপ্তাহের শেষভাগে প্রায় গোটা রাজ্যই ফের বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে ভিজতে পারে বলে পূর্বাভাস। ফলে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া অযথা বাইরে না বেরোনো এবং আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

নিম্নচাপের দাপটে ভিজছে বাংলা! দিঘা–বালেশ্বর উপকূল দিয়ে আজই স্থলভাগে প্রবেশ, কলকাতায় টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করে পশ্চিমবঙ্গওড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই স্পষ্ট দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। রবিবার গভীর রাত থেকে কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় শুরু হয়েছে টানা বৃষ্টি, যা সোমবারও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আবহবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবারের মধ্যেই এই নিম্নচাপ ওড়িশার চান্দবালি ও পশ্চিমবঙ্গের দিঘার মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। ফলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, হুগলী, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান জেলাগুলিকে আগাম সতর্কতা জানানো হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপ অঞ্চলটি রবিবার ঘনীভূত হয়ে পূর্ণাঙ্গ নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় এর অবস্থান ছিল ওড়িশার বালেশ্বরের প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং পশ্চিমবঙ্গের দিঘার প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে। বর্তমানে এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। স্থলভাগে প্রবেশের পরও এর শক্তি বজায় থাকবে এবং মঙ্গলবারের মধ্যে ওড়িশা পেরিয়ে ছত্তীসগঢ় সীমান্তের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।এই নিম্নচাপের সঙ্গে সক্রিয় রয়েছে বর্ষাকালীন অক্ষরেখাও। দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থান থেকে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ়, ওড়িশা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এই অক্ষরেখা নিম্নচাপকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে। ফলে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সোমবার পর্যন্ত প্রবল বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এরপর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতায় রবিবার রাত থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কখনও হালকা, কখনও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিতে শহরের একাধিক এলাকায় জল জমার খবর মিলেছে। সোমবারও সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে এবং মাঝেমধ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অফিস টাইমে জলজট ও যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। নদী সংলগ্ন ও নিচু এলাকায় জল জমার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ছোটখাটো জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের ইঙ্গিত মিলেছে। মঙ্গলবারের পর থেকে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বুধবার ও বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে প্রবল বর্ষণের সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।এদিকে নিম্নচাপের জেরে বঙ্গোপসাগর ও উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্রও উত্তাল রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে, যার দমকা হাওয়ার গতি ৬৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদে ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আবহবিদদের মতে, নিম্নচাপটি স্থলভাগে প্রবেশ করলেও তার প্রভাব দ্রুত কাটবে না। বরং সপ্তাহজুড়েই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কমবেশি বৃষ্টি চলবে। ফলে নাগরিকদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো, জলমগ্ন রাস্তা এড়িয়ে চলা এবং আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ সতর্কবার্তার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টি! কোন জেলায় অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা?

বর্ষার মরশুমে প্রথম বড় আবহাওয়াগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে, যা আগামী কয়েকদিন একই এলাকায় অবস্থান করে আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। এর প্রভাবেই শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একাধিক জেলায় জারি হয়েছে হলুদ (Yellow Alert) এবং কমলা (Orange Alert) সতর্কতা।নিম্নচাপের জেরে বাড়বে বৃষ্টির দাপটআবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।শুক্রবার কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শনিবার দুই জেলায় কমলা সতর্কতাশনিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিচু এলাকায় জল জমা, যান চলাচলে বিঘ্ন এবং স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।রবিবার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে এই জেলাগুলিতেরবিবার নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে।অতিভারী বৃষ্টির (৭০২০০ মিমি) সম্ভাবনা রয়েছেপশ্চিম মেদিনীপুরঝাড়গ্রামবাঁকুড়াপুরুলিয়াএই চার জেলার জন্য জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।এছাড়াও কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে।সোমবারও মিলবে না স্বস্তিসোমবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নলিখিত জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারেপূর্ব মেদিনীপুরপশ্চিম মেদিনীপুরদক্ষিণ ২৪ পরগনাপশ্চিম বর্ধমানবাঁকুড়াপুরুলিয়াবীরভূমকবে থেকে কমবে বৃষ্টি?আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। তবে বুধবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটতে সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।মৎস্যজীবীদের জন্য জরুরি সতর্কতাবঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকার আশঙ্কায় সোমবার পর্যন্ত উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সমুদ্রে প্রবল বাতাস এবং উঁচু ঢেউয়ের কারণে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের পরামর্শপ্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে জলাবদ্ধ এলাকায় যাতায়াত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেটের দিকে নজর রাখারও আবেদন করা হয়েছে।বর্ষার শুরুতেই তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপ দক্ষিণবঙ্গে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকে নজর রয়েছে আবহাওয়াবিদদের। আগামী চার দিন রাজ্যের আবহাওয়া যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন এবং যান চলাচলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তা একপ্রকার নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সাময়িক বিরতি নিয়ে ফের তেড়ে ফুঁড়ে ফিরছে বর্ষা! আজও পুজোর কেনাকাটা ভেস্তে দেবে বৃষ্টি?

সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা বিরতি নেবে বর্ষা। রবিবার ও সোমবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত তুলনামূলকভাবে কম হবে। তবে ছিটেফোঁটা হালকা বৃষ্টি কিছু এলাকায় হতে পারে। এই সময়ে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরমও বাড়তে পারে। কিন্তু সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে আবারও বৃষ্টির মাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে। আজ কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিচ্ছিন্নভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও সর্বত্র বৃষ্টি হবে না। পরিস্থিতি তেমন গুরুতর নয়, তাই সতর্কতা জারির প্রয়োজনও পড়েনি। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে আজ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে হলুদ সতর্কতা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারের কিছু জায়গায় ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিও নেমে আসতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপের ভ্রুকূটি! ফের তুমুল ঝড়-জলের সতর্কতা জেলায়-জেলায়

IMD জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর-এর মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে, যা বাংলা ও ওড়িশা উপকূলে প্রবল বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত সহ হালকা থেকে মাঝারি ঝোড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘের সম্ভাবনা বাড়াবে। জেলায়-জেলায় ব্যাপক বৃষ্টিরও সম্ভাবনা বাড়ছে।ফের এক দফায় সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। IMD-এর আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে, যার ফলে সামনের ৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যদিও বর্তমান নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব নেই। তবুও বজ্রপাত-সহ বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আগামী দুই-তিন দিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই বজ্রসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বিশেষ করে কলকাতা, হুগলি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পার্শ্ববর্তী জেলার ক্ষেত্রে ঝড়-জলের সম্ভাবনা বেশি।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। আজ সপ্তাহের প্রথম দিনে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মালদা, দুই দিনাজপুরের পাশাপাশি কোচবিহারেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

আজ ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস একাধিক জেলায়, আবহাওয়ার উন্নতি কবে থেকে?

মৌসুমী অক্ষরেখা আপাতত বাংলা থেকে সরে গিয়ে ওড়িশার উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প প্রবাহিত হচ্ছে পূবালী হাওয়ায়। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই মৌসুমী অক্ষরেখা আবার বাংলার কাছাকাছি ফিরে আসতে পারে। বিশেষত মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:রবিবার ও সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশের পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা।দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি।রবিবার ও সোমবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও জলীয় বাষ্পের কারণে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অব্যাহত থাকবে।মঙ্গলবার মৌসুমী অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের কাছে এগিয়ে আসবে, ফলে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে রবিবার বিক্ষিপ্তভাবে দুএক জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে।কলকাতার আবহাওয়াশহরে সকাল থেকেই আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তি আরও বাড়বে।আকাশ বেশিরভাগ সময় পরিষ্কার থেকে আংশিক মেঘলা, তবে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।রবিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও হ্রাস পেলেও বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের মাত্রা বেশি থাকায় বৃষ্টি না হলে অস্বস্তি বাড়বে। মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ ফের বাড়বে বলে পূর্বাভাস। সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কিছুটা কম হলেও মঙ্গলবার থেকে আবার বাড়তে পারে। আর উত্তরবঙ্গে রবিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সোমবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তির দিকে যাবে আবহাওয়া।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

শিয়রে ঘূর্ণিঝড় 'অশনি', সংকেত মৌসম ভবনের

রবিবার সকালে মৌসম ভবন সুত্রে জানানো হয়েছে, গভীর বঙ্গোপসাগরে অশনি ঘূর্নীঝড়ের আকার নিলো। আন্দামানের অনতিদূরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। এই মুহুর্তে তার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটারের কাছাকাছি। এই ঘুর্নাবর্ত উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর বরাবর উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে।অশনির সংকেত পেয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাও। মৌসম ভবন থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান করা জেলাগুলির জন্য ১০ থেকে ১৩ মে অবধি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।মৌসম ভবন সুত্রে আগেই জানানো হয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় অশনির পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আছড়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাঁরা রবিবারও জানিয়েছে, এই মুহুর্তে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়টি পুরী থেকে প্রায় ১,০৩০ কিলোমিটার এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ৯৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার নাগাদ ওড়িশা কিংবা অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল ছুঁতে পারে ঘূর্ণিঝড় অশনি। পশ্চিমবঙ্গ বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর থেকে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ঘূর্ণিঝড় অশনির আগাম সতর্কতা জারি করেছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে হওয়া বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া তে কৃষিজমি এবং ফসল নষ্টের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষকদের জন্য ছদফা সতর্কতা জারি করেছে। নবান্ন থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাঁরা যেনো পাকা ধান কেটে অতি সত্তর গুদামজাত করে রাখেন। এছাড়াও বিভিন্ন সব্জি ও ফসলের ক্ষেত থেকে অতি সত্তর জমা জল নিকাশী করে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

মে ০৮, ২০২২
রাজ্য

যাওয়ার আগে বঙ্গে হালকা শীতের ছোবল, ফের ঝঞ্ঝার ভ্রুকুটিতে শীত বিদায়ের বার্তা?

শেষ মাঘে অবশ্য বঙ্গে শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং। আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হবে শীত। কিন্তু, তার আয়ু খুব বেশিদিন নয়। চলতি সপ্তাহেই বৃহস্পতিবার থেকেই ফের বদলাতে শুরু করবে আবহাওয়া। বাড়বে তাপমাত্রা। রয়েছে আরও একটি ঝঞ্ঝার আশঙ্কাও। গত সপ্তাহেও শুক্রবার গোটা দিন দুই বঙ্গেই বৃষ্টি হয়েছে। শনিবার থেকে ধীরে ধীরে কমে বৃষ্টির প্রকোপ। জেলায় ও উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি হলেও কলকাতা ও শহরতলী মোটামুটিভাবে বৃ্ষ্টিহীনই ছিল। দেখা মিলেছে রোদের। সরস্বতী পুজোতেও কোনও বাধা পড়েনি।আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি কম। সোমবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সোমবার বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। আগামী বেশ কয়েকদিন শীত থাকবে। জেলাগুলির ক্ষেত্রে তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী থাকবে। জেলায় তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির কাছাকাছিও হতে পারে। সোমবার সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে।রবিবার থেকেই আবহাওয়ার উন্নতি হয়েছে উত্তরবঙ্গে। সরস্বতী পুজোর হাত ধরে বঙ্গে মৃদু শীতের প্রত্যাবর্তনও হয়েছে। ২-৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমেছে তাপমাত্রা। তবে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, রাজ্যে মৃদু শীতের আয়ু সাময়িক। ৮ ও ১০ তারিখ উত্তর পশ্চিম ভারতে ফের ঝঞ্ঝার ভ্রুকুটি। বৃহস্পতি ও শুক্রবার ফের বঙ্গে মেঘ ঢুকবে। ফলে বৃষ্টিরও সম্ভাবনা থাকছে দুই বাংলায়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

ফের একবার দাপট দেখাচ্ছে শীত, তবে স্থায়ীত্ব নিয়ে চিন্তায় হাওয়া অফিস

গত দিনদুয়েক বঙ্গে কেবল হিমেল আমেজ। বুধবারও আরও একবার অনুভূত হচ্ছে শীত। ক্রমেই নিম্নমুখী পারদ। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকার পাশাপাশি তাপমাত্রা আরও নামতে পারে বলে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। তবে বিপদ যাচ্ছে না। কারণ, ফের বৃষ্টির কাঁটায় জেরবার হতে পারে শীত।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হবে শীত। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করবে। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। রাতেও ক্রমেই কমবে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও পারদ ক্রমেই নিম্নমুখী।২০ জানুয়ারি অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়াও ২১ জানুয়ারি এবং ২২ জানুয়ারি উত্তরের পাঁচটি জেলায় অর্থাৎ, দার্জিলিং,কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি দুই বঙ্গেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তাই একটানা শীতের দেখা আপাতত নেই বললেই চলে এমনটাই বলছে হাওয়া অফিস।তবে, আবহবিদরা বলছেন শীত নিয়ে উৎফুল্ল হওয়ারও কিছু নেই। কারণ ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট বাড়বে। যার জেরে আটকাবে উত্তুরে হাওয়া। বাড়বে পূবালী হাওয়ার দাপট সাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকবে। গরম পূবালী হাওয়া ও শীতল পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সংঘাতে বৃষ্টি শুরু হবে রাজ্যে। ইতিমধ্যেই বেড়েছে রাতের তাপমাত্রা। ১২.৯ ডিগ্রি থেকে তা বেড়ে হয়েছে ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কাল পর্যন্ত রাজ্যে শীতের আমেক বজায় থাকবে, এমনটাই জানিয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

মাঘের শীত এবার বাংলার গায়ে! ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তর থেকে দক্ষিণের জেলাগুলো

মেঘ, বৃষ্টি কাটিয়ে ছন্দে ফিরেছে শীত। মাঘের শুরুতে বাঘা শীতের আশায় বুক বেঁধেছে বাঙালি। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার সারা দিন আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, জাঁকিয়ে শীত আরও দিন দুয়েক স্থায়ী হবে। তবে শুক্রবার উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং নিম্নচাপ অক্ষরেখার জন্য বৃষ্টি হতে পারে। এই বৃষ্টিপাত শুরু হলে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আপাতত, বেশ কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কেটে যাবে। দেখা মিলবে রোদেরও। মঙ্গলবার রাতে, আরও তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা। কলকাতায়, এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও নামতে পারে তাপমাত্রা এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, ২১ তারিখ উপকূলের কাছাকাছি জেলা দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। ২০ তারিখ পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রার কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তবে বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাপমাত্রা বাড়বে অর্থাৎ ঠান্ডা একটু কমবে। কলকাতার ক্ষেত্রেও রাতের তাপমাত্রা ২০ তারিখের পর থেকে বাড়বে। ফলে, ফের শীত-ছুট হতে পারে।উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে মঙ্গলবার শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। ১৯ জানুয়ারি দার্জিলিং, কালিম্পং-এ হালকা বৃষ্টি হবে। ২০ জানুয়ারি উত্তরের পাঁচটি জেলা, দার্জিলিং,কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এই জায়গাগুলোয় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২১ তারিখে উত্তরবঙ্গের সব জায়গাতেই হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট কাটতেই নামছে পারদ, কাঁপছে বঙ্গ

পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটতেই ফের কলকাতা শহরে নামল তাপমাত্রা।কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে বঙ্গবাসী। গত দুদিনে প্রায় ৩ ডিগ্রি মতো তাপমাত্রা নেমেছে। রবিবার রাতের তামমাত্রাও অনেকটা কমেছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমবে।পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটলেই শীত যে আবার ফিরে আসবে তা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। বৃষ্টি কমতেই তাই ফের স্বমহিমায় শীত। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে থাকবে কুয়াশা। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৩ ডিগ্রি এবং ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে।ঝঞ্ঝার ফলে গত সপ্তাহে শীতের প্রভাব অনেকটাই কমে গিয়েছিল। বৃষ্টিও হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে জেলাগুলিতে। বৃষ্টি হয়েছে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং কালিম্পঙেও। তবে সেই প্রভাব কাটতেই বৃষ্টি বন্ধ হয়ে। তাপমাত্রাও নামতে শুরু করে। গত দুদিন ধরে তাপমাত্রা প্রায় ধারাবাহিক ভাবে নেমেছে। শুক্রবারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির আশপাশে, সেখানে সোমবার এই তাপমাত্রা হয়েছে ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা দুই ডিগ্রি কম।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

Weather: বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাও

বঙ্গে উধাও শীত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উপরন্তু রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি। কোথাও মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কোথাও বা বুধবার ভোর থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আপাতত এই সপ্তাহ জুড়েই এভাবে বৃষ্টিপাত চলবে। সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে।মঙ্গলবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শীত কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে। আকাশ মেঘলা থাকায় তাপমাত্রাও বেড়েছে। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে হয়েছে বৃষ্টি। কলকাতাতেও সন্ধ্যায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, বুধবারেও রাজ্যের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওবুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে সাড়ে ১৭ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সকাল থেকেই মহানগরীর আকাশ রয়েছে মেঘলা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বুধবার উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের দু-একটি জায়গায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। মূলত পশ্চিমের জেলাগুলি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরমধ্যে, পশ্চিম মেদিনীপুরে ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরখড়গপুরের ২ নম্বর ব্লকের সুলতানপুরে মিনিট দুয়েকের ঝড়ে একপ্রকার লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা এলাকা। মঙ্গলবার থেকেই সেখানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তারপরেই একটু রাত বাড়তেই প্রবল ঝড়ে ভেঙে পড়ে একাধিক গাছ। ক্ষতি হয়েছে জমিরও। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় গোটা গ্রামে। বেশ কয়েকটি বাড়ির উপর গাছের ডালও ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, আসানসোলেও ভারী বর্ষণ শুরু হয় মঙ্গলবার থেকেই। যদিও, কিছু সময় পরে বৃষ্টি থেমে যায়।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপ কেটে দ্রুত পারদ নামার ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের

জাওয়াদের নিম্নচাপে রূপান্তর প্রক্রিয়ার জেরে ডিসেম্বরে এক দশকের রেকর্ড বৃষ্টি হল কলকাতায়। আজ, মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এই সপ্তাহেই গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতে পারদ পতনের ইঙ্গিত আছে।আবহাওয়ার উন্নতির সম্ভাবনার খবর শুনেই অবশ্য আমবাঙালির প্রশ্ন, বহু প্রত্যাশীত শীত আসবে কবে? আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, চলতি সপ্তাহেই গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতের পারদ নামতে পারে। কারণ, সদ্য আগত একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর-পশ্চিম ভারতে এবং উত্তর ভারতের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত হচ্ছে। তার ফলে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া বয়ে আসবে। নিম্নচাপ বিদায় নেওয়ায় উত্তুরে বাতাসের পথে বাধাও আপাতত কেটে গিয়েছে। আকাশও ক্রমে মেঘমুক্ত হবে। পারদের পতন হতে পারে এই সব কারণেই।আবহাওয়া দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী মহানগরে রবিবার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৬৮ মিলিমিটার। গত এক দশকে ডিসেম্বরে ২৪ ঘণ্টায় এত বৃষ্টি হয়নি। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী গত ১০ বছরে ডিসেম্বরে ২৪ ঘণ্টায় সব থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছিল ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর, ৩৩.৪ মিমি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের প্রভাবে ফের হাওয়াবদল বঙ্গের, বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে এইসব জেলাগুলোতে

নিম্নচাপের প্রভাবে ফের হাওয়াবদল বঙ্গে। গত কয়েকদিন শীতের আমেজ থাকলেও বাতাসে জলীয় বাষ্প বাড়ায়, সেই আমেজ রাতারাতি গায়েব। কলকাতায় চারদিনে ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়েছে। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামানের ওপরে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। যেটি ১১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সুস্পষ্ট নিম্নচাপের পরিণত হয়েছে। তাই তামিলনাড়ু উপকূলে বৃষ্টি হবে। বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলো যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টি হবে। জলীয়বাষ্প বেশি থাকার কারণে গরমের অস্বস্তি থাকবে।আপাতত রাজ্যে উত্তুরে হাওয়া ঢোকায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পূবালি বাতাস। তার দাপটে বঙ্গোপসাগর থেকে রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এর প্রভাবে শনিবার সকালেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায়। রবিবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও।আগামী শনিবার ও রবিবার বৃষ্টি হবে আন্দামান উপকূলে। বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলা পূর্ব মেদিনীপুর,দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও। গরমের অস্বস্তি থাকবে। সোমবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।জাঁকিয়ে শীত আসতে আমাদের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Weather: কালীপুজোয় শীতের আমেজ থাকলেও এখনই নামবে না তাপমাত্রা

ভোরের দিকে ঠাণ্ডার আমেজ। কিন্তু এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে আসছে না শীত । চলতি সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রায় এখনই ব্যাপক হেরফের লক্ষ্য করা যাবে না বলেই পূর্বাভাস জানাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। বুধবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই ঘোরাফেরা করবে। আগামী পাঁচদিন এই তাপমাত্রায় তেমন পতন হবে না।আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এবছর বর্ষা বিদায় নিতে যেমন বেশি সময় নিয়েছে, তেমনই শীত পড়বে এবার বেশ জাঁকিয়ে। গত কয়েক বছরের তুলনায়, এবছর একটু বেশীই শীত পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আপাতত পাঁচ দিন উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যে ইতিমধ্যেই উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করেছে। যার ফলে ভোরের দিকে কিছুটা ঠাণ্ডা অনূভূত হবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা। তবে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস বঙ্গে, ভাসতে পারে একাধিক জেলা

বৃষ্টির রেশ এখনই পিছু ছাড়ছে না রাজ্যের। আপাতত দক্ষিণবঙ্গেই বৃষ্টির এই দাপট থাকবে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ প্রধানত মেঘলা থাকবে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে জেলায় জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানান হয়েছিল, সপ্তাহান্ত থেকেই হালকা শীতের আমেজ টের পাওয়া যাবে বাংলায়। মনে করা হচ্ছে বৃষ্টির পরই হয়তো একলাফে নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ। ইতিমধ্যেই ভোরের দিকে হেমন্তের হিমেল হাওয়ার পরশ গায়ে মাখতে শুরু করেছে রাজ্যবাসী। হাওয়া অফিসের তরফে জানান হয়েছিল, দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়ার শুরু হতে পারে চলতি সপ্তাহ থেকেই। দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও, ক্রমে ক্রমে কমবে রাতের তাপমাত্রা।জানা গিয়েছে, শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে তেমন বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই এখনই। তবে বৃষ্টি কমলেই বাংলায় পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। কালীপুজোর আগেই হিমেল পরশ উপভোগ করতে পারবেন রাজ্যবাসী।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: সপ্তাহের শুরুতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি কলকাতায়

রবিবারের বিকেলেই বদলে গেল কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া। কালো মেঘে ঢাকল আকাশ। ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে বৃষ্টিতে সোমবারও ভিজবে তিলোত্তমা, এমনটাই খবর৷ ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এই বৃষ্টি হবে বলে জানান হয়েছে৷রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি সোমবার থেকে বাড়তে শুরু করেছে৷ সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবারও বৃষ্টি হবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে, হাওয়া অফিস সূত্রে এমনটাই খবর। সোমবার উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হবে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কোচবিহার, মালদা ও দুই দিনাজপুরে।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে সোমবার খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত। উপকূলের জেলাগুলিতে বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস। সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। রবিবারের মধ্যেই মাঝ সমুদ্র থেকে তাদের ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ, ন্যূনতম ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫.৭ মিলিমিটার।মৌসম ভবনের তরফে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে দুটি নিম্নচাপ রয়েছে। দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে রয়েছে একটি নিম্নচাপ। অন্য নিম্নচাপটি পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ দক্ষিণ ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান। শক্তি হারাচ্ছে নিম্নচাপটি। অভিমুখ উত্তরপ্রদেশ। ফলে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: ফের নিম্নচাপের ভ্রুকুটি দক্ষিণবঙ্গে, রাত থেকে শুরু বৃষ্টি, সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া

দুর্গাপুজো শেষ হয়ে গেলেও বৃষ্টির বিরাম নেই। লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি। শনিবার মাঝরাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতায়। রবিবারও বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা।উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে রবি ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরে আজ ভারী বৃষ্টিপাত হবে। বঙ্গোপসাগরে তৈরি ওই নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার সন্ধে থেকে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়।কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টিপাতের ফলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় এরকমই আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ১৯ তারিখ থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আওয়া দপ্তর।টানা বৃষ্টিতে ফের দুর্যোগ, দুর্ভোগের আশঙ্কা। দ্বাদশীতে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো বাতাসও। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ওপর জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ভারী বৃষ্টি হলে লক্ষ্মীপুজোর আগে ফের সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকছে। ক্ষতি হতে পারে ধানেরও।পুজোর আগে থেকেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। কপালে ভাঁজ উপকূলবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দাদের। পূর্বাভাস সত্যি করেই দশমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়। কলকাতায় বৃষ্টি নামে শুক্রবার সন্ধ্যা হতেই। এবার ফের জোড়া নিম্নচাপের জের। ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। এই মুহূর্তে নিম্নচাপটি মধ্য-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর রয়েছে। যা ধীরে ধীরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে। তবে তার থেকেও উল্লেখ্য, এই দুই দিন ঝোড়ো বাতাস বইবে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal