• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Up

খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : প্রতিশোধের স্বপ্ন চূরমার, নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্রথম টি২০ বিশ্বজয় অস্ট্রেলিয়ার

২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে একদিনের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। প্রতিশোধ নিতে ব্যর্থ কিউয়িরা। ৭ বল বাকি থাকতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উড়িয়ে প্রথমবারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ ঘরে তুলল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের নায়ক মিচেল মার্শ। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতেও সেই একই সিদ্ধান্ত। সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ড্যারিল মিচেল ও মার্টিন গাপটিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন ড্যারিল মিচেলকে। ৮ বলে ১১ রান করে তিনি ম্যাথু ওয়েডের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। শুরুতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মার্টিন গাপটিল ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।১০ ওভারে কিউয়িরা তোলে ৫৭/১। একাদশতম ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে ১৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। পরের ওভারের প্রথম বলে অ্যাডাম জাম্পাকে ছয় মারতে গিয়ে মার্কাস স্টয়নিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। ৩৫ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর গ্লেন ফিলিপকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান উইলিয়ামসন। জুটিতে ওঠে ৬৮। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে পরপর দুটি ৬ মেরে ৩৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন উইলিয়ামসন। ১৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে গ্লেন ফিলিপকে তুলে নেন জস হ্যাজেলউড। ১৭ বলে ১৮ রান করেন তিনি। একই ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন কেন উইলিয়ামসন। ৪৮ বলে ৮৫ রান করেন তিনি। উইলিয়ামসনের ইনিংসে রয়েছে ১০টি ৪ ও ৩টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭২ তোলে নিউজিল্যান্ড। ৭ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম। দুর্দান্ত বল করেন জস হ্যাজেলউড। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ট্রেন্ট বোল্টের বলে ড্যারিল মিচেলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৭ বলে ৫ রান করেন ফিঞ্চ। এরপর জ্বলে ওঠেন ডেভিড ওয়ার্নার। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও তিনি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৩৮ বলে ৫৩ রান করে বোল্টের বলে বোল্ড হন ওয়ার্নার। তিনি মারেন চারটি ৪ ও ৩টি ৬। ওয়ার্নার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি অস্ট্রেলিয়া। কিউয়ি বোলারদের ওপর নিরঙ্কুশ প্রভাব বিস্তার করেন মিচেল মার্শ। তাঁর দাপটে ইশ সোধি, টিম সাউদিরা দিশা খুঁজে পাননি। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৮.৫ ওভারে ১৭৩/২ রান তুলে প্রথম বারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মিচেল মার্শ। তিনি মারেন ৬টি ৪ ও ৪টি ৬। ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল। ট্রেন্ট বোল্ট ১৮ রানে ২ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ফাইনালে কারা এগিয়ে?‌ কনওয়ের না থাকা বড় ধাক্কা নিউজিল্যান্ডের

টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। দুটি সেরা দল যে ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।এখন প্রশ্ন হল ফাইনালে এগিয়ে কোন দল? সত্যি কথা বলতে কী এই ধরণের ম্যাচে বিশেষ কোনও দলকে এগিয়ে রাখা বোকামি। একেই খেলাটার নাম ক্রিকেট। তার ওপর টি২০ ফর্ম্যাট। এই ফর্ম্যাটে ভবিষ্যতবানী করা খুবই কঠিন। টি২০ ক্রিকেটে টস জেতাটা অনেক সময় বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়। যেটা চলতি বিশ্বকাপের প্রায় সব ম্যাচেই দেখা গেছে। সুতরাং আমার মনে হয় না ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হতে পারে।ফাইনালে মুখোমুখি দুটি দল এর আগে কখনও টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মুখিয়ে, তেমনই নিউজিল্যান্ডও মুখিয়ে থাকবে। ২০১০ সালের টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই পরাজয়ের পর আবার টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে অসিরা। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড এই প্রথমবার। ফলে এবারের বিশ্বকাপ উপহার দেবে নতুন চ্যাম্পিয়নকে। নিউজিল্যান্ড ২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফাইনালে হেরেছিল। এইবছর আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়েছে। আইসিসি ইভেন্টে টানা তিনটি ফাইনাল খেলতে চলেছে। ফলে মানসিকভাবে ড়িউজিল্যান্ড কিন্তু এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে।আইসিসির প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া কিন্তু বড় শক্তি। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে ওরা অনেক এগিয়ে। এই বিশ্বকাপের প্রথম থেকে ভাল ক্রিকেট উপহার দিয়েছে। সবথেকে বড় কথা দলে একাধিক ম্যাচ জেতানোর ক্রিকেটার রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটি দারুণ ভয়ঙ্কর। ছন্দে থাকলে ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ জুটি যে কোনও দলের বোলিং শক্তিকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। আইপিএলের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওয়ার্নার ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। মিডল অর্ডারে রয়েছে স্টিভ স্মিথের মতো ব্যাটসম্যান। বড় ম্যাচের ঘোড়া। ম্যাক্সওয়েলও যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। ম্যাথু ওয়েড সেমিফাইনালে দেখিয়ে দিয়েছেন কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন। বোলিং শক্তিও অসাধারণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজেলউডের মতো জোরে বোলার রয়েছে। অ্যাডাম জাম্পার মতো স্পিনার যে কোনও দলকে বেগ দিতে পারেন।নিউজিল্যান্ডে সেই অর্থে কোনও তারকা নেই। ওদের আসল শক্তি দলগত খেলা। নিউজিল্যান্ড বরাবরই দল হিসেবে খেলে। এই বিশ্বকাপেও সেই একই ধারা অব্যাহত। মার্টিন গাপটিল, ড্যারিল মিচেল ছন্দে থাকলে যে কোনও বোলারের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে পারে। কেন উইলিয়ামসন নিঃশব্দে বিপক্ষে খুন করতে পারেন। তবে ফাইনালে ডেভন কনওয়ের খেলতে না পারাটা বড় ধাক্কা। মিডল অর্ডারে বড় শূন্যতা তৈরি হবে। এমনিতেই লকি ফার্গুসন আগেই ছিটকে যাওয়ায় বোলিং কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ডেভিড ওয়ার্নারদের থামানোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, জিমি নিশামদের। দল হিসেবে খেললে নিউজিল্যান্ডকে আটকানো মুশকিল হবে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচে যেমন চাপ থাকে, তেমনই অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড ম্যাচও স্নায়ুচাপের। এটাও অনেকটা ফ্যাক্টর করবে ফাইনালে।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu Adhikari: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হার নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, কি বললেন তিনি?

টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিয়েছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারতকে হারিয়েছে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। এবার সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল অষ্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানকে পরাজিত করার জন্য অষ্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন গেরুয়া শিবিরের এই নেতা।সেমিফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর সোশাল মিডিয়ায় রাজ্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু লিখেছেন..দেশদ্রোহীদের জোর কা ঝটকা,পাকিস্তানের হারে ফাটছে পটকা।ভারত পাকিস্তান ম্যাচে ভারতের হারে যারা পটকা ফাটিয়েছিল, উল্লাস করেছিল, আজ সেইসব দেশদ্রোহীদের জন্য কালো দিন। অষ্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তানের হার আজ তাদের মুখে ঝামা ঘসে দিল ।অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট টিম কে অভিনন্দন।তবে এখানেই থামেননি গেরুয়া শিবিরের এই নেতা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, পাকিস্তানকে হারানোর জন্য অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে আমার নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার লোকেরা অন্য ভারতীয়দের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আতশবাজি থামবে না, দীপাবলি চলছে। আমাদের শত্রুকে পরাজিত করার জন্য আবার ধন্যবাদ।নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই সরাসরি বিভাজনের পথে হেঁটেছিলেন শুভেন্দু অধিকরী। একেবারেই ঢাক-গুড়গুড় করেননি। গত ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের দিনও ফের তিনি বলেছেন, নন্দীগ্রামের ৬৫ হাজার বাদ দিয়ে বাকিদের একসঙ্গে থাকতে হবে। সেই আবেদন জানিয়েছিলেন শহিদ মঞ্চ থেকে। এবার পাকিস্থানের হার নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তাঁর অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন।

নভেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : থেমে গেল বিজয়রথ, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। সেমিফাইলানে এসে সব জারিজুরি শেষ। অসিদের কাছে থেমে গেল বিজয় রথ। পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল অস্ট্রেলিয়া। ১৪ নভেম্বর ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়াকে ফাইনালে তোলার মূল কারিগড় মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। টস জিতলে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠানোর ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে চলতি টি২০ বিশ্বকাপে। একদিকে যেমন টার্গেট দেখে ব্যাট করার সুবিধা পাওয়া যায়, তেমনই শিশিরের জন্য সমস্যায় পড়তে হয় না। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ টস জিতে শিশিরের কথা মাথায় রেখে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন। গ্রুপ লিগের মতোই সেমিফাইনালে ধারাবাহিতা দুই পাক ওপেনারের। দারুণ শুরু করেছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭১। দশম ওভারের শেষ বলে জুটি ভাঙেন অ্যাডাম জাম্পা। জাম্পাকে ৬ মারতে গিয়ে লং অনে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ধরা পড়েন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ৩৪ বলে তিনি করেন ৩৯। বাবর আজম ফিরে যাওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান মহম্মদ রিজওয়ান ও ফখর জামান। শুরুর দিকে কিছুটা মন্থর ব্যাটিং করলেও পরের দিকে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দুই পাক ব্যাটসম্যান। ৫৭ বলে ৬৭ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে স্টিভ স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মহম্মদ রিজওয়ান। তিনি মারেন ৩টি ৪ এবং ৪টি ৬। রিজওয়ান যখন আউট হন পাকিস্তান ১৭.২ ওভারে ১৪৩। পরের ওভারেই ১ বল খেলে কোনও রান না করে আউট হন আসিফ আলি। তাঁকে তুলে নেন প্যাট কামিন্স। শেষ দিকে ঝড় তুলেছিলেন ফখর জামান। শোয়েব মালিক (২ বলে ১) ব্যর্থ হলেও দলকে দারুণ জায়গায় পৌঁছে দেন ফখর। ৩২ বলে ৫৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ফখর জামানের ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ২০ ওভারে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত তোলে ৪ উইকেটে ১৭৬। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ভাল বল করেন অ্যাডাম জাম্পা। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দেন তিনি। তুলে নেন ১ উইকেট। মিচেল স্টার্ক ৪ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই ফিরে যান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। মাত্র ১ বল খেলে তিনি কোনও রান না করেই শাহিন আফ্রিদির বলে এলবিডব্লু হন। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে চাপে পড়ে যান পাকিস্তান বোলাররা। জুটিতে ওঠে ৫১। শাদাব খানের বলে আফি আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মার্শ (২২ বলে ২৮)। স্টিভ স্মিথ (৬ বলে ৫) ব্যর্থ। তিনিও শাদাব খানের শিকার। ডেভিড ওয়ার্নার (৩০ বলে ৪৯) জ্বলে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। তঁকে তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন শাদাব। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে (১০ বলে ৭) ফিরিয়ে অসিদের আরও চাপে ফেলে দেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ১২.২ ওভারে ৯৬/৫। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েড। শাহিন আফ্রিদির ১৯ তম ওভারই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। শেষ ১২ বলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ছিল ২২ রান। শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলে কোনও রান হয়নি। দ্বিতীয় বলে ১ রান লেগ বাই থেকে আসে। তৃতীয় বলে ম্যাথু ওয়েডের ক্যাচ ফেলে দেন হাসান আলি। পরের ৩ বলে তিনটি ছক্কা মেরে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ম্যাথু ওয়েড। ১৭ বলে ৪১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মার্কাস স্টয়নিস ৩১ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৯ ওভারে ১৭৭/৫ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানের হয়ে শাদাব খান ২৬ রানে ৪টি, শাহিন আফ্রিদি ৩৫ রানে ১ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : রাহুল দ্রাবিড়ের সাহায্যকারী বেছে নিল বোর্ড, কারা পেলেন দায়িত্ব?‌

কিছুদিন আগেই ভারতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রাহুল দ্রাবিড়কে। এবার বিরাট কোহলিদের ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং কোচও বেছে নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ব্যাটিং কোচ হিসেবে রেখে দেওয়া হল বিক্রম রাঠোরকে। বোলিং কোচ ভরত অরুণের জায়গায় এলেন বিক্রম রাঠোর এবং ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধরের স্থলাভিষিক্ত হলেন টি দিলীপ। এই তিনজনই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কাজ করবেন। চলতি টি২০ বিশ্বকাপের পরপপরই শেষ ভারতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান সপোর্ট স্টাফদের কার্যকালের মেয়াদ। হেড কোচসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ নিয়োগের জন্য মাসখানেক আগে আবেদনপত্র আহ্বান করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। হেড কোচ পদের জন্য রাহুল দ্রাবিড়কে আগেই বেছে নিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পরামর্শদাতা কমিটি। বৃহস্পতিবার ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং কোচের জন্য ইন্টারভিউয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে বিক্রম রাঠোর, পরশ মামরে এবং টি দিলীপকে বেছে নেওয়া হয়েছে। রবি শাস্ত্রীর সঙ্গেই ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন বিক্রম রাঠোর। তাঁর কাজে যথেষ্ট খুশি ছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। ক্রিকেটাররাও বিক্রম রাঠোরকে নিয়ে সন্তুষ্ট। তাই তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। রাহুল দ্রাবিড় চেয়েছিলেন বোলিং কোচ হিসেবে পরশ মামরেকে। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তিনি পরশ মামরের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। মামরেও আবেদন করেছিলেন বোলিং কোচ হওয়ার জন্য। শেষ পর্যন্ত তাঁকেই বোলিং কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছে ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটি। ফিল্ডিং কোচ হিসেবে বিরাট কোহলিদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছিলেন আর শ্রীধর। তাঁর জমানায় ভারতীয় দলের ফিল্ডিংয়ে খুব একটা উন্নতি হয়নি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারাও শ্রীধরের ওপর তেমন খুশি ছিলেন না। টি দিলীপ আগেও রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কাজ করেছেন। জুলাইয়ে ভারতীয় দলের শ্রীলঙ্কা সফরে তিনি ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন। আর শ্রী ধরের মতো তিনিও হায়দরাবাদের। প্রত্যেকেই জয়পুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচের আগে হাজির হবেন।

নভেম্বর ১১, ২০২১
রাজনীতি

Tripura-Supreme Court: বড় জয় সুস্মিতা দেবের, পুর ভোটের আগে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে নিরাপত্তার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

ত্রিপুরায় পুরভোটের আগে অশান্তির অভিযোগ নিয়ে বৃহস্পতিবার কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, ভোটের আগে সমস্ত রাজনৈতিক দল যাতে নির্বিঘ্নে প্রচার করতে পারে এবং নির্বাচন যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য সরকারকে।এ প্রসঙ্গে সুস্মিতা বলেন, সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ত্রিপুরা পুলিশ কোনও এফআইআরে পদক্ষেপ করছে না। আর কোনও তৃণমূলের নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর জমা পড়ছে, ওরা ওয়ারেন্ট জারি করছে। ওরা আমাদের চার সৃষ্টি করছে যাতে আমরা ভয়ে প্রচার করা বন্ধ করি। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর আমরা এ বার রাস্তা পেয়ে গেলাম।কুণাল ঘোষ টুইটে লেখেন, ত্রিপুরায় সন্ত্রাস। মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূল কংগ্রেসের মামলায় পুলিশকে বলল অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে। নিরাপত্তা দিতে হবে প্রার্থী-সহ সকলকে। স্বরাষ্ট্রসচিবকে হলফনামা দিয়ে পদক্ষেপ জানাতে হবে। তৃণমূল এই রায় স্বাগত জানাচ্ছে। এটি কার্যকর করতে হবে।ত্রিপুরায় সন্ত্রাস। মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূল কংগ্রেসের মামলায় পুলিশকে বলল অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে। নিরাপত্তা দিতে হবে প্রার্থীসহ সকলকে। স্বরাষ্ট্রসচিবকে হলফনামা দিয়ে পদক্ষেপ জানাতে হবে।তৃণমূল এই রায় স্বাগত জানাচ্ছে। এটি কার্যকর করতে হবে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) November 11, 2021ত্রিপুরায় একের পর এক দলীয় নেতানেত্রীদের উপর হামলার ঘটনায় বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। বিপ্লব দেবের রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এক জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনেরও আর্জি জানিয়েছেন সুস্মিতা। ওই আর্জির ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়ে জানায়, ত্রিপুরায় ভোটের প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়ে গিয়েছে, তখন সমস্ত রাজনৈতিক দলেরই প্রচার চালানোর অধিকার রয়েছেন। সুস্মিতা দেব-সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রচারকদের নিরাপত্তার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। পাশাপাশি ত্রিপুরার স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপি-কে নির্দেশ, এ দিন আদালত যে রায় দিয়েছে, তার পালন কীভাবে হচ্ছে আদালতকে তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : মধুর প্রতিশোধ নিয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ। আবু ধাবিতে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ ওভার বাকি থাকতে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। কিউয়িদের স্মরণীয় জয় এনে দেন ড্যারিল মিচেল। তিনিই ম্যাচের সেরা।টস জিতে এদিন ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। চোটের জন্য জেসন রয় খেলতে না পারায় সেমিফাইনালে জস বাটলারের সঙ্গে ইংল্যান্ডের হয়ে ওপেন করতে নামেন জনি বেয়ারস্টো। ১৭ বলে ১৩ রান করে দলের ৩৭ রানের মাথায় আউট হন তিনি। অ্যাডাম মিলনের বলে বেয়ারস্টোর ক্যাচ অসামান্য দক্ষতায় তালুবন্দি করেন কিউয়ি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ইংল্যান্ডের রান ছিল ১ উইকেটে ৪০। ৭.৩ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয়। দলের ৫৩ রানের মাথায় আউট হন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জস বাটলার। ২৪ বলে ২৯ রান করে তিনি ইশ সোধির বলে এলবিডব্লু হন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬৩ রান যোগ করেন ডেভিড মালান ও মইন আলি। চারটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ৩০ বলে ৪১ রান করে আউট হন মালান।মালান ফিরে গেলেও লিভিংস্টোনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মইন আলি। ১৮ তম ওভারে অ্যাডাম মিলনের বলে ১৬ রান তোলেন মইন ও লিভিংস্টোন। ১৯.২ ওভারে জিমি নিশামের বলে মিচেল স্যান্টনারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লিভিংস্টোন। ১০ বলে তিনি করেন ১৭। টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম অর্ধশতরান করে ৩৭ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন মইন আলি। তিনি মারেন ৩টি ৪ ও ২টি ৬। অধিনায়ক মর্গ্যান ২ বলে ৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান তোলে ইংল্যান্ড। টিম সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রানে ১ উইকেট পান। ট্রেন্ট বোল্ট ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। অ্যাডাম মিলনে, ইশ সোধি ও জিমি নিশাম ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই আউট হন মার্টিন গাপটিল (৪)। তাঁকে তুলে নেন ক্রিস ওকস। কেন উইলিয়ামসনও (৫) দ্রুত ফেরেন। তিনিও ওকসের শিকার। ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পরে নিউজিল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান ড্যারেল মিচেল ও ডেভন কনওয়ে। জুটিতে ওঠে ৯২ রান। ৩৮ বলে ৪৬ রান করে আউট হন কনওয়ে। তাঁকে ফেরান লিয়াম লিভিংস্টোন। জিমি নিশাম ১১ বলে ১৭ রান করে আউট হন। দুর্দান্ত ব্যাট করেন মিচেল। ৪৭ বলে ৭২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে তিনি দলকে জয় এনে দেন। ১৯ ওভারে ১৬৭/৫ তুলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup: হেড স্যার হিসেবে শেষ দিনে শাস্ত্রী ব্যর্থতার জন্য কেন দুষলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে?‌

অবশেষে দীর্ঘ পথের যাত্রার সমাপ্তি। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যে গায়ে সেঁটে যাব প্রাক্তনের ট্যাগ। ভারতীয় দলের হেড স্যার হিসেবে সোমবারই শেষদিন রবি শাস্ত্রীর। দুদফার কার্যকালে দেশকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। সে সীমিত ওভারের ক্রিকেটেই বলুন, কিংবা টি২০ ক্রিকেটে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও ব্যর্থতা। মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনে আবেগপ্রবণ রবি শাস্ত্রী। ভারতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে সোমবার টি২০ বিশ্বকাপে নামিবিয়া ম্যাচই ছিল শেষ ম্যাচ। খেলা শুরুর আগে রবি শাস্ত্রী বলেন, ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে আমার কাছে এই যাত্রাটা অসাধারণ। যখন ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, আমি নিজেকে মনে মনে বলেছিলাম, পার্থক্য করতে চাই। আমার মনে হয় কাজটি আমি করতে সক্ষম হয়েছি। জীবনে কখনও কখনও সবকিছু অর্জন করা সম্ভব হয়না। তা সত্ত্বেও এই ছেলেরা গত ৫ বছরে যা অর্জন করেছে, যেভাবে বিশ্বজুড়ে খেলে বেড়িয়েছে, এবং সব ধরণের ফর্ম্যাটে যেভাবে পারফর্ম করেছে, তাতে বিশ্বে দুর্দান্ত দল হিসেবে নিজেদের প্রতিপন্ন করেছে। এ বিষয়ে আমার মনে কোনও সন্দেহ নেই। তবে এটা দুর্ভাগ্যজনক যে, আমরা এই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছি। এই ব্যর্থতা দুর্দান্ত ভারতীয় দলের কাছ থেকে কিছু নিয়ে যায়নি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ব্যর্থতা সঙ্গী হলেও টেস্ট ক্রিকেটে নিজের দলকে এগিয়ে রেখেছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লাল বলের ক্রিকেটে সিরিজ জিতে আমরা এগিয়ে আছি। এই এগিয়ে থাকাটা আমরা দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারব। কারণ ওদের বিরুদ্ধে আবার পরের বছর সিরিজ খেলব। সাদা বলের ক্রিকেটে প্রতিটি দলকে তাদের ঘরের মাঠে পরাজিত করেছি, যা আমার প্রচেষ্টা এবং দলের প্রচেষ্টা ছিল।এই দলটা দেখিয়েছে যে তাদের আরও অনেক দক্ষতা রয়েছে। ২০১৭ সালে পাকিস্তানের কাছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত পরাজিত হওয়ার পর হেড কোচ নিযুক্ত হন রবি শাস্ত্রী। বিদেশের মাটিতে সাফল্য থেকে এক নম্বর টেস্ট দল হওয়ার লক্ষ্যপূরণ হলেও কোহলিশাস্ত্রী জুটি ভারতকে কোনও আইসিসি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেনি।রবি শাস্ত্রীর উত্তরাধিকারী হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। উত্তরসূরীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতীয় দল একজন ভাল কোচ পাচ্ছে। দ্রাবিড়কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমি মনে করি অভিজ্ঞতা দিয়ে দ্রাবিড় সময়মতো সেরাটা বার করে নিয়ে আসবে। এই দলে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়েচে যারা আরও ৩৪ বছর খেলবে। ভারতের এই দলটা রূপান্তরিত দল নয়। এটাই বড় পার্থক্য তৈরি করবে। কোহলিই এখনও দলে রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে দারুণ কাজ করেছে। গত ৫ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে সবথেকে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। যেভাবে দলকে খেলাতে চায় এবং গোটা দল যেভাবে তাকে আঁকড়ে ধরেছে, দল সম্পর্কে যেভাবে চিন্তা করে, তার জন্য অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতা প্রসঙ্গে শাস্ত্রী বলেন, আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আর সেটা আমার বয়সের কারণে। দীর্ঘ ৬ মাস বায়ো বাবলে থেকে এই দলের ক্রিকেটাররাও শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আইপিএল এবং বিশ্বকাপের মধ্যে একটা বড় ব্যবধান থাকলে ভাল হত। যখন কোনও বড় প্রতিযোগিতা আসে, চাপ তৈরি হয়, তখন পরিবর্তনের দরকার হয়। তবে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না। আমরা হারকে মেনে নিতে পারি, কারণ হারতে ভয় পাই না। আমরা জেতার চেষ্টা করেও পারিনি, কারণ এক্সফ্যাক্টর অনুপস্থিত ছিল। তবে এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌কোহলি–শাস্ত্রী জুটির পরিসমাপ্তি, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক পরিসংখ্যান

টি২০ ক্রিকেটে ভারতীয় দলের আর্ম ব্যান্ড হাতে আর মাঠে নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেন হিসেবে কোহলির ছিল শেষ ম্যাচ। কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীরও এটাই ছিল শেষ ম্যাচ। শাস্ত্রীকোহলি জুটির সেরা সাফল্য ইংল্যান্ডের মাটিতে ও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়। তার মধ্যে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরের মাটেতে দুদুবার টেস্ট সিরিজে হারিয়েছে ভারত। তবে আসল জায়গায় ব্যর্থ। আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেনি এই জুটি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রীর পরিসংখ্যান। ২০১৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে টি২০ ক্রিকেটে দেশের দায়িত্ব তুলে নেন বিরাট কোহলি। তারপর থেকে তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৫০টি টি২০ ম্যাচে। সোমবার বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিরুদ্ধেই কোহলির ছিল অধিনায়ক হিসেবে ৫০ তম ম্যাচ। ৫০ তম ম্যাচে দলকে জয় এনে দিলেও বিশ্বকাপে ব্যর্থতার তকমা গায়ে সেঁটেই নেতৃত্ব থেকে সরে যেতে হল কোহলিকে। দেশকে ৫০টি টি২০ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৩০টিতে জয় এনে দিয়েছেন কোহলি। হেরেছেন ১৬টিতে। ২টি ম্যাচ টাই হয়েছে। আর ২টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। কোহলির পূর্বসূরী মহেন্দ্র সিং ধোনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৭২ ম্যাচে। জিতেছিলেন ৪১টি ম্যাচ। ২৮টি ম্যাচে হারতে হয়েছিল। ১ট ম্যাচ টাই, ২টি ম্যাচে কোনও ফলাফল হয়নি। অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলি ৫০টি টি২০ ম্যাচে রান করেছেন ১৫৭০। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অধিনায়ক হিসেবে জীবনের শেষ টি২০ ম্যাচে ব্যাট হাতে মাঠে নামেননি কোহলি। টি২০ ক্রিকেটে সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী অধিনায়কদের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন তিনি। তবে অধিনায়ক হিসেবে দ্রুততম ১ হাজার টি২০ রানের মালিক বিরাট কোহলি। মাত্র ৩০টি ইনিংসে তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে সর্বাধিক হাফ সেঞ্চুরির মালিক ছিলেন কোহলি। এই বিশ্বকাপে তাঁকে টপকে গেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম, অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ও নিউজিল্যানন্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাকিস্তান, বাংলাদেশ বাদে সব টেস্ট খেলিয়ে দেশের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ জেতারও নজির রয়েছে বিরাট কোহলির। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর জুটি হিসেবে দেখা যাবে না অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রীকে। কোচ হিসেবে শাস্ত্রীর জমানায় ভারত ৪৩টি টেস্ট খেলেছে। জিতেছে ২৫টি এবং হেরেছে ১৩টিতে। একদিনের ক্রিকেটে ৭৬টি ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ৫১টিতে, হেরেছে ২২টি। টি২০ ক্রিকেটে ৬৪টি ম্যাচে ভারতকে কোচিং করিয়েছেন শাস্ত্রী। জয় এসেছে ৪২টিতে এবং হার ১৮টিতে।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌নিময়রক্ষার ম্যাচে নামিবিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ ভারতের

রবিবারই নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান ম্যাচের পরেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের ভাগ্য। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে সোমবারের ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। সেই নিয়মরক্ষার ম্যাচে নামিবিয়াকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে এবারের টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করল ভারত। ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মাই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিলেন। তবে বোলাররাও এদিন দারুণ বোলিং করেন। টস জিতে এদিন নামিবিয়াকে ব্যাট করতে পাঠান ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩২ রানের বেশি তুলতে পারেনি নামিবিয়া। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে নামিবিয়া তোলে ৩৪/২। ৪.৪ ওভারে ৩৩ রানের মাথায় মাইকেল ভ্যান লিঞ্জেনকে তুলে নেন মহম্মদ সামি। ৫.৩ ওভারে রবীন্দ্র জাদেজা আউট করেন ক্রেগ উইলিয়ামসকে (০)। ৯.১ ওভারে ৪৭ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেট হারায় নামিবিয়া। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় বড় রান তুলতে পারেনি। ২৫ বলে সর্বাধিক ২৬ রান করেন ডেভিড উইসে। স্টিফেন বার্ড করেন ২১। অধিনায়ক এরাসমাস আউট হন ১২ রানে। জান ফ্রাইলিঙ্ক ১৫ বলে ১৫ ও রুবেন ট্রাম্পেলম্যান ৬ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। রবীন্দ্র জাদেজা ১৬ রানে ৩টি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২০ রানে ৩টি, যশপ্রীত বুমরা ৪ ওভারে ১৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট পান।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮৬। ৯.৫ ওভারের মাথায় জ্যাঁ ফ্রাইলিঙ্কের বলে আউট হন রোহিত শর্মা। ৭টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৩৭ বলে ৫৬ রান করে আউট হন রোহিত। চলতি বিশ্বকাপে এটি তাঁর দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি। এদিন বিশ্বের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে টি ২০ আন্তর্জাতিকে ৩ হাজার রানের মাইলস্টোন পেরোলেন রোহিত শর্মা। প্রথম এই কীর্তি গড়েছিলেন বিরাট কোহলি। চলতি বিশ্বকাপে মার্টিন গাপটিল ও রোহিত শর্মা টি ২০ আন্তর্জাতিকে তিন হাজার রান পূর্ণ করলেন। চলতি বিশ্বকাপে তৃতীয় তথা কেরিয়ারের ১৫তম টি ২০ অর্ধশতরান পূর্ণ করে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিলেন লোকেশ রাহুল। টি ২০ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সবচেয়ে বেশি রানও করলেন রাহুল। তবে নিজে না নেমে বিরাট কোহলি তিনে কেন সূর্যকুমার যাদবকে নামালেন তা নিয়ে চলছে চর্চা। লোকেশ রাহুল চারটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৯ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন সূর্যকুমার যাদব। ২৮ বল বাকি থাকতে ১ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। ম্যাচের সেরা রবীন্দ্র জাদেজা।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌‌পরের বছর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের জন্য কী পরামর্শ দিলেন ভিভিএস লক্ষ্মণ?‌

এবছর টি২০ বিশ্বকাপে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভারতকে যথেষ্ট ভুগতে হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম দুটি ম্যাচে। পাকিস্তান ম্যাচে তো একটা উইকেটও তুলতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা। নিউজিল্যান্ড ম্যাচে মাত্র ২টি উইকেট তুলে নিতে সক্ষম হয়েছিল। যদি দলে ষষ্ঠ বোলার থাকত, হয়তো তাঁর হাত ধরেই ব্রেক থ্রু আসতে পারত। পরের বছর অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে যাতে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভারতকে ভুগতে না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্ণণ। পাশাপাশি ষষ্ঠ বোলারের অভাব কীভাবে মেটানো যায়, সে পরামর্শও দিয়েছেন ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার। স্টার স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিভিএস লক্ষ্মণ বলেছেন, ২০২২ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে সাফল্য পেতে গেলে এমন কয়েকজন ব্যাটারকে দলে নিতে হবে, যারা বল করতে পারে। পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচে ভারতকে ষষ্ঠ বোলারের অভাবে ভুগতে হয়েছে। হার্দিক পান্ডিয়ার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা রয়েছে। ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম বোলার হাতে থাকলে অধিনায়কের ওপর চাপ অনেক কমে যায়। দলে এমন ব্যাটার নিতে হবে যে অস্ট্রেলিয়ায় টি২০ বিশ্বকাপে ২ ওভার বল করতে পারবে। অস্ট্রেলিয়ায় পরের বছর টি২০ বিশ্বকাপে এই বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তুলনায় অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশে পেসাররা বেশি সাহায্য পাবে। বল বেশি সুইং না করলেও উইকেটে গতি ও বাউন্স থাকবে। তাই ভারতকে এমন কয়েকজন পেসার দলে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন লক্ষ্ণণ, যাদের বলে গতি আছে। ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ায় বল খুব বেশি সুইং করবে কিনা সে ব্যাপারে আমি ততটা নিশ্চিত নই। তাই দলে এমন জোরে বোলার রাখতে হবে, যাদের বলে গতি আছে। যে উইকেট থেকে গতি ও বাউন্স আদায় করে নিতে পারবে। লক্ষ্ণণ মনে করছেন যার বলে বৈচিত্র্য রয়েছে, সেই জোরে বোলার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সাফল্য পাবে। পাশাপাশি ঈশান কিষানের মধ্যে ভারতের টি২০ দলের ওপেনার হওয়ার দক্ষতা আছে বলে মনে করছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে ঈশান কিষানকে তিনি ওপেনার হিসেবে দেখতে চান। লক্ষ্মণ বলেন,ঈশান যেরকম খেলে, তাতে পাওয়ার প্লের ফিল্ডিংয়ের সুবিধা নিতে পারবে। ওর মধ্যে দারুণ প্রতিভা রয়েছে। সাহসী শট খেলার ব্যাপারে যথেষ্ট দক্ষ। ভয়ডরহীন ভাবে শট খেলতে পারে। বড় ওপেনার হওয়ার সব গুন ওর মধ্যে রয়েছে। যদিও ভারতীয় দলে এই মুহূর্তে ওপেনার হিসেবে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল রয়েছে, তবে ঈশানকে টিম ম্যানেজমেন্ট কীভাবে ব্যবহার করবে, যেটা ওদের ব্যাপার।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

t20 World Cup : দেশের খেলার চেয়ে আইপিএলকে বেশি প্রাধান্য কোহলিদের?‌ গর্জে উঠলেন প্রাক্তন ক্রিকেট মহাতারকা

টি২০ বিশ্বকাপে ভারত সেমিফাইনালে উঠতে না পারায় ফুঁসছে গোটা দেশ। ক্রিকেটপ্রেমীরা থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটার, প্রত্যেকেই হতাশ। ভারতের বিপর্যয় নিয়ে তর্কবিতর্ক চলছে। শুরু হয়েছে সমালোচনা। বিরাট কোহলিদের বিদায়ে গর্জে উঠেছেন প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব। তাঁর মতে, দেশের হয়ে খেলার চেয়েও ক্রিকেটাররা আইপিএলকে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কপিলদেব বলেছেন, ক্রিকেটাররা যদি দেশের হয়ে খেলার চেয়ে আইপিএলকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তখন আমরা কী বলত পারি? ক্রিকেটারদের তাদের দেশের হয়ে খেলার জন্য অবশ্যই গর্বিত হওয়া উচিত। আমি ক্রিকেটারদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জানি না তাই বেশি কিছু বলতে পারছি না। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি প্রথমে দেশের হয়ে খেলাটাই প্রাধান্য পাওয়া উচিত। তারপর ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়ে খেলা। আমি বলছি না যে ক্রিকেটাররা আইপিএলে খেলবে না। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার দেশের হয়ে খেলাটাকে বেশি গুরুত্ব দেয় না, আইপিএলে খেলাটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে বিষয়টি দেখতে হবে। এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব আরও ভালভাবে পরিকল্পনা করে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এই টি২০ বিশ্বকাপে আমরা যে ভুল করেছি তার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সেটাই হবে আমাদের কাছে বড় শিক্ষা। পরের বছরই আবার বসবে টি২০ বিশ্বকাপের আআসর। কপিলদেব মনে করেন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের উচিত পরের বিশ্বকাপের জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু করা। প্রাক্তন এই বিশ্বজয়ী অধিনায়ক বলেন, এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর সময়। এখন থেকেই ভবিষ্যতের পরিকল্পনা শুরু করা উচিত। এমন নয় যে বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে মানেই ভারতীয় দলের ক্রিকেটও শেষ হয়ে গেছে। বসে না থেকে এখন থেকেই পরিকল্পনা করুক। আইপিএলের পরপরই বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে। ক্রিকেটাররা একেবারেই বিশ্রাম পায়নি। এই বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডেরও সমালোচনা করতে দ্বিধা করেননি কপিলদেব। তিনি বলেন, আমি মনে করি আইপিএল এবং টি২০ বিশ্বকাপের মধ্যে কিছুটা ব্যবধান থাকা উচিত ছিল। যাতে ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পেত। তবে আমাদের দেশের ক্রিকেটারদের প্রচুর এক্সপোজার রয়েছে। ক্রিকেটাররা তার সঠিক প্রয়োগ করতে পারেনি। প্রত্যেক ক্রিকেটারের উচিত এই ব্যর্থতার দায় নেওয়া। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১২ সালের পর এই প্রথম আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতা থেকে ভারত এত তাড়াতাড়ি বিদায় নিয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

সেমিফাইনালের ছাড়পত্র আগেই এসে গিয়েছিল। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ ছিল লিগ টেবিলে শীর্ষে থাকার লড়াই। বিপক্ষকে ৭২ রানে উড়িয়ে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে শেষ করল পাকিস্তান। সেমিফাইনালে পাকিস্তান খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।রবিবার স্কটল্ল্যান্ডের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন বাবর আজম ও শোয়েব মালিক। এই দুজনের দাপটে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল স্কটল্যান্ডের বোলাররা। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে ৪টি অর্ধশতরানের মালিক হয়ে গেলেন বাবর। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর তালিকায় শীর্ষে পৌঁছলেন। টপকে গেলেন জস বাটলারকে। বাটলার মত রান ২৪০। অন্যদিকে বাবরের সংগ্রহ ২৬৪।স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। শুরুতে সতর্ক ছিলেন দুই পাক ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩৫। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন মহম্মদ রিজওয়ান (১৯ বলে ১৫)। ফকর জামান (১৩ বলে ৮) দ্রুত ফিরলেও পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যান বাবর আজম ও মহম্মদ হাফিজ। হাফিজ ক্রিজে এসে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে রান তোলার গতি বাড়ানোর দিকে নজর দেন। ১৯ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। বাবর আজম ৪৭ বলে করেন ৬৬। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শোয়েব মালিক। মাত্র ১৮ বলে ৫৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১টি চার ও ৬টি ছয়। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির দিক দিয়ে ছুঁয়ে ফেললেন ভারতের লোকেশ রাহুলকে। ২০ ওভারে পাকিস্তান তোলে ১৮৯/৪।ব্যাট করতে নেমে ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। কাইল কোয়েটজারকে (৯) তুলে নেন হাসান আলি। এরপর ৫ রান করে রান আউট হন ম্যাথু ক্রস। ৩১ বলে ১৭ রান করে একাদশতম ওভারে শাদাব খানের প্রথম বলে ফিরে যান জর্জ মুনসে। এরপর স্কটল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান ব্যারিংটন ও লিয়াস্ক। ১৪ বলে ১৪ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হন লিয়াস্ক। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১৭/৬ তোলে স্কটল্যান্ড। ৩৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্যারিংটন। শাদাব খান ৪ ওভারে ১৪ রানে ২ উইকেট নেন। ৫ ম্যাচে সব কটি জিতে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পৌঁছয় পাকিস্তান। ৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে শেষ চারে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : সর্ব কনিষ্ঠ বোলার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের মালিক রশিদ খান

অনেক আশা নিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল আফগানিস্তান। যদি কোনও রকম অঘটন ঘটানো যায়। লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেননি মহম্মদ নবিরা। কিন্তু এবারের টি২০ বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন আফগানিস্তানে লেগস্পিনার রশিদ খান। সর্ব কনিষ্ঠ বোলার হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের মালিক হয়ে গেলেন।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মার্টিন গাপটিলকে আউট করে ৪০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছন রশিদ খান। একই সঙ্গে এলিট লিস্টে নিজের নাম তুলে ফেললেন আফগানিস্তানের এই লেগস্পিনার। সব ধরণের টি২০ ক্রিকেট ম্যাচে রশিদ খানের আগে ৩ জন বোলার ৪০০র বেশি উইকেট নিয়েছেন। তাঁরা হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোয়েন ব্র্যাভো। তিনি রয়েছেন সকলের ওপরে। সব ধরণের টি২০ ম্যাচ মিলিয়ে এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার নিয়েছেন ৫৫৩টি উইকেট। ডোয়েন ব্র্যাভোর পর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজেরই সুনীল নারাইন। এই ক্যারিবিয়ান রহস্যময় স্পিনারের ঝুলিতে রয়েছে ৪২৫ উইকেট। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির। এই প্রোটিয়া স্পিনারের সংগ্রহে রয়েছে ৪২০ উইকেট। ৪০০র এলিট ক্লাবে নতুন সংযোজন রশিদ খান। তবে এই কৃতিত্ব তিনি অর্জন করলেন সর্ব কনিষ্ট্ঠ হিসেবে।দেশের হয়ে খেলতে নেমে রশিদ খান ১০৩ টি উইকেট ঝুলিতে ভরেছেন। আর আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলতে নেমে ৯৩ টি উইকেট নিয়েছেন রশিদ খান। বাকি ২০৪টি উইকেট নিয়েছেন বিভিন্ন দেশে টি২০ লিগে খেলে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে বিগ ব্যাশ, তেমনই রয়েছে পাকিস্তান প্রিমিয়ার লিগ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, আফগানিস্তান টি২০ লিগ, ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি২০ ক্রিকেটে। দুরন্ত স্পিন বোলিংয়ের সুবাদে টি২০ ক্রিকেটে রীতিমতো সমীহ জাগানো নাম হয়ে উঠেছেন রশিদ খান।চলতি বিশ্বকাপে টি২০ ক্রিকেটে শুধু ৪০০ উইকেটের মালিক হননি রশিদ খান, আরও একটা নজির গড়েছেন এই আফগান স্পিনার। দ্রুততম বোলার হিসেবে টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০ উইকেট দখল করার নজিরও গড়েছেন রশিদ খান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। রশিদ খান ছাড়া মাত্র ৩ জন বোলার আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে ১০০ উইকেটের মালিক হয়েছেন। এরা হলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন জোরে বোলার লসিথ মালিঙ্গা, বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান এবং নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি। এই তালিকায় সকলের আগে রয়েছেন সাকিব আল হাসান।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : আফগানদের ৮ উইকেটে হারিয়ে ভারতের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ করল কিউয়িরা

নিউজিল্যান্ডআফগানিস্তান ম্যাচের দিকেই তাকিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। যদি কোনও ভাবে অঘটন ঘটে। ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণ হল না। রবিবার আবু ধাবিতে ১১ বল বাকি থাকতে আফগানিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় দল হিসেবে গ্রুপ ২ থেকে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। আফগানিস্তানকে কিউয়িরা হারিয়ে দিতেই টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল ভারতের। ভারতের সঙ্গে ছিটকে গেল আফগানিস্তানও। নিউজিল্যান্ড জেতায় সোমবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ হয়ে দাঁড়াল নিয়মরক্ষার।রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান খেলতে নেমেছে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে। বাবর আজমের দল যদি স্কটল্যান্ডের কাছে না হারে, তাহলে গ্রুপ ২ থেকে নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালে যাবে দ্বিতীয় দল হিসেবে। সেক্ষেত্রে সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড খেলবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। আর পাকিস্তান মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার।২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেই ছিটকে গিয়েছিল ভারত। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও কিউয়িদের কাছেই হারতে হয়েছে বিরাট কোহলির দলকে ভারত। টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও বিরাট কোহলিদের ছিটকে দিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে কেন উইলিয়ামসনদের জয়। টি২০ বিশ্বকাপসহ আইসিসি ট্রফি অধরাই থেকে গেল ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে।টস জিতে এদিন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক মহম্মদ নবি। ৮ উইকেটে ১২৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি আফগানরা। ৪৮ বলে সর্বাধিক ৭৩ রান করেন নাজিবুল্লাহ জারদান। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি চার ও ৩টি ছয়। গুলবদিন নঈব ১৫ ও অধিনায়ক মহম্মদ নবি ১৪ রান করেন। ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুর্দান্ত বোলিং করে তিনিই ম্যাচের সেরা। টিম সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। অ্যাডাম মিলনে, জিমি নিশাম, ইশ সোধি ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দলের ২৬ রানের মাথায় আউট হন ড্যারিল মিচেল (১২ বলে ১৭)। ৮.৫ ওভারের মাথায় আউট হন মার্টিন গাপটিল। ২৩ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন কেন উইলিয়ামসন (৪২ বলে ৪০) ও ডেভন কনওয়ে (৩২ বলে ৩৬)। ১৮.১ ওভারে ১২৫/২ তুলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : সামনের বছর দুবারের বিশ্বকাপজয়ী দলকে খেলতে হবে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ

দুবারের বিশ্বজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজের কী হাল! এবছর সেমিফাইনালে তো উঠতেই পারেনি, পরের বছর টি২০ বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার ১২তে খেলার যোগ্যতাও নেই! ২০২২ টি২০ বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার ১২তে খেলার সুযোগ পাবে না ক্যারিবিয়ানরা। প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকে সুপার ১২তে উঠে আসতে হবে। সরাসরি সুপার ১২র খেলার সুযোগ নেই শ্রীলঙ্কারও। তাদেরও প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ খেলে সুপার ১২তে উঠে আসতে হবে। অন্যদিকে, সরাসরি সুপার ১২তে খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান।২০২২ বিশ্বকাপের জন্য সুপার ১২র অটোমেটিক কোয়ালিফায়ার নির্ধারিত হল বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে। এবছর বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স দলের সঙ্গে আইসিসির টি২০ র্যাঙ্কিংয়ে সেরা ছটি দল সরাসরি আগামী বছর সুপার ১২তে খেলবে। এবছর সুপার ১২তে বাংলাদেশ সব ম্যাচ হারলেও বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে টি২০ সিরিজে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এই মুহূর্তে র্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। ৮ নম্বরে থাকার জন্য সামনের বছর সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে তারা। আফগানিস্তানও র্যাঙ্কিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার থেকে এগিয়ে রয়েছে। তারা রয়েছে সপ্তম স্থানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারাত, তাহলে র্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বরে উঠে আসত। সেক্ষেত্রে পরের বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার ১২তে জায়গা করে নিত। অসিরা জেতায় ক্যারিবিয়ানরা র্যাঙ্কিংয়ে দশম স্থানে নেমে গেছে। গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবছর বিশ্বকাপে সরাসরি সুপার ১২তে খেলার সুযোগ পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে অবশ্য প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ খেলে উঠে আসতে হয়েছিল। শ্রীলঙ্কা রয়েছে নবম স্থানে। তারা এই বিশ্বকাপে সুপার ১২তে দুটি ম্যাচ জিতেছে। তা সত্ত্বেও র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে টপকে যেতে পারেনি। সামনের বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, স্কটল্যান্ড, নামিবিয়া এবং কোয়ালিফায়ার থেকে উঠে আসা চারটি দলকে নিয়ে প্রথম রাউন্ডের খেলা হবে। সেখান থেকে চারটি দল সুপার ১২তে উঠে আসবে।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : জিতেও শেষরক্ষা হলে না দক্ষিণ আফ্রিকার, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধ গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠেও শেষরক্ষা হল না দক্ষিণ আফ্রিকার। টি২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হল প্রোটিয়াদের। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ১০ রানে হারিয়ে ৮ পয়েন্টে পৌঁছে গেলেও নেট রান রেটের বিচারে ছিটকে যেতে হল তেম্বা বাভুমাদের।শুক্রবার দিনের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপের অঙ্ক জমিয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। চাপ বেড়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। সেমিফাইনালে যেতে গেলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুধু জিতলেই হত না, নেট রান রেটও অনেকটাই বাড়িয়ে নিতে হত। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলেও নেট রান রেটে টপকে যেতে পারল না অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডকে। তিন দলই শেষ করল ৮ পয়েন্টে। নেট রান রেটে শীর্ষে ইংল্যান্ড (+২.৪৬৪), দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া (+১.২১৬), তৃতীয় স্থান দক্ষিণ আফ্রিকা (+০.৭৩৯)। ইংল্যান্ডও যে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল, একথা বলা যাবে না। তাদেরও নেট রান রেটের কথা মাথায় রাখতে হয়েছিল। তাই টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। রেজা হেনড্রিকসকে (২) তুলে নেন মইন আলি। কুইন্টন ডিকক ও ভ্যান ডার ডুসেন জুটি দলকে টেনে নিয়ে যায়। ২৭ বলে ৩৪ রান করে আদিল রশিদের বলে আউট হন ডিকক। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ৮৬। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভ্যান ডার ডুসেন ও এইডেন মার্করাম। দুজনেই বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন। ৫টি চার এবং ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ৯৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ভ্যান ডার ডুসেন। ২৫ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও ৪টি ছয়। এই দুজনের দাপটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডও দারুণ জবাব দিতে শুরু করে। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৩৭। এরপরই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য মাঠ ছাড়েন জেসন রয় (১৫ বলে ২০)। বাটলার (১৫ বলে ২৬), মইন (২৭ বলে ৩৭), মালানরা (২৬ বলে ৩৩) দলকে টেনে নিয়ে যান। লিভিংস্টোন করেন ২৮। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৪ রান। কাগিসো রাবাডা পরপর ৩ বলে তুলে নেন মর্গ্যান (১৭), ওকস (০) ও জর্ডনকে (০)। সেখানেই শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের জয়ের স্বপ্ন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড ৮ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৭৯।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে প্রোটিয়াদের চাপে ফেলল অস্ট্রেলিয়া

এক দলের কাছে নিয়মরক্ষার হলেও অন্য দলের কাছে ম্যাচের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে, শেষ চারে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে জিততেই হত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ অনেকটাই মসৃন করল। তবে শেষ চারে যাওয়ার জন্য অ্যারন ফিঞ্চদের তাকিয়ে থাকতে হবে ইংল্যান্ডদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের দিকে। ইংল্যান্ড জিতলে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে সেক্ষেত্রে নেট রান রেটের অঙ্ক সামনে এসে পড়তে। এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার নেট রান রেট ০.৭৪২। ৪ ম্যাচে পয়েন্ট ৬। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, নেট রান রেট ১.২১৬। ইংল্যান্ডের ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট, নেট রান রেট ৩.১৮৩। ইংল্যান্ডকে হারালেও দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। সেক্ষেত্রে খুব বড় ব্যবধানে জিততে হবে। টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন ক্রিস গেল ও এভিন লুইস। ২.১ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলে ফেলে ৩০। এরপরই কামিন্সের বলে বোল্ড হন গেল (৯ বলে ১৫)। পরের তৃতীয় ওভারে এক বলের ব্যবধানে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন নিকোলাস পুরান (৪) ও রস্টন চেজকে (০)। এরপর রুখে দাঁড়ান লুইস ও শিমরন হেটমায়ের। দশম ওভারের মাথায় অ্যাডাম জাম্পা তুলে নেন লুইসকে (২৬ বলে ২৯)। ২৮ বলে ২৭ রান করে হ্যাজেলউডের বলে ফিরে যান হেটমায়ের। জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে রান পেলেন না ডোয়েন ব্র্যাভোও (১২ বলে ১০)। শেষ দিকে কায়রন পোলার্ড (৩১ বলে ৪৪) ও আন্দ্রে রাসেলের (৭ বলে অপরাজিত ১৮) সৌজন্যে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৭ তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জস হ্যাজেলউড ৩৯ রানে ৪ উইকেট নেন। মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স নেন ১ করে উইকেট। ২০ রানে ১ উইকেট নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে ১১তম উইকেট পেলেন অ্যাডাম জাম্পা। ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াও শুরু থেকে ঝড় তোলে। অসিদের লক্ষ্য ছিল কম ওভারের মধ্যে জয় তুলে নিয়ে নেট রান রেট বাড়িয়ে নেওয়া। ওপেনিং জুটিতে ৩.২ ওভারে তুলে ফেলে ৩৩। এরপর আকিল হোসেনের বলে বোল্ড হন অ্যারন ফিঞ্চ (১১ বলে ৯)। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে টেনে নিয়ে যান ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ। জুটিতে ওঠে ১২৪। ৩২ বলে ৫৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ক্রিস গেলের বলে মিচেল মার্শ আউট হন। অন্যদিকে, ৫৬ বলে ৮৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ডেভিড ওয়ার্নার। ১৬.২ ওভারে ২ উইকেটে ১৬১ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup: নামিবিয়াকে ৫২ রানে হারিয়ে ভারতের সেমিফাইনালের আশা আরও কমাল নিউজিল্যান্ড

টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের সেমিফাইনালে ওঠার কাজ আরও কঠিন করে দিল নিউজিল্যান্ড। শুক্রবার নামিবিয়াকে ৫২ রানে হারিয়ে শুধু ৩ পয়েন্টই ঘরে তুলল না, নেট রান রেটও অনেকটাই বাড়িয়ে নিল কেন উইলিয়ামসনের দল। সেমিফাইনালে যেতে গেলে ভারতকে এখন তাকিয়ে থাকতে হবে শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে নিউজিল্যান্ডের হারের দিকে। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিরাট কোহলিরা মাঠে নামার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকিয়েছিল নিউজিল্যান্ড ম্যাচের দিকে। যদি কোনও ভাবে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে অঘটন ঘটায় নামিবিয়া। অঘটন তো দূর অস্ত, ২০ ওভারের মধ্যে নামিবিয়াকে ১১১ রানে বেঁছে রেখে বিরাট কোহলিদের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল কিউয়িরা। টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন নামিবিয়ার অধিনায়ক জেরার্ড এরাসমাস। শুরুর দিকে নামিবিয়ার বোলাররা নিউজিল্যানন্ডের ব্যাটারদের ওপর যথেষ্ট চাপ তৈরি করেছিল। আগের ম্যাচে বিধ্বংসী হয়ে ওঠা মার্টিন গাপটিল তেমন সুবিধা করতে পারছিলেন না। ১৮ বলে ১৮ রান করে ডেভিড উইসের বলে ট্রাম্পেলম্যানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ৪.১ ওভারে ৩১। এক ওভার পরেই আউট হন ড্যারেল মিচেল। ১৫ বলে তিনি করেন ১৯। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, ডেভন কনওয়েরাও নামিবিয়ার বোলারদের বিরুদ্ধে সুবিধা করতে পারছিলেন না। ২৮ বলে ২৮ রান করে আউট হন উইলিয়ামসন। কনওয়ে ১৮ বলে করেন ১৭। ১৪ ওভারে নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ৮৭/৪। কনওয়ে আউট হওয়ার পর নিউজিল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন গ্লেন ফিলিপ ও জিমি নিশাম। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে দুজনে তোলেন ৭৬। টি২০ ক্রিকেটে পঞ্চম উইকেটের জুটিতে এটাই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে নিউজিল্যান্ড তোলে ১৬৩/৪। শেষ ৬ ওভারে ওঠে ৭৩। ২১ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন গ্লেন ফিলিপ। ২৩ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম। নিউজিল্যান্ডের যা বোলিং শক্তি, ১৬৩ রান তাড়া করে জেতা যথেষ্ট কঠিন ছিল নামিবিয়ার কাছে। ওপেনিং জুটিতে নামিবিয়া তোলে ৪৭। টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্টরা শুরুতে উইকেট না পেলেও নামিবিয়াকে প্রথম ধাক্কা দেন জিমি নিশাম। তুলে নেন ভ্যান লিঙ্গেনকে (২৫ বলে ২৫)। অন্য ওপেনার স্টিফেন বার্ডকে (২১ বলে ২২) ফেরান মিচেল স্যান্টনার। এরপর আর তেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি নামিবিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে তোলে ১১১/৭। সাউদি ১৫ রানে ২টি, বোল্ট ২০ রানে ২টি উইকেট নেন। মিচেল স্যান্টনার, জিমি নিশাম, ইস সোধি ১টি করে উইকেট পান।

নভেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে লজ্জার বিদায় গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের

গ্রুপ ১ থেকে প্রথম দল হিসেবে আগেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় জায়গার জন্য লড়াই অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে। দুই দলেরই ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। নেট রান রেটে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে রয়েছে প্রোটিয়াদের থেকে। গ্রুপ লিগে সব ম্যাচ হেরে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার আশাও শেষ। বৃহস্পতিবার সম্মান রক্ষার লড়াই ছিল গতবারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সম্মান রক্ষার লড়াইয়েও ব্যর্থ ক্যারিবিয়ানরা। শ্রীলঙ্কার কাছে ২০ রানে হারতে হল কায়রন পোলার্ডদের।আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক কায়রন পোলার্ড। লক্ষ্য ছিল শুরুতেই উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলা। কিন্তু ক্যারিবিয়ান অধিনায়কের সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে যায় পাথুম নিসাঙ্কা ও কুশল পেরেরার দাপটে। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪২। ২১ বলে ২৯ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান কুশল পেরেরা। ক্যারিবিয়ানরা আশায় ছিল ম্যাচে ফেরার। কিন্তু তাদের ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন ব্যর্থ করে দেন পাথুম নিসাঙ্কা ও চরিথ আসালঙ্কা। জুটিতে ৯১ রান তুলে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেন। ১৫.৩ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে আউট হন নিসাঙ্কা। ৪১ বলে তিনি করেন ৫১। শ্রীলঙ্কার রান তখন ১৩৩।নিসাঙ্কা আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান আসালঙ্কা। ৪১ বলে ৬৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি রাসেলের বলে হেটমায়েরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক দাসুন শনাকা ১৪ বলে ২৫ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আন্দ্রে রাসেল ৩৩ রানে ২ উইকেট নেন।দলে তাবড় তাবড় টি২০ বিশেষজ্ঞ ব্যাটার রয়েছে। তা সত্ত্বেও জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য একেবারেই সহজ ছিল না ক্যারিবিয়ানদের কাছে। কারণ চলতি বিশ্বকাপে একেবারেই ফর্মে নেই ক্রিস গেল, আন্দ্রে রাসেল, কায়রন পোলার্ডরা। তার ওপর দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলেই ক্রিস গেল আউট। বিনুরা ফার্নান্ডোর বলে তিনি ১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। একই ওভারের শেষ বলে বিনুরা তুলে নেন এভিন লুইসকে (৮)। ২ ওভারের মধ্যে ১০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে ক্যারিবিয়ানরা। রস্টন চেজও (৯) দ্রুত ফেরেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও শিমরন হেটমায়ের। ৩৪ বলে ৪৬ রান করে আউট হন পুরান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তখন ১১ ওভারে ৭৭। আন্দ্রে রাসেল (২), কায়রন পোলার্ডর (০), জেসন হোল্ডাররা (৮) ব্যর্থ। চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে একমাত্র লড়াই করেন শিমরন হেটমায়ের। ৫৪ বলে ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে তোলে ১৬৯/৮ । শ্রীলঙ্কার হয়ে বিনুরা ফার্নান্দো, চামিকা করুনারত্নে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২ টি করে উইকেট পান।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • ...
  • 44
  • 45
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal