• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trum

বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

প্রেসিডেন্টের আদেশ মানতে নারাজ সেনা! গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকায় ফাটল

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে, এমন হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সেই মতো মার্কিন সেনার বিশেষ বাহিনীকে হামলার পরিকল্পনা তৈরি করে রাখার নির্দেশও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালাতে রাজি নন মার্কিন সেনার একাংশ শীর্ষ আধিকারিক।সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেল একটি মার্কিন প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্প সেনার জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডকে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযানের সব রকম পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখতে বলেছেন। কিন্তু মার্কিন সেনার জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফেরা কার্যত এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এ ভাবে গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানো আইনবিরোধী এবং এমন সিদ্ধান্তে কখনওই সায় দেবে না মার্কিন কংগ্রেস।ওই সূত্রের দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘ দিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানোর কথা ভাবছেন। তবে সেনা আধিকারিকেরা বারবার তাঁর দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছেন। কখনও আটলান্টিক মহাসাগরে রুশ জাহাজের তৎপরতার কথা তুলে ধরা হচ্ছে, আবার কখনও ইরানে হামলা চালানোর প্রসঙ্গ তোলা হচ্ছে।সূত্রের আরও দাবি, ট্রাম্পের রাজনৈতিক উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে আমেরিকায় আনার পরিকল্পনার পর থেকেই তাঁর নজর গ্রিনল্যান্ডের দিকে যায়। তাঁর আশঙ্কা, আমেরিকা দেরি করলে রাশিয়া বা চিন সেখানে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়ে ফেলতে পারে।ডেইলি মেলকে এক ব্রিটিশ কূটনীতিক জানিয়েছেন, ট্রাম্প নিজেও গ্রিনল্যান্ড দখল করতে আগ্রহী। তাঁর মতে, দেশে লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। সেই ক্ষোভ থেকে নজর ঘোরাতেই কখনও ভেনেজুয়েলা, কখনও গ্রিনল্যান্ড, আবার কখনও ইরানে হামলার কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।চলতি বছরের শেষেই আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা। ট্রাম্পের আশঙ্কা, দেশের অর্থনৈতিক মন্দা ভোটের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাতে সুবিধা পেতে পারে ডেমোক্র্যাটরা এবং কংগ্রেস তাদের দখলে চলে যেতে পারে। সেই কারণেই বড় কোনও পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে ঘোরাতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, এমনটাই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেয়েই রাগ! ভেনেজুয়েলার পর এবার মধ্যরাতে সিরিয়া আক্রমণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের

থামার কোনও লক্ষণ নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ভেনেজ়ুয়েলার পর এবার সিরিয়ায় হামলা চালাল আমেরিকা। মধ্যরাতে সিরিয়ার একাধিক এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রশাসন। ট্রাম্পের দাবি, ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠীর ঘাঁটি লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।ডিসেম্বরের পর জানুয়ারিতে ফের সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালাল আমেরিকা। গত ডিসেম্বরেই সিরিয়ার উপর বড়সড় অভিযান চালিয়েছিল মার্কিন সেনা। সেই অভিযানে দুজন মার্কিন সেনা ও এক জন অনুবাদক নিহত হন। ওই অভিযানের নাম ছিল অপারেশন হক আই স্ট্রাইক। এবার সেই একই অভিযানের আওতায় ফের হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সিরিয়া জুড়ে সক্রিয় আইসিস জঙ্গিদের লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এই হামলায় কত জন আইসিস জঙ্গি নিহত হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।মার্কিন সেনার তরফে আরও জানানো হয়েছে, এই অভিযানে তাদের এক সহযোগী বাহিনী সাহায্য করেছে। তবে সেই বাহিনী সিরিয়ার সেনা না অন্য কোনও গোষ্ঠী, তা স্পষ্ট করা হয়নি। এই বিষয়ে পেন্টাগনও কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বর্তমানে সিরিয়ায় এক হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, গত ১৩ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে সিরিয়ায়। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হন। তাঁর জায়গায় ক্ষমতায় আসেন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা আহমেদ আল সারাহ। নতুন সিরিয়া সরকার বর্তমানে আইসিস বিরোধী অভিযানে আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা করছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

‘মোদি ফোন করেননি বলেই চুক্তি ভেস্তে!’ ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চু্ক্তি নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনীহার কারণেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হয়নিএমন দাবি সম্প্রতি করেছিলেন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। তাঁর বক্তব্য ছিল, চুক্তির শেষ ধাপে পৌঁছতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সেই ফোন করেননি। তার ফলেই ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে এই অভিযোগ একেবারেই খারিজ করে দিল ভারত সরকার। বিদেশমন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে কোনও মিল নেই।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়স্বাল বলেন, গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারপর থেকে দুই দেশ একাধিকবার বৈঠকে বসেছে এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তাঁর দাবি, দুদেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক লাভজনক চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং আলোচনা এখনও চলছে।রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, মার্কিন বাণিজ্য সচিব যে মন্তব্য করেছেন, তা সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর। ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে আগ্রহী এবং এমন একটি চুক্তি চায়, যাতে দুই দেশেরই লাভ হয়।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে হাওয়ার্ড লুটনিক দাবি করেন, ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে শর্ত ছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ট্রাম্পকে ফোন করতে হবে। সেই ফোন না আসাতেই চুক্তি ভেস্তে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এবার সেই বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করে দিল নয়াদিল্লি।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় ধাক্কা! পাকিস্তানকে বিশ্বাস করতে পারবে না ইজরায়েল

গাজা পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনীর প্রস্তাব দিয়েছেন, সেখানে পাকিস্তানি সেনার উপস্থিতি কোনও ভাবেই মেনে নেবে না ইজরায়েল। শুক্রবার স্পষ্ট ভাষায় এই কথা জানালেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। তাঁর বক্তব্য, একটি ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইজরায়েলের পক্ষে গাজায় পাকিস্তানি সেনার অংশগ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়।একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রিউভেন আজার বলেন, পাকিস্তানের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে হামাসের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে লস্কর-এ-তইবা-র মতো জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে হামাসের যোগের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের উপর ভরসা করা সম্ভব নয়।রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য, যতক্ষণ না হামাসকে পুরোপুরি ধ্বংস করা যাচ্ছে, ততক্ষণ গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হতে পারে না। তাঁর কথায়, হামাস নির্মূল না হলে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নই ওঠে না। এই কারণেই পাকিস্তানের মতো দেশের সেনা নিয়ে গঠিত কোনও শান্তিবাহিনীর ধারণাকে ইজরায়েল সমর্থন করতে পারে না।উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা পুনর্গঠনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই বাহিনীতে একাধিক দেশকে সেনা পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই তালিকায় পাকিস্তানের নামও রয়েছে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে ইজরায়েল যে স্বস্তিতে নেই, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন আজার।রিউভেন আজার আরও জানান, ইতিমধ্যেই অনেক দেশ গাজায় সেনা পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করেছে। কারণ, তারা হামাসের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করতে চায় না। তাঁর মতে, এই অবস্থায় শান্তিবাহিনী গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবের মাটিতে দাঁড়াবে না।প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘ ট্রাম্পের গাজা শান্তি প্রস্তাবে নীতিগত সমর্থন জানিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তিবাহিনী মোতায়েনের ভাবনা চলছে। ওয়াশিংটন পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াচ্ছে যাতে তারা সেনা পাঠাতে রাজি হয়। কিন্তু পাকিস্তানের সামনে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। গাজায় সেনা পাঠানোর অর্থ হামাসের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা, আর সেই হামাসকেই পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সমর্থন করে এসেছে। উপরন্তু, ইজরায়েলকে পাকিস্তান এখনও স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে মুসলিম দেশগুলির সামনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে ইসলামাবাদকে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে নিশানা ট্রাম্পের? ফের শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি আমেরিকার

ভারতের উপর চাপ আরও বাড়াতে পারে আমেরিকা। দ্বিগুণ শুল্ক বসানোর পর এবার আরও শুল্ক চাপানোর ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা নিয়ে যে তিনি মোটেও খুশি নন, তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভালভাবেই জানতেন বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।রবিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী খুব ভাল মানুষ, কিন্তু তিনি জানতেন যে রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়টি নিয়ে আমেরিকা অসন্তুষ্ট। ট্রাম্পের কথায়, তাঁকে খুশি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য করে এবং আমেরিকা চাইলে যে কোনও সময় শুল্ক বাড়াতে পারে।উল্লেখ্য, গত বছর ভারতের উপর প্রথমে পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চাপিয়েছিল আমেরিকা। পরে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর আরও ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক বসানো হয়। এর ফলে মোট শুল্কের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে, যা ছিল সর্বোচ্চ। এবার ফের সেই শুল্ক আরও বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প।গত সপ্তাহেই ফোনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। শুল্ক নিয়েও কথাবার্তা হয় বলে জানা গিয়েছিল। কিন্তু রবিবার ট্রাম্পের মন্তব্যে সম্পূর্ণ উল্টো সুর ধরা পড়ে।এখন প্রশ্ন, আমেরিকা কি আবার ভারতের উপর নতুন করে শুল্ক চাপাবে, আর যদি চাপায়, তবে ভারতের প্রতিক্রিয়া কী হবে। এর আগেও রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে শুল্ক আরোপের সময় নয়া দিল্লির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মাদুরোর পর এবার ডেলসি! ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে হুমকি ট্রাম্পের

ভেনেজুয়েলা নিয়ে হুমকি থামছে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সস্ত্রীক ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযোগের পর এবার সরাসরি হুমকি দিলেন দেশের সদ্য ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজকে। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, ঠিক পথে না চললে মাদুরোর থেকেও বড় মূল্য চোকাতে হবে ডেলসিকে।একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ডেলসি রড্রিগেজ যদি তাঁর নির্দেশ মতো কাজ না করেন, তাহলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, মাদুরোর চেয়েও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে ভেনেজুয়েলার নতুন প্রশাসনকে।ট্রাম্প দাবি করেন, ভেনেজুয়েলায় ইতিমধ্যেই সরকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, নতুন নেতৃত্ব শপথ নিয়েছে এবং আমেরিকা দ্বিতীয় ধাপের পরিকল্পনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। যদিও তাঁর ধারণা, সেই ধাপ হয়তো আর প্রয়োজনই হবে না। ট্রাম্প বলেন, সঠিক সময়ে নির্বাচন করানো হবে এবং ভেনেজুয়েলার তেল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার হাতেই যাবে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে কারাকাস থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর প্রথমদিকে ডেলসি রড্রিগেজের প্রশংসা করেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর ডেলসি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি ভেনেজুয়েলার প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করবেন এবং দেশের সার্বভৌমত্বে কোনও আপস করবেন না। সদ্য নিজের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকও করেছেন ডেলসি। এখনও পর্যন্ত আমেরিকার কাছে নতিস্বীকারের কোনও ইঙ্গিত তাঁর বক্তব্যে নেই। অপহরণের সিদ্ধান্তের পক্ষেও সাফাই দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলায় এখন পুনর্গঠনের সময় চলছে, সরকার বদল হচ্ছে। তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতি আগের থেকে ভাল এবং এর থেকে খারাপ কিছু আর হতে পারে না।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মাদুরো কি আমেরিকার হাতে বন্দি? ওয়াশিংটনের কাছে প্রমাণ চাইল ভেনেজুয়েলা

আশঙ্কাই সত্যি হল। শনিবার ভোররাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও এই দাবি এখনও পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকার করেনি।ভেনেজুয়েলার এক সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ জানিয়েছেন, মাদুরোকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনও তথ্য নেই। তিনি স্পষ্টভাবে ওয়াশিংটনের কাছে মাদুরো জীবিত আছেন কি না, তার প্রমাণ চেয়েছেন। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকার তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি।তবে মার্কিন সেনেটর মাইক লি জানিয়েছেন, এই বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। নিজের এক্স হ্যান্ডলে মাইক লি লেখেন, রুবিও তাঁকে জানিয়েছেন যে আমেরিকায় মাদুরোর বিরুদ্ধে চলা একাধিক ফৌজদারি মামলার বিচার প্রক্রিয়ার জন্য তাঁকে বন্দি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপছন্দের তালিকায় রয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন নয়। সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান এলাকায় বিপুল পরিমাণ মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়। তার পরই মাদুরো অভিযোগ করেন, আমেরিকা তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ শুরু করেছে এবং জোর করে দেশের শাসনব্যবস্থা বদলাতে চাইছে।গত মাসে ভেনেজুয়েলা ও সংলগ্ন এলাকার আকাশসীমা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলায় তেল ট্যাঙ্কার চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেলের ভাণ্ডার রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল তেল উৎপাদন হয় সেখানে।সম্প্রতি চিন ও রাশিয়ার সঙ্গে মাদুরো সরকারের ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় হোয়াইট হাউসের অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়। এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে ভেনেজুয়েলার এক বন্দরে মার্কিন হামলার দাবি করে সিএনএন। অভিযোগ ছিল, ওই বন্দর ব্যবহার করে মাদক পাচার করা হচ্ছিল। সব মিলিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
বিদেশ

হট টাব থেকে সুইমিং পুল, এপস্টেইন নথিতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ছবি

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনকে ঘিরে ফের তোলপাড় আমেরিকার রাজনীতি। এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত হাজার হাজার পাতার নথি প্রকাশ করল মার্কিন ন্যায় বিভাগ। সেই নথিতে বারবার উঠে এসেছে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের নাম। প্রকাশ্যে এসেছে একাধিক ছবি। কিন্তু বিস্ময়ের বিষয়, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম ও ছবি সেখানে প্রায় নেই বললেই চলে।প্রকাশিত ছবিগুলির একটিতে তরুণ বিল ক্লিন্টনকে একটি হট টাবে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। ছবির একটি অংশ কালো রঙে ঢেকে রাখা হয়েছে। অন্য একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, এক মহিলার সঙ্গে সাঁতার কাটছেন ক্লিন্টন। ওই মহিলা এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ ও প্রেমিকা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল বলে মনে করা হচ্ছে। আরও একটি ছবিতে ক্লিন্টনের পাশে দেখা গিয়েছে পপ সংগীতের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনকে। তাঁদের পাশেই ছিলেন গায়িকা ডায়ানা রস।এই সব ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। নব্বইয়ের দশক এবং দুই হাজার দশকের শুরুতে এপস্টেইনের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতার কথা আগে একাধিকবার সামনে এসেছে। কিন্তু সদ্য প্রকাশিত নথিতে তাঁর কোনও ছবি নেই। নামও এসেছে মাত্র একবার, একটি যোগাযোগের খাতায়। সেই খাতাটি কার, তাও স্পষ্ট নয়।অথচ এর আগে প্রকাশিত নথিতে ট্রাম্পের উপস্থিতির কথা জানা গিয়েছিল। এমনকি এপস্টেইনের ব্যক্তিগত বিমানে তাঁকে দেখা যাওয়ার কথাও উঠে এসেছিল। সেই কারণেই নতুন নথিতে তাঁর অনুপস্থিতিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেকের ধারণা, নিজেকে আড়াল করতে বিল ক্লিন্টনের দিকেই আলো ঘোরানোর চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। উল্লেখযোগ্য ভাবে, মাসখানেক আগেই এপস্টেইনের সঙ্গে বিল ক্লিন্টনের সম্পর্ক নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছিলেন ট্রাম্প। সেই তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানা যায়।এই পরিস্থিতিতে বিল ক্লিন্টনের শিবির থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র বলেন, এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্ত শুধুমাত্র বিল ক্লিন্টনকে লক্ষ্য করে করা হচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, বহু পুরনো ছবি প্রকাশ করতেই পারে প্রশাসন, কিন্তু গোটা বিষয়টি শুধু ক্লিন্টনকে ঘিরে নয়। তিনি বলেন, এপস্টেইনের ক্ষেত্রে দুধরনের মানুষ ছিলেন। একদল, যাঁরা অপরাধের কথা প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। আরেক দল, যাঁরা এরপরও যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। তাঁদের দাবি, বিল ক্লিন্টন প্রথম দলের মধ্যেই পড়েন।নাম না করলেও ক্লিন্টন শিবির যে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই নিশানা করছে, তা স্পষ্ট। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ট্রাম্প যতই চেষ্টা করুন না কেন, এপস্টেইন কেলেঙ্কারি থেকে নিজের নাম পুরোপুরি সরিয়ে রাখা তাঁর পক্ষে সহজ হবে না।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
বিদেশ

৯ কোটি দিলেই আমেরিকান? নাগরিকত্ব বিক্রির পথে ট্রাম্প, তীব্র বিতর্ক

আমেরিকায় এবার খোলাখুলি বিক্রি হবে নাগরিকত্বএমনই বিস্ফোরক ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার তিনি জানান, তাঁর তৈরি করা নতুন গোল্ড কার্ড বাজারে আসতে চলেছে। এই কার্ড কিনতে খরচ হবে ১ মিলিয়ন থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ কোটি থেকে ১৮ কোটি টাকা।ট্রাম্পের দাবি, এই গোল্ড কার্ড আমেরিকায় বৈধভাবে থাকার সুযোগ দেবে এবং পরবর্তীতে নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ আরও সহজ করবে। ইতিমধ্যেই সরকারি ওয়েবসাইটে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।এই গোল্ড কার্ড চালু হলে বাতিল হয়ে যাবে আগের ইবি-৫ ভিসা, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য তৈরি হয়েছিল ১৯৯০ সালে। ট্রাম্পের কথা অনুযায়ী, এবার শুধুমাত্র যোগ্য ও দক্ষ কর্মীরাই আমেরিকায় প্রবেশের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি কার্ড বিক্রির টাকা যাবে ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টে, যা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে।প্রথমে এই কার্ডের দাম ছিল ৫ মিলিয়ন ডলার। পরে তা কমিয়ে ১ মিলিয়ন ও ২ মিলিয়ন ডলারে নামানো হয়েছে। ট্রাম্প নিজেই বলেছেন, মূলত এটা গ্রিন কার্ড, তবে আরও শক্তিশালী, আরও সরাসরি নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ।মার্কিন সংস্থাগুলি চাইলে এই কার্ড কিনে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ করতে পারবে। তবে আবেদনের শর্ত, সীমা বা কতজন আবেদন করতে পারবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি ট্রাম্প।এরই মধ্যে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, আর্থিক লাভের জন্যই ট্রাম্প নাগরিকত্ব বিক্রির পথ খুলে দিয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছে অভিবাসন ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেএবারেও তাঁর ক্যাম্পেইন স্লোগান ছিল মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তিনি হাজার হাজার বেআইনি অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছেন।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
বিদেশ

এইচ-১বি ভিসায় বজ্রাঘাত! ট্রাম্পের নতুন নিয়মে বিপাকে হাজার হাজার ভারতীয়

আমেরিকায় মেধাবী বিদেশি কর্মীদের উপর আরও কঠোর নিয়ম চাপাল ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে এইচ-১বি ভিসার আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যক্তিগত তথ্যও খুলে দিতে হবে। নতুন ভিসা হোক বা পুরনবীকরণসব ক্ষেত্রেই আবেদনকারীর অনলাইন প্রোফাইল পাবলিক রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই সমস্যায় পড়েছেন প্রচুর ভারতীয় কর্মী এবং শিক্ষার্থী। অনেকের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট হঠাৎ করেই স্থগিত হয়ে গিয়েছে।মঙ্গলবার রাতে ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁরা ইমেল পেয়েছেনযেখানে জানানো হয়েছে যে তাঁদের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ বদলে দেওয়া হয়েছেতাঁদের মিশন ইন্ডিয়ার মাধ্যমে নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। একই সঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে, ভুল তারিখ নিয়ে কেউ কনস্যুলেটে হাজির হলে ভেতরে ঢুকতেই দেওয়া হবে না।এইচ-১বি ভিসা এমন এক ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা, যার সাহায্যে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমেরিকায় কাজ করতে পারেন। প্রতি বছরই ভারত থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী ও পড়ুয়া এই ভিসা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই এই ভিসা নিয়ে কড়াকড়ির ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় গত ২ ডিসেম্বর বিশ্বের সমস্ত মার্কিন দূতাবাসে নতুন নিয়মের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।আমেরিকার বিদেশ দপ্তর জানিয়েছে, আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার সব তথ্য খোলাখুলিভাবে রাখতে হবে। তাঁদের অনলাইন আচরণ খতিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ভিসা দেওয়া হবে কিনা। ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আবেদনকারী আমেরিকা বা তাদের নাগরিকদের কোনও ক্ষতি করতে পারেনএমন কোনও সন্দেহ থাকলে ভিসা সরাসরি বাতিল করে দেওয়া হবে।এই নিয়ে বিতর্কও কম নয়। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছিল, বিদেশি দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ দিলে আমেরিকার সংস্থাগুলিকে এককালীন এক লক্ষ ডলার দিতে হবে। গত ২১ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প যে নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছিলেন, তা ২২ সেপ্টেম্বর থেকেই কার্যকর হয়ে গেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

আমেরিকা নিজে রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে! ভারতের বেলায় নিষেধাজ্ঞা! ট্রাম্পের পর্দা ফাঁস পুতিনের

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারত সফরে এসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বড় দ্বিচারিতার কথা প্রকাশ্যে এনে দিয়েছেন। ভারত যাতে রাশিয়া থেকে তেল না কিনতে পারে, তার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন শুল্ক চাপানোর হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু একই আমেরিকা নিজে রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণে ইউরেনিয়াম কিনে চলেছে। এই ইউরেনিয়াম দিয়েই আমেরিকার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চলছে। এক সাক্ষাৎকারে পুতিন স্পষ্ট বলেছেন, আমেরিকা আমাদের কাছ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি কিনছে। এটাও তো জ্বালানি, শক্তি। তাহলে ভারত কেন রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনতে পারবে না? তিনি আরও বলেন, যদি আমেরিকার এই অধিকার থাকে, তাহলে ভারতকেও একই অধিকার দেওয়া উচিত। এই বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতেও তিনি প্রস্তুত।তথ্য বলছে, আমেরিকার জন্য রাশিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরেনিয়াম সরবরাহকারী দেশ। রাশিয়া যত ইউরেনিয়াম বিদেশে বিক্রি করে, তার প্রায় ২৫ শতাংশই যায় আমেরিকায়। চলতি বছরে শুধু ইউরেনিয়াম বিক্রি করেই রাশিয়া আমেরিকার কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি ডলার আয় করেছে। ২০২৪ সালেও আয় হয়েছিল ৮০ কোটি ডলারের কাছাকাছি।পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভারতের সঙ্গে জ্বালানি চুক্তি একটুও বদলায়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে দিল্লিতে পা রেখেই তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
বিদেশ

হোয়াইট হাউসের গুলিকাণ্ডের পরই বিস্ফোরক ঘোষণা, তৃতীয় বিশ্বের দরজা বন্ধ করে দিলেন ট্রাম্প!

হোয়াইট হাউসের কাছেই দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বিশ্ব রাজনীতিতে কার্যত মাইগ্রেশন বোমা ফেললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশ্যালে বিস্ফোরক ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, তৃতীয় বিশ্বের সমস্ত দেশ থেকে স্থায়ীভাবে অভিবাসন বন্ধ করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, এতে মার্কিন ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পাবে। এই সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী, পড়ুয়া ও নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসা মানুষের ভবিষ্যৎ কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, প্রযুক্তিগত দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র যতই এগিয়ে যাক না কেন, লাগামছাড়া অভিবাসন নীতি সেই সমস্ত সাফল্য ও নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান নষ্ট করেছে। তাঁর কথায়, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলি থেকে সমস্ত ধরনের অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে, বাইডেন আমলে হওয়া লক্ষ লক্ষ অবৈধ প্রবেশ বাতিল করা হবে, এমনকি যাঁরা দেশের নেট অ্যাসেট নন বা যাঁরা দেশের প্রতি আনুগত্য দেখাতে অক্ষম, তাঁদেরও দেশছাড়া করা হবে। পাশাপাশি অ-নাগরিকদের জন্য সমস্ত ফেডারাল সুবিধা ও ভর্তুকি বন্ধ করার ঘোষণাও করেছেন তিনি। এমনকি যাঁদের নাগরিকত্ব দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি নষ্ট করছে বলে মনে হবে, তাঁদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন ট্রাম্প।এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই হোয়াইট-এর কয়েক ব্লক দূরে ঘটে ভয়াবহ গুলির ঘটনা। দুই ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য সারাহ বেকস্ট্রম ও অ্যান্ড্রু উলফকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ২০ বছরের সারাহ বেকস্ট্রমের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ২৪ বছরের উলফ। অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ২৯ বছরের রহমনুল্লাহ লাকানওয়ালকে। হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয় বলেই জানিয়েছে প্রশাসন।গুলিকাণ্ডের পরই কার্যত কড়া পদক্ষেপ করেছে US Citizenship and Immigration Services। সমস্ত আফগান নাগরিকের অভিবাসন সংক্রান্ত আবেদন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। সংস্থার বক্তব্য, দেশের নিরাপত্তাই এই মুহূর্তে একমাত্র লক্ষ্য।এই ঘটনার ঠিক আগেই ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ২০২১ সালের আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময়ের একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে অসংখ্য আফগান নাগরিককে সামরিক বিমানে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই পোস্টে তিনি কটাক্ষ করে লেখেন, শত শত হাজার মানুষ যাচাই ছাড়াই ঢুকে পড়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে, আর তার জন্য দায়ী ক্রুকড জো বাইডেন।থ্যাঙ্কসগিভিং উপলক্ষে করা আরেকটি তীব্র ভাষার পোস্টেও ট্রাম্প অভিবাসন নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁর দাবি, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ৫ কোটি ৩০ লক্ষের বেশি এবং তাঁদের বড় অংশ ব্যর্থ রাষ্ট্র, জেলখানা, মানসিক হাসপাতাল, গ্যাং ও ড্রাগ কার্টেল থেকে এসেছে। তিনি আরও বলেন, একজন গ্রিন কার্ডধারী অভিবাসী যদি বছরে ৩০ হাজার ডলার আয় করেন, তবে তাঁর পরিবার বছরে প্রায় ৫০ হাজার ডলার সরকারি সুবিধা পায়যা মার্কিন নাগরিকদের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।ট্রাম্পের অভিযোগ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই ধরনের রিফিউজি বোঝা আমেরিকায় সামাজিক অবক্ষয়ের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেব্যর্থ স্কুল, বাড়তে থাকা অপরাধ, হাসপাতালে ভিড়, আবাসনের সঙ্কট ও বিপুল ঘাটতি তারই ফল। এমনকি মিনেসোটায় সোমালিয়া থেকে আসা উদ্বাস্তুদের দাপট নিয়েও তীব্র মন্তব্য করেছেন তিনি।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই ঘোষণার বাস্তবায়ন হলে অভিবাসন ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং মানবাধিকার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রকে চরম বিতর্কের মুখে পড়তে হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের বহু দেশের পড়ুয়া, কর্মপ্রার্থী ও রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের জীবনে নেমে আসতে পারে গভীর অনিশ্চয়তা।

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
বিদেশ

হোয়াইট হাউসে ঢুকতেই চমক! ট্রাম্পের ছেলের স্বপ্নপূরণ করলেন রোনাল্ডো

বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো যেখানে যান, সেখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। এবার তাঁর উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠল আমেরিকার হোয়াইট হাউস। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়োজিত বিশেষ ডিনার পার্টিতে আচমকাই হাজির ছিলেন পাঁচবারের ব্যালন ডিঅরজয়ী রোনাল্ডো। উপস্থিত অতিথিদের অনেকেই তাঁর আগমন সম্পর্কে আগে জানতেন না। কিন্তু সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাস দেখা গেল ট্রাম্পের কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন ট্রাম্পের চোখে।মাত্র ১৯ বছর বয়সি ব্যারন নাকি বহুদিন ধরেই রোনাল্ডোর প্রবল ভক্ত। ট্রাম্প নিজেই হেসে বললেন, তাঁর ছেলে রোনাল্ডোকে এতটাই পছন্দ করে যে, আজকের সাক্ষাৎ যেন ব্যারনের জন্য স্বপ্নপূরণ। তাই রোনাল্ডোকে সামনে পেয়ে ব্যারনের উচ্ছ্বাস লুকোনোই যাচ্ছিল না। প্রেসিডেন্ট হাসতে হাসতে বলেন, ব্যারন অবশেষে রোনাল্ডোর সঙ্গে দেখা করতে পারল। আশা করি এবার ব্যারন তার বাবাকে একটু বেশি সম্মান করবে! আমার কারণেই তো স্বপ্ন পূরণ হলো তার।ডিনারটিতে ছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমনও। রোনাল্ডো বর্তমানে সৌদি ক্লাব আল নাসেরে খেলেন এবং সৌদির ফুটবল প্রচারে তাঁর ভূমিকা অপরিসীম। তাই যুবরাজের উপস্থিতিতে রোনাল্ডোর অংশগ্রহণ অনেকেই আগেই আন্দাজ করেছিলেন। ইস্ট রুমে যুবরাজ ও ট্রাম্পের কাছেই আসন ছিল রোনাল্ডোর।এই বিশেষ সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বের আরও বহু বরেণ্য ব্যক্তিত্বঅ্যাপল সিইও টিম কুক, টেসলার প্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্ক, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স প্রমুখ। এত নামকরা মানুষদের ভিড়েও যে রোনাল্ডোই সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন, তা বলাই বাহুল্য।উল্লেখযোগ্য, আগামী বছরই আমেরিকা ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। তাই ওয়াশিংটনে রোনাল্ডোর উপস্থিতিকে অনেকেই প্রতীকী মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। তবে ব্যারন ট্রাম্পের জন্য দিনটি শুধুই আনন্দেরকারণ তাঁর GOAT অবশেষে তাঁর হাতের নাগালেই দাঁড়িয়েছিলেন।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

অতিথিকে ‘বিব্রত’ করতে মানা প্রেসিডেন্টের! খাশোগ্গি হত্যায় সলমনকে রক্ষা করলেন ট্রাম্প?

জামাল খাশোগ্গি হত্যাকাণ্ডের পর এই প্রথম বার আমেরিকায় পা রাখলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন। ওভাল অফিসে তাঁর পাশেই বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, খাশোগ্গি হত্যার বিষয়ে যুবরাজ কিছুই জানতেন না। উপস্থিত সাংবাদিকরা যখন সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তখনই ট্রাম্প বলে ওঠেন, অতিথিকে বিব্রত করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা।ট্রাম্প প্রকাশ্যে যুবরাজকে ঢাল দিয়ে বলেন, খাশোগ্গি অত্যন্ত বিতর্কিত চরিত্র ছিলেন এবং অনেকেই তাঁকে পছন্দ করতেন না। তিনি আরও যোগ করেন, আপনি কাউকে পছন্দ করুন বা না করুন, ঘটনা তো ঘটেই থাকে। কিন্তু যুবরাজ এ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না, এবং এই বিষয়টি এখানেই শেষ করে দেওয়া উচিত। ট্রাম্পের এই বক্তব্যে স্পষ্টই বোঝা গিয়েছেওভাল অফিসে সৌদি যুবরাজকে কোনও বিতর্কে জড়াতে তিনি রাজি নন।সলমনও এই ঘটনায় মুখ খোলেন। তিনি জানান, খাশোগ্গির মৃত্যু অত্যন্ত পীড়াদায়ক ঘটনা। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুল না ঘটে, সেই কারণে সৌদি প্রশাসন নিজের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করেছে। তাঁর বক্তব্যএটা একটি বড় ভুল এবং অত্যন্ত বেদনাদায়ক।২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি দূতাবাসে খুন হন ওয়াশিংটন পোস্ট-এর সাংবাদিক জামাল খাশোগ্গি। দ্বিতীয়বার বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করতে গিয়ে আর ফিরতে পারেননি তিনি। সৌদি রাজপরিবার, বিশেষ করে যুবরাজের তীব্র সমালোচক ছিলেন খাশোগ্গি। তাঁর রহস্যমৃত্যু প্রকাশ্যে আসতেই তুরস্ক-সহ একাধিক দেশ সলমনকে দায়ী করে। আমেরিকাও সেই অভিযোগের সুরে সুর মিলিয়েছিল।ওয়াশিংটনের আদালতে খাশোগ্গির স্ত্রী হ্যাটিস চেঙ্গিজ এবং মানবাধিকার সংগঠন DAWNএর দায়ের করা মামলাতেও যুবরাজকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আদালত তাঁকে ক্লিনচিট দেয়। তখনই প্রশ্ন উঠেছিলমধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরবের অস্ত্র-চুক্তি ও কৌশলগত গুরুত্ব কি খাশোগ্গির রক্তরেখা মুছে দিচ্ছে?ওভাল অফিসে ট্রাম্পের আচরণ সেই সন্দেহকেই আবার উসকে দিল। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের উপর চাপ বাড়াতে সৌদি আরবকে পাশে রাখা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই তিনি প্রকাশ্যেই যুবরাজকে যেকোনও বিতর্ক থেকে দূরে রাখতে চাইছেন। খাশোগ্গি হত্যার একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি করার বদলে তাঁকে রক্ষা করাই যেন এখন মার্কিন কূটনীতির নতুন সমীকরণ।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

“পৃথিবী ১৫০ বার ধ্বংস করতে পারি”—ট্রাম্পের বিস্ফোরক হুমকি!

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিতর্কের কেন্দ্রে। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবিতে নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে প্রচার করছিলেন তিনি। দাবি করেছিলেন, তাঁর নেতৃত্বে আমেরিকা নাকি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছে। কিন্তু নোবেল না পেতেই সুর বদলএবার তিনি ঘোষণা করলেন, আমেরিকার কাছে রয়েছে এত পারমাণবিক অস্ত্র আছে, যা দিয়ে পৃথিবী ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা যদি পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ রাখে আর প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলি যদি পরীক্ষা চালিয়ে যায়, তা হলে ক্ষতি শুধুই আমেরিকার। তাই ৩৩ বছর পর আবার পারমাণবিক বিস্ফোরণ পরীক্ষা চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া এবং পাকিস্তান গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা করছে। আমেরিকা একা ভদ্র থাকলে চলবে না।নোবেল হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্পের এই কড়া ভাষা নজর কাড়ছে। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবুও তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ যখন আরও শক্তি বাড়াচ্ছে, তখন আমেরিকা পিছিয়ে থাকবে না। তাঁর দাবি, আমেরিকার হাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক ভান্ডার। রাশিয়ার অনেক আছে, চীনও দ্রুত বাড়াচ্ছে। আমরাও প্রস্তুত।তবে এখানেই শেষ নয়। সম্প্রতি ভারতপাকিস্তান সীমান্ত উত্তেজনা থামাতে ভূমিকা নেওয়ার দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। বলেছিলেন, তিনি যুদ্ধ থামাতে চান, নিরীহ মানুষ বাঁচাতে চান। অথচ এখনই তাঁর নতুন বার্তাশান্তি নয়, শক্তিই আসল।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
বিদেশ

আজ শুরু ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট শুনানি

আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইমপিচমেন্ট নিয়ে শুনানি শুরু হতে চলেছে মঙ্গলবার। সোমবারই এ ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছেন সেনেটের সদস্যরা। সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা চার্লস শুমার বলেছেন, দুই হাউসের ম্যানেজার, ট্রাম্পের আইনজীবী, ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার সেনেটে ভোট হবে। তার পর বিতর্কসভা। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গেলে তাঁর ইমপিচমেন্টে আর কোনও বাধা থাকবে না বলেও জানিয়েছেন শুমার। তিনি বলেন, গোটা প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতার সঙ্গেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ ম্যকোনেল আবার বলেছেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে বিষয়টি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দুই হাউস সম্মতি দিয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়াটি শেষ করার চেষ্টা করা হবে। উল্লেখ্য, ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে হামলা এবং হিংসায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে গত মাসে হাউস অব রিপ্রেসেন্টেটিভস ট্রাম্পকে ইমপিচ করে। তার পর সেই প্রস্তাব যায় সেনেটে। এ বিষয়ে দুই কক্ষে একটা টানাপড়েন চলছিল। ফলে ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টের প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিয়ে যেতে সমস্যা হচ্ছিল বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। তবে মঙ্গলবার থেকে সেনেটে সেই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
বিদেশ

আমেরিকায় নতুন ইতিহাস রচনার অঙ্গীকার বাইডেনের

ওয়াশিংটন, ২১ জানুয়ারি: অবশেষে হোয়াইট হাউস ছেড়ে পত্রপাঠ বিদায় নিলেন ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জো বাইডেন। আর শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুরোদমে কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। প্রথম দিনেই ১৫টা কার্যনির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন তিনি। ভারতীয় সময় রাত ১০টা নাগাদ শপথ নেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও।শপথ নেওয়ার পরই বাইডেন বলেন, আমরা আমেরিকায় নতুন ইতিহাস রচনা করব। আমাদের অনেক ক্ষত মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক কিছু গড়তে হবে নতুন করে। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন, অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, এটা গণতন্ত্রের দিন। গণতন্ত্রেরই জয় হয়েছে।শপথ নেওয়ার পরই প্রথম যে বিষয়গুলো নিয়ে নির্দেশ জারি করেছেন বাইডেন, সেগুলো হলঃ কোভিড মোকাবিলা, প্যারিস পরিবেশ চুক্তিতে পুনঃপ্রবেশ, একশো দিন মাস্ক পরার নির্দেশ, মুসলমানদের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইত্যাদি। অর্থাৎ, প্রথম দিনই পূর্বসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান নীতিগুলো একশো আশি ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেন বাইডেন। বুধবার অভূতপূর্ব নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে শপথ নেন বাইডেন। আফগানিস্তান এবং ইরাকে মিলিতভাবে যত সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, তার পাঁচগুণ বেশি নিরাপত্তারক্ষী হাজির ছিল বাইডেনের শপথগ্রহণে। দুদেশে ২,৫০০ করে মার্কিন সেনা মোতায়েন হয়। আর ওয়াশিংটনে ছিল ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন।রথা মেনে বুধবার শপথগ্রহণের আগে ক্যাথিড্রাল অফ সেন্ট ম্যাথিউয়ে প্রার্থনা করেন সস্ত্রীক বাইডেন। কমলা হ্যারিস এবং তাঁর স্বামী ডগলাস এমহফও গির্জায় প্রার্থনা করেন। শপথে সস্ত্রীক হাজির ছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ (জুনিয়র), বিল ক্লিনটন, বারাক ওবামা। তবে প্রত্যাশিতভাবেই অনুপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন হওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal