• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Transfer

শিক্ষা

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মী বদলির বিল বিধানসভায় পাশ, শিক্ষাক্ষেত্রে স্বায়ত্তশাসন নিয়ে তীব্র বিতর্ক

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করার যুক্তি সরকারের, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন খর্ব হবেআপত্তি শিক্ষকমহলের।কলকাতা: রাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বদলির পথ খুলে গেল। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হল দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬। যদিও সরকারের এই উদ্যোগকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শিক্ষকমহল ও বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের অভিযোগ, এই আইনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন এবং শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।বিশেষ অধিবেশনে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বিলটি পেশ করেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাজ্য মন্ত্রিসভা এই সংশোধনীতে অনুমোদন দিয়েছিল। সংশোধিত আইনে ২০১৭ সালের আইনের ১৪এ ধারায় নতুন বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সেই বিধান অনুযায়ী, প্রয়োজন অনুযায়ী রাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বদলি করতে পারবে সরকার।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করতেই বদলি, দাবি সরকারেরসরকারের যুক্তি, রাজ্যের নতুন তৈরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ শিক্ষক ও কর্মীদের পাঠানো হলে সেখানকার পরিকাঠামো ও শিক্ষার মান উন্নত হবে। ঝাড়গ্রাম বা কোচবিহারের মতো জায়গায় গড়ে ওঠা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সেন্টার অফ এক্সেলেন্স-এ পরিণত করার ক্ষেত্রেও অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন বিধানসভায় বিলটির পক্ষে সওয়াল করে বলেন, এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন এবং সরকারের প্রতি প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। তাঁর দাবি, এর ফলে পিএইচডি-র তত্ত্বাবধান বা গবেষণা প্রকল্পে কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের পাঠানো হলে তাঁরা পরিকাঠামো তৈরি, ক্লাস পরিচালনা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবেন। তাঁর কথায়, নতুন প্রতিষ্ঠানগুলিতে অভিজ্ঞ মানবসম্পদ পৌঁছনোর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে মানবসম্পদের আদানপ্রদানও হবে।সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়বে, সরব শিক্ষকমহলতবে সরকারের এই যুক্তি মানতে নারাজ শিক্ষকমহলের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সাংবিধানিক বা আইনগত স্বশাসিত সংস্থা রয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকারের সরাসরি বদলির ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজের মাইক্রোবায়োলজির শিক্ষক সাগরময় ঘোষের মতে, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করার জন্য সরাসরি বদলির পথে না গিয়ে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মেন্টরিং করানো যেত।তাঁর বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে সম্পদ ও দক্ষতার ভাগাভাগির মতো মডেল জাতীয় শিক্ষানীতিতেও রয়েছে। কিন্তু জোর করে অধ্যাপকদের বদলি করলে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে গড়ে ওঠা কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একাডেমিক কাঠামো ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।এক অধ্যাপকও প্রশ্ন তুলেছেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল বা সিন্ডিকেট শিক্ষক নিয়োগ করে, সেই শিক্ষকদের পরে রাজ্য সরকার অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার ক্ষমতা পাবে কেন?গবেষণা নিয়েও আশঙ্কাবিলটি ঘিরে গবেষণার ক্ষেত্রেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মানস ঘোষ। তাঁর দাবি, একটি বিভাগে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা থাকলেই আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সম্ভব। হঠাৎ করে শিক্ষক বদলি শুরু হলে গবেষণার ধারাবাহিকতা নষ্ট হতে পারে।তাঁর মতে, বিভিন্ন গবেষণা ও অর্থদাতা সংস্থা কোনও অধ্যাপকের নেতৃত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার পরিকল্পনার ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ করে। ঘন ঘন বা ইচ্ছেমতো বদলি শুরু হলে সেই অর্থসাহায্যও প্রভাবিত হতে পারে।প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অর্ণব হালদারও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিষয়ে আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিয়োগ করুক সরকারকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সমস্যার মূল কারণ যদি পরিকাঠামোগত দুর্বলতা হয়, তাহলে তার সমাধান হিসেবে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের বদলি না করে সরকারকে পরিকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে।তাঁর মতে, সাধারণত অভিজ্ঞ অধ্যাপকেরা উন্নত গবেষণার সুযোগ, ল্যাবরেটরি, পরিকাঠামো এবং একাডেমিক পরিবেশের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে শুধু শিক্ষক বদলি করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে।বদলি নিয়ে নতুন বিতর্কএকদিকে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করতে অভিজ্ঞ শিক্ষক-মানবসম্পদ কাজে লাগানোর যুক্তি দিচ্ছে সরকার, অন্যদিকে শিক্ষক সংগঠন ও শিক্ষাবিদদের একাংশের আশঙ্কাএই ক্ষমতা ভবিষ্যতে নির্বাচিতভাবে কোনও শিক্ষককে বদলি বা চাপের মুখে ফেলার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।ফলে বিধানসভায় বিল পাশ হলেও রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন বনাম সরকারের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।Source: Telegraph India

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশ সফরের প্রাক্কালে প্রশাসনে ব্যপক রদবদল

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজি হলেন পূর্ব বর্ধমানের নতুন জেলাশাসক। বিশেষ সচিব পদমর্যাদায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওএসডি পদে থাকা তনভীর আফজলকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক করা হলো। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের বিশেষ সচিব করা হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পদে থাকা এস অরুণ প্রসাদ নদিয়ার নতুন জেলাশাসক হলেন। নদিয়ার জেলাশাসক শশাঙ্ক শেঠি পর্যটন দফতরের সিনিয়র বিশেষ সচিব হলেন। দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক পোন্নাবালাম এস পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক হিসেবে কার্যভার বুঝে নেবেন। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক ড. প্রীতি গোয়েলকে দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক করা হলো। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক শামা পরভীনকে জলপাইগুড়ির জেলাশাসক করা হয়েছে। ওই পদে থাকা মৌমিতা গোদারা বসু স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ দফতরের সচিব হলেন। হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্যকে হুগলির জেলাশাসক করা হয়েছে, হুগলির জেলাশাসক পি দীপাপ প্রিয়া হলেন হাওড়ার নতুন জেলাশাসক।দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক শিয়াদ এন হলেন বাঁকুড়ার নতুন জেলাশাসক। বাঁকুড়ার জেলাশাসক কে রাধিকা আইয়ার কেইআইআইপির প্রজেক্ট ডিরেক্টরের দায়িত্বে এলেন। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মীনা হলেন কোচবিহারের জেলাশাসক। কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান অর্থ দফতরের বিশেষ সচিব হলেন।আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মীনাকে উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক করা হলো। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক আর বিমলা হলেন আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক করা হয়েছে স্ট্যাম্প রেভিনিউয়ের রেজিস্ট্রেশন ও কমিশনারের আইজি বালাসুব্রহ্মণ্যন টি-কে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন পশ্চিম বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলাশাসক হরিশঙ্কর পানিকার।পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের ওএসডি আশিস কুমারকে বসিরহাটের মহকুমাশাসক করা হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের কালনার মহকুমাশাসক সুরেশকুমার জগৎ বন দফতরের যুগ্ম সচিব হলেন। কালনার মহকুমাশাসক করা হয়েছে মুখ্য সচিবের ওএসডি শুভম আগরওয়ালকে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বদলি ইডির মূল তদন্তকারী আধিকারিক সহ চার

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি তদন্ত মামলায় আপাতত সরতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারী আধিকারিক সহ চারজনকে। সূত্রের খবর, শিক্ষা সংক্রান্ত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দিল্লি বদলি হচ্ছেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিক রামধরম দাগর। তিনি এত দিন এই তদন্তে ইডির দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। একইসঙ্গে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আর জনা তিন জন আধিকারিকের বদলির অর্ডার চলে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, এই মামলায় নতুন করে তদন্তকারী দল সাজাবে ইডি।ইতিমধ্যে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের একাধিক আমলা, তৃণমূল নেতা, তাঁদের ঘনিষ্ট ব্যক্তিরা গ্রেফতার জেলবন্দি রয়েছে। সূত্রের খবর, এই মামলার প্রধান তদন্তকারী আধিকারিকের বদলির অর্ডার এসেছে। তাঁর সঙ্গে আর ৩ জনের বদলি হতে চলেছে বলে খবর।ইতিমধ্যে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সের সাত তলায় ইডি নতুন লকআপ তৈরির কাজ শুরু করেছে। ৩০০ স্কোয়ার ফুটের লক-আপ তৈরি হচ্ছে। সিসি ক্যামেটা তো থাকছেই তারসঙ্গে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা থাকবে। জানা গিয়েছে পুজোর আগেই এই লক-আপের কাজ শেষ হয়ে যাবে। এই ভবনের ৬ তলায় আরেকটা লকআপ আগে থেকে তৈরি আছে। আর্থাৎ তদন্ত আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।জানা গিয়েছে, মূল তদন্তকারী আধিকারিক সহ চারজনের বদলি হলে নতুন করে দল সাজানো হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটে গিয়েছে। আবার তলব করা শুরু করতে চলেছে ইডি। ইতিমধ্যে তৃণমূলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষকে তলব করলেও নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকায় ইডি দফতরে যেতে পারেননি তিনি।

জুলাই ১৩, ২০২৩
রাজ্য

সরানো হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মহম্মদবাজারের আইসিকে, তলব করা হয়েছিল গরুপাচার কাণ্ডে

বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার আইসি মহম্মদ আলিকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠানো হয়েছে ডিইবি-তে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সরানো হয়েছে আলিকে।সম্প্রতি, গরুপাচার কাণ্ডে মহম্মদ আলির নাম জড়়িয়েছিল। এই আইসিকে তলবও করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ এই পুলিশ অফিসার। তিনি অনুব্রতর মামলার টাকার যোগানও দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁকে তলব করায় পুলিশ মহলে কানাঘুষো চলছিল। এবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
কলকাতা

মেডিক্যাল কলেজের নির্বাচন নিয়ে সরব! অন্যায় চিকিৎসক বদলির প্রতিবাদে বিক্ষোভ স্বাস্থ্য ভবনে

মেডিক্যাল কাউন্সিলের নির্বাচনে দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় অনৈতিকভাবে ডাক্তারদের বদলি করার অভিযোগ উঠল। তারই প্রতিবাদে সার্ভিস ডক্টর ফোরাম এর তরফ থেকে স্বাস্থ্য ভবনে ডেপুটেশন দওয়া হয় বৃহস্পতিবার।অভিযোগ, বেশ কয়েক মাস আগে ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিল এর যে নির্বাচন হয়েছে তাতে দুর্নীতি হয়েছে বলে ইতিমধ্যে হাইকোর্ট একটি মামলা করা হয়েছে। যারা মামলা করেছে বা যাঁরা এই নির্বাচনের দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছিল কাউন্টিং এজেন্ট বা প্রার্থী প্রায় ৫ জন ডাক্তারদেরকে দুর-দূরান্ত জেলায় বদলি করা হয়েছে। তারই প্রতিবাদে আজ সার্ভিস ডক্টর ফোরাম এর তরফ থেকে স্বাস্থ্য ভবনে ডিএইচএসডি এম ই এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে একটি ডেপুটেশন দেয়া হয়। ডেপুটেশন দিয়ে বেরিয়ে তারা জানান, ট্রান্সফারের কোন পলিসি নেই। সায়িন্টিফিক পলিসি যাতে তৈরি করা হয় এবং সেই পলিসি যাতে মেডিকেল কাউন্সিলের নির্বাচনে দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় অনৈতিকভাবে ডাক্তারদের বদলি করার অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে সার্ভিস ডক্টর ফোরাম এর তরফ থেকে স্বাস্থ্য ভবনে ডেপুটেশন দওয়া হয়।অভিযোগ, বেশ কয়েক মাস আগে ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিল এর যে নির্বাচন হয়েছে তাতে দুর্নীতি হয়েছে বলে ইতিমধ্যে হাইকোর্ট একটি মামলা করা হয়েছে। যারা মামলা করেছে বা যারা এই নির্বাচনের দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছিল কাউন্টিং এজেন্ট বা প্রার্থী প্রায় ৫ জন ডাক্তারদেরকে দুর-দূরান্ত জেলায় বদলি করা হয়েছে। তারই প্রতিবাদে আজ সার্ভিস ডক্টর ফেরাম এর তরফ থেকে স্বাস্থ্য ভবনে ডিএইচএসডি এম ই এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে একটি ডেপুটেশন দেয়া হয়। ডেপুটেশন দিয়ে বেরিয়ে তারা জানান ট্রান্সফারের কোন পলিসি নেই। সায়েন্টিফিক পলিসি যাতে তৈরি করা হয় এবং সেই পলিসি যাতে সমানভাবে প্রত্যেকের উপর প্রয়োগ করা হয়। এই দাবিগুলো নিয়েই আজকে ডেপুটেশন দেয়া হয়। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ডিএমই এবং ডি এইচ এস তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তার পরেও তাদের প্রতিশ্রুতিমত কোন কাজ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে বলে জানান তাড়া। কোন কাজ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে বলে জানান তাঁরা।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

শুভেন্দুর কনভয়ে দুর্ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই মারিশদা-সহ একাধিক থানার ওসি বদল, জোর জল্পনা পূর্ব মেদিনীপুরে

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একাধিক থানায় প্রশাসনিক স্তরে রদবদল হল। মারিশদা থানার ওসি বদল নিয়ে নতুন জল্পনা। জেলার রাজনৈতিক মহলের ধারণা, একাধিকবার দুর্ঘটনার কবলে বিরোধী দল নেতার গাড়ি। তাই কি মারিশদা থানার ওসি বদল? না, শুধু মারিশদা থানা নয়, বদল হয়েছে একাধিক থানার ওসি। মারিশদা থানা থেকে ওসি রাজু কুণ্ডুকে সরিয়ে পাঠানো হয়েছে পটাশপুরে। সেখানেও তিনি ওসি পদেই কর্মরত। মারিশদায় পাঠানো হয়েছে কাঁথি থানার এসআই সৌমেন গুহকে। ওসি পটাসপুর দীপক চক্রবর্তীকে পাঠানো হয়েছে দীঘা মোহনা থানায়। ওসি দীঘা মোহনা অমিত দেব খেজুরি থানার দায়িত্বে এসেছেন। তিনি এখানে ওসি পদে কর্মরত। খেজুরি থানার ওসি কামের হাসিদকে কাঁথি থানায় পাঠানো হয়েছে।মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ একটি বদলি নির্দেশিকা পাওয়া গিয়েছে জেলা পুলিশ সূত্রে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় উল্লেখ্য, মারিশদা থানার বেতালিয়াতে বিকেল চারটায় পনেরো নাগাদ বিরোধী দল নেতা কাঁথি থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে একটি দুর্ঘটনা ঘটে। কয়েকদিন আগেই এই থানা এলাকায় রথের দিন দুরমুঠের সামনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একটি ট্রাক মুখোমুখি চলে আসে। শুভেন্দুর কনভয়ে থাকা শেষ গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে যায়। তবে সেই গাড়িতে ছিলেন না বিরোধী দলনেতা। ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ওই এলাকার থানার ওসি বদল ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, বারবার বিরোধী দলনেতার গাড়ি এভাবে দুর্ঘটনার মুখে পড়ার ফলেই কি ওসি বদল হল? তবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশসুপার অমরনাথ কে ফোনে জানিয়েছেন, এটি রুটিন মাফিক বদল। এতে কোনও অস্বাভাবিকত্ব নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলের বাজারে আবার ধাক্কা, ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের

ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। সামনের মরশুমে আইএসএলে দল কেমন হবে, তা নিয়েও ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই আবার ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের। লালহলুদের দুই বাঙালী ফুটবলারকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। আবার পুরনো ক্লাবে ফিরে গেলেন মহম্মদ রফিক। পাশাপাশি মাঝমাঠের উদীয়মান সৌরভ দাসকেও তুলে নিয়েছে চেন্নাইন এফসি।এবছর দল বদলে বাঙালী ফুটবলারদের দিকেই বেশি নজর দিয়েছে চেন্নাইন এফসি। আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের অধিনায়র মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বাঙালী ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। এবার সৌরভ দাস ও মহম্মদ রফিকের সঙ্গেও চুক্তি চূড়ান্ত করল।গত মরশুমের শেষ থেকেই সৌরভ দাসের ওপর নজর ছিল চেন্নাইন এফসি কর্তাদের। এই বাঙালী মিডফিল্ডারকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন চেন্নাইন কর্তারা। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে ৩১ মে পর্যন্ত চুক্তি থাকায় চেন্নাইনের চুক্তিপত্রে সই করেননি। মহম্মদ রফিকেরও একই অবস্থা। যদিও এই দুই ফুটবলার লালহলুদ কর্তাদের দিকেও তাকিয়ে ছিলেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানিয়েছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করা হবে। কোনও ঝুঁকি নেননি সৌরভরা।ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এটিকে মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসির হয়ে আইএসএলে খেলেছেন সৌরভ দাস। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডারের পেশাদার ফুটবল কেরিয়ার শুরু হয় ২০১৬ সালে মোহনবাগানের জার্সিতে। মোহনবাগানের হয়ে ১৬টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সৌরভ। ২০১৭ এএফসি কাপের ম্যাচে মোহনবাগানের হয়েও খেলেন তিনি। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি যোগ দেন মুম্বই সিটি এফসিতে। দুই মরসুমে মুম্বইয়ের দলটির হয়ে মোট আটটি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। গত মরসুমে আইএসএলে লালহলুদের জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেন সৌরভ। চেন্নাইন এফসিতে সই করার পর সৌরভ বলেছেন, চেন্নাইন এফসি পরিবারে যুক্ত হতে পেরে আমি খুশি। এই ক্লাব দুবার আইএসএল জিতেছে। সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য এবং ক্লাবের হয়ে ট্রফি জয়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য ম্যানেজমেন্টের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছাড়বেন?‌ কী বললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো?‌

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে দ্বিতীয়বারের জন্য ফিরিয়ে নিয়ে এসেছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু গত মরশুমে চূড়ান্ত ব্যর্থ সি আর সেভেন। দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ব্যর্থ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও প্রথম চারের মধ্যে জায়গা হয়নি ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের। ফলে সামনের মরশুমেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। গত মরশুমে চূড়ান্ত হতাশাজনক পারফরমেন্সের পর ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড কি রাখবে রোনাল্ডোকে? কিংবা তিনিও কি থাকবেন পুরনো ক্লাবে? নতুন কোচ এরিক টেন হ্যাগের অধীনে মানিয়ে নিতে পারবেন?ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ক্লাবের সাথে তাঁর ভবিষ্যত সম্পর্কে সমস্ত জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। এই পর্তুগীজ সুপারস্টার বলেছেন যে, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে তিনি সন্তুষ্ট। পরের মরশুমে দলকে চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে সাহায্য করার জন্য তিনি পুরোপুরি মনোনিবেশ করছেন। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে প্রত্যাবর্তনের প্রথম মরশুমে সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি রোনাল্ডো। ট্রফিহীন কেটেছিল ম্যান ইউয়ের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলবেন বলেই জুভেন্টাস থেকে ম্যান ইউতে ফিরেছিলেন। বায়ার্ন মিউনিখেরও প্রস্তাব ছিল রোনাল্ডোর কাছে। সেই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে ২ বছরের চুক্তিতে সই করেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে। কিন্তু সামনের মরশুমে তাঁর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না। তাই অনেকেই ভেবেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে যাবেন রোনাল্ডো। শুক্রবার রাতে নেশনস লিগে স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল পর্তুগালের। এই ম্যাচের পর ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড প্রসঙ্গে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো বলেন, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড আমার ফুটবলজীবনকে ওপরে তুলে ধরেছিল। এই ক্লাবে ফিরে আসতে পেরে আমি খুশি। ফিরে আসার সময় অবিশ্বাস্য অনুভূতি হচ্ছিল। আমি এই ক্লাবে ফিরে আসতে পেরে খুশি ছিলাম, এখনও আছি। রোনাল্ডো আরও বলেন, আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ম্যাচ জেতার চেষ্টা করা এবং দলকে ট্রফি এনে দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি যে ম্যাঞ্চেস্টার তাদের যেখানে ছিল, সেই পুরনো জায়গায় ফিরে আসবে। কখনও কখনও সময় লাগে। কিন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস একদিন না একদিন ফিরবেই।২০২১২২ মরশুমে ওলে গুনার সোলস্কজায়ের এবং রালফ রাঙ্গনিক দুজনই ম্যান ইউকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। প্রিমিয়ার লিগে ৬ নম্বরে শেষ করেছিল ম্যান ইউ। আগের মরশুমে হতাশাজনক পারপরমেন্সের পর নতুন ম্যানেজার এরিক টেন হ্যাগ নতুন যুগের সূচনা করতে প্রস্তুত। এর আগে তিনি আয়াখসের কোচ ছিলেন। সেখানে অবিশ্বাস্য ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে এরিক টেন হ্যাগের। ৩ বার দলে লিগে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২ বার ডাচ কাপ জিতিয়েছিলেন।

জুন ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার বিপাকে এসসি ইস্টবেঙ্গল, পড়তে চলেছে ফেডারেশনের শাস্তির মুখে

চলতি আইএসএলে খুব খারাপ জায়গায় রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৬ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে আপাতত দশম স্থানে। মাঠের মধ্যে তো সমস্যায় রয়েছেই, এবার সমস্যা মাঠের বাইরেও। ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কড়া শাস্তির মুখে পড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৭ ফুটবলারের বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী তিনটি ট্র্যান্সফার উইন্ডোতে কোনও ফুটবলারকে সই করাতে পারবে না লালহলুদ।অতীতেও ফুটবলারদের বকেয়া না মেটানোর অভিয়োগ রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের। টাকা না মেটানোয় বেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলার ফিফার দ্বারস্থ হয়েছিলেন। লালহলুদের ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছিল। ফুটবলার সই করানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পরে ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে সে যাত্রায় শাস্তির হাত থেকে বেঁচেছিল। আবার সেই শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে চলেছে। তবে এবার ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির পক্ষ থেকে।কেভিন লোবো, কিগান পেরেরা, গিরিক খোসলা, ইউজেংসন লিংডো, অনিল চৌহান, সিকে বিনিথ, রিনো অ্যান্টো, এই ৭ ফুটবলারকে ২০২০ সালে সই করিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ওই বছর সেপ্টেম্বরে লালহলুদের দায়িত্ব নেয় শ্রী সিমেন্ট। নতুন টিম ম্যানেজমেন্ট এই ৭ ফুটবলারকে দলে রাখেনি। এমনকি চুক্তির পুরো অর্থও দেয়নি। বকেয়া অর্থের জন্য এই ৭ ফুটবলার ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির কাছে আবেদন জানায়। বুধবার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি চিঠি পাঠিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে জানিয়েছে, ৪৫ দিনের মধ্যে ফুটবলারদের বকেয়া অর্থ মেটাতে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বকেয়া অর্থ না মেটালে ট্র্যান্সফার ব্যানের মুখে পড়তে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ৭ ফুটবলারের মোট বকেয়ার পরিমান ১ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে সবথেকে বেশি বকেয়া কেভিন লোবোর। তিনি পাবেন ৪১ লক্ষ টাকা। রিনো অ্যান্টো পাবেন ২৬ লক্ষ, সিকে বিনিথ ও লিংডোর বকেয়া ২১ লক্ষ টাকা করে। কিগান পেরেরার বকেয়া ১৬.৮০ লক্ষ, অনিল চৌহানের ১০.২৮ লক্ষ, গিরিক খোসলার বকেয়া ৬.৩০ লক্ষ। ফেডারেশনের চিঠি পাওয়ার পরপরই পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। চিঠিতে শাস্তি পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে। তবে অ্যাপিল কমিটির কাছে এখনও আবেদন করেনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত গীতশ্রী, সরানো হচ্ছে অ্যাপেলো হাসপাতালে, এসএসকেএমে দাঁড়িয়ে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

করোনা পজিটিভ গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে অ্যাপোলো হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার এসএসকেএম হাসপাতালে দাঁড়িয়েই এ কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শিল্পীর হার্টেরও সমস্যা রয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত। প্রথম থেকেই অসুস্থ সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের খোঁজ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকেই শরীরটা ভাল ছিল না সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের। রাতেই ফোন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অসুস্থ সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসার খোঁজ খবর নিতে এসএসকেএম হাসপাতালে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএমে ঢুকেই চিকিৎসক সোমনাথ কুণ্ডু, অসীম কুণ্ডু, নীলাদ্রি সরকারদের সঙ্গে কথা বলেন। শিল্পীর শারীরিক পরিস্থিতি কেমন তার খোঁজখবর নেন। আপাতত আইসোলেশনে রয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার দুপুরে গুরুতর অসুস্থ শিল্পীকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর জ্বর, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে শিল্পীর জামাতা জানান, সন্ধ্যার ফুসফুসে সংক্রমণ রয়েছে। বুধবার রাত থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তাঁদের পারিবারিক চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। সেই মতোই রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে শিল্পীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।বুধবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সে সময় শিল্পীকে কিছুটা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত বলে মনে হয়েছিল মমতার। সূত্রের খবর, এর পর শিল্পীর কন্যা সৌমী সেনগুপ্তকে ফোন করে সন্ধ্যার খবরাখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এও জানিয়ে দেন, তাঁর চিকিৎসাসংক্রান্ত যে কোনও প্রয়োজনে রাজ্য সরকার সাহায্য করবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

East Bengal : জোর কদমে দল গঠন করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, কোন কোন ফুটবলারকে তুলল?‌

মঙ্গলবারই বন্ধ হয়ে যাবে ট্রান্সফার উইন্ডো। তার আগে জোর কদমে দল গঠনের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তরুণ ফুটবলার অমরজিৎ সিং কিয়ামকে তুলে নেওয়ার পর এফসি গোয়ার সেরিনিও ফার্নান্ডেজের সঙ্গেও চুক্তি পাকা করল লালহলুদ। এফসি গোয়ার পক্ষ থেকে সেরিনিও ফার্নান্ডেজকে রিলিজ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এটিকে মোহনবাগানের প্রবীর দাসও এসসি ইস্টবেঙ্গলের পথে। তিনি সবুজমেরুণ কর্তাদের কাছ থেকে রিলিজ চেয়েছেন।দলগঠনের কাজে এসসি ইস্টবেঙ্গল ঝাঁপালেও ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি করতে গিয়ে তাঁদের সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। পরের বছর শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে থাকবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাই কর্তারা ফুটবলারদের সঙ্গে ১ বছরের চুক্তি করতে চাইছেন। অনেক ফুটবলার ১ বছরের চুক্তিতে রাজি হচ্ছেন না, তাঁরা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করতে চাইছেন। কিন্তু শ্রী সিমেন্ট কর্তারা নিজেদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে ফুটবলারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যেতে চাইছেন না। ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তারা আগেই লগ্নিকারী শ্রী সিমেন্টকে ফুটবলারদের তালিকা পাঠিয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী ফুটবলার নেওয়ার সম্ভাবনা কম।আরও পড়ুনঃ নীরজে উদ্বুদ্ধ দেবেন্দ্র প্যারালিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন রুপোএই পরিস্থিতিতে এফসি গোয়া থেকে এক বছরের লোনে তারকা মিডিও অমরজিৎ সিং কিয়ামকে নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। গত আইএসএল চলাকালীন তিনি জামশেদপুর এফসি থেকে এফসি গোয়াতে গেলেও সুযোগ বিশেষ পাননি। তবে এএফসি কাপে চারটি ম্যাচ খেলেছেন। সেরিনি ফার্নান্ডেজ চার বছর ধরে এফসি গোয়াতে রয়েছেন। এফ সি গোয়ার রিজার্ভ দলের হয়ে প্রচুর ম্যাচ খেলেছেন সেরিনিও ফার্নান্ডেজ। রিজার্ভ দলের হয়ে গোয়া প্রো লিগ, পুলিশ কাপ জিতেছেন। গত বছর আইএসএলের আগে এফসি গোয়ার মূল দলে সই করানো হলেও খেলার সুযোগ পাননি।আরও পড়ুনঃ প্রথম পুরস্কার শাহিদার, উচ্ছ্বসিত মা অমরজিৎ সিং কিয়াম, সেরিনিও ফার্নান্ডেজের সঙ্গে চুক্তি পাকা করার পর জ্যাকিচাঁদ সিংয়েরও লালহলুদে যোগ দেওয়া প্রায় নিশ্চিত। শুভ ঘোষ, হীরা মণ্ডলও এসসি ইস্টবেঙ্গলের পথে। রাজু গায়কোয়াড়, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়কেও লাল হলুদ জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে। এই দুই ফুটবলারকেও ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এটিকে মোহনবাগানে সুযোগ না পেয়ে প্রবীর দাসও কর্তাদের কাছে রিলিজ চাইতে চলেছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সবুজমেরুণ কর্তারা যদি প্রবীর দাসকে রিলিজ দেন, তাঁর গায়েও লালহলুজ জার্সি উঠবে।

আগস্ট ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lionel Messi : ‌বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসি

২১ বছরের সম্পর্ক শেষ হওয়ার যন্ত্রণা যে কতটা ভয়ানক, পরিস্থিতিতে না পড়লে বোঝা কঠিন। যে কোনও ব্যক্তির কাছেই আবেগ ধরে রাখা মুশকিল। বিদায় যন্ত্রণায় কাতর লিওনেল মেসিও। এতটাই যন্ত্রণাবিদ্ধ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন এই আর্জেন্টিনীয় তারকা। বিদায় ভাষণ দিতে উঠে বারবার চোখের জল মুছতে দেখা গেল লিওনেল মেসিকে। রবিবার ক্যাম্প ন্যুকে বিদায় জানাতে এসেছিলেন মেসি। যখন তিনি বিদায় ভাষণ দিতে উঠেছেন, বাইরে অসংখ্য অনুরাগীর ভিড়। প্রিয় নায়ককে বিদায় জানাতে এসেছিলেন। অনুরাগীদের গায়ে মেসির নাম লেখা জার্সি। প্রিয় নায়কের দিকে মোবাইলের ক্যামেরা তাক করে উৎসুক চোখে তাকিয়ে। শুধু এক ঝলক দেখার অপেক্ষা। শেষ বারের মতো বার্সিলোনায় সাংবাদিক সম্মেলন করতে এসেছিলেন। প্রেস রুমে ঢুকে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন মেসি। মাইক্রোফোনে কিছু বলার আগে চোখে জল। মাস্ক খুলে চোখ মুছতে থাকেন। নিজেকে সামলে অবশেষে সাংবাদিক সম্মেলন শুরু করেন মেসি।আরও পড়ুনঃ আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ারসাংবাদিক সম্মেলনে মেসি বলেন, খুবই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম। এর জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর বার্সিলোনা ছাড়ার ভাবনা আমার মাথায় এসেছিল। কিন্তু এবছর আমি ও আমার পরিবার চেয়েছিল এই ক্লাবেই থাকি। বার্সিলোনা আমার নিজের বাড়ি। আমার তিন সন্তানেরও এখানেই জন্ম। ২১ বছর পর তাদের নিয়ে নিজের ঘর ছাড়তে হচ্ছে। খুব কঠিন লাগছে ব্যাপারটা মেনে নিতে। এ রকম হবে কোনও দিন ভাবিনি। ঠিকঠাক ভাবে ক্লাবকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলাম। প্রথম দিন থেকে নিজের সেরাটা দিয়েছি। আশা করি এক দিন ঠিক ফিরে আসতে পারব। যারা আমার পাশে থেকেছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়ামেসি আরও বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত ক্লাবের জন্য সব উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু ভাবিনি এভাবে বিদায় জানাতে হবে। এটা আমার কল্পনারই বাইরে ছিল। আমি যাতে বার্সেলোনাতেই থাকতে পারি তার জন্য সবকিছু করেছিলাম। বার্সেলোনাও চেয়েছিল আমাকে ধরে রাখতে, কিন্তু লা লিগার কারণেই তা পারল না। আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হয়েছে। আমার দিক দিয়ে যা করণীয় ছিল, সব করেছি। করোনা পরিস্থিতিতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলার প্রসঙ্গ টেনে মেসি বলেন, আমি আমার ক্লাবকে ভালোবাসি। বছর দেড়েক ধরে ফুটবল সমর্থকদের সামনে খেলতে না পারাটাও খুব কঠিন ছিল। আজ শেষবার বার্সেলোনার সাংবাদিক সম্মেলনে বিদায় জানাতে হচ্ছে। খুব ভালো লাগত যদি দর্শকঠাসা ক্যাম্প ন্যু-তে সকলের উপস্থিতিতে এই বিদায়ী ভাষণ দিতে পারতাম। সেটাই বিদায়ের সেরা মুহূর্তও হতে পারত।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াকোন ক্লাবে যোগ দেবেন তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। মেসি বলেন, পিএসজিতে যোগদান এই মুহূর্তে একটা সম্ভাবনা। বার্সার বিবৃতির পর অনেক ফোন বা প্রস্তাব আসছে। কথাবার্তাও চলছে। কিন্তু এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে মেসি পিএসজি-তে যোগ দিলে মেসি-নেইমার-এমবাপের ত্রিফলায় পিএসজি যে বিধ্বংসী জায়গায় পৌঁছে যাবে সে নিয়ে সংশয় নেই ফুটবল মহলের। পিএসজি-র বিরুদ্ধে সব দলের ডিফেন্সই যে প্রবল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে সে কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। জুনেই মেসির সঙ্গে বার্সার চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। কোপা আমেরিকার পর নতুন চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তৈরি আর্থিক সঙ্কট এবং লা লিগায় আর্থিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতাতেই মেসিকে ধরে রাখতে পারল না বার্সা। জানা গিয়েছিল, বেতনের ৫০ শতাংশ কমিয়েও বছর পাঁচেক মেসি চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি। যদিও শুক্রবারই বার্সা প্রেসিডেন্ট লাপোর্তার সঙ্গে মেসির বৈঠকের পর বার্সা লা লিগার ঘাড়ে যাবতীয় দায় চাপিয়ে জানিয়ে দেয়, দুই পক্ষ আগ্রহী থাকলেও শেষ অবধি মেসিকে রাখা সম্ভব হল না।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Utsoshree: শিক্ষকদের মমতার উপহার 'উৎসশ্রী' আসলে কী? জানুন

রাজ্যের শিক্ষকদের কথা ভেবে এবার মুখ্যমন্ত্রী উপহার উৎসশ্রী। রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবার নতুন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত যে শিক্ষকরা বদলি চান, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্পের সূচনা বলেন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এই নতুন প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে উৎসশ্রী। এই প্রকল্পের সাহায্যে কোনও শিক্ষক যদি বাড়ির কাছাকাছি বদলি চান, তবে আবেদন জানাতে পারেন। যদিও সবাই মিলে একসঙ্গে বদলি চাইলে সেই দাবি পূরণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন মমতা।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রা গ্রেফতারের পর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট দিলেন শিল্পামুখ্যমন্ত্রীর কথায়,উৎসশ্রী প্রকল্পটা মূলত শিক্ষকদের জন্য। যারা হয়তো নিজের জেলায়, বা বাড়ির সামনে বদলি চায় তাঁদের জন্য। তবে একটা স্কুলের ১০ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০ জনই যদি একই জায়গায় বদলি চায় সেটা দেওয়া সম্ভব হবে না। কিন্তু এটা যেভাবে হোক অ্যাডজাস্ট করে আমরা করে দেব। এই বিষয়ে রাজ্যের একটা নীতি আমরা আগেই বলেছিলাম। শিক্ষকদের যাতে অনেক দূরে যেতে না হয়, যতটা কাছাকাছি তাদের পোস্টিং করা যায়, সেই চেষ্টা আমরা করব।বদলির আবেদন জানানোর জন্য উৎসশ্রী নামের একটি পোর্টাল তৈরি করা হচ্ছে বলে এ দিন ঘোষণা করেন মমতা। সেই পোর্টালে শিক্ষকরা নিজেরাই বদলির আবেদন জানাতে পারবেন। সেটা দেখার পর রাজ্য সরকার এবং শিক্ষা দপ্তর বদলির বিষয়ে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু এই পোর্টালের নাম উৎসশ্রী কেন? ব্যাখা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এটা শিক্ষার ব্যাপার। এবং শিক্ষা সমস্ত কিছুর উৎস, এবং উৎস সবকিছুর শ্রী-বৃদ্ধি করে, তাই এটার নাম দেওয়া হয়েছে উৎসশ্রী।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: পুলিশ সুপারকে কাশ্মীরে বদলির হুমকি শুভেন্দুর

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হারের কারণ আত্মতুষ্টি। একদিন আগেই এমন মন্তব্য করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর ঠিক একদিন পরেই পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। প্রকাশ্য সভা থেকে পুলিশের উদ্দেশে হুমকি দিয়ে জানালেন, তৃণমূলের কথা শুনলে কাশ্মীরে স্থানান্তর হতে পারেন। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের সদর তমলুকে পুলিশ সুপারের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, তৃণমূলের কথা শুনে ভুল কাজ করায় রাজীব কুমারের মতো অনেক অফিসারকে বিপদে পড়তে হয়েছে। তাই ঠিক মতো কাজ করুন।আরও পড়ুনঃ ক্যাডবেরি নিয়ে উত্তাল নেটমাধ্যম, উত্তর দিল সংস্থাবিজেপি কর্মীদের উপর মিথ্যা মামলা চাপানোর অভিযোগ তুলে সরব হন বিরোধী দলনেতা। সোমবার তাঁর নিশানায় ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার। নাম না করে এসপি-র উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, এখানে একটি বাচ্চা ছেলে এসপি হয়ে এসেছেন। আমি তাঁকে বলতে চাই আপনি কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসার। এমন কাজ করবেন না যাতে কাশ্মীরের অনন্তনাগ বা বারমুলায় গিয়ে ডিউটি করতে হয়। তিনি আরও বলেন, ভাইপোর অফিস থেকে যাঁরা ফোন করেন তাঁদের প্রত্যেকের কল রেকর্ড আমার কাছে রয়েছে। তাই সতর্ক হন। আপনাদের কাছে যদি রাজ্য সরকার থাকে, তবে আমাদের হাতে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।যে সব পুলিশ অফিসাররা মিথ্যা মামলা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা ও সিবিআই তদন্ত করা হবে বলেও সোমবার জানান শুভেন্দু। ওই প্রসঙ্গে নন্দীগ্রাম ঘটনার কথাও তিনি তুলে আনেন।

জুলাই ১৯, ২০২১
কলকাতা

SSKM: মহিলা চিকিৎসককে যৌন হেনস্থায় স্বাস্থ্য ভবনের কোপে ২ চিকিৎসক

এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজে ও হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে যৌন হেনস্থার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন। দুজনকেই বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছে, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের যে সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং আর এক অধ্যাপক চিকিৎসককে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত দুই চিকিৎসককে বদলির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২২ জুলাই থেকে দিল্লির সংসদ ভবনের সামনে ধর্ণায় বাংলার কৃষকওএই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণী দুতরফের বক্তব্যই শুনেছে ওই কমিটি। এর পরই বিষয়টি নিয়ে মে মাসে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ওই কমিটি। সেই রিপোর্টে জানা গিয়েছে নির্যাতিতার অভিযোগ সত্যি। তার পরেই পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে যৌন হেনস্থার বিষয়টি জানান নির্যাতিতা পড়ুয়া-চিকিৎসক। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগও জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভবানীপুর থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নির্যাতিতা। এসএসকেএম কর্তৃপক্ষকে করা অভিযোগে নির্যাতিতা জানান, ২০২০ সাল থেকেই যৌন হেনস্থার শিকার তিনি। নানা অছিলায় অভিযুক্ত চিকিৎসক তাঁকে হেনস্থা করত বলে অভিযোগ করেছেন ওই পড়ুয়া-চিকিৎসক।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজ্য

Police Transfer: রাজ্য পুলিশে বড়সড় বদলি

রাজ্য পুলিশের বেশ কিছু পদে জরুরি ভিত্তিতে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বর্ধমানের আইসি বদল। সুখময় চক্রবর্তীকে বর্ধমানের নতুন আইসি করা হয়েছে। পুরনো আইসি পিন্টু সাহাকে বারাসতের কোর্ট ইনস্পেক্টর করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদক্ষিণ দিনাজপুরের আইসি দিপোজ্জল ভৌমিককে বদলি করে বহরমপুরের কোর্ট ইনস্পেক্টর করা হয়েছে। পীযুষকান্তি সমাদ্দারকে দক্ষিণ দিনাজপুরে পাঠানো হয়েছে। ব্যারাকপুরের আইসি ত্রিগুণা রায়কে পাঠানো হয়েছে ক্যালিম্পঙে।চন্দননগরের আইসি সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদল করে তারকেশ্বরে পাঠানো হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারের আইসি সায়েদ রাজিউল কবীরকে ভাঙড়ে পাঠানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ফিরোজ আলিকে ডায়মন্ডহারবার রবীন্দ্রনগরে পাঠানো হয়েছে। রায়গঞ্জের সন্দীপন চ্যাটার্জিকে মুর্শিদাবাদ বেলডাঙায় পাঠানো হয়েছে। হাওড়া জিআরপির প্ল্যাটফর্ম ইনস্পেক্টর তপজ্যোতি দাসকে খড়গপুরে সিআই পদে পাঠানো হয়েছে। বাঁকুড়ার দীনেশ মণ্ডলকে ক্যালিম্পঙে পাঠানো হয়েছে। হাড়োয়ার সিআই অনির্বাণ বিশ্বাসকে বারুইপুর নরেন্দ্রপুরে পাঠানো হয়েছে। জলপাইগুড়ির আইসি গৌতম রায়কে ইসলামপুরে কোর্ট ইনস্পেক্টর করে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু জায়গায় রাজ্য পুলিশের আইসি ও অন্যান্য কিছু স্তরে বদলি করা হয়েছে।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Bit Coin: বিটকয়েনের সাহায্যে চিনে টাকা পাচার করত হান

চিনা (China) জালিয়াতদের শতাধিক ভুয়ো সংস্থার হদিশ পেলেন গোয়েন্দারা। এসব বেআইনি লেনদেনের মাথায় ছিল মালদা (Maldah) থেকে ধৃত চিনা চর হান জুনেই। ভারত থেকে বিটকয়েনের সাহায্যে তারা চিনে অর্থ পাঠাত বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও হানকে জেরা করে চলছে হাওয়ালা চক্রের সন্ধান। মালদহ থেকে ধৃত হানকে নিজেদের হেপাজতে পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার তাকে কলকাতায় নিয়ে আসেন রাজ্যের স্পেশ্যা ল টাস্ক ফোর্সের (STF) আধিকারিকরা। গোটা চক্রের নেটওয়ার্ক জানতে তাকে জেরা শুরু করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, হান ও তার সঙ্গীরা যে জালিয়াতি চক্র চালাত, তা নিশ্চিত। চিনে বসে বিভিন্ন পদ্ধতিতে জালিয়াতি চালাতে শুরু করে হান ও তার সঙ্গীদের চক্র। ওই জালিয়াতির টাকা ভারতবিরোধী কোনও কার্যকলাপে কাজে লাগানো হত, এমন সম্ভাবনা গোয়েন্দারা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এই ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) সঙ্গে হানের যোগাযোগের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে যে, জালিয়াতির জন্য কয়েকটি চিনা অ্যাপ ব্যবহার করত জালিয়াতরা। ওই অ্যাপের সার্ভার রয়েছে চিনে। সেই অ্যাপগুলির সাহায্যেই ভুয়ো লগ্নিকারী সংস্থা বলে পরিচয় দেওয়া হত। মেল করে অথবা মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে ভুয়ো সংস্থায় টাকা বিনিয়োগের টোপ দেওয়া হত। মোটা সুদ পাওয়ার লোভে অনেকেই টাকা রাখতেন সংস্থায়। আর সেই টাকাই হাতিয়ে নিত চিনা জালিয়াতরা। যেহেতু ভারতীয়দের জালিয়াতি করা হত, তাই প্রথমে ওই ভুয়ো সংস্থাগুলির সাহায্যে ভারতীয় মুদ্রা হাতিয়ে নিত তারা। এরপর বিটকয়েন বা ক্রিপটোকারেন্সিতে পরিবর্তন করে ওই টাকা পাঠানো হত চিনে। এভাবে বেশ কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছে চিনা জালিয়াতরা। হোটেল ব্যবসার আড়ালে চলত ওই জালিয়াতি।

জুন ১৮, ২০২১
কলকাতা

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সরাল নির্বাচন কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ফের রাজ্য পুলিশের শীর্ষ স্তরে রদবদল। এ বার সরানো হল রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে। তাঁর জায়গায় আসছেন নীরজনয়ন পাণ্ডে। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি নীরজনয়নের হাতে রাজ্য পুলিশের দায়িত্ব তুলে দিতে। একই সঙ্গে এ-ও বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত এমন কোনও পদে বীরেন্দ্রকে রাখা যাবে না। নবান্ন সূত্রে খবর, বুধবারই রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে যোগ দিতে পারেন নীরজনয়ন। এক সময় সিবিআই-তে ছিলেন তিনি।বীরেন্দ্রর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। তার পরেই কমিশনের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে তারা। প্রসঙ্গত, এর আগে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে থাকা জাভেদ শামিমকেও সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁকে পাঠানো হয় দমকলের দায়িত্বে। আর যিনি দমকলের দায়িত্বে ছিলেন সেই জগমোহনকে আনা হয় এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা আধিকারিক হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বীরেন্দ্র। পরে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ অবসর গ্রহণ করলে বীরেন্দ্রকে ডিজি পদে বসিয়ে, সুরজিৎকে রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা করা হয়।

মার্চ ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal