• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc,

রাজ্য

বিজেপিতে শুভেন্দু সহ একঝাঁক তৃণমূল নেতার যোগদান

সমস্তরকম জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার অমিত শাহের হাত থেকে তিনি দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর অমিত শাহের পায়ে হাত দিয়ে প্রণামও করেন তিনি। এদিন শুভেন্দুর পাশাপাশি তৃণমূলের একঝাঁক বিধায়ক, কয়েকজন সংখ্যালঘু নেতাও বিজেপিতে যোগ দেন। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কলেজ মাঠের সভায় শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও বিজেপিতে যোগ দিলেন ৯ বর্তমান বিধায়ক , এক সাংসদ, এক প্রাক্তন সাংসদ ও রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রী। তারা হলেন, তাঁর সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত, পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায়, হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল, তমলুকের বিধায়ক অশোক দিন্দা, কাঁথি উত্তরের বিধায়ক বনশ্রী মাইতি, কালনার বিধায়ক বিশ্বজিত্ কুণ্ডু , মন্তেশ্বরের বিধায়ক সৈকত পাঁজা, নাগরাকাটার বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা, গাজোলের বিধায়ক দীপালি বিশ্বাস সহ পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডল প্রমুখ। সেইসঙ্গে যোগ দিলেন কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, কার্তিক পাল, বাণী সিং রায়, ফিরোজ খান প্রমুখ। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছয় সংখ্যালঘু নেতার দলবদল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। আরও পড়ুন ঃ মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তোলাবাজি-ভাইপোরাজে বদলে গিয়েছে, তোপ অমিত শাহর ছয় নেতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নামটাই হল কবিরুল ইসলাম। তিনি তৃণমূলের রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক ছিলেন। শুক্রবারই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। এরপর শনিবার অমিত শাহের সভা থেকে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন। এছাড়া রয়েছেন রাজ্যস্তরের তৃণমূল নেতা অধ্যাপক ওইদুল হক, হুগলির প্রাক্তন বিধায়ক পারভেজ রহমান, বীরভূমের দাপুটে নেতা করম হুসেন খান, হুগলির নেতা আলমগীর মোল্লা।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগপত্র, সোমবার ডাকা হল বিধানসভায়

এখনও গৃহীত হল না শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগ পত্র। সম্প্রতি তিনি নিজে গিয়ে বিধানসভায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে আসেন। সেই সময় বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় তিনি তাঁর সচিবের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে ইমেল মারফৎ তিনি বিধানসভার অধ্যক্ষকেও পদত্যাগপত্র পাঠান। পদত্যাগ পত্র গৃহীত হবে কিনা তা নিয়ে প্রথম থেকেই ধোঁয়াশা ছিল। কারণ, তার মধ্যে কিছু ত্রুটি ছিল বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। ঠিক সেটাই দেখা গেল। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে আগামী সোমবার বিধানসভায় ডাকাও হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ইস্যুতে ফের মুখ্যসচিব, ডিজিপিকে তলব কেন্দ্রের বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সাংবিধানিক সংস্থান ও বিধানসভার নিয়ম বিধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র এখনই গ্রহণ করা সম্ভব নয়। আজ, শুক্রবার বিধানসভা ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, বিধানসভায় এসে শুভেন্দু যে ইস্তফাপত্র দিয়েছেন, তাতে কোনও তারিখ ছিল না। কিন্তু ইমেলে পাঠানো চিঠিতে ছিল। কোনটা আসল, সেটা তাঁকে আগে বুঝতে হবে। সোমবার শুভেন্দু অধিকারীকে অধ্যক্ষ বিধানসভায় ডেকেছেন। সবদিক থেকে সন্তুষ্ট হবার পর সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। তবে, যতদিন তাঁর পদত্যাগ পত্র গৃহীত না হচ্ছে, ততদিন শুভেন্দু বিধানসভার নির্বাচিত সদস্য থাকছেন বলে বিমানবাবু জানান।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূল ছাড়লেন শীলভদ্র দত্ত

তৃণমূল ছাড়লেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি দলত্যাগের কথা জানিয়েছেন। শুভেন্দু প্রসঙ্গে শীলভদ্রের বক্তব্য, তিনি সিনিয়র নেতা, যা করেছেন নিশ্চয় ভেবেই করেছেন। আমি আর তৃণমূলের কেউ নই, এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না। জানা গিয়েছে, সরকারের দেওয়া গাড়ি ইতিমধ্যেই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ছাড়েননি এখনও। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র দখল করল তৃণমূল, মোছা হল গেরুয়া রং জানিয়েছেন, সরকার চাইলে নিয়ে নিতে পারে। গতকাল রাতেই ব্যারাকপুরের বিধায়ক জানান, ঋণ কারও শোধ করা যায় না। তাঁর লিভার ট্রানসফারের সময় যাঁরা টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন তাঁদের টাকা তিনি ফেরৎ দিয়ে দেবেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূলের ক্ষতি হবে না, শুভেন্দুর দলত্যাগ প্রসঙ্গে সুব্রত

শুভেন্দু দল ছাড়ায় দলের কোনও ক্ষতি হবে না। সাংবাদিক বৈঠকে পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। শুভেন্দুর ইস্তফা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, এত বড় দল, কয়েক লাখ মেম্বার। এতবড় দলে আমি বা কেউ যদি না থাকি তার ওপর দলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। এরকম একজন, দুজন গেলে কোনও ক্ষতি হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক একটা জনসভা করছেন, সেখানে কত মানুষ ভিড় করছেন। অসুবিধা সত্বেও ছেলে কোলে নিয়েও মায়েরা সভায় হাজির থাকছেন। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু ইস্তফা দিয়েছে, তবে বিধানসভার অধ্যক্ষ এখনও সিদ্ধান্ত নেননি। এক প্রশ্নের জবাবে সুব্রত বলেন, সারা পৃথিবীতে যত গণতান্ত্রিক দল আছে সেখানে একজন কেউ পদত্যাগ করে দল উঠে গেছে এমন নজির কি আছে? আমি যদি দল ছেড়েদি তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল উঠে যাবে? আরও পড়ুন ঃ নিয়ম মেনে করা হয়নি, অধ্যক্ষের দাবি গৃহীত হয়নি শুভেন্দুর পদত্যাগ তৃণমূল দলটা উঠে যাবে, অধীর চৌধুরির এই মন্তব্য প্রসঙ্গে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, একটা কাক একটি বাটি নোংরা করেছে, তাতে পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যাবে ! একজন পদত্যাগ করলে সেই পার্টি উঠে যাবে ? হয় নাকি ! এটা দলের জন্য খুব বড় কিছু না। আসানসোল পৌরনগমের প্রশাসক পদ থেকে জিতেন্দ্র তিওয়ারির পদত্যাগ প্রসঙ্গে কিছু বলতে চাননি সুব্রত মুখোপাধ্যায় ৷ তিনি বলেন, আমার কাছে এরকম কোনও খবর নেই। আমি তো জানি জিতেন্দ্র বলেছে, সে মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের জন্য অপেক্ষা করছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী

সমস্ত জল্পনাকে সত্যি করে তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন। তিনি দলনেত্রীকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে দল এবং দলের দেওয়া সমস্ত পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। দল আমাকে যেসব সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। একজন সদস্য হিসাবে দলে আমি যে মূল্যবান সময় অতিবাহিত করেছি, আজীবন তা স্মরণে রাখব।ইস্তফাপত্র দ্রুত গ্রহণ করার আবেদন জানান তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে প্রায় আড়াই দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শুভেন্দু। গতকালই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। দু সপ্তাহ আগে মন্ত্রীত্বও ছেড়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝেও দেখা নেই শীতের, তবে আশার বাণী শোনাচ্ছে হাওয়া অফিস এভাবেই তিনি দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করলেন। সম্ভবত শনিবারই অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, দলের সঙ্গে গত কয়েক মাস তাঁর দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। এরপর তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে দলের তরফ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্ত বিষয়টি মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তাতেও বরফ গলল না। দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর পর দল ছাড়তে তৈরি আরও দুই মন্ত্রী?

শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার দল ছাড়তে চলেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী। তৃণমূল সূত্রে খবর, দুই মন্ত্রী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। গুসকরার এক প্রবীণ তৃণমূল নেতার এমনটাই দাবি। আরও পড়ুন ঃ এবার বেসুরো তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে দুই মন্ত্রী বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে শুভেন্দুবাবুর জন্য অপেক্ষা করছেন বলে খবর। অসমর্থিত সূত্রের খবর, দুজনেই দক্ষিণবঙ্গের।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

এবার 'বেসুরো' তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল

এবার বেসুরো বর্ধমান পূর্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল। তিনি বলেন, দল এই বিপদের মুহূর্তে একজোট হচ্ছে না। খোকন দাস, জিতেন্দ্র তিওয়ারি বোমা ফাটিয়েছেন। এরা সবাই এক নম্বর সৈনিক। দলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বাধ্য হয়ে সবাই বোমা ফাটাচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন,দলের মধ্যে যারা তোলাবাজ, যারা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে তারাই দলে ভাল পদ পাচ্ছে। এটা নিয়েই তৃণমূলের যাঁরা প্রকৃত কর্মী তাঁদের ক্ষোভ বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়, নাম না করে বেসুরোদের তোপ মমতার প্রশান্ত কিশোর সম্পর্কে সুনীল মণ্ডল বলেন, ও বাংলার রাজনীতি নিয়ে কি বোঝে? সাংগঠনিক শক্তি যদি কোনও দলে মজবুত না হয় তাহলে সে দল বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। যে পয়সা নিয়ে রাজনীতি করে সে কি বোঝে। ভাড়াটে সৈন্য দিয়ে কখনও যুদ্ধ জয় করা যায় না। ওই স্তাবকেরা কথা বলবে, আদেশ দেবে সেটা মেনে নেব না। ওর থেকে আমাদের লেখাপড়া ও রাজনৈতিক শিক্ষা বেশি। এইভাবে দল চলতে পারে না। প্রয়োজনে দল ছাড়ারও হুমকি দেন তিনি। যদিও ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বলেছেন, শুভেন্দুর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়। এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি। সুনীল মণ্ডল দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরেই বুধবার সকালে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর ছবি দিয়ে পোস্টার পড়েছে কাঁকসা থানার সামনে এবং তাঁর বাড়ির আশেপাশে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

কোচবিহারকে রক্ষা করুন, নইলে বাংলা রক্ষা পাবে না, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার আসনে হারতে হয়েছিল দলকে। জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে নাম করে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনে ভোটে জিতে অশান্তি করছে বিজেপি। শান্ত কোচবিহারকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। নিশীথ প্রামাণিকের নাম না করে এদিন মমতা বলেন, আমরা যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম বিজেপি তাঁকে নিয়ে এসেছে। যেন পুরনো বোতলে নতুন মদ। যে জিতেছে সে এখন গুণ্ডামি করছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে দলের বিদ্রোহীদের আক্রমণ মমতার এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন বিজেপি, ভেদাভেদ, ভাগাভাগির রাজনীতি করছে। রাজবংশী- বাঙ্গালিদের মধ্যে ঝামেলা বাঁধাতে চাইছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও এদিন আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, নাম নিতেও লজ্জা করে। বলছে ডিসেম্বরের পর মারবে। ওদের মুখে খালি ভাংচুর-মারামারির কথা, খাদ্য-বস্ত্রের কথা নেই। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতাদের এদিন ফের বহিরাগত বলেছেন তিনি। বলেছেন, বিজেপি বহিরাগতদের রাজ্যে আনছে। আরএসএস গুণ্ডারা রাজ্যে আসছে। চম্বলের ডাকাত আসছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থনের আবেদন এদিন কোচবিহারবাসীকে জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেছেন, লোকসভা ভোটে আমাদের ভোট দেন নি। তাতে আমার কোনও অভিমান নেই। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করুন। কোচবিহার থেকেই শুরু হয় বাংলা। কোচবিহার রক্ষা না পেলে বাংলাও রক্ষা পাবে না।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

সুব্রত বক্সি-কেষ্টকে ফোন করছে বিজেপি, বিস্ফোরক মমতা

কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, দলের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সি ও বীরভূমে দলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফোন করেছেন বিজেপি নেতারা। তাঁর কথায়, বিজেপি কোথায় গেছে বুঝুন। ওদের এতটুকু সৌজন্যতা বোধ নেই। আমার দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে ফোন করেছিল বিজেপির এক নেতা। বলছে, আপনার সঙ্গে কথা আছে, বসতে চাই। কেষ্টকেও ফোন করেছিল দিল্লি থেকে। কেষ্ট আমাকে কাল ফোন করে বলল, দিদি আমাকে বলছে আপনার সঙ্গে বসতে চাই। কেষ্ট বলে দিয়েছে আমি তৃণমূল করি, আপনাদের সঙ্গে বসব কেন? আরও পড়ুন ঃ সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব , ফের বেসুরো জিতেন্দ্র এদিন জাতীয় সঙ্গীত বদল বিতর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, বিজেপি বলছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগনমণ বদলে দেবে। জাতীয় সঙ্গীত বদলে দেবে। যেন হাতের মোয়া। ক্ষমতা থাকলে বদলে দেখাক। ওরা রবীন্দ্রনাথকেও জানে না। কবে কোথায় রবিঠাকুরের জন্ম জানে না। বলছে বিশ্বভারতী নাকি রবি ঠাকুরের জন্মস্থান! বুধবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভা থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে হুঙ্কার ছেড়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, চলে আসুন যুদ্ধ হয়ে যাক, রাজনৈতিক যুদ্ধ। আপনাদের সঙ্গে থাকবে গুণ্ডা, আমাদের সঙ্গে মানুষ। দেখি কারা যেতে। মমতা এদিন দাবি করেন, তিনি রাজবংশী, অলচিকি ভাষা জানেন। এই দুই ভাষায় তিনি কবিতা লিখেছেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

১৮ দিন আগেই মন্ত্রীত্ব ছেড়েছিলেন। তখন থেকেই বিধায়ক পদ ও দল থেকে তাঁর ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। এবার তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিধানসভায় গিয়ে তিনি ইস্তফাপত্র জমা দেন। সেখানে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় বিধানসভার সচিবের হাতে ইস্তফাপত্র দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান। কিন্তু অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শুভেন্দুর ইস্তফাপত্র গৃহীত হচ্ছে না। কারণ, বিধানসভার সচিবের ইস্তফাপত্র গ্রহণের এক্তিয়ার নেই।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

আমাকে যারা আক্রমণ করছেন ভোটের বোতামে তাঁরা টের পাবেন, বিস্ফোরক শুভেন্দু

মঙ্গলবার হলদিয়ায় সতীশ সামন্তের জন্মদিন উপলক্ষ্যে হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে অরাজনৈতিক সভায় যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি এদিন ছিল মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শুভেন্দুরও জন্মদিন। সভার শুরুতে সতীশ সামন্তের আত্মবলিদানের কথা বলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তারপরই তাঁর গলায় শোনা যায়, কটাক্ষের সুর। কারোর নাম না করে একের পর এক আক্রমণ শানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, হলদিয়া ভবনে আমি যেতাম না। প্রাসাদে ওঠার অভ্যাস আমার নেই। নন্দীগ্রাম আন্দোলন কোনও দল বা ব্যক্তির আন্দোলন ছিল না। ছিল মানুষের আন্দোলন। আরও পড়ুন ঃ দ্বন্দ্ব মেটাতে জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ফিরহাদ, থাকতে পারেন পিকেও তিনি এদিনও বলেন, অনেকে বলছেন, আমি পদের লোভে এগোচ্ছি। আমার পদের লোভ নেই। আমি অনেক লড়াইয়ের সাক্ষী। তাঁর কথায়, সতীশ সামন্তকে বহিরাগত বলে ভাবতেন না নেহেরু। আমরা আগে ভারতীয়, তারপর বাঙালি। এমনকি ব্যক্তি আক্রমণ নিয়েও মুখ খোলেন শুভেন্দু। বলেন, কেউ কেউ আমাকে ব্যক্তি আক্রমণ করেছেন। কয়েক দিন পরে মানুষ গিয়ে যখন ভোটের বোতাম টিপবে, আপনাদের অবস্থাও অনিল বসু, লক্ষ্মণ শেঠদের মতো হবে। তবে সরাসরি তৃণমূলকে নাম না করলেও পরোক্ষভাবে বলেন, গণতন্ত্রের মানে ফর দ্য পিপল, অফ দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল। কেন ফর দ্য পার্টি, অফ দ্য পার্টি, বাই দ্য পার্টি হবে। এদিনের মঞ্চ থেকে সুর চড়িয়ে বলেন, এখানে তিন ধরণের লোক এসেছে। প্রথমত, যারা আমাকে ভালোবাসেন, দ্বিতীয়ত, সতীশ সামন্তের আত্মবলিদানের কথা শুনতে, তৃতীয়ত, আমার রাজনৈতিক অবস্থান শুনতে। তবে আমি পদ ছাড়ার পরও আমার সভায় লোক এসেছে। আমার সভায় লোক আনতে কোনও দলের দরকার পরে না। এই লোককে তৃণমূল বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম-এর পদাধিকারীরা আনেনি। এই জনগণের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। শুভেন্দুর পরিবার সমগ্র বাংলার পরিবার। শুভেন্দুর দাবি, ভাষণ নয়, রেশন দিতে হবে। এছাড়াও তিনি বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করেন আমি অকৃতদ্বার কেন? তাদের বলি এখনকার রাজনীতিবিদদের দেখে আমি অকৃতদ্বার নই। আমি সতীশ সামন্তদের দেখে অকৃতদ্বার। সবশেষে শুভেন্দুর গলায় শোনা যায়, তাম্রলিপ্ত সরকার জিন্দাবাদ। সতীশ সামন্ত জিন্দাবাদ। বন্দেমাতারম। ফলে এদিনের অরাজনৈতিক সভা থেকে শুভেন্দু আবারও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করলেন না। ফের জিইয়ে রাখলেন জল্পনা।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির অভিযোগ নস্যাৎ করে টুইট ডেরেকের

তৃণমূলের রিপোর্ট কার্ডের পাল্টা ফেল কার্ড প্রকাশ করেছিল বিজেপি। তাঁদের সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে মঙ্গলবার টুইট করেছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। বিগত বছরগুলির কাজের খতিয়ান দিয়ে তিনটি কার্ড টুইট করেছে তৃণমূল সাংসদ। তিনি লিখেছেন, নিচের ৩টে গ্রাফিক্সে দেখুন কতটা এগিয়ে বাংলা, ভাঁওতাবাজি নয়, কথা দিয়ে কথা রাখা। এই কারণেই সবাই আবার দিদিকে চায়। গতকাল ফেল কার্ড প্রকাশ করে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, শুধুমাত্র অর্থনৈতিকভাবে না, সবদিক থেকেই ১০টা বছরের অপচয়। আরও পড়ুন ঃ পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি বিদ্যুৎমন্ত্রীর বলেন, তৃণমূলের ১০ বছরের ব্যর্থতা একটা বুকলেটের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু রুটিন ইনভেস্টমেন্ট আর কিছু মউকে সামনে এনে দেখাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রকৃত অর্থে যা দেখানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী বা শিল্পমন্ত্রীর তরফ থেকে আসলে তার ১ শতাংশ হয়েছে। গত ৫০ বছর ধরে বামফ্রন্টের আমলে এবং তারপর তৃণমূলের ১০ বছর যদি ধরা হয়, তাহলে সবটা পরিষ্কার বোঝা যাবে। তৃণমূল যে গত ১০ বছরের কাজের খতিয়ান মানুষের সামনে পেশ করেছে, তা সত্যের থেকে বহুদূরে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

পরিসংখ্যান তুলে ধরে রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি বিদ্যুৎমন্ত্রীর

বঙ্গধ্বনির হাত ধরে প্রত্যেক ওয়ার্ডে পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্য সরকারের ১০ বছরের উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড। অন্যদিকে, বিজেপির যুব মোর্চার তরফেও ব্লকে ব্লকে শুরু হয়েছে চাকরির প্রতিশ্রুতি কার্ডে রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়াও। ৭৫ লক্ষ যুবকের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তাদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে বিজেপির যুব মোর্চা। আর এবার তৃণমূল ভবন থেকে রাজ্যে কর্মসংস্থানের ছবি তুলে ধরলেন বিদুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এক কোটি মানুষের বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে এই রাজ্যে। বাম আমলের তুলনায় রাজ্য এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে অনেক স্বাবলম্বী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ, সে কথা বললেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চ্যাটার্জী। তথ্য পরিসংখ্যান দিয়ে জানালেন, ১০০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুতের কথা। আগে যেখানে রাজ্যে ৩০০-র বেশি লো ভোল্টেজ পকেট ছিল, এখন সেখানে সেই সংখ্যাটা ২০-তে এসে ঠেকেছে। সৌরবিদ্যুতেও বাংলা অনেক এগিয়ে বলে দাবি করেন মন্ত্রী। রাজ্যে অচিরেই যে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প শুরু হতে চলেছে, তার সৌজন্যে গোটা পূর্বাঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বেশ ভাল জায়গায় থাকবে বাংলা, এ কথাও মনে করিয়ে দেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের ফেল কার্ড প্রকাশ বিজেপির দেশে যেখানে বেকারত্ব বাড়ছে সেখানে রাজ্যে ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তিনি আরও বলেন, সিলিকন ভ্যালিতে যা কর্মসংস্থান হবে তা হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরুকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে তার ধারনা। পাশাপাশি বিভিন্ন আইটি হাবের কর্মসংস্থানের হিসেবও এই সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া, গতিধারা প্রকল্পে ২৮ হাজারেরও বেশি যুবক যুবতীদের গাড়ি দেওয়া হয়েছে স্ব উপার্জনের জন্য বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, ৬ লক্ষ যুবকযুবতীদের স্বনির্ভর হওয়ার ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান বিদুত্মন্ত্রী। এছাড়া, ক্ষুদ্র অতিক্ষুদ্র মাঝারি শিল্পে রাজ্য এগিয়ে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ভারতবর্ষে রাজ্য একনম্বরে রয়েছে। বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, তাজপুরে সমুদ্র বন্দরে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের কথা জানান মন্ত্রী।পাশাপাশি, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিদুত্মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থাগুলিকে বিক্রি করে দিচ্ছে বিজেপি। ভারতবর্ষকে বিক্রি করে দিচ্ছে বিজেপি।পাশাপাশি এয়ার ইন্ডিয়া, বিএসএনএল, সহ লাভজনক সংস্থা বিক্রি করছে বিজেপি। বলেও তোপ দাগেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, রেলের ৪০০ স্টেশনকে বেসরকারিকরন করারও অভিযোগ আনেন তিনি। এছাড়া এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে সোলার সিস্টেমে ১৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করেছে রাজ্য বলেও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ২৩ জেলার ১০০ শতাংশ বিদ্যুত্ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তৃণমূলের আমলে বেড়েছে সাব স্টেশন বলেও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী। এছাড়া, বিভিন্ন স্কুল কলেজে ১৫০০ বেশি সোলার বিদ্যুত্ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি পুরুলিয়া ১০০০ মেগাওয়াটের নতুন প্রকল্পের কথাও জানান বিদ্যুত্মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

২০২১-এ মুক্তির স্বাদ দেবে ঈশ্বর, ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু

মানুষের সঙ্গে কোনওদিন বিশ্বাসঘাতকতা করিনি, করবও না৷ রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের গিয়ে করা বেশ কয়েকটি মন্তব্যে তাঁকে ঘিরে জল্পনা আরও উস্কে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে আরও বললেন, আশা করব ঈশ্বর আমাদের ২০২১ সালটা খুব ভাল দেবে, মুক্তির সাল দেবে, আনন্দের স্বাদ দেবে৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে এখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি কৈলাসের, পাল্টা সরব তৃণমূল রবিবারই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরে দলের সাধারণ সম্পাদক কণিষ্ক পণ্ডাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল৷ আর সেদিন বিকেলেই কারও নাম না করেই ফের অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকে একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ তিনি বলেন, আমি মানুষের সঙ্গে কোনওদিন বিশ্বাসঘাতকতা করব না৷ মানুষের উপরে যদি অন্যায়, অত্যাচার হয়, বেকার যুবকরা যদি কর্মসংস্থান না পেয়ে যন্ত্রণায় কাতরায়, কৃষকরা যদি যন্ত্রণায় কাতরায়, যদি মানুষের মধ্যে উন্নয়নের জন্য আরও প্রত্যাশা থাকে, তাহলে শুভেন্দু অধিকারী সেটা করবে৷

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি কার্যালয়ে আগুন, দেওয়াল লিখন নিয়ে অশান্তি, দিনভর উত্তপ্ত বর্ধমান

বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে আগুন, দেওয়াল লিখন নিয়ে অশান্তি, তৃণমূল অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল বর্ধমান শহর। বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ শানিয়েছে। রবিবার দিনভর উত্তেজনা ছড়িয়েছে শহরে। বর্ধমান শহরের শালবাগান এলাকায় বিজেপির মন্ডল কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখায়, পথ-অবরোধ করে। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সম্প্রতি শালবাগান থেকে নীলপুর বাজারের পথে রাস্তার পাশে বিজেপির ১২ নম্বর ওয়ার্ডের মণ্ডল কার্যালয়ের উদ্বোধন হয়। বিজেপির অভিযোগ, শনিবার গভীর রাতে তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতীরা তাঁদের দলীয় কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে পুড়ে যায় চেয়ার, টেবিল, ফ্লেক্স ও কিছু আসবাবপত্র। এর প্রতিবাদে দলীয় কর্মীরা রাস্তা অবরোধ করেছেন। বিজেপি কর্মী পিঙ্কি সাহা বলেন, এর বিহিত চাই। দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। অন্যদিকে তৃণমূল নেতা অনন্ত পাল বলেন, তৃণমূল এই রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এদিকে রবিবার দুপুরে শহরের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাতছালা পীরতলা এলাকায় দেওয়াল লিখন নিয়ে অশান্তি হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এদিন কয়েকজন বিজেপি কর্মী তাদের দেওয়াল লেখা কালি দিয়ে মুছে দেয়। ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সনৎ বক্সী জানান, এদিন বিজেপি কর্মীরা জোর করে দেওয়াল লেখা শুরু করে। তাঁদের দলীয় প্রতীক ঘাসফুলের উপর কালি লেপে দেওয়া হয়। এলাকার দলীয় কর্মী সমর্থকরা খবর পেয়ে তাঁদের তাড়া করলে সবাই পালিয়ে যায়। বিজেপি তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে। বিজেপির বক্তব্য, তাঁদের দেওয়াল লেখার উপর তৃণমূল গায়ের জোর খাটিয়ে লিখেছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী শুক্লা মণ্ডলের অভিযোগ, রবিবার ভাতছালায় দলীয় কর্মীরা দেওয়াল লিখতে গেলে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা তাঁদের আক্রমণ করে। বাইক ভাঙচুর করে। মহিলাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।বিজেপির লেখা দেওয়ালে কালি দিয়ে দেয়। এই ঘটনায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। অন্যদিকে বর্ধমান শহরের জাতীয় সড়কের ধারে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ফ্লেক্স ছিড়ে দেওয়া হয়, দরজা-জানালার কাঁচ ভাঙা হয়। বাইরে থেকে লোক এনে ঝামেলা করছে বিজেপি। বিজেপির জেলা যুব সভাপতি শুভম নিয়োগী এই অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, তৃণমূলের অনেক গোষ্ঠী আছে। এছাড়া দাদার অনুগামীরাও আছেন। তাদেরই কারও কাজ হতে পারে। বিজেপি কোনওভাবেই এই ঘটনায় য়ুক্ত নয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
কলকাতা

অভিমান মেটাতে রাজীবকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দিতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব

অভিমান মেটাতে এবার বেসুরোমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল সূত্রে রবিবার এই তথ্য জানা গিয়েছে। রাজীবকে দলের নতুন প্রজন্মের মুখ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, রবিবার দুপুরে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলা বাড়িতে পার্থ-রাজীব-পিকের যে বৈঠক হয়েছে তা সফল। এই বৈঠকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাবতীয় অভিমানের কথা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। এর পরেই আলোচনার সমস্ত বিষয় বস্তু জানানো হয় দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সমস্ত কিছু আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, অভিমান মেটাতে রাজীবকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হবে। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই ভালো সংগঠক, কাজের মানুষ। সেক্ষেত্রে তাঁর দাবি মেনে তাঁকে দলে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, দলের ভিতরের দুর্নীতি এবং স্তাবকতা নিয়ে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজীব। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় তিন আইপিএস আধিকারিককে কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনের জন্য তলব যদিও বৈঠকের পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানাননি। তিনি শুধু বলেছিলেন, আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও আলোচনা হবে। অন্যদিকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে ডোমজুড় এবং বালি হল্টে রবিবারও প্রচুর পোস্টার লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাতে লেখা ছিল,আমরা সবাই রাজীব পরিবার,আমরা রাজীব দার অনুগামী। এ বিষয়ে মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,আমি আমার ব্যক্তিগত প্রচারে বিশ্বাসী নই। কারা এসব পোস্টার লাগাচ্ছে তা আমার জানা নেই। এইসব কাজকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সমর্থন করিনা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কার

শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হল। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী জানিয়ে দিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সম্পাদক কণিষ্ক পন্ডাকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি সেই নির্দেশ তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বকে জানিয়ে দিতে বলেছেন। রবিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কণিষ্ক পন্ডা শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিগত কয়েকদিনে একাধিকবার শুভেন্দুর পাশে থাকার কথা বলেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এই তৃণমূল নেতা। শুধু তাই নয়, শুভেন্দুকে সমর্থন করে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কনিষ্ক। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই দল বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ এই নেতা। শেষমেষ দল তাঁকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল। ইতিমধ্যে রাজ্যের একাধিক তৃণমূল বিধায়ক, নেতা নানাভাবেই শুভেন্দুকে সমর্থন করে বক্তব্য পেশ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী দলে না থাকলে দলের সমূহ ক্ষতি হবে। যদিও সেই সব নেতাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে যেভাবে দলের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করছে তাতে দলের বিপদ ক্রমশ বাড়ছে। বিভ্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূলের নীচুতলার নেতা-কর্মীরা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

হালিশহরে নৃশংস খুন বিজেপি কর্মী, বদলার হুঁশিয়ারি

উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে গৃহ সম্পর্ক অভিযান কর্মসূচি চলাকালীন নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন বিজেপির স্থানীয় বুথ সভাপতি সৈকত ভাওয়াল। বিজেপির অভিযোগ, শনিবার বীজপুরে হালিশহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে গৃহ সম্পর্ক অভিযান কর্মসূচির সময় তাঁদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা। এই হামলায় মৃত্যু হয়েছে সৈকতের। সে ছিল স্থানীয় ৪২ নম্বর বুথের বিজেপির সভাপতি। আক্রমণের ঘটনায় প্রায় ৭ জন বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন বলে বিজেপির দাবি। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। বীজপুরের বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা শুভ্রাংশু রায়ের অভিযোগ, হালিশহরে দলের কর্মীরা যখন গৃহ সম্পর্ক কর্মসূচি পালন করছিল তখন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এই আক্রমণেই মৃত্যু হয়েছে বুথ সভাপতি সৈকত ভাওয়ালের। বেশ কয়েকজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের জহরলাল নেহেরু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি জানান তিনি। শুভ্রাংশু বলেন, মুখে খুনের কথা বলতে পারব না। তবে যাঁর কোল খালি হল সে তো ছেড়ে দেবে না। বদলা হবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে খোঁচা উদয়নের

সম্প্রতি বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কয়েকটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। আর তার সূত্র ধরেই এবার নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন বিধায়ক উদয়ন গুহ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, হয় জলে (সেচ) অথবা জঙ্গলে (বন) না হলে পদ্মফুলে, যত মত তত পথ। উদয়ন গুহ তাঁর ফেসবুক পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি ঠিকই। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিকে তলব অসাংবিধানিক বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে চিঠি কল্যাণের তবে তাঁর এই পোস্ট যে আদতে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিয়েই করা, সে বিষয়ে কোনও মতপার্থক্য থাকতে পারে না বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই। কারণ, একসময় রাজ্যের সেচ দপ্তর সামলাতেন মন্ত্রী রাজীব। আর বর্তমানে রাজ্যের বনমন্ত্রী তিনি। এছাড়া শুক্রবার শ্রীরামকৃষ্ণের বাণীকে হাতিয়ার করে যত মত তত পথ মন্তব্য করেছিলেন বিদ্রোহী মন্ত্রী। তাই উদয়ন গুহ যে আদতে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কেই খোঁচা দিয়েছেন তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিকে তলব অসাংবিধানিক বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে চিঠি কল্যাণের

রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিকে দিল্লিতে তলব করা অসাংবিধানিক বলে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিবকে চিঠি দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লাকে লেখা চিঠিতে সাংসদ বলেছেন, সংবিধান বলছে, আইন-শৃঙ্খলা রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সেই সংক্রান্ত বিষয় রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি-কে কীভাবে কেন্দ্র তলব করতে পারেন? সংবিধানে কোথায় এর সংস্থান রয়েছে? কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের পিছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা রয়েছে বলেও চিঠিতে অভিযোগ করেছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে শীতের আমেজ ফিরলেও এখনই জাঁকিয়ে নয় ঠান্ডা উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালায় দুষ্কৃতিরা। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। সেই প্রেক্ষিতেই শুক্রবার রাজ্যপালের রিপোর্টের পর পরই বাংলার মুখ্যসচিব ও ডিজিকে তলব করা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। ঘটনার কয়েক ঘন্টা পরই সেই তলব বেআইনি ও সংবিধান বিরোধী বলে দাবি করেছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সেই কথাই চিঠি লিখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে জানালেন তিনি। গতকালই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে তলব পেয়ে পাল্টা চিঠি লিখে না যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যসচিব। চিঠিতে নাড্ডার কনভয়-নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। একেবারে শেষ বলা হয়েছে, যেহেতু রাজ্য সরকার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, তাই স্বশরীরে দিল্লি যাওয়ার বিষয়টি থেকে মুখ্যসচিব-ডিজি-কে অব্যাহতি দেওয়া হোক।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal