• ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ১১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Test

রাজ্য

বিজেপির বাংলা বনধে অশান্তি জেলায় জেলায় , কঠোর নবান্নও

পুরভোটে অশান্তিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।এই পুরভোট বাতিল করে ফের ভোট করার দাবিও তুলেছে তারা। সকাল হতেই জেলায় জেলায় অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও কলকাতায় বনধের প্রভাব সকালের দিকে তেমন একটা চোখে পড়েনি। আবার কোথাও কোথাও বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।এদিকে কাল বনধ ঘোষণার পরই রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে, জনজীবন সচল রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও জোর করে বন্ধ করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হলে পুলিশ-প্রশাসন কড়া হাতে তার মোকাবিলা করবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও আজ শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।সোমবার সকাল হতেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ডাউন বর্ধমান লোকাল আটকে থাকে হুগলি স্টেশনে। ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।বিজেপির ডাকা বনধে এখন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে কোনও প্রভাব নেই।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস চলছে। রাস্তায় যানবাহনও চলছে। রাস্তায় দেখা মেলেনি কোন বিজেপি বনধ সমর্থনকারীকে।বনধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব বর্ধমানে। সকাল থেকে সবই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। পথে নেমেছে সরকারি বাসের পাশাপাশি বেসরকারি বাস। যান চলাচল একেবারে স্বাভাবিক। মানুষজনও রাস্তায় নেমেছে। তবে বেলা বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।শিলিগুড়িতেও একই ছবি। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের জন্য পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।সোমবার সকাল সকাল বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বিজেপি কর্মীসমর্থকদের পিকেটিং বনধ সফলের জন্য। রাস্তায় বসে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ তুলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীদের চ্যাঙদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।এদিন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

আনিস খান হত্যায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাম ছাত্র যুবদের মিছিল ঘিরে রণক্ষেত্র পাঁচলা! আটক বেশ কয়েকজন ছাত্র যুব

আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে পথে নামে বাম ছাত্র যুবরা। শনিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় হাওড়ার পাঁচলা। ইটবৃষ্টিতে আহত হন বেশ কয়েকজন। অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। এদিন রানিহাটি থেকে পাঁচলায় পুলিশ সুপারের অফিস পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। সেইমতো মিছিল পাঁচলায় পৌঁছতেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। পুলিশের ব্যারিকেডের বাধায় ক্ষোভের আগুন আরও তীব্র হয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। অভিযোগ, পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে যে পুলিশ কর্মীরা দাঁড়িয়েছিলেন তাঁদের লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। এরপরই পাল্টা পুলিশও প্রতিরোধে নামে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। এদিকে, কলকাতার রাজপথেও আনিসের মৃত্যুর সুবিচার চেয়ে মিছিলে নামে সিপিএম। সামনের সারিতে পা মেলান বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র।শুধু বাম ছাত্র নেতাই নন, বাইরে থেকেও বহু লোক এই মিছিলে যোগ দেন বলে দাবি ওঠে। তুলকালাম পরিস্থিতির মধ্যে একজন অসুস্থও হয়ে পড়েন। রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। এই ইট বৃষ্টির ঘটনায় একাধিক ছাত্র নেতা জখম হন বলে জানা গিয়েছে। একইভাবে আহত হয়েছেন একাধিক পুলিশ কর্মীও। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় বলে অভিযোগ ওঠে। আনিস খানের মৃত্যু রহস্যের উন্মোচনের দাবি নিয়ে যে প্রতিবাদ মিছিল এদিন পাঁচলায় শুরু হয়, মুহূর্তে তা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বাম ছাত্রনেত্রী মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায়কে মিছিল থেকে আটক করে পুলিশ। টানতে টানতে তাঁকে পুলিশ সুপারের অফিসের ভিতর নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক।এরপরই বিশাল পুলিশ বাহিনী নামানো হয় রাস্তায়। শুরু হয় লাঠিচার্জ বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীরা হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের পাইলট গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এমনকী তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী এতে জখমও হয়েছেন বলে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বেঙ্গালুরুতে কোহলির শততম টেস্ট খেলার ইচ্ছেপূরণে বাধা হতে চলেছে বোর্ড

প্রিয় মাঠ বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে কি জীবনের শততম টেস্ট খেলা হবে না বিরাট কোহলি? সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ প্রবল হয়ে উঠছে। আর কোহলিকে বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে না দেওয়ার পেছনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভুমিকা বড় হয়ে দাঁড়াতে চলেছে। অর্থাৎ বোর্ড কর্তারা ইচ্ছে করেই হয়তো বেঙ্গালুরুতে কোহলির আটকে দিতে পারেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক একেবারেই ভাল নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির গায়ে যেভাবে মিথ্যাবাদী তকমা সাঁটিয়ে দিয়েছেন, তা ভালভাবে নেননি অন্য বোর্ড কর্তারা। যার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তিনটি টেস্টেই খেললে এতদিন শততম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কিন্তু জোহানেসবার্গে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কোহলি। জোহানেসবার্গে খেললে সেটাই হত কোহলির ৯৯ তম টেস্ট। পরে কেপ টাউনে সিরিজের শেষ টেস্টে খেলেন। ফলে ৯৯তম টেস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই খেলে ফেলেছেন। ভারতের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুটি টেস্ট হবে বেঙ্গালুরু ও মোহালিতে। বেঙ্গালুরুতেই প্রথম টেস্ট হওয়ার কথা। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে খেলেন কোহলি। সেই সুবাদে বেঙ্গালুরু তাঁর ঘরে মাঠ। বেঙ্গালুরুতে প্রচুর সমর্থকও রয়েছে কোহলির। সেসব কথা মাথায় রেখে কোহলি চেয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে পরিকল্পিতভাবে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে তিনটি টি ২০ ম্যাচও হবে। টেস্ট সিরিজ শেষ হলে তিনটি টি ২০ ম্যাচ হওয়ার কথা মোহালি, ধরমশালা ও লখনউতে। যদিও এই সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দুটি টেস্ট বেঙ্গালুরু ও মোহালি। একটি টেস্ট দিনরাতের করার ব্যাপারে উদ্যোগী বোর্ড। কিন্তু মোহালিতে দিনরাতের টেস্ট আয়োজন করা সমস্যা। কারণ মোহালিতে সন্ধেবেলা খুব বেশি শিশির পড়ছে। তাই বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টের সম্ভাবনা বেশি। করোনার জন্য যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সূচিতে অদলবদল হতে পারে। বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, টি২০ সিরিজ শেষ করে তারপর টেস্ট সিরিজ হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি টি২০ ম্যাচ ধরমশালায় খেলার পর দুটি দল মোহালি আসবে। সেখানে ১টি টি২০ ও ১টি টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তারপর দ্বিতীয় টেস্ট হতে পারে বেঙ্গালুরুতে। সেক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুতে দিনরাতের টেস্ট হলেও কোহলিকে দর্শকহীন মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে ডোমিসাইল বি-র মাধ্যমে মেডিক্যালে ভর্তির প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ-র ডেপুটেশন

বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে অন্য রাজ্যের ছেলেমেয়ের ডোমিসাইল বি-র মাধ্যমে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজ গুলোয় রাজ্যের কোটায় ভর্তি করা যাবে না। এই দাবিতে আজ দুপুর ১ টায় স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেয় বাংলা পক্ষ।বাংলা ভাষা ও বাঙ্গালির আস্তিত্ব রক্ষায় বাংলা পক্ষ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বহু প্রতিবাদের ফসল-ও ফলতে শুরু করেছে। আজ তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের ডাক্তারি পড়ার আসনে পশ্চিমবঙ্গ কোটায় অন্য রাজ্যের ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি আটকাতে ডোমিসাইল বি বাতিলের দাবিতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়, দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, হাওড়ার সম্পাদক জয়দীপ দে, উত্তর চব্বিশ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ সামাজিক মাধ্যম সমন্বায়ক সায়ন মিত্র প্রমুখ।পাঁচ জনের প্রতিনিধি দল (গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক মাইতি, তড়িৎ দত্ত, পিন্টু রায়, প্রীতি মিত্র) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা ডঃ দেবাশীষ ভট্টাচার্য এবং স্বাস্থ্য সচিব মাননীয় নারায়ণ স্বরূপ নিগমের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং স্মারকলিপি জমা দেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
দেশ

রেলে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক, অবরুদ্ধ একাধিক হাইওয়ে! সকাল থেকেই রণক্ষেত্র বিহার

রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সপ্তাহের শুরু থেকেই উত্তপ্ত গোটা বিহার। আজ রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে ছাত্র সংগঠন। সেই বনধ ঘিরে সকাল থেকেই উত্তপ্ত বিহার। বনধ সমর্থকরা সকাল থেকেই বিভিন্ন রাস্তা, হাইওয়ে অবরোধ করেছে। একাধিক জায়গায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর পাওয়া গিয়েছে।Bihar: Protesters block roads in Patna in support of bandh called by various political parties over alleged discrepancies in RRB NTPC results pic.twitter.com/BKXMH3Kaxl ANI (@ANI) January 28, 2022চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। রেলওয়ে নিয়োগ বোর্ডের ২০২১ সালের নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরির পরীক্ষার এখনও ফল প্রকাশ না হওয়ায় তারা বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে। তবে বিক্ষোভ ভয়ঙ্কর আকার নেয় সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন। গয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ।বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠনের তরফে আজ বিহারজুড়ে বনধের ডাক দেওয়া হয়। এদিন সকাল থেকেই থমথমে পরিস্থিতি চোখে পড়ে রাজ্যজুড়ে। একাধিক সড়ক ও হাইওয়ে বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র ও পরীক্ষার্থীরা। জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন দোকান। টায়ার ও রেলমন্ত্রীর কুশপুতুল জ্বালিয়েও রাস্তা আটকে দেয় অবরোধকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যজুড়েই কড়া পুলিশি পাহারা মোতায়েন করা হয়েছে। ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি, তদন্তকারী কমিটি গঠন করে রেলের নিয়োগ উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন না হওয়া অবধি পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।রাজ্যজুড়ে হিংসা, বিশৃঙ্খলার ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবারই রেলওয়ে বোর্ডের তরফে আপাতত নন-টেকনিক্যাল পপুলার বিভাগ ও লেভেল-১ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের যাবতীয় বক্তব্য শোনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। দুই পক্ষের বয়ান শোনার পর ওই কমিটি রেল মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে। অন্যদিকে, রেল মন্ত্রকের তরফে অপর একটি নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা ভাঙচুর ও বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তারা রেলের চাকরি পাবেন না।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে খরচ কমল আরটিপিসিআর টেস্টের

একধাক্কায় অনেকটাই কমানো হল করোনা পরীক্ষার খরচ। রাজ্যে প্রায় অর্ধেক করা হল আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এতদিন পর্যন্ত আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে খরচ হত ৯৫০ টাকা। এবার সেই খরচ কমিয়ে করা হল ৫০০ টাকা। বৃহস্পতিবারই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নির্দেশিকা দিয়ে খরচ কমানোর কথা জানানো হয়েছে। এ দিন থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নির্দেশিকা।করোনার উপসর্গ সাধারণ মানুষের কাছে মোটামুটি পরিচিত হয়ে যাওয়ায় সম্প্রতি দেখা গিয়েছে পরীক্ষা করাতে আগ্রহী নন অনেকেই। পাশাপাশি, খরচ একটা বড় সমস্যা অনেকের কাছেই। সম্ভবত সেই বিষয়টা মাথায় রেখেই খরচ কমানর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।এ দিকে, সারা দেশে করোনার ভ্যাকসিনের দামও কমানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিনের প্রতি ডোজের দাম কমতে পারে অনেকটাই। প্রতি ডোজ়ের দাম ২৭৫ টাকা করা হতে পারে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত পরিষেবা চার্জ সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা হতে পারে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার এই দুই ভ্যাকসিনের জন্য এই দাম কমানোর বিষয়টি ভারতের ওষুধ নিয়ামক সংস্থার কাছে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

ভাটপাড়ার রিলায়েন্স জুটমিল বন্ধের প্রতিবাদে কাঁকিনাড়ায় রেল অবরোধ কাজ হারানো শ্রমিকদের

বন্ধ হয়ে গেল ভাটপাড়া রিলায়েন্স জুটমিল। বেকার হলেন চার হাজার শ্রমিক। ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মিল খোলার দাবিতে কাঁকিনাড়া স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন, বিক্ষোভ তুলতে লাঠিচার্জ করল পুলিশ, হল এক প্রস্থ ধস্তাধস্তি- সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত থাকলে কাঁকিনাড়া স্টেশন। এর জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় শিয়ালদহ মেন শাখার ট্রেন চলাচল। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভ তুলে দেওয়ার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল।শ্রমিকদের দাবি, তাঁরা বৃহস্পতিবার সকালে মিলে গিয়ে দেখেন, কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে গেটে তালা ঝুলিয়ে কারখানা বন্ধের নোটিস টানানো হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ২৬ জানুয়ারির দিনে ছুটির থাকার সুযোগ নিয়ে কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। মালিকপক্ষ কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই কীভাবে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?শ্রমিকদের ক্ষোভ আছড়ে পড়ে রেললাইনের ওপর। কাঁকিনাড়া স্টেশনে ট্রেন আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। ব্যস্ত সময়ে আটকে পড়ে ট্রেন। লাইনে নেমে স্লোগান দিতে থাকেন শ্রমিকরা। প্রথমে নিত্যযাত্রীদের একাংশ তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করেন।কারণ তাঁদেরও কাজে যেতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। কিন্তু তাতে কাজ হয় না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেল পুলিশ।প্রথমে তাঁদের বুঝিয়ে অবরোধ তোলানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাতেও কাজ হয় না। নিজেদের অবস্থানে নাছোড় থাকেন শ্রমিকরা। পরে বাধ্য হয়েই পুলিশ লাঠি চার্জ করে অবরোধ তুলে দেয়। ট্রেন চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
কলকাতা

স্কুল খোলার দাবিতে এসএফআই-এর বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

স্কুল খোলার দাবিতে এবার পথে এসএফআই। স্কুল খোলার দাবিতে সোমবার বিকাশ ভবন অভিযান কর্মসূচি নেয় এসএফআই। আর এসএফআই-এর মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা সল্টলেকের করুণাময়ীতে। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। বিক্ষোভকারীদের টেনে হিঁচড়ে সরায় পুলিশ।আগে থেকে প্রস্তুত ছিল পুলিশও। মিছিল করে বিকাশ ভবনের দিকে এগোতে থাকেন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা করুণাময়ী পৌঁছতেই পথ আটকায় পুলিশ। রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তাঁদেরকে টেনে হিঁচড়ে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে চায় পুলিশ।অভিযোগ, পুলিশ একপ্রকার চ্যাংদোলা করে এসএফআই কর্মী সমর্থকদের রাস্তা থেকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। এসএফআই-এর বক্তব্য, কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় ছাত্রসমাজ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বহু গরিব ছাত্রছাত্রীরাই অনলাইনে ক্লাস করতে সক্ষম নয়। রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি, তাতে সব কিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে গেলেও বন্ধ রয়েছে স্কুল কলেজ। এসএফআই-এর দাবি, প্রাথমিক স্তর থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আংশিকভাবে খোলা হোক স্কুল।এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময়ে এসএফআই কর্মী সমর্থকদের রীতিমতো ঠেলে, ধাক্কাধাক্কি করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। ঘণ্টা খানেক উত্তপ্ত থাকে পরিস্থিতি। সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, কলেজ স্কুল দু বছর ধরে বন্ধ। অথচ বার-রেস্টুরেন্ট, শপিং মল সব খোলা। সবরকম মচ্ছব চলছে। তাহলে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কী হবে?

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রাইস মিলে গিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পরলেন স্থানীয় মানুষজন

ফের গলসির ভদ্রেশ্বর মিলে গিয়ে ক্ষোভে ফেটে পরলেন গলসির পারাজ ও শিড়রাই অঞ্চলের চাষিরা। এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ এলাকার বেশ কিছু চাষি ভদ্রেশ্বর কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষোভে ফেটে পরেন। কথা চলাকালীন সময় বিক্ষুব্ধ চাষিরা মিলের ভিতরে থাকা ধানের গাড়ি বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। অবশেষে বিকেলে সমাধানের আশ্বাসে পেয়ে বাড়ি ফিরে আসেন চাষিরা। চাষিদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই মিলের পচা জল, ছাই ও গুড়ো ধুলো ভোগ করছেন তাঁরা। তাহলে তাদের ধান কেন নেবে না ওই মিল। তাঁদের বক্তব্য, মিলের উৎপাতে এলাকার ভুগর্ভস্থ জল সংকট দেখা দিয়েছে। যা তাঁরা সহ্য করছেন। মিলের ধুলো ও গুড়োতে তাঁদের চোখে পড়ছে তাও তাঁরা সহ্য করছে। তাহলে মিল কেন তাঁদের ধান সহায়ক মুল্যে কিনবে না। তবে মিল কতৃপক্ষের দাবী, ছাই, গুড়ো ও পচা জলের বিষয়ে চাষিরা সংস্লিষ্ট সরকারী দপ্তরে জানাক। সরকারে তাদের যেভাবে মিল চালাতে বলবে তারা সেই ভাবেই মিল চালাবেন। তাছাড়াও তারা সিপিসি র মাধ্যমে ধান কিনছেন। পারাজের চাষিদের ধান সরকার সহায়ক মুল্যে কিনে তাঁদের দিলে তাঁরা নিতে রাজি আছেন।এই বিষয়ে শিড়রাই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সেখ আব্দুস সামাদ জানান, গতবারের মতো এবার ধান নিচ্ছে না ওই মিল। তাদের অঞ্চলের অল্প কিছু চাষি ধান দিতে পেরেছে। এখনও বহু চাষী বাকি আছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

স্বজনপোষণের অভিযোগ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে, ক্ষোভের আঁচ পৌঁছল হাইকোর্টেও!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তাঁর তির্যক মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জেলায় জেলায় তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কটাক্ষ চলছিলই। এবার আইনজীবী-সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আঁচ পৌঁছল কলকাতা হাইকোর্টেও। মঙ্গলবার শ্রীরামপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের সামনে বিক্ষোভ করেন তৃণমূলের আইনজীবীরা। তাঁদের অভিযোগ, স্বজনপোষণ ও দুর্নীতি করে নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করেছেন আইনজীবী কল্যাণ। এছাড়া আরও একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে স্লোগান দেন আইনজীবীরা। হাইকোর্টের সামনে এমন বিক্ষোভে স্বাভাবিকভাবেই হইচই শুরু হয়ে যায়। তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার হাইকোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ দেখালেন আইনজীবীদের একাংশ। কল্যাণের দাদাগিরি মানব না, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিপাত যাক পোস্টার হাতে বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁরা সকলেই তৃণমূলের লিগ্যাল সেলের সদস্য।এদিন বিক্ষোভকারীদের মধ্যে আইনজীবী অচিন্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ক্রমাগত দুর্নীতি, লাঞ্চনার জন্য এই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা। তৃণমূল লিগাল সেলকে কখনও সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাহায্য করেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই আইনজীবীর কথায়, উনি বাড়ির জন্যই কাজ করে থাকেন। এমনকী অবৈধভাবে হাইকোর্টে পরিবারের সদস্যের জন্য চেম্বারও করে দিয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। তাঁদের আর্জি কল্যাণের বিরুদ্ধে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেন ব্যবস্থা নেন। এতে তাদের লিগাল সেল ভাল ভাবে এগিয়ে যাবে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

দিল্লিতে সাধারণতন্ত্র দিবসে বাংলার ট্যাবলো বাতিলের প্রতিবাদে হাওড়ায় বাংলা পক্ষর বিক্ষোভ কর্মসূচি

দিল্লিতে ২৬ শে জানুয়ারী সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাংলার তৈরি ট্যাবলো বাতিল করেছে বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত কেন্দ্র সরকার। বিজেপি শাসিত দিল্লি সুভাষের শত্রু। বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি। এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ হাওড়া জেলার পক্ষ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি হল হাওড়ার রামরাজাতলায় কলাবাগান এলাকায় নতুন রাস্তার মোড়ে সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তির পাদদেশে।থ্রেডে যাও, ভোট দাও। #AntiNetajiBJP https://t.co/WTLVWScKpd বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) January 17, 2022বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে দাবি ওঠে, বাংলাকে বঞ্চনা করা চলবে না। বাংলার ট্যাবলোকে দিল্লির কুচকাওয়াজে স্থান দিতে হবে। সুভাষচন্দ্র বসু সারা ভারতের, কিন্তু তিনি অনেকের কাছে রাজনীতির কাঁচামাল মাত্র। কিন্তু বাংলা ও বাঙালির কাছে হৃদয় সম্রাট তিনি। স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালির অবদান সবথেকে বেশি ছিল। তাই বাংলার তৈরি সুভাষ চন্দ্র বসু ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ কেন্দ্রিক ট্যাবলোর অনুমতি দিতে হবে। না-হলে লড়াই চলবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট দলের অধিনায়ক হতে চান?‌ কী বললেন বুমরা

ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার জায়গায় লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। লড়াইয়ে যেমন রয়েছেন রোহিত শর্মা, তেমনই রয়েছেন লোকেশ রাহুলও। ভেসে উঠছে যশপ্রীত বুমরার নামও। তাঁর সামনে যদি সুযোগ আসে, দেশকে নেতৃত্ব দিতে তৈরি বুমরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শেষ। বুধবার থেকে শুরু একদিনের সিরিজ। তার আগে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা। আপাতত তিনি এই সিরিজের জন্য সহ অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। সোমবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বুমরা বলেন, আমার সামনে যদি ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসে, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। আমার মনে হয় কোনও ক্রিকেটারই প্রত্যাখান করবে না। আমি যে কোনও লিডারশিপ গ্রুপে অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেপ টাউন টেস্টের পরই যে কোহলি নেতৃত্ব ছাড়বেন স্বপ্নেও ভাবেনি ভারতীয় শিবির। সেই কথা জানা গেছে বুমরার মুখে। তিনি বলেন, কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। কেপ টাউন টেস্টে হারের পর ড্রেসিংরুমে টিম মিটিংয়েই জানায় যে, ও আর টেস্টে অধিনায়ক থাকবে না। তবে এটা সিদ্ধান্ত একান্তই ওর ব্যক্তিগত। কোহলির এই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে গোটা দল শ্রদ্ধা করে। তবে একটা কথা বলতে পারি, কোহলির নেতৃত্বে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। ওর নেতৃত্বেই আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। দলের মধ্যে কোহলি অন্যরকম এনার্জি নিয়ে এসেছে। খাতায়কলমে নেতৃত্বে না থাকলেও কোহলি আমাদের দলে নেতা হয়েই থাকবে। কোহলি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে। নিজেরা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য সবসময় তৈরি থাকি। কেউ না কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। যদি আমার সামনে সুযোগ আসে অবশ্যই ভাবব। তবে কখনও নেতৃত্বের পেছনে ছুটব না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট ক্রিকেটেও শেষ বিরাট অধ্যায়, নেতৃত্ব ছাড়লেন কোহলি

ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে আর কোনও ধরণের ফরম্যাটে নেতৃত্বে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও এবার সরে দাঁড়ালেন তিনি। টুইট করে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নতুন নেতা বেছে নিতে হবে।গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের আগে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। গত বছর ডিসেম্বরে কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করতে চেয়েছিলেন কোহলি। তিনি বলেছিলেন, তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সব জানতেন। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি পরে বিবৃতি দেন, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে তিনি একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।🇮🇳 pic.twitter.com/huBL6zZ7fZ Virat Kohli (@imVkohli) January 15, 2022বোর্ড সচিব জয় শাহ থেকে শুরু করে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা পর্যন্ত সৌরভের পক্ষে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দেন। কোহলি টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচকরা চাননি সাদা বলের ক্রিকেটে দুজন নেতা রাখতে। তাই একদিনের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় ক্রিকেটে ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়েন কিং কোহলি। তাছাড়া রাহুল দ্রাবিড়কে কোচ করে কোহলিকে অন্য বার্তাও দিতে চেয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলির সরে দাঁড়ানোটা যে শুধু সময়ের অপেক্ষা, সেটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারার পরপরই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি।টুইটারে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করে কোহলি লিখেছেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও উদ্যমের সাথে দলকে সঠিকভাবে চালনা করার চেষ্টা করেছি। সততা বজায় রেখেই নিজের কর্তব্য পালন করেছি। সব কিছুরই পরিসমাপ্তি থাকে। আমার ক্ষেত্রেও ছিল। আমার এই যাত্রাপথে নিশ্চিতভাবেই ওঠানামা ছিল। কিন্তু প্রয়াসে কোনও কমতি ছিল না। সবসময় লক্ষ্য থাকে ১২০ শতাংশ দেওয়া। সবসময় স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলেছি। সততার প্রশ্নে কখনও আপোষ করিনি।গত ৭ বছর ধরে তাঁর ওপর আস্থা রাখায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কোহলি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সতীর্থ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্যই আমার এই সফর স্মরণীয় ও সুন্দর হয়েছে। দেশের টেস্ট ক্রিকেট যে জায়গায় পৌঁছেছে তার জন্য প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফদের বড় ভুমিকা রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ধন্যবাদ।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচে

পটভূমি তৈরি হয়েও ইতিহাস সৃষ্টি হল না। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জয় অধরাই থেকে গেল ভারতের কাছে। কেপ টাউনে তৃতীয় টেস্টে ৭ উইকেটে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট হেরে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন জোহানেসবার্গে। আর কেপ টাউনে এসে সিরিজ জয়। ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি ৪ বছর পরেও।আরও পড়ুনঃ এবার পাড়ায় সমাধান-এর প্রতিশ্রুতি তৃণমূলেরতৃতীয় দিন ঋষভ পন্থের দুরন্ত সেঞ্চুরি আশা জাগিয়েছিল ভারতীয় শিবিরে। কিন্তু দিনের শেষ বেলায় এলগার, পিটারসেনদের ব্যাটিংয়ে অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশেষজ্ঞরা পর্যন্ত মনে করছিলেন কেপ টাউনে চতুর্থ ইনিংসে ২১২ রান তাড়া করা যথেষ্ট কঠিন হবে। পরিসংখ্যানও সেই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যতবানীকে বুড়ো আঙুল দেখালেন প্রোটিয়া ব্যাটাররা। এর আগে ওয়ান্ডারার্সে যত টেস্ট হয়েছে, ২০০ রান তাড়া করে মাত্র তিনটি টেস্টে জয় এসেছে। ৬টি ড্র। আর ১৪ বার পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে রান তাড়া করা দলকে।আরও পড়ুনঃ কোভিড পরীক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরেরজয়ের জন্য ২১২ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০১/২। শেষ দিনে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১১১ রান। চতুর্থ দিন শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে ব্যাট করতে থাকেন কিগান পিটারসেন ও ভ্যান ডার ডুসেন। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৫৪ রান তুলে ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন দুজনে। ৫৯ রানের মাথায় বুমরার বলে স্লিপে পিটারসেনের ক্যাচ ফেলেন চেতেশ্বর পুজারা। শেষ পর্যন্ত ৮২ রান করে শার্দূল ঠাকুরের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন পিটারসেন। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৫৫। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় প্রোটিয়াদের রান ছিল ১৭১/৩। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পরই ৬৩.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা (২১২/৩)। ৯৫ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন ভ্যান ডার ডুসেন। তেম্বা বাভুমা ৫৮ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে বুমরা, সামি ও শার্দূল ১টি করে উইকেট নেন।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাভারতের এই পরাজয়ের ফলে ফিরে এল ২০০৭ সালের স্মৃতি। সেই বছর রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে ভারত সিরিজে এগিয়ে গিয়েও ২১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল। কেপ টাউন টেস্টে ভারতকে ৪ দিনে হারিয়ে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট তালিকায় ৪ নম্বরে উঠে এল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারত নেমে গেল পাঁচ নম্বরে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

কোভিড পরীক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের

কোভিড পরীক্ষা নিয়ে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। পাশাপাশি, কখন, কাদের নিভৃতবাস বা হাসপাতালে পাঠানো প্রয়োজন সে বিষয়েও বার্তা রয়েছে ওই নির্দেশিকায়।চলতি সপ্তাহেই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর পরামর্শে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক কোভিড পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল। তারই সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যের এই নির্দেশিকা। এতে জানানো হয়েছে, করোনার উপসর্গ রয়েছে এমন সকলেরই পরীক্ষা করানো জরুরি।৬০ বছরের বেশি বয়সি এবং ঝুঁকিপূর্ণ রোগে আক্রান্তেরা যদি কোভিড রোগীর সংস্পর্শে এলে তাঁদের উপসর্গ না থাকলেও পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, ক্যানসার, হাইপারটেনশন, ফুসফুস-লিভার-কিডনির সমস্যা, স্থূলত্ব জনিত সমস্যাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিভৃতবাস সংক্রান্ত নির্দেশিকা মেনে যাঁরা বাইরে বেরোবেন তাঁদের আর পরীক্ষার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর।করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের বিপজ্জনক লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে টানা ৭ দিনের বেশি জ্বর, শ্বাসকষ্ট, প্রচণ্ড কাশি, ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়া, বুকে ব্যথা বা ধড়ফড় করা আচ্ছন্নভাব বা অস্থিরতার মতো উপসর্গ। এর সঙ্গে সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০-র কম, অক্সিজেনের মাত্রা ৯৪ শতাংশের কম শ্বাসপ্রশ্বাসের হার মিনিটে ২৪-এর বেশির মতো সমস্যা থাকলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়।উপসর্গহীন এবং মৃদু উপসর্গ রয়েছে এমন করোনা রোগীদের বাড়িতে নিভৃতবাসে থাকার কথা বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। মৃদু উপসর্গের তালিকায় রয়েছে, শুকনো কাশি, নাক বন্ধ হওয়া, গলা ব্যথা, জ্বর, ডায়ারিয়া, দুর্বলতা, স্বাদ-গন্ধ হারানো। সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০০-র সামান্য বেশি কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের হার মিনিটে ২৪-এর কম হলেও তা পড়বে মৃদু উপসর্গের তালিকায়। কোমর্বিডিটি আছে এমন ব্যক্তিদের বিশেষভাবে বাড়িতে নিভৃতবাস পর্বে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন নির্দেশিকায়।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মান বাঁচালেন ঋষভ, উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে তৃতীয় টেস্ট

দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে কেপ টাউনে কি আদৌও ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? তবে দুই দেশের তৃতীয় টেস্ট যে উত্তেজক পরিসমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে, সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছে ১০১/২। জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ১১১ রান। আর ইতিহাস তৈরি করতে গেলে ভারতকে তুলতে হবে ৮ উইকেট। পেন্ডুলামের মতো দুলছে ম্যাচের ভাগ্য। তৃতীয় টেস্টে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরানোর কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন ঋষভ পন্থ। জোহানেসবার্গে তাঁর আউট হওয়ার ধরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেক সমালোচনা হজম করতে হয়েছিল ঋষভকে। এদিন দায়িত্বশীল ব্যাটিং। ১৩৯ বলে অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের প্ল্যাটফর্ম এনে দেন ভারতের এই উইকেটকিপারব্যাটার। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের সংগ্রহ ১৯৮। তার মধ্যে ঋষভের একারই ১০০। বাকি ৯ ব্যাটার মিলে তোলেন ৭০। শ্রীযুক্ত অতিরিক্তর দৌলতে আসে ২৮। তিনিই ভারতীয় ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ১৪৩ বল খেলে তিনি করেন ২৯। আগের দিনের ৫৭/২ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই জানসেনের বলে ফিরে যান পুজারা (৯)। পরের ওভারেই রাবাডা তুলে নেন রাহানেকে (১)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান বিরাট কোহলি ও ঋষভ পন্থ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১৩০/৪। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ পর কোহলি (২৯) আউট হতেই ধস নামে ভারতীয় শিবিরে। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋষভ। টেল এন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। মার্কো জানসেন ৩৬ রানে ৪টি, রাবাডা ৫৩ রানে ও এনগিডি ৩৩ রানে ৩ টি করে উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে যায় ২১১ রানে। জয়ের জন্য ২১২ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে অষ্টম ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এইডেন মার্করামকে (১৬) তুলে নেন মহম্মদ সামি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। দুজনে মিলে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। এলগারকে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন বুমরা। এলগার আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের খেলার পরিসমাপ্তি ঘটে। কিগান পিটারসেন ৪৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
কলকাতা

চাকরি না হলে স্বেচ্ছামৃত্যু, করোনাবিধি শিকেয় তুলে ফের বিক্ষোভ এসএসসি প্রার্থীদের

আট বছর পরেও কেন নিয়োগ হল না, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ শুরু করেন ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট উর্ত্তীর্ণরা। আন্দোলনকারীদের মুখে শোনা গেল নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ। অবিলম্বে চাই নিয়োগ। না হলে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হোক। এদিন দুপুর থেকে এমমনই দাবি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সামনে তীব্র আন্দোলনে এসএসসি প্রার্থীরা।বারবার আদালতে উঠেছে এসএসসি মামলা। তাতে যেমনি উঠেছে প্রাইমারি নিয়োগ মামলা তেমনি উচ্চ প্রাথমিকও। এদিকে সদ্য এসএসসি-র চেয়ারম্যান বলদল হয়েছে। এতদিন শুভশঙ্কর সরকার এসএসসির চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। তিনি জানান, তাঁর সময়ে এসএসসি নিয়োগে কোনও অনিয়ম হয়নি। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার ব্যাপারেও অভিমত জানান। অন্যদিকে নতুন চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার তিনিও জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করতে হবে।কোনও হবু শিক্ষকের কোলে একরত্তি শিশু, কারও হাতে পোস্টার, রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে তাঁরা জড়ো হয়েছেন সল্টলেকের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র ভবনের সামনে। চাকরি প্রার্থীদের দাবি, তাঁরা টেট উর্ত্তীর্ণ হয়েছেন, ডিএলএড রয়েছে, তার পরেও দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বঞ্চিত। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ করে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন এঁরা। তাঁদের বক্তব্য, বারবার সরকারের দ্বারস্থ হয়েও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এমতাবস্থায় তাঁরা বাধ্য হয়েছেন আন্দোলনে নামতে। উঠল এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিও করেন আন্দোলনকারীরা।এদিকে করোনা অবস্থায় এমন জমায়েত ও আন্দোলন ঠেকাতে পথে নামে পুলিশ। তারা আন্দোলনকারীদের কাছে আবেদন করেন দাবিদাওয়া নিয়ে এসএসসি কর্তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুমরার হাতে রচিত হল ইতিহাস তৈরির পটভূমি

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আগে কখনও সিরিজ জিতে ফেরেনি ভারত। এবার ইতিহাস তৈরির সুযোগ। ভারতের সিরিজ জয়ের পটভূমি রচনা করলেন যশপ্রীত বুমরা। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে ভারতের ২২৩ রানে জবাবে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ ২১০ রানে। ৪২ রানে ৫ উইকেট নিলেন বুমরা। ১৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে তুলেছে ২ উইকেটে ৫৭।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেটআগের দিনের ১৭/১ হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম সেশনেই আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটারকে হারায়। দিনের প্রথম ওভারেই বুমরার অসাধারণ ডেলিভারিতে বোল্ড হন এইডেন মার্করাম (৮)। কেশব মহারাজ ও কিগান পিটারসেন দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ২৫ রান করে উমেশ যাদবের বলে বোল্ড হন কেশব মহারাজ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ১০০/৩।আরও পড়ুনঃ আদালতের নির্দেশ মেনে গঙ্গাসাগর মেলা করার বার্তা মমতারমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর পিটারসেন ও ভ্যান ডার ডুসেনের জুটি ভাঙেন উমেশ যাদব। ২১ রান করে স্লিপে কোহলির হাতে ক্যাচ দেন ডুসেন। এরপর পিটারসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাভুমা। ২৮ রান করে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে বাভুমা আউট হন। পরের বলেই কট বিহাইন্ড হন ভেরেইন (০)। ১৫৯ রানেই পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চা বিরতির আগে শেষ ওভারে যশপ্রীত বুমরা বোল্ড করেন মার্কো জানসেনকে (৭)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দলকে টেনে নিয়ে যান কিগান পিটারসেন। শেষ পর্যন্ত ৭২ রান করে তিনি বুমরার বলে পুজারার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। শেষদিকে রাবাডা (১৫) ও অলিভিয়ের (অপরাজিত ১০) দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২০০ রানের গন্ডি পার করে দেন।আরও পড়ুনঃ অমার্জনীয় সাংবিধানিক অপরাধ করেছেন ডিজি ও মুখ্যসচিব, ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল১৩ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও রান পেলেন না মায়াঙ্ক আগরওয়াল (৭)। রাবাডার বলে তিনি স্লিপে এলগারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। লোকেশ রাহুলও (১০) ব্যর্থ। তিনি মার্কো জানসেনের শিকার। ক্রিজে রয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা (৯) ও বিরাট কোহলি (১৪)।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ‘‌ব্যর্থ বাবা’‌ কোহলি

স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অনুরাগীদের। স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পরিবারকে। সেঞ্চুরি করে মেয়ে ভামিকার জন্মদিনে উপহার দেওয়া। একই সঙ্গে ৯৯ তম টেস্ট স্মরণীয় করে রাখা। ব্যর্থ বাবা বিরাট কোহলি। সেঞ্চুরি না পেলেও তাঁর ব্যাটই কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ঢাল হয়ে দাঁড়াল অধিনায়ক কোহলির ব্যাট। তাঁর ৭৯ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ভারত তুলল ২২৩। কাগিসো রাবাডামার্কো জানসেনদের সুইংয়ে বেসামাল ভারতীয় ব্যাটাররা।আরও পড়ুনঃ লিটন যেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, তবু লড়াই জমাতে পারল না বাংলাদেশকেপ টাউনের নিউল্যান্ডসের উইকেট বরাবরই বোলারদের সহয়তা করে এসেছে। এই মাঠে ভারতের পরিসংখ্যানও ভাল নয়। তার ওপর সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। জোরে বোলারদের আদর্শ এইরকম পরিবেশেও টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। তাঁর সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল না, ভারতের ২২৩ রানে গুটিয়ে যাওয়াতেই প্রমাণ।আরও পড়ুনঃ চীনা নয়, আইপিএলের স্পনসর এবার ভারতীয় গোষ্ঠীটস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি ভারত। দুই ওপেনার সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন। মনে হচ্ছিল ওপেনিং জুটি বড় রান আসবে ভারতের। কিন্তু দ্বাদশ ওভারে ধাক্কা খায় ভারত। ডোয়েন অলিভিয়েরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লোকেশ রাহুল। ৩৫ বলে তিনি করেন ১২। পরের ওভারেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তুলে নেন কাগিসো রাবাডা। শূন্যরানে একবার জীবন পেয়েও ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তুলে নেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও চেতেশ্বর পুজারা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ৭৫/২।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়ে জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর আউট হন পুজারা। ৭৭ বলে ৪৩ রান করে তিনি মার্কো জানসেনের বলে উইকেটের পেছনে ভেরেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। কোহলি ও পুজারার জুটিতে ওঠে ৬২। দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ অজিঙ্কা রাহানেও। ১২ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি রাবাডার বলে ভেরেইনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সতর্কভাবে ব্যাট করলেও ঋষভ পন্থও (২৭) বড় রান পেলেন না। রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২), শার্দূল ঠাকুরের (১২) মতো টেল এন্ডাররাও ব্যর্থ। বিপর্যয়ের মধ্যে একা কুম্ভর মতো লড়াই করে গেলেন কোহলি। যদিও সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাডা ৭৩ রানে ৪টি, মার্কো জানসেন ৫৫ রানে ৩ উইকেট নেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

Chotkhanda: 'কথা দিয়ে' বিধায়ক না আসায় মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভে উত্তাল

গ্রামে পানীয় জলের সংকট মেটানো নিয়ে সোমবার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠক করবেন বলে গিয়েছিলেন বিধায়ক। কিন্তু কথা দিয়েও পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে এদিন যাননি তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। তা নিয়ে এদিন বিকালে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে দাড়িয়ে থাকা চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা পঞ্চায়েত প্রধান ও বিধায়কের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। পাশাপাশি তাঁরা অভিযোগ করেন, বিধায়কের সঙ্গে কথা বলার জন্য পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বলে তাঁদের পুলিশ দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে। ক্ষুব্ধ চোটখণ্ড গ্রামের বাসিন্দারা এরপরেই হুঁশিয়ারি দেন, তাঁদের গ্রামে পানীয় জলের সংকট সমাধানে পঞ্চায়েত দ্রুত ব্যবস্থা নি নিলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।বিধায়ক যদিও দাবি করেছেন, কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই তিনি এদিন পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠকে করতে যাননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অবশ্যই তিনি বৈঠক করবেন বলেন জানিয়ে দেন।আরও পড়ুনঃ ঝঞ্ঝার দাপটে আজ থেকে শুরু বৃষ্টিএলাকা সূত্রে খবর, বিধানসভা ভেটের সময়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো চোটখণ্ড গ্রামে পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকি গ্রামের রাস্তা-ঘাট ও নিকাশী-ব্যবস্থারও কোন উন্নতি হয়নি। তা নিয়ে চোটখণ্ড সহ আশেপাশের বনশেঁকরা, তালগেঁড়া প্রভৃতি গ্রামের বাসিন্দা মহলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে গত বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত গিয়ে জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। পর তিনি পঞ্চায়েত অফিস লাগোয়া চোটখণ্ড গ্রামেও যান। ওই দিন চোটখণ্ড গ্রামের মানুষজন বিধায়ককে বিধানসভা ভোটের সময়ে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন।আরও পড়ুনঃ করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্নপ্রথমে প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলেও পরে বিধায়ক তাঁর প্রতিশ্রূতির কথা স্বীকার করে নেন। ওই দিনই তিনি গ্রামবাসীদের বলে যান গ্রামের মানুষজনের দাবিদাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সোমবার তিনি দুর্গাপুর পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠকে বসবেন। সেই মতো এদিন গ্রামের বাসিন্দারাও দুপুর থেকে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হন। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেলেও বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য আর পঞ্চায়েত অফিসে না আসায় গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। গ্রামের বাসিন্দা অনাথ ক্ষেত্রপাল, বাপি ক্ষেত্রপাল বলেন, বিধায়ককে সমস্যার কথা জানাবেন বলে তাঁরা পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বলে তাঁদের পুলিশের হুমকির মুখে পড়তে হয়। এমনটি তাঁরা প্রত্যাশা করেননি। তাই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর আবেদন নিবেদন নয়। গ্রামে পানীয় জলের সংকট নিরসন ও এলাকার উন্নয়নে পঞ্চায়েত দ্রুত ব্যবস্থা নি নিলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ব্রিগেডের পরই কি ভোটের দিন ঘোষণা? বড় ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে এবং কবে ফল ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। নানা মহল থেকে নানা ধরনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই ভোট ঘোষণার সময় নিয়ে একটি ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্মতলায় চলা ধরনা কর্মসূচি তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইঙ্গিতেই কাজ করছে।এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিগেডের সভার পর যদি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, এর আগেও এমন হয়েছে যে ব্রিগেডে সভা করার পরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার চৌদ্দ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত। তাঁর কথায়, সব কথা লিখিত নির্দেশে থাকে না, অনেক বিষয় শুনানির ভিডিও দেখলে বোঝা যাবে।বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রসঙ্গেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পঁচিশ তারিখ এই বিষয়ে আবার শুনানি রয়েছে। তিনি বলেন, ভোটের দিন যদি পনেরো বা ষোলো তারিখে ঘোষণা করা হয়, তাতেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ এই পুরো বিষয়টি তারা নজরে রাখছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাংলার ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজনীতি

একদা কমিউনিষ্ট ঘাঁটিতে টানা তিনবার জিতেও নিশ্চিন্ত নয় তৃণমূল! বর্ধমান দক্ষিণে এবার কি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

দক্ষিণ বর্ধমান বরাবর কমিউনিস্টদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকে প্রথম দুটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী। তখন তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন অবিভক্ত কমিউনিষ্ট পার্টি তথা সিপিআই থেকে। তারপর এই আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বর্ধমানের মহারানী রাধারাণী মহতাব জয়ী হয়েছিলেন। তার আগের নির্বাচনে বিনয় চৌধুরী পরাজিত করেছিলেন বর্ধমানের মহারাজাকে। সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছিলেন মহারাণী। তার পরে শুধু ১৯৬৭ ও ১৯৭২ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল। এখানে থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাছাড়া ২০০৬ পর্যন্ত সিপিএম এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ব্যাপক ভোটের ব্য়বধানে পরাজিত করেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনকে। প্রায় ৩৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন নিরুপম সেন। ২০১৬-তেও জয় পায় তৃণমূল। তখনও এই কেন্দ্রে প্রধান বিরোধী দল ছিল সিপিএম। রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটের ব্য়বধানে সিপিএম প্রার্থী আইনুল হককে পরাজিত করেন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দীকে পরাজিত করেন তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাস। তবে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকে তৃণমূলের থেকে। এই নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী পৃথা তা প্রায় ২৩ হাজারের ওপর ভোট পেয়েছিল।বর্ধমান পুরসভা এলাকা নিয়েই বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র। তবে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কি হতে চলেছে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই শহরজুড়ে। প্রথমত বিধায়ক খোকন দাসই টিকিট পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বিধায়ক অনুগামীরা জোরের সঙ্গে বলছেন টিকিট খোকন দাসই পাচ্ছেন। শহরে এক যুব নেতার নাম ভাসিয়ে দেওয়া হলেও বর্ধমান দক্ষিণে আদৌ সে টিকিট পাবেন কিনা তা নিয়ে কম জল্পনা নেই। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ক্রীড়া অনুষ্ঠান সবেই জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে তৃণমূলের দুই তরফ থেকেই। অনেকের আবার বক্তব্য, নেপোয় দই মেরে দেবে না তো!তৃণমূল যাকেই প্রার্থী করুক এবার জোরদার লড়াই হবে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিকে তৃণমূলের একটা সূত্রের দাবি, শহরে দলে ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি হয়েছে। সেই ঘরও যথেষ্ট শক্তিশালী বলেই সেই অংশের দাবি। তাঁদের ভূমিকা জয়-পরাজয়ে অনেকটা নির্ভর করবে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। পাশাপাশি যে ভাবে পর পর নির্বাচনে ওয়ার্ডগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল তাতে সংশয় বেড়েছে। মোদ্দা কথা, পর পর তিনবার জয় পেলেও এবার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে নেক-টু-নেক ফাইট হবার সম্ভাবনা প্রবল। একতরফা জয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ধরনা শেষ করেই প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মমতার! কেন্দ্রকে নিশানা করে বড় মন্তব্য

ধর্মতলায় একশো এক ঘণ্টা ধরে চলা ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পরেই প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্মতলা থেকে সোজা সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী। দেখা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন তিনি। সেই সময় আবারও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা যায় তাঁকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেহেতু প্রাক্তন রাজ্যপাল পরের দিন রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। তিনি জানান, আনন্দ বোসের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর এবং তাঁদের মধ্যে ভালো সম্পর্কও ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভোটের আগে আচমকা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তিনি বলেন, নিজের মনের কথাও আনন্দ বোসকে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে আবার বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।এই সাক্ষাৎ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি প্রাক্তন রাজ্যপাল আনন্দ বোসের প্রশংসা করেন। মমতা লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ডক্টর সিভি আনন্দ বোস রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ধর্মতলায় পাঁচ দিনের ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, আনন্দ বোস অত্যন্ত পণ্ডিত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় রাজ্যের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক নানা বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ হয়েছিল। সেই আলাপচারিতা তাঁর কাছে সবসময় মূল্যবান হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আনন্দ বোসের আগামী দিনের সমস্ত উদ্যোগ ও দায়িত্বের জন্য তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর অগাধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় আরও বড় সাফল্য এনে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, তবু বাংলাদেশের পাশে ভারত! পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর বড় সিদ্ধান্ত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। তার জেরে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা বাড়ছে। ভারতেও গ্যাস ও জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। দুঃসময়ে প্রতিবেশী দেশকে সাহায্য করতে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইনের মাধ্যমে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল তিনটে কুড়ি মিনিট নাগাদ ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় চুয়াল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুর ডিপোতে পৌঁছে যাবে বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার এই সময়ে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি জ্বালানি আসায় পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই অনেক কমে যায়।কিছুদিন আগেই বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই সময় ভারতের পক্ষ থেকে ডিজেল রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে পরে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতেই আবার বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে তৈরি করা হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইন প্রকল্প। এই প্রকল্প দুই দেশের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়।বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার সরকার। তবে উদ্বেগ শুধু জ্বালানি নিয়েই নয়। খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতির মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের পর ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর। এই প্রণালী দিয়েই বিশ্বের প্রায় কুড়ি শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন দেশের তেলের ট্যাঙ্কার এবং জাহাজ এখন সমুদ্রে অপেক্ষা করে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই, অল ইংল্যান্ড শিরোপা হাতছাড়া

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল ভারতের। ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে পারলেন না ভারতের তরুণ শাটলার লক্ষ্য সেন। রবিবার (৯ মার্চ) পুরুষদের সিঙ্গলস ফাইনালে চাইনিজ তাইপেইয়ের লিন চুন ই-র কাছে হেরে যান তিনি। লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই থেকে গেল।প্রায় ৫৭ মিনিট ধরে লড়াই চলা এই ম্যাচে লক্ষ্য ১৫-২১ এবং ২০-২২ ব্যবধানে পরাজিত হন। ফলে গত ২৫ বছর ধরে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের খেতাব জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হল। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে লিন চুনই প্রথম চাইনিজ তাইপেই শাটলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের খেতাব জিতলেন।উল্লেখ্য, চার বছর আগে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। চলতি বছর আবারও ফাইনালে উঠে সেই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ এসেছিল। আলমোড়ার ২৪ বছরের এই শাটলার ফাইনালেও লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা অধরাই থেকে যায়।এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে লক্ষ্য সেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তিনি বিশ্বের এক নম্বর শাটলার শি ইউ কি এবং বিশ্ব তালিকার ছয় নম্বরে থাকা লি শি ফেংকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছান। সেমিফাইনালে কানাডার ভিক্টর লেইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পায়ের চোট নিয়েও ৯৭ মিনিট লড়াই করে জয় তুলে নেন তিনি।ভারতের ইতিহাসে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষদের সিঙ্গলসে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুই ভারতীয় শাটলার খেতাব জিতেছেন, প্রকাশ পাড়ুকোন (১৯৮০) এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদ (২০০১)। এছাড়া প্রকাশ নাথ (১৯৪৭) এবং সাইনা নেহওয়াল (২০১৫) ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেননি।এবার লক্ষ্য সেন ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না। ফলে অল ইংল্যান্ডে ভারতের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা এখনও অব্যাহত রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ষাট লক্ষ ভোটারের ভাগ্য ঝুলে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের উত্তরে বাড়ল ধোঁয়াশা

এসআইআর প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ষাট লক্ষ। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে ইতিমধ্যেই দশ লক্ষ ভোটারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিবেচনাধীন ভোটাররা শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে এড়িয়ে গেলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও বিবেচনাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট কোনও দিশা দিতে পারেননি। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জ্ঞানেশ কুমার জানান, বিবেচনাধীন ভোটারদের নথি পরীক্ষা করে দেখার কাজ করছেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন এবং সেখানে জানিয়েছেন যে দশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে বাকি পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিয়ে তিনি আর কোনও মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেন, যত দ্রুত সম্ভব সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা উচিত।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত আটাশ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকার পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে। প্রার্থীদের মনোনয়নের আগের দিন পর্যন্ত এই তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে বলে নির্দেশ রয়েছে। ফলে বিবেচনাধীন ভোটারদের অনেককেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে তাঁদের ভোটাধিকার রয়েছে কি না তা জানার জন্য।এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, বিবেচনাধীন ভোটারদের বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোটের ঘোষণা করা উচিত নয়। তবে নির্বাচন কমিশন আগামী সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে বলে জল্পনা চলছে। অর্থাৎ ভোটের সময় একেবারেই সামনে চলে এসেছে। হাতে সময় খুবই কম। এখনও পর্যন্ত মাত্র দশ লক্ষ ভোটারের নথি পরীক্ষা শেষ হয়েছে, বাকি বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি বাকি। এত কম সময়ে এই বিশাল কাজ শেষ করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকেও এখনও স্পষ্ট কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে বিবেচনাধীন লক্ষ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ আপাতত অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুলে রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় মন্তব্য! “একজনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না” বলল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশন দাখিল হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এই ধরনের আগাম আবেদন ভুল বার্তা দিতে পারে। আদালতের মতে, এতে মনে হতে পারে যে আবেদনকারীরা বিচারব্যবস্থার উপর ভরসা রাখতে পারছেন না। প্রধান বিচারপতি মেনকা গুরুস্বামীকে জানান, আগাম পিটিশনের মাধ্যমে এমন বার্তা যাচ্ছে যে সিস্টেমের উপর আস্থা নেই। তাই তিনি আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরামর্শও দেন। একই সঙ্গে আদালত আশ্বাস দেয়, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়বে না।এসআইআর সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এর মধ্যেই সোমবার আবার আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। আগের দিন মেনকা গুরুস্বামী অভিযোগ করেছিলেন, অনেক ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের নথিও গ্রহণ করা হয়নি। তিনি জানান, যাঁরা আগে ভোট দিয়েছেন তাঁদের নথিও এখন গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।এই প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রায় দশ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না। তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করছেন। যাঁরা প্রকৃত ভোটার, তাঁদের অবশ্যই তালিকায় যুক্ত করা হবে বলে আদালত জানায়।রাজ্যের নতুন আবেদন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এই পিটিশন আগাম করা হয়েছে এবং এখনই তার প্রয়োজন ছিল না। তিনি মেনকা গুরুস্বামীকে আবেদন প্রত্যাহারের পরামর্শ দেন এবং বলেন, ভোট ঘোষণার আগেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে আদালত এও জানায়, প্রয়োজন হলে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার নোটিসও জারি করা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আদালত সব পক্ষকেই নজরে রাখছে বলে মন্তব্য করে বেঞ্চ।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বর্তমানে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা অমীমাংসিত ভোটারদের তালিকা পরীক্ষা করে দেখছেন। এদিন আদালত নির্দেশ দেয়, রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে এই কাজে সবরকম সাহায্য করতে হবে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের যখন লগইন পরিচয়পত্র প্রয়োজন হবে, তখনই নির্বাচন কমিশনকে তা দ্রুত ব্যবস্থা করে দিতে হবে বলে জানায় আদালত।অমীমাংসিত তালিকার তথ্য পরীক্ষা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, এই বিষয় দেখভালের জন্য একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। সেখানে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে রাখা হবে এবং একাধিক বিচারপতি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন। নির্বাচন কমিশন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে আদালত জানিয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal