• ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Suvendu

রাজ্য

নন্দীগ্রামে আবার বড় লড়াই, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কি নতুন চমক দেবে তৃণমূল

বাংলার রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। কলকাতা থেকে প্রায় একশো তিরিশ কিলোমিটার দূরের এই কেন্দ্র আবারও নির্বাচনের আগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনের মতো এবারও নন্দীগ্রাম ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এই কেন্দ্র ছাড়বেন না। সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, দল তার সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করেছে। তিনি একসঙ্গে দুটি কেন্দ্র থেকে লড়ছেন।তবে এবার বড় প্রশ্ন, নন্দীগ্রামে তার প্রতিপক্ষ কে হবেন। আগের নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন তিনি। তাই এবার তৃণমূল প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে নানা নাম ঘুরে বেড়ালেও এখনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, তৃণমূল এবার স্থানীয় কোনও মুখের উপরেই ভরসা রাখতে পারে। এমনই এক নাম সামনে এসেছে, যাকে ঘিরে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। শোনা যাচ্ছে, নন্দীগ্রাম দুই নম্বর ব্লকের এক বিজেপি নেতা খুব শীঘ্রই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। তিনি আগে তৃণমূলেই ছিলেন এবং পরে বিজেপিতে যোগ দেন। এলাকায় তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।এই নেতার নাম প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারে বলেই জল্পনা। তিনি এলাকায় খুব বেশি প্রচারে থাকেন না, কিন্তু চুপচাপ কাজ করে গেছেন দীর্ঘদিন। অনেকেই তাকে এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করেন। ফলে যদি তাকে প্রার্থী করা হয়, তাহলে নন্দীগ্রামে লড়াই আরও জমে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি দুইটি ব্লক নিয়ে গঠিত এবং তার মধ্যে একটি ব্লকে বিজেপির প্রভাব বেশি। সেই ব্লকেরই বাসিন্দা এই সম্ভাব্য প্রার্থী। তাই তাকে সামনে আনা হলে লড়াই আরও কঠিন হতে পারে।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম এবারও রাজ্যের রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কে হবেন শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিপক্ষ, তা জানার জন্য এখন সকলের নজর রয়েছে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিকে। মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

‘১৪ মার্চ ভুলিনি’—নন্দীগ্রামে শহিদ বেদিতে শুভেন্দু, একই দিনে শ্রদ্ধা মমতারও

ভোটের আবহে আবারও আলোচনায় উঠে এল নন্দীগ্রাম। দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের ঘটনাকে স্মরণ করে শনিবার নন্দীগ্রামে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে একই দিনে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে শহিদদের স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।শনিবার সকালেই নন্দীগ্রামের মালোপাড়ায় শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতারা এবং বিজেপির একাধিক পদাধিকারী। সেখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দ মার্চের সেই দিনটি ভোলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, জমি ও বাড়ি রক্ষার জন্য নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের যে লড়াই ছিল, সেই ঐতিহাসিক দিনের স্মৃতি আজও মানুষের মনে রয়েছে।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে সকালে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমস্ত শহিদদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাচ্ছেন।প্রতি নির্বাচনের আগেই নন্দীগ্রামের ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন নির্বাচনের আগে আবারও নন্দীগ্রামকে ঘিরে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে।সূত্রের খবর, পরে অধিকারী পাড়ার শহিদ বেদিতেও শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়ার কথা রয়েছে শাসকদলের নেতাদের। সেখানে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী এবং ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সঙ্গে যুক্ত নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।জানা গিয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীরা প্রথমে অধিকারী পাড়ায় কর্মসূচি পালন করছেন। তারপর সোনাচূড়া শহিদ মিনারে গিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে তাঁদের।অন্যদিকে বেলা এগারোটার দিকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকেও আলাদা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। প্রথমে ভাঙাবেড়া এলাকায় শহিদদের স্মরণ করা হবে। এরপর অধিকারী পাড়া এবং মালোপাড়ায় কর্মসূচি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কমিশন দফতরের সামনে জুতো নিক্ষেপ, শুভেন্দুকে ঘিরে তুমুল সংঘর্ষে উত্তপ্ত কলকাতা

ভরসন্ধ্যায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কলকাতার নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে। তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি সমর্থিত বিএলওদের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ, বিকেলে কমিশনের দফতরে ঢোকার সময় রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়া হয় এবং স্লোগান দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করতে কমিশনের দফতরে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। অভিযোগ, প্রবেশের সময়ই তাঁকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপ করা হয়। এরপর বিজেপি সমর্থিত বিএলওদের একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। এই অভিযোগ তুলেই অন্য পক্ষের বিএলওদের দিকে চড়াও হন তাঁরা। দুই পক্ষ একে অপরের দিকে আঙুল তুলে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। দফায় দফায় বিক্ষোভ চলতে থাকে এবং এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিএলওদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন। ফলে কমিশন দফতর চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানান, বিভিন্ন অভিযোগ ও দাবি জানাতে তিনি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, দুই জেলার জেলাশাসক বাদ পড়া নাম তালিকায় তোলার জন্য চাপ দিচ্ছেন। পাশাপাশি শুনানির শেষ দিনে নদিয়ার এক আধিকারিক প্রভাব খাটিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। অনুপ্রবেশকারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। এই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো জমা দিতেই তিনি কমিশন দফতরে গিয়েছিলেন বলে জানান, আর সেই সময়েই এই উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
কলকাতা

বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ নিয়ে বড় বিস্ফোরণ! বাংলাদেশ থেকে ৫০% টাকা? শুভেন্দুর চাঞ্চল্যকর দাবি

বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়। মসজিদ নির্মাণের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানান তিনি। অনলাইন মাধ্যমেও অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়। সেই আর্থিক সাহায্য নিয়েই এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।মঙ্গলবার হুমায়ুন কবীরকে সরাসরি নিশানা করে শুভেন্দু দাবি করেন, বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, তার ৫০ শতাংশের বেশি এসেছে বাংলাদেশ থেকে। তাঁর অভিযোগ, শিলান্যাসের আগে সাতদিন বাংলাদেশে ছিলেন হুমায়ুন কবীর। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, তার বড় অংশ বিদেশ থেকে এসেছে।শুভেন্দুর আরও দাবি, তথাকথিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস এবং নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের আগে বাংলাদেশে সময় কাটান হুমায়ুন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের জামাত এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবেই কাজ করছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর বক্তব্য, এটি দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন। হিন্দুদের পাশাপাশি রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদেরও এ বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।উল্লেখ্য, বাবরি মসজিদ নির্মাণের পাশাপাশি জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে নতুন দল গড়েছেন হুমায়ুন কবীর। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন সেখানে একাধিক দানবাক্স রাখা হয়েছিল। সেই বাক্সে কত টাকা জমা পড়েছে, তা লাইভ ভিডিয়োর মাধ্যমে গণনা করা হয় বলে দাবি। পাশাপাশি অনলাইনেও অর্থ সংগ্রহের কথা জানান হুমায়ুন। সেই অনলাইন লেনদেন নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু।এই অভিযোগের জবাবে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কিছু বলেননি হুমায়ুন কবীর। তবে এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। বেলডাঙার এই বাবরি মসজিদ ইস্যু এখন রাজ্য রাজনীতির নতুন বিতর্কে পরিণত হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় বাবাকে টেনে তুমুল লড়াই! উদয়ন–শুভেন্দু সংঘাতে উত্তাল অধিবেশন

দুজনের বাবাই দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধি। নিজেরাও রাজনীতির প্রথম সারির মুখ। একজন বর্তমানে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী, অন্যজন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। সেই উদয়ন গুহ ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে শুক্রবার বিধানসভায় তীব্র বাক্যুদ্ধ শুরু হল একে অপরের বাবাকে টেনে। বাজেট অধিবেশনের মাঝেই এই সংঘাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।শুক্রবার বাজেট বিতর্কের সময় বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি ওড়িশা সরকারের উন্নয়ন কাজের উদাহরণ দিচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল মন্ত্রী উদয়ন গুহ মন্তব্য করেন, ওরা তো বাঙালিদের মারছে। সেটা বলুন। এই মন্তব্যের পরেই বিজেপির বেঞ্চ থেকে প্রবল হইচই শুরু হয়।এরপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উদয়ন গুহকে লক্ষ্য করে বলেন, আপনি তো আপনার বাবাকেই চোর বলেছেন। এই কথা শোনা মাত্র তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদে সরব হন। দুপক্ষের মধ্যে শোরগোল এতটাই বেড়ে যায় যে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপ করে সবাইকে শান্ত হতে বলেন এবং আলোচনায় ফিরতে নির্দেশ দেন।স্পিকারের অনুমতি নিয়ে পরে উদয়ন গুহ বলেন, আমার বাবা কমল গুহ সাতবার বিধায়ক ছিলেন। টানা ১৯ বছর মন্ত্রী ছিলেন। আমি তাঁর রাজনৈতিক কাজকর্ম নিয়ে কিছু সমালোচনা করতেই পারি। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী প্রমাণ করে দেখান, আমি কোথায় আমার বাবাকে চোর বলেছি।এরপরই উদয়ন গুহ আরও তীব্র আক্রমণ করে বলেন, আপনি তো শিশিরবাবুর ছেলে। অথচ নিজেকে বলেন মোদীর ব্যাটা। তাহলে আপনি আসলে কার ছেলে? এই মন্তব্যের পরেই বিধানসভায় ফের তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়করা একে অপরের দিকে আঙুল তুলে স্লোগান দিতে থাকেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে দেখে স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বিষয় নিয়ে কারও বক্তব্যই বিধানসভার কার্যবিবরণীতে রাখা হবে না। তবে বাবাকে কেন্দ্র করে এমন প্রকাশ্য ব্যক্তিগত আক্রমণ রাজ্য বিধানসভার ইতিহাসে বিরল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বাজেটে মমতার চমক, পাল্টা তিন হাজারের প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর—ভাতার লড়াই তুঙ্গে

ভাতার পাল্টা ভাতা ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের পর লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি তৃণমূল ও বিজেপি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর রাজ্য বিধানসভায় পেশ হয়েছে অন্তর্বর্তী বাজেট। সেই বাজেটেই একের পর এক জনমুখী ঘোষণায় কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী, মত রাজনৈতিক মহলের।ভোটের আগে শেষ বাজেটে আবারও নারী ভোটব্যাঙ্ককে গুরুত্ব দিয়েছে তৃণমূল, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এদিন লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এর ফলে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অসংরক্ষিত শ্রেণির মহিলারা লক্ষ্মীর ভান্ডারে পাবেন মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা। তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন ১ হাজার ৭০০ টাকা করে।তবে এই ঘোষণার পাল্টা বড় দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হবে। বৃহস্পতিবার বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, বিজেপির সংকল্পপত্র কমিটির কনভেনরের উপস্থিতিতেই তিনি এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, এপ্রিল মাসে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হলে পয়লা জুনের আগেই মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে ঢুকে যাবে।লক্ষ্মীর ভান্ডারে ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ভোটমুখী বলেও অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর দাবি, শুধুমাত্র ভোটের কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্পের টাকা বাড়ানো হয়েছে। তাঁর মতে, সিভিক ভলান্টিয়ার, প্যারা টিচার এবং যুবশ্রী প্রকল্পের টাকা এপ্রিল মাসে দেওয়া হলেও লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মার্চের মধ্যেই দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এছাড়াও গোয়ার উদাহরণ টেনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিজেপি সেখানে মহিলাদের পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তাহলে বাংলায় মহিলাদের দেড় হাজার টাকা কেন দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই বিষয়টি বিধানসভাতেও তিনি তুলেছেন বলে জানান বিরোধী দলনেতা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৬৩ ধারা জারি, তবু শুভেন্দুকে অনুমতি—আনন্দপুর কাণ্ডে নাটকীয় মোড়

আনন্দপুরের জতুগৃহ কাণ্ড ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর মিছিল নিয়ে তৈরি হল নতুন জট। পুলিশের তরফে প্রথমে শুভেন্দুর প্রস্তাবিত মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। নরেন্দ্রপুর থানার পক্ষ থেকে একটি ইমেলে জানানো হয়, যে রুটে মিছিল করার আবেদন করা হয়েছিল, সেখানে একাধিক হাসপাতাল ও স্কুল রয়েছে। মিছিল হলে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধারকাজে যুক্ত জরুরি পরিষেবার গাড়ি ও কর্মীদের যাতায়াতও ওই রুট দিয়েই চলছে। সেই কারণে মিছিল করলে সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়ে পুলিশের তরফে অনুমতি বাতিল করা হয়।এর পাশাপাশি ঘটনাস্থলের গুদামের চারপাশে ১০০ মিটারের মধ্যে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়। ওই এলাকায় মিছিল ও জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশের নোটিসে বলা হয়েছে, তথ্যপ্রমাণ লোপাট, তদন্তের কাজে বাধা বা উদ্ধারকাজে সমস্যা এড়াতেই এই ধারা জারি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগুন লাগার চার দিন পর এই নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, দানবীয় নির্দেশ জারি করে আটকানোর লজ্জাজনক চেষ্টা চলছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে শুনানির পর কিছুটা স্বস্তি পেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ তাঁকে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় যাওয়ার অনুমতি দেন। তবে শর্ত দেওয়া হয়েছে, মিছিলের রুট পরিবর্তন করতে হবে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, শুভেন্দু প্রায় দুই হাজার সমর্থককে নিয়ে গড়িয়া শীতলা মন্দির থেকে ইএম বাইপাস হয়ে নরেন্দ্রপুর থানার আগেই মিছিল শেষ করবেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত এই মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকার রুট পরিবর্তন করে অনুমতি দিতে চাইলে বিজেপির তরফে কোনও আপত্তি জানানো হয়নি। এরপরই আদালতের নির্দেশে মিছিলের ছাড়পত্র মেলে। ফলে পুলিশের নিষেধাজ্ঞা ও ১৬৩ ধারা জারি ঘিরে যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল, তা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল রাজনৈতিক ময়দানে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুকে আটকাতেই কি ১৬৩ ধারা? আনন্দপুর কাণ্ডে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর

আনন্দপুরের জতুগৃহ কাণ্ড ঘিরে রাজ্য রাজনীতি ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ঘটনাস্থলে যেতে চান রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই উদ্দেশ্যে গড়িয়া শীতল মন্দির থেকে আনন্দপুরের ঘটনাস্থল পর্যন্ত মিছিল করার অনুমতি চেয়ে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলার শুনানির অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।তবে পুলিশের তরফে শুভেন্দু অধিকারীর মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। নরেন্দ্রপুর থানার পক্ষ থেকে একটি ইমেলে জানানো হয়েছে, যে রুটে মিছিল করার আবেদন করা হয়েছে, সেখানে একাধিক হাসপাতাল ও স্কুল রয়েছে। মিছিল হলে বড়সড় যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধারকাজে যুক্ত জরুরি পরিষেবার গাড়ি ও কর্মীদের যাতায়াতও ওই রুট দিয়েই চলছে। সেই কারণে মিছিল করলে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে দাবি করে পুলিশ অনুমতি খারিজ করেছে।ঘটনাস্থলের গুদামের চারপাশে ১০০ মিটারের মধ্যে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। এই এলাকায় মিছিল ও জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশের নোটিসে বলা হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে এবং প্রমাণ লোপাট বা উদ্ধারকাজে কোনও রকম বাধা যাতে না আসে, সেই কারণেই এই ধারা জারি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগুন লাগার চার দিন পর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বিজেপির তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঘটনাস্থলে যাবেন বলেই কি ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক আরও বেড়েছে।এদিকে, ঘটনার চার দিনের মাথায় স্পষ্ট হয়েছে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ। দমকল ও ফরেন্সিক বিভাগের প্রাথমিক রিপোর্ট ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে পৌঁছেছে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথমে আগুন লাগে ডেকরেটর্সের গুদামে, মোমোর গুদামে নয়। ডেকরেটর্সের গুদামের পশ্চিম দিকে থাকা তিনতলা একটি ভবনের অংশ থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন গ্রাস করে নেয় ডেকরেটর্সের গুদাম এবং পাশের মোমো গুদামটিকেও।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

আনন্দপুর কাণ্ডে দুর্নীতির বিস্ফোরক অভিযোগ, দমকলমন্ত্রীর পদত্যাগ চান শুভেন্দু

আনন্দপুরের ভয়াবহ কারখানা দুর্ঘটনার পর ক্রমশ বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। থানায় জমা পড়ছে একের পর এক নিখোঁজ ডায়েরি। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও এলাকায় যাননি দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। প্রায় ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় পরে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছন। এখনও পর্যন্ত এলাকায় যাননি রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও আগেই কেন তিনি যাননি, সেই ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। বুধবার ফের সাংবাদিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী গোটা ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি তোলেন। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে চরম দুর্নীতি। শুভেন্দুর দাবি, স্থানীয় বিধায়ক, থানা, পৌরসভা এবং অবৈধ কারখানার মালিকের যোগসাজশে জলাজমি ভরাট করে সম্পূর্ণ বেআইনি পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, গত কয়েক বছরে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটলেও রাজ্য সরকার ও দমকল দফতর কোনও শিক্ষা নেয়নি।এই প্রসঙ্গেই সরাসরি দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর পদত্যাগ দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, কর্পোরেশন, নরেন্দ্রপুর থানা, স্থানীয় কাউন্সিলর, এলাকার তৃণমূল বিধায়ক এবং শাসকদলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা এই ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন।এ দিনের বৈঠক থেকেই আগামী দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে ২০ জনের একটি দল ঘটনাস্থলে যাবে। কেন এতদিন পরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা ব্যাখ্যা করে শুভেন্দু বলেন, দগ্ধ হয়ে যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের দেহ উদ্ধারের কাজ যেন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, সেই কারণেই তারা অপেক্ষা করেছেন। উদ্ধারকাজে যাতে দমকল, ফরেন্সিক দল, পুলিশ বা উদ্ধারকারীদের কোনও রকম বাধা না আসে, সেই কারণেই বড় দল নিয়ে আগে যাননি বলে জানান তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, এই কদিন শুধুমাত্র অশোক দিন্দা-সহ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বরা এলাকায় সহযোগিতার কাজ করেছেন। বৃহস্পতিবার পরিদর্শনের পরে একটি প্রতিবাদ মিছিল করা হবে এবং নরেন্দ্রপুর থানার দিকে যাওয়া হবে। তাতেও যদি প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তবে নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আরও বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবে বিজেপি। প্রয়োজন হলে সচিবালয়ের সামনে গিয়ে ধর্না অবস্থানেও বসা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিরোধী দলনেতা।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর ইস্যুতে নোবেলজয়ীর বক্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি? রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে এবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। এর আগে তাঁকে এসআইআর সংক্রান্ত একটি নোটিস দেওয়া হয়েছিল, যা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছিল তীব্র চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই নোটিসের প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য ছিল, আইন সবার জন্যই সমান। এই আবহেই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন খোদ অমর্ত্য সেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হলে তা অবশ্যই ভাল সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাংলায় সেই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, এসআইআর নিয়ে অযথা তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন থাকলেও, তার আগে সাধারণ ভোটারদের নিজেদের ভোটাধিকার প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক অধিকারকে লঙ্ঘন করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।অমর্ত্য সেনের এই মন্তব্যের পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপি বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, অমর্ত্য সেনের কথার উত্তর দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি সবসময় এই ধরনের কথা বলে থাকেন এবং তাঁর কথার বিশেষ গুরুত্ব নেই। আরও এক ধাপ এগিয়ে শুভেন্দু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে অমর্ত্য সেন কোনও শিক্ষিত যুবকের কর্মসংস্থান করেছেন বা কোনও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেনএমন উদাহরণ নেই। যাঁদের বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও অবদান নেই, তাঁদের মন্তব্যের জবাব দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, একজন নোবেলজয়ী ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলার জন্য অবদান কী। দেবাংশুর দাবি, নোবেল পুরস্কার বুঝেশুনেই দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, যে বাঙালিরা স্বাধীনতা সংগ্রামে লড়াই করেছিলেন, তাঁদের আজ নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে।এসআইআর ইস্যুতে অমর্ত্য সেনের মন্তব্য এবং তার পাল্টা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা? রিপোর্ট চাইল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল রাজ্যে। ঘটনার রেশ পৌঁছে গেল দিল্লিতেও। শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা-র অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, অমিত শাহের মন্ত্রকের তরফে বিরোধী দলনেতার অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট ও ভিডিয়ো ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের পক্ষ থেকে সেই সব ফুটেজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হচ্ছে।শনিবার পুরুলিয়ায় কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তার এক পাশে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাস্তার উল্টো দিকে তৃণমূলের পতাকা হাতে কয়েক জন দাঁড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর গাড়ি আসতেই আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৫ জন মিলে তাঁর গাড়িতে হামলা করেছে। পুলিশের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর আরও দাবি, হামলাকারীদের হাতে পেট্রল ও ডিজেল ছিল।ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারী চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে পৌঁছে যান। সেখানে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তিনি। আইসির ঘরে মেঝেতে বসে পড়ে তিনি জানান, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তৃণমূলকে নিশানা করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর থেকেই বারবার শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হচ্ছে। পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, শুভেন্দুর গাড়িতে কোনও হামলা হয়নি। জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল, সেটাই তিনি সামলাতে পারেননি। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে লেখেন, চন্দ্রকোনায় ভুল করে বিজেপি কর্মীদেরই পেটানো হয়েছে কেন, তার জবাব কেন্দ্রীয় বাহিনী দিক।এদিকে, শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা। বাঁকুড়ার লালবাজারে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রি শেখর দানার নেতৃত্বে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন কর্মীরা। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থানার সামনেও বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা।এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। পাঠানো ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজনীতি

চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে ফাঁড়িতে ধর্না বিরোধী দলনেতার

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে শনিবার রাত থেকে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরাই এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে মেঝেতে বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া থেকে একটি জনসভা সেরে ফিরছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পথে গড়বেতা থানার অন্তর্গত চন্দ্রকোনা রোড বাজার এলাকায় তাঁর কনভয় পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত প্রায় সাড়ে ৮টা নাগাদ চৌরাস্তার কাছে কনভয়ের পথ আটকানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, লাঠি ও বাঁশ নিয়ে একদল তৃণমূল কর্মী শুভেন্দুর গাড়ির উপর চড়াও হন এবং আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। প্রকাশ্য রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনা চললেও পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ বিজেপির। পরিস্থিতি সামাল না পেয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন এবং সেখানেই অবস্থানে বসেন।ফাঁড়িতে বসেই তিনি পুলিশ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না। এসপি-সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকদের বিষয়টি জানাতে বলেন তিনি। ফাঁড়ির মেঝেতেই বসে আইনজীবী ডেকে অভিযোগপত্র লেখানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও অভিযোগপত্র গ্রহণ ও এফআইআর নথিভুক্ত করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা বেঁধে যায়।প্রায় দুঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফাঁড়িতে অবস্থান করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি স্পষ্ট জানান, এফআইআর নম্বর হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এবং কোন কোন ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি থানা ছাড়বেন না। খুনের চেষ্টার অভিযোগ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজুর দাবিও তোলেন তিনি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, খড়্গপুর ও ডেবরায় তাঁকে একাধিকবার আটকানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু সফল হয়নি। চন্দ্রকোনায় এসে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে রাজ্যে নির্বাচিত বিধায়করাও নিরাপদ নন।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও ফাঁড়িতে পৌঁছয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।এই ঘটনার জেরে চন্দ্রকোনায় রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, ফলে এলাকায় নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

আইপ্যাকের মাধ্যমে গোয়ায় খরচ কোটি কোটি টাকা! মেদিনীপুর থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

মেদিনীপুরে বিজেপির সংকল্প যাত্রা থেকে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী সেখানে গিয়ে একটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়েই সরব হন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আইপ্যাকের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা গোয়ার নির্বাচনে খরচ করা হয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অথচ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশের পর ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর বক্তব্য, খসড়া তালিকার পরে আর তৃণমূলের সঙ্গে কোনও পার্থক্য নেই। এই নির্বাচন বাংলাকে বাঁচানোর নির্বাচন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সভা থেকে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, রাজ্যে আদিবাসীদের উপর নানা ভাবে অত্যাচার চলছে। তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ১৯ হাজার স্কুল বন্ধ করেছেন এবং ৬,৮৮৮টি শিল্প রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, শেষ এসএসসি নিয়োগ হয়েছিল ২০১৫ সালে এবং ৫১টি কর্মসংস্থান কেন্দ্রে তালা ঝুলছে।কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী একশো দিনের কাজে ৫৪ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ তা পাননি। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৩০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ৪০ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথা বলা হলেও সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।২০২২ সালের কয়লা কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ওই দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা আইপ্যাকের মাধ্যমে গোয়ার নির্বাচনে খরচ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, ইডির কাজে বাধা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন যে তাঁর আর এক মুহূর্তও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে থাকা উচিত নয়। শুভেন্দু বলেন, আইপ্যাক একটি কর্পোরেট সংস্থা, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে কয়লা কেলেঙ্কারির টাকা তৃণমূলের তহবিলে ঢুকেছে এবং হাওয়ালার মাধ্যমে বিপুল অর্থের লেনদেন হয়েছে।সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হওয়ার সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর আশীর্বাদ ছিল। তখন পরিবর্তনের জন্য বিজেপির সাহায্য নেওয়া হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তখন তিনি দিদি ছিলেন, এখন পিসি হয়ে গিয়েছেন।আগামী দিনে সনাতনী ও আদিবাসীদের একজোট হয়ে তৃণমূলকে সরানোর ডাক দেন শুভেন্দু। ইডি হাইকোর্টে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলা এখন অ্যাকশন দেখতে চায়। চোরদের নির্মূল করতে হবে। আইপ্যাক ও ইডি সংক্রান্ত ঘটনায় বিজেপি এক ইঞ্চিও ছাড়বে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। শেষমেশ নন্দীগ্রাম ও নেতাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেই আন্দোলন না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও দিন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার আগুনে ঘি! জল জীবন মিশনের টাকা নিয়ে বড় অভিযোগ বিরোধী দলনেতার

আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার দুপুরে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তার আগেই এই ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিসে ইডির তল্লাশিকে ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছড়ায়। তল্লাশির মাঝেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাতে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার ছবি ঘিরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, এই ঘটনা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। সেই অভিযোগেই ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে ইডি।শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী আইপ্যাকের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাংলাকে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা দিয়ে বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২১ সালে এই প্রকল্পের কাজের বরাত পেয়েছিল একটি সংস্থা, যার মোট বরাতের অঙ্ক ছিল ১৭০ কোটি টাকা।বিরোধী দলনেতার দাবি, ওই সংস্থার কাছ থেকে কাকদ্বীপের একটি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ১৬ কোটি টাকা আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছিল। এমনকি ওই লেনদেনের চেক নম্বরও প্রকাশ করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, এই টাকা দুর্নীতির টাকা।একই সঙ্গে শুভেন্দু দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রী আদতে কোনও গুরুত্বপূর্ণ নথি বা তথ্য নিয়ে যেতে পারেননি। তাঁর মতে, যে প্রস্তাবিত প্রার্থী তালিকা মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে গিয়েছেন বলে বলা হচ্ছে, তার কপি অনেকের কাছেই রয়েছে। আর যে ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাতে কী তথ্য ছিল, তা কেউই জানে না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ! মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি শুভেন্দু অধিকারীর

আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি ঘিরে বৃহস্পতিবার রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে আসে। তল্লাশি চলাকালীন প্রথমে সেখানে পৌঁছন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। তাঁর কিছুক্ষণের মধ্যেই আচমকা সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী তল্লাশির মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন হাতে একটি সবুজ রঙের ফাইল নিয়ে। বেরিয়েই তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা এবং রাজনৈতিক পরিকল্পনার হার্ড ডিস্ক হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই তল্লাশি চালিয়েছেন।প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রওনা দেন গডরেজ ওয়াটারসাইডে আইপ্যাকের অফিসের দিকে। সেই সময়ই মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে ঘিরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই এবার পদক্ষেপ করা।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এর আগেও কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২১ সালে নিজাম প্যালেসে ইডির দফতরের সামনে মুখ্যমন্ত্রী ধরনায় বসেছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও মদন মিত্রদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে। সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশির সময়ও কলকাতায় ধর্মতলায় ধরনায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য, একজন মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এই ধরনের আচরণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ এবং তদন্তে সরাসরি বাধা দেওয়ার শামিল। তাঁর দাবি, ইডির কাছে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এবং সেই ক্ষমতাবলেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা উচিত। মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনারের তল্লাশির সময় সেখানে যাওয়াকে তিনি অসাংবিধানিক ও অনৈতিক বলেও মন্তব্য করেন।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরপ্রদেশে বাদ ২.৮১ কোটি ভোটার! ‘এরা কারা, সময়েই বুঝবেন’—ইঙ্গিত শুভেন্দুর

উত্তরপ্রদেশে মোট ১২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৮১ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। বাংলায় এসআইআর নিয়ে যখন তীব্র বিতর্ক চলছে, তখন উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে একাধিকবার শোনা গিয়েছিল, যোগী রাজ্যে প্রায় ৪ কোটির বেশি নাম বাদ যেতে পারে। এই নিয়ে প্রশাসনের অন্দরেও চাপানউতোর চলেছিল।উত্তরপ্রদেশে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা কি রোহিঙ্গাএই প্রশ্নই সাংবাদিক বৈঠকে করা হয় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। উত্তরে স্পষ্ট কিছু না বললেও বাংলা ও বিহারের প্রসঙ্গ টেনে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, এরা কারা তা ১৪ ফেব্রুয়ারি বুঝতে পারবেন। বিহারের সংখ্যাটা তিনি জানেন বলেও দাবি করেন। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যাটা তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি জানাবেন বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, বিহারে কত অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন তিনি জানেন, তবে এখনই বলবেন না।শুভেন্দুর দাবি, যখন আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভ হবে, রেশন কার্ড বন্ধ হবে, প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনা থেকে নাম বাদ যাবে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হবে, তখনই বোঝা যাবে কে ভারতীয় নাগরিক নন। সময়ই সব কথা বলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রসঙ্গত, বাংলায় এসআইআর নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্কের শেষ নেই। খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। বর্তমানে চলছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্ব। প্রতিদিনই শুনানি কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।এর মধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় চা বাগান শ্রমিকদের নথির বৈধতা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, দার্জিলিং থেকে শুরু করে তরাই ও ডুয়ার্সের চা বাগান এলাকাগুলিতে শ্রমিকরা বংশপরম্পরায় বসবাস করছেন। তাঁদের অনেকের কাছেই স্কুল সার্টিফিকেট নেই, এমনকি প্রয়োজনীয় কোনও নথিও নেই। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্র সরকার ২০০৬ সালে বন অধিকার আইন এনেছিল বলে জানান তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, এসআইআর-এর জন্য যে ১১ দফা নথি চাওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে ফরেস্ট রাইটস অ্যাক্টের নথিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি প্রথম তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। সেই দাবিকে সামনে রেখেই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal