• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sundarban

রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

খাঁচাবন্দি মৈপিঠের বাঘ, সুন্দরবন থেকে জঙ্গলমহল, রয়েলবেঙ্গল টাইগারের দাপদাপিতে আতঙ্ক বাড়ছে

সুন্দরবন থেকে পশ্চিমের জঙ্গলমহল, রাজ্যে বাঘের আনাগোনা বেড়েছে। যেন দুয়ারে রয়েল বেঙ্গল টাইগার। বাঁকুড়ার পর মৈপিঠের বাঘ ধরা পড়েছে। কিন্তু জঙ্গলমহল লাগোয়া এলাকায় রেডিও কলার ছাড়া আরেকটা বাঘ ঘোরাফেরা করছে। বাঘ মামার আতঙ্ক যেন কিছুতে কাটছ না সাধারণে। শেষেমশ খাঁচাবন্দি হয়েছে মৈপিঠের বাঘ৷ বাঘ পুরোপুরি সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভাগীয় বনাধিকারিক নিশা গোস্বামী৷ ইতিমধ্যে বাঘটির প্রাথমিক চিকিৎসা হয়েছে৷ যে বাগটি ধরা পড়েছে সেটি পূর্ণ বয়স্কর পুরুষ বাঘ বলে জানা গিয়েছে৷ এই বাঘটিই বারবার লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় চলে আসছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে বনদপ্তর৷ বাঘকে গভীর জঙ্গলে ছাড়া হবে বলে জানিয়েছে বনদপ্তর৷ বাঘটিকে ফের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে গভীর জঙ্গলে। এই বাঘ ধরার অভিযানে নেমেছিল বনদপ্তরের প্রায় ৮০ জনের টিম। লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় বাঘের খবর পেলেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান নিশা গোস্বামী ৷ রবিবার গভীর রাতে অবশেষে খাঁচাবন্দি মৈপিঠের বাঘ। বারবারই একই বাঘ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে লোকালয়ে চলে আসছিল। রবিবার সকালে কিশোরিমোহনপুর এলাকায় বাঘ আসার খবরে নজরদারি চালানোর পর জঙ্গলের চারিদিক ঘিরে দেয় বনদপ্তরের কর্মীরা। তাতেই বাঘের গতিবিধি সীমাবদ্ধ হয়। ঘেরা জায়গার মধ্যে পাতা হয় খাঁচা। টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয় ছাগল। রাতেই সেই খাঁচায় অবশেষে বন্দী হল বাঘ। আজ বাঘটির শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। তারপর তাকে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বনদপ্তর সুত্রে জানানো হয়েছে। এক সপ্তাহের নধ্যে তিন তিনবার বাঘের হানা মৈপিঠে। রবিবার সকালে কিশোরিমোহনপুর এলাকায় ফের দেখা গেল বাঘের পায়ের ছাপ। ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বনদপ্তর। বাঘের গতিবিধি লক্ষ্য করে জঙ্গলের মধ্যে প্রায় ১ কিলোমিটার মত জায়গা ঘেরা হয়। তারপর খাঁচা পেতে সাফল্য পায় বনদপ্তর। ৬ই জানুয়ারি সোমবার সকালে কিশোরীমোহনপুর এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া যায়। ৮ তারিখ বুধবার ভোররাতে বাঘ ফিরে যায় জঙ্গলে। পরেরদিনই ৯ তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে ফের বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া যায় মৈপিঠের নগেনাবাদে। জাল দিয়ে ঘিরে ফেলায় ১০ তারিখ ভোর রাতে ফের বাঘ ফিরে যায় জঙ্গলে। ১২ তারিখ রবিবার সকালে মৈপিঠের কিশোরিমোহনপুর এলাকায় গঙ্গার ঘাটে বাঘের পায়ের ছাপ দেখে আতঙ্কিত বাসিন্দারা। এবারও আজমলমারির জঙ্গল থেকে বাঘ এসেছে লোকালয়ে বলে জানা গিয়েছে। মুড়িগঙ্গা নদী পেরিয়ে বাঘ লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় চলে আসায় আতঙ্ক ছড়ায়। অবশেষে বাঘ খাঁচাবন্দী হওয়ায় স্বস্তিতে এলাকার বাসিন্দারা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৫
রাজ্য

টানা এক মাসের ক্ষরা কাটিয়ে ইলিশের মুখ দেখতে শুরু করলো সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা

আবারও বাঙালির পাতে পড়তে চলেছে ইলিশ। চলতি মাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে টানা একমাসের বেশি সময় সমুদ্রে ট্রলার ভাসাতে না পারায় ক্ষতির সম্মুখীন সুন্দরবনের কয়েক হাজার ট্রলার মালিক। গত সপ্তাহ থেকে আবহাওয়া ঠিক হওয়ায় পরে নতুন করে বঙ্গোপসাগরে পাড়ি দেয় সমস্ত মৎস্যজীবী ট্রলার । এই মুহূর্তে গভীর সমুদ্রে ভালো পরিমাণ ইলিশের মিলতে শুরু করেছে বলে মৎসজীবি সংগঠন সুত্রের খবর।গত দুই দিনে প্রায় ২০০ টনের বেশী ইলিশ বাজারে চলে এসেছে। আজও প্রচুর পরিমাণে ট্রলার সমুদ্র থেকে কাকদ্বীপ ও নামখানা ঘাটে ফিরতে শুরু করেছে। ফলে বিকেলের মধ্যে আরও প্রায় প্রায় ১০০ টনের কাছাকাছি ইলিশ বাজারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী কয়েকদিনে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমান ইলিশ মিলবে জানিয়েছেন কাকদ্বীপ ফিসারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি। এই পরিস্থিতিতে আশায় বুক বাঁধছে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা।একের পর এক দুর্যোগ কাটিয়ে উঠে নতুন করে বঙ্গোপসাগরের ট্রলার ভাসিয়ে ইলিশের ঝাঁক দেখা মেলায় লোকসানের ভাগ কিছুটা কমবে বলে মনে করছে মৎস্যজীবীদের বড় অংশ। দুর্গাপুজোয় বাঙালির পাতে অপেক্ষাকৃত কম দামে ইলিস পরবে সেই কথায় শোনালেন ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়ানে সম্পাদক বিজন মাইতি।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

চলে গেলেন 'রাজা' দক্ষিণরায়! জলদাপারা'য় দেহত্যাগ করলেন দেশের প্রবীনতম রয়েল বেঙ্গল টাইগার

উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার জলদাপাড়ার দক্ষিণ খয়েরবাড়ির ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চলার পর রবিবার রাত ২টো নাগাদ দেশের প্রবীনতম রয়েল বেঙ্গল টাইগার রাজা প্রান ত্যাগ করল। তাঁর প্রয়াণে জলদাপাড়া অভয়ারন্য সহ দেশের অগণিত পশুপ্রেমী শোকস্তব্দ। সোমবার জলদাপারা বনদপ্তরের তরফে জানানো হয় এহ মর্মান্তিক সংবাদ।এক বনকর্তা জানান, গত বছর (২০২১) ২৩ আগস্ট রাজার ২৫ তম জন্মদিন বনবিভাগের তরফে মহাসমারোহে পালন করা হয়। ২০০৮ এ সুন্দরবনের খারিতে কুমিরের আক্রমণে গভীর ভাবে আহত হয়েছিল রাজা, তাকে অঙ্গপ্রতিস্থাপন করে সুস্থ করে তোলা হয়। সেই থেকেই রাজা দক্ষিণ খয়েরবাড়ির বাঘ পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দা।প্রধান বন্যপ্রাণী ওয়ার্ডেন দেবল রায় সংবাদসংস্থা কে জানিয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে কোনও গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ রাজার শরীরে দেখননি পশুচিকিৎসকরা। তাঁরা রাজার মৃত্যুর কারণ মূলত বার্ধক্যজনিত সমস্যা হিসাবে ধারনা করছেন। পশু বিশেষজ্ঞ মতে, বিড়াল শ্রেনীভুক্ত বড় প্রানীদের গড় আয়ু সাধারণভাবে ২০ বছর। সে দিক থেকে দেখলে ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে সঠিক দেখভাল ও সময়মত চিকিৎসার জন্য রাজা দীর্ঘজিবন লাভ করেছে।জলদাপারা দক্ষিণ খয়েরবাড়ির ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, রাজার খাঁচার গরাদের ভিত্রে থাকতে একদমই পছন্দ ক্রত না। বনকর্মীরা গরদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বললে তিনি একদমই পছন্দ করতেন না। রাজার কিছুদিন আগে অবধি দৈনিক খাবারের তালিকায় দশ কেজি মাংস থাকতেই হত।প্রবাদপ্রতিম সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর অসামান্য এক উপন্যাস বাঘের আত্মকাহিনীর কথা টেনে বলতে ইচ্ছে করছে বাজা তোরা রাজা যায়।।

জুলাই ১২, ২০২২
দেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশানা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৬টি অত্যাধুনিক ভাসমান আউটপোস্ট এবং ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে হেলিকল্টারে তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে উড়ে যান। এদিনই বনগাঁর হরিদাসপুরে মৈত্রী সংগ্রহালয়ের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। তবে এবার যে অত্যাধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ফলে এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার বন্ধ হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া অনুপ্রবেশ ও পাচার রোখা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন শাহ। একইসঙ্গে এদিন তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এদিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ ও পাচারকারীদের রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ। শুধু ফেন্সিং দিয়েই হবে না, দেশের সুরক্ষা দিতে পারে বিএসএফ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে টহলদারির ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে।সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে এর আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল। এবিষয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। এদিন বিকেলে শিলিগুড়িতে জনসভা ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।बीएसएफ की इन फ्लोटिंग सीमा चौकियों पर स्वास्थ्य सुविधाओं के लिए बोट एम्बुलेंस का भी शुभारंभ किया।किसी भी आपातकालीन स्थिति में ये बोट एम्बुलेंस बहुत सहायक सिद्ध होगी। pic.twitter.com/wNYjLkU0PD Amit Shah (@AmitShah) May 5, 2022এদিন এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহর সফর নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ বলে বাংলায় গেল খুন হয়ে যাব। আমার গায়ে লাগে। উল্লেখ্য বাংলার রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উল্লেখ্য, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বাড়াতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এক্ষেত্রে ঘোরতর অপত্তি রয়েছে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল, শুক্রবার কলকাতায় ফিরে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
রাজ্য

Sundarban: অবিলম্বে সুন্দরবনকে পৃথক জেলা করার নির্দেশ মমতার

সুন্দরবনকে পৃথক জেলা করার কথাও আগেও একাধিকবার বলেছেন মমতা। তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। এবার দ্রুততার সঙ্গে যাতে সেই কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার মধ্যমগ্রামের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যসচিবের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেন তিনি। সুন্দরবন পৃথক জেলা হলে সেখানকার মানুষ অনেক ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ সুন্দরবনের মানুষ উপেক্ষিত। এই অঞ্চল দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় জেলা সদর আলিপুর অর্থাৎ কলকাতায়। ফলে সুন্দরবন থেকে দরকারি কাজে আসা ও যাওয়া করতে দীর্ঘ সময় লাগে। বাম আমল থেকে এই নতুন জেলা তৈরির দাবি উঠেছে। একাধিকবার কনভেনশনও করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে সুন্দরবন পৃথক জেলা করা হতে পারে শীঘ্রই।এ দিন তিনি মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে বলেন, সুন্দরবন কবে জেলা হবে, পাঁচ বছর ধরে পড়ে আছে। তাড়াতাড়ি করে দাও। মমতা জানান, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সুন্দরবনের মানচিত্র তৈরি করে দিয়েছিল আগেই। তাই এই কাজ করতে খুব বেশি দেরি হওয়ার কথা নয়। মমতার দাবি, আলাদা জেলা হলে সুন্দরবনের মানুষ কিছু অ্যাডভান্টেজ পাবে। বর্তমানে সুন্দরবন পৃথক পুলিশ জেলা হলেও প্রশাসনিক জেলা নয়।আগেই সুন্দরবনকে আলাদা পুলিশ জেলা ঘোষণা করেছিল সরকার। এবার পূর্ণাঙ্গ জেলার মর্যাদা দিতে চলেছে রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী এর আগে পাথর প্রতিমার বৈঠকে গিয়েও বলেছিলেন, সুন্দরবনের বাসিন্দাদের প্রশাসনিক কাজকর্মের জন্য দূরে যেতে হয়। তাই আলাদা জেলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
রাজনীতি

By-Election: রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে অকাল ভোটের জন্য বিজেপি নেতাদের লালসাকে দায়ী করলেন অভিষেক

গোসাবায় উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে স্থানীয় ভাবাবেগকে উসেক দিলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জনসভায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, একজন সাংসদ থাকবেন আর একজন মন্ত্রী হবেন বলে নিজেদের লালসা ও রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের রায় পরিত্যাগ করেছেন। আর তৃণমূলের দুই বিধায়ক করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এঁরা মানুষের কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুকে আপন করেছেন। এভাবেই চার কেন্দ্রে কেন অকাল ভোট সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন তৃণমূলের যুবরাজ।উল্লেখ্য়, গোসাবা ও খড়দহ কেন্দ্রে তৃণমূলের দুই বিধায়কের মৃত্যু হয়েছিল করোনায়। অন্যদিকে শান্তিপুরের বিধায়ক হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিনি বিধায়কপদে ইস্তফা দিয়ে সাংসদ থেকে গিয়েছেন। দিনহাটায় সব থেকে কম ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। তিনি এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনিও বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন। দুই বিজেপি বিধায়কের ইস্তফার জন্যই উপনির্বাচন করতে হচ্ছে শান্তিপুর ও দিনহাটায়।এদিনের জনসভায় অভিষেক বিঁধেছেন অমিত শাহকে। অভিষেক বলেন, বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করে ২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করবেন। কোথায় গেল সেই টাকা। বহিরগতরা এসব বলে চলে যায়। কাজের কাজ কিছু করে না। ভূমিপুত্রকে ভোট দিয়ে জয়ী করুন। সারা দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা বলেছিলাম আর যাই হোক মাথা নত করবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক। তিনি বলেন, এই জেলার সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। আপনাদের সঙ্গে যে সম্পর্ক তা কেউ ভাঙতে পারবে না। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। চারটে বিধানসভা আসনের মধ্যে গোসাবায় সব থেকে বেশি ভোটে জয়ী করবেন। প্রত্যেকটা বুথে, প্রত্যেকটা অঞ্চলে তৃণমূলপ্রার্থীকে জেতাতে হবে। প্রতিবছর নানাসময়ে প্রাকৃতিক ঝড়ঝঞ্ঝায় বিধ্বস্ত হতে হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাকে। আমি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করব, কথা দিয়ে গেলাম। অভিষেকের কটাক্ষ, শুধু দিল্লি বা বহিরাগত বিজেপি নেতা নয়, গত ৬ মাসে বিজেপির কোনও নেতার টিকি খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
ভ্রমণ

Deuli: কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানি

সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র তার পরিধি বাড়িয়েছে। সেসব তো বাস্তুতন্ত্রের কথা। কিন্তু পর্যটনের নজর বলছে কলকাতা থেকে দুঘণ্টার মধ্যেই সুন্দরবনের শুরু!ঠিকই পড়ছেন। আক্ষরিক দূরত্ব না ভাবালে উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই ২৪ পরগনার সীমানায় এক গ্রামের নাম দেউলি। স্থানীয়রা বলেন, এখান থেকেই সুন্দরবনের শুরু। কেমন? হাতেকলমে ঠিক ১৫০ কিলোমিটার গেলেই গোসাবা। কিন্তু তার সীমানা শুরু এই দেউলি থেকেই। খুব সাদামাটা এক গ্রাম। কাদার গন্ধ লাগা মানুষজন। তবে কেউ উদাসীন নয়। জীবনের কড়ি হিসাব করেই রাখেন। তঁারাই বলেন, শহর থেকে একটু দূরে অসংখ্য মানুষ এখানে একদুদিনের জন্য ছুটি কাটাতে আসেন স্রেফ গা এলিয়ে ভরপুর অক্সিজেন মাখার জন্য।পৌঁছবেন কীভাবে? সায়েন্স সিটি পেরিয়ে বাসন্তী হাইওয়ে ধরে গাড়ি ছোটাতে গেলেই একটু যা দূর। নিউটাউনের শেষে ভোজেরহাট ধরে ঢুকলে দেখতে দেখতে রাস্তা ফুরোবে। পাগলারহাট পেরিয়েই ডান হাতের পিচ রাস্তা। বেশ কিছু জনপদ পেরিয়ে সোজা দেউলি। ভুল হলে এগিয়ে গিয়ে আরেকটা রাস্তা ঢুকবে চণ্ডীপুর হয়ে। সেটাও যদি ভুল হয় তবে সোজা মিনাখা। তবে সবথেকে সহজ রাস্তা পাগলারহাট। দুই দিকে একরের পর একর নিচু ধান জমি ফেলে রেখে সবুজ চিরে রাস্তা এগোবে। ও বাড়ির মুরগী, এ বাড়ির খাসি রাস্তা পেরোলেই যা একটু সাবধান। এ বাদে মানুষ সামনে পড়ে গেলে প্রতিবেশির চেয়েও মিঠে গলায় বকুনি দেবে।বিশেষত্ব বলতে সেখানকার জমি। জমির চরিত্র বদল হয়নি ঠিক। কিন্তু বছরের বছর বিদ্যাধরীর মতো একটাদুটো নদীর জল বহন ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সবটাই উপচে আশপাশের গ্রামের জমি ডুবিয়ে রাখে। চেহারা নেয় ভেড়ির। গরমের শুরু থেকে পুজোর মরশুম পর্যন্ত সেসব ধান জমিতে স্রেফ মাছের চাষ। এক সময় যে জমিতে ধান চাষই ছিল প্রধান জীবীকা, নদীর উপচানো জল বেরোতে না পেরে সেসবের বৈশিষ্ট্য এখন একেবারে আলাদা। জল ধরা জমিতে মাছ চাষ। তাতে লাভও অনেক গুণ বেশি। ক্ষতি বলতে অধিক বর্ষায় জম ছাপিয়ে সব ভেড়ি এক হয়ে গেলে মাছ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা।তবে গ্রামের লোকেই ভুল ধরিয়ে দিল। জানাল মাছেদের মজার কথা। যেখানে একবার খাবারের সন্ধান পাবে, সেখান থেকে আর পালাবে না। একমাত্র প্রবল বর্ষণে ভেসে না গেলে তাদের আর ভেড়ি ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই ধরনের ভেড়িতে সাধারণ দুই রকমের মাছ চাষ হয়। মিঠে জলের মাছ আর নোনা মাছ। নোনা মাছ মানেই নানারকম চিংড়ি। সেসব আবার বাড়ির পুকুরের মিঠে জলেও চাষ করেন অনেকে। এক গেরস্থ বাড়ির যুবকের তো সেসব আবার অহঙ্কার। শহরের মানুষ একরকম মাছ দিয়ে ভাত খান। আমাদের পাতে একই দিনে দুতিনরকমের মাছ পড়ে। এমন কথাও শুনতে হতে পারে।ঠিক এখান থেকেই গ্রামের অর্থনীতিতে বদল শুরু। আগে যার তিন বিঘা জমি তিন বছরের লিজে নিয়ে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে ধান বা সবজি চাষের পরও একটু বাড়তি বৃষ্টিতে লোকসানের মুখ দেখা ছিল রোজনামচা। সেখানে এখন ঘরে ঘরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। মিঠে জলের মাছেদের খাওয়ানোর জন্য যা একটু খরচখরচা করতে হয়। নোনা জলের জন্য তাও লাগে না। উল্টে লাভই লাভ। একটু বেলা গড়ালে রাস্তার দুধার ধরে হঁাটলে চোখেও পড়বে সেসব দৃশ্য।এলাকায় একসময় একটা বড় মেলা বসত। হাট শেষ করে সে মেলায় জিলিপি, বুড়ির চুল, মিঠে পান, চানাচুর, জাদুর খেলার ভিড় ছিল দেখার মতো। করোনার আবহে সেসব অতীত। ফলে এখন নিরবচ্ছিন্ন অভ্যাসের জীবনই অভ্যাস। এর মধ্যেই দুই বিপরীতমুখী ছবি ধরা পড়বে গাড়ি ভুল করলে চণ্ডীপুর গ্রামে ঢুকলে। স্থানীয়রা বলেন খারাপ রাস্তা। সত্যিই তাই। রাস্তা বলে আর সেখানে কিছু নেই। পিচ ভেঙে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। মাজা ভেঙে না গেলে এই রাস্তা পেরিয়ে দেউলিতে ঢুকতে আলাদা করে এক ঘণ্টা ধরে রাখতে হবে। কিন্তু আরামের বিষয় হল, এ রাস্তার দুধারে দিগন্ত বিস্তৃত ছোট জলভরা ধানি জমি। ছোট ছোট গাছে ছায়া বানিয়ে রেখেছে। চরছে ছাগল গরু। গ্যাঙোর গ্যাং ডাকের মাঝে মাঝে ছোট ছোট জলাশয়ে মাছেদের ছপাৎ ছপাৎ ঘাই দেওয়ার শব্দ। দিঘল জলার ধারে মেঘলা হাওয়ায় একের পর এক ঠাণ্ডা দুপুর কাটিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসে।হাতে গোনা কটা রিসর্ট গজিয়ে উঠেছে এলাকায়। গুগল করলেই খেঁাজ মিলবে। চেকইন আর চেকআউটের নিয়ম ব্রেকফাস্ট থেকে ব্রেকফাস্ট। খাবারদাবার তাদের বেশ ভালই চেহারা ভারী করবে। মিঠে হাওয়ার সেঁাদা গুণ আর অফুরন্ত খাবার মন ধরে রাখবে। শহরে ফিরতে কষ্টই হবে। পোড়া দূষণ মাখা করোনা আর কোমর্বিডিটির শব্দে কান ঝালপালা শহরের গা ঘেঁষা এই গ্রামে পা রাখলে এক মুহূর্তে বাষ্প করে দেবে সব গ্লানি। একদুদিনের ছুটিতে একবুক অক্সিজেন মেখে নতুন উদ্যমে ঘরে ফেরা।শাশ্বত রায়আরও পড়ুনঃ দেবতার হ্রদে একদিনআরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতা

আগস্ট ২২, ২০২১
রাজ্য

Relief Work: মৌসুনি দ্বীপের যশ বিপর্যস্ত মানুষদের পাশে ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাব

যশ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে অসহায় মানুষগুলোর সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন রাজনীতিবিদ থেকে সমাজের সব স্তরের মানুষরা। ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবন এলাকার মৌসুনি দ্বীপের বালিয়ারার একটি আদিবাসী অধ্যুষিত দ্বীপের মানুষদের অবস্থাও তথৈবচ বলে জানতে পেরেছিল বর্ধমানের ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা। দ্বিতীয়বার ভাবার অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যন্ত দ্বীপে গিয়ে বিধ্বস্ত মানুষগুলোর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ক্লাবের সদস্যরা। বুধবার দিনটিকেই এই মহৎকাজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। প্রয়োজনীর সামগ্রী জোগার করে কয়েকজন সদস্য মিলে পাড়ি দিয়েছিলেন দ্বীপে। সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত সারাদিনের কর্মকাণ্ডে নিজেদের সাধ্যমতো পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। ক্লাবের সদস্য সুবির বল জানিয়েছেন, সকালে বালিয়ারা পৌঁছে সেখানকার প্রায় ৩০০ বাচ্চাকে এক পোয়া করে দুধ ও ২ প্যাকেট করে বিস্কুট খাইয়েছেন। এছাড়াও দুপুরে ছিল দ্বীপের প্রায় ১০০০ জনের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা। ক্লাবের সদস্যরা সেখানেই রান্না করে বাসিন্দাদের নিজেরাই পাত পেড়ে খাওয়ান। মেনুতে ছিল, ভাত, ডাল, সোয়াবিন-আলুর তরকারি ও ডিমের কারি।বাসিন্দাদের জন্য কিছু শুকনো খাবারও দিয়ে আসা হয়েছে ক্লাবের তরফে। এর মধ্যে রয়েছে চিঁড়ে, মুড়ি, চাল, আলু। এছাড়াও মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন, মোমবাতি ও দেশলাই দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। কিন্তু ভাঙেনি মনের জোর। বার বার বিপর্যয়ে মুখোমুখি হয়ে দ্বীপের মানুষগুলো বিপর্যয়কেই সঙ্গী বানিয়ে ফেলেছেন অমায়িক মানুষগুলো। সাহায্য আসছে জানতে পেরে তাই বিপদের মাঝেই পাতিবুনিয়া থেকে মৌসুনি দ্বীপে নৌকো করে নদী পাড় করিয়ে নিয়ে গিয়েছে ক্লাবের সদস্যদের। আবার দিনশেষে সেভাবেই পাড়ে পৌঁছে দিয়ে গিয়েছেন।দ্বীপের বাসিন্দাদের এমন অমায়িক ব্যবহারে অভিভূত ক্লাবের সদস্যরা।জীব সেবাই শিব সেবা। এই নীতিতেই ইছলাবাদ কিরণ সঙ্ঘ ক্লাবের সদস্যরা মানুষের পাশে থাকার কাজ করে চলেছেন। তার বদলে, এই সব অসহায় মানুষদের মুখের হাসি ও আশীর্বাদটুকুই তাঁদের বড় পাওনা। এর আগে কোভিড রোগীদের জন্য অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে বহু মানুষকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচিয়েছিলেন ক্লাবের সদস্যরা। এবার দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে তৃপ্তির হাসি হাসছেন ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যরা।

জুন ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal