• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Summer

টুকিটাকি

গরমের দিনে পান্তা ভাতের জুড়ি নেই, শুধু সুস্বাদু নয়, এতে লুকিয়ে আছে পুষ্টির ভাণ্ডার

পান্তা ভাত। শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। এ স্বাদের কোনও ভাগ হবে না। সত্যি এ এক অনন্য স্বাদের খাবার। গরমে এর কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু পান্তা ভাতের গুনাগুন শুনলে যে কেউ চমকে যাবেন। অনেকেরই ধারণার বাইরে। পান্থা ভাত কি শুধু স্বাদের জন্য পছন্দ করি, নাকি তার কিছু গুনাগুন আছে? পান্তাভাতের সঙ্গে চাই গন্ধরাজ লেবু, কাঁচা পেয়াজ, কাঁচা লঙ্কা। তার সঙ্গে পোস্তের বরা বা ডালের বরা হলে মন্দ নয়। পান্তা ভাতের গাজন বা ফার্মান্টেশনের জন্য ভিটামিন বি ১২, ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম তৈরি হয়। এটি শুধু শরীরের ভিতরকে ঠান্ডা করে না পাশাপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পান্তা ভাত যেমন অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে তেমনি তার পুষ্টিগুন জনতি বৃদ্ধিতে রক্ত শূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। শরীরে ক্লান্তি ও অনিদ্রা দূর করে। ত্বক ও চুলকে ভালো রাখা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য় করে।কিভাবে এই খাবার তৈরি করবেন? পান্তা ভাত তৈরির জন্য বিশুদ্ধ খাবার জলে ভাত ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা উচিত। ১২ ঘন্টার বেশি ভিজিয়ে রাখলে পেটের অসুখ হতে পারে। পান্তা ভাতের এই ফার্মান্টেশন শরীরের ঘুম ঘুম ভাব এনে থাকে অর্থাৎ অনিদ্রা দূর করে।

জুন ০৭, ২০২৬
নিবন্ধ

হারিয়ে যাওয়া 'সকাল'

নতুন সালের চরম গ্রীষ্মকালেআম লিচুর গাছ পুড়ে যায়,শাঁস থাকেনা তালে।বৃষ্টি তো দৃষ্টির বাইরেফোঁটাও পড়েনা এসে।সূর্যকে তো জিততেই হবে,সিদ্ধ করার রেসে।।গরমকালে পান্তাভাত থাকতেই হবে পাতে,ঠান্ডা বোতল পানীয়ের একটাসদাই থাকে মোর হাতে।খেলতে যেতে পাইনা বাইরেবাড়িতে কেঁদে মরি,প্রখর রোদে রাস্তায় বেরোলেমাথা ঘুড়ে মোরা পরি।।সকালটা যেন হারিয়েই গেলোভোরের পরেই দুপুর।নিশুতি দুপুরে মানুষ তো ছারএকটাও থাকেনা কুকুর।গরমের চোটে বারে বারে স্নানদিয়ে গায়ে মাথায় পিয়ার্স,কবে দেখবো টেম্পারেচারপঞ্চাশ ডিগ্রী সেলসিয়াস।।

মে ০১, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সোমবার থেকে ছুটির ঘোষণা সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে ছুটির বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আগামী কাল সোমবার থেকে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এক সপ্তাহ ছুটি থাকবে অতিরিক্ত গরমের জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিও ছুটির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সরকারি নির্দেশ মেনে বর্ধমান মডেল স্কুলও ছুটি ঘোষণার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।গত কয়েক দিন ধরেই টানা রোদে-গরমে পুড়ে ছারখার বাংলা। তীব্র দাবদাহের পরিস্থিতি বিবেচনা করে রবিবার সকালেই রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে কাল থেকেই ছুটি ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী সপ্তাহেই রাজ্যের সরকারি-বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়কে ছুটি দিতে বলেছেন। সপ্তাহের শুরু সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত সরকারি স্কুল-কলেজ সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটির ঘোষণার কথা জানিয়ে দেন তিনি। বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলিকেও ছুটি দিতে অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পাহাড়ী এলাকা এই ছুটির আওতা থেকে বাদ যাবে। রাজ্যে একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। যা আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত থাকার সম্ভাবনা আছে। তীব্র গরমে ছাত্র-ছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছে রাজ্য। তাই আগাম গরমের ছুটির ঘোষণা।

এপ্রিল ১৬, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

রেট্রো কলকাতার গ্রীষ্মকালীন আর্ট ফেষ্টিভ্যাল

রেট্রো কলকাতার গ্রীষ্মকালীন আর্ট ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হল গ্যালারি গোল্ডে। এই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয় দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্ন শিল্পীদের হস্তশিল্প, স্কাল্পচার এবং আর্ট ফর্ম। মোট ৪৫ জন আর্টিস্ট এই আর্ট এক্সিবিশনে যোগ দেন। প্রথমদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব তৃণমূল নেতা সৌম্য বক্সী, অভিনেতা অংশু বাচ, অভিনেত্রী নন্দিনী চ্যাটার্জি, সোমা ব্যানার্জি, সন্দীপ দে, সংগীতশিল্পী মল্লার ঘোষ, বাচিকশিল্পী ফুল্লোরা মুখোপাধ্যায় ও প্রমুখ। সদ্য প্রয়াত বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী কেকে সম্মান জানিয়ে দ্বিতীয় দিন আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রদর্শনী এবং লাইভ আর্ট এক্সিবিশন। এই অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা সম্পর্কে উদ্যোক্তা চন্দন পাল জানালেন, অনেক দুঃস্থ শিল্পীরা আছে যারা খুব ভালো কাজ করেন অথচ সঠিক প্লাটফর্ম পান না আমরা তাদের ট্যালেন্ট কে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য এই রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।

জুন ১৩, ২০২২
রাজ্য

তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা, রাজ্যে স্কুল ছুটির দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর রাজ্যের আট জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বাংলা। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের গরমে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। এর আগে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন প্রয়োজনে গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। বুধবার নবান্নে গরমের ছুটির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য়মন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ২ মে থেকে গরমের ছুটি শুরু হবে। শুধু সরকারি স্কুল নয়, বেসরকারি স্কুলগুলিতেও ওই নির্দেশিকা জারি করার জন্য শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। বৈঠকে তিনি ব্রাত্য বসুকে জানান, গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হোক। ২ মে থেকে গরমের ছুটি দিয়ে দেওয়া হোক। গরমে অনেক ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীও জানান, অনেক বাচ্চাদের গরমে কষ্ট হচ্ছে, এমনকী নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে।বুধবার দুপুরে নবান্নে সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিডিও, এসডিও এবং আইসি-ওসিদের সঙ্গে বৈঠকে করেন মুখ্যমন্ত্রী। গরমের হালহকিকত নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই স্কুলের ছুটি এগিয়ে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে আগামী সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আপাতত তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাই জারি রয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

তীব্র দহণে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই, সকালে স্কুল খোলার পরামর্শ

গ্রীষ্মের দাবদাহে রীতমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পূর্বাভাস না থাকায় সাধারণের দুশ্চিন্তা বড়েছে কয়েকগুন। তীব্র দহনে কাজকর্ম শিকেয় ওঠার যোগার। রাজ্যে কোথাও ৪০ ডিগ্রি কোথাওবা তাও ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকালে স্কুল করার পরামর্শ দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে এখনই গরমের ছুটি পড়ছে না। সোম-মঙ্গলবারের আবহাওয়া দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন।দুপুরের স্কুল সকাল-এ স্কুল চালুর নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়ে রাজ্যের স্কুলগুলোতে। একইসঙ্গে গরমের ছুটিও এগিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নাজেহাল অবস্থা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের। ক্ষুদে পড়ুয়াদের হাল আরও খারাপ। এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, প্রয়োজনে গরমের ছুটি এগিয়ে আসতে পারে। সোম-মঙ্গলবারের পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে পুরে বিষয়টা অবগত করা হয়েছে। স্কুলের পরিস্থিতি বহু সময় পর স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দেখেশুনে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।এর আগে করোনা আবহের জন্য প্রায় দুবছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। স্কুলে ড্রপ আউটের সংখ্যাও বেড়েছে। স্কুল খোলার দাবি নিয়েও রাজ্যে আন্দোলন হয়েছে। পথে নেমেছে বিরোধী ছাত্র সংগঠন থেকে বিরোধী রাজনৈতিকদলগুলো। স্কুল খোলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার হওয়ার পথে ফের গ্রীষ্মের আবহাওয়া পড়াশুনাতেও ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে চলেছে। জেলা শাসক, স্কুল পরিদর্শকদের স্কুল শিক্ষা দফতর সকালে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার কথা বলেছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি জেলা সকালে স্কুল চালুও করে দিয়েছে। খোদ কলকাতাতেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চিন্তা বেড়েছে মহানগরের স্কুল খোলার ক্ষেত্রেও।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
রাজ্য

গরমে চাহিদা বাড়লেও বাড়ন্ত বিয়ার - তা নিয়ে হতাশ বিয়ার প্রেমীরা

বৈশাখের শুরু থেকেই চরমে উঠছে তাপমাত্রা। এই অবস্থায় আবহাওয়া দফতর এখনই কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা যেমন কিছু দেখছে না তেমনি মদের দোকানেও দেখা নেই বিয়ারের। আর গরমে বিয়ার অমিল হয়ে পড়ায় হতাশ বিয়ারপ্রেমীরা। গরম পড়লেই মদের দোকান গুলিতে বিয়ারের চাহিদা বহুগুন বেড়ে যায়। পূর্বেকার বছর গুলিতে বিয়ারের যোগান নিয়ে কোন সমস্যা না থাকলেও এই বছর আশ্চর্যজনক ভাবে বিয়ারের যোগান ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গলসি নিবাসী ব্যবসায়ী শুভেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন সপ্তাহে মাত্র ১৭ ক্রেট বিয়ার পাওয়া যাচ্ছে। এক ক্রেট ৬৫০ মিলিলিটারের ১২টি বোতল থাকে। অথচ এখন বিয়ারের চাহিদা এর থেকেও অনেক গুন বেশী। একই জায়গায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মেমারির সাতগেছিয়ার ব্যবসায়ী প্রলয় ঘোষ দাবী করেন, এখন তিনি যদি সপ্তাহে ১৪০ ক্রেট বিয়ার পান। সেটাই হুড়িয়ে বিক্রী হয়ে যাবে। কিন্তু এখন মিলছে মাত্র ১০ ক্রেট। অপর ব্যবসায়ী সনাতন সিংহ দাবী করেন, গত বছর গাড়ি গাড়ি বিয়ার তুলেছিলাম। আর এখন গাড়ি তো দূরের কথা, চাহিদার অর্ধেকও বিয়ার মিলছে না।একই আক্ষেপের কথা শুনিয়েছেন বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, গুসকরার ও জামালপুর ও মেমারির মদ ও বিয়ারের ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বক্তব্য বিয়ারপ্রেমী খরিদ্দারদের বিয়ার দিতে পারছি না। বিয়ার না পেয়ে খরিদ্দাররা হতাশ হয়েই মুখ ঘুরিয়ে চলে যাচ্ছে। হঠাৎ করে এই বছর বিয়ারের চাহিদা এত বেড়ে যাওয়ার কি কারণ তা জানার জন্যে বিয়ারপ্রেমীদেরও কৌতুহলের শেষ নেই। এই বিষয়ে ব্যবসায়ীদের দাবি, বিয়ারের দাম আগের থেকে কমে গিয়েছে। তাই যে সব সুরাপ্রেমীরা আগে পচাই বা দেশি মদ খেতেন তারাও এখন এই গরমে বিয়ারের দিকে ঝুঁকেছেন। এর কারণে বিয়ারের চাহিদা এখন আনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। অপর কারণ হিসাবে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমান জেলার ৩১৩ টি দোকানে বিয়ারের পর্যাপ্ত সরবরাহের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকা। আবগারি দফতরের তরফে যদিও বলা হচ্ছে, এপ্রিল-মে মাসে প্রতি সপ্তাহে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৮-২০ হাজার ক্রেট বিয়ার লাগে। সেই চাহিদা মতোই চলতি সপ্তাহে যোগান দেওয়া হয়েছে। বিক্রীও গত বছরের চেয়ে ৮-৯ শতাংশ বেশি হয়েছে। তারপরেও এখন দোকানে দোকানে বিয়ার বাড়ন্ত।এদিকে বিয়ারের যোগান কম থাকায় ফরেন লিকার বা বিদেশি মদের চাহিদাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। দফতর সূত্রে খবর এপ্রিল মাসেই ফরেন লিকারের বিক্রি ২৯ হাজার লিটার বেড়েছে। যা গত মার্চ মাসের চেয়ে ২৩% বেশী। জেলা আবগারী দফতরের তথ্য অনুযায়ী গত এক মাসে শুধু মাত্র দোকানের হিসেবে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ২০ কোটি টাকারও বেশি মদ-বিয়ার বিক্রি হয়েছে। এই বিষয়ে আবগারি দফতরের সুপার এনায়েত রব্বির দাবী,জোগানে ঘাটতি নেই বললেই চলে। তবে গরমের জন্যে বিয়ারের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। যদিও বিয়ারের জোগান কবে থেকে স্বাভাবিক হবে তার উত্তর আবগারি দফতরের কোন কর্তারাই দিতে পারেন নি।এদিকে মদের দোকানে বিয়ারের বাড়ন্তের মাঝেই আবার ওয়েস্টবেঙ্গল পচাই অ্যান্ড কান্ট্রি স্পিরিট ভেন্ডর অ্যাসোসিয়েশন চাহিদা মতো বিয়ার চেয়ে আবগারি দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে। ওই সংগঠনের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক গুসকরার বাসিন্দা মেঘনাদ সাহা। তিনি দাবি করেছেন, চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না বলে ব্যবসায়ীদের যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি রাজ্য সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে।

এপ্রিল ২১, ২০২২
দেশ

দিল্লিতে তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি বঙ্গেও

দিল্লির বেশ কিছু অংশে তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিল মৌসম ভবন। বুধবারও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পেরোতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক দিন এই তীব্র তাপপ্রবাহ চলতে পারে বলেও সতর্ক করেছে মৌসম ভবন।আবহবিদরা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে শুষ্ক আবহাওয়ার জেরেই উত্তর-পশ্চিম ভারতে শুরু হতে চলেছে এই তীব্র তাপপ্রবাহ। মঙ্গলবারও দিল্লির বেশ কিছু অংশে তীব্র তাপপ্রবাহ লক্ষ করা গিয়েছিল। নরেলা, পিতমপুরা এবং স্পোর্টস কমপ্লেক্সে পারদ ছিল ৪১ ডিগ্রির উপরে। ৩ থেকে ৫ এপ্রিল দিল্লিতে আরও একটি তাপপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে বলেও মৌসম ভবন জানিয়েছে। প্রসঙ্গত, বাতাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ৪.৫ ডিগ্রি বেশি হলে তবেই তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হয়। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যদি স্বাভাবিকের তুলনায় ৬.৪ ডিগ্রির উপরে হয়, তখন শুরু হয় তীব্র তাপপ্রবাহ।দিল্লির পাশাপাশি চৈত্রের চাঁদিফাটা গরমে নাজেহাল অবস্থা বঙ্গবাসীর। তার সঙ্গে আবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। আগামী ৩১ মার্চ থেকে দক্ষিণবঙ্গে একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাপপ্রবাহ চলবে পশ্চিমের বেশকিছু জেলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে আরও জানানো হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে আগামী ১৫ দিন বৃষ্টিপাতের তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রাও মোটের উপর একই থাকবে রাজ্য। এ ক্ষেত্রে খুব একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। এদিকে পশ্চিমের চার জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে তাপ প্রবাহের সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এই চার জেলায় তাপমাত্রা চল্লিশের ঘরে পৌঁছে যেতে পারে।

মার্চ ৩০, ২০২২
দেশ

মার্চেই তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা, আছড়ে পড়তে পারে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট 'অশনী'

বসন্ত নিয়ে বাঙালির যতই রোম্যান্টিকতা থাকুক না কেন, প্রকৃতির কিন্তু সে দিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। রাতে অল্পস্বল্প ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় চড়চড়িয়ে বাড়ছে পারদ। হওয়া অফিস বলছে, কলকাতা শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনই ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়ে যাওয়ার জোগাড়। অন্যদিকে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। গুজরাতের একাধিক অংশ ও পশ্চিম রাজস্থানে তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজস্থান, বিদর্ভ, কোঙ্কন ও গোয়াতেও তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। এরমধ্যে সৌরাষ্ট্র-কচ্ছে সপ্তাহজুড়ে একাধিক তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কোঙ্কন-গোয়াতেও তাপ প্রবাহ বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচলপ্রদেশ-সহ একাধিক জায়গাতেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি থাকবে।মার্চের শুরু থেকেই কাঠ-ফাটা গরমে হাসফাঁস করতে শুরু করেছেন দেশবাসী। একাধিক রাজ্যে শুরু হয়েছে তাপ প্রবাহ। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে চলেছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভারত মহাসাগর ও পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর উপকূলে নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। আগামী কয়েকদিনে এই নিম্নচাপ আরও ঘনীভূত হয়ে সাইক্লোনে পরিণত হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ১৯ মার্চ পর্যন্ত আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি পরিমাণ বৃষ্টিপাত হতে পারে। আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। আন্দামান সাগরের উপর থেকে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপরে চলতি বছরের প্রথম নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। এর সরাসরি প্রভাব আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের উপরই পড়বে। ঝোড়ো হাওয়া-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপ থেকে তৈরি হওয়া সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম দেওয়া হয়েছে অশনী।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

ক্রমশ চড়ছে পারদ, কালঘাম ছুটবে দোলে

মার্চ পড়তে না পড়তেই চড়া রোদের তাপে ছাতি ফাটা অবস্থা। একটু বেলা বাড়তেই রীতিমত হাঁসফাঁস করতে হচ্ছে। রোদ চশমা, ছাতা ছাড়া বাইরে বেরোনোই দায় হয়ে পড়েছে এখন। তবে এই মাসের শুরুতেও কিন্তু তাপমাত্রা এমনটা ছিল না। হালকা শীতের আমেজ ছিল। পাশাপাশি সঙ্গী ছিল বৃষ্টি। কিন্তু দিন যত এগোচ্ছে চড়া রোদ আর গরমের বাড়বাড়ন্ত ততটাই বেড়েছে। পাশাপাশি ত্বকে পড়ছে টান।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, যত দিন এগোবে দিনের তাপমাত্রা ধীরে-ধীরে বৃদ্ধি পাবে। কলকাতায় আগামীকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০ থেকে ৩৪ ডিগ্রি। অন্যদিকে, সর্বনিম্ম তাপমাত্রা থাকবে ২১ থেকে ২২ ডিগ্রির আশেপাশে। তবে শীত শেষে গরম পড়তে শুরু করলেও এই ভ্যাপসা আবহাওয়া থাকে অন্তত পক্ষে তিন থেকে চারদিন থাকবেই।এদিকে, কাঠফাটা রোদে সামান্য বৃষ্টির জন্য মুখিয়ে রয়েছেন প্রত্যেকে। তবে এখনই রেহাই মিলছে না। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী চার থেকে পাঁচদিন উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের কোথাও কোনও বৃষ্টির সম্ভবনা নেই। অর্থাৎ এই কাঠফাটা গরম সহ্য করতে হবে। এদিকে, ১৭ মার্চ দোল এবং ১৮ তারিখ হোলি। আর দোলে এখনও অবধি আবহাওয়ার যা খবর মিলছে তাতে বৃষ্টির কোনও সম্ভবনা নেই বললেই চলে। রঙের উৎসবে মাততে যে যথেষ্ঠ কালঘাম ছুটবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দোলের দিন যে ভালোই গরম অনুভূত হবে তার পূর্বাভাস আগে থেকেই করছে আবহাওয়া দপ্তর।

মার্চ ১২, ২০২২
টুকিটাকি

গরমে রোজ আম খাওয়ার পরামর্শ ডায়াটেশিয়ানদের

গরমকালটা আসলেই অনেকেরই মনে হয় কেন আসল, বেশ তো শীতকালটা ছিল। গরম, ঘাম , এনার্জির ক্ষয় , বিরক্তি সব মিলিয়ে গরমকালের নামটা শুনলেই অনেকের নাক কুঁচকে ওঠে। তবে এত খারাপের মধ্যেও গরমকালে এমন একটা ভালো জিনিস আছে, যা প্রতিটা মানুষ পছন্দ করেন। আর তা অবশ্যই আম ।আম খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। গাছে গাছে আম ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। আর কদিন পর থেকেই আম পাকতে শুরু করে দেবে। সেই আশাতেই অনেকে বসে রয়েছেন। আবার অনেকে তো ধৈর্য ধরতে না পেরে দোকান থেকে ইতিমধ্যেই আম কিনে খেতে শুরু করে দিয়েছেন। যদিও তা কোল্ড স্টোরেজের। সে যাই হোক, আম তো আমই.. আপনিও হয়তো আম থেকে শুরু করে দিয়েছেন , কিংবা কদিন পর থেকেই আম খাবেন। তার আগে জেনে নিন আমের গুণাগুণগুলি। শুধু রসনাতেই এর তৃপ্তি, নাকি স্বাস্থ্যের জন্যেও কিছু উপকারিতা রয়েছে, জেনে নিন।১) আমে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস উপাদান রয়েছে, যা কোলন , স্তন , প্রস্টেট , লিউকেমিয়া প্রভৃতি ক্যানসার থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে।২) আমে থাকা প্রচুর পরিমানে ফাইবার , পেকটিন , ভিটামিন সি কোলেস্টেরল লেভেলের ভারসাম্য বজায় রাখে।৩) ত্বকের জন্য আম খুবই উপকারী। ব্রণ এবং ত্বকের অন্যান্য অনেক সমস্যা প্রতিরোধ করে আম।৪) এক কাপ আম আমাদের শরীরে ২৫ শতাংশ ভিটামিন এ প্রদান করে। যা আমাদের চোখের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। আম অন্ধত্ব দূর করে, দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করে এবং শুষ্ক চোখের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

এপ্রিল ১১, ২০২১
টুকিটাকি

গরমে ত্বকের ট্যান কাটাতে জেনে নিন কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায়

পার্লারে গিয়ে অনেক টাকা খরচ করে কোনও বিউটি ট্রিটমেন্ট করাতে হবে না। এ বার ঘরে বসেই ত্বকের দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ট্যান দূর করতে পারবেন অনায়াসে। এমনই কয়েকটি উপাদানের খোঁজ দেওয়া হচ্ছে, যা নিয়মিত ব্যবহার করে আপনি পেতে পারেন নিখুঁত, উজ্জ্বল, ফর্সা ত্বক। ঘরোয়া উপায়ে কী ভাবে ত্বকের ট্যান দূর করবেন একনজরে দেখে নিনগাজর: শুষ্ক এবং ট্যান পড়া ত্বকে গাজর ভাল করে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মোটামুটি শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখের ট্যান দূর হবে এবং ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।লেবু: লেবু ত্বকের কালো দাগ ছোপ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোর সঙ্গে লেবুর রস মাখিয়ে নিন, তারপর কালো দাগের উপর ৫ মিনিট ধরে ঘষুন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। তবে মুখে বা শরীরের কোথাও লেবু মাখার পর সরাসরি সূর্যের আলোতে বেরনো যাবে না। পাকা পেঁপে: পাকা পেঁপে হল কালো দাগ বা ট্যান দূর করার ক্ষেত্রে একটি অন্যতম কার্যকরী ঘরোয়া উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ভালো করে ঘষুন। আধা ঘণ্টার মতো রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার এই মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রং উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করে। পেয়াঁজ: ত্বকের উপর বাড়তে থাকা বয়স জনিত কালচে ছোপ বা ট্যান দূর করতে পেয়াঁজের রস দারুণ কার্যকরী। এক টুকরো পেয়াঁজ নিয়ে শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ৫ মিনিট ধরে ঘষে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত ফল পেতে পেয়াঁজের রস প্রতিদিন ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যালোভেরা: কেবল ব্রন কমাতেই নয়, ত্বকের কালো দাগ-ছোপ দূর করতে, ট্যান কাটাতেও অ্যালোভেরা জুড়ি মেলা ভার। প্রথমে অ্যালোভেরা জেল বের করে নিন, তারপর শরীরের ট্যান পড়া অংশে আলতো হাতে মাখুন। একটু সময় নিয়ে এমন ভাবে ম্যাসাজ করবেন যাতে অ্যালোভেরা জেল ত্বক একদম শুষে নেয়। কয়েক ঘণ্টা পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷কলা ও লেবুর মাস্ক: পাকা কলা ও লেবু মিশিয়ে প্রথমে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট মুখে, গলায়, হাতে, পায়ে বা শরীরের যে কোনও অংশে ব্যবহার করা যেতে পারে। পেস্টটি শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই মাস্ক লাগালে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে

এপ্রিল ০৩, ২০২১
টুকিটাকি

গরমে শরীর, মন, পেট ঠান্ডা রাখবেন কীভাবে, জানুন

শীতে যেখানে খাওয়া দাওয়ার কোনও অন্ত থাকে না, সেখানে গরমকালে ঠান্ডা খাওয়ার খাবার চেষ্টা করেন অনেকেই। আপনাদের জন্য রইল তেমনই ঠান্ডা খাবার তালিকা।তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। গরমকালে ঠান্ডা খাওয়ার খাবার চেষ্টা করেন অনেকেই। তাতে শরীর ঠান্ডাও থাকে আবার হজমের সমস্যাও হয় না। রইল তেমনই কিছু ঠান্ডা খাবারের তালিকা।দইদই শুধুমাত্র অন্ত্রের জন্য ভাল না, পেট ঠান্ডা করতেও কাজে লাগে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় হজম শক্তি বাড়ায়। দই খাওয়া হার্ট এবং ত্বকের জন্য খুবই ভাল। দই ভাত বা রায়তা হিসাবে দই খেতে মন্দ না। এই গরমে ঘোল কিংবা লস্যি যেমন উপাদেয় পানীয়, তেমনই স্বাস্থকরও।পুদিনা পাতাপুদিনা পাতা মূলত গ্রীষ্মকালে খাওয়া হয়। চাটনি, রায়তা, কিংবা পুদিনা পাতার আইসক্রিম হিসাবে খাওয়া যেতে পারে। পুদিনা পাতা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হজম আর ত্বকের পক্ষেও খুবই ভাল।শসাশীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা যে কোনও সময়ে শসা খাওয়া যায়।স্যালাড হিসাবেই প্রধানত শসা খায় সবাই। শুধু তাই শসা হজমে কাজে লাগে। শসাতে খুবই কম ক্যালোরি আর ফ্যাট থাকে।লেবুর জলগরমে বাইরে থেকে ঘুরে লেবুর জল বা শরবৎ দেওয়া হয়। অল্প মিষ্টি যোগ করলে বেশ ভাল খেতে লাগে।শরীর ঠান্ডা হওয়ার পাশাপাশি মেটাবলিজমও বাড়ায় আর তাড়াতাড়ি খাবার হজম করতে সাহায্য করে।

মার্চ ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ, আটক নেতাদের মুক্তির আবেদনও! রবিবার কী শুনবে সুপ্রিম কোর্ট?

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার আবহে রবিবার বিশেষ শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। শনিবারের আন্দোলন এবং তার আগে ও পরে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে শীর্ষ আদালতে দুটি মামলা হয়েছে। আদালত বন্ধ থাকার দিনেও এই মামলাগুলির শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি মামলা আদালত অবমাননার অভিযোগে, অন্যটি বিক্ষোভকারীদের আটক করার বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বিক্ষোভের কারণে দিল্লিতে গণপরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু একেবারে বন্ধ করা যাবে না। তা সত্ত্বেও শনিবার একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবা নিয়েও বিধিনিষেধ জারি হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাতেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন ডি থারাকে পক্ষ করা হয়েছে। শৈলেন্দ্রের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা কার্যকর করেনি। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে বিচারাধীন। রবিবারের শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে কী পর্যবেক্ষণ করে শীর্ষ আদালত, সেদিকেই নজর রয়েছে।অন্য মামলাটি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। শনিবারের বিক্ষোভের সময় একাধিক বিরোধী নেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য এ ভাবে আগাম আটক করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আটক ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছে এবং তাঁদের আটক করার আইনি ভিত্তি কী, সেই বিষয়গুলিও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুটি মামলারই শুনানি রবিবার বিশেষ বেঞ্চে হওয়ার কথা। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাগুলি ওঠার কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন। সিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশের আটক করার পদক্ষেপ এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগসব মিলিয়ে রবিবারের শুনানি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে আদালত এখনও এই অভিযোগগুলির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেনি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, মুম্বইয়ে আটক ৪০০-র বেশি! তালিকায় অভিনেতা ইমরান খান

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে মুম্বইয়ে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হলেন চারশোর বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বলিউডের অভিনেতা ইমরান খানও। শনিবার শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের চেষ্টা হলে অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে পদক্ষেপ করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সকালে দক্ষিণ মুম্বইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর সংগঠন হাম ভারত কে লগ-এর সদস্য এবং সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের প্রতি সংহতি জানাতেই তাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে শহরের অন্য এলাকাতেও ধরপাকড় চলে। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা চারশো ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের তালিকায় অভিনেতা ইমরান খানের নাম থাকায় ঘটনাটি ঘিরে বাড়তি চর্চা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের কাছে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। একই কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা আরও বহু মানুষকেও পুলিশ আটক করে গাড়িতে তোলে। মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আগস্ট ক্রান্তি ময়দান ঘিরে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং ওই এলাকায় জমায়েত আটকাতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা। অন্য দিকে, দক্ষিণ মুম্বইয়ে প্রকাশ আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ির কর্মী-সমর্থকেরাও বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যেও কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আবহে মুম্বইয়ের এই ধরপাকড় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু করেছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেনে তারকাদের ঢল! লাল শাড়িতে ইমন, মঞ্চে তসলিমা—আর কী ছিল বিশেষ?

মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করল রাজ্য সরকার। চোখধাঁধানো আলোর খেলা, গান, নাচ এবং ড্রোনের প্রদর্শনীতে জমে উঠল দুর্গার আগমনী। আকাশে ড্রোনের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হল দুর্গার মূর্তি, দেখা গেল পদ্মের ছবিও। একের পর এক শিল্পীর পরিবেশনায় উৎসবের মেজাজে মাতল কলকাতা। অনুষ্ঠানে গান গাইলেন শান, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, কৌশিকী চক্রবর্তী এবং অন্তরা মিত্র। সুরের দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু মৈত্র ও তাঁর দল। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন দেবর্ষি ভট্টাচার্য-সহ অন্য শিল্পীরা। ঢাকের বোল, আদিবাসী নাচ এবং বাংলার নানা প্রান্তের লোকসংস্কৃতির পরিবেশনায় শুরু থেকেই তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুন মালিয়া, স্বপন দাশগুপ্ত, সুখেন্দুশেখর রায়-সহ বহু পরিচিত মুখ। লাল শাড়িতে দেখা যায় শিল্পী ইমন চক্রবর্তীকে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও।রেড রোড থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ইডেন গার্ডেন্সে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ আরও অনেকে। শোভাযাত্রায় বাংলার বিভিন্ন জেলার লোকসংস্কৃতিও তুলে ধরা হয়। এরপর ইডেনে আলো ও শব্দের প্রদর্শনীর মাধ্যমে মহালয়া থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুরখেলা পর্যন্ত দুর্গোৎসবের নানা মুহূর্ত তুলে ধরা হয়। সবশেষে ড্রোনের প্রদর্শনীতে আকাশে ফুটে ওঠে দুর্গার অবয়ব ও পদ্মের ছবি। এ বারের দুর্গাপুজোর আগে মহালয়াকে ঘিরে রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। অনুষ্ঠানে গান, নাচ, আলোর খেলা এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ছিল মূল আকর্ষণ। তবে ইডেনের এই বড় আয়োজনের জেরে শহরের যান চলাচলেও জারি করা হয়েছিল বিশেষ বিধিনিষেধ।কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার ভোর চারটে থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড এবং সেন্ট জর্জেস গেট রোডের নির্দিষ্ট অংশে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাজা উডমন্ট স্ট্রিট ও হেস্টিংস ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী অংশেও জারি ছিল নিষেধাজ্ঞা। মহালয়ার অনুষ্ঠান ঘিরে শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও করা হয়।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আটক মমতা, এ বার কি সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধীরা?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে আটক করা হয় তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন-সহ দলের আরও কয়েক জন নেতাকে। পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে থানায় বসে অবস্থান করেন মমতা। প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় তাঁকে দোলা সেন-সহ অন্যদের সঙ্গে উই শ্যাল ওভারকাম গান গাইতেও শোনা যায়। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতেই কলকাতায় ফেরার কথা ছিল মমতার। রাত নটার বিমানের টিকিট থাকলেও তিনি সেই বিমান বাতিল করেছেন বলে সূত্রের দাবি। দিল্লিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে সোমবারের কর্মসূচি রয়েছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা। সোমবার বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা এবং প্রধান বিচারপতির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও স্পষ্ট নয়। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন বিরোধী নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, পিনারাই বিজয়ন-সহ একাধিক নেতা। দিল্লি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের আটক করে। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির অনুমতি ও নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা ছিল। অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দিতে গিয়েও তাঁদের আটক করা হয়েছে। মমতাকে আটকের ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় ঘুরিয়ে নেত্রীকে কেন নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিরোধী জোটের তরফে এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বার সোমবারের কর্মসূচিতে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মমতা দিল্লিতে থেকে গেলে এবং বিরোধী নেতাদের সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচিতে যোগ দিলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আন্দোলন আরও কোন দিকে গড়ায়, তা স্পষ্ট হবে আগামী দিনে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

রবিবারের মধ্যে আটক নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশন! সিজেপির আন্দোলন ঘিরে ফের বার্তা সোনমের

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে একের পর এক নেতাকে আটক করার ঘটনায় এ বার সরব হলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। আটক ব্যক্তিদের রবিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে অনশন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রাও করবেন বলে জানিয়েছেন সোনম। তাঁর এই বার্তাকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ একাধিক নেতা এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করার খবর সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলের কয়েক জন শীর্ষ নেতাও ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ করেন সোনম। তিনি জানান, আন্দোলনের আগে শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এত জন নেতা-নেত্রী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে জানতে পেরে তিনি উদ্বিগ্ন। সোনমের আশা, আটক ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে রবিবারের মধ্যে অনশন শুরু করার কথা ভাববেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রার পথেও হাঁটতে পারেন বলে জানিয়েছেন সমাজকর্মী। সোনমের বক্তব্য, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এ ভাবে পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে। তবে এ দিনের বিক্ষোভে তিনি নিজে যোগ দেননি। লাদাখে হিমবাহ সংক্রান্ত কাজের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে তিনি কর্মসূচি থেকে দূরে ছিলেন, যদিও আটক আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুক্তির দাবি তুলেছেন। গত জুলাই মাসেও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলন হয়। দীর্ঘ বিক্ষোভের পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এ বার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজধানী। আটক ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে সোনমের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটে হার, তার পরেই অরাজকতা? বিরোধীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, ভোটে হেরে বিরোধীরা দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। শুধু তা-ই নয়, বিরোধীদের আন্দোলনের পিছনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে প্রকাশ্যে কোনও প্রমাণ দেননি নিতিন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে নিতিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নতি বিরোধীরা মেনে নিতে পারছেন না। সেই কারণেই তাঁরা দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ বিজেপি সভাপতির। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের দুটি গোষ্ঠী রয়েছে। এক দিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট, অন্য দিকে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত ককরোচ জনতা পার্টি। এই দুই গোষ্ঠীই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি। নিতিনের অভিযোগ, বিরোধীদের মধ্যে যেন প্রতিযোগিতা চলছেকে বেশি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাঁর দাবি, ভোটে জনসমর্থন না পেয়ে বিরোধীরা মানুষের রায় মেনে নেওয়ার বদলে দেশে অশান্তি ছড়ানোর পথে হাঁটছেন। বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও কোন বিদেশি শক্তির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বিরোধীদের সতর্ক করে নিতিন বলেন, এ ধরনের চেষ্টা সফল হবে না। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং দেশের মানুষ এই ধরনের পদক্ষেপের জবাব দেবেন। দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হলে সরকার কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও মানুষের মধ্যে থেকে বিরোধীদের এই চেষ্টা ব্যর্থ করবেন বলে দাবি করেন নিতিন।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং বহু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। সেই পরিস্থিতিতেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে নিতিন নবীনের এই আক্রমণ রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিল।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

'ভোটচুরি’ বলে গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ঠেলা হচ্ছে? বিরোধীদের নিশানা করে খোলা চিঠি ১২৪ প্রাক্তন আমলার

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি ও ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সরব বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে ১২৪ জন প্রাক্তন আমলা খোলা চিঠি লিখে অভিযোগের প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন আইএএস, আইএফএস এবং আইআরএস আধিকারিকেরা রয়েছেন। চিঠিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটার তালিকা এবং বিহারের নির্বাচন নিয়ে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য, বারবার ভোটচুরি বা কারচুপির নির্বাচন শব্দ ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে নির্বাচনে কারচুপির যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা প্রয়োজন।চিঠিতে তাঁরা অতীতের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স লুট, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বুথ দখলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, এক সময় বুথ দখল এতটাই সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছিল যে তা বন্ধ করতে আইন করে এই কাজকে অপরাধ ঘোষণা করতে হয়েছিল।বিরোধীদের উদ্দেশে প্রাক্তন আমলাদের প্রশ্ন, ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতা থাকলে তার সুবিধা সাধারণ ভোটারের নয়, বরং অসাধু ব্যক্তিদের হয়। একই নির্বাচন ব্যবস্থায় জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, আর হারলে ভোটচুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।চিঠিতে প্রাক্তন আধিকারিকেরা লিখেছেন, বিরোধীদের নিজেদেরই ভেবে দেখা উচিত, তাঁদের আপত্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে, নাকি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের পক্ষেও সওয়াল করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, বিহারে এ বার অত্যন্ত স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে।চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিব্বাল এবং প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপালকৃষ্ণ, বিবেক ভরদ্বাজ ও নবনীত সেহগাল। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই এই খোলা চিঠি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চিঠিতে প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য এবং বিরোধীদের অভিযোগদুইয়েরই মূল্যায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট দাবির পক্ষে থাকা প্রমাণ ও তথ্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় চূড়ান্ত প্রস্তুত শিয়ালদহ ডিভিশন, বিশেষ পরিকল্পনা রেলের , বিস্তারিত জানুন

দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে যাত্রীদের বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ এবং গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (GRP)-এর পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের দিনগুলিতে কার্যকরভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাজীব সাক্সেনা, ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM), শিয়ালদহ ডিভিশন। সম্ভাব্য অতিরিক্ত যাত্রীসমাগম সামাল দিতে এবং স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।যাত্রীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের পরিকল্পনা, নির্দিষ্ট হোল্ডিং এরিয়া এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং যাত্রী চলাচল মসৃণ রাখতে প্ল্যাটফর্মগুলিতে যথাযথ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে পর্যাপ্ত রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) কর্মী মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়।অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মীর প্রয়োজন মেটাতে ২৭০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মীর পরিষেবা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, রেলওয়ে প্রোটেকশন স্পেশাল ফোর্স (RPSF)-এর অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের সম্ভাবনা রয়েছে এমন লেভেল ক্রসিং গেটগুলিতে পর্যাপ্ত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাজ্য ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ফুট ওভার ব্রিজগুলিতেও RPF কর্মীদের পাশাপাশি স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস, সিভিল ডিফেন্স এবং সেন্ট জন অ্যাম্বুল্যান্সের স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হবে। তাঁরা যাত্রীদের সহায়তা করবেন এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবেন। যেসব স্টেশনে যাত্রীসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে চিকিৎসা সহায়তা বুথ ও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা রাখা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীরা দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পান।সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমগ্র ডিভিশনকে বিভিন্ন স্টেশনগুচ্ছের ভিত্তিতে ১১টি নোডাল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভিশনের সমস্ত স্টেশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ওয়ার রুম চালু রাখা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে বা তাৎক্ষণিক সহায়তার প্রয়োজনে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা শিয়ালদহ ডিভিশনের ওয়ার রুমের ৯১৪৭৯০৬৭৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে সমস্ত অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন (ATVM) এবং মোবাইল UTS পরিষেবা সচল থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত টিকিট বুকিং কাউন্টারও চালু করা হবে। উৎসবের সময় যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে সমস্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে।সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (ST), TRD, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং TRS বিভাগের মোবাইল রক্ষণাবেক্ষণ দলগুলি ১৬:০০ থেকে ২৪:০০ ঘণ্টা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রস্তুত থাকবে। এর ফলে যন্ত্রপাতির ত্রুটি বা রেল চলাচল সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমবে।উৎসবের সময় সম্ভাব্য ভিড় ও যানজট এড়াতে ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা বন্ধ থাকবে। যাত্রী ও দর্শনার্থীদের কাছে অনুরোধ, এই সময়ে গাড়ি শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর (ড্রপ-অফ ও পিক-আপ) কাজে ব্যবহার করুন এবং গাড়ি পার্ক করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে স্টেশনের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সুবিধা হবে। এছাড়াও, ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের ডিজিটাল লকার পরিষেবা বন্ধ থাকবে। যাত্রীদের এই সময়ের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছেরাজীব সাক্সেনা বলেন, দুর্গাপুজোর সময় প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কার্যকর ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি। উৎসবের সময় যাত্রীরা যাতে নিরাপদ, মসৃণ ও নির্বিঘ্ন রেলযাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগেভাগেই সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে সমন্বিত পরিকল্পনা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চিকিৎসা পরিষেবার প্রস্তুতি এবং কার্যকর রেল পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal