• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

State

রাজ্য

Fake Vaccination: রাজ্যে সরকারি অনুমতি ছাড়া করোনা টিকার ক্যাম্প নয়

কসবায় ধৃত দেবাঞ্জন দেবের কাণ্ড কারখানা রীতিমতো হতবাক করে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের। মানুষের জীবন নিয়ে যে কেউ এমন ছেলেখেলা করতেও পারেন, এটাই কার্যত কল্পনাতীত ছিল সকলের। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যজুড়ে টিকাকরণের জন্য এ বার নতুন এবং অনেকাংশে কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে নয়া নির্দেশ জারি করে সমস্ত সমস্ত জেলাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারের অনুমতি ব্যতীত কোনও টিকাকরণ ক্যাম্পের আয়োজন করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপেরস্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে শনিবার একটি ৭ পাতার নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেই নির্দেশিকার প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনের অনুমতি ছাড়া কোনও টিকাদান শিবিরে আয়োজন করা যাবে না। কসবা কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি যাতে কোনওভাবেই এ রাজ্যে না ঘটে, বস্তুত তা নিশ্চিত করতে চাওয়া হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকার মাধ্যমে। বেসরকারিভাবে যদি কোনও সংস্থা ভ্যাকসিন ক্যাম্প করতে চায়, তবে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নিযুক্ত নোডাল অফিসারের কাছে স্পষ্ট করতে হবে কী ধরনের চুক্তির মাধ্যমে এই ক্যাম্প করা হচ্ছে। জেলার ক্ষেত্রে তা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানাতে হবে।কসবা কাণ্ডে পুলিশের নাকের ডগায় ভুয়ো ক্যাম্প চললেও পুলিশ তা জানতে পারেনি। কারণ, রক্তদান শিবির বা এহেন জনস্বাস্থ্য কল্যাণমূলক কর্মসূচির জন্য পুলিশি অনুমতি লাগে না। এ বার টিকাকরণ শিবির করতে গেলে পুলিশের অনুমতিও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকায়। ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটাও উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে কোভিড টিকা কোথা থেকে এল তা স্পষ্টভাবে জানাতে হবে এই ক্যাম্পকে। পাশাপাশি প্রতিটি টিকা যাতে কো-উইন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র

ভুয়ো টিকা (Fake Vaccine) নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। করোনার টিকা (Covid Vaccine) নিয়ে যাতে কোনও ধরনের জালিয়াতি না হয়, তার জন্য নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশও রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের করোনা (Corona Virus) সংক্রান্ত বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দেশের যে দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র থেকে ভুয়ো টিকার অভিযোগ ওঠে, তার জেরেই কেন্দ্রের তরফ থেকে আলাদা করে সতর্ক করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাভুয়ো টিকার খবর দেশের যেকোনও রাজ্যের যেকোনও জায়গা থেকে এলেই কেন্দ্রকে যাতে অবিলম্বে এই বিষয়ে জানানো হয়, বৈঠকে সমস্ত রাজ্যগুলিকে সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়ালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির উপস্থিতিতে সমস্ত রাজ্যের চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে আমাদের করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। ভুয়ো টিকার খবর কোথা থেকে এসেছে তা জানা জরুরি। স্থানীয় জেলা প্রশাসন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে আমাদের তা জানালে প্রয়োজনমতো ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।আরও পড়ুনঃ করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়ভুয়ো টিকার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালেও, পশ্চিমবঙ্গের ভুয়ো টিকার বিষয়ে তারা যে সরাসরি মাথা গলাতে চাইছে না, সেই বিষয়টি এদিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের ভুয়ো টিকার ঘটনাকে তারা জনস্বাস্থ্য বিষয়ক নয়, বরং ফৌজদারি অপরাধ বলেই মনে করছে। সরকারি বা সরকার অনুমোদিত টিকাকরণ কেন্দ্র থেকে বা কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার পরেও যদি কোনও ব্যক্তি ভুয়ো টিকা পান, তাহলে কেন্দ্র সরকার সেই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ঘটনায় শুধুমাত্র ভুয়ো টিকাই নয়, টিকাকরণ কেন্দ্রটিরও সরকারি অনুমোদন ছিল না।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Covid-19 Vaccine: ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ কলকাতা পুরসভার ভ্যাকসিন-কাণ্ডে শাসক দলের জড়িত থাকার বিষয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন। শনিবার কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর সোজা কোচবিহারের তিনবিঘা করিডর এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা।ফেক ভ্যাকসিন নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এক বছর ধরে ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছে। এই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা ফেক ভ্যাকসিনকাণ্ডে যুক্ত। কলকাতা পুরসভাও যুক্ত। অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে ছবিতে। কী করে নেতারা বলছে তাঁকে চেনে না?আগামী পুরসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপি তৎপর হয়ে উঠেছে। শনিবার এনজেপিতে ট্রেন থেকে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি জানান, উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলার কর্মসূচিতে অংশগ্রহহ করে আগামী পুরসভা নির্বাচনে ও দলের আগামী দিনের রনকৌশল ঠিক করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।রাজ্যে দলত্যাগ নিয়ে জল্পনা অব্যাহত আছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী বিধায়কদের দল পরিবর্তন নিয়ে জল্পনার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে গিয়েছে, কাজের লোক যাঁরা আছেন তাঁরা বিজেপি ছাড়বেন না। মুকুল রায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেই জানিয়েছিলেন বহু বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদ দল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেবেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘোষণা করেছন বিজেপির নেতা-নেত্রীরা দলে আসার জন্য পা বাড়িয়ে আছেন।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Student Credit Card: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড

কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প। আগামী ৩০ জুন এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ সিএবি-র উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ৫ দিন ব্যাপী টিকাকরণ অভিযাননির্বাচনের আগে ইস্তেহারে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল (TMC)। সেখানে বলা হয়েছিল, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের কথা। এই প্রকল্পে পড়াশোনার জন্য পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা ঋণ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে এই প্রকল্প। তিনি জানিয়েছেন, দশম শ্রেণি থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাএদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পড়ুয়াদের ঋণ দেওয়ার যে প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছিল, তা মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। আজকের দিনটি পড়ুয়াদের। রাজ্যে দশম শ্রেণিতে প্রতিবছর কম-বেশি ১০ লক্ষ পড়ুয়া থাকে, দ্বাদশ শ্রেণিতে থাকে সাড়ে ৯ লক্ষ। দশম থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর-সহ যাবতীয় পড়াশোনার জন্য রাজ্যের তরফে এবার পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। যা ক্রেডিট হবে তা ফেরত দেওয়ার জন্য চাকরি পাওয়ার পর ১৫ বছর সময় পাবেন পড়ুয়ারা।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

State By-Election: রাজ্যে দ্রুত উপনির্বাচনের আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর

কোভিড (COVID-19) পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। নির্বাচন কমিশন চাইলেই উপনির্বাচন করতে পারে। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কমিশনের (Election Commission) উদ্দেশে দ্রুত রাজ্যের ৭ আসনের উপনির্বাচন সেরে ফেলার আর্জি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে কমিশন এবং প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কটাক্ষও শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান, চলল ব্যাপক মারধর-ভাঙচুরবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2021) বিপুল আসনে জিতে তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee)। তবে নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। যদিও সেই ফলাফলে নানান কারচুপির অভিযোগ ওঠায়, বিষয়টি বর্তমানে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে নিয়মমাফিক ছমাসের মধ্যে ভোটে জিতে আসতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যার মধ্যে প্রায় মাস দেড়েক ইতিমধ্যেই কেটে গিয়েছে। বস্তুত রাজ্যে আগামী সাড়ে চার মাসের মধ্যে ৭ আসনে উপনির্বাচনও হওয়ার কথা। যার মধ্যে যে কোনও একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerejee)। আরও দুই মন্ত্রী অমিত মিত্র (Amit Mitra) এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কেও জিতিয়ে আনতে হবে।তৃণমূল নেতাদের আশঙ্কা, রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট তৈরির উদ্দেশে এই উপনির্বাচনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নির্বাচন কমিশন। করোনার অজুহাতে ছমাসের মধ্যে উপনির্বাচন নাও করানো হতে পারে। এদিন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মমতার কথায় সেই আশঙ্কার আভাস মিলল। তিনি বললেন, আমি তো শুনেছি প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিত না পেলে নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের অনুমতি দেবে না। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, আমাদের উপনির্বাচনটা ক্লিয়ার করে দিন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, রাজ্যে মোট ৭ আসনে উপনির্বাচন বাকি। এখন কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাই যে কোনও সময় উপনির্বাচন হতে পারে। তাঁর আর্জি, সাতদিন সময় দিয়ে উপনির্বাচন করুন। উপনির্বাচনে প্রার্থীদের বেশি সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

জুন ২৩, ২০২১
শিক্ষা

Joint Entrance Exam: রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা

পিছিয়ে গেল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। ১৭ জুলাই হবে পরীক্ষা। আগে ১১ জুলাই হওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষা। বাকি সময়সূচি একই থাকবে। আজ বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করেন রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রাস বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহা। তিনি জানিয়েছেন, এ বার মোট পরীক্ষার্থী ৯২ হাজার ৬৯৫ জন। মোট ২৭৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ১৪ অগস্টের মধ্যে ফলপ্রকাশ করা হবে। বোর্ড জানিয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিন দফায় কাউন্সেলিং হবে। পরীক্ষার্থীদের বাড়ির কাছাকাছি কেন্দ্রেই পরীক্ষা নেওয়া হবে। https://janatarkatha.com/kolkata/local-train-demonstration-in-sonarpur-demanding-to-run-local-train-002491আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই পরীক্ষার দিন পিছিয়ে দেওয়া হল বলে জানান মলয়েন্দু সাহা। এই বিষয়ে বোর্ড জানিয়েছে, জুলাই মাসের মাঝামাঝি পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই সেই সময় পরীক্ষা নেওয়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার পরীক্ষা নেওয়া হবে। রবিবার পরীক্ষা নেওয়া হলে পরীক্ষার্থীরা আসা যাওয়ার জন্য মেট্রো এবং ট্রেন কম পাবেন। কোভিড পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। বজায় রাখা হবে সামাজিক দূরত্ব। প্রতি ঘরে ২০ জন করে পরীক্ষার্থীকে বসানো হবে। তেমন হলে পড়ুয়ার সংখ্যা আরও কমানো হবে। একটা বেঞ্চে একজন অথবা সর্বাধিক দুজন থাকবে।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

BJP in Crisis: ফের ভাঙন বিজেপিতে

ফের পদ্মশিবিরে ভাঙন। এবার দল ছাড়লেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য ও দার্জিলিং জেলার পর্যবেক্ষক ভাস্কর দে (Vaskar Dey)। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই দলত্যাগের কথা জানান তিনি। তবে কি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার মতো তিনিও যোগ দিতে চলেছেন ঘাসফুল শিবিরে, সেই জল্পনা ক্রমশ জোরাল হচ্ছে।দিনকয়েক আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন সপুত্র মুকুল রায় (Mukul Roy)। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তাঁকে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, মুকুল রায়ের শিবির বদল নিয়ে জনসমক্ষে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব উদাসীন ঠিকই। তবে তাঁর দলবদল যে গেরুয়া শিবিরের জন্য বড় ধাক্কা সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তারপর থেকে বিজেপির একের পর এক নেতা দল ছাড়ছেন। কাজের পরিবেশ নেই বলেই অভিযোগ তাঁদের। সম্প্রতি দলবদল করেছেন গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। যিনি আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপি সভাপতি ছিলেন। তাঁরই নেতৃত্বে আলিপুরদুয়ার নিজেদের দখলে রেখেছিল গেরুয়া শিবির। তিনিই এখন তৃণমূলে।আরও পড়ুনঃ কোন কৌশলে রাজ্য তিন টুকরোর দাবি বিজেপি সাংসদদ্বয়ের?সূত্রের খবর, ভাস্কর দে সরাসরি কারও নাম না করলেও দল ছাড়ার আগে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। ভাস্কর জানান, বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2021) টাকার বিনিময়ে টিকিট দেওয়া হয়েছে। কাজ করলেও, যোগ্য সম্মান পাননি বলেও দাবি। আর সে কারণেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছে ইতিমধ্যেই তিনি তাঁর পদত্যাগপত্রও পাঠিয়ে দিয়েছেন। গেরুয়া শিবির ছেড়ে তবে কি এবার তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন? রাজনৈতিক মহলে ক্রমশই সে প্রশ্ন জোরাল হচ্ছে। তবে অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন কিনা, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট করেননি ভাস্কর। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পরবর্তী সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন বলেই স্থির করেছেন তিনি।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

State Delimitation: কোন কৌশলে রাজ্য তিন টুকরোর দাবি বিজেপি সাংসদদ্বয়ের?

আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লা উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ডাক দিয়েছেন। তাঁর পথ অনুসরণ করে জঙ্গলমহল বা রাঢ় বঙ্গকে পৃথক রাজ্য করার দাবি করেছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। বঙ্গভঙ্গের জোরালো আওয়াজ তুলেছেন বিজেপির দুই সাংসদ। অন্যদিকে পাহাড়ে গোর্খাল্যান্ড গঠনের দাবি তো রয়েছেই। অর্থাৎ রাজনীতির যাঁতাকলে পশ্চিমবঙ্গ চার ভাগ হওয়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, বিধানসভা নির্বাচনের পর কেন এই প্রশ্ন তুলছেন বিজেপির সাংসদরা? ভোটের আগে এমন কোনও ইস্যুর কথা বিজেপির ইস্তেহারেও ছিল না। নির্বাচনে পরাজয়ের পর বঙ্গভঙ্গ করার দাবি করে নিজেদের প্রচারের আলোয় নিয়ে এসেছেন দুই বিজেপি সাংসদ। প্রচারে জায়গা পাচ্ছে দলও। তাহলে এখন রাজ্য ভাগ নিয়ে হইচই কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অভিজ্ঞমহল। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে বিজেপি সাংসদদের এই দাবির দায়ভার কে নেবে? বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিজেপি বাংলা ভাগ চায় না। জন বার্লার পৃথক রাজ্যের দাবির প্রসঙ্গে একথা বলেছেন তিনি। এবার বললেন সৌমিত্র খাঁ। উত্তরবঙ্গ যে বঞ্চিত সে ব্যাপারে সহমত বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, দুই দলীয় সাংসদের রাজ্য ভাগের দাবি নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে নেতৃত্ব সরাসরি কোনও মন্তব্য করেনি। কেন একথা তাঁরা বলেছেন তা নিয়ে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছেন, তাও নেতৃত্ব জানায়নি। অর্থাৎ তাঁদের বক্তব্য দল অনুমোদন করছে না সে ঘোষণাও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করেনি। জোরালো বিরোধিতাও করেনি শীর্ষ নেতৃত্ব।এই মুহূর্তে রাজ্যে দুই প্রধান দল তৃণমূল ও বিজেপি। বাম ও কংগ্রেস এখন বাংলার রাজনীতিতে অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল। বিশেষত নির্বাচনের নিরিখে তেমনই পরিস্থিতি। সেই ফায়দা নিচ্ছে বিজেপি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একদিকে যেমন বঞ্চনা বা অবহেলার কথা বলে সাংসদদের আড়াল করছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তেমনই বাংলা ভাগের বক্তব্যকে ব্যক্তিগত অভিমত বলে ব্যক্ত করছে গেরুয়া শিবির। এ যেন, সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না। তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপি সাংসদদের বিরোধিতায় মাঠে নামুক কার্যত তাই চাইছে গেরুয়া বাহিনী। রাজনৈতিক মহলের মতে, এ রাজ্যের কর্মসূচিতেই যেন ব্যস্ত থাকে ঘাসফুল শিবির। যাতে বাইরের রাজ্যের বিস্তারে ব্যাঘাত ঘটে।শ্রী চানক্য

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

Soumitra Khan: উত্তরবঙ্গের পর পৃথক রাজ্যের দাবি সৌমিত্রেরও

দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত উত্তরবঙ্গ। স্রেফ এই অভিযোগ তুলেই উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য কিংবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দাবি তুলে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি (BJP) সাংসদ জন বার্লা। তা নিয়ে বিজেপির অন্দরেই মতানৈক্য তৈরি হয়েছে। দলের কেউ কেউ তাঁকে সমর্থন করেছেন, কেউ আবার বিরোধিতা। এসবের মাঝেই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ তথা যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ (Soumitra Khan)। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে যোগাভ্যাসের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অনুন্নয়ন নিয়ে বার্লার দাবিকে সমর্থন জানালেন তিনি। বললেন, রাঢ়বঙ্গও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এখানকার কোনও যুবকের চাকরি হয় না। এখানকার সম্পদ নিয়ে যাওয়া হয় অন্যত্র। কিন্তু উন্নয়নের লেশমাত্র নেই। এখন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম নিয়ে পৃথক রাজ্যের দাবি উঠতেই পারে।আরও পড়ুনঃ দিলীপের নিশানায় রাজ্য সরকারবঙ্গভঙ্গ চাইছে বিজেপি। জন বার্লার দাবির পর থেকে এই অভিযোগে সরব শাসকদল তৃণমূল (TMC)। দলের নেতারা এর বিরোধিতায় তীব্র সমালোচনায় মুখর। এই অবস্থায় সৌমিত্র খাঁর দাবি ঘিরে আরেকপ্রস্ত বিতর্কের অবকাশ তৈরি হল। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে বলব, মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে বহিরাগত শব্দটি এনেছেন, তাতে এই দাবি উঠবেই। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে ২৩ জন মন্ত্রী রয়েছেন। আমাদের এলাকার মানুষ বঞ্চিত। রাঢ়বঙ্গের যুবকদের চাকরি নেই। আমাদের এলাকার সম্পত্তি রাজ্যের কোষাগারে যাচ্ছে। আমরা কিছু পাচ্ছি না। আগামী দিনে রাঢ়বঙ্গ থেকেও পৃথক রাজ্যের দাবি উঠবে। অর্থাৎ যে কোনও বঞ্চনার শিকার হলেই পৃথক রাজ্যের দাবি ওঠাকে যুক্তিসঙ্গত বলেই মনে করেন সৌমিত্র খাঁ। জন বার্লার পর সৌমিত্র খাঁ। প্রায় একইসুরে অনুন্নয়নের অভিযোগ তুলে পৃথক রাজ্যের দাবিতে বিজেপির একের পর এক নেতার বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

Post poll violence: রাজ্যের আর্জি খারিজ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দায়িত্ব দিল হাইকোর্ট

ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) মামলায় কলকাতার হাইকোর্টের (Calcutta HC) নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ হয়ে গেল। আগের নির্দেশই বহাল রাখল উচ্চ আদালত। সোমবার দিনের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। আবেদন শোনার পর তাঁরা তা খারিজ করে দেন। ১৮ জুনের নির্দেশ বহাল রাখেন। যুক্তি হিসেবে জানানো হয়, রাজ্যকে আগে সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও কাজ হয়নি। তাই সেই ভার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) হাতে দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। গত ১৮ তারিখ, শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কলকাতা হাইকোর্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আরও একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই কমিটি ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। তাতে স্থগিতাদেশ চেয়ে রবিবার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। তাঁর আবেদন ছিল, এখনই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে না জড়িয়ে রাজ্যকে আরও একবার সুযোগ দেওয়া হোক। আরও পড়ুনঃ ২০টি চুরি করে পুলিশের জালে ইংরেজিতে এমএ পাশ যুবকএদিন মামলার শুনানির শুরুতেই বিচারপতিরা স্পষ্ট জানান, এর আগে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো নিয়ে রাজ্য সরকারকে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তার জন্য রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের নেতৃত্বে একটি কমিটিও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দেখা গিয়েছে, ঘরে ফেরানো তো হয়ইনি, এমনকী এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগই সেভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। রাজ্য সরকারের এই উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ উচ্চ আদালত।

জুন ২১, ২০২১
দেশ

CoronaVirus: চিকিৎসকদের হেনস্তা করলেই এফআইআর

করোনা আবহে চিকিৎসকদের (Doctors) হেনস্তা করলেই হতে পারে জেল। হেনস্তাকারীর বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। করোনা আবহে লড়াই করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অখচ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের হেনস্তার (Assualt) খবর সামনে আসছে। যার জেরে ক্ষোভ বাড়ছে ডাক্তারদের মধ্যেও। সেই ক্ষোভ প্রশমিত করতেই কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।শনিবার এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি দেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছ, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী হেনস্তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। হুমকি দেওয়া বা হামলার ঘটনা তাঁদের মনোবলকে ম্লান করে দিতে পারে। তৈরি করতে পারে নিরাপত্তাহীনতা। যা স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আরও লেখেন, বর্তমানের কিছু ঘটনা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে FIR করতে হবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এ ধরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর-গুলির অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মহামারি রোগ (সংশোধনী) আইন, ২০২০ প্রয়োগ করার কথাও বলেছেন তিনি। উল্লেখ্য, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় ঘটনা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাস এবং পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে অভিযোগের উপর নির্ভর করে এ ধরনের শাস্তির বহর আরও বাড়তে পারে। মহামারি আইন প্রয়োগ করলে শাস্তি স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।চিঠিতে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজর রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন ভাল্লা। লিখেছেন, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্তায় উৎসাহ জোগাতে পারে এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের উপরেও কড়া নজর রাখতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হাসপাতাল, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি জায়গায় প্রচার চালাতে হবে।

জুন ২০, ২০২১
রাজনীতি

বড় খবরঃ এবার বেসুরো রাজীব, ৩৫৬ ধারার জুজু নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন

হঠাৎ উদয় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দীর্ঘ দিন চুপ থাকার পর বেসুরো রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। সোশাল মিডিয়ায় ৩৫৬ ধারা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন এই বিজেপি নেতা। সমর্থন করলেন মমতা সরকারকে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কী ঘরে ফিরতে চাইছেন রাজীব? এদিকে বিজেপির রাজ্যকমিটির সদস্য সুজিত ঘোষ বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর অসহায় কর্মীদের পাশে না থাকার জন্য দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় তোপ দেগেছেন।এদিনই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বলা হচ্ছে ৩৫৬ ধারা লাগু করার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যে। ঠিক এমন সময়ে একমাস নীরবে থাকার পর দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজীব। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন রাজীব। নির্বাচনে পরাজিত হন প্রাক্তন বনমন্ত্রী। তারপর থেকে প্রকাশ্য কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। এমনকী বারংবার ফোন করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি সাংবাদিকরা। তারপর এদিন এই ফেসবুক পোস্ট।কী লিখেছেন রাজীব?সমালোচনা তো অনেক হলো..........।মানুষের বিপুল সমর্থনে নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি, আার ৩৬৫ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালভাবে নেবে না। তারপরই তিনি লিখেছেন আমাদের সকলের উচিত রাজনীতির উর্দ্ধে উঠে কোভিড ও ইয়াস মোকাবিলায় বাংলার মানুষের পাশে থাকা। এভাবেই বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন রাজীব।সোনালী গুহ, দিপেন্দু বিশ্বাসরা সহ একঝাঁক দলবদলু তৃণমূলে ফিরতে চান। এদিন বিজেপির হেস্টিংসে সাংগঠনিক বিঠকেও হাজির ছিলেন না রাজীব। দলকেও কিছু জানাননি। তৃণমূলে ফেরার পরিস্থিতি তৈরি করছেন বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।এদিকে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুজিত ঘোষ ফেসবুক পোস্টে দলের নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই কর্মীদের বাড়ি, দোকান লুট হতে শুরু করে। তাঁরা ভীত ও সন্ত্রস্ত, পাশে নেই কোনও রাজ্য বা জেলা নেতৃত্ব। দলীয় নেতৃত্বের কেউ ফোন ধরছেন না। দিশা দেখাবার কেউ নেই। কর্মীদের নামে যথেচ্ছ মামলা করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সামান্য সৈনিক হিসাবে এই পরিস্থিতিতে নিজেকে অসহায় লাগছে। অস্থির পরিস্থিতির জন্য বিরোধীদের দায়ী না করে, নিজেদের পর্যালোচনা করা উচিত।একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। তাঁর বক্তব্য, কেন ২রা মে-র ভরাডুবির পর জেলা নেতৃত্ব সামান্য কর্মীদের অসহায় পরিস্থিতিতে ফেলে কলকাতায় চলে গেলেন? তাহলে যে গুজব রটছে এটাকেই কি সাধারণ কর্মীরা সত্য বলে ধরবে? যে পরিযায়ী নেতারা রাজ্যের কিছু নেতার যোগসাজসে কিসের বিনিময়ে সিটগুলো বিক্রি করলেন এই অনুপযুক্ত লোকেদের কাছে?

জুন ০৮, ২০২১
রাজ্য

‘যশ’ মোকাবিলায় কেন্দ্র-রাজ্য একযোগে কাজের বার্তা রাজ্যপালের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার বাংলা। এবার আবার নয়া বিপদ। ঘূর্ণিঝড় যশ ক্রমশই তার থাবা চওড়া করছে। ঠিক বছরখানেক আগে আমফান তছনছ করে দিয়েছিল বাংলার বিভিন্ন। তার থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে সংঘাত ভুলে রাজ্য ও কেন্দ্রকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজের বার্তা দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।সোমবার সকালে একাধিক টুইট করেন রাজ্যপাল। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে ট্যাগ করা টুইটে প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারকে ঘূর্ণিঝড় যশ মোকাবিলায় একযোগে কাজের কথা বলেছেন। উল্লেখ্য, আম্ফানের পরই রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিপর্যস্ত এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেছিলেন তিনি। ১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলেন অনুদান। তবে ক্ষতির নিরিখে তা যথেষ্ট ছিল না বলেই অভিযোগ উঠেছিল।প্রসঙ্গত, রবিবারই বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়। সোমবার সকালে তা ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেয়। বর্তমানে পোর্টব্লেয়ার থেকে ৬০০ কিলোমিটার, পারাদ্বীপ থেকে ৫৪০ কিলোমিটার, ওডিশা থেকে ৬৫০ এবং দিঘা থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান ঘূর্ণিঝড়ের। বুধবারই তা বাংলায় আছড়ে পড়তে পারে। উপকূলীয় অঞ্চলে হতে পারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। ঘূর্ণিঝড় ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি করে, তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ চওড়া হচ্ছে সকলেরই। যদিও রাজ্য প্রশাসন যশ মোকাবিলায় কোমর বেঁধে লেগেছে। উপান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম। নবান্নেও করা হয়েছে ব্যবস্থা। কন্ট্রোল রুমে থাকবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ি বসে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখবেন ফিরহাদ হাকিম। এছাড়া বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেদিকেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নয়া গাইডলাইন জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের

করোনার সংক্রমণের মাঝেই গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠেছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের দাপট। ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রবেশ করেছে এই কালো ছত্রাক। এই সংক্রমণে কলকাতার শম্ভুনাথ হাসপাতালে প্রাণও হারিয়েছেন ৩২ বছরের যুবতী। আর এবার এই সংক্রমণ ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। বঙ্গবাসীকে সতর্ক করতে স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জারি করা হল নতুন গাইডলাইন।জানানো হয়েছে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ এড়াতে মাস্কের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যে সমস্ত এলাকা কিংবা নির্মাণস্থলে বেশি ধুলোবালি রয়েছে, সেসব জায়গায় বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। মাস্ক ছাড়া সেখানে যাওয়ার প্রশ্নই নেই। আবার বাগানে বা মাটি নিয়ে কাজ করলে, জুতো, লম্বা ঝুলের ট্রাউজার, ফুলহাতা শার্ট এবং গ্লাভস পরা জরুরি। পাশাপাশি সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ও ডায়াবেটিক রোগীদের শরীরেই কালো ছত্রাক বেশি করে হানা দিচ্ছে। তাই তাঁদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রার দিকে নজর রাখতে হবে। স্টেরয়েড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহারেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অতিমারি আবহেই দেশের একাধিক রাজ্যে কালো ছত্রাকের হানায় বেড়েছে উদ্বেগ। প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি বলে ঘোষণা করেছিল রাজস্থান সরকার। পরে একই পথে হাঁটে তেলঙ্গানাও। তারপরই দেখা যায়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও রাজ্যগুলিকে এই সংক্রমণকে মহামারির আওতায় ফেলারই নির্দেশিকা দেয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে শুক্রবার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে মারা গিয়েছেন হরিদেবপুরের শম্পা চক্রবর্তী (৩২)। রাজ্যে এই প্রথমবার কেউ এই সংক্রমণে প্রাণ হারালেন। যা করোনা আবহে নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্যবাসীর।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

জোড়া রদবদল রাজ্য প্রশাসনে, সরলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

ফের রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তিু জারি করে আমলাস্তরে জোড়া রদবদল করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর একাধিক পদের রদবদল করেছেন। দুটি পরিবর্তন সেই তালিকায় নবতম সংযোজন।নির্বাচনের আগে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের সচিব ছিলেন সংঘমিত্রা ঘোষ। নির্বাচনের মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে একাধিক আধিকারিককে সরানো হয়। সেই সময় কমিশনের অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার পদে আনা হয় ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সংঘমিত্রা ঘোষকে। ভোট মিটে যাওয়ার পর সরকার গঠন হতেই তাঁকে পুরনো পদেই ফেরানো হল। আরেক অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার স্মারকি মহাপাত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল। বদলে তাঁকে রাজ্যে অর্থদপ্তরের সচিব পদে নিয়োগ করা হল। তিনি ২০০২ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ২০০-রও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ভোট মিটতেই রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিক পদে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ভোটের পরই বদলানো হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসক এবং এসডিপিও-কে। তেমনই রাজ্য পুলিশের আরও একাধিক পদে বদল আনা হয়েছে।বীরভূমের জেলাশাসকের পদে ডিপি কারনামের জায়গায় আসতে চলেছেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এর আগে খাদ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। ডিপি কারনামকে করা হয়েছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ডিরেক্টর। এছাড়া তিনি বিশ্ববাংলা কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাবেন। শ্রী নিখিল নির্মলকে করা হয়েছে বস্ত্রমন্ত্রকের ডিরেক্টর। এদিকে, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। অন্যদিকে, ধবল জৈনকে করা হয়েছে হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার। এছাড়া সরানো হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসক পার্থ ঘোষকেও। তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে। যে পদে এতদিন ছিলেন ধবল জৈন। সেই রদবদলের তালিকা এদিন আরও দীর্ঘ হল।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

সারাদিন তৃণমূল কর্মীদের তাণ্ডব, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ফের টুইট রাজ্যপালের

রাজ্যের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এই ট্যুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। প্রসঙ্গত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্রকে সিবিআই গ্রেপ্তার করার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের এই টুইট।রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সোমবার সিবিআই-র রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়কদের গ্রেপ্তারির পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক টুইট করেছেন। আর সেই টুইটে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। সম্পূর্ণ নৈরাজ্য চলছে। রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। এই টুইট তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেছেন। তিনি তাঁর টুইটে লিখেছেন, এই অস্থির পরিস্থিতিকে কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। এর পরের টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, সম্পূর্ণ বেআইনি পরিস্থিতি ও নৈরাজ্য চলছে। পুলিশ ও প্রশাসন নীরব রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করে এই টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, আমি আশা করবো প্রশাসন রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। এই পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সাংবিধানিক বিপর্যয়ের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।এখন সময় হয়েছে মুহূর্তে মুহূর্তে সৃষ্টি হওয়া বিস্ফোরক পরিস্থিতিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা। এর পর সিবিআই অফিসার সামনে তৃণমূল সমর্থকদের বিক্ষোভের সমালোচনা করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের দর্শকের ভূমিকা উদ্বেগজনক। রাজ্য প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

মে ১৭, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্যে প্রশাসনিক ও পুলিশে রদবদল

রাজ্যে জেলাশাসক স্তরে এদিস ফের রদবদল হলো। বীরভূম জেলার নতুন জেলাশাসক হলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি খাদ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব ছিলেন। এখনকার জেলাশাসক ডিপি কারানাম ক্ষুদ্র ও কুটীর শিল্প দপ্তরের অধিকর্তা হলেন। এই দায়িত্বে ছিলেন নিখিল নির্মল। তাঁকে বস্ত্র অধিকর্তা করা হলো। হাওড়া পুরসভার কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে স্বাস্থ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব করা হলো। তাঁর জায়গায় এলেন দাভাল জৈন। তাঁকে হাওড়া জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকের দায়িত্বও দেওয়া হলো। বুধবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর।এদিন আইপিএস স্তরেও বেশ কিছু রদবদল হয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং আইজি, উত্তরবঙ্গ হলেন। এই পদে ছিলেন আইপিএস বিশাল গর্গ। তাঁকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত নগরপাল করা হলো। কম্পালসারি ওয়েটিংএ থাকা আইপিএস শ্রীহরি পাণ্ডেকে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের নর্থ জোনের ডিসি করা হলো। রায়গঞ্জের ফোর্থ ব্যাটেলিয়ান স্যাপের সিও আইপিএস প্রদীপ কুমার যাদবকে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের পুলিশ সুপার করা হলো।

মে ১২, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হলেন শুভেন্দু অধিকারীই

তৃণমূলের তৃতীয়বারের জমানায় বিরোধী দলনেতা হলেন শুভেন্দু অধিকারী । সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি। গত বছর ডিসেম্বরে তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এসে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া শুভেন্দুই এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরোধী মুখ। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতার হেস্টিংসে পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসে বিজেপি। দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসেছিল গেরুয়া শিবির। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব। একইসঙ্গে দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককেও ডাকা হয়। ছিলেন রাজ্যের শীর্ষনেতারাও। সেখানেই শুভেন্দুর নাম নির্বাচিত হয়। দায়িত্ব নিয়ে শুভেন্দু বলেন, বৈঠক হল। আমার নাম ঘোষণা হল। হাতাতালি পড়ল। কিন্তু মন ভাল নেই। কারণ বাংলা ভাল নেই। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে তা পালন করব। আমার তিনটে লক্ষ্য, হিংসামুক্ত বাংলা। যে কোনও অন্যায় হলে সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনে প্রতিবাদ করা। এবং যে কোনও ধরনের গঠনমূলক কাজ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে জয়ী হওয়ার পর থেকেই বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী ছিল।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

কোভিড আবহে ৭ মিনিটেই শেষ ৪৩ মন্ত্রীর শপথ

তৃতীয়বার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় তৃণমূল সরকার। নন্দীগ্রাম থেকে কয়েকশো ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নিজের মন্ত্রিসভা সাজিয়ে নেওয়ার পালা। রবিবারই সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রকাশ করেছেন তিনি। ১৬ নতুন মুখ-সহ মোট ৪৩ জন মন্ত্রীর শপথগ্রহণ হল আজ রাজভবনে। নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে তৈরি নয়া মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।করোনা আক্রান্ত ব্রাত্য বসু রয়েছেন আইসোলেশনে। রাজভবনে নয়, ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি শপথ নেন। একইভাবে শপথ নেস আরও দুই মন্ত্রী অমিত মিত্র, রথীন ঘোষ। অসুস্থতার কারণে এই সিদ্ধান্ত। রাজ্যপাল জগদীর ধনকড় সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করান থ্রোন রুমে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনে পৌঁছলে শপথের আগে তাঁকে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিলেন বেশ কয়েকজন। কোভিড সকলে মেনে চলো, শপথ নিয়ে কেউ প্রণাম করতে এসো না, বললেন মুখ্যমন্ত্রী।এরপর শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে শেষ মুহূর্তে আলোচনা সেরে নেন মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব ও বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পূর্ণমন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদে কে কে শপথ নেবেন, তার তালিকা পড়েন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রতিমন্ত্রীদের একইসঙ্গে শপথ পড়ান রাজ্যপাল। নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে শপথ নিলেন তাঁরা। কোভিড আবহে অতি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান হয় এদিন। এতদিনের রীতি মেনেরাজ্যপালের পাশে দাঁড়িয়ে শপথ গ্রহণ করা হলনা এবার। ৭ মিনিটে ৪৩ জনের শপথ পর্ব শেষ হয়। অনুষ্ঠান শেষে একান্তে কথা বলেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্য পুলিশের বড়সড় রদবদল, কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে ৪ আইপিএস

রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গঠন করেই পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বুধবারই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে একাধিক রদবদল করা হয়েছিল। আর বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলাস্তরের পুলিশ আধিকারিকদের বদলির কথা জানানো হয়েছে। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার দেবেন্দ্র কুমার সিংকে সরিয়ে কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদে বহাল করা হল। অর্থাৎ তিনি কলকাতার পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্রকে সহায়তা করবেন। শিলিগুড়ি কমিশনারেটের ডিসির পদে গেলেন আইপিএস অমিতাভ মাইতি। কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হয়েছে ৪ আইপিএসকে। একঝলকে দেখে নিন রদবদল পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক , পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছিল বুধবার। জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্বে এলেন আইপিএস অমরনাথ কে। আইপিএস ধৃতিমান সরকারকে ঝাড়গ্রাম থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল বারাকপুর নর্থের ডিসি পদে। সূর্যপ্রতাপ যাদবকে জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল বিধাননগরের। তিনি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসির দায়িত্ব নিলেন। ক্লোজ করা হল মালদহের ইংরেজবাজারের আইসি মদনমোহন রায়কে। আইপিএস অজয় নন্দকে পাঠানো হল এডজি, সিআইএফ পদে। তিনি এতদিন বারাকপুরের সিপির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। এডিজি, পশ্চিমাঞ্চল রাজেশ কুমার, হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার শ্রীহরি পাণ্ডে, আলিপুরদুয়ারের এসপি অমিত কুমার সিং, পূর্ব বর্ধমানের এসপি অজিত কুমার যাদব এই চারজনকে পাঠানো হয়েছে কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে। নতুন জেলাশাসক হলেন বদলি করা হয়েছে মানিকতলা, পার্ক স্ট্রিটের ওসিদেরও। কালীঘাট থানার ওসি পদে পুনর্বহাল হয়েছেন শান্তনু সিনহা। তিনি এই পদে ছিলেন টানা তিন বছর। ভোটের আগে নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে অন্যত্র বদলি করে দেয় কমিশন। ভোট মিটতেই তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে আগের জায়গায়।পশ্চিম বর্ধমান ও দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক পদেও বদল হয়েছে। দার্জিলিংয়ের নতুন জেলাশাসক এস পুনামবালান, পশ্চিম বর্ধমানে বিভু গোয়েল। স্বরাষ্ট্র ও পুলিশ দপ্তর সাধারণত নিজের হাতেই রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রিত্বেও তাইই থাকার সম্ভাবনা। তাই পুলিশ প্রশাসনের রদবদলে তাঁর অনুমোদনই শেষ কথা। বুধবার ফের নবান্নে বসেই তিনি প্রয়োজনীয় রদবদল সারলেন। বৃহস্পতিবার আরও একপ্রস্ত বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি হল। আরও ভালভাবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তাঁর এই পদক্ষেপ, মত ওয়াকিবহাল মহলের।

মে ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal