• ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sp

রাজ্য

শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ও শান্তনুর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা তৃণমূলের

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতিতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল অনেক আগেই বহিস্কার করেছে। তবে তিনি এখনও দলে বিধায়ক রয়েছেন। গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য এখনও বিধায়ক রয়েছেন। এবার শিক্ষা দুর্নীতিতে গ্রেফাতার দুই যুব নেতা কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করল। যদিও গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রয়েছেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রায় ২ মাস হতে চলল গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য যুবনেতা কুন্তল ঘোষকে। কুন্তলকে গ্রেফতার করার পর নতুন নতুন নাম করেছে ইডির কাছে। তাঁদের তলব করছে ইডি। চার দিন আগে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে ইডি। এদিন তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয় কুন্তল ও শান্তনুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন কুন্তল। কিন্তু শান্তনু দলের সেভাবে কোনও পদে ছিলেন না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও শশী পাঁজা সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন। এদিন শশী পাঁজা বলেন, সঞ্জীব সুকুল নামে যে ব্যক্তির চাকরি খুইয়েছেন তিনি শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বিজেপি ও সিপিএম নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাজেট ভাষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি, এক বছরেই উলোট-পূরাণ

রাজ্যপাল হায় হায় বলে স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দেওয়া লিখিত ভাষণ পাঠ করা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন চোর ধরো জেল ভরো স্লাগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। ছিঁড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালের ভাষণের কপি। ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। এমনকী রাজ্যপাল বিধানসভা চত্বরে গাড়িতে ওঠার সময়ও গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সময় বিপরীত দৃশ্য দেখা যেত। তখন রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাত তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা, এখন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি বিধায়করা। একেবারেই উলোট-পূরাণ।গতবছর ২০২২ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ভাষণ না পাঠ করেই বিধানসভার কক্ষ ত্যাগ করছিলেন। তখন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, শিউলি সাহারা ঘেরাও করে ফেলেছিলেন ধনকড়কে। কোনওরকম ভাবে নামকা ওয়াস্তে রাজ্য সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর চোখের ইশারায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এখন বিজেপির স্লোগান-বিক্ষোভের সমালোচনা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বদলে যেতেই বদলে গেল বিধানসভার পরিস্থিতি। এমনকী রাজভবনকে তৃণমূল বলত বিজেপির সদর দফতর। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই বদল ঘটেছে। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপালের পদ ছেড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। তখনও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে বিজেপি। তারপর সেন্ট জেভিয়ার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডি লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন রাজ্যপাল।মোদ্দা কথা রাজ্যপালের কর্মকান্ডে খুশি নয় বঙ্গ বিজেপি। এখনও অবধি রাজ্যপালের অবস্থানে তৃণমূল স্বস্তিতে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানে স্কুলের ক্রীড়া পরিকাঠামো দেখে মুগ্ধ প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়কের আক্ষেপ ছাত্র-ছাত্রীদের ক্রীড়া অনিহায়

প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও ধুমধামের সাথে শুরু হল বর্ধমান শহরের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা। শহরের প্রান্তে অবস্থিত দেওয়ানদিঘী অঞ্চলের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে শুক্রবার দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতযোগীতার সূচনা হয়। সম্প্রীতির বার্তা জানিয়ে একঝাঁক গ্যাস বেলুন আকাশে ওড়ানো হয়। মশাল প্রজ্জ্বলন করে ক্রীড়া প্রতিযোগীতার শুভ উদ্বধোন করেন ভারতের জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ও সুনামের সাথে কলকাতা ময়দানের তিন প্রধান খেলা বর্ষিয়ান গোলরক্ষক ভাস্কর গাঙ্গুলি।উদ্বোধনী ভাষণে আক্ষেপের স্বরে বর্ষীয়ান খেলোয়াড় জানান, খেলার মাঠে যাওয়ার প্রবণতা এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের ক্রমশই কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের সময়ে আমরা বেশী খেলতাম বলে অবিভাবকদের বকুনি খেতাম, আর এখন ঠিক তাঁর উল্টোটা। তিনি বাচ্ছাদের মাঠমুখী করার জন্য অবিভাবকদেরও এগিয়ে আসতে বলেন। তিনি বলেন, খেলাধুলা শুধুমাত্র শরীর স্বাস্থ্য সুস্থ রাখার জন্য নয়, মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে, দলবদ্ধ ভাবে কোনও কাজ করার মানসিকতা গড়তে ও প্রতি পদক্ষেপের জেতার জেদ তৈরি করতে এর কোনও বিকল্প নেই।বর্ষীয়ান খেলোয়াড় ভাস্কর গাঙ্গুলি আরও বলেন, শুধু মাত্র ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস-খেলেও কেরিয়ার তৈরি করা যায়। তিনি বলেন, আমার পরিচিত এক প্রো-কবাডি খেলোয়ারের সাথে কয়েকদিন আগে দেখা হয়েছিলো, সে বলেছিলো একটু ভালো কবাডি খেলোয়াড় প্রো-কবাডি টুর্নামেন্ট খেলে বছরে এক কোটি টাকার কাছাকাছি আয় করে। সেই উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শুধুমাত্র জনপ্রিয় খেলার পিছনে না ছুটে বাচ্ছার যেটা মন চায় খেলুক।তিনি বর্ধমানের এই স্কুলের পরিকাঠামো-র ভুয়াসী প্রশংসা করে বলেন, এখানে দুইটি প্রমান মাপের মাঠ, একটি প্রসস্ত ইন্ডোর অডিটোরিয়াম সবই আছে শুধুমাত্র অভাব একঝাঁক উৎসাহী ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রী। ভাস্কর গাঙ্গুলি স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডলকে জানান, তাঁকে কোনও প্রয়োজনে লাগলে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়ে সাহায্য করতে প্রস্তুত।ভাস্কর গাঙ্গুলি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় জয়ী বাচ্ছাদের হাতে ট্রফি ও সার্টিফিকেট তুলে দেন। উপস্থিত ছিলেন প্রবীন ক্রীড়া সাংবাদিক ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আর্কাইভ ও লাইব্রেরির কিউরেটর আরুপ পাল। স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথাকে বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস খেলাধুলা কখনই পড়াশোনা-কে ক্ষতি করে না বরং আরও মনোযোগী হতে ও ভবিষ্যৎ জীবনে লড়াইয়ের রসদ যোগান দেয়।

জানুয়ারি ২০, ২০২৩
রাজ্য

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছোট্ট দেবস্মিতার পাশে দাঁড়াতে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আবেদন শ্রীলেখা মিত্রের

দূর্গা পুজোয় অনুদান আছে। ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেচ্ছ অনুদান আছে,আছে স্বাস্থসাথীর মত মানবিক প্রকল্প, নেই বিরল রোগের আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসার অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত তাঁরা? তার কোনও সদুত্তর নেই সরকারের কাছে এমনিই অভিযোগ বিরলতম রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলির। বিরলতম রোগের তালিকায় প্রথেমেই যে নাম মনে আসে তা স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ)। রোগটির ভয়াবহতা স্মরণ করতে আগস্ট মাসটিকে এই রোগের সচেতনতা মাস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার কতটা এই বিষয়ে সচেতন সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।গত কয়েক মাসে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে চার এসএমএ আক্রান্তের! অসহায় পিতা-মাতা-পরিবার আঙ্গুল তুলছেন সরকারি উদাসীনতার দিকে। চিকিৎসা করিয়েও তার ফলাফল নিশ্চিত হার জেনেও অদম্য মনোভাবের পরিচয় দিয়ে হার না মানা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই বিরলতম রোগের পরিবারের সদস্যরা।এসএমএ আক্রান্তের পাশে দাঁড়ানস্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি এক কথায় এসএমএ (SMA)। মানব দেহের পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে মোটর নিউরোন, সেই মোটর নিউরোনের কার্যকারিতা আসতে আসতে অকেজো হয়ে যাওয়াই জিনঘটিত এই বিরল রোগের মূল কারণ বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এসএমএ রোগের তীব্রতা অনুযায়ী, এটিকে টাইপ ওয়ান থেকে শুরু করে টাইপ ফাইভ পর্যন্ত ভাগ করা হয়ে থাকে। এই রোগ প্রতিকারের ওষুধ বাজারে পাওয়া গেলেও সাধারন মানুষের পক্ষে তা ক্রয় করা এক প্রকার অসাধ্য। এই কারণে সময়মত ওষুধ না পেয়ে ক্রমশ লম্বা হচ্ছে মৃতের তালিকা। অগস্ট মাস অবধি বঙ্গে চার এসএমএ (SMA)আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।এ-পর্যন্ত রাজ্যে ১০০ র ওপর এসএমএ (SMA) আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত পরিবার সুত্রে জানা গেছে,অন্য তাঁরা এই বিরলতম রোগের ওষধের জন্য স্বাস্থ্য ভবনে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়, যে ওষুধের জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন, তা অনৈতিক ধরনের চড়া মূল্যের! (আনএথিকালি হাই) এবং তার সাফল্যের হারও উল্লেখযোগ্য নয়। সেই কারণে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটি এই আবেদন গ্রাহ্য করতে পারছে না। যাঁরা এই রোগের চিকিৎসার সাথে জড়িত সেই সমস্ত চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ওষুধের দাম বেশী বলা যাতেই পারে কিন্তু কোনও ভাবেই অনৈতিক বলা যেতে পারে না, আবার সেই ওষুধ যদি জীবনদায়ী হয় তাহলে তো কোনভাবেই বলা যায় না। এই ব্যাপারে কোনও ব্যাখ্যা স্বাস্থ দপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি।ফুটফুটে দেবস্মিতাএসএমএ (SMA) আক্রান্ত পরিবারগুলির তরফে জানা গেছে, যেহেতু এসএমএ (SMA) ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা হয়নি সেই কারণে তাঁদের এই উদাসীনতা। আক্রান্ত পরিবারের এক সদস্যের আক্ষেপ, তাঁদের বাচ্চারা কি এতটা সময় পাবে! এই ওষুধ রশে(Roche) নামক এক সংস্থা তৈরি করে। চিকিৎসক সুত্র জানা যায়, এই ওষুধ খেলে এসএমএ (SMA) সেরে যায় না, নিয়ন্ত্রন করা যায়।স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি-তে আক্রান্ত বাঁশদ্রোনী-র ১২ বছরের মেয়ে দেবস্মিতা ঘোষ। ছোট্ট দেবস্মিতা ভালোবাসে গান গাইতে, পড়াশোনা করতে, আবৃত্তি করতে, খেলতে। তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষ রাস্ট্রায়ত্ত দূরভাষ সংস্থায় কর্মরত ও মা মৌমিতা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ছোট বেলায় দেবস্মিতা আর পাঁচটা বাচ্চদের মতই খেলত দৌড়াত গান করত। বয়স বাড়তেই শারীরিক অসুবিধা ধরা পরে। প্রথম দিকে আর পাঁচটা অবিভাবকের মতই তার বাবা-মাও ভেবেছিলেন এটা সাময়িক কোনও সমস্যা। চিকিৎসার দীর্ঘসুত্রিতা তে ধরা পড়ল এটা একটা বিরলতম রোগ। যার চিকিৎসা সরকারি সাহায্য ছাড়া কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। দেবস্মিতার বাবা মা তাদের শেষ সম্বল দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আজ কপর্দক শূন্য। নিঃস্ব পিতা মাতা সরকারি সাহায্যের চেষ্টা করেও কোনও কিনারা করতে পারেননি। বহু আবেদন নিবদনের নিটফল শূন্য। এখন তাদের একমাত্র ভরসা, কোনও সহৃদয় মানুষ বা এনজিও যদি এগিয়ে আসেন। ইতিমধ্যেই অনেকে এগিয়ে এসেছেন যদিও প্রয়োজনের তুলনাই তা অপ্রতুল।গান দেবস্মিতার খুব প্রিয়দেবাশিষ দূর্গাপুর এনআইটি প্রাক্তনি। সেই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনিরা তাঁদের সামর্থ অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এই সাহায্যের আবেদন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়েছে। আমেরিকাতে দেবস্মিতার জন্য তহবিল সংগ্রহের দ্বায়ীত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন এনআইটি আর এক প্রাক্তনী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত দুর্গাপুরের সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুরজিৎ জনতার কথাকে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর পরিচিত জন ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে দুরারোগ্য এসএমএ (SMA) আক্রান্ত দেবস্মিতার চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন রাখছেন। আবেদনে কিছু কিছু সাড়াও পাচ্ছেন।এগিয়ে এসেছেন দূর্গাপুরের বামপন্থী মনভাবাপন্ন সৌরভ দত্ত। সৌরভ দূর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের বাম শ্রমীক সংগঠন সিআইটিইউ-র জয়েন্ট সেক্রেটারি। তাঁর স্ত্রী মৌ সেন দেবস্মিতা-র বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে এনআইটি প্রাক্তনি সুত্রে পরিচিত। সমাজসেবী সৌরভ নিজের উদ্যোগে বিশিষ্ট মানুষজনদের দিয়ে আবেদন করাচ্ছেন যাতে এই আবেদনটা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছানো যায়। তিনি নিজেও বিভিন্ন ভাবে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।নিষ্পাপ শিশু দেবস্মিতাদেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে টলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, মানসী সিনহা, দেবদুত ঘোষ সহ বিশিষ্ট গীতীকার কাজী কামাল নাসের। শ্রীলেখা মিত্র খুব তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের দেবস্মিতার পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন অনেক নেতা মন্ত্রীদের ঘর থেকে অনেক অনেক টাকা বেড়োলো, নানা জায়গায় অনেক মেলা উৎসব চলছে। তাঁর মধ্যে থেকে কোনও নেতা যদি দেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়ালে, ভিন্ন রাজনৈতিক সত্তার হলেও তাঁদের হয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভালো ভালো কথা পোস্ট করবেন। তিনি আরও জানান প্রত্যেক বাবা ময়ের কাছে তাঁদের সন্তান নয়নের মণি। সন্তান ভালো থাকুক সব বাবা মাই চায়। সেই সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও কেউ বাবা কেউ মা।ছোট্ট দেবস্মিতার সুস্থ থাকার জন্য এই মুহুর্তে আনুমানিক ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন শুধুমাত্র ওষুধ কেনার জন্য। এক এক বছরে তাঁর ৭০ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগছে। বিগত তিন বছরের ওষুধ দেবাশিষ রোচে সংস্থা থেকে বিনামুল্যে যোগার করেছেন। যা দিয়ে ২০২২ অবধি দেবস্মিতা কে সুস্থ রাখা যাবে। আগামী বছর তাঁকে সুস্থ থাকার জন্য এই পাহাড় প্রমান টাকা যোগার করতে হবে। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ব্যক্তিগত ভাবে যদি কেউ দেবস্মিতা কে অর্থ সাহায্য করতে চান, তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তাঁর মোবাইল নম্বর +91 94330 00417

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

মেডিক্যাল কলেজে নির্বাচন, স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা অধ্যক্ষের

একটানা সাতদিনে পড়েছে মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের এই আন্দোলন। এখনও জট কাটেনি। টানা আন্দোলনের জেরে অসুস্থ হচ্ছেন একের পর এক আন্দোলনকারী। এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অনশনরত ডাক্তারি পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ালেন তাঁদের অভিভাবকরাও। প্রতীকী অনশন শুরু করে দিলেন অভিবাকরা। পড়ুয়াদের দাবিকে মান্যতা দেওয়ার এই আন্দোলনে আজ সকাল ১০ টা থেকে ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনে অভিভাবকরা। কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডক্টর ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য অবন থেকে বেরোলেন। বেরিয়ে তিনি বলেন, সমস্যাটা আমাদের কলেজ কাউন্সিলের হাতে নেই। সিদ্ধান্ত উপর মহল থেকে আসবে। আলোচনা চলছে কিছু একটা সুরাহা তো নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে। অনশন তুলে নেওয়া হোক। ইলেকশন হবে, কিন্তু ২২ ডিসেম্বর হবে না। আমরা পরে একটা তারিখ ঠিক করব।মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনেই অনশন আন্দোলন চলছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলনের ঝাঁঝ বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবার তাঁদের সঙ্গেই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন অভিভাবকরাও। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে আন্দোলনকারীদের ৬ অভিভাবকও ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশন শুরু করেন। সকাল ১০টা থেকে মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তাঁরা অনশন করছেন।উল্লেখ্য, মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন-সহ বেশ কয়েকটি দাবিতে অনশন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা। আগামী ২২ ডিসেম্বর মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দিন ৩০ নভেম্বর ঘোষণা করেছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। যদিও পরে সেই ২২-এর পরিবর্তে অন্য কোনও দিন ছাত্র ভোট হবে বলে জানানো হয়। যদিও ছাত্র সংসদের নির্বাচন ঠিক কবে নাগাদ হতে পারে সেব্যাপারে স্পষ্ট কোনও উত্তর মেলেেনি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচন করতেই হবে, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রদের অনশন অব্যাহত, অসুস্থ দুই

দুদিন পেরিয়ে গেলেও অনশন জারি রেখেছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারা। নির্বাচনের দাবিতে দিয়ে চলেছেন লাগাতার স্লোগান। শনিবার সন্ধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাজির হন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। তিনি হাসপাতালের অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনের দাবিতে অবিচল ছাত্ররা। এদিন অনশনরত দুই ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশাল পুলিশবাহিনী রয়েছে আশেপাশে।ছাত্রদের দাবি, ঘোষণা করার পরও নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। ৩০ নভেম্বর ঘোষণা হয়েছিল ২২ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে। কেন সেই নির্বাচন হবে হবে না প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্ররা। এর আগে অবরোধ আন্দোলন করেছিল মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। এবার চলছে লাগাতার অনশন। চিকিৎসক সংগঠনগুলির নেতৃত্বও দাবি করেছে, সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন করতে হবে। অনশনরত ছাত্রদের মধ্যে ২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন বলে চিকিতসকরা পরামর্শ দিয়েছেন। অসুস্থরা চিকিৎসা করাতে চাইছেন না। এই নিয়ে চলছে চাপান-উতোর। ছাত্রদের একটাই দাবি, অবিলম্বে নির্বাচন করতেই হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

যুব মোর্চার বর্ধমান জেলা সভাপতি অপসারণের দাবি

আজ দিনভর বর্ধমান জেলা বিজেপির দপ্তরে বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য কার্যকারিণী সভা চলছে। আর এই সময়ই যুব মোর্চার বর্ধমান জেলা সভাপতি পিন্টু সামকে বহিস্কারের দাবি নিয়ে পোস্টার পড়ল বর্ধমান শহরের কোর্ট এলাকায়। ওই পোস্টারে শ্রী সামকে প্রাক্তন হার্মাদ বলে বর্ণনা করে তার বিরুদ্ধে চাকরির নাম করে পয়সা নেবার অভিযোগ করা হয়েছে। তোলা হয়েছে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযোগ। যদিও পোস্টারটি বেনামী। কে বা কারা লাগিয়েছে জানা যায়নি। তবে পোস্টার নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলা বিজেপিতে।এই নিয়ে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সাংবাদিকরা তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন; এগুলো বিরোধীদের অপপ্রচার। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এগুলো করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন; বিজেপিতে কোনও বিধায়ক, সাংসদ এমনকি খোদ রাজ্য সভাপতির কোনও চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা নেই। এরকম অভিযোগ থাকলে দল তা দেখবে। আগামীদিনে রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলেও মেধার ভিত্তিতে চাকরি হবে।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা আগুন, হাসপাতালের স্টোররুম ভস্মীভূত

আচমকা আগুন লাগার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসির পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।দমকলের দুটি ইজ্ঞিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন আয়ত্তে আনে। আগুনে স্টোররুম ভস্মীভূত হয়ে যায়। এমনকি স্টোররুমের সাটার লাগানো গেটও আগুনের লেলিহান শিখায় দুমড়ে মুচড়ে যায়। স্টোররুমে থাকা বেড ও বেশ কিছু নথিপত্রও পুড়ে যায় আগুনে।মঙ্গলবার দুপুর ১ টার সময় স্টোররুম থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের দেখে রুগীর আত্মীয় পরিজনরা।খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান সর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।আগুনের ফুলকি ও ধোঁয়া দেখে রুগী ও রুগীর আত্মীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

নভেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১৭ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের কালেখাতলা-১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হৃষি এলাকায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পরে। শুক্রবার বিকালের পর থেকেই তাঁরা অসুস্থতা বেশি বোধ করায় পূর্বস্থলী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করানোর জন্য আসে ১৭ জন।পূর্বস্থলী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা জয়কৃষ্ণ দাস নামের এক ব্যক্তি বলেন, তার বাবা মারা যাওয়ার পর শ্রাদ্ধশান্তি অনুষ্ঠানের কাজ শেষে খাওয়াদাওয়ার করার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে বমি পায়খানা শুরু হয়। আজ দুপুরের পর থেকে অবস্থা খারাপ হওয়ায় পূর্বস্থলী হাসপাতালে ১৭ জনকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। শনিবার সকালে ১২ জন পূর্বস্থলী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই এই ঘটনা বলে অনুমান হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভ রায়ের।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

হঠাৎ পঞ্চায়েত পরিদর্শনে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা

বুধবার মন্তেশ্বরের গ্রাম পঞ্চায়েত পরিদর্শনে এলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। এদিন তিনি পঞ্চায়েতের বিভিন্ন খাতের হিসাব নিকাশ সহ বিভিন্ন কাজ খতিয়ে দেখে উক্ত পঞ্চায়েত ভালো কাজ করছে বলে জানান। অন্যদিকে এদিন জেলাশাসককে কাছে পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন জামনা সমবায় সমিতির অ্যাসিষ্ট্যান্ট ম্যানেজার সুমন ঘোষ। তিনি এদিন জেলাশাসককে জানান, জামনা সমবায় এক মিলারের কাছ থেকে সুদ সহ প্রায় দেড় কোটি টাকা প্রাপ্য থাকলেও তা এখনও না মেলায় সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সমবায়ের গ্রাহকদের। এরপরেই জেলাশাসক বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে তিনি জানান। এদিন জেলাশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগত, বিডিও গোবিন্দ দাস সহ অন্যান্যরা।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

মফস্বল ও শহরতলি থেকে কলকাতায় রাত জেগে প্রতিমা দর্শনঃ রাতভোর লোকাল ট্রেনের সময়সূচি জানুন

বাংলার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো হেরিটেজ তকম দিয়েছে। তা নিয়ে মাতোয়াড়া বাংলা। এদিকে কলকাতার প্রতিমা দর্শনে সাধারণের সুবিধা করতে প্রতিবারের মতো এবারও এগিয়ে এসেছে পূর্ব রেল। দুর্গা-পুজোয় ঠাকুর ও প্যান্ডেল দেখার জন্য একগুচ্ছ অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত পূর্ব রেলের। পুজোতে রাতভর ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত কথা জানালো রেল। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনে ২০টি স্পেশাল ট্রেন দুর্গাপুজোর পঞ্চমী থেকে দশমী অবধি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। এই বাড়তি ট্রেন গুলি শিয়ালদহনৈহাটি, শিয়ালদহরানাঘাট, শিয়ালদহবনগাঁ, শিয়ালদহ-ডানকুনি ও দক্ষিণ শাখায় স্পেশাল বজবজ এবং বারুইপুর লোকাল চালানো হবে বলে সুত্রে জানা গেছে।কোন ষ্টেশন থেকে কোন সময় স্পেশাল ট্রেনগুলি ছাড়বে জেনে নিনঃ* শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট যাবার শেষ ট্রেন শিয়ালদহ ষ্টেশন ছাড়বে রাত ১২ টা ৪০ মিনিটে। রানাঘাট থেকে শিয়ালদহ আসার লোকাল ট্রেন রানাঘাট ছাড়বে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে।* দুটি স্পেশাল শিয়ালদহ-নৈহাটি লোকাল চালানো হবে রাতে। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে একটি ট্রেন শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে, অপরটি ২টা ৩০ মিনিটে। ওই একই শাখায় নৈহাটি থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশে শেষ দুটি ট্রেন ছাড়বে যথাক্রমে রাত ১২টা ২৫মিনিট ও রাত ২টা ৫৫ মিনিটে।* শিয়ালদহ - বনগাঁর লাইনের শেষ ট্রেন শিয়ালদহ ষ্টেশন ছাড়বে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে। অন্যদিকে বনগাঁ থেকে শেষ শিয়ালদহ আসার শেষ লোকাল ছাড়বে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে।* শিয়ালদহ-ডানকুনি শেষ লোকাল ট্রেন শিয়ালদহ ছাড়বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে। আবার ডানকুনি থেকে শিয়ালদহের উদ্দেশে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ২৫ মিনিটে।* এছাড়া অতিরিক্ত ভিড় ও ঠাকুর দেখার জন্য পুজোর সময় এক জোড়া রানাঘাট-বনগাঁ লোকাল ট্রেন চলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল দপ্তর। রানাঘাট থেকে বনগাঁ যাওয়ার শেষ লোকাল ট্রেনটি ছাড়বে রাত ১০টায়। অপরদিকে, রানাঘাট আসার শেষ ট্রেন বনগাঁ ষ্টেশন ছাড়বে ৯ টা ৫৮ মিনিটে।* শিয়ালদহ-বারুইপুর শাখায় তিন জোড়া লোকাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। শিয়ালদহ থেকে সেই তিনটি ট্রেন ছাড়বে যথাক্রমে- দুপুর ৩টা ২০ মিনিট, রাত ১২টা ৩০ এবং ২টা ২০ মিনিটে।* বারুইপুর থেকে শিয়ালদহ আসারও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ওই শাখায় তিনটি লোকাল ট্রেন দেওয়া হয়েছে। একটি বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটে, বাকি দুটি রাত ১টা ২৫ মিনিটে ও ভোর ৩টা ১০ মিনিটে।* শিয়ালদহ-বজবজ শাখায়, বজবজ স্টেশন থেকে শিয়ালদহ আসার শেষ লোকাল ট্রেন ছাড়বে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে। অপরদিকে শিয়ালদহ থেকে বজবজের উদ্দশ্যে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ পক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করার দাবীতে ডেপুটেশন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে আন্দোলন-আদালত-গ্রেফতার তার সাথে কোটি কোটি কালো টাকা উদ্ধার দেখতে দেখতে রাজ্যের মানুষ ক্লান্ত অবসন্ন। তার মাঝেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো আপার প্রাইমারী চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলন। বুধবার বর্ধমান শহরে বঞ্চিত আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীরা বর্ধমান ইউনিট জেলা প্রাইমারির সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে ডেপুটেশন প্রদান করেন।তাদের দাবি, ২০১৪ তে নোটিফিকেশন জারি হয় এবং ২০১৫ তে পরীক্ষা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফল বের হয় ২০১৬ তে, সেই লিস্টের ভিত্তিতে ইন্টারভিউ হয়। সেই ইন্টারভিউ প্যানেল ২০১৯-এর ডিসেম্বর মাসে হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্যের বেঞ্চে বাতিল হয়। তাদের আরও অভিযোগ পরবর্তীকালে আবার প্যানেল ঘোষণা করা হয়, তাতে দেখা যায় যাঁরা কম নাম্বার পেয়েছিল তাঁদের নাম উঠেছে যোগ্য পার্থিদের নাম বাদ দিয়ে, পিছনে থাকা প্রার্থীদের নাম ঢোকানো হয়। তারা এই সভা থেকে দাবি তোলেন গত আট বছরের সমস্ত সিট আপডেট করে পুর্বতন ইন্টারভিউ লিস্টকে মান্যতা দিয়ে সমস্ত শূন্য পদে আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থী নিয়োগ করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
কলকাতা

কলকাতার হাসপাতালে 'নমস্তে', মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন প্রতিবাদ বাংলা পক্ষের

আর এন ট্যাগর হাসপাতালে নমস্কারের বদলে নমস্তে বলার ফরমানের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদ জানালো বাংলা পক্ষ। মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন এই প্রতিবাদে বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধাদের হাতে ছিল নমস্তে নয় নমস্কার বলুন। হিন্দি ভারতের রাষ্ট্র ভাষা নয় লেখা ব্যানার ও পোষ্টার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বাংলায় যেখানে ৮৬ শতাংশ নাগরিক বাঙালি এমন একটি রাজ্যের রাজধানীতে অবস্থিত হাসপাতালে আগত রোগী, রোগীর আত্মীয় সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে নমস্কারের বদলে নমস্তে বলা হচ্ছে।এমনকি বহির্বিভাগে চিকিৎসা করাতে চাওয়া রোগীরা চিকিৎসকের সময় চাইলে তাদের হিন্দিতে তথ্য দিতে বলা হচ্ছে। এই কথায় সহজেই অনুমেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ভিন্ন এই কাজ অসম্ভব। বাংলা পক্ষের তরফে ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা পক্ষের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগণা (গ্রামীণ)-এর জেলা সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার এবং কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়।বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলার মাটিতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম সামনে রেখে চলা হাসপাতালে বাংলা ভাষায় নমস্কার না বলে নমস্তে বলা চলবে না। তিনি বলেন, এটি হিন্দি চাপানোর প্রাথমিক ধাপ, এর পরের ধাপেই বাঙালি কর্মী ছাঁটাই করে বহিরাগত কর্মীদের হাসপাতালে নিযুক্ত করা হবে। কাজ হারাবে বাঙালি কর্মচারীরা।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, কলকাতার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের আমিষ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ হিসেবে হাস্যকর যুক্তি দেওয়া হচ্ছে হাসপাতালের মালিক আমিষ খায় না। তিনি বলেন, বাংলার সরকারের দেওয়া জায়গায় হাসপাতাল তৈরি করে, বাংলার প্রাতঃস্মরণীয় মনিষীর নাম ব্যবহার করে বাঙালির উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরপ বলেন, বহিরাগত এইচ আর কেন এগুলি করছেন তার উদ্দেশ্য বাংলা পক্ষ-র অজানা নয়। বাঙালি কর্মীদের সরিয়ে বহিরাগত কর্মীদের সেই জায়গায় কাজে নিয়োগ এই চক্রান্তের আসল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন হাসপাতাল একটি বিশেষ আপৎকালীন জায়গা। তাই কোনও প্রবেশ দ্বার না আটকে, মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন প্রতিবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার এই চক্রান্ত চালাতে থাকলে বাংলা পক্ষ বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলা পক্ষ বাঙালির পাশে আছে। কোন ভাবেই বাংলা ভাষা তথা বাঙালির উপর এই হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত মেনে নেওয়া হবে না। কর্মসূচি চলাকালীন কলকাতা এবং বাইরের থেকে আশা বহু রোগীর আত্মীয়, পথ চলতি মানুষ বাংলা পক্ষ-র দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। চারজনের একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। কর্তৃপক্ষের তরফে স্মারকলিপি গ্রহণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

দ্রুত গতিতে লড়ি চলার জন্য এলাকায় প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটায় স্পীড ব্রেকার দাবীতে রাস্তা অবরোধ পালিতপুরে

হাম্পের দাবীতে রাস্তা অবরোধ পূর্ব বর্ধমানের পালিতপুর এলাকায়। শনিবার রাতে পথ দুর্ঘটনায় সিউড়ি কাটোয়া কানেকটিং রোডে দুজনের মৃত্যু হয়। রবিবার সকাল থেকেই সেই রাস্তায় হাম্পের দাবীতে পথ অবরোধ শুরু করে স্থানীয়রা। এই সিউড়ি কাটোয়া কানেকটিং রোডের পালিতপুর এলাকায় একটি স্কুল রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ এই রাস্তা দিয়ে দ্রুত গতিতে লরি চলাচল করে। যার ফলে প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটে। সেই দুর্ঘটনায় প্রায়শই প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ স্থানীয় মানুষজনের। ধীর গতিতে যাতে এই রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল করে সে কারণে এই রাস্তায় হাম্পের দাবীতে অবরোধ শুরু করে পালিতপুর এলাকার বাসিন্দারা। পরে দেওয়ানদিঘী থানার কর্তব্যরত পুলিসেরা এসে, লিখিত আশ্বাসে দেওয়ায় প্রায় তিন ঘন্টা পর অবরোধ তোলে স্থানীয়রা।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২২
স্বাস্থ্য

সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট ল্যাবের নাম সুপারিসের অভিযোগ

এবার খোদ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বাইরের ল্যাবের নাম সুপারিস করার অভিযোগ উঠলো। সেই ল্যাব থেকে বাড়তি টাকা দাবি করায় পরীক্ষা না করিয়ে হাসপাতালের সুপারের কাছে অভিযোগ করেন রোগীর পরিজন। অভিযোগ করা হয়েছে বর্ধমান থানাতেও। ঘটনা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।গত ১৫ আগস্ট বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক শিশুর জন্ম দেয় পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ভাটাকুলের রাকিনা বেগম। তারপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে শিশু বিভাগের এস এন সি ইউ-তে ভর্তি করা হয়। রোগীর পরিজনদের দাবি, গত ২৫ আগষ্ট শিশুটির একটি রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। তখন চিকিৎসক অমরেশ রায়, রোগীর পরিজনদের ডেকে বলেন, এই পরীক্ষা হাসপাতালে হয়না। এটি বাইরে থেকে করাতে হবে।পরিজনদের অভিযোগ, ওই ডাক্তারবাবু বাইরের ল্যাবের একজনকে ডেকে তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এবং রক্ত পরীক্ষার জন্য ১৩০০০ টাকা লাগবে বলা হয়। কিন্তু, এত টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বলে অনেক অনুরোধে ৮০০০ টাকায় রক্ত পরীক্ষা করার রফা হয়। তাঁকে প্রথমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়। পরদিন তাঁকে বাকি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। শিশুর কাকা সেখ জসীমউদ্দিনের বলেন, পরদিন ওই ল্যাব আরও বাড়তি টাকা দাবি করে। তখন তাঁরা বাধ্য হয়ে ফিরে আসেন। এবং সোমবার হাসপাতাল সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। সোমবার বিকালে বর্ধমান থানাতেও অভিযোগ করা হয়।পাশাপাশি পরিবারের দাবি, হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, পরীক্ষাটি বাইরে থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে করিয়ে দেওয়ায় আশ্বাস দিয়েছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই পরীক্ষা বর্ধমান হাসপাতালে হয়না। তাই বাইরে থেকে করানোর কথা বলা হয়েছিল। হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ভুল বোঝাবুঝির জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। তবুও, একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আসল তথ্য সামনে আসবে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

রায়নার সংঘর্ষের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও অবধি সাতজনকে গ্রেফতার করেছে রায়না থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। এখানে উল্লেখ্য মঙ্গলবার রাতে রায়নার জোতসাদিতে রাজনৈতিক সংঘর্ষে গুরুতর জখম হন গোলাম মোস্তাফা মল্লিক নামে এক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। তিনি রায়না-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বামদেব মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ স্থানীয় মানুষ জানান। জোতসাদি আর বেলসরের মাঝে কয়েকজন দুস্কৃতী তাকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। গলাম পুলিসকে জানান তিনি বাইকে করে বর্ধমান থেকে দলীয় কার্যালয় হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, এসময় কয়েকজন দুস্কৃতী তার উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা সশস্ত্র ছিল। প্রচন্ড মারধর করে তাকে ফেলে চলে যায়। এলাকায় এখবর ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার মানুষ তাকে উদ্ধার করে। তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রাতে। তার পায়ের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি।

আগস্ট ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলে লাথি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির, জয় দিয়ে শুরু মহমেডানের

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হল ডুরান্ড কাপ ফুটবল। উদ্বোধনী ম্যাচে এফসি গোয়াকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করল মহমেডান স্পোর্টিং। একই সঙ্গে গতবছর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল সাদাকালো ব্রিগেড।মঙ্গলবার যুবভারতীতে ফুটবলে শট মেরে ১৩১ তম ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি। মহমেডানএফসি গোয়া ম্যাচের আগে দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে পরিচয়পর্ব সারেন করেন মমতা ব্যানার্জি। ফুটবলারদের সঙ্গে হাতও মেলান। এবছর ডুরান্ড কাপে ২০টি দল অংশ নিচ্ছে। আইএসএলের ১১টি দলের সঙ্গে খেলছে আই লিগের ৫টি দল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪টি দলও অংশ নিচ্ছে। কলকাতায় যুবভারতী এবং কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে খেলা হবে। ইম্ফল এবং গুয়াহাটিতে খেলা হবে ডুরান্ডের ম্যাচ। ২৮ আগস্ট মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান।গত বছর ডুরান্ড ফাইনালে এফসি গোয়ার কাছে হারতে হয়েছিল মহমেডানকে। এদিন সাদাকালো ব্রিগেডের কাছে ছিল বদলার ম্যাচ। দারুণ ফুটবল উপহার দিলেন আন্দ্রে চেরনিশভের ফুটবলাররা। তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে গড়া এফসি গোয়া শুরু থেকেই দারুণ চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দিয়েছিল মহমেডানকে। গোয়ার ডিফেন্স ছিল যথেষ্ট শক্তিশালী। তিন বিদেশি নুরউদ্দিন, ওসমান ও মার্কাস জোসেফ প্রথমার্ধে গোয়ার জমাট ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি। তার মাঝেই এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। ৩৫ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে এফসি গোয়াকে এগিয়ে দেন নেমিল।সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে মহমেডান। ৪৮ মিনিটে সমতা ফেরান প্রীতম। দ্বিতীয়ার্ধে মহমেডানের আক্রমণের ঝাঁঝ যথেষ্ট ছিল। ফজলুর ও আভাসদের মাঠে নামিয়ে দলকে বদলে দেন সাদাকালো কোচ চেরনিশভ। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে আভাসের সেন্টার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফজলুর। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে ৩১ করেন মার্কাস জোশেফ।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে উতপ্ত রায়না, সংঘর্ষে গুরুতর আহত তৃণমূল কর্মী

ফের অশান্ত পূর্ব বর্ধমানের রায়না। রাজনৈতিক সংঘর্ষে গুরুতর আহত গোলাম মোস্তাফা মল্লিক নামে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। জানা গিয়েছে, তিনি ব্লক সভাপতি বামদেব মন্ডলের ঘনিষ্ঠ। বামদেব মন্ডলের অভিযোগ, গোলাম বর্ধমান শহর থেকে ফেরার সময় জোতসাদি আর বেলসরের মাঝে কিছু দুস্কৃতী তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। তিনি বাইকে করে দলীয় কার্যালয় হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় কিছু দুস্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁরা সশস্ত্র ছিল। প্রচন্ড মারধর করে তাঁকে ফেলে চলে যায়। এলাকায় এখবর ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার মানুষ তাঁকে উদ্ধার করে। তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার পায়ের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।বামদেব বাবুর আরও অভিযোগ, আক্রান্ত নেতা এলাকায় ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন। কিছু লোক গত বিধানসভার ভোটে দলকে হারাতে চেয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে এই এলাকায় দল বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে। তাই তাকে দমিয়ে দিতেই এই আক্রমণ বলে বামদেবের অভযোগ। এলাকা সূত্রে খবর, এলাকায় প্রভাব বাড়ানো নিয়ে ব্লক সভাপতি বামদেব মন্ডলের সাথে সভাধিপতি ও বিধায়ক শম্পা ধারার গোষ্ঠীর বিবাদ চলছে। এ ঘটনাও তারই জের বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা। যদিও দলের সূত্রে এখনো এমন কিছু বলা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে রায়নায় নানা রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এসেছে। বর্ধমানের রাজনৈতিক মানচিত্রে রায়না রাজনৈতিক উপদ্রুত অঞ্চল বলেই অনেকের ধারণা। বার বার রাজনৈতিক ঘটনা চলে আসছে বাম আমল থেকে।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

পরিবহন ব্যবস্থার পরিকাঠামো পর্যালোচনা করতে বর্ধমানে প্রশাসনিক সভা পরিবহন মন্ত্রীর

দক্ষিণবঙ্গের পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনিক সভা করতে বর্ধমানে এলেন রাজ্যের নতুন পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। এদিন দক্ষিবণবঙ্গের মোট পাঁচটি জেলার পরিবহন দপ্তরের পরিকল্পনা নিয়ে সভা করেন তিনি। রাজ্যস্তরের আধিকারিকরা ছাড়াও এই সভায় জেলাগুলির আধিকারিকরাও অংশ নেন। নবনিযুক্ত পরিবহনমন্ত্রী জানান, পরিবহন ব্যবস্থা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত নিরসনের জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করা হচ্ছে। এছাড়াও ওভারলোডিং বা অন্যান্য অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি পরিবহন, কর্পোরেশনগুলিকে আরো আধুনিক করে তোলা হবে। এছাড়াও তিনি জানান, ১৫ বছরের বেশি গাড়িগুলি বাতিল করার নির্দেশ এসেছে। সরকারি ও ব্যক্তিগত স্তরে রাতারাতি এত গাড়ি পরিবর্তন করা বড় ধরণের খরচের ব্যাপার। এ ব্যাপারে তারা নির্দিষ্ট স্তরে দরবার করবেন যাতে একাজের জন্য আরো সময় পাওয়া যায়।

আগস্ট ১২, ২০২২
রাজ্য

১০০ দিনের কাজে বেনিয়মের অভিযোগ কেন্দ্রের, শাস্তি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে অবরোধ কর্মসূচি বর্ধমানে

মঙ্গলবার বর্ধমান শহরের ইতিহ্যবাহী টাউন হল থেকে মিছিল করে জেলার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা কার্জনগেটের কাছে জিটি রোডে পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। সভার শেষে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) কাজল রায়ের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের (১০০ দিনের) কাজের অসংগতি ও পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য ২০১৯ -এ কিছু নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের প্রতিবাদে আজ রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জেলায় জেলায় প্রতিবাদ সভা করেন। ২০১৯-এ রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও পদ্ধতি যাচাই করতে দিল্লি থেকে প্রতিনিধি দল জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েত পরিদর্শন করেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের রিপোর্ট অনুযায়ী পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েতের ৩ জন নির্মাণ সহায়ক, ১ জন এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্টান্টের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে ও ৪ জন গ্রাম রোজগার সহায়ক (GRS), ২ জন এসটিপি (STP) এবং ১ জন ভিএলই (VLE) বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ (Show Cause Notice) করা হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠন সমূহের সমন্বয় কমিটির আজকের এই আন্দোলন কর্মসুচি।অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) কাজল রায় বলেন, বিভাগীয় তদন্ত মানে শাস্তি নয়, ব্লক আধিকারিকরা দেখে শুনেই নির্দেশ দিয়েছেন। এখন দেখা যাক তদন্তকারী আধিকারিকরা কি রিপোর্ট দেয়, তারপর পরবর্তী চিন্তাভাবনা করা হবে।কর্মচারি সংগঠনের প্রতিনিধি দলের তরফে জনতার কথা কে জানানো হয়, ২০১৯ -এ কেন্দ্রীয় পরিদর্শক দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও পদ্ধতি খতিয়ে দেখতে বেশ কিছু পঞ্চায়েত পরিদর্শন করেন। এবং তাঁদের পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে বেশ কিছু কর্মচারি স্বার্থের পরিপন্থী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁরা তাঁদের ডেপুটেশনে উল্লেখ করে জানান, উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনও কাজই পঞ্চায়েত স্তরে হয় না। আর্থিক বছরের শুরুতে অ্যানুয়াল অ্যাকসান প্ল্যান মোতাবেক সকল কাজ হয় এবং তাঁরা আরও জানান, অ্যানুয়াল অ্যাকসান প্ল্যান পঞ্চায়েত তৈরি করে ঠিক-ই কিন্তু তা উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের অনুমদন না দিলে প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায় না। সেক্ষেত্রে কোনও ভুল যদি হয়ে থাকে, তাহলে কেন একতরফা ভাবে শুধুমাত্র কয়েকজন চুক্তি ভিত্তিক কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তির খাঁড়া ঝুলবে?জেলাশাসক করণের সামনে অবস্থান কর্মসূচিপ্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে গ্রামীন উন্নয়ন প্রকল্পের বিশেষত ১০০ দিনের কাজের পদ্ধতিতে রীতিমত অসন্তুষ্ট। ১০০ দিনের কাজের পদ্ধতির বাইরে গিয়ে বেশ কিছু কাজে বেনিয়ম হয়েছে বলে তাঁরা মনে করে। সেই নিয়ম বহির্ভূত প্রকল্পের জন্য তাঁরা পঞ্চায়েতগুলিকে জরিমানাও করেন। পঞ্চায়েতগুলি জরিমানার টাকা বেশ কিছুটা ফেরতও দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের দপ্তর থেকে বাকি জরিমানার টাকা দ্রুত পরিশোধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে জানতে চাওয়া হয় সেই সমস্ত পঞ্চায়েতের কর্মীদের বিরুদ্ধে কি শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশ আসামাত্র নড়ে চড়ে বসে জেলা প্রশাসনিক মহল।ত্রিস্তর পঞ্চায়েত কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জেলা শাসকের কাছে আবেদন রাখেন, তাঁদের পাঁচদফা দাবি বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। যে সমস্যার সম্মুখীন তাঁরা তা থেকে যেন দ্রুত বেরিয়ে আসতে পারেন। তাঁরা জেলাশাসকের কাছে অনুরোধ রাখেন, জেলা প্রশাসনের অধীনস্ত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত সকল কর্মচারীর স্বার্থে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে কর্মচারীদের নির্ভয়ে উন্নয়নমূলক সরকারি কর্মসূচি সমূহের রূপায়ণে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এবং অভিযুক্ত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের পদ্ধতি যেন প্রত্যাহার করা হয়। তাঁরা জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছে বিনীত অনুরোধ রাখেন যাতে, সাধারণ কর্মচারীদের জীবন, জীবিকা ও পরিবারের স্বার্থে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়।

আগস্ট ০৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ...
  • 27
  • 28
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal