• ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Resign

রাজ্য

তৃণমূলের সঙ্গে 'মধু চন্দ্রিমা' শেষ, দলের সব পদে ইস্তফা, এবার কি ঋত-ববির পথে?

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনার পারদ চড়ালেন প্রবীণ নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি-সহ দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। শনিবার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা একটি চিঠিতে নিজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাওয়ার কথা জানান চন্দ্রিমা।সূত্রের খবর, গত ৩ জুন তাঁকে যে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই পদ থেকেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস এবং তার বিভিন্ন শাখা সংগঠনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সিগনেটরি হিসেবে যে দায়িত্বে ছিলেন, সেখান থেকেও অব্যাহতি চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।ইস্তফাপত্রে কারণের উল্লেখ নেইচন্দ্রিমার ইস্তফাপত্রে পদত্যাগের কোনও নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তিনি কেবল কোন কোন সাংগঠনিক দায়িত্ব ছাড়ছেন, সেই তালিকাই তুলে ধরেছেন। রাজনৈতিক মহলে আরও একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছেচিঠিতে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন হিসেবে উল্লেখ করেননি, যা অনেকের নজর কেড়েছে।জল্পনা বাড়াচ্ছে পুত্রের রাজনৈতিক অবস্থানইতিমধ্যেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পুত্র সৌরভ বসু তথাকথিত ঋতব্রতপন্থী নব্য তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে চন্দ্রিমার এই পদত্যাগ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেতিনিও কি একই রাজনৈতিক পথে হাঁটবেন?যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য নিজে কোনও মন্তব্য করেননি। ফলে তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা থাকলেও, তা এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।বদলে যাচ্ছে তৃণমূলের সাংগঠনিক সমীকরণ?সাম্প্রতিক সময়ে দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার সমীকরণ নিয়েও জোর চর্চা চলছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণে বড় পরিবর্তন এসেছে। বাইপাস সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে নতুন ব্যানার টাঙানো হয়েছে, যেখানে চেয়ারপার্সন হিসেবে অরূপ রায়ের নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। একই সঙ্গে সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ও ছবি না থাকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। এছাড়াও ওই কার্যালয়ে ঋতব্রত, সন্দীপন, ফিরহাদ হাকিম ও জাভেদ খানের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।নজরে রাজনৈতিক মহলচন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগ নিঃসন্দেহে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে তিনি ভবিষ্যতে কোন রাজনৈতিক অবস্থান নেবেন বা কোনও নতুন শিবিরে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে রাজনৈতিক জল্পনা যতই তুঙ্গে উঠুক, পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় ধাক্কা তৃণমূলে! দল ছাড়লেন কাউন্সিলর, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

তারাতলা গোডাউন ধসের ঘটনার পর বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল। কলকাতা পুরসভার আটচল্লিশ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে দল ছাড়ার ঘোষণা করলেন। তাঁর দাবি, তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। এই ঘটনার পর আর তৃণমূলে থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন তিনি।বিশ্বরূপ দে বলেন, একের পর এক ঘটনায় দলের নাম জড়িয়ে পড়ায় তিনি অত্যন্ত ব্যথিত। তাঁর কথায়, তারাতলার ঘটনায় বহু নিরীহ মানুষের প্রাণ গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় জানিয়েছেন, অনুমোদিত নকশাতেই গুরুতর ত্রুটি ছিল। সেই কথা জানার পর তাঁর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, যে দলের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, সেই দলের আমলেই যদি এমন গুরুতর গাফিলতি হয়ে থাকে, তবে তা মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। এই ঘটনার যন্ত্রণা তিনি আর সহ্য করতে পারছেন না বলেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।বিশ্বরূপ দে জানান, অতীতে দলের পাশে থেকেছেন এবং দলের কঠিন সময়েও আনুগত্য বজায় রেখেছেন। কিন্তু এই ঘটনার পর তাঁর মনে হয়েছে, তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই ভুলের জন্য ভবিষ্যতে তাঁকে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তারাতলার নির্মীয়মাণ গোডাউনের অনুমোদিত নকশাতেই একাধিক ত্রুটি ছিল। তিনি সেই সংক্রান্ত নথিও বিধানসভায় তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরেই বিশ্বরূপ দে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।তারাতলা বিপর্যয়কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় একের পর এক নতুন রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসায় আগামী দিনে বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৬, ২০২৬
রাজ্য

‘আনুগত্যের পুরস্কার’ থেকে ইস্তফা— তৃণমূলে বিস্ফোরণ, মমতাকে বার্তা: ভুঁইফোঁড়দের নয়, ফিরুন পুরনো সৈনিকদের কাছে

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিলেন বারাসতের সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। দলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি কার্যত শাসকদলের বর্তমান সাংগঠনিক রণকৌশল নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন। শুধু পদত্যাগ করেই থেমে থাকেননি কাকলি, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-র উদ্দেশে সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন নতুন ভুঁইফোঁড় সংস্থা বা বাহ্যিক পরামর্শদাতাদের উপর নির্ভর না করে, দলের পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মীদের উপরেই আস্থা রাখা হোক।এই পদক্ষেপ ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, কয়েক দিন আগেই দলের সংসদীয় মুখ্যসচেতকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কাকলিকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ( Kalyan Banerjee)-কে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় কালীঘাটে হওয়া বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল।পদচ্যুত হওয়ার ঠিক পরের দিন সমাজমাধ্যমে কাকলির একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছিল ব্যাপক আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ১৯৭৬ থেকে পরিচয়, ১৯৮৪-তে পথচলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছিল তাঁর ক্ষোভ ও অভিমান।তার পর নয় দিন কাটতে না কাটতেই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী (Subrata Bakshi)-র কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ালেন তিনি।চিঠিতে কাকলি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন,নেত্রী যদি আগের মতো পুরনো, পরীক্ষিত ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে দল চালান, তবে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। ভুঁইফোঁড় সংস্থার উপর ভরসা করে কঠিন রাজনৈতিক লড়াই জেতা সম্ভব নয়।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে পরোক্ষে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে যুক্ত পেশাদার সংস্থাগুলির ভূমিকাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে নির্বাচনকেন্দ্রিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাক (Indian Political Action Committee)-এর ভূমিকা নিয়ে ভোট-পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের একাংশের অসন্তোষের ইঙ্গিত আগেও সামনে এসেছিল। কাকলির বক্তব্য সেই ক্ষোভকেই আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল বলে মনে করা হচ্ছে।ইস্তফাপত্রে তিনি রাজ্যের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি এবং মূল্যবোধকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।নিজের সাংগঠনিক ব্যর্থতার দায়ও এড়িয়ে যাননি কাকলি। বিধানসভা ভোটে তাঁর সাংগঠনিক এলাকায় দল প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি বলে স্বীকার করে নিয়েছেন। সেই নৈতিক দায় নিজের কাঁধে নিয়েই জেলা সভাপতির পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কাকলির এই পদত্যাগ শুধুই ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরে জমতে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী ধাক্কার পর দল যখন আত্মসমালোচনার পর্যায়ে, তখন এক প্রবীণ সাংসদের এমন প্রকাশ্য বার্তা নিঃসন্দেহে দলীয় নেতৃত্বের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে হঠাৎ পদত্যাগ! অবশেষে মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

ভোটের আগে আচমকা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ ঘিরে এখনও জল্পনা থামেনি। তিনি কি কোনও চাপের মুখে পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রীও এই বিষয়ে ইঙ্গিত করে বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছেন। তবে সেই জল্পনার মধ্যেই রবিবার কলকাতায় ফিরে নিজেই মুখ খুললেন সিভি আনন্দ বোস।দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কিছুটা দার্শনিক সুরেই তিনি বলেন, এটি তাঁর নিজের সচেতন সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায়, এটাই বিদায় নেওয়ার সঠিক সময়। একজন গেলে তবেই তো আরেকজন আসবে।এ সময় তিনি করজোড়ে প্রণাম জানিয়ে বলেন, বাংলায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন, তা তাঁর কাছে খুবই সুন্দর অভিজ্ঞতা। বাংলার মানুষের ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন বলেও জানান। পাশাপাশি তিনি এও জানান, এখন তিনি চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের একজন ভোটার হয়েছেন। সেটি তাঁর কাছে দ্বিগুণ আনন্দের বিষয়।তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি বিদায়ী রাজ্যপাল। আসন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন কি না বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে কাজ করবেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাঁর কথায়, আপাতত সে ধরনের কোনও পরিকল্পনা নেই।তবে ভোটের মুখে তাঁর এই পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিতও থাকতে পারে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজনীতি

একেই হুমায়ুন কবীরে অস্থির! এবার দুর্নীতির অভিযোগ জেলা পরিষদের সদস্যপদে ইস্তফা দাপুটে তৃণমূলনেত্রীর

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুর্শিদাবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বড়সড় রাজনৈতিক বিস্ফোরণ। দলের হেভিওয়েট নেত্রী ও জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি শাহনাজ বেগম জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। শুধু পদত্যাগই নয়, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রকাশ্যে নিজের দলের পরিচালিত জেলা পরিষদ বোর্ডকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি।১৭ ডিসেম্বর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠান শাহনাজ বেগম। তার প্রতিলিপি জমা পড়েছে জেলা শাসকের কাছেও। তবে প্রশাসনিক চিঠির থেকেও বেশি আলোড়ন তৈরি করেছে তাঁর ফেসবুক পোস্ট। সেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, চোর জেলা পরিষদের একজন অংশীদার হয়ে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই এক লাইনের মন্তব্যেই জেলা তৃণমূল রাজনীতিতে তীব্র অস্বস্তি ছড়িয়েছে।শাহনাজ বেগম দাবি করেছেন, তিনি কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভই যে এবার প্রকাশ্যে এসেছে, তা তাঁর বক্তব্যেই স্পষ্ট। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের মুখে দাঁড়িয়ে দলের অন্দরে এমন প্রকাশ্য বিদ্রোহ তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কা।মুর্শিদাবাদ জেলা রাজনীতিতে শাহনাজ বেগম অত্যন্ত প্রভাবশালী নাম। একসময় কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ভেঙে জেলা পরিষদে তৃণমূলের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। ২০১৩ সাল থেকে সোমপাড়া, রামপাড়া ও রামনগর বাছড়া এলাকা থেকে টানা তিনবার নির্বাচিত হন তিনি। কর্মাধ্যক্ষ থেকে সহকারী সভাধিপতি, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন শাহনাজ।যদিও আপাতত অন্য কোনও দলে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দেননি তিনি। তবে পদ ছাড়লেও এলাকার মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। এই বিস্ফোরক ইস্তফা মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
কলকাতা

যুবভারতীর বিশৃঙ্খলার দায় নিলেন অরূপ, ইস্তফা গ্রহণ মুখ্যমন্ত্রীর

ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠানে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার দায় নিয়ে নিজেই পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন অরূপ। সেই চিঠি গ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। আপাতত এই দপ্তরের দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে অরূপ বিশ্বাস জানান, ১৩ ডিসেম্বর মেসির আগমনের সময় যুবভারতীতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই তদন্ত যাতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভাবে হয়, সেই কারণেই তিনি ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সেই আবেদন মেনে নিয়েছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তর নবান্ন থেকেই দেখভাল করবেন মুখ্যমন্ত্রী।তবে অরূপ বিশ্বাস তাঁর হাতে থাকা বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বে বহাল থাকছেন। ওই দপ্তরের কাজ আগের মতোই তিনি সামলাবেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, ১৩ ডিসেম্বর গোট ট্যুর-এর অংশ হিসেবে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ এবং রড্রিগো ডি পল। কিন্তু হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও বহু দর্শক মেসিকে এক ঝলক দেখতে না পাওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মেসি মাঠ ছাড়ার পর গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়া হয়, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতার একাংশ। সেই সময় স্টেডিয়ামেই উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ঘটনার পর অব্যবস্থার অভিযোগে মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

“চার বছর ধরে অভিযোগ!”—অবশেষে চাপের মুখে পদত্যাগ করলেন অধ্যাপক কল্যাণ ভট্টাচার্য

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে বিস্ফোরক পরিস্থিতি তৈরি হল শুক্রবার। প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি ও শারীরিক হেনস্থার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কল্যাণ ভট্টাচার্য। সকাল থেকেই চাপে ছিলেন তিনি। আর সেই চাপের উৎস হাসপাতালের ছাত্রছাত্রীদের একটানা আন্দোলন। অধ্যক্ষের দফতরের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেডিক্যাল কলেজের পরিবেশ।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই প্রথম বর্ষের ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করতেন এইচওডি। একাধিক ছাত্রী বারবার বিষয়টি অভিযোগ জানালেও ব্যবস্থা হয়নি বলে দাবি পড়ুয়াদের। অবশেষে সাম্প্রতিক হেনস্থার অভিযোগ সামনে আসতেই ফেটে পড়ে ক্ষোভ। শুক্রবার দুপুর বারোটার পর থেকেই স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সদস্যরা প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে অবস্থান শুরু করেন। তাঁরা জানান, তাঁরা লিখিত আকারেই এমন অভিযোগ গত কয়েক বছর ধরে তুলে আসছেন, কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বিকেলের দিকে পরিস্থিতি জটিল হতে থাকলে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন অ্যানাটমি বিভাগের প্রধান। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন এইচওডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক মৈত্রেয়ী মণ্ডলকে। একই সঙ্গে সাত সদস্যের একটি কমিটিও তৈরি হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে সেই কমিটির রিপোর্ট যাবে অধ্যক্ষের হাতে। এরপর তা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠানো হবে, আর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সেখানকার কর্তৃপক্ষ।এক বিক্ষোভকারী ছাত্র বলেন, আমাদের দাবি আংশিকভাবে পূরণ হলেও ক্ষোভ থেকেই যাচ্ছে। চার বছর ধরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কোনও দিন ব্যবস্থা হল না। আজ আন্দোলনের জেরে পদক্ষেপ হল। অন্যদিকে এমএসভিপি অঞ্জন অধিকারী বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। মেডিক্যাল কলেজে এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছে। হেড স্যার ইস্তফা দিয়েছেন। এখন সমস্তটাই কমিটির রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে।এই পুরো ঘটনা ফের একবার প্রশ্ন তুলছেশিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তাহীনতার উদ্বেগ কতটা গভীর? আর চাপ না থাকলে কি কোনও অভিযোগ কখনও গুরুত্ব পায়?

নভেম্বর ২১, ২০২৫
বিদেশ

সেনাপ্রধানকে সর্বশক্তিমান করতে সংবিধান সংশোধন—বিচারপতিদের একের পর এক পদত্যাগে তুমুল তোলপাড়

পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই এবার ভয়ঙ্কর সংকট তৈরি হয়েছে দেশের বিচার ব্যবস্থায়। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের যুগলবন্দিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে যে স্বৈরশাসনের অভিযোগ বহুদিন ধরেই উঠছিল, এবার তা যেন আরও বাস্তব হয়ে উঠল। সংবিধান সংশোধনের প্রতিবাদে একের পর এক বিচারপতি ইস্তফা দিচ্ছেন। সর্বশেষ লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি শামস মেহমুদ মির্জা নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর আগে মাত্র একদিনের ব্যবধানে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি পদত্যাগ করেছিলেন।বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, শাহবাজ সরকার সংবিধান পাল্টে দেশে প্রায় সামরিক শাসনের মতো পরিবেশ তৈরি করছে। নতুন সংশোধনীতে সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে দেওয়া হয়েছে অসামান্য ক্ষমতাএমন রক্ষাকবচ আগে কোনও সেনাপ্রধান পাননি। উল্টো দিকে, সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সম্পর্কিত মামলাগুলি সুপ্রিম কোর্টের বদলে নতুন সাংবিধানিক আদালতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের বিচারব্যবস্থার মূল কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই ঘটনা চরম অচলবস্থা তৈরি করেছে পাকিস্তানে। বিচারপতিরা প্রকাশ্যে বলছেন, এভাবে আদালতের ক্ষমতা খর্ব এবং সেনাকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হলে গণতন্ত্র রক্ষা অসম্ভব হয়ে উঠবে। তাঁদের মতে, এই সংশোধন সংবিধানের আত্মাকে আঘাত করছে।গত বুধবার জাতীয় সংসদে সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিল পাশ করে শাহবাজ সরকার। ওই আইন অনুসারে প্রথমবার সেনাবাহিনীতে সৃষ্টি করা হয়েছে নতুন একটি পদচিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস। এবং সেই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে আসিম মুনিরকে। এরপর প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি তড়িঘড়ি সই করে দিয়েছেন বিলে। আর এর পরপরই দুই সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি ও লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি ইস্তফা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁদের ক্ষোভ।পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনা ও প্রশাসনের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া এই ক্ষমতার গঠন গণতন্ত্রের জন্য ভয়ঙ্কর। বিচারব্যবস্থার উপর চাপ বাড়লে সামনে আরও বড় সংকট দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেপাকিস্তান কি সত্যিই নতুন একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

রাজ্যপালের পদত্যাগ দাবি মুখ্যমন্ত্রীর, রাজভবনে যাবেন না মমতা

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিলেন রাজভবনেরই এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী। যা ঘিরে আজ ফের একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশানা করলেন সিভি আনন্দ বোসকে। রাজ্যপালের পদত্যাগ দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে এবার থেকে কোনও কাজে আর রাজভবনে যাবেন না বলেও সাফ জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন হলে কোথায় তিনি যাবেন তাও এদিন স্পষ্ট করেছেন তৃণমূলনেত্রী।মাননীয় রাজ্যপাল! আমার কী দোষ আপনি বলুন। আমি তো জানিই না ঘটনা পুরো। রাজ্যপালের তো পদত্যাগ করা উচিত। মহিলাদের উপর নির্যাতন করার আপনি কে? প্রেসকে ডেকে এডিট করে কিছু ভিডিও দেখিয়েছে। পুরোটা কি দেখিয়েছে? কপিটা আমার কাছে আছে। এখনও তো সব বেরোয়নি। আর একটা পেনড্রাইভ পেয়েছি। আরও কেলেঙ্কারি। বাবারে! আমাকে এখন রাজভবনে ডাকলে আমি আর যাব না। আমাকে রাস্তায় ডাকলে যাব। রাজ্যপালের কথা বলতে হলে আমাকে রাস্তায় ডাকবেন। রাস্তায় গিয়ে কথা বলে আসব। রাজভবনে আর যাব না। যা কীর্তি-কেলেঙ্কারি শুনছি তাতে আপনার পাশে বসাটাও পাপ।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আবহে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযোগ উঠেছে। রাজভবনেরই এক অস্থায়ী কর্মী রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন। দুবার রাজভবনের পিস রুমে তাঁর শ্লীলতাহানি করেছেন সিভি আনন্দ বোস, এমনই অভিযোগে হেয়ার স্ট্রিট থানায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়েছেন ওই মহিলা। যদিও রাজ্যপাল নিজে অবশ্য। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে পাল্টা সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যপাল। রাজভবনের তরফে বেশ কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই ভিডিও নিয়েও তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, এডিট করে ওই ভিডিও প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

মে ১১, ২০২৪
রাজ্য

চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন আইপিএস অফিসার

নিঃশর্তে চাকরি থেকে ইস্তফা দিলেন কোচবিহারের শীতলকুচিতে ভোটকেন্দ্রে গুলিকাণ্ডে সাসপেন্ড হওয়া পুলিশ সুপার তথা আইপিএস অফিসার দেবাশিস ধর। ২০২১ বিধানসভা ভোটের সময়ে কোচবিহারের শীতলখুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ে কোচবিহারের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। বিধানসভার ভোট মিটে যেতেই দেবাশিসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল রাজ্য গোয়েন্দা দফতর তথা সিআইডি। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর ইস্তফা যথেষ্ট তাৎপর্য পূর্ণ।বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের কোন একটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা দেবাশীষ ধর। এরআগে উত্তরবঙ্গের আইজি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের পর প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মালদা উত্তর লোকসভা কেন্দ্র থেকে। স্বভাবতই জল্পনা তুঙ্গে।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজনীতি

সিপিএম বা কংগ্রেস নয়, কেন বিজেপিতে? ব্যাখ্যা দিলেন সদ্য প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব জল্পনার অবসান। শেষমেশ বিজেপিতেই যোগদান করছেন বলে মঙ্গলবার ঘোষণা করলেন সদ্য ইস্তফা দেওয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বেশ কয়েকমাস ধরেই চর্চায় ছিল অভিজিৎবাবুর রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি। এক সাক্ষাৎকারে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আইনজীবী তথা বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে গুরু হিসাবে মানেন। তারপরই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি কখনও রাজনীতিতে এলে সিপিআইএমে যোগ দেবেন তিনি। সেই সম্ভাবনা আর নেই। কেন সিপিআইএম বা কংগ্রেসে যোগ দিলেন না বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়? এদিন নিজের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠকে যুক্তি দিয়ে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সদ্য ইস্তফা দেওয়া এই বিচারপতি।অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বিজেপিই একমাত্র দল, যারা তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তাই এই দলেই যোগদান করলাম। তাঁর কথায়, শেষ সাত দিন বিজেপির সঙ্গে কথা হয়েছে। দুপক্ষের সহমতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওই দিনগুলিতে বিচারের কাজ করিনি। ছুটিতে ছিলাম।এরপরই বিস্ফোরক অভিজিৎ বলেন, তৃণমূল একটি দুষ্কৃতীদের দল বলে মনে করি। তৃণমূলকে আমি রাজনৈতিক দল বলেই মনে করি না। তৃণমূল হল একটি আদ্যোপান্ত যাত্রাদল। ওদের যাত্রাপালার নাম হল মা-মাটি-মানুষ। স্পষ্ট বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকৃত রাজনীতিবিদ বলে আমি মনে করি। তবে অন্য যাঁর কথা বলছেন, তাকে আমি তালপাতার সেপাই বলে মনে করি।কে এই তালপাতার সেপাই? জবাবে অভিজিৎ বলেন, যাঁকে আপনারা সেনাপতি বলছেন। আমি কারও নাম করছি না। আমি তো এখানে কোনও কুকথা বলছি না। তাঁর নামটাকে আমি কুকথা বলে মনে করি। তালপাতার সেপাই বলেছে, বিচারব্যবস্থা ওর গ্রেফতারি আটকেছিল। তালপাতার সেপাই বিচার ব্যবস্থার কিছু জানেন না। ওঁর পেটে বোমা মারলেও কিছু বেরোবে না। তাঁর বিরুদ্ধে আদালত কিছু ব্যবস্থা নেয়নি, ওঁর ভাগ্য ভাল।অভিজিৎবাবুর ভবিষ্যদ্বাণী, তৃণমূল ভিতর ভিতর ভেঙে পড়ছে। এই দল বেশি দিন আর নেই। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সেই অবস্থা হবে, যা ২০০৯ সালে সিপিএমের হয়েছিল। আর ২০২৬ সাল পর্যন্ত দলটাই থাকবে না। শুধু কয়েকটা গ্রেফতারির প্রয়োজন। তবে কাদের গ্রেফতারি প্রয়োজন তা এদিন স্পষ্ট করেননি তিনি।এরপরই সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সিপিএমে যোগ দেব না কারণ আমি ঈশ্বর বিশ্বাসী। ধর্মে বিশ্বাস করি। তাদের সঙ্গে আমার মিল হবে না। আর কংগ্রেস হল পারিবারিক জমিদারির একটা দল। এখানে জয়রাম রমেশের মতো শিক্ষিত মানুষেরা থাকেন। কিন্তু তাঁরা পদ পান না। রাহুল গান্ধীর মতো নেতাদের পিছনে থেকে যেতে হয়। তাই এ দলে যাওয়ার কোনও প্রস্নই নেই।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পদত্যাগের ঘোষণা ঘিরে শোরগোল, কোন কেন্দ্রে কোন দলের প্রার্থীর সম্ভাবনা?

শেষমেশ ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আগামী মঙ্গলবার মাস্টারদা সূর্য সেনের মূর্তির নীচে দাঁড়িয়ে সব প্রশ্নের জবাব দেবেন। আগামিকাল হাইকোর্টে যাবেন তাঁর দায়িত্বে থাকা মামলাগুলি ছেড়ে দেওয়ার জন্য স্বাক্ষর করতে। রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন এই বিতর্কিত বিচারপতি। এই নিয়ে চলছে জোর চর্চা। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় যোগ দিতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তমলুক কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সদ্য পদত্যাগ করা বিচারপতির। বিচারপতির পদত্যাগ ঘিরে তুমুল শোরগোল পরে গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব বিচারপতির এই সিদ্ধান্তের কড়স সমালোচনা করেছে। সিপিএম বলছে, এর ফলে চাকরি প্রার্থীরা বিপাকে পড়ল। অধীর চৌধুরী তাঁকে কংগ্রেসে যোগদানের আবেদন জানিয়েছেন।

মার্চ ০৩, ২০২৪
রাজনীতি

শেষমেশ শুভেন্দুর হাত থেকে গেরুয়া পতাকা তুলে নিলেন কৌস্তভ

দীর্ঘ মতবিরোধের পর হাতের সঙ্গ ত্যাগ করেছিলেন বুধবার। এরপর তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বিজেপির দিকেই ধাবিত হবে? এই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। শেষপর্যন্ত বিজেপিতে-ই যোগ দিলেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। বৃহস্পতিবার বিজেপি দফতরে কৌস্তভের হাতে পদ্মপতাকা তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা।বিগত বেশ কয়েকমাস যুব নেতা কৌস্তভের সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের সম্পর্ক ভাল ছিল না। ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের অবস্থানকে কেন্দ্র করে ফাটলের সূত্রপাত। পরে তৃণমূল বিরোধীতায় অধীর চৌধুরীর অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন এই আইনজীবী নেতা। কংগ্রেস থেকেই সেই পর্বে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা শোনা গিয়েছিল কৌস্তভ বাগচীর গলায়। এমনকী পতাকাছাড়া শুভেন্দু ও কৌস্তুভকে ডিএ আন্দোলন বা শিক্ষা দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনেও দেখা যায়। শেষমেষ গতকাল কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। আর বৃহস্পতিবার যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে।কেন বিজেপিতে তাঁর যোগদান? সেই ব্যাখ্যায় এদিনও কৌস্তভ বাগচীর মুখে কংগ্রেসের সমালোচনা শোনা গেল। বললেন, মানুষের চাহিদা পূরণ না করতে পারলে তো রাজনীতি করার কোনও অর্থ নেই। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের গুরুত্ব নেই। সেখানে সে দলের সঙ্গে থাকার কোনও অর্থ নেই। এখনও সেখানে থাকলে নিজেকে অসম্মানিত করা হবে। সন্দেশখালি নিয়ে কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্ব চুপ। আমার মনে হচ্ছে দিনের পর দিন কংগ্রেস যেভাবে তৃণমূল নিয়ে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে, সেখানে আত্ম মর্যাদা নিয়ে সেই দলে থাকা যায় না।কৌস্তভের সাফ দাবি, সন্দেশখালিকাণ্ডে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। অথচ কংগ্রেসের কোনও বক্তব্য নেই। দলের মধ্যেও এ নিয়ে অসন্তোষের থাকলেও কেউ বলছেন, কেউ বলছেন না। আমার মনে হয়েছে এখানে থাকাটা নিজের আত্মমর্যাদার সঙ্গে সমঝোতা করা। এই তৃণমূলের প্রতি নরম অবস্থান নিয়ে রাজ্যে তৃণমূলকে উৎখাত করা যাবে না।দুয়ারে লোকসভা ভোট। পদ্ম প্রতীকে প্রার্থী হবেন তিনি? কৌস্তভ বলেন, আমি কোনও শর্তে দল করি না। চাওয়া পাওয়ার জায়গা নেই। অত্যাচারী শাসকদলকে এ রাজ্য থেকে উৎখাত করতেই বিজেপিতে যোগদান।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, কৌস্তভ ভাল যুবনেতা। মমতা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন। এলাকায় যান। এ জন্য পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করেছে। আমরা চাই কৌস্তভ বাগচী বিজেপিতে ভাল করে কাজ করতে পারবেন। আমাদের সকলের একটাই লক্ষ্য- দেশে মোদীজির হাত শক্তিশালী করা ও বাংলা থেকে মমতা কোম্পানিকে উৎখাত করা।বিজেপিতে যোগ দিয়েই কৌস্তভ বাগচী বলেন, মানুষের চাহিদা পূরণ না করলে তো রাজনীতি করার কোনও অর্থ নেই। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেসের গুরুত্ব নেই। সেখানে সে দলের সঙ্গে থাকার কোনও অর্থ নেই। সন্দেশখালি নিয়ে কংগ্রেসের উচ্চ নেতৃত্ব চুপ। আমার মনে হচ্ছে দিনের পর দিন কংগ্রেস যেভাবে তৃণমূল নিয়ে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে, সেখানে আত্ম মর্যাদা নিয়ে সেই দলে থাকা যায় না।কৌস্তভ ছাড়াও এদিন হাত শিবির ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখান কংগ্রেস নেতা শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, সিদ্ধার্থ মজুমদার এবং শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সৌমিত্র দত্ত।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

হাইকমান্ডকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দল ছাড়লেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা, লক্ষ্য কি গেরুয়া শিবির?

অবশেষে দল ছাড়লেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। হাইকমান্ডের সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের সখ্যতা নিয়ে বারবার প্রতিবাদ করেছেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন নানা মহলে। তৃণমূল বিরোধিতায় নানা পরিস্তিতিতে তুলোধোনা করতে ছাড়েননি রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব থেকে শুরু করে সর্বভারতীয় শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যন্ত।রাজ্যের নানা বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি কংগ্রেস হাইকমান্ডের শীতল মনোভাব নিয়ে বহুবার কড়া সমালোচনা করেছেন। গর্জে উঠেছেন সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে টিভি প্যানেল ডিসকাশান অবধি। এরই পাশাপাশি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে কৌস্তভের।২০২৩ এর মার্চ মাসে কৌস্তভের গ্রেপ্তারের অব্যবহিত পরেই শুভেন্দু অধিকারী কৌস্তভের গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখেন। রাজনীতির ময়দানে দুজনে চরম বিরোধী হলেও কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মুখর হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সম্প্রতি মমতা সরকারের দুর্নীতি, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যে কয়েকজন যুবক সোচ্চার হয়েছেন তাঁদের মধ্যে কৌস্তভ অন্যতম। তাঁর দ্রুত মুক্তির দাবি করি। পুলিশ যে কায়দায় রাত তিনটের সময় ওঁর বাড়িতে গিয়ে হামলা চালিয়েছে তার প্রতিবাদ করছি। আমরা সোচ্চার হবো। এর পর থেকেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবী। বিশিষ্টদের ধারণা এখন হাতএ ফুল (পড়ুন পদ্ম) ধরা সময়ের অপেক্ষা।লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন, তার উত্তরে কৌস্তভ বাগচীর জানান, কংগ্রেস হাইকমান্ডের কাছে রাজ্য তৃণমূলরেই বেশি গুরুত্ব। প্রদেশ কংগ্রেসের কোনও গুরুত্বই নেই। কংগ্রেস তার রাজনৈতিক সত্তা হারিয়েছে, ঠিক সেই কারণেই পদত্যাগ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪
রাজনীতি

জেলবন্দি অনুব্রত মন্ডলের বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতির পদত্যাগ, কেন?

গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি জেলবন্দি। এই সময়ে দল ছাড়লেন তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি বিপ্লব ওঝা। সেই সঙ্গে বীরভূমের জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগ করলেন তিনি। মঙ্গলবার ঘট করে সাংবাদিক সম্মেলনে দলত্যাগ ও পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন বিপ্লববাবু।একসময় বিপ্লব ওঝা বীরভূম জেলা কংগ্রেসের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি ছিলেন তিনি। ২০০৭-এ তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। ২০০৯ বীরভূম লোকসভায় তৃণমূলের টিকিটে সংসদ শতাব্দী রায় জয়ী হন। তারপরই প্রথম সমস্ত কাউন্সিলর নিয়ে তৃণমূল যোগদান করেন বিপ্লববাবু। সে সময় নলহাটি পুরসভা রাজ্যে তৃণমূলের প্রথম দখলে আসে। পরবর্তী সময়ে তিনি নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান হন। নলহাটি বিধানসভার উপনির্বাচনে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। জিততে পারেননি। বামফ্রন্টের কাছে পরাজিত হন।পরবর্তীকালে তিনি তৃণমূলের টিকিটে জেলা পরিষদের সদস্য হন। কিন্তু তাঁকে কোন পদে রাখা হয়নি। কিন্তু বছরখানেক ধরে দলে ব্রাত্য করে রাখা হয় বিপ্লববাবুকে। সেই আক্ষেপেই তিনি দলত্যাগ করলেন বলে দাবি বিপ্লববাবুর। তবে এখনও কোন দলে যোগদান করছেন সে কথা না জানাননি। তবে আজই নলহাটিতে আসছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই মঞ্চেই বিপ্লববাবুর বিজেপিতে যোগদান করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তিনি যে রাজনীতি থেকে সরে যাবেন না তা স্পষ্ট।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে সমবায় সমিতির ১০ জন সদস্যের ৮ জন গন-পদত্যাগ! পিছনে কি তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল?

পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল ও সংঘর্ষ। পূর্ব বর্ধমানের জামার সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে এই মূহুর্তে পরিচালন সমিতির সদস্য সংখ্যা দশ। এর মধ্যে একসাথে আটজনের পদত্যাগের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে। পদত্যাগকারীদের অভিযোগ, যুব তৃণমূল কংগ্রেসের একটা গোষ্ঠী তাদের নানান ভাবে অপমান ও হেনস্থা করছে। যার কারণে সমবায়ে সম্মানের সাথে কাজ করা যাচ্ছে না।তাঁরা জানান, এবিষয়ে একাধিকবার উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। সেকারণেই পদত্যাগ বলে জানাচ্ছেন পদত্যাগীরা। এই সমবায় সমিতির সভাপতি সঞ্জয় কোনার বর্তমানে রায়ান ২ নম্বর পঞ্চায়েতের সদস্য। তিনি এর আগে তৃণমূলের ব্লক সহ সভাপতি ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও ছিলেন। এরকম একজন উচ্চনেতৃত্ব সহ আট জন একসাথে পদত্যাগ করায় যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সঞ্জয় বাবু জানান, আমরা যে কজন সমিতির পরিচালনার দায়িত্বে আছি তারা সকলেই প্রবীণ, সম্মানের সাথে দল করে এসেছি। সঞ্জয় বাবু আরও বলেন, যুব তৃণমূলের কিছু দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা পদে পদে অপমানজনক কথাবার্তা বলে। এমনকি পঞ্চায়েতে গেলেও সেখানে অপদস্থ হতে হয়, তাই এই পদত্যাগ বলে জানান সঞ্জয় কোনার।অপর এক পদত্যাগী এই সমিতির সহ সভাপতি সেখ আপসিয়া জানান, আমরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেস করি। কিন্তু তৃণমূলের যুব গোষ্ঠীর অত্যাচারে আমরা বাধ্য হই পদত্যাগ করতে। অপরদিকে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই যুব নেতা অরূপ গুপ্ত ও শেখর গাঙ্গুলিরা জানান, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কোনো হিসাব দিতেন না। আমরা হিসাব চাইতে গেলে আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করতেন। কেন সারের দাম বাড়লো গ্রামের মানুষ সেটা জানতে গিয়েছিল মাত্র। উল্টে এই যুব নেতারা অভিযোগ করেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য হলেও গ্রামের উন্নয়নের জন্য কিছু করেন নি।বিষয়টি নিয়ে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কাকলি গুপ্ত তা জানান, কিছুদিন আগেই ব্লকের সিআই এর কাছে এলাকার চাষীরা অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি জানান, জামার সমবায় সমিতির সবচেয়ে বড় সমস্যা এদের বোর্ড চাষিদের কাছে হিসাব দিতে অনীহা। তিনি বলেন, যদি সব কিছু পরিষ্কার থাকে তাহলে হিসাব দিতে আপ্ততি কেন? কাকলি তা জানান, যখন পরিচালন সমিতি গঠন হয় তখন সঞ্জয় কোনার ও তার পেটুয়া লোকেদের নিয়ে কমিটি গঠন করেছিলেন। চাষীরা হিসাব চেয়ে পাচ্ছিলেন না, যারা গ্রাম চালাচ্ছে তাদের কাছে চাষীরা অভিযোগ করেছে।জামার সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের ম্যানেজার পাপাই কোনার জানালেন, একসাথে আটজনের পদত্যাগে সমবায়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশাকরি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের নির্দেশে সরতে হচ্ছে অভিযুক্ত দাঁইহাটের পুরপ্রধান শিশির মন্ডলকে

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। একেই নানা দুর্নীতির অভিযোগে জেরবার মমতা-অভিষেকের দল। তরুণীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরেই পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য শিশির মণ্ডলকে জরুরি নির্দেশ দিয়েছেন।পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার শীর্ষ নেতৃত্বের এই নির্দেশের কথা প্রকাশ্যে আনেন। শিশির মণ্ডল তরুণীর অভিযোগ অস্বীকার করলেও ঘরে ও বাইরে তাঁকে নিয়ে নিন্দার ঝড় বাইছে। বিরোধীরা এই অভিরযোগকে হাতিয়ার করেশাসক দলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করেছে। দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মণ্ডলের সঙ্গে এক তরুণীর টেলিফোনে কথোপকথনের অডিও রেকর্ড মঙ্গলবার দুপুর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। তার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় পড়ে হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,শিশির মণ্ডলকে চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করার জন্য স্বয়ং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন। দলের সেই নির্দেশ এদিন শিশির মন্ডলকে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। দলের নির্দেশ মতো পদত্যাগ করবো বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিশিরবাবু।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজনীতি

দলের দুর্নীতি ও গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধানের

পঞ্চায়েত প্রধানের পদত্যাগ। দুর্নীতির অভিযোগ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন বীরভূমের দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলে দে। প্রধানের অভিযোগ, অর্থ তছরুপে বাধা দেওয়ায় তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও প্রধানকেই দুর্নীতিগ্রস্থ বলে অভিযোগ করেছেন দলের অন্য গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, বুধবার ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও-র কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দেন দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলি দে। দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে দলের চাপে পড়ে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে বলে জানান শিউলি দে। তিনি বলেন, দলের নেতারা দুর্নীতিতে যুক্ত। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত দলের অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল ও ব্লক সভাপতি তথা ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক অভিজিৎ রায়। প্রতিবছর পুজোর আগে অঞ্চল সভাপতির মাধ্যমে আড়াই লক্ষ টাকা নিত ব্লক নেতৃত্ব। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় মোটা অঙ্কের টাকা বাড়ি প্রাপকদের কাছ থেকে কাটমানি নিত। এমনকি রুপশ্রী ও কন্যাশ্রীর টাকাও তুলত। সমস্ত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাটমানি নিত অঞ্চল সভাপতি। আমি এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছিলাম। তাতেই আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অভিজিৎ রায়কে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। কারণ তার কাছেও কাটমানির টাকা যেত। আমাকে অসুস্থ বলা হলেও আমি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি।প্রধানের স্বামী জয়দেব দে বলেন, সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্য আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু অঞ্চল কমিটি পঞ্চায়েত সদস্যদের কাজ করতে দিত না। নিজেরাই কাজ করত। তারা টিউবওয়েলের জিনিসপত্র নিয়ে এসেছে নিম্নমানের। ফলে কোন সদস্য ওই জিনিসপত্র নিতে চাইছে না। সেগুলি পঞ্চায়েতেই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই পদত্যাগ করেছেন। ব্লক সভাপতি তথা বিধায়ক অভিজিৎ রায় বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রধানের সঙ্গে কোন সদস্যর হচ্ছিল না। তাই জেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে উনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এরপর উনি কি বললেন সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। ওনার সঙ্গে সদস্যদের হচ্ছিল না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দলকে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সরে যাচ্ছেন?‌ পদত্যাগের জল্পনার রহস্য ফাঁস করলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? তাঁর পোস্ট করা একটা টুইট থেকে ছড়িয়ে পড়ে জল্পনা। মুহূর্তেই মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর সেই পোস্ট। আলোড়ন ফেলে গোটা দেশে। ক্রিকেটপ্রেমীরা অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। অবশেষে সন্ধেয় জল্পনার ইতি টানেন সৌরভ নিজেই। পরিস্কার জানিয়ে দেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পথ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা এই মুহূর্তে তাঁর নেই। আসলে তিনি একটা শিক্ষামূলক অ্যাপ বাজারে নিয়ে আসছেন, তার জন্যই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন সৌরভ গাঙ্গুলি লেখেন, ১৯৯২ সালে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর ৩০ বছর ক্রিকেটে কাটিয়েছি। ক্রিকেট আমাকে অনেককিছু দিয়েছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমাকে সবাই সাপোর্ট করেছে। আমার এই পথ চলার সময় যারা পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এবার আমি এমন একটা পরিকল্পনা করছি, যাদে অনেক মানুষের উপকার হবে। আশা করছি আমার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে সবাই পাশে দাঁড়াবেন।সৌরভের এই টুইট দেখে সবাই ভাবতে শুরু করেন, তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়তে চলেছেন। সৌরভকে ফোনে ধরতে না পেরে অনেকেই ভারতীয় বোর্ডের সচিব জয় শাহর শরণাপন্ন হন। বোর্ড সচিব জয় শাহ সংবাদ সংস্থাকে জানান, সৌরভ গাঙ্গুলি বিসিসিআইয়ের পদ ছা়ড়েননি। তেমন কোনও পরিকল্পনার কথাও তাঁর জানা নেই। সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই এখন আইপিএলের মিডিয়া ও সম্প্রচার স্বত্ত্বাধিকারী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। সেখানে সৌরভ সরে যাবেন এমনটা বোর্ডের কেউ বিশ্বাসই করতে পারেননি। তবে বোর্ডের আধিকারিকদের মধ্যেও টেলিফোনে যোগাযোগ শুরু হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কেন না, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে ফেভারিট বলে মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সৌরভদের মেয়াদ শেষের কারণে বোর্ড থেকে সরতে হলে অন্য কথা। নাহলে সৌরভ-জয় শাহরাই এগিয়ে নিয়ে যাবেন ভারতীয় ক্রিকেটকে।pic.twitter.com/JrHOVvH3Vi Sourav Ganguly (@SGanguly99) June 1, 2022সন্ধেয় সব জল্পনার অবসান ঘটান সৌরভ নিজেই। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে পদত্যাগের প্রশ্নই নেই। এমন একটি সাধারণ পোস্ট কীভাবে ভাইরাল হল তাতে আমি নিজেও অবাক। শীঘ্রই একটি এডুকেশনাল বা শিক্ষামূলক অ্যাপ বিশ্বজুড়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এটা আমার নিজস্ব ভেঞ্চার। খুব শীঘ্রি এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে। এই টুইটের সঙ্গে স্কুল তৈরির কোনও যোগ নেই।

জুন ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! গণধর্ষণের অভিযোগে কাঁপল বারুইপুর

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে বড় মোড় এল। খুনের মামলার সঙ্গে এবার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তে একাধিক গুরুতর ধারা যোগ হওয়ায় মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তিন অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং ফরেন্সিক বিশ্লেষণও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর তার জেরাতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ এই মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন এবং নাবালিকা অপহরণের একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

শেষমেশ নির্বাচন কমিশনে বড় চাল! ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণে বিস্ফোরক দাবি, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

আসল তৃণমূল কে, সেই প্রশ্নের জবাব এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে। সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেই নথিতে নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করেছে দল। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দাবি আইনসম্মত নয় বলেও একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে প্রতি তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, দুই হাজার ছয় সালে সংবিধান সংশোধন করে সেই মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই দুই হাজার বাইশ সালে শেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বৈধ। এই অবস্থায় তিন বছরের মেয়াদের দাবি সম্পূর্ণ ভুল এবং আইনসম্মত নয় বলেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।নথিতে আরও বলা হয়েছে, যদি ধরা হয় দুই হাজার পঁচিশ সালেই দলের সাংগঠনিক মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা পরে জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের প্রার্থীপদও প্রশ্নের মুখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নির্বাচিত হওয়াও আইনগতভাবে বৈধ হবে না। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি করা হয়েছে।কালীঘাট শিবির আরও জানিয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিজেদের একটি ব্লক হিসেবে স্পিকারের কাছে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ব্লকের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার অধিকার নেই। প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, এরপর রাজ্য স্তরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। ফলে একটি ব্লকের পক্ষে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সংবিধানবিরোধী বলেই দাবি করা হয়েছে।দলের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার আগে অন্তত দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। সেই বিজ্ঞপ্তি কোথায় প্রকাশ করা হয়েছে, তার কোনও তথ্য ঋতব্রত শিবির দেয়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে বলা হয়েছে, দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কেরা পদাধিকারবলে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সেই হিসেবে বর্তমান সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কদের মতামত ছাড়া কোনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সম্ভব নয়। অথচ সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ করা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের আরও দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা বারবার দলের সংবিধানের কথা উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ তাঁরাও কার্যত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান এবং দলের অস্তিত্ব স্বীকার করছেন। তাই নিজেদের পৃথক দাবি আইনগতভাবে টিকবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।এই নথি জমা পড়ার পর আসল তৃণমূল এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে সামনে এল নতুন সিসিটিভি ফুটেজ! মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে হাঁটছিল নাবালিকা? বাড়ছে রহস্য

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যা ঘিরে নতুন করে জোরালো হয়েছে তদন্ত। তদন্তকারীরা ফুটেজটি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার পরনে ছিল নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁর সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে, যার পরনে ছিল লাল রঙের জামা এবং মাথায় নীল রঙের টুপি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের একজন হতে পারেন। তবে ফুটেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল বা এরপর কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।নাবালিকার মা ঘটনার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর মেয়ে যে যন্ত্রণা সহ্য করে প্রাণ হারিয়েছে, অভিযুক্তদেরও আইনের মাধ্যমে সেই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু এমন ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়া যায়নি। এবার তিনি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার চান।এলাকার এক প্রতিবেশী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে যুবকের মাথায় টুপি থাকায় মুখ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর হাতে একটি খাবারের প্যাকেটও ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা ফুটেজের মান উন্নত করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই খুনের পাশাপাশি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal