• ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Recovery

স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বৃহস্পতিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৪ জন। একইভাবে সংক্রমণের নিরিখে কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানেও করোনা সংক্রমণ একেবারে রোখা সম্ভব হচ্ছে না। ৭১৫ জন একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন। তার ফলে সব মিলিয়ে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৩১৬ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ৫ লক্ষের দোরগোড়ায় মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা গোটা রাজ্যে বৃহস্পতিবার করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৯ জনের। তার ফলে রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫৭৬ জন। রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,২৫৭ জন৷ বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৩৪ জন৷ বাংলায় বর্তমানে সুস্থতার হার ৯৩.৩৮ শতাংশ। একদিনে বাংলায় ৪৪ হাজার ১৩০ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড টেস্ট হয়েছে ৫৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৯৮ জন। তার মধ্যে ৮.২২ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ৫ লক্ষের দোরগোড়ায় মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে বাংলার ৩,২২১ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। তাঁদের মধ্যে ৮৪১ জনই কলকাতার। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা থাকলেও কমেছে সেখানকার নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৬৯৭ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ১৮৮ জন। উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি নতুন করে বাড়াচ্ছে চিন্তা। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকেও নতুন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। যার জেরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৯০, ০৭০। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯৩ শতাংশের বেশি এদিন করোনায় মৃত ৫১ জনের মধ্যে ১২ জনই কলকাতার। ১১ জন উত্তর ২৪ পরগনার। করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার মোট ৮,৫২৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩, ২৭৫ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৪, ৫৭, ৩৭৭ জন। সুস্থতার হার ৯৩.৩৩ শতাংশ। এদিন করোনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪২, ৬২৪ জন। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৯, ৫৮, ৭৯৮ জনের।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯৩ শতাংশের বেশি

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩১৫ জন।এদের মধ্যে ৮০৭ জন কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে আজও প্রথমে তিলোত্তমা। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭৯৬ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন আক্রান্ত ২০৯ জন। হাওড়ায় ১৭১ জন। হুগলিতে ১১৮ জন। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে নতুন করে সংক্রমিত ১১৩ জন। এছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য প্রায় সব জেলা থেকেই মিলেছে সংক্রমিতের হদিশ। এর ফলে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৯৯। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ২২১। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে নিম্নমুখী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৪০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ১০২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.২৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৪৭৬। মঙ্গলবার ৪৩ হাজার ২৪১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৯ লক্ষ ১৬ হাজার ১৭৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে নিম্নমুখী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৭১ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৮৪। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৪ হাজার ২৯৮। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৩০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৭৬২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৩.২৩ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৪২৪। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা সোমবার ৩৮ হাজার ১৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৮ লক্ষ ৭২ হাজার ৯৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে ধারা বজায় রেখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে এখানে ৭৩৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ফের বেড়েছে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যাও। রবিবারই কলকাতার তিনটি এলাকা বালিগঞ্জ, টালিগঞ্জ ও গড়িয়ার একাংশকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সেই তালিকায় জুড়ল ভবানীপুরের বহুতল। কলকাতার পরেই আক্রান্তের নিরিখে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানেও যেন বাগে আনা যাচ্ছে না আক্রান্তের গ্রাফ। ফলে রাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৮৪ জন।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৭ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৮১৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৪০৫। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৪৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.১৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৩৭৬। আরও পড়ুন ঃ ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৫ হাজার ২০৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা সেই সংক্রমণের শীর্ষেই। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের রেকর্ড শহর কলকাতায়। রবিবারও কলকাতায় ৯০০র কাছাকাছি বাসিন্দা নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। যদিও এই সময়েই কলকাতায় করোনা মুক্ত হয়েছেন ৯৪১ জন রোগী। কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনাতেও সংক্রমণের দাপট বেড়েই চলেছে। এই মুহূর্তে জেলায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ৬,২২২।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৫৯ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৪৬ জন। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের। তার ফলে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৩২২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা জয় করেছেন ৩ হাজার ৪৮৭ জন। রাজ্যে মোট করোনাজয়ী বর্তমানে ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন। বর্তমানে রাজ্যের সুস্থতার হার ৯৩.১২ শতাংশ। যা কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা কিন্তু কলকাতায় করোনা সংক্রমণ যেন রোখা যাচ্ছে না। ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে একদিনে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। ঠিক তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলায় সংক্রমিত ৮৬৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৮৩ জন। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা টেস্ট হয়েছে ৫৭ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৪৭ জনের।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯৮৭। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৪ হাজার ৬১৭। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ১০০ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৩.০৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮২৭০। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শুক্রবার ৪৫ হাজার ১২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৯৩ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৫৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়ার সংক্রমণের ছবিটা অবশ্য বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২৩৮ ও ২৩০। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০২।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের নয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩৫০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫৩৭ জন। এই মুহূর্তে ৯৩ শতাংশ সুস্থতার হারেই করোনাযুদ্ধে এগিয়ে বাংলা। স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগী ২৪, ৬৭০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে প্রাণহানি ঘটেছে ৫২ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা তা নিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৮২২৪। কলকাতায় এই মুহূর্তে সংক্রমিতে সংখ্যা ৬৮২৮, উত্তর ২৪ পরগনায় তা সামান্য কম ৬৫৬৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪, ৭১৩ জনের, যার মধ্য়ে ৮.২৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৫৬,৫৪, ৫২৪।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫২৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৭৫২। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৭ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৯৫ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১৭২। বুধবার ৪৪ হাজার ৬৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৮৮০ জন৷ এই পর্যন্ত শহরে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ২ হাজার ৫০৩ জন৷ এর পরই উত্তর ২৪ পরগণা৷ এই জেলায় মোট আক্রান্ত ৯৬ হাজার ৭৫৯ জন৷ কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা মিলে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৬২ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭২৯ জন৷কলকাতায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ দুই জেলা মিলে একদিনে মোট মৃত্যু ২৬ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় একদিনে মোট মৃত্যু হয়েছে মাত্র ২৫ জনের৷

নভেম্বর ২৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৫ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৮০। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৬২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৮৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১২১। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৪ হাজার ৫৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৯ হাজার ৮৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩, ৫৪৫ জন। তাঁদের মধ্যে কলকাতার ৮৬৭ জন। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৮১৬ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানকার মোট ২৩২ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। নদিয়া (২১৯), হুগলি (১৯১), জলপাইগুড়ি (১৩৩), এছাড়াও প্রায় সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন আক্রান্তের হদিশ। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৬৩, ৪৬৩। এদিনে মৃত ৪৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথমে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৭ জন। বাংলায় মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯১৮ জন। দৈনিক মৃতের কমেছে কিছুটা। একদিনে রাজ্যে কোভিডের বলি ৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়েছেন ৩ হাজার ৬৮৭ জন। তার ফলে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৮১৬ জন। বাংলায় করোনায় সুস্থতার হার ৯২.৮০ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার একদিনে বাংলায় কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪২ হাজার ৩৬৭ জনের। তার ফলে বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৩৩১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৪৭ জন। তার ফলে শুধুমাত্র মহানগরীতে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ৭৫৬ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩,৫৯১ জন। ফলে বাংলার মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৫৬, ৩৬১। এদিনে করোনার বলি হয়েছেন বাংলার ৪৯ জন। মোট মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে ৮ হাজারের গণ্ডি। তথ্য অনুযায়ী এই একদিনে করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৩,৭২৬ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বাংলার মোট ৪, ২৩, ১২৯ জন। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪৪, ৬৫৩ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৫, ২২, ৯৬৪ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি এছাড়াও কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৭৯ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮২৮ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৩৬৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নতুন আক্রান্ত ২৫৬ জন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি

একদিনে বাংলায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৩৯ জন। ফলে এদিন বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৭০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন ৪ লক্ষ ১৯ হাজার ১০৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনাকে জয় করেছেন ৩ হাজার ৭৯৪ জন। তবে রাজ্যের সুস্থতার হার রয়েছে ৯২.৬৩ শতাংশ। বাংলায় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৩৯১ জন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সেই হার আবার বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৯৭৬ জন। এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে প্রায় ৫৫ লক্ষ৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ২০৮ টি৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। এর সামান্য পিছনে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। একদিনে এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪২ জন। ২০০-এর বেশি করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায়। এদিকে যথারীতি উত্তরবঙ্গের চিন্তা বাড়িয়েছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি। দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক মানুষ।

নভেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬২৬ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৫ হাজার ৫৯৯। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৬০৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.৫৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৯২৩। শুক্রবার ৪৪ হাজার ১৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৪ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২২৬, ১৭৮, ৩০৩ এবং ২১০ জন। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০৪।

নভেম্বর ২১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬২০ জন। সবমিলিয়ে এদিন বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫০৫ জন। রাজ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৭৩ জন। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩ হাজার ৯৯০ জন। ফলে এদিন রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৭৫৯ জন। শতাংশের হিসেবে ৯২.৪৩। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ৮৭৩ জন। আরও পড়ুন ঃ ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৮২ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৩ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি।

নভেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪২৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৭ হাজার ৭৬৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.২৮ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৮৫। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৬ হাজার ২৯৬। এদিনের সংক্রমিতদের মধ্যে ৮৭৪ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮০৫ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন আক্রান্ত ২৪৯ জন। হুগলিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৫। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৮২০। বুধবার ৪৪ হাজার ৫১৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্যে ফের লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন ৩৬৫৪ জন। এ নিয়ে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৫২ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৭৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৩৮৮ জন। সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩ হাজার ৩৪০। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণগত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ২৩৮টি, যার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ১ হাজার ১৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে উদ্বেগ বাড়িয়েছে সেই দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। উভয় জেলাতেই ৬৯০০র বেশি অ্যাকটিভ করোনা রোগী এই মুহূর্তে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১২ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৭ হাজার ৮৯৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৭১৪ জন। তবে স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯৫২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯১.৮১ শতাংশ। কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭২৮ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৮ জন। একদিনে পরীক্ষা হয়েছে ৩৮ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় ৫২ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৯৭ জনের কোভিড টেস্ট হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ০৫৩ জন। যা শেষ কিছুদিনের তুলনায় অনেকটাই কম। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৩১, ৫৫১। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫১ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭, ৬৬১। তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ৪, ৪৮০ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে হল ৩, ৯৪, ৫৭৬। সুস্থতার হার বেড়ে হল ৯১.৪৩ শতাংশ৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ এই একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮, ৬৫৮ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১, ৮০, ১৩৯ জনের। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭০১ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ২৪৩ জন।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮২৩ জন। তার ফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। তার ফলে বর্তমানে মোট করোনার বলি ৭ হাজার ৬১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৪৭৯ জন। তার ফলে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৯৬ জন। রাজ্যের সুস্থতার হার ৯১.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার বাংলায় একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বঙ্গে মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৫১ লক্ষ ৮০ হাজার ১৩৯ জনের। তার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮২০ জন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal