• ১৮ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba Bardhaman

রাজনীতি

অতীতে টেকনোলজি কে দূরে সরানো বামেদের ভরসা 'কিউআর (QR) কোড'

সদস্য সংখ্যা বাড়াতে বিজেপির মতো বামেরাও শরণাপন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে। মিসড কলের মাধ্যমে বিজেপি তাদের পার্টির সদস্যা সংখ্যা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল। আর এবার সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই কিউ আর (QR) কোড মাধ্যমে তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ওই পথেই হাঁটলো। কটাক্ষ করে টিএমসিপি নেতারা বলছেন,বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও তাদের একইরকম হবে,এটাই স্বাভাবিক।২১ শের বিধানসভা ভোটে শূন্য হয়ে গেলেও হাল ছাড়েতে নারাজ সিপিএম নেতৃত্ব। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট ও ২৪-র লোকসভা ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে তারা এখন থেকেই মরিয়া হয়ে রাজনীতির ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দলের হয়ে বড় ভূমিকা পালনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই (DYFI) ও ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জনমত সংঘটিত করার জন্য এসএফআই তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা পোস্টারও তৈরি করেছে। সেই পোস্টারেই এখন ছয়লাপ পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর সহ গোটা জেলার বাজার, হাট,বাসস্ট্যাণ্ড চত্ত্বর। ওই পোস্টারে বড় বড় অক্ষরে আবেদন জানিয়ে লেখা রয়েছে, এসএফআই (SFI) এর সদস্য হও। তার ঠিক নিচেই দেওয়া রয়েছে একটি কুইক রেসপন্স কোড । সেই কোডের নিচে আবার লেখা রয়েছে, স্ক্যান কিউ আর (QR) কোড- জয়েন এসএফআই। আর এই পোস্টার ঘিরেই শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক বিরোধী তর্জা।এসএফআইয়ের জেলা কমিটির সদস্য তথা জামালপুর ব্লকের এসএফআই সম্পাদক নীলকমল পাল বলেন, হ্যাঁ-কিউআর (QR) কোড দেওয়া পোস্টারের মাধ্যমে আমরা এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ারই আহ্বান জানিয়েছি। কারণ আমরা পথেও আছি, হেঁটেও আছি নেটেও আছি। আমরাই ছাত্র বিরোধী নয়া শিক্ষা নীতি,ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র ফেরানোর দাবি সহ রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছি। সেই লড়াইয়ের সাথী হওয়ার জন্য সবাইকে কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সদস্য বাড়ানোর এই পন্থাকে বিজেপির অনুকরণ বলে মানতে চান নি নীলকমল। উল্টে তিনি দাবি করেন, বিজেপি পার্টিটাই সম্পূর্ণ ভাবে মিস কলের মাধ্যমে চলে। কিন্তু ,সেই পথে বামেরা হাঁটে না।সদস্য সংখ্যা বাড়ানো জন্য এসএফআইয়ের কিউআর কোড ব্যবহারের কৌশলকে বিলম্বিত বোধদয় বলে কটাক্ষ করেছেন, জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বাম আমলে সিপিএম ও তাদের সমস্ত শাখা সংগঠন কম্পিউটার সহ ডিজিটাল মাধ্যমেরই বিরোধীতা করে গেছে। একমাত্র কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। আর এখন সেই বামেরাই নকল করছে বিজেপিকে। মিস কলের মাধ্যমে বিজেপি সদস্য সংগ্রহের পন্থা নিয়েছিল। সেটকেই অনুসরনণ করে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই এখন ডিজিটাল কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। রামকৃষ্ণ এও বলেন, এইসব করে বামেরা লাভের লাভ কছু করতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন না।সংগঠনের সদস্য বাড়ানোর এইসব ডিজিটাল পন্থা অবলম্বন নিয়ে বাম ও বিজেপি দুপক্ষকেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) জেলা সভাপতি সেখ সাদ্দাম। তিনি দাবি করেন, বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। দুটো দলই জন বিচ্ছিন্ন। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও এই দুই দলের একইরকম হবে, এটাই স্বাভাবিক। তৃণমূল কংগ্রেস দল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ মানুষের মাঝে থেকে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলে বলেই মিস কল বা কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

সিপিএমের আইন অমান্য কর্মসুচীতে গ্রেফতার ৩১ জনের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর সিজেএম আদালতের

আইন অমান্য কর্মসূচি চলাকালীন বর্ধমান শহরের কার্জন গেটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও কয়েকজন কর্মীকে মারধরের ঘটনায় ধৃত সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাষ রায়চৌধুরি, এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরি সহ ৩১ জনের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করল সিজেএম আদালত।ধৃতদের মঙ্গলবার বর্ধমান সংশোধনাগার থেকে আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের হয়ে বামপন্থী আইনজীবী সংগঠনের সদস্যরা সহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জামিনের সওয়াল করেন। সরকারি আইনজীবী অবশ্য জামিনের বিরোধিতা করেন। দুপক্ষের সওয়াল শুনে সপ্তাহে ২দিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা, অনুমতি ছাড়া আদালতের এলাকা না ছাড়া, শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার শর্তে ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম চন্দা হাসমত। শর্ত লঙ্ঘন করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিআরপিসির ৪৩৭(৫) ধারা অনুযায়ী জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া কার্যকর করা হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন সিজেএম।উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট সিপিএমের আইন অমান্য কর্মসূচি চলাকালীন কার্জন গেট চত্বরে ব্যাপক গণ্ডগোল হয়। পুলিসের উপর হামলা চালানো হয়। পুলিসের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। কার্জন গেটে বিধায়কের অফিসেও ভাঙচুর করা হয়। তৃণমূলের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিস লাঠি চার্জ করে। তাতে কাজ না হওয়ায় কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। এমনকি জলকামান ব্যবহার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিস ৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার বিষয়ে বর্ধমান থানার আইসির অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু হয়। বিধায়কের অফিসে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় তৃণমূল নেতা শেখ নুরুল আলম অভিযোগ দায়ের করেন। এনিয়ে পৃথক একটি মামলা রুজু হয়। পুলিসের দায়ের করা মামলায় আগেই ধৃতদের জামিন মেলে। সিপিএম অবশ্য ঘটনার জন্য পুলিসকে দায়ী করেছে। পুলিসই দলের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালায় বলে সিপিএমের পাল্টা অভিযোগ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত দুই, চালক আটক

ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান আরামবাগ রোডের সগড়াই মোড় এলাকায়। সোমবার সকালেব সূর্যকান্ত মালিক ও খোকন দাস এই দুই শ্রমিক কাজে যাবার উদ্দেশ্যে সগড়াই মোড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় আরামবাগের দিক থেকে বর্ধমান মুখি একটি ডাম্পার এই দুই শ্রমিককে ধাক্কা মারে।গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের বাড়ি সগরাই পশ্চিম পাড়া ও সগড়াই দাস পাড়া এলাকায়। ঘাতক ডাম্পারটিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে খালাসি ও ডাম্পার চালককে। দেহ দুটি ময়না তদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরের সৌন্দার্যায়নে আঘাত হানার প্রতিবাদে বিদ্বজনেদের অবস্থান বিক্ষোভ

৩১ শে আগষ্ট সিপিআইএমের ডাকে আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে যে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে। সেদিন রণংদেহী জনতাকে বাগে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ছোঁড়ে। পরিস্থিতি বাগে আনতে লাঠিচার্জ করতে হয়। পুলিসের অভিযোগ সিপিএম সমর্থকদের ছোঁড়া ইঁটে ঘায়েল হন বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। জনতা-পুলিসের খন্ডযুদ্ধ বাধে। কার্জনগেটের নতুন সাজসজ্জা ভাঙচুর করা হয়। বিশ্ববাংলা গ্লোব উপড়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। কার্জন গেটের অদুরে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন বেশ কিছু বাম কর্মী-সমর্থক। জানা যায় বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস সেদিন পুরস্কার নিতে শহরের বাইরে ছিলেন। সোমবার ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে মেঘলা আবহাওয়ায় বিকেলে বিধায়ক সমর্থকদের এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় কার্জন গেট চত্তরে। সেখানে শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, উকিল, লেখক ও শিল্পী সহ বিদ্বদজনেরা অংশ নেন। মঞ্চের পাশে রাখা একটি সাদা বড় ক্যনভাসের ওপর সাক্ষর সংগ্রহ করা হয় সভায় উপস্থিত মানুষজনের কাছে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

বোরজানের বারোমাস্যা, দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন বোরজান

বছর বদলালেও দুর্দশার জীবন বদলায়নি বোরজানের। বছর দুই আগে ভেঙে পরে মাথার উপরে থাকা চালাঘরটি। বৃষ্টি হলেও সব জল ঢুকে পরে বাড়িতে। এরফলে বসত ভিটের ভাঙা ঘর আগলে নিত্য দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বাবলা গ্রামের বোরজান। দুঃখ আর যন্ত্রণা এখন নিত্য সঙ্গী তার। তার বড় প্রয়োজন মাথার উপরে একট ফালি ছাদ।সমস্যার বারোমাস্যা নিয়ে বারবার স্থানীয় গলসি গ্রাম পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিসে গেলে, সেখান থেকে কোন সুরাহা মেলে নি। এদিকে শারীরিক অসুবিধার জন্য উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। তাই সপ্তাহের কয়েকদিন রেশনের চাল রান্না করে ও কয়েকদিন পরের বাড়িতে খাবার খেয়ে কোনরকম দুবেলা পেট চলান। কোন কোন দিন আবার উপসেও দিন কাটাতে হয় রোবজানকে।বোরজানের স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন। ফলে ১৫ বছর আগে তার তিন ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে চলে যায় তার শ্বাশুড়ি। সেখানেই তাদের লালন পালন করে মানুষ করছেন তার শ্বাশুড়ি। ছেলেরা এখন বেশই বড় হয়েছে। ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করে উপার্জন করে। ছেলেদের উপার্জনে পরিবারের দিন ফিরলেও দুর্দশাগ্রস্ত বোরজানকে তারাও কেউই দেখেনা। এমনকি বোরজান শ্বশুরবাড়ি শিড়রাই গেলেও তাকে বের করে দেয় শ্বাশুড়ি। ফলে ভাঁঙা ঘরের অ্যাজবেস্টারের নিচে দুর্দশার জীবন কাটাচ্ছেন বোরজান।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
স্বাস্থ্য

হোস্টেলের দাবীতে আন্দোলনে বর্ধমান ডেন্টাল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা

বর্ধমানের ডেন্টাল কলেজের ছাত্ররা আন্দোলনে নেমেছেন। তারা দাবি তোলেন, ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে অবিলম্বে হোস্টেল চাই তাদের জন্য। রীতিমতো শ্লোগান দিয়ে তারা ধরণা চালিয়ে যাচ্ছেন।২০০৯ এ বর্ধমান ডেন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ছাত্রছাত্রীদের বক্তব্য ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও এই কলেজে এখনও পর্যন্ত কোনোও হোস্টেল নেই। নতুন নতুন নার্সিং থেকে মেডিকেল কলেজ সবার হোস্টেল আছে।শুধু তাঁদেরই নেই।তাদের আরো বক্তব্য হোস্টেল না থাকায় তাদের বাইরের মেস বা পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতে হচ্ছে। জুনিয়র ডাক্তার বা ছাত্র হিসেবে এই সুযোগ তাদের প্রাপ্য। যদি কোনো ব্যবস্থা না হয় তারা আরও বড় আন্দোলনে নামবেন।তাদের কথায়, তারা জেলা এবং রাজ্যস্তরে জানিয়েছেন। কোনো ফল হয় নি তাতে। আজ থেকে তারা আন্দোলন শুরু করলেন। তবে আউটডোর সহ রোগীর পরিষেবা সব চালু রেখেছেন তারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

কল আছে জল নেই, জল সঙ্কটে হাহাকার ভাতারের শিলাকোট গ্রাম

কল আছে জল নেই। সত্যিই জল পড়ে না। ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা।পানীয়জলের জন্য হাহাকার গ্রাম জুড়ে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের শিলাকোট গ্রামে বছর দুয়েক আগে পিএইচই মাধ্যমে গ্রামে জলের পাইপ বসানো হয়।গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে পাইপের কানেকশন ও ট্যাপকলও দেওয়া হয়। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা জল কোথায়! না এখনও গ্রামে পানীয় জল পৌঁছায় নি। গ্রামের দাসপাড়া, মালিক পাড়া ও আদিবাসী পাড়ার মানুষজন সব থেকে বেশী সমস্যায় পড়েছেন। পাড়ার টিউবওয়েলগুলিও দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে।ফলে তারা বাধ্য হয়েই পুকুরের জল ব্যবহার করছেন।ভাতাড়ের ওড়গ্রামের ফরেস্টের কাছে পিএইচই পাম্প বসানো হয়েছে। পরিকল্পনা ওই জায়গা থেকে এলাকার চার পাঁচটি গ্রামে পানীয় জল সরবরাহ করা হবে।কিন্তু পরিকল্পনা অনুযায়ী এখনো কাজ হয় নি।শিলাকোর গ্রামে কমবেশি তিন হাজার মানুষের বাস। গ্রামের আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দা সরমণি মুর্মু বলেন, বাড়িতে পাইপ বসানো হয়েছে দুবছর আগে। কলের ট্যাপও লাগানো আছে। কিন্তু তাতে জল আসে না। পাড়ার টিউবওয়েলও খারাপ হয়ে পড়ে থাকায় জলের জন্য খুব সমস্যা হচ্ছে। একই সমস্যার কথা বলেন, কৈবর্ত পাড়ার বাসিন্দা অলকা দাস। তিনি বলেন, পানীয় জলের পাইপ বসানোর কাজ হয়েছে বছর দুয়েক আগে। কিন্তু জল আসছে না।এই বিষয়ে সাহেবগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিনয় কৃষ্ণ ঘোষের সাফাই জল ট্রাঙ্ক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ ওড়গ্রামের থেকে শিলাকোট গ্রাম বেশ খানিকটা উঁচু। তাই পাইপলাইনের মাধ্যমে জল পৌঁছাচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান

আজ বর্ধমান জেলা কার্যালয়ে বাঘার ১নং অঞ্চলের মাহিনগর গ্ৰামের সাতজন তৃণমূল সহ অন্য দলের সৎ, আদর্শবান, সশক্ত কর্মী ভারতীয় জনতা পার্টির বিচার ধারায় উদ্ভুত হয়ে এবং তৃণমুল নেতামন্ত্রীদের দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে স্ব-ইচ্ছায় ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করার আগ্রহ প্রকাশ করলে, জেলা পদাধিকারী ও মন্ডল সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁদের সকলকে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে এবং উত্তেরীয় দিয়ে বরণ করে নিলেন মাননীয় জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা মহাশয়।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে ধানের জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু দম্পতির

বজ্রপাতে মৃত্যু হল ক্ষেতমজুর দম্পতির। মৃতদের নাম বিষ্টুপদ বাগদি (৪৩) ও মমতা বাগদি (৪০)। পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভেঁপুর গ্রামের পুর্ব পাড়ার বাসিন্দা। শনিবার সকালে তারা মাঠে ধান জমিতে আগাছা পরিস্কারের কাজে গিয়েছিলেন। কাজের শেষে দুজনই বাড়ির গবাদি পশুর জন্য ঘাস কাটছিলেন। দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটা একটা নাগাদ আচমকা বজ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টি শুরু হলে দুজনই জমিতে ছিটকে পরে যান। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে মাঠের এগোরো হাজারের বিদ্যুৎের খুঁটির তার ছিঁড়ে জমিতে পরে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয় বলে জানান স্থানীয়রা। একটু দূর থেকে দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয়রা। তারা পুলিশে খবর দিলে দুরঘটনাস্থলে যায় গলসি থানার পুলিশ ও বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। পুলিশ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসকরা দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান বজ্রপাতের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। ওই বিষয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের পূর্ব বর্ধমান সাউথ ডিভিশন ইঞ্জিনিয়ার সুমন পাল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের আগের পোলের পিন ইনসুলেটারে বাজ পরে তার কেটে যায়। তাছাড়া ওই জায়গার বিদ্যুৎের পোলে লাইটিং হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মারা গেছে না বাজ পড়ে মারা গেছে তা ময়নাতদন্ত না হলে বলা সম্ভব নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চম শ্রেণি পাশ নাদনঘাটের রেজাউল আকাশে উড়ানের স্বপ্নে বিভোর, হেলিকপ্টার তৈরিতে মগ্ন

পড়াশুনা পঞ্চম শ্রেণী। পেশা গ্যারেজ মিস্ত্রি। লক্ষ্য হেলিকপ্টার তৈরি। শুধু ইচ্ছাশক্তিতে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে গবেষণা করে আস্ত হেলিকপ্টার তৈরি করার কাজ করে চলেছেন রেজাউল শেখ। পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানার ঘোলার বাসিন্দা নিজের বাড়ির পাশে খোলা জায়গায় লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে এই কপ্টার তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য ইতিমধ্যে কয়েক লক্ষ টাকা খরচও করেছেন রেজাইল। তাঁর হেলিকপ্টার দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষজন। এখন রেজাউল শুধু আকাশে ওড়ার স্বপ্নে বিভোর।কেন এভাবে হেলিকপ্টার তৈরির নেশায় মাতলেন রেজাউল? তার ব্যাখ্যাও দিয়োছেন রেজাউল। তাঁর কথায়, বাবা আমাকে একদিন বলেছিলেন এমন একটি কিছু কাজ করতে, যাতে দেশের মানুষ আমাকে মনে রাখে। বাবার সেই কথাটাই সবসময় মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। তার পর একদিন ৪০ ফুট লম্বা ও পাইলট সহ পাঁচ আসন বিশিষ্ঠ হেলিকপ্টার তৈরির সিদ্ধান্ত নিই।হেলিকপ্টার তৈরি করা তো যেমন তেমন বিষয় নয়। বললাম আর হয়ে গেল। রীতিমতো গবেষণা করে পড়াশুনা করা দরকার। সম্যক জ্ঞান না থাকলে কোনওভাবেই তা সম্ভব নয়। রেজাউল বলেন, বেশি দূর পড়াশুনা করিনি। মাত্র পঞ্চমশ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনা করেছি। একটা সময় কাজ করতেন মোটর গ্যারেজে।রেজাউলের একটি জেসিবি মেশিনও রয়েছে। এটাই হেলিকপ্টার তৈরির বাস্তব অভিজ্ঞতা। হেলিকপ্টার তৈরি করার জন্য নিজে ৫ বছর গবেষণা করেছেন। কয়েক মাস আগে সাজসরঞ্জাম কিনে এনে হেলিকপ্টার তৈরির কাজ শুরু করেন রেজাউল। হেলিকপ্টার তৈরি করতে এখনও মাসখানেক সময় লাগবে বলে রেজাউল জানিয়েছেন।হেলিকপ্টারটি প্রায় চল্লিশ ফুট লম্বা এবং পাইলট সহ পাঁচটি আসন থাকছে। হেলিকপ্টারের কাঠামোটা তৈরি করতে লোহার পাত ব্যবহার করা হয়েছে। ব্লেডও সেটিং হয়ে গিয়েছে। এককথায় এখন নাদনঘাটের ঘোলাতে রেজাউলের হেলিকপ্টার নিয়ে উৎসাহে গা ভাসিয়েছে আশেপাশের গ্রামবাসী।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

ড্রোনের সাহায্যে আকাশপথে সার ছড়ানো হবে জমিতে

আর জমির মধ্যে জলকাদায় নেমে স্প্রে মেশিনের সাহায্যে কীটনাশক ছড়ানোর পর্ব থাকবে না। ধান সহ বিভিন্ন কৃষি জমিতে রোগ পোকার আক্রমণে ড্রোনের মাধ্যমে জমিতে ছড়ানো যাবে কীটনাশক। শনিবার তা পরীক্ষামূলকভাবে দেখানো হল শস্যগোলা পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে।এদিন একটি বেসরকারি কোম্পানি আউশগ্রামের কয়রাপুর গ্রামে স্থানীয় কৃষকদের হাতে কলমে দেখানোর জন্য ড্রোনের মাধ্যমে ধানজমিতে কীটনাশক ছড়ানো হয়। আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লক সহ কৃষি অধিকর্তা দেবতনু মাইতির সহযোগিতার স্থানীয় কয়েকজন কৃষকের জমিতে কীটনাশক ছড়ানো হয় পরীক্ষা মূলক ভাবে। স্থানীয় কৃষক হামিদ মল্লিক জানান জমিতে এভাবে কীটনাশক ছড়ানো যায় তা ইতিপূর্বে চাক্ষুষ তারা দেখেননি।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

প্যারা টিচারের মারে মাথায় চোট পেয়ে অসুস্থ শিশু

মেমারি দুনম্বর ব্লকের অন্তর্গত সোতলা মহিষডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ সামিল হলো গ্রামবাসীরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় মেমারি থানার সাতগেছিয়া ফাঁড়ির পুলিশ। অভিযোগ জুন মাসের শেষের দিকে এক সেচ্ছাসেবক শিক্ষকের মারে আহত হন। এক স্কুল পড়ুয়া।আহত ওই স্কুল পড়ুয়া জিৎ শিল অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র মহিষডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। স্কুলে পড়া না পারার জন্য তাকে মারধর করা হয় এবং সেই মারেই মাথায় চোট পান বলে অভিযোগ। বর্তমানে ওই ছাত্র ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না এবং অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে তার পরিবারের দাবি।বর্তমানে ওই ছাত্রের সমস্ত চিকিৎসা খরচ স্কুল কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আহত ছাত্রের পরিবার। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষকরা জানিয়েছেন আহত হওয়ার পর ওই ছাত্রের প্রথম চিকিৎসা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেই এবং পরবর্তী সময়ও তাদের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। শুনবো এই দিনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষক কি জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন আউশগ্রামে, স্বীকার অভিযুক্তর

পরকীয়ার জেরেই খুন করেছে স্বীকার করলো অভিযুক্ত। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই রাগের বশে সাদেক শেখকে খুন করেছে পুলিশের কাছে একথা জানাল পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ধৃত চন্দন মেটে। ধৃত শুক্রবার দাবি করে তার স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল সাদেক শেখের। বারবার নিষেধ সত্বেও সাদেক শোনেনি। তাই রাগের বশেই তাকে কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে মেরেছিলাম। মরে যাবে বুঝতে পারিনি।যদিও নিহতের স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগপত্রে জানান,পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বচসার জেরেই চন্দন মেটে তার স্বামী সাদেক শেখকে পরিকল্পনা মাফিক খুন করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চন্দন মেটেকে আটক করার পর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাকে বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়। আদালত ধৃতকে ৭ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যায়।বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামের মেটেপাড়ার কাছে সাদেক শেখকে রক্তাক্তবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়। পেশায় কৃষক সাদেক শেখ। স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন তার স্বামী চন্দনকে ২০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। ওই টাকা বৃহস্পতিবার বিকেলে চাইতে গিয়েছিলেন তার স্বামী সাদেক শেখ। টাকা দিতে অস্বীকার করলে সাদেকের সঙ্গে চন্দনের বচসা হয়। চন্দন তখন হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। গোলেনূর শেখ জানান তারপর চন্দনের বাড়ি থেকে সাদেক বেড়িয়ে এসে যখন ভেদিয়া দীননাথপুর মালিয়াড়া রাস্তায় উঠছিলেন তখন চন্দন পিছন থেকে ভারী বস্তু দিয়ে সাদেকের মাথায় আঘাত করে।যদিও এদিন ধৃত চন্দন বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাদেক শেখের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আমার স্ত্রীকে লজে নিয়ে যেত। আমি না থাকা অবস্থায় বাড়িতেও যেত। বৃহস্পতিবার বাড়ি ঢুকেই দেখি সাদেক আমার ঘর থেকে বেড়িয়ে আসছে। তখন রাগের মাথায় কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে পিঠে আঘাত করতে গিয়েছিলাম। মাথায় লেগে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে এক ব্যক্তিকে টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ

টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে এক ব্যক্তিকে খুন করার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের নাম সাদেক শেখ(৩৮)। ওই ঘটনায় এক মহিলা সহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। যান পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন সহ পুলিশ আধিকারিকরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে পুরানো রাগের জেরেই সাদেক শেখকে খুন করা হয়েছে।পেশায় কৃষক ছিলেন সাদেক শেখ। তিনি আমিনের (জমি পরিমাপ) কাজও করতেন। নিহতের ভাই সঞ্জয় শেখ জানান তার দাদা সাবমার্সিবল পাম্পের সেচখরচা বাবদ টাকা আদায় করতে গ্রামের কয়েকজনের কাছে গিয়েছিলেন। মেটেপাড়ায় চন্দন মেটের বাড়ির সামনে দিয়ে যাবার সময় সাদেককে আচমকা টিউবওয়েলের লোহার হাতল দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। লুটিয়ে পড়েন সাদেক। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে নিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। সঞ্জয় শেখের অভিযোগ, পুরানো কোনও রাগের কারণেই তার দাদাকে চন্দন মেটে খুন করেছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ চন্দন, তার স্ত্রী ও ছেলেকে আটক করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে যাত্রীবাহী বাস

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাল্টি খেয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে গেল যাত্রীবাহী বাস। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ায়দিঘী থানার ভিটা রাইপুর এলাকায়। দুর্ঘটনায় বাসের প্রায় ১৫ জন যাত্রী কমবেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দশ জনকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। বাকিদের কুড়মুন প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা করা হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন বিকেল ৪টা নাগাদ বর্ধমানের দিক থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস করিমপুর যাচ্ছিল। দ্রুত গতিতে যাবার সময় রাস্তায় একটি মোটর সাইকেলকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে পাল্টি খেয়ে রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে পড়ে যায় বাসটি। আচমকা এই দুর্ঘটনায় বাসের একাধিক যাত্রী জখম হয়েছেন বলে খবর। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

জোরকদমে প্রতিমা তৈরির কাজ চললেও কোভিডের যাঁতাকলে আটকে মৃৎশিল্পীরা

অতি মহামারী কোভিড শিথিল হলেও তার প্রভাব এখনো ছত্রে ছত্রে রয়ে গেছে। গত দুবছর লকডাউন ও কোভিডের যাঁতাকলে পড়ে দুর্গাপুজো বেশ ধাক্কা খেয়েছিল। কিন্তু এখনও সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি বর্ধমানের মৃৎশিল্পীরা। মৃৎশিল্পী পাপ্পু পাল বলেন, পুজোর জন্য দুর্গা প্রতিমার বায়না যে হচ্ছে না তা নয়, তবে প্রতিমার বাজেট বাড়াতে চাইছে না কেউই। আসলে মানুষের হাতে পয়সা নেই।পুজোর আর মাস খানেক হাতে আছে। শিল্পীরাও থেমে নেই। জোরকদমে শহরের পালপাড়া থেকে পার্কাস রোড কিংবা নীলপুরে মৃৎশিল্পীরা সৃষ্টিতে মগ্ন। আবহাওয়া এবার তেমন খারাপ না থাকায় মূর্তি বানানোর কাজে তেমন ব্যাঘাত ঘটছে না। গত কয়েক বছরে হুহু করে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে বাজারে।তার থেকে বাদ যায়নি মৃৎশিল্পীরাও। প্রতিমা তৈরির কাঁচামালের দাম বেড়েছে দেদার। মাটি থেকে খড় কিংবা বাঁশ থেকে দড়ি সবক্ষেত্রেই দাম উর্দ্ধমুখী। কিন্তু পুজো কমিটিগুলো বর্তমানে দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে।সাধারণত অগাষ্টের মধ্যেই বায়নাপত্র হয়ে যায়। কিন্তু এবছর যেন উল্টো চিত্র। অগাষ্ট মাসের শেষের দিকেও তেমন বায়নাপত্র হয়নি।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানের বিজেপি জেলা কার্যালয়ের সামনে একটি ফ্লেক্স টাঙানো নিয়ে আলোড়ন পড়েছে

ফ্লেক্স লেখা আছে যে সব চাকরিপ্রার্থীরা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বা সরকারি আধিকারিকদের টাকা দিয়েও চাকরি পান নি। তারা জেলা সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে তাদের বিজেপির দলীয় কার্যালয় যোগাযোগ করলে তারা দায়িত্ব নিয়ে টাকা ফেরত দিয়ে দেবে।সম্প্রতি বর্ধমানে দলীয় কর্মসূচিতে এসেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বর্ধমানের বড়নীলপুর এলাকায় একটি পথসভা হয়। সেখানে তিনি বলেছিলেন, দলীয় কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টাঙ্গিয়ে দিন, যারা টাকা দিয়েও চাকরি পাননি তারা জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুক। তাদের নাম গোপন রাখা হবে। সেই সমস্ত তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করে সেই টাকা তাদের ফিরিয়ে দিতে দেওয়া হবে। এই দায়িত্ব নিতে হবে।এ প্রসঙ্গে জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানিয়েছেন জেলা সভাপতি নির্দেশেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানিয়েছেন, কারোর এই ধরনের সমস্যা হলে তারা তো প্রশাসনের কাছে যাবে, পুলিশের কাছে যাবে, বিজেপি অফিসে যাবে কেন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

জমি জালিয়াতি, চিকিৎসককে আটক রাখলেন গ্রামবাসীরা

অন্যের জমি জালিয়াতি করে নিজের নামে রেকর্ড করানোর অভিযোগে একজন চিকিৎসককে আটক রাখলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। সোমবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের কামালপুর এলাকায়।অভিযোগ কামালপুর এলাকার তিলডাঙা গ্রামের ২৪০ দাগের এক বিঘে জায়গা চিকিৎসক শান্ত কুমার মণ্ডল নিজের নামে রেকর্ড করে নেন ২০১৯ সালে।আসলে জায়গাটির মালিক দুষ্টু মাহাতো।দুষ্টু মাহাতোর নাতি হীরু মাহাতোর অভিযোগ আমরা তেমন লেখাপড়া জানি না। ৪৭ বছর আগে এই জায়গাটি কেনা হয়।দুষ্টু মাহাতোর নামে জায়গার দলিল আছে।এই জায়গার উপর একটি ক্লাবঘর ও মন্দির আছে।আমরা ভূমি সংস্কার দপ্তরে গিয়ে জানতে পারি জমির মালিক দুষ্টু মাহাতোর পরিবর্তে শান্ত কুমার মণ্ডল। তখন আমি ডাক্তারবাবুকে বলি আমাদের জমি আমাদের ফিরিয়ে দিতে।উনি আমাকে বলেন, জমিটি কিনতে হবে।এই নিয়ে ক্লাবে অনেকবার আলোচনা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ডাক্তারবাবু জমি ফিরিয়ে দিতে রাজী হন।তারপর থেকে টালবাহানা করছেন।এই নিয়ে এলাকার তৃণমূল নেতা থেকে পঞ্চায়েত সদস্য সবাইকেই বিষয়টি জানানো হয়।কিন্তু কেউ বিষয়টি গুরুত্ব দেয় নি।এদিন শান্ত কুমার মণ্ডল তিলডাঙা গ্রামে তার চেম্বারে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ঘিরে ধরে।জালিয়াতি করে জমি নেওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের একাংশ তাকে বিদ্যুতের পোলে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ গিয়ে শান্ত কুমার মণ্ডলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।শান্ত কুমার মণ্ডলের বাড়ি কামালপুরে। পাশের গ্রাম তিলডাঙায় তার চেম্বার।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি গণ্ডগোলে আরও দুইজন গ্রেফতার

বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচির ঘটনায় গ্রেফতার হল আরও দুজন। যার মধ্যে একজনের জামিন হলেও অপর জনের তিন দিনের পুলিশি হেভফাজত হয়েছে। পাশাপাশি ১ সেপ্টেম্বর চার দিনের জন্য পুলিশি হেফাজত পাওয়া ৭ জনের আবার তিন দিনের পুলিশি আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। গত ৩১ আগষ্ট বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচির ঘটনায় পুলিশ ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছিল। ধৃতদের মধ্যে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায় চৌধুরী রয়েছে। এই ঘটনায় বাকি ৩৪ জনের ইতিমধ্যেই ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে রয়েছে।বুধবার বর্ধমানে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে এই ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। পুলিশের সাথে সিপিএম কর্মীদের খণ্ডযুদ্ধ বাধে। ভাঙচুর করা হয় বিশ্ববাংলা লোগো লাগানো গ্লোব, রাস্তার দুই পাশে থাকা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ছবি লাগানো একাধিক গ্লোসাইন। ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ি ও মোটর সাইকেলে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী আন্দোলনকারীদের মারে আহত হয়। আন্দোলনকারীদের বাগে আনতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয়।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

মেমারিতে দুঃস্থ ও অসহায় থ‍্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবির

মেমারি ১ ব্লকের দুর্গাপুর গ্রামের বারোয়ারি তলায় গুরু গোবিন্দ বসু সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবির আয়োজন কগরা হয়। শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় ৫০ ইউনিট লক্ষ্যমাত্রা রেখে রক্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করে। এদিন একইসঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছেলেমেয়েদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান করা হয়। দুর্গাপুর গ্রামের আধুনিকতার রূপকার গুরু গোবিন্দ বসুর ছবিতে মাল্যদান করে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। তাঁর স্মৃতিতে গুরু গোবিন্দ বসু সংঘ সহ গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক কাজে এগিয়ে আসেন।আজকের অনুষ্ঠানে মহিলাদের রক্তদানে বেশি উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়। বর্ধিষ্ণু গ্রাম দুর্গাপুরে এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবারের মত উদ্দীপনা ছিল দিনভর।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ...
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal