• ২৭ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba Bardhaman

রাজ্য

Lightning: পূর্ব বর্ধমানে বজ্রপাতে মৃত ৩, জখম ৭

বজ্রপাতে একই দিনে পূর্ব বর্ধমানে মৃত্যু হল তিন খেত মজুরের। জখম হয়েছেন আরও সাত জন। মৃতরা হলেন বনমালি ধারা (৬০) ও শুকুরমনি সরেন (২২) ও কালিরাম হাঁসদা (৩৫)। শনিবার বজ্রপাতে এই মৃত্যুর ঘটনাগুলি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বিল্বগ্রামে, রায়না ২ ব্লকে দিঘুরা ও মেমারির কাশিয়াড়া গ্রামে। মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসনের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আউশগ্রামের বিল্বগ্রাম নিবাসী বনমালি ধারা সহ রবি বাগদি, মমতা বাগদি, মঞ্জু বাগদি, জ্যোৎস্না বাগদি, শেফালি বাগদি প্রমুখরা একসঙ্গে স্থানীয় মাঠে ধান বোনার কাজ করছিলেন। ওই সময়ে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। মাঠে বাজ পড়লে সেখানেই বনমালি ধারার মৃত্যু হয়। জখম হন বাকি পাঁচ খেত মজুর ।জখমদের সকলকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াবজ্রপাতে অপর মৃত শুকুরমনি সরেনের বাড়ি বর্ধমান ২ ব্লকের বড়শুলে। জেলার জামালপুর ব্লকের শম্ভুপুর গ্রামে শুকুরমনির বাপের বাড়ি। খেত মজুরির কাজ করার জন্য তিনি রায়না ২ ব্লকে আরুই পঞ্চায়েতের নিলুট গ্রামে দিদির বাড়ি গিয়েছিলেন। এদিন দুপুরে শুকুরমনিসহ ওই এলাকার বাসিন্দা মণিকা মাণ্ডি, মানসী হেমব্রম স্থানীয় দিঘুরা গ্রামের মাঠে কাজ করছিলেন। এলাকার যুবক শেখ নজু জানান, দুপুরে হঠাৎই বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে মাঠেই মারা যান শুকুরমনি সরেন। জখম হন মণিকা মাণ্ডি, মানসী হেমব্রম। তাঁদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে মেমারির সাহানগর গ্রাম নিবাসী কালিরাম হাঁসদা মেমারির কাশিয়াড়া গ্রামে রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজ করার সময়ে বজ্রপাতে মারা যান।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Ganga Water Level: ভাগীরথীর জল ছুঁইছুঁই ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন, বিপত্তি পূর্বস্থলীর গ্রামে

কয়েকদিনের নাগাড়ে বৃষ্টিপাত ও তার সঙ্গে জলাধার থেকে ছাড়া জলে ফুলেফেঁপে উঠেছে ভাগিরথী নদী। আর তাতেই ঘটেছে বিপত্তি ।ভাগীরথীর জল ছুঁইছুঁই ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার। সেই কারণে সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের ঝাউডাঙা পঞ্চায়েতের ঝাউডাঙ্গা এবং হালতাচড়া গ্রাম। বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই দুই গ্রামের দেড়শোটি পরিবার। দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরে দরবার করেও সুরাহা না মেলায় ক্ষোভে ফুঁষছেন গ্রামবাসীরা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়াভাগীরথীর একপাড়ে পূর্বস্থলীর ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রাম। এই গ্রামে বিদ্যুৎ এসেছে ভাগীরথীর অপর পাড়ের নদিয়ার বেথুয়াডহরি থেকে। এলাকার বাসিন্দা প্রহ্লাদ ঘোষ শনিবার জানান, ভাগীরথীর দুই পাড়ে পোলে ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার টানা হয়েছে। ভাগীরথী এখন জলে টইটুম্বুর। বিদ্যুতের তার ভাগীরথীর জলে ঠেকতে আর হাত কয়েক বাকী। সেই কারণেই গ্রামের লাইনে সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছে বিদ্যুৎ দফতর। এরফলে ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রামের দেড়শটি পরিবার সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে।অপর বাসিন্দা দুর্গা মণ্ডল বলেন, ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎতের তার যখন টানা হয় তখনই গাফিলতি ছিল। তার উঁচু করে টানা হয়নি। সেই জন্য ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রামে বিদ্যুৎ আসার পর থেকে প্রতি বছর বর্ষায় গ্রাম বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে। ১১হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের তার অ্যাঙ্গেলের সাহায্যে উঁচু করার জন্য বহুবার দুই গ্রামের মানুষ বিদ্যুৎ দফতরে দরবার করেছিল। কিন্তু কোন ফল হয়নি। শুক্রবারও নদিয়ার বেথুয়াডহরিতে বিদ্যুৎ দফতরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায় হালতাচড়া এবং ঝাউডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের শনিবার গ্রামে লাইন ঠিক করতে আসার কথা ছিল। কিন্তু কেউ আসেনি। এইভাবেই প্রতি বছর বর্ষায় ভোগান্তি চলছেই। তার বিরাম ঘটছে না। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে ঢাকা পড়ছে ঝাউডাঙা ও হালতাচড় গ্রাম। দুর্ভোগের অবসান কবে ঘটবে তা জানা নেই পূর্বস্থলীর এই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের। দুই গ্রামের অনেকেই টোটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।টোটোয় চার্জ না থাকায় সেই টোটোগুলিও বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি তীব্র গরমে গ্রামের কয়েকশো মানুষ ব্যাপক অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন। গ্রামের ছাত্র আশিষ ঘোষ জানায়, এখন তাঁদের অনলাইনে পড়াশুনো চলছে। কারেন্ট না থাকায় মোবাইল ফোনে চার্য দেওয়ার সূযোগ না থাকায় ফোন বন্ধ হয়ে রয়েছে। তাই লাটে উঠেছে অনলাইনে পড়াশুনা। সন্ধ্যা নামলে লম্ফ অথবা হ্যারিকেনের আলোয় কোনরকমে রাত কাটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ দফতর দ্রুত ১১ হাজার ভোল্টেজের বিদ্যুতের তার টেনে উুঁচু করার ব্যবস্থা করে দুর্ভোগ থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করুক, এমনটাই দাবি দুই গ্রামের পড়ুয়াদের।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভাগীরথী জলে টইটুম্বুর। বিদ্যুতের তার নদীর জল ছুঁইছুই হয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় ওই তারে বিদ্যুৎ প্রবাহিত থাকলে ভয়ানক বিপদ ঘটে যাবে বলে বিদ্যুুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। নদীর জল না কমা পর্যন্ত কিছু করার নেই। ওই লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতেই হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Indian Army: সেনা জওয়ানের বাড়িতে তালা ভেঙে সর্বস্ব চুরি

চুরির ঘটনার বিরাম নেই পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। এবার সেনা জওয়ানের বাড়ির দরজার তালা ভেঙে সর্বস্ব চুরি করে নিয়ে পালিয়েছে চোর। ঘটনাটি ঘটেছে ভাতার বাজারের রামকৃষ্ণনপল্লী এলাকায় । সেনা জওয়ানে স্ত্রী তাপসী ঘোষ শুক্রবার দাবি করেছেন, নগদ টাকা, সোনার গহনাসহ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার সামগ্রী তাঁর ঘর থেকে নিয়ে গিয়েছে চোর। ঘটনার খবর পেয়েই সেনা জওয়ানের বাড়িতে তদন্তে যায় ভাতার থানার পুলিশ। যদিও পুলিশ এখনও পর্যন্ত চুরির ঘটনার কোনও কুলকিনারা করতে পারেনি।তাপসী ঘোষ জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী ভারতীয় সেনা বাহিনীর জওয়ান। তিনি এখন অরুনাচল প্রদেশে ভারত-চীন সিমান্ত পাহারার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে ভাতার বাজারের রামকৃষ্ণ পল্লী এলাকার বাড়িতে তাই একাই থাকেন তাপসীদেবী। তাঁর শ্বশুর বাড়ি ভাতারের এরুয়ার গ্রামে। তিনি জানান, তাঁর শ্বশুরবাডির এক আত্মীয় সম্প্রতি মারা যান। ওই আত্মীয়র পরলৌকিক কাজে যোগ দিতে দিন তিনেক আগে তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। তাপসীদেবী জানান, এদিন সকালে এক প্রতিবেশী তাঁকে ফোনে জানায় তাঁদের বাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। খবর পেয়েই তিনি তাঁর দাদার সঙ্গে নিজের বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতে এসে দেখেন কলাপসিবল গেটের পাশাপাশি বাড়ির পিছনের গেটেরও তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দুটি ঘরের দরজার তালাও ভাঙা দেখতে পান। ঘরে ঢুকে দেখেন ঘরের সব জিনিসপত্র লন্ডভন্ড হয়ে রয়েছে। আলমারির তালা ভেঙে নগদ ২৫-৩০ হাজার টাকা, দামি দামি শাড়ি, ২০-২৫ ভরি সোনার গহনা কাঁসা পিতলের বাসনপত্র যা কিছু ছিল সব চোরেরা চুরি করে নিয়ে গেছে বলে তাপসীদেবী জানিয়েছেন।এলাকাবাসী জানিয়েছে, ইতিপূর্বে ভাতার বাজার এলাকায় একাধিক বাড়িতে এইভাবে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। কোনও চুরির ঘটনার কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এবার চোরেদের দৌরাত্ম্যের হাত থেকে দেশের সেনা জওয়ানের বাড়িও ছাড় পেল না।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

সাঁতরে খড়ি নদি পেরিয়ে জমিতে যেতে গিয়ে তলিয়ে গেলেন প্রৌঢ়

সাঁতরে ভরা খড়ি নদি পেরিয়ে চাষের জমিতে যাওয়ার সময়ে তলিয়ে গেলেন এক প্রৌঢ় চাষি। তাঁর নাম সাহাদাত মোল্লা (৭০)। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের শুশুনিয়া পঞ্চায়েতের ভোজপুর গ্রামে তার বাড়ি। এই খবর পেয়ে পুলিশ ও ব্লক বিপর্যয় ব্যবস্থাপন দপ্তরের কর্তাদের পাশাপাশি এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ঘটনাস্থলে পৌছান। তারই মধ্যে কালনা থেকে ডুবুরির দল এসে নদিতে নেমে সাহাদাত মোল্লার খোঁজ চালানো শুরু করে। যদিও এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তার হদিশ মেলেনি। এই অবস্থায় চরম উৎকন্ঠায় রয়েছেন চাষি সাহাদাত মোল্লার পরিবার।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কপলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্তেশ্বরের খড়ি নদির পারেই রয়েছে ভোজপুরের বাসিন্দা সাহাদাত মোল্লার কৃষি জমি। বছরের অন্যান্য সময়ে নদিতে তেমন জল থাকে না বলে এলাকার আর পাঁচটা চাষির মতো তিনি তখন হেঁটে নদি পেরিয়ে জমিতে যেতেন। তবে বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ডিভিসির ছাড়া জলে খড়ি নদিতে এখন কানায় কানায় জল । সহাদাত এদিন সকালে ভরা নদী সাঁতরে জমিতে যেতে গিয়ে তলিয়ে যান। ঘটনা প্রত্যক্ষ করে এলাকার কয়েকজন নদীর জলে নেমে তাঁর খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু খোঁজ পান না। পরে ডুরিরা নদির জলে সন্ধান চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। প্রৌঢ় চাষির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Damodar: জল কমতেই পূর্ব বর্ধমানের দামোদর পাড়ে ভাঙন আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে বাসিন্দাদের

কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিপাত ও তার সঙ্গে ডিভিসির ছাড়া জলে ফুলেফেঁপে উঠেছিল দামোদর। তার জেরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছিল প্লাবন পরিস্থিতি। আর এখন দামোদরের নদে জল কমতেই তার পাড় জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। রোয়া ধান জমি, সবজি চাষের জমি সবই দামোদরের গর্ভে চলে যেতে শুরু করায় মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের অমরপুর এলাকার চাষিদের। এই পরিস্থিতিতে কি ভাবে চাষ জমি রক্ষা করবেন সেকথা ভেবেই এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অমরপুরের চাষিরা। তারা চাইছেন নদী পাড়ের ভাঙন আটকাতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতজামালপুর ব্লকের জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের বহু গ্রামই দামোদর লাগোয়া। এখানকার অমরপুর, শিয়ালী, কোড়া, মাঠ শিয়ালী প্রভৃতি গ্রামের সিংহভাগ বাসিন্দাই কৃষিজীবী। দামোদরের ধার বরাবর বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে তাঁদের অনেকেরই চাষজমি। এখন অমরপুর এলাকায় দামোদরের পাড় জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। এলাকার প্রবীন চাষি শেখ মোবারক বলেন, বিগত কয়েকদিন ধরে চলা ভারী বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির জলাধার থেকে ছাড়া জলে দামোদর ফুলেফেঁপে উঠেছিল। এখন সেই জল কমতেই অমরপুরের প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকায় দামোদরের পাড়জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। রোয়া ধান জমি, সবজি চাষের জমি সবই চলে যাচ্ছে দামোদরের গর্ভে। শেখ মোবারক আরও জানান, দামোদরের ধারে তাঁর ৩ একর ২৭ শতক চাষ জমি ছিল। দামোদরের পাড় ভাঙনে বিগত কয়েক বছরে তাঁর ১ একর জমি নদী গর্ভে চলে গিয়েছে। এখন ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। এবার কতটা জমি দামোদরের গর্ভে তলিয়ে যাবে সেই দুশ্চিন্তায় তিনি এখন দিন কাটাচ্ছেন। এলাকার অপর চাষি সনাতন মাল, মৃত্যুন মাল প্রমুখরা বলেন, প্রতিবছর অমরপুর এলাকার চাষজমি দামোদরের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। চাষিরা জমিহারা হচ্ছে। অথচ নদী পাড়ের ভাঙন আটকানোর জন্য কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না। দামোদরে জল বাড়লে নেতা, মন্ত্রিরা এলাকায় এসে ছবি তুলে চলে যায়। কাজের কাজ আর কিছুই হয় না।অমরপুরের চাষিরা জমিহারা হয়েই চলেছে।আরও পড়ুনঃ কলকাতাগামী ট্যাঙ্কার থেকে গ্যাস লিকেজ, ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বর্ধমানেচাষিদের আনা অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চল তৃণমূলের যুব সভাপতি রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, অমরপুর এলাকায় যে ভাবে দামোদরের পাড় ভেঙে চাষ জমি নদী গর্ভে তা সত্যি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বহু জমি নদি গর্ভে তলিয়ে গেছে। এলাকায় হাইস্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে। ভাঙন যে ভাবে বাড়ছে তা দেখে মনে হচ্ছে এইসব কিছুও দামোদরের গর্ভে চলে যাবে কি না! রফিকুলবাবু জানান, ১০ বছর ধরে তাঁরা পুরশুড়া ও চাপাডাঙার সেচ দপ্তরের অফিসে ভাঙনের বিষয়ে লিখিত ভাবে জানিয়ে আসছেন। কিন্তু এখনও কোন সুরাহা হয়নি। জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন এই প্রসঙ্গে জানান, অমরপুরে নদী পাড়ের ভাঙন তিনি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে এসেছেন। ভাঙন রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। একই কথা শুনিয়েছেন জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু নদী পাড়ের ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Gas leakage: কলকাতাগামী ট্যাঙ্কার থেকে গ্যাস লিকেজ, ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বর্ধমানে

কাকভোরে ট্যাঙ্কার ফেটে কার্বন ডাই অক্সাইড লিক করে আতঙ্ক ছড়ায় বর্ধমানে। ২ নং জাতীয় সড়কের পাশে তেলিপুকুরে আন্ডারপাসের ওপর গ্যাসের ট্যাঙ্কারে বিপত্তি ঘটলে পুলিশ ও দমকলের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। জানা গিয়েছে, গাড়িটি কলকাতা যাচ্ছিল।শুক্রবার ভোরে লক্ষ্ণৌ থেকে কলকাতাগামী একটি ট্যাঙ্কারের হুইল কেটে বার্স্ট করে যায়। জানা গিয়েছে, এসআইসিজিআই এলের গাড়িটি কার্বন ডাই অক্সাইডে ভরা ছিল। মনে করা হচ্ছে, আগে থেকেই ট্যাঙ্কারে অল্প লিকেজ ছিল। জাতীয় সড়কের তেলিপুকুরে আন্ডারপাশের ওপর প্রশাসনিক ভবনের কাছে ট্যাঙ্কারটি বার্স্ট করে। গোটা এলাকায় গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয় পড়ে। ভয়ে মানুষজন সেখান থেকে দূরে সরে যান। খবর পাওয়া মাত্র দ্রুত দমকল আর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। দমকলের দুটি এঞ্জিন গ্যাস রিলিজ করে গাড়িটিকে নিরাপদ দুরত্বে নিয়ে যায়। কাজে হাত লাগায় পুলিশও।এলাকার বাসিন্দা পাপন মিত্র জানান, গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম আমরা। প্রশাসনে খুব ভালো কাজ করেছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Sucide: স্ত্রীকে খুন করে সেই ছুরিতে গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর, চাঞ্চল্য মেমারিতে

পারিবারিক সমস্যা নিয়ে বাকবিতন্ডা চালার সময়ে গলায় ধারালো ছুরি চালিয়ে স্ত্রীকে খুন করার পর নিজের গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করলো স্বামী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিয়ারা সোমেষপুর এলাকায়। মৃতার নাম সেরিনা বিবি(৩৩)। তাঁর স্বামী সাদ্দাম খান ওরফে জুমানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য গৃহবধূর মৃতদেহ এদিনই পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে । মৃতার বোন রাবিয়া বিবির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ বধূ নির্যাতন ও খুনের ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এমন দাম্পত্য হিংসার ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত মেমারির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দম্পতির একটি নাবালক পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।দম্পতির মধ্যে বনিবনা ছিল না। সাদ্দাম খান কর্মসূত্রে বাইরের রাজ্যে থাকতেন। বৃহস্পতিবারই সাদ্দাম মেমারির কাশিয়াড়া সোমেষপুরের বাড়িতে ফেরেন। পারিবারিক সমস্যা নিয়ে এদিন বিকাল সাড়ে ৫ টা নাগাদ সেরিনা বিবি ও তাঁর স্বামী সাদ্দাম খানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। ওই সময়ে হঠাৎই ধারালো ছুরি দিয়ে সাদ্দাম তাঁর স্ত্রী সেরিনার গালা কেটে দেয়। এমনকি সেরিনার পেটেও ছুরি ঢুকিয়ে দেয় সাদ্দাম। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সেরিনা বিবির। এরপর সাদ্দাম একই ছুরি দিয়ে নিজের গালা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। সন্ধ্যায় স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পেয়ে মেমারি থানায় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাদ্দামকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে সে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এমন দম্পত্য হিংসার ঘটনা দুই নাবালক সন্তানের সামনেই ঘটেছে বলে এলকাবাসীর কথায় জানা গিয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Minor Marriage: চার হাত এক হওয়ার মুহূর্তে ব্যাকুল খুদে প্রেমিকার স্বপ্ন ভঙ্গ

বিয়ের বয়স না হলেও প্রেমিককেই জীবনসঙ্গী হিসাবে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল খুদে প্রেমিকা। তাই বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার মণ্ডলহাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রেমিকা সটান চলে আসে পুর্বস্থলীর হলদি-নপাড়া এলাকা নিবাসী প্রেমিকের বাড়িতে। তাঁদের বিয়ের সব আয়োজনও সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ওই রাতেই সেখানে পৌছে যাওয়ায় ছাদনাতলায় বসার আগেই স্বপ্নভঙ্গ হল প্রেমিকার। সাবালিকা হয়ে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসার জন্য প্রেমিকাকে এখন পার করতে হবে পাঁচ পাঁচটা বসন্ত।দুই পরিবারের কাছ থেকে তেমনই মুচলেখা আদায় করে নিয়েছে পুলিশ ও চাইল্ড লাইন কর্তৃপক্ষ । নবালিকা অবশ্য সেই শর্তেই শেষমেষ সন্মতি জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার মণ্ডলহাট এলাকা নিবাসী নাবালিকার বয়স মাত্র ১৩ বছর। পূর্বস্থলীর হালদি-নপাড়া নিবাসী তাঁর প্রেমিকের বয়স কুড়ি। এই যুবককে বিয়ে করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল প্রেমিকা। তাই বুধবার সে সটান চলে আসে প্রেমিক যুবকের বাড়িতে।প্রেমিকাকে নিরাশ করতে না চেয়ে যুবকের পরিবার দুজনের চার হাত এক করার যাবতীয় আয়োজনও সম্পূর্ণ করে ফেলেন।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারসেই খবর গোপনে পৌছে যায় পূর্বস্থলী থানার পুলিশের কাছে। পাত্র পাত্রী ছাতনা তলায় বিয়ের পিড়িতে বসার আগেই পুলিশ তাদের তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। পুলিশের তরফে খবর দেওয়া হয় চাইল্ড লাইনে। এদিন কাটোয়া থেকে চাইল্ড লাইনের টিম পূর্বস্থলী থানায় পৌছেয়া। ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত ওই নাবালিকার বিয়ে দেওয়া যাবে না বলে দুই পরিবার চাইল্ডলাইনের কাছে মুচলেখা দেয়। তার পর তারা ছাড়া পায়।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে কুখ্যাত দুস্কৃতিচাইল্ড লাইন আধিকারিক সুচেতনা ভট্টাচার্য বলেন, অল্প বয়সে ছেলে, মেয়েদের বিয়ে দিলে তাদের শারীরিক ও মানসিক কি ক্ষতি হতে পারে তা দুই পরিবারকে বোঝানো হয়। বিবাহ সংক্রান্ত বয়সসীমা মানার ব্যাপারে দুই পরিবার এদিন মুচলেখা দিয়েছেন। নাবালিকাকে তাঁর বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Murder: পর পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী

পর পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া বধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল স্বামী। ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ সরকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার গন্ধর্বপুরে। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পলাতক শ্বশুর বাড়ির বাকি সদস্যরা। পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও পালাতক অভিযুক্তদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ জানিয়েছে, কালনা থানার বেলকুলি গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল কুমার ঘোষের মেয়ে শাশ্বতীর সঙ্গে ১৪ বছর আগে বিয়ে হয় বিশ্বজিৎ-এর। শাশ্বতী কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর নির্যাতন শুরু হয়। দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকে বধূ শাশ্বতীর উপর অত্যাচার আরও বাড়ে। অত্যাচার বন্ধের জন্য গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজন বেশ কয়েকবার আলোচনায় বসেছিলেন। কিন্থু অত্যাচার বন্ধ হয়নি। তারই মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশ্বজিৎ শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ দেয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন পাহাড়হাটি হাসপাতালে পৌছে শাশ্বতীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। শাশ্বতীর কপালে গভীর ক্ষতচিহ্ন ও গলায় কালশিটে দাগ দেখে বাপের বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেন শাশ্বতীকে খুন করা হয়েছে। বধূর বাবা মেমারি থানায় তাঁর জামাই সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে শাশ্বতীকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে বধূ নির্যাতন ও পরিকল্পনা মাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Stabbed: যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে বিধবাকে ছুরিকাঘাত, গ্রেফতার নাবালক

যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে ছুরিকাঘাত করে বিধবাকে জখম করার অভিযোগে গ্রেফতার হল এক নাবালক। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার রসুলপুরে। জখম বছর ৪৩ বয়সী বিধবাকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত নাবালককে গ্রেপ্তার করে এদিনই পেশ বর্ধমানের জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত বছর ১৫ বয়সী ওই নাবালক বিধবার প্রতিবেশী। বুধবার ভোর রাত ৩ টে নাগাদ বিধবা তাঁর বাড়িতে একাই ছিলেন। যৌন লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওই সময়ে প্রতিবেশী পরিবারের নাবালক বিধবার ঘরে ঢোকে। অভিযোগ, যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে নাবালক ধারালো ছুরি জাতীয় কিছু দিয়ে বিধবার শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাত করে। তাতে বিধবা মারাত্বক জখম হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। বিধবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনায় অভিযুক্ত নাবালককে গ্রেফতার করে। নাবালকের এমন কু-কীর্তির কথা জেনে স্তম্ভিত রসুলপুরের বাসিন্দারা।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Rape: বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক

গৃহবধূকে ধর্ষণ করার পর তাঁর সোনার গয়না ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবক। ধৃতের নাম ফজলুল হক শেখ। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি থানার জুনাড়া গ্রামে।দেওয়ানদিঘি থানার পুলিশ বুধবার ভোরে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৩ দিন পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম সেই আবেদন মঞ্জুর করার পাশাপাশি ধৃতের মেডিকেল পরীক্ষা করানোর জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক স্টেট মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধানকে নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ সাহসী পোশাকে আলুপোস্ত রেঁধে ভাইরাল রিম্পিপুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা বধূর বাড়ি জুনাড়া গ্রামেই। স্বামীর সঙ্গে তাঁর বনিবনা হয় না। ভরণপোষনের দায়িত্ব নেবে বলে আশ্বাস দিয়ে ফজলুল ওই গৃহবধূকে তাঁর কাছে চলে আসার জন্য বলে। গৃহবধূ তাতে রাজি হয়ে ৮৬ হাজার টাকা ও ৩ ভরি সোনার গয়না নিয়ে মাসখানেক আগে শ্বশুরবাড়ি ছাড়েন।আরও পড়ুনঃ উদ্বেগ বাড়িয়ে ডেল্টার প্রভাবে ফের বাড়ছে সংক্রমণঅভিযোগ এরপর ফজলুল ওই গৃহবধূকে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে। এমনকী সে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গৃহবধূকে সাদা কাগজে সইও করিয়ে নেয়। এর কয়েক দিন পরই গৃহবধূ বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ফজলুল তাঁর গয়না ও টাকা হাতিয়ে নিলেও তাঁকে বিয়ে করবে না বুঝে গৃহবধূ ফের শ্বশুর বাড়িতে ফিরে এসে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Big Breaking: ডেকরেটার্স ব্যবসার আড়ালে বেআইনি অস্ত্র কারখানা, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ, পলাতক অস্ত্র কারবারি

ডেকরেটার্স সামগ্রী ভাড়া দেওয়া ব্যবসার আড়ালে গোপনে বাড়িতেই অস্ত্র কারখানা চালাচ্ছিলেন ব্যবসায়ী। তাও আবার মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালার বাড়িতে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশে কাছে। এরপর আর একমুহূর্ত দেরি না করে পুলিশ এবং ওএসজি গ্রুপ মঙ্গলবার ভোর রাতে অভিযান চালায় কাটোয়ার লোহাপোতা গ্রামের রমজন আলি শেখের মাটির বাড়িতে। সেখানেই মেলে অস্ত্র কারখানার হদিশ। উদ্ধার হয় সদ্য তৈরি হওয়া ৩ টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭ রাউন্ড কার্তুজ, বেশ কয়েকটি অর্ধেক তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ তৈরির বেশকিছু সরঞ্জাম। যদিও বেআইনি অস্ত্র কারখানার মালিক রমজান আলি শেখকে পুলিশ ধরতে পারেনি। পুলিশ তাঁর বাড়িতে পৌছানোর আগেই সে পালিয়ে যায়। পুলিশ হন্যে হয়ে এখন আগ্নেয়াস্ত্র কারবারি রমজান আলি শেখের খোঁজ চালাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুপুলিশ জানিয়েছে, লোহাপোতা গ্রামে রয়েছে রমজান আলি শেখের মাটির দেওয়াল আর খড়ের চালার তিন কুটুরি ঘর। গ্রামের লোকজন তাঁকে ডেকরেটার্স ব্যবসায়ী হিসাবেই জানে। বাড়িতে রয়েছেন রমজানের বামা, মা, স্ত্রী ও মেয়ে। বাড়ির সামনে চেয়ার, টেবিল ও অন্যান্য ডেকরেটার্স সামগ্রী রাখা রয়েছে। যা দেখে কারও ঘুণাক্ষরেও বোঝার উপায় নেই ওই বড়িতেই চলছিল আস্ত একটি অস্ত্র কারখানা।আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ তৈরির সরঞ্জামগোপন সূত্রে সেই খবর কাটোয়া থানায় পৌছাতেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে। মঙ্গলবার ভোর রাতে রমজান আলি শেখের মাটির বাড়িতে অভিযানে গিয়ে পুলিশ কর্তারা কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যান । পুলিশ সেখানে পৌঁছনোর আগেই যদিও রমজান আলি বেপাত্তা হয়ে যায়। পুলিশ মাটির বাড়ির একটি ঘরে ঢুকে দেখতে পায় ঘরের ভিতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির যন্ত্রাংশ, তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, গ্যাস সিলিন্ডার, লোহার পাইপ, স্প্রিং, স্ক্রু বহু সরঞ্জাম।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলরমজানের সঙ্গে বিহারের মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারীদের যোগাযোগ ছিল কিনা সেই বিষয়টিই এখন পুলিশকে ভাবিয়ে তুলেছে। আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির জন্য রমজান আলি শেখের বাড়িতে বিহারের মুঙ্গেরের অস্ত্র কারবারীদের যাতায়াত ছিল কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গ্রামীণ) ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, লোহাপোতা গ্রামের রমজান আলি শেখ নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম, কার্তুজ ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে। তবে রমজান আলি শেখ অভিযান শুরুর আগেই পালিয়ে যায়। তার সন্ধান চলছে। রমজানের পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
রাজ্য

Party Office: বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়জয়কার, ’র‍্যাঙ্ক ডিমোশন' জামালপুর ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ের

বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় অভাবনীয় জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃতীয়বারের জন্য বাংলায় সরকার গঠন করার পর এখন তৃণমূল কংগ্রেসের লক্ষ্য ত্রিপুরা জয়। দলের এমন সাফল্যের মাঝেও র্যাঙ্ক ডিমোশন হল তৃণমূলের পার্টি অফিসের। শুধু র্যাঙ্ক ডিমোশন-ই নয়, বদল ঘটেছে পার্টি অফিসের কর্তৃত্বকরীদেরও। বিধানসভা ভোটের আগে যা ছিল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় ভোটের পর তার র্যাঙ্ক ডিমোশন হয়েছে জামালপুর ২ তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়-এ। অর্থাৎ জামালপুর ২ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সৌজন্যেই ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের এই র্যাঙ্ক ডিমোশন বলে দাবি করেছেন ব্লকের একাংশ তৃণমূল নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালবাম আমলে জামালপুর তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক পার্টি অফিস বলে কিছু তেমন ছিল না। বর্তমান ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খান পুলমাথা সংলগ্ন এলাকায় থাকা তাঁর বস্ত্র প্রতিষ্ঠানে বসেই তখন দলের কাজকর্ম চালাতেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের অন্যান্য বিধানসভার পাশাপাশি জামালপুর বিধানসভাতেও ঘাসফুল ফোটে। বিধায়ক নির্বাচিত হন উজ্জ্বল প্রামাণিক। এরপর ২০১৪ সালে জামালপুর বাস স্ট্যান্ডের গায়ে থাকা জায়গায় গড়ে তোলা হয় দ্বিতল তৃণমূলের একটি পার্টি অফিস। তখন থেকেই ওই পার্টি অফিসের দেওয়ালে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়। বিধায়ক উজ্জ্বল প্রামাণিক সহ ব্লক তৃণমূলের তদানিন্তন সভাপতি অরবিন্দ ভট্টাচার্য ও বিধায়ক ঘনিষ্ট অন্য তৃণমূলের নেতা, কর্মীরা সেখানে বসেই দলের কাজকর্ম চালাতেন। অন্যদিকে একই সময়কালের মধ্যে পুলমাথা সংলগ্ন এলাকায় দলের নামে থাকা জমিতে পার্টি অফিস গড়ে ফেলেন তৃণমূল নেতা মেহেমুদ খান। সেখানে বসেই আজও তিনি দলের কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিতউজ্জ্বল প্রামাণিক বিধায়ক হওয়ার কয়েক বছর পর থেকে তাঁর সঙ্গে মেহেমুদ খানের সম্পর্কে টানাপড়েন শুর হয়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দ্বন্দ্বও বাড়ে। যার পরিণামে ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে জামালপুর বিধানসভা আসনে পরাজিত হন উজ্জ্বলবাবু। জয়ী হন বাম প্রার্থী সমর হাজরা। এরপর ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে দল অরবিন্দ ভট্টাচার্যকে সরিয়ে জামালপুরের জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি শ্রীমন্ত রায়কে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করে। দল এবার উজ্জ্বল প্রামাণিককে আর জামালপুর বিধানসভার প্রার্থী করেনি। পরিবর্তে গলসির বিধায়ক অলোক মাঝিকে জামালপুর বিধানসভার প্রার্থী করে দল। তার পরেই শ্রীমন্ত রায়কে ব্লক তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে দল মেহেমুদ খানকে সভাপতি করে দেয়। মেহেমুদ খানের সাংগঠনিক শক্তিতে ভর করে অলোক মাঝি বিধায়ক নির্বাচিত হন।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাএর কিছুদিন পরেই র্যাঙ্ক ডিমোশন ঘটে যায় উজ্জ্বল প্রামাণিকের সাধের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের। ওই কার্যালয়ের দেওয়ালে লেখা থাকা ব্লক শব্দটি মুছে দিয়ে সেখানে ২ লিখে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় এখন জামালপুর ২ অঞ্চল তৃণমূলের কার্যালয়ের রূপ পেয়েছে। পাশাপাশি বদল ঘটেছে ওই তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের কর্তৃত্বকারীদেরও।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুএই বিষয়ে ব্লক তৃণমূলের পূর্বতন সভাপতি শ্রীমন্ত রায় কারও নাম মুখে না এনে জানান, ভোটের ফল বের হওয়ার কয়েকদিন পর দলেরই একাংশ তাঁদের পার্টি অফিসের দখল নিয়েছে। অন্যদিকে জামালপুরের শুড়েকালনার জেলা তৃণমূল নেতা প্রদীপ পাল এই ঘটনার জন্য সরাসরি ব্লক তৃণমূলের বর্তমান সভাপতি মেহেমুদ খান ও যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিককে দায়ী করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষনার পর মেহেমূদ খান ও ভূতনাথ মালিক দলবল নিয়ে তাঁদের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসে কার্যালয়ের দখল নেয়। তারপর দেওয়ালের লেখা মুছে দিয়ে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়কে জামালপুর ২ অঞ্চল অফিসে পরিণত করা হয়েছে। প্রদীপ পাল জানান, ঘটনা সবিস্তার লিখে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী সহ জেলা ও রাজ্য তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। দল এই বিষয়ে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে। যদিও জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহেমুদ খান ও যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক দাবি করেছেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। ওই পার্টি অফিসে আমরা যাই না। ওখানে কি হচ্ছে না হচ্ছে সেই বিষয়ে ওয়াকিবহালও নই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, কি ঘটনা ঘটেছে তা জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে জেনে তার পর মন্তব্য করব।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজ্য

Heavy Rain: টানা ভারি বৃষ্টিতে জলপ্লাবিত পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকা, তলিয়ে গেল কাঠের সেতু

কয়েকদিন ধরে চলা বৃষ্টিপাতের জেরে পূর্ব বর্ধমানের বেশকিছু জায়গায় তৈরি হয়েছে প্লাবন পরিস্থিতি। কোথাও চাষের জমি ডুবেছে জলের তলায় ,আবার কোথাও রাস্তায় জমেছে হাঁটু সমান জল। অনেক গ্রামও জলপ্লাবিত হয়ে পড়েছে। জলের তোড়ে কাঠের সেতু ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় ঘটেছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন জেলার গলসি , জামালপুর ও খণ্ডঘোষের বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দা। তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্তারা।রাজ্যের অন্য জেলাগুলির পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও বিগত তিন দিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিপাত হয়ে চলেছে। তার জেরে জল বেড়েছে দামোদর, দারকেশ্বর প্রভৃতি নদ নদীতে। রায়নার একলক্ষ্মীতে দ্বারকেশ্বর নদের সেতুর কাছের দেবখালের উপর থাকা কাঠের সেতুটি এদিন জলের তোড়ে ভেসে যায়। দ্বারকেশ্বরের উপরে থাকা ওই কাঠের সেতুর উপর দিয়েই গাড়িতে চড়ে, হেঁটে প্রতিদিন হুগলি ও বর্ধমান জেলার বহু মানুষ তাঁদের গন্তব্যে যাতায়াত করতেন। জলের তোড়ে সেই কাঠের সেতু ভেসে যাওয়ায় বিপাকে পড়ে গিয়েছেন বাসিন্দারা। জল আরও বাড়লে এলাকার শ্মশানচুল্লিটি তলিয়ে যেতে পারে বলে বাসিন্দারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।বৃহস্পতিবার বিকালে রায়না ২ ব্লকের বিডিও বিডিও অনিশা যশ, যুগ্ম বিডিও পার্থসারথি রায়চৌধুরী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধাড়া মালিক প্রমুখরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বৃষ্টির জলের পাশাপাশি ডিভিসির সেচখালে ছাড়া জলে গলসি ২ ব্লকের চার-পাঁচটি গ্রামের মাঠ প্লাবিত হয়েছে। সদ্য রোয়া কাজ সম্পূর্ণ হওয়া হাজার হাজার একর আমন ধানের জমি এখন জলের তলায়। জমির এমন অবস্থা তৈরি হওয়ায় মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে এলাকার অধিকাংশ চাষিদের। গলসি ২ ব্লক কৃষি দপ্তরের প্রতিনিধি দল এদিন এলাকা পরিদর্শন করেন। চাষের জমিতে জল জমা ছাড়াও হাঁটু জলে ডুবেছে ভূঁড়ি থেকে ইটারু যাওয়ারর একাংশ রাস্তা। ওই রাস্তা দিয়ে এখন যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গ্রামে জল জমে থাকায় কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেকটা একই রকম অবস্থা তৈরি হয়েছে জামালপুর ব্লকের জামালপুর ২ পঞ্চায়েত অধীন কানঘোষা এলাকায়। এখানকার প্রায় ২৫-৩০ টি পরিবার বসবাস করেন জামালপুর - রায়না সড়ক পথের ধারে। তাদের প্রত্যেকেরই বাড়ি মাটির তৈরি।কয়েক দিনের লাগাতার বর্ষনে উপচে পড়ছে ওই বসতি এলাকা সংলগ্ন মাঠের জল। সেই জল ওইসব কাঁচা বাড়ির একেবারে দোরগোড়া পৌছাতেই বিপাকে পড়ে গিয়েছেন বাসিন্দারা। এদিন সেই খবর পেয়েই হতদরিদ্র ওই মানুষগুলির কাছে পৌছে যান জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন ও কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক। তাঁরা ওই পরিবারের সদস্যদের হাতে ত্রিপল ও অন্য সামগ্রী তুলে দেন। মেহেমুদ খাঁন ওইসব পরিবারের সমস্যদের আশ্বস্ত করেন, জলযন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য এখন যদি তারা অন্যত্র থাকতে চান তার ব্যবস্থা করা হবে । প্রয়োজনে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০ ঘর বাসিন্দার খাওয়া-থাকার ব্যবস্থা করা হবে বলে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জানিয়ে আসেন।আরও পড়ুনঃ করোনা আতিমারির জন্য অনাড়ম্বর ভাবে পালিত হল মোহনবাগান দিবসজেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু এই বিষয়ে জানান, কোথায় কোথায় রোয়া ধানের জমি জলে ডুবে গেছে সেই ব্যাপারে ব্লক প্রশাসন খোঁজ খবর রাখছে। দুর্যোগ কবলিত এলাকার মানুষজনের পাশে দাঁড়াচ্ছে সেখানকার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্তারা। সহয়তাও প্রদান করা হচ্ছে । ক্ষয়-ক্ষতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Raina: রায়নায় শুরু ’দুয়ারে কাস্ট সার্টিফিকেট প্রদান’ কর্মসূচি

দুয়ারে সরকার কর্মসূচির অনুকরণে এবার শুরু হল দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান। পূর্ব বর্ধমানের রায়না বিধানসভার রায়না ২ ব্লকের ৩ হাজার জনের বাড়িতে বৃহস্পতিবার জাতিগত শংসাপত্র (কাস্ট সার্টিফিকেট ) পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। রায়নার বিধায়ক তথা জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধাড়া দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেওয়ার কর্মসূচী নেওয়ায় খুশি রায়নার বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালবিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয় দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। রাজ্য সরকারের চালু করা এই কর্মসূচি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর পর থেকেই দুয়ারে রেশন, দুয়ারে পুলিশ প্রভৃতি কর্মসূচি নেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বিধায়ক শম্পা ধাড়া নিজে উদ্যোগ নিয়ে রায়নায় শুরু করলেন দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচি। যা জানমানসে সাড়া ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?বিধায়ক শম্পা ধারা এদিন রায়না ২ ব্লকের আরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের আলমপুর গ্রাম থেকে এই কর্মসূচির সূচনা করেন। ব্লকের বিডিও অনিষা যশ জানান, এদিন ৩ হাজার জনের বাড়ি বাড়ি জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । বিধায়ক শম্পা ধাড়া বলেন,আগে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য মানুষজনকে চূড়ান্ত হয়রানি হতে হত। দপ্তরে ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়েও মিলতো না কাস্ট সার্টিফিকেট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগী হওয়ায় কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জটিলতার দিন শেষ হয়। এখন ঘরে বসেই মানুষজন জাতিগত শংসাপত্র অর্থাৎ কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যাচ্ছেন। বাড়িতে বসেই কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে রায়নার বাসিন্দারা খুশী বলে শম্পা ধারা দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলআরুইগ্রামের বাসিন্দা তমাল রুইদাস বলেন, কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য বহুবার দপ্তরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন হতাশ হয়েই তাঁকে ফিরতে হয়। কিন্তু এদিন ঘরে বসেই কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যথেষ্টই খুশি বলে তমাল রুইদাস জানান। অপর বাসিন্দা সুমিত্রা দাস বলেন, যে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন সেই কাস্ট সার্টিফিকেট একেবারে বাড়ির দুয়ারে এসে কেউ দিয়ে যাবে সেটা কল্পনাও করতে পারেননি। এ এক অভাবনীব কর্মসূচি বলে সুমিত্রা দাস মন্তব্য করেন।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াএদিনের দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচিতে রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়া ছাড়াও মহকুমাশাসক (দক্ষিণ) কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল, বিডিও অনিশা যশ, যুগ্ম বিডিও পার্থসারথি রায় চৌধুরী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধারা মালিক সহ অন্য জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Tree Theft: মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ৫

বেআইনি ভাবে বহু লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন পাঁচ ব্যক্তি। ধৃতদের নাম সুকুমার বিশ্বাস, মিলন বিশ্বাস, শেখ আব্বাসউদ্দিন ওরফে সাগর, নূর মহম্মদ শাহ ও শেখ সফিক ওরফে শম্ভু। ধৃতদের মধ্যে সুকুমার ও মিলনের বাড়ি ভাতার থানা এলাকায়। বাকি ধৃতদের বাড়ি জেলার গলসি থানার পারাজ, তেঁতুলমুড়ি ও মসজিদপুরে। গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সুকুমার ও মিলনকে তাঁদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে ১০০টি গাছের লগ উদ্ধার হয়। এরপর তাদের নিয়ে পুলিশ আব্বাসউদ্দিনের কাঠের গোলায় হানা দেয়। সেখান থেকেও ২১০টি লগ উদ্ধার হয় বলে পুলিশের দাবি। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। আরও গাছ উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সুকুমার, আব্বাসউদ্দিন, নূর মহম্মদ ও সফিককে ৫ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। সিজেএম ওই ৪ জনকে ৩ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকি ধৃতদকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতাপুলিশ জানিয়েছে, গলসির মসজিদপুর পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে ফকিরচন্দ্র রায় রোড। ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ ওই সড়কপথের দুপাশে সোনাঝুরি, শিরিষ, বাবলা প্রভৃতি গাছ লাগিয়েছিল পঞ্চায়েত। সেখানকার পুরানো ও মূল্যবান প্রায় ২ হাজার গাছ গত ৫ জুলাই থেকে ১১ জুলাইয়ের মধ্যে কেটে নিয়ে কয়েকজন পাচার করে দেয়।এলাকাবাসী প্রথমে মনে করেন পঞ্চায়েতের অনুমতি নিয়েই গাছ কাটা হয়েছে। পরে তাঁরা পঞ্চায়েতে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন গাছ কাটার ব্যাপারে পঞ্চায়েত কাউকে কোনও অনুমতি দেয়নি । গাছ কাটা নিয়ে কোনও টেণ্ডারও পঞ্চায়েত ডাকেনি।এমনকি গাছ কাটার জন্য বনদপ্তরের অনুমতিও নেওয়া হয়নি। বিষয়টি জানার পর স্থানীয় বাসিন্দারা বিডিওকে অভিযোগ জানান। বিডিও তদন্ত করে অভিযোগের সারবত্তা পেয়ে ২৫ জুলাই গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে গলসি থানার পুলিশ পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Parents Murder: বৃদ্ধ বাবাকে ঘুম থেকে তুলে পিটিয়ে মারার অভিযোগে গ্রেপ্তার মদ্যপ ছেলে

ভোর রাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফিরে বৃদ্ধ বাবাকে ঘুম থেকে তুলে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ছেলে।ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ হালদার। এই ঘটনার জেরে বুধবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার কাকুরিয়া পঞ্চায়েতের মেদগাছি গ্রামে। কালনার বুলবুলিতলা ফাঁড়ির পুলিশ মৃতকুমুদরঞ্জন হালাদার(৭১)এর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন এলাকাবাসী।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনার মেদগাছি গ্রামে বাড়ি কুমুদরঞ্জন হালদারের। অসুস্থ সত্তর ঊর্ধ্ব এই বৃদ্ধ বুধবার ভোররাতে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ছেলে বিশ্বজিৎ তখনও বাড়ি না ফেরায় তাঁর মা অঞ্জলিদেবী না ঘুমিয়ে বাড়িতে ছেলের খাবার আগলে বসে ছিলেন। ভোর তিনটে নাগাদ মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরে গুণধর ছেলে বিশ্বজিৎ। মদ খেয়ে কেন বাড়িতে বাড়িতে এসেছিস? এই প্রশ্ন মা অঞ্জলিদেবী করতেই মায়ের উপরে চড়াও হয় মদ্যপ ছেলে বিশ্বজিৎ । ধারালো হাঁসুয়া নিয়ে বিশ্বজিৎ তাঁর মায়ের গলায় ঠেকালে মা প্রাণভয়ে ঘরছেড়ে পালায়। এরপর বিশ্বজিৎ তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে ঘুমন্ত অবস্থায় খাট থেকে তুলে এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করে। ছেলের মারে গুরুতর জখম হয়ে ঘরের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন কুমুদরঞ্জন বাবু। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথম গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। কলনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বৃদ্ধ কুমুদরঞ্জন হালদার । ঘটনার খবর পেয়ে বুলবুলিতলা ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ছেলে বিশ্বজিৎ হালদার কে আটক করে থানায় নিয়ে যায় । জেরায় বাবাকে মারধোরের কথা কবুল করার পরেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বৃদ্ধর এমন অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Jamalpur: মন্দিরে ভক্ত সেজে সোনার হার ছিনতাই, গ্রেফতার ৬ সুন্দরী মহিলা

দেবতার দরবারে হাজির হয়েছিল ছয় সুন্দরী চোর ও তাঁদের গাড়ির চালক। একেবারে ফিল্মি কায়দায় তারা এক মহিলা ভক্তকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে তার গলায় থাকা সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা আর হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্তসেজে হাজির হওয়া ৬ মহিলা ও তাদের গাড়ি চালককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আটক করা হয়েছে ধৃতদের ব্যবহৃত চারচাকা গাড়িটি। ধৃতরা সকলেই হুগলী জেলার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থকেই উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া সোনার হারটি।পুলিশের অনুমান, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রে জড়িত। মঙ্গলবার ৭ ধৃতকে কালনা মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ তদন্তের প্রয়েজনে ৬ দিনের জন্য তাদর নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় তরুণদীপ রাইয়েরপুলিশ জানিয়েছে, সোমবার পূর্বস্থলীর জামালপুরের বুড়োরাজের মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য অনেক ভক্ত লাইনে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে ধৃত ছয় মহিলাও ছিল। দুপুরে হঠাৎই লাইনে হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। কয়েকজন ভক্ত মাটিতে পড়ে যান। সেই ফাঁকে পড়ে যাওয়া মহিলা স্বপ্না দাসের গলা থেকে সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে গাড়ি চেপে পালিয়ে যায় ভক্ত সেজে আসা মহিলা ছিন্তাইবাজদের দল। স্বপ্না দাস চোরেদের টাটা সুমো গাড়ির নম্বর ও রঙের বিষয়টি তৎক্ষণাৎ মন্দির চত্ত্বরে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ারদের জানায়। সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ ওই টাটাসুমো গাড়িটির খোঁজে নেমে পড়ে। গাড়ি সহ সুন্দরী মহিলা চোরের দলটি ধরা পড়ে পুলিশের হাতে।আরও পড়ুনঃ আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতাকালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, পুলিশি তৎপরতায় বুড়োরাজের মন্দিরে ভক্ত সেজে এসে মহিলার হার ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়া ৬ মহিলা সহ ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া সোনার হারটি। মনে করা হচ্ছে এই চোরের দলটি বিভিন্ন জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে সবিস্তার খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Suicide: বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই বহুতল হাসপাতাল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী ছেলে

বাবার মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা পরেই বহুতল হাসপাতাল বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হল ছেলে। মৃতের নাম অশোক রুইদাস (২২)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার তোড়কনা গ্রামে। সে ইংরেজি অনার্সের তৃতীয় বর্ষে ছাত্র ছিল। অশোকের আকস্মিক এই মৃত্যুর ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত পরিবার-পরিজন ও প্রতিবেশীরা।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত ক্রুণাল পান্ডিয়া, স্থগিত ভারতশ্রীলঙ্কা ম্যাচমৃতর দাদা অলোক রুইদাস জানিয়েছেন, তাঁর বাবা কার্তিক রুইদাস (৫০) সম্প্রতি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে প্রথম বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু কার্তিক বাবু সুস্থ হননি। শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় আট দিন আগে পরিবারের লোকজন কার্তিকবাবুকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার বিকাল ৫ টা নাগাদ দুর্গাপুরের হাসপাতালেই কার্তিক রুইদাসের মৃত্যু হয়। অলোক রুইদাস বলেন, বাবার মৃত্যু সংবাদ তাঁর ভাই অশোক-ই তাঁকে জানায়। মা ভেঙে পড়বে বলে আমরা মাকে বাবার মৃত্যু সংবাদ জানাইনি। তারই মধ্যে ওই দিন রাত সাড়ে নটা নাগাদ অশোক হঠাৎই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর বেশ কিছু সময় বাদ অশোক আমাকে ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে জানায় বাবার মৃত্যুর জন্য আমি দায়ী। মেসেজ আসার আধঘন্টা পর আলোক দেখেন তাঁর ভাই অশোক হাসপাতলের ৫ তলা বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে নীচে ঝাঁপ দিয়েছে। অশোককে উদ্ধার করে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দাদা অলোক রুইদাস বলেন, ইংরেজি অনার্স নিয়ে পড়াশুনা শেষ করে ভাইয়ের ব্যাঙ্গালোরে পড়তে যাওয়ার কথা ছিল। ওর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতখণ্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি শ্যামল দত্ত বলেন, সোমবার বিকেলে বাবার মৃত্যুর পর রাতে ওই হাসপাতালের পাঁচ তলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়ে ছোট ছেলে অশোক রুইদাস আত্মঘাতী হয়। দুর্গাপুরের বিধাননগর থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এদিন ময়নাতদন্তের পর বাবা ছেলের মৃতদেহ একসঙ্গে তোড়কনার বাড়িতে আসে।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজ্য

Eco-Tourism: গলসির ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার প্রস্তাব, পরিদর্শন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টার

ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার প্রস্তাব পেয়ে মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভরতপুর এলাকা পরিদর্শন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এলাকা পরিদর্শনে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন গলসি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস, পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায় ও স্থানীয় চাকতুঁতুল গ্রাম পঞ্চায়েতর প্রধান অশোক ভট্টাচার্য। মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা এলাকা পরিদর্শনে আসায় বেজায় খুশি গলসি ১ ব্লক প্রশাসনের কর্তারা। তাঁরা প্রত্যাশা করছেন ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার ব্যাপারে খুব শিঘ্র রাজ্য সরকারের সবুজ সংকেত মিলে যাবে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনগলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতি সহ-সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, চাকতেঁতুলে গ্রাম পঞ্চায়েতের ভরতপুরে ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার জন্য আমরা রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠাই। সেই প্রস্তাব পেয়ে এদিন চাকতেঁতুল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভরতপুর এলাকার জমি ও বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুপ বাবু বলেন,ভরতপুর এলাকায় বহু পুরাতন বৌদ্ধ স্তুপ রয়েছে। এছাড়াও এলাকায় রয়েছে দামোদর নদে রনডিহা ব্যারেজের মনোরম সৌন্দর্য্য। যা দেখতে প্রায় প্রতিদিনই বহু মানুষ সেখানে ভিড় জমান। এছাড়াও এলাকায় রয়েছে বুজে যাওয়া গাঙ্গুর নদীর পাশের কসবা গ্রাম। যার উল্লেখ রয়েছে মনসামঙ্গল কাব্যে। ওই জায়গায় রয়েছে চাঁদ সওদাগরের শিব মন্দির ও বেহুলা লক্ষ্মীন্দরের স্মৃতি বিজড়িত লোহার বাসর ঘর। কালক্রমে লোহার ঘরটি বিলুপ্ত হয়ে গেলেও চাঁদ সদাগরের সেই শিব মন্দির আজও তদানীন্তন কালের ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। এইসব কিছুই যুগ যুগ ধরে এলাকার পৌরাণিক ইতিহাসকে ধরে রেখেছে। তাই এমন ইতিহাস প্রসিদ্ধ জায়গায়আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালপর্যটক আকর্ষণ বাড়াতে ইকো টুরিজম সেক্টরের গড়ার প্রস্তাব রাজ্য সরকারকে পাঠানো হয়। বিডিও ও পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দুজনেই আশাবাদী ইকো ট্যুরিজম সেক্টর গড়ার ব্যাপারে রাজ্য সরকার সবুজ সংকেত দেবে। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও এদিন সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই বিষয়ে কিছু স্পষ্ট করেননি ।

জুলাই ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে ৮০ লক্ষ নাম বাদ? এসআইআর শুনানি ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার ছিল আনুষ্ঠানিক শেষ দিন, তবে শুক্রবারই শুনানি শেষ হয়েছে। এখন চলছে তথ্য আপলোড ও যাচাইয়ের কাজ।কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে নোটিস পাওয়ার পরও প্রায় ৬ লক্ষ ভোটার ইআরও-দের সামনে হাজির হননি। তাই তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া লজিক্যাল ত্রুটি এবং অ্যানম্যাপড ভোটারের তালিকা থেকেও প্রায় ১০ শতাংশ নাম বাদ যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছিল, প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ যোগ করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬৪ লক্ষ। এর সঙ্গে আরও ১০ লক্ষের বেশি অ্যানম্যাপড ও লজিক্যাল ত্রুটি থাকা নাম ধরলে মোট সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে কমিশন সূত্রের অনুমান।অনেকেই শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। তার বদলে প্যান কার্ড বা সংবাদপত্রের কাটিংয়ের মতো কাগজ জমা দিয়েছেন। সেই কারণে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে।কমিশন জানিয়েছে, কার নাম কেন বাদ গেল, তা নোটিস দিয়ে জানানো হবে। নাম বাদ গেলে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সুরাহা না হলে আরও পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন জানানো যাবে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগে স্ক্রুটিনি চলছে। সিইও-র ছাড়পত্র মিললেই প্রকাশিত হবে তালিকা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জিতে পরদিনই আওয়ামি লিগের অফিসের তালা খুললেন বিএনপি সাংসদ! পঞ্চগড়ে চমক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আবু দাউদ প্রধান। নির্বাচনে জয়ের পরদিনই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী দল আওয়ামি লিগ-এর একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেন। ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্চগড় জেলায়। আবু দাউদ প্রধান পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিএনপির সভাপতি এবং সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামি লিগ সরকারের পতনের পর দেশের নানা প্রান্তে দলটির দপ্তরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার ভিন্ন ছবি দেখা গেল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ার পরদিন চাকলাহাট ইউনিয়নে আওয়ামি লিগের একটি অফিস খুলে দেন আবু দাউদ।এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা। ভিডিওতে স্থানীয় আওয়ামি লিগ নেতারা বলেন, এই পদক্ষেপ মহৎ উদ্যোগ। অন্যদিকে কয়েকজন স্থানীয় নেতা শান্তি ও সহাবস্থানের বার্তা দেন।আবু দাউদ প্রধান বলেন, তিনি জানতে পারেন যে অফিসটি তালাবদ্ধ রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্যই তিনি তালা খুলে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, এটি দলের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং শান্তি বজায় রাখার উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, কোনও দলই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, অফিসটি আগে অন্য একটি গোষ্ঠী তালাবদ্ধ করে রেখেছিল। এখন সেটি খুলে পরিষ্কার করা হচ্ছে। আপাতত সেখানে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম হবে না বলেই জানানো হয়েছে।বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই পদক্ষেপ নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। বিরোধী দলের দপ্তর খুলে দেওয়ার ঘটনায় দেশে সহাবস্থানের নতুন ইঙ্গিত মিলছে কি না, তা নিয়েই এখন চর্চা তুঙ্গে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

মোদীর ফোন, জয়শঙ্কর কি যাচ্ছেন শপথে? কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদল স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান।যদিও এখনও সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হয়নি, তবু দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। তবে নিয়মের কিছু জটিলতার কারণে আজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে পারছেন না তারেক। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার তাঁর শপথ গ্রহণ হতে পারে।শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। সময়মতো আমন্ত্রণ এলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত। এর আগে খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তখন তাঁর সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎও হয়েছিল। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বাংলাদেশে ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সূত্রের খবর, ফোনেও কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে।গত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। শেখ হাসিনা-র সরকারের পতনের পর সেই দূরত্ব আরও বেড়েছিল বলে মনে করা হয়। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে উন্নতির পথে হাঁটতে পারে বলে আশা কূটনৈতিক মহলের। দিল্লিও সেই দিকেই নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর নথির নামে ডেকে খুন! বাদুড়িয়ায় দেহাংশ উদ্ধার, গ্রেফতার বিএলও

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-য় চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। এসআইআর সংক্রান্ত নথির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক বিএলও-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মৃত যুবকের নাম নাসির আলি (৩৬)। তাঁর বাড়ি পাপিলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বিএলও-র নাম রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টু। তিনি পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও। সাগর গাইন নামে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নাসিরের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত কারণে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স নিয়ে দেখা করতে হবে। ফোনকারী নিজেকে এইআরও বলে পরিচয় দেন। সেই ফোন পাওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নাসির। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবার বাদুড়িয়া থানার পুলিশ-এর কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে।পরদিন চাতরা এলাকার একটি খাল থেকে নাসিরের মোটরবাইক ও জুতো উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রিজওয়ান ও সাগরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বাদুড়িয়ার বিভিন্ন খাল ও সেতুর নীচে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই তিনটি প্যাকেটের মধ্যে নাসিরের দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁর মাথা উদ্ধার হয়নি।কেন এই নৃশংস খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। মৃতের স্ত্রী বিউটি খাতুন বিবি বলেন, রিজওয়ান তাঁদের পরিচিত ও বন্ধুই ছিলেন। তাঁর স্বামীর উপর এমন অত্যাচারের কঠোর শাস্তি চান তিনি।ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
দেশ

ঐতিহাসিক মুহূর্ত! জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান

ঐতিহাসিক নজির গড়ল অসম। বিমানবন্দর নয়, জাতীয় সড়কের উপর জরুরি অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমান। অসমের মোরানে এই ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটির পরীক্ষা করা হয়। একদিনের সফরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।চাবুয়া এয়ারফিল্ড থেকে উড়ে এসে প্রধানমন্ত্রীর সি-১৩০জে বিমান ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারিত অংশে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর প্রায় ৪০ মিনিটের এয়ার শো হয়। আকাশে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করে তেজস, সুখোই ও রাফালের মতো যুদ্ধবিমান।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে এই ধরনের অবতরণ পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সামরিক প্রয়োজনের সময় উদ্ধারকাজে এটি বড় ভূমিকা নেবে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরান বাইপাসে ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশেষ অবতরণ পথ তৈরি হয়েছে।এই পথ অসামরিক ও সামরিকদুই ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যাবে। জরুরি সময়ে এটি ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। ৪০ টন পর্যন্ত যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন পর্যন্ত পরিবহণ বিমান এখানে অবতরণ করতে পারবে। এর আগে ২০২১ সালে রাজস্থানের বারমেরে প্রথম এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।অসম সফরে প্রধানমন্ত্রী একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পেরও উদ্বোধন করবেন। ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর তৈরি একটি সেতুর উদ্বোধন করবেন তিনি, যা উত্তর গুয়াহাটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। এতে যানজট কমবে এবং যাতায়াতের সময়ও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।এছাড়া গুয়াহাটিতে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১০০টি ইলেকট্রিক বাসেরও সূচনা করবেন তিনি। সফরের শেষে গুয়াহাটিতে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ না মেটানোয় বড় ধাক্কা! মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে আদালত অবমাননার নোটিস

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ না মেটানোয় এবার বড় আইনি চাপে রাজ্য সরকার। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্র-কে আদালত অবমাননার নোটিস পাঠালেন ডিএ মামলাকারীরা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দ্রুত মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশের এক সপ্তাহ পরেও বকেয়া না মেটানোয় ক্ষুব্ধ মামলাকারীরা ফের আইনি পথে হাঁটলেন।আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের মাধ্যমে পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ ইচ্ছাকৃত ভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। যা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দ্রুত দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি ৭৫ শতাংশ কী ভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা ঠিক করতে একটি কমিটি গঠন করার কথাও বলা হয়। তবে এবার অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়নি। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, দ্রুত নির্দেশ মানতে হবে।এর আগেও গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট চার সপ্তাহের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হয় ২৭ জুন। পরে রাজ্য সরকার আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়।মামলাকারীদের আইনজীবী জানান, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি বলেই আদালত অবমাননার নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এখন রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

উড়ান থামিয়ে নামানো হল যাত্রীদের, শৌচাগার থেকে মিলল বোমা-হুমকি

সাতসকালে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ। শিলংগামী ইন্ডিগো-র 6E-7304 নম্বর বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। খবর ছড়াতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে শিলং যাওয়ার কথা ছিল ওই বিমানের। উড়ানের আগে বিমানের শৌচাগার থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেন এক ক্রু সদস্য। চিরকুটে লেখা ছিল, বিমানে বোমা রাখা আছে। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিমান কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত একে একে সব যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। সতর্কতাবশে বিমানটিকে আলাদা বে-তে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরো বিমান জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলংগামী ওই উড়ানটি দুপুর ১টা ১০ মিনিট নাগাদ রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত উড়ান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ঝাঁজ! ৩০ ডিগ্রির পথে কলকাতা, শীত কার্যত বিদায়

বসন্তের শুরুতেই চড়া রোদের তেজ টের পাচ্ছে কলকাতা। তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ৩০ ডিগ্রির দিকে এগোচ্ছে। শীতের আমেজ প্রায় উধাও। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া অফিস।আগেই বলা হয়েছিল, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শীত বিদায় নেবে। এখন সেই পূর্বাভাসই মিলছে। কলকাতা সহ গোটা রাজ্যেই তাপমাত্রা বাড়ছে। পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। দিনের বেলায় গরম অনুভূত হচ্ছে, রাতেও ঠান্ডা কমে আসছে।পূর্বাভাস বলছে, আগামী সপ্তাহে কলকাতার রাতের তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে আরও বাড়তে পারে পারদ। মার্চ মাস থেকে গরম পুরোপুরি দাপট দেখাতে শুরু করবে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিও ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা।আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ১৬ ডিগ্রি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৭ শতাংশ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আজ এবং আগামী কয়েক দিনে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। তবে সপ্তাহের শেষ দিক থেকে সেখানেও তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।সব মিলিয়ে, ফেব্রুয়ারিতেই গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট। মার্চে পরিস্থিতি আরও বদলাতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal